বিগ ব্যাশে দল পেলেন রিশাদ

বিগ ব্যাশে দল পেলেন রিশাদ আসন্ন অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি লিগ বিগ ব্যাশের ১৪তম আসরের ড্রাফটে নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশের ১০ ক্রিকেটার। সেই ড্রাফটে নাম লিখিয়েছিলেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। তরুণ এই টাইগার লেগ স্পিনারকে দলে ভিড়িয়েছে হোবার্ট হ্যারিকেন্স। সাকিব আল হাসানের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে বিগ ব্যাশে ডাক পেলেন রিশাদ। আজ ড্রাফটের ২৮ নম্বর ডাকে বাংলাদেশের এই লেগ স্পিনারকে দলে ভেড়ায় দুই বারের রানারআপ হোবার্ট হ্যারিকেন্স। সামাজিক যোগযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে রিশাদকে স্বাগত জানিয়েছেন হোবার্ট হারিকেন্স। সেখানে তরুণ এই ক্রিকেটারকে দুর্দান্ত তরুণ লেগ স্পিনার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার এই লিগে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে খেলেছেন সাকিব। কিন্তু তিনিও ২০১৫ সালের পর থেকে এ লিগে খেলেননি। ২০১৪ সালে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলেন সাকিব। পরের মৌসুমে তিনি মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে আরও চারটি ম্যাচ খেলেছিলেন।

১০ দিনের জন্য মাঠের বাইরে শরিফুল

১০ দিনের জন্য মাঠের বাইরে শরিফুল কুঁচকির চোটে দশ দিনের জন্য মাঠের বাইরে চলে গেলেন পেসার শরিফুল ইসলাম৷ রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টে পাওয়া এই চোটের কারণে শরিফুল খেলতে পারছেন না দ্বিতীয় টেস্টে। তার পরিবর্তে একাদশে জায়গা পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ।  শনিবার (৩১ আগস্ট) এক বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জাতীয় দলের ফিজিও বায়জিদ ইসলামের বরাত দিয়ে বিসিবি জানায়, শরিফুলের ফিট হয়ে ফিরতে ১০ দিন লাগতে পারে। বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘প্রথম টেস্টের পর শরিফুল একটি এমআরআই করিয়েছিলেন এবং চোট গ্রেড ওয়ান পর্যায়ে আছে। এই ধরনের ক্ষেত্রে সুস্থ হয়ে ফিরতে প্রায় ১০ দিন সময় লাগে এবং তিনি তার পুনর্বাসন শুরু করেছেন।’  দুই ইনিংস মিলিয়ে প্রথম টেস্টে শরিফুল নিয়েছেন ৩ উইকেট। ব্যাট হাতে করেন ২২ রান। সামনে ভারতের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ থাকায় ঝুঁকি নেয়নি টিম ম্যানেজমেন্ট।

ক্যারিয়ারে সবচেয়ে খারাপ কোচের নাম জানালেন ডি মারিয়া

ক্যারিয়ারে সবচেয়ে খারাপ কোচের নাম জানালেন ডি মারিয়া আর্জেন্টাইন তারকা অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া অনেক কোচের অধীনেই খেলেছেন। তাদের মধ্যে ভালো খারাপ থাকলেও খুব বাজে কেউ থাকতে পারে সেটা অকল্পনীয়। তবে ডি মারিয়া জানালেন, তার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে খারাপ কোচ একজন আছেন, তিনি লুইস ফন গাল। সম্প্রতি ইএসপিএনকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন মারিয়া। সেখানেই জানিয়েছেন, তার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে খারাপ কোচ ফন গাল। ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলার সময় এক মৌসুম ফন গালকে কোচ হিসেবে পেয়েছিলেন আর্জেন্টাইন উইঙ্গার। তখনই অনুভব করেছেন ফন গালের দর্শন। যা তাকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি।  ফন গালের ওপর ডি মারিয়া এতোটাই নাখোশ যে, খারাপের সার্টিফিকেট দিতে একবিন্দু দ্বিধা করেননি।  ডি মারিয়ার ভাষায়, ‘সবচেয়ে বাজে কোচ হচ্ছে ফন গাল, এ বিষয়ে আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন। যদি কোনো সন্দেহ থাকে তবে আমি বিষয়টা পরিষ্কার করে দিলাম।’ ক্যারিয়ারের সেরা কোচদের নিয়েও বলেছেন বিশ্বকাপ জয়ী তারকা।  ডি মারিয়ার ভাষায়, সেরা কোচ লিওনেল স্কালোনি। বিশ্বকাপজয়ী এ কোচকে ‘অন্যতম সেরাদের একজন’ বলেন তিনি। আর্জেন্টিনার প্রয়াত দুই কোচ আলেসান্দ্রো সাবেলা ও ম্যারাডোনাকে তালিকায় রেখেছেন তিনি।  ম্যারাডোনাকে নিয়ে ডি মারিয়া বলেন, ‘আমি তাকে কোচ হিসেবে দেখি না। সে আমার কাছে  একজন বন্ধু, ভাই এবং বাবার মতো ছিল। আমাকে নিয়ে যত বেশি সমালোচনা হয়েছে, সে আমাকে তার চেয়ে বেশি সমর্থন দিয়েছে। আমি আগেও বলেছি, লিও সর্বকালের সেরা। কিন্তু ডিয়েগো হচ্ছে ডিয়েগো। আমার জন্য, আর্জেন্টিনার জন্য এবং বিশ্বের জন্য।’

সমতায় ফেরার সুযোগ না পেয়ে সিরিজ হাতছাড়া

সমতায় ফেরার সুযোগ না পেয়ে সিরিজ হাতছাড়া পাকিস্তান শাহীনসের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটি খুব বাজেভাবে হেরেছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ইসলামাবাদে ৮ উইকেটে ম্যাচ হেরেছিল তাওহীদ হৃদয়ের দল। পরের দুই ম্যাচে সিরিজের ফয়সালা হতো। কিন্তু বৃষ্টির বাগড়ায় প্রথমে দ্বিতীয় ওয়ানডে পরিত্যক্ত হয়। ফলে শেষ ম্যাচটি বাংলাদেশ দলের জন্য ছিল সিরিজে সমতা ফেরানোর। কিন্তু তৃতীয় ম্যাচটিও গেছে বৃষ্টির পেটে। তাতে সিরিজ হাতছাড়া হলো সৌম্য, তাওহীদ, সাইফদের। ইসলামাবাদে বৃষ্টির বাগড়ায় এদিনও টস অনুষ্ঠিত হয়নি। মুষলধারে বৃষ্টির কারণে মাঠ থেকে কাভারও তুলতে পারেননি গ্রাউন্ডসম্যানরা। লম্বা সময় পর বাংলাদেশ ‘এ’ দল এই সফরে তিনটি ওয়ানডের পাশাপাশি দুটি চারদিনের ম্যাচ খেলার কথা ছিল। আগামীকাল বাংলাদেশ ‘এ’ দলের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ নুনিয়েস

৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ নুনিয়েস কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে কলম্বিয়ান দর্শকদের সঙ্গে লঙ্কাকাণ্ড বাঁধিয়ে ৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ হয়েছেন উরুগুয়ের ফুটবলার দারউইন নুনিয়েস। শুধু তা-ই নয়,  তাকে ২০ হাজার ডলার জরিমানাও করেছে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবল। নুনেস ছাড়াও উরুগুয়ের আরও দশ ফুটবলারকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। টটেনহামে খেলা উরুগুয়ের মিডফিল্ডার রদ্রিগো বেন্তাঙ্কুর নিষিদ্ধ হয়েছেন ৪ ম্যাচ। ৩ ম্যাচ করে নিষিদ্ধ হয়েছেন উরুগুয়ের তিন ডিফেন্ডার মাথিয়াস অলিভেরা, রোনালদ আরাউহো ও হোসে মারিয়া হিমিনেজ। বাকি ছয়জনকে শুধু জরিমানা করা হয়েছে। ব্যাংক অব আমেরিকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত কোপা আমেরিকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে উরুগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে কলম্বিয়া। ম্যাচের অনেকটা সময় একজন বেশি নিয়ে খেলেও হারের হতাশা গ্রাস করে ফেলে উরুগুয়ের ফুটবলারদের। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পরপরই বিবাদে জড়িয়ে পড়েন কলম্বিয়া-উরুগুয়ের ফুটবলাররা। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই বেশ কয়েকজন সতীর্থকে সঙ্গে নিয়ে গ্যালারিতে থাকা কলম্বিয়ান ভক্তদের ওপর চড়াও হন দারউইন নুনিয়েস। এমনকি হাতাহাতি করতেও দেখা যায় তাকে। অনাকাঙ্ক্ষিত এই দৃশ্যটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

যুক্তরাষ্ট্রের লিগে খেলবেন সাকিব-তামিম

যুক্তরাষ্ট্রের লিগে খেলবেন সাকিব-তামিম বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকাদের দুজন তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। কিন্তু অনেকদিন ধরেই তাদের টানাপোড়ন চলছে সম্পর্কে। এর মধ্যে জানা গেল, এবার একসঙ্গে খেলতে যাচ্ছেন তারা।   মূলত যুক্তরাষ্ট্রের একটি টি টেন টুর্নামেন্টে খেলতে তামিম ও সাকিব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক ভিডিওবার্তায় তামিম জানিয়েছেন আমেরিকার ন্যাশনাল লিগ ক্রিকেটে দেখা যাবে তাকে। এই টুর্নামেন্টে সাকিবের খেলার ব্যাপারটিও জানিয়েছেন আয়োজকরা।  আগামী ৪-১৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে দশ ওভারের এই টুর্নামেন্ট। ডালাসের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হচ্ছে এই টুর্নামেন্ট। অংশ নেবে ছয়টি দল। টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় তামিম বলেন, ‘আগামী ৪-১৪ অক্টোবর পর্যন্ত ডালাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আমেরিকার ন্যাশনাল লিগ ক্রিকেটে আমি অংশ নিচ্ছি। আশা করি সবার সাথে দেখা হবে, বিশেষ করে বাংলাদেশি ফ্যানদের সাথে। টুর্নামেন্টটির অংশ হতে তর সইছে না। দেখা হচ্ছে শিগগিরই।  বাংলাদেশের এই দুই তারকা ক্রিকেটার ছাড়াও মোহাম্মদ কাইফ, সুনীল নারিন, ডোয়াইন ব্রাভো, মোহাম্মদ আমির, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, ইমরান তাহির, জেসন রয়, শহীদ আফ্রিদির মতো তারকারাও অংশ নিচ্ছেন টুর্নামেন্টটিতে। যদিও কে কোন দলে খেলবেন তা এখনও জানা যায়নি। ওয়াসিম আকরাম-ভিভ রিচার্ডসের মতো ক্রিকেটাররা থাকবেন মেন্টর হিসেবে।

আইসিসির চেয়ারম্যান হলেন ভারতের জয় শাহ

আইসিসির চেয়ারম্যান হলেন ভারতের জয় শাহ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) চেয়ারম্যান হলেন জয় শাহ। মঙ্গলবার (২৭ অগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ২৭ অগস্ট ছিল মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। জয় শাহ ছাড়া আর কেউ মনোনয়ন জমা দেননি। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আইসিসির সর্বোচ্চ পদে বসলেন জয় শাহ। আইসিসির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ চেয়ারম্যান হলেন ৩৫ বছর বয়সী এই ভারতীয় সংগঠক। এর আগে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জয় শাহ। তাছাড়া এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলেরও দায়িত্বে ছিলেন তিনি। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে আইসিসির দায়িত্ব নেবেন জয় শাহ। আগামী ৬ বছর এই পদে থাকবেন তিনি। নতুন দায়িত্ব পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত তিনি। আইসিসিকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় জয় শাহ বলেন, ‘আইসিসির চেয়ারম্যান হয়ে আমি খুব খুশি। বিশ্ব জুড়ে ক্রিকেটের উন্নতির জন্য আমি ও আমার দল কাজ করবো। আমরা এমন একটা সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে ক্রিকেটের বিভিন্ন ফরম্যাটের মধ্যে একটি ভারসাম্য প্রয়োজন। সেই সঙ্গে ক্রিকেটে নতুন নতুন প্রযুক্তিও আসছে। ক্রিকেটের বাজার আরও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ক্রিকেটকে আরও ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু করব আমরা।’ চলতি বছরের নভেম্বরে শেষ হচ্ছে আইসিসির বর্তমান চেয়ারম্যান চাননি গ্রেগ বার্কলের মেয়াদ। এই মেয়াদসহ টানা দুই মেয়াদে তিনি এই দায়িত্ব পালন করছেন।

নেপালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

নেপালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ গ্রুপপর্বের দুই ম্যাচেই গোলের দেখা পেয়েছিলেন মিরাজুল ইসলাম। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচেও এই ফরোয়ার্ড ফ্রিকিকে করলেন চোখ ধাঁধানো গোল। বাংলাদেশের ব্যবধান বাড়ানোর গোলটাও করলেন তিনিই। এরপর নেপালের জালে বল পাঠালেন রাব্বী হোসেন রাহুল ও পিয়াস আহমেদ নোভা। আর তাতেই নেপালে আরেকবার উড়ল লাল-সবুজের পতাকা। স্বাগতিক দলকে ৪-১ গোলে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-২০ সাফের শিরোপা জিতল বাংলাদেশ। গত আসরে ফাইনালে স্বপন ভঙ্গ হলেও এবার শিরোপা নিয়েই ফিরছেন যুবারা। কাঠমান্ডুর আনফা কমপ্লেক্সে আজ বুধবার বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল দারুণ। শুরুতেই দারুণ সুযোগ পেয়েও অবশ্য কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় ফরোয়ার্ডরা। নেপালের রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে বল পেয়ে যান মিরাজুল ইসলাম, পাশেই ফাঁকায় থাকা রাব্বী হোসেন রাহুলের দিকে ঠেলে দেন মিরাজ, সেই বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়লেও রাহুল শট নেওয়ার আগেই তা ক্লিয়ার করে দেন নেপালের এক ডিফেন্ডার। নেপালও দ্রুত নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে হানা দেয় বাংলাদেশের রক্ষণে। অষ্টম মিনিটে গোলরক্ষক মোহাম্মদ আসিফের দারুণ দক্ষতায় বেঁচে যায় বাংলাদেশ। বক্সের বেশ খানিকটা দূর থেকে নিরাজন ধামীর দূরপাল্লার শট লাফিয়ে হাতের ছোঁয়ায় বল বাইরে ঠেলে দেন আসিফ। ২১ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করে নেপাল। বাংলাদেশের দুই ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে বক্সে ঢুকে পরেন নিরাজন, তাঁর বাড়ানো পাস একদম ফাঁকায় পেয়েও ঠিকমত শটই নিতে পারেননি অবিনাশ। এরপর ঢিমেতালে চলতে থাকে খেলা। বিরতিতে যাওয়ার আগেই বাংলাদেশ শিবিরে এগিয়ে যাওয়ার আনন্দের মুহূর্ত এনে দেন মিরাজুল ইসলাম। তাঁর ডান পায়ের চোখ ধাঁধানো ফ্রিকিক পোস্টে লেগে জড়িয়ে যায় জালে। এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় মারুফুল হকের দল। দ্বিতীয়ার্ধে উজ্জীবিত ফুটবল খেলতে থাকে বাংলাদেশ। ৫৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করা গোলও পেয়ে যায়। আসাদুল ইসলাম সাকিবের লং পাসে দূরের পোস্টে থাকা আসাদুল মোল্লার হেড পাস থেকে হেডেই লক্ষ্যভেদ করেন মিরাজুল। ম্যাচের ভাগ্য হেলে পড়ে বাংলাদেশের দিকে। আসরে মিরাজুলের এটি চতুর্থ গোল, যা সর্বোচ্চ। নেপালের ওপর চাপ ধরে রেখে ৭১ মিনিটে বাংলাদেশ পেয়ে যায় তৃতীয় গোল। মিরাজুলের বাড়ানো পাসে নিখুঁত ফিনিশিং করেন রাব্বী হোসেন রাহুল। ৮১ মিনিটে সামির তামাং জাল খুঁজে নিলে এক গোল পরিশোধ করে নেপাল। তাতে কিছুটা আশা দেখলেও স্বাগতিকরা আর পারেনি। বরং যোগ করা সময়ে রাহুলের ক্রসে পিয়াস আহমেদ নোভা বল জালে পাঠালে শিরোপা উদযাপনে মাতোয়ারা হয় বাংলাদেশের যুবারা।

