৯৭ লাখ বাজেটের সিনেমায় আয় ১০৪ কোটি

৯৭ লাখ বাজেটের সিনেমায় আয় ১০৪ কোটি বক্স অফিসে আয়ের উপর ভিত্তি করে সিনেমাকে এখন ব্লকবাস্টার বা হিট তকমা দেওয়া হয়। অনেক সময় খ্যাতিমান অভিনেতাদের সিনেমাও বক্স অফিসে তেমন সাড়া ফেলতে পারে না। আবার ছোট বাজেটে নির্মিত অখ্যাত অভিনয়শিল্পীদের কোনো কোনো সিনেমা আশাতীত সাফল্য পায়। স্বল্প বাজেটের কন্নড় ভাষার ‘মুনগারু মেল’ সিনেমাও কল্পনাতীত আয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। কমেডি-ড্রামা ঘরানার ‘মুনগারু মেল’ সিনেমা ২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেন—গণেষ ও পূজা গান্ধী। এটি পরিচালনা করেন যোগরাজ ভাট। এটি নির্মাণে ব্যয় হয় ৭০ লাখ রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯৭ লাখ টাকা)। ১৩২ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই সিনেমা বক্স অফিসে আয় করে ৭৫ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১০৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বেশি)। রোমান্টিক কমেডি মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘মুনগারু মেল’। প্রীতম ও নন্দিনীকে কেন্দ্র করে সিনেমাটির কাহিনি আবর্তিত হয়। প্রীতম নন্দিনীকে ভালোবাসলেও তার মন ভেঙে যায়; যখন জানতে পারে নন্দিনীর বিয়ে অন্যত্র ঠিক হয়ে গেছে। তারপর গল্প মোড় নেয় ভিন্ন দিকে। মজার ব্যাপার হলো, ‘মুনগারু মেল’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে গণেষ ও পূজা গান্ধীর। আর অভিষেকেই বাজিমাত করেন এই জুটি। এ সিনেমার মাধ্যমেই তারকা খ্যাতি কুড়ান তারা। সিনেমাটি কর্নাটকে টানা ২০০ দিন প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হয়েছিল। সিনেমাটিতে কোনো তারকা অভিনয়শিল্পী ছিলেন না। অন্যান্য চরিত্র রূপায়ন করেছিলেন—অনন্ত নাগ, জয় জগদীশ, সুচিতা শেঠি প্রমুখ। এ সিনেমার ৮০ শতাংশ শুটিং হয়েছিল বৃষ্টিতে। এই সিনেমার মাধ্যমে বলিউড প্লেব্যাক গায়ক সোনু নিগম, কুনাল গানজাওয়ালা এবং উদিত নারায়ণ কর্নাটকে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। দর্শকরা চাইলে সিনেমাটি এখনো দেখে নিতে পারবেন। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জিওহটস্টারে দেখা যাবে এটি। তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টিভি
রজনীকান্তের সিনেমা কুলি’র ৩ দিনে আয় ৩৬২ কোটি টাকা

রজনীকান্তের সিনেমা কুলি’র ৩ দিনে আয় ৩৬২ কোটি টাকা দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার রজনীকান্ত অভিনীত নতুন সিনেমা ‘কুলি’। এতে তার সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন বরেণ্য অভিনেতা নাগার্জুনা আক্কিনেনি ও বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান। তামিল ভাষার এ সিনেমা পরিচালনা করেছেন লোকেশ কঙ্গরাজ। গত ১৪ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। মুক্তির আগেই আলোচনায় উঠে আসে রজনীকান্তের ‘কুলি’। দর্শকদের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলেছে এটি। অগ্রিম টিকিট বুকিং নিয়েও কাড়াকাড়ি শুরু হয়েছিল। বড় বাজেটের এ সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগেই ৬৬ শতাংশ খরচ তুলে ফেলেন নির্মাতারা। আর মুক্তির পর বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে এটি। বলি মুভি রিভিউজের তথ্য অনুসারে, মুক্তির প্রথম দিনে বিশ্বব্যাপী ‘কুলি’ সিনেমা আয় করে ১৫১.৯ কোটি রুপি, দ্বিতীয় দিনে আয় করে ৯৪ কোটি রুপি, তৃতীয় দিনে আয় করে ৬০ কোটি রুপি। যার মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৩০৬ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২৪ কোটি টাকা)। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুসারে, তিন দিনে কুলি সিনেমা শুধু ভারতে আয় করেছে ১৫৮.৩৫ কোটি রুপি (গ্রস), বিদেশে আয় করেছে ১০৩.২৫ কোটি রুপি। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২৬১.৬ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৬২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা)। পিঙ্কভিলার তথ্য অনুসারে, রজনীকান্তের ‘কুলি’ সিনেমা নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা)। মুক্তির আগেই আন্তর্জাতিক, ডিজিটাল, মিউজিক এবং স্যাটেলাইট স্বত্ব বিক্রি করে প্রায় ২৫০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৪৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকার বেশি) আয় করেছে। সিনেমাটির আন্তর্জাতিক স্বত্ব ৬৮ কোটি রুপিতে বিক্রি হয়েছে। লোকেশ কঙ্গরাজ পরিচালিত এই সিনেমা তামিল চলচ্চিত্রের ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তম চুক্তি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার ‘কুলি’ সিনেমায় দেবা চরিত্রে অভিনয় করেছেন রজনীকান্ত। তার চরিত্রটি রহস্যেঘেরা। তাছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন—উপেন্দ্র, শ্রুতি হাসান, সত্যরাজ, রচিতা রাম, কালি ভেঙ্কট, চার্লি প্রমুখ। সিনেমাটির আইটেম গানে পারফর্ম করেছেন পূজা হেগড়ে।
নায়িকা বললেন, লজ্জা পাচ্ছি

নায়িকা বললেন, লজ্জা পাচ্ছি মোহিত সুরি নির্মিত রোমান্টিক-ড্রামা ঘরানার বলিউড সিনেমা ‘সাইয়ারা’। সিনেমাটিতে জুটি বেঁধেছেন নবাগত আহান পান্ডে ও অনীত পড্ডা। গত ১৮ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় এটি। মুক্তির আগেই আলোচনা তৈরি করেছিল আর মুক্তির পর রীতিমতো ঝড় তুলেছে এটি। আহান পান্ডে ও অনীত পড্ডা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। মুম্বাই এয়ারপোর্টে দেখা গেল অনীত পড্ডাকে। পাপারাজ্জিদের ক্যামেরা থেকে মুখ লুকানোর অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন ২২ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী। যার একাধিক ভিডিও এখন অন্তর্জালে ভাইরাল। এ ভিডিওতে দেখা যায়, অনীতের গায়ে নীল রঙের শার্ট, মাথায় কালো ক্যাপ, মুখে মাস্ক। কাঁধে ব্যাগ নিয়ে হাঁটছেন তিনি। এসময় পাপারাজ্জিদের একজন তাকে মাস্ক খুলে ক্যামেরায় পোজ দিতে বলেন। জবাবে অনীত বলেন, “আমার লজ্জা লাগছে।” মুখ থেকে মাস্ক খুললেও পুরোপুরি ক্যামেরায় পোজ দেননি। কেবলই হাসতে হাসতে হেঁটে চলে যান এই অভিনেত্রী। তারপর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন অনীত। তার রূপের ভূয়সী প্রশংসা করছেন নেটিজেনরা। সারা নামে একজন লেখেন, “সে ভীষণ ইনোসেন্ট।” একজন লেখেন, “সে কেবল খ্যাতি কুড়িয়েছে, এ পরিস্থিতিতে মিডিয়া হ্যান্ডেল করা তার জন্য কঠিন।” তৃষা নামে একজন লেখেন, “সে এসবে অভ্যস্ত নয়।” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সিয়াসাত ডটকম জানিয়েছে, সিঙ্গাপুরে ‘সাইয়ারা’ সিনেমার সাকসেস পার্টির আয়োজন করেছেন নির্মাতারা। সেখানে যোগ দিতে গতকাল ভারত ছাড়েন অনীত পড্ডা। মুম্বাই বিমানবন্দরে প্রবেশের মুখে এমন পরিস্থিতির মুখে পড়েন এই তারকা। অনীত পড্ডা একেবারে নতুন না হলেও মূলধারার সিনেমায় এটাই তার বড় সুযোগ। এর আগে কাজলের সঙ্গে ‘সালাম ভেঙ্কি’ ও ‘বিগ গার্লস ডোন্ট ক্রাই’ সিরিজে অভিনয় করেছেন তিনি। তবে ‘সাইয়ারা’ সিনেমা তাকে রাতারাতি খ্যাতি এনে দিয়েছে। ‘সাইয়ারা’ সিনেমা মুক্তির পর থেকে দর্শক-সমালোচকদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। এটি প্রযোজনা করেছে যশরাজ ফিল্মস। ৪৫ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৩ কোটি ২০ লাখ টাকা) বাজেটের ‘সাইয়ারা’ বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। ১০ দিনে সিনেমাটি আয় করেছে ৩৭১ কোটি রুপি।
মেজাজ হারালেন অমিতাভ

মেজাজ হারালেন অমিতাভ শান্ত ও বিনয়ী আচরণের জন্য খ্যাতি রয়েছে বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনের। হঠাৎ সেই অমিতাভ বচ্চনই পাপারাজ্জিদের উপরে বিরক্ত হলেন। খানিকটা মেজাজ হারালেন এই বরেণ্য অভিনেতা। এ মুহূর্তের একটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যায়, অমিতাভ তার মুম্বাইয়ের বাড়ি জলসা থেকে পায়ে হেঁটে বের হচ্ছেন। দূরে দাঁড়িয়ে ভিডিও করছিলেন এক পাপারাজ্জি। আর তা দেখে খানিকটা রেগে যান অমিতাভ। আঙুল উঁচিয়ে অমিতাভ বচ্চন বলেন ভিডিও ধারণ করবেন না, বন্ধ করুন।” ভক্তদের সঙ্গে নিয়মিত আলাপচারিতা, আলোকচিত্রীর সঙ্গে ভদ্র ইশারায় কথা বলার জন্য বরাবরই প্রশংসা কুড়িয়েছেন অমিতাভ বচ্চন। হঠাৎ তার এমন আচরণ সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। যদিও অমিতাভের স্ত্রী জয়া বচ্চনের ‘খিটখিটে মেজাজ’ দেখে সবাই অভ্যস্ত। অমিতাভ অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘কল্কি’। ভক্তরা ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ অনুষ্ঠানের পরবর্তী সিজনে উপস্থাপক হিসেবে তাকে দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
কিয়ারা-সিদ্ধার্থের ঘরে এলো কন্যা সন্তান

কিয়ারা-সিদ্ধার্থের ঘরে এলো কন্যা সন্তান বাবা-মা হলেন বলিউডের তারকা দম্পতি কিয়ারা আদভানি ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। মঙ্গলবার বিকেলে (১৫ জুলাই) কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন কিয়ারা। মা ও নবজাতক সুস্থ রয়েছেন। মুম্বাইয়ের স্যার এইচ. এন. রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে ভর্তি রয়েছেন কিয়ারা আদভানি। এ হাসপাতালে কিয়ারার নরমাল ডেলিভারি হয়েছে। তবে রাতের দিকে খবরটি সামনে আসে। বুধবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় ইনস্টাগ্রামে যৌথভাবে একটি বিবৃতি দিয়েছেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ। তাতে এই দম্পতি লেখেন, আশীর্বাদ হিসেবে আমরা একটি কন্যাসন্তান পেয়েছি। আমাদের হৃদয় এখন পরিপূর্ণ। আজীবনের জন্য আমাদের জীবন বদলে গেল। এরপর থেকে ভক্ত-অনুরাগী ও সহকর্মীদের শুভেচ্ছা বার্তায় ভাসছেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ। ‘শেরশাহ’ সিনেমার শুটিং সেট থেকেই প্রেমের সম্পর্কে জড়ান সিদ্ধার্থ-কিয়ারা। তারপর এ জুটির প্রেম-বিয়ে নিয়ে আলোচনা কম হয়নি। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের জয়সালমীরে সাতপাকে বাঁধা পড়েন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা।
১১৩৫ কোটি টাকা বাজেটের সিনেমায় আল্লুর বিপরীতে রাশমিকা!

১১৩৫ কোটি টাকা বাজেটের সিনেমায় আল্লুর বিপরীতে রাশমিকা! ‘পুষ্পা’ তারকা আল্লু অর্জুনকে নিয়ে ১১৩৫ কোটি টাকা বাজেটের সিনেমা নির্মাণ করছেন পরিচালক অ্যাটলি কুমার। আপাতত সিনেমাটির নাম রাখা হয়েছে— ‘এএ২২×এ৬’। এলাহি আয়োজনে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি। এতে আল্লু অর্জুনের বিপরীতে কে অভিনয় করবেন, তা নিয়ে অনেক দিন ধরে গুঞ্জন উড়ছে। এবার জানা গেল, ‘পুষ্পা’ তারকা রাশমিকা মান্দানা সিনেমাটিতে আল্লু অর্জুনের সঙ্গে জুটি বাঁধবেন। সিনেমা সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র পিঙ্কভিলাকে বলেন, “অ্যাটলির বিশাল আয়োজনের এই সিনেমায় অভিনয় করছেন রাশমিকা মান্দানা। সিনেমাটিতে তাকে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সাহসী চরিত্রগুলোর মধ্যে একটিতে দেখা যাবে। ‘পুষ্পা’ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে রাশমিকা-আল্লুর যে রসায়ন দর্শক দেখেছেন, এই সিনেমায় তারচেয়ে আলাদা কিছু দেখতে পাবেন।” ইতোমধ্যে অ্যাটলির সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে রাশমিকা তার লুক টেস্ট এবং বডি স্ক্যান করিয়েছেন। তার চরিত্রের প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে বলেও জানিয়েছেন সূত্রটি। তবে এ নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি রাশমিকা। ভারতের তারকা অভিনয়শিল্পীরাও সিনেমাটিতে অভিনয় করবেন। এ তথ্য জানিয়েছে সূত্রটি বলেন, “অ্যাটলির পরবর্তী এই সিনেমায় প্রযুক্তিগত বিস্ময় রয়েছে। কারণ চলচ্চিত্র নির্মাতা দুটি ভিন্ন জগতের অবতার করবেন। এতে ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে বড় বড় নারী ও পুরুষ অভিনেতারা গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করবেন।” ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে একটি সূত্র বলেন, “অ্যাটলির নতুন সিনেমায় আল্লু অর্জুন দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করবেন। তার ক্যারিয়ারে এটাই প্রথম দ্বৈত চরিত্র। নতুন সিনেমায় অ্যাটলি আলাদা একটি জগৎ তৈরি করবেন; যা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।” গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, সাইন্স ফিকশন-অ্যাকশন ঘরানার সিনেমা হবে এটি। এর আগে আল্লু অর্জুন তার ইনস্টাগ্রামে ভিডিও শেয়ার করে বেশ কিছু দিকে ইঙ্গিতও দিয়েছেন। এটি প্রযোজনা করছে সান পিকচার্স। প্রতিষ্ঠানটিও তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি শেয়ার করেন। এ ভিডিওতে দেখা যায়, চেন্নাইয়ে অবস্থিত সান পিকচার্সের অফিসে উপস্থিত হন আল্লু অর্জুন ও অ্যাটলি কুমার। সেখানে প্রযোজক কালানিথি মারনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং আলোচনা করেন তারা। ভিডিওর এক অংশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থিত একটি ভিএফএক্স স্টুডিওতে হাজির হন আল্লু অর্জুন-অ্যাটলি। স্টুডিওতে রাখা মাস্ক, গিয়ার ট্রাই করতে দেখা যায় আল্লু অর্জুনকে। নিজের ব্যক্তিত্বের থ্রি-ডি ক্যারেক্টারকে পর্দায় দেখানোর প্রক্রিয়াও পরীক্ষা করেন। এসময় সেখানে হলিউডের কয়েকজন বিখ্যাত টেকনিশিয়ানের সঙ্গে আলোচনা করেন আল্লু-অ্যাটলি। তাদের মধ্যে রয়েছেন আয়রনহেড স্টুডিওর সিইও এবং আর্ট ডিরেক্টর জোস ফার্নান্দেজ। ‘স্পাইডার-ম্যান: হোমকামিং’, ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা: সিভিল ওয়ার’, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এজ অব আল্ট্রোন’-এর মতো সিনেমায় কাজ করেছেন তিনি। তাছাড়াও দেখা যায় ‘আয়রন ম্যান টু’, ‘ট্রান্সফরমারস: রাইজ অব দ্য বিটস’-এর মতো সিনেমার ভিএফএক্স গুরু জেমস ম্যাডিগানকে! ‘এএ২২×এ৬’ সিনেমার চিত্রনাট্য পড়ে বিস্মিত তিনি। জেমস বলেন— “চিত্রনাট্য পড়ে এখনো মাথা ঘুরছে।” স্পেকট্রাল মোশনের আর্ট ডিরেক্টর মাইক এলিজালদের সিনেমাটির গল্প প্রসঙ্গে বলেন— “এরকম কিছু কখনো পড়িনি। এটা আমার স্বপ্নের প্রজেক্ট।” এলাহি আয়োজনের জন্য প্রয়োজন অর্থ। তা হলে কত টাকা বাজেট নিয়ে মাঠে নেমেছেন নির্মাতারা? চলুন তা জেনে নিই— আল্লু অর্জুন-অ্যাটলির সিনেমার বাজেট ধরা হয়েছে ৮০০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১৩৫ কোটি টাকা)। এ বাজেট থেকে শুটিংয়ের জন্য ব্যয় হবে ২০০ কোটি রুপি, ভিএফএক্সে (ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট) খরচ হবে ২৫০ কোটি রুপি। সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য আল্লু অর্জুন পারিশ্রমিক নেবেন ১৭৫ কোটি রুপি। পাশাপাশি সিনেমাটির ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ পাবেন এই তারকা। পরিচালক অ্যাটলি কুমার পারিশ্রমিক নেবেন ১০০ কোটি রুপি। যার মাধ্যমে ভারতীয় পরিচালকদের পারিশ্রমিকের রেকর্ড ভেঙে দিলেন তিনি।
অভিনেত্রীর মরদেহ নিতে রাজি নন বাবা

অভিনেত্রীর মরদেহ নিতে রাজি নন বাবা গত ৮ জুলাই, করাচির ডিফেন্স হাউজিং অথরিটির একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পাকিস্তানি মডেল-অভিনেত্রী হুমায়রা আজগর আলীর পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারকে বুঝিয়ে দিতে চাইলে, তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান অভিনেত্রীর বাবা ডা. আজগর আলী। পাকিস্তান টুডে এ খবর প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে এসএসপি (দক্ষিণ করাচি) মাহরুজ আলী জানান, ২০২৪ সালের শুরু থেকে অ্যাপার্টমেন্টটির ভাড়া দেন না হুমায়রা আজগর আলী। এখানে একা বসবাস করতেন, কারো সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল না। অভিনেত্রীর মরদেহ উদ্ধারের পর তার পরিবারকে খুঁজে বের করে পুলিশ। কথা বলেন অভিনেত্রীর বাবা ডা. আজগর আলী (আর্মির প্রাক্তন চিকিৎসক) ও তার ভাইয়ের সঙ্গে। কিন্তু হুমায়রা আজগরের বাবা কন্যার মরদেহ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। এ বিষয়ে হুমায়রার বাবা আজগর আলী বলেন, “আমরা অনেক আগেই তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছি। তার মৃতদেহ নিয়ে যা ইচ্ছা করুন। আমরা তা গ্রহণ করব না।” গত মঙ্গলবার রাতে হুমায়রা আজগর আলীর মরদেহের পোস্টমর্টেম সম্পন্ন হয়। তবে এখনো মৃত্যুর কারণ প্রকাশ করেনি পুলিশ। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তারা রাসায়নিক বিশ্লেষণের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন। মৃতদেহটি এখন হিমাগারে রাখা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে, এটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে ধারণা করছে পুলিশ। এর আগে এক বিবৃতিতে পুলিশ জানায়, ইত্তেহাদ কমার্শিয়ালের একটি ফ্ল্যাট থেকে হুমায়রা আজগর আলীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদেহটি ৩২ বছর বয়সি অভিনেত্রী হুমায়রার বলে শনাক্ত করেছে পুলিশ। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে মারা গিয়েছেন তিনি। ডিআইজি সৈয়দ আসাদ রাজা পাকিস্তানি গণমাধ্য ডনকে বলেন, “আদালতের নির্দেশে গিজরি পুলিশ অ্যাপার্টমেন্টটি খালি করার জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে পুলিশ দরজায় কড়া নাড়লে কেউ সাড়া দেয়নি। এরপর তালা ভেঙে পুলিশ অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করে এবং তার মৃতদেহটি দেখতে পায়। এই অ্যাপার্টমেন্টে ভাড়া থাকতেন অভিনেত্রী হুমায়রা।” টিভি রিয়েলিটি শো ‘তামাশা ঘরে’-এ অংশ নিয়ে আলোচনায় আসেন হুমায়রা। ২০১৫ সালে তার অভিনীত ‘জালাইবি’ সিনেমা মুক্তি পায়। এ সিনেমা তাকে পরিচিতি এনে দেয়।
রণবীরের জোড়াতালির ভাইরাল শার্টের দাম কত?

রণবীরের জোড়াতালির ভাইরাল শার্টের দাম কত? রণবীর কাপুরের পরনে নীল রঙের জিন্স। গায়ে শার্ট, মাথায় ক্যাপ। তার গায়ের শার্ট একদম আলাদা। কারণ তাতে কয়েকটি জোড়াতালি রয়েছে। কিছু অংশ এমনভাবে ছেঁড়া, প্রথম দেখায় মনে হবে— জামাটি ইঁদুরে কেটেছে। এমন পোশাকে একটি বাড়ি থেকে বের হতে দেখা যায় রণবীরকে। হাস্যোজ্জ্বল মুখে ক্যামেরার সামনে পোজও দেন এই তারকা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও ক্লিপে এমন লুকে ধরা দিয়েছেন ‘অ্যানিমেল’ তারকা রণবীর। মূলত, ভিডিওটি এক মাস আগের। সম্প্রতি পুরোনো সেই ভিডিও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। চর্চায় মেতেছেন নেটিজেনরা। রণবীর কাপুরে শার্টটি নিয়ে রসিকতা করছেন নেটিজেনরা। দেবজ্যোতি লেখেন, “গরীব, মহা গরীব।” রিয়া লেখেন, “ওনারা এমন পোশাক পরলে, সেটা ফ্যাশন। আর আমরা পরতে গেলে লজ্জা পাই।” আশুতোষ লেখেন, “অভিনেতা ধনী-গরীব।” প্রকৃতি লেখেন, “এটি ভিখারি শার্ট, স্টাইলিস্ট না।” এমন অসংখ্য মন্তব্য করেছেন নেটিজেনরা। কেউ কেউ আবার কড়া ভাষায় রণবীরের ফ্যাশন সেন্স নিয়েও সমালোচনা করেছেন। রণবীরের জোড়াতালির শার্ট নিয়ে হাসি-তামাশা চললেও দাম জানলে অনেকে ভড়কে যেতে পারেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শার্টটি তৈরি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যান্ড কিথ। দেশটির লস অ্যাঞ্জেলেসে তৈরি হয়েছে এটি। এ ব্র্যান্ডের অফিশিয়াল ওয়েব সাইটে বলা হয়েছে, শার্টটি তৈরিতে সুতি কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে। স্প্লিট সাইড সেলাই, ক্যাঙ্গারু পকেট, ভিনটেজ বোতাম ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় শার্টটির দাম ১ লাখ ২৪ হাজার ৩০০ টাকা। রণবীর কাপুরের পরবর্তী সিনেমা ‘রামায়ণ’। নীতেশ তিওয়ারি নির্মিত এ সিনেমায় রাম চরিত্রে অভিনয় করছেন। তার বিপরীতে রয়েছেন সাই পল্লবী; সীতা রূপে দেখা যাবে তাকে। রণবীর এ সিনেমার এক পার্টের জন্য ৭৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন বলে জানা যায়। হিন্দি, তামিল, তেলেগু ছাড়া আরো বেশ কিছু ভাষায় সিনেমাটি মুক্তি পাবে। ২০২৬ সালের দীপাবলিতে সিনেমাটির প্রথম পার্ট মুক্তির পরিকল্পনা করেছেন নির্মাতারা।
কাজল-রানীদের ঐতিহ্যবাহী ফিল্মিস্তান স্টুডিও বিক্রি

কাজল-রানীদের ঐতিহ্যবাহী ফিল্মিস্তান স্টুডিও বিক্রি বিক্রি হয়ে গেছে বলিউড ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ ফিল্মিস্তান স্টুডিও। গত ৩ জুলাই, ১৮৩ কোটি রুপিতে এটি কিনে নিয়েছে মুম্বাইভিত্তিক আর্কেড ডেভেলপার লিমিটেড। টাইমস নাউ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ৮২ বছর আগে এটি প্রতিষ্ঠা করেন অভিনেত্রী কাজল-রানী মুখার্জির দাদা শশধর মুখার্জি এবং তার শ্যালক প্রয়াত অভিনেতা অশোক কুমার। তাদের সঙ্গে ছিলেন জ্ঞান মুখার্জি ও রাই বাহাদুর চুনীলাল। ১৯৪৩ সালে বম্বে টুকিজ ছেড়ে দেন অশোক কুমার। এরপর এই স্টুডিও তৈরি করেন। সেই সময়ে এই স্টুডিওতে কেবল শুটিং হতো না, বরং প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো সেখানেই পুরো সিনেমা তৈরি করতেন। বছরের পর বছর অভিনেতা-অভিনেত্রীরা মাসিক বেতনের ভিত্তিতে সেখানে কাজ করতেন। এই স্টুডিওর জায়গায় নির্মিত হবে বিলাসবহুল বহুতল ভবন। প্রায় তিন হাজার কোটি রুপি বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে আর্কেড ডেভেলপার লি.। ২০২৬ সালে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ৫০ তলা ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে থাকবে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাওয়ার। স্টুডিওটি বিক্রির খবর প্রকাশ্যে আসার পর, আপত্তি জানিয়েছে ‘অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন’ (এআইসিডব্লিউএ)। এ নিয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছে সংগঠনটি। এ চিঠিতে বলা হয়েছে, “ফিল্মিস্তান স্টুডিও মুম্বাইয়ের গোরেগাঁওতে অবস্থিত। ১৯৪৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি। ভারতীয় ফিল্ম স্টুডিওর ইতিহাসে এটি সবচেয়ে আইকনিক একটি স্টুডিও। এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ভারতীয় চলচ্চিত্রের উত্থান দেখেছে এবং লাখ লাখ টেকনিশিয়ান, শিল্পী, জুনিয়র শিল্পীদের কর্মক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। জানা গেছে, এটি আর্কেড ডেভেলপারের কাছে ১৮৩ কোটি রুপিতে বিক্রি করা হয়েছে।” ফিল্মিস্তান স্টুডিওর অবদান ব্যাখ্যা করে চিঠিতে বলা হয়েছে, “ফিল্মিস্তান স্টুডিও সৃজনশীল কাজের ভিত্তি হিসেবে কয়েক দশক ধরে কাজ করেছে। অসংখ্য বলিউড এবং ভারতীয় সিনেমা প্রযোজনার সুযোগ তৈরি করেছে। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়; এটি সিনেমার উত্তরাধিকার, ক্যামেরার পেছনের শ্রমিক শ্রেণির ঘাম এবং কঠোর পরিশ্রমের প্রতীক।” সরকারি হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, “অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন (এআইসিডব্লিউএ), মহারাষ্ট্র সরকারকে এ বিষয়ে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করার বিনীতভাবে অনুরোধ করছি। ঐতিহ্যবাহী ফিল্ম স্টুডিওগুলোকে, বিশেষ করে ফিল্মিস্তানকে রক্ষার জন্য এবং সরকারের অধীনে আনার জন্য একটি জি. আর. জারি করার জন্য আবেদন করছি।” তবে এ নিয়ে এখনো কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেননি কাজল কিংবা রানী মুখার্জি।
এয়ারপোর্টে কেন কাঁদছেন নোরা ফাতেহি?

এয়ারপোর্টে কেন কাঁদছেন নোরা ফাতেহি? পরনে কালো রঙের পোশাক। খোলা চুল। চোখে রোদচশমা। হাতে ব্যাগ। এমন লুকে গাড়ি থেকে নেমে বিমানবন্দরের প্রবেশ পথের দিকে এগিয়ে যান অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। কিন্তু চোখে রোদচশমা থাকলেও, চোখের জল আড়াল করতে পারেননি। কাঁদতে কাঁদতে হাঁটতে দেখা যায় তাকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বেশ কটি ভিডিও ক্লিপে এমন দৃশ্য দেখা যায়। এসব ভিডিও এখন অন্তর্জালে ভাইরাল। দ্য ফ্রি প্রেস জার্নাল জানিয়েছে, রবিবার (৬ জুলাই) বিকালে মুম্বাই এয়ারপোর্টে কাঁদতে দেখা যায় নোরা ফাতেহিকে। এসময় পাপারাজ্জিদের কেউ কেউ ছবি তুলতে এগিয়ে গেলে তাদের সরিয়ে দেন নোরার দেহরক্ষী। তবে কী কারণে এতটা ভেঙে পড়েছেন তার সঠিক কারণ জানা যায়নি। এয়ারপোর্টে নামার কয়েক মিনিট আগে নোরা ফাতেহি তার ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দেন। তাতে এ অভিনেত্রী লেখেন, “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।” কেউ মারা গেলে বা বিপদগ্রস্ত থাকলে মুসলিম ধর্মের অনুসারীরা এটি পাঠ করে থাকেন। ধারণা করা হচ্ছে, নোরা তার পরিবারের কাউকে হারিয়েছেন। নোরা ফাতেহির মা–বাবা দুজনই মরক্কোর। তবে তার জন্ম আর বেড়ে ওঠা কানাডায়। ক্যারিয়ার গড়েছেন ভারতে। যদিও নিজেকে মরোক্কান হিসেবে পরিচয় দিতেই ভালোবাসেন এই অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী। ‘বিগ বস’ রিয়েলিটি শোয়ের মাধ্যমে ভারতীয় শোবিজ অঙ্গনে পা রাখেন নোরা। তেলেগু ভাষার ‘টেম্পার’, ‘বাহুবলি: দ্য বিগিনিং’, ‘কিক টু’, বলিউডের ‘সত্যমেভ জয়তে’, ‘স্ট্রিট ড্যান্সার থ্রিডি’ সিনেমার গানে নেচে বিশেষ পরিচিত লাভ করেন তিনি। শুধু বড় পর্দায়ই নয়, ছোট পর্দা এবং মিউজিক ভিডিওতেও সমান জনপ্রিয় তিনি। ‘ঝলক দিখলা যা’, ‘কমেডি নাইটস’, ‘এমটিভি ট্রল পুলিশ’সহ বেশ কিছু রিয়েলিটি শোয়ে পারফরর্ম করেও নজর কাড়েন তিনি।