এবার দুর্গার আগমন দোলায়, হাতিতে গমন যে কারণে

এবার দুর্গার আগমন দোলায়, হাতিতে গমন যে কারণে হিন্দুদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। দেবী দুর্গার আগমনকে কেন্দ্র করে ভারত, বাংলাদেশ ও নেপালে দুর্গাপূজা বেশ জমকালোভাবে আয়োজিত হয়ে। আশ্বিন মাসে প্রায় দশদিন ধরে দুর্গাপূজার উৎসব পালিত হয়। যদিও প্রকৃত অর্থে, উৎসব শুরু হয় মহাষষ্ঠী (আজ ৯ অক্টোবর) থেকে। চলতি বছরে দুর্গাপূজার মহালয়া ছিল গত ২ অক্টোবর, বুধবার। এরপর মহাপঞ্চমী ছিল গতকাল ৮ অক্টোবর! আজ বুধবার, ৯ অক্টোবর মহাষষ্ঠী। সপ্তমী পড়ছে ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার। অষ্টমী তিথি ১১ অক্টোবর, শুক্রবার। ১২ অক্টোবর পড়েছে নবমী তিথি, দিনটি শনিবার। এরপর দশমী তিথি ১৩ অক্টোবর ২০২৪, রোববার। দেবী দুর্গার আগমন ও প্রস্থানের বাহন ও তার ফলাফল নিয়ে বাঙালি সমাজে বহু কথা প্রচলিত আছে। দেবী দুর্গা ও তার পুত্র-কন্যার নিজস্ব বাহন থাকলেও আগমন ও প্রস্থানের বাহনের কথা আলাদা করে পঞ্জিকায় উল্লেখ থাকে। হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী, দুর্গার আগমন ও প্রস্থানের বাহন নির্ধারণ করে মর্তলোকে সারা বছর কেমন কাটবে। প্রতি বছর দুর্গার আগমন ও প্রস্থান সাধারণত একই বাহনে হয় না। যদি কোনো বছর হয়‚ তবে তা খুবই অশুভ ইঙ্গিত বহন করে। এই বছর দুর্গার আসা ও যাওয়া দুটি ভিন্ন বাহনে হবে। পঞ্জিকা অনুসারে পূজার সপ্তমীতে দেবীর আগমন হয়, আর গমন হয় দশমীতে। এই দুই দিন সপ্তাহের কোন বারে পড়ছে, তার উপরেই নির্ভর করে দেবীর আসা যাওয়ার বাহন। শাস্ত্র অনুযায়ী, সপ্তমী রোববার বা সোমবারে হলে দেবীর বাহন হবে গজ বা হাতি। সপ্তমী শনি বা মঙ্গলবারে হলে দেবীর বাহন হবে ঘোটক বা ঘোড়া। সপ্তমী বৃহস্পতি বা শুক্রবারে হলে দেবীর বাহন দোলা বা পালকি। সপ্তমী বুধবারে হলে দেবীর বাহন নৌকা। একইভাবে, দশমী রবি বা সোমবার হলে দেবীর বাহন গজ। দশমী শনি বা মঙ্গলবার হলে দেবী বিদায় নেবেন ঘোড়ায় চড়ে। দশমী বৃহস্পতি বা শুক্রবারে হলে দেবীর গমন হবে দোলা বা পালকিতে। আর দশমী বুধবারে হলে নৌকায় করে কৈলাসে ফিরবেন দেবী। এবার দুর্গার বাহন : এই বছর ১০ অক্টোবর সপ্তমী পড়েছে বৃহস্পতিবার। তাই দুর্গার আগমন দোলা বা পালকিতে। আগামী ১৩ অক্টোবর রোববার পড়েছে বিজয়া দশমী। মা দুর্গা পুত্র-কন্যা নিয়ে কৈলাশে ফিরে যাবেন গজ বা হাতির পিঠে আসীন হয়ে। শাস্ত্রমতে, দুর্গা যদি পালকিতে করে আসেন, তাহলে ফল ‘দোলায়াং মকরং ভবেৎ’ অর্থাৎ মহামারি, ভূমিকম্প, খরা, যুদ্ধ ও অতিমৃত্যু। যাতে বিপুল প্রাণহানি অনিবার্য। দেবী ফিরবেন গজ বা হাতিতে, শাস্ত্র মতে যা দেবীর উৎকৃষ্টতম বাহন। দেবীর আগমন বা গমন হাতিতে হলে মর্ত্যলোক ভরে ওঠে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধিতে। পূর্ণ হয় ভক্তদের মনোবাঞ্ছা। পরিশ্রমের সুফল