বক্স অফিসে কত টাকা আয় করল ‘দ্য রাজাসাব’?

বক্স অফিসে কত টাকা আয় করল ‘দ্য রাজাসাব’? আলোচিত ‘দ্য রাজাসাব’ সিনেমা দিয়ে ২০২৬ সাল শুরু করেছেন তারকা অভিনেতা প্রভাস। মারুতি নির্মিত এ সিনেমা গত ৯ জানুয়ারি থেকে বিশ্বের ৩ হাজার ২০০ পর্দায় প্রদর্শিত হচ্ছে। ফ্যান্টাসি হরর-কমেডি ঘরানার সিনেমাটি তেলেগু, তামিল, কন্নড়, মালায়ালাম ও হিন্দি ভাষায় মুক্তি পেয়েছে।  মুক্তির পরই সমালোচকদের কাছ থেকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া লাভ করে সিনেমাটি। দুর্বল চিত্রনাট্য, বিষয়বস্তুর অভাব, যুক্তিহীনভাবে গল্প টেনে নেওয়া নিয়ে সমালোচনা করেছেন। যদিও প্রভাসের অভিনয় প্রশংসা কুড়াচ্ছে। ডেকান ক্রনিকলের বি.ভি.এস. প্রকাশ সিনেমাটিকে পাঁচে রেটিং দিয়েছেন দুই। এটিকে হালকা গল্প, সেকেলে হাস্যরস অসামঞ্জস্যপূর্ণ নির্মাণশৈলী বলে মন্তব্য করেছেন। ‘দ্য রাজাসাব’ নিয়ে সমালোচকেরা কড়া সমালোচনা করলেও বক্স অফিসে শুরুটা দারুণ। তারপর ওঠানামার মধ্য দিয়ে যায় আয়ের গ্রাফ। যদিও এখন তা নিম্নমুখী। বলি মুভি রিভিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মুক্তির প্রথম দিয়ে সিনেমাটি আয় করেছে ৫৪ কোটি রুপি (নিট), দ্বিতীয় দিনে আয় করেছে ২৫ কোটি রুপি (নিট), তৃতীয় দিনে আয় করেছে ২০ কোটি রুপি, চতুর্থ দিনে আয় করেছে ৬ কোটি রুপি। পঞ্চম দিনে আয় করেছে ৫ কোটি রুপি (নিট), ৬ষ্ঠ দিনে আয় করেছে ৫ কোটি রুপি, সপ্তম দিনে আয় করেছে ৬ কোটি রুপি, অষ্টম ও নবম দিনে যথাক্রমে আয় করেছে ৩.২৫, ৩ কোটি রুপি। ভারতে সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১২৯.২৫ কোটি রুপি (নিট)। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় ১৯৭.৯ কোটি রুপি (গ্রস)। বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৬৬.৭২ কোটি টাকার বেশি। তবে স্যাকনিল্কের প্রতিবেদনে আয় খানিকটা কম। তাদের তথ্য অনুযায়ী, ৯ দিনে ‘দ্য রাজাসাব’ সিনেমা ভারতে আয় করেছে ১৩৬.৬১ কোটি রুপি (নিট)। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৯৩ কোটি রুপি (গ্রস)। বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৬০ কোটি ১২ লাখ টাকা। প্রভাস ছাড়াও সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সঞ্জয় দত্ত, নিধি আগরওয়াল, মালবিকা মোহনান, ঋদ্ধি কুমার প্রমুখ। সিনেমাটিতে ‘বেসি’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন নিধি আগারওয়াল। এটি তার জীবনের অন্যতম বিশেষ সিনেমা। এ অভিনেত্রী বলেন, “শুটিং সেটে যে আনন্দ ও স্বাচ্ছন্দ্য পেয়েছি, তা আগে কখনো পাইনি।” ৪০০ কোটি রুপি বাজেটের এ সিনেমা প্রযোজনা করেছেন টি. জি. বিশ্ব প্রসাদ। মুক্তির আগে ‘দ্য রাজাসাব’ সিনেমা আয় করেছে ২০৭ কোটি রুপি।

ভালোবাসা দিবসে ধানুশকে বিয়ে করছেন ম্রুণাল?

