ঘুমের আগে যে ৪ অভ্যাসে সন্তান মেধাবী হবে

ঘুমের আগে যে ৪ অভ্যাসে সন্তান মেধাবী হবে শিশুদের বুদ্ধি বাড়াতে অঙ্ক, মাইন্ড গেইম যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। তবে ঘুমানোর আগে সন্তানের সঙ্গে কিছু কাজ নিয়মিত করলেও তার মেধার বিকাশ ঘটে। বিশেষ করে পাঁচ বছর বয়সের মধ্যেই শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটে। আর বয়সের সঙ্গে এই বিকাশ বাড়তে থাকে। তাই ছোট থেকেই শিশুকে এমন কিছু অভ্যাস রপ্ত করান যেন তার বুদ্ধির বিকাশ ঘটে। গল্প বলুন ঘুমের আগে শিশুকে মোবাইল বা ট্যাবে বুঁদ করে রাখবেন না। ব্লু লাইট শিশুর মস্তিষ্ক ও চোখের উপর প্রভাব ফেলে। তাই ডিভাইস নিয়ে বিছানায় যাবেন না। তার বদলে গল্পের বই বেছে নিন। ছোট থেকেই সন্তানকে গল্প শোনান। আড়াই-তিন বছর বয়স থেকেই এ অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। বই পড়ার অভ্যাস সন্তান নিজেই যখন থেকে বই পড়তে পারবে, তখন থেকেই হাতে গল্পের বই তুলে দিন। তখন আপনি আর গল্প শোনাবেন না। বরং, সন্তানকে ঘুমানোর আগে বই পড়ার পরামর্শ দিন। ছোট থেকে এই অভ্যাস গড়ে তুললে ঘুমোনোর সময়ে আর মোবাইল ঘাঁটবে না। একসঙ্গে গল্প করুন ঘুমানোর আগে সন্তানের সঙ্গে গল্প করুন। বিশেষ করে সারাদিন সন্তানের কেমন কাটলো, পরের দিন স্কুলে কী কী কাজ রয়েছে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে গল্প করতে পারেন। দিনের শেষে এই ধরনের আলোচনা আপনাদের সম্পর্ককে আরো মজবুত করবে। মেডিটেশন রাতে ঘুমানোর আগে সন্তানকে মেডিটেশন বা ধ্যান করার অভ্যাস করান। অন্তত ১০ মিনিট মেডিটেশন অনুশীলন করাতে পারেন। এতে মন শান্ত হবে, একাগ্রতা ও মনোযোগ বাড়বে। পড়াশোনায় মন বসবে।
যে গ্রামে দোকান চলে দোকানদার ছাড়াই !

যে গ্রামে দোকান চলে দোকানদার ছাড়াই ! নাগাল্যান্ডের পাহাড়ঘেরা খোনোমা গ্রাম বিশেষভাবে নজর কাড়ে মানুষের জীবনধারা ও পারস্পরিক বিশ্বাসের কারণে„। এখানে এমন দোকান আছে, যেখানে কোনো দোকানদার নেই, তবু দিনের পর দিন ঠিকঠাক চলে। খোনোমা কোনো পরিচিত পর্যটন স্পট নয়। শহরের কোলাহল বা আধুনিক পর্যটনকেন্দ্রের ঝলমলে পরিবেশ নেই। তবে যারা প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে চান এবং দায়িত্বশীল জীবনযাপনের উদাহরণ দেখতে চান, তাদের জন্য খোনোমা ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা দিতে পারে। গ্রামটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন এবং শান্ত। এখানে চুরি বা অসৎ আচরণের ভয় নেই। ১৯৯৮ সালে খোনোমা নেচার কনজারভেশন অ্যান্ড ট্র্যাগোপান স্যাংচুয়ারি প্রতিষ্ঠার পর এটি ভারতের প্রথম সবুজ গ্রাম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। প্রায় ২০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বিস্তৃত এই গ্রামে প্রধানত আংগামি নাগা জনগোষ্ঠীর বসবাস। শিকার নিষিদ্ধ হওয়ার পর মানুষ বন সংরক্ষণ, কৃষিকাজ ও পশুপালনে বেশি মনোযোগ দেয়। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, গ্রামে প্রায় এক হাজার ৯০০ জন বাস করেন। খোনোমার সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো দোকান ব্যবস্থা। এখানে অনেক দোকানেই কোনো দোকানদার নেই। ক্রেতারা প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য নিয়ে নির্ধারিত টাকা রেখে যায়। গ্রামবাসীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা এতটাই দৃঢ় যে কেউ প্রতারণার কথা ভাবতেই পারে না। অনেক বাড়িতেই তালা থাকে না, এবং কমিউনিটি লাইব্রেরি থেকে যে কেউ বই নিয়ে পড়তে পারে। পর্যটকদের জন্য খোনোমা দেখার মতো অনেক কিছু রয়েছে। পাহাড়ি প্রকৃতি, সবুজ বন এবং নিরিবিলি পরিবেশে হাঁটা বা ট্রেকিং করা যায়। খোনোমা ফোর্ট ঐতিহাসিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। উনিশ শতকে আংগামি নাগারা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। খোনোমা গ্রাম দেখিয়ে দেয়, বিশ্বাস, সততা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকলে সমাজকে কত সুন্দরভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়। দোকানদার ছাড়াই দোকান, পরিবেশ সংরক্ষণ বা কমিউনিটি উদ্যোগ—প্রতিটি ক্ষেত্রে খোনোমা ব্যতিক্রমী উদাহরণ। ব্যস্ত আধুনিক জীবনে যখন মানবিক মূল্যবোধ ক্রমে হারিয়ে যাচ্ছে, তখন খোনোমা নতুন করে ভাবতে শেখায় যে উন্নয়ন মানে কেবল কংক্রিটের শহর নয়।
২০৩৯ সালে এক বছরে ২টি হজ্জ্ব, ৩ টি ঈদ!

২০৩৯ সালে এক বছরে ২টি হজ্জ্ব, ৩ টি ঈদ! একই ক্যালেন্ডার বর্ষে তিনটি ঈদ এবং দুইবার রমজান মাস এমনই এক বিরল ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ববাসী। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গণনা অনুযায়ী, ২০৩৯ সালে মুসলিম উম্মাহ একই বছরে তিনটি ঈদ উদযাপন করবে। সৌদি আরবের বিশিষ্ট জলবায়ু ও জ্যোতির্বিদ্যা বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল্লাহ আল মিসনাদ জানিয়েছেন, সূর্যকেন্দ্রিক গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের তুলনায় চন্দ্রকেন্দ্রিক হিজরি ক্যালেন্ডার প্রতি বছর ১০ থেকে ১১ দিন কম হওয়ায় এই চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। হিসাব অনুযায়ী, ২০৩৯ সালের শুরুর দিকে অর্থাৎ ৬ জানুয়ারি পালিত হবে ঈদুল আজহা। এরপর হিজরি ক্যালেন্ডার তার চক্র পূর্ণ করে বছরের শেষে আবারও ফিরে আসবে। ফলে একই বছরের ২৬ ডিসেম্বর আবারও ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। অর্থাৎ ২০৩৯ সালে মক্কায় পৃথক দুটি হজ মৌসুমের দেখা মিলবে। আর এই দুই কোরবানির ঈদের মাঝখানে ১৯ অক্টোবর পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। ফলে পুরো বছরে মুসলিমরা তিনটি ঈদের আনন্দ উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। এর আগে ২০৩০ সালে এক বছরে দুইবার পবিত্র রমজান মাস পালনের বিরল অভিজ্ঞতাও হবে মুসলিমদের। ২০৩০ সালের জানুয়ারি মাসে একবার রমজান শুরু হবে এবং বছরের শেষে ডিসেম্বর মাসে আবারও রমজানের দেখা মিলবে। এর আগে ১৯৯৭ সালে শেষবারের মতো এমন ঘটনা ঘটেছিল। মূলত চাঁদের চক্র ও সূর্যের চক্রের মধ্যে সময়ের পার্থক্যের কারণেই প্রতি ৩৩ বছর পরপর এই চক্রের পুনরাবৃত্তি ঘটে। হিজরি সাল সাধারণত ৩৫৪ বা ৩৫৫ দিনে শেষ হলেও গ্রেগরিয়ান বছর ৩৬৫ বা ৩৬৬ দিনের হওয়ায় প্রতি বছরই ইসলামের ধর্মীয় উৎসবগুলো ১০-১১ দিন করে এগিয়ে আসে, যা দীর্ঘ মেয়াদে একই খ্রিষ্টীয় বছরে একাধিক ঈদ বা রমজান মাসের সমাপতন ঘটায়।
‘ব্রেডক্রাম্বিং’, ‘বেঞ্চিং’ দিয়ে—জেন জি জেনারেশন ঠিক কী বোঝাতে চায়

‘ব্রেডক্রাম্বিং’, ‘বেঞ্চিং’ দিয়ে—জেন জি জেনারেশন ঠিক কী বোঝাতে চায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘বেঞ্চিং’ নিয়ে একাধিক মিম চোখে পড়েছে? ‘সিচুয়েশনশিপ’, ‘বেঞ্চিং’, ‘ব্রেডক্রাম্বিং’-এর মতো শব্দগুলোও নিশ্চয় শুনে ফেলেছেন। শব্দগুলো শুনতে নতুন, আবার গুগল করলে যে মানে পাওয়া যায়, তাতে বিষয়টা আরও একটু জটিল লাগে। এমন অভিজ্ঞতা যদি হয়ে থাকে, তাহলে ধরে নেওয়াই যায় আপনি মিলেনিয়াল। ১৯৮১ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে যাদের জন্ম, তারাই মিলেনিয়াল বা জেন ওয়াই। প্রেম-ভালবাসার ক্ষেত্রে এত শব্দ, এত লেবেল, এত জটিলতার ভিড়ে তাদের পড়তে হয়নি বললেই চলে। কিন্তু ঠিক এর পরের প্রজন্ম, ইন্টারনেট সংস্কৃতিতে যাদের বলা হয় জেন জেড বা জেন জি জেনারেশন। এই প্রজন্ম এসব শব্দ নিয়েই সম্পর্কের হিসেব কষে। ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে যাদের জন্ম এই প্রজন্ম জেন জি। এরা কিন্তু বড় হয়েছে মিলেনিয়ালদের সঙ্গে। ফলে নয়ের দশকের ‘ওল্ড স্কুল’ প্রেম আর আজকের ডেটিং অ্যাপের ‘লেফট–রাইট সোয়াইপ’—দুইয়ের সঙ্গেই তাদের পরিচয় আছে। কিন্তু মোবাইল, ইন্টারনেট আর ডেটিং অ্যাপের দৌলতে প্রেমের ভাষা যে গতিতে বদলাচ্ছে, তাতে ‘লেট নাইন্টিজ কিড’রা কতটা আপডেট থাকতে পারছে? আর কতটাই বা নিজেদের পুরনো দিনের ‘ওল্ড স্কুল টাইপ’ বলে ভাবতে পারছে? নতুন শব্দের জন্ম কোথা থেকে? সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেই জন্ম নিয়েছে ‘সিচুয়েশনশিপ’, ‘বেঞ্চিং’, ‘ব্রেডক্রাম্বিং’-এর মতো শব্দ। শুধু তাই নয় ‘রেড ফ্ল্যাগ’ বা ‘গ্রিন ফ্ল্যাগ’-এর যুগও নাকি প্রায় অতীত। এখন জেন জিরা বেশি ব্যবহার করে ‘বেজ ফ্ল্যাগ’ বা ‘পিঙ্ক ফ্ল্যাগ’-এর মতো টার্ম। কিছু শব্দ ধীরে ধীরে স্বীকৃতি পাচ্ছে। যেমন ‘রিজ’ (Rizz), যা ২০২৩ সালে অক্সফোর্ড প্রেসের ‘ওয়ার্ড অফ দ্য ইয়ার’ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। অর্থাৎ, এখন এই শব্দের অর্থ আপনি অক্সফোর্ড অভিধানেই খুঁজে পাবেন। ডেটিং অ্যাপ জনপ্রিয় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আসে রাইট–লেফট সোয়াইপের সংস্কৃতি। আরও পেছনে গেলে দেখা যায়, বিশ্বের প্রথম ডেটিং ওয়েবসাইট match.com চালু হয় ১৯৯৫ সালে। পশ্চিমে ডেটিং তখন থেকেই তুলনামূলক স্বাভাবিক হলেও, আমাদের সংস্কৃতিতে প্রেমের গ্রহণযোগ্যতা ছিল আলাদা রকমের। ধীরে ধীরে কফি ডেট ধারণা পপুলার কালচার আর দৈনন্দিন জীবনে জায়গা করে নেয়। প্রেমে ‘না’ শোনা কারও পছন্দ নয় বলেই হয়তো ‘প্রেম’ থেকে ‘ডেটিং’-এর পরিভাষা বদলেছে, আর তার সঙ্গে বদলেছে প্রেমের ভাষাও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে যেখানে মুহূর্তে মতামত তৈরি হয়, সম্পর্কের স্টেটাস নিয়েও থাকে নানা ব্যাখ্যা, সেখানে জেন জিদের প্রেমের ভাষা কি সত্যিই এত জটিল? বিশেষ করে মিলেনিয়ালদের কাছে? ভারতের অ্যাডামাস ইউনিভার্সিটির সহ-অধ্যাপক সংহিতা স্যানাল বলছেন, “জেন জ়েড ডেটিং অ্যাংজাইটি নিতে চায় না। তাদের জীবনে প্রেমের পাশাপাশি আরও অনেক বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। সম্পর্কের সমীকরণ স্পষ্ট না হলে, প্রেমে ব্যর্থ হওয়ার ঝুঁকি এড়াতেই তারা ‘সিচুয়েশনশিপ’-এর মতো শব্দ ব্যবহার করে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এতে একদিকে সম্পর্ক অস্বীকারও করা হলো না, আবার প্রেমে ব্যর্থ হওয়ার দায়ও নিতে হলো না। কিন্তু এই সম্পর্ক প্রায়ই একতরফা হয়—অন্য মানুষটি হয়তো বিষয়টা একইভাবে দেখে না।” এই প্রসঙ্গে সমাজকর্মী ও গায়িকা পিয়া চক্রবর্তীর বক্তব্য আরও পরিষ্কার, “এ ধরনের পরিস্থিতি প্রেমে আগেও ছিল। শুধু তখন এর কোনও নাম ছিল না। এখন সেই জটিল অনুভূতিগুলো এক কথায় প্রকাশ করা যাচ্ছে—‘সিচুয়েশনশিপ’, ‘ব্রেড ক্রাম্বিং’-এর মতো শব্দের মাধ্যমে।” শেষে বলা যায়, প্রেম বদলায়নি, বদলেছে তার ভাষা। আর সেই ভাষা বুঝে উঠতে গিয়েই মিলেনিয়ালরা আজ খানিকটা বিভ্রান্ত, খানিকটা কৌতূহলী।
জেনে নিন সবজি পরোটা তৈরির রেসিপি

জেনে নিন সবজি পরোটা তৈরির রেসিপি পরোটা তৈরি করা যায় নানাকিছু দিয়ে। আপনি নিশ্চয়ই আলু পরোটা কিংবা কিমা পরোটা খেয়েছেন? তবে চাইলে সবজি দিয়ে তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু পরোটা। এটি তৈরি করতে খুব বেশি সময় লাগে না, আবার উপকরণও লাগে কম। সকাল কিংবা বিকেলের নাস্তায় তৈরি করতে পারেন সবজি পরোটা। চলুন জেনে নেওয়া যাক রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে গাজর কুচি- ১ কাপ বরবটি কুচি- আধা কাপ পেঁয়াজ কুচি- ২-৩টি আলু সেদ্ধ- ২টি গরম মশলা- ১/২ চা চামচ হলুদের গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ কাঁচা মরিচ- ২ টি ধনিয়া পাতা কুচি- ২ চা চামচ। ডো তৈরি করতে যা লাগবে ময়দা- ১ কাপ লবণ- স্বাদমতো তেল- ১ চা চামচ পানি- পরিমাণমতো। যেভাবে তৈরি করবেন প্যানে ১/২ চা চামচ তেল নিয়ে গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি, গাজর কুচি, বরবটি কুচি, গরম মসলা, হলুদের গুঁড়া, ধনিয়া পাতা ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে ভেজে নিন। তারপর নামিয়ে ফেলুন। ম্যাশড আলু মিশিয়ে নিন। একটি পাত্রে ডো তৈরির সব উপকরণ মিশিয়ে ভালো করে ডো তৈরি করে ২০ মিনিট রেখে দিন। এবার ডো থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে মোটা রুটির মতো বেলে নিন। এরপর একেকটির মধ্যে পুর ভরে গোল বড় বল তৈরি করুন। এবার পরোটা বেলে নিন। এবার ভেজে গরম গরম পরিশেবন করুন।
বাসায় গ্যাস সংকটে রান্নার বিকল্প উপায়

বাসায় গ্যাস সংকটে রান্নার বিকল্প উপায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় আমরা সরকারি লাইনের বা এলপি গ্যাস ব্যবহার করে থাকি। বছরের অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে শীত মৌসুমে এর ব্যবহার বেড়ে যায়। এই অবস্থায় অনেক সময় লাইনের গ্যাসের চাপ কমে যায়। মাঝেমধ্যেও একেবারেই থাকে না। কখনো কখনো বাসায় রাখা এলপি গ্যাস শেষ হয়ে যায়। তখন রান্না নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। তবে, এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। আজ আপনাদের জানাব, বাসায় গ্যাস না থাকলে বিকল্প উপায়ে কীভাবে রান্না করা যায়। ইন্ডাকশন চুলা : গ্যাস না থাকলে সবচেয়ে আধুনিক ও দ্রুত সমাধান হলো ইলেকট্রিক বা ইন্ডাকশন চুলা। বিশেষ করে ইন্ডাকশন কুকার ২৫-৫০ শতাংশ দ্রুত সময়ে রান্না সম্পন্ন পারে। এটি সরাসরি পাতিলের তলায় তাপ দেয় বলে খাবার দ্রুত সেদ্ধ হয়। এতে আগুনের ঝুঁকিও কম। বাড়িতে ছোট শিশু থাকলে এটি তাদের জন্য নিরাপদ। তবে, মনে রাখতে হবে, ইন্ডাকশন চুলার জন্য ম্যাগনেটিক বা ধাতব তলাযুক্ত পাত্র ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। রাইস কুকার : নাম রাইস কুকার হলেও এটি কার্যত একটি মাল্টি কুকার। গ্যাস না থাকলে ডিম সেদ্ধ, স্যুপ বানানো, নুডলস রান্না কিংবা সবজি ও মাছ ভাপানোর কাজে এটি দারুণ উপযোগী। একটু সৃজনশীল হলে রাইস কুকারেই বিরিয়ানি বা খিচুড়ি রান্না করা সম্ভব। তবে পরিমাপ ঠিক রাখা জরুরি। এয়ার ফ্রায়ার ও ওভেন : এয়ার ফ্রায়ার ও ওভেনকেও বলা যায় ঝামেলাহীন ও স্বাস্থ্যকর সমাধান। এয়ার ফ্রায়ারে তেল ছাড়াই মাছ-মাংস ভাজা বা সবজি রোস্ট করা যায়। ওভেনে চিকেন রোস্ট, বিস্কুট কিংবা পাউরুটি সবই তৈরি করা সম্ভব। হবেও রেস্তোরাঁ মানের স্বাদ। যারা ডায়েট করেন, তাদের জন্য এগুলো গ্যাসের চুলার ভালো বিকল্প। অভ্যাস না থাকলে এই সংকটের সময়ই ওভেনে রান্না শেখার সুযোগ। গ্যাসের বদলে মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার করেও সবজি সেদ্ধ, ডিম পোচ কিংবা খাবার গরম করা যায় খুব দ্রুত। এ ছাড়া স্লো কুকারে দীর্ঘ সময় ধরে রান্না করা পদ, যেমন ডাল বা নেহারি, সহজেই তৈরি করা যায়। আর একদম জরুরি অবস্থায় বিদ্যুৎ না থাকলে বাইরে চারকোল গ্রিল বা কাঠ-কয়লার চুলায় বারবিকিউ স্টাইলে রান্না সেরে নেয়া যায়। যখন কোনো উপায়ই কাজ করে না, তখন ফলমূল, পাউরুটি-জ্যাম কিংবা সালাদের মতো খাবার বেছে নেয়াই ভালো। এগুলো পুষ্টিকর এবং রান্নার ঝামেলা নেই বললেই চলে। তবে ইলেকট্রিক যন্ত্র ব্যবহারে কিছু সতর্কতা জরুরি। বিদ্যুৎ-সংযোগ ত্রুটিপূর্ণ হলে আগুন বা শকের ঝুঁকি থাকে, তাই সঠিক ইনস্টলেশন ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ দরকার। রান্নার সময় অমনোযোগী হলে ইলেকট্রিক যন্ত্র থেকেও আগুন লাগতে পারে, তাই ব্যবহার শেষে অবশ্যই সুইচ বন্ধ করতে হবে। গরম কয়েল বা পাত্র স্পর্শ করলে হাত পুড়ে যেতে পারে। সুইচ বন্ধ করার পরও কিছুক্ষণ এগুলো গরম থাকে এটি মনে রাখতে হবে। গ্যাস না থাকলেও রান্নাঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা জরুরি, যাতে ধোঁয়া ও বাষ্প বের হতে পারে। বাড়ির বিদ্যুৎ-সংযোগ ও তারের ক্ষমতার সঙ্গে মানানসই চুলা বা ওভেন কিনতে হবে। আর পোশাক বা কাপড় থেকে আগুন লাগার ঝুঁকি থাকায় সব সময় সতর্ক থাকা জরুরি।
৩ সহজ উপায় পরিশ্রম ছাড়া নারকেল কোরানোর

৩ সহজ উপায় পরিশ্রম ছাড়া নারকেল কোরানোর এই শীতে পিঠা বানানোর কথা ভাবছেন? তাহলে মাথায় রাখুন নারকেল ছাড়া পিঠাপুলির পূর্ণ স্বাদ পাওয়া যায় না। কিন্তু নারকেল কোরাতে অনেকের বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয়। আবার কারো কারো বাসায় কোরানোর দা বা মেশিনও থাকে না। তাহলে কী করবেন? বলছি। সহজ কিছু কৌশল জানলে অল্প সময়ে নারকেল কোরানো যাবে। সেদ্ধ করে নিন নারকেল ফুটন্ত পানিতে মিনিট দশেক ভিজিয়ে রাখুন। গরম পানিতে মিনিটে পাঁচেকের জন্য সেদ্ধও করতে পারেন। এতে নারকেলের খোলা নরম হয়ে আসবে। ভারী কিছু দিয়ে অল্প টোকা মারলেই ভেঙে যাবে। পাশাপাশি নারকেলের শাঁসও নরম হয়ে যাবে। চামচ দিয়ে টানলেই শাঁস উঠে আসবে। এর পর ওই শাঁস ব্লেন্ড করে নিতে পারেন। ফ্রিজে রেখে দিন নারকেল দুই টুকরো করে ফ্রিজে দুই দিন রেখে দিন। দুই দিন পর দেখবেন নারকেলের মালা থেকে শাঁস বেরিয়ে আসছে। নারকেলের শাঁস ছুরির সাহায্যে বের করে নিন। কিংবা ভারী কিছু দিয়ে টোকা মারুন। খোলা ভেঙে শাঁস বেরিয়ে আসবে। তারপরে ফুড প্রসেসরে দিয়ে নারকেল প্রস্তুত করে নিন। পরিশ্রম ছাড়াই নারকেল কোরাতে পারবেন। মাইক্রোওভেনের সাহায্য নিন নারকেলের মালাগুলো ৩০ সেকেন্ডের জন্য মাইক্রোওভেনে ঘুরিয়ে নিন। যদি দেখেন খোসা থেকে শাঁস বেরিয়ে আসছে, তাহলে মাইক্রোওভেন বন্ধ করে দিন। যদি তা না হয়, তাহলে আরও ২-৩ বার ৩০ সেকেন্ড করে মাইক্রোওভেনে ঘুরিয়ে নিন। তবে, বেশি গরম করবেন না। শাঁস খোলা থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করলে মাইক্রোওভেন বন্ধ করে দিন। ছুরি বা চামচের সাহায্যে শাঁস বের করে ব্লেন্ডারের সাহায্যে পিঠার জন্য নারকেল প্রস্তুত করে নিন।
৫ বছরের কম বয়সী শিশুরা দিনে কতগুলো ডিম খেতে পারবে?

৫ বছরের কম বয়সী শিশুরা দিনে কতগুলো ডিম খেতে পারবে? ডিমকে একটি সম্পূর্ণ খাদ্য হিসাবে উল্লেখ করা হয় এবং এর কারণটি পুরোপুরি যুক্তিসঙ্গত। এটি সাশ্রয়ী, রান্না করা সহজ এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণে ভরপুর, বিশেষ করে শিশুর বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য। তবে ছোট শিশুদের বাবা-মায়েদের জন্য, একটি সাধারণ প্রশ্ন বারবার আসে, ৫ বছরের কম বয়সী বাচ্চারা প্রতিদিন কতগুলো ডিম খেতে পারে? ডিম কেন শিশুদের জন্য ভালো ডিম ক্রমবর্ধমান শিশুদের জন্য একটি পুষ্টির শক্তি। ডিম উচ্চমানের প্রোটিন, উপকারী চর্বি, প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থে ভরপুর যা মস্তিষ্কের বিকাশ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং শারীরিক বৃদ্ধিকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। ডিমে পাওয়া সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পুষ্টি উপাদানের মধ্যে একটি হলো কোলিন, যা স্মৃতিশক্তি এবং মস্তিষ্কের দক্ষতা উন্নত করার জন্য পরিচিত, বিশেষ করে শৈশবের প্রথম দিকে যখন মস্তিষ্কের বিকাশ তার সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। ডিম ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ তাই শিশুদের খাবার হিসেবে এটি বেশ কার্যকরী। ভিটামিন ডি হাড়ের বৃদ্ধি, ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং বি ভিটামিনের সঙ্গে শক্তি বিপাক সহায়তার ভূমিকা পালন করে। যেহেতু ডিম নরম এবং ভালোভাবে রান্না করলে চিবানো সহজ, তাই শিশুদের জন্য এটি উপযুক্ত। ৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য প্রতিদিন কতগুলো ডিম নিরাপদ? প্রতিদিন কতগুলো ডিম খাওয়া উচিত তা শিশুর বয়স এবং খাদ্যতালিকা দ্বারা নির্ধারিত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে ১ থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুরা প্রতিদিন অর্ধেক থেকে একটি ডিম খেতে পারে, যেখানে ৪ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রতিদিন একটি সম্পূর্ণ ডিম নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর। শিশুদের পেট ছোট এবং তাদের খাবার থেকে বঞ্চিত বোধ না করার জন্য তাদের সবকিছুই খাওয়ানো উচিত। কোনো একটি খাবার যত পুষ্টিকরই হোক না কেন তা দিয়ে পেট ভরিয়ে রাখলে শিশুরা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদানের প্রতি আকাঙ্ক্ষা পোষণ করতে পারে না। শিশুরা কি প্রতিদিন ডিম খেতে পারে? হ্যাঁ, প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে ডিম খাওয়া যেতে পারে। তবে, ফল, শাক-সবজি, গোটা শস্য, ডাল এবং দুগ্ধজাত খাবারের সমন্বয়ে একটি সুষম খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। ছোট শিশুদের পুষ্টির জন্য কেবল ডিমই যথেষ্ট নয়। খাদ্যতালিকাগত বৈচিত্র্য নিশ্চিত করে যে শিশুরা ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিভিন্ন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট পাচ্ছে যা ডিম তাদের সরবরাহ করে না।
শীতকালে বিভিন্ন রঙের আলোর দেশ গ্রিনল্যান্ড

শীতকালে বিভিন্ন রঙের আলোর দেশ গ্রিনল্যান্ড যে দেশে শীতকালে আকাশে বিভিন্ন রঙের আলো দেখা যায়— সেই দেশটির নাম গ্রিনল্যান্ড। দেশটি ন্যাটো জোটভুক্ত এবং ডেনমার্কের একটি আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। ডেনমার্ক- রাজ্যের একটি অঙ্গ হয়েও দেশটি ১৯৭৯ সাল থেকে স্বদেশের শাসন উপভোগ করছে। এ দেশের বেশির ভাগ ভূখণ্ড আর্কটিক অঞ্চলে পড়েছে। অনুত্তোলিত প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এই অঞ্চল। আর্কটিকের বরফ গলতে শুরু করায় এ অঞ্চলটি বাণিজ্যের অন্যতম ক্ষেত্র হিসেবে রূপান্তর হয়েছে। এখন এই অঞ্চল দিয়ে আরও বেশি জাহাজ চলাচল করছে। বিস্তৃতির দিক দিয়ে গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের দ্বাদশতম বৃহত্তম দেশ হলেও এর জনসংখ্যা একটি ছোটো শহরের তুলনায় অনেক কম। গ্রিনল্যান্ডের জনসংখ্যা মাত্র ৫৮ হাজার। আর দেশটির নাম গ্রিনল্যান্ড হলেও এখানকার ৮৫ শতাংশ এলাকা তুষারে ঢাকা। বিভিন্ন স্থানে হিমবাহের উপস্থিতির কারণে এই দেশটিকে খুব শুভ্র সুন্দর দেখায়। গ্রিনল্যান্ডে শীতকালে রাতের আকাশে নানা রঙ দেখা যায় গ্রিনল্যান্ডে কোনো রেল ব্যবস্থা নেই। এখানে সাধারণ গাড়ির চেয়ে নৌকা বা হেলিকপ্টার বেশি চলে।বেশিরভাগ মানুষই এখানে হেলিকপ্টার বা কুকুরে টানা স্লেজ গাড়িতে ভ্রমণ করেন। শুনে অনেকেই অবাক হতে পারেন যে, এই দেশে গ্রীষ্মকালে সূর্য অস্ত যায় না। মানে স্থানীয় সময় অনুযায়ী মধ্যরাতেও গ্রিনল্যান্ডে সূর্যের দেখা পাওয়া যায়। এর পরেও এখানে তাপমাত্রা শূন্য থেকে চার ডিগ্রির মধ্যে থাকে। দেশটির নিজস্ব কোনো মুদ্রা নেই। এটি ডেনমার্কের মুদ্রা ব্যবহার করে। উল্লেখ্য, ভাবা হয় মানুষ প্রথম গ্রিনল্যান্ড-এ পৌঁছেছিল খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ সালের দিকে। প্রথম বসতি গড়া বংশধররা সম্ভবত বিলুপ্ত গেছে। পরে বেশ কয়েকটি গোষ্ঠী উত্তর আমেরিকা মহাদেশ থেকে এখানে এসে বসবাস করতে শুরু করে।
জেন-জিদের জীবনের ৬ বৈশিষ্ট্য

জেন-জিদের জীবনের ৬ বৈশিষ্ট্য জেন-জি হলো প্রথম প্রজন্ম যারা জন্ম থেকেই ডিজিটাল প্রযুক্তি দেখে বড় হয়েছেন। তাদের কাছে ইন্টারনেট, স্মার্টফোন, এবং অনলাইন যোগাযোগ হল স্বাভাবিক জীবন যাত্রার অংশ। অন্যান্য প্রজন্মের মতো ডায়াল-আপ বা পুরনো মোবাইল ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা তাদের নেই; প্রযুক্তি সবসময়ই তাদের জীবনের স্বাভাবিক অংশ। জীবন সম্পর্কে তাদের রয়েছে দারুণ দারুণ ভাবনা। বিশ্বকে ‘নিরাপদ’ মনে করে না বেশিরভাগ জেন জি এমন একটি বিশ্বে বেড়ে উঠেছে যেটিতে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস, যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা দীর্ঘ সময় ধরে রয়েছে। তাই তারা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হলেও, এটাই তাদের জন্য স্বাভাবিক। ২০০৭ সালে তারা বৈশ্বিক আর্থিক মন্দা দেখেছে এবং অর্থনৈতিকভাবে সংযত হয়েছে। তারা সহানুভূতিশীল এই প্রজন্ম অনেক বেশি বহুমাত্রিক। এরা ও ভিন্নতাকে স্বীকৃতি দেয়। জেন জিদের কাছে সামাজিক ভিন্নতা, যেমন—লিঙ্গ পরিচয়, জাতিগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য) স্বাভাবিক জিনিস, আর তারা বহু ক্ষেত্রে সামাজিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকারকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। তারা স্বাস্থ্য-সচেতন জেন জিদের আগের প্রজন্মগুলোর মতো খারাপ খাদ্যাভ্যাস পছন্দ করে না। তারা সাধারণত স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নির্বাচন করে, ধূমপান ও অ্যালকোহল গ্রহণ কম করে এবং ফিটনেস ও সুস্থতা-সম্পর্কিত অভ্যাসের দিকে বেশি মনোযোগী। তারা জানে ডিজিটাল কমিউনিকেশন কীভাবে কাজ করে জেন জিরা জানে যে ডিজিটাল কমিউনিকেশন কীভাবে কাজ করে, ওয়েব-এ কিছু কখনোই সম্পূর্ণ মুছে যায় না। তাই তারা সাধারণত ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে প্রকাশ না করে সাবধানে রাখতে পছন্দ করেন, এবং জনপ্রিয়তা বা সামাজিক সিদ্ধান্তে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করতে চান। উদ্যোক্তা মনোভাবাপন্ন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত আর্থিক সংকট দেখার ফলে জেন জিরা ভবিষ্যতের জন্য বেশি বাস্তববাদী ও আত্মনির্ভরশীল। অনেকেই চাকরির বদলে নিজেদের উদ্যোগ শুরু করতে চান বা নিজেদের ব্যবসা বানাতে আগ্রহী। তারা আর্থিক স্থিতিশীলতা ও স্বাধীনতা চান। নিজের ব্র্যান্ড তৈরিতে উৎসাহী পরিবার গঠনের সময় পরিবর্তিত হয়েছে এবং অনলাইন পরিচিতি, নিজের ব্র্যান্ড তৈরির দিকে উৎসাহী। অর্থাৎ শৈশব ও প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের রেখা নতুন রূপ নিয়েছে।