পায় মর্তলোকের অধিবাসীগণ। অতিবৃষ্টি বা অনাবৃষ্টি নয়, ঠিক যতটা প্রয়োজন ততটা বর্ষণ। দুর্গার অন্য বাহনের মাহাত্ম্য: দেবী যদি ঘোড়ায় চড়ে আসেন বা বিদায় নেন তবে তার ফল ‘ছত্র ভঙ্গ স্তুরঙ্গমে’ অর্থাৎ সামাজিক, রাজনৈতিক ও সামরিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়, রাজায়-রাজায় বা রাষ্ট্রে-রাষ্ট্রে যুদ্ধ হয়। সামাজিক ও রাজনৈতিকস্তরে ধ্বংস ও অস্থিরতা বিরাজ করে। এক কথায় ‘ছত্রভঙ্গম’। দেবীর আসা বা যাওয়া নৌকায় হলে ফল ‘শস্য বুদ্ধিস্তথাজলম’ অর্থাৎ প্রবল বন্যা ও খরা দেখা যায়। নৌকায় মনোকামনা পূর্ণ হওয়া সূচিত হয়। ধরিত্রী হয়ে ওঠে শস্য শ্যামলা। কিন্তু সেই সঙ্গে অতি বর্ষণ বা প্লাবনের আশঙ্কাও দেখা যায়।
অপু-বুবলী আমার জীবনে অতীত হিসেবেই থাকুক: শাকিব খান

অপু-বুবলী আমার জীবনে অতীত হিসেবেই থাকুক: শাকিব খান ভালোবেসেই চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীকে বিয়ে করেছিলেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। এই দুই নায়িকার সন্তানের বাবাও হয়েছেন তিনি। তবে কারো সঙ্গেই সংসার জীবন স্থায়ী করতে পারেননি। অপু-বুবলী দুজনেই এখন শাকিবের জীবনে অতীত। একাধিকবার সাক্ষাৎকারে নিজের দুই প্রাক্তন স্ত্রীকে ‘অতীত’ বলে মন্তব্য করেছেন এই নায়ক। ভবিষ্যতে তাদের কারো সঙ্গেই নতুন কোনো সম্পর্কে জড়ানোর সম্ভাবনা নেই, সেটাও স্পষ্ট করেছেন বারবার। সম্প্রতি ডেইলি বাংলাদেশের মুখোমুখি হয়েছিলেন শাকিব খান। সেখানে আরো একবার নিজের প্রাক্তন দুই স্ত্রী প্রসঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। যেখানে নায়ক সরাসরি জানিয়েছেন- অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলী, দুজনেই তার জীবনে অতীত হিসেবে থাকবে। ব্যক্তিজীবনে নিজের দুই সংসার ভাঙনে কষ্ট পেয়েছেন শাকিব। বিশেষ করে মানুষের ‘কটু কথায়’। নায়কের ভাষায়, ‘আঘাত তো দিয়েছেই। কোনো ভাঙনই তো সুখের নয়। যতটুকু হয়েছে, হয়তো সেটুকুই হওয়ার ছিল। লাইফ ইজ আ জার্নি। এই যাত্রায় অনেকের সঙ্গে দেখা হয়, পরিচয় হয়। আমার জীবনে দু’জন (অপু-বুবলী) মানুষ অতীত, এটা আগেও বলেছি। অতীত হিসেবে তারা থাকুক। এসব নিয়ে আমার আক্ষেপ-ভ্রূক্ষেপ কিছুই নেই। যা হয়েছে হয়তো ভালোর জন্য হয়েছে।’ তবে পরিবার ও শুভাকাঙ্খীদের ভালোবাসাকে বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখেন শাকিব খান। নায়ক বললেন, ‘আমার দুই সন্তান, বাবা-মা, বোন ও তার পরিবার, কিছু কাছের আপন মানুষ, আমার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং দেশ বিদেশের কোটি কোটি ভালবাসার মানুষ রয়েছে, যারা আমাকে অঢেল ভালবাসা দেন; তাদের সবাইকে নিয়ে আমি খুব ভালো আছি।’ একই সাক্ষাৎকারে নিজের তৃতীয় বিয়ে প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন নায়ক। শাকিব বলেন, ‘মানুষ একা থাকতে পারে না। পরিবার এবং সমাজ নিয়ে বেঁচে থাকে। দেখা যাক, কোনো তাড়াহুড়ো নেই যে নির্দিষ্ট কোনো বছরের মধ্যে বিয়ে করতে হবে। যদি তেমন কিছু হয়, সেটা পারিবারিকভাবে হবে এবং বিয়ের পর্যায়ে যাবে।’ এসময় বাবা-মায়ের ইচ্ছার কথা উল্লেখ করে নায়ক বলেন, ‘আমার বাবা-মায়ের যেহেতু বয়স হয়েছে সন্তান হিসেবে তারা আমাকে সংসারী দেখতে চান।’ ওই সাক্ষাৎকারে নিজের দুই সন্তান প্রসঙ্গে শাকিব খান বলেন, ‘ওরা এখনো অনেক ছোট। বুঝতে শেখেনি। স্কুলে যাচ্ছে, লেখাপড়া করছে। বাবা হিসেবে আমি ওদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ চাই। আমি চাই ওরা আমার চেয়েও অনেক বড় হোক। ওদের সুন্দর ভবিষ্যৎ দেয়ার জন্য যা যা করতে হয় বাবা হিসেবে আমি করে যাবো।’
আরও একটা ভুল, বুঝতে দেরি হলো পরীমণি!

আরও একটা ভুল, বুঝতে দেরি হলো পরীমণি! ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি। বিচ্ছেদের পর দুই সন্তানকে (পুত্র শাহীম মুহাম্মদ পূণ্য ও কন্যা সাফিরা সুলতানা প্রিয়ম) নিয়েই কাটছে তার সময়। ফিরেছেন অভিনয়েও। এদিকে নায়িকার ভক্তরা জানেন, পশুপ্রেমী পরীর একটি কুকুর আছে, নাম পুটু। আদরের এই কুকুরের সঙ্গে পরীর সখ্যতাও বেশ। তবে পুত্রসন্তানের মা হওয়ার পর পুটুর সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে পরীর। যা নায়িকাকে ভাবিয়ে তুলেছে ইদানীং। আর সেই ভাবনা পরীমণি প্রকাশ করেছেন তার লেখনীতে। এক ফেসবুক পোস্টে পরী লেখেন, একটা ভুল করেছি আমি। আমার এই পোষা প্রাণীর নাম পুটু। অনেকেই দেখে থাকবেন হয়ত। পুটু আমার সঙ্গে আছে ১০ বছর ধরে! আমার ছেলে হবার আগে ও সবসময় আমার সঙ্গে ঘেঁষে থাকত। আমার কোলের মধ্যে ঘুমাত। আমার ছেলে আসার পর থেকে পুটুকে সঙ্গে নিয়ে ঘুমাই না। তখন থেকে ওর আলাদা বিছানা হয়ে গেল। প্রথম দিকে খুব কষ্ট হচ্ছিল মানিয়ে নিতে। তারপর আস্তে আস্তে একটা সময় মানিয়ে নিল। তখন থেকেই আমাদের মধ্যে একটা দূরত্ব হয়ে গেল। পরী আরও লেখেন, যখন আমর ছেলে হাঁটা শুরু করল, তখন ফ্লোরে ছেলের সঙ্গে পুটুও দৌড়ে ওর কাছে আসতে চাইত। আমি ভয় পেতাম। ভাবতাম পুটু যদি কামড় দিয়ে দেয় বা ওর ডাকে ছেলে যদি ভয় পায়। সেই ভেবে পুটুকে ছেলের সামনেই ধমক দিয়ে দূরে সরিয়ে দিতাম। ইদানীং হঠাৎই আমি খেয়াল করলাম ছেলেও পুটুর সঙ্গে দূর দূর করতে থাকে। পুটুকে দেখলেই বলে ‘এই পুটু যাও যাও’। আমি বুঝতে পারলাম এটা আমারই ভুল। বাচ্চা যা দেখবে তাই তো শিখবে! এমন ভুল না করার আহ্বান জানিয়ে পরীমণি লেখেন, এরপর আমি লেগে পড়লাম ওদের সুন্দর একটা বন্ধুত্ব তৈরি করার। ছেলের সামনে পুটুকে খাওয়ানো, গোসল করানো, আদর করা, কথা বলা, একসঙ্গে ছেলেকে নিয়ে খেলা…আস্তে আস্তে ছেলে অনেকটা স্বাভাবিক আচরণ করা শুরু করল পুটুর সঙ্গে। আমার ভালো লাগলো। কিন্তু আরও একটা বড় ভুল হয়ে গেল যেটা আমাকে অনেক গিল্টিতে ফেলে দিল। ছেলে সব খেলনা ছেড়ে এখন যখন খুব করে পুটুর সঙ্গে থাকতে চায়, পুটুর সঙ্গেই খেলতে চায় তখন দেখলাম পুটুর ভয়টা এখনো কাটেনি! আমি চেষ্টা করছি…হয়ত ওর ভয় কাটিয়ে উঠবে। আমার মতন এই ভুল কেউ করবেন না আশা করি। বোবা প্রাণী আর বাচ্চারা দুটোই ভীষণ কোমলমতি প্রাণ। বুঝতে দেরি হয়ে গেলো আমার…। এদিকে, সবশেষ কাজ করেছেন ওয়েব সিরিজ ‘রঙিলা কিতাব’-এ। এটি নির্মাণ করেছেন অনম বিশ্বাস। সিরিজটি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
দাদা সাহেব ফালকে গ্রহণের পর যা বললেন মিঠুন

দাদা সাহেব ফালকে গ্রহণের পর যা বললেন মিঠুন মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে মিঠুন চক্রবর্তী অভিনীত সিনেমা ‘শাস্ত্রী’। আর এ দিনই ভারতের চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সম্মানের পুরস্কার দাদাসাহেব ফালকে অ্যাওয়ার্ড পেলেন অভিনেতা। দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে ভারতের ৭০ তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার প্রদান করেন কিংবদন্তি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীকে। চলতি বছরের শুরুতেই পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন অভিনেতা। বর্ষীয়ান এই অভিনেতা এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মানে সম্মানিত হলেন। দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার নিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অভিনেতা। বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বার্তা দিয়ে মিঠুন বলেন, ‘আমি যদি পারি, তাহলে তোমরা অবশ্যই পারবে। ’এর আগে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার ঘোষণার দিন মিঠুন বলেছিলেন, কখনও ভাবিনি ফুটপাতের একটা ছেলে এত বড় সম্মান পাবে। আমি কলকাতার অন্ধ গলি, সেখান থেকে উঠে এসেছি। মুম্বাইয়ের রাস্তার ফুটপাতে থেকেছি। কখনও কল্পনা করতে পারিনি, এতবড় একটা সম্মান পাব। বিশ্বাস করুন, আমি আক্ষরিক অর্থেই হতবাক। আমি হাসতেও পাচ্ছি না, কাঁদতেও পাচ্ছি না। এমন একটা সম্মান দিলে কে কী বলবে, কেউই কিছু বলতে পারে না। আমি এই পুরস্কার আমার পরিবার ও বিশ্বজুড়ে থাকা আমার অগণিত ভক্তকে উৎসর্গ করছি। ১৯৭৬ সালে মৃগয়া চলচ্চিত্রে অভিনয় দিয়ে তার পথ চলা শুরু হয়। বাংলা হিন্দিসহ ৬টি ভাষায় তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। চলচ্চিত্র জগতে প্রায় আটচল্লিশ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা তার।
মিমি চান না বিয়ে হোক, সংসার হোক

মিমি চান না বিয়ে হোক, সংসার হোক টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। বিয়ে করেননি। একা কীভাবে ভালো থাকা যায়—সেই কৌশল নাকি তিনি রপ্ত করে নিয়েছেন। তার প্রিয় শোবার ঘর আর পোষ্য কুকুর। তিনি মনে করেন, কেউ যদি একবার একা থাকতে শিখে যায় তার থেকে আর শক্তিশালী কেউ নেই। দুর্গা পূজা উপলক্ষে তার বাড়ির পূজার মণ্ডপ সাজানো হচ্ছে, আত্মীয় স্বজনদের জন্য নতুন পোশাকও কিনেছেন তিনি। স্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিমি জানিয়েছেন, কসবার বাড়িতে পূজা উদযাপন করবেন তিনি। এই পূজায় বাড়িতে লাল-হলুদ রঙের মণ্ডপ তৈরি হয়েছে। মিমি চক্রবর্তী প্রতিদিন জিম থেকে ফেরার সময় একবার মণ্ডপের কাজ দেখতে যান। একমাস আগেই পরিবার পরিজনদের জন্য নতুন পোশাক কিনেছেন। তবে নিজের জন্য রেখেছেন অন্যরকম উপহার। তাহলো নিজেকে ভালো রাখা। নিজেকে ভালো রাখার একটা জন্য সুন্দর একটি পরিকল্পনা সাজিয়েছেন মিমি। দশ বছর পরে কী হবেন, সেই বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই তবে প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ্য করে তুলতে চান এই নায়িকা। মিমি চক্রবর্তী বলেন, ‘আমি খুব আনন্দে থাকতে চাই আর ভালো করে ঘুমাতে চাই। কে কী বলল, আমিই বা কাকে কী বললাম সেসব নিয়ে প্রভাবিত হতে চাই না। প্রতিটি মুহূর্তে ভালো থাকতে চাই। দশ বছর পরে কী হবে তা আগাম ভাবতে চাই না। একজন নারী যদি একা জীবন কাটান, তাতে অনেকগুলো বিষয় জড়িয়ে থাকে। তবে তার মানে এই নয় যে একাকীত্ব তাকে গ্রাস করছে। আমার মনে হয় যদি কেউ একবার একা থাকা শিখে যায়, তবে তার থেকে শক্তিশালী নারী আর কেউ নেই। আমি বিশ্বাস করি নিজের মতো করে জীবন এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। আমার শোবার ঘর আর পোষ্য সারমেয় (কুকুর)-কে ছাড়া পৃথিবীর কোথাও থাকতে চাই না।’ বিয়ে করবেন কিনা— প্রসঙ্গে মিমি চক্রবর্তী বলেছেন, ‘এক মুহূর্তের জন্যও মনে হয় না আমার একটা বিয়ে হোক, সংসার করব।’ মিমি সিঙ্গেল জীবনকেই পরিপূর্ণ এবং স্বাধীন জীবন বলে মনে করেন।
অ্যাকশন দৃশ্য করতে গিয়ে আহত ইমরান হাশমি

অ্যাকশন দৃশ্য করতে গিয়ে আহত ইমরান হাশমি স্পাই থ্রিলার ঘরানার সিনেমা হতে চলেছে ‘জি ২’। এটি আদিভি শেশের ব্লকবাস্টার হিট তেলুগু ছবি ‘গুদাচারি’র সিক্যুয়েল। জি ২ এর অ্যাকশন দৃশ্যে অভিনয় করার সময় ঘাড়ে আঘাত পেয়েছেন ইমরান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে ইমরান হাশমির ঘাড় থেকে রক্ত ঝরতে দেখা গিয়েছে। যা দেখে রীতিমতো উদ্বিগ্ন ভক্তরা। ইমরান এই মুহূর্তে হায়দরাবাদে ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হায়দরাবাদে জি ২ সিনেমার শুটিং চলাকালে স্টান্ট করার সময় আহত হয়েছেন ইমরান হাশমি।’ আহত ইমরান হাশমিকে হায়দরাবাদের একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, দ্রুতই শুটিংয়ে ফিরবেন এই অভিনেতা। উল্লেখ্য, ২০১৩-তে সাংঘাই, জান্নাত ২-এর পর বহুদিন কোনো সিনেমাতে দেখা যায়নি তাকে। ছেলে ক্যান্সারের আক্রান্ত হওয়ার পরে পরিবারকেই বেশি সময় দিয়েছেন ইমরান। বলা হয়, এক সময় ইমরানকে টাইপকাস্ট করেছিল বলিউড। তার নামই হয়ে গিয়েছিলে ‘কিসিং কিং’। তবে জি ২ নিয়ে ভীষণ আশাবাদী ইমরান হাশমি। এক প্রেস বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘জি-টু’র কাস্টে যোগ দেওয়া আমার জন্য সত্যিই রোমাঞ্চকর। স্ক্রিপ্টটি আকর্ষণীয়, এবং আমি এই স্পাই থ্রিলারটির অংশ হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।
