বয়স বাড়ার সঙ্গে আরও ‘অ্যাডভেঞ্চারাস’ হচ্ছেন জয়া আহসান

বয়স বাড়ার সঙ্গে আরও ‘অ্যাডভেঞ্চারাস’ হচ্ছেন জয়া আহসান পশ্চিমবঙ্গে ৬ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেয়েছে জয়া আহসান অভিনীত সিনেমা ওসিডি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন সৌকর্য ঘোষাল। সিনেমাটির প্রচারণা উপলক্ষে ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে অভিনয়, দুই বাংলার সিনেমা এবং ব্যক্তিগত নানা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। দুই বাংলার সিনেমা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে জয়া বলেন, তিনি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ দুই ইন্ডাস্ট্রির কাজ নিয়েই সমানভাবে আশাবাদী। ‘ওসিডি’ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য বড় পরিসর ছিল। এর আগে তিনি ‘ডিয়ার মা’ ও ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’-র মতো ভিন্ন ঘরানার ছবিতে কাজ করেছেন। তার ভাষায়, তিনটি সিনেমাই আলাদা মাত্রার একটি পারিবারিক, একটি ক্ল্যাসিক ধারার এবং ‘ওসিডি’-তে রয়েছে শক্তিশালী সামাজিক বার্তা। বাংলাদেশের সিনেমা প্রসঙ্গে জয়া বলেন, নানা পরিস্থিতির মধ্যেও গত বছর তার অভিনীত ‘উৎসব’ ও ‘তান্ডব’ ব্লকবাস্টার সাফল্য পেয়েছে। সামনে আরও কয়েকটি ভালো কাজ আসছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রইদ’ নামের একটি ছবির ট্রেলার ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে যা নিয়ে তিনি আশাবাদী। দুই বাংলার সিনেমা পারস্পরিকভাবে মুক্তি না পাওয়ার বিষয়েও আক্ষেপ করেন জয়া। তার আশা অদূর ভবিষ্যতে এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া তার ব্যক্তিগত জায়গা নয় বরং এটি তার পেশাদার ইমেজের একটি আনুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম। যদিও মাঝে মাঝে ব্যক্তিগত কিছু মুহূর্তও শেয়ার করেন। সাক্ষাৎকারের শেষ অংশে ‘র‍্যাপিড ফায়ার’ পর্বে বয়স বাড়া নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে জয়া জানান, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজের মধ্যে বাবার ছাপ খুঁজে পাচ্ছেন এ বিষয়টি তিনি উপভোগ করছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, সময়ের সঙ্গে তিনি আরও অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় হয়ে উঠছেন। কোনো কিছু করতে নিজেকে ‘না’ বলেন না তিনি।

সন্তানের কথা ভেবে কাঁদলেন বুবলী

সন্তানের কথা ভেবে কাঁদলেন বুবলী ঢাকাই চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। পর্দায় সবসময় গ্ল্যামারাস ও হাসিখুশি দেখা গেলেও বাস্তব জীবনের সংগ্রাম ও মাতৃত্বের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে ক্যামেরার সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি। সম্প্রতি রুম্মান খানের পডকাস্ট অনুষ্ঠানে হাজির হন নায়িকা; সে সময় সন্তান শেহজাদ খান বীরের জন্মের সময়ের কঠিন পরিস্থিতির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই নায়িকা। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে করোনা মহামারির সময়ে একাকীত্বের দিনগুলোর কথা স্মরণ করেন বুবলী। ২০২০ সালে যখন বিশ্বজুড়ে কোভিডের ভয়াবহতা, ঠিক সেই সময়েই মা হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। সেই দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে বুবলী বলেন, সেটা ছিল আমার পুনর্জন্ম। আমি তখনো জানি না মায়ের জার্নিটা কেমন হয়। প্রেগন্যান্ট অবস্থায় আমেরিকায় ছিলাম, কোভিডের ওই ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা আমরা কেউ জানতাম না। কথাগুলো বলার সময় কণ্ঠ জড়িয়ে আসে বুবলীর। একপর্যায়ে তিনি চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি; নিজেকে সামলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে বুবলী বলেন, আমি আমার মাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি পৃথিবীতে। বাবা-মা দুজনকে আমরা সবাই ভালোবাসি কিন্তু আমার মায়ের জন্য আমার ফিলিংটা যেমন আলাদা, তেমনি আমার সন্তানের জন্য। আম্মু সবসময় একটা কথা বলতেন আমাদেরকে যখন ছোটবেলা থেকে শাসন করতেন- যে, মা হলে বুঝবি। পডকাস্টে নিজের ক্যারিয়ার ও প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি নিয়েও কথা বলেন বুবলী। ক্যারিয়ারের শুরুতে নবাগত হিসেবে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার পাওয়ার বিষয়টি তার জন্য বড় অনুপ্রেরণা ছিল। পরিবারের অমতে শোবিজে এসে সেই পুরস্কারটি ছিল তার জন্য বড় অর্জন। তবে পরবর্তীতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ বেশ কিছু পুরস্কার পাওয়ার আশ্বাস পেয়েও শেষ পর্যন্ত না পাওয়ার আক্ষেপও ঝরেছে তার কণ্ঠে। বুবলী বলেন, অনেক সময় কনগ্রাচুলেশন জানানো হয়েছে যে আমি পুরস্কার পাচ্ছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পাইনি। তখন মনে হয়েছে, এটাই জীবনের অংশ। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের লং আইল্যান্ড জিউস মেডিকেল হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন শাকিব খান ও বুবলীর সন্তান শেহজাদ খান বীর। কাকতালীয়ভাবে, বুবলীর ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার সংখ্যাও ২১টি। ব্যক্তিগত জীবনে নানা চড়াই-উতরাই ও শাকিব খানের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন থাকলেও বর্তমানে কাজ ও সন্তানকে নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন এই নায়িকা।

