রেকর্ড ৯০০ গোলের দ্বারপ্রান্তে মেসি

রেকর্ড ৯০০ গোলের দ্বারপ্রান্তে মেসি রেকর্ড ভাঙাই তার কাজ, কিন্তু এবারের মাইলফলকটি একটু আলাদা। কিংবদন্তি থেকে অবিনশ্বর হয়ে ওঠার পথে মেসি দাঁড়িয়ে আছেন মাত্র এক কদমের দূরত্বে। ইন্টার মায়ামির হয়ে ডিসি ইউনাইটেডের বিপক্ষে গোল করে নিজের পেশাদার ক্যারিয়ারের মোট গোলসংখ্যা ৮৯৯-এ পৌঁছে গেছেন মেসি। অর্থাৎ ৯০০ গোলের ঐতিহাসিক সীমা স্পর্শ করতে এখন তার প্রয়োজন মাত্র একটি গোল। যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোরে এমঅ্যান্ডটি ব্যাংক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ডিসি ইউনাইটেডকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি। রেকর্ড ৭২ হাজার ৫৬ জন দর্শকের সামনে হওয়া এই ম্যাচে গোল করেন মেসি ও তার আর্জেন্টাইন সতীর্থ রদ্রিগো ডি পল। ম্যাচের প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে ইন্টার মায়ামির হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন মেসি। গোলটি ছিল তার স্বভাবসিদ্ধ দক্ষতার এক নিখুঁত উদাহরণ। গোলরক্ষক শন জনসনের ওপর দিয়ে বলকে আলতোভাবে তুলে জালে জড়ান তিনি। সেই মুহূর্তেই তার ক্যারিয়ারের গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ৮৯৯। ৩৮ বছর বয়সেও মেসির গোল করার ধারাবাহিকতা এখনো অবিশ্বাস্য। ২০২৩ সালের জুনে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে ক্লাবটির হয়ে ইতিমধ্যে ৮০টি গোল করেছেন তিনি। মেসির পুরো ক্যারিয়ারের গোলসংখ্যা এখন বিভিন্ন দল মিলিয়ে বিস্তৃত এক ইতিহাস। স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনার হয়ে তিনি করেছেন ৬৭২ গোল। ফরাসি ক্লাব পিএসজির হয়ে করেছেন ৩২ গোল। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে তার গোলসংখ্যা ১১৫। আর ইন্টার মায়ামির হয়ে এখন পর্যন্ত করেছেন প্রায় ৮০ গোল। এই গোলগুলোর মাধ্যমে বার্সেলোনা, আর্জেন্টিনা জাতীয় দল এবং ইন্টার মায়ামি-এই তিন দলের ইতিহাসেই সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড নিজের নামে লিখেছেন মেসি। তার এই ধারাবাহিকতা ফুটবল ইতিহাসে এক বিরল উদাহরণ। এখন ফুটবল বিশ্ব তাকিয়ে আছে তার পরবর্তী গোলটির দিকে। সেই গোলটি হলেই মেসি পেশাদার ফুটবলের ইতিহাসে ৯০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করবেন।
মেসির ‘৮৯৯’ গোলে মায়ামির জয়

মেসির ‘৮৯৯’ গোলে মায়ামির জয় লিওনেল মেসি আরেকটি ঐতিহাসিক গোলের মাইলফলকের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন। তার গোলেই শনিবার ওয়াশিংটনের দল ডি.সি. ইউনাইটেডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে চলতি মৌসুমে দ্বিতীয় জয় পেয়েছে ইন্টার মায়ামি। গত সপ্তাহে অরল্যান্ডোর বিপক্ষে ফ্লোরিডা ডার্বিতে জোড়া গোল করা মেসি এবারও গোলের দেখা পেয়েছেন। ম্যাচের ২৭তম মিনিটে নিখুঁত চিপ শটে বল জালে জড়িয়ে মৌসুমে নিজের তৃতীয় গোলটি করেন আর্জেন্টাইন এই মহাতারকা। এই গোলের মাধ্যমে মায়ামির হয়ে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০-তে। সব মিলিয়ে তার ক্যারিয়ারের মোট গোল এখন ৮৯৯, অর্থাৎ ঐতিহাসিক ৯০০ গোলের মাইলফলক ছুঁতে তিনি মাত্র একটি গোল দূরে। আটবারের বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কারজয়ী এই তারকা আগামী জুনে ৩৯ বছরে পা দেবেন। ক্যারিয়ারের শুরুতে বার্সেলোনার হয়ে তিনি করেছেন ৬৭২ গোল। পরে পিএসজির হয়ে করেছেন ৩২ গোল। এছাড়া আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জার্সিতে তার গোলসংখ্যা ১১৫। শনিবারের এই জয়ে তিন ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে পূর্বাঞ্চলীয় তালিকার তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে গত মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন মায়ামি। এর আগে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে হোয়াইট হাউসে এক সংবর্ধনায় অংশ নিয়েছিল দলটি। ম্যাচের ১৭তম মিনিটে মেসির সতীর্থ ও আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের মিডফিল্ডার রদ্রিগো দে পলের অসাধারণ বাঁকানো শটে এগিয়ে যায় মায়ামি। এর দশ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মেসি। মাতেও সিলভেত্তির দারুণ থ্রু পাস ধরে দ্রুত এগিয়ে এসে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের ওপর দিয়ে নিখুঁত ফিনিশে বল জালে পাঠান তিনি। বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ডি.সি. ইউনাইটেড। ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে ইসরায়েলের ফরোয়ার্ড তাই বারিবো একটি গোল শোধ করে দলকে আশা জাগান। তবে শেষ পর্যন্ত মায়ামির রক্ষণভাগ দৃঢ়তা ধরে রাখলে আর কোনো গোল করতে পারেনি প্রতিপক্ষ। ফলে ২-১ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মেসির দল।
মোহামেডানকে হারিয়ে বসুন্ধরার ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে ফর্টিস

মোহামেডানকে হারিয়ে বসুন্ধরার ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে ফর্টিস বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলে দারুণ ছন্দে থাকা ফর্টিস তুলে নিল আরও একটি জয়। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে ২-১ গোল ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। আর তাতেই শীর্ষে থাকা বসুন্ধরা কিংসের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে ফর্টিস। দুদলের পয়েন্টই এখন সমান। এই জয়ের পর ১০ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে রয়েছে ফর্টিস। সমান ম্যাচে সমান সংখ্যক পয়েন্ট অর্জন করেছে বসুন্ধরা কিংসও। কিন্তু গোল ব্যবধানে ফর্টিসকে পেছনে ফেলে এক নম্বরে অবস্থান করছে তারা। এদিকে পয়েন্ট টেবিলের ছয় নম্বরে অবস্থান করছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ১০ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ মাত্র ১০ পয়েন্ট। দিনের একমাত্র ম্যাচে খেলতে নেমে বল দখলে এগিয়ে ছিল মোহামেডানই। আর আক্রমণে প্রায় সমানতালেই খেলেছে দুদল। পুরো ম্যাচের ৫৫ শতাংশ সময় নিজেদের অধীনে বল ধরে রাখেন মোহামেডানের ফুটবলাররা। আর প্রতিপক্ষের গোলবার নিশানা করে ১৬টি শট নেয় তারা। এর মধ্যে লক্ষ্যে ছিল চারটি। অন্যদিকে পুরো ম্যাচের ৪৫ শতাংশ সময় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে বল ধরে রাখেন ফর্টিসের ফুটবলাররা। আর মোহামেডানের গোলবারে শট নেয় মোট ২০টি। এর মধ্যে লক্ষ্যে শট ছিল ছয়টি। ম্যাচের প্রথমবার লিড নেয় ফর্টিস। ২২তম মিনিটে গোল করে ফর্টিসকে এগিয়ে নেন গাম্বিয়ান ফুটবলার এসা জ্যালো। প্রথমার্ধে আর কোনো গোলটি হয়নি। ফলে এক গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ফর্টিস। এদিকে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে মোহমেডান। কিন্তু মিলছিল না কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা। উল্টো ৫২তম মিনিটে আরও এক গোল হজম করে সাদা-কালো জার্সিধারীরা। ফর্টিসের হয়ে দ্বিতীয় গোলটিও করেন এসা জ্যালো। ১২ মিনিট পর একটি গোল পরিশোধ করে মোহামেডান। পেনাল্টি কিক থেকে গোলটি করেন মোজাফফারভ। এরপর আর গোল হয়নি। ফলে ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় ফর্টিসের।
হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সংবর্ধনায় মেসি-সুয়ারেজরা

হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সংবর্ধনায় মেসি-সুয়ারেজরা মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) প্রথমবারের মতো শিরোপা জয়ের অবিস্মরণীয় কীর্তি গড়েছে ইন্টার মায়ামি। এই ঐতিহাসিক সাফল্য উদযাপনের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ সংবর্ধনা পেয়েছে ফ্লোরিডার ক্লাবটি। আর এই জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়েই জীবনে প্রথমবারের মতো মার্কিন রাষ্ট্রপতির বাসভবন হোয়াইট হাউসে পা রাখলেন আর্জেন্টাইন জাদুকর লিওনেল মেসি। হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে প্রবেশ করেন ইন্টার মায়ামি অধিনায়ক মেসি এবং ক্লাবের সহ-মালিক হোর্হে মাস। সাক্ষাৎকালে ট্রাম্পের হাতে নিজের স্বাক্ষর করা একটি গোলাপি ফুটবল তুলে দেন বিশ্বকাপজয়ী এই মহাতারকা। এছাড়া হোর্হে মাস ও দলের হেড কোচ হাভিয়ের মাসচেরানো প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দেন ইন্টার মায়ামির একটি জার্সি ও একটি ঘড়ি। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মেসি ও তার দলের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমরা আজ সত্যিকারের প্রতিভাবান মানুষদের সম্মান জানাচ্ছি। একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথমবারের মতো বলতে পারছি, ‘হোয়াইট হাউসে স্বাগতম, লিওনেল মেসি।’ এ সময় ট্রাম্প আরও জানান, তার ছেলে মেসির অনেক বড় ভক্ত এবং সে মেসিকে একজন অসাধারণ খেলোয়াড় ও মানুষ হিসেবে সম্মান করে। যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিনের ক্রীড়া ঐতিহ্য রয়েছে। বড় কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি বা লিগ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পর বিজয়ী দলকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেই প্রথা মেনেই এই আয়োজন। গত বছরের ৬ ডিসেম্বর ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম এমএলএস কাপ জেতে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করা ইন্টার মায়ামি। ওই মৌসুমে টানা দ্বিতীয়বারের মতো টুর্নামেন্টের সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড়ের (এমভিপি) পুরস্কারও জেতেন মেসি। রোমাঞ্চকর এই আয়োজনে লুইস সুয়ারেজ, রদ্রিগো ডি পল, তাদেও আলেন্দেসহ মায়ামির পুরো দল উপস্থিত ছিল। এছাড়া এমএলএস কমিশনার ডন গারবার, সাবেক বেসবল তারকা অ্যালেক্স রদ্রিগেজ এবং ট্রাম্প প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও যোগ দেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দলটিকে তাঁর কার্যালয় ওভাল অফিসেও আমন্ত্রণ জানান।
তিন মাস আগেই শেষ ব্রাজিল তারকা রদ্রিগোর বিশ্বকাপ স্বপ্ন

তিন মাস আগেই শেষ ব্রাজিল তারকা রদ্রিগোর বিশ্বকাপ স্বপ্ন বিশ্বকাপ শুরু হতে„ এখনও তিন মাসের বেশি সময় বাকি। তার আগেই ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য দুঃসংবাদ। তিন মাস আগেই বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ হয়ে গেলো ব্রাজিলের রিয়াল মাদ্রিদ তারকা রদ্রিগোর। গুরুতর হাঁটুর চোটে মৌসুমের বাকি অংশ থেকেও ছিটকে গেছেন তিনি। ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তার ডান হাঁটুর অ্যান্টেরিয়র ক্রুশিয়েট লিগামেন্ট (এসিএল) ও ল্যাটেরাল মেনিস্কাস ছিঁড়ে গেছে। সোমবার লা লিগায় গেতাফের বিপক্ষে ১-০ গোলের অপ্রত্যাশিত হারের ম্যাচেই চোটটি পান রদ্রিগো। এর আগে কিছুদিন ধরে হাঁটুতে অস্বস্তি অনুভব করছিলেন বলে জানা গেছে। পরীক্ষার পর রিয়াল মাদ্রিদ এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করে যে তার এসিএল ও মেনিস্কাসে র্যাপচার ধরা পড়েছে। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দেন ব্রাজিল তারকা। তিনি লেখেন, ‘এটা আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ দিনগুলোর একটি। আমার জীবন ও ক্যারিয়ারে বড় একটি বাধা এসেছে। কিছুদিনের জন্য আমি যা সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি, তা করতে পারব না। ক্লাবের হয়ে মৌসুমের বাকি সময় এবং দেশের হয়ে বিশ্বকাপ- দুটোই মিস করব, যা আমার স্বপ্ন ছিল। এখন শক্ত থাকা ছাড়া আমার আর কিছু করার নেই।’ রদ্রিগোর ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে তাকে প্রায় আট মাস মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে। তবে তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া নিয়মিত পর্যবেক্ষণে থাকবে এবং সুস্থতার অগ্রগতির ওপরই নির্ভর করবে মাঠে ফেরার সময়সূচি। ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) এক বিবৃতিতে রদ্রিগোর প্রতি সংহতি জানিয়ে দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছে। তারা জানিয়েছে, জাতীয় দলের এই ফরোয়ার্ডের ডান হাঁটুর এসিএল ও বাইরের মেনিস্কাসে গুরুতর চোট ধরা পড়েছে। ২০২৩ সালে একই ধরনের চোটে পড়েছিলেন নেইমার। রদ্রিগোর খবর শুনে তিনিও সামাজিক মাধ্যমে সমবেদনা জানান। তিনি লেখেন, ‘এই চোটের কষ্ট, দুশ্চিন্তা আর ভয় আমি জানি। এখন সবচেয়ে জরুরি হলো মানসিকভাবে শক্ত থাকা। তুমি আরও শক্ত হয়ে ফিরবে।’ চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ২৭ ম্যাচ খেলেছেন রদ্রিগো। করেছেন তিন গোল, সঙ্গে ছয়টি অ্যাসিস্ট। তার অনুপস্থিতি রিয়ালের আক্রমণভাগে বড় ধাক্কা হয়ে আসবে, আর ব্রাজিল জাতীয় দলের বিশ্বকাপ পরিকল্পনাতেও তৈরি করবে নতুন সমীকরণ।
চীনের বিপক্ষে হার দিয়েই অভিষেক হলো বাংলার বাঘিনীদের

চীনের বিপক্ষে হার দিয়েই অভিষেক হলো বাংলার বাঘিনীদের এএফসি নারী এশিয়ান কাপের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন চীন। অন্যদিকে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপে খেলতে গেছে বাংলাদেশ। প্রস্তুতি, শারীরিক সক্ষমতায় চীনের চেয়ে যোজন যোজন পিছিয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা। এশিয়ান কাপে হার দিয়েই অভিষেক হলো বাংলার বাঘিনীদের, কিন্তু হারলেও ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে লড়াই করে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন ঋতুপর্ণা-মারিয়ারা। মঙ্গলবার ওয়েস্টার্ন সিডনিতে এএফসি নারী এশিয়ান কাপে গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন চীনের বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। ম্যাচের দুটি গোলই হয় প্রথমার্ধের শেষের দিকে। ৮৬ মিনিটে হালিমাকে তুলে মিডফিল্ডার আনিকা রানিয়াকে মাঠে নামান কোচ পিটার বাটলার। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক ঘটল বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত সুইডেন প্রবাসী আনিকার। চীনের র্যাংকিং ১৭, বাংলাদেশের ১১২ কাগজে-কলমে এটি ছিল স্পষ্ট অসম লড়াই। তবে মাঠে সেই ব্যবধান পুরোপুরি প্রতিফলিত হতে দেয়নি বাংলাদেশ নারী দল। নির্ধারিত ৯০ মিনিট জুড়ে তারা খেলেছে ইতিবাচক ফুটবল। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন চীন নারী জাতীয় ফুটবল দল ফিজিক্যাল ও টেকনিক্যাল দিক থেকে এগিয়ে থাকলেও লড়াইয়ে পিছিয়ে ছিল না বাংলাদেশ নারী জাতীয় ফুটবল দল। চীনকে প্রথম গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে ৪৪ মিনিট পর্যন্ত। প্রথমার্ধের শেষ দুই মিনিটে দুই গোল করে তারা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ বলের দখলে আগের চেয়ে উন্নতি করে এবং রক্ষণাত্মক খোলস ভেঙে আক্রমণের ধারাও বাড়ায়। বিরতির পর বাংলাদেশ তিন পরিবর্তন আনে উমহেলা, শিউলি ও নবীরনের জায়গায় নামেন তহুরা, হালিমা ও স্বপ্না। ৮৫ মিনিটে জাতীয় দলে অভিষেক হয় সুইডিশ প্রবাসী আনিকা রহমানের। চীনও দ্বিতীয়ার্ধে তিন পরিবর্তন করলেও আর গোলের ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। অস্ট্রেলিয়ায় চলমান এএফসি নারী এশিয়ান কাপে রয়েছে ভিএআর প্রযুক্তি। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের একটি আক্রমণে পেনাল্টির সম্ভাবনা ভিএআরে পরীক্ষা করা হলেও শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত যায়নি বাংলাদেশের পক্ষে। ম্যাচের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর মুহূর্তটি আসে ১৪তম মিনিটে। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে বল পান ঋতুপর্ণা চাকমা। ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে দ্রুতগতিতে এগিয়ে গিয়ে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া তার বাঁ পায়ের শট প্রায় জালেই জড়িয়ে যাচ্ছিল। চীনের গোলরক্ষক চেন চেন পেছনে লাফিয়ে অসাধারণ সেভ না করলে সেটি হতে পারত টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা গোল। ২২ মিনিটে চীন প্রথমবার বল জালে পাঠালেও ভিএআরে সেটি বাতিল হয়। অবশেষে ৪৪ মিনিটে ওয়াং শুয়াং দূরপাল্লার শটে গোল করে এগিয়ে নেন দলকে। এক মিনিট পর ঝাং রুইয়ের শট বাংলাদেশের ডিফেন্ডারদের পায়ে লেগে জালে জড়ালে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-০।
একাদশে নেই রুপনা ও আনিকা, গোলবারের নিচে মিলি

একাদশে নেই রুপনা ও আনিকা, গোলবারের নিচে মিলি ৪ দশক পর এশিয়ার মঞ্চে বাংলাদেশের ফুটবল। এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিপক্ষ এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দল চীন। বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম শহর সিডনির কমব্যাংক স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে ম্যাচটি। আজকের ম্যাচে শুরুর একাদশে জায়গা হয়নি নিয়মিত ও অভিজ্ঞ গোলরক্ষক রুপনার চাকমার। তার জায়গায় চীনের বিপক্ষে গোলপোস্ট সামলাবেন মিলি আক্তার। এছাড়া একাদশে নেই সুইডেন প্রবাসী আনিকা রানিয়া সিদ্দিকীও। পাঁচ ডিফেন্ডার নিয়ে শুরু করছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার ছাড়াও রক্ষণে আছেন শিউলি আজিম, শামসুন্নাহার সিনিয়র, কোহাতি কিসকু এবং নবীবরণ খাতুন।
অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের এশিয়ান কাপ শুরু

অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের এশিয়ান কাপ শুরু ১৯৭৫ থেকে ২০২২। এই সময়ের মধ্যে ২০ বার হয়েছে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ ফুটবল। আয়োজক হওয়া তো দূরের কথা এশিয়ার নারী ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি বাংলাদেশ। তাই এশিয়ান কাপ নিয়ে চার বছর আগেও কোনো আগ্রহ ছিল না লাল-সবুজের দলটির। কিন্তু গত বছরের জুলাই থেকেই বাংলাদেশের ফুটবলে বইছে অন্যরকম এক আবহ। বাছাইপর্বে মিয়ানমারকে হারিয়ে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করার পর থেকেই আফঈদা খন্দকার-ঋতুপর্ণা চাকমাদের ঘিরে নতুন স্বপ্নের জাল বোনেন ফুটবল সমর্থকরা। আসল লড়াইয়ে তাদের ফুটবল শৈলী দেখার অপেক্ষায় কোটি বাঙালি। সেই অপেক্ষা ফুরাচ্ছে মঙ্গলবার। এশিয়ান কাপে গ্রুপ ‘বি’তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সিডনিতে চীনের মুখোমুখি হবে পিটার বাটলারের দল। তবে এশিয়ান কাপের সেরা ১২ দলের আসল লড়াই শুরু হচ্ছে আজ। পার্থ স্টেডিয়ামে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া খেলবে ফিলিপাইনের বিপক্ষে। মেয়েদের এশিয়ান কাপ মানেই চীনের দাপট। এখন পর্যন্ত প্রতিযোগিতায় ৯ বার শিরোপা জিতেছে তারা। তিনবার করে চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়া ও চায়নিজ তাইপে। গ্রুপ ‘বি’তে বাংলাদেশের সঙ্গী চীন ও উত্তর কোরিয়া। আছে উজবেকিস্তানও। গ্রুপ ‘এ’তে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া ছাড়া বাকি দলগুলো হলো দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান ও ফিলিপাইন। গ্রুপ ‘সি’তে খেলবে জাপান, ভিয়েতনাম, চায়নিজ তাইপে ও ভারত। প্রতিটি গ্রুপের সেরা দুটি করে ছয়টি এবং সেরা দুটি তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলবে উঠবে কোয়ার্টার ফাইনালে। এর মধ্যে চার কোয়ার্টার ফাইনালজয়ী দল সরাসরি টিকিট কাটবে ২০২৭ নারী ফুটবল বিশ্বকাপের। বাকি চার দল খেলবে প্লে-অফে। সেখান থেকে দুটি দল উঠবে বিশ্বকাপে। গ্রুপের দিকে তাকালে বাংলাদেশের সেরা দুই দলের একটি হওয়া কঠিন। পিটার বাটলারের দলের টার্গেট উজবেকিস্তান। ৯ মার্চ পার্থে এই ম্যাচ জিতলে তৃতীয় হওয়া সেরা দুটির একটি হওয়ার সম্ভাবনা জাগবে। তাতে খুলে যাবে বিশ্বকাপের দরজা। বাংলাদেশের প্রথম দুটি ম্যাচ সিডনিতে। তাই বেশ কয়েকদিন ধরেই সেখানে প্রস্তুতি নিচ্ছে লাল-সবুজের দলটি। আর সিডনির জুবিলি স্টেডিয়ামে আফঈদাদের নিয়ে বাড়তি মনোযোগ কোচ বাটলারের। হাতে যেহেতু সময় কম, তাই শেষ মুহূর্তের ভুলত্রুটি সংশোধনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কোচ। ওয়েস্টার্নের বিপক্ষে প্রীতিম্যাচের পর এখন পুরো দলকে আসল লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করছেন বাটলার। সিডনির কমব্যাংক স্টেডিয়ামে চীনের বিপক্ষে ম্যাচের আগে শনিবারও অনুশীলনে ঘাম ঝরিয়েছে মেয়েরা। এখন লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ফরোয়ার্ড সুরভি আকন্দ প্রীতি, ‘এই প্রথমবার বাংলাদেশ এত বড় একটা মঞ্চে আসছে, তো এটা ভালো লাগারই কথা। কাজ তো হচ্ছেই, সব দিক দিয়েই ট্রেনিং সেশনে যা আমাদের ভুলত্রুটি হয় সেটা ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তো ওইটা শোধরানোর চেষ্টা করছি আমরা। ভালো (প্রস্তুতি হচ্ছে), সবকিছু মিলিয়ে। এখানে আসার পর আমরা একটা প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলেছি, তো ওখানে যা ভুলত্রুটি হয়েছে, কোচ আমাদের সেটা নিয়ে দুটি ট্রেনিং সেশন করিয়েছেন, ওখানে শুধরে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ‘ওই ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে (১-১ ড্র হয়েছিল ম্যাচটি)। আমরা ভালো করেছি, ওরাও তো শক্তিশালী দল। ফিজিও ইস্যুতে শুরুতে সমস্যা ছিল বাংলাদেশ শিবিরে। নিয়মিত ফিজিও লাইজু ইয়াসমিন লিপা ব্যক্তিগত কারণে সরে দাঁড়ালে দায়িত্ব পড়েছিল জাকিয়া রহমানের কাঁধে। তিনিও অ্যাপেন্ডিসাইটিসে আক্রান্ত হওয়ায় কাজ চালিয়ে যেতে পারেননি। ফিজিও ছাড়াই অস্ট্রেলিয়া এসে ঝামেলায় পড়েছিল দল। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা কম হয়নি। তবে আশার কথা অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় ফিজিও ইসনাদ জামকনকে নিয়োগ দিয়ে সমস্যার সমাধান করেছে বাংলাদেশ।
ভিনিসিয়ুসের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগে ৫ সমর্থক নিষিদ্ধ

ভিনিসিয়ুসের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগে ৫ সমর্থক নিষিদ্ধ রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগে পাঁচ সমর্থককে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে বেনফিকা। ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভ্যন্তরীণ তদন্তের পর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধও হতে পারেন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি লিসবনের স্টেডিয়াম অব লাইটে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচের পর কয়েকজন সমর্থককে গ্যালারিতে বানরসুলভ অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা যায়। বিবৃতিতে বেনফিকা জানায়, ‘ম্যাচের পর গ্যালারিতে বর্ণবাদী ও অনুপযুক্ত আচরণের ঘটনায় তদন্ত শুরু করা হয়। ক্লাবের মূল্যবোধ ও নীতির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এমন আচরণ আমরা মেনে নেই না।’ চ্যাম্পিয়নস লিগ প্লে-অফের প্রথম লেগের সেই ম্যাচে ১০ মিনিট খেলা বন্ধ ছিল। রিয়ালের তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র অভিযোগ করেন, তাকে বর্ণবাদী মন্তব্য করা হয়েছে। রেফারি তখন বর্ণবাদবিরোধী প্রোটোকল চালু করেন। অভিযোগের তীর ছিল বেনফিকার জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ান্নির দিকে। তবে আর্জেন্টাইন উইঙ্গার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ক্লাবও তাকে সমর্থন দিয়ে বলেছে, তিনি ‘মানহানির শিকার’ হয়েছেন। এই ঘটনার পর দ্রুত তদন্ত শুরু করে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইউয়েফা। প্রেস্তিয়ান্নিকে সাময়িকভাবে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করে। নিষেধাজ্ঞার কারণে বুধবার সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ফিরতি লেগের ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। বার্নাব্যুতে ফিরতি লেগে ৩ হাজারের বেশি বেনফিকা সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। ম্যাচের শুরুতে ভিনিসিয়ুস বল ছুঁলেই তাকে দুয়ো দেওয়া হয়, এমনকি শুরুর একাদশে তার নাম ঘোষণার সময়ও শিস শোনা যায় গ্যালারি থেকে। প্রথম লেগে লিসবনে ১-০ ব্যবধানে জেতার পর, ঘরের মাঠে ২-১ গোলের জয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
পিএসজি তারকাকে পেতে রিয়াল-সিটি-লিভারপুলের ত্রিমুখী লড়াই

পিএসজি তারকাকে পেতে রিয়াল-সিটি-লিভারপুলের ত্রিমুখী লড়াই ইউরোপীয় ফুটবলে নতুন ট্রান্সফার নাটকের কেন্দ্রবিন্দুতে এখন জোয়াও নেভেস। পিএসজির এই তরুণ মিডফিল্ডারকে দলে টানতে ত্রিমুখী লড়াইয়ে নেমেছে রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার সিটি ও লিভারপুল। গেল দুই মৌসুমে লিগ ওয়ান ও চ্যাম্পিয়নস লিগে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন নেভেস। মাঝমাঠে তার পজিশনিং, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং এক-দুই টাচে প্রতিপক্ষের প্রেস ভেঙে দেওয়ার দক্ষতা তাকে ইউরোপের অন্যতম চাহিদাসম্পন্ন মিডফিল্ডারে পরিণত করেছে। বয়স কম হলেও খেলার পরিপক্বতায় তিনি অনেক সিনিয়র তারকাকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছেন। রিয়াল মাদ্রিদ তাদের মিডফিল্ডে তরুণ শক্তি যোগ করতে চায়। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নেভেসকে ‘ফাইনাল পিস’ হিসেবে দেখছে লস ব্লাঙ্কোরা। ক্লাবের স্কাউটরা ইতিমধ্যে তার ওপর ইতিবাচক রিপোর্ট জমা দিয়েছে বলে স্প্যানিশ গণমাধ্যমের দাবি। এদিকে, ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলার কৌশলভিত্তিক ফুটবলে মানিয়ে নিতে পারবেন, এমন খেলোয়াড়ই খুঁজছে সিটি। বল দখল ও পাসে দক্ষ নেভেসকে তাই আদর্শ মনে করছে ইংলিশ জায়ান্টরা। শোনা যাচ্ছে, সিটি তার জন্য বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিতে প্রস্তুত। অন্যদিকে, লিভারপুলও মাঝমাঠে নতুন ভারসাম্য খুঁজছে। ক্লাবটির বিশ্লেষক দল মনে করছে, নেভেস এলে আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই দিকেই গতি ও স্থিরতা বাড়বে। তাই আনফিল্ডও এই দৌড়ে পিছিয়ে নেই। তবে পিএসজি সহজে ছাড় দেবে না। ক্লাবটি ইতোমধ্যে নেভেসের চুক্তি ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাড়িয়েছে এবং স্পষ্ট করেছে, বিশাল অঙ্কের প্রস্তাব ছাড়া কোনো আলোচনা নয়। বিভিন্ন সূত্র মতে, ১৫০–১৬০ মিলিয়ন ইউরোর কমে তারা রাজি হবে না। সব মিলিয়ে, গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার উইন্ডো ঘিরে ইউরোপীয় ফুটবলে বড় এক লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিলছে। এখন দেখার বিষয়—পিএসজি কি তাদের রত্নকে ধরে রাখতে পারে, নাকি রিয়াল-সিটি-লিভারপুলের মধ্যে কেউ ইতিহাস গড়ে তাকে দলে ভেড়ায়।