‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে তিন পরিবর্তন নিয়ে নামতে পারে ভারত

‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে তিন পরিবর্তন নিয়ে নামতে পারে ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে চাপে ভারত। সেমিফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে হলে আজ জিম্বাবুয়েকে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে সূর্যকুমার যাদবদের। মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে একাদশ বাছাই নিয়েও সতর্ক ভারত। দেশটির গণমাধ্যমের বরাতে জানা যাচ্ছে, প্রথম একাদশে তিনটি পরিবর্তন করতে পারে ভারত। চলমান বিশ্বকাপে একেবারেই ছন্দে নেই অভিষেক শর্মা। তবে তাকে আরও একটা সুযোগ দেওয়ার পক্ষে টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই আজকের ম্যাচেও ওপেনিং জুটি পরিবর্তন হচ্ছে না। অভিষেকের সঙ্গে থাকছেন ইশান কিশান। তিন নম্বরে ব্যাট করবেন তিলক বার্মা। ব্যাটিং অর্ডারের চারে থাকবেন অধিনায়ক সূর্যকুমার। পাঁচে দেখা যেতে পারে হার্দিক পাণ্ডিয়াকে। ছয় নম্বরে ব্যাট করবেন সম্ভবত শিবাম দুবে। ছন্দে থাকা দুবের খেলাও একপ্রকার নিশ্চিত। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ভারত সম্ভবত পাচ্ছে না রিঙ্কু সিংহকে। অসুস্থ বাবাকে দেখতে টিম হোটেল ছেড়ে গেছেন তিনি। তার জায়গায় প্রথম একাদশে আসতে পারেন সঞ্জু স্যামসন। উইকেটরক্ষক এই ব্যাটারকে চেন্নাইয়ের ফিনিশারের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তিনি নামবেন সাত নম্বরে। আট নম্বরে আরও এক অলরাউন্ডার থাকবেন। দলে ফিরবেন সহ-অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল। শেষ তিনটি জায়গা বিশেষজ্ঞ বোলারদের। চেন্নাইয়ের স্পিন সহায়ক ২২ গজে জিম্বাবুয়েকে স্পিনের জালে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করতে পারেন গম্ভীররা। তাই একমাত্র বিশেষজ্ঞ পেস বোলার হিসাবে থাকবেন জসপ্রীত বুমরাহ। দু’জন বিশেষজ্ঞ স্পিনারের খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। বরুণ চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা যেতে পারে কুলদীপ যাদবকে। বুমরাহর সঙ্গে পেস আক্রমণের দায়িত্ব সামলাবেন হার্দিক এবং শিবাম দুবে।

সেমিতে যেতে পাকিস্তানের সামনে এখন যে সমীকরণ

সেমিতে যেতে পাকিস্তানের সামনে এখন যে সমীকরণ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের লড়াইটা বেশ জমে উঠেছে। বিশেষ করে সুপার এইটের গ্রুপ-২ থেকে সেমির লড়াইয়ে বর্তমানে এক জায়গার জন্য লড়ছে দুই দল। ইতোমধ্যে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে শ্রীলঙ্কার এবং সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালের বাকি একটি জায়গার জন্য লড়াইয়ে আছে নিউজিল্যান্ড এবং পাকিস্তান। আপাতত লড়াইয়ে বেশ এগিয়ে নিউজিল্যান্ড। দুই ম্যাচ থেকে ৩ পয়েন্ট পাওয়া কিউইরা সেমিতে এক পা দিয়ে ফেলেছে। দুই পা দিতে হলে নিজেদের পরের ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দিলেই চলবে। তবে না হারিয়েও যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। সেখানেই জটিল হিসাবের খেলা। নিউজিল্যান্ডের সমান ৩ পয়েন্ট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে পাকিস্তানের সামনেও। সেক্ষেত্রে নিজেদের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিততে হবে পাকিস্তানকে। যেহেতু ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ আগেই হয়ে যাবে। ফলে নিজেদের জয়ের সমীকরণ জেনেই ২৮ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কা ম্যাচে মাঠে নামবে পাকিস্তান। ২৭ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ, ২৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ। সমীকরণ মেলানোর সাথে সেমির লড়াই দেখার অপেক্ষায় সবাই।

বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়তেই বিস্ফোরক শানাকা, চাইলেন সরকারের হস্তক্ষেপ

বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়তেই বিস্ফোরক শানাকা, চাইলেন সরকারের হস্তক্ষেপ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে শ্রীলঙ্কার বিদায়ের পর দলের চারপাশের বাড়তে থাকা নেতিবাচক পরিবেশকে দায়ী করলেন অধিনায়ক দাসুন শানাকা। সেমিফাইনালের লড়াই থেকে প্রথম দল হিসেবে ছিটকে পড়ার পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ড্রেসিংরুমের বাইরে তৈরি হওয়া চাপ ও সমালোচনা ক্রিকেটারদের মানসিকতায় বড় প্রভাব ফেলছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দর্শকপূর্ণ ম্যাচে ৬১ রানে হারের ধাক্কায় শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ অভিযান কার্যত শেষ হয়ে যায়। এর আগে জিম্বাবুয়ে, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও হার তাদের অবস্থান নড়বড়ে করে তোলে। বিশেষ করে স্পিন সহায়ক উইকেটে ব্যাটিং ব্যর্থতা স্পষ্ট ছিল, নিউজিল্যান্ডের স্পিনারদের কাছে ছয় উইকেট হারিয়ে তারা মাত্র ১০৭ রান তুলতে সক্ষম হয়। শানাকার অভিযোগ, মাঠের বাইরের অতিরিক্ত সমালোচনা দলকে চাপে ফেলে দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিবাচক থাকতে চাই, কিন্তু বাইরে থেকে যে নেতিবাচকতা আসে, সেটা উপেক্ষা করা কঠিন। এটা শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটের জন্য ক্ষতিকর। তিনি আরো যোগ করেন, ‘এটাই আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় খেলা। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রিকেটারদের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা ভেবে সরকার যদি কিছু উদ্যোগ নেয়, সেটাই ভালো হবে।’ ২০১৪ সালে শিরোপা জয়ের পর থেকে শ্রীলঙ্কা টানা পাঁচটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হলো। ধারাবাহিক ব্যর্থতা, দল গঠনে অস্থিরতা এবং ব্যাটিং ইউনিটের অনিয়মিত পারফরম্যান্স এবারও তাদের পিছিয়ে দেয়। সুপার এইট পর্বে শ্রীলঙ্কার শেষ ম্যাচ পাকিস্তানের বিপক্ষে। ফলাফল তাদের ভাগ্য বদলাবে না, তবে প্রতিপক্ষের সেমিফাইনাল সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

টেন্ডুলকারের আউট নিয়ে ২২ বছর পর মুখ খুললেন বাকনার

টেন্ডুলকারের আউট নিয়ে ২২ বছর পর মুখ খুললেন বাকনার আম্পায়ারিং জীবনে একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্টিভ বাকনার। যার ফলে ভুগতে হয়েছে ব্যাটারদের। আর সাবেক আম্পায়ার স্টিভ বাকনারের ভুল সিদ্ধান্তের শিকার সবচেয়ে বেশি হতে হয়েছিল শচীন টেন্ডুলকারকে। জামাইকান আম্পায়ার অবশেষে নিজের ভুল স্বীকার করলেন। ২২ বছর আগে শচীনের এক বিতর্কিত আউট নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন ৭৯ বছর বয়সী  স্টিভ বাকনার। ২০০৩-০৪ সালে ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা সময় কাটাচ্ছিলেন শচীন। কিন্তু ব্রিসবেনে ভারত-অস্ট্রেলিয়া টেস্টে মাত্র ৩ রানে আউট হন মাস্টার ব্লাস্টার। জেসন গিলেসপি, অ্যাডাম গিলক্রিস্টদের এলবিডব্লিউয়ের আবেদনে সোজা আঙুল ওপরে তুলে দেন বাকনার। শচীন নিজেও অবাক হয়ে যান। বলের পিচ ছিল অফ স্টাম্পের বাইরে। আর উইকেটের অনেকটা ওপরে। বাকনারের মতো আম্পায়ারের চোখে এ রকম ভুল হওয়ার কথা নয়। অনেকে বলেন- তিনি শচীনকে দেখলে ‘ইচ্ছাকৃতভাবে’ আউট দিতেন। সেই ঘটনা নিয়ে বাকনার এখন বলেন, শচীনের ওই এলবিডব্লিউটা ভুল ছিল। কিন্তু এখনো ওই একটা আউট নিয়ে কথা বলে অনেকেই। কেন আমি ওকে আউট দিয়েছিলাম? ও কি সত্যিই আউট ছিল? এ ধরনের কথাবার্তা চলতেই থাকে। কিন্তু জীবনে ভুলভ্রান্তি হয়। আমি সেই ভুলটা মেনে নিয়েছি। জীবন নিজের পথে এগিয়ে গেছে। যদিও ভুল স্বীকার করলেও বাকনার ক্ষমা চাইতে নারাজ। কিন্তু ঘটনা হলো— শুধু এই একটা ঘটনা নয়, শচীনের বিরুদ্ধে এ রকম একাধিক ঘটনা ঘটেছে। সৌরভ গাঙ্গুলিসহ অনেক ভারতীয় ব্যাটারই বাকনারের ভুলের শিকার। আবার বিপক্ষ দলের ব্যাটারদের ক্ষেত্রে ঘটনাটা উল্টো। বছর কয়েক আগে ২০০৮ সালের সিডনি টেস্টের ভুল স্বীকার করেছিলেন তিনি। এবার বাকনার মেনে নিলেন ব্রিসবেনের ভুল।

জিম্বাবুয়ে ম্যাচের আগে স্টেডিয়ামে বিশেষ রাসায়নিক স্প্রে করছে ভারত

জিম্বাবুয়ে ম্যাচের আগে স্টেডিয়ামে বিশেষ রাসায়নিক স্প্রে করছে ভারত চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের ম্যাচে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিক ভারত। অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচটি ভারতীয়দের জন্য ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে পরিণত হয়েছে। চেন্নাইয়ের চিপকে এই ম্যাচটি হবে দিবা-রাত্রির। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির দিকে এই মাঠে দ্বিতীয় ইনিংসে মাঠে প্রচুর শিশির পড়ে, যা ব্যাটিং সহজ করে তোলে এবং বোলিং কঠিন হয়ে যায়। সেই সমস্যার সমাধানে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ভারতীয় দলের জন্য ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায়, টস ও কন্ডিশনের প্রভাব নিয়ে চিন্তিত দেশটি। টস যাতে ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা না রাখতে পারে তাই যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা ‘ডিউ কিউর’ নামের একটি রাসায়নিক উপাদান মাঠে ব্যবহার করছে ভারত। আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে চিপকের আউটফিল্ড নতুন করে প্রস্তুত করার সময় তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (টিএনসিএ) এই বিশেষ রাসায়নিক আমদানি করে। ‘ডিউ কিউর’ মেজর লিগ বেসবলের বিভিন্ন ভেন্যুতেও নিয়মিত ব্যবহার করা হয়। এর কার্যকারিতা হলো—একবার স্প্রে করলে ঘাসের পাতায় আর্দ্রতা জমতে পারে না; ভেজা হলে তা দ্রুত শোষিত হয়ে ঘাস দ্রুত শুকিয়ে যায়। 

টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ ফারহান-তারিকের

টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ ফারহান-তারিকের চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পারফরম্যান্সের প্রভাব পড়েছে আইসিসির সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে। পাকিস্তান দলের একদিকে যেমন এসেছে সুখবর, অন্যদিকে তেমনি কয়েকজন তারকা ক্রিকেটারের অবস্থান নেমেছে নিচে। সবচেয়ে বড় সুখবর ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানকে ঘিরে। দারুণ ধারাবাহিক ব্যাটিংয়ের পুরস্কার হিসেবে তিনি দুই ধাপ এগিয়ে উঠে এখন টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের তালিকায় তিন নম্বরে। তার সামনে রয়েছেন ইংল্যান্ডের ফিল সল্ট। দ্বিতীয় স্থানে আছেন ইংলিশ তারকা। শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের অভিষেক শর্মা, যদিও এবারের বিশ্বকাপে তার ব্যাট থেকে বড় ইনিংস আসেনি। তবে পাকিস্তানের অন্য ব্যাটারদের জন্য খবরটা ততটা ভালো নয়। ওপেনার সাইম আইয়ুব তিন ধাপ নেমে ৩৪তম স্থানে চলে গেছেন। সাবেক অধিনায়ক বাবর আজম এক ধাপ পিছিয়ে ৩৬তম স্থানে। বর্তমান অধিনায়ক সালমান আলি আঘা নেমেছেন ৩৮তম স্থানে, আর ফখর জামান পিছিয়ে গিয়ে অবস্থান করছেন ৮৮ নম্বরে। বোলারদের তালিকায়ও এসেছে পরিবর্তন। স্পিনার আবরার আহমেদ দুই ধাপ নেমে এখন পঞ্চম স্থানে, তার রেটিং পয়েন্ট ৭১২। মোহাম্মদ নেওয়াজ তিন ধাপ পিছিয়ে ১২তম স্থানে। তবে পেসার সালমান মির্জা এক ধাপ এগিয়ে ১৮তম এবং শাহীন শাহ আফ্রিদি চার ধাপ এগিয়ে ৩১তম স্থানে উঠে এসেছেন। সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছেন উসমান তারিক। তিনি এক লাফে ৫৯ ধাপ এগিয়ে এখন ৫৫তম স্থানে। অন্যদিকে সুফিয়ান মুকিম ১০ ধাপ নেমে ৬০তম এবং শাদাব খান ১০ ধাপ এগিয়ে ৬৫তম স্থানে রয়েছেন। সাইম আইয়ুব বোলারদের তালিকায়ও ১১ ধাপ নেমে ৬৬তম স্থানে, আর হারিস রউফ পাঁচ ধাপ পিছিয়ে ৮১তম স্থানে। বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে আছেন ভারতের বরুণ চক্রবর্তী। দ্বিতীয় স্থানে আফগানিস্তানের অধিনায়ক রশিদ খান। বড় পরিবর্তন এসেছে তৃতীয় স্থানে, দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বোশ ২১ ধাপ এগিয়ে উঠে এখন তিন নম্বরে।

জিম্বাবুয়ে ম্যাচের আগে ভারতকে যে পরামর্শ দিলেন পন্টিং

জিম্বাবুয়ে ম্যাচের আগে ভারতকে যে পরামর্শ দিলেন পন্টিং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হওয়ার আগে ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক কিংবদন্তি অধিনায়ক রিকি পন্টিং। তার মতে, ম্যাচআপের হিসাব-নিকাশে না গিয়ে চেন্নাইয়ের কন্ডিশন অনুযায়ী ভারতের সেরা একাদশ নিয়েই মাঠে নামা উচিত। চেন্নাইয়ের ঐতিহাসিক চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলবে ভারত। সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারের পর দলটি কিছুটা চাপে রয়েছে। আইসিসি রিভিউ অনুষ্ঠানে পন্টিং বলেন, ‘এই ধরনের ম্যাচে আমি হলে বেসিকে ফিরে যেতাম। আগে দেখতাম, চেন্নাইয়ের কন্ডিশনে আমাদের সেরা একাদশ কারা। সেই দল নিয়েই খেলতাম।’ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে অক্ষর প্যাটেলকে না খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা চলছে। শোনা গিয়েছিল প্রতিপক্ষের বাঁহাতি ব্যাটারদের কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে পন্টিংয়ের মতে, একজন অধিনায়কের দায়িত্ব হলো বোলারদের সঠিক সময়ে ব্যবহার করা, শুধু ম্যাচআপের ওপর নির্ভর করা নয়। তিনি আরো বলেন, ‘অক্ষর দলে থাকলে ভালো। আর আমি কুলদীপ যাদবকে দলে ফেরানোর কথাও ভাবতাম। সে ডানহাতি-বাঁহাতি যেকোনো ব্যাটারের বিপক্ষেই কার্যকর হতে পারে। স্পিনবান্ধব চেন্নাই উইকেটে কুলদীপ যাদব বড় ভূমিকা রাখতে পারেন বলেও মত পন্টিংয়ের। এদিকে ভারতের সাবেক কোচ রবী শাস্ত্রীও মনে করেন, একাদশে পরিবর্তন আনা দরকার এবং অভিজ্ঞ স্পিনারদের সুযোগ দেওয়া উচিত। তার মতে, অতিরিক্ত একজন বোলিং অপশন থাকলে দল আরও ভারসাম্যপূর্ণ হবে। সুপার এইটে টিকে থাকতে ভারতের জন্য জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখন দেখার বিষয়, পন্টিংয়ের পরামর্শ মেনে টিম ম্যানেজমেন্ট সেরা একাদশে আস্থা রাখে কিনা।

সেমিফাইনাল খেলতে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ভারতের করণীয়

সেমিফাইনাল খেলতে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ভারতের করণীয় ঘরের মাঠের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বেকায়দায় ভারত। গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সূর্যকুমার যাদবের দল সুপার এইটে এক হারেই সেমিফাইনাল খেলা নিয়ে শঙ্কায় পড়ে গেছে। ভারতের সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা আরও বড় ধাক্কা খেয়েছে গতকাল ২৩ ফেব্রুয়ারি) মুম্বাইয়ে সুপার এইটের ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১০৭ রানের বিশাল জয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হার আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই বড় জয়ের ফলে ভারতের নেট রান রেট (এনআরআর) ভালো রাখতে বাকি ম্যাচগুলো বড় ব্যবধানে জিততেই হবে। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে শিমরন হেটমেয়ারের ৩৪ বলে ৮৫ রান এবং রোভম্যান পাওয়েলের দ্রুতগতির অর্ধশতকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৫৪ রান করে। জবাবে জিম্বাবুয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে এবং লক্ষ্য থেকে অনেক দূরে থাকতেই থেমে যায়। গুদাকেশ মোতি ৪টি উইকেট নেন। ভারত আগামীকাল চেন্নাইয়ে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে। একই দিনে গ্রুপ ১-এর অন্য ম্যাচে আহমেদাবাদে দক্ষিণ আফ্রিকা খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ভারতের সেমিফাইনাল ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করবে এই ম্যাচের ফলের ওপর। দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলে ভারতের পথ কিছুটা সহজ হবে।

জয়ের লক্ষ্যে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি পাকিস্তান

জয়ের লক্ষ্যে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরে সেমিফাইনাল দৌড়ে নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে আজ শক্তিশালী ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে পাকিস্তান। সুপার এইট পর্বের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। পরিসংখ্যান বলছে, এই ফরম্যাটে দুই দলের ৩১ বারের লড়াইয়ে ইংলিশরা জয় পেয়েছে ২০টিতে। বিপরীতে পাকিস্তানের জয় মাত্র ৯টি ম্যাচে। বাকি দুই ম্যাচের একটি টাই এবং অন্যটি পরিত্যক্ত হয়েছে।

নারী বিশ্বকাপে একই গ্রুপে বাংলাদেশ-পাকিস্তান-ভারত

নারী বিশ্বকাপে একই গ্রুপে বাংলাদেশ-পাকিস্তান-ভারত জুন-জুলাইয়ে বাংলাদেশ অংশ নেবে দশম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বাছাইপর্বে সাত ম্যাচের সাতটি জিতে অপরাজিত দল হিসেবে বাংলাদেশ পেয়ে গেছে বিশ্বকাপের টিকিট। প্রথমবারের মতো নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১২ দল অংশ নেবে। সব মিলিয়ে ম্যাচ গড়াবে ৩৩টি। ১২ জুন টুর্নামেন্ট শুরু হবে। ২৪ দিনের রোমাঞ্চকর প্রতিযোগিতা শেষ কবে ৫ জুলাই। লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে হবে ফাইনাল ম্যাচ। মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি আজ ঘোষণা করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল। বাংলাদেশ পড়েছে গ্রুপ ‘এ’-তে। যেখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত ও পাকিস্তানকে। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে – লর্ডস, ওল্ড ট্রাফোর্ড, হেডিংলি, এজবাস্টন, হ্যাম্পশায়ার বোল, দ্য ওভাল এবং ব্রিস্টল।