নাজিফা তুষি দর্শক গ্রহণ না করলে কাজ করে লাভ কী

নাজিফা তুষি দর্শক গ্রহণ না করলে কাজ করে লাভ কী এ সময়ের জনপ্রিয় মুখ ঢালিউড অভিনেত্রী নাজিফা তুষি অভিনীত ‘রইদ’ সিনেমার ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর, যা বিশ্বব্যাপী দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এটি ‘হাওয়ার’ চেয়েও চ্যালেঞ্জিং কাজ বলে জানিয়েছেন সিনেমাসংশ্লিষ্টরা। ট্রেলারটি প্রকাশের পর থেকে সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি বাংলা সিনেমার ইতিহাসে একটি স্মরণীয় মাইলফলক হবে বলে অনেকে আশা করছেন, যেখানে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুষি ও মোস্তাফিজুর নূর ইমরান। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ার ও জীবনদর্শন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন হাওয়াখ্যাত অভিনেত্রী নাজিফা তুষি। নতুন বছরেও অভিনেত্রীর একাধিক সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তার ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই সংখ্যার চেয়ে কাজের মানের দিকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে কাজের ধরনের তুলনা করার কারণে প্রায়ই আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয় অনেক অভিনয়শিল্পীকে। তিনি বলেন, আর্থিক চাপ এলেও তিনি তার নীতিতে অটল থাকেন। চাপ আসে, অস্বীকার করব না। কিন্তু সেটি মেনেই চলতে হয়। তুষি বলেন, আমি অভিনয় করতে এসেছি, শিল্পচর্চা করতে এসেছি শুধু অর্থের পেছনে ছুটতে নয়। কোয়ালিটির প্রতি বিশ্বাস রাখলে সম্মান আর অর্থ দুটোই একদিন আসে। আগামী কাজের পরিকল্পনা সম্পর্কে অভিনেত্রী বলেন, গত বছর সম্পন্ন হওয়া কাজগুলো চলতি বছরে পর্যায়ক্রমে দর্শকদের সামনে আসবে। বর্তমানে সেগুলোর দিকেই বেশি মনোযোগ তার। এ ছাড়া ‘রইদ’ সিনেমার আন্তর্জাতিক সফর ও মুক্তির জন্য অপেক্ষা করছেন তিনি। তুষি বলেন, ‘রঙ্গমালা’ সিনেমার বাকি অংশের শুটিং এবং একটি ওয়েব সিরিজ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এর পাশাপাশি আরও একটি নতুন কাজের প্রস্তুতিও বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন। সব মিলিয়ে চলতি বছরটি কাজের মধ্যেই কাটাতে চান বলে জানান এ অভিনেত্রী। অভিনেত্রী বলেন, আমি ব্যক্তিগত জীবনেও হিসাব করে চলি। হুট করে সিদ্ধান্ত নিই না। ক্যারিয়ারেও সেটির প্রভাব পড়েছে। শুরু থেকেই বেছে বেছে কাজ করেছি। শুধু সংখ্যার জন্য কোনো প্রজেক্টে জড়াইনি। দর্শক গ্রহণ না করলে কাজ করে লাভ কী বলে জানান তুষি।

স্ট্রেঞ্জার থিংস’ ১০ বছরের রোমাঞ্চকর যাত্রার ইতি টানলো

স্ট্রেঞ্জার থিংস’ ১০ বছরের রোমাঞ্চকর যাত্রার ইতি টানলো বিশ্বজুড়ে কোটি ভক্তের টানটান উত্তেজনা আর আবেগঘন মুহূর্তের মধ্য দিয়ে শেষ হলো জনপ্রিয় মার্কিন সায়েন্স ফিকশন হরর সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’। দীর্ঘ ১০ বছরের এক রোমাঞ্চকর যাত্রার সমাপ্তি ঘটিয়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে এই সিরিজের পঞ্চম ও শেষ মৌসুমের সমাপনী পর্ব। দুই ঘণ্টার এই মহাকাব্যিক পর্বটি দেখার জন্য বিশ্বজুড়ে দর্শকদের প্রবল চাপের কারণে মুক্তির পরপরই সাময়িকভাবে অচল হয়ে পড়ে নেটফ্লিক্সের সার্ভার। ২০১৬ সালে ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের কাল্পনিক শহর হকিন্সের একদল কিশোরের গল্প নিয়ে শুরু হওয়া এই সিরিজটি বিশ্বব্যাপী পপ কালচারের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছিল। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় রাত ১টায় শেষ পর্বটি আসার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের অতিরিক্ত ট্রাফিকের কারণে প্ল্যাটফর্মটি সাময়িক কারিগরি ত্রুটির মুখে পড়েছিল। সিরিজের এই শেষ পর্বটির শিরোনাম ছিল ‘চ্যাপ্টার এইট: দ্য রাইটসাইড আপ’। অতিপ্রাকৃত এই রহস্যের সমাপ্তি দেখার সময় দর্শকরা যেমন উত্তেজনায় শিহরিত ছিলেন, তেমনি প্রিয় চরিত্রগুলোর নিয়তি দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। এই সমাপনী পর্বটি কেবল ঘরে বসেই নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন সিনেমা হলে বিশেষ প্রদর্শনীর মাধ্যমে উদযাপন করা হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের ঐতিহাসিক ‘দ্য ইজিপশিয়ান থিয়েটার’-এর সামনে বৃষ্টি উপেক্ষা করে শত শত ভক্তকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। দর্শকদের অনেকের মতে, আশি ও নব্বইয়ের দশকের নস্টালজিয়াকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই সিরিজের সমাপ্তি অত্যন্ত সুখকর ও আবেগপূর্ণ হয়েছে, যা তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার সার্থকতা দিয়েছে। আশির দশকের আবহ নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা থাকলেও শেষ সিজনে সচেতন দর্শকদের চোখ এড়াতে পারেনি কিছু ছোটখাটো অসংগতি। যেমন একটি দৃশ্যে ব্যবহৃত জ্যাকেটে ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি ব্র্যান্ডের লোগো দেখা গেছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলেছে। এ ছাড়া ভিলেন ‘ভেকনা’র রহস্য এবং ‘আপসাইড ডাউন’-এর পরিণতি নিয়ে ভক্তদের করা অনেক অনুমানের সঙ্গে গল্পের মিল পাওয়া গেছে। সিরিজের মাধ্যমে রাতারাতি তারকা বনে যাওয়া মিলি ববি ব্রাউনসহ উইনোনা রাইডার ও ডেভিড হারবারের অভিনয় সমাপনী পর্বেও দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। বর্তমানে নেটফ্লিক্স যখন ‘ওয়ার্নার ব্রোস’ স্টুডিও কেনার মতো বড় ব্যবসায়িক চুক্তির প্রক্রিয়ায় রয়েছে, ঠিক সেই সময়ে ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এর মতো একটি মাইলফলক সিরিজের সফল সমাপ্তি ওটিটি জগতের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় হয়ে থাকবে। সূত্র: বিবিসি

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হবেন বিজয়

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হবেন বিজয় শিশুশিল্পী হিসেবে রুপালি জগতে পা রেখে তামিল সিনেমার শীর্ষ নায়কদের একজনে পরিণত হয়েছেন থালাপাতি বিজয়। সর্বশেষ ‘থালাপাতি ৬৯’ সিনেমার জন্য ২৭৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ‘তামিলাগা ভেটরি কাজাগম’ নামে রাজনৈতিক দল গঠন করে সিনেমাকে বিদায় জানিয়েছেন এই নায়ক। রাজনৈতিক দল গঠনের কয়েক মাস পর কয়েকটি জনসভার আয়োজন করেন বিজয়। জনসভায় সাধারণ মানুষের উপস্থিতি দেখে অনেকের চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়। ২০২৬ সালের তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে আপাতত প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিজয়। এরই মধ্যে একজন জ্যোতিষী দাবি করলেন, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হবেন বিজয়। প্রশান্ত কিনি নামে একজন জ্যোতিষী তার ভেরিফায়েড মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে (টুইটার) একটি পোস্ট দিয়েছেন। তাতে তিনি বলেন“২০৩০ সালে রাজনীতিতে সাফল্য পাবেন থালাপাতি বিজয়। ২০৩১ সালে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হবেন তিনি। থালাপাতি বিজয় অভিনীত শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’। আগামী ৯ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে এটি। গত ২৭ ডিসেম্বর মালয়েশিয়ার ন্যাশনাল স্টেডিয়াম বুকিত জলিলে সিনেমাটির অডিও গান প্রকাশের আয়োজন করা হয়। বিজয়কে দেখতে এ মাঠে জড়ো হন ৯০ হাজার ভক্ত-অনুরাগী। বিজয় ঘোষণা দিয়েছেন তার শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’। কিন্তু এর সঙ্গে একমত নন জ্যোতিষী প্রশান্ত কিনি। তার ভাষ্য, “জন নায়াগান’ তার শেষ সিনেমা নয়। ২০২৮-২৯ সালেও সিনেমায় অভিনয় করবেন বিজয়। তার অভিনীত শেষ সিনেমা ২০২৯ সালে রুপালি পর্দায় হিট হবে। জ্যোতিষী প্রশান্তের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন নেটিজেনরা। কেউ রসিকতা করছেন, কেউ আবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। একজন লেখেন, “হ্যাঁ, ২৮/২৯ সালে আপনার পরিচালনায় বিজয় অভিনয় করবেন। কথা মনে রাখবেন। বিজয়ের এক ভক্ত লেখেন, “বুকমার্ক করে রাখলাম। আশা করি, এটা মুছে ফেলবে না। এর আগে মন্তব্য করেছিলেন, ‘বিজিটি সিরিজে কোহলি ৩টি সেঞ্চুরি করবেন।’ কিন্তু পরে সেই পোস্ট মুছে ফেলেছিলেন।” আরেকজন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে লেখেন, “আপনার ভবিষ্যদ্বাণী যদি ভুল হয়, তাহলে আপনাকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া যেতে পারে? দয়া করে সেটাও ভবিষ্যদ্বাণী করে বলবেন।” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে কমেন্ট বক্সে।

