বিয়েটা কি হয়েই গেল শ্রীলীলার?

বিয়েটা কি হয়েই গেল শ্রীলীলার? বলিউড অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান ও দক্ষিণি অভিনেত্রী শ্রীলীলা বেশ কিছুদিন ধরেই প্রেম বিতর্কের গুঞ্জন চলছে। এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সয়লাব শ্রীলীলার গায়ে হলুদের ছবিতে। সোশ্যালে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ছবিতে দেখা গেছে, শ্রীলীলাকে হলুদ মাখাচ্ছেন একাধিক জন। নারী-পুরুষ উভয়ের হাত থেকেই হলুদ মাখছেন তিনি। মুখে নির্মল হাসি। নিজের সংস্কৃতি মেনে সেজেছেন নায়িকা। পরনে পেলব নীল আর ঘিয়ে রঙের মিলমিশে তৈরি শাড়ি। সঙ্গে হালকা গয়না, চুলে ফুল। সব মিলিয়ে ঝলমল করছেন তিনি। সামনে হলুদ, কুমকুম, পানপাতায় সাজানো একটি রেকাব। সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তাঁর কপালের লাল টিপ আর সিঁথির সিঁদুর। ছবিগুলো নেটিজেনদের মধ্যে ধোঁয়াশা তৈরি করেছে। ছবিগুলোতে ধরা পড়েছে অভিনেত্রীর গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান! সাধারণত যা বিয়ের আগে হয়। এসব ছবি দেখেই চোখ কপালে সবার। সমাজমাধ্যমে প্রশ্নের বন্যা, কার্তিক আরিয়ানের সঙ্গেই বিয়ে হচ্ছে নায়িকার? কার্তিক আরিয়ান-শ্রীলীলা কি সাত পাক ঘুরেই ফেললেন? আপাতত এই প্রশ্নের উত্তর হন্যে হয়ে খুঁজছে বলিউড এবং দুই তারকার অনুরাগীরা। অনুরাগ বসুর আগামী ছবিতে প্রথম জুটি বেঁধেছেন কার্তিক-শ্রীলীলা। প্রথম দিন থেকেই জুটির চাহিদা তুঙ্গে। তার ওপরে কার্তিকের মা হবু বউমার মধ্যে যা যা গুণ দেখতে চেয়েছেন সব কটিই নায়িকার মধ্যে রয়েছে! কার্তিকের বাড়ির একাধিক অনুষ্ঠানে দেখা গেছে শ্রীলীলাকে। ফলে গায়ে হলুদের ছবি ছড়াতেই হুলস্থূল শুরু। নিন্দুকেরা যদিও বলছেন, সবটাই নাকি নতুন ছবির প্রচারের স্বার্থে। না হলে ছবি শেষ হতে না হতেই বিয়ের পিঁড়িতে বসার মতো বোকামি করবেন না কার্তিক-শ্রীলীলা। কিছু অনুরাগীর দাবি, শ্রীলীলার জন্মদিন উপলক্ষে নাকি এই রীতি পালিত হয়েছে। তবে ইন্টারনেটে খুঁজলে জানা যাচ্ছে, নায়িকার জন্মদিন ১৪ জুন। ছবিতে দেখানো রীতির সঙ্গে কেউ কেউ উত্তর ভারতীয় রীতির মিল খুঁজে পেয়েছেন। আবার প্রশ্ন উঠছে, যদি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানই হয়, তবে সিঁথিতে সিঁদুর কেন? জন্মদিনের অনুষ্ঠানেই বা কেন সিঁদুর পরবেন নায়িকা? তবে অনেকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন, দক্ষিণী নারীর চুলে ফুলের সাজ আর অবিবাহিতদেরও কুমকুম বা সিঁদুর ব্যবহারের কথা। যদিও পুরো বিষয়টি ধোঁয়াশায় ঢাকা।
কমল হাসানের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠ দৃশ্য’, মুখ খুললেন অভিরামী

কমল হাসানের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠ দৃশ্য’, মুখ খুললেন অভিরামী বলিউডের পর্দায় কমবয়সী নায়িকাদের সঙ্গে বেশি বয়সের নায়কদের রোমান্স নতুন কিছু নয়। দক্ষিণী সিনেমাতেও এমন ট্রেন্ডিং দেখা যায়। আর এই কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন অভিনয়শিল্পীরা। এবার জনপ্রিয় খ্যাতনামা অভিনেতা কমল হাসান পড়লেন তোপের মুখে। সেই সঙ্গে সমালোচনার মুখে পড়েছেন দুই অভিনেত্রীও। যাদের একজন তৃষা কৃষ্ণান ও অপরজন অভিরামী। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে কমল হাসানের আসন্ন সিনেমা ‘ঠাগ লাইফ’। সিনেমাটির ট্রেলার নজর কেড়েছে দর্শকদের। ট্রেলারে কমল হাসানকে দুই নায়িকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে দেখা গেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছে এমন রসায়ন। বিশেষ করে অভিরামী ও কমল হাসানের রসায়ন নিয়ে কটাক্ষ করতে শুরু করেছেন নেটিজেনরা। বয়সের হিসেবে কমল হাসানের ৭১ বছরের বিপরীতে অভিরামীর বয়স ৪১ বছর। পিঙ্কভিলার প্রতিবেদন অনুসারে, বিতর্ক প্রসঙ্গে অভিরামী বলেন, ‘আজকাল জনসাধারণের সমালোচনা এড়ানো কঠিন। তবে বিতর্ক যাই হোক না কেন, তা ঘটতেই থাকবে। পরিচালক মণি রত্নমের দৃষ্টিভঙ্গি বা কাস্টিং পছন্দ নিয়ে প্রশ্ন তোলা কাজ নয় আমার।’ ভাইরাল চুম্বন দৃশ্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্পষ্টভাবে তিনি বলেন, ‘এটি মাত্র তিন সেকেন্ডের। ট্রেলারে কেবল এটিই দেখানো হয়েছে, যা একটু বিভ্রান্তিকর। তবে আপনি যখন সিনেমাটি দেখবেন, তখন দৃশ্য এবং চুম্বনের দিকে যাওয়ার বিষয়টি বেশ উপভোগ করবেন। যা গল্পের সঙ্গে ভালোভাবে মানানসই। আমার কাছে মনে হয়, এটি নিয়ে এত আলোচনা হওয়া অপ্রয়োজনীয়।’ অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘সম্ভবত প্রচারণা ও দৃষ্টি আকর্ষণের উদ্দেশ্যে দৃশ্যটি হাইলাইটস করা হয়েছে। অবশ্য এ ধরনের কৌশল ইন্ডাস্ট্রিতে এখন স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ নিয়ে কোনো ধারণা করার আগে সবাইকে সিনেমাটি দেখার অনুরোধও জানান অভিরামী।’ মণি রত্নম পরিচালিত গ্যাংস্টার অ্যাকশন ড্রামাটিতে অভিনয় করেছেন কমল হাসান, সিলাম্বরসন, ত্রিশা কৃষ্ণান, সানিয়া মালহোত্রা, অভিরামী, অশোক সেলভান, ঐশ্বর্য লক্ষ্মী, জোজু জর্জ, নাসার, আলি ফজল, পঙ্কজ ত্রিপাঠি, রোহিত সরফ এবং ভাইয়াপুরি। সিনেমাটি আগামী ৫ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে।
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন পবনদীপ

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন পবনদীপ অবশেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পবনদীপ রাজন। গত ৯ মে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদের কাছে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন ‘ইন্ডিয়ান আইডল ১২’-খ্যাত এই গায়ক। আজ হাসপাতাল থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। ফেরার সময় কিছু ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। ছবিতে তার হাতে এবং সারা শরীরে সেলাই ও কাটা দাগ দেখা যায়। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনার পর পবনদীপের শরীরের একাধিক হাড় ভেঙে গিয়েছিল পাশাপাশি ছিল গুরুতর ক্ষত। তার অবস্থা এতটাই আশঙ্কাজনক ছিল যে, ২৫ দিন চিকিৎসা নিতে হয়েছে। এই সময়ে তাকে একাধিক জটিল অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। প্রথম অস্ত্রোপচারটি টানা ছয় ঘণ্টা ধরে চলে, যেখানে চিকিৎসকেরা তার কিছু ভাঙা হাড় জোড়া লাগান। এরপর দিন চারেকের বিশ্রাম শেষে আইসিইউ থেকে তাকে ব্যক্তিগত কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। প্রথম অস্ত্রোপচারের ধকল সামলে ওঠার পর শরীরের বাকি ভাঙা হাড় জোড়া লাগানোর জন্য দ্বিতীয়বার অস্ত্রোপচার করা হয়। পবনদীপের কঠিন সময়ে তার পাশে থাকার জন্য অনুরাগীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। যদিও তাকে আরও কতদিন চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলতে হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। তবে তার সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরায় ভক্তদের মনে স্বস্তি ফিরেছে।
নাটকের আইটেম গানে টয়া

নাটকের আইটেম গানে টয়া ভারত কিংবা বাংলাদেশ— দুই দেশের চলচ্চিত্রে আইটেম গান এখন অন্যতম প্রধান অনুসঙ্গ। মজার ব্যাপার হলো, আইটেম গান এখন বড় পর্দার বলয়ে আটকে নেই। টিভি নাটকেও ব্যবহৃত হচ্ছে। মাহমুদ মাহিন নির্মিত ‘মন বদল’ নাটকে রাখা হয়েছে জমকালো একটি আইটেম গান। এতে পারফর্ম করেছেন মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া। জমজ বোন জারা ও সারার জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে ঈদুল আজহার বিশেষ নাটক ‘মন বদল’। এতে দুই বোনের চরিত্র রূপায়ন করেছেন তানজিম সাইয়ারা তটিনী। এতে যমজ বোনের বিপরীতে তরুণ চিকিৎসক আদিল চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারহান আহমেদ জোভান। যার সঙ্গে জারার বোন সারার বিয়ে ঠিক হয়। পরিচালক মাহমুদ মাহিন বলেন, “এটি পারিবারিক ক্লাইমেক্সের গল্প। জমজ বোনদের মধ্যে যে মিল আর খুনসুটি থাকে, সেটা এই গল্পে দর্শক উপভোগ করতে পারবেন। শুধু তাই নয়, এক বোন যে আরেক বোনের জন্য চূড়ান্ত ছাড় দিতে পারে, সেটিও থাকছে এতে। গল্পটা প্রেমের, তবে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে জমজ বোনের বিপরীতে আদিল চরিত্রের রসায়ন। থাকছে আইটেম গানের বিশেষ চমকও!” শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে নির্মাতা বলেন, “এতে জমজ বোনের চরিত্রে দারুণ অভিনয় করেছেন তটিনী। বিশেষ চমক হিসেবে থাকছেন মুমতাহিনা টয়া। যাকে পাওয়া যাবে আইটেম গানের সঙ্গে জমকালো নাচের আয়োজনে।” নাটকটির প্রযোজক-পরিবেশক এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু বলেন, “বরাবরের মতো এবারের ঈদেও সিএমভি’র ঈদ আয়োজনে থাকছে দেশের সেরা নির্মাতা ও অভিনেতাদের নিয়ে এক ডজন বিশেষ নাটক ও টেলিফিল্ম। ‘মন বদল’ সেই তালিকারই অন্যতম সংযোজন। চাঁদরাত থেকে এই নাটকগুলো ধারাবাহিকভাবে সিএমভি’র ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাবে।”
নির্মাতার সঙ্গে কথা বলে ৯ কেজি ওজন বাড়িয়েন ভাবনা

নির্মাতার সঙ্গে কথা বলে ৯ কেজি ওজন বাড়িয়েন ভাবনা অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনার সৌন্দর্য ও ফ্যাশন সেন্স, দুই-ই ভক্তদের সব সময় মুগ্ধ করে। সাধারণত যেখানে শোবিজ তারকারা নিজেদের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখেন সেখানে স্রোতের বিপরীতে হাঁটলেন ভাবনা। জানা গেল, কমানোর পরিবর্তে ৯ কেজি ওজন বাড়িয়েছেন এই তারকা। তবে মোটা দেখাতে নয়, বরং চরিত্রের প্রয়োজনেই এমন পদক্ষেপ তার। সামনে ‘ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’ সিনেমায় দেখা যাবে ভাবনাকে। যেখানে পর্দায় একজন যাত্রাপালার নায়িকার চরিত্রে রূপদান করেছেন তিনি। আসিফ ইসলাম পরিচালিত সিনেমাটিতে চরিত্রের মানানসই লুক দিতেই ওজন বাড়িয়েছেন ভাবনা। এ বিষয়ে আরও জানা গেছে, ইতোমধ্যেই সিনেমাটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। সিনেমায় নাম ভূমিকায় অর্থাৎ প্রিন্সেসের চরিত্রেই অভিনয় করেছেন আশনা হাবিব ভাবনা। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ফরিদপুর জেলার গোবিন্দপুরে যাত্রার সেট বানিয়ে সিনেমার দৃশ্যধারণ করা হয়। সিনেমাটির জন্য ওজন বাড়ানোর বিষয়ে ভাবনা জানান, চরিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য তার মনে হয়, ওজন বাড়ানো দরকার। তিনি বলেন, আমার কাছে মনে হচ্ছিল ওজন না বাড়ালে চরিত্র প্রকাশিত হবে না। ফলে আমি নিজেই নির্মাতার সঙ্গে কথা বলে ৯ কেজি ওজন বাড়িয়েছি। বর্তমানে ‘ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’ সিনেমাটির পোস্টপ্রোডাকশনের কাজ চলছে।
আজ হুমায়ুন ফরীদির জন্মদিন

আজ হুমায়ুন ফরীদির জন্মদিন গুণী অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদিকে নিয়ে বলা যায় তিনি খলনায়ক, তিনি নায়কের অধিক। আজ এই গুণী অভিনেতার জন্মদিন। ১৯৫২ সালের ২৯ মে ঢাকার নারিন্দায় জন্ম গ্রহণ করেন হুমায়ুন ফরীদি। তার বাবার নাম এটিএম নুরুল ইসলাম, মায়ের নাম বেগম ফরিদা ইসলাম। হুমায়ুন ফরীদি চার ভাই-বোনের মধ্যে ছিলেন দ্বিতীয়। ইউনাইটেড ইসলামিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন তিনি। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেন ১৯৭০ সালে চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে। ওই বছরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানিক কেমিস্ট্রিতে ভর্তি হন স্নাতক করতে। পরের বছর মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, পড়াশোনা ছেড়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন তিনি। স্বাধীনতার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে স্নাতক জীবন শুরু করেন হুমায়ুন ফরীদি। এখানেই তার অভিনয় প্রতিভার বিকাশ হয়েছিল। নাট্যকার সেলিম আল দীনের কাছে নাট্যতত্ত্বে দীক্ষা নেন তিনি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতেই সদস্যপদ পান ঢাকা থিয়েটারের। এরপরর এই নাট্যদল থেকেই একের পর এক মঞ্চনাটক করেন হুমায়ুন ফরীদি। ঢাকা থিয়েটারের ‘শকুন্তলা’, ‘মুনতাসীর ফ্যান্টাসি’, ‘কীর্তনখোলা’, ‘কেরামত মঙ্গল’-এর মতো মঞ্চনাটকে অভিনয় করে নিজেকে নিয়ে যান অনন্য উচ্চতায়। আদায় করে নেন দর্শকের ভালোবাসা। হুমায়ুন ফরীদি অভিনীত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে ‘একাত্তরের যিশু’, ‘সন্ত্রাস’, ‘ব্যাচেলর’, ‘জয়যাত্রা’ ও ‘শ্যামলছায়া’ অন্যতম। বাণিজ্যিক ধারার সিনেমার খলনায়কের চরিত্র করে ব্যাপক খ্যাতি পান। ‘মাতৃত্ব’ সিনেমার জন্য ২০০৪ সালে সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান হুমায়ূন ফরীদি। এই অভিনয়শিল্পীর বলে যাওয়া কথাগুলোও মানুষের হৃদয়ে মোটা দাগ কাটে। দার্শনিকসুলভ সেই কথাগুলো আজ একবার স্মরণ করা যাক। ১. যদি তোমার সম্পর্কে মানুষ তোমার পেছনে কিছু বলে, জেনো তুমি কিছু একটা করছ, যা ওরা করতে পারছে না। মাথায় নিয়ো না। তোমার কাজ তুমি করে যাও মন দিয়ে। জয়ী হবে। ২. মৃত্যুর মতো এতো স্নিগ্ধ, এতো গভীর, সুন্দর আর কিছু নেই। কারণ, মৃত্যু অনিবার্য। তুমি যখন জন্মেছ, তখন তোমাকে মরতেই হবে। মৃত্যুর বিষয়টি মাথায় থাকলে কেউ পাপ করবে না। যেটা অনিবার্য, তাকে ভালোবাসাটাই শ্রেয়। মৃত্যুকে ভয় পাওয়াটা মূর্খতা। জ্ঞানীরা মৃত্যুকে ভয় পায় না। মৃত্যুকে আলিঙ্গন করো, গ্রহণ করো, বরণ করে নাও। ৩. সুখী হওয়ার একটাই উপায়, কেউ কাউকে ঠকাবেন না—অবশ্যই সুখী হবেন। ৪. কিছু কিছু পরিবর্তন মানুষ নিজেই করে; আর কিছু কিছু পরিবর্তন মানুষের জীবনে আসে, যেটা সে কখনোই চায় না বা আশা করে না।
দক্ষিণী সিনেমায় যাত্রা করলেন হৃতিক

দক্ষিণী সিনেমায় যাত্রা করলেন হৃতিক দক্ষিণী সিনেমার উত্থান এখন আর নতুন কিছু নয়। ‘কেজিএফ’, ‘সালার’, ‘কান্তারা’র মতো ব্লকবাস্টার দিয়ে বলিউডকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে দক্ষিণ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। এবার সেই সাফল্যের ধারায় পা রাখলেন হৃতিক রোশন। বুধবার হোম্বলে ফিল্মস অফিসিয়াল এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেলে ঘোষণা করেছে, তাদের পরবর্তী প্রজেক্টে যুক্ত হচ্ছেন হৃতিক। পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘হৃতিক, যাকে সবাই গ্রিক গড বলেন। তিনি লক্ষ লক্ষ হৃদয়ের অধিপতি। হোম্বলে ফিল্মসের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। আমরা দর্শকদের এক অনন্য অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়ার স্বপ্ন দেখছি।’ প্রযোজনা সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিজয় কিরাগান্দুর জানিয়েছেন, ‘আমরা সবসময় এমন গল্প বলার চেষ্টা করি, যা মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। হৃতিকের সঙ্গে আমাদের এই নতুন যাত্রা সেই লক্ষ্যেই এক বড় পদক্ষেপ।’ এই ঘোষণার পর থেকেই জল্পনা তুঙ্গে। কেউ বলছেন, ‘কেজিএফ চ্যাপ্টার থ্রি’-তে যশের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করবেন হৃতিক। কেউ বা মনে করছেন, ‘সালার’-এর নতুন কিস্তিতে দেখা যাবে তাকে। প্রসঙ্গত, হোম্বলে ফিল্মস এর আগে ‘কেজিএফ’ ও ‘কান্তারা’র মতো ছবি প্রযোজনা করেছে, যা বক্স অফিসে বিপুল সাফল্য পেয়েছে। ফলে এই প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে হৃতিকের চুক্তিকে তার ক্যারিয়ারের বড় মোড় বলেই মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, হৃতিককে আগামীতে দেখা যাবে ‘ওয়ার ২’ ছবিতে, যা মুক্তি পেতে চলেছে ১৪ আগস্ট। ছবিতে রয়েছেন কিয়ারা আদভানি ও জুনিয়র এনটিআরও।
নাচে-গানে রং ছড়ালেন আদর-পূজা

নাচে-গানে রং ছড়ালেন আদর-পূজা ঈদুল আজহায় মুক্তি পাবে আলোচিত সিনেমা ‘টগর’। তার আগে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটির শিরোনামে গান। প্রকাশের পরপরই দর্শক-শ্রোতাদের মনে দোলা দিয়েছে গানটির ছন্দ, রঙ আর প্রাণের উচ্ছ্বাস। রণক ইকরামের কথা এবং কামরুজ্জামান রাব্বি ও কর্ণিয়ার গাওয়া এই গানে মিশে আছে দেশীয় উৎসবের আমেজ। সুরের তালে তাল মিলিয়ে নির্মিত ভিডিওটি যেন বিশুদ্ধ ভিজ্যুয়াল ফিয়েস্তা। গানটির কোরিওগ্রাফি করেছেন হাবিব রহমান। তার দক্ষ পরিকল্পনায় পুরো দৃশ্যপট রূপ নিয়েছে নৃত্যনির্ভর এক জমকালো আয়োজনে। ভিডিওতে জুটি বেঁধে নাচের ঝড় তুলেছেন অভিনেতা আদর আজাদ ও পূজা চেরি। তাদের সঙ্গে পারফর্ম করেছেন ৭০ জনেরও বেশি পেশাদার নৃত্যশিল্পী, যারা পুরো গানজুড়ে ছড়িয়েছেন বর্ণিলতা ও প্রাণচাঞ্চল্য। আদর আজাদ বলেন, “এমন এনার্জি ভরা গানে পারফর্ম করা এক দারুণ অভিজ্ঞতা। পুরো টিমের টানটান পরিশ্রম আর নিখুঁত কোরিওগ্রাফির কারণেই এমন চোখজুড়ানো দৃশ্য দর্শকদের উপহার দেওয়া সম্ভব হয়েছে।”এ গানের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে পূজা চেরি বলেন, “১০০% দেশি’ আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম রঙিন কাজ। গানটি করতে গিয়ে এত আনন্দ পেয়েছি, যা দর্শকরাও সহজেই টের পাবেন। কাজটি আমার কাছে সত্যিই বিশেষ।” আলোক হাসান পরিচালিত ও এআর মুভি নেটওয়ার্কের প্রযোজনা ও পরিবেশনায় নির্মিত হয়েছে ‘টগর’। গানটির এই সাফল্য যেন সিনেমাটিকে আরো একধাপ এগিয়ে দিল ঈদুল আজহার রঙিন উৎসবের দিকে।
সালমান খুব বাজে অভিনেতা, কারিনার বক্তব্য ভাইরাল

সালমান খুব বাজে অভিনেতা, কারিনার বক্তব্য ভাইরাল সালমান খানের সময় ভালো যাচ্ছে না। বক্স অফিসে টানা ব্যর্থ তার সিনেমা। লরেন্স বিষ্ণোইয়ের হত্যার হুমকি। সবকিছু মিলিয়ে খারাপ সময় পার করছেন বলিউডের এই মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর। এরই মধ্যে কারিনা কাপুর খানের একটি বক্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে নেট দুনিয়ায়। যেখানে কারিনা কাপুর বলেন— “সালমান খান একজন বাজে অভিনেতা।” বেশ আগে উমেশ জিবনানিকে সাক্ষাৎকার দেন কারিনা কাপুর খান। পুরোনো সেই সাক্ষাৎকার নতুন করে অন্তর্জালে ছড়িয়ে পড়েছে। আলাপচারিতার শুরুতে তিন খানের প্রসঙ্গ উঠে আসে। এরপরই কারিনা কাপুর খান বলেন, “আমি তাকে খুবই ভালোবাসি। তার বিষয়ে আমাকে জিজ্ঞাসা করবেন না। কারণ আমি যদি শুরু করি, তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে যাবে তবু শেষ হবে না। অমিতাভ বচ্চন এবং শাহরুখ খান এই দুই অভিনেতার ভক্ত আমি।” বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান প্রসঙ্গে কারিনা কাপুর খান বলেন, “আমিরও ভালো। ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’, ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ সিনেমায় তাকে আমার ভালো লেগেছিল। তবে সব খানদের মধ্যে আমি শাহরুখের ভক্ত।” সালমান খান প্রসঙ্গে কারিনা কাপুর খান বলেন, “আমি সালমান খানের ভক্ত নই। আমি তাকে পছন্দ করি না। সে খুব বাজে অভিনেতা। আমি তাকে ব্যাপারটি বলেছিও। সে সবসময় অতিরঞ্জিত করে।” বলিউডের তিন খানের সঙ্গে অনেক সিনেমায় অভিনয় করেছেন কারিনা কাপুর। তবে সবচেয়ে বেশি জুটি বেঁধেছেন সালমান খানের সঙ্গে। আলোচিত ‘বডিগার্ড’ সিনেমা থেকে শুরু করে ‘কিউ কি’, ‘ম্যায় আউর মিসেস খান্না’-এরে মতো সিনেমায় জুটি বেঁধেছেন সালমান-কারিনা। দর্শকরা এ জুটির রসায়ন পছন্দও করেছেন। তারপর কারিনার কেন ভালো লাগেনি তা এক রহস্য!
অক্ষয়ের আইনি নোটিশের জবাব দিলেন পরেশ রাওয়াল

অক্ষয়ের আইনি নোটিশের জবাব দিলেন পরেশ রাওয়াল ‘হেরা ফেরি ৩’ নিয়ে বলিউডে চলছে তুমুল বিতর্ক। সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ানোর পর পরেশ রাওয়ালের নামে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন অক্ষয় কুমার। এবার সেই নোটিশের জবাবে মুখ খুললেন পরেশ। শনিবার এক্স (পূর্বতন টুইটার)-এ তিনি তার অবস্থান পরিস্কার করেছেন। সেখানে অভিনেতা লেখেন, ‘আমার আইনজীবী আমিত নায়েক একটি যথাযথ জবাব পাঠিয়েছেন। এটা পড়ার পরই সব বিষয় মিটে যাবে।’ সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে পরেশ জানান, সময় এবং অর্থ নিয়েই অনিশ্চয়তা ছিল। ছবির শুটিং শুরু হবে আগামী বছর। এটি মুক্তি পাবে আরও পরে। প্রায় দুই বছর অপেক্ষা করতে হতো পুরো পারিশ্রমিকের জন্য। তাই আগেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পরেশ রাওয়াল ইতিমধ্যেই ফেরত দিয়েছেন ১১ লাখ রুপির সাইনিং অ্যামাউন্ট। সঙ্গে দিয়েছেন ১৫ শতাংশ সুদও। তবু প্রযোজকপক্ষ তার উপর ক্ষুব্ধ। অক্ষয় কুমারের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে জানানো হয়েছে, ‘এই সিনেমার পেছনে অনেক খরচ হয়েছে। অভিনেতাদের পারিশ্রমিক, লোকেশন, সরঞ্জাম, ট্রেলারের শুটিংসহ সব মিলিয়ে অনেক খরচ। এ সময়ে পরেশ রাওয়ালের সরে যাওয়াটা হতাশাজনক।’ ‘হেরা ফেরি’ সিরিজে পরেশ রাওয়ালের ‘বাবুরাও’ চরিত্র এতটাই জনপ্রিয় যে তার না থাকা মানেই সিনেমার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা। ছবির আরেক অভিনেতা সুনীল শেঠি হতাশা প্রকাশ করেছেন। ভক্তরাও হতাশ। এখন দেখার বিষয়, পরেশ রাওয়ালের উত্তর পেয়ে অক্ষয় কুমার কী পদক্ষেপ নেন। সেইসঙ্গে আদৌ ‘হেরা ফেরি ৩’ ছবিটি নির্মাণ হবে কী না সে নিয়েও তৈরি হয়েছে সংশয়।