‘ভয় ও মন্দ কথা বলে যারা বাজার গরম রাখত, তাদের ক্ষতি হয়ে গেল’

‘ভয় ও মন্দ কথা বলে যারা বাজার গরম রাখত, তাদের ক্ষতি হয়ে গেল’ অভিনেতা ও নির্মাতা আফজাল হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয়। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে তিনি নিয়মিত মতামত প্রকাশ করে থাকেন। সম্প্রতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে উদ্বেগভিত্তিক রাজনীতির সমালোচনা করেছেন এবং সাধারণ মানুষের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া ওই দীর্ঘ পোস্টে তিনি দাবি করেন, ভয় দেখিয়ে ও হতাশার কথা বলে যারা বাজার গরম রাখার চেষ্টা করছিলেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তাদের অবস্থান দুর্বল হয়েছে। এ বিষয়ে আফজাল হোসেন বলেন, “যারা ভয় দেখিয়ে, মন্দ, হতাশ হওয়ার মতো কথা বলে বলে বাজার গরম করে রাখতে পছন্দ করেন, তাদের বেশ ক্ষতি হয়ে গেল। দেশের সব মানুষ রাজনীতি করে না কিন্তু দেশকে ভালোবাসে। দেশের সব মানুষ রাজনীতি না করলেও দেশকে ভালোবাসে। তারা চায় দেশ ও মানুষের ভোগান্তির অবসান হোক, দীর্ঘ কষ্টের পর দেশ একটু স্বস্তি পাক। সাধারণ মানুষ দেশ নিয়ে উচ্চকণ্ঠ না হলেও তাদের মায়া, ভালোবাসা ও উদ্বেগ গভীরে। এ তথ্য উল্লেখ করে আফজাল হোসেন বলেন, “নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় বহুদিন পর মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কিছু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নানা আশঙ্কা ও নেতিবাচক ভবিষ্যদ্বাণী ছড়িয়ে জনমনে উদ্বেগের পাহাড় তৈরি করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা সেই আশঙ্কাকে ভুল প্রমাণ করেছে; ফলে তাদের মুখে চুনকালি পড়েছে বলে মত অভিনেতার। আশঙ্কার কথা ব্যাখ্যা করে আফজাল হোসেন বলেন, “সাধারণ মানুষকে বারবার শোনানো হয়েছে- তারেক রহমান দেশে ফিরবেন না, তাকে ফিরতে দেওয়া হবে না; এমনকি খালেদা জিয়া না থাকলে তার দল শেষ হয়ে যাবে। পাশাপাশি বলা হয়েছে, দলটির ইতিবাচক ভাবমূর্তি নষ্ট হয়ে গেছে এবং নির্বাচনই হবে না। এছাড়া নির্বাচন বয়কট হবে, মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাবে না, দেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়বে-এমন নানা আশঙ্কাও ছড়ানো হয়েছিল। এসব ঘোষণাই উল্টোভাবে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বহু মানুষ-যারা দীর্ঘদিন রাজনীতির ওপর আস্থা হারিয়েছিলেন বা ভোট দিতে অনাগ্রহী ছিলেন; তারাও পরিবার-পরিজন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে গেছেন বলে মনে করেন এই শিল্পী। রাজনৈতিক দল ও নেতাদের উদ্দেশে আফজাল হোসেন বলেন, “সাধারণ মানুষই মূল চালিকাশক্তি এ কথা মনে রাখা উচিত। মানুষের দেশপ্রেমের কারণেই জয় এসেছে; তাই মানুষ ও দেশের প্রতি সম্মান বজায় রাখলে সেই সম্মান নেতৃত্বকেও মর্যাদাবান রাখবে। যারা সর্বদা নেতিবাচক কথা বলে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে চান, তারা সাময়িকভাবে চুপ থাকলেও সুযোগ পেলেই আবার বাজে কথার দোকান খুলে বসবেন।

