আমাকে পুরস্কার দেওয়া হলে, তা ডাস্টবিনে ফেলে দেব: বিশাল

আমাকে পুরস্কার দেওয়া হলে, তা ডাস্টবিনে ফেলে দেব: বিশাল ভারতের তামিল সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা-প্রযোজক বিশাল কৃষ্ণা রেড্ডি। শিশুশিল্পী হিসেবে রুপালি জগতে পা রাখেন। পরবর্তীতে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। ২০০৪ সালে ‘চেলামাই’ সিনেমায় নায়ক হিসেবে পর্দায় হাজির হন। এরপর ‘সান্ডাকোঝি’, ‘তিমিরু’, ‘বেদি’-এর মতো অনেক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন। দুই দশকের বেশি সময়ের অভিনয় ক্যারিয়ারে এখনো ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাননি বিশাল। কয়েক দিন আগে ‘ইয়োর্স ফ্র্যাঙ্কলি বিশাল’ শিরোনামের পডকাস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এই অভিনেতা। এ আলাপচারিতায় পুরস্কারের সংস্কৃতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার ভাষ্য—“আমাকে পুরস্কার দেওয়া হলে তা ডাস্টবিনে ফেলে দেব।” ‘চাক্রা’ তারকা বিশাল বলেন, “আমি পুরস্কারে বিশ্বাস করি না। পুরস্কার একেবারেই পাগলাটে ব্যাপার। সাত কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র চারজন মানুষ কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন—কে সেরা অভিনেতা, কে সেরা সহ-অভিনেতা বা কোনটি সেরা সিনেমা হবে? এরা কি সবার বস? ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাননি, এজন্য আফসোস নেই ‘মার্ক অ্যান্টনি’ তারকার। এ তথ্য স্মরণ করে বিশাল বলেন, “আমি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়েও একই কথা বলছি। আমি পুরস্কার পাইনি বলে এসব কথা বলছি না। তবে জরিপ করে মানুষের মতামত নেওয়া উচিত। এটা গুরুত্বপূর্ণ। এই পুরস্কার আসলে আটজন মানুষ বসে ঠিক করে কে সেরা অভিনেতা—এটা হাস্যকর। আমি পুরস্কারে বিশ্বাস করি না; এটা বাজে ব্যাপার। আয়োজকদের প্রতি অনুরোধ করে বিশাল বলেন, “আমি আয়োজকদের বলেছি, যদি আমাকে পুরস্কার দেওয়া হয়, আমি সেটা ডাস্টবিনে ফেলে দেব। যদি সেটা স্বর্ণ দিয়েও তৈরি হয়, আমি বিক্রি করে টাকাটা দান করে দেব। আমি তাদের অনুরোধ করি, আমাকে যেন পুরস্কার না দেওয়া হয়। বরং যে সত্যিকার অর্থে প্রাপ্য, তাকে দেওয়া হোক।” ব্যক্তিগত কারণে পুরস্কার গ্রহণ করেন না বিশাল। তবে এটাও স্বীকার করেন যে, অনেকেই এই স্বীকৃতি গুরুত্ব সহকারে নেন, তাই আয়োজকদের প্রতি আহ্বান, যারা পুরস্কারকে মূল্য দেন, তাদেরই যেন সম্মান জানানো হয়। উল্লেখ্য, তামিল সিনেমায় অবদানের জন্য ২০০৬ সালে বিশালকে কালাইমামানি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। জানা যায়, এ পুরস্কার তিনি গ্রহণ করেছেন। যদিও সেই মুহূর্তের কোনো ছবি খোঁজে পাওয়া যায়নি। বিশাল এখন ‘মাগুডাম’ সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অ্যাকশন-গ্যাংস্টার ঘরানার সিনেমাটিতে একাধিক চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। এতে প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করবেন দুশারা বিজয়ান। এটি পরিচালনা করছেন রবি আরাসু। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালে এটি মুক্তির পরিকল্পনা করেছেন নির্মাতারা। তথ্যসূত্র: পিঙ্কভিলা
