দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট

দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট দেশের সবচেয়ে বড় স্কুল ক্রিকেট উৎসব ফের শুরু হতে যাচ্ছে। প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এবার একাদশবারের মতো আয়োজন হচ্ছে। ৬৪ জেলার ৩৫০টি স্কুল অংশগ্রহণ করবে, খেলবে প্রায় ৮,৭০০ ক্রিকেটার এবং মোট ৬৫১টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। জেলা পর্যায়ের খেলা শুরু হবে শুক্রবার, ১০ এপ্রিল থেকে। মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে টুর্নামেন্টের নতুন আসর উদ্বোধন করা হয়। একই সঙ্গে জার্সি উন্মোচন এবং স্কুল ক্রিকেটের বৃত্তি প্রাপ্ত ২৫ ক্রিকেটারকে পুরস্কৃত করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জাতীয় অধিনায়ক ও জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার, জাতীয় দলের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, জাতীয় ক্রিকেটার তাওহিদ হৃদয় এবং প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজিম এ চৌধুরী। হাবিবুল বাশার বলেন, ‘স্কুল ক্রিকেট শুধুমাত্র ভবিষ্যতের ক্রিকেটার তৈরির জায়গা নয়, এটি শিশুদের মনের আনন্দের মাধ্যম। আমরা চাই আরও বেশি ছেলেরা খেলুক, প্রতিটি স্কুল অংশগ্রহণ করুক এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফিরিয়ে আনা হোক।’ তিনি ফাইনাল ম্যাচটি মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানান। প্রাইম ব্যাংকের নাজিম এ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা স্কুল ক্রিকেটের পাশে থাকব যতদিন সম্ভব। শুধু ছেলে নয়, মেয়েদের স্কুল ক্রিকেটেও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চাই।’ তাওহিদ হৃদয় আবেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার ক্রিকেট যাত্রা শুরু হয়েছিল স্কুল ক্রিকেট থেকে। বগুড়া পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলে খেলেছি, চার বছর খেলেছি এবং একবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। স্কুল ক্রিকেটই অনেক ক্রিকেটারের পাথেয়।’ নাজমুল হোসেন শান্তও অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন, ‘স্কুল ক্রিকেট থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার সুযোগ পাওয়া যায়। ভবিষ্যতে স্কুল ক্রিকেটের সেরা খেলোয়াড়দের বিদেশেও খেলানোর ব্যবস্থা করা উচিত।’ এ বছর বৃত্তিপ্রাপ্ত ক্রিকেটারদের সংখ্যা ১৫ থেকে ২৫-এ বৃদ্ধি করা হয়েছে, আর্থিক পরিমাণ ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।
ভারতকে ছাড়াই ইউরো নেশনস কাপ আয়োজনের পরিকল্পনা

ভারতকে ছাড়াই ইউরো নেশনস কাপ আয়োজনের পরিকল্পনা আইপিএল, পিসিএলসহ বেশ কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের প্রসার ঘটায় বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বোর্ড বহুজাতিক টুর্নামেন্টের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। সম্প্রতি ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড ‘ইউরো নেশনস কাপ’ নামে একটি নতুন বহুজাতিক টুর্নামেন্ট চালু করার পরিকল্পনা করছিল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল এশিয়া কাপের মতো ভাবধারার একটি প্রতিযোগিতা তৈরি করা, যা ইউরোপীয় দলগুলোকে কেন্দ্র করে আয়োজিত হবে। এই ধারণাটির পেছনে ছিলেন ব্রায়ান ম্যাকনিস। যিনি বিশ্বাস করেন, একটি নিয়মিত টুর্নামেন্ট চালিয়ে যাওয়ার জন্য এই অঞ্চলে যথেষ্ট প্রতিযোগিতামূলক দল রয়েছে। ইউরো নেশনস কাপের প্রস্তাবটি সম্প্রতি উত্থাপন করা হয়। ইউরো নেশনস কাপের প্রস্তাবিত অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিল ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং ইতালি। তবে ভারত ছিল না। টুর্নামেন্টটি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, যেখানে পুরুষ ও মহিলা উভয় বিভাগের প্রতিযোগিতা থাকবে। এ বিষয়ে ম্যাকনিস বলেন, আমি বেশ কিছুদিন ধরে বিভিন্ন অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার জন্য এই বিষয়টি টেবিলে রেখেছি। এটি এমন একটি বিষয় যা নিয়ে আমি অত্যন্ত আগ্রহী এবং যা আমি মৌলিকভাবে বিশ্বাস করি। তনি আরও বলেন, আলোচনা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, আমি এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী যে এটি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। যথাসময়ে একাধিক অংশীদার এর সঙ্গে যুক্ত হবেন। তবে আমি আশা করছি, এটি ‘২৭-এর গ্রীষ্মে শুরু হবে এবং এর সঠিক বিন্যাস ও বিস্তারিত বিবরণ যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে। আমি আশা করছি আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই তা হবে। ইউরো নেশনস কাপের প্রস্তাব সত্ত্বেও, একটি বড় বাধা দেখা দেয়। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড তাদের ইতোমধ্যেই ঠাসা সূচিতে আরেকটি টুর্নামেন্ট যোগ করার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিল। প্রধান নির্বাহী রিচার্ড গোল্ড স্বীকার করেছেন, ধারণাটির যৌক্তিকতা আছে, কিন্তু তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ইংল্যান্ডের ক্যালেন্ডারে অতিরিক্ত কোনো প্রতিশ্রুতির জন্য খুব কম জায়গা রয়েছে। আন্তর্জাতিক সফর এবং বৈশ্বিক ইভেন্টগুলো ইতোমধ্যেই নির্ধারিত থাকায়, আরেকটি বহু-দলীয় টুর্নামেন্টের ব্যবস্থা করা কঠিন বলে মনে হচ্ছে। ইএসপিএনক্রিকইনফোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাকনিস বলেন, আমি বেশ কিছুদিন ধরে বিভিন্ন অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার জন্য এই বিষয়টি টেবিলে রেখেছি। এটি এমন একটি বিষয় যা নিয়ে আমি অত্যন্ত আগ্রহী এবং যা আমি মৌলিকভাবে বিশ্বাস করি। আলোচনাগুলো এখন এমন একটি পর্যায়ে বিকশিত ও পরিবর্তিত হয়েছে যে, এটি অনুষ্ঠিত হওয়ার ব্যাপারে আমি অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। যথাসময়ে একাধিক অংশীদার এর সঙ্গে যুক্ত হবেন, তবে আমি আশা করছি যে এটি ‘২৭-এর গ্রীষ্মে শুরু হবে। টুর্নামেন্টটির বাণিজ্যিক সাফল্যের জন্য বিশেষ করে সম্প্রচারকারী ও পৃষ্ঠপোষকদের আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে, ইংল্যান্ডের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাদের ছাড়া প্রতিযোগিতাটি প্রচারের আলোয় আসতে হিমশিম খেতে পারত।
আইসিসি ও এসিসিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি তামিম

আইসিসি ও এসিসিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি তামিম তামিম ইকবালের নেতৃত্বে নতুন অ্যাডহক কমিটি গতকাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) প্রথম সভা করেছে। সভায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তার মধ্যে প্রধান সিদ্ধান্ত, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)-এর সভা ও কার্যক্রমে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবাল। এছাড়া আইসিসির পরামর্শ অনুযায়ী বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)কেও প্রতিনিধিত্ব করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ছোট বক্তব্যে তামিম জানান, অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা ইচ্ছেমতো সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন না। বোর্ডের মুখপাত্র হিসেবে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন তানজিল চৌধুরি। তানজিল চৌধুরি সভার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরেন। তিনি জানান, বোর্ডের ব্যাংক সিগনেটরি সংক্রান্ত নিয়মিত কার্যক্রম বজায় রাখার জন্য কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যাংকের সিগনেটরির দায়িত্ব দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে, ম্যানেজমেন্ট গ্রুপে সিইও ও হেড অব ফাইন্যান্স থাকবেন, আর বোর্ড বা অ্যাডহক কমিটি থেকে প্রেসিডেন্ট ও ফাইন্যান্স কমিটির প্রধান দায়িত্ব পালন করবেন। আইসিসি ও এসিসিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের ব্যাপারেও তানজিল বলেন, ‘বাই ট্রাডিশন ও ডিজাইনের মাধ্যমে বোর্ড প্রেসিডেন্টই অংশগ্রহণ করেন। আমাদের ক্ষেত্রে এই দায়িত্বে মনোনীত হয়েছেন তামিম ইকবাল। পাশাপাশি আইসিসির পরামর্শে সিইওকে যুক্ত করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।’ তানজিল আরও জানিয়েছেন, অ্যাডহক কমিটি নিয়েও আইসিসি আপত্তি রাখেনি। নতুন কমিটি ইতিমধ্যেই ঘরের মাঠে আসন্ন আন্তর্জাতিক সিরিজের প্রস্তুতির খোঁজ নিয়েছে। আগামী সোমবার বাংলাদেশে আসছে নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট দল। সভায় লিগাল কাউন্সিল সম্পর্কিত বিষয়ও আলোচনার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তী সভা বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে।
মুসলিমবিরোধী স্লোগান: স্প্যানিশ ফেডারেশনের বিরুদ্ধে ফিফার তদন্ত শুরু

মুসলিমবিরোধী স্লোগান: স্প্যানিশ ফেডারেশনের বিরুদ্ধে ফিফার তদন্ত শুরু গত সপ্তাহে মিসরের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে গ্যালারি থেকে মুসলিমবিরোধী স্লোগান শোনা যাওয়ার ঘটনায় স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) এর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের তদন্ত শুরু করেছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। বার্সেলোনার আরসিডিই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে কিছু স্প্যানিশ সমর্থক ‘যদি তুমি না লাফাও, তবে তুমি মুসলিম’, এর মতো বিতর্কিত ও বিদ্বেষপূর্ণ স্লোগান দেন। ঘটনার পর ফিফা ভিডিও ফুটেজ, ম্যাচ রেফারি এবং নিরাপত্তা দলের প্রতিবেদন পরীক্ষা করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ইএসপিএন জানিয়েছে, স্প্যানিশ ফেডারেশনকে বড় জরিমানা অথবা স্টেডিয়াম দর্শকশূন্য রাখার মতো শাস্তি দেওয়া হতে পারে। ফিফার মুখপাত্র বলেন, ‘মিসরের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আরএফইএফের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’ পাশাপাশি বার্সেলোনার স্থানীয় পুলিশও ইসলামবিরোধী ও বর্ণবাদী স্লোগান নিয়ে তদন্ত করছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন আরএফইএফ সভাপতি রাফায়েল লুজান এবং স্পেন জাতীয় দলের কোচ লুই দে লা ফুয়েন্তে। তবে সবচেয়ে বেশি আঘাত পেয়েছেন স্পেন ও বার্সেলোনার তারকা লামিনে ইয়ামাল, তিনি মুসলিম ও মরক্কো ও ইকুয়েটোরিয়াল গিনির বংশোদ্ভূত। ১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল দুই বছর আগে স্পেনের ইউরো জয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এবং ২০২৬ বিশ্বকাপেও তিনি দলের ভরসা। ইয়ামাল ম্যাচের পর ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি একজন মুসলিম। স্টেডিয়ামে স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল—যদি তুমি না লাফাও, তবে তুমি মুসলিম। এটি ব্যক্তিগত নয়, তবে একজন মুসলিম হিসেবে এটি চরম অবমাননাকর এবং অসহনীয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্টেডিয়ামের ভিতরে ধর্মকে বিদ্রূপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা অজ্ঞতা এবং বর্ণবাদ। ফুটবল উপভোগ করার জন্য, নিজের দলকে সমর্থন দেওয়ার জন্য, কাউকে তার পরিচয় বা বিশ্বাসের কারণে অসম্মান করার জন্য নয়।’
ঋতুপর্ণাদের সাফে নেই পাকিস্তান, নিশ্চিত নয় হামজাদের ভেন্যু

ঋতুপর্ণাদের সাফে নেই পাকিস্তান, নিশ্চিত নয় হামজাদের ভেন্যু টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বাংলাদেশ এবার হ্যাটট্রিক শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেবে। ২৫ মে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্ট ৭ জুন ট্রফি নিয়ে শেষ করতে চায় ঋতুপর্ণারা। কিন্তু এই টুর্নামেন্টের ভেন্যু ভারতে হওয়ায় অংশ নেবে না পাকিস্তান। সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম ক্যাটেল বলেন, ‘পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশন তাদের অংশগ্রহণের জন্য সময় চেয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের পর তারা জানিয়েছে এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে না। ফলে ৬ দেশ নিয়ে হবে নারী সাফ টুর্নামেন্ট। এই মাসের শেষে ৬ দলের ড্র অনুষ্ঠিত হবে।’ নেপাল ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচন নিয়ে সেই দেশের সরকার ও ফিফার মধ্যে মতবিরোধ চলছে। সরকার ইতোমধ্যে নেপাল ফেডারেশনের কার্যক্রম স্থগিত করেছে। ফিফা এ নিয়ে সতর্কতা দিয়েছে। পরিস্থিতি অবনতি হলে নেপালকে তারা নিষিদ্ধও করতে পারে। এ নিয়ে সাফের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নেপালকে নিয়েই ড্র পরিকল্পনা চলছে। তাদের রেফারিও ম্যাচ পরিচালনা করবে।’ ৬ দল দুই গ্রুপে খেলবে। দুই গ্রুপে তিনটি করে দলের প্রত্যেকে দুটি করে ম্যাচ খেলবে। দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ সেমিফাইনালে উঠবে। ড্রয়ের আগে নেপাল বহিষ্কার হলে তখন লটারির ড্র না করে রাউন্ড রবিন লিগে খেলা হতে পারে। আবার ড্রয়ের পরেও তারা নিষিদ্ধ হলে ওই পদ্ধতি অনুসরণ হতে পারে। সাফ নারী টুর্নামেন্টের ভেন্যু ও সময়সূচি ঠিক হলেও পুরুষ সাফের বিষয় এখনো অনিশ্চয়তা। ২০২৩ সালে বেঙ্গালুরু সাফের পর এখনো এই টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ায়নি। গত বছর হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত স্থগিত হয়। এই বছর সেপ্টেম্বর উইন্ডোতে করতে চাইলেও খানিকটা যদি কিন্তু রয়েছে। পুরুষোত্তম বললেন, ‘সেপ্টেম্বর-অক্টোবর উইন্ডোতে আমরা পুরুষ সাফ করতে চাই। স্পন্সর নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। সেটা নিশ্চিত হলেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবো।’
বিসিবির কমিটি বিলুপ্ত, অ্যাডহক সভাপতি তামিম

বিসিবির কমিটি বিলুপ্ত, অ্যাডহক সভাপতি তামিম নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল এহসান এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন। এনএসসি জানিয়েছে, বিসিবির ২০২৫ সালের নির্বাচনে অনেক অনিয়ম খুঁজে পেয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের স্বাধীন তদন্ত কমিটি। ২০১৮ সালের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ নীতিমালা অনুযায়ী, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে বিসিবি নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অনিয়ম ছিল। সেই প্রেক্ষিতে এরই মধ্যে আইসিসির কাছে ই-মেইল করে এই বিসিবি কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ দলের সাবেক ওপেনার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি করা হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে বাধ্য থাকবে অ্যাডহক কমিটি। ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি- তামিম ইকবাল (সভাপতি), রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, মিনহাজুল নান্নু, আতাহার আলী খান, তানজীম চৌধুরী, সালমান ইস্পাহিনী, রফিকুল ইসলাম ও ফাহিম সিনহা।
ইতিহাসের সামনে বাংলাদেশ, প্রথম প্রতিপক্ষ সান মারিনো

ইতিহাসের সামনে বাংলাদেশ, প্রথম প্রতিপক্ষ সান মারিনো দেশের ফুটবলে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। প্রথমবারের মতো ইউরোপের কোনো দেশের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে নামবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। আগামী ৫ জুন ইউরোপের ছোট রাষ্ট্র সান মারিনোর বিপক্ষে একটি আন্তর্জাতিক ফিফা টায়ার-১ প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে সান মারিনোর মাটিতে, যা বাংলাদেশের জন্য প্রথম ইউরোপ সফর। এর মাধ্যমে ইউরোপের মাটিতে খেলার নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করবে দলটি। এই ম্যাচটি দুই দলের জন্যই ঐতিহাসিক। বাংলাদেশ প্রথমবার কোনো ইউরোপীয় দলের মুখোমুখি হবে, আর সান মারিনো খেলবে তাদের ইতিহাসে প্রথম কোনো এশিয়ান দলের বিপক্ষে। দুই দেশের ফুটবল সংস্থাই ম্যাচটি নিয়ে বেশ আশাবাদী। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বাড়ানোর পাশাপাশি দুই দেশের ফুটবল সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে।
লাখ টাকা করে পুরস্কার সাফজয়ী খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের

লাখ টাকা করে পুরস্কার সাফজয়ী খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জেতা বাংলাদেশ ফুটবল দলকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা ও আর্থিক পুরস্কার দিয়েছে সরকার। সোমবার (৬ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেক খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার হাতে ১ লাখ টাকা করে আর্থিক পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। নগদ অর্থের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে বিশেষ ক্রীড়া কার্ড ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এমন সংবর্ধনা ও আর্থিক পুরস্কার পেয়ে উচ্ছ্বসিত অধিনায়ক মিঠু চৌধুরী। সাফের ট্রফিটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিতে চান তিনি। মিঠু বলেন, ‘নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথম কোনো ফুটবল দল হিসেবে আমরা এই শিরোপা জিতলাম। আমাদের দলের সকল খেলোয়াড়ের একটা বড় ইচ্ছা আছে আমরা এই ট্রফিটা সরাসরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিতে চাই। আমরা উনার সাথে দেখা করে এই অর্জনের আনন্দ ভাগ করে নিতে চাই।’ বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘তাবিথ আউয়াল স্যার আমাদের অনেক খেয়াল রাখছেন এবং আমাদের সব দাবি-দাওয়া পূরণ করছেন। এমনকি জাতীয় দলের সাথে আমাদেরকেও ফাইভ স্টার হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এমন সুযোগ-সুবিধা ও পরিচর্যা পেলে আমরা ভবিষ্যতে দেশের জন্য আরও ভালো ফলাফল বয়ে আনতে পারবো।’
সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ১২ মে, তফসিল ঘোষণা ৮ এপ্রিল

সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ১২ মে, তফসিল ঘোষণা ৮ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১২ মে এই আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। ইসি সচিব জানান, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের লক্ষ্যে আগামী ৮ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করা হবে। ওই দিনই মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই ও প্রত্যাহারের বিস্তারিত সময়সূচি জানানো হবে। জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনে জয়ী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের সংখ্যানুপাতিক হারে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন বণ্টন করা হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে দলগুলো তাদের নির্ধারিত আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। যেহেতু এই নির্বাচনে ভোটার হন সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা, তাই সাধারণত একক প্রার্থী থাকলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হন।
তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া দেননি আসিফ মাহমুদ

তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া দেননি আসিফ মাহমুদ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচনে অনিয়ম, অস্বচ্ছতা, স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি, রাতের আধারে ভোটসহ নানা অভিযোগ উঠেছে অনেক আগেই। সেই বিষয়ে তদন্ত করতে নেমেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। তারা পাঁচ সদস্যের কমিটি তৈরি করে বিসিবির বিতর্কিত নির্বাচন নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে। তদন্ত কমিটি বিসিবির একাধিক পরিচালক, নির্বাচন বয়কট করা প্রার্থী, ক্লাব সংগঠক, বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সাক্ষাৎকার নিয়েছে। তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের। কিন্তু তিনি লিখিতভাবে নিজের জবাব দিয়েছেন। তদন্ত কমিটি ডেকেছিল সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়াকেও। তার মেয়াদেই বিসিবি নির্বাচন হয়েছিল। বিসিবি নির্বাচনে সরকারি হস্তক্ষেপ হয়েছে সেই অভিযোগও উঠেছিল। কিন্তু তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া দেননি আসিফ মাহমুদ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কমিটির প্রধান ও অবসরপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান। রোববার (০৫ এপ্রিল) তদন্ত কমিটি নিজেদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে। গণমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘‘আসলে আমরা তাকে (আসিফ মাহমুদকে) ডেকেছিলাম। উনার কোন বক্তব্যের জন্য। উনি কিছু বলতে চান কিনা সেই জন্য। উনাকে একিউজ করার জন্য না। আমরা জাস্টিফিকেশনের জন্য কিছু বলি নাই। উনাকে সময় দিয়ে ডাকা হয়েছিল। উনি আমাদের কাছে আসেন নাই। শুধু আসিফ মাহমুদ না, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ যে নির্বাচন কমিশন তৈরি করেছিল তাদেরকেও ডেকেছিল কমিটি। তারাও সরাসরি মুখোমুখি হননি, ‘‘সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমরা চেষ্টা করেছি নিয়ে এসে তাদের সাথে কথা বলার জন্য। তারাও আসেনি (নির্বাচন কমিশন)। লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন আমাদেরকে। নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে সামনাসামনি আসা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। সেখানে লিখিত বক্তব্য দিয়ে কেবল দায়সারা কাজ কতটা যৌক্তিক হয়েছে সেই প্রশ্নও উঠছে। একই সঙ্গে কমিটি এই লিখিত বক্তব্য গ্রহণ করেছে কিনা সেই প্রশ্নও আছে। আমরা জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি করিনি। আমরা একিউজ করিনি। কোন চার্জ ফ্রেম করিনি। কাউকে অভিযুক্ত করে তার বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল ট্রায়ালে যেমন ৩৪২ এর মাধ্যমে নিয়ে আসতে হলে জানতে হয়। আমরা এই প্রসিডিউরে যাই নাই কিন্তু। আমরা ইনকোয়ারি করে দেখছি সিস্টেমগতভাবে আইনের যেভাবে বলা আছে, সেভাবে প্রসিডিউর মেইনটেইন করা হয়েছে কি হয়নি, এইটুকুই আমরা রিপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আর কিছু না। কাউকে আমরা একিউজ করিনি বারবার বলছি আমরা।