রবিবার ১১ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৬শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: October 11, 2026
October 11, 2026
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক

নেপালে আবারো আকস্মিক বন্যা

Published: October 11, 2026 at 12:15 PM
নেপালে আবারো আকস্মিক বন্যা

নেপালে আবারো আকস্মিক বন্যায় ৩৫টিরও বেশি বাড়িঘর ও সেতু ভেসে গেছে এবং একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রবিবার দেশটির গোর্খা জেলার চুমনুব্রি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি অনলাইন। এর আগে গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট বন্যায় ১ হাজার ৪৫৭ জনের মৃত্যু ও হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি ঘটেছিল অন্য একটি উপনদীর অববাহিকায়। সেই ঘটনার ধারাবাহিকতায় এবার ত্রিশূলী নদীর উপনদী বুড়ি গণ্ডকি-এর পানির স্তর বেড়ে যাওয়ায় এই নতুন বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, নদীর পানি সম্পূর্ণ কালো ও ধূসর বর্ণ ধারণ করেছে এবং ঘন কাদা ও ধ্বংসাবশেষসহ প্রবল বেগে প্রবাহিত হচ্ছে। নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ) জানিয়েছে, পানির স্তর সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে ৩ দশমিক ৬৬ মিটার থেকে বেড়ে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ৮ দশমিক ৪৩ মিটারে পৌঁছায়, যা বিপদসীমার পাঁচ মিটারের উপরে ছিল। সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে ৮টা ৪০ মিনিটের মধ্যে অর্থাৎ মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে পানির স্তর দুই মিটারেরও বেশি বেড়ে যায়। বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনডিআরআরএমএ জানায়, বন্যার তোড়ে সেতুসহ পানির পরিমাপ কেন্দ্রটি ভেসে যাওয়ায় এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। এই বন্যা বৃষ্টির কারণে সৃষ্টি হয়নি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “প্রাথমিক তথ্য ও উপগ্রহ চিত্র পর্যালোচনার ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে যে, নদীর প্রবাহ কোনোভাবে আটকে গিয়েছিল এবং পরবর্তীতে তা ভেঙে গিয়ে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে। ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কারিগরি বিশ্লেষণ চলছে। একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। নদীর উপকূলীয় ও নিচু এলাকার বাসিন্দাদের রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নিরাপদ স্থানে থাকার এবং নদীর তীর ও ঝুঁকিপূর্ণ বসতি থেকে দূরে থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।