মা হলেন পরিণীতি চোপড়া

মা হলেন পরিণীতি চোপড়া পুত্রসন্তানের মা হলেন বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া। শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে দিল্লির এক বেসরকারি হাসপাতালে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন দিনি। মা ও নবজাতক- দুজনই সুস্থ আছেন। ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে পরিণীতি ও রাঘব দুজনই খবরটি জানিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রসবের পর সারা রাত স্ত্রীর পাশে ছিলেন অভিনেত্রী স্বামী রাজনীতিক রাঘব চাড্ডা। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া বিবৃতিতে পরিণীতি চোপড়া ও রাঘব চাড্ডা লেখেন, ‘অবশেষে তিনি এখানে এসেছেন। আমাদের ছেলে হয়েছে। আমরা আক্ষরিক অর্থে আগের জীবনকে স্মরণ করতে পারি না! আমাদের হৃদয় পরিপূর্ণ। প্রথমে আমরা একে অপরকে পেয়েছিলাম, এখন আমাদের সবকিছু রয়েছে। ’খবরটি নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই বলিউড ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়েছে শুভেচ্ছার বন্যা। অনেকে সামাজিকমাধ্যমে দম্পতিকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। কয়েক সপ্তাহ ধরেই অভিনেত্রীর অনুরাগীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন সুখবরের জন্য। কয়েক দিন আগে তাকে দিল্লির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে শনিবার রাতে তিনি সন্তান জন্ম দেন। আগস্ট মাসে ইনস্টাগ্রামে একটি কেকের ছবি পোস্ট করেছিলেন পরিণীতি ও রাঘব। কেকের ওপর লেখা ছিল- ‘১ + ১ = ৩’। পাশে অভিনেত্রী লিখেছিলেন, ‘আমাদের ছোট্ট পৃথিবী আসছে…কৃতজ্ঞতা জানাব কীভাবে, ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। ’ এই পোস্টেই প্রথমবার প্রকাশ্যে আসে তাদের সন্তান আসার হওয়ার খবর। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে রাজস্থানের উদয়পুরে ঘটা করে বিয়ে করেন বলিউড তারকা পরিণীতি চোপড়া ও আম আদমি পার্টির নেতা রাঘব চাড্ডা। বিয়ের পর থেকেই পরিণীতি অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন, মনোযোগ দিয়েছিলেন সংসার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায়।
জন্মদিনে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন জাংকুক

জন্মদিনে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন জাংকুক বিটিএস তারকা জাংকুক, যিনি তার গান দিয়ে বিশ্বব্যাপী তালিকার শীর্ষে রয়েছেন। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিশ্বজুড়ে ভক্তরা উদযাপন করেছেন প্রিয় তারকা জন্মদিন। আর জন্মদিনের শুভেচ্ছার ভিড়ের মধ্যেই ভক্তদের সাথে সরাসরি আলাপচারিতায় ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন এই সংগীতশিল্পী। জানিয়েছেন অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার (ADHD) রোগে ভুগছেন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকায় একটি মিউজিক ভিডিওর শুট করে দেশে ফেরার পর গায়ক এই তথ্য প্রকাশ্যে আনেন। এক ভক্ত লাইভ চলাকালীন তার অস্থিরভাবে নাড়াচাড়া করা নিয়ে মন্তব্য করলে জাংকুক সরল ভঙ্গিতে বলেন, ‘আমার এই স্বভাবটা আছে। আমি এভাবেই নড়াচড়া করি।’ ADHD বা Attention Deficit Hyperactivity Disorder একটি স্নায়ু-সংক্রান্ত সমস্যা। এটি মনোযোগ ধরে রাখা, স্থির হয়ে বসা বা আকস্মিক প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলে। সাধারণত শৈশবেই এর লক্ষণ শুরু হয়, তবে প্রাপ্তবয়সেও অনেকের মধ্যে তা থেকে যায়। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এটি অতিরিক্ত অস্থিরতা, এক জায়গায় স্থির হয়ে না বসতে পারা, মনোযোগের ঘাটতি, টাইম ম্যানেজমেন্টের সমস্যা ইত্যাদির মাধ্যমে প্রকাশ পায়। তবে চিকিৎসা ও সঠিক কৌশলের মাধ্যমে অনেকেই এর সঙ্গে স্বাভাবিক জীবনযাপন করেন। জাংকুকের এই খোলামেলা স্বীকারোক্তি মুহূর্তেই ভক্তদের মন ছুঁয়ে যায়। মাসের পর মাস তার লাইভে স্বাভাবিক অস্থির আচরণ নিয়ে কটাক্ষ হচ্ছিল। অনেকে তাকে ‘চুপচাপ বসতে’ বলতেন। কিন্তু এবার ভক্তরা তার পাশে দাঁড়িয়ে জানান, অস্থিরভাবে নড়াচড়া করা বা ‘স্টিমিং’ আসলে ADHD-এর সাধারণ বৈশিষ্ট্য, যা নিয়ে বিদ্রূপ করা উচিত নয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভক্তদের সমর্থন। কেউ লিখেছেন, ‘উনি যেভাবে স্বাভাবিকভাবে কথাটা বললেন, দারুণ লেগেছে। জাংকুক আর সুগা- দু’জনেই যেভাবে তাদের ADHD নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন, সেটা অসাধারণ।’ আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘এখন যারা অকারণে তাকে ‘চুপচাপ বসো’ বলছিলেন, তাদের থামা উচিত।’ অনেক ভক্ত জানিয়েছেন, জাংকুকের অভিজ্ঞতা তাদের ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে মিলে গেছে। একজন লিখেছেন, ‘আমি সারাক্ষণ শুনি পা নড়ানো বা অস্থিরভাবে বসা নিয়ে বকাঝকা। কিন্তু আমি থামাতে পারি না। জাংকুকের কথায় মনে হল, আমি তো একা নই।’
৯৭ লাখ বাজেটের সিনেমায় আয় ১০৪ কোটি

৯৭ লাখ বাজেটের সিনেমায় আয় ১০৪ কোটি বক্স অফিসে আয়ের উপর ভিত্তি করে সিনেমাকে এখন ব্লকবাস্টার বা হিট তকমা দেওয়া হয়। অনেক সময় খ্যাতিমান অভিনেতাদের সিনেমাও বক্স অফিসে তেমন সাড়া ফেলতে পারে না। আবার ছোট বাজেটে নির্মিত অখ্যাত অভিনয়শিল্পীদের কোনো কোনো সিনেমা আশাতীত সাফল্য পায়। স্বল্প বাজেটের কন্নড় ভাষার ‘মুনগারু মেল’ সিনেমাও কল্পনাতীত আয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। কমেডি-ড্রামা ঘরানার ‘মুনগারু মেল’ সিনেমা ২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেন—গণেষ ও পূজা গান্ধী। এটি পরিচালনা করেন যোগরাজ ভাট। এটি নির্মাণে ব্যয় হয় ৭০ লাখ রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯৭ লাখ টাকা)। ১৩২ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই সিনেমা বক্স অফিসে আয় করে ৭৫ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১০৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বেশি)। রোমান্টিক কমেডি মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘মুনগারু মেল’। প্রীতম ও নন্দিনীকে কেন্দ্র করে সিনেমাটির কাহিনি আবর্তিত হয়। প্রীতম নন্দিনীকে ভালোবাসলেও তার মন ভেঙে যায়; যখন জানতে পারে নন্দিনীর বিয়ে অন্যত্র ঠিক হয়ে গেছে। তারপর গল্প মোড় নেয় ভিন্ন দিকে। মজার ব্যাপার হলো, ‘মুনগারু মেল’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে গণেষ ও পূজা গান্ধীর। আর অভিষেকেই বাজিমাত করেন এই জুটি। এ সিনেমার মাধ্যমেই তারকা খ্যাতি কুড়ান তারা। সিনেমাটি কর্নাটকে টানা ২০০ দিন প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হয়েছিল। সিনেমাটিতে কোনো তারকা অভিনয়শিল্পী ছিলেন না। অন্যান্য চরিত্র রূপায়ন করেছিলেন—অনন্ত নাগ, জয় জগদীশ, সুচিতা শেঠি প্রমুখ। এ সিনেমার ৮০ শতাংশ শুটিং হয়েছিল বৃষ্টিতে। এই সিনেমার মাধ্যমে বলিউড প্লেব্যাক গায়ক সোনু নিগম, কুনাল গানজাওয়ালা এবং উদিত নারায়ণ কর্নাটকে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। দর্শকরা চাইলে সিনেমাটি এখনো দেখে নিতে পারবেন। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জিওহটস্টারে দেখা যাবে এটি। তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টিভি
রজনীকান্তের সিনেমা কুলি’র ৩ দিনে আয় ৩৬২ কোটি টাকা

রজনীকান্তের সিনেমা কুলি’র ৩ দিনে আয় ৩৬২ কোটি টাকা দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার রজনীকান্ত অভিনীত নতুন সিনেমা ‘কুলি’। এতে তার সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন বরেণ্য অভিনেতা নাগার্জুনা আক্কিনেনি ও বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান। তামিল ভাষার এ সিনেমা পরিচালনা করেছেন লোকেশ কঙ্গরাজ। গত ১৪ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। মুক্তির আগেই আলোচনায় উঠে আসে রজনীকান্তের ‘কুলি’। দর্শকদের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলেছে এটি। অগ্রিম টিকিট বুকিং নিয়েও কাড়াকাড়ি শুরু হয়েছিল। বড় বাজেটের এ সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগেই ৬৬ শতাংশ খরচ তুলে ফেলেন নির্মাতারা। আর মুক্তির পর বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে এটি। বলি মুভি রিভিউজের তথ্য অনুসারে, মুক্তির প্রথম দিনে বিশ্বব্যাপী ‘কুলি’ সিনেমা আয় করে ১৫১.৯ কোটি রুপি, দ্বিতীয় দিনে আয় করে ৯৪ কোটি রুপি, তৃতীয় দিনে আয় করে ৬০ কোটি রুপি। যার মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৩০৬ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২৪ কোটি টাকা)। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুসারে, তিন দিনে কুলি সিনেমা শুধু ভারতে আয় করেছে ১৫৮.৩৫ কোটি রুপি (গ্রস), বিদেশে আয় করেছে ১০৩.২৫ কোটি রুপি। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২৬১.৬ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৬২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা)। পিঙ্কভিলার তথ্য অনুসারে, রজনীকান্তের ‘কুলি’ সিনেমা নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা)। মুক্তির আগেই আন্তর্জাতিক, ডিজিটাল, মিউজিক এবং স্যাটেলাইট স্বত্ব বিক্রি করে প্রায় ২৫০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৪৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকার বেশি) আয় করেছে। সিনেমাটির আন্তর্জাতিক স্বত্ব ৬৮ কোটি রুপিতে বিক্রি হয়েছে। লোকেশ কঙ্গরাজ পরিচালিত এই সিনেমা তামিল চলচ্চিত্রের ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তম চুক্তি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার ‘কুলি’ সিনেমায় দেবা চরিত্রে অভিনয় করেছেন রজনীকান্ত। তার চরিত্রটি রহস্যেঘেরা। তাছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন—উপেন্দ্র, শ্রুতি হাসান, সত্যরাজ, রচিতা রাম, কালি ভেঙ্কট, চার্লি প্রমুখ। সিনেমাটির আইটেম গানে পারফর্ম করেছেন পূজা হেগড়ে।