ভালোবাসা দিবসে ধানুশকে বিয়ে করছেন ম্রুণাল? ২০২৫ সালের শুরু থেকেই ম্রুণাল ঠাকুর ও ধানুশের প্রেমের গুঞ্জন চলছিল। তবে ২০২৫ সালের আগস্টে সেই গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুলে ম্রুণাল। এই অভিনেত্রী জানান, ধানুশ তার কাছে ‘শুধুই একজন ভালো বন্ধু’। নতুন করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করার পরিকল্পনা করছেন ম্রুণাল ঠাকুর ও ধানুশ। গুঞ্জন অনুযায়ী, এই বিয়ে হবে একেবারেই ব্যক্তিগত পরিসরে, যেখানে থাকবেন কেবল পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা। তবে এই বিষয় নিয়ে এখন পর্যন্ত দুই অভিনয়শিৈল্পী বা তাদের টিমের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। ‘সন অব সরদার ২’-এর বিশেষ প্রদর্শনীতে হাজির হয়েছিলেন ধানুশ। তখন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, ম্রুণালের জন্যই চেন্নাই থেকে মুম্বাই উড়ে এসেছেন ধানুশ। এ বিষয়ে ম্রুণাল বলেছিলেন, ধানুশ ‘সন অব সরদার ২’-এর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তবে এটা নিয়ে কেউ যেন ভুল না বোঝেন। তাকে আমি নই, আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন অজয় দেবগন। এ ছাড়া ধানুশের ‘তেরে ইশ্ক মে’-এর সঙ্গে যুক্ত না থাকা সত্ত্বেও ম্রুণাল তার সিনেমার র‍্যাপআপ পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন, যা নিয়েও অনুরাগীরা নানা প্রশ্ন তোলেন। ১ আগস্ট ম্রুণালের জন্মদিনের পার্টিতেও উপস্থিত ছিলেন ধানুশ। ধানুশ এর আগে ২০০৪ সালে অভিনেতা রজনীকান্তর কন্যা নির্মাতা ঐশ্বরিয়া রজনীকান্তকে বিয়ে করেন। ২০২২ সালে তারা আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত ও ২০২৪ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুই সন্তান রয়েছে।

ছেলেকে পর্দায় নিয়ে আসবেন প্রসেনজিৎ?

ছেলেকে পর্দায় নিয়ে আসবেন প্রসেনজিৎ? স্বজনপোষণ বিতর্কে বারবার বলিউডের একাধিক তারকার নাম উঠে এসেছে। সেই আলোচনার বাইরে নেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের টলিউডও। তারকা-সন্তানেরা মা-বাবার পথ অনুসরণ করলেই অনেক সময় ধেয়ে আসে কটাক্ষের ঝড়। প্রশ্ন ওঠে যোগ্যতা আর পরিশ্রমের মানদণ্ড নিয়েও।  অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে তৃষাণজিৎ ওরফে মিশুককে নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। শোনা যাচ্ছে, বাবার মতোই অভিনয়কেই পেশা হিসেবে বেছে নিতে চলেছেন তিনি। তারকা-সন্তান হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার আগেই তাকে ঘিরে কৌতূহল, প্রত্যাশা ও সমালোচনা, সবই দানা বাঁধতে শুরু করেছে। এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন প্রসেনজিৎ। তিনি জানান, ছেলে মিশুক এখন অভিনেতা হয়ে ওঠার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছে। ছেলের স্বপ্নপূরণে তিনি পাশে থাকলেও, পর্দায় হাতেখড়ির ক্ষেত্রে তারকা বাবার কোনও রকম হস্তক্ষেপ থাকবে না।  অভিনেতার কথায়, ও যদি অভিনেতা হতে চায়, ওকেও আর দশজন অভিনেতার মতোই ওই জার্নিটার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। যেটা ও করছে। মুম্বাই যাচ্ছে, ভালো ভালো মানুষদের কাছে সাতদিন-আটদিন করে ওয়ার্কশপ করছে। প্রসেনজিৎ জানান, ইতোমধ্যেই অভিনেতা হিসাবে পরিণত হওয়ার পথে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছেন মিশুক। নিজেকে সব দিক থেকেই প্রস্তুত করছেন তিনি। অভিনেতা বলেন, এই জায়গাটা খুব কঠিন। শুধু ভাগ্যের উপর নির্ভর করে কিছু হয় না। তাই ও প্রস্তুত হোক। যেদিন ও বুঝবে, ও ওর মতো করে আসতে পারবে, আসবে। আমি ওকে বলে দিয়েছি, এই জায়গাটা একটা যুদ্ধক্ষেত্র। লড়াই করতে হবে। এর মধ্যে ভালো থাকবে, মন্দ থাকবে। তোমাকে লড়াই করতে হবে। পূজায় মুক্তি পাওয়া ‘দেবী চৌধুরাণী’র সাফল্যের পর নতুন সিনেমা নিয়ে বড়পর্দায় ফিরছেন প্রসেনজিৎ। আবারো জনপ্রিয় চরিত্র ‘কাকাবাবু’র ভূমিকায় তাকে দেখা যাবে। চলতি মাসেই মুক্তি পেতে চলেছে ‘বিজয়নগরের হীরে’। আপাতত তারই প্রস্তুতিতে ব্যস্ত অভিনেতা।

মোদি পরিবারের বউ হচ্ছেন শ্রদ্ধা!

মোদি পরিবারের বউ হচ্ছেন শ্রদ্ধা! কয়েকদিন আগেই বিয়ের গুঞ্জন উসকে দিয়েছিলেন বলিউডের অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর। কোনওরকম রাখঢাক না করেই ভক্তদের প্রশ্নে একবাক্যে জানিয়েছিলেন, ‘আমি বিয়ে করছি…’। এবার কানাঘুষা, ২০২৬ সালেই নাকি বিয়ে করতে চলেছেন নায়িকা। তবে কার সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন শ্রদ্ধা? অভিনেত্রী যে বছরখানেক ধরে রাহুল মোদির সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন, সেখবর বলিউডে নতুন নয়! বহুবার একসঙ্গে তাদের কফিশপ, রেস্তরাঁ থেকে প্রিমিয়ার, বলিউডের হাইপ্রোফাইল পার্টিতে একসঙ্গে দেখা গেছে। সেসব ছবি নিয়ে কম চর্চা হয়নি সিনেদুনিয়ায়। শ্রদ্ধার প্রেমিক হিসেবে রাহুলকে দেখে যদিও অনেকেরই বিস্ময় হয়েছিল! তবে এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, বলিউডে কাজের সংখ্যা কিন্তু নেহাত কম নয় নায়িকার প্রেমিকের। সহকারী পরিচালক হওয়ার পাশাপাশি গল্পকার হিসেবেও হিন্দি সিনেমা দুনিয়ায় নামডাক রয়েছে রাহুল মোদির। ‘প্যায়ার কা পঞ্চনামা ২’ থেকে ‘সোনু কে টিটু…’র মতো একাধিক সিনেমায় কাজ করেছেন। এবার খবর, দীর্ঘদিনের প্রেমিকের সঙ্গে রাজস্থানে রাজকীয়ভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন শ্রদ্ধা কাপুর। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের বিয়ের খবর ঘোষণা করেনি তারকাজুটি। তবে শোনা যাচ্ছে, চলতি বছরেই উদয়পুরে রাহুল মোদির সঙ্গে শ্রদ্ধার চারহাত এক হতে চলেছে। ‘টেলিক্রিয়েটস’ নামে এক ইনস্টা অ্যাকাউন্টে দাবি করা হয়েছে, উদয়পুরের কোনও হেরিটেজ প্রাসাদে বসবে বিয়ের তাদের আসর। আদ্যোপান্ত ট্র্যাডিশনাল ধাঁচেই হবে বিয়ের অনুষ্ঠান। তবে সবটাই আপাতত কানাঘুষা। এই গুঞ্জন আদৌ সত্যি হবে কিনা? তা জানতে আরও অপেক্ষা করতে হবে শ্রদ্ধার ভক্তদের।

আমার শরীরে বইছে বাঙালির রক্ত : হৃতিক

আমার শরীরে বইছে বাঙালির রক্ত : হৃতিক বলিউডের ‘গ্রিক গড’ হিসেবেই তাকে চেনে গোটা দুনিয়া। সেই হৃতিক রোশনের ভেতরে যে লুকিয়ে আছে এক চতুর্থাংশ বাঙালি সত্তা তা ফের সামনে আনলেন অভিনেতা নিজেই। নতুন বছরের শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে নিজের শিকড়ের গল্প শেয়ার করে আবেগে ভাসালেন ভক্তদের। গ্রিক দেবতার মতো চেহারা, সুঠাম শরীর আর অনন্য অভিনয় দক্ষতা, এই সব গুণেই গত আড়াই দশক ধরে বলিউডের অন্যতম শীর্ষ নায়ক হৃতিক রোশন। তবে এবার আলোচনায় তার সিনেমা নয়, বরং শিকড়ের টান। সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ার করা কয়েকটি ছবির ক্যাপশনে হৃতিক লিখেছেন, ‘বোধহয় এভাবেই আমার ভেতরের ২৫ শতাংশ বাঙালি রক্ত বইছে।’ এই এক লাইনের স্বীকারোক্তিতেই যেন খুলে গেল তার পারিবারিক ইতিহাসের এক আবেগঘন অধ্যায়। হৃতিকের বাঙালি পরিচয়ের মূল সূত্র তার দাদি ইরা রোশন। বিয়ের আগে যার নাম ছিল ইরা মৈত্র। তিনি কলকাতার মেয়ে। মাত্র বিশ বছর বয়সে অল ইন্ডিয়া রেডিওতে গান গাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে কলকাতা ছাড়েন তিনি। দিল্লিতে গিয়ে পরিচয় হয় কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক রোশন লাল নাগরথের সঙ্গে। সেই পরিচয়ই পরে রূপ নেয় আজীবনের বন্ধনে। সংগীতের সেই উত্তরাধিকার আজও হৃতিকের চলন, ছন্দ আর শিল্পীসত্তায় যেন নীরবে প্রবাহিত। পরিবারে ইরা রোশন ছিলেন একেবারে বটগাছের মতো। হৃতিকের বাবা রাকেশ রোশনের ডাকনাম ছিল ‘গুড্ডু’। সেই নাম থেকেই আদরের নাতির নাম রাখেন ‘ডুগগু’। মুম্বাইয়ের ব্যস্ত জীবনের মাঝেও দাদি নাতিকে বড় করেছিলেন বাঙালি সংস্কৃতির আবহে। হৃতিক তাকে ডাকতেন ‘ঠামি’। পিয়ানো বাজানো শেখা থেকে শুরু করে মাছের ঝোল দিয়ে ভাত মেখে খাওয়া হৃতিকের শৈশব জুড়ে ছিল বাংলার ঘ্রাণ। হৃতিকের জীবনে জানুয়ারি মাস সবসময়ই বিশেষ। এই মাসেই তার জন্মদিন, এই মাসেই মুক্তি পেয়েছিল প্রথম ছবি ‘কাহো না প্যায়ার হ্যায়’। আশ্চর্যের বিষয়, তার জীবনের প্রথম মঞ্চ পরিবেশনাও হয়েছিল কলকাতায়। ২০০৫ সালে দাদি ইরা রোশনের প্রয়াণ হলেও, তার স্মৃতি আজও হৃতিকের হৃদয়ে অমলিন। বাঙালি সংস্কৃতির ছোঁয়া পেলেই নাকি তার রক্ত চনমন করে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া সেই ক্যাপশন তাই শুধু একটি বাক্য নয়- এক নাতির পক্ষ থেকে তার ‘ঠামি’র প্রতি গভীর ভালোবাসা আর শ্রদ্ধার প্রকাশ। ৫২ বছরে পা রেখেও হৃতিক বুঝিয়ে দিলেন, তিনি যত বড় তারকাই হোন না কেন, তার হৃদয়ের এক কোণে আজও জ্বলজ্বল করে সেই বাঙালি শিকড়।

দীপিকার পাঁচ জানা-অজানা অধ্যায়

দীপিকার পাঁচ জানা-অজানা অধ্যায় বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। ‘মাস্তানি’খ্যাত এ অভিনেত্রী ক্যারিয়ারে অনেক সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ৪০ বছর পূর্ণ করে একচল্লিশে পা দিতে যাচ্ছেন। বিশেষ দিন উপলক্ষে চলুন আরো একবার জেনে নিই, দীপিকার জানা-অজানা পাঁচ অধ্যায়— এক. দীপিকা পাড়ুকোনের বাবা-মা ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে বসবাস করতেন। সেখানেই জন্মগ্রহণ করেন দীপিকা। তার জন্মের কিছুদিন পরই দীপিকা পাড়ুকোনের পরিবার ভারতের বেঙ্গালুরুতে চলে আসে। দুই. দীপিকা পাড়ুকোন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। কেবল অসাধারণ অভিনেত্রীই নন, বরং একজন জাতীয় স্তরের ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়ও। তার বাবা প্রকাশ পাড়ুকোনে একজন ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পরিচিত। এর আগে এই আইকনিক অভিনেত্রী অলিম্পিক ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পিভি সিন্ধুর সঙ্গে খেলার একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছিলেন। তিন. দীপিকা পাড়ুকোনে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। কারণ দীপিকাই একমাত্র ভারতীয় অভিনেত্রী যে টাইম ম্যাগাজিনের কভারে দু’বার স্থান পেয়েছেন। চার. বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’ হেমা মালিনী বলেছেন, “দীপিকাই নতুন ড্রিম গার্ল।” সঞ্জয় লীলা বানসালি দীপিকাকে বৈজয়ন্তীমালার সঙ্গে তুলনা করেছেন, যে ছিলেন হেমা মালিনীর আদর্শ। পাঁচ. চলচ্চিত্র জগতে আসার আগে দীপিকা উঠতি অভিনেতা নিহার পান্ডিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। কিন্তু রণবীর কাপুরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর পর খুবই নাটকীয়ভাবে নিহারকে ছেড়ে দেন এই অভিনেত্রী। নিহারের সঙ্গে দীপিকার সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে একটি সিনেমা তৈরির কথা ছিল। যদিও তা বাস্তবে রূপ নেয়নি।

শুটিং শুরুর পরই আল্লু অর্জুনের সিনেমার আয় ৮১৪ কোটি টাকা?

শুটিং শুরুর পরই আল্লু অর্জুনের সিনেমার আয় ৮১৪ কোটি টাকা? ‘পুষ্পা’ তারকা আল্লু অর্জুনকে নিয়ে পরিচালক অ্যাটলি কুমারের বড় বাজেটের সিনেমা নির্মাণের ফিসফাস দীর্ঘ দিন ধরে উড়ছিল। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নতুন যাত্রার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন আল্লু অর্জুন। কেবল তাই নয়, শুটিং ফ্লোরে গড়িয়েছে সিনেমাটি। আপাতত এর নাম রাখা হয়েছে—এএ২২×এ৬’।  শুটিং শুরুর পরই মোটা অঙ্কের অর্থ আয়ের খবর পাওয়া গেছে। সিনে জোশ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শুরু থেকেই তুমুল আলোচনায় রয়েছে ‘এএ২২×এ৬’ সিনেমা। আল্লু অর্জুনের এ সিনেমার সব ভাষার ডিজিটাল স্ট্রিমিং স্বত্ব কেনা নিয়ে দৌড়ঝাঁপ করছে বিভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। এর মধ্যে নেটফ্লিক্স ৬০০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮১৪ কোটি টাকার বেশি) দিয়ে স্বত্ব কেনার প্রস্তাব দিয়েছে। এ নিয়ে উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা চলছে; এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। সম্ভাব্য এই চুক্তি সিনেমাটি ঘিরে প্রত্যাশা ও বিশালতার পরিসরের জানান দিচ্ছে। বর্তমানে মুম্বাইয়ে জোরকদমে সিনেমাটির শুটিং চলছে। কড়া সময়সূচির মধ্য দিয়ে কাজ এগোচ্ছে। সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন—দীপিকা পাড়ুকোন, জাহ্নবী কাপুর, রাশমিকা মান্দানা, মৃণাল ঠাকুর প্রমুখ। ‘এএ২২×এ৬’ সিনেমায় প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করছেন আল্লু অর্জুন ও ব্লকবাস্টার পরিচালক অ্যাটলি কুমার। সিনেমাটির বাজেট ১ হাজার কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩৫৬ কোটি টাকার বেশি); যা ভারতের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমাগুলোর মধ্যে একটি হতে যাচ্ছে।  সান পিকচার্স প্রযোজিত এ সিনেমার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন হলিউডের শীর্ষস্থানীয় ভিএফএক্স বিশেষজ্ঞরাও। ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে সিনেমাটির কাজ শেষ করার লক্ষ্য স্থির করেছেন নির্মাতারা। ২০২৭ সালের গ্রীষ্মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনা করেছেন নির্মাতারা।

‘নতুন বছরে একটাই চাওয়া, কপালের টিপটা যাতে ঠিকঠাক পরতে পারি’

‘নতুন বছরে একটাই চাওয়া, কপালের টিপটা যাতে ঠিকঠাক পরতে পারি’ জীবন আনন্দে ভরা কোনো গিফট বক্স নয়। বরং অনন্দ-বেদনার মোড়ক। মুদ্রার এপিট ওপিট নিয়েই কেটে গেছে দুই হাজার পঁচিশ। নতুন উদ্যমে কাটানোর অভিলাষ নিয়ে নতুন বছরে যাত্রা শুরু করেছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও নতুন বছর নিয়ে নানা ভাবনার কথা প্রকাশ করছেন। চিরকুট ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার, সুরকার শারমীন সুলতানা সুমি। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ফেসবুকে একটি স্থিরচিত্র পোস্ট করে এই শিল্পী বলেন, “নতুন বছরে একটাই চাওয়া, কপালের টিপটা যাতে ঠিকঠাক মাঝখানে পরতে পারি। জাদুর শহরে ২০২৬ সালকে স্বাগত।” ভক্ত-অনুরাগীরা সুমির প্রশংসা করার পাশাপাশি নতুন বছরের শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। একজন লেখেন, “মির্জা গালিব আপনাকে দেখলে কবিতা রচনা করতো।” শিজুল ইসলাম লেখেন, “ছোট টিপে তোকে ভালো লাগছে। হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০২৬।”  রিয়াজ উদ্দিন লেখেন, “পূর্ণতা।” পরামর্শ দিয়ে রাফি লেখেন, “লাল টিপ পইরেন।” তুলতুলি লেখেন, “চাওয়াটা পূর্ণতা পাক রে।” নতুন গানের দাবি জানিয়ে আল আমিন লেখেন, “নতুন বছরে নতুন গান চাই আপু।” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে কমেন্ট বক্সে।

একসঙ্গে ছুটিতে রাশমিকা-বিজয়, নতুন বছরের পোস্ট নিয়ে তুমুল আলোচনা

একসঙ্গে ছুটিতে রাশমিকা-বিজয়, নতুন বছরের পোস্ট নিয়ে তুমুল আলোচনা ক্ষিণী তারকা রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন নতুন নয়। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কখনো কোনো কথা বলেননি তারা। আবার পুরোপুরি অস্বীকারও করেননি। ফলে প্রতিটি নতুন ছবি ও পোস্ট ঘিরেই বাড়ছে অনুরাগীদের কৌতূহল। কিছুদিন আগে বন্ধুদের ‘গার্ল গ্যাং’ নিয়ে শ্রীলঙ্কায় ছুটি কাটাতে দেখা যায় রাশমিকাকে। এরপরই শোনা যায়, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বিজয়ের সঙ্গে তার বিয়ের দিনক্ষণ নাকি চূড়ান্ত। সেই সফরকে অনেকেই রাশমিকার ব্যাচলরেট ট্রিপ বলেও ধরে নেন। শ্রীলঙ্কা সফর শেষ না হতেই নতুন গুঞ্জন-বিয়ের আগেই নাকি বিজয়ের সঙ্গে ‘প্রি-হানিমুনে’ রোমে গিয়েছেন রাশমিকা। এই জল্পনার মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় রোমে তোলা একাধিক ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেন রাশমিকা। একই লোকেশন থেকে ছবি শেয়ার করেন বিজয়ও। যদিও এই বিষয়ে কেউই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ছবি পোস্ট করেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা। সেখানেই নেটিজেনদের চোখে পড়ে বিশেষ এক মুহূর্ত। ছবিতে বিজয়কে দুই হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে থাকতে দেখা যায় এক নারীকেই, যাকে দেখে অনুরাগীদের ধারণা-তিনি রাশমিকাই। যদিও সেই ছবিতে তাদের সঙ্গে বন্ধুরাও ছিলেন। নতুন পোস্টের ক্যাপশনে বিজয় লেখেন, ‘নতুন বছরের শুভেচ্ছা। আমরা একসঙ্গে আগামী দিনে আরও অনেকটা পথ চলব। একসঙ্গে বড় হব, ভালোবাসা ছড়িয়ে দেব সকলের মধ্যে। অনেকটা ভালোবাসা।’ এই বার্তাও নতুন করে আগুনে ঘি ঢালার কাজ করেছে। সিনেদুনিয়ার গুঞ্জন অনুযায়ী, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে রাজস্থানে রাজকীয় আয়োজনে সাতপাক ঘুরতে পারেন রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা। শোনা যাচ্ছে, গোপনে তাদের বাগদানও সম্পন্ন হয়েছে। ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরের এক রাজপ্রাসাদে পরিবার ও কাছের বন্ধুদের উপস্থিতিতে মালাবদল করবেন এই তারকা জুটি।

মেয়ের জন্য নতুন বছরে যে সিদ্ধান্ত নিলেন আলিয়া

মেয়ের জন্য নতুন বছরে যে সিদ্ধান্ত নিলেন আলিয়া ২০২২ সালে মা হওয়ার পর খুব বেশি বিরতি নেননি বলিউড তারকা আলিয়া ভাট। সে সময় ‘রকি অউর রানী কি প্রেম কাহানি’ সিনেমার শুটিং চলছিল। মা হওয়ার মাত্র তিন মাসের মধ্যেই আবার শুটিংয়ে ফিরেছিলেন তিনি। এরপরও টানা কাজ করে গেছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে তার মেয়ে রাহার বয়স তিন বছর। তবে এবার কর্মজীবনে কিছুটা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আলিয়া। পুরোপুরি বিরতি না নিলেও কাজের সংখ্যা কমানোর কথা জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এক ঘোষণায় অভিনেত্রী জানান, বছরে একটি ছবি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। মা হওয়ার পর মেয়েকে সময় দেওয়ার তাগিদ থেকেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানান আলিয়া। এ বিষয়ে আলিয়া ভাট বলেন, ‘আগে বছরে একসঙ্গে তিনটি করে সিনেমা করতাম, সেটাই স্বাভাবিক মনে হতো। এখন মা হওয়ার পর জীবনের গতি অনেকটাই ধীর করেছি।’ এখন আর বছরে একাধিক সিনেমাতে কাজ করার প্রয়োজন বা তাগিদ অনুভব করেন না বলেও জানান তিনি। বর্তমানে আলিয়ার হাতে দুটি সিনেমার কাজ রয়েছে। একটি ‘আলফা’, অন্যটি ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’। ‘আলফা’ সিনেমায় বেশ কিছু অ্যাকশন দৃশ্যে অভিনয় করেছেন তিনি। এই ধরনের চরিত্র ও কাজেই বর্তমানে আগ্রহ বেশি আলিয়ার। সিনেমাটিতে তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন শর্বরী ওয়াঘ ও ববি দেওল। অন্যদিকে সঞ্জয় লীলা ভানসালীর পরিচালনায় নির্মিত ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ সিনেমায় আলিয়ার সঙ্গে দেখা যাবে রণবীর কাপুর ও ভিকি কৌশলকে। সিনেমাটি ২০২৬ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও এখন শোনা যাচ্ছে, মুক্তির তারিখ কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে।