থ্রি ইডিয়টসের সিক্যুয়েল নিয়ে চর্চা, নীরবতা ভাঙলেন সেই ‘রাজু’

থ্রি ইডিয়টসের সিক্যুয়েল নিয়ে চর্চা, নীরবতা ভাঙলেন সেই ‘রাজু’ গুণী নির্মাতা রাজকুমার হিরানি বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খানকে নিয়ে নির্মাণ করেন ‘থ্রি ইডিয়টস’। ২০০৯ সালে সিনেমাটি মুক্তির পর ইতিহাস রচনা করে। ২০১৬ সালে আমির খান সিনেমাটির সিক্যুয়েল নির্মাণের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। যদিও তা আর বাস্তবে রূপ নেয়নি। গত কয়েক দিন ধরে জোর গুঞ্জন উড়ছে, ১৫ বছর পর নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার সিক্যুয়েল। বহু প্রতীক্ষিত এই সিক্যুয়েলের চিত্রনাট্য চূড়ান্ত করেছেন পরিচালক রাজকুমার হিরানি। আগামী বছরের দ্বিতীয়ার্ধে সিনেমাটির দৃশ্যধারণ শুরু হবে। এরপর পর থেকে ‘থ্রি ইডিয়টস’ ভক্তরা চর্চায় মেতেছেন। তবে মুখ খুলেননি আমির খান কিংবা রাজকুমার হিরানি। এবার বিষয়টি নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন সিনেমাটির অন্যতম প্রধান চরিত্র ‘রাজু রাস্তোগি’ রূপায়নকারী শারমান যোশী। হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শারমান যোশী বলেন, “আমি সত্যিই আশাবাদী এটা হবে। কিন্তু এখনো আমাকে কিছু জানানো হয়নি।” অতীতের গুঞ্জন নিয়ে শারমান যোশী বলেন, “থ্রি ইডিয়টস’-এর সিক্যুয়েল নির্মাণ নিয়ে একাধিকবার গুঞ্জন উঠেছে। শেষবার যখন এই ধরনের খবর এসেছিল, তখন আসলে সেটা ছিল একটি বিজ্ঞাপনী ক্যাম্পেইনের জন্য। আশা করি, এবার খবরটি সত্যি হবে।” ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমা যেখানে শেষ হয়েছিল, সেখান থেকেই কী সিনেমাটির দ্বিতীয় পার্টের গল্প শুরু হবে? এ প্রশ্নের জবাবে শারমান যোশী বলেন, “এ বিষয়ে কিছু জানার অবস্থায় আমি নেই। সত্যি যদি সম্ভাবনা থাকে, তাহলে শুধু মাস্টার রাজু স্যার (রাজকুমার হিরানি), অভিজাত (অভিজাত যোশী, লেখক) স্যার এবং আমির এ নিয়ে কাজ করবেন।” ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পাওয়ার ঘটনা বর্ণনা করে শারমান যোশী বলেন, “আমি জিমে ছিলাম, সিক্স-প্যাক অ্যাবস বানাচ্ছিলাম, ঠিক তখনই রাজু স্যারের চূড়ান্ত ফোনটা আসে। তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘এখন তিন বছর পর্যন্ত তুই জিমের মুখ দেখবি না’।” ‘থ্রি ইডিয়টস’ আপনার জীবনে কী প্রভাব ফেলেছে? এ প্রশ্নের জবাবে শারমান যোশী বলেন, “আমি যখনই ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার কথা ভাবি, তখনই আমার মুখে একটা হাসি চলে আসে। গল্পটা শোনার মুহূর্ত থেকে আজ পর্যন্ত সিনেমাটি আমার কাছে পুরোপুরি রূপকথার মতো।” পিঙ্কভিলা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাজকুমার হিরানি ‘থ্রি ইডিয়টস টু’ সিনেমার চিত্রনাট্য চূড়ান্ত করেছেন। ২০২৬ সালে দৃশ্যধারণের কাজ শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। সিক্যুয়েলটিতে আমির খান, কারিনা কাপুর খান, আর. মাধবন ও শারমান যোশীসহ মূল অভিনেতাদের আবারো একসঙ্গে দেখা যেতে পারে। বক্স অফিসে সফল ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমা ২০০৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পায়। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সিনেমাটি মুক্তির ১৬ বছর পূর্ণ হলো। মুক্তির পর একটি কাল্ট ক্ল্যাসিকে পরিণত হয়। এটি ২০০ কোটি রুপির ক্লাবে প্রবেশ করা প্রথম ভারতীয় সিনেমা হিসেবেও ইতিহাস গড়েছিল।
অস্কারের শর্টলিস্টে ‘হোমবাউন্ড’
অস্কারের শর্টলিস্টে ভারতের ‘হোমবাউন্ড’ অস্কারের ৯৮তম আসরের আন্তর্জাতিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে ভারতের সিনেমা ‘হোমবাউন্ড’। নীরাজ গেওয়ান পরিচালিত ছবিটিতে অভিনয় করেছেন ঈশান খাট্টার, জাহ্নবী কাপুর ও বিশাল জেঠোয়া। এর আগে ছবিটি ৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের আঁ সাঁর্তে রিগা বিভাগে নির্বাচিত হয়। পাশাপাশি ৫০তম টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবসহ ওয়ারশো ও জুরিখ চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে ‘হোমবাউন্ড’। উত্তর ভারতের একটি গ্রামের দুই বাল্যবন্ধুর গল্প নিয়ে নির্মিত এই সিনেমায় সমাজে মর্যাদা অর্জনের স্বপ্নে জাতীয় পুলিশ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে। স্বপ্নপূরণের একেবারে কাছাকাছি এসে বন্ধুত্বে ফাটল ধরে তাদের। জীবিকার প্রয়োজনে তারা গ্রাম ছাড়লেও করোনা মহামারিতে তাদের জীবনের সব হিসাব-নিকাশ ও আশা-ভরসা ভেঙে পড়ে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) অস্কারের