নায়িকা বললেন, লজ্জা পাচ্ছি

নায়িকা বললেন, লজ্জা পাচ্ছি মোহিত সুরি নির্মিত রোমান্টিক-ড্রামা ঘরানার বলিউড সিনেমা ‘সাইয়ারা’। সিনেমাটিতে জুটি বেঁধেছেন নবাগত আহান পান্ডে ও অনীত পড্ডা। গত ১৮ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় এটি। মুক্তির আগেই আলোচনা তৈরি করেছিল আর মুক্তির পর রীতিমতো ঝড় তুলেছে এটি। আহান পান্ডে ও অনীত পড্ডা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। মুম্বাই এয়ারপোর্টে দেখা গেল অনীত পড্ডাকে। পাপারাজ্জিদের ক্যামেরা থেকে মুখ লুকানোর অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন ২২ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী। যার একাধিক ভিডিও এখন অন্তর্জালে ভাইরাল। এ ভিডিওতে দেখা যায়, অনীতের গায়ে নীল রঙের শার্ট, মাথায় কালো ক্যাপ, মুখে মাস্ক। কাঁধে ব্যাগ নিয়ে হাঁটছেন তিনি। এসময় পাপারাজ্জিদের একজন তাকে মাস্ক খুলে ক্যামেরায় পোজ দিতে বলেন। জবাবে অনীত বলেন, “আমার লজ্জা লাগছে।” মুখ থেকে মাস্ক খুললেও পুরোপুরি ক্যামেরায় পোজ দেননি। কেবলই হাসতে হাসতে হেঁটে চলে যান এই অভিনেত্রী। তারপর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন অনীত। তার রূপের ভূয়সী প্রশংসা করছেন নেটিজেনরা। সারা নামে একজন লেখেন, “সে ভীষণ ইনোসেন্ট।” একজন লেখেন, “সে কেবল খ্যাতি কুড়িয়েছে, এ পরিস্থিতিতে মিডিয়া হ্যান্ডেল করা তার জন্য কঠিন।” তৃষা নামে একজন লেখেন, “সে এসবে অভ্যস্ত নয়।” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সিয়াসাত ডটকম জানিয়েছে, সিঙ্গাপুরে ‘সাইয়ারা’ সিনেমার সাকসেস পার্টির আয়োজন করেছেন নির্মাতারা। সেখানে যোগ দিতে গতকাল ভারত ছাড়েন অনীত পড্ডা। মুম্বাই বিমানবন্দরে প্রবেশের মুখে এমন পরিস্থিতির মুখে পড়েন এই তারকা। অনীত পড্ডা একেবারে নতুন না হলেও মূলধারার সিনেমায় এটাই তার বড় সুযোগ। এর আগে কাজলের সঙ্গে ‘সালাম ভেঙ্কি’ ও ‘বিগ গার্লস ডোন্ট ক্রাই’ সিরিজে অভিনয় করেছেন তিনি। তবে ‘সাইয়ারা’ সিনেমা তাকে রাতারাতি খ্যাতি এনে দিয়েছে। ‘সাইয়ারা’ সিনেমা মুক্তির পর থেকে দর্শক-সমালোচকদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। এটি প্রযোজনা করেছে যশরাজ ফিল্মস। ৪৫ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৩ কোটি ২০ লাখ টাকা) বাজেটের ‘সাইয়ারা’ বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। ১০ দিনে সিনেমাটি আয় করেছে ৩৭১ কোটি রুপি।
মেজাজ হারালেন অমিতাভ

মেজাজ হারালেন অমিতাভ শান্ত ও বিনয়ী আচরণের জন্য খ্যাতি রয়েছে বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনের। হঠাৎ সেই অমিতাভ বচ্চনই পাপারাজ্জিদের উপরে বিরক্ত হলেন। খানিকটা মেজাজ হারালেন এই বরেণ্য অভিনেতা। এ মুহূর্তের একটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যায়, অমিতাভ তার মুম্বাইয়ের বাড়ি জলসা থেকে পায়ে হেঁটে বের হচ্ছেন। দূরে দাঁড়িয়ে ভিডিও করছিলেন এক পাপারাজ্জি। আর তা দেখে খানিকটা রেগে যান অমিতাভ। আঙুল উঁচিয়ে অমিতাভ বচ্চন বলেন ভিডিও ধারণ করবেন না, বন্ধ করুন।” ভক্তদের সঙ্গে নিয়মিত আলাপচারিতা, আলোকচিত্রীর সঙ্গে ভদ্র ইশারায় কথা বলার জন্য বরাবরই প্রশংসা কুড়িয়েছেন অমিতাভ বচ্চন। হঠাৎ তার এমন আচরণ সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। যদিও অমিতাভের স্ত্রী জয়া বচ্চনের ‘খিটখিটে মেজাজ’ দেখে সবাই অভ্যস্ত। অমিতাভ অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘কল্কি’। ভক্তরা ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ অনুষ্ঠানের পরবর্তী সিজনে উপস্থাপক হিসেবে তাকে দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
কিয়ারা-সিদ্ধার্থের ঘরে এলো কন্যা সন্তান

কিয়ারা-সিদ্ধার্থের ঘরে এলো কন্যা সন্তান বাবা-মা হলেন বলিউডের তারকা দম্পতি কিয়ারা আদভানি ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। মঙ্গলবার বিকেলে (১৫ জুলাই) কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন কিয়ারা। মা ও নবজাতক সুস্থ রয়েছেন। মুম্বাইয়ের স্যার এইচ. এন. রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে ভর্তি রয়েছেন কিয়ারা আদভানি। এ হাসপাতালে কিয়ারার নরমাল ডেলিভারি হয়েছে। তবে রাতের দিকে খবরটি সামনে আসে। বুধবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় ইনস্টাগ্রামে যৌথভাবে একটি বিবৃতি দিয়েছেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ। তাতে এই দম্পতি লেখেন, আশীর্বাদ হিসেবে আমরা একটি কন্যাসন্তান পেয়েছি। আমাদের হৃদয় এখন পরিপূর্ণ। আজীবনের জন্য আমাদের জীবন বদলে গেল। এরপর থেকে ভক্ত-অনুরাগী ও সহকর্মীদের শুভেচ্ছা বার্তায় ভাসছেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ। ‘শেরশাহ’ সিনেমার শুটিং সেট থেকেই প্রেমের সম্পর্কে জড়ান সিদ্ধার্থ-কিয়ারা। তারপর এ জুটির প্রেম-বিয়ে নিয়ে আলোচনা কম হয়নি। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের জয়সালমীরে সাতপাকে বাঁধা পড়েন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা।
১১৩৫ কোটি টাকা বাজেটের সিনেমায় আল্লুর বিপরীতে রাশমিকা!

১১৩৫ কোটি টাকা বাজেটের সিনেমায় আল্লুর বিপরীতে রাশমিকা! ‘পুষ্পা’ তারকা আল্লু অর্জুনকে নিয়ে ১১৩৫ কোটি টাকা বাজেটের সিনেমা নির্মাণ করছেন পরিচালক অ্যাটলি কুমার। আপাতত সিনেমাটির নাম রাখা হয়েছে— ‘এএ২২×এ৬’। এলাহি আয়োজনে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি। এতে আল্লু অর্জুনের বিপরীতে কে অভিনয় করবেন, তা নিয়ে অনেক দিন ধরে গুঞ্জন উড়ছে। এবার জানা গেল, ‘পুষ্পা’ তারকা রাশমিকা মান্দানা সিনেমাটিতে আল্লু অর্জুনের সঙ্গে জুটি বাঁধবেন। সিনেমা সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র পিঙ্কভিলাকে বলেন, “অ্যাটলির বিশাল আয়োজনের এই সিনেমায় অভিনয় করছেন রাশমিকা মান্দানা। সিনেমাটিতে তাকে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সাহসী চরিত্রগুলোর মধ্যে একটিতে দেখা যাবে। ‘পুষ্পা’ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে রাশমিকা-আল্লুর যে রসায়ন দর্শক দেখেছেন, এই সিনেমায় তারচেয়ে আলাদা কিছু দেখতে পাবেন।” ইতোমধ্যে অ্যাটলির সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে রাশমিকা তার লুক টেস্ট এবং বডি স্ক্যান করিয়েছেন। তার চরিত্রের প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে বলেও জানিয়েছেন সূত্রটি। তবে এ নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি রাশমিকা। ভারতের তারকা অভিনয়শিল্পীরাও সিনেমাটিতে অভিনয় করবেন। এ তথ্য জানিয়েছে সূত্রটি বলেন, “অ্যাটলির পরবর্তী এই সিনেমায় প্রযুক্তিগত বিস্ময় রয়েছে। কারণ চলচ্চিত্র নির্মাতা দুটি ভিন্ন জগতের অবতার করবেন। এতে ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে বড় বড় নারী ও পুরুষ অভিনেতারা গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করবেন।” ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে একটি সূত্র বলেন, “অ্যাটলির নতুন সিনেমায় আল্লু অর্জুন দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করবেন। তার ক্যারিয়ারে এটাই প্রথম দ্বৈত চরিত্র। নতুন সিনেমায় অ্যাটলি আলাদা একটি জগৎ তৈরি করবেন; যা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।” গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, সাইন্স ফিকশন-অ্যাকশন ঘরানার সিনেমা হবে এটি। এর আগে আল্লু অর্জুন তার ইনস্টাগ্রামে ভিডিও শেয়ার করে বেশ কিছু দিকে ইঙ্গিতও দিয়েছেন। এটি প্রযোজনা করছে সান পিকচার্স। প্রতিষ্ঠানটিও তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি শেয়ার করেন। এ ভিডিওতে দেখা যায়, চেন্নাইয়ে অবস্থিত সান পিকচার্সের অফিসে উপস্থিত হন আল্লু অর্জুন ও অ্যাটলি কুমার। সেখানে প্রযোজক কালানিথি মারনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং আলোচনা করেন তারা। ভিডিওর এক অংশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থিত একটি ভিএফএক্স স্টুডিওতে হাজির হন আল্লু অর্জুন-অ্যাটলি। স্টুডিওতে রাখা মাস্ক, গিয়ার ট্রাই করতে দেখা যায় আল্লু অর্জুনকে। নিজের ব্যক্তিত্বের থ্রি-ডি ক্যারেক্টারকে পর্দায় দেখানোর প্রক্রিয়াও পরীক্ষা করেন। এসময় সেখানে হলিউডের কয়েকজন বিখ্যাত টেকনিশিয়ানের সঙ্গে আলোচনা করেন আল্লু-অ্যাটলি। তাদের মধ্যে রয়েছেন আয়রনহেড স্টুডিওর সিইও এবং আর্ট ডিরেক্টর জোস ফার্নান্দেজ। ‘স্পাইডার-ম্যান: হোমকামিং’, ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা: সিভিল ওয়ার’, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এজ অব আল্ট্রোন’-এর মতো সিনেমায় কাজ করেছেন তিনি। তাছাড়াও দেখা যায় ‘আয়রন ম্যান টু’, ‘ট্রান্সফরমারস: রাইজ অব দ্য বিটস’-এর মতো সিনেমার ভিএফএক্স গুরু জেমস ম্যাডিগানকে! ‘এএ২২×এ৬’ সিনেমার চিত্রনাট্য পড়ে বিস্মিত তিনি। জেমস বলেন— “চিত্রনাট্য পড়ে এখনো মাথা ঘুরছে।” স্পেকট্রাল মোশনের আর্ট ডিরেক্টর মাইক এলিজালদের সিনেমাটির গল্প প্রসঙ্গে বলেন— “এরকম কিছু কখনো পড়িনি। এটা আমার স্বপ্নের প্রজেক্ট।” এলাহি আয়োজনের জন্য প্রয়োজন অর্থ। তা হলে কত টাকা বাজেট নিয়ে মাঠে নেমেছেন নির্মাতারা? চলুন তা জেনে নিই— আল্লু অর্জুন-অ্যাটলির সিনেমার বাজেট ধরা হয়েছে ৮০০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১৩৫ কোটি টাকা)। এ বাজেট থেকে শুটিংয়ের জন্য ব্যয় হবে ২০০ কোটি রুপি, ভিএফএক্সে (ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট) খরচ হবে ২৫০ কোটি রুপি। সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য আল্লু অর্জুন পারিশ্রমিক নেবেন ১৭৫ কোটি রুপি। পাশাপাশি সিনেমাটির ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ পাবেন এই তারকা। পরিচালক অ্যাটলি কুমার পারিশ্রমিক নেবেন ১০০ কোটি রুপি। যার মাধ্যমে ভারতীয় পরিচালকদের পারিশ্রমিকের রেকর্ড ভেঙে দিলেন তিনি।
অভিনেত্রীর মরদেহ নিতে রাজি নন বাবা

অভিনেত্রীর মরদেহ নিতে রাজি নন বাবা গত ৮ জুলাই, করাচির ডিফেন্স হাউজিং অথরিটির একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পাকিস্তানি মডেল-অভিনেত্রী হুমায়রা আজগর আলীর পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারকে বুঝিয়ে দিতে চাইলে, তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান অভিনেত্রীর বাবা ডা. আজগর আলী। পাকিস্তান টুডে এ খবর প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে এসএসপি (দক্ষিণ করাচি) মাহরুজ আলী জানান, ২০২৪ সালের শুরু থেকে অ্যাপার্টমেন্টটির ভাড়া দেন না হুমায়রা আজগর আলী। এখানে একা বসবাস করতেন, কারো সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল না। অভিনেত্রীর মরদেহ উদ্ধারের পর তার পরিবারকে খুঁজে বের করে পুলিশ। কথা বলেন অভিনেত্রীর বাবা ডা. আজগর আলী (আর্মির প্রাক্তন চিকিৎসক) ও তার ভাইয়ের সঙ্গে। কিন্তু হুমায়রা আজগরের বাবা কন্যার মরদেহ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। এ বিষয়ে হুমায়রার বাবা আজগর আলী বলেন, “আমরা অনেক আগেই তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছি। তার মৃতদেহ নিয়ে যা ইচ্ছা করুন। আমরা তা গ্রহণ করব না।” গত মঙ্গলবার রাতে হুমায়রা আজগর আলীর মরদেহের পোস্টমর্টেম সম্পন্ন হয়। তবে এখনো মৃত্যুর কারণ প্রকাশ করেনি পুলিশ। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তারা রাসায়নিক বিশ্লেষণের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন। মৃতদেহটি এখন হিমাগারে রাখা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে, এটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে ধারণা করছে পুলিশ। এর আগে এক বিবৃতিতে পুলিশ জানায়, ইত্তেহাদ কমার্শিয়ালের একটি ফ্ল্যাট থেকে হুমায়রা আজগর আলীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদেহটি ৩২ বছর বয়সি অভিনেত্রী হুমায়রার বলে শনাক্ত করেছে পুলিশ। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে মারা গিয়েছেন তিনি। ডিআইজি সৈয়দ আসাদ রাজা পাকিস্তানি গণমাধ্য ডনকে বলেন, “আদালতের নির্দেশে গিজরি পুলিশ অ্যাপার্টমেন্টটি খালি করার জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে পুলিশ দরজায় কড়া নাড়লে কেউ সাড়া দেয়নি। এরপর তালা ভেঙে পুলিশ অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করে এবং তার মৃতদেহটি দেখতে পায়। এই অ্যাপার্টমেন্টে ভাড়া থাকতেন অভিনেত্রী হুমায়রা।” টিভি রিয়েলিটি শো ‘তামাশা ঘরে’-এ অংশ নিয়ে আলোচনায় আসেন হুমায়রা। ২০১৫ সালে তার অভিনীত ‘জালাইবি’ সিনেমা মুক্তি পায়। এ সিনেমা তাকে পরিচিতি এনে দেয়।