সিয়াম আহমেদ রাক্ষস আন্ধারে জংলি হয়ে উঠবে

সিয়াম আহমেদ রাক্ষস আন্ধারে জংলি হয়ে উঠবে বছরের প্রথম দিনেই উৎসবের আবহে ভাসছেন বিনোদন জগতের তারকারা। নতুন বছরের নতুন প্রত্যাশা আর ভক্তদের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করেছেন ২০২৬ সাল। এর মধ্যে ঢালিউড অভিনেতা সিয়াম আহমেদ নতুন বছরে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের শুভেচ্ছাবার্তা দিয়ে আগামী দিনের ভাবনা ও পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে বিগত বছরের সাফল্য ও দর্শকদের উন্মাদনা নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন এ অভিনেতা। নতুন বছরের পরিকল্পনা ও নিজের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সিয়াম আহমেদ লিখেছেন এবার নতুন চ্যালেঞ্জের পালা। নতুন বছরে আপনাদের জন্য আসছে আরও নতুন কিছু চরিত্র, আরও নতুন গল্প। অভিনেতা বলেন, আমি সিনেমায় অভিনয় করি দর্শকদের জন্যই, দর্শকের ভালোলাগা-মন্দলাগাই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন। তাই নতুন বছরে এমন কিছু চরিত্র, এমন কিছু গল্পই হাতে নিয়েছি, যেখানে রাক্ষস আন্ধারে জংলি হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, তাই সিনেমাহলের সিটটি শক্ত করে ধরুন। পপকর্ণের বক্সটা কাছে নিয়ে রাখুন। কারণ আমি পর্দায় আগুন ধরাতে আসছি। আমার এই বড় পরিবারকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। সিয়াম আহমেদ বলেন, এই বছরটা শুরু হয়েছিল অনেক আশঙ্কা আর অনিশ্চয়তা নিয়ে। ঠিক সেই সময়ে বিনোদনের কাজটা আরও বেশি জরুরি হয়ে ওঠে। মানুষকে একটু হলেও বাস্তবের চাপ থেকে দূরে নিয়ে যাওয়া, কিছুক্ষণ হাসানো, কাঁদানো, কিংবা নতুন একটা জগতে নিয়ে যাওয়া। গত বছরের অন্যতম সেরা সিনেমা ‘জংলি’ প্রসঙ্গে এ অভিনেতা বলেন, ঈদে লাখ লাখ মানুষ পরিবার নিয়ে সিনেমাহলে এসেছিলেন ‘জংলি’ দেখতে। আপনারা হেসেছেন, কেঁদেছেন এবং পরম মমতায় আমাকে জড়িয়ে ধরেন। সিনেমাহলে লুকিয়ে লুকিয়ে আমি দেখেছি বাবা সন্তানকে আগলে ধরে বসে আছেন, মায়ের চোখ দিয়ে অঝোরে পানি ঝরছে। তিনি বলেন, বিশ্বাস করুন, আপনাদের সেই ভালোবাসা দেখে আমারও চোখ ভিজে উঠেছে। একজন অভিনেতার জন্য এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে! এ ছাড়া শাকিব খানের তাণ্ডব সিনেমায় ‘আরমান মনসুর’ নামে এক ক্যামিও চরিত্রে দেখা গেছে সিয়াম আহমেদকে। সে প্রসঙ্গে সিয়াম লেখেন, আপনারা জনি কিংবা জংলিকে যেমন আপন করে নিয়েছেন, ঠিক তেমনই আরমান মনসুরকে দেখে বিস্মিত হয়েছেন। অল্প সময়ের একটি চরিত্রকে ঘিরে আপনারা পোস্টার, মিম, ভিডিও ম্যাশআপ এমনকি বিজিএম বানিয়ে পাঠিয়েছেন। এই ভালোবাসা সত্যিই ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তিনি বলেন, একজন অভিনেতা হিসেবে সবসময় নিজেকে চ্যালেঞ্জ করাই আমার লক্ষ্য। লক্ষ্য দর্শকদের জন্য ভিন্নস্বাদের চরিত্র ও নতুন গল্প নিয়ে আসা। এই বছর আপনাদের ভালোবাসা আমাকে বুঝিয়েছে, সেই চেষ্টায় আমি কিছুটা হলেও সফল হয়েছি।

এবার স্ট্রোক করলেন সংগীতশিল্পী তৌসিফ

এবার স্ট্রোক করলেন সংগীতশিল্পী তৌসিফ গত ২৯ ডিসেম্বর নিজ বাসায় জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান সংগীতশিল্পী তৌসিফ আহমেদ। এতে তাঁর মাথায় প্রচণ্ড আঘাত লাগে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। পরে চিকিৎসকেরা জানান, এ সময় তিনি স্ট্রোক করেছিলেন। তিন দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর গতকাল বৃহস্পতিবার কিছুটা সুস্থ হয়ে বাসায় ফেরেন এই সংগীতশিল্পী। নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে গণমাধ্যমকে তৌসিফ বলেন, ‘২৯ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে সাতটার দিকে হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যাই। মাথায় মারাত্মক আঘাত লাগে। আমার স্ত্রী আশপাশে সবাইকে খবর দিলে প্রথমে ধানমন্ডির একটি স্থানীয় হাসপাতালে, পরে অন্য আরেকটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। এক দিন লাইফ সাপোর্টে থাকতে হয়েছে। অনেক রক্ত বের হয়। মাথায় ২৭টা সেলাই পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন এই শিল্পী। সে কারণে আগের মতো নিয়মিত কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। তৌসিফ বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, এখন আগের চেয়ে ভালো আছি। তবে সামনে আরও অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। এর আগে ২০২২ সালের এপ্রিলে প্রথমবার হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন তৌসিফ। পরে ২০২৪ সালের অক্টোবরে দ্বিতীয়বার হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। এরপর থেকে চিকিৎসকের পরামর্শে বাসায় বিশ্রামে ছিলেন এই গায়ক। ‘দূরে কোথাও আছি বসে’, ‘বৃষ্টি ঝরে যায়’, ‘এ মনের আঙিনায়’, ‘জান পাখি’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গান রয়েছে তৌসিফ আহমেদের ঝুলিতে। গায়ক হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি গান লেখা, সুর করা ও সংগীতায়োজনেও সমানভাবে সক্রিয় ছিলেন। তবে শারীরিক জটিলতার কারণে গত কয়েক বছর ধরে সংগীতাঙ্গনে অনেকটাই অনিয়মিত এই শিল্পী।

মুস্তাফিজ ইস্যু তোপের মুখে শাহরুখ

মুস্তাফিজ ইস্যু তোপের মুখে শাহরুখ আইপিএলের আসন্ন আসরে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে নিয়ে ভারতে ব্যাপক রাজনৈতিক তোপের মুখে পড়েছেন বলিউড বাদশা ও কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) মালিক শাহরুখ খান। ৯ কোটি রুপিতে ‘কাটার মাস্টার’কে কেনার পর থেকে নায়ককে শুনতে হয়েছে ‘দেশদ্রোহী’ ও ‘গাদ্দার’ তকমা। এবার শাহরুখের সমর্থনে মুখ খুলেছে দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস ও একটি ইসলামিক সংগঠন। ভারত ও বাংলাদেশের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের আইপিএলে অংশগ্রহণ নিয়ে ভারতের একটি মহলে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় চড়া দামে মুস্তাফিজকে দলে নেওয়ায় কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও বিজেপি নেতাদের নিশানায় পড়েছেন শাহরুখ। উত্তরপ্রদেশের বিজেপি নেতা সঙ্গীত সোম সরাসরি শাহরুখকে ‘গাদ্দার’ বলে অভিহিত করেছেন। এমনকি শিবসেনার মতো দলগুলো মুস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়ার আল্টিমেটাম পর্যন্ত দিয়েছে। তাদের দাবি, মুস্তাফিজের উপার্জিত অর্থ ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হতে পারে। শাহরুখকে নিয়ে চলা এই নোংরা রাজনীতির বিরুদ্ধে কড়া জবাব দিয়েছে কংগ্রেস। দলটির নেত্রী সুপ্রিয়া শ্রীনেত সরাসরি বিসিসিআই এবং আইসিসি প্রধান জয় শাহর দিকে আঙুল তুলেছেন। প্রশ্ন ছোড়েন, খেলোয়াড়দের ‘পুল’-এ কে এই বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের এনেছেন? বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের কেনার সুযোগ করে দিয়েছেন কারা? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পুত্র জয় শাহের এই উত্তরটা দেওয়া উচিত। ক্রিকেটারদের কেনাবেচার জায়গায় বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের রাখা হল কেন? উনিই তো আইসিসি প্রধান এবং ওনার হাতেই ক্রিকেট সংক্রান্ত সমস্ত সিদ্ধান্ত থাকে। অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতা মণিকম টেগোর মনে করেন, শাহরুখকে ‘দেশদ্রোহী’ বলা মানে ভারতের বহুত্ববাদকে আক্রমণ করা। বলেন, ঘৃণার দ্বারা জাতীয়তাবাদকে ব্যাখ্যা করা যায় না। এছাড়াও মুস্তাফিজ ইস্যুতে ভারতের আধ্যাত্মিক গুরু দেবকীনন্দন ঠাকুর শাহরুখকে নিয়ে সমালোচনা করেন; আর তারই জবাব দিয়েছেন অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মৌলানা সাজিদ রশিদ। বলিউড তারকার পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছেন, শাহরুখ খান একজন খেলোয়াড়কে কিনেছেন। সিনেমা ও খেলার জগতে কোনো সীমানা থাকে না। শাহরুখ ও সালমান খান সবচেয়ে বেশি সমাজসেবা করে থাকেন। তাই দেবকীনন্দন ঠাকুরের বিরুদ্ধে এই মুহূর্তে পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। ৯ কোটি রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে ভিড়িয়ে কার্যত বিপাকে শাহরুখ খান ও তার দল কলকাতা নাইট রাইডার্স-কেকেআর। তবে সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ এও মনে করছেন, এবারের নিলামে মুস্তাফিজকে ৯ কোটিতে কেনায় এমন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তবে এই পুরো বিতর্ক নিয়ে এখন পর্যন্ত সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি শাহরুখ খান।

জয়জয়কার অ্যানিমেশনের

জয়জয়কার অ্যানিমেশনের ২০২৫ সালে হলিউডের বক্স অফিস চিত্রের দিকে তাকালেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে–এ বছর অ্যানিমেশনই রাজত্ব করেছে। বাস্তব অভিনেতাদের উপস্থিতিকে ছাপিয়ে অ্যানিমেটেড চরিত্ররাই দর্শকদের সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করেছে। বছরের সর্বাধিক আয় করা সিনেমাগুলোর তালিকা বিশ্লেষণ করলে অ্যানিমেশনের এই দাপট অস্বীকার করার সুযোগ নেই। মাত্র ৮০ মিলিয়ন ডলার বাজেটে নির্মিত চীনা অ্যানিমেটেড ফ্যান্টাসি সিনেমা ‘নে ঝা-২’ বিশ্বজুড়ে আয় করেছে ২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি, যা একে বছরের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল সিনেমার মর্যাদা এনে দিয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ডিজনির বহুল প্রতীক্ষিত অ্যানিমেশন ‘জুটোপিয়া ২’, যার আয় ছাড়িয়েছে ১ বিলিয়ন ডলার। তৃতীয় অবস্থানেও রয়েছে ডিজনিরই লাইভ-অ্যাকশন অ্যানিমেশন ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’। একই সঙ্গে জাপানি অ্যানিমেশন ‘ডেমন স্লেয়ার: কিমেৎসু নো ইয়াইবা–দ্য মুভি: ইনফিনিটি ক্যাসল’ মুক্তির পর ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং দর্শকমহলে দারুণ উত্তেজনা ছড়ায়। অ্যানিমেশনের এই জোয়ারের মধ্যেও কিছুটা মুখ রক্ষা করেছে বড় স্টুডিওগুলোর কয়েকটি প্রকল্প। ওয়ার্নার ব্রসের ‘আ মাইনক্রাফট মুভি’ বিশ্বব্যাপী আয় করেছে ৯৫৮ মিলিয়ন ডলার এবং ইউনিভার্সাল পিকচারসের ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড রিবার্থ’ পৌঁছেছে ৮৬৯ মিলিয়ন ডলারে। দুটি ছবিই অল্পের জন্য ১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুঁতে পারেনি। বছরের মাঝামাঝি সময়ে ব্র্যাড পিট অভিনীত ‘এফ ওয়ান’ এবং ডেভিড কোরেন্সওয়েটের ‘সুপারম্যান’ কিছুটা আলোচনায় এলেও সামগ্রিকভাবে হলিউডে বড় তারকানির্ভর সিনেমাগুলো প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে। এ বছর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, হলিউডে তারকাদের স্টারডাম ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। ডোয়াইন জনসনের ‘দ্য স্ম্যাশিং মেশিন’ বক্স অফিসে বড় ধরনের ব্যর্থতার মুখে পড়েছে। জেনিফার লরেন্সের ‘ডাই মাই লাভ’ আয় করতে পেরেছে মাত্র সাড়ে ১১ মিলিয়ন ডলার। একইভাবে আশানুরূপ সাড়া পায়নি জুলিয়া রবার্টসের ‘আফটার দ্য হান্ট’ এবং গ্লেন পাওয়েলের ‘দ্য রানিংম্যান’। এমনকি টম ক্রুজের বহুল আলোচিত ‘মিশন: ইম্পসিবল– দ্য ফাইনাল রেকনিং’ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ২০০ মিলিয়ন ডলারের গণ্ডিও পেরোতে পারেনি, যা এই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য হতাশাজনক বলেই ধরা হচ্ছে। ব্র্যাড পিটের ‘এফ ওয়ান’-এর বক্স অফিস ফলাফলও তাঁর তারকাখ্যাতির তুলনায় অনেকটাই কম। তবে যে কোনো সময়ের তুলনায় ২০২৫ সালে হলিউডে ভৌতিক সিনেমা উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। ৯০ মিলিয়ন ডলার বাজেটের ‘সিনারস’ বিশ্বব্যাপী আয় করেছে সাড়ে ৩৫০ মিলিয়নের বেশি। অন্যদিকে মাত্র ৩৮ মিলিয়নে নির্মিত ‘ওয়েপনস’ পেরিয়ে গেছে আড়াইশ মিলিয়ন ডলারের মাইলফলক। এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আগামী বছরগুলোতে হলিউডে হরর ঘরানার সিনেমার সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এ বছরের আরেকটি বড় আলোচিত ঘটনা হলো– ডিসির কাছে মার্ভেলের পরাজয়। দীর্ঘদিন ধরে মার্ভেলের সুপারহিরো সিনেমাগুলো দর্শকদের মন জয় করে এলেও এবার চিত্রটা বদলেছে। মার্ভেল এ বছর ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা: ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড’, ‘ফ্যান্টাস্টিক ফোর: ফার্স্ট স্টেপ’ এবং ‘থান্ডারবোল্টস’-এর মতো বড় বাজেটের সিনেমা মুক্তি দিলেও ডিসির ‘সুপারম্যান’-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারেনি। বছরের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল সুপারহিরো সিনেমার খেতাব গেছে ‘সুপারম্যান’-এর ঝুলিতে। মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স যাত্রা শুরুর পর এই প্রথমবার ডিসির কাছে স্পষ্টভাবে পিছিয়ে পড়ল প্রতিষ্ঠানটি।

গান প্রকাশের পর অভিনয় ছাড়ার কারণ জানালেন বিজয়

 গান প্রকাশের পর অভিনয় ছাড়ার কারণ জানালেন বিজয় ৯০ হাজার ভক্ত নিয়ে গান প্রকাশের পর অভিনয় ছাড়ার কারণ জানালেন বিজয় ‘জন নায়াগান’ হচ্ছে বিনোদনজগৎকে বিদায় জানিয়ে রাজনীতিতে নাম লেখা দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা। মুক্তি পাচ্ছে আগামী বছরের ৯ জানুয়ারি। ছবিটি নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের কমতি নেই। বিজয়কে দেখতে গত শনিবার ২৭ ডিসেম্বর ৯০ হাজার ভক্ত ভিড় করেছেন মালয়েশিয়ার ন্যাশনাল স্টেডিয়াম বুকিত জলিলে। সেখানে সিনেমার গান প্রকাশের আয়োজন ছিল। অনুষ্ঠানে বিজয় বলেন, শ্রীলঙ্কার পর মালয়েশিয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় তামিল জনগোষ্ঠীর একটি রয়েছে। মালয়েশিয়ায় অনেক তামিল সিনেমার শুটিং হয়েছে। আমার বন্ধু অজিত অভিনীত ‘বিলা’ ছবিটিও মালয়েশিয়ায় শুট করা হয়েছিল। আমার ‘কাভালান’ ও ‘কুরুবি’ ছবির শুটিংও এখানে হয়েছে। বিজয় অভিনয়কে বিদায় জানালেন বছর খানেক আগে তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে) নামে রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন বিজয়। এরপর তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচন করার ঘোষণা দেন এ অভিনেতা। ইতোমধ্যে ‘জন নায়াগান’ এরপর অভিনয় থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বিজয়। বিজয় বলেন, মানুষ আমার জন্য সিনেমা হলে এসে দাঁড়ান। সে কারণেই আগামী ৩০ থেকে ৩৩ বছর আমি তাদের জন্য দাঁড়াতে প্রস্তুত। বিজয়–ভক্তদের জন্যই আমি সিনেমা থেকে সরে যাচ্ছি। অভিনয়ের শুরু থেকেই ভক্তদের পাশে পাওয়ার কথা উল্লেখ করে বিজয় বলেন, প্রথম দিন থেকেই আমি সব ধরনের সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছি, এটা পুরোনো গল্প। কিন্তু আমার ভক্তরা শুরু থেকেই টানা ৩৩ বছর ধরে আমার পাশে থেকেছেন। আমি সিনেমায় এসেছিলাম একটি ছোট বালুর ঘর বানানোর স্বপ্ন নিয়ে, আর আপনারা আমাকে একটি প্রাসাদ উপহার দিয়েছেন। তাই যারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের জন্য আমিও দাঁড়াব। ভক্তদের কৃতজ্ঞতার ঋণ শোধ করব। তিনি বলেন, জীবনে সফল হতে সব সময় বন্ধুর প্রয়োজন না–ও হতে পারে, কিন্তু শক্তিশালী এক শত্রু দরকার। শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী থাকলেই আপনি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবেন। ভক্তদের উদ্দেশে বিজয় বলেন, ছোট একটি সাহায্য বা ছোট একটি ভালো কাজ ভবিষ্যতে আপনাকে সাহায্য করবে। কাউকে কষ্ট দেবেন না, কাউকে আঘাত করবেন না।

নুসরাত ফারিয়া চমকে দিলেন

নুসরাত ফারিয়া চমকে দিলেন বছরের শেষ মুহূর্ত দারুণ আনন্দেই কাটছে ঢাকাই নায়িকা নুসরাত ফারিয়ার। বেশ কিছুদিন ধরে কানাডা সফরে রয়েছেন নায়িকা। এর মধ্যে জানিয়েছিলেন, দেশটির ওটায়া শহরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার; জানিয়েছিলেন আমন্ত্রণও। এবার সেই অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে দেখা গেল নুসরাত ফারিয়াকে; নেচে সেখানকার মঞ্চ মাতালেন এই নায়িকা। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছোট ভিডিও প্রকাশ করেন নুসরাত ফারিয়া। তাতে দেখা যায়, সাদা রঙের একটি গ্ল্যামারাস ফ্রিল ড্রেস এবং সাদা বুট পরে মঞ্চে ঝড় তুলেছেন ফারিয়া। ধারণা করা হচ্ছে, ওটায়ার প্রেস্টন ইভেন্ট সেন্টারের সেই জমকালো পারফরম্যান্স সেটি; আর ভিডিওটি মুহূর্তেই তার ভক্ত-নেটিজেনদের মাঝে সারা ফেলে বেশ। ব্যাকগ্রাউন্ড ড্যান্সারদের সাথে তাল মিলিয়ে ফারিয়ার স্টাইলিশ মুভগুলো তার নাচের দক্ষতাও ফুটে ওঠে। এ সময় ফারিয়ার নাচের ভঙ্গি এবং অভিব্যক্তি দর্শকদের মুগ্ধ করলেও কেউ কেউ মজাও নেন। এক ভক্ত লিখেছেন, ‘অসাধারণ নেচেছেন আপু।’ একজন জায়েদ খানের সঙ্গে তুলনা করে মজা করে লেখেন, ‘জায়েদ খান প্রো। বছরের শেষ সময়টা কানাডায় অবস্থান করছেন ফারিয়া। কখনো টরোন্টো আবার কখনো ওটায়ার পথঘাটে ঘুরে বেড়ানোর ছবি শেয়ার করছেন। এর আগে ওটায়া থেকে শেয়ার করা ফারিয়ার একটি অফ-শোল্ডার কালো গাউন পরা ছবি ভক্তদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলে। সেখানে নেটিজেনরা তাকে ‘ক্লিওপেট্রা’র সঙ্গেও তুলনা করেছেন। কানাডা ভ্রমণের এই আনন্দঘন মুহূর্তে নুসরাত ফারিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে দেখা গেছে ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খানকেও। বড়দিন এবং নতুন বছরের আমেজ তারা একসাথেই উদযাপন করছেন। গত ২৬ ডিসেম্বর সেই ছবি প্রকাশ করে ফারিয়া লিখেছিলেন, ‘২৭ তারিখ দেখা হবে ওটায়ার প্রেস্টন ইভেন্ট সেন্টারে।’ এরপরই ভক্তরা আশা বাঁধেন, নিশ্চয়ই জায়েদ খানের সঙ্গে জমকালো মঞ্চে একসঙ্গে মাতবেন তারা। যদিও নাচের এই ভিডিওতে জায়েদ খানকে দেখা যায়নি; তাই এক নেটিজেন মন্তব্য করেন, ‘জায়েদ খান কোথায়?’।

জঙ্গীর কথায় বাবুর সুরে ব্যান্ড উৎসব

জঙ্গীর কথায় বাবুর সুরে ব্যান্ড উৎসব  বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীত নিয়ে এক ব্যতিক্রমী ও স্মরণীয় আয়োজন নিয়ে আসছে বাংলাদেশ টেলিভিশন। প্রথমবারের মতো একটি মাত্র সংগীতানুষ্ঠানের জন্য দশটি ব্যান্ড গেয়েছে দশটি সম্পূর্ণ নতুন গান। এই অনন্য উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ব্যান্ড উৎসব ২০২৫’। অনুষ্ঠানটি প্রচার হবে বিটিভির পর্দায় আগামী ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর, প্রতিদিন রাত ১০টায়। এই আয়োজনের সবচেয়ে বড় নতুনত্ব হলো, দশটি গানের কথাই লিখেছেন একজন গীতিকার এবং দশটি গানের সুরই করেছেন একজন সুরকার। দেশের ব্যান্ড সংগীতাঙ্গনে এমন সমন্বিত প্রয়াস আগে কখনো দেখা যায়নি। দশটি নতুন গানের কথা লিখেছেন গীতিকার শহীদ মাহমুদ জঙ্গী। সুর করেছেন দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ফিডব্যাকের দলনেতা ও গুণী সুরকার ফুয়াদ নাসের বাবু। একই গীতিকার ও একই সুরকারের সৃষ্টিতে ভিন্ন ভিন্ন ব্যান্ডের কণ্ঠ ও সংগীতায়োজন এই বিষয়টিই ‘ব্যান্ড উৎসব ২০২৫’-কে করেছে বিশেষ। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন গোলাম মোর্শেদ। গ্রন্থনা করেছেন আহমেদ তেপান্তর। এর উপস্থাপনায় দেখা যাবে ফেরদৌস বাপ্পীকে। বিটিভির এই উদ্যোগকে ব্যান্ড সংগীতের জন্য একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। আয়োজকদের মতে, নতুন গান সৃষ্টি ও ব্যান্ড সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে এই অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গীতিকার শহীদ মাহমুদ জঙ্গী বলেন, ‘দশটি নতুন গান একসঙ্গে একটি প্ল্যাটফর্মে উপস্থাপন করা বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের জন্য গর্বের বিষয়। এই নান্দনিক ও সাহসী উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। একই সঙ্গে সুরকার ফুয়াদ নাসের বাবুও এই আয়োজনে যুক্ত হতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন।‘ব্যান্ড উৎসব ২০২৫’ শুধু একটি সংগীতানুষ্ঠান নয়, বরং এটি নতুন গান তৈরির প্রতি উৎসাহ, ব্যান্ড সংগীতের প্রতি শ্রদ্ধা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ হয়ে থাকবে এমনটাই আশা করছেন সংগীতপ্রেমীরা।