প্রায়ই বাইকে তেল নেওয়ার পরই আগুন লাগছে, সতর্ক হবেন যেভাবে

প্রায়ই বাইকে তেল নেওয়ার পরই আগুন লাগছে, সতর্ক হবেন যেভাবে তেল নেওয়ার পরই অনেক ক্ষেত্রে বাইক স্টার্ট দিতে গিয়ে আগুন ধরে যাচ্ছে। জ্বালানি সংকট বা মূল্যবৃদ্ধির সময় পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নেওয়া এখন অনেকের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা। তবে উদ্বেগজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, তেল নেওয়ার পরই অনেক ক্ষেত্রে বাইক স্টার্ট দিতে গিয়ে আগুন ধরে যাচ্ছে। এই ধরনের দুর্ঘটনা শুধু বাইকের ক্ষতি নয়, চালকের জীবনও ঝুঁকিতে ফেলে। তাই এর কারণ ও প্রতিরোধের উপায় জানা জরুরি। কেন তেল নেওয়ার পর আগুন লাগে? জ্বালানি বাষ্পের ঝুঁকি : পেট্রোল অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ। তেল নেওয়ার সময় বা তার পরপরই বাইকের চারপাশে পেট্রোলের বাষ্প ছড়িয়ে থাকে। এই বাষ্প খুব সহজেই আগুন ধরে ফেলতে পারে। স্টার্ট দেওয়ার সময় স্পার্ক : বাইক স্টার্ট দেওয়ার সময় ইঞ্জিনে ইলেকট্রিক স্পার্ক তৈরি হয় এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু আশপাশে যদি পেট্রোলের বাষ্প থাকে, তাহলে এই ছোট স্পার্ক থেকেই আগুন লেগে যেতে পারে। তাই বিষয়টি একেবারেই অমূলক নয়, বাস্তব ঝুঁকি। তেল ছিটকে পড়া বা লিকেজ: অনেক সময় তেল নেওয়ার সময় ট্যাংক থেকে তেল ছিটকে পড়ে বা ঢাকনা ঠিকমতো লাগানো হয় না। এই তেল গরম ইঞ্জিন বা এক্সস্ট পাইপের সংস্পর্শে এলে আগুন ধরতে পারে। অতিরিক্ত তেল ভরা :ট্যাংক পুরোপুরি ভরে ফেললে তেল উপচে পড়ে বাইকের গায়ে বা মাটিতে পড়ে যেতে পারে, যা পরে আগুনের কারণ হয়। ইঞ্জিন গরম থাকা : দীর্ঘ সময় চালানোর পর কিংবা রোদে দীর্ঘসময় থাকার ফলে ইঞ্জিন গরম থাকে। সেই অবস্থায় তেল নিলে তেলের বাষ্প দ্রুত তৈরি হয় এবং আগুন লাগার ঝুঁকি বাড়ে।
হামে আক্রান্ত ৪ জনের মৃত্যু আক্রান্ত ১১৯৭

হামে আক্রান্ত ৪ জনের মৃত্যু আক্রান্ত ১১৯৭ বাংলাদেশে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মারা গেছেন একজন ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৩ জন। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১৯৭ শিশুর মধ্যে হামের সংক্রমণ সন্দেহ করা হচ্ছে। রবিবার (১৯ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৬০৬ জনে। এর মধ্যে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ১৬৫ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৪৪৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া শিশুদের দুজন ঢাকা বিভাগের, একজন বরিশাল বিভাগের ও একজন রাজশাহী বিভাগের। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে ২১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিভাগভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে ৫৬৩ জন। এর পর রাজশাহী বিভাগে ২১৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬০ জন, বরিশালে ৯৪ জন, খুলনায় ৭২ জন, সিলেটে ৪৬ জন, রংপুরে ১৯ জন এবং ময়মনসিংহে ২৭ জন।
৩০ দিন ধরে ডাবের পানি পান করলে শরীরে যা ঘটে

৩০ দিন ধরে ডাবের পানি পান করলে শরীরে যা ঘটে ডাবের পানি প্রাকৃতিকভাবে শরীর ঠান্ডা রাখে। প্রতিদিন ডাবের পানি পান করলে তা রাতারাতি নয়, বরং ধীরে ধীরে কাজ করে এবং শরীর সুস্থ রাখতে নানাভাবে সহায়তা করে। প্রতিদিন ডাবের পানি পান করলে এক মাসের মধ্যে শরীরে পানির পরিমাণ, হজম এবং শক্তির মাত্রা সম্পর্কিত ছোট ছোট অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করবে। এই প্রভাবগুলো তাৎক্ষণিক নয়, তবে এগুলো ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। ৩০ দিন ধরে প্রতিদিন ডাবের পানি পান করার পর আপনার শরীরে কী কী পরিবর্তন লক্ষ্য করা যেতে পারে, জেনে নিন- ১. শরীরে পানির পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে উন্নত হতে পারে ডাবের পানির সবচেয়ে তাৎক্ষণিক সুবিধার মধ্যে একটি হলো শরীরে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি। ডাবের পানি প্রাকৃতিকভাবেই পটাশিয়াম, সোডিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো ইলেক্ট্রোলাইটে সমৃদ্ধ, যা শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। হার্ভার্ড টি.এইচ. চ্যান স্কুল অফ হেলথ-এর মতে, চ্যান স্কুল অফ পাবলিক হেলথের মতে, যেসব পানীয়তে তরলের সঙ্গে ইলেক্ট্রোলাইট মেশানো থাকে, সেগুলো সাধারণ পানির চেয়ে ভালোভাবে শরীরকে আর্দ্র রাখতে পারে, বিশেষ করে উষ্ণ আবহাওয়ায়। ২. পটাশিয়াম গ্রহণের মাত্রা স্বাভাবিকভাবে বাড়ে ডাবের পানি পটাশিয়ামের একটি সুপরিচিত উৎস। পটাশিয়াম হলো একটি খনিজ যা পেশীর কার্যকারিতা, স্নায়ু সংকেত এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। জার্নাল অফ ফিজিওলজিক্যাল অ্যানথ্রোপলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, শারীরিক কার্যকলাপের পরে ইলেক্ট্রোলাইট পুনরায় পূরণ করার ক্ষেত্রে ডাবের পানি বাণিজ্যিক স্পোর্টস ড্রিংকের মতোই কার্যকর হতে পারে। এক মাস ধরে নিয়মিত এটি গ্রহণ করলে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করতে পারে, বিশেষ করে যাদের খাদ্যতালিকায় পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের পরিমাণ কম। ৩. হজম প্রক্রিয়া হালকা ও আরামদায়ক হতে পারে ডাবের পানি পেটের জন্য সহায়ক এবং এতে চর্বি কম থাকায় এটি সহজে হজম হয়। নিয়মিত ডাবের পানি পান করলে অনেকে খাবারের পর পেট ফাঁপা বা ভারী ভাব কমে যেতে দেখেন। পুষ্টিবিদদের মতে, ডাবের পানি অম্লতা ছাড়াই শরীরকে আর্দ্র রেখে হজমে সহায়তা করে, যা পরিপাকতন্ত্রকে মসৃণভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। ৪. শক্তির মাত্রা স্থিতিশীল হতে পারে চিনিযুক্ত প্যাকেটজাত পানীয়ের মতো নয়, ডাবের পানিতে অল্প পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি থাকে, যা হঠাৎ শক্তির আকস্মিক বৃদ্ধি ছাড়াই হালকা শক্তি যোগায়। জার্নাল অফ দ্য ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ স্পোর্টস নিউট্রিশন-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, কম থেকে মাঝারি তীব্রতার ব্যায়ামের সময় ডাবের পানি শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করে এবং সহনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। ধীরে ধীরে এটি দিনের মাঝামাঝি সময়ে শক্তির আকস্মিক হ্রাস কমাতে পারে এবং বিশেষ করে গরম আবহাওয়ায় আরও স্থির ও সজাগ অনুভূতি দিতে পারে। ৫. ত্বক আরও আর্দ্র দেখায় সঠিকভাবে শরীরে পানির উপস্থিতি ত্বকের ওপর প্রতিফলিত হয়, এবং ডাবের পানি দৈনিক তরল গ্রহণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় খনিজ সরবরাহ করে। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেন যে শরীরে পানির উপস্থিতি ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা এবং সামগ্রিক সৌন্দর্য বাড়াতে সাহায্য করে। যদিও ডাবের পানি নিজে থেকে ত্বকের যত্নের কোনো সমাধান নয়, তবে ৩০ দিন ধরে নিয়মিত এটি পান করলে ভেতর থেকে আর্দ্রতা বৃদ্ধির কারণে ত্বককে কম নিস্তেজ বা ক্লান্ত দেখাতে সাহায্য করে। ৬. বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে রক্তে শর্করার প্রতিক্রিয়া মৃদু থাকে ডাবের পানিতে ফলের রসের চেয়ে চিনির পরিমাণ কম থাকে, তবে এটি চিনিমুক্ত নয়। এশিয়া প্যাসিফিক জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন-এ প্রকাশিত গবেষণা থেকে জানা যায় যে, পরিমিত পান করলে ডাবের পানিতে মাঝারি মাত্রার গ্লাইসেমিক লোড থাকে। সুস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দিনে একটি ডাবের পানি পান করলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কম, তবে ডায়াবেটিস রোগীদের এর পরিমাণ সাবধানে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। ৭. ব্যক্তিগত সহনশীলতাও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদিন ডাবের পানি পান করে সবাই একই রকম ফল পান না। কারও কারও ক্ষেত্রে, এর পটাশিয়াম উপাদানের জন্য অতিরিক্ত পানে হালকা পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি হতে পারে। পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা সাধারণত পরিমিত পানের পরামর্শ দেন, কারণ যাদের আগে থেকেই কোনো শারীরিক সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পটাশিয়াম গ্রহণ কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। প্রাকৃতিক খাবারের ক্ষেত্রেও শরীরের কথা শোনা অপরিহার্য।
গরমে স্বস্তি দেবে কফি-দুধের মজাদার স্মুদি

গরমে স্বস্তি দেবে কফি-দুধের মজাদার স্মুদি গরমের দিনে একটু প্রশান্তির খোঁজে অনেকেই ঠান্ডা পানীয়ের দিকে ঝুঁকেন। ঘরেই সহজ উপকরণে তৈরি করা যায় এমন এক ভিন্ন স্বাদের পানীয় হলো কফি-দুধের স্মুদি। কফির হালকা তেতো স্বাদের সঙ্গে দুধের মোলায়েম মিষ্টতা মিলে এটি হয়ে ওঠে সতেজ ও সুস্বাদু এক পানীয়। যেভাবে তৈরি করবেন এই স্মুদি তৈরির জন্য এক লিটার দুধের সঙ্গে এক চামচ কফি পাউডার, এক কাপ আইসক্রিম, পরিমাণমতো গুঁড়ো দুধ, কয়েকটি বাদাম ও স্বাদমতো চিনি নিতে হবে। এরপর সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে মসৃণ মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। পরিবেশন পরিবেশনের সময় গ্লাসে কয়েকটি বরফের টুকরো দিয়ে তাতে স্মুদি ঢেলে নিন। ওপরে আইসক্রিম, বাদাম কুচি, সামান্য গুঁড়ো দুধ ও কফি পাউডার ছিটিয়ে দিলে স্বাদ ও সৌন্দর্য—দুটিই বাড়বে। সহজ প্রস্তুত প্রণালী আর ভিন্ন স্বাদের কারণে গরমে এই কফি-দুধের স্মুদি হতে পারে স্বস্তির একটি দারুণ পছন্দ।
গরমে স্বস্তি দেবে হালকা সাজ

গরমে স্বস্তি দেবে হালকা সাজ প্রচণ্ড গরমে ভারী মেকআপ ত্বকের জন্য যেমন অস্বস্তিকর, তেমনি ক্ষতিকরও হতে পারে। ঘাম, ধুলো আর তাপমাত্রার কারণে ত্বক দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই এই সময়ে প্রয়োজন হালকা সাজ, যা ত্বককে স্বস্তি দেওয়ার পাশাপাশি রাখবে সতেজ ও উজ্জ্বল। ত্বকের যত্নে হালকা সাজ গরমে ত্বক পরিষ্কার রাখা সবচেয়ে জরুরি। দিনে অন্তত দুইবার মৃদু ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। এর পর ব্যবহার করুন হালকা ময়েশ্চারাইজার ও সানস্ক্রিন। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে বাঁচতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি। হালকা মেকআপই ভরসা ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে ব্যবহার করুন বিবি বা সিসি ক্রিম। এগুলো ত্বককে হালকা কভারেজ দেয় এবং ত্বককে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে সাহায্য করে। প্রয়োজনে কনসিলার দিয়ে ছোটখাটো দাগ ঢেকে নিতে পারেন। কমপ্যাক্ট ও ব্লটিং পেপার ঘামের কারণে ত্বক তেলতেলে হয়ে গেলে কমপ্যাক্ট পাউডার বা ব্লটিং পেপার ব্যবহার করতে পারেন। এতে মেকআপ নষ্ট না করেই ত্বক ম্যাট রাখা যায়। চোখে থাকুক ন্যাচারাল লুক গরমে ভারী আই মেকআপ এড়িয়ে চলাই ভালো। হালকা কাজল, মাসকারা এবং ন্যুড বা হালকা শেডের আইশ্যাডো ব্যবহার করলে চোখে সতেজ ভাব আসে। লিপস্টিকে হালকা রং গাঢ় রঙের বদলে হালকা বা ন্যুড শেডের লিপস্টিক ব্যবহার করুন। এছাড়াও লিপবাম ব্যবহার করলে ঠোঁটও থাকবে নরম ও হাইড্রেটেড। শুধু বাইরের যত্ন নয়, ভেতর থেকেও ত্বক ভালো রাখতে প্রচুর পানি পান করতে হবে। তাজা ফল, বিশেষ করে তরমুজ, শসা ইত্যাদি খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে এবং ত্বকও থাকে সতেজ।
কাঁচা আমের জেলি তৈরির রেসিপি

কাঁচা আমের জেলি তৈরির রেসিপি কাঁচা আম দিয়ে বিভিন্ন স্বাদের আচার তৈরি করে রাখছেন নিশ্চয়ই? আপনি চাইলে কাঁচা আমের জেলিও তৈরি করতে পারেন। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। কাঁচা আমের জেলি খেতে বেশ সুস্বাদু হয়। এটি পাউরুটি কিংবা টোস্টের সঙ্গে খেতেও ভালোলাগে। বাজার থেকে কাঁচা আম কিনে এনে বাড়িতেই তৈরি করতে পারেন এই সুস্বাদু জেলি। চলুন জেনে নেওয়া যাক কাঁচা আমের জেলি তৈরির রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে কাঁচা আম- ৪-৫টি চিনি- স্বাদমতো লবণ- পরিমাণমতো লেবুর রস- ২ চা চামচ ফুড কালার- (ঐচ্ছিক)। যেভাবে তৈরি করবেন প্রথমে কাঁচা আম খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার বীজ ফেলে ছোট টুকরা করে নিন। আমের টুকরাগুলো ভাপিয়ে নিয়ে ব্লেন্ডারে মিহি পেস্ট বা পিউরি তৈরি করুন। রান্নার পাত্রে এবার আমের পেস্ট, স্বাদমতো চিনি, সামান্য নুন এবং ২ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। অনবরত নাড়তে থাকুন, নয়তো পুড়ে যেতে পারে। চাইলে এই পর্যায়ে গ্রিন ফুড কালার ব্যবহার করতে পারবেন। আমের মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন। তারপর এয়ার টাইট বয়ামে সংরক্ষণ করুন।
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখবে পেস্তা বাদাম

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখবে পেস্তা বাদাম যেকোনো ধরনের মিষ্টান্ন যেমন পায়েস-ফিরনিতে খোসা ছাড়ানো কয়েক টুকরো পেস্তা দিলেই খাবারের কদর বেড়ে যায়। তবে শুধু তো খাবারের স্বাদ নয়, পেস্তা খাওয়া শরীরের জন্যও ভালো। অন্যান্য বাদামের চেয়ে দাম একটু বেশি বলে অনেকে তা খেতে চান না। কিন্তু প্রতিদিন মাত্র দুইটি পেস্তা খেলে যদি ওষুধ খরচ বেঁচে যায়, তবে একটু দামি হলেও খাওয়া যেতেই পারে। – পেস্তায় রয়েছে সহজপাচ্য ফাইবার, প্রোটিন, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬ এবং ওমেগা-৩। চোখ, চুল, ত্বক, হার্ট- সবই ভালো রাখে এই ড্রাই ফ্রুট। – ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রোটিনের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। এই বাদামে প্রোটিনের পরিমাণ অন্যান্য বাদামের চেয়ে বেশি। পেস্তায় ‘গ্লাইসেমিক ইনডেক্স’ অনেক কম। তাই রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়ার ভয় নেই। – অন্ত্রে উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে পেস্তা। যা বিপাকক্রিয়া ও হজম সংক্রান্ত সমস্যা নিরাময়ে করে এবং পরিপাকতন্ত্রের খেয়াল রাখে। – পেস্তাবাদামে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের পরিমাণ বেশি। শরীরে ইনফ্ল্যামেশন প্রদাহজনিত সমস্যাগুলি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এই বাদাম। পেস্তায় রয়েছে লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স, যা শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে সুগারকে নিয়ন্ত্রণ করে। পেস্তা হাই ফাইবার ও হাই কোয়ালিটি প্রোটিনে সমৃদ্ধ। যা ফেরায় স্বাস্থ্যের হালো। ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। এতে আছে টোকেফেরল, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।পেস্তায় আছে ভরপুর ভিটামিন ই। যা ত্বক ও চুলের শুষ্কতা কমায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণে খেলেই এর পুষ্টিগুণে ঝলমল করবে ত্বক ও চুল।
গরমে পান্তা ভাত কেন খাবেন?

গরমে পান্তা ভাত কেন খাবেন? পান্তা ভাত শুধু পহেলা বৈশাখের খাবার নয় বরং সারা বছর এটি খাওয়া যায়। গবেষণায় প্রমাণিত, গরম ভাতের চেয়ে পান্তা অনেক বেশি পুষ্টিকর। বিশেষ করে গরমকালে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এর জুড়ি নেই। দশ-বারো ঘণ্টা ধরে সারা রাত রেখে দেওয়ার ফলে পানি ও ভাতের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়। এসময় পানির নিচে থাকা ভাত বাতাসের অর্থাৎ অক্সিজেনের সংস্পর্শে আসতে পারে না। পুষ্টিবিদরা বলছেন, পানির কারণে ভাতের এই ফারমেন্টেশন বা গাজন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। এর ফলে পান্তা ভাতের পুষ্টিগুণ বেড়ে যায়। এই গরমে পান্তা ভাত খেলে যেসব উপকারিকতা মেলে- ১. ফার্মেন্টেশনের ফলে পান্তা ভাতে ভিটামিন বি১২-এর মাত্রা বেড়ে যায়। এই পুষ্টি শরীরের ক্লান্তি ভাব কমাতে এবং দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে অনিদ্রার সমস্যা দূর করে। ২. পান্তা ভাতে ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়াম, আয়রনের মতো পুষ্টি রয়েছে। এ কারণে দিনে অন্তত একবেলা পান্তা ভাত খেলেও দেহে পুষ্টির ঘাটতি দূর হবে। এছাড়া এই খাবারে থাকা প্রোবায়োটিক অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ৩. দেহের পিএইচ স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে পান্তা ভাত। গরমে গ্যাস, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা দূরে থাকবে এই খাবার খেলে। নিয়মিত পান্তা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও কমে যাবে। ৪. যারা উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, টাইপ- টু ডায়াবেটিসের মতো রোগে ভুগছেন তারাও পান্তা ভাত খেতে পারেন। পান্তা খেলে রোগে আক্রান্ত হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। পাতা ভাতে থাকা প্রবায়োটিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ৫. পান্তা ভাত শরীরকে ঠান্ডা করে। এই খাবারে যেহেতু তরলের পরিমাণ বেশি থাকে, তাই শরীরকে হাইড্রেটেডও রাখে পান্তা ভাত।
তরমুজের আইসক্রিম তৈরির রেসিপি

তরমুজের আইসক্রিম তৈরির রেসিপি গরমে প্রাণ জুড়াতে মিষ্টি ও রসালো স্বাদের তরমুজ খেতে কে না চায়। এই তরমুজ দিয়ে কিন্তু সুস্বাদু অনেক খাবারও তৈরি করা যায়। আপনি নিশ্চয়ই তরমুজের পুডিং কিংবা জ্যাম খেয়েছেন? আচ্ছা, কখনো কি তরমুজের আইসক্রিম খেয়েছেন? বাড়িতে এটি আপনি কিন্তু খুব সহজেই তৈরি করে নিতে পারবেন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক, তরমুজের আইসক্রিম তৈরির রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে : তরমুজ- ২ কাপ কনডেন্সড মিল্ক- ১/২ কাপ হুইপিং ক্রিম- ১ কাপ। যেভাবে তৈরি করবেন : তরমুজ ব্লেন্ড করে ছাঁকনি দিয়ে রসটুকু ছেঁকে নিন। এবার হুইপিং ক্রিম ইলেকট্রিক বিটার বা হ্যান্ড হুইস্ক দিয়ে হুইপ করে নিন। এরপর তার সঙ্গে তরমুজের রস ও কনডেন্সড মিল্ক আলতো ভাবে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি আইসক্রিম কন্টেইনারে ঢেলে বন্ধ করে ডিপ ফ্রিজে অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা রেখে জমিয়ে নিন। হয়ে গেলে বের করে পরিবেশন করুন ঠান্ডা ঠান্ডা তরমুজের আইসক্রিম।
আমার কম কাজ করলেও চলে : স্পর্শিয়া

আমার কম কাজ করলেও চলে : স্পর্শিয়া ঢাকাই চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ অর্চিতা স্পর্শিয়া। পর্দায় তাকে নিয়মিত দেখা গেলেও ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই কাজের সংখ্যা নিয়ে খুব একটা তাড়াহুড়ো নেই তার। সমসাময়িক অনেকের তুলনায় কেন তাকে পর্দায় কম দেখা যায়, সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন তিনি নিজেই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনযাপন ও কাজের ধরণ নিয়ে কথা বলেন এই অভিনেত্রী। পর্দার স্পর্শিয়াকে দেখে অনেকে অনেক কিছু ভাবলেও বাস্তবে তিনি নিজেকে অত্যন্ত অলস বলে দাবি করেন। নিজের কাজ এবং ব্যক্তিত্ব নিয়ে অর্চিতা স্পর্শিয়া বলেন, ‘আমি কম কাজ করি কারণ আমি খুব আইলসা। আমি খুবই অলস। এবং আমার জীবনে যেহেতু খুব একটা ডিমান্ড নেই আমি খুবই সাধারণ মানুষ।’ জনসাধারণের মনে তারকাদের জীবন নিয়ে অনেক সময় ