মেসির জোড়া গোলে আর্জেন্টিনার দাপুটে জয়

মেসির জোড়া গোলে আর্জেন্টিনার দাপুটে জয় বাংলাদেশ সময় আজসকালে বুয়েনস আয়ার্সের আকাশ যেন সাক্ষী ছিল এক আবেগঘন সন্ধ্যার। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ঘরের মাঠে হয়তো শেষবারের মতো খেললেন লিওনেল মেসি। আর সেই বিদায়ী মঞ্চটিকেই রাঙিয়ে দিলেন জোড়া গোলের আলোয়। ভেনেজুয়েলাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে আলবিসেলেস্তেরা লিখল আরেকটি দাপুটে অধ্যায়। ৩৮ বছর বয়সী মেসি এখনো অবসরের দিনক্ষণ ঘোষণা করেননি। তবে তাঁর কণ্ঠে স্পষ্ট ঘোষণা, ঘরের মাঠে আর কোনো বিশ্বকাপ বাছাই খেলবেন না। তাই এই ম্যাচ যেন হয়ে উঠেছিল শুধু একটি জয় নয়, এক টুকরো আবেগ, এক মুঠো বিদায়বেলা। ইতিমধ্যেই উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
কাজাখস্তানকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে বাংলাদেশ

কাজাখস্তানকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে বাংলাদেশ এশিয়া কাপ হকির শিরোপার রেস থেকে আগেই ছিটকে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে অন্য এক জায়গায় স্বপ্ন বেঁচে ছিল বাংলাদেশের। আজ সেই স্বপ্ন পূরণও হয়েছে। কাজাখস্তানকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। আজ ভারতের রাজগিরে পঞ্চম থেকে অষ্টম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে কাজাখস্তানকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। তবে কত নম্বর হিসেবে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে খেলবে বাংলাদেশ তা জানতে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কেননা সেদিন জাপানের বিপক্ষে পঞ্চম স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলবেন আশরাফুল ইসলাম-রোমান সরকাররা। ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টারে এক গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১০ মিনিটে বাংলাদেশকে পেনাল্টি কর্নার থেকে লিড এনে দেন আশরাফুল। আর দ্বিতীয় কোয়ার্টারে দুই গোল দিয়ে প্রতিপক্ষকে বলা যায় ম্যাচ থেকে ছিটকেই দেয় বাংলাদেশ। দলের দ্বিতীয় গোলটিও করেন আশরাফুল। ২৩ মিনিটের গোলটিও পেনাল্টি কর্নার থেকেই। তৃতীয় গোলটি আসে ওপেন প্লে থেকে। ২৮ মিনিটে করেন রোমান। তৃতীয় কোয়ার্টারেও জোড়া গোল পায় বাংলাদেশ। শুরুটা করেন রোমান। ৩৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে। সেই গোলের রেশ শেষ হতে না হতেই বাংলাদেশ পঞ্চম লিডের উদযাপনে মাতে। প্রতিপক্ষের জালে শেষ পেরেক মারেন তায়েব আলী। অন্যদিকে ৩৮ মিনিটে আলতিনবেক আইতকালিয়েভ এক গোল করে কাজাখস্তানের ব্যবধান কমান। চতুর্থ এবং শেষ কোয়ার্টারে কোনো দলই গোল করতে না পারলে ৫-১ ব্যবধানের জয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে খেলার স্বপ্ন পূরণ হয় বাংলাদেশের।
এশিয়া কাপের জন্য বাংলাদেশ ‘ওয়েল প্রিপেয়ার্ড’: লিটন

এশিয়া কাপের জন্য বাংলাদেশ ‘ওয়েল প্রিপেয়ার্ড’: লিটন প্রশ্নটা লিটন দাসকে বেশ আশা দেখিয়ে করেছিলেন করেছিলেন গণমাধ্যমকর্মী, ‘‘এশিয়া কাপে বাংলাদেশকে অনেকেই ফেভারিট হিসেবে দেখে। অধিনায়ক লিটন বাংলাদেশকে কোন জায়গায় দেখছে।’’ ততক্ষণে সংবাদ সম্মেলনের প্রায় ১০ মিনিট পেরিয়ে গেছে। এশিয়া কাপের দুয়েকটি উত্তর আগেও দিয়েছেন। প্রশ্নটা লিটন ধরতে পারেননি বলেই উত্তরটা একটু রগচটা হয়েছে, ‘‘আমি কোনো জায়গায় দেখছি না। আমি যাবো ক্রিকেট খেলতে। ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করবো।’’ সিলেটে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সিরিজ জেতার আনন্দ লিটনের চোখেমুখে ছিল। তবে সামনে এশিয়া কাপ। তাদের জন্য বড় পরীক্ষা। এই সিরিজ প্রস্তুতির মঞ্চ। কেমন প্রস্তুতি হলো? সেটাই বড় প্রশ্ন। আদর্শ প্রস্তুতি হয়েছে কিনা সেটাও লিটনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। অধিনায়ক সব দিক থেকেই আশাবাদী, ‘‘ওভারঅল সব দিক থেকে আমার কাছে মনে হয় ইতিবাচক। যারা ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছে তারাই ভালো ক্রিকেট খেলেছে। আমার কাছে মনে হয় অনুশীলন করাটা গুরুত্বপূর্ণ। তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলনের থেকে আপনি ম্যাচে কতোটা ডেলিভারী করতে পারছেন। আপনি ম্যাচ খেললে উন্নতি হবে। গেম সেন্স বাড়বে। আমার মনে হয় আমরা ওয়েল প্রিপেয়ার্ড এশিয়া কাপের জন্য।’’ ঢাকায় ফিটনেস ক্যাম্পের পর কয়েকদিন স্কিল ট্রেনিং করেছে দল। তবে আসল প্রস্তুতিটা হয়েছে সিলেটে। যেখানে ব্যাট-বলের উত্তাপ ছড়িয়েছেন লিটন, তানজিদ, তাসকিন, মোস্তাফিজরা। এই ক্যাম্পটাকে লিটনের সেরা মনে হচ্ছে, ‘‘আমরা যে ক্যাম্পটা করেছিলাম সেটা শুধু এই সিরিজের জন্য ছিল না। সামনে যতগুলো খেলা আছে সবগুলোর জন্য আমরা ওয়েল প্রিপেয়ার্ড। এতো ভালো ক্যাম্পিং কখনো হয়নি। ফিটনেস তো অবশ্যই। নিজে থেকেও করতে পারবেন। কিন্তু স্কিলে যেটা আমরা করতে চাচ্ছিলাম ও করেছি তা সিলেটে একমাত্র পাওয়া গেছে। ওভারঅল জার্নিটা ভালো ছিল।’’ এশিয়া কাপে বাংলাদেশের গ্রুপে আছে হংকং, আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। শেষ যেবার এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে হয়েছিল, বাংলাদেশ সুপার ফোরে উঠতে পারেনি। এর আগে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলেছিল। এবার প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি না থাকায় লিটন বাংলাদেশকে নিয়ে আশাবাদী বেশ। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের পর নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও জয়ের ধারাবাহিকতা থাকায় তার প্রত্যাশাও বড়।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের দাম আকাশচুম্বী !

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের দাম আকাশচুম্বী ! টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ শুরু হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর। তবে সবার নজর ১৪ সেপ্টেম্বর ম্যাচের দিকে। কারণ সেদিন ভারত-পাকিস্তান মহারণ। পেহেলগাম কাণ্ডের পর দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর এটাই প্রথম মুখোমুখি লড়াই। স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচটিকে ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে। এই মেগা ম্যাচের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)। সমর্থকদের জন্য তিনটি আলাদা প্যাকেজে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। তবে টিকিটের দাম শুনলে চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোর সর্বনিম্ন টিকিট ৪৭৫ দিরহাম, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৫ হাজার ৭০০ টাকা। সুপার ফোরের ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিট ৫২৫ দিরহাম (প্রায় ১৭ হাজার ৪০০ টাকা)। একই দামে ফাইনালের টিকিটও বিক্রি হচ্ছে। এসিসির অনলাইন বুকিং পোর্টাল ছাড়াও শিগগিরই দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম ও আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বক্স অফিস থেকেও টিকিট কেনা যাবে। মাঠে বসে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ উপভোগ করতে চাইলে ভক্তদের গুণতে হবে মোটা অঙ্কের টাকা। তবুও ম্যাচের গুরুত্ব ও উত্তেজনার কারণে টিকিটের জন্য সমর্থকদের আগ্রহের ঘাটতি হবে না।
একাদশে পাঁচ পরিবর্তন এনে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

একাদশে পাঁচ পরিবর্তন এনে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। এবার শেষ ম্যাচে লক্ষ্য হোয়াইটওয়াশ। এই মিশনে খেলতে নেমে টসের ভাগ্য গেল নেদারল্যান্ডস অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডসের দিকে। ফিল্ডিং নেওয়ায় সিরিজে প্রথমবার আগে ব্যাটিংয়ে নামছে বাংলাদেশ। পাঁচটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। বাদ পড়েছেন দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান, দুই অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান এবং অলরাউন্ডার শেখ মেহেদি হাসান। তাদের জায়গায় খেলছেন নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। এক ম্যাচ পর দলে ফিরেছেন শরিফুল ইসলাম ও রিশাদ হোসেন। ইতোমধ্যেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে লিটন দাসের দল। প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেটে এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ৯ উইকেটে জিতে লাল-সবুজরা দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে। এবার লক্ষ্য নেদারল্যান্ডসকে হোয়াইটওয়াশ করা, পাশাপাশি এশিয়া কাপের প্রস্তুতিকে আরও ঝালিয়ে নেওয়া। বাংলাদেশ একাদশ: লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলি, নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান।
কোহলির জন্য বিশেষ নিয়ম, লন্ডনেই ফিটনেস টেস্ট

কোহলির জন্য বিশেষ নিয়ম, লন্ডনেই ফিটনেস টেস্ট ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলি আবারও আলোচনায়। জাতীয় দলের সব ক্রিকেটার যেখানে বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে (এনসিএ) গিয়ে বাধ্যতামূলক ফিটনেস টেস্ট দিয়েছেন, সেখানে কোহলি একই পরীক্ষা দিয়েছেন লন্ডনে বসেই। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে সমালোচনা। অনেকে মনে করছেন বোর্ড তার জন্য আলাদা নিয়ম বানিয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, বোর্ডের বিশেষ অনুমতি নিয়েই লন্ডনে ফিজিও ও ফিটনেস ট্রেনারের তত্ত্বাবধানে কোহলি ফিটনেস টেস্ট দেন। মূলত ইয়ো-ইয়ো টেস্ট এবং বেসিক স্ট্রেংথ মূল্যায়নেই তাকে অংশ নিতে হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি টেস্টে সফলও হয়েছেন। এই ছাড় কেবল কোহলিকেই কেন দেওয়া হলো, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। ক্রিকেট মহলের অনেকেই বলছেন, নিয়ম তো সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। তবে অনেকের যুক্তি, কোহলি দীর্ঘদিন ধরেই পরিবারসহ লন্ডনে অবস্থান করছেন, তাই বোর্ড অনুমতি দিয়ে তাকে সুবিধা করে দিয়েছে। ভারতের বেশিরভাগ ক্রিকেটার ইতোমধ্যে এনসিএ ক্যাম্পে নিজেদের ফিটনেস টেস্ট সম্পন্ন করেছেন। আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরের ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই দলে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কোহলি। ক্রিকেটারের ফিটনেস টেস্ট নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অফিশিয়ালি এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
কোহলির জন্য বিশেষ নিয়ম, লন্ডনেই ফিটনেস টেস্ট

কোহলির জন্য বিশেষ নিয়ম, লন্ডনেই ফিটনেস টেস্ট ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলি আবারও আলোচনায়। জাতীয় দলের সব ক্রিকেটার যেখানে বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে (এনসিএ) গিয়ে বাধ্যতামূলক ফিটনেস টেস্ট দিয়েছেন, সেখানে কোহলি একই পরীক্ষা দিয়েছেন লন্ডনে বসেই। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে সমালোচনা। অনেকে মনে করছেন বোর্ড তার জন্য আলাদা নিয়ম বানিয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, বোর্ডের বিশেষ অনুমতি নিয়েই লন্ডনে ফিজিও ও ফিটনেস ট্রেনারের তত্ত্বাবধানে কোহলি ফিটনেস টেস্ট দেন। মূলত ইয়ো-ইয়ো টেস্ট এবং বেসিক স্ট্রেংথ মূল্যায়নেই তাকে অংশ নিতে হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি টেস্টে সফলও হয়েছেন। এই ছাড় কেবল কোহলিকেই কেন দেওয়া হলো, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। ক্রিকেট মহলের অনেকেই বলছেন, নিয়ম তো সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। তবে অনেকের যুক্তি, কোহলি দীর্ঘদিন ধরেই পরিবারসহ লন্ডনে অবস্থান করছেন, তাই বোর্ড অনুমতি দিয়ে তাকে সুবিধা করে দিয়েছে। ভারতের বেশিরভাগ ক্রিকেটার ইতোমধ্যে এনসিএ ক্যাম্পে নিজেদের ফিটনেস টেস্ট সম্পন্ন করেছেন। আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরের ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই দলে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কোহলি। ক্রিকেটারের ফিটনেস টেস্ট নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অফিশিয়ালি এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
অক্টোবরে বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৩ ভেন্যুতে ম্যাচ

অক্টোবরে বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৩ ভেন্যুতে ম্যাচ বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। আগামী মাসে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে ও ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে দুই দল।বিসিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১৫ অক্টোবর ঢাকায় পৌঁছাবে ক্যারিবিয়ানরা। এরপর শুরু হবে সাদা বলের এই দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। সূচি অনুযায়ী, ওয়ানডে দিয়ে মাঠে গড়াবে লড়াই। সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। বাকি একটি ওয়ানডে ও প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। সবশেষ দুটি টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। ১৮ অক্টোবর শুরু হয়ে ১ নভেম্বর শেষ হবে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ। এই সফরের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পর আবারও ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সাদা বলের ক্রিকেট খেলবে টাইগাররা।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে অবসরের ঘোষণা দিলেন স্টার্ক

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে অবসরের ঘোষণা দিলেন স্টার্ক অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি মিচেল স্টার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন। মঙ্গলবার (০২ সেপ্টেম্বর) সকালে (অস্ট্রেলিয়া সময়) তিনি এই ঘোষণা দেন। একই দিনে নিউ জিল্যান্ড সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়া দল ঘোষণা করে। যা হবে আসন্ন ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ। বামহাতি এই গতিতারকা ২০১২ সালে অভিষেকের পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মোট ৬৫ ম্যাচ খেলেছেন। তার সংগ্রহ ৭৯ উইকেট, গড় ২৩.৮১ এবং ইকোনমি রেট ৭.৭৪। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টি-টোয়েন্টিতে তার চেয়ে বেশি উইকেট আছে শুধু লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পার। অস্ট্রেলিয়ার ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম কারিগর ছিলেন স্টার্ক। তবে ৩৫ বছর বয়সে এসে তিনি মনোযোগ দিতে চান টেস্ট ও ওয়ানডে ক্রিকেটে। নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন, “টেস্ট ক্রিকেট সবসময়ই আমার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ছিল। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্রতিটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ উপভোগ করেছি, বিশেষ করে ২০২১ বিশ্বকাপ জয়টা ছিল অসাধারণ অভিজ্ঞতা। সামনে ভারতের মাটিতে টেস্ট সিরিজ, অ্যাশেজ এবং ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে মনে করছি— এখন টেস্ট ও ওয়ানডেতে মনোযোগ দেওয়া আমার জন্য সেরা পথ।” অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার হয়ে স্টার্কের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার নিয়ে তার ভীষণ গর্বিত হওয়া উচিত। ২০২১ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলে তিনি ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তার বল হাতে ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা সবসময় অসাধারণ ছিল।” তিনি আরও জানান, স্টার্ককে যথাসময়ে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মান জানানো হবে। তবে সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় হলো, স্টার্ক এখনও টেস্ট ও ওয়ানডেতে দীর্ঘ সময় খেলার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আসন্ন নিউ জিল্যান্ড সিরিজে অস্ট্রেলিয়া পাবে না আরেক তারকা প্যাট কামিন্সকে। পিঠের ইনজুরিতে তিনি মাঠের বাইরে এবং একই কারণে অক্টোবর-নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজেও থাকবেন না। এছাড়া পিতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকায় নাথান এলিসও নেই দলে।
শারজায় বল হাতে রশিদ খানের বিশ্বরেকর্ড

শারজায় বল হাতে রশিদ খানের বিশ্বরেকর্ড দুর্দান্ত এক অর্জনে নাম লিখালেন আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের অধিনায়ক রশিদ খান। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারের বিশ্বরেকর্ড এখন তার দখলে। শারজায় অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজে আমিরাতের বিপক্ষে মাঠে নেমে যেন নতুন করে জানান দিলেন নিজের সামর্থ্যের। গতকাল অনুষ্ঠিত ম্যাচে আমিরাতকে ৩৮ রানে হারায় আফগানিস্তান। ১৮৯ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে স্বাগতিকরা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে করতে পারে মাত্র ১৫০ রান। বল হাতে আলো ছড়ান রশিদ খান। মাত্র ২১ রানের বিনিময়ে তুলে নেন ৩ উইকেট। আর এই ৩ উইকেটই তাকে পৌঁছে দেয় বিশ্বরেকর্ডের শীর্ষে।