আয়োজক অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস ১২টি বিভাগের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করে। আন্তর্জাতিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে সদস্যদের ভোটে ১৫টি ছবি শর্টলিস্টে জায়গা পেয়েছে। এই তালিকা থেকে চূড়ান্তভাবে পাঁচটি ছবি মনোনীত হবে। ‘হোমবাউন্ড’-এর পাশাপাশি শর্টলিস্টে রয়েছে আর্জেন্টিনার বেল ন, ব্রাজিলের দ্য সিক্রেট এজেন্ট, ফ্রান্সের ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট, জার্মানির সাউন্ড অব ফলিং, জাপানের কোকুহো, নরওয়ের সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু, দক্ষিণ কোরিয়ার নো আদার চয়েস, তাইওয়ানের লেফট-হ্যান্ডেড গার্লসহ মোট ১৫টি দেশের ছবি। চূড়ান্ত মনোনয়ন নির্ধারণে ভোটগ্রহণ শুরু হবে ২০২৬ সালের ১২ জানুয়ারি এবং চলবে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিটি বিভাগে মনোনীত হবে পাঁচটি করে ছবি, তবে সেরা চলচ্চিত্র বিভাগে মনোনয়ন থাকবে ১০টি। ৯৮তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের চূড়ান্ত মনোনয়ন তালিকা ঘোষণা করা হবে ২২ জানুয়ারি। আগামী ১৫ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে হলিউডের ডলবি থিয়েটারে জমকালো আয়োজনে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানটি টানা দ্বিতীয়বারের মতো সঞ্চালনা করবেন কোনান ও’ব্রায়েন। এবিসি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে এই আয়োজন।
ফিরেই ভক্তদের ঘুম উড়ালেন কিয়ারা

ফিরেই ভক্তদের ঘুম উড়ালেন কিয়ারা ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পরবর্তী পাঁচ মাস পর্যন্ত শুটিং করেন। প্রথম সন্তানের মা হয়েছেন তা-ও কেটে গেছে আরো পাঁচ মাস। মা হওয়ার পর প্রথমবার প্রকাশ্যে দেখা দিলেন এই অভিনেত্রী। আর তার আবেদনময়ী উপস্থিতিতে ঘুম উড়েছে তার ভক্ত-অনুরাগীদের। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে কিয়ারা তার ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করে চিরচেনা অঙ্গনে ফেরার আভাস দেন। ক্যাপশনে লিখেন—“পরবর্তী অধ্যায় আরো আগুন হবে। কাজটা করেই ফেলি।” তারপর থেকে অপেক্ষায় ছিলেন তার ভক্তরা। বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া আভাস বাস্তবে রূপ নেয়। মুম্বাইয়ের একটি শুটিং সেটে আবেদনময়ী রূপে হাজির হয়ে তাক লাগিয়ে দেন এই অভিনেত্রী। এ মুহূর্তের ভিডিও এখন অন্তর্জালে ভাইরাল। ভিডিওতে দেখা যায়, মাতৃত্বের পর ওজন ঝরিয়ে একেবারে ছিপছিপে গড়নে ফিরেছেন কিয়ারা। তার পরনে কাঁধখোলা ডেনিম শার্ট আর শর্টসে কিয়ারার চেহারা যেন মাতৃত্বের লাবণ্যে পরিপূর্ণ। অভিনেত্রীর এমন লুকই এখন আলোচনার বিষয়ে রূপ নিয়েছে। ভূয়সী প্রশংসা করছেন নেটিজেনরা। একজন লেখেন, “সেক্সি মাম্মি, উফফ! সে নারীত্বকে আলিঙ্গন করেছে।” আরেকজন লেখেন, “সে এখন আরো বেশি আবেদনময়ী।” অক্ষয় লেখেন, “দেখতে চমৎকার লাগছে।” নীতেশ লেখেন, “বাহ, ওকে সত্যিই বিশ্ব সুন্দরীর মতো লাগছে।” শালিনি লেখেন, “উফফফ, এত সুন্দর মাম্মি!” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে নেট দুনিয়ায়। তবে কোনো সিনেমার শুটিং দিয়ে নিজ ভুবনে ফিরেননি কিয়ারা আদভানি। গতকাল একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের শুটিং করেন এই অভিনেত্রী। কিয়ারা আদভানি ব্যক্তিগত জীবনে অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন। ‘শেরশাহ’ সিনেমার শুটিং সেট থেকে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান তারা। এরপর এ জুটির প্রেম-বিয়ে নিয়ে আলোচনা কম হয়নি। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের জয়সালমীরে সাতপাকে বাঁধা পড়েন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যৌথ এক বিবৃতিতে বাবা-মা হতে যাওয়ার ঘোষণা দেন। গত ১৫ জুলাই কন্যাসন্তানের জন্ম দেন কিয়ারা।
গোল্ডেন গ্লোবে মনোনয়ন পেলেন যারা

গোল্ডেন গ্লোবে মনোনয়ন পেলেন যারা বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক পুরস্কার গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে ৮৩তম গোল্ডেন গ্লোবের মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে থেকে অভিনয়শিল্পী মার্লন ওয়ারনস ও স্কাই পি মার্শাল মনোনীত সিনেমা ও অভিনয়শিল্পীদের নাম ঘোষণা করেন। এ আসরে সর্বোচ্চ মনোনয়ন পেয়েছে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর বহুল আলোচিত সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। ৯টি মনোনয়ন নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে এটি। আটটি মনোনয়ন নিয়ে তার পরের স্থানে রয়েছে ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’। ‘সিনার্স’ ও ‘হ্যামনেট’ পেয়েছে ছয়টি করে মনোনয়ন। ২০২৬ সালের ১১ জানুয়ারি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার অনুষ্ঠানের আসর বসবে। চলুন, তার আগে জেনে নিই উল্লেখযোগ্য বিভাগে কারা মনোনয়ন পেলেন— সেরা সিনেমা (ড্রামা): ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’, ‘হ্যামনেট’, ‘ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট’, ‘দ্য সিক্রেট এজেন্ট’, ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’ ও ‘সিনার্স’। সেরা সিনেমা (মিউজিক্যাল/কমেডি): ‘ব্লু মুন’, ‘বুগোনিয়া’, ‘মার্টি সুপ্রিম’, ‘নো আদার চয়েস’, ‘নুভেল ভাগ’ ও ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। সেরা অভিনেত্রী- মোশন পিকচার (ড্রামা): জেসি বাকলি (হ্যামনেট), জেনিফার লরেন্স (ডাই, মাই লাভ), রেনেট রিইনসভ (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), জুলিয়া রবার্টস (আফটার দ্য হান্ট), টেসা থম্পসন (হেডা), ইভা ভিক্টর (সরি, বেবি)। সেরা অভিনেতা-মোশন পিকচার (ড্রামা): জোয়েল এডগারটন (ট্রেন ড্রিমস), অস্কার আইজ্যাক (ফ্রাঙ্কেনস্টাইন), ডোয়াইন জনসন, (দ্য স্ম্যাশিং মেশিন), মাইকেল বি. জর্ডান (সিনার্স), ওয়াগনার মৌওরা (দ্য সিক্রেট এজেন্ট) জেরেমি অ্যালেন হোয়াইট (স্প্রিংস্টিন: ডেলিভার মি ফ্রম নোহয়ার)। সেরা অভিনেত্রী- মোশন পিকচার (মিউজিক্যাল/কমেডি): রোজ বার্ন, (ইফ হ্যাড লেগস আই উড কিক ইউ), সিনথিয়া এরিভো (উইকেট: ফর গুড), কেট হাডসন (সং সাং ব্লু), চেজ ইনফিনিটি, (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), আমান্ডা সেফ্রিড (দ্য টেস্টমেন্ট অব অ্যান লি), এমা স্টোন (বুগোনিয়া)। সেরা অভিনেতা- মোশন পিকচার (মিউজিক্যাল/কমেডি): টিমোথি শ্যালামে (মেরি সুপ্রিম), জর্জ ক্লুনি (জে কেলি), লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), ইথান হক (ব্লু মুন), লি বাইয়ুং-হান (নো আদার চয়েজ), জেসি প্লেমনস (বুগোনিয়া)। সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী (মোশন পিকচার্স): এমিলি ব্লান্ট (দ্য স্ম্যাশিং মেশিন), এলি ফ্যানিং (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), আরিয়ানা গ্র্যান্ডে (উইকড: ফর গুড), ইঙ্গা ইবসডটার লিলিয়াস (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), অ্যামি ম্যাডিগান (উইপন্স), টেয়ানা টেলর (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার)। সেরা পার্শ্ব অভিনেতা (মোশন পিকচার্স): বেনিসিও দেল তোরো (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), জ্যাকব এলোর্ডি (ফ্রাঙ্কেনস্টাইন), পল মেসকাল (হ্যামনেট), শন পেন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), অ্যাডাম স্যান্ডলার (জে কেলি), স্টেলান স্কারসগার্ড (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু)। সেরা পরিচালক (মোশন পিকচার): পল থমাস অ্যান্ডারসন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), রায়ান কুগলার (সিনার্স), গিয়ের্মো দেল তোরো (ফ্রাঙ্কেনস্টাইন), জাফর পানাহি (ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট), ইয়েকিম ত্রিয়ারের (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু) ক্লোয়ি ঝাও (হ্যামনেট)। সেরা চিত্রনাট্য: পল থমাস অ্যান্ডারসন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), রোনাল্ড ব্রনস্টাইন, জশ সাফডি (মার্টি সুপ্রিম) রায়ান কুগলার (সিনার্স), জাফর পানাহি (ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট), এস্কিল ভগট, ওয়াকিম ট্রিয়া (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু), ক্লোয়ি ঝাও, ম্যাগি ও’ফ্যারেল (হ্যামনেট)। সেরা সিনেমা (অ্যানিমেটেড): আর্কো, ডেমন স্লেয়ার: কিমেৎসু নো ইয়াইবা ইনফিনিটি ক্যাসেল, এলিও, কেপপ ডেমন হান্টার্স, লিটল অ্যামেলি অর দ্য ক্যারেক্টার অব রেইন, জুটোপিয়া টু সেরা বিদেশি ভাষার সিনেমা: ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট, নো আদার চয়েস, দ্য সিক্রেট এজেন্ট, সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু, সিরাত, দ্য ভয়েস অব হিন্দ রজব। সেরা ড্রামা সিরিজ: দ্য ডিপ্লোম্যাট, দ্য পিট, প্লুরিবাস, সেভেরেন্স, স্লো হর্সেস, দ্য হোয়াইট লোটাস। সেরা মিউজিক্যাল/কমেডি সিরিজ: অ্যাবট এলিমেন্টারি, দ্য বিয়ার, হ্যাকস, নোবডি ওয়ান্টস দিস, অনলি মাডার্স ইন দ্য বিল্ডিং, দ্য স্টুডিও। সেরা টিভি অভিনেত্রী (ড্রামা সিরিজ): ক্যাথি বেটস (ম্যাটলক), ব্রিট লাওয়ার (সেভারেন্স), হেলেন মিরেন (মবল্যান্ড), বেলা রামসেট (দ্য লাস্ট অব আস), কেরি রাসেল (দ্য ডিপ্লোম্যাট), রিয়া সিহর্ন (প্লুরিবাস)। সেরা অভিনেতা (ড্রামা সিরিজ): স্টার্লিং কে. ব্রাউন (প্যারাডাইস), ডিয়েগো লুনা (অ্যান্ডর), গ্যারি ওল্ডম্যান (স্লো হর্সেস), মার্ক রাফেলো (টাস্ক), অ্যাডাম স্কট (সেভারেন্স), নোয়া ওয়াইল (দ্য পিট)।
