রবিবার ২৫ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৯ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: October 25, 2026
October 25, 2026
খেলাধুলা
খেলাধুলা

নাম্বার নাইন খুঁজছে বাংলাদেশ ভরসা রোনান সুলিভানে

Published: October 25, 2026 at 11:44 AM
নাম্বার নাইন খুঁজছে বাংলাদেশ ভরসা রোনান সুলিভানে

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের দীর্ঘদিনের সমস্যা গোল করার মতো নির্ভরযোগ্য স্ট্রাইকারের অভাব। আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে সেই সংকটের কথাই তুলে ধরলেন প্রধান কোচ থমাস ডুলি। তার মতে, প্রকৃত সেন্ট্রাল ফরোয়ার্ড হতে হলে শারীরিক লড়াইয়ে সাহসী হওয়ার পাশাপাশি গোলের সুযোগ কাজে লাগানোর সামর্থ্যও থাকতে হবে।রোববার জাতীয় দলের ক্যাম্পের প্রথম দিনে টিম হোটেলে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ডুলি বলেন, বাংলাদেশ একজন ‘নাম্বার নাইন’ খুঁজছে, কিন্তু দলে এখনো সেই ধরনের খেলোয়াড় নেই। ডুলি বলেন, ‘সবাই জানে আমরা একজন নাম্বার নাইন খুঁজছি এবং আমাদের হাতে সেটা নেই। একজন সেন্ট্রাল ফরোয়ার্ডের কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য থাকতে হয়। তাকে গোলরক্ষক বা ডিফেন্ডারের সামনে গিয়ে বলের প্রথম স্পর্শটা নেওয়ার সাহস দেখাতে হয়। এই ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যেই মাহে খান ও অনূর্ধ্ব-২০ দলের হয়ে ভালো করা রোনান সুলিভানকে দলে রাখা হয়েছে বলে জানান কোচ। স্ট্রাইকার সংকট কাটিয়ে টুর্নামেন্টে ভালো করাই এখন বাংলাদেশের লক্ষ্য। কোচের মতে, প্রতিপক্ষের বক্সে শারীরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা এবং ভয় না পেয়ে গোলের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়া একজন প্রকৃত স্ট্রাইকারের গুরুত্বপূর্ণ গুণ। আসিয়ান কাপের পর বাংলাদেশ দলের শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। খেলোয়াড়দের সময়ানুবর্তিতা এবং স্থানীয় ও প্রবাসী ফুটবলারদের মধ্যে গ্রুপিং নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হয়েছে। এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন ডুলি। তিনি বলেন, ‘শৃঙ্খলা নেই, এই কথা কে বলল? আমাদের এমন কোনো নিয়ম নেই যে এটা করলে শাস্তি দেওয়া হবে। আমরা সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ওপেন ব্রেকফাস্টের নিয়ম রেখেছি। কেউ ৮টায় খেতে চায়, কেউ আরেকটু ঘুমিয়ে ৯টায় খায়। এটাকে কেউ কেউ শৃঙ্খলাভঙ্গ বলতে পারে, কিন্তু আমার কাছে এটা স্বাভাবিক। তবে মাঠে কেউ নিজের দায়িত্ব পালন না করলে ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন কোচ। তার ভাষায়, মাঠে কেউ কাজ না করলে কিংবা হামজার মতো লড়াই না করলে তাকে পরিণতি ভোগ করতে হবে। দলে গ্রুপিংয়ের অভিযোগও নাকচ করে দেন ডুলি। তিনি বলেন, ‘দলে কোনো গ্রুপিং নেই। ২৮ জন খেলোয়াড় এক টেবিলে বসে খেতে পারে না। সবাই তার পছন্দের মানুষের সঙ্গে বসে। হামজা বা যুক্তরাজ্যের ছেলেরাও একসঙ্গে এক টেবিলে বসে। তার মানে কি এই যে তারা অন্যদের অপছন্দ করে? মোটেও না। তিনি আরও বলেন, ‘ডাইনিং টেবিলে আমরা আলাদা বসতেই পারি, কিন্তু মাঠ একটাই এবং সেখানে আমরা একে অপরের জন্যই কাজ করি। ফেসবুকে যারা এসব লেখে, তারা স্রেফ টাকা আর ক্লিকের জন্য গুজব ছড়ায়। এসব মিথ্যা আর বানোয়াট গল্প।