আম ব্যবসায়ী ওমর সানী

আম ব্যবসায়ী ওমর সানী নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানী। কয়েক বছর আগে রেস্তোরাঁ ব্যবসায় নেমেছেন তিনি। এবার জানা গেল অভিনেতা আম ব্যবসাও করছেন। ‘মাটির কোলে’ নামে একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সরাসরি মানুষের ঘরে ঘরে আম পৌঁছে দিচ্ছেন। এ নিয়ে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন ওমর সানী। তাতে তিনি বলেন, “কাঁচা আম, পাকা আম— সারা পৃথিবীর একটা আশ্চর্যের বিষয়। আমরা গর্ব করে বলতে পারি, আমার জেলা চাঁপাই নবাবগঞ্জ, আমাদের জেলা রাজশাহী। যারা এই সুস্বাদু আমগুলো পেতে চান, তারা আমাদের অনলাইন পেজে অর্ডার করুন, এই জেলার বাগান থেকে ফরমালিন মুক্ত আম সরাসরি আপনার বাসায় পৌঁছে যাবে।” ওমর সানীর এ ভিডিওতে নেটিজেনদের অনেকে মন্তব্য করেছেন। অনেকে আম নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ জানতে চেয়েছেন— আম খারাপ হলে ফেরত নেবেন কি না! তবে আমের দাম ‘বেশি’ বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন। বর্তমানে চলচ্চিত্রে খুব একটা নিয়মিত না হলেও নানারকম ব্যাবসায়ীক কর্মকাণ্ড নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন ওমর সানী। চলচ্চিত্রে অভিনয় থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও, সমাজ ও দেশের উন্নয়নমূলক কাজে ভূমিকা রাখতে চান এই নায়ক। ওমর সানি ১৯৯২ সালে নুর হোসেন বলাই পরিচালিত ‘এই নিয়ে সংসার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। এরপর ‘চাঁদের আলো’, ‘দোলা’, ‘আখেরি হামলা’ এবং ‘মহৎ’সহ একাধিক ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নেন।
আমরা জাতি হিসেবে অত্যন্ত বেহায়া-নির্লজ্জ: শবনম ফারিয়া

আমরা জাতি হিসেবে অত্যন্ত বেহায়া-নির্লজ্জ: শবনম ফারিয়া ছোট ও বড় পর্দার অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। এতদিন নাটক-টেলিফিল্মের কাজ নিয়েই অধিকাংশ সময় ব্যস্ত থাকতেন। তবে তুলনামূলক এখন কাজ কমিয়ে দিয়েছেন। স্বভাবে অনেকটা—ঠোঁটকাটা। যার কারণে প্রায় সময়ই আলোচনায় থাকেন তিনি। গত বছর গণঅভ্যত্থানে ছাত্রদের পক্ষে অবস্থান শবনম ফারিয়া। কিন্তু কিছু মানুষের আচরণে ভীষণভাবে আহত তিনি। কেবল তাই নয়, জাতি হিসেবে অত্যন্ত বেহায়া, নির্লজ্জ বলে উপলদ্ধি তার। বুধবার (১৮ জুন) শবনম ফারিয়া তার ফেসবুকে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে কখনো অভিমান, কখনো ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। একটি গল্প দিয়ে লেখা শুরু করেন শবনম ফারিয়া। তিনি লেখেন, “একটা গল্প আছে না, শীতের সকালে একজন ইমাম আর একজন চোরের! ইমাম ভাবে, কি ভালো একটা মানুষ এই ঠান্ডায় ফজরের নামাজ পড়তে এসেছে। চোর ভাবে, কি ভদ্রলোক দেখতে, দাড়িদুড়ি রেখে আবার চুরি করে! এই গল্প থেকে আমরা কি শিখেছিলাম? শিখেছিলাম যে যেমন, যার চিন্তাধারা যেমন, অন্যদেরও তাদের সেইম মনে হয়!” শবনম ফারিয়ার দাবি, পৃথিবীর সব মানুষ টাকার জন্য নীতি বিক্রি করেন না। তার মতে, “বিশ্বাস করেন, পৃথিবীর সব মানুষ ‘টাকার’ (ডলারও পড়তে পারেন) কাছে তাদের ‘এথিক্স’ বিক্রি করে না। দুনিয়ার ‘সব মানুষের’ কাছে টাকাই ‘সব’ না। কিন্তু মানুষ নিজস্বতায় বিশ্বাস করে! স্রোতের বিপরীতেও যায়! রিস্ক নেয়!” গণঅভ্যত্থানের সময়ের একটি ঘটনা বর্ণনা করে শবনম ফারিয়া লেখেন, “জুন মাসে যখন আন্দোলন তুঙ্গে, ইন্টারনেট চলে যাওয়ার পরপর যেসব সেলিব্রিটিদের কাছে, মেট্রোরেল/বিটিভিতে আগুন দেয়ার প্রতিবাদ করার জন্য ভিডিও বানাতে বলা হয়, আমিও তাদের মধ্যে একজন। আমি প্রথমে সময় চেয়ে বলি, ভেবে জানাব! স্বাভাবিক, সে সময় ডাইরেক্ট না করার মতো সাহস যোগার করতে পারিনি। তারাও বলে সময় নেন, আপাতত এমনেতেই ইন্টারনেট নাই। যেহেতু হোয়াটসআপ বন্ধ, তাও সিয়ামকে ডাইরেক্ট মেসেজ দেই, তুমি কি ‘এস’ ভাইয়ের কল পেয়েছো? ও রিপ্লাই করে, ‘হ্যাঁ পেয়েছি এবং না বলেছি।’ তখন সাহস পাই এবং আমিও তখন না বলি।” এই ঘটনা প্রকাশ করার কারণ জানিয়ে শবনম ফারিয়া লেখেন, “এইসব কথা অযথা বলে বেড়ানোর কোনো ইচ্ছা আমার ছিল না! সেসময় এইটাই করার কথা, না বলেছি বলে আমি বিশেষ কোন ক্রেডিট নিতে চাইনি। যেহেতু আমি ব্যক্তিগতভাবে রাজনীতির সাথে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ কোনোভাবেই জড়িত না, অদূর ভবিষ্যতেও কোনো ইচ্ছা কিংবা পরিকল্পনা নেই তাও যখন দেখি কেউ লেখে, ‘এরা তো ডলার খাইছে’ মার্কা কল্পনিক গল্প, হাসা ছাড়া কিছু করার থাকে না। ভাই, আমি এমন অনেক মানুষকে চিনি, যারা মন থেকে আওয়ামীলীগ ভালোবাসে কিন্তু জুলাইতে লাল ডিপি দিসিলো! হয়তো জুলাইকে আমাদের সাধারণ মানুষের কাছে যেভাবে সে সময় পোট্রে করা হইছে এখন বিষয়টা তেমন নাই, কিন্তু সেসময় আপনি যদি মানুষ হয়ে থাকেন, অমানুষ না হন তাহলে আপনি কোনো মানুষকে হত্যা করার প্রতিবাদ না করে থাকতে পারতেন না, আপনার রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা মতাদর্শ যাই হোক!” আর রাজনৈতিক কোনো স্ট্যাটাস দেবেন না শবনম ফারিয়া। তার কারণ ব্যাখ্যা করে এই অভিনেত্রী লেখেন, “এই স্ট্যাটাস দিয়ে বাংলাদেশের পলিটিক্স নিয়ে স্ট্যাটাস দেয়া বন্ধ করলাম! কারণ ফাইনালি আমি বুঝে গেছি, জাতি হিসেবে আমরা অত্যন্ত বেহায়া এবং নির্লজ্জ, আমরা কক্ষনো ভালো হবো না, যত আন্দোলন হোক, সরকার পরিবর্তন হোক, যতই শান্তিতে নোবেল পাওয়া মানুষ আসুক, আমাদের কেউ দুর্নীতি এবং চুরি করা থেকে আটকাতে পারবে না! শিশু-কিশোর, বৃদ্ধ যেই ক্ষমতা পাবে সেই অসৎভাবে ব্যবহার করবে। আমি আর আমার নিজ দেশের কাছে আর কোনো প্রত্যাশা রাখি না! পরিশেষে বলতে চাই, সত্যি সত্যি ডলার পেলে আসলে ভালোই লাগতো! শ্রীলঙ্কা যাওয়ার আগে ২৫ হাজার ৩০০ টাকা দিয়ে ২০০ ডলার পাসপোর্টে এন্ডোরর্স করতে খুবই কষ্ট হইছে।”
জনের সঙ্গে ‘দুর্ঘটনামূলক বিয়ে’ নিয়ে মুখ খুললেন জেনেলিয়া

জনের সঙ্গে ‘দুর্ঘটনামূলক বিয়ে’ নিয়ে মুখ খুললেন জেনেলিয়া নিশিকান্ত কামাত পরিচালিত সিনেমা ‘ফোর্স’। সিনেমাটিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেন জেনেলিয়া ডিসুজা ও জন আব্রাহাম। ২০১১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। মুক্তির পর বক্স অফিসেও সাড়া ফেলেছিল এটি। ২০১২ সালে গুঞ্জন চাউর হয়, ‘ফোর্স’ সিনেমার শুটিংয়ে সত্যি সত্যি বিয়ে করেন জেনেলিয়া-জন। মূলত, এটিকে দুর্ঘটনামূলক বিয়ে বলে উল্লেখ করা হয়। কারণ সিনেমাটিতে বিয়ের একটি দৃশ্য রয়েছে। দৃশ্যটির জন্য সত্যি সত্যি তারা মালা বদল, মঙ্গলসূত্র বিনিময় করেছিলেন। আর বিয়ের কাজটি সম্পন্ন করেন প্রকৃত একজন পুরোহিত। দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় পর পুরোনো গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন জেনেলিয়া ডিসুজা। সিদ্ধার্থ কানানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই অভিনেত্রী বলেন, “এ গুঞ্জনের কোনো সত্যতা নেই। আমরা বিয়ে করিনি। বিয়ের এই গল্প ছড়িয়েছিল জনসংযোগ বিভাগ থেকে। কেন তারা এটি করেছিলেন, এ বিষয়ে তাদেরই প্রশ্ন করা উচিত।”এরপর এই গুঞ্জন ছড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করে জেনেলিয়া দাবি করেন— “এই গুঞ্জন ছড়ানো হয়েছিল প্রচারের কৌশল হিসেবে।” জেনেলিয়া ও জন আব্রাহামের বয়সের ব্যবধান ১৫ বছর। ২০১২ সালে অভিনেতা রীতেশ দেশমুখের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েন জেনেলিয়া। এ সংসারে তাদের দুটো পুত্রসন্তান রয়েছে। অন্যদিকে, ২০১৪ সালে প্রিয়ার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন জন।
‘তাণ্ডব’ সিনেমা পাইরেসি, গ্রেপ্তার ৩

‘তাণ্ডব’ সিনেমা পাইরেসি, গ্রেপ্তার ৩ মুক্তির পর থেকেই আলোচনার শীর্ষে শাকিব খান অভিনীত ‘তাণ্ডব’। দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটির প্রদর্শনী বেড়েছে কয়েকগুণ। দর্শকপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা এই সিনেমা এবার পড়েছে পাইরেসির ফাঁদে। টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমে ‘তাণ্ডব’-এর পাইরেটেড কপি ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার বিভাগ। আজ বিকেলে রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিবির (দক্ষিণ) যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম। গ্রেপ্তাররা হলেন ইউটিউবার টিপু সুলতান, একটি অনলাইন পোর্টালের মালিক সাদি সাদ ওরফে সাগর এবং একটি সিনেমা হলের অপারেটর সাজেদুল ইসলাম। তিনি জানান, সিনেমাটির প্রযোজক শাহরিয়ার কবির ভূঁইয়া বনানী থানায় মামলা করেন। মামলায় বলা হয়, গত ৪ জুন ‘তাণ্ডব’ সিনেমার পাইরেটেড ভিডিও ইউটিউব, টেলিগ্রাম, ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়ানো হয়। একাধিক অনলাইনে এইচডি কনটেন্টও আপলোড করা হয়। মামলাটি তদন্তে নিয়ে গোয়েন্দা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে সিনেমা হল অপারেটর সাজেদুল ইসলাম পাইরেসি চক্রের আরও সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছেন। তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হচ্ছে। ডিবির কর্মকর্তারা বলেন, টেলিগ্রাম চ্যানেলটি থেকেই প্রথম ভিডিও ছড়ানো হয়। এটি কারা চালাচ্ছে, কোথা থেকে পরিচালিত হচ্ছে, তা শনাক্তে কাজ চলছে। এই অপরাধে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও উল্লেখ করেন নাসিরুল ইসলাম। ‘তাণ্ডব’ সিনেমাটি নির্মাণ করছেন আলোচিত নির্মাতা রায়হান রাফি। শাকিব খান ও সাবিলা নূর ছাড়াও সিনেমাটির বিশেষ চরিত্রে হাজির হয়েছেন দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান। আরও রয়েছেন এফএস নাঈম, আফজাল হোসেন, রোজি সিদ্দিকীসহ অনেকে।
ব্যর্থতার পরও বছরে কেন ৪টি সিনেমায় অভিনয় করেন অক্ষয়?

ব্যর্থতার পরও বছরে কেন ৪টি সিনেমায় অভিনয় করেন অক্ষয়? বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার ভারতীয় প্রভাবশালী অভিনেতাদের অন্যতম। তার আসল নাম রাজীব হরি ওম ভাটিয়া। রুপালি জগতে তাকে সবাই ‘অক্ষয় কুমার’ নামেই চেনেন। তবে রাজীব হরি ওম ভাটিয়া থেকে অক্ষয় কুমার হয়ে ওঠার গল্প সিনেমাকেও হার মানায়। দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে অনেক জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন অক্ষয় কুমার। নব্বই দশকে এক বছরে ১১টি সিনেমাও মুক্তি পেয়েছে তার। এখনো প্রতি বছর ৪-৫টি সিনেমায় অভিনয় করেন। গত কয়েক বছর ধরে বক্স অফিসে ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়েই একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে যাচ্ছেন অক্ষয়। চলতি মাসে মুক্তি পেয়েছে অক্ষয় অভিনীত ‘হাউজফুল ৫’ সিনেমা। মুক্তির পর সিনেমাটি বক্স অফিসে বেশ সাড়া ফেলেছে। ফলে আলোচনায় রয়েছেন তিনি। বক্স অফিসে ব্যর্থ হওয়ার পরও প্রতি বছর এতগুলো সিনেমায় কেন অভিনয় করেন অক্ষয়? পিঙ্কভিলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন ‘খিলাড়ি’ তারকা। অক্ষয় কুমার বলেন, “আমি এটা ভালোবাসি। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করাটা উপভোগ করি। তাহলে কেন করব না? কিছু লোক প্রশ্ন তুলেছেন, আমি বছরে কেন ৪টি সিনেমা করি? এটা না করার কোনো কারণ দেখি না। কাজ পেলে অবশ্যই করব। কিছু সিনেমা চলে, কিছু চলে না।” খানিকটা ব্যাখ্যা করে অক্ষয় কুমার বলেন, “একজন মানুষকে প্রতিদিন কাজ করতে হয়, প্রতিদিন তাকে অফিসে যেতে হয়। ঘরে বসে বলতে পারেন না, এখন একটু থেমে যাই। আমি কাজ করতে চাই। যেহেতু আমি চারটি সিনেমা করি, তাই বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে চাই। এটা আমাকে খুব আনন্দ দেয়।” নতুন চরিত্র, নতুন পরিচালকের সঙ্গে কাজের আগ্রহ প্রকাশ করে অক্ষয় কুমার বলেন, “আমি এমন চরিত্রে অভিনয় করার চেষ্টা করি, যা নতুন। বিভিন্ন পরিচালকের সঙ্গে কাজ করতে চাই। এমন গল্প বলতে চাই, যা আগে কখনো বলা হয়নি। আমি খুব আনন্দিত যে, সি. শঙ্করন নায়ারের গল্প বলার সুযোগ পেয়েছি। এর আগে ‘স্কাই ফোর্স’, ‘সারফিরা’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমা তৈরি হয়েছে। সবসময়ই যতটা সম্ভব চরিত্র হয়ে ওঠার চেষ্টা করি।” অক্ষয় কুমারের হাতে বর্তমানে চারটি সিনেমার কাজ রয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে— ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’, ‘ভূত বাংলা’, ‘হেরা ফেরি থ্রি’ ও মহেশ মাঞ্জেরেকর পরিচালিত একটি বায়োপিক।
আমার ফেলে আসা প্রত্যেকটি সম্পর্কই গুরুত্বপূর্ণ: জয়া

আমার ফেলে আসা প্রত্যেকটি সম্পর্কই গুরুত্বপূর্ণ: জয়া জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী জয়া আহসান। দেশের সীমা পেরিয়ে ভারতে অভিনয় ও রূপের দ্যুতি ছড়িয়েছেন। উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা। এরই মধ্যে ওপার বাংলার দর্শকদের ভালোবাসা যেমন পেয়েছেন, তেমনি কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রাপ্তির ঝুলিতে জমা পড়েছে পুরস্কার। ব্যক্তিগত জীবনে মডেল-অভিনেতা ফয়সাল আহসানের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন জয়া আহসান। কিন্তু ২০১২ সালে ভেঙে যায় তাদের ১৪ বছরের সংসার। তারপর থেকে সিঙ্গেল জীবনযাপন করছেন জয়া। বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করছেন তিনি। সেখানে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। এ আলাপচারিতার কাজ ও ব্যক্তিগত নানা বিষয় উঠে এসেছে। ব্যক্তি সম্পর্কে জটিলতা আরো বেড়েছে, এ বিষয়ে আপনার কী মত? এমন প্রশ্নের জবাবে জয়া আহসান বলেন, “এখন তো কেউ রিলেশনশিপেই যায় না! সিচুয়েশনশিপ… আর কী কী যেন আছে? এসব ভাবনায় সবকিছুই আছে। শুধু রিলেশনশিপটাই নেই।” তাহলে বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানটাই কী পুরোনো হয়ে গেল? জবাবে জয়া আহসান বলেন, “ওগুলো তো ‘ওল্ড স্কুল’। যাইহোক, এই জিনিসগুলো আসবে। আবার ঘুরে আসবে। তবে পৃথিবীতে যতরকম মানুষ ততরকম সম্পর্ক। কোনো সম্পর্কই কোনো সম্পর্কের সঙ্গে মেলে না। আমার প্রত্যেকটি ফেলে আসা সম্পর্কও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সেই সম্পর্কগুলো নিয়েই আজকের আমি। সব ঝেড়ে ফেলে দেওয়া যায় না। ভুলটুকুও তো আমার! সেটা মেনে সামনের দিকে চলা।” দীর্ঘ দশ বছর পর বাংলা সিনেমা নির্মাণ করছেন পরিচালক অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী। ‘ডিয়ার মা’ শিরোনামের এ সিনেমায় অভিনয় করছেন জয়া। কয়েক দিন আগে কলকাতায় সিনেমাটির পোস্টার প্রকাশনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানেও উপস্থিত ছিলেন জয়া।
ঢালিউড নায়িকাদের যুদ্ধ: শিল্পে নয়, লড়াই ফেসবুকে

ঢালিউড নায়িকাদের যুদ্ধ: শিল্পে নয়, লড়াই ফেসবুকে নায়িকারা রূপালি পর্দায় থাকেন রোমাঞ্চ ও সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে। অথচ তাদের বাস্তব জীবনে আড়ালে চলে—অসন্তোষ, দোষারোপ আর প্রতিযোগিতার লড়াই। ঢাকাই সিনেমার ইতিহাস ঘাঁটলে এমন বহু প্রমাণ পাওয়া যায়। সম্প্রতি অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীর প্রকাশ্য বিবাদ আবারো সামনে এনেছে পুরোনো সেই প্রশ্ন—কেন বারবার নায়িকাদের দ্বন্দ্বে ইন্ডাস্ট্রি মুখর হয়ে ওঠে? ৮০–৯০-এর দশকে শাবানা-চম্পা কিংবা ডলি জহুর-রোজিনার মধ্যে সরাসরি বিবাদ না থাকলেও কে ‘প্রথম নায়িকা’ বা কে বেশি পারিশ্রমিক পান, তা নিয়ে চলত চাপা প্রতিযোগিতা। ২০০০ সালের দিকে মৌসুমী-শাবনূর বা শাবনূর-পূর্ণিমার মধ্যেও ছিল আলোচিত গুঞ্জন ও দ্বন্দ্ব। একবিংশ শতকে এসে অপু-বুবলীর মতামত, পোস্ট ও পাল্টাপাল্টি প্রতিক্রিয়া—সবকিছুই সোশ্যাল মিডিয়ায় দৃশ্যমান। অন্যদিকে পরীমণি ও মিমকে কেন্দ্র করে শরিফুল রাজের নাম জড়িয়ে যে উত্তাপ ছড়ায়, তা কোনো গুজব ছিল না। সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে একে অন্যকে পরোক্ষভাবে আক্রমণ করার উদাহরণ নতুন নয়। পরীমণি ও বুবলীর মধ্যেও দেখা গেছে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব। এছাড়া তমা মির্জা–মিষ্টি জান্নাত কিংবা অধরা খান–জাহারা মিতুর দ্বন্দ্বের খবরও চাউর হয়েছে। এই চিত্র কেবল ঢালিউডে সীমাবদ্ধ নয়। বলিউডে রেখা-জয়ার ঠান্ডা যুদ্ধ, ক্যাটরিনা-দীপিকা, কঙ্গনা-তাপসী কিংবা ঐশ্বরিয়া-ক্যাটরিনা—সবখানেই নায়িকা বনাম নায়িকার চাপা সংঘাত। টলিউডেও শ্রাবন্তী-পায়েল, কোয়েল-রচনা, সায়ন্তিকা-নুসরাত দ্বন্দ্ব মিডিয়ায় ঘুরেছে বহুবার। তবে আন্তর্জাতিক ইন্ডাস্ট্রিগুলো এসব সামলাতে ব্যবহার করে পেশাদার পিআর টিম। ঢাকাই সিনেমায় সেই কাঠামোর ঘাটতি স্পষ্ট। ফলে ব্যক্তিগত রেষারেষি প্রায়ই শিল্পের জায়গা দখল করে নেয়। এসব কারণে সবচেয়ে ক্ষতি হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রির সামগ্রিক ভাবমূর্তির। নির্মাতারা পড়েন দোটানায়—কাকে নেবেন, কার বিরুদ্ধে গেলে ‘ব্যান’ হতে হবে। প্রযোজকরা ভয় পান দ্বন্দ্ব যেন প্রমোশন বা শুটিং ক্ষতিগ্রস্ত না করে। আর দর্শক? তারা ভক্তির জায়গা থেকে সরে গিয়ে অপছন্দ করতে শুরু করেন। এসব নায়িকাদের সিনেমার নাম না জানলেও, ব্যক্তিজীবনের রগরগে গল্প দর্শকরা মুখস্ত রাখেন। নায়িকাদের এই প্রতিযোগিতা যদি শিল্পের উৎকর্ষে হতো, তবে তা কল্যাণকর হতো। কিন্তু বাস্তবে তা হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত ফেসবুক স্ট্যাটাসে জবাব-প্রতিজবাব, খোঁচা আর মুঠোফোনে দেওয়া গসিপের লড়াই। এভাবে চলতে থাকলে শুধু ব্যক্তিজীবন নয়, শিল্পজীবনও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই এখন সময় এসেছে প্রশ্ন তোলার—নায়িকারা কী নিজেদের মধ্যে লড়াই থামিয়ে একে অপরকে শ্রদ্ধা করতে শিখবেন না?
আমি কারো সঙ্গে পাল্লা দিতে আসিনি: অপু বিশ্বাস

আমি কারো সঙ্গে পাল্লা দিতে আসিনি: অপু বিশ্বাস ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন ও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। এ পোস্টে অপু জানান, আর কোনো ‘অসুস্থ প্রতিযোগিতায়’ নেই। বরং নিজের সন্তান, কাজ এবং শান্তিপূর্ণ জীবনের পথেই হাঁটতে চান এই অভিনেত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত নিজের কাজ ও ব্যক্তিজীবনের কিছু মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন অপু বিশ্বাস। গতকাল (১৫ জুন) একটি স্ট্যাটাসের সঙ্গে সাবেক স্বামী শাকিব খান ও পুত্র আব্রাম খান জয়ের একটি ছবিও শেয়ার করেন। ছবির ক্যাপশনে লেখেন, “সন্তানের সুন্দর শৈশবের জন্য বাবা-মা হিসেবে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। এটা নিয়ে কেউ যদি অস্বস্তি বোধ করে, সেটা আমার দায় নয়।” অন্য সাধারণ নারীর মতোই অপুর জীবন। এ তথ্য উল্লেখ করে অপু বিশ্বাস লেখেন, “আমি একজন মা, একজন অভিনেত্রী, একজন উদ্যোক্তা। ক্যামেরার বাইরে আমার জীবনটা অন্য সব নারীর মতোই—হাজারো কাজ, পরিকল্পনা আর স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলা। কাউকে কিছু প্রমাণ করার ইচ্ছা নেই। জীবনের প্রতিটি অধ্যায় দর্শকদের সামনে কেটেছে। এখানে লুকোচুরি বা নাটকের কিছু নেই।” অপু বিশ্বাসের দাবি, অসুস্থ কোনো প্রতিযোগিতায় নেই। তার ভাষায়, “অনেকদিন ধরেই দেখছি, আমার কোনো সাধারণ পারিবারিক পোস্টের পরেই কাউন্টার পোস্ট বা প্রচেষ্টা দেখা যায়। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই—আমি সেই অসুস্থ প্রতিযোগিতায় নেই।”কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, “সম্মান অর্জন করতে হয় নিজের আচরণ দিয়ে, অন্যকে ছোট করে নয়। আমি কারো সঙ্গে পাল্লা দিতে আসিনি। নিজের জায়গাতেই স্বাচ্ছন্দ্যে আছি। যারা আমাকে ভালোবাসেন, পাশে থাকেন—আপনাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। আমি আপনাদের বিশ্বাস ভাঙতে চাই না। আর নিজের ব্যক্তিত্ব নষ্ট করে কারো সঙ্গে পা মেলাতে রাজি নই।”অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীর পাল্টাপাল্টি ফেসবুক পোস্ট নিয়ে আলোচনা চলছে। দুই নায়িকাই চিত্রনায়ক শাকিব খানের সন্তানদের মা হওয়ায় ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন স্ট্যাটাসে একে অপরকে লক্ষ্য করে মন্তব্য করছেন বলে অনেকের ধারণা। অপু বিশ্বাস এবার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন। তার এই বার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, একজন পাবলিক ফিগার হিসেবে এটি একটি পরিণত ও মর্যাদাপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
আমি গর্বিত আমি একজন মুসলিম: আমির খান

আমি গর্বিত আমি একজন মুসলিম: আমির খান বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খানকে নিয়ে রাজকুমার হিরানি নির্মাণ করেন আলোচিত সিনেমা ‘পিকে’। ২০১৪ সালে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় এটি। মুক্তির পর বক্স অফিসে সুপারডুপার হিট হয়। এ সিনেমা মুক্তির আগে প্রকাশিত হয় আমিরের পোস্টার। সিনেমাটিতেও নগ্ন আমিরের দেখা মেলে। তারপর দারুণ আলোচনায় উঠে আসেন এই অভিনেতা। সমালোচনাও কম সইতে হয়নি তাকে। এখানেই শেষ নয়, হিন্দু ধর্মের প্রতি কটাক্ষ করার অভিযোগে তীব্র সমালোচনা মুখে পড়েন আমির। ভাঙচুর করা হয় প্রেক্ষাগৃহ। প্রায় এক যুগ পর এসব বিষয় নিয়ে মুখ খুলেছেন আমির খান। ইন্ডিয়া টিভি চ্যানেলের ‘আপ কি আদালত’ শোয়ে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেন আমির। তার ভাষায়— “ধর্ম নয়, ধর্মের নামে যারা প্রতারণা করে ‘পিকে’ সেসব লোকদের সমালোচনা করেছে।” ব্যাখ্যা করে আমির খান বলেন, “তারা ভুল। আমরা কোনো ধর্মের বিরুদ্ধে নই। আমরা সমস্ত ধর্ম ও সমস্ত ধর্মের মানুষদের শ্রদ্ধা করি। যারা ধর্মকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে টাকা কামায়, তাদের বিষয়ে সচেতন করাই ‘পিকে’ সিনেমার উদ্দেশ্য ছিল। প্রতিটি ধর্মেই এমন লোক পাওয়া যায়।” ‘পিকে’ সিনেমায় পাকিস্তানি এক মুসলিম ছেলেরি প্রেমে পড়ে ভারতীয় হিন্দু ধর্মের অনুসারী এক নারী (আনুশকা শর্মা)। এটাকে ‘লাভ জিহাদ’ বলে অনেকে অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে আমির খান বলেন, “সবসময়ই এটিকে লাভ জিহাদ বলা উচিত নয়। এটি মানবতা। মানবতা ধর্মের উর্ধ্বে।” গত ৭-৮ বছরে দেশদ্রোহী, হিন্দুবিরোধী হওয়ার অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন আমির খান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি গর্বিত আমি একজন মুসলিম। আমি গর্বিত আমি একজন ভারতীয়। দুটোই একসঙ্গে সত্যি হতে পারে।” আমির খান পরিচালিত ও অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘তারে জমিন পার’। ২০০৭ সালে এ সিনেমার মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে তার অভিষেক ঘটে। মুক্তির পর সিনেমাটি বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলেছিল। এ সিনেমার সিক্যুয়েল ‘সিতারে জমিন পার’। এর মাধ্যমে রুপালি পর্দায় ফিরেছেন আমির। আগামী ২০ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে এটি। সিনেমাটিতে আমির খানের সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন জেনেলিয়া ডিসুজা। এতে ১০ জন নতুন মুখ রয়েছেন। তারা হলেন- আরৌশ দত্ত, গোপী কৃষ্ণ ভার্মা, সাম্বিত দেশাই, বেদান্ত শর্মা, আয়ুষ বানসালি, আশীষ পেন্ডসে, ঋষি সাহানি, ঋষভ জৈন, নমন মিশ্র ও সিমরান মঙ্গেশকর। অভিনয়ের পাশাপাশি সিনেমাটি প্রযোজনাও করছেন আমির খান। এটি পরিচালনা করেছেন আর. এস. প্রসন্ন।
এক সিনেমাতেই ৪২৩ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দাবি শাহরুখের

এক সিনেমাতেই ৪২৩ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দাবি শাহরুখের বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। তার অভিনীত ‘জিরো’ সিনেমা ২০১৮ সালে মুক্তি পায়। কিন্তু বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে এটি। এরপর কয়েকটি সিনেমায় ক্যামিও চরিত্রে দেখা যায় শাহরুখ খানকে। মূলত, ‘জিরো’ সিনেমা মুক্তির পর বিরতি নেন তিনি। প্রস্তুতি নিয়ে ২০২০ সালের শেষ লগ্নে ‘পাঠান’ সিনেমার শুটিং শুরু করেন শাহরুখ। সর্বশেষ ২০২৩ সালে মুক্তি পায় সিনেমাটি। দীর্ঘ চার বছর পর এ সিনেমার মাধ্যমে রাজকীয়ভাবে প্রেক্ষাগৃহে ফিরেন শাহরুখ। আর ফিরেই বক্স অফিসে ঝড় তুলেন শাহরুখ; পাশাপাশি দর্শকদের মুঠো মুঠো ভালোবাসা কুড়ান। এ সিনেমা এক হাজার কোটি রুপির বেশি আয় করে। ২০২৩ সালের ২৫ জানুয়ারি মুক্তি পায় ‘পাঠান’ সিনেমা। এরপর প্রায় সাড়ে সাত মাসের বিরতি নেন শাহরুখ। একই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর মুক্তি পায় তার অভিনীত ‘জওয়ান’ সিনেমা। এটি মুক্তির পরও বক্স অফিসে নতুন করে ঝড় তুলে। ‘পাঠান’ সিনেমার মতো ‘জওয়ান’-এর জন্য ভালোবাসা কুড়ান শাহরুখ। সিনেমাটি ১১৬০ কোটি রুপি আয় করে। ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর মুক্তি পায় শাহরুখ খানের ‘ডাঙ্কি’ সিনেমা। মুক্তির পর দর্শক-সমালোচকদের ভূয়সী প্রশংসা যেমন কুড়ায়, তেমনি বক্স অফিসেও সিনেমাটি ভালো সাড়া ফেলে। এরপর তার আর কোনো সিনেমা মুক্তি পায়নি। বর্তমানে ‘কিং’ সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এরই মধ্যে জোরালো গুঞ্জন উড়ছে, দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রভাবশালী প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান মিথরি মুভি মেকার্স শাহরুখকে নিয়ে প্যান-ইন্ডিয়ান সিনেমা নির্মাণ করতে যাচ্ছেন। আর এজন্য ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক নিচ্ছেন কিং খান। ইন্ডিয়া ডটকমের তথ্য অনুসারে, মিথরি মুভি মেকার্সের ব্যানারে নির্মিত হয়েছে আল্লু অর্জুন অভিনীত ‘পুষ্পা’ সিনেমা। এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাধিকবার মিটিং করেছেন শাহরুখ। সর্বশেষ প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন কিং খান। তবে শাহরুখ খান এ প্রজেক্টের জন্য ৩০০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২৩ কোটি টাকার বেশি) পারিশ্রমিক দাবি করেছেন। তবে শাহরুখ খানের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র পিঙ্কভিলাকে বলেন, “শাহরুখ খান বর্তমানে ‘কিং’ সিনেমার উপর পুরোপুরি মনোযোগ দিয়েছেন। বলা যায়, তার সমস্ত শক্তি ব্যয় করছেন। চলতি বছরের শেষ নাগাদ নতুন সিনেমার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। মিথরি মুভির সঙ্গে কোনো বৈঠক করেননি, চিত্রনাট্যের বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি শাহরুখ।” মিথরি মুভি মেকার্সের সঙ্গে শাহরুখের প্রজেক্ট নিয়ে শোবিজ অঙ্গনে জোর চর্চা চললেও এ নিয়ে টু-শব্দ করেননি শাহরুখ খান। শাহরুখ খানের পরবর্তী সিনেমা ‘কিং’। এতে তার সহশিল্পী দীপিকা পাড়ুকোন। মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকার কারণে সিনেমাটির কাজ পিছিয়ে নেন শাহরুখ। চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে ‘কিং’ সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নেবেন দীপিকা পাড়ুকোন। সিনেমাটির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আরো অভিনয় করবেন— অভিষেক বচ্চন, জয়দীপ আহলাওয়াত। আগামী বছরের দ্বিতীয়ার্ধে সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা করেছেন নির্মাতারা। এটি পরিচালনা করছেন সিদ্ধার্থ আনন্দ।