‘বরবাদ’ সিনেমা নিয়ে ভারতীয় সিনেমাটোগ্রাফারের চাঞ্চল্যকর তথ্য

‘বরবাদ’ সিনেমা নিয়ে ভারতীয় সিনেমাটোগ্রাফারের চাঞ্চল্যকর তথ্য শাকিব খান অভিনীত ‘বরবাদ’ সিনেমা সগৌরবে প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে। সিনেমাটির নির্মাণশৈলীর প্রশংসা কুড়াচ্ছেন পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয়। এরই মাঝে নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভারতীয় সিনেমাটোগ্রাফার শৈলেশ আওয়াস্থি। শনিবার (৫ এপ্রিল) মেহেদী হাসান হৃদয়ের দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য কেরেন শৈলেশ আওয়াস্থি। তার দাবি, ‘বরবাদ’ সিনেমার প্রকৃত সিনেমাটোগ্রাফার তিনি। সিনেমাটির সৃজনশীল ও ভিজ্যুয়াল নির্মাণে তারই প্রধান ভূমিকা। অথচ চূড়ান্ত ক্রেডিট থেকে তাকে বাদ দিয়ে সিনেমাটোগ্রাফির স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে রাজু রাজকে। পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয়কে উদ্দেশ্য করে শৈলেশ আওয়াস্থি লেখেন, “যখন তোমার কঠোর পরিশ্রমকে উপেক্ষা করা হয় এবং অন্যরা তোমার কাজের কৃতিত্ব নেয়, তখন সেটা হতাশাজনক। ‘বরবাদ’-এর সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে আমার শতভাগ দিয়েছি। তা ছাড়া আমি সৃজনশীল বিভিন্ন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সিনেমাটিকে বানাতে সাহায্য করেছি। অথচ সেগুলো আমার দায়িত্ব ছিল না। কিন্তু আমাকে সেই কৃতিত্ব দেওয়া হয়নি, যা দেওয়া হয়েছে অন্যকে।” বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে শৈলেশ লেখেন, “রাজু রাজ, যাকে ডিওপি হিসেবে কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে, তিনি সিনেমার সঙ্গে খুব কমই যুক্ত ছিলেন। সত্যি বলতে, এই শিরোনাম (ডিওপি) দাবি করার আগে প্রথমে সিনেমাটোগ্রাফির মৌলিক বিষয়গুলো বুঝতে হবে। আমি মাঠে ছিলাম, শটগুলো আমি সাজিয়েছিলাম, ভিজ্যুয়াল ডিজাইন আমি করেছিলাম। আমার দায়িত্বের বাইরে গিয়েও কাজ করেছিলাম। এটা অহংকার নয়, এটা ন্যায্যতার প্রশ্ন। আমি কেবল আমার দক্ষতা দিয়ে নয়, সততার সাথে এই সিনেমাটিতে কাজ করেছি। পোস্টার, উইকিপিডিয়া এবং আইএমডিবিতে নাম পরিবর্তন করা যেতে পারে, কিন্তু সত্য সর্বদা তার পথ খুঁজে নেয়।” রবিবার (৬ এপ্রিল) শৈলেশ আওয়াস্তি নিজের ওয়ালে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, “আজিম ভাই এবং শারমিন অভিনন্দন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে ১৬ কোটি বাজেটের একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ নিঃসন্দেহে একটি সাহসী পদক্ষেপ। যখন বেশিরভাগ প্রযোজনা সংস্থা বড় বাজেটের প্রকল্প নিয়ে ঝুঁকি নিতে দ্বিধা করে, তখন রিয়েল এনার্জি প্রোডাকশন তাদের প্রথম প্রযোজনা, ‘বারবাদ’র মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের একটি চলচ্চিত্র উপহার দেওয়ার জন্য এগিয়ে এসেছে। সাহস এবং দূরদৃষ্টির জন্য তারা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। কোনো সন্দেহ নেই যে, ‘বরবাদ’ দেশের সেরা বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে শীর্ষে রয়েছে। যদি এই প্রযোজনা সংস্থা তার গতি বজায় রাখতে পারে এবং এই ধরণের মানের চলচ্চিত্র উপহার দিতে পারে, তাহলে আমরা হয়তো ঢালিউড শিল্পে একটি নতুন যুগের সূচনা দেখতে পাচ্ছি, যা আমাদের চলচ্চিত্রকে আরো উচ্চতায় নিয়ে যাবে।” ‘বরবাদ’ সিনেমার প্রযোজক শারমিন আখতার সুমির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শৈলেশ লেখেন, “বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একজন নির্ভীক নারী এবং পথিকৃৎ প্রযোজক শারমিন আখতার সুমির প্রতি শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা। অসংখ্য চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও তিনি সাহস করে দর্শকদের সামনে ‘বরবাদ’র মতো একটি বড় বাজেটের প্রকল্প উপস্থাপন করেছেন। আমি নিশ্চিত যাত্রাটি সহজ ছিল না। তবে আমি আপনাদের আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি, দয়া করে সিনেমার পথ থেকে সরে আসবেন না। আপনাদের মতো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রযোজকদেরই আমাদের শিল্পকে নতুন করে রূপ দেওয়ার এবং এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। বাংলা সিনেমা দীর্ঘজীবী হোক। সকল সিন্ডিকেটের পতন হোক!” জানা গেছে, আজ দুপুর নাগাদ প্রযোজকের হস্তক্ষেপে বিষয়টির সমাধান হয়েছে। এরপরই সিনেমাটোগ্রাফার এই পোস্ট দেন তার ওয়ালে। যদিও সেখানে শুধুই প্রযোজকের প্রশংসা করা হয়েছে। কিছুই উল্লেখ ছিল না নির্মাতা বা নায়কের। যা থেকে স্পষ্ট, সিনেমাটোগ্রাফার প্রযোজকের মন রক্ষার জন্যই বিষয়টি নিয়ে আর সামনে আগাননি। তবে এসব বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করেও মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি নির্মাতা হৃদয়কে। বাংলাদেশের রিয়েল এনার্জি প্রোডাকশন এবং ভারতের রিধি সিধি এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে আজিম হারুন ও শারমিন আক্তার সুমি ‘বরবাদ’ সিনেমা প্রযোজনা করেছেন। সিনেমাটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাকিব খান, কলকাতার ইধিকা পাল, যীশু সেনগুপ্ত।
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে হিন্দি সিনেমার অভিনেতা কার্তিক আরিয়ানকে সবাই চেনে হাসিখুশি মানুষ হিসেবে। কিন্তু এই অভিনেতা হঠাৎ করে রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে। এনডিটিভি লিখেছে, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, মঞ্চে রকস্টার রূপে আরিয়ান। তাকে দেখা যাচ্ছে গিটার বাজাতে, তখন ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিহ হিসেবে ‘তু মেরি জিন্দেগি হ্যায়’ গানটি বাজছিল। আরিয়ান গানের সাথে ঠোঁট মেলান। সেখানে গিটার হাতে দেখা গেছে অভিনেত্রী শ্রীলীলাকেও। এরপর দেখা গেল গলা থেকে গিটার নামিয়ে মঞ্চে থাকা এক ব্যক্তিকে সেটি দিয়ে আঘাত করলেন আরিয়ান এবং তাকে ধাক্কা দিয়ে নামিয়েও দিলেন। তারপর নিজেও মঞ্চ থেকে একলাফে নিচে নেমে পড়লেন তিনি। এই ভিডিও দেখে মানুষের প্রশ্ন এটা কি কোনো সিনেমার শুটিং দৃশ্য? নাকি সত্যিই কোনো অনুষ্ঠানে গিয়ে এতটা রেগে গিয়েছিলেন আরিয়ান? প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে এনডিটিভি। এই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্যাংটকে চলছে পরিচালক অনুরাগ বসুর সিনেমার শুটিং। ওই সিনেমায় কাজ করছেন আরিয়ান এবং শ্রীলীলা। সিনেমার শুটিংয়ের ভিডিও ছড়িয়েছে ইন্টারনেটে। অনুরাগ বসুর এই সিনেমার ‘রকস্টারের’ চরিত্রে দেখা যাবে আরিয়ানকে। তবে সিনেমার নাম এখনো ঠিক করেনি নির্মাতা টিম। আরিয়ানের সর্বশেষ সিনেমা ‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’, যা মুক্তি পেয়েছিল গেল বছর। ‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’ সিনেমার ভারতের প্রথম প্যারালিম্পিকে স্বর্ণ জয়ী মুরলীকান্ত পেটকর হয়েছিলেন আরিয়ান। চরিত্রটি করতে অভিনেতাকে কেবল ১৮ কেজি ওজনই ঝরাতে হয়নি, শুটিংয়ে এমন একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছিল যে, আরেকটু হলে চোখ হারাতেন এই অভিনেতা।
সালমানের ‘সিকান্দার’ ৫ দিনে কত আয় করেছে

সালমানের ‘সিকান্দার’ ৫ দিনে কত আয় করেছে বলিউড ভাইজান সালমান খানের ‘সিকান্দার’ আশানুরূপ আয় করতে পারছে না। ৫ দিনে মাত্র ১০০ কোটির কাছাকাছি পৌঁছেছে সিনেমাটি। বৃহস্পতিবার আরও বেশ কিছুটা আয় কমেছে এ সিনেমার। ঈদ উপলক্ষে গত ৩০ মার্চ মুক্তি পেয়েছে সালমান খান অভিনীত ‘সিকান্দার’। দেখতে দেখতে ৫ দিন অতিক্রম করেছে। মুক্তির পর প্রথম বৃহস্পতিবার বক্স অফিসে ৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকার ব্যবসা করেছে এটি। আর সেই অংকের সঙ্গেই ‘সিকান্দার’ সিনেমার মোট আয় গিয়ে পৌঁছেছে ৯০ কোটি রুপিতে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২৮ কোটি টাকার বেশি। ঈদের ঠিক আগের দিন মুক্তি পেয়েছে ‘সিকান্দার’। উৎসবের মৌসুম অন্যদিকে ভারতজুড়ে সাপ্তাহিক ছুটি সত্বেও ‘সিকান্দার’ সালমানের অন্য সিনেমার মতো শুরুটা ভালো হয়নি। বরং অনেকটাই কম ছিল প্রথম দিনের আয়। মুক্তির পর প্রথম দিন বক্স অফিসে ‘সিকান্দার’ ২৬ কোটি রুপি ব্যবসা করে। দ্বিতীয় দিন, অর্থাৎ ঈদের দিন সেই আয়ের পরিমাণ বেড়ে হয় ২৯ কোটি রুপি। মঙ্গলবার এক ধাক্কায় আয়ের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়। এদিন ১৯ কোটি ৫০ লাখ রুপি ব্যবসা করে সালমানের সিনেমাটি। বুধবার সেই আয়ের পরিমাণ আরও কমেছে। ২ এপ্রিল বক্স অফিসে ‘সিকান্দার’ মাত্র ৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা আয় করেছে বলেই ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে। ‘সিকান্দার’র প্রযোজক নাদিয়াওয়ালা গ্র্যান্ডসনের পক্ষ থেকে এদিন ইনস্টাগ্রামে সিনেমার বিশ্বজুড়ে আয়ের পরিমাণ প্রকাশ করা হয়েছে। জানানো হয়েছে মুক্তির পর প্রথম চার দিনে এটি ১৫৮ কোটি ৫০ লাখ রুপি আয় করেছে। তারা এও জানিয়েছেন যে চতুর্থ দিনে সিনেমাটি ভারতীয় বক্স অফিসে ১৩ কোটি ৮৫ লাখ রুপি আয় করেছে। আর ভারতের বাইরে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা রুপি আয় করেছে। তৃতীয় দিনের তুলনায় এ আয় যে অনেকটাই কম সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। ‘সিকান্দার’ নির্মাণ করেছেন এ আর মুরুগাদোস। সিনেমাটিতে সালমান খান ছাড়াও রাশমিকা মান্দানা, কাজল আগরওয়াল, শরমন যোশীসহ আরও অনেকে অভিনয় করেছেন।
ঘিবলি আর্টে মজলেন অমিতাভ বচ্চনও

ঘিবলি আর্টে মজলেন অমিতাভ বচ্চনও সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ঘিবলি স্টাইল। সাধারণ মানুষ থেকে তারকা, বাকি নেই কেউই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার খেলায় মেতেছেন প্রত্যেকেই। এবার ‘স্টুডিও ঘিবলি’র খেলায় মাতলেন স্বয়ং বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। গেল রোববার নিয়মমাফিক মুম্বাইয়ের বাড়ির বাইরে অনুরাগীদের সঙ্গে দেখা করেন অমিতাভ। অতীতে সাপ্তাহিক এই সাক্ষাতের নানা ছবি সামাজিকমাধ্যমের পাতায় ব্যক্তিগত ব্লগে ভাগ করে নেন অমিতাভ। তবে এবার তিনি নিজের ঘিবলি অবতারের কিছু ছবি পোস্ট করেছেন। শুধু ঘিবলি নয়, সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে আরও কয়েকটি বিশেষ চিত্রশিল্পের ঘরানায় নিজের ছবি তৈরি করেছেন অমিতাভ। সেই ছবিগুলোও ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করে নিয়েছেন তিনি। অমিতাভ ছবিগুলো পোস্ট করেন লেখেন, আর ঘিবলি বিশ্বকে হাতের মুঠোয় করে ফেলল। যোগাযোগের মধ্যে নতুন বাস্তবতা। এরই সঙ্গে অমিতাভ তার ব্লগে ভক্তদের সঙ্গে দেখা করার একটি রিল ভিডিও পোস্ট করেছেন। সঙ্গে লেখেন, আরও একটা নতুন ভাবনা ‘রিল’, যার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা জরুরি। অমিতাভের ঘিবলি ছবিগুলো সামাজিকমাধ্যমে ছডিয়ে পড়তেই অভিনেতার প্রশংসা করেছেন ভক্ত-অনুরাগীরা।
প্রেক্ষাগৃহ থেকে নামিয়ে দেওয়া হল শাকিবের সিনেমা

প্রেক্ষাগৃহ থেকে নামিয়ে দেওয়া হল শাকিবের সিনেমা শাকিব খান অভিনীত দুটো সিনেমা ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেয়েছে। এগুলো হলো— ‘বরবাদ’ ও ‘অন্তরাত্মা’। মুক্তির আগে ‘বরবাদ’ সিনেমার প্রচারে দেখা গেলেও ‘অন্তরাত্মা’ নিয়ে খুব একটা সরব ছিলেন না শাকিব খান। তারপরও সিঙ্গেল স্ক্রিন ও মাল্টিপ্লেক্স মিলিয়ে ২১টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় এটি। তবে স্টার সিনেপ্লেক্সে এখন ‘অন্তরাত্মা’ সিনেমার কোনো প্রদর্শনী নেই। বুধবার (২ এপ্রিল) জানা যায়, মুক্তির দ্বিতীয় দিন স্টার সিনেপ্লেক্স থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে শাকিব খানের ‘অন্তরাত্মা’। মূলত, দেশের সবচেয়ে বড় মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্সের দুটি শাখায় মুক্তি পেয়েছিল ওয়াজেদ আলী পরিচালিত ‘অন্তরাত্মা’। ৩ এপ্রিল পর্যন্ত প্রকাশিত সূচিতে বসুন্ধরা সিটি ও সনি স্কয়ারে দুটি করে প্রদর্শনী পায় সিনেমাটি। তবে দর্শক সাড়া না পাওয়ায় নির্ধারিত তারিখের এক দিন আগেই নামিয়ে দেওয়া হয়েছে সিনেমাটি। স্টার সিনেপ্লেক্সের জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্মকর্তা মেজবাহ আহমেদ বলেন, “কোনো সিনেমা যদি দর্শক টানতে না পারে, আমরা তা নামিয়ে দর্শকের পছন্দের তালিকায় থাকা সিনেমার শো বাড়িয়ে দিই। ‘অন্তরাত্মা’ নামিয়ে বাকি সিনেমার শো বাড়ানো হয়েছে।”তরঙ্গ এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে ‘অন্তরাত্মা’ সিনেমা প্রযোজনা করেছেন সোহানী হোসেন। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাকিব খান ও দর্শনা বণিক। সিনেমাটি ২০২১ সালের ঈদুল ফিতরে মুক্তির প্রাথমিক তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে অজানা কারণে সিনেমাটি আর মুক্তি পায়নি। দীর্ঘ চার বছর পর মুক্তি পায় এটি।
বুলেট প্রুফ গ্লাসের ওপার থেকে দেখা দিলেন সালমান

বুলেট প্রুফ গ্লাসের ওপার থেকে দেখা দিলেন সালমান সালমান খানের বান্দ্রার বাড়ির সামনে উপচেপড়া ভিড়। নানাভাবে তাদের সামলে রাখার চেষ্টা করছেন পুলিশ। কিছুক্ষণ পরই দেখা দেন অভিনেতা সালমান খান। তবে বাড়ির বাইরে আসেননি; ভেতর থেকে কাচের দেওয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে ভক্তদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন। ‘বিংস সালমান খান’-এর অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা একটি এমন দৃশ্য দেখা যায়। ক্যাপশনে লেখা, “ধন্যবাদ। ধন্যবাদ। সবাইকে ঈদ মোবারক।” ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, প্রত্যেক ঈদে ভক্তদের সামনে আসেন সালমান খান। এবারো তার ব্যত্যয় ঘটেনি। সালমানের জীবনের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আগেই বাড়ির সামনের অংশে বুলেট প্রুফ গ্লাস লাগানো হয়েছে। আর সেই বুলেট প্রুফ গ্লাসের অপর প্রান্ত থেকে ভক্তদের সঙ্গে দেখা করেন ‘ওয়ান্টেড’ তারকা। লরেন্স বিষ্ণোই সালমান খানকে একাধিকবার প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। কেবল তাই নয়, তার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলিও ছুঁড়েছে। ফলে জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে কঠিন সময় পার করছেন সালমান খান ও তার পরিবার। গত বছরের ১৮ অক্টোবরও প্রাণনাশের হুমকি পান সালমান খান। এরপরও নিয়মিত শুটিং করেছেন। তবে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ব্যবস্থা বৃদ্ধি করেছেন আত্মবিশ্বাসী এই অভিনেতা। সালমান খান অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘সিকান্দার’। ৩০ মার্চ বিশ্বের সাড়ে ৫ হাজার পর্দায় মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। মুক্তির প্রথম দিনে ৩০ কোটি রুপি আয় করেছেন সিনেমাটি। এ আর মুরুগাদোস নির্মিত সিনেমাটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সালমান খান। আর তার বিপরীতে রয়েছেন ৩১ বছরের ছোট রাশমিকা মান্দানা। রাশমিকা-সালমান ছাড়াও ‘সিকান্দার’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন কাজল আগরওয়াল, সত্যরাজ, শর্মন জোশী, প্রতীক বব্বর প্রমুখ। এটি প্রযোজনা করছেন সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা।
মুক্তির পর শাকিবের ‘বরবাদ’ সিনেমা ফাঁস

মুক্তির পর শাকিবের ‘বরবাদ’ সিনেমা ফাঁস প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরেই পাইরেসির কবলে পড়েছে শাকিব খান অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘বরবাদ’। এ তথ্য জানার পরই রাজধানীর গুলশান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন সিনেমাটির প্রযোজক শাহরিন আক্তার সুমি। শাহরিন আক্তার সুমি বলেন, “বরবাদ’ মুক্তির আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পাইরেসি রোধের জন্য একটি কোম্পানিকে দায়িত্ব দিয়েছি। কিন্তু হল থেকে মুঠোফোন বা ক্যামেরা দিয়ে যারা ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করছেন, তাদের জন্য আইনত ব্যবস্থা নেওয়া খুবই জরুরি ছিল। এটা যাতে কেউ না করেন, তা জানিয়ে একটি পোস্টও দিয়েছিলাম। তবে আজ সকালে দেখি, সিনেমার পুরো একটি কপি টেলিগ্রামে ঘুরছে, তারপর আমরা থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। এখন একটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।” সিনেমাটি মুক্তির আগে থেকেই পাইরেসির সন্দেহ করছিলেন প্রযোজক ও সিনেমা সংশ্লিষ্টরা। একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে সিনেমার ক্ষতি করতে চাইছেন। তবে তারা কারা সে বিষয়ে পরিষ্কার কিছু জানাননি প্রযোজক। শাহরিন আক্তার সুমি বলেন, “নির্ধারিত কারো নাম এখন বলতে পারব না। বিভিন্ন গ্রুপ থেকে বিভিন্ন নামে কাজটি করা হচ্ছে। সুতরাং এভাবে বলা যাবে না। এখন প্রতিটি লিঙ্ক ধরে ধরে তদন্ত কমিটি কাজ করবে। গ্রেপ্তার হলে বিস্তারিত জানতে পারবেন।” ঈদুল ফিতরের দিন সারাদেশের ১২০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ‘বরবাদ’ সিনেমা। মুক্তির পর দর্শকদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে সিনেমাটি। এরই মধ্যে পাইরেসির খবরটি শাকিব ভক্তদের জন্য হতাশার। মেহেদী হাসান হৃদয় পরিচালিত ‘বরবাদ’ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন ইধিকা পাল। এছাড়াও অভিনয় করেছেন যীশু সেনগুপ্ত, শহীদুজ্জামান সেলিম, মিশা সওদাগর, ইন্তেখাব দিনার, মামুনুর রশীদ প্রমুখ। একটি আইটেম গানে পারফর্ম করেছেন কলকাতার নায়িকা নুসরাত জাহান।
ঈদে দূর পরবাসে থাকলেও মনটা দেশে পড়ে আছে: জায়েদ খান

ঈদে দূর পরবাসে থাকলেও মনটা দেশে পড়ে আছে: জায়েদ খান ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। বাবা-মা, প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন বাড়তি আনন্দের। ঈদের হাওয়া লেগেছে শোবিজ অঙ্গনেও। সঙ্গত কারণে শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও ঈদ-আনন্দে ভাসছেন। পরিবার-পরিজন রেখে কেউ কেউ রয়েছেন দূর পরবাসে। এই তালিকায় রয়েছেন এ সময়ের আলোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খান। দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে অবস্থান করছেন তিনি। ঈদুল ফিতর সেখানেই উদযাপন করছেন জায়েদ খান। সকালে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। এ তথ্য উল্লেখ করে জায়েদ খান রাইজিংবিডিকে বলেন, “সকালেই ঈদের নামাজ সেরেছি। এখানে আমার কাজিন সংগীতশিল্পী প্রতীক হাসান রয়েছে। আমরা একসঙ্গে ঈদ উদযাপন করছি। এরপর এখানে অবস্থানকারী শিল্পীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছি।” কয়ক বছর আগে জায়েদ খানের বাবা-মা গত হয়েছে। সাধারণত, ঈদের দিনে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করে থাকেন। কিন্তু এবার তা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, “ঈদের দিন সকালেই বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করে থাকি। এবার আর হলো না। মনটা ভীষণ খারাপ। ভাই-বোনকে মিস করছি। বোনের হাতের রান্না মিস করছি। সত্যি বলতে দেশের মানুষকে খুব মিস করছি। দূরপরবাসে পড়ে থাকলেও মনটা দেশে পড়ে আছে। পরিচিত মানুষের মুখগুলো দেখতে ইচ্ছে করছে; সবার জন্য দোয়া ও ঈদের শুভেচ্ছা রইল।” জায়েদ খান যুক্তরাষ্ট্রে ঠিকানা টেলিভিশনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। সেখানে একটি শো উপস্থাপনা করছেন। ঈদের দিনে সহকর্মীদের সঙ্গেও সময় কাটাবেন। জায়েদ খান বলেন, “ঠিকানা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছি। পরিবারের কিছু কার্যক্রম ছিল, সেগুলো করেছি।”নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা সংবাদপত্র ‘ঠিকানা’। এর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদনমূলক একটি টক শো উপস্থাপনা করছেন, যেখানে শোবিজ ও চলচ্চিত্রের তারকারা উপস্থিত থাকেন। প্রথমবারের মতো উপস্থাপক হিসেবে কাজ করছেন এই নায়ক। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক থেকে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, দুবাইসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত শোয়েও পারফর্ম করছেন জায়েদ খান।
মারাত্মক আহত পুত্রকে নিয়ে যা জানালেন কুমার বিশ্বজিৎ

মারাত্মক আহত পুত্রকে নিয়ে যা জানালেন কুমার বিশ্বজিৎ দুই বছর আগে বরেণ্য সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিতের একমাত্র ছেলে নিবিড় কুমার কানাডায় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। এরপর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত এক বছর ধরে দেশটির মিসিসাগার একটি রিহ্যাব সেন্টারে আছেন নিবিড়। কুমার বিশ্বজিৎ এখন কানাডায় অবস্থান করছেন। সেখান থেকে দেশের একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন এই সংগীতশিল্পী। পুত্র নিবিড়ের শারীরিক অবস্থা জানিয়ে কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, “খুবই ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। এতটাই ধীরে হচ্ছে যে, এটাকে কোনোভাবেই অনেক বেশি অগ্রগতি বলা যাবে না। বছরখানেক ধরে রিহ্যাবে আছে। এখানে স্পিচথেরাপি, ফিজিওথেরাপি, স্টিমিউলেটেড থেরাপি চলছে। স্বাভাবিক জীবনের জন্য যা যা করণীয়, সবই করার চেষ্টা হচ্ছে।” এখনো নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেন না নিবিড়। তা জানিয়ে কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, “প্রতিদিনই নিবিড়কে বাইরের পরিবেশ দেখানোর চেষ্টা চলে। এখনো কিছু শারীরিক সমস্যা আছে। নিজের পায়ে এখনো দাঁড়াতে পারে না। মাঝেমধ্যে মেশিনের মাধ্যমে দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হয়। চিকিৎসকেরা বলেছেন, কিছু কিছু মাসল পাজম জায়গায় আছে। কথা বলার ব্যাপারটা কবে কখন হবে, কেউ বলতে পারেন না।” নিবিড়ের শারীরিক অবস্থার উন্নতি ব্যাখ্যা করে কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, “ডাকলে নিবিড় তাকায়। ঘাড় ডানে-বাঁয়ে ঘোরায়। মাঝেমধ্যে হাত-পা নিজে থেকে নাড়ে। খাবারদাবার কৃত্রিম উপায়ে দিতে হয়। শরীরে এখন অক্সিজেন দিতে হয় ২ পারসেন্ট। এই ২ পারসেন্ট অক্সিজেন ছাড়াই নিবিড় সাত-আট ঘণ্টা থাকতে পারে। এটাই বা কম কিসে!” নিবিড় সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে, তা নিয়ে আশাবাদী কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, “নিবিড়কে অনেক ওষুধ দিতে হয়, যার জন্য সার্বক্ষণিক নার্স দরকার। ইনএনটি সাপোর্টও দরকার। নিবিড় যেখানে আছে, ওদের রিহ্যাবে সাফল্যের হারও ভালো। এমনও আছে যে এ ধরনের রোগী পাঁচ বছর রিহ্যাবে থাকার পর পুরোপুরি স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেয়েছে। আমরা যেমন আশাবাদী, রিহ্যাবের ওরাও আশাবাদী। এখন দেখা যাক, কী হয়।” ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। টরন্টো পুলিশ গণমাধ্যমকে জানায়, টরন্টো নগরীর অদূরে মিসিসাগা এলাকায় ৪২৭ হাইওয়ে ও ডানডাস ইন্টারসেকশনের সন্নিকটে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে এ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আরিয়ান আলম দীপ্ত, শাহরিয়ার খান ও অ্যাঞ্জেলা বারৈ নামের ৩ বাংলাদেশি ছাত্র নিহত হন। নিবিড় কুমার এখনো চিকিৎসাধীন।
মনে হয়েছিল সব শেষ- বললেন সারা

মনে হয়েছিল সব শেষ- বললেন সারা বলিউড অভিনেতা সাইফের উপর হামলার খবর মধ্যরাতে পান বড় মেয়ে সারা আলি খান। সেই মুহূর্তে ঠিক কী করা উচিত বুঝে ওঠার আগেই একের পর এক ফোন। আসতে থাকে নানা আপডেট। এমন রাত আগে কখনও আসেনি তার জীবনে। সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে বাবার উপর হামলার দিনের ঘটনা বর্ণনা করেন সারা। হামলার পরের দিন সকালেই হাসপাতালে ছুটে গিয়েছিলেন তিনি। কয়েকটা দিন যে কতটা অনিশ্চয়তার মধ্যে কেটেছে সারার, সে কথাও জানান। সাক্ষাৎকারে সারা বলেন, ‘আমি ভেঙে পড়েছিলাম। সত্যি বলতে আর কিছু মনে পড়ছে না। এতটাই ভয় পেয়েছিলাম যে পাথরের মতো হয়ে গিয়েছিলাম। বাবাকে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন ওই ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময়টা গোটা জীবনের মতো মনে হয়েছিল। তারপর ধীরে ধীরে হাসপাতাল থেকে আপডেট পেয়ে স্বস্তি পাই।’ বাবাকে যে দিন হাসপাতাল থেকে হাসি মুখে বেরিয়ে আসতে দেখেন, সেই দিন খানিক স্বস্তি পেয়েছিলেন সারা। সারা আরও বলেন, ‘তিনি ঠিক এমনই। এটাই তার স্বভাব এবং চার সন্তানের বাবা হিসেবে তাকে দেখাতেই হতো যে তিনি একদম ঠিক আছেন। বাবা সবসময়ই একজন ফাইটার। কখনও হাল ছাড়েন না। তাই বাবা হিসেবে তিনি দেখানোর চেষ্টা করেন সব ঠিক আছে। আমিও এটা বাবার থেকেই শিখেছি।’ চাপের মধ্যেও সাইফ জানেন কীভাবে নিজেকে শান্ত রাখতে হয়। তাই সারার কথায়, ‘আতঙ্কের পরিস্থিতিতে বাবা অন্যদের তুলনায় অনেক ভালো। আমি তো প্রথমেই আতঙ্কিত হয়ে যাই। কাঁদতে থাকি।’ প্রসঙ্গত, গত ১৬ জানুয়ারি মধ্যরাতে সাইফ আলি খানের মুম্বইয়ের বাড়িতে ঢুকে পড়ে এক দুষ্কৃতী। একের পর এক ছুরিকাঘাত করেন অভিনেতাকে। মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয় তাকে।