এবার বুসানে সাবা’র সঙ্গে মেহজাবীন

এবার বুসানে সাবা’র সঙ্গে মেহজাবীন নিজের প্রথম চলচ্চিত্র ‘সাবা’ নিয়ে বিশ্বব্যাপী ঘুরছেন দেশের শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় তারকা মেহজাবীন। টরন্টোর পর এবার বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে (২-১১ অক্টোবর) মেহজাবীন চৌধুরী অভিনীত প্রথম ছবি ‘সাবা’। উৎসবে ছবিটি প্রদর্শিত হয় ৪ অক্টোবর। মাকসুদ হোসাইন পরিচালিত ছবিটি প্রযোজনাও করেছেন মেহজাবীন। প্রিমিয়ারে দর্শক উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। গতকাল বিকেলে উৎসব প্রাঙ্গণ থেকে তোলা বেশ কয়েকটি ছবি অভিনেত্রী শেয়ার করলেন ফেসবুকে। আজ (সোমবার) ও ৯ অক্টোবর ছবিটির আরো দুটি প্রদর্শনী হবে। যার টিকিট এরই মধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। বুসানে এ বছর ৬৩টি দেশের ২৭৯টি ছবি প্রদর্শিত হবে। ‘সাবা’ ছবিটির দৈর্ঘ্য ৯০ মিনিটের। এর আগে টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ডিসকভারি প্রোগ্রামে নির্বাচিত হয় ‘সাবা’। অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।
২০ বছরের ছোট সারার সঙ্গে রণবীরের রোমান্স, হতাশ নেটিজেনরা

২০ বছরের ছোট সারার সঙ্গে রণবীরের রোমান্স, হতাশ নেটিজেনরা নতুন সিনেমার কাজ নিয়ে শুটিং ফ্লোরে ফিরছেন বলিউড অভিনেতা রণবীর সিং। নাম ঠিক না হওয়া এ সিনেমা পরিচালনা করবেন আদিত্য ধর। গুঞ্জন উড়ছে, সিনেমাটিতে রণবীরের বিপরীতে অভিনয় করবেন ১৯ বছর বয়সি অভিনেত্রী সারা অর্জুন। সিয়াসাত ডটকমের তথ্য অনুসারে, তামিল, তেলেগু, মালায়ালাম ও হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করে পরিচিতি পেয়েছেন সারা অর্জুন। নতুন এ সিনেমায় রণবীর সিংয়ের বিপরীতে অভিনয় করবেন তিনি। কিন্তু ২০ বছরের ছোট অভিনেত্রীর সঙ্গে রণবীরের রোমান্স মেনে নিতে পারছেন না নেটিজেনরা; কেউ কেউ হতাশ, এ নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। রণবীর-সারা জুটিকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর চর্চা চলছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া রেডিটে। অনেক ভক্তই এ খবরে অখুশী। একজন লেখেন, “রণবীর সিংয়ের ‘ব্যান্ড বাজা বারাত’ (রণবীরের অভিষেক সিনেমা) সিনেমা যখন মুক্তি পায়, তখন সারার বয়স মাত্র ৫ বছর।” আরেকজন লেখেন, ‘৩৯ বছর বয়সি রণবীর একটি টিন-এজ মেয়ের সঙ্গে!’ রণবীর কিংবা সারা ভক্তরা নতুন খবরে হতাশ হলেও এ নিয়ে কেউ-ই মুখ খুলেননি। থ্রিলার-অ্যাকশন ঘরানার গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি। এতে একজন ইন্টেলিজেন্স অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করবেন রণবীর সিং। গল্পে দেখা যাবে, দায়িত্ব নিয়ে পাকিস্তান মিশনে গিয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে দেখা যাবে অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত, আর মাধবন, অর্জুন রামপালকে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। বলিউড অভিনেতা রাজ অর্জুনের কন্যা সারা অর্জুন। ২০১১ সালে ‘৪০৪’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে তার। এরপর ‘জয় হো’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করেন। এ পর্যন্ত তার অভিনীত ১৮টি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে।
আন্দোলনে বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীদের বিয়ের জন্য আসিফের টিপস

আন্দোলনে বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীদের বিয়ের জন্য আসিফের টিপস সামাজিকমাধ্যমে বেশ সরব থাকেন বাংলা গানের ‘যুবরাজ’ আসিফ আকবর। এবার এই গায়ক জানালেন, শিক্ষার্থীদের সময়মতো বিয়ে করার মাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আসল সফলতা আসবে। শুধু তাই নয় মজার ছলেই বললেন, এজন্য প্রয়োজনে রাষ্ট্র পদ্ধতিতে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করার কথাও। বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে আসিফ আকবর লেখেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আসল সফলতা আসবে ছাত্র-ছাত্রীদের সময়মতো বিয়ে করার মাধ্যমেই। আমি ২৪/২৫ বছর বয়সে বিয়ের পক্ষে। এতে সংসার শুরু করা যায় দ্রুত। তারাও বাবা মা হতে পারে, আমরাও দাদা/ নানা হতে পারি সুন্দর সময়ে। সন্তানদের বিয়ের জন্য বাবা মাকে এগিয়ে আসতে হবে উল্লেখ করেন আসিফ। তিনি লেখেন, কবে স্টাডি শেষ হবে, তারপর প্রতিষ্ঠা পাবে, তারপর টাকা জমিয়ে বিয়ে করতে হবে। এরমধ্যে চলে যাবে যৌবনের সুন্দর সময়। স্বর্ণের ভরি এখন এক লাখ পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা। অন্যান্য সামাজিকতার খরচ ধরলে কেউ ২৪/২৫ বছর বয়সে বিয়ে করতে পারবে না। সন্তানদের বিয়ের জন্য এগিয়ে আসতে হবে বাবা-মা’কে। তিনি আরও লেখেন, দুঃখজনক হলেও সত্য, ছাত্র আন্দোলনের বাঘা বাঘা নেতা এবং তাদের সহকর্মীরা এখনো ব্যাচেলর, অথচ আমি ঐ বয়সে দুই ছেলের বাবা হয়েছি। তাদের উচিত রাষ্ট্র ব্যবস্থায় তরুণদের বিয়ের জন্য একটা পদ্ধতি তৈরি করা, ব্যাংক ঋণ দিবে এবং সেটা দূরবর্তী সময়ের কিস্তিতে আস্তে আস্তে পরিশোধ করা হবে কোন প্রেশার ছাড়া। আন্দোলনে বিজয়ী ছাত্র ছাত্রীদের জন্য একটা ফ্রি টিপস দিলাম, এখনই সময়। বড় ছেলে