মোদি পরিবারের বউ হচ্ছেন শ্রদ্ধা!

মোদি পরিবারের বউ হচ্ছেন শ্রদ্ধা! কয়েকদিন আগেই বিয়ের গুঞ্জন উসকে দিয়েছিলেন বলিউডের অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর। কোনওরকম রাখঢাক না করেই ভক্তদের প্রশ্নে একবাক্যে জানিয়েছিলেন, ‘আমি বিয়ে করছি…’। এবার কানাঘুষা, ২০২৬ সালেই নাকি বিয়ে করতে চলেছেন নায়িকা। তবে কার সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন শ্রদ্ধা? অভিনেত্রী যে বছরখানেক ধরে রাহুল মোদির সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন, সেখবর বলিউডে নতুন নয়! বহুবার একসঙ্গে তাদের কফিশপ, রেস্তরাঁ থেকে প্রিমিয়ার, বলিউডের হাইপ্রোফাইল পার্টিতে একসঙ্গে দেখা গেছে। সেসব ছবি নিয়ে কম চর্চা হয়নি সিনেদুনিয়ায়। শ্রদ্ধার প্রেমিক হিসেবে রাহুলকে দেখে যদিও অনেকেরই বিস্ময় হয়েছিল! তবে এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, বলিউডে কাজের সংখ্যা কিন্তু নেহাত কম নয় নায়িকার প্রেমিকের। সহকারী পরিচালক হওয়ার পাশাপাশি গল্পকার হিসেবেও হিন্দি সিনেমা দুনিয়ায় নামডাক রয়েছে রাহুল মোদির। ‘প্যায়ার কা পঞ্চনামা ২’ থেকে ‘সোনু কে টিটু…’র মতো একাধিক সিনেমায় কাজ করেছেন। এবার খবর, দীর্ঘদিনের প্রেমিকের সঙ্গে রাজস্থানে রাজকীয়ভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন শ্রদ্ধা কাপুর। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের বিয়ের খবর ঘোষণা করেনি তারকাজুটি। তবে শোনা যাচ্ছে, চলতি বছরেই উদয়পুরে রাহুল মোদির সঙ্গে শ্রদ্ধার চারহাত এক হতে চলেছে। ‘টেলিক্রিয়েটস’ নামে এক ইনস্টা অ্যাকাউন্টে দাবি করা হয়েছে, উদয়পুরের কোনও হেরিটেজ প্রাসাদে বসবে বিয়ের তাদের আসর। আদ্যোপান্ত ট্র্যাডিশনাল ধাঁচেই হবে বিয়ের অনুষ্ঠান। তবে সবটাই আপাতত কানাঘুষা। এই গুঞ্জন আদৌ সত্যি হবে কিনা? তা জানতে আরও অপেক্ষা করতে হবে শ্রদ্ধার ভক্তদের।

আমার শরীরে বইছে বাঙালির রক্ত : হৃতিক

আমার শরীরে বইছে বাঙালির রক্ত : হৃতিক বলিউডের ‘গ্রিক গড’ হিসেবেই তাকে চেনে গোটা দুনিয়া। সেই হৃতিক রোশনের ভেতরে যে লুকিয়ে আছে এক চতুর্থাংশ বাঙালি সত্তা তা ফের সামনে আনলেন অভিনেতা নিজেই। নতুন বছরের শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে নিজের শিকড়ের গল্প শেয়ার করে আবেগে ভাসালেন ভক্তদের। গ্রিক দেবতার মতো চেহারা, সুঠাম শরীর আর অনন্য অভিনয় দক্ষতা, এই সব গুণেই গত আড়াই দশক ধরে বলিউডের অন্যতম শীর্ষ নায়ক হৃতিক রোশন। তবে এবার আলোচনায় তার সিনেমা নয়, বরং শিকড়ের টান। সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ার করা কয়েকটি ছবির ক্যাপশনে হৃতিক লিখেছেন, ‘বোধহয় এভাবেই আমার ভেতরের ২৫ শতাংশ বাঙালি রক্ত বইছে।’ এই এক লাইনের স্বীকারোক্তিতেই যেন খুলে গেল তার পারিবারিক ইতিহাসের এক আবেগঘন অধ্যায়। হৃতিকের বাঙালি পরিচয়ের মূল সূত্র তার দাদি ইরা রোশন। বিয়ের আগে যার নাম ছিল ইরা মৈত্র। তিনি কলকাতার মেয়ে। মাত্র বিশ বছর বয়সে অল ইন্ডিয়া রেডিওতে গান গাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে কলকাতা ছাড়েন তিনি। দিল্লিতে গিয়ে পরিচয় হয় কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক রোশন লাল নাগরথের সঙ্গে। সেই পরিচয়ই পরে রূপ নেয় আজীবনের বন্ধনে। সংগীতের সেই উত্তরাধিকার আজও হৃতিকের চলন, ছন্দ আর শিল্পীসত্তায় যেন নীরবে প্রবাহিত। পরিবারে ইরা রোশন ছিলেন একেবারে বটগাছের মতো। হৃতিকের বাবা রাকেশ রোশনের ডাকনাম ছিল ‘গুড্ডু’। সেই নাম থেকেই আদরের নাতির নাম রাখেন ‘ডুগগু’। মুম্বাইয়ের ব্যস্ত জীবনের মাঝেও দাদি নাতিকে বড় করেছিলেন বাঙালি সংস্কৃতির আবহে। হৃতিক তাকে ডাকতেন ‘ঠামি’। পিয়ানো বাজানো শেখা থেকে শুরু করে মাছের ঝোল দিয়ে ভাত মেখে খাওয়া হৃতিকের শৈশব জুড়ে ছিল বাংলার ঘ্রাণ। হৃতিকের জীবনে জানুয়ারি মাস সবসময়ই বিশেষ। এই মাসেই তার জন্মদিন, এই মাসেই মুক্তি পেয়েছিল প্রথম ছবি ‘কাহো না প্যায়ার হ্যায়’। আশ্চর্যের বিষয়, তার জীবনের প্রথম মঞ্চ পরিবেশনাও হয়েছিল কলকাতায়। ২০০৫ সালে দাদি ইরা রোশনের প্রয়াণ হলেও, তার স্মৃতি আজও হৃতিকের হৃদয়ে অমলিন। বাঙালি সংস্কৃতির ছোঁয়া পেলেই নাকি তার রক্ত চনমন করে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া সেই ক্যাপশন তাই শুধু একটি বাক্য নয়- এক নাতির পক্ষ থেকে তার ‘ঠামি’র প্রতি গভীর ভালোবাসা আর শ্রদ্ধার প্রকাশ। ৫২ বছরে পা রেখেও হৃতিক বুঝিয়ে দিলেন, তিনি যত বড় তারকাই হোন না কেন, তার হৃদয়ের এক কোণে আজও জ্বলজ্বল করে সেই বাঙালি শিকড়।

দীপিকার পাঁচ জানা-অজানা অধ্যায়

দীপিকার পাঁচ জানা-অজানা অধ্যায় বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। ‘মাস্তানি’খ্যাত এ অভিনেত্রী ক্যারিয়ারে অনেক সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ৪০ বছর পূর্ণ করে একচল্লিশে পা দিতে যাচ্ছেন। বিশেষ দিন উপলক্ষে চলুন আরো একবার জেনে নিই, দীপিকার জানা-অজানা পাঁচ অধ্যায়— এক. দীপিকা পাড়ুকোনের বাবা-মা ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে বসবাস করতেন। সেখানেই জন্মগ্রহণ করেন দীপিকা। তার জন্মের কিছুদিন পরই দীপিকা পাড়ুকোনের পরিবার ভারতের বেঙ্গালুরুতে চলে আসে। দুই. দীপিকা পাড়ুকোন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। কেবল অসাধারণ অভিনেত্রীই নন, বরং একজন জাতীয় স্তরের ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়ও। তার বাবা প্রকাশ পাড়ুকোনে একজন ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পরিচিত। এর আগে এই আইকনিক অভিনেত্রী অলিম্পিক ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পিভি সিন্ধুর সঙ্গে খেলার একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছিলেন। তিন. দীপিকা পাড়ুকোনে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। কারণ দীপিকাই একমাত্র ভারতীয় অভিনেত্রী যে টাইম ম্যাগাজিনের কভারে দু’বার স্থান পেয়েছেন। চার. বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’ হেমা মালিনী বলেছেন, “দীপিকাই নতুন ড্রিম গার্ল।” সঞ্জয় লীলা বানসালি দীপিকাকে বৈজয়ন্তীমালার সঙ্গে তুলনা করেছেন, যে ছিলেন হেমা মালিনীর আদর্শ। পাঁচ. চলচ্চিত্র জগতে আসার আগে দীপিকা উঠতি অভিনেতা নিহার পান্ডিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। কিন্তু রণবীর কাপুরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর পর খুবই নাটকীয়ভাবে নিহারকে ছেড়ে দেন এই অভিনেত্রী। নিহারের সঙ্গে দীপিকার সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে একটি সিনেমা তৈরির কথা ছিল। যদিও তা বাস্তবে রূপ নেয়নি।

শুটিং শুরুর পরই আল্লু অর্জুনের সিনেমার আয় ৮১৪ কোটি টাকা?

শুটিং শুরুর পরই আল্লু অর্জুনের সিনেমার আয় ৮১৪ কোটি টাকা? ‘পুষ্পা’ তারকা আল্লু অর্জুনকে নিয়ে পরিচালক অ্যাটলি কুমারের বড় বাজেটের সিনেমা নির্মাণের ফিসফাস দীর্ঘ দিন ধরে উড়ছিল। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নতুন যাত্রার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন আল্লু অর্জুন। কেবল তাই নয়, শুটিং ফ্লোরে গড়িয়েছে সিনেমাটি। আপাতত এর নাম রাখা হয়েছে—এএ২২×এ৬’।  শুটিং শুরুর পরই মোটা অঙ্কের অর্থ আয়ের খবর পাওয়া গেছে। সিনে জোশ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শুরু থেকেই তুমুল আলোচনায় রয়েছে ‘এএ২২×এ৬’ সিনেমা। আল্লু অর্জুনের এ সিনেমার সব ভাষার ডিজিটাল স্ট্রিমিং স্বত্ব কেনা নিয়ে দৌড়ঝাঁপ করছে বিভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। এর মধ্যে নেটফ্লিক্স ৬০০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮১৪ কোটি টাকার বেশি) দিয়ে স্বত্ব কেনার প্রস্তাব দিয়েছে। এ নিয়ে উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা চলছে; এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। সম্ভাব্য এই চুক্তি সিনেমাটি ঘিরে প্রত্যাশা ও বিশালতার পরিসরের জানান দিচ্ছে। বর্তমানে মুম্বাইয়ে জোরকদমে সিনেমাটির শুটিং চলছে। কড়া সময়সূচির মধ্য দিয়ে কাজ এগোচ্ছে। সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন—দীপিকা পাড়ুকোন, জাহ্নবী কাপুর, রাশমিকা মান্দানা, মৃণাল ঠাকুর প্রমুখ। ‘এএ২২×এ৬’ সিনেমায় প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করছেন আল্লু অর্জুন ও ব্লকবাস্টার পরিচালক অ্যাটলি কুমার। সিনেমাটির বাজেট ১ হাজার কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩৫৬ কোটি টাকার বেশি); যা ভারতের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমাগুলোর মধ্যে একটি হতে যাচ্ছে।  সান পিকচার্স প্রযোজিত এ সিনেমার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন হলিউডের শীর্ষস্থানীয় ভিএফএক্স বিশেষজ্ঞরাও। ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে সিনেমাটির কাজ শেষ করার লক্ষ্য স্থির করেছেন নির্মাতারা। ২০২৭ সালের গ্রীষ্মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনা করেছেন নির্মাতারা।

‘নতুন বছরে একটাই চাওয়া, কপালের টিপটা যাতে ঠিকঠাক পরতে পারি’

‘নতুন বছরে একটাই চাওয়া, কপালের টিপটা যাতে ঠিকঠাক পরতে পারি’ জীবন আনন্দে ভরা কোনো গিফট বক্স নয়। বরং অনন্দ-বেদনার মোড়ক। মুদ্রার এপিট ওপিট নিয়েই কেটে গেছে দুই হাজার পঁচিশ। নতুন উদ্যমে কাটানোর অভিলাষ নিয়ে নতুন বছরে যাত্রা শুরু করেছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও নতুন বছর নিয়ে নানা ভাবনার কথা প্রকাশ করছেন। চিরকুট ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার, সুরকার শারমীন সুলতানা সুমি। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ফেসবুকে একটি স্থিরচিত্র পোস্ট করে এই শিল্পী বলেন, “নতুন বছরে একটাই চাওয়া, কপালের টিপটা যাতে ঠিকঠাক মাঝখানে পরতে পারি। জাদুর শহরে ২০২৬ সালকে স্বাগত।” ভক্ত-অনুরাগীরা সুমির প্রশংসা করার পাশাপাশি নতুন বছরের শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। একজন লেখেন, “মির্জা গালিব আপনাকে দেখলে কবিতা রচনা করতো।” শিজুল ইসলাম লেখেন, “ছোট টিপে তোকে ভালো লাগছে। হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০২৬।”  রিয়াজ উদ্দিন লেখেন, “পূর্ণতা।” পরামর্শ দিয়ে রাফি লেখেন, “লাল টিপ পইরেন।” তুলতুলি লেখেন, “চাওয়াটা পূর্ণতা পাক রে।” নতুন গানের দাবি জানিয়ে আল আমিন লেখেন, “নতুন বছরে নতুন গান চাই আপু।” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে কমেন্ট বক্সে।

একসঙ্গে ছুটিতে রাশমিকা-বিজয়, নতুন বছরের পোস্ট নিয়ে তুমুল আলোচনা

একসঙ্গে ছুটিতে রাশমিকা-বিজয়, নতুন বছরের পোস্ট নিয়ে তুমুল আলোচনা ক্ষিণী তারকা রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন নতুন নয়। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কখনো কোনো কথা বলেননি তারা। আবার পুরোপুরি অস্বীকারও করেননি। ফলে প্রতিটি নতুন ছবি ও পোস্ট ঘিরেই বাড়ছে অনুরাগীদের কৌতূহল। কিছুদিন আগে বন্ধুদের ‘গার্ল গ্যাং’ নিয়ে শ্রীলঙ্কায় ছুটি কাটাতে দেখা যায় রাশমিকাকে। এরপরই শোনা যায়, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বিজয়ের সঙ্গে তার বিয়ের দিনক্ষণ নাকি চূড়ান্ত। সেই সফরকে অনেকেই রাশমিকার ব্যাচলরেট ট্রিপ বলেও ধরে নেন। শ্রীলঙ্কা সফর শেষ না হতেই নতুন গুঞ্জন-বিয়ের আগেই নাকি বিজয়ের সঙ্গে ‘প্রি-হানিমুনে’ রোমে গিয়েছেন রাশমিকা। এই জল্পনার মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় রোমে তোলা একাধিক ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেন রাশমিকা। একই লোকেশন থেকে ছবি শেয়ার করেন বিজয়ও। যদিও এই বিষয়ে কেউই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ছবি পোস্ট করেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা। সেখানেই নেটিজেনদের চোখে পড়ে বিশেষ এক মুহূর্ত। ছবিতে বিজয়কে দুই হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে থাকতে দেখা যায় এক নারীকেই, যাকে দেখে অনুরাগীদের ধারণা-তিনি রাশমিকাই। যদিও সেই ছবিতে তাদের সঙ্গে বন্ধুরাও ছিলেন। নতুন পোস্টের ক্যাপশনে বিজয় লেখেন, ‘নতুন বছরের শুভেচ্ছা। আমরা একসঙ্গে আগামী দিনে আরও অনেকটা পথ চলব। একসঙ্গে বড় হব, ভালোবাসা ছড়িয়ে দেব সকলের মধ্যে। অনেকটা ভালোবাসা।’ এই বার্তাও নতুন করে আগুনে ঘি ঢালার কাজ করেছে। সিনেদুনিয়ার গুঞ্জন অনুযায়ী, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে রাজস্থানে রাজকীয় আয়োজনে সাতপাক ঘুরতে পারেন রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা। শোনা যাচ্ছে, গোপনে তাদের বাগদানও সম্পন্ন হয়েছে। ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরের এক রাজপ্রাসাদে পরিবার ও কাছের বন্ধুদের উপস্থিতিতে মালাবদল করবেন এই তারকা জুটি।

মেয়ের জন্য নতুন বছরে যে সিদ্ধান্ত নিলেন আলিয়া

মেয়ের জন্য নতুন বছরে যে সিদ্ধান্ত নিলেন আলিয়া ২০২২ সালে মা হওয়ার পর খুব বেশি বিরতি নেননি বলিউড তারকা আলিয়া ভাট। সে সময় ‘রকি অউর রানী কি প্রেম কাহানি’ সিনেমার শুটিং চলছিল। মা হওয়ার মাত্র তিন মাসের মধ্যেই আবার শুটিংয়ে ফিরেছিলেন তিনি। এরপরও টানা কাজ করে গেছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে তার মেয়ে রাহার বয়স তিন বছর। তবে এবার কর্মজীবনে কিছুটা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আলিয়া। পুরোপুরি বিরতি না নিলেও কাজের সংখ্যা কমানোর কথা জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এক ঘোষণায় অভিনেত্রী জানান, বছরে একটি ছবি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। মা হওয়ার পর মেয়েকে সময় দেওয়ার তাগিদ থেকেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানান আলিয়া। এ বিষয়ে আলিয়া ভাট বলেন, ‘আগে বছরে একসঙ্গে তিনটি করে সিনেমা করতাম, সেটাই স্বাভাবিক মনে হতো। এখন মা হওয়ার পর জীবনের গতি অনেকটাই ধীর করেছি।’ এখন আর বছরে একাধিক সিনেমাতে কাজ করার প্রয়োজন বা তাগিদ অনুভব করেন না বলেও জানান তিনি। বর্তমানে আলিয়ার হাতে দুটি সিনেমার কাজ রয়েছে। একটি ‘আলফা’, অন্যটি ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’। ‘আলফা’ সিনেমায় বেশ কিছু অ্যাকশন দৃশ্যে অভিনয় করেছেন তিনি। এই ধরনের চরিত্র ও কাজেই বর্তমানে আগ্রহ বেশি আলিয়ার। সিনেমাটিতে তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন শর্বরী ওয়াঘ ও ববি দেওল। অন্যদিকে সঞ্জয় লীলা ভানসালীর পরিচালনায় নির্মিত ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ সিনেমায় আলিয়ার সঙ্গে দেখা যাবে রণবীর কাপুর ও ভিকি কৌশলকে। সিনেমাটি ২০২৬ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও এখন শোনা যাচ্ছে, মুক্তির তারিখ কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে।  

প্রকাশ্যে আসলো বিজয়-রাশমিকার বিয়ের তারিখ

প্রকাশ্যে আসলো বিজয়-রাশমিকার বিয়ের তারিখ দক্ষিণী সিনেমার দুই সুপারস্টার বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রাশমিকা মান্দানা অবশেষে তাদের দীর্ঘদিনের ভালোবাসাকে পরিণয়ের মোড়কে বাঁধছেন। গত অক্টোবরে হায়দরাবাদে বিজয়ের বাড়িতে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের উপস্থিতিতে বাগদান সম্পন্ন হয়েছিল। যদিও বাগদানের কোনো ছবি প্রকাশ্যে আসেনি, দুজনের আঙুলে থাকা এনগেজমেন্ট রিং থেকেই বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়। বিজয়ের টিম ইতিমধ্যেই জানিয়েছিল, বাগদান সম্পন্ন হয়েছে এবং বিয়ে হবে ২০২৬ সালে। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের উদয়পুরের একটি ঐতিহাসিক রাজকীয় প্রাসাদে অনুষ্ঠিত হবে এই তারকাবহুল বিয়ে। অনুষ্ঠান হবে একান্ত ব্যক্তিগত, যেখানে উপস্থিত থাকবেন শুধুমাত্র পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা। তবে বিয়ের পরপরই হায়দরাবাদে ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের জন্য আলাদা উদযাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। সম্প্রতি রাশমিকার ‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’ সিনেমার সাফল্য উদযাপনে দুজনের প্রকাশ্য ভালোবাসার মুহূর্ত দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ে। একটি অনুষ্ঠানে বিজয় রাশমিকার হাত ধরে চুম্বন করেন এবং রাশমিকা মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকান, যা তৎক্ষণাৎ আলোচনার জন্ম দেয়। উল্লেখ্য, রাশমিকার জীবনে এটি দ্বিতীয়বারের মতো বাগদান থেকে বিয়ের পথে এগোনো। ২০১৭ সালে অভিনেতা রক্ষিত শেঠির সঙ্গে তার বাগদান হয়েছিল, যা ২০১৮ সালে ভেঙে যায়। বিজয় ও রাশমিকার বয়সের ব্যবধান সাত বছর, রাশমিকার জন্ম ১৯৯৬ সালে এবং বিজয়ের ১৯৮৯ সালে। সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের দক্ষিণী শোবিজের সবচেয়ে আলোচিত ও প্রতীক্ষিত বিয়ের তালিকায় এই জুটির নাম শীর্ষে থাকবে।

গ্যালারিতে রঙিন নোরা ফাতেহি, হৃদয় জুড়ে মরক্কোর কোন ফুটবলার

গ্যালারিতে রঙিন নোরা ফাতেহি, হৃদয় জুড়ে মরক্কোর কোন ফুটবলার বলিউডের ড্যান্স ফ্লোর কাঁপানো নোরা ফাতেহি মানেই গ্ল্যামার, গুঞ্জন আর চমক। কখনো আইটেম গানে ঝড়, কখনো স্টেজ শো, সবসময়ই আলোচনার কেন্দ্রে তিনি। তবে এবার আলোচনার বিষয় নাচ নয়, বরং নোরার হৃদয়। প্রশ্ন একটাই, কোন ফুটবলারের প্রেমে মজেছেন এই গ্ল্যামার গার্ল? সবে এক ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন নোরা। সানবার্ন ফেস্টিভ্যালে যাওয়ার পথে মুম্বাইয়ে তার গাড়িতে ধাক্কা দেয় মদ্যপ এক ব্যক্তি। বড় বিপদ এড়ালেও সেই রেশ কাটতে না কাটতেই নোরার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। সম্প্রতি আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের একটি ম্যাচ দেখতে মরক্কো গিয়েছিলেন নোরা ফাতেহি। বাইরে থেকে দেখলে সেটি নিছকই একটি ফুটবল ম্যাচ। কিন্তু ভেতরের গল্পটা নাকি একেবারেই অন্যরকম! বলিউড মহলের ফিসফাস, ম্যাচ দেখা ছিল কেবল অজুহাত। আসল আকর্ষণ ছিল মাঠে থাকা এক বিশেষ ফুটবলার। গুঞ্জন বলছে, সেই ফুটবলারই নোরার ‘বিশেষ মানুষ’। ম্যাচের আগেও দুবাই ও মরক্কোয় একাধিকবার তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে বলে দাবি বিভিন্ন সূত্রের। এমনকি একাধিক ডেটিংয়ের কথাও শোনা যাচ্ছে! মরক্কো বনাম কোমোরোসের ম্যাচে গ্যালারিতে লাল পোশাকে নোরার উপস্থিতি যেন আগুনে ঘি ঢেলে দেয়। ওই ম্যাচে মরক্কো ২-০ গোলে জয় পায়। ম্যাচ ঘিরে নোরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুটি পোস্টও করেন। এক ভিডিওতে দেখা যায়, এক সহচরীর সঙ্গে মরক্কোর পতাকা হাতে নাচছেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন, ‌‘খুবই হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ ছিল। তবে বিরতির পর আমাদের ছেলেরা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।’ এই ‘আমাদের ছেলেরা’- এই শব্দটাই এখন রহস্যের কেন্দ্রে! তাহলে কি হৃদয়ের মানুষও সেই ‘আমাদের’ দলেরই কেউ? যদিও এখনো পর্যন্ত নোরা ফাতেহি কিংবা সেই রহস্যময় ফুটবলার দুজনের কেউই মুখ খোলেননি। ফলে নাম, পরিচয় আর প্রেম, সবই আপাতত রয়ে গেছে জল্পনার আড়ালেই।

‘হঠাৎ আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো ইট-পাথর পড়তে শুরু করে’

‘হঠাৎ আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো ইট-পাথর পড়তে শুরু করে’ ফরিদপুর জিলা স্কুলের ১৮৫ বছর পূর্তি ও পুনর্মিলনী হওয়ার কথা ছিল স্মরণীয় এক আনন্দোৎসব। হাজারও প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীর উচ্ছ্বাস, নগর বাউল জেমসের আগমন। সব মিলিয়ে স্কুল প্রাঙ্গণ যেন পরিণত হয়েছিল উৎসবের রঙিন মঞ্চে। কিন্তু গান শুরুর আগমুহূর্তেই সেই আনন্দ বদলে যায় আতঙ্ক আর বিশৃঙ্খলায়। ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন অনুষ্ঠানের উপস্থাপক শ্রাবণ্য তৌহিদা। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি তুলে ধরেছেন সেদিনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা। শ্রাবণ্য জানান, অনুষ্ঠান তখন বেশ সুন্দরভাবেই এগুচ্ছিলো। জেমস মঞ্চে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তিনি নিজে মঞ্চে দাঁড়িয়ে র‍্যাফেল ড্র পরিচালনা করছিলেন। ঠিক তখনই হঠাৎ আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো ইট-পাথর পড়তে শুরু করে।  তিনি লেখেন, হঠাৎ একটি বড় পাথর ঠিক আমার সামনেই এসে পড়ল। মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু বদলে গেল। মানুষের চোখেমুখে তখন শুধুই ভয়। প্রায় ১৫ হাজার মানুষের ভিড় সামলাতে আয়োজকদের তখন হিমশিম খেতে হয়। ইটের আঘাতে অনুষ্ঠানস্থলেই অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থীসহ বহু মানুষ আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় প্রায় তিন ঘণ্টা অনিশ্চয়তার পর নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অনুষ্ঠান বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় আয়োজক কমিটি।  আয়োজক কমিটির সূত্র জানায়, এই অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র নিবন্ধিত প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ছিল। তবে জেমসের কনসার্টের খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্কুলের বাইরে ভিড় জমান অসংখ্য অনিবন্ধিত দর্শক। ভেতরে ঢুকতে না পেরে তারা স্কুলের আশপাশে অবস্থান নেন এবং একপর্যায়ে দেয়াল টপকে ঢোকার চেষ্টা করেন। বাধা দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের দিক থেকে স্কুল প্রাঙ্গণ ও মঞ্চ লক্ষ্য করে শুরু হয় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ। এতে আয়োজক কমিটির আহ্বায়কসহ অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন। শ্রাবণ্য তৌহিদা আক্ষেপ করে বলেন, “শিল্পী হিসেবে তিনি ও জেমস দুজনই পারিশ্রমিক পেয়েছেন। কিন্তু হাজারও মানুষের স্বপ্নভঙ্গ আর যে মানসিক আঘাত তৈরি হয়েছে তা কোনো অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।”