ভারতের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলবে পাকিস্তান : ফারহান

ভারতের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলবে পাকিস্তান : ফারহান ১৫ ফেব্রুয়ারি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে মহারণের আগে আত্মবিশ্বাসে টগবগ করছে পাকিস্তান শিবির। বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের পরই দলটি জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের বিপক্ষে তারা মাঠে নামবে ইতিবাচক ও আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৩২ রানের জয়ের পর ম্যাচসেরা হওয়া ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান বলেছেন, ভারতের বিপক্ষে আগের ম্যাচগুলোর মতোই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে চায় পাকিস্তান। ম্যাচ শেষে ফারহান বলেন, ‘আমরা ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে খেলব। এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে যেমন খেলেছি, এবারও একইভাবে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে চাই।’ যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৭৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের জয়ের ভিত গড়ে দেন তিনি। ফারহান জানান, অনুশীলন থেকেই নিজের ছন্দ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। এমনকি ম্যাচসেরা হওয়ার লক্ষ্যও আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছিলেন। বিশ্বকাপে অন্তত দুই থেকে তিনটি ম্যাচসেরা হওয়ার ব্যক্তিগত লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি। পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আগা বলেন, দল রান তাড়া করা এবং আগে ব্যাট করা—দুই পরিস্থিতিতেই প্রস্তুত। ‘আমরা চেষ্টা করি আগে ব্যাট করে গড়ের চেয়ে বেশি রান তুলতে এবং তা রক্ষা করতে। আমাদের ব্যাটিং অর্ডার নমনীয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী যে কেউ উপরে বা নিচে খেলতে পারে,’ বলেন তিনি। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে অনেক বেশি গুছানো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে পাকিস্তান। ১৯০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে সেটি সফলভাবে রক্ষা করে দলটি। তবে অধিনায়ক স্বীকার করেছেন, পাওয়ারপ্লে বোলিংয়ে আরো উন্নতির সুযোগ আছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে এখন সমর্থকদের উন্মাদনা তুঙ্গে। মাঠের লড়াইয়ে কে এগিয়ে থাকবে, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।
২০২৮ যুব বিশ্বকাপের আয়োজক হতে পারে বাংলাদেশ!

২০২৮ যুব বিশ্বকাপের আয়োজক হতে পারে বাংলাদেশ! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মাঠে চলছে। কিন্তু মাঠের বাইরের উত্তাপটাই এখন পর্যন্ত বেশি। ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচ খেলবে কিনা তা গতকাল পর্যন্ত নিশ্চিত ছিল না। রোববার লাহোরে আইসিসি, পিসিবি বৈঠকে ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হয়। পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত পাল্টেছে। তাতে পুরো ক্রিকেট বিশ্ব যেন হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের পেছনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) রেখেছে ভূমিকা। সঙ্গে লাভবান হয়েছে বাংলাদেশও। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান মহসিন নাকভির আমন্ত্রণে লাহোরে হুট করে গিয়ে আমিনুল ইসলাম বুলবুল বড় সংবাদ নিয়ে দেশে ফিরেছেন। হ্যাঁ, সংবাদটা বড়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়াতে বিসিবিকে কোনো আর্থিক, ক্রিকেটীয় বা প্রশাসনিক শাস্তি দেওয়া হবে না বলে নিশ্চিত করেছে আইসিসি। বাংলাদেশের যেন আর্থিক কোনো ক্ষতি না হয় সেই দিকটি পাকিস্তান নিশ্চিত করেছে। তাহলেই ভারতের বিপক্ষে তারা খেলবে সেই শর্ত দিয়েছিল। আইসিসিও তা মেনে নিয়েছে। সঙ্গে বাড়তি পাওয়াও আছে। আইসিসি ২০৩১ সালের আগে বাংলাদেশকে আরেকটি আইসিসি ইভেন্টে আয়োজক করতে পারে। সেটা হতে পারে ২০২৮ যুব বিশ্বকাপ। মৌখিক যে আলাপ আলোচনা হয়েছে, বাংলাদেশ যুব বিশ্বকাপই পেতে পারে। এর আগে এই প্রতিযোগিতা সফলভাবে আয়োজন করেছে বাংলাদেশ। তাছাড়া সাম্ভাব্য আইসিসি ইভেন্টে আছে যুব নারী বিশ্বকাপ। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ছেলেদের যুব বিশ্বকাপ আয়োজন করার আগ্রহ দেখিয়েছেন। এমনটিই শোনা গেছে। পাকিস্তানের গণমাধ্যমেও তা উঠে এসেছে। আইসিসির জন্য যুব বিশ্বকাপের আয়োজক নির্ধারণ করার কাজটা বরাবরই কঠিন। কেননা বড় দেশগুলো এই ইভেন্টের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। অতীতের রেকর্ড তাই বলছে। ভারত ও ইংল্যান্ডের মতো দেশ কখনই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আয়োজক হয়নি। ১৯৮৮ সাল থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতার প্রথম আসর বসেছিল অস্ট্রেলিয়াতে। ২০১২ সালে তারা সবশেষ আয়োজন করে। সেটাও ১৪ বছর আগে। আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে এই তিনটা দেশ অনেক বেশি আগ্রহী হয়, বিশেষ করে পুরুষদের আইসিসি ইভেন্টের ক্ষেত্রে। ‘বিগ থ্রি’ যাদেরকে বলা হয় তাদের অনাগ্রহে বাকিদের সুযোগ হয়। বাংলাদেশ ২০০৪ ও ২০১৬ সালে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে। শ্রীলঙ্কাও করেছে দুইবার। সবশেষ ২০ বছর আগে।বাংলাদেশে এই আয়োজন করা আইসিসির জন্য লাভজনক। কেননা বাংলাদেশে আয়োজন করার খরচটা কম। সঙ্গে আর্থিক লাভটাও হয়। দুই বছর পর আরেকটি যুব বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ তা অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে আছে। এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।
অনড় সিদ্ধান্তে শাস্তি নয় পুরস্কার পাচ্ছে বাংলাদেশ

অনড় সিদ্ধান্তে শাস্তি নয় পুরস্কার পাচ্ছে বাংলাদেশ নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থেকে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলছে না বাংলাদেশ। বৈশ্বিক এই আসরে না খেললেও বাংলাদেশকে কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা করবে না আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসি। উল্টো পুরস্কার হিসেবে ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই আরও একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের আয়োজক বাংলাদেশকে করা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের সংস্থাটি। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে আইসিসি। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তান ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত জানানোর পর গতকাল আইসিসির সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভা হয়। আজ রাতেই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানান, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলতে পাকিস্তানকে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
খাদের কিনারা থেকে জয় ছিনিয়ে আনল পাকিস্তান

খাদের কিনারা থেকে জয় ছিনিয়ে আনল পাকিস্তান একটা সময় মনে হচ্ছিল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বুঝি বিশ্বকাপ মিশন শেষ হতে যাচ্ছে পাকিস্তানের। তবে ভক্তদের সব আশঙ্কা দূর করে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৩ উইকেটের নাটকীয় জয় পেয়েছে পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দারুণ বোলিং নৈপুণ্য দেখিয়ে নেদারল্যান্ডসকে ১৯.৫ ওভারে ১৪৭ রানে গুটিয়ে দেয় পাকিস্তান। তবে সহজ এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নদীর মতো বার বার বাঁক নিয়েছে পাকিস্তানের ইনিংস। এদিকে ভারতের বিপক্ষে নিজেদের ম্যাচ বয়কট করায় এই ম্যাচ জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না পাকিস্তানের জন্য। হারলেই বাদ—এমন সমীকরণ সামনে রেখে শেষ দিকে চাপে পড়ে উইকেট হারাতে থাকে বাবর আজমরা শেষ পর্যন্ত ফাহিম আশরাফের ১১ বলে ২৯ রানের ঝোড়ো ইনিংসের ওপর ভর করে ৩ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান।
সুপার এইটে যেতে ‘কিছুটা অসম্ভব মিশনে’ পাকিস্তান

সুপার এইটে যেতে ‘কিছুটা অসম্ভব মিশনে’ পাকিস্তান পাকিস্তানের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডসের ম্যাচ দিয়ে আজ শুরু হচ্ছে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই বড় সমীকরণের সামনে পড়ে গেছে সালমান আলী আগা, দলের ক্রিকেটাররা। ভারতের বিপক্ষে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচটি না খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় কার্যত ম্যাচ সংখ্যা চার থেকে নেমে এসেছে তিনে। পাকিস্তান সরকার ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দিয়েছে। পিসিবিও সেই সিদ্ধান্তের বাইরে যায়নি। ফলে ওই ম্যাচে সম্ভাব্য দুই পয়েন্ট আগেই হারিয়েছে পাকিস্তান। শুধু তাই নয় বড় ধাক্কা এসেছে নেট রান রেটেও। এই অবস্থায় সুপার এইটে যেতে হলে এখন প্রতিটি ম্যাচ জেতা ছাড়া বিকল্প নেই পাকিস্তানের সামনে। পাশাপাশি প্রতিটি জয় হতে হবে বড় ব্যবধানে। আজ নেদারল্যান্ডসের পর তাদের সামনে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র, নামিবিয়া। তিন ম্যাচেই বড় ব্যবধানের জয় তুলতে হবে সালমান আলী আগার দলকে। কিন্তু পথটা মোটেও সহজ নয়। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সহযোগী সদস্য দল হয়ে পূর্ণ সদস্য দলকে হারানোর নজির সবচেয়ে বেশি নেদারল্যান্ডসের। ২০২২ বিশ্বকাপে ডাচদের কাছে হেরেই শেষ চারের স্বপ্ন ভেঙেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। পাকিস্তানেরও এমন অভিজ্ঞতা নতুন নয়। সবশেষ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সুপার ওভারে হেরে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। ফলে নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র, নামিবিয়ার বিপক্ষে প্রতিটি ম্যাচই এখন বাঁচা মরার লড়াই। এর মধ্যেই চোখ রাখতে হচ্ছে আকাশের দিকেও। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে গেছে। মূল বিশ্বকাপে এমন হলে পাকিস্তানের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে। ভারতের বিপক্ষে না খেলার সিদ্ধান্তে সুপার এইটে ওঠার পথ এখন সত্যিই পাহাড়সম হয়ে গেছে ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নদের জন্য।
বাংলাদেশ নেই, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিতে ভয়াবহ ধস

বাংলাদেশ নেই, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিতে ভয়াবহ ধস ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ। আর এর প্রভাব ভারত, আইসিসি ভালোভাবেই টের পাচ্ছে। বিশ্বকাপের আকর্ষণ অনেকটাই কমে গেছে। তার সরাসরি ছাপ পড়েছে টিকিট বিক্রিতে। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে বাংলাদেশের চার ম্যাচের তিনটি ছিল কলকাতায় এবং একটি মুম্বাইয়ে। ভারতের গণমাধ্যম জানিয়েছে, বাংলাদেশ না খেলায় কলকাতার দর্শকদের আগ্রহে বড় ধরনের ভাটা পড়েছে। বাংলাদেশের বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করায় কলকাতার ক্রিকেটপ্রেমীরা ওই তিন ম্যাচ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, কলকাতায় বিশ্বকাপ ম্যাচের টিকিট বিক্রিতে স্পষ্ট মন্দাভাব দেখা যাচ্ছে। কলকাতা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের বাইরে টিকিট কাউন্টার প্রায় ফাঁকা পড়ে আছে। বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে এমন দর্শক সংকট আগে কখনো দেখা যায়নি। হতাশাজনক এই পরিস্থিতি স্থানীয় আয়োজকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। আজ উদ্বোধনী দিনের তিনটি ম্যাচের একটি অনুষ্ঠিত হবে ইডেনে, যেখানে মুখোমুখি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, স্কটল্যান্ড। গতকাল পর্যন্ত এই ম্যাচের বিক্রি হয়েছে মাত্র ২৯১৭টি টিকিট। অথচ ইডেন গার্ডেন্সের দর্শক ধারণক্ষমতা প্রায় ৬৫ হাজার। ১৬ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ড, ইতালি ম্যাচের টিকিট বিক্রি হয়েছে ৪৯৭০টি। আর ১৯ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি ম্যাচের জন্য শুক্রবার পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে মাত্র ১২৪৮টি টিকিট। এই সংখ্যাগুলোই পরিষ্কার করে দিচ্ছে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে কত বড় ভুল করেছে আইসিসি।
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন ভারতের যুবারা

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন ভারতের যুবারা বৈভব সূর্যবংশির তাণ্ডবে ৪১২ রানের বিশাল লক্ষ্য দেওয়ার পর ভারতের যুবাদের অভিনন্দন জানানো শুরু হয়ে গিয়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। শেষ পর্যন্ত বিফলে যায়নি সেই অভিনন্দন। ১০০ রানের ব্যবধানের ইংল্যান্ডের যুবাদের হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে ভারত। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) হারারের স্পোর্টস গ্রাউন্ডে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতের অধিনায়ক আয়ুশ মহাত্রে। বৈভব সূর্যবংশির ৮০ বলে ১৭৫ রানের ইনিংসে ৪১১ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় আসরের সবচেয়ে সফল দলটি। বিস্ময়বালক সূর্য গড়েন মাত্র ১৪ বছর বয়সে আইসিসির ৫০ ওভারের টুর্নামেন্টের কোনো ফাইনালে দ্রুততম সেঞ্চুরি করার রেকর্ড। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩১১ রান পর্যন্ত করতে পেরেছে ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দল। লক্ষ্যটা অতিমাত্রায় বড় হয়ে যাওয়ায় বিফলে গেছে ক্যালেব ফ্যালকনারের ৬৭ বলে ১১৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস। চেষ্টা চালিয়েও সফল হতে পারেননি তিনি। সবশেষ ব্যাটার হিসেবে তাকে ফিরিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। ৬৬ ও ৪৫ মাঝারি মানের ইনিংস খেলেন বেন ডওকিন্স ও বেন মায়েস। অধিনায়ক থমাস রেউ ৩১ ও ২৮ রান আসে জেমস মিন্টোর ব্যাট থেকে। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেছেন অ্যাম্ব্রিশ। দুটি করে পেয়েছেন দিপেশ ও কনিষ্ক। সমান একটি করে খিলান ও আয়ুশ। এর আগে, ফাইনালে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ইংল্যান্ডের যুবাদের বোলারদের বেধড়ক পিটিয়ে খেললেন ৮০ বলে ১৭৫ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস। তার গড়ে দেওয়া ভিতে ৫০ ওভার ব্যাটিং করে ভারতের যুবাদের সংগ্রহ ৪১১ রান। তবে ভারতের শুরুটা ছিল নড়বড়ে। দলীয় ২০ রানে আউট হন ওপেনার অ্যারন জর্জ (৯)। এরপর অধিনায়ক আয়ুশ মহাত্রের সঙ্গে সূর্য জুটি গড়েন ১৪২ রানের। দলীয় ১৬২ রানে আয়ুশ ৫৩ রান করে ফিরলে ভাঙে জুটি। অধিনায়কের বিদায়ের পরপরই ৫৫ বলে সেঞ্চুরি আদায় করে নেন সূর্যবংশি। ইংল্যান্ডের বোলারদের পিটিয়ে পার করেন নিজের ব্যক্তিগত দেড়শো রানও। দলীয় ২৫১ রানে সূর্য আউট হওয়ার আগে খেলেন ৮০ বলে ১৭৫ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস ১৫ চার ও ১৫ ছক্কায়। সূর্যের তাণ্ডবে ১৩.২ ওভারে দলীয় ১০০ রান পূর্ণ করে। এরপর মাত্র ২১.৪ ওভারে দুশো রান ছাড়িয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত পুরো ৫০ ওভার ব্যাটিং করে ভারতের যুবারা দাঁড় করায় ৪১১ রানের বিশাল সংগ্রহ। বাকি ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন অভিজ্ঞান কুণ্ডু। ২০ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত ছিলেন কনিষ্ক চৌহান। ৩২ ও ৩০ রান আসে ত্রিবেদি ও মালহোতরার ব্যাট থেকে। ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেন জেমস মিন্টো। সমান দুটি করে সেবাস্টিয়ান মরগ্যান ও অ্যালেক্স গ্রিন। একটি উইকেট পেয়েছেণ ম্যানি লামসডেন।
ভারত ম্যাচ না খেললে মামলা হতে পারে, পিসিবিকে আইসিসির সতর্কবার্তা

ভারত ম্যাচ না খেললে মামলা হতে পারে, পিসিবিকে আইসিসির সতর্কবার্তা ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় আর্থিক ও আইনি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। আজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পাকিস্তানকে সতর্ক করে জানিয়েছে, নির্ধারিত ম্যাচটি অনুষ্ঠিত না হলে টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল সম্প্রচারক জিওস্টার আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে। পাকিস্তান সরকারের নির্দেশে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় অনুষ্ঠিতব্য ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পিসিবি। তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ এখনো লিখিতভাবে আইসিসিকে জানানো হয়নি। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে পিসিবি সূত্র জানিয়েছে, ভারত ম্যাচ বর্জনের কারণে আইসিসি পাকিস্তানের বার্ষিক রাজস্ব অংশীদারিত্ব থেকে প্রায় ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কেটে নিতে পারে। সেই অর্থ সম্প্রচারককে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। পিসিবি সূত্র আরও জানায়, অবস্থান পরিবর্তন না করলে শুধু আর্থিক জরিমানাই নয়, সম্প্রচারকের পক্ষ থেকে সরাসরি মামলার মুখেও পড়তে হতে পারে বোর্ডকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর শুরু হচ্ছে শনিবার ৭ ফেব্রুয়ারি।
পাল্লেকেলের ফাঁদেই আটকাল স্বাগতিকরা, প্রস্তুতির সিরিজে নিখুঁত ইংল্যান্ড

পাল্লেকেলের ফাঁদেই আটকাল স্বাগতিকরা, প্রস্তুতির সিরিজে নিখুঁত ইংল্যান্ড আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক হয়েও প্রস্তুতির মঞ্চে চরম হতাশার ছবি দেখল শ্রীলঙ্কা। নিজেদের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে একটিও ম্যাচ জিততে না পেরে হোয়াইটওয়াশের তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো দাসুন শানাকার দলকে। মঙ্গলবার পাল্লেকেলেতে অনুষ্ঠিত শেষ টি-টোয়েন্টিতে কম রানের ম্যাচে নিজেদের তৈরি স্পিন-নির্ভর উইকেটেই আটকে গেল স্বাগতিকরা। ১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ পর্যন্ত ১১৬ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। ফলে সিরিজ শেষ হয় ৩-০ ব্যবধানে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে। এই সিরিজের তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হয়েছে পাল্লেকেলেতে। তবে প্রতিটি ম্যাচে উইকেটের আচরণ ছিল ভিন্ন। প্রথম ম্যাচে বৃষ্টির কারণে ওভার কমলেও স্পিন খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি। দ্বিতীয় ম্যাচ ছিল তুলনামূলক ব্যাটিং-বান্ধব। আর শেষ ম্যাচে স্পিনারদের আধিপত্যই ঠিক করে দেয় ফলাফল। প্রথমে লঙ্কান বোলাররা ইংল্যান্ডকে চাপে ফেললেও পরে সেই একই ফাঁদে নিজেরাই পড়েন স্বাগতিক ব্যাটাররা। এর আগে দুই দল তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল। সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতেও পরের দুই ম্যাচে হেরে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোয়ায় শ্রীলঙ্কা। টি-টোয়েন্টিতে এসে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। এই নিয়ে ইংল্যান্ডের কাছে টানা ১১টি টি-টোয়েন্টিতে হারল শ্রীলঙ্কা। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এটি তাদের ইংলিশদের বিপক্ষে দ্বিতীয় হোয়াইটওয়াশ। ঘরের মাঠে প্রথম। এর আগে ২০২১ সালে ইংল্যান্ডে একই পরিণতি হয়েছিল। শেষ ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামে ইংল্যান্ড। শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারীরা। মাত্র ৬০ রান তুলতেই ছয় উইকেট হারিয়ে ফেলে হ্যারি ব্রুকের দল। সেই ধাক্কা সামলে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন স্যাম কারান। ৪৮ বলে ৫৮ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ছিল ছয়টি চার ও একটি ছক্কা। এছাড়া জস বাটলার করেন ২৫ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২৮। শ্রীলঙ্কার হয়ে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন দুষ্মন্ত চামিরা। মাত্র ২৪ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম পাঁচ উইকেটের কীর্তি গড়েন তিনি। ছোট লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি শ্রীলঙ্কার। ইনিংসের তৃতীয় বলেই শূন্যরানে ফিরে যান ওপেনার কামিল মিশারা। পাথুম নিশাঙ্কা আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে কিছুটা আশা জাগালেও ২৩ রানেই থেমে যান। পাওয়ারপ্লেতে ৪৬ রান তুলে লঙ্কানরা ম্যাচে থাকলেও মাঝের ওভারে দ্রুত উইকেট হারানোয় সেই সম্ভাবনা ফিকে হয়ে যায়। ৬২ রানের মধ্যে পভন রত্ননায়েক ও কুশল মেন্ডিস ফিরে গেলে চাপ আরও বাড়ে। কামিন্দু মেন্ডিস ও জানিথ লিয়ানাগে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট হয়নি। শেষ ছয় উইকেট পড়ে যায় মাত্র ২৬ রানের ব্যবধানে। ইংল্যান্ডের বোলিংয়ে বড় ভূমিকা রাখেন স্পিনাররা। জ্যাকব বেথেল নেন চারটি উইকেট। আর উইল জ্যাকস শিকার করেন তিনটি। ম্যাচ ও সিরিজসেরার পুরস্কার উঠেছে স্যাম কারানের হাতেই। ব্যাটে-বলে তার অবদানই এই সিরিজে ইংল্যান্ডের নিখুঁত সাফল্যের প্রতিচ্ছবি। বিশ্বকাপের আগে যেখানে প্রস্তুতির আত্মবিশ্বাস গড়ার কথা ছিল, সেখানে ঘরের মাঠে এমন পরাজয় শ্রীলঙ্কার জন্য বড় সতর্কবার্তা হয়েই রইল।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ : টুর্নামেন্ট সেরা কাকে দেখছেন পন্টিং

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ : টুর্নামেন্ট সেরা কাকে দেখছেন পন্টিং আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ব্যাটসম্যান অভিশেক শার্মা। তার ধারেকাছে আপাতত নেই কেউ। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তাকে রানের তালিকায় সবার ওপরে দেখছেন রিকি পন্টিং। অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তির ধারণা, টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কারও জিতে নেবেন ভারতের এই আগ্রাসী ওপেনার। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যখন ভারত শিরোপা জয় করে, অভিশেকের তখন ভারতের হয়ে অভিষেকই হয়নি। বিশ্বকাপের পরপর জিম্বাবুয়ে সফর দিয়ে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলার শুরু। প্রথম ম্যাচে শূন্যতে ফিরলেও পরের ম্যাচেই সেঞ্চুরি করেন ৪৬ বলে। সেই থেকে ছুটছেন তিনি ম্যাচের পর ম্যাচ বোলারদের কচুকাটা করে। ২ সেঞ্চুরি ও ৮ ফিফটিতে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তার রান ১ হাজার ২৯৭। ব্যাটিং গড় ৩৭.০৫, স্ট্রাইক রেট ১৯৪.৭৪। বিশ্বের এক নম্বর টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যান হলেও খুব অভিজ্ঞ এখনও তিনি নন। তবে বড় আসরে অভিজ্ঞতা যে তার বাধা নয়, সেটি প্রমাণ করেছেন মাস চারেক আগে এশিয়া কাপেই। ভারতের শিরোপা জয়ের পথে সর্বোচ্চ রান করে টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার জিতে নিয়েছিলেন তিনি। এবার আইসিসি রিভিউয়ে পন্টিং বললেন, এশিয়া কাপের পুনরাবৃত্তি বিশ্বকাপেও অভিশেক করতে দেখছেন তিনি। পন্টিং বলেন, হি ইজ আ স্টার। আমার মনে হয়, এটা (অভিজ্ঞতার ঘাটতি) তার জন্য সত্যিকারে ইতিবাচক হবে। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান স্কোরার হতে পারে সে, সম্ভাব্য প্লেয়ার অব দা টুর্নামেন্টও। আমি তাকে এতটাই ভালো মনে করি। সত্যি যদি সে এটা করতে পারে, ভারতকে হারানো হবে আরও বেশি কঠিন। যদি সে না পারে, তাহলে তারা (ভারত) হবে অন্য যে কোনো দলের মতোই নড়বড়ে। এই বিশ্বকাপে ভারতের জন্য তাকে আমি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ মনে করি।”ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে অভিশেক সংস্পর্শ পেয়েছিলেন পন্টিংয়ের। তরুণ সম্ভাবনাময় ব্যাটসম্যানের প্রতিভার আলো তখনই দেখতে পেয়েছিলেন তিনি। তিনি বলেন, আমি ছিলাম তার প্রথম আইপিএল কোচ। ১৭ বছর বয়সে দিল্লির হয়ে আমার সঙ্গেই তার অভিষেক এবং তাৎক্ষণিক প্রভাব রেখেছিল। আমার মনে হয়, প্রথম বলেই চার বা ছক্কা মেরেছিল বোলারের মাথার ওপর দিয়ে সোজা ব্যাটে ধ্রুপদি শটে এবং পোজ ধরে রেখেছিল। ওই ১৭ বছর বয়সেই বোঝা যাচ্ছিল, তার ভেতরে বাড়তি বিশেষ কিছু আছে। তিনি আরও বলেন, আমরা তাকে দিল্লি থেকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু আমি আকুতি করেছি, করেছি এবং করেছি যে, ‘দয়া করে এটা করবেন না, তাকে আমাদের ধরে রাখতে হবে, নিশ্চিত এক সুপারস্টার হতে যাচ্ছে সে…। সেটিই সে হয়েছে। তাকে নিয়ে এবার আমার আশা প্রবল। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে ২০১৮ আসরে আইপিএলে অভিষেক হয় অভিশেকের। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ছয় নম্বরে নেমে প্রথম বলেই চার মারেন মোহাম্মাদ সিরাজের বলে। সেদিন চার ছক্কায় ১৯ বলে ৪৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। সেবার দিল্লির হয়ে তিন ম্যাচ খেলার পর তাকে পরের মৌসুমে দলে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। সেখান থেকে এই দলের হয়েই তিনি খেলেছেন সাত মৌসুমে। সবশেষ দুই মৌসুমে তার ব্যাট ছিল উত্তাল। ২০২৪ আসরে ২০৪.২১ স্ট্রাইক রেটে রান করেন তিনি ৪৮৪, যে পারফরম্যান্স তার জন্য খুলে দেয় জাতীয় দলের দুয়ার। ২০২৫ আসরে ৪৩৯ রান করেন ১৯৩.৩৯ স্ট্রাইক রেটে।