‘দৃশ্যম থ্রি’ নিয়ে নতুন খবর পাওয়া গেল

‘দৃশ্যম থ্রি’ নিয়ে নতুন খবর পাওয়া গেল মালায়ালাম ভাষার বহুল আলোচিত সিনেমা সিরিজ ‘দৃশ্যম’। জিতু জোসেফ পরিচালিত এ সিরিজের প্রথম পার্ট মুক্তি পায় ২০১৩ সালে। দ্বিতীয় পার্ট মুক্তি পায় ২০২১ সালে। এ দুই পার্টে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন মোহনলাল। এ সিরিজের তৃতীয় পার্ট নির্মাণের কাজ চলমান। তৃতীয় কিস্তিতে থাকবেন মোহনলাল। জিতু জোসেফ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ২০১৫ সালে বলিউড পরিচালক নিশিকান্ত কামার ‘দৃশ্যম’ সিনেমা হিন্দি ভাষায় রিমেক করেন। হিন্দি ভাষার রিমেকে অভিনয় করেন অজয় দেবগন, টাবু, শ্রেয়া সরন, অক্ষয় খান্না। ৩৮ কোটি রুপি বাজেটের সিনেমাটি বক্স অফিসে আয় করেছিল ১১০ কোটি রুপি। এই সিরিজের দ্বিতীয় পার্ট ‘দৃশ্যম-টু’ রিমেক করেছেন পরিচালক অভিষেক পাঠক। অভিনয়শিল্পীরা অপরিবর্তিত রয়েছেন। সিনেমাটি নির্মাণে ব্যয় হয় ৫০ কোটি রুপি। ২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ সিনেমাও বক্স অফিসে রাজত্ব করে। এটি আয় করে ৩৪৫ কোটি রুপি। এবার হিন্দি ভাষায় নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘দৃশ্যম থ্রি’। গত অক্টোবরে সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল, তা হয়নি। অনেক দিন ধরেই প্রস্তুতির মধ্যে ছিলেন নির্মাতারা। অবশেষে লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশন শুরু হতে যাচ্ছে। মিড-ডে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অজয় দেবগন এবার প্রস্তুত জনপ্রিয় থ্রিলার ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘দৃশ্যম’-এর বিজয় সালগাঁওকর চরিত্রে ফিরতে। আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে ‘দৃশ্যম টু’ সিনেমার পরিচালক অভিষেক পাঠক মুম্বাইয়ে তৃতীয় পার্টের শুটিং শুরু করবেন। এ বিষয়ে একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, “অক্ষয় খান্না ও টাবুসহ পুরো অভিনয়শিল্পীদের দল মুম্বাইয়ে ১০ দিনের শিডিউলে অংশ নেবেন। মুম্বাইয়ে ইনডোর দৃশ্যগুলো ধারণ করা হবে। তারা বড়দিন পর্যন্ত শুটিং করবেন, তারপর নতুন বছরের বিরতিতে যাবেন। ২০২৬ সালের প্রথম সপ্তাহ থেকে পুনরায় ‘দৃশ্যম থ্রি’ সিনেমার শুটিং শুরু হবে। পরিকল্পনা রয়েছে, ২০২৬ সালের এপ্রিলের মধ্যেই পুরো শুটিং শেষ করার।”
আমার ক্যারিয়ার দুর্ঘটনার মতো, কেন বললেন শাহিদ কাপুর

আমার ক্যারিয়ার দুর্ঘটনার মতো, কেন বললেন শাহিদ কাপুর বলিউডের তারকা সন্তানদের মধ্যে অন্যতম শাহিদ কাপুর। তবে তার বেড়ে ওঠা ছিল একটু ভিন্ন। কারণ, মাত্র তিন বছর বয়সে মা-বাবার বিচ্ছেদ হওয়ায় সম্পূর্ণ নিজের পরিচয়েই তাকে বড় হতে হয়েছে। এমনকি ইন্ডাস্ট্রির বেশিরভাগ মানুষ জানতেন না শাহিদ প্রখ্যাত অভিনেতা পঙ্কজ কাপুরের ছেলে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ব্যক্তিগত ও পেশাদার জীবনের ভারসাম্য ও বাবা-মায়ের দায়িত্ব নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। তারকা সন্তানের পরিচয়ে সুবিধা পাওয়া বিষয়টি তুলে শাহিদ কাপুর বলেন, ‘অনেকে ভাবেন আমি পঙ্কজ কাপুরের ছেলে বলেই অভিনেতা হয়েছি। কিন্তু আমার তিন বছর বয়সেই বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়। খুব ছোট ছিলাম, তাই তেমন কিছু মনে নেই। সত্যি কথা বলতে বাবার সঙ্গে খুব কম সময় কাটিয়েছি, মানুষ জানতই না আমি তাঁর ছেলে। কখনো বাবার নাম ব্যবহার করিনি। মায়ের সঙ্গে বড় হয়েছি। সবকিছুই নিজের চেষ্টায় হয়েছে। আমি বাবার কাছে কখনো সাহায্য চাইনি, তিনিও কখনো কারও সঙ্গে কথা বলে আমাকে কাজ পাইয়ে দেননি। অভিনেতা পঙ্কজ কাপুর এবং নীলিমা আজিমের সন্তান হলেও কখনো ভাবেননি তিনি নিজেও অভিনয়ে আসবেন। অভিনয়ে আসার বিষয়টি দুর্ঘটনা হিসেবে দেখেন শাহিদ। তিনি বলেন, ‘আমার ক্যারিয়ারটা আসলে দুর্ঘটনার মতো। নাচ হোক বা অভিনয়, কিছুই পরিকল্পনা করে হয়নি। প্রথম কাজ পাওয়ার স্মৃতি উল্লেখ করে শাহিদ বলেন, ‘ছোটবেলায় নাচের প্রতি আগ্রহ ছিল, তাই ক্লাস করতাম। আমার শিক্ষক আমার নাচ পছন্দ করতেন, সেখান থেকেই আয় শুরু হলো। অভিনয়ের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা। এক বন্ধুর সঙ্গে অডিশনে গেলে বিজ্ঞাপন নির্মাতারা আমাকে দেখে অডিশন নিতে বলেন। আমি বড় একটি বিজ্ঞাপন পেয়ে যাই, যেখানে শাহরুখ খান আর রানি মুখার্জি ছিলেন। ওই বিজ্ঞাপনই আমার পথ খুলে দেয়। কাজ আসতে শুরু করে। কিছুই পরিকল্পিত ছিল না। ব্যক্তিগত–পেশাদার জীবনের ভারসাম্য নিয়ে শাহিদ বলেন, ‘২২ বছর হয়ে গেছে কাজ করছি। এখন চেষ্টা করি যেন কাজের বিষয়গুলো ঘরে না আনি। বাড়িতে ফিরলেই আমি বাবা, স্বামী, ছেলে-এই ভূমিকাগুলোই পালন করি। পেশাদার জীবন বা তারকাখ্যাতি কখনোই ব্যক্তিগত জায়গায় আনা উচিত নয়। তিনি বলেন, ‘যখন আমি আমার সন্তানদের সঙ্গে থাকি, সেই সময়টাকে খুব উপভোগ করি। ক্লান্ত লাগলেও সেটা গুরুত্ব দিই না-ওরা আমার সন্তান, বুঝে নেবে। ভবিষ্যতে বড় হলে ওরাও এসব বুঝতে পারবে। স্ত্রী মীরার প্রসঙ্গে শাহিদ জানান, ‘মীরা খুবই সহায়ক। আমাকে খুব ভালোভাবে বোঝে। আমাদের একটা নিয়ম আছে-বাড়িতে থাকলে কাজের কথা বলা যাবে না। খুবই কম সময় আমরা সিনেমা বা কাজের আলোচনা করি। সন্তান লালনপালনের বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গির কথাও জানান শাহিদ। তার কথায়, ‘আমি বিশ্বাস করি, সন্তানদের ওপর বাবা-মায়ের অসম্পূর্ণ স্বপ্ন চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। বাবা হিসেবে আমি আমার সন্তানদের ভালো গুণগুলোকে লালন করতে চেষ্টা করি এবং তাদের নিজেদের লক্ষ্য খুঁজে নিতে উৎসাহ দিই। আমি সবসময় চেষ্টা করি যেন আমার তারকা-পরিচয় তাদের ওপর কোনো ছাপ না ফেলে। ‘কারো ছেলে’ হয়ে বড় হওয়া উচিত নয় নিজের পরিচয় থাকা প্রয়োজন।’ সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
বয়স, শিক্ষাদীক্ষা, অর্থ-সম্পদে স্বামীর চেয়ে এগিয়ে সামান্থা

বয়স, শিক্ষাদীক্ষা, অর্থ-সম্পদে স্বামীর চেয়ে এগিয়ে সামান্থা অভিনেতা নাগা চৈতন্যকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন সামান্থা রুথ প্রভু। ২০২১ সালে ভেঙে যায় এ সংসার। সামান্থার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর অভিনেত্রী শোবিতা ঢুলিপালারের সঙ্গে সম্পর্ক জড়ান নাগা চৈতন্য; পরে তারা সাতপাকে বাঁধা পড়েন। তবে দীর্ঘদিন একা ছিলেন সামান্থা। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে পরিচালক রাজ নিদিমোরুর সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন প্রকাশ্যে আসে। রাজ-সামান্থার প্রেম নিয়ে নানা ধরনের কানাঘুষা শোনা গেলেই মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন এই জুটি। সোমবার (১ ডিসেম্বর) গোপনে বিয়ে করেন তারা। এদিন দুপুরে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে সবাইকে চমকে দেন সামান্থা। তারপর থেকে আলোচনায় রয়েছেন এই যুগল। এ জুটির বয়সের ব্যবধান, পড়াশোনা, অর্থ-সম্পদের পরিমাণ নিয়েও চলছে চর্চা। চলুন এক নজরে দেখে নিই, রাজ-সামান্থার আড়ালের গল্প— কার অর্থ-সম্পদ বেশি? ডেইলি জাগরণ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাজ নিদিমোরুর মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৫–৮৯ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১১২-১২১ কোটি টাকা)। রাজ একাধারে পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার। প্রতি সিনেমার জন্য কত টাকা পারিশ্রমিক নেন, সে বিষয়ে সঠিক তথ্য জানা যায়নি। ফলে ধারনা করা হয়, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে এই অর্থ আয় করেছেন রাজ। ভারতের দক্ষিণী সিনেমার সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক নেওয়া অভিনেত্রীদের তালিকায় এক সময় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন তেলেগু সিনেমার এই অভিনেত্রী। তবে বিবাহবিচ্ছেদ-শারীরিক অসুস্থতা পিছিয়ে দেয় তাকে। মানি কন্ট্রোলের তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী সামান্থা রুথ প্রভুর মোট সম্পদের পরিমাণ ১০০-১১০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩৬-১৪৯ কোটি টাকা)। সাধারণত, প্রতি সিনেমার জন্য ৩-৮ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন সামান্থা। তবে ‘সিটাডেল: হানি বানি’-এর জন্য ১০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। সিনেমা, ওটিটি সিরিজ, বিজ্ঞাপন থেকে এসব অর্থ আয় করেছেন সামান্থা। তাছাড়া ব্যবসায়েও বিনিয়োগ করেছেন এই অভিনেত্রী। সামান্থা-রাজের বয়সের ব্যবধান কত? ১৯৮৭ সালের ২৮ এপ্রিল চেন্নাইয়ে জন্মগ্রহণ করেন সামান্থা রুথ প্রভু। তার বয়স এখন ৩৮ বছর। অন্যদিকে, রাজ নিদিমোরু ১৯৭৯ সালের ৪ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। তার বয়স এখন ৪৬ বছর। সামান্থার চেয়ে ৮ বছরের বড় রাজ। বয়সের ব্যবধান ৮ বছর হলেও এ দম্পতির মাঝে বোঝাপড়া দারুণ বলে জানা গেছে। রাজ-সামান্থার শিক্ষাদীক্ষা রাজ নিদিমোরু অন্ধ্র প্রদেশের তিরুপতিতে তেলুগু-ভাষী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। এসভিইউ কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে বি. টেক ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এই পরিচালক। তবে এসব ছেড়ে রুপালি জগতে মন দিয়েছেন এই নির্মাতা। তামিল নাড়ুর মাদ্রাজে জন্মগ্রহণ করেন সামান্থা রুথ প্রভু। তার বাবা জোসেফ প্রভু, মা নাইনেট। সামান্থার বাবা জোসেফ প্রভু তেলেগু অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান। আর তার মা নাইনেট সিরিয়ান মালায়ালি। সামান্থা ছাড়াও এ দম্পতির আরো দুটো পুত্রসন্তান রয়েছে। গত বছরের নভেম্বরে মারা যান সামান্থার বাবা জোসেফ। হলি অ্যাঞ্জেলস অ্যাংলো ইন্ডিয়ান হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন সামান্থা। ২০২০ সালে ক্লাস টেনের নম্বরপত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। কারণ গণিতে ১০০, পদার্থ বিজ্ঞানে ৯৫, ইংলিশে ৯০, বোটানিতে ৮৪, ইতিহাসে ৯১ এবং জিওগ্রাফিতে ৮৩ নম্বর পেয়েছিলেন সামান্থা। পরবর্তীতে চেন্নাইয়ের স্টেলা মেরিস কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। আরো উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন সামান্থা। কিন্তু কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় তা আর সম্ভব হয়নি।
নায়িকার পাত্র চেয়ে শহরজুড়ে পোস্টার!

নায়িকার পাত্র চেয়ে শহরজুড়ে পোস্টার! ভারতের কলকাতা শহরের বিভিন্ন ওলিতে গলিতে ঝুলছে অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রের ছবিসহ ‘পাত্র চাই’ লেখা পোস্টার। যেখানে পাত্রের যোগ্যতার বিস্তারিত বিবরণও দেওয়া। হঠাৎ এমন পোস্টার দেখে এতে পথচারীদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। প্রথমে অনেকেই ভেবেছিলেন, রুক্মিণীর ব্যক্তিগত জীবনের বিষয়ে এটি কোনো ঘোষণা। কিন্তু পোস্টারের মালিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে দীপক চক্রবর্তীর নাম! প্রশ্ন ওঠে, কে এই দীপক চক্রবর্তী? পরে জানা যায়, অভিনেতা চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তীর চরিত্রের নাম এটি! এতে কিছুটা ধোঁয়াশা কাটে। জানা যায়, এটি রুক্মিণী অভিনীত আসন্ন সিনেমা ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’-এর প্রচারণার অংশ এই পোস্টার। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, সিনেমায় রুক্মিণীর বাবার চরিত্রে অভিনয় করছেন চিরঞ্জিত। তার চরিত্রই অনস্ক্রিন মেয়ের জন্য ‘পাত্র খুঁজছেন’, এ ধারণা থেকেই এই ব্যতিক্রমী প্রচারণা। ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’-এর টিম জানিয়েছে, প্রচারের ধরণ বদলে যাওয়ায় এখন দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণে নতুন পদ্ধতির আশ্রয় নিতে হয়। সেই কারণে শহরজুড়ে লাগানো হয়েছে এমন পোস্টার, যা দেখে অনেকে থমকে দাঁড়াচ্ছেন, কেউ কেউ আবার মোবাইলে খুঁজে দেখছেন, ‘রুক্মিণীর বিয়ে কবে?’ এমনকি কেউ কেউ বিভ্রান্তও হচ্ছেন। দর্শকপ্রতিক্রিয়া থেকেই টিম ধারণা করছে, প্রচারণা সফল হয়েছে। বাংলা সিনেমার প্রচারে আগে এমন ব্যতিক্রমী কৌশল দেখা গেলেও সবসময় ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে এবার প্রচারণা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে।
বরেণ্য অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মারা গেছেন

বরেণ্য অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মারা গেছেন বলিউডের বরেণ্য অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মারা গেছেন। সোমবার (২৪ নভেম্বর) মুম্বাইয়ের বাসভবনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই অভিনেতা। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই, ইন্ডিয়া টুডে এ খবর প্রকাশ করেছে। ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবর জানিয়ে বলিউড সিনেমার গুণী পরিচালক করন জোহর ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়েছেন। গুণী তারকার একটি ছবি পোস্ট করে এই নির্মাতা-সঞ্চালক লেখেন, “একটি যুগের অবসান… এক মহাতারার প্রস্থান… মূলধারার সিনেমার এক বীরের প্রতিচ্ছবি… অবিশ্বাস্য রূপবান এবং পর্দায় এক অনন্য রহস্যময় উপস্থিতি… তিনি ছিলেন এবং চিরকাল থাকবেন ভারতীয় সিনেমার এক সত্যিকারের জীবন্ত কিংবদন্তি… যিনি সিনেমার ইতিহাসের পাতায় চিরস্থায়ী হয়ে আছেন। সবচেয়ে বড় ব্যাপার অসাধারণ একজন মানুষ ছিলেন।” শূন্যতার কথা জানিয়ে করন জোহর লেখেন, “আজ আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে বিশাল শূন্যতা তৈরি হলো… এমন এক শূন্যতা, যা কোনোদিন কোনোভাবে পূরণ হবে না… তিনি চিরকালই আমাদের একমাত্র ধর্মজি… আমরা আপনাকে ভালোবাসি, সদয় মহাশয়… আমরা আপনাকে ভীষণ মিস করব… আজ স্বর্গ ধন্য হলো… আপনার সঙ্গে কাজ করা ছিল আমার আশীর্বাদ…।” অনেক দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন ধর্মেন্দ্র। গত ১১ নভেম্বর তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। যদিও সেই খবর সঠিক ছিল না। তারপর থেকে বাড়িতে রেখে তার চিকিৎসা চলছিল। সোমবার (২৪ নভেম্বর) ফের তার মৃত্যুর খবর নেট দুনিয়ায় চাউর হয়। মূলত, আজ এ অভিনেতার বাড়িতে অ্যাম্বুলেন্স যাওয়ার পর এই গুঞ্জনের সূচনা। তাছাড়া শোবিজ অঙ্গনের অনেকে ধর্মেন্দ্রর বাড়িতে হাজির হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিয়ে পরিবার থেকে কিছু জানানো হয়নি। ১৯৩৫ সালের ৮ ডিসেম্বর পাঞ্জাবের লুধিয়ানা জেলার সাহনেওয়াল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ধর্মেন্দ্র কেওয়াল কৃষণ দেওল। ছোটবেলায় সিনেমার পর্দা ছিল তার কাছে জাদুর জানালা। সেই গ্রাম থেকে, কাদামাখা রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তিনিও একদিন বড় পর্দায় আলো ছড়াবেন। ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনের ‘ট্যালেন্ট কনটেস্ট’-এ জয়ী হন। ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন ধর্মেন্দ্র। প্রথম সিনেমা মুক্তির পরই নজর কাড়েন। তবে প্রকৃত সাফল্য আসে তারও কয়েক বছর পর। বিশেষ করে ‘শোলা আউর শবনম’ (১৯৬১), ‘বন্দিনী’ (১৯৬৩), ‘ফুল আউর পাথর’ (১৯৬৬) ও ‘সত্যকাম’ (১৯৬৯) সিনেমার মাধ্যমে। ষাট ও সত্তরের দশক ছিল ধর্মেন্দ্রর সোনালি যুগ। শক্তিমত্তা, মাধুর্য ও সংবেদনশীলতার এমন মিশেল বলিউড আগে দেখেনি। ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘ড্রিম গার্ল’, ‘শোলে’—প্রতিটি সিনেমায় ধর্মেন্দ্র হয়ে উঠেছেন ভারতীয় পুরুষত্বর নতুন সংজ্ঞা। শক্তির মধ্যে প্রেম, সাহসের মধ্যে কোমলতা—এই অনন্য ভারসাম্যই তাকে আলাদা করে দেয় সমসাময়িক নায়কদের থেকে। ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর প্রেমের গল্পই যেন একটি সিনেমা। ‘তুম হাসিন ম্যায় জওয়ান’ সিনেমার শুটিং সেটে তাদের দেখা হয়। তারপর ‘শোলে’, ‘সীতা আউর গীতা’, ‘ড্রিম গার্ল’ এর মতো একের পর এক সিনেমায় রোমান্সের পরত জমতে থাকে। তখন ধর্মেন্দ্রর সংসারে ছিলেন প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর। তবু হৃদয়ের টান থামেনি। সমাজের চোখ রাঙানি, সমালোচনা, বিতর্ক—সব পেরিয়ে ধর্মেন্দ্র ও হেমা এক হয়েছেন। ধর্মেন্দ্র বলেছিলেন, “আমি কাউকে আঘাত করিনি, আমি শুধু হৃদয়ের কথা শুনেছি।” হেমা মালিনী তার আত্মজীবনীতে লিখেছেন, “তিনি একসঙ্গে শক্তিশালী ও কোমল। ঝড়ের মাঝেও পাহাড়ের মতো পাশে থেকেছেন।” তাদের দুই মেয়ে এষা ও অহনা আজও বলেন—বাবা এখনো মায়ের জন্য শায়রি লেখেন, ভালোবাসায় বলেন, “মেরি হেমা।” ধর্মেন্দ্রর দুই সংসারে ছয়জন সন্তান রয়েছে। তারা হলেন—পুত্র সানি ও ববি দেওল, কন্যা এষা, অহনা, বিজেতা ও অজিতা। ধর্মেন্দ্রর অভিনয়ে অদ্ভুত মানবিকতা ছিল। ‘সত্যকাম’ সিনেমায় আদর্শবাদী যুবক থেকে শুরু করে ‘অনুপমা’ সিনেমার সংবেদনশীল লেখক—প্রতিটি চরিত্রেই জীবনের রঙ ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। ‘শোলে’ সিনেমায় ‘বীরু’ চরিত্রে তার সংলাপ—“বসন্তি, ইন কুত্তো কে সামনে মৎ নাচনা” এখনো ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অমর। কিন্তু পর্দার বাইরে তিনি একেবারে আলাদা মানুষ। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “স্রষ্টা আমাকে সব দিয়েছেন। কিন্তু আমি কখনো দাবিদার হইনি।” এটাই ধর্মেন্দ্রর জীবনের দর্শন, বিনয়, মহত্ত্ব। খ্যাতির চূড়ায় থেকেও ধর্মেন্দ্র তার জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত মাটির মানুষ ছিলেন। লোনাভালার খামারে কাজ করেছেন, ট্র্যাক্টর চালিয়ে ভিডিও পোস্ট করেছেন ইনস্টাগ্রামে। ২০২৫ সালের দশেরা উপলক্ষে ভিডিও বার্তায় বলেন, “ভালো মানুষ হয়ে বাঁচুন, তবেই সাফল্য আপনার পিছু নেবে।” তার এই সরলতাই তাকে কোটি ভক্তের হৃদয়ে অমর করেছে। ধর্মেন্দ্রর জীবন মানেই হিন্দি সিনেমার ক্রমবিবর্তনের প্রতিচ্ছবি। সাদা-কালো যুগের সামাজিক নাটক থেকে সত্তরের দশকের অ্যাকশন ব্লকবাস্টার—সবকিছুতেই তিনি ছিলেন সামনের সারিতে। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমা হলো— ফুল আউর পাথর (১৯৬৬), সত্যকাম (১৯৬৯), মেরা গাঁও মেরা দেশ (১৯৭১), শোলে (১৯৭৫), চুপকে চুপকে (১৯৭৫), দ্য বার্নিং ট্রেন (১৯৮০), লাইফ ইন আ মেট্রো (২০০৭), আপনে (২০০৭), রকি আউর রানি কি প্রেম কাহানি (২০২৪) প্রভৃতি। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত ‘ইক্কিস’ সিনেমা। আগামী ডিসেম্বরে এটি মুক্তির কথা রয়েছে। অভিনয়ের স্বীকৃতি স্বরূপ বেশ কিছু সম্মাননা জমা পড়েছে ধর্মেন্দ্রর ঝুলিতে। ১৯৯০ সালে ‘ঘায়েল’ সিনেমার জন্য ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন ধর্মেন্দ্র। ২০১২ সালে পদ্মভূষণ পুরস্কার পান। ২০০৪ সালে লোকসভায় বিকানেরের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তাছাড়া অসংখ্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন এই অভিনেতা। তবে পুরস্কার ধর্মেন্দ্র একবার বলেছিলেন—“আমার সবচেয়ে বড় পুরস্কার সাধারণ মানুষের হাসিমুখ।”
মিসরের সিনেমার প্রধান বাজার সৌদি আরব

মিসরের সিনেমার প্রধান বাজার সৌদি আরব মিসরের চলচ্চিত্রশিল্পের সাম্প্রতিক সাফল্য ইতোমধ্যেই আলোচনায়। বিশেষ করে বিদেশি বাজারে খুব ভালো করছেন দেশটির সিনেমা। কায়রো ইন্ডাস্ট্রি ডেজ চলাকালে কায়রো ফিল্ম কানেকশন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, মিসরীয় সিনেমা রপ্তানির প্রধান বাজার হয়ে ওঠেছে এখন সৌদি আরব। আরব বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো ও প্রভাবশালী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির দেশ মিসর। দীর্ঘ দশকজুড়ে তাদের সিনেমা কখনো সফল, কখনো আবার পড়েছে মন্দায়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের বাজারের তুলনায় বিদেশি বাজারে আয় বেড়েছে বহু গুণ। ২০২১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত মিসরের শীর্ষ ১০ রপ্তানি চলচ্চিত্রের মধ্যে ৯টির সবচেয়ে বড় আয় এসেছে সৌদি আরব থেকে। সৌদির সর্বকালের শীর্ষ ৬৫ ছবির মধ্যে ২৭ শতাংশই মিসরীয়। রোমান্টিক-কমেডি ‘বাহেবেক’ মিসরে আয় করেছিল ২.৮ মিলিয়ন ডলার। অথচ ছবিটি বিদেশে আয় করে ২২.৯ মিলিয়ন ডলার। যার বৃহৎ অংশ সৌদিতে। ‘সন্স অব রিজক ৩: নকআউট’ ছবিটি দেশে আয় করেছিল ৬.১ মিলিয়ন ডলার। আর বিদেশে এর আয় ২২.৩ মিলিয়নেরও বেশি। ‘আ স্ট্যান্ড ওয়ার্দি অব মেন’ ছবি দেশে ১.৭ মিলিয়ন ও বিদেশে ১৮.৩ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। ২০২৪ সালে সৌদি বাজারে ৩৩টি মিসরীয় ছবি মুক্তি পায় এবং মোট আয় করে ৫৩ মিলিয়ন ডলার। মিসরের নিজস্ব বাজারের মোট আয়ের (২৩.৫ মিলিয়ন ডলার) দ্বিগুণেরও বেশি এই পরিসংখ্যান। মিসর-সৌদি যৌথ প্রযোজনার ছবিগুলো সৌদিতে বিশেষ কর সুবিধাও পায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হানি খলিফার থ্রিলার ‘ফ্লাইট ৪০৪’। এটি এবারের অস্কারের জন্য মিসর থেকে জমা পড়েছে। উচ্চ বাজেটের কৌতুক ও অ্যাকশন দীর্ঘদিন ধরে দাপট দেখালেও এখন কম বাজেটের ছবিও সফল হচ্ছে মিসরে। উদাহরণ হিসেবে ওমর এল মুহানদেসের মাঝারি বাজেটের কৌতুক গল্পের ‘সিকো সিকো’ ছবির কথা বলা যায়। এই সিনেমাটি দেশে আয় করেছে প্রায় ৪ মিলিয়ন ডলার এবং সৌদিতে আরও ৪.২ মিলিয়ন আয় করে মিসরের ইতিহাসের দ্বিতীয় সফলতম ছবি হিসেবে নাম লিখিয়েছে। বিশ্ব বাজারে মিসরের সিনেমা পৌঁছে দিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিনার্জি ছিল প্রধান পরিবেশক। তবে ২০২৫ সালে এগিয়ে গেছে মিসর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্মস। এই বছরে সিনার্জির সাবেক কর্মকর্তা আহমেদ বদাওয়ি ফিল্ম স্কয়ার নামে নতুন সংস্থা চালু করেছেন। এটি দ্রুত বাজার বাড়াচ্ছে। হলিউডসহ বিদেশি ছবি বিতরণে শীর্ষে রয়েছে ইউনাইটেড মোশন পিকচার্স। সৌদি আরবের আরব রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন নেটওয়ার্কের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউভিএফ এখন মধ্য বাজেটের মিসরীয় ছবি অর্থায়ন ও আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তির ওপর জোর দিচ্ছে। ভ্যারাইটির এক প্রতিবেদনে কায়রো ফিল্ম কানেকশনের বিগত ১০ আসরের সাফল্যও তুলে ধরা হয়েছে। পিচিং, পরামর্শ, অর্থসহায়তা ও বিভিন্ন পুরস্কারের মাধ্যমে তারা বহু আরব নির্মাতাকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে।