মেসির গোল, ইন্টার মায়ামির জয়

মেসির গোল, ইন্টার মায়ামির জয় স্কোয়াডে নাম থাকলেও শুরুর একাদশে ছিলেন না মেসি। অপেক্ষার অবসান দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই। তাকে পেয়ে বেড়ে যায় দলের খেলার ধার। কিন্তু গোল হচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত তার একটু জাদুর ছোঁয়াতেই দূর হলো দলের দুর্ভাবনা। একটু পর তার আরেকটি জাদুকরি মুহূর্ত নিশ্চিত করে দিল দলের জয়। চোট কাটিয়ে তিন ম্যাচ পর মাঠে ফিরেই ইন্টার মায়ামির জয়ের নায়ক মেসি। মেজর লিগ সকারে তার দল ৩-১ গোলে হারাল লস অ্যাঞ্জেলস গ্যালাক্সিকে।রোববার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় ভোরে ঘরের মাঠ চেজ স্টেডিয়ামে গ্যালাক্সিকে আতিথ্য দেয় মায়ামি। ম্যাচে বল দখলে পিছিয়ে থাকলেও আক্রমণের দিক থেকে অনেক এগিয়ে ছিল লিওরা। প্রথমার্ধের শেষ দিকে জর্ডি আলবার গোলে এগিয়ে যায় দলটি। ১-০ তে লিড নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মেসি। খানিক পর জোসেপের গোলে স্কোরলাইনে সমতা টানে গ্যালাক্সি। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে ডি পলের পাস থেকে জালে বল জড়ান লিও। ১৯ গোল নিয়ে মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় শীর্ষে এখন এলএমটেন। পাঁচ মিনিট পর মৌসুমের দশম অ্যাসিস্ট আসে রেকর্ড আটবারের বর্ষসেরার পা থেকে। মেসির অ্যাসিস্ট থেকে জয়সূচক গোলটি করেন সুয়ারেজ। এই জয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে চারে উঠে এলো মায়ামি। উল্লেখ্য, আগামী বৃহস্পতিবার লিগ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে টাইগ্রেসের মুখোমুখি হবে মেসি-সুয়ারেজরা। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায়।

বার্সার শিরোপা রক্ষার মিশন শুরু আজ রাতে 

বার্সার শিরোপা রক্ষার মিশন শুরু আজ রাতে প্রাক মৌসুম প্রস্তুতিটা ভালোই হয়েছে বার্সেলোনার। প্রীতি ম্যাচে প্রতিপক্ষগুলোকে গোলের মালাই পরিয়েছেন হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। এশিয়া সফরে ৩ ম্যাচে করেছিল তারা ১৫ গোল। এরপর জোয়ান গাম্ফার ট্রফিতে কোমোর জালেও কাতালানরা বল পাঠিয়েছিল ৫ বার। গোল উৎসবের প্রতিশ্রুতি রেখে লা লিগার শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নামছে বার্সা। আজ রাতে কাতালানরা খেলতে যাবে মায়োর্কায়। কাতালানদের শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্নে এবারও হ্যান্সি ফ্লিকের তরুপের তাস হতে পারেন আঠারো বছরের তরুণ লামিন ইয়ামাল। অবশ্য আক্রমণভাবে রাফিনিয়া, রবার্ত লেভানদোস্কি এবং পেদ্রিদের সঙ্গে এবার যোগ হচ্ছেন মার্কাস রাশফোর্ডও। কিন্তু লা লিগার বেতন কাঠামোর মারপ্যাঁচে পড়ে এবারও নতুন খেলোয়াড় নিবন্ধন করা নিয়ে ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে বার্সাকে।

উইজডেনের শতাব্দীর সেরা ১৫ টেস্ট সিরিজের দু’টিতে টাইগাররা

উইজডেনের শতাব্দীর সেরা ১৫ টেস্ট সিরিজের দু’টিতে টাইগাররা একবিংশ শতাব্দীর সেরা ১৫টি টেস্ট সিরিজের তালিকা প্রকাশ করেছে ‘ক্রিকেটের বাইবেল’খ্যাত মর্যাদাপূর্ণ ম্যাগাজিন উইজডেন। যেখানে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের দু’টি ভিন্ন স্বাদের স্মৃতি-একটি জয়ে ভরপুর এবং আরেকটি তিক্ত হারের। উইজডেনের একবিংশ শতাব্দীর সেরা টেস্ট সিরিজের তালিকায় ১৫ নম্বরে রয়েছে ২০১৬ সালের বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড সিরিজ। এছাড়া ২০২১ সালে কোভিড-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের মাটিতে হওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজটি তালিকার ৭ম স্থানে রয়েছে। দুই ম্যাচের এই সিরিজেই অভিষেক হয়েছিল তরুণ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের। চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টে সাব্বির রহমানের সাহসী ব্যাটিংয়ের পরও জয় হাতছাড়া হয় টাইগারদের। তবে মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টে মিরাজের ঘূর্ণিতে ইতিহাস রচনা হয়। ২৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বিনা উইকেটে ১০০ থেকে ১৬৪ রানে অলআউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড। মিরাজ একাই নেন ৬ উইকেট, বাকি চারটি ভাগ করে নেন সাকিব আল হাসান, নিশ্চিত হয় ১০৮ রানের ঐতিহাসিক জয়। আরও উঁচুতে, ৭ম স্থানে জায়গা পেয়েছে ২০২১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফর। কোভিড পরবর্তী সময়ে অনেকে ভেবেছিল দুর্বল স্কোয়াড নিয়ে আসা ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে জয় সম্ভব নয়। কিন্তু চট্টগ্রাম টেস্টে কাইল মেয়ার্সের অবিশ্বাস্য ২১০ রানের অপরাজিত ইনিংসে ৩ উইকেটে জয় পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে ওঠে, তবে শেষ হাসি হাসে অতিথিরা, ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নেয়। তালিকার অন্য উল্লেখযোগ্য সিরিজের মধ্যে রয়েছে সর্বশেষ অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফি, যেখানে ইংল্যান্ড ও ভারতের পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-২ ব্যবধানে ড্র হয়, এটি আছে ৫ নম্বরে। চতুর্থ স্থানে রয়েছে ২০২৩ সালের অ্যাশেজ, যা ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে একই ব্যবধানে ড্র হয়েছিল। সবশেষে, একুশ শতকের সেরা টেস্ট সিরিজ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ২০২০-২১ মৌসুমে ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফর। প্রথম টেস্টে মাত্র ৩৬ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পরও ভারত ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে। উইজডেনের মতে, এটি প্রত্যাবর্তনের সবচেয়ে সুন্দর গল্প।

ঢাকা থেকে ৬ ক্রিকেটার যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়া

ঢাকা থেকে ৬ ক্রিকেটার যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়া গতকাল অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হয়েছে ১১ দলের টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। যেখানে লাল-সবুজের প্রতিনিধি হিসেবে খেলছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। এই টুর্নামেন্ট শেষে ২৮ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪ দিনের একটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সারির দলটির। যে ম্যাচটি আগামী বছর অস্ট্রেলিয়া সফরে টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখা হচ্ছে। এবার সেই ম্যাচ খেলার জন্য ঢাকা থেকে ৬ ক্রিকেটার যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ায়। শাহাদাত হোসেন দিপু, ইফতেখার হোসেন ইফতি, অমিত হাসান, মাহমুদুল হাসান জয়, হাসান মুরাদ এবং পেসার এনামুল হক ৪ দিনের ম্যাচ খেলার জন্য অস্ট্রেলিয়া যাবেন। তারা দুটি পৃথক দলে ভাগ হয়ে আগামী ১৭ ও ১৮ আগস্ট অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।

কাতারে বসুন্ধরা কিংসকে বাংলাদেশ দূতাবাসের সংবর্ধনা

কাতারে বসুন্ধরা কিংসকে বাংলাদেশ দূতাবাসের সংবর্ধনা এক দিনে বাংলাদেশের বড় দুই দলের খেলা। যদি দুই দলই হেরে যায় তাহলে তো দেশের ফুটবলে কালো ছায়া নেমে আসত। কেননা, ক্লাব হলেও তারা তো বাংলাদেশেরই প্রতিনিধিত্ব করেছে। পুরুষ ফুটবলাররা চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছেন। নারীরা একের পর এক সাফল্য পেয়ে দেশকে অন্যন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। জাতীয় বা বয়স ভিত্তিক সব ক্ষেত্রে জয়গান চলছে। পুরুষরা সেখানে ব্যর্থতার বৃত্তেই বন্দি বলা যায়। হামজা দেওয়ান চৌধুরী, সামিত সোম, ফাহমিদুল ইসলামরা জাতীয় দলে খেলার পরও কেন জানি আশা জাগাতে পারছেন না। নারী ফুটবলারদের নিয়ে দেশ যখন মাতোয়ারা, তখন দেশের সেরা দুই ক্লাব আন্তর্জাতিক লড়াইয়ে মাঠে নেমেছিল। এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের চ্যালেঞ্জ। ঢাকায় আবাহনী ও দোহায় বসুন্ধরা কিংসের খেলা। দুই দলেই জাতীয় দলের খেলোয়াড়ে ভরা। এ অবস্থায় যদি একদিনে দুই দল হার মানে তাহলে তো পুরুষ ফুটবলাররা আরও চাপের মধ্যে পড়ে যাবে। বিকালে কিরগিজস্তানের মুরাস ইউনাইটেডের কাছে হেরে এক ম্যাচেই ঢাকা আবাহনীর চ্যালেঞ্জ শেষ। বাংলাদেশের সময় মধ্য রাতে বসুন্ধরা কিংস মুখোমুখি হয়েছিল সিরিয়ার আল কারামাহর বিপক্ষে। যারা সিরিয়ার লিগে আটবার চ্যাম্পিয়ন এবং এএফসি কাপে রানার্সআপও হয়েছে। এএফসি ফুটবলে এক দিনে বাংলাদেশের বড় দুই দলের খেলা। যদি দুই দলই হেরে যায় তাহলে তো দেশের ফুটবলে কালো ছায়া নেমে আসত। কেননা, ক্লাব হলেও তারা তো বাংলাদেশেরই প্রতিনিধিত্ব করেছে। যাক হতাশা থেকে মুক্ত করেছে কিংসই। আবাহনী হেরে বিদায় নিলেও কিংস চ্যালেঞ্জ লিগের হার্ডেল পেরিয়ে গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। অ্যাওয়ে ম্যাচ খেললেও আল মাহকে হারিয়ে মান রেখেছে বসুন্ধরা গ্রুপের বসুন্ধরা কিংসই। যা সামনে জাতীয় দলকে অনুপ্রেরণাও জোগাতে পারে। ঢাকায় আবাহনী হারার পর ফুটবলপ্রেমীরা দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন। সবাই আতঙ্কে ছিলেন কিংস পারবে কি না। কেননা, মাঠে নামার আগে কিংসের ফুটবলাররা মানসিকভাবে কিছুটা হলেও বিপর্যস্ত ছিলেন। এ ম্যাচেই অভিষেক হওয়ার কথা ছিল ব্রাজিলিয়ান কোচ সার্জিও ফারিয়াসের। তিনি কিংসের হেড কোচের দায়িত্ব পালন করবেন তা নিশ্চিত ছিল। সেই সার্জিও যা করলেন তা পেশাদার ফুটবলে বড্ড বেমানান। বিশেষ করে ব্রাজিলিয়ানদের বেলায় তা ভাবাও যায় না। তার কথামতো কিংস প্লেনের টিকিটও পাঠিয়ে দেয়। যাতে যথাসময়ে কাতারে পৌঁছাতে পারেন। এলেন না তিনি। কিংসে চূড়ান্ত হওয়ার পরও ইরাকের ডু হক ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন। মাঠে নামার কয়েক ঘণ্টা আগে দল যখন জানতে পারে তাদের হেড কোচ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন। তাহলে কী অবস্থা হতে পারে? তার পর আবার কিউবা মিচেল ছাড়াও চার বিদেশি মাত্র দেড় দিন অনুশীলন করে মাঠে নামবেন। এখানে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপার ছিল। সবকিছু মিলিয়ে কিংস যে চাপে ছিল এ নিয়ে সংশয় নেই। এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে মূল পর্ব নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশি ক্লাব বসুন্ধরা কিংস। গত ১২ আগস্ট অনুষ্ঠিত ম্যাচে সিরিয়ার ক্লাব আল কারামাহকে ১-০ গোলে হারিয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করে কিংস। এই সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ গতকাল কাতারে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস বসুন্ধরা কিংসকে সংবর্ধনা জানায়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ হজরত আলি খানসহ দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ হজরত আলি খান বসুন্ধরা কিংসের এমন অর্জনে গর্ব প্রকাশ করে বলেন, এই জয় শুধু একটি ক্লাবের নয়, পুরো বাংলাদেশের। যাক, সব ভয়কে জয় করে কিংস কাতারে কিং রূপ ধারণ করেই বাধা পেরিয়েছে। ব্যবধান ১-০ হলেও যে নৈপুণ্য দেখিেেছ তা ৩-০ হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকত না। সকালে আকাশের দিকে তাকালে যেমন বলা যায় দিনটা কেমন যাবে, তেমনি কিংসের শুরুটা যেভাবে হয়েছে তাতে ঘরোয়া মৌসুমে অনন্য কিছু করার আভাস দিয়েছে কিংস। আল কারামাহকে হারিয়ে বসুন্ধরা কিংস বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। ২৮ আগস্ট চ্যালেঞ্জ লিগের গ্রুপের ড্র। অক্টোবরে হবে মূল লড়াই। কিংস সভাপতি ইমরুল হাসান কাতারের ম্যাচের আগে বলেছিলেন, ‘এবার বিদায় নয়, হিসাব বদলে দিতে চায় কিংস। এ প্রত্যাশা শুধু তাঁর নয়। গোটা দেশেরই। আসা যাক ম্যাচে কিংসের পারফরম্যান্স প্রসঙ্গে। সত্যি বলতে কি কারও একক শো নয়, সব পজিশনেই কিংস ছিল অনবদ্য। গোল কিপিং, রক্ষণভাগ, মধ্য মাঠ ও আক্রমণ ভাগে কিংসের যে রূপ দেখা গেছে তা প্রশংসনীয়। ঘরোয়া আসরের আগেই কিংসের শুরুটা হয়েছে বিদেশি দলের বিপক্ষে। দুর্দান্ত কিংসের দেখা মিলল। এমানুয়েল সানডে ছয় মিনিটে যে গোলটি করেছেন তা চোখে ধরে রাখার মতো। কেন যে তাঁকে মোহামেডান থেকে কিংস দলে ভিড়িছে তার প্রমাণ দিল। ভরিয়েল টন, রকিবের সঙ্গে জুটি বেঁধে যে আক্রমণ হয়েছে তাকে এক ম্যাচ দেখেই বলা যায় এবার কিংসের আক্রমণ ভাগ হবে বড্ড ভয়ংকর। রক্ষণভাগে সাদউদ্দিন ছিলেন অনবদ্য। অধিনায়ক তপুও ভুল করেননি। রাফায়েল, যার কথা বলি না কেন, তারা ফুল মার্কস পাওয়ার যোগ্য। আগ্রহটা মূলত ছিল কিউবা মিচেলকে ঘিরেই। তিনি শুরুতে একাদশে ছিলেন না। ৬৫ মিনিটে বদলি হিসেবে নামেন। যতক্ষণ ছিলেন বুঝিয়েছেন পায়ের কাজ। বদলি হিসেবে নেমে ফাহিম গোল করেই ফেলেছিলেন। কাতারে যে খেলা খেলেছে তা যদি ধরে রাখতে পারে তা হলে এ কথা বলা যেতে পারে- এই কিংসকে এবার ঠেকাবে কে?

সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে ভুটান যাচ্ছে বাংলাদেশ

সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে ভুটান যাচ্ছে বাংলাদেশ সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে শুক্রবার ভুটানের উদ্দেশে রওনা দেবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী ফুটবল দল। ৩০ সদস্যের এই দলটি নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে), যারা ইতোমধ্যে দলের প্রস্তুতি ও লক্ষ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছে। আসরে অংশ নিচ্ছে চারটি দেশ বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও স্বাগতিক ভুটান। লিগ ভিত্তিক এই টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারী দলই হবে চ্যাম্পিয়ন। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ২০ আগস্ট চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে স্বাগতিক ভুটানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। দলের অধিনায়ক অর্পিতা বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ খেলতে চাই এবং আমাদের লক্ষ্য একটাই চ্যাম্পিয়ন হওয়া। দেশবাসীর কাছে অনুরোধ, আমাদের জন্য দোয়া করবেন। ’নারী উইং প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘দলে অভিজ্ঞ ও তরুণদের মিশেল রয়েছে। আমরা ধাপে ধাপে এগোতে চাই। টুর্নামেন্টে ভালো ফলাফল করে শিরোপা জয়ের লক্ষ্যেই আমাদের পরিকল্পনা। ’ হেড কোচ মাহবুবুর রহমান লিটু বলেন, ‘আমাদের মেয়েরা নিজেদের সেরাটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। সিনিয়র ও জুনিয়রদের সমন্বয়ে গড়া এই দলটি ফেডারেশনসহ দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবে। ’টুর্নামেন্টের সময়সূচি নিয়ে তিনি বলেন, ‘সাফ বা এএফসি যেকোনো আসরেই একদিন পরপর ম্যাচ হয়। এতে ক্লান্তি আসতেই পারে, তবে নিয়ম সবার জন্যই সমান। আমরা সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়েছি। ’প্রস্তুতি ক্যাম্পে প্রধান দুই কোচ পিটার বাটলার ও মাহবুবুর রহমান লিটুর অনুপস্থিতিতে দলের দায়িত্ব সামলেছেন আবুল হোসেন। তিনি জানান, ‘বয়সভিত্তিক দল নিয়ে আমরা অনেক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। আশা করি মেয়েরা ভালো কিছু উপহার দেবে। ’এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে ভবিষ্যতের জাতীয় নারী দলের ভিত্তি তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশবাসীর দোয়ায় অনুপ্রাণিত হয়ে সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে চায় অর্পিতা ও তার দল।

৩৪ বছরের অপেক্ষার অবসান, পাকিস্তানকে উড়িয়ে উইন্ডিজের সিরিজ জয়

৩৪ বছরের অপেক্ষার অবসান, পাকিস্তানকে উড়িয়ে উইন্ডিজের সিরিজ জয় ত্রিনিদাদে গতকাল ইতিহাস গড়ল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাকিস্তানকে তৃতীয় ওয়ানডেতে ২০২ রানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতল তারা একইসঙ্গে প্রায় ৩৪ বছর পর দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবার সিরিজ নিজেদের করে নিল দলটি। সর্বশেষ ১৯৯১ সালের নভেম্বরে রিচি রিচার্ডসনের নেতৃত্বে পাকিস্তান সফরে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল ক্যারিবিয়ানরা। এরপর দুই দলের ১১ ওয়ানডে সিরিজের একটি শেষ হয়েছিল সমতায়, বাকি ১০টিতেই জয় পেয়েছিল পাকিস্তান। এদিন টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো ছিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজের। প্রথম ৩০ ওভারে রান আসে মাত্র ১১০ রান। এরপরই শুরু হয় রানের ঝড়। অধিনায়ক শাই হোপ অপরাজিত ১২০ রান করেন ৯৪ বলে, ইনিংসটি সাজানো ছিল ১০ চার ও ৫ ছক্কায়। সপ্তম উইকেটে জাস্টিন গ্রেভসের সঙ্গে মাত্র ৫০ বলে তিনি যোগ করেন ১১০ রান। গ্রেভস অপরাজিত থাকেন ২৪ বলে ৪৩ রানে। রানের গতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন রোস্টন চেইসও। শেষদিকে ২৯ বলে করেন ৩৬ রান। শেষ ৭ ওভারে দল যোগ করে ১০০ রান। ইনিংস শেষ হয় ২৯৪ রানে। বোলিংয়ে নেমে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন জেডেন সিলস। প্রথম স্পেলেই পাকিস্তানের টপ অর্ডার ধসিয়ে দেন। তার বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ১৮ রানে ৬ উইকেট; যা ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইতিহাসে তৃতীয় সেরা। এই তালিকায় প্রথম স্থানে আছেন উইনস্টন ডেভিস (৭/৫১, ১৯৮৩), দ্বিতীয় স্থানে কলিন ক্রফট (৬/১৫, ১৯৮১)। রান তাড়ায় নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় পাকিস্তান। সাইম আইয়ুব, আবদুল্লাহ শাফিক ও অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান ফেরেন শূন্য রানেই। প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন বাবর আজম, কিন্তু ৯ রানেই থামতে হয় তাকে। সর্বোচ্চ ৩০ রান আসে সালমান আলি আগার ব্যাট থেকে। পাকিস্তানের আট ব্যাটারই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে ব্যর্থ, যার মধ্যে পাঁচজনই আউট হন শূন্য রানে। শেষ পর্যন্ত পুরো দল গুটিয়ে যায় ৯২ রানে। শেষ উইকেটটি আসে আবরার আহমেদের রান আউটে, রোস্টন চেইসের সরাসরি থ্রো ভেঙে দেয় স্টাম্প। এর মধ্য দিয়েই শেষ হয় দীর্ঘ অপেক্ষার জয়, মাঠে শুরু হয় ক্যারিবিয়ানদের উচ্ছ্বাস। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে টানা ৮ ম্যাচ হারের পর পাকিস্তানের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ ও প্রথম ওয়ানডে হেরে চাপের মুখে ছিল দলটি। এই পরিস্থিতিতে কিংবদন্তি ক্লাইভ লয়েড, ভিভ রিচার্ডস, ডেসমন্ড হেইন্স ও শিবনারাইন চান্দারপলকে নিয়ে বোর্ড আয়োজন করে জরুরি কৌশলগত বৈঠক। এর ফল মেলে দ্বিতীয় ওয়ানডে থেকেই, যা বৃষ্টিবিঘ্নিত হলেও জয় পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তৃতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে উড়িয়ে পুরোনো দিনের ছাপ ফিরিয়ে আনে শাই হোপের দল।

ব্রেভিসের রেকর্ড সেঞ্চুরিতে সিরিজে সমতা ফেরাল দ. আফ্রিকা

ব্রেভিসের রেকর্ড সেঞ্চুরিতে সিরিজে সমতা ফেরাল দ. আফ্রিকা ডারউইনে আজ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরির ওপর ভর করে অস্ট্রেলিয়াকে ৫৩ রানে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তিন ম্যাচের সিরিজে এখন ১-১ সমতায় আছে দুদল। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে মাঠে নামেন ব্রেভিস। শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করে মাত্র ৫৬ বলে খেলেন অপরাজিত ১২৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস, যা সাজানো ছিল ৮ ছক্কা ও ১২ চারে। এটি দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস, যা ২০১৫ সালে ফাফ ডু প্লেসির করা ১১৯ রানের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। পাশাপাশি, মাত্র ২২ বছর ১০৫ দিন বয়সে প্রোটিয়াদের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির রেকর্ডও গড়লেন তিনি। ব্রেভিসের সাথে ১২৬ রানের জুটি গড়েন ট্রিস্টান স্টাবস, যিনি ২২ বলে ৩১ রান করেন। শেষ পর্যন্ত প্রোটিয়ারা ২০ ওভারে ৪ উইকেটে তোলে ২১৮ রানের বিশাল সংগ্রহ। জবাবে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ব্যাট হাতে লড়াই করেন কেবল টিম ডেভিড। তিনি ২৩ বলে ফিফটি করে ৫০ রান তুললেও অন্য প্রান্তে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউ। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা শুরু থেকে চেপে ধরে উইকেট নিতে থাকেন। ফলে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা অস্ট্রেলিয়া ১৯.৩ ওভারে গুটিয়ে যায় ১৬৫ রানে। শেষ ১৪ রানের মধ্যে তারা হারায় শেষ ৪ উইকেট। আগামী শনিবার একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি, যা শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ হিসেবে মাঠে গড়াবে।

এমবাপ্পের জোড়া গোলে রিয়ালের বড় জয়

এমবাপ্পের জোড়া গোলে রিয়ালের বড় জয় প্রথমবার রিয়াল মাদ্রিদের গৌরবময় ১০ নম্বর জার্সিতে মাঠে নেমেই নজরকাড়া পারফরম্যান্স উপহার দিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠালেন দুইবার, অবদান রাখলেন সতীর্থের গোলেও। গতকাল অস্ট্রিয়ান ক্লাব ডব্লিউএসজি টিরোলকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি শেষ করল শাবি আলোনসোর দল। অস্ট্রিয়ায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই রিয়ালের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রায় ৭৯ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে স্প্যানিশ জায়ান্টরা গোলের জন্য ২১টি শট নেয়, যার ৯টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে স্বাগতিক দল স্রেফ একটি শট নিতে সক্ষম হয়, যা তেমন কোনো বিপদ তৈরি করতে পারেনি। ম্যাচ শুরুর দশম মিনিটেই রিয়াল মাদ্রিদ এগিয়ে যায়। ব্রাহিম দিয়াসের নিখুঁত ক্রসে হেডে গোল করেন এদার মিলিতাও। হাঁটুর গুরুতর চোটে লম্বা সময় মাঠের বাইরে থাকার পর নভেম্বর ২০২৪-এর পর এটি ছিল তার প্রথম শুরুর একাদশে নামা, আর তাতেই গোলের দেখা পান ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার। তিন মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এমবাপ্পে। আর্দা গুলেরের থ্রু বল ডান পায়ে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ক্ষিপ্রগতিতে শরীর ঘুরিয়ে বাঁ পায়ের শটে জাল খুঁজে নেন এই ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ঘটে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা। এক দর্শক মাঠে ঢুকে নিরাপত্তাকর্মীদের ধরা এড়িয়ে সরাসরি ফরাসি এই তারকার কাছে গিয়ে সেলফি তুলে নেন। নিরাপত্তাকর্মীরা শেষ পর্যন্ত তাকে মাঠ থেকে বের করে দেন। দ্বিতীয়ার্ধেও এমবাপের ধার কমেনি। ৫৯তম মিনিটে অঁরিলিয়ে চুয়ামেনির থ্রু বল ধরে বক্সে ঢুকে আগুয়ান গোলরক্ষককে কাটিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ২৬ বছর বয়সী ফরাসি তারকা। শেষদিকে আবারও আলো ছড়ান তিনি। ৮১তম মিনিটে তার নিখুঁত পাস থেকে কাছ থেকে গোল করেন ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার রদ্রিগো। এই জয়ের মাধ্যমে প্রাক-মৌসুমের প্রস্তুতি সারল রেয়াল মাদ্রিদ। আগামী মঙ্গলবার ওসাসুনার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে লা লিগায় শিরোপা পুনরুদ্ধারে তাদের অভিযান।

ফিরেছে ইতিহাস গড়া অনূর্ধ্ব-২০ বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল

ফিরেছে ইতিহাস গড়া অনূর্ধ্ব-২০ বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল বাংলাদেশ জুনিয়র নারী ফুটবল দল লিখলো নতুন ইতিহাস। সিনিয়রদের পথ অনুসরণ করে এবার এশিয়ান কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে অনূর্ধ্ব–২০ দলও। লাওসে অনুষ্ঠিত বাছাইপর্বে দুর্দান্ত লড়াই করে তিন ম্যাচে দুটি জয় ও ছয় পয়েন্ট নিয়ে সেরা তিন রানার্স–আপের একটি হয়ে আসন নিশ্চিত করেছে পিটার বাটলারের শিষ্যারা। ‘এইচ’ গ্রুপে ছিল শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়া, পূর্ব তিমুর ও স্বাগতিক লাওস। লাওস ও তিমুর লেস্তেকে হারিয়ে দুর্দান্ত শুরু করে। শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে প্রথমার্ধে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে খেই হারায়। হেরে যায় ৬-১ ব্যবধানে। তাতে গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে থেকে শেষ করে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারলেও রানার্স–আপ দলগুলোর মধ্যে পয়েন্ট, গোল ব্যবধান ও পারফরম্যান্সে এগিয়ে থেকে নিশ্চিত হয় এশিয়ান কাপে খেলার স্বপ্ন। গতকাল সোমবার গভীর রাতে লাওস থেকে দেশে ফেরে এই স্বপ্ন–বিজয়ীরা। বিমানবন্দরে ফুটবল ফেডারেশন কর্মকর্তারা তাদের ফুলের শুভেচ্ছা জানান। ২০২৬ সালের এপ্রিলেই থাইল্যান্ডে বসবে অনূর্ধ্ব–২০ নারী এশিয়ান কাপের আসর। সেখানে লাল–সবুজের মেয়েরা প্রথমবারের মতো খেলতে নামবে মহাদেশের সেরাদের সঙ্গে।