হোপ ঝড়ে ধবলধোলাই দক্ষিণ আফ্রিকা

হোপ ঝড়ে ধবলধোলাই দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম দুই ম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ নিশ্চিত করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে সুযোগ ছিল শেষ ম্যাচ জিতে শেষটা ভালো করার। তবে সেটাও হতে দিলো না ক্যারিবীয়রা। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচেও প্রোটিয়াদের হারিয়েছে তারা। শাই হোপ ঝড়ে ৮ উইকেটের হারে ধবলধোলাই হয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ করলো এইডেন মার্করামের দল। ২৭ আগস্ট ত্রিনিদাদে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিং পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক এইডেন মার্করাম ও ত্রিস্টান স্টাবসের ঝড়ো ইনিংসে নির্ধারিত ১৩ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৮ রানের সংগ্রহ পায় প্রোটিয়ারা। জবাবে শাই হোপ, নিকোলাস পুরানদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২ উইকেট হারিয়ে ৯.২ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে সাবধানী শুরু করেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার রায়ান রিকেলটন ও রিজা হেনড্রিকস। তবে তারা বেশিদূর যেতে পারেননি। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে হানা দেয় বৃষ্টি। এরপর বৃষ্টি কমলে ম্যাচ নামিয়ে আনা হয় ১৩ ওভারে। বৃষ্টির পরপরই হেনড্রিকসকে ফেরান আকিল হোসেন। ২০ বলে ৯ রান করেন তিনি। এরপর দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন রিকেলটন ও মার্করাম। ১২ বলে দুইটি ছক্কা ও একটি চারের সাহায্যে ২০ রান করে ফেরেন মার্করাম। ২৪ বলে ২৭ রান করেন রিকেলটন। এরপর ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন ত্রিস্টান স্টাবস। ইনিংসের শেষ ওভারে ঝড় তোলার পর ১৫ বলে পাঁচটি চার ও তিন ছক্কায় ৪০ রান করে আউট হন তিনি। জবাব দিতে নেমে প্রথম ওভারেই ফিরে যান এলিক আথানজে। ক্রিজে এসেই ঝড় তোলেন পুরান। ১৩ বলে দু চার ও চার ছক্কায় ৩৫ রান করে ফিরে যান তিনি। বাকি পথে ঝড় তুলে যান শাই হোপ ও শিমরন হেটমায়ার। ২২ বল বাকি থাকতেই ৮ উইকেটের জয় তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।২৪ বলে চারটি ছক্কা ও এক চারে অপরাজিত ৪২ রান করেন হোপ। ১৭ বলে চারটি চার ও এক ছক্কায় অপরাজিত ৩১ রান করেন শিমরন হেটমায়ার। ম্যাচসেরা হয়েছেন রোমারিও শেফার্ড, সিরিজ সেরা হয়েছেন শাই হোপ।

বিগ ব্যাশের ড্রাফটে বাংলাদেশের ৯ ক্রিকেটার

বিগ ব্যাশের ড্রাফটে বাংলাদেশের ৯ ক্রিকেটার বিশ্বের নামিদামি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোয় বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের খুব একটা দেখা যায় না। তবে অনেকেই ড্রাফটে নাম দেন। এবার অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশে নাম দিয়েছেন বাংলাদেশের ৯ ক্রিকেটার। ২০২৫ সালের আসরের ড্রাফটে আছেন এরা। সেপ্টেম্বরের ১ তারিখ মেলবোর্নে বসবে এবারের নিলাম। যেখানে বাংলাদেশের ৯ ক্রিকেটার থাকবেন। এদের মধ্যে জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ অন্তত ৭ জন। তবে এই ৯ জনের মধ্যে কেবল ৬ জন নিজেকে পুরো টুর্নামেন্টের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন। তাদেরকে আসরজুড়ে পাওয়া যাবে। এই তালিকা থেকে সুযোগ পাওয়া ক্রিকেটাররা হলেন- হাসান মাহমুদ, জাকের আলী অনিক, রনি তালুকদার, রিশাদ হোসেইন, শামীম হোসেইন, তাইজুল ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, তানজিম হাসান সাকিব এবং মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। এদের মধ্যে রিশাদ হোসেন ও তানজিম হাসান সাকিবের দল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। দুজনেই সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে দারুণ পারফর্ম করেছেন। বিগ ব্যাশে লেগস্পিনকে খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই রিশাদের জন্যই বড় সুযোগটা থাকছে। নারী বিগ ব্যাশের জন্য একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে নাম জমা দিয়েছেন জাহানারা ইসলাম। তিনিও পুরো আসর খেলার জন্যই আগ্রহী।