‘তুমি বললেই’ বাপ্পা-টিনার ভালোবাসার গান

‘তুমি বললেই’ বাপ্পা-টিনার ভালোবাসার গান এবারের ভালোবাসা দিবসে দর্শক-শ্রোতাদের জন্য দারুণ এক উপহারের বার্তা দিলেন সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার। সেটি হলো ‘তুমি বললেই’ শিরোনামের নতুন একটি গান; যার সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন শিল্পী নিজেই। এতে তার কণ্ঠসঙ্গী হয়েছেন টিনা রাসেল। গানটি লিখেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গীতিকবি জুলফিকার রাসেল। বাপ্পা-জুলফিকার-টিনা- এই তিনের দ্বিতীয় সম্মিলিত সৃষ্টি ‘তুমি বললেই’। এর আগে ২০২৩ সালে প্রকাশিত হয় জুলফিকার রাসেলের কথা, বাপ্পা মজুমদারের সুর-সংগীতে টিনার কণ্ঠে ‘কিছু নেই যার’। সেই গানের মাধ্যমে ১২ বছরের বিরতি ভেঙে আবারও একসঙ্গে কাজ করেন সংগীতাঙ্গনের অন্যতম সফল ও প্রশংসিত জুটি বাপ্পা মজুমদার ও জুলফিকার রাসেল। নতুন গান বেঁধে পুনর্মিলন হলো তাদের। বনানীতে বাপ্পার স্টুডিওতে এর রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে।শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে বাপ্পা মজুমদার শেয়ার করেছেন ‘তুমি বললেই’ গানের পোস্টার। টিনা রাসেল নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মিউজিক ভিডিওর বিহাইন্ড দ্য সিন পোস্ট করেন। ঢাকার একটি লোকেশনে এর শুটিং হয়েছে। ‘তুমি বললেই’ গানের ভিডিও নির্মাণ করেছেন চন্দন রয় চৌধুরী। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় ইউটিউবে টিনা রাসেল চ্যানেলে গানটি প্রকাশ হবে। নতুন গান প্রসঙ্গে বাপ্পা মজুমদার বলেন, ‌‌জুলফিকার রাসেল আমার ভীষণ প্রাণের একজন মানুষ। সে আমার সংগীত সত্তার একটি অংশ। আমরা একসঙ্গে পাঁচ শতাধিক গান করেছি। তার লেখা গান করা আমার জন্য বরাবরই আনন্দের। টিনার গায়কী সুন্দর। আমার বিশ্বাস, নতুন কাজটি দারুণ লাগবে দর্শক-শ্রোতাদের।গীতিকবি জুলফিকার রাসেল বলেন, “বাপ্পা ভাই ও আমি একসঙ্গে প্রচুর কাজ করেছি। এ তালিকায় ‘তুমি বললেই’ নতুন সংযোজন। টিনার গায়কী আমার আলাদাভাবে ভালো লাগে। এবারের কাজটি নিয়ে আমি ভীষণ আশাবাদী। দর্শক-শ্রোতাদের ভালো লাগলে আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে। বাপ্পা ও জুলফিকার রাসেল জুটির নতুন গানে অংশ হতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত টিনা রাসেল। তার কথায়, এর আগে জুলফিকার রাসেলের কথায় ও বাপ্পা ভাইয়ের সুরে গান গাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। এবার রাসেলের কথায় বাপ্পা ভাইয়ের সঙ্গে ডুয়েট গাইতে পেরে খুব ভালো লাগছে। আমাকে এই সুযোগ দেওয়ায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

কাশ্মীরের প্রকৃতির সৌন্দর্যের খোঁজে প্রসেনজিৎ

কাশ্মীরের প্রকৃতির সৌন্দর্যের খোঁজে প্রসেনজিৎ ‘কাকাবাবু’ ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ সিনেমা মুক্তি পেয়েছে জানুয়ারি মাসে। তারপর একাধিক প্রেক্ষাগৃহে পৌঁছে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া সরাসরি দেখেছেন এ সিনেমার কলাকুশলীরা। সেখানেই বারবার তারা একটি প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছেন পরের ‘কাকাবাবু’ কবে আসবে? আগামী বছর ‘কাকাবাবু’ ফিরছেন বড়পর্দায়। জনপ্রিয় এ সিনেমার ফ্র্যাঞ্চাইজির পঞ্চম পর্ব। প্রযোজনা সংস্থা ‘এসভিএফ’ ও ‘এনআইডিয়াজ’-এর তরফে এমন ঘোষণাই দেওয়া হলো। ‘বিজয়নগরের হীরার পর শক্তিমান অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ফিরছেন ‘ভয়ংকর সুন্দর’ নিয়ে। ভক্ত-অনুরাগী ও সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের বিপুল ভালোবাসার পর তাদের উপহার হিসাবে এ সিনেমার ঘোষণা দিয়েছে প্রযোজনা সংস্থাটি। ‘ভয়ংকর সুন্দর’ সিনেমার পরিচালনার দায়িত্বও সামলাবেন চন্দ্রাশিস রায়। সংগীত পরিচালনায় থাকছেন ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত। পরিচালক চন্দ্রাশিসের আসনে তার প্রত্যাবর্তন এ ফ্র্যাঞ্চাইজির ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে আশা নির্মাতাদের। সম্প্রতি ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন এ বর্ষীয়ান অভিনেতা। এ প্রসঙ্গে প্রসেনজিৎ বলেন, ‘কাকাবাবু’ শুধু একটা চরিত্র নয়; কাকাবাবু একটি অনুভূতি, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বয়ে চলেছে। চতুর্থ সিনেমার পর যে ভালোবাসা আমরা পেয়েছি, তা হৃদয় স্পর্শ করেছে। তিনি বলেন, দর্শকদের মাঝে দাঁড়িয়ে পরের সিনেমার ঘোষণা গোটা মুহূর্তকে আরও বিশেষ করে তুলেছে। সবার সঙ্গে মিলে উদযাপনের অনুভূতি পেয়েছি। তাও দর্শকদের মাঝে দাঁড়িয়ে। একের পর এক সিনেমার সাফল্য এ চরিত্রের চিরকালীন গ্রহণযোগ্যতাকে আরও দৃঢ় করেছে বলে মত নির্মাতাদের। প্রত্যেক সিনেমার সঙ্গে আমরা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে সম্মান জানানোর পাশাপাশি কাকাবাবুকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তোলার চেষ্টা করি। প্রযোজনা সংস্থা সিনেমার নাম ঘোষণা করলেও কোন কোন অভিনেতাকে দেখা যাবে, তা এখনো খোলাসা করা হয়নি। তবে এবারের কাকাবাবু সিনেমা তৈরি হবে কাশ্মীরের প্রেক্ষাপট নিয়ে ‘ভয়ংকর সুন্দর’।