শাফকাত আসিফের বিয়ের বিষয়ে উল্লেখ করে এই সংগীতশিল্পী লেখেন, এদিকে দেখতে দেখতে আমার বড় ছেলে শাফকাত আসিফ এবং শেহরীন ঈশিতার দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকী পূরণ হয়েছে আজ। দুজনেই কানাডার টরন্টোয় স্টাডিতে আছে। তবে আপাতত দাদা হওয়ার মতো কোনো সুখবর নেই। সবশেষ আসিফ লেখেন, ছেলেকে জিজ্ঞেস করলাম, সে বললো ‘প্ল্যান নাকি আছে’। বললাম ‘তোমার জন্মের সময় কোন প্ল্যান আমাদের ছিল না, অথচ দুর্ভাগ্য তোমার কাছ থেকে প্ল্যানের গল্প শুনতে হলো’। পরিস্থিতি যাই ঘটুক ২০২৬ সালের শুরুতেই আমার ছোট ছেলে শাফায়াত রুদ্রর বিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ, সেই অপেক্ষায় অস্থির হয়ে আছি। রণ-ঈশিতা তোমাদের বিয়ে বার্ষিকীর শুভেচ্ছা। আনন্দে বাঁচো বাবা। ভালবাসা অবিরাম।
৮ দিনে জুনিয়র এনটিআর-জাহ্নবীর সিনেমার আয় ৪৬৩ কোটি টাকা

৮ দিনে জুনিয়র এনটিআর-জাহ্নবীর সিনেমার আয় ৪৬৩ কোটি টাকা ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক জুনিয়র এনটিআর। দীর্ঘ ৮ বছর পর তাকে নিয়ে ‘দেবারা’ সিনেমা নির্মাণ করেছেন কোরাতলা শিবা। এতে জুনিয়র এনটিআরের বিপরীতে অভিনয় করেছেন শ্রীদেবী কন্যা জাহ্নবী কাপুর। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বের ৭ হাজার ২৫০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ‘দেবারা’। মুক্তির আগে থেকেই ঢের আলোচনায় ছিল এটি। মুক্তির পরও বক্স অফিসেও দারুণ সাড়া ফেলেছে। যদিও বক্স অফিসে আয়ের গ্রাফ ওঠানামা করছে। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুসারে, ‘দেবারা’ সিনেমা মুক্তির ৮ দিনে শুধু ভারতে আয় করেছে ২৫৫.১৫ কোটি রুপি (গ্রস), বিদেশে আয় করেছে ৬৯.১ কোটি রুপি। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৩২৪.২৫ কোটি রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৬৩ কোটি টাকার বেশি। ‘দেবারা’ সিনেমা নির্মাণে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় করেছেন নির্মাতারা। সিনেমাটির ভিএফএক্সের জন্য অনেক ব্যয় হয়েছে। এর আগে নিউজ১৮ জানিয়েছিল, ‘দেবারা’ সিনেমার ভিএফএক্স-এর জন্য ১৪০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৮৫ কোটি টাকার বেশি) ব্যয় করা হবে। বিশাল বাজেটের ৩৩ শতাংশ এ বাবদ ব্যয় করছেন নির্মাতারা। বলি মুভি রিভিউজের তথ্য অনুসারে, ‘দেবারা’ নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩০০ কোটি রুপি। মুক্তির আগেই সিনেমাটি আয় করেছে ১৮৪ কোটি রুপি। ‘দেবারা’ সিনেমায় জুনিয়র এনটিআরের বিপরীতে অভিনয় করেছেন শ্রীদেবী কন্যা জাহ্নবী কাপুর। এ সিনেমার মাধ্যমে তেলেগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অভিষেক হলো তার। তা ছাড়াও সিনেমাটির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান।