সেমিফাইনাল খেলতে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ভারতের করণীয়

সেমিফাইনাল খেলতে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ভারতের করণীয় ঘরের মাঠের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বেকায়দায় ভারত। গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সূর্যকুমার যাদবের দল সুপার এইটে এক হারেই সেমিফাইনাল খেলা নিয়ে শঙ্কায় পড়ে গেছে। ভারতের সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা আরও বড় ধাক্কা খেয়েছে গতকাল ২৩ ফেব্রুয়ারি) মুম্বাইয়ে সুপার এইটের ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১০৭ রানের বিশাল জয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হার আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই বড় জয়ের ফলে ভারতের নেট রান রেট (এনআরআর) ভালো রাখতে বাকি ম্যাচগুলো বড় ব্যবধানে জিততেই হবে। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে শিমরন হেটমেয়ারের ৩৪ বলে ৮৫ রান এবং রোভম্যান পাওয়েলের দ্রুতগতির অর্ধশতকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৫৪ রান করে। জবাবে জিম্বাবুয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে এবং লক্ষ্য থেকে অনেক দূরে থাকতেই থেমে যায়। গুদাকেশ মোতি ৪টি উইকেট নেন। ভারত আগামীকাল চেন্নাইয়ে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে। একই দিনে গ্রুপ ১-এর অন্য ম্যাচে আহমেদাবাদে দক্ষিণ আফ্রিকা খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ভারতের সেমিফাইনাল ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করবে এই ম্যাচের ফলের ওপর। দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলে ভারতের পথ কিছুটা সহজ হবে।
জয়ের লক্ষ্যে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি পাকিস্তান

জয়ের লক্ষ্যে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরে সেমিফাইনাল দৌড়ে নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে আজ শক্তিশালী ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে পাকিস্তান। সুপার এইট পর্বের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। পরিসংখ্যান বলছে, এই ফরম্যাটে দুই দলের ৩১ বারের লড়াইয়ে ইংলিশরা জয় পেয়েছে ২০টিতে। বিপরীতে পাকিস্তানের জয় মাত্র ৯টি ম্যাচে। বাকি দুই ম্যাচের একটি টাই এবং অন্যটি পরিত্যক্ত হয়েছে।
নারী বিশ্বকাপে একই গ্রুপে বাংলাদেশ-পাকিস্তান-ভারত

নারী বিশ্বকাপে একই গ্রুপে বাংলাদেশ-পাকিস্তান-ভারত জুন-জুলাইয়ে বাংলাদেশ অংশ নেবে দশম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বাছাইপর্বে সাত ম্যাচের সাতটি জিতে অপরাজিত দল হিসেবে বাংলাদেশ পেয়ে গেছে বিশ্বকাপের টিকিট। প্রথমবারের মতো নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১২ দল অংশ নেবে। সব মিলিয়ে ম্যাচ গড়াবে ৩৩টি। ১২ জুন টুর্নামেন্ট শুরু হবে। ২৪ দিনের রোমাঞ্চকর প্রতিযোগিতা শেষ কবে ৫ জুলাই। লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে হবে ফাইনাল ম্যাচ। মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি আজ ঘোষণা করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল। বাংলাদেশ পড়েছে গ্রুপ ‘এ’-তে। যেখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত ও পাকিস্তানকে। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে – লর্ডস, ওল্ড ট্রাফোর্ড, হেডিংলি, এজবাস্টন, হ্যাম্পশায়ার বোল, দ্য ওভাল এবং ব্রিস্টল।
বিশ্বকাপের মাঝপথে সূচিতে পরিবর্তন, নতুন ব্যাখ্যা আইসিসির

বিশ্বকাপের মাঝপথে সূচিতে পরিবর্তন, নতুন ব্যাখ্যা আইসিসির চলতি আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ঘিরে সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, সহ–স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা সেমিফাইনালে উঠলে নির্দিষ্ট কিছু শর্তে নিজেদের মাঠেই খেলতে পারবে। তবে তা নির্ভর করছে প্রতিপক্ষ ও পাকিস্তানের ফলাফলের ওপর। সুপার এইটের লাইনআপ চূড়ান্ত হওয়ার পর অংশীজনদের কাছে পাঠানো এক বার্তায় সেমিফাইনালের ভেন্যু–সংক্রান্ত বিষয় স্পষ্ট করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, প্রথম সেমিফাইনাল থাকবে ‘ফ্লোটিং’ অবস্থায়—ম্যাচটি হবে হয় কলম্বোতে, নয়তো কলকাতায়। বার্তায় আরও জানানো হয়েছে, পাকিস্তান সেমিফাইনালে উঠলে তারা ৪ মার্চ কলম্বোতে সেমিফাইনাল–১ খেলবে। পাকিস্তান শেষ চারে না উঠলেও শ্রীলঙ্কা উঠলে এবং তাদের প্রতিপক্ষ ভারত না হলে ম্যাচটি কলম্বোতেই হবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) নিশ্চিত করেছে, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা, দুই দলই যদি সেমিফাইনালে না ওঠে, তাহলে সেমিফাইনাল–১ হবে কলকাতায় এবং সেমিফাইনাল–২ মুম্বাইয়ে। ভারত সেমিফাইনালে উঠলে তারা মুম্বাইয়েই খেলবে প্রতিপক্ষ পাকিস্তান ছাড়া যে দলই হোক। তবে ভারত–পাকিস্তান সেমিফাইনাল হলে ম্যাচটি হবে কলম্বোতে। আর যদি ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা তিন দলই সেমিফাইনালে না ওঠে, তাহলে সুপার এইটের গ্রুপ–১ চ্যাম্পিয়ন খেলবে গ্রুপ–২ রানার্স–আপের বিপক্ষে কলকাতায়। অন্য সেমিফাইনালে গ্রুপ–২ চ্যাম্পিয়ন মুখোমুখি হবে গ্রুপ–১ রানার্স–আপের, মুম্বাইয়ে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান, দুই দলই সুপার এইটের গ্রুপ–২ এ রয়েছে। ফলে তাদের মধ্যে সেমিফাইনাল হওয়ার সুযোগ নেই। গত নভেম্বরে ঘোষিত সূচিতে পাকিস্তান সেমিফাইনাল ও ফাইনালে উঠলে কলম্বোকে ভেন্যু হিসেবে রাখা হয়েছিল। তবে শ্রীলঙ্কা নকআউটে উঠলে কী হবে, তা স্পষ্ট ছিল না। নতুন ব্যাখ্যায় সেই ধোঁয়াশা কেটেছে। সব মিলিয়ে সমীকরণ পরিষ্কার—শ্রীলঙ্কা শেষ চারে উঠতে পারলে এবং প্রতিপক্ষ ভারত না হলে, ঘরের মাঠে সেমিফাইনাল খেলার সম্ভাবনা জোরালো। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে সুপার এইটের ফলাফলের ওপর।
ভারতীয় ওপেনারকে ‘স্লগার’ বলায় ব্যাখ্যা দিলেন আমির

ভারতীয় ওপেনারকে ‘স্লগার’ বলায় ব্যাখ্যা দিলেন আমির পাকিস্তানের ফাস্ট বোলার মোহাম্মদ আমির ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মাকে ‘স্লগার’ বলায় তৈরি হওয়া বিতর্ক নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। স্বীকার করেছেন, অনেকেই তার এই মন্তব্য পছন্দ করেননি। তবে তিনি বলেন, কাউকে ছোট করা তার উদ্দেশ্য ছিল না। রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬–এর সুপার এইট ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ভারতের ৭৬ রানের বড় ব্যবধানে হারের পর একটি পাকিস্তানি টিভি চ্যানেলে কথা বলেন আমির। আমির আগে মন্তব্য করেছিলেন, বিশ্ব ক্রিকেটে এক নম্বর টি-টোয়েন্টি ব্যাটার অভিষেক শর্মার ডিফেন্সিভ টেকনিক যথেষ্ট নয় এবং কঠিন কন্ডিশনে মানসম্মত বোলারদের বিপক্ষে তিনি সমস্যায় পড়তে পারেন। সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক। এবার আমির বলেন, “আমি একজন বোলারের দৃষ্টিকোণ থেকে তার টেকনিক নিয়ে কথা বলেছি। ‘স্লগার’ শব্দটি ব্যবহার করায় মানুষ কষ্ট পেয়েছে। কিন্তু আমার উদ্দেশ্য তাকে অপমান করা ছিল না। তার টেকনিক এমন যে ভালো বোলারা তাকে ফাঁদে ফেলতে পারে। সে যে ১৪ রান করেছে, সবই এক পাশে খেলেছে। যেসব বল মেরেছে, সেগুলো ছিল খারাপ ডেলিভারি। কিন্তু যখন কাগিসো রাবাদা ভালো লাইন-লেংথে বল করা শুরু করল, তখন সে মানিয়ে নিতে পারেনি।’ তবে অভিষেকের প্রশংসাও করেন আমির। ‘সে ভালো খেলোয়াড়। টানা তিনটি শূন্য করার পরও তার ইতিবাচক মানসিকতা একই আছে। একজন সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেকের উদ্দেশে প্রকাশ্য বার্তাও দেন আমির। তিনি বলেন, ‘আমার বার্তা যদি তার কাছে পৌঁছায়, আমি বলব—আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তোমার টেকনিক ধরা পড়ে যায়। একটু ধৈর্য ধরো, বলের মেরিট অনুযায়ী খেলো, তাহলে আরো ভালো করবে। তার দক্ষতা আছে, এখন সে কিভাবে তা ব্যবহার করবে সেটাই আসল বিষয়।’ গ্রুপ পর্বে পেটের সংক্রমণে ভোগার পর সুপার এইট ম্যাচে ১২ বলে ১৫ রান করেন অভিষেক। একটি ছক্কা ও একটি চার মারলেও দক্ষিণ আফ্রিকার পেসারদের গতি ও ভ্যারিয়েশনে অস্বস্তিতে ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত মার্কো ইয়ানসেনের স্লোয়ার বলে আউট হন। ১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত ১৮.৫ ওভারে ১১১ রানে অলআউট হয়ে যায়। তবে টিম ম্যানেজমেন্ট এখনো অভিষেকের পাশে রয়েছে। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব স্মরণ করিয়ে দেন, ২০২৫ সালে ২১ ম্যাচে ৮৫৯ রান করে দলকে অনেক ম্যাচ জিতিয়েছিলেন অভিষেক। সহকারী কোচ রায়ান টেন ডুশাট বলেন, কোচিং স্টাফের কাজ হবে তার আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা। ভারত তাদের পরবর্তী সুপার এইট ম্যাচে ২৬ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে। এখন দেখার বিষয়, গুরুত্বপূর্ণ সেই ম্যাচে অভিষেক শর্মাকে একাদশে রাখা হয় কিনা।
ক্রিকেটার শেখ মেহেদী মা হারালেন

ক্রিকেটার শেখ মেহেদী মা হারালেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসানের মায়ের মৃত্যু হয়েছে। তার মা মমতাজ বেগম রবিবার সকালে খুলনায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। বিষয়টি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে। বিসিবি শোক প্রকাশ করে জানিয়েছে, ‘মমতাজ বেগমের মৃত্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গভীর শোক প্রকাশ করছে। আমরা শেখ মেহেদী হাসান এবং তার পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা ও সহানুভূতি জানাচ্ছি। শেখ মেহেদী টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডেও ছিলেন তিনি। তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। বাংলাদেশ শ্রীলংকা থেকে বিকল্প ভেন্যুতে খেলার চেষ্টা করলেও আইসিসি সেই অনুরোধ গ্রহণ করেনি। মেহেদী ২০১৮ সালে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে অভিষেক করেন। এ ফরম্যাটে ৭০ ম্যাচে ৬৮ ইনিংসে ২৪.০৫ গড়ে ৬৮ উইকেট নিয়েছেন এবং ওভারপ্রতি ৬.৭৩ রান দিয়েছেন। ব্যাট হাতে ৪৮ ইনিংসে ১১.৮৬ গড়ে ৪২৭ রান করেছেন, স্ট্রাইকরেট ১০১.১৮। ওয়ানডে অভিষেক হয় ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এখন পর্যন্ত ১১ ম্যাচে ৩১.১৪ গড়ে ১৪ উইকেট এবং ব্যাট হাতে ১২২ রান, গড় ১৫.২৫ করেছেন তিনি।
বাংলাদেশকে অলআউট করে চ্যাম্পিয়ন ভারতের মেয়েরা

বাংলাদেশকে অলআউট করে চ্যাম্পিয়ন ভারতের মেয়েরা ১৩৫ রানের লক্ষ্যটা বড়ই ছিল বলা যায় বাংলাদেশ ‘এ’ দলের জন্য। ভারতের মেয়েদের বোলিং তোপে মাত্র ৮৮ রানে অলআউট হয়েছে ফাহিমা খাতুনের দল। ৪৬ রানে জিতে আবারও এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত ‘এ’ দল। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ভারতের বোলারদের সম্মিলিত আক্রমণে ১০০ রানও করতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। ৮৮ রানে অলআউটে হয়েছ স্বপ্নভঙ্গ। ১১ ব্যাটারের ৭ জনই দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেনি বাংলাদেশের। এরমধ্যে একজন ছিলেন কোনো বল না খেলে শূন্য রানে অপরাজিত। সর্বোচ্চ ২০ রান করেছেন শামিমা সুলতানা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ রান এসেছে শারমিন সুলতানার ব্যাটে। অধিনায়ক ফাহিমা খাতুন করেছেন ১৪ রান। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট পেয়েছেন প্রেমা রাওয়াত। দুটি করে সোনিয়া মেনধিয়া ও তেনুজা কানওয়ার। একটি করে উইকেট গেছে সাইমা ঠাকুর, মিন্নু মানি ও রাধা যাদবের ঝুলিতে। এর আগে, বাংলাদেশের মেয়েদের সামনে ১৩৫ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় ভারতের নারীরা। টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতের মেয়েরা। ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টি করে বাংলাদেশের মেয়েরা। ৪৪ রানেই তুলে নেয় ভারতের ৪টি উইকেট। এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় ভারতীয় মেয়েরা। তেজাল হাসাবনিস ও রাধা যাদবের ব্যাটে ৭৯ রানের জুটি গড়ে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। ৩০ বলে ৩৬ রান করে রাধা যাদব আউট হয়ে গেলেও তেজাল হাসাবনিস ৩৪ বলে ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া ১৯ রান করেন দিনেশ ব্রিন্দা। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান সংগ্রহ করে ভারতীয় নারী ক্রিকেট দল। বাংলাদেশের হয়ে ফাহিমা খাতুন ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে একাই নেন ৪ উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন ফারজানা ইয়াসমিন ও ফাতিমা জাহান।
পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে বৃষ্টির জয়

পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে বৃষ্টির জয় এ রকম আবহাওয়ায় শ্রীলঙ্কা যে ক্রিকেটের জন্য আদর্শ নয়—এমন ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ড নারী দলের সাবেক অধিনায়ক সোফি ডিভাইন। গত বছর মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপে যে ১০ ম্যাচ বৃষ্টির কবলে পড়েছিল, তার মধ্যে সাতটিরই ভেন্যু ছিল শ্রীলঙ্কা। সেই শ্রীলঙ্কায় এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও বৃষ্টি জেঁকে বসেছে। আসরের গ্রুপ পর্বে একমাত্র যে ম্যাচটি (জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ড) বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছিল, সেটির ভেন্যু ছিল শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়াম। আজ সুপার এইট পর্বের প্রথম ম্যাচটাও জিতে নিল বৃষ্টি। রিজার্ভ ডে না থাকায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করে সন্তুষ্ট থাকতে হলো পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডকে। এবার ভেন্যু শ্রীলঙ্কার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় খেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অবিরাম বর্ষণে একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। ফলে আম্পায়াররা ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে বাধ্য হন।
বাংলাদেশের ২৩ ক্রিকেটার দ্য হান্ড্রেডের নিলামে

বাংলাদেশের ২৩ ক্রিকেটার দ্য হান্ড্রেডের নিলামে ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট দ্য হান্ড্রেডের আগামী আসরের নিলামের জন্য নাম লিখিয়েছেন প্রায় এক হাজার ক্রিকেটার। এই দীর্ঘ তালিকায় বাংলাদেশের ২৩ ক্রিকেটারও রয়েছেন। এমনটাই জানিয়েছে, ক্রিকেটভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম। মোস্তাফিজুর রহমান, রিশাদ হোসেন এই প্রতিযোগিতায় খেলতে নাম লিখিয়েছেন। তবে সাকিব আল হাসান নাম দেননি। নিলামের জন্য নিবন্ধন করা ক্রিকেটারদের তালিকা নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ। তালিকার ২১তম স্থানে নাম রয়েছেন মোস্তাফিজুর। তারকা এ পেসারের ভিত্তিমূল্য ১ লাখ পাউন্ড। আগামী ১১ ও ১২ মার্চ প্রথমবারের মত দ্য হান্ড্রেডের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। আগে প্লেয়ার ড্রাফটের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের দলে নেওয়া হত। ২১ জুলাই শুরু হয়ে টুর্নামেন্ট চলবে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত। দ্য হান্ড্রেডের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০২১ সালে। পাঁচটি আসর হলেও এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটার এই প্রতিযোগিতায় খেলার সুযোগ পাননি। এবার মোস্তাফিজুর দল পান কি না, সেটাই বড় কৌতূহলের বিষয় হয়ে উঠেছে। শুধু মোস্তাফিজুরই নন, রিশাদ হোসেনকে নিয়েও আলোচনা আছে। দুজনই ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট এবং টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ছন্দে আছেন। তাদের দিকে বাড়তি নজর পড়তে পারে দলগুলোর। বাংলাদেশিদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভিত্তিমূল্য রিশাদ হোসেনের, ৭৫ হাজার পাউন্ড। বাকি ২১ জনেরই ভিত্তিমূল্য ৩১ হাজার পাউন্ড করে। দ্য হান্ড্রেডের নিলামে বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা: মোস্তাফিজুর রহমান, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, জাকের আলী, লিটন দাস, মেহেদী হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ, তানজিম হাসান, তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, হাসান মাহমুদ, রিপন মণ্ডল, মোহাম্মদ নাঈম, নাহিদ রানা, শরীফুল ইসলাম, তাইজুল ইসলাম, শামীম হোসেন, পারভেজ হোসেন , নাজমুল হোসেন, তাওহীদ হৃদয়, সাব্বির রহমান ও সৌম্য সরকার।
‘বিশ্বকাপ না খেলায় বাংলাদেশের ২ ক্রিকেটার কোমায় চলে গিয়েছিল’

‘বিশ্বকাপ না খেলায় বাংলাদেশের ২ ক্রিকেটার কোমায় চলে গিয়েছিল’ নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতের মাটিতে খেলতে যেতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ দল। এ নিয়ে নতুন করে আলোচনা উসকে দিলেন জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। বিশ্বকাপ খেলতে না পারার সেই কষ্ট নিয়ে এবার মুখ খুললেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। শুক্রবার মিরপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সালাউদ্দিন বলেন, ‘কলকাতা ও শ্রীলঙ্কাতে খেলা দেখার পরে মনে হলো যে উইকেটটা হয়তো আমাদের জন্য অনেক দারুণ হতো। আমরা হয়তো এই উইকেটে ভালো করতে পারতাম। খেলা যেরকম মান হচ্ছে সে অনুযায়ী আমার কাছে মনে হচ্ছে যে এখানে আমাদের ভালো করার অনেক সুযোগ ছিল।’ তিনি আরো বলেন, ‘এখন আফসোস করে তো লাভ নাই। টি-টোয়েন্টি দল হিসেবে আমাদের দলটা অনেক গোছানো ছিল এবং এই বিশ্বকাপটা ঘিরে আমাদের অনেক স্বপ্ন ছিল। কিন্তু আমার মনে হয় যে উইকেটটাও আমাদের ফেভারে ছিল। সবদিক দিয়ে আমার মনে হয় যে আমাদের ভালো করার সুযোগ ছিল।’ দুই জন ক্রিকেটার বিশ্বকাপ খেলতে না পারায় কোমাতে চলে গিয়েছিল বলেও জানালেন সালাউদ্দিন, আমি তো জানি আমার দুইটা খেলোয়াড় প্রায় কোমাতে চলে গেছিল। পাঁচ দিন ধরে কোথায় যেন হারায় গিয়েছিল তারা। আমরা তাদের (অদম্য কাপ) টুর্নামেন্টে মাঠে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি ওইটাই বেশি। এটা সবচেয়ে বড় সাফল্য আমার জীবনে। যে সে মাঠে আসছে এবং এসে আবার রান করেছে। সালাউদ্দিন বলেন, ‘একটা দলকে আপনি এক সেকেন্ডে নষ্ট করে দিয়েছেন। একটা মানুষ তো অনেক বছর ধরে স্বপ্ন দেখে একটা বিশ্বকাপ খেলার।