সত্যিকারের রোমান্টিকদের জন্য ৬টি আন্ডাররেটেড প্রেমের সিনেমা

সত্যিকারের রোমান্টিকদের জন্য ৬টি আন্ডাররেটেড প্রেমের সিনেমা ভ্যালেন্টাইনস ডে মানেই শুধু লাল গোলাপ, চকলেট কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভালোবাসার পোস্ট নয়। অনেকের কাছে এই দিনটি নিঃশব্দে নিজের অনুভূতির কাছে ফিরে যাওয়ার উপলক্ষ। কেউ প্রিয় মানুষটির হাত ধরে সিনেমা দেখতে চান, কেউ আবার একাই ডুবে যেতে চান ভালোবাসার আবহে। কিন্তু প্রতিবছর একই ধরনের রোমান্টিক ছবি দেখতে দেখতে একঘেয়েমি চলে আসে। তাই ভ্যালেন্টাইনস ডে ২০২৬ ওয়াচলিস্টে রাখতে পারেন এমন কিছু আন্ডাররেটেড প্রেমের সিনেমা। তেমন ছয়টি সিনেমার খোঁজ দেওয়া হলো এই প্রতিবেদনে ইন দ্য মুড ফর লাভ প্রেম সবসময় উচ্চস্বরে প্রকাশ পায় না কখনও তা লুকিয়ে থাকে চোখের চাহনিতে, নীরবতায়, অসমাপ্ত বাক্যে। এই ধীরগতির প্রেমের গল্পে দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক ধীরে ধীরে আবেগে রূপ নেয়। ছবিটির ভিজ্যুয়াল ভাষা, সুর আর সংযত অভিনয় প্রেমকে এক অনন্য সৌন্দর্যে তুলে ধরে। দেখা শেষে দীর্ঘ সময় ধরে এর আবহ মনে গেঁথে থাকে। লাইক ক্রেজি দূরত্ব কীভাবে একটি সম্পর্ককে বদলে দেয় তার বাস্তব ও কাঁচা চিত্র ফুটে উঠেছে এই ছবিতে। লং ডিস্ট্যান্স সম্পর্কের অপেক্ষা, ভুল বোঝাবুঝি আর মানসিক টানাপোড়েন আধুনিক প্রেমের এক নির্মম সত্যকে সামনে আনে। যারা বাস্তবধর্মী প্রেমের গল্প পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক। মিডনাইট ইন প্যারিস যদি আপনি ভাগ্যে বিশ্বাস করেন, শিল্প আর নস্টালজিয়ায় হারিয়ে যেতে ভালোবাসেন, তবে এই সিনেমা হতে পারে নিখুঁত পছন্দ। প্যারিসের স্বপ্নময় পটভূমিতে গড়ে ওঠা গল্প প্রেমকে দেখায় এক জাদুকরী আলোয়। অতীতের শিল্পী আর বর্তমানের আবেগের মেলবন্ধন ছবিটিকে করে তোলে অন্যরকম রোমান্টিক অভিজ্ঞতা। পোর্ট্রেট অফ আ লেডি অন ফায়ার ১৮ শতকের ফ্রান্সের প্রেক্ষাপটে এক শিল্পী ও তাঁর মডেলের মধ্যকার সম্পর্ক ধীরে ধীরে গভীর আবেগে রূপ নেয়। চোখের ভাষা, দীর্ঘ নীরবতা আর সংযত প্রকাশ সব মিলিয়ে এটি প্রেমের এক শিল্পিত উপস্থাপন। ধীর, কিন্তু তীব্র অনুভূতির সিনেমা খুঁজলে এটি অবশ্যই তালিকায় রাখুন। দ্য লাঞ্চবক্স মুম্বাইয়ের ব্যস্ত শহরে ভুল করে পৌঁছে যাওয়া একটি লাঞ্চবক্স দুই অচেনা মানুষের জীবনে তৈরি করে এক অদ্ভুত সংযোগ। চিঠির মাধ্যমে গড়ে ওঠা সম্পর্ক, একাকীত্বের মাঝে সঙ্গ খোঁজা এই ছবিটি প্রমাণ করে প্রেমের জন্য বড় কোনো নাটকীয় মুহূর্ত প্রয়োজন হয় না। ছোট ছোট সংযোগও গভীর হয়ে উঠতে পারে। ব্লু জয় সাদাকালো এই ইন্ডি ছবিতে বহু বছর পর দেখা হওয়া দুই পুরনো প্রেমিক-প্রেমিকার কথোপকথনই মূল উপজীব্য। পুরো সিনেমাটি সংলাপনির্ভর, তবু আবেগের গভীরতা এতটাই তীব্র যে সহজেই মন ছুঁয়ে যায়। পুনর্মিলনের নস্টালজিয়া অনুভব করতে চাইলে এটি হতে পারে উপযুক্ত নির্বাচন।

নতুন সুযোগ আসলে তোমাকেই বেছে নিতাম: মেহজাবীন

নতুন সুযোগ আসলে তোমাকেই বেছে নিতাম: মেহজাবীন শোবিজের অন্যতম জনপ্রিয় ও আলোচিত তারকা দম্পতি অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং নির্মাতা আদনান আল রাজীব। দীর্ঘ ১৩ বছরের বন্ধুত্ব ও প্রেমের পর গত বছর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তারা। আজ (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভালোবাসা দিবসে নিজেদের প্রথম বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে সামাজিক মাধ্যমে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন মেহজাবীন। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও নিজেদের বিশেষ এই দিনটি উপলক্ষে মেহজাবীন সামাজিক মাধ্যমে আদনানের সঙ্গে বেশ কিছু স্থিরচিত্র পোস্ট করেন। ক্যাপশনে তাদের সম্পর্কের গভীরতার কথা উল্লেখ করে লেখেন, আমরা একসঙ্গে বড় হয়েছি, একসঙ্গে পৃথিবীর সঙ্গে লড়াই করেছি। ১৪ বছরের এই পথচলায় ১ বছর হলো আমাদের সংসার। আজও যদি নতুন করে শুরু করার সুযোগ আসে, আমি তোমাকেই বেছে নিতাম, আদনান।মেহজাবীনের শেয়ার করা পোস্টটিতে তার সহকর্মী এবং ভক্তরা শুভকামনা জানাচ্ছেন। আদনান আল রাজীবও সেই পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। স্থিরচিত্রগুলোতে তাদের আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা গেছে, যা সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায়। মেহজাবীন ও আদনানের সম্পর্কের শুরুটা দীর্ঘ সময়ের। ২০০৯ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে মেহজাবীনের পদযাত্রা শুরু হয়। সেই সময়েই নির্মাতা ও প্রযোজক আদনান আল রাজীবের সঙ্গে তার পরিচয়। কয়েক মুহূর্তের সেই প্রথম দেখা থেকেই তাদের বন্ধুত্বের ভিত্তি তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে প্রেমে রূপ নেয়। দীর্ঘ ১৩ বছর পর গত বছরের ভালোবাসা দিবসে (১৪ ফেব্রুয়ারি) তারা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন।

‘বিয়ের ছবি-ভিডিও নিয়ে ব্যবসা নয়’, বিজয়-রাশমিকা!

‘বিয়ের ছবি-ভিডিও নিয়ে ব্যবসা নয়’, বিজয়-রাশমিকা! ভারতের দক্ষিণী সিনেদুনিয়ার অভিনেতা-অভিনেত্রী বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। বহু বছর ধরেই তাদের সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা যায়। যদিও তাতে কখনওই সায় দেননি তারা। এর মাঝেই বেশ কয়েক মাস ধরে শোনা যাচ্ছে, চর্চিত তারকা জুটির বিয়ের গুঞ্জন। এর মাঝেই প্রকাশ্যে এল তাদের বিয়ে নিয়ে নয়া তথ্য। যা রীতিমতো বিস্ফোরক বললেও ভুল হবে না। চলতি মাসে ২৬ তারিখ বিজয়-রাশমিকার চারহাত এক হবে বলে গুঞ্জন। বিয়ের দিন নিয়ে কোনও ঘোষণা করেননি তারা কেউই। এর মাঝেই তেলুগু সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রথম সারির এক ওটিটি প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে বিজয়-রাশমিকার বিয়ের মুহূর্তের বিশেষ মুহূর্তের ‘এক্সক্লুসিভ’ স্বত্ব কেনার প্রস্তাব গিয়েছিল। মোটা অংকের চুক্তির বিনিময়ে সেই ছবিই নাকি তথ্যচিত্র আকারে প্রকাশ করার পরিকল্পনা ছিল জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মটির। কিন্তু মোটা টাকার সেই চুক্তিপ্রস্তাব নাকি ফিরিয়ে দিয়েছেন রাশমিকা ও বিজয়। নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই আড়ালে রাখতে ভালোবাসেন বিজয় ও রাশমিকা। তাই বিয়ের অনুষ্ঠানের যাবতীয় যা কিছু সবটাই আত্মীয়-বন্ধু ও ঘনিষ্ঠদের নিয়েই আয়োজন করতে চান। নিজেদের বিয়ের মতো পবিত্র অনুষ্ঠানকে ব্যবসার রূপ দিতে নারাজ তারকা জুটি।

ঠাকুমার রূপে চমক, রহস্য ভেদে আসছেন শ্রাবন্তী

ঠাকুমার রূপে চমক, রহস্য ভেদে আসছেন শ্রাবন্তী ২০২৬ জুড়ে একের পর এক নতুন কনটেন্ট আনার ঘোষণা আগেই দিয়েছিল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম হইচই। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন ওয়েব সিরিজ ঠাকুরমার ঝুলি-র মুক্তির তারিখ সামনে এলো। সিরিজটিতে একেবারে ভিন্ন লুকে হাজির হচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। এই রহস্যঘেরা গোয়েন্দা গল্পে তিনি অভিনয় করছেন গিরিজাবালা সান্যাল নামের এক বৃদ্ধার চরিত্রে। তার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন ছোট পর্দার পরিচিত মুখ দিব্যানী মন্ডল। সিরিজটি পরিচালনা করেছেন অয়ন চক্রবর্তী। সম্প্রতি প্রকাশিত ফার্স্ট লুকে দেখা গেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক শ্রাবন্তীকে। অফ-হোয়াইট শাড়ি, ফুলহাতা সোয়েটার, পাকা চুল আর চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা। সামনে পানের ডিব্বা, আতশ কাঁচ ও চায়ের কাপ— সব মিলিয়ে চরিত্রের রহস্যময় আবহ ইতোমধ্যেই দর্শকদের কৌতূহল বাড়িয়েছে। গল্পে বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা গিরিজাবালা জীবনের বহু শোক-দুঃখের সাক্ষী। স্বামী ও সন্তান হারানোর বেদনাকে সঙ্গী করে নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছিলেন তিনি। তবে তার জীবনে বড় মোড় আসে নাতনি যাজ্ঞসেনীর ফিরে আসায়। বন্ধুর বিয়েতে যোগ দিতে এসে হঠাৎ ঘটে যাওয়া এক রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনায় সবকিছু বদলে যায়। সেই মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে নিজেই নেমে পড়েন গিরিজাবালা। শুরু হয় তার গোয়েন্দাগিরি— যা নতুন পথে এগিয়ে নিয়ে যায় গল্পকে। রহস্যের জাল ভেদে গিরিজাবালার এই যাত্রা দেখতে দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে আগামী ২০ মার্চ পর্যন্ত, যেদিন মুক্তি পাবে সিরিজটি।

২০ কোটি ক্ষতিপূরণ চেয়ে ধানুশকে আইনি নোটিশ

২০ কোটি ক্ষতিপূরণ চেয়ে ধানুশকে আইনি নোটিশ চুক্তিভঙ্গের জেরে দক্ষিণি অভিনেতা ধানুশকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে প্রযোজনা সংস্থা থেনানডাল। এমনকী তার কাছে চাওয়া হয়েছে মোটা অঙ্কের জরিমানাও। দক্ষিণী সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রযোজনা সংস্থা থেনানডালের সঙ্গে ২০১৬ সালে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ধানুশের। ওই ছবি পরিচালনার পাশাপাশি অভিনয় করারও কথা ছিল তার। কিন্তু দশ বছরেও শুরু হয়নি ছবির শুটিং। দীর্ঘদিন ধরে তা আটকে থাকার ফলেই সুপারস্টারের ওপর বিরক্ত হয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে প্রযোজনা সংস্থা। শুধু তাই নয়, অভিনেতার কাছে চাওয়া হয়েছে ২০ কোটি রুপির ক্ষতিপূরণ।  শোনা যাচ্ছে, প্রযোজনা সংস্থা ছবির চিত্রনাট্যে খানিক পরিবর্তন করতে চাইলে তা থেকে সরে দাঁড়ান ধানুশ। করেননি কোনো সহযোগিতা। যার ফলে আটকে যায় ছবির কাজ। ধানুশকে পাঠানো ওই আইনি নোটিশে নির্মাতাদের তরফে দাবি করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট ছবির কাজ আটকে থাকায় প্রভূত আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে ছবির টিম। আর তাই সেই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ধানুশকেই। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই ক্ষতিপূরণ না দিলে ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে প্রযোজনা সংস্থার তরফে আরো বড়সড়ভাবে ধানুশের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।  নির্মাতাদের তরফের আইনজীবীর মতে, ধানুশ ছবির চুক্তি সই করেও ছবির যাবতীয় কাজে অসহযোগিতা করেছেন। ফলে মাঝপথেই আটকে রয়েছে সংশ্লিষ্ট ছবির কাজ। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ধানুশের কোনোরকম প্রতিক্রিয়া মেলেনি।