১৭ বছর পর বিশ্ব একাদশে নেই মেসি

১৭ বছর পর বিশ্ব একাদশে নেই মেসি ২০০৬ সালের পর এই প্রথম ফুটবলারদের ভোটে নির্বাচিত বছরের সেরা একাদশে নেই আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। ২০০৭ সালে থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত টানা ১৭ বছর একাদশে মেসির নাম থাকাটা যেন অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা ফুটবলার মেসি প্রায় দেড় যুগ বিশ্ব একাদশে জায়গা ধরে রেখেছিলেন। কিন্তু ২০২৪ সালে এসে সেই ধারায় ভাটা পড়ল। ২০২৩ সালের আগে মেসির দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো টানা ১৬ বছর বিশ্ব একাদশে ছিলেন। এবার পর্তুগিজ মহাতারকাকেও ভোট দেননি সতীর্থরা। ইন্টার মায়ামির মেসি ও আল নাসরের রোনালদো ২৬ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় নির্বাচিত হয়ে সপ্তাহখানেক আগে আলোচনায় এসেছিলেন। ইউরোপের বাইরের লিগে খেলা ফুটবলারদের মধ্যে শুধু মেসি-রোনালদোই সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পান। এদিকে, লিভারপুলের হয়ে একের পর গোলের দেখা পাওয়া মিশরীয় তারকা মোহাম্মদ সালাহও তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। বিশ্ব একাদশের তালিকায় প্রিমিয়ার লিগের পাঁচ খেলোয়াড় জায়গা পেয়েছেন। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হালান্ড, কেভিন ডি ব্রুইনে, এডেরসন ও ব্যালন ডি’র বিজয়ী রদ্রি সেরা একাদশে রয়েছেন। লিভারপুলের অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইকও দলে জায়গা করে নিয়েছেন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বিজয়ী রিয়াল মাদ্রিদের রয়েছেন সর্বোচ্চ ছয়জন। কিলিয়ান এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও জুড বেলিংহ্যামের সঙ্গে আরো রয়েছেন রিয়াল তারকা এন্টোনিও রুডিগার, সানি কারভাহাল ও সদ্য অবসরে যাওয়া টনি ক্রুস।

রাতে দেশে ফিরবে এশিয়া চ্যাম্পিয়ন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

রাতে দেশে ফিরবে এশিয়া চ্যাম্পিয়ন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা ভারতকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়ার সেরা হলো যুবা টাইগাররা। গতকাল ফাইনালে ভারতকে ৫৯ রানের ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা জেতে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এশিয়া কাপ জয়ের পর আজ রাতে দেশে ফিরবেন ক্রিকেটাররা। সঙ্গে আসবেন কোচিং স্টাফের সদস্যরাও। হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রাত এগারোটায় এসে পৌঁছাবেন যুব দলের ক্রিকেটাররা। এদিকে জুনিয়র টাইগারদের সাফল্যে অভিনন্দ জানিয়েছেন দেশের তারকা ক্রিকেটাররাও। অভিনন্দন বার্তায় অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম লিখেছেন, এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আমাদের অনূর্ধ্ব-১৯ টিমকে অভিনন্দন।

এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের গ্রুপে ভারত

এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের গ্রুপে ভারত মালয়েশিয়ার কুয়ালামাপুরে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ড্র হয়ে গেল আজ। যেখানে ‘সি’ গ্রুপে জায়গা পেয়েছে বাংলাদেশ। গ্রুপের প্রতিপক্ষ ভারত, হংকং ও সিঙ্গাপুর। আগামী মার্চে শুরু হবে এশিয়ান কাপের বাছাই। হোম এবং অ্যাওয়ে পদ্ধতিতে ঘরে ও বাইরে ছয়টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ২৫ মার্চ ভারতের মাঠে ম্যাচ দিয়ে বাছাই শুরু হবে বাংলাদেশের। এরপরের দুটি ম্যাচই খেলবে ঘরের মাঠে। ১০ জুন সিঙ্গাপুর এবং ৯ অক্টোবর প্রতিপক্ষ হংকং। ১৪ অক্টোবর হংকংয়ের মাঠে গিয়ে খেলতে হবে বাংলাদেশকে। ১৮ নভেম্বর ঘরের মাঠে ভারত এবং ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ সিঙ্গাপুরে মাঠের বাছাইয়ের শেষ ম্যাচ খেলবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ যে কোনো ফরম্যাটেই হোক, ভারতকে হারানোর আনন্দই আলাদা। সেটা সিনিয়র কিংবা জুনিয়র- যে কোনো পর্যায়েই হোক। এবার যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে ভারতকে ৫৯ রানের ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ। দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠায় ভারত। ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের তোপের মুখে বাংলাদেশের ব্যাটাররা খুব বেশি ভালো কিছু উপহার দিতে পারেননি। ৪৯.১ ওভারে ১৯৮ রান করে অলআউট হয়ে যায়। জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মুখে কোনঠাসা হয়ে যায় ভারতও। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ৩৫.২ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হলো ভারতীয় যুব ক্রিকেট দল এবং সে সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশের যুবারা। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট নেন ইকবাল হোসেন ইমন ও আজিজুল হাকিম। ২ উইকেট দখল করেন আল ফাহাদ। ১টি করে উইকেট নেন মারুফ মৃধা ও রিজান হোসেন। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দলীয় ১৭ রানের মাথায় ফিরে যান ওপেনার কলিম সিদ্দিকী। তার বিদায়ে অধিনায়ক আজিজুল হাকিমের সঙ্গে জুটি বাঁধেন অন্য ওপেনার জাওয়াদ আবরার। জাওয়াদ-আজিজুল মিলে প্রাথমিক ধাক্কাটা সামাল দেন। তবে জুটি বড় হয়নি। দলীয় ৪১ রানের মাথায় ২০ রান করে বিদায় নেন জাওয়াদ। তার বিদায়ের পর আজিজুলের সঙ্গে জুটি বাঁধেন মোহাম্মদ শিহাব জেমস। দুজন মিলে দলকে পঞ্চাশের ঘর পার করান। এই জুটিও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। দলীয় ৬৬ রানের মাথায় তুলে মারতে গিয়ে ডিপ স্কয়ারে ধরা পড়েন আজিজুল। তিনি ২৮ বলে করেন ১৬ রান। এরপর শিহাব ও রিজান হোসেন মিলে দারুণ একটা জুটি গড়েন। দুজন মিলে সাবলীল খেলে দলকে নিয়ে আগাতে থাকেন। ১২৮ রানের মাথায় শিহাব ৪০ রান করে বিদায় নিলে ভাঙে এই জুটি। এরপর দ্রুতই বিদায় নেন দেবাশীষ দেবা (১)। দলকে দেড়শ পার করে একই পথ ধরেন ৪৭ রান করা রিজান। তার ৬৫ বলের ইনিংসটিতে ছিল ৩টি চারের মার। রিজানের বিদায়ের পর সামিউন বশির এবং আল ফাহাদও বিদায় নেন দ্রুত। এক প্রান্ত আগলে খেলতে থাকেন ফরিদ হোসেন। তাকে সঙ্গ দেন মারুফ মৃধা। ফরিদ ও মারুফ মিলে দলের চাহিদা অনুয়ায়ী খেলতে থাকেন। দলীয় ১৯৭ রানের মাথায় লেগ বিফোরের ফাঁদে পরে বিদায় নেন ফরিদ। ৪৯ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। এরপর আর বড় হয়নি বাংলাদেশের ইনিংস। ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট নেন হার্দিক রাজ, যুধাজিত গুহ ও চেতন শর্মা। ১টি করে উইকেট নেন কিরন চরমালি, কার্তিকীয়া ও আয়ুশ মহাত্র। এক বছর আগে, ২০২৩ সালে এই দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামেই স্বাগতিক আরব আমিরাতকে হারিয়ে যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো বাংলদেশ।

নিজের পারফরমেন্সের দিকে আরও মনোযোগ দিতে চান নাহিদ রানা

নিজের পারফরমেন্সের দিকে আরও মনোযোগ দিতে চান নাহিদ রানা ৭ ডিসেম্বর ২০২৪ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ সমতায় শেষ করতে দলের হয়ে বড় ভূমিকা রাখেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা। সিরিজ শেষে প্রশংসায় ভাসলেও, নিজের পারফরমেন্সের দিকে আরও মনোযোগ দিতে চান তিনি। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে আছেন রানা। বল হাতে গতির ঝড় তুলে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন তিনি। শুধুমাত্র গতি দিয়েই নয়, লাইন-লেন্থ বজায় রেখে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সুনামও কুড়িয়েছেন রানা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে প্রথম টেস্টে খেলার সুযোগ না পেলেও, দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নেমেই চমক দেখিয়েছেন রানা। প্রথম ইনিংসে ৬১ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি। ২০০৯ সালের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টেস্ট জয়ে বড় অবদান রেখেছে  রানার  ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও রানাকে ঘিরে চলছে আলোচনা। তাকে ভবিষ্যতের তারকা হিসাবে মনে করেছেন ক্রিকেটপ্রেমিরা। রানার প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সও। তবে প্রশংসায় নিজেকের না ভাসিয়ে দিয়ে শেখার দিকে আরও মনোনিবেশ করতে চান রানা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পোস্ট করা একটি ভিডিও বার্তায় আজ রানা বলেন, ‘বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যা চলছে, সেগুলোতে আমি মনোযোগ দেই না। আমি একটি বিষয়ে ফোকাস করছি, মাঠে কিভাবে পারফর্ম করতে হয় এবং কিভাবে দলের জন্য সেরাটা দিতে হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোচদের তত্ত্বাবধানে আছি যারা আমাকে প্রতিদিন নতুন কিছু শিখাচ্ছেন। আমি বিভিন্ন দেশের কন্ডিশনে খেলে প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছি।’ টেস্ট ম্যাচের বিভিন্ন কন্ডিশনে গতি বাড়ানো ও কমানোর পারদর্শীতা দেখিয়েছেন রানা। তিনি বলেন, ‘শেখার কোন শেষ নেই। এখানে আসার পরও আমি শিখেছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পিচে কিভাবে বল করতে হয় এবং এখানে কোন লাইন-লেন্থে বল করা উচিত। আমি এখনও শেখার প্রক্রিয়ায় আছি।’ ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি পেসার এবং বাংলাদেশের সাবেক বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের সাথে দেখা করেছেন রানা। ওয়ালশের সাথে তার কথোপকথনের গল্প শেয়ার করেছেন তিনি। রানা বলেন, ‘আমি তার সাথে দেখা করেছি। ওয়ালশ বলেছেন, তুমি যেখানেই থাকেন না কেন, শিখতে থাকো এবং নিজের ফিটনেস ধরে রাখো। জীবনে যেখানেই যাবে, শিখবে। শেখার কোন শেষ নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘জ্যামাইকার শেষ ম্যাচের পর কোর্টনি ওয়ালশ আবার নিজের এবং ফিটনেসের যত্ন নিতে পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন নতুন নতুন জিনিস শিখো থাকুন, এটা তোমার জন্য উপকারী হবে।’

শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের স্কোয়াড ঘোষণা করল বাংলাদেশ

শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের স্কোয়াড ঘোষণা করল বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ড নারী দলের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ নারী দল। এই সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচের জন্য দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেটে বোর্ড (বিসিবি)।সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের দল থেকে কোনো পরিবর্তন আনেনি বাংলাদেশ। অপরিবর্তিত স্কোয়াড নিয়েই সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলবে স্বাগতিকরা।সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ হেরে ইতোমধ্যেই সিরিজ খুইয়েছে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচ তাই স্বাগতিকদের জন্য মান বাঁচানোর লড়াই। তৃতীয় টি-টোয়েন্টির জন্য বাংলাদেশ স্কোয়াড- নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার, মুর্শিদা খাতুন, দিলারা আক্তার, শারমিন আক্তার সুপ্তা, সোবহানা মোস্তারি, স্বর্ণা আক্তার, রিতু মণি, রাবেয়া, ফাহিমা খাতুন, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা, জাহানারা আলম, জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনা, তাজ নাহার, সানজিদা আক্তার মেঘলা।

ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সিরিজ হারল বাংলাদেশ

ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সিরিজ হারল বাংলাদেশ প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে ছিলো আয়ারল্যান্ড নারী ক্রিকেট দল। দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচ জয়ের মাধ্যমে সিরিজ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাঠে নামে তারা। তবে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে নামে বাঘিনীরা। আগে ব্যাটিং করে বাংলাদেশকে ১৩৫ রানের টার্গেট আয়ারল্যান্ড। ১৩৫ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৮৭ রানে অল আউট হয় নিগার সুলতানারা। পাওয়ার প্লের সুবিধাটা নিতে পারেনি স্বাগতিকরা। নির্ধারিত ৬ ওভারের আগেই টাইগ্রেসরা ২২ রান তুলতেই হারিয়ে ফেলে চার উইকেট। দলীয় স্কোর বোর্ডে ৫০ রান তুলতে তাদের খরচ হয় ৯ ওভারেরও বেশি। এমন খাদের সামনে চলে আসা দলকে টেনে তোলার চেষ্টায় ছিলেন শারমিন আক্তার। স্বর্ণা আক্তারের সঙ্গে জুটি গড়ে রান বাড়িয়ে নেন দলের স্কোরবোর্ডে। স্বর্ণা ২০ রান করে আউট হলেও ব্যাট হাতে ক্রিজ আগলে ছিলেন শারমিন। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৮ রান করে ফেরেন তিনি। আর কোনো বড় ইনিংস করতে না পরায় ৮৭ রানেই থেমে যায় স্বাগতিকরা । আজ টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করে দুই আইরিশ ওপেনার গ্যাবি লুইস এবং অ্যামি হান্টার। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি কেউই। ১৪ রান করে লুইস আউট হলে ২৩ রান করে তাকে সঙ্গ দেন হান্টার। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে রান তুলতে থাকেন ওরালা প্রেন্ডারগাস্ট। ২৫ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলেন এই আইরিশ ব্যাটার। এরপর লরা ডেলানিকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন লেয়াহ পল। কিন্তু ১৮তম ওভারে জাহানারার বলে ক্যাচ আউট হন ১৬ রান করা পল। শেষ দিকে ডেলানি ৩৫ রানে আউট আউট হলে, রাহ ফোর্বস ৪ রান এবং রেবেকা স্টোকেলে অপরাজিত ৯ রানে ভর করে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় আয়ারল্যান্ড। বাংলাদেশের হয়ে দুই উইকেট শিকার করেন নাহিদা আক্তার। এ ছাড়াও জাহানারা আলম, জান্নাতুল ফেরদৌস এবং ফাহিমা খাতুন একটি করে উইকেট।

গ্লোবাল সুপার লিগের চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্স

গ্লোবাল সুপার লিগের চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্স গ্লোবাল সুপার লিগের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়াকে হারিয়ে শিরোপা উদযাপনে মেতেছে রংপুর রাইডার্স। এতে প্রথম আসরেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। আজ গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৭৮ রান সংগ্রহ করে রংপুর। লক্ষ্য তাড়ায় খেই হারিয়ে ১৮.১ ওভারে ১২২ রানে গুটিয়ে যায় ভিক্টোরিয়া। নুরুল হাসান সোহানের দলের জয় ৫৬ রানে। রংপুরের শিরোপা জয়ে টুর্নামেন্টজুড়ে দারুণ অবদান ছিল সৌম্যের। মহাগুরুত্বপূর্ণ ফাইনালে তিনি আরো দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন। ৫৪ বলে খেলেছেন ৮৬ রানের ইনিংস। ৫ ম্যাচে ৪৭ গড় এবং ১৪২.৪২ স্ট্রাইকরেট নিয়ে সৌম্য টুর্নামেন্ট সর্বোচ্চ ১৮৮ রান করেছেন। টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমেই রংপুরের শুরুটাই ছিল দারুণ আক্রমণাত্মক। যদিও পাওয়ার প্লেতে তারা মাত্র ৪০ রান তোলে। ধীরে ধীরে দুই ওপেনার সৌম্য ও স্টিভেন টেলর গতি বাড়ান। উদ্বোধনী জুটিতে তোলেন ১২৪ রান। ৪৯ বলে ৪টি করে চার-ছক্কায় ৬৮ রান করা টেলরের বিদায়ে সেই জুটি ভাঙে। এরপর সাইফ হাসান (৬) ও ওয়েন ম্যাডসেন (১০) দ্রুত বিদায় নিলে বড় পুঁজি গড়া নিয়ে শঙ্কায় পড়ে রংপুর। সৌম্য শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে সেই শঙ্কা ছাপিয়ে ১৭৮ রানের বড় সংগ্রহ এনে দেন। এটাই প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। ৭টি চার ৫ ছক্কায় বাংলাদেশি ওপেনার অপরাজিত ছিলেন ৮৬ রানে। অপরদিকে জবাব দিতে নেমে ১৮ ওভার ১ বলে ১২২ রান করে অলআউট হয় ভিক্টোরিয়া। প্রসঙ্গত, গায়ানা ক্রিকেট কর্তৃপক্ষের আয়োজনে প্রথমবারের মতো আয়োজিত গ্লোবাল সুপার লিগে অংশই নেয়ার কথা ছিল না রংপুরের। বিপিএলের চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে ফরচুন বরিশালকে টুর্নামেন্টের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল গায়ানা। তবে বরিশাল সদিচ্ছা না দেখানোয় রংপুর রাইডার্স সুযোগ পায় টুর্নামেন্টটিতে। আর সেই সুযোগটা ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছে রংপুর। বিশ্বের পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের পাঁচ দলকে নিয়ে আয়োজিত টুর্নামেন্টের প্রথম শিরোপা জিতে নিয়েছে দলটি।

ক্যারিয়ারের প্রথম লাল কার্ডের পর দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ নয়ার

ক্যারিয়ারের প্রথম লাল কার্ডের পর দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ নয়ার জার্মান কাপে বায়ার্ন মিউনিখের গোলকিপার ম্যানুয়েল নয়ার প্রথমবারের মতো লাল কার্ড দেখেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার লেভারকুসেনের বিপক্ষে খেলতে গিয়ে ডি-বক্সের বাইরে বেরিয়ে ফ্রিম্পংকে ফাউল করার পর রেফারি তাকে লাল কার্ড দেখান। এই ঘটনার পর ৩৮ বছর বয়সী নয়ার মাঠ ছাড়েন ১৭তম মিনিটে, যা তার ক্যারিয়ারের প্রথম লাল কার্ড। এই লাল কার্ডের কারণে নয়ারকে আরও শাস্তি পেতে হয়েছে। জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফবি) তাকে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে, যার ফলে পরবর্তী দুটি ম্যাচে তাকে মাঠে দেখা যাবে না। অধিনায়ককে হারানোর পর বায়ার্নের খেলা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ায় লেভারকুসেন সুবিধা পায়। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে টেল্লার গোলের মাধ্যমে ১-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে জাবি আলোনসোর দল, ফলে বায়ার্ন টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়।

আজ রাত সাড়ে ১১টায় মাঠে নামছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা

আজ রাত সাড়ে ১১টায় মাঠে নামছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আকর্ষণ ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। যেকোনো টুর্নামেন্টে এই দুই দল মুখোমুখি হলে তো কথাই নেই। এবার দেশ দুটির প্রতিদ্বন্দ্বিতা ক্রিকেটেও দেখা যাবে। ২০২৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপের আমেরিকার সাব-রিজিওনাল অঞ্চলের বাছাইপর্ব মাঠে গড়াতে যাচ্ছে। আজ থেকে শুরু হচ্ছে প্রতিযোগিতা। যেখানে আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিলসহ মোট ৮টি দল অংশগ্রহণ করবে। বাছাইপর্ব থেকে শীর্ষ তিন দল পরবর্তী রাউন্ডে উন্নীত হবে। প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা, তাদের প্রতিপক্ষ বারমুডা। একই দিনে ব্রাজিলও নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাহামার বিপক্ষে মাঠে নামবে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচটি আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে। বুয়েন্স আয়ার্সের সেন্ট জর্জ কলেজ গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টায় খেলাটি আরম্ভ হবে। ক্রিকেটে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা দ্বৈরথ এবারই প্রথম নয়। ২০১৯ সালে সাউথ আমেরিকান মেন্স চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রাজিলকে ২৯ রানে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। এবার বিশ্বকাপ বাছাই র্বে আবারো তাদের লড়াই ক্রীড়াপ্রেমীদের মনোযোগ আকর্ষণ করবে।