নায়ক সোহমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা

নায়ক সোহমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেতা ও তৃণমূলের বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন অভিনেতা শাহিদ। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টে মামলাটি করেন তিনি। শোবিজ অঙ্গনে সবাই তাকে শুভম নামেই চেনেন। সোহমের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের পরিচয় শাহিদের। সেই সুবাদে ২০২১ সালে অভিনেতা-প্রযোজক সোহমকে ৬৮ লাখ রুপি ধার দেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতাও শাহিদ। ২০২৩ সালে এসএসসিকাণ্ডে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই বছর মুক্তি পান তিনি।  শাহিদ বলেন, “সংশোধনাগারে থাকার ফলে টাকা ফেরত চাইতে পারিনি। ২০২৩ সালে জামিন পাই। সংশোধনাগার থেকে বেরিয়ে সোহমের সঙ্গে যোগাযোগ করি। ওর কাছে টাকা ফেরত চাই। সেই সময় দুই দফায় মোট ২৫ লাখ রুপি ফেরত দিয়েছিল, তারপর থেকে ও নীরব।”দু’বছর অপেক্ষার পর বাধ্য হয়ে গত সোমবার সোহমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা দায়ের করেন শাহিদ। মঙ্গলবার চারু মার্কেট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বলেও জানান শাহিদ। শাহিদ একাধিকবার পুরো টাকা ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানালেও তাতে কর্ণপাত করেননি সোহম। উল্টো অভিনেতা তাকে হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ শাহিদের। তবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন সোহম চক্রবর্তী। এ অভিনেতা বলেন, “হুমকি দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। টাকা ফেরত দেব একাধিকবার জানিয়েছি। নির্বাচনের আগে আমাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।” ঋণ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন সোহম। ঋণ নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে এই বিধায়ক বলেন, “২০২১ সালে ‘পাকা দেখা’ সিনেমার জন্য ৬৮ লাখ রুপি ঋণ নিয়েছিলাম শাহিদের কাছ থেকে। ওর আরো বেশি অর্থ দেওয়ার কথা ছিল। পরে সেটা দেননি। তখন অন্যদের থেকে বাকি অর্থ জোগাড় করি।” ঋণের একটি অংশ পরিশোধ করেছেন সোহম। তা জানিয়ে এই নায়ক বলেন, “এরপর ২৫ লাখ রুপি ফেরত দিয়েছি। বাকি ৪৩ লাখ রুপি মিটিয়ে দেব, বার বার বলেছি শাহিদকে। আমার কয়েকটি সিনেমা আটকে আছে। বাংলা সিনেমার ব্যবসার অবস্থাও সকলের জানা। ফলে সিনেমাগুলো মুক্তি না পেলে বা হাতে অর্থ না এলে কী করে ঋণ পরিশোধ করব? শাহিদ আমার অবস্থাটাই বুঝলেন না!” বিষয়টি আদালতে গড়িয়েছে। ফলে আইনিভাবে মোকাবিলা করবেন সোহম। তার মতে, “আইনি নোটিস পেয়েছি। আমার আইনজীবী বিষয়টি দেখছেন। শাহিদ আইনি পথে হাঁটলে আমিও আইনি পদক্ষেপ নেব। তবে উনি কোন কালে যুবনেতা ছিলেন, তা জানি না।” কিছুদিন পরই রাজ্যসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এই মামলা সোহমকে বিতর্কের মুখে ফেলার রাজনৈতিক অপচেষ্টা হতে পারে বলেও মন্তব্য সোহমের। আক্ষেপের স্বরে এ নায়ক জানান, সামনে নির্বাচন আসছে বলেই হয়তো পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

‘বিয়ের ছবি-ভিডিও নিয়ে ব্যবসা নয়’, বিজয়-রাশমিকা!

‘বিয়ের ছবি-ভিডিও নিয়ে ব্যবসা নয়’, বিজয়-রাশমিকা! ভারতের দক্ষিণী সিনেদুনিয়ার অভিনেতা-অভিনেত্রী বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। বহু বছর ধরেই তাদের সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা যায়। যদিও তাতে কখনওই সায় দেননি তারা। এর মাঝেই বেশ কয়েক মাস ধরে শোনা যাচ্ছে, চর্চিত তারকা জুটির বিয়ের গুঞ্জন। এর মাঝেই প্রকাশ্যে এল তাদের বিয়ে নিয়ে নয়া তথ্য। যা রীতিমতো বিস্ফোরক বললেও ভুল হবে না। চলতি মাসে ২৬ তারিখ বিজয়-রাশমিকার চারহাত এক হবে বলে গুঞ্জন। বিয়ের দিন নিয়ে কোনও ঘোষণা করেননি তারা কেউই। এর মাঝেই তেলুগু সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রথম সারির এক ওটিটি প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে বিজয়-রাশমিকার বিয়ের মুহূর্তের বিশেষ মুহূর্তের ‘এক্সক্লুসিভ’ স্বত্ব কেনার প্রস্তাব গিয়েছিল। মোটা অংকের চুক্তির বিনিময়ে সেই ছবিই নাকি তথ্যচিত্র আকারে প্রকাশ করার পরিকল্পনা ছিল জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মটির। কিন্তু মোটা টাকার সেই চুক্তিপ্রস্তাব নাকি ফিরিয়ে দিয়েছেন রাশমিকা ও বিজয়। নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই আড়ালে রাখতে ভালোবাসেন বিজয় ও রাশমিকা। তাই বিয়ের অনুষ্ঠানের যাবতীয় যা কিছু সবটাই আত্মীয়-বন্ধু ও ঘনিষ্ঠদের নিয়েই আয়োজন করতে চান। নিজেদের বিয়ের মতো পবিত্র অনুষ্ঠানকে ব্যবসার রূপ দিতে নারাজ তারকা জুটি।

ঠাকুমার রূপে চমক, রহস্য ভেদে আসছেন শ্রাবন্তী

ঠাকুমার রূপে চমক, রহস্য ভেদে আসছেন শ্রাবন্তী ২০২৬ জুড়ে একের পর এক নতুন কনটেন্ট আনার ঘোষণা আগেই দিয়েছিল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম হইচই। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন ওয়েব সিরিজ ঠাকুরমার ঝুলি-র মুক্তির তারিখ সামনে এলো। সিরিজটিতে একেবারে ভিন্ন লুকে হাজির হচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। এই রহস্যঘেরা গোয়েন্দা গল্পে তিনি অভিনয় করছেন গিরিজাবালা সান্যাল নামের এক বৃদ্ধার চরিত্রে। তার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন ছোট পর্দার পরিচিত মুখ দিব্যানী মন্ডল। সিরিজটি পরিচালনা করেছেন অয়ন চক্রবর্তী। সম্প্রতি প্রকাশিত ফার্স্ট লুকে দেখা গেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক শ্রাবন্তীকে। অফ-হোয়াইট শাড়ি, ফুলহাতা সোয়েটার, পাকা চুল আর চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা। সামনে পানের ডিব্বা, আতশ কাঁচ ও চায়ের কাপ— সব মিলিয়ে চরিত্রের রহস্যময় আবহ ইতোমধ্যেই দর্শকদের কৌতূহল বাড়িয়েছে। গল্পে বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা গিরিজাবালা জীবনের বহু শোক-দুঃখের সাক্ষী। স্বামী ও সন্তান হারানোর বেদনাকে সঙ্গী করে নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছিলেন তিনি। তবে তার জীবনে বড় মোড় আসে নাতনি যাজ্ঞসেনীর ফিরে আসায়। বন্ধুর বিয়েতে যোগ দিতে এসে হঠাৎ ঘটে যাওয়া এক রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনায় সবকিছু বদলে যায়। সেই মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে নিজেই নেমে পড়েন গিরিজাবালা। শুরু হয় তার গোয়েন্দাগিরি— যা নতুন পথে এগিয়ে নিয়ে যায় গল্পকে। রহস্যের জাল ভেদে গিরিজাবালার এই যাত্রা দেখতে দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে আগামী ২০ মার্চ পর্যন্ত, যেদিন মুক্তি পাবে সিরিজটি।

২০ কোটি ক্ষতিপূরণ চেয়ে ধানুশকে আইনি নোটিশ

২০ কোটি ক্ষতিপূরণ চেয়ে ধানুশকে আইনি নোটিশ চুক্তিভঙ্গের জেরে দক্ষিণি অভিনেতা ধানুশকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে প্রযোজনা সংস্থা থেনানডাল। এমনকী তার কাছে চাওয়া হয়েছে মোটা অঙ্কের জরিমানাও। দক্ষিণী সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রযোজনা সংস্থা থেনানডালের সঙ্গে ২০১৬ সালে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ধানুশের। ওই ছবি পরিচালনার পাশাপাশি অভিনয় করারও কথা ছিল তার। কিন্তু দশ বছরেও শুরু হয়নি ছবির শুটিং। দীর্ঘদিন ধরে তা আটকে থাকার ফলেই সুপারস্টারের ওপর বিরক্ত হয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে প্রযোজনা সংস্থা। শুধু তাই নয়, অভিনেতার কাছে চাওয়া হয়েছে ২০ কোটি রুপির ক্ষতিপূরণ।  শোনা যাচ্ছে, প্রযোজনা সংস্থা ছবির চিত্রনাট্যে খানিক পরিবর্তন করতে চাইলে তা থেকে সরে দাঁড়ান ধানুশ। করেননি কোনো সহযোগিতা। যার ফলে আটকে যায় ছবির কাজ। ধানুশকে পাঠানো ওই আইনি নোটিশে নির্মাতাদের তরফে দাবি করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট ছবির কাজ আটকে থাকায় প্রভূত আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে ছবির টিম। আর তাই সেই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ধানুশকেই। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই ক্ষতিপূরণ না দিলে ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে প্রযোজনা সংস্থার তরফে আরো বড়সড়ভাবে ধানুশের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।  নির্মাতাদের তরফের আইনজীবীর মতে, ধানুশ ছবির চুক্তি সই করেও ছবির যাবতীয় কাজে অসহযোগিতা করেছেন। ফলে মাঝপথেই আটকে রয়েছে সংশ্লিষ্ট ছবির কাজ। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ধানুশের কোনোরকম প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

সালমানের বান্ধবীর সঙ্গে কাজ করছেন অরিজিৎ!

সালমানের বান্ধবীর সঙ্গে কাজ করছেন অরিজিৎ! বলিউডে আবারও  আলোচনার শীর্ষে উঠে এলেন জনপ্রিয় গায়ক অরিজিৎ সিং। কিছুদিন আগেই অরিজিৎ জানান প্লে ব্যাক সিঙ্গার হিসাবে তাকে আর দেখা যাবে না। এরই মধ্যে সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ‘Echoes of Us’ প্রজেক্টের টিজার, যেখানে রোমান্টিক গান ‘তেরে সঙ্গ’-এ অরিজিতের সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন লুলিয়া ভান্টুর। আর সেই নিয়েই ভক্তদের মধ্যে গুঞ্জন। সালমানের বান্ধবীর সঙ্গে কাজ করছেন অরিজিৎ। এই নতুন মিউজিক ভিডিও সামনে আসতেই বহু পুরনো কিন্তু আলোচিত সালমান খান ও অরিজিৎ সিংয়ের বিতর্কিত সম্পর্কের ইতিহাসের গল্প উঠে আসছে, যার ফলে নেটদুনিয়ায় নতুন করে শুরু হয়েছে তর্ক-বিতর্ক ও ট্রোলিং। ২০১৪ সালে একটি অ্যাওয়ার্ড শোতে সালমান খানকে নিয়ে অরিজিতের একটি মন্তব্য ঘিরে শুরু হয় দুই তারকার মধ্যে দূরত্ব। একটি অ্যাওয়ার্ড শো-এর মঞ্চে সালমান খান অরিজিৎকে বলেন, ‘সো গয়ে থে’  তখন অরিজিৎ সালমানকে উত্তর দিয়েছিলেন, ‘আপ লোগো নে সুলা দিয়া’।  অরিজিতের এই মন্তব্যে সালমান বিরক্ত হয়েছিলেন। এরপর বহু বছর ধরে গুঞ্জন শোনা যায়, সালমান খান নাকি তাঁর প্রযোজিত একাধিক ছবিতে অরিজিতের গান ব্যবহার করতে চাননি। এমনকি কিছু বড় বাজেটের প্রজেক্ট থেকে অরিজিতকে বাদ দেওয়ার অভিযোগও সামনে এসেছিল। এই ঘটনা সেই সময় বলিউডে বড় আলোড়ন তুলেছিল এবং দুই তারকার সম্পর্ককে ঘিরে নানা বিতর্ক দেখা যায় সেই সময়। এমনকী অরিজিৎ প্লে ব্যাক গায়ক হিসাবে তাকে আর দেখা যাবে না বলার পর বার বার উঠে আসছিল সেই পুরেনো বিতর্কের কথা। বিবাদ সত্ত্বেও তাই সালমানের আলোচিত বান্ধবীর সঙ্গে অরিজিতের কাজের খবর একাধিক প্রশ্ন তৈরি করেছে নেটিজেনদের মনে। নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, এটি হয়তো পুরোনো দ্বন্দ্ব ভুলে নতুন অধ্যায় শুরু করার ইঙ্গিত, আবার কেউ প্রশ্ন তুলছেন এটা কি সালমানকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার কৌশল? এই বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছে ভক্তরা। কেউ বলছেন, শিল্পের ঊর্ধ্বে ব্যক্তিগত শত্রুতা থাকা উচিত নয়। আবার সমালোচকরা এও মনে করছেন এই জুটি ইচ্ছাকৃতভাবে কনট্রোভার্সি তৈরি করে গান ভাইরাল করতে চাইছেন। সালমান–লুলিয়া সম্পর্ক ঘিরে পুরোনো গসিপ নতুন করে ভাইরাল হয়েছে। একই সঙ্গে অরিজিতের সাম্প্রতিক রিটায়ারমেন্ট মন্তব্যের পর এমন বড় প্রজেক্টে যুক্ত হওয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। নাকি এটি শুধুই প্রচার ও ব্যবসার কৌশল? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে নেটদুনিয়ায়।

‘বর্ডার টু’ সিনেমার আয় ৫২৮ কোটি টাকা ছাড়িয়ে

‘বর্ডার টু’ সিনেমার আয় ৫২৮ কোটি টাকা ছাড়িয়ে জে পি দত্ত নির্মিত বলিউড সিনেমা ‘বর্ডার’। ২৯ বছর পর নির্মিত হয়েছে সিনেমাটির সিক্যুয়েল। ‘বর্ডার টু’ শিরোনামে এ সিনেমা পরিচালনা করেছেন অনুরাগ সিং। পূর্বের মতো এ সিনেমায়ও অভিনয় করেছেন ববি দেওল। তবে সুনীল শেঠি নেই, কিন্তু তার পুত্র আহান শেঠি যুক্ত হয়েছেন। তাছাড়া নতুন করে যুক্ত হয়েছেন—বরুণ ধাওয়ান, দিলজিৎ দোসাঞ্জে, মোনা সিং প্রমুখ। গত ২৩ জানুয়ারি ৪ হাজার ৮০০ পর্দায় মুক্তি পেয়েছে ‘বর্ডার টু’ সিনেমা। মুক্তির পর থেকে দর্শক-সমালোচকদের কাছ থেকে ভূয়সী প্রশংসা কুড়াচ্ছে। তরন আদর্শ সিনেমাটির অত্যন্ত ইতিবাচক রিভিউ দিয়েছেন। পাঁচে রেটিং দিয়েছেন সাড়ে ৪। কেবল তাই নয় এটিকে ‘আউটস্ট্যান্ডিং’ বলেও মন্তব্য করেছেন। বলিউড হাঙ্গামা সিনেমাটিকে পাঁচে রেটিং দিয়েছেন সাড়ে ৪। চিত্রনাট্য, পরিচালনা, আবেগের গভীরতা, অভিনয় এবং অ্যাকশন দৃশ্যের প্রশংসা করেছে। যদিও কিছু ভিজ্যুয়াল এফেক্ট আরো ভালো হতে পারত, সিনেমার দৈর্ঘ্য কিছুটা কম হলে ভালো হতো বলে মত দিয়েছে। ডেইলি নিউজ অ্যান্ড অ্যানালিসিসের সিমরান সিং সিনেমাটিকে পাঁচে রেটিং দিয়েছেন সাড়ে ৪। এটিকে যুদ্ধের সেরা চলচ্চিত্রগুলোর একটি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কেবল দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসাই কুড়াচ্ছে না, বক্স অফিসেও বেশ সাড়া ফেলেছে সিনেমাটি। যদিও সময়ের সঙ্গে বক্স অফিসে আয় ওঠানামা করছে। বলি মুভি রিভিউজের তথ্য অনুসারে, মুক্তির প্রথম দিনে ‘বর্ডার টু’ সিনেমা আয় করে ২৮ কোটি রুপি (নিট), দ্বিতীয় দিনে আয় করে ৩৫ কোটি রুপি (নিট), তৃতীয় দিনে আয় করে ৪৯ কোটি রুপি (নিট), চতুর্থ দিনে আয় করে ৫৩ কোটি রুপি (নিট), পঞ্চম দিনে আয় করে ১৯.৫ কোটি রুপি (নিট)। ৬ষ্ঠ দিনে আয় করে ১৩ কোটি রুপি (নিট), সপ্তম দিনে আয় করে ১১.২৫ কোটি রুপি (নিট), অষ্টম দিনে আয় করে ১০.২৫ কোটি রুপি (নিট), নবম দিনে আয় করে ১৬.৫ কোটি রুপি (নিট), দশম দিনে আয় করে ২০ কোটি রুপি (নিট), ১১ দিনে আয় করে ৫.৫ কোটি রুপি (নিট), ১২ দিনে আয় করে ৫.৫ কোটি রুপি (নিট)। যার মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২৬৬ কোটি রুপি (নিট)। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির আয় দাঁড়িয়েছে ৩৫৮ কোটি রুপি (গ্রস)। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৮১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুসারে, ‘বর্ডার টু’ সিনেমা ১২ দিনে ভারতে আয় করেছে ২৮৬ কোটি রুপি (নিট)। ভারতে গ্রস আয় ৩৪২.৫০ কোটি রুপি। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটি আয় করেছে ৩৯২.৫০  কোটি রুপি (গ্রস)। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫২৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। ‘বর্ডার টু’ সিনেমায় যুদ্ধের ভয়াবহতা ও সৈন্যদের বীরত্বের গল্প বলেছেন নির্মাতারা। সিনেমাটির নারী চরিত্রে রয়েছেন—মোনা সিং, অন্যা সিং, সোনম বাজওয়া ও নবাগত মেধা রানা। সিনেমাটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০০ কোটি রুপি।

নতুন ভার্সনে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘ইয়ে দিল আশিকানা’

নতুন ভার্সনে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘ইয়ে দিল আশিকানা’ ভ্যালেন্টাইন্স ডে মানেই প্রেম, আর সেই প্রেমে যদি মিশে যায় নস্টালজিয়া—তাহলে অভিজ্ঞতাটা হয়ে ওঠে আরও বিশেষ। সেই আবেগকেই ফিরিয়ে আনতে প্রায় ২৪ বছর পর আবার বড় পর্দায় ফিরছে ২০০২ সালের জনপ্রিয় রোমান্টিক ছবি ‘ইয়ে দিল আশিকানা’। নির্মাতা সংস্থা ট্রু এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড ঘোষণা করেছে, আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ভ্যালেন্টাইন্স ডের ঠিক আগের দিন সিনেমাটি ফের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন করন নাথ ও জিভিধা শর্মা। পরিচালনায় ছিলেন কুকু কোহলি, যিনি ‘ফুল অউর কাঁটে’-র মতো হিট ছবির জন্য পরিচিত।  পুনর্মুক্তির ঘোষণার সঙ্গে প্রকাশ পেয়েছে ছবির একটি নতুন ট্রেলার, যেখানে আধুনিক উপস্থাপনার ছোঁয়া থাকলেও অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে ছবির আবেগ, রোমান্স ও নাটকীয়তা। নির্মাতাদের দাবি, আজকের দর্শকদের রুচির কথা মাথায় রেখে ছবিটি নতুন করে সম্পাদনা করা হয়েছে। তবে গল্পের মূল সুর—ভালোবাসা, ত্যাগ আর বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে প্রেমিকের লড়াই—সবই আগের মতোই থাকছে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র করণ, যে নিজের ভালোবাসা পূজাকে পাওয়ার জন্য সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গেও লড়াই করতে পিছপা হয় না। ছবিতে করন ও জিভিধার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন আদিত্য পাঁচোলি, রজত বেদি, জনি লিভার ও অরুণা ইরানি।  ট্রু এন্টারটেইনমেন্ট-এর শৈলেন্দ্র মাণ্ডোয়ারা জানান, এই ছবি ইচ্ছে করেই কখনও স্যাটেলাইট বা ওটিটিতে মুক্তি দেওয়া হয়নি। কারণ তাঁদের বিশ্বাস, ‘ইয়ে দিল আশিকানা’ বড় পর্দাতেই দেখার মতো সিনেমা। পরিচালক কুকু কোহলির মতে, রোমান্টিক ছবির দর্শক আজও বিপুল। নতুন প্রজন্মের দর্শকরাও এই ছবির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। অতীতের জনপ্রিয় সিনেমাকে নতুন করে ফিরিয়ে আনার যে প্রবণতা শুরু হয়েছে, ‘ইয়ে দিল আশিকানা’-র পুনর্মুক্তি তারই অংশ। সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা, টাইমস অব ইন্ডিয়া

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে তোলপাড়: অবশেষে মুখ খুললেন হিরণ

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে তোলপাড়: অবশেষে মুখ খুললেন হিরণ ভারতীয় বাংলা সিনেমার চিত্রনায়ক ও বিজেপির বিধায়ক হিরণ চ্যাটার্জি। ব্যক্তিগত জীবনে অনিন্দিতা চ্যাটার্জির সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন। তাদের ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে নাইসা নামে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে; যার বয়স ১৯ বছর। গত ২০ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশ করে দ্বিতীয় বিয়ের ঘোষণা দেন হিরণ। তার দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম ঋত্বিকা গিরি। ২১ বছর বয়সি ঋত্বিকা পেশায় একজন মডেল। বিয়ের নানা মুহূর্তের ছবি দ্রুত অন্তর্জালে ছড়িয়ে পড়ে; শুরু হয় তোলপাড়। পরে তা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলেন হিরণ। কিন্তু এ নিয়ে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েন ‘নবাব নন্দিনী’খ্যাত এই নায়ক। এই বিয়েকে ‘অবৈধ’ বলে মন্তব্য করেছেন হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা। তবে বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন হিরণ। অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন তিনি।  ঘটনার প্রায় ১০ দিন পর ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন হিরণ। বিজেপির এই বিধায়ক বলেন, “আমি এত দিন কলকাতায় ছিলাম না, চেন্নাইয়ে ছিলাম। যে বিষয়টি বিচারাধীন তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। আদালতের অসম্মান তো করতে পারি না।” হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতার দাবি—হিরণের সঙ্গে তার আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। ফলে ঋত্বিকাকে বিয়েটি আইনিভাবে বৈধ নয়। গত ২১ জানুয়ারি বিষয়টি নিয়ে থানায় মামলা করেছেন তিনি। হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতার কিছু বক্তব্য শুনেছেন ঋত্বিকা গিরি। তার কিছু বিষয় পরিষ্কার করা দরকার বলে মনে করেন তিনি। কয়েক দিন আগে ঋত্বিকা বলেন, “আমার বয়স সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। উনাকে বিবাহবিচ্ছেদের আইনি চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই বিয়ে আমরা আগেই করেছি। গত ৫ বছর বছর ধরে একসঙ্গে আছি। আর এসব বিষয় অনিন্দিতা জানতেন।”  হিরণের সঙ্গে ঋত্বিকার বিয়েকে ইলিগ্যাল বলে মন্তব্য করেছেন অনিন্দিতা। এ বিষয়ে ঋত্বিকা বলেন, “যদি মনে হয় এটা (বিয়ে) অবৈধ, তাহলে আমার একটাই কথা—উনাকে লিগ্যাল পদক্ষেপ নিতে বলেন। এরপর এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।”

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে রণবীরের বিরুদ্ধে মামলা

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে রণবীরের বিরুদ্ধে মামলা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে বলিউড অভিনেতা রণবীর সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর বেঙ্গালুরুর অতিরিক্ত বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগটি দাখিল করেন বেঙ্গালুরুর আইনজীবী প্রশান্ত মেথাল। খবর ইন্ডিয়া টুডের। এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অভিযোগ দাখিলের পর চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি আদালত হাই গ্রাউন্ডস থানাকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর ১৭৫(৩) ধারায় একটি মামলা নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে মামলাটি বিএনএস-এর ১৯৬, ২৯৯ ও ৩০২ ধারায় নথিভুক্ত করা হয়। মামলার নথিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৮ নভেম্বর ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত হয় ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব ইন্ডিয়া’ এর সমাপনী অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানের একটি অংশে উপকূলীয় কর্নাটকের ভুত কোলা প্রথার পূজিত এক দেবতাকে উপহাস করার অভিযোগ আনা হয়েছে রণবীর সিংয়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাটি যে মঞ্চে ঘটেছিল, সেখানে ‘কানতারা: চ্যাপ্টার-১’ সিনেমার প্রধান অভিনেতা ঋষভ শেঠিও উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, চাভুন্ডি দৈব ভূত কোলা আচার-অনুষ্ঠানে পূজিত এক রক্ষক আত্মা এবং তাদের পারিবারিক দেবতা। এই দেবতাকে উদ্দেশ করে রণবীর সিং পাঞ্জুরলি/গুলিগা দৈবের ঐশ্বরিক অভিব্যক্তি অশ্লীল ও হাস্যকর ভঙ্গিতে অনুকরণ করেন। কেবল তাই নয়, অভিনেতা মৌখিকভাবে চাভুন্ডি দৈবকে ‘নারী ভূত’ বলেও উল্লেখ করেন, যা অভিযোগকারীর মতে অত্যন্ত আপত্তিকর। দৈব-সংক্রান্ত কোনো অভিনয় না করার অনুরোধ জানানোর পরও অভিনেতা রণবীর সিং ‘কানতারা: চ্যাপ্টার-১’ সিনেমা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চাভুন্ডি দৈবের দৃশ্য মঞ্চায়ন করেন। চাভুন্ডি দৈব কোনো ভূত নন, বরং তিনি ন্যায়বিচার, সুরক্ষা, দিব্য নারীত্বের প্রতীক এক শক্তিশালী রক্ষক আত্মা; উপকূলীয় কর্নাটকে যার গভীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব রয়েছে। তাকে ‘ভূত’ বলে উল্লেখ করাকে নিন্দাজনক, হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি গুরুতর অপমান হিসেবে অভিহিত করেছেন অভিযোগকারী। রণবীর সিংয়ের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাটি বেঙ্গালুরুর প্রথম অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আগামী ৮ এপ্রিল এ মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

‘দীপিকা’ চমক নিয়ে আসছেন অ্যাটলি

‘দীপিকা’ চমক নিয়ে আসছেন অ্যাটলি অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনকে নিয়ে নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দক্ষিণী চলচ্চিত্র নির্মাতা অ্যাটলি। তার আসন্ন প্রজেক্টে থাকছেন এই বলিউড নায়িকা। অ্যাটলির আগামী প্রজেক্টের সাময়িক নাম দেয়া হয়েছে এএ২২Xএ৬। এই সিনেমার মাধ্যমেই প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছেন অ্যাটলি ও আল্লু অর্জুন। অন্যদিকে জওয়ানের পর এটিই হবে দীপিকার সঙ্গে অ্যাটলির দ্বিতীয় সিনেমা।  আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে আলোচনার তুঙ্গে। যদিও এখনও সিনেমার কাহিনী ও চরিত্র সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবু ভারতীয় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলে এই প্রজেক্টকে অ্যাটলির ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় কাজ বলে ধরা হচ্ছে। ভিজ্যুয়ালের বিস্তৃতি, তারকার উপস্থিতি মিলিয়ে কাজে নামার আগেই অ্যাটলির দিকে চোখ পড়েছে সিনেমাপ্রেমীদের। দীপিকার সঙ্গে আবার কাজ করা প্রসঙ্গে অ্যাটলি বলেছেন, হ্যাঁ, ও (দীপিকা) আমার লাকি চার্ম। দীপিকার সঙ্গে এটা আমার দ্বিতীয় ছবি। ওর সঙ্গে কাজ করা দারুণ অভিজ্ঞতা। ও সত্যিই অবিশ্বাস্য। উল্লেখ্য, এএ২২Xএ৬ হতে চলেছে মা হওয়ার পর দীপিকা পাডুকোনের প্রথম সিনেমা। অ্যাটলি বলেছেন, মাতৃত্বের পর ও এই সিনেমাটা শুরু করছে। দর্শক এবার একেবারে আলাদা দীপিকাকে দেখবে, এটা আমি নিশ্চিত।