ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়ের সুযোগ আছে?

ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়ের সুযোগ আছে? ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার বহুল আলোচিত মহারণ আজ। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, ম্যাচের আগে ও পরে ২৪ ঘণ্টায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন প্রায় ১৬ হাজার ভারতীয় সমর্থক, যারা বিশেষভাবে এই ম্যাচ দেখতে শ্রীলঙ্কায় এসেছেন। ম্যাচটি হওয়ার কথা ২৮ হাজার দর্শক ধারণক্ষম প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। এই মাঠে গ্যালারি ভরার পাশাপাশি বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ টেলিভিশন ও অনলাইনে ম্যাচটি দেখার অপেক্ষায় আছেন। পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আঘা বলেছেন, এই ম্যাচ সব সময়ই বড় গুরুত্ব বহন করে। তার ভাষায়, বৃষ্টি হলে তাদের কিছু করার নেই। ওভার কমে গেলে সে অনুযায়ী খেলতে প্রস্তুত দল। এই মাঠের উইকেট সাধারণত ধীরগতির এবং স্পিনারদের সহায়তা করে। ফলে ব্যাটসম্যানদের জন্য বড় রান করা সহজ হয় না। ঠিক একারণেই উসমান তারিক পাকিস্তানের জন্য ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে একজন গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। তার বোলিং অ্যাকশন ও ভ্যারিয়েশন ব্যাটসম্যানদের জন্য বেশ অস্বস্তিকর। ডানহাতি অফস্পিনার হিসেবে তিনি নিচু আর্ম অ্যাঙ্গেল ও থেমে থেমে বল করার কৌশল ব্যবহার করেন, যা সাধারণ স্পিনারদের থেকে আলাদা। এই অপ্রচলিত স্টাইলের কারণে পাকিস্তান তাকে মিডল ওভারে উইকেট নেওয়ার বড় ভরসা হিসেবে ব্যবহার করতে পারে, বিশেষ করে এই সময়েই ভারত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করে। শুরুর দিকে ধারণা করা হয়েছিল, এটি হবে ব্যাটিং সহায়ক উইকেট। কিন্তু টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত এখানে খেলা তিনটি ম্যাচে রান হয়েছে তুলনামূলক কম। সাধারণত স্কোর ছিল ১৬০ থেকে ১৮০ এর মধ্যে। তবে এবারও কী হবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন। ভারতের অধিনায়ক সুরিয়াকুমার দুবাইয়ে এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তৃতীয় ম্যাচ জয়ের পর জানিয়ে দেন, এই মুহূর্তে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে দেখেন না তিনি। তবু দর্শকরা এখনও সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখায় এই ম্যাচে। স্টেডিয়াম সবসময় পূর্ণ থাকে, আর টিভি বা অনলাইন দর্শক সংখ্যা অন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার তুলনায় বেশি থাকে। পাকিস্তান কখনোই অস্বীকার করেনি যে ভারতের বিরুদ্ধে জয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গত ১০ বছরে তারা ভারতের বিরুদ্ধে মাত্র তিনটি ম্যাচ জিতেছে। তবে বাকি ১৭টি ম্যাচেই পরাজয় বরণ করেছে পাকিস্তান। টুর্নামেন্টের দিক থেকে এই ম্যাচের প্রভাব খুব বেশি নয়। উভয় দলই তাদের কম পরিচিত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রথম দুই ম্যাচে জয় পেয়েছে রেকর্ড গড়েছে। কোনো দল হারলেও পরবর্তী রাউন্ডে অগ্রগতি প্রায় নিশ্চিত। এই ম্যাচ, আসলে, টুর্নামেন্টের প্রেক্ষাপট ছাড়াই, তাদের নিজের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। মাঠের মধ্যে ভারত পাকিস্তানের ওপর স্পষ্টভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। এশিয়া কাপে তিনটি ম্যাচই তারা তিনভাবে জিতেছে, প্রথমে বল, দ্বিতীয়তে ব্যাট, শেষ ম্যাচে মানসিক কৌশল। এতে পাকিস্তানের জন্য জেতার পথ আরও কঠিন হয়ে গেছে। ভারতের টপ অর্ডার টি-২০তে ভীষণ শক্তিশালী, মিডল অর্ডারে রয়েছে ভার, স্পিনারদের ভ্যারাইটি বিশ্বমানের, এবং ফাস্ট বোলিংয়ে আছে জসপ্রিত বুমরাহ। ভারতের দলে হয়তো হার্দিক পান্ডিয়া পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলা সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন। ই দলের বিপক্ষে তার বোলিং গড়, ইকোনমি রেট এবং স্ট্রাইক রেট তার সাধারণ টি২০ আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানের চেয়ে ভালো। ব্যাটিংয়ে যদিও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তার গড় খুব বেশি ভালো নয়, তবুও ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ৪৩ বলের ৭৬ রান হারলেও সবাই এখনও মনে রাখে।
৫০০তম গোল হ্যারি কেইনের

৫০০তম গোল হ্যারি কেইনের বায়ার্ন মিউনিখের জার্সিতে একের পর এক গোল করেই যাচ্ছেন ইংলিশ তারকা হ্যারি কেইন। শনিবার রাতেও করেছেন জোড়া গোল। ওয়েডার ব্রেমেনের বিপক্ষে এই জোড়া গোলে অনন্য একটি মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন তিনি। ক্যারিয়ারে এ নিয়ে ৫০০তম গোল করলেন ইংল্যান্ড জাতীয় দলের অধিনায়ক। হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে ভর করে রেলিগেশন শঙ্কায় থাকা ভের্ডার ব্রেমেনকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। শনিবারের এই জয়ে বুন্দেসলিগার শীর্ষে নিজেদের ছয় পয়েন্টের ব্যবধান অটুট রেখেছে বায়ার্ন। ম্যাচের ২২তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন কেইন। চার মিনিট পরই বক্সের বাইরে থেকে দারুণ শটে পোস্টে লেগে বল জালে জড়িয়ে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। জোড়া গোল করার পর চলতি মৌসুমে বুন্দেসলিগায় কেইনের গোল সংখ্যা দাঁড়ায় ২৬টিতে, যার মধ্যে ৯টি এসেছে পেনাল্টি থেকে। ম্যাচের ৭০তম মিনিটে লিওন গোরেৎজকা তৃতীয় গোল করে বায়ার্নের বড় জয় নিশ্চিত করেন। প্রথমার্ধ শেষে গোড়ালির সামান্য সমস্যার কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মাঠ ছাড়েন বায়ার্নের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যয়ার। দ্বিতীয়ার্ধে তার জায়গায় নামেন জোনাস উরবিগ। এই জয়ের ফলে দুই সপ্তাহ পরের গুরুত্বপূর্ণ ‘ডার ক্লাসিকার’-এ বায়ার্নকে টপকানো বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। ডর্টমুন্ড শুক্রবার মাইনৎসকে ৪-০ গোলে হারিয়ে টানা ষষ্ঠ লিগ জয় পেয়েছে। আগামী ম্যাচে তারা আরবি লেইপজিগের মাঠে খেলবে, অন্যদিকে বায়ার্ন মুখোমুখি হবে আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের। অন্য ম্যাচে, হফেনহাইম ফ্রাইবুর্গকে ৩-০ গোলে হারিয়ে তৃতীয় স্থান ধরে রেখেছে। বায়ার লেভারকুসেন সেন্ট পাউলিকে ৪-০ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ যোগ্যতা অর্জনের স্থান, অর্থাৎ চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। এছাড়া হামবুর্গ এসভি ইউনিয়ন বার্লিনকে ৩-২ গোলে পরাজিত করেছে এবং আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে।
নেপালকে পাত্তা না দিয়ে সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

নেপালকে পাত্তা না দিয়ে সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গত সেপ্টেম্বরের ঘটনা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে শারজাহতে খেলতে গিয়েছিল নেপাল-এর বিপক্ষে। সেখানে স্বাগতিকদের ‘ভরপেট খাইয়ে’ ২-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নেয় নেপাল। আইসিসির পূর্ণ সদস্যভুক্ত দলের বিপক্ষে সেটিই ছিল তাদের সর্বোচ্চ সাফল্য। পাঁচ মাস পর আবার মুখোমুখি দুই দল, এবার আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-এর মঞ্চে। দুই দলই সেরা একাদশ নিয়ে মাঠে নামে। তবে এবার আর আগের মতো চমক দেখাতে পারেনি নেপাল। দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে একেবারেই অসহায় আত্মসমর্পণ করে তারা। ওয়াংখেড়েতে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারতে হয় নেপালকে। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নেপাল ৮ উইকেটে তোলে ১৩৩ রান। জবাবে সহজ লক্ষ্য তাড়া করে নির্দিষ্ট ওভারের অনেক আগেই জয় তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের নায়ক পেসার জেসন হোল্ডার। ইনিংসের শুরুতে দুই উইকেট নেওয়ার পর শেষ ওভারেও আরও দুইটি উইকেট শিকার করেন তিনি। ২৭ রানে ৪ উইকেট নিয়ে নেপালকে বড় স্কোর গড়তে দেননি এই ডানহাতি পেসার। নেপালের ব্যাটিং ছিল পুরোপুরি ব্যর্থ। পাওয়ার প্লে কাজে লাগাতে না পেরে ৩.৬৬ রান রেটে তোলে মাত্র ২২ রান, হারায় ৩ উইকেট। কুশাল ভুর্তেল (১), আসিফ শেখ (১১) ও রোহিত পাউডেল (৫) দ্রুত আউট হয়ে গেলে চাপে পড়ে দল। মিডল অর্ডারে আরিফ শেখ (২) ও লোকেশ বামও (১৩) রান পাননি। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করেন দীপেন্দ্র সিং আইরি। ৪৭ বলে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৫৮ রান করেন তিনি। শেষদিকে সম্পাল কামি ১৫ বলে ২৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেললে শেষ পাঁচ ওভারে ৬০ রান যোগ করে নেপাল, যা তাদের সম্মানজনক স্কোর এনে দেয়। হোল্ডার ছাড়াও ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে আকিল হোসেন, ফোর্ডে, সামার ও রোস্টন একটি করে উইকেট নেন। সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ রান রেট বাড়ানোর জন্য আগ্রাসী মনোভাব বেছে নেয়। পাওয়ার প্লে’তে ১ উইকেট হারিয়ে তাদের রান ৪৪। ৪ বাউন্ডারিতে ১৭ রান করে বিদায় নেন ব্রেন্ডন কিং। যাদবের বলে আউট হন তিনি। এরপর তাদেরকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। শেই হোপ ও শিমরন হেটমায়ারের অবিচ্ছন্ন ৫৯ বলে ৯১ রানের জুটিতে জয় চলে আসে ১৫.২ ওভারেই। হোপ তুলে নেন ফিফটি। ৪৪ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলতে ৫ চার ও ৩ ছক্কা হাকান। হেটমায়ার ৩২ বলে ৪৬ রান করেন ৪ চার ও ২ ছক্কায়। তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে প্রথম দল হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সি গ্রুপ থেকে নিশ্চিত করেছে সুপার এইট। নেপাল তিন ম্যাচ খেললেও খুলতে পারেনি জয়ের খাতা।
বোর্ডে আসবেন না ইশরাক, জানালেন সাকিব-মাশরাফিকে নিয়েও

বোর্ডে আসবেন না ইশরাক, জানালেন সাকিব-মাশরাফিকে নিয়েও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অনেক আগেই সরে গিয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তাজা। ঘরোয়া ক্রিকেটে শুধু খেলে যাচ্ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে জনসম্মুখে নেই সাবেক এই সংসদ সদস্য। জুলাই অভ্যুথানের পর সাকিব আল হাসানের নামে একাধিক মামলা হয়। একই কারণে দেশের বাইরে তিনি। তবে সাকিব-তামিমকে রাজনীতিবিদ হিসেবে দেখছেন না সম্প্রতি ঢাকা-৬ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও ব্রাদার্স ইউনিয়নের আহ্বায়ক ইশরাক হোসেন। দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলোকেও বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করেন না তিনি। এক টিভি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ইশরাক বলেন, ‘‘তারা ক্রিকেটার এবং শুধু কোনো যেন তেন ক্রিকেটার না, তারা আমাদের দেশের অ্যাসেট। আমি ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচনা করছি। জনগণ তাদেরকে ইতোমধ্যেই এক প্রকার জবাব দিয়ে দিয়েছে, সমাজ দিয়ে দিয়েছে। আর তাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার যে মামলা হয়েছে, সেটি আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। আমার কাছে মনে হয় নাই, তারা গিয়ে অর্ডার ক্যারি আউট করেছে অথবা নিজেরা হাতে বন্দুক নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে। আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় নাই। পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সবশেষ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ইশরাক, ‘‘আপনারা তো জানেন বিসিবির কাউন্সিলর কেমন করে হয়, সেখানে জেলা প্রশাসক কাউন্সিলর নিয়োগ দেন। এটা মহাদুর্নীতি, বাণিজ্য এবং পক্ষপাতিত্যমূলক করে নিজেদের সিন্ডিকেটকে বোর্ডে বসানোর চেষ্টা যখন সরকারের উপদেষ্টার পক্ষ থেকে হলো, তখন তো আমরা বসে থাকতে পারি না। বোর্ড নয়, তার চেয়ে বরং ইশরাক করতে চাই ফুল টাইম রাজনীতি, ‘‘আমিও তো একজন কাউন্সিলর। আমি কখনো বোর্ডে আসব না। আমার বোর্ডে আসার সময় নাই। আমি ফুলটাইম রাজনীতি করব। আমি চাই যারা ফুলটাইম ক্রীড়া সংগঠক, তারা আসুক। আমরা তাদের সাহায্য করবো।
এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান করে ওমানকে হারালো আয়ারল্যান্ড

এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান করে ওমানকে হারালো আয়ারল্যান্ড চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুইশোর্ধ্ব দলীয় স্কোর হয়ে পাঁচটি। এর মধ্যে ২৩৫ রান তুলেছে আয়ারল্যান্ড। যা এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। শুধু তাই নয়, ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত এই সংস্করণের বিশ্বকাপের ইতিহাসেও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর এটি। ২০০৭ আসরে কেনিয়ার বিপক্ষে ৬ উইকেটে ২৬০ তুলেছিল শ্রীলঙ্কা। এমন রেকর্ড গড়ার দিনে বড় ব্যবধানে জিতে মাঠ ছেড়েছে আইরিশরা। ওমানকে ৯৬ রানে হারিয়েছে তারা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর এসএসসি গ্রাউন্ডে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে আয়ারল্যান্ড। এমনকি দলীয় ৬৪ রানে আরেকটি উইকেট হারালে বিপদ আরও বাড়ে। পল স্টার্লিংয়ের জায়গায় ভারপ্রাপ্ত নেতৃত্ব পাওয়া টাকারের সঙ্গে গ্যারেথ ডিলানি যোগ দিতেই বদলে যায় ম্যাচের দৃশ্যপট। ৩০ বলে ৩ চার ও ৪ ছয়ে ৫৬ রানে আউট হন ডিলানি। এরপর ক্রিজে আসেন জর্জ ডকরেল। তার বিধ্বংসী ইনিংসে ডেথ ওভারেই দলটি ৯৩ রান তোলে, যা তৃতীয় সর্বোচ্চ। শেষদিকে জর্জ ডকরেল আগ্রাসী ছিলেন। তার সঙ্গে টাকারের জুটি ছিল ১৯ বলে ৭০ রানের। অধিনায়ক টাকার ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি করতে পারেননি। ৯৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি, যা অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের সর্বোচ্চ স্কোরার হওয়ার পথে টাকার ৫১ বলে ১০ চার ও ৪ ছয় মারেন। ৯ বলে ৫ ছয়ে ৩৫ রানে অপরাজিত ছিলেন ডকরেল। এতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রান সংগ্রহ করে আয়ারল্যান্ড। ২৩৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১০.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১০০ রান তোলে ওমান। লড়াই করার মতো অবস্থায় ছিল তারা। কিন্তু আমির কালিম ও হাম্মাদ মির্জার ৪৯ বলে ৭৩ রানের জুটি ভেঙে গেলে আর দাঁড়াতে পারেনি ওমান। ৪২ রানে শেষ সাত উইকেট হারায়। কালিম সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন। ৪৬ রান আসে হাম্মাদের ব্যাটে। শেষ পর্যন্ত ২ ওভার বাকী থাকতেই ১৩৯ রানে গুটিয়ে যায় ওমান। আইরিশদের পক্ষে জশ লিটল নেন সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট।
শ্রীলংকাকে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু বাংলাদেশের

শ্রীলংকাকে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু বাংলাদেশের লংকানদের বিপক্ষে অল্প পুঁজি নিয়েও শ্বাসরুদ্ধকর লড়ােইয়ে দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৪ রানে জয় পেয়েছে টাইগ্রেসরা। শনিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককের টেরডথাই ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে। উদ্বোধনী জুটিতে ৫.৫ ওভারে ৪৮ রান করেন দুই ওপেনার ইসমা তানজিম ও শামিমা সুলতানা। এরপর মাত্র ৮ রানের ব্যবধানে ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। একটা পর্যায়ে ৪ উইকেটে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ছিল ১০৪ রান। কিন্তু এরপর মাত্র ১১ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট পতনের কারণে শেষ বলের আগেই ইনিংস গুটায় টাইগ্রেসরা। মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমে সানজিদা আক্তার মেঘলা ও ফাতেমা খাতুনের স্পিন আর লতা মন্ডলের গতিতে বিপর্যস্ত হয় শ্রীলংকা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের কারণে ২০ ওভারে ১১১/৯ রানের বেশি করতে পারেনি শ্রীলংকা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন হানসিমা করুনারত্নে, ২৩ রান করেন এমা কাঞ্চনা। বাংলাদেশ নারী দলের হয়ে সানজিদা আক্তার মেঘলা ৪ ওভারে ২০ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন। ৪ ওভারে ২০ রানে ২ উইকেট নেন অভিজ্ঞ লতা মন্ডল। ৪ ওভারে ২৪ রানে ২ উইকেট নেন লেগ স্পিনার ফাতেমা খাতুন।
ওমানকে বিদায় করে বিশ্বকাপে আইরিশদের প্রথম জয়

ওমানকে বিদায় করে বিশ্বকাপে আইরিশদের প্রথম জয় বিশ্বকাপে প্রথম জয় তুলে নিয়েছে আয়ারল্যান্ড। ওমানকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। টানা ৩ ম্যাচ হেরে আসর থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে দলটির। আয়ারল্যান্ডের ২৩৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ওমান। উদ্বোধনী জুটিতে বড় সংগ্রহ গড়ার সুযোগ তৈরি হলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। দলকে লড়াইয়ে রাখার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন আমির কালীম। ২৯ বলে ৫০ রানের ঝরঝরে ইনিংস খেলেন তিনি। পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কায় সাজানো তার ইনিংসটি ওমানকে দ্রুতগতির শুরু এনে দেয়। তবে অপর প্রান্তে সেভাবে সঙ্গ পাননি তিনি। অধিনায়ক যতিন্দর সিং ৫ বলে ৭ রান করে এলবিডব্লিউ হন। আশিস ওদেদারা রানআউটে মাত্র ১ রান করে বিদায় নেন। এরপর হামাদ মির্জা কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। ৩৭ বলে ৪৬ রানের ইনিংসে ছয়টি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান তিনি। মাঝের দিকে নেমে ভিনায়ক শুক্লা শূন্য রানে আউট হন। মোহাম্মদ নাদিম ৩ বলে ১ এবং জিতেন রামানন্দি ৬ বলে ৩ রান করে ফিরলে চাপ আরও বাড়ে। নাদিম খানও রানের খাতা খুলতে পারেননি। শেষদিকে সুফিয়ান মেহমুদ ১১ বলে ১০ রান যোগ করলেও ম্যাচের চিত্র বদলাতে পারেননি। আইরিশ বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে নিয়মিত উইকেট তুলে নেন। ক্যাচ, রানআউট ও এলবিডব্লিউ সব মিলিয়ে ওমানের ইনিংসে ছন্দপতন ঘটে বারবার। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ওমান গড়ে তুলতে পারেনি বড় কোনো জুটি। আমির কলিম ও হামাদ মির্জার লড়াই সত্ত্বেও রান তাড়া অধরাই থেকে যায়। এদিকে টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ওমান। কলম্বোয় ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় আয়ারল্যান্ড। ইনিংসের প্রথম ওভারেই আউট হন ওপেনার টিম টেক্টর। ৪ বলে ৫ রান করে দলীয় ৬ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন তিনি। প্রথম উইকেটের পর ক্রিজে জুটি গড়েন রস অ্যাডেয়ার ও হ্যারি টেক্টর। দুজনেই দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন। তবে তাদের জুটি বড় হয়নি। ৭ বলে ১৪ রান করে আউট হন রস অ্যাডেয়ার, ১৩ বলে ১৪ রান করে বিদায় নেন হ্যারি। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৭ রান সংগ্রহ করে আয়ারল্যান্ড। পাওয়ার প্লের পরপরই ৭ বলে ১২ রান করা কার্টিস ক্যাম্পায়ার আউট হলে কিছুটা চাপে পড়ে দলটি। এরপর হাল ধরেন লোরকান টাকার ও গ্যারেথ ডেলানি। দুজন মিলে ইনিংস মেরামত করেন এবং ধীরে ধীরে রানের গতি বাড়ান। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন তারা, ওমানের বোলারদের ওপর চাপ বাড়তে থাকে। দুজনেই তুলে নেন অর্ধশতক। বিশেষ করে টাকার ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। ফিফটির পর শতকের দিকেও এগোচ্ছিলেন তিনি। অন্য প্রান্তে ডিলানি ৩০ বলে ৫৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলীয় ১৬৫ রানের সময় আউট হন। শেষদিকে টাকারের সঙ্গে যোগ দেন জর্জ ডকরেল। দুজনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দ্রুত বাড়তে থাকে রানের গতি। বড় শটে স্কোর ২০০ পেরিয়ে যায় অনায়াসে। শতকের খুব কাছাকাছি গিয়েও তিন অঙ্ক ছোঁয়া হয়নি টাকারের। ৫১ বলে ৯৪ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষদিকে ৯ বলে ৩৫ রানের ঝড় তোলেন ডকরেল। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় আয়ারল্যান্ড। ওমানের হয়ে ৩টি উইকেট নেন শাকিল আহমেদ। তবে তার সাফল্যও আয়ারল্যান্ডের রানের বন্যা ও জয় থামাতে পারেনি।
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চমক জিম্বাবুয়ের

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চমক জিম্বাবুয়ের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। শুক্রবার কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে এই চমক দেখায় তারা। এটি ছিল গ্রুপ পর্বে জিম্বাবুয়ের দ্বিতীয় জয়। ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। ২.৫ ওভারে ২৪ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। ব্লেসিং মুজারাবানির আগুনে বোলিংয়ে জশ ইংলিস ও টিম ডেভিড দ্রুত ফিরে যান। ৪.৩ ওভারে ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কায় পড়ে অস্ট্রেলিয়া। এরপর গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ম্যাট রেন শ ৭৭ রানের জুটি গড়ে আশা জাগান। তবে রায়ান বার্ল জুটি ভেঙে দিলে আবারও চাপে পড়ে অজিরা। শেষদিকে রেন শ ৪৪ বলে ৬৫ রানের লড়াকু ইনিংস খেললেও নিয়মিত উইকেট পতনে লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত ১৪৬ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। মুজারাবানি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের নায়ক বনে যান। এর আগে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ে উড়ন্ত সূচনা পায় ব্রায়ান বেনেট ও তাদিওয়ানাশে মারুমানির ব্যাটে। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৬১ রান। মারুমানি ২১ বলে ৩৫ রান করে আউট হলেও বেনেট ইনিংসের হাল ধরেন। রায়ান বার্লের সঙ্গে ৭০ রানের জুটি গড়ে দলকে শক্ত ভিত এনে দেন তিনি। বেনেট ৫৬ বলে অপরাজিত ৬৪ রান করেন। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ১৩ বলে ঝোড়ো ২৫ রান যোগ করলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ১৬৯ সংগ্রহ দাঁড়ায় জিম্বাবুয়ের। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মার্কাস স্টয়নিস ও ক্যামেরন গ্রিন একটি করে উইকেট নিলেও অন্য বোলাররা প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হন।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা কেমন

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা কেমন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও মুখোমুখি হচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শ্রীলঙ্কার কলম্বোর ঐতিহাসিক আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে বহুল প্রতীক্ষিত এই মহারণ ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে থাকলেও বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে আবহাওয়া। আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার কলম্বোয় ১০০ শতাংশ মেঘাচ্ছন্ন আকাশ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সন্ধ্যার দিকে বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় ১৩ শতাংশ।ম্যাচ শুরু হবে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায়, টস অনুষ্ঠিত হবে সাড়ে ৬টায়। তবে সন্ধ্যা ৬টার দিকে—ম্যাচ শুরুর এক ঘণ্টা আগে— বৃষ্টির সম্ভাবনা বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৪৯ শতাংশে। যদিও সন্ধ্যা ৭টার সময় বৃষ্টির সম্ভাবনা কমে ৯ শতাংশে নেমে আসবে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, তবু আকাশ পুরোপুরি মেঘে ঢাকা থাকবে। রাত ১১টা পর্যন্ত একই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে। গ্রুপ পর্বের এই ম্যাচে কোনো রিজার্ভ ডে রাখা হয়নি। ফলে বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে দুই দলই পাবে এক পয়েন্ট করে, যা গ্রুপের সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে দুই দলই অপরাজিত। সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে ভারত যুক্তরাষ্ট্র ও নামিবিয়াকে হারিয়ে চার পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘এ’-এর শীর্ষে রয়েছে। তাদের নেট রান রেট +৩.০৫০। অন্যদিকে পাকিস্তান নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে চার পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে, তাদের নেট রান রেট +০.৯৩২। সব মিলিয়ে মাঠের লড়াই যেমন রোমাঞ্চকর হওয়ার অপেক্ষায়, তেমনি কলম্বোর আকাশও হয়ে উঠেছে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচের বড় অনিশ্চয়তা। এখন দেখার বিষয়, বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়ায় নাকি দর্শকরা উপভোগ করতে পারেন আরেকটি ঐতিহাসিক ভারত–পাকিস্তান দ্বৈরথ।
চোটের কারণে ছিটকে গেলেন দুই দেশের দুই তারকা

চোটের কারণে ছিটকে গেলেন দুই দেশের দুই তারকা যেকোনো বড় টুর্নামেন্টে একের পর এক ম্যাচের সঙ্গে ওয়ার্কলোড ও অতিরিক্ত চাপ সামলাতে গিয়ে চোটের ঝুঁকি তৈরি হয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও বিভিন্ন দলের খেলোয়াড়রা ইনজুরিতে পড়েছেন। জিম্বাবুয়ের ব্রেন্ডন টেইলর ও আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক পল স্টার্লিং আইসিসির এই মেগা টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছেন। এই কারণে তাদের পরিবর্তে স্কোয়াডে নতুন খেলোয়াড় যুক্ত করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) জিম্বাবুয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নামার সময় টেইলরের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়া জানানো হয়। তার বদলে স্কোয়াডে যুক্ত করা হয়েছে বেন কারানকে, যিনি একটি টপ অর্ডার ব্যাটার। এর আগে, জিম্বাবুয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ওমানকে হারিয়েছিল, যেখানে টেইলর ৩০ বলে ৩১ রান করেছিলেন। তিনি স্টাম্পের পেছনে ৩টি ক্যাচও নিয়েছিলেন। এখন পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের আরও দুটি ম্যাচ বাকি আছে, তাই স্যাম ও টম কারানদের ভাই বেন কারানকে দলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। বেন কারান ইতোমধ্যেই ব্যাট হাতে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন এবং ওয়ানডে ও টেস্ট ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করেছেন। ৪০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তার স্ট্রাইকরেট ১২৬.০১ এবং রান ৮৭২। এদিকে, আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক পল স্টার্লিংয়ের পায়ের লিগামেন্টে চোট লাগলে তাকে বিশ্বকাপে বাকি দুই ম্যাচের জন্য স্কোয়াডে রাখা হয়নি। তার বদলে স্যাম টপিংকে ডাকা হয়েছে। টপিং এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি, তবে ১২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তার স্ট্রাইকরেট ১৩৪.০৫ এবং গড়ে ৩৭৪ রান করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের পর স্টার্লিংয়ের হাঁটুর অবস্থা নিয়ে আয়ারল্যান্ডের কোচ গ্যারি উইলসন বলেন, ‘তার হাঁটুতে আশানুরূপ কিছু দেখা যাচ্ছে না। বিকেলে স্ক্যান করা হয়েছে এবং চোটের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। ব্যাট করতে যাওয়ার সময় সে নিজেকে ফিট মনে করছিল, তবে পাওয়ার প্লেতে ভালো অবস্থানে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে দ্রুত সিঙ্গেল রান নিতে গিয়ে তার হাঁটু সমস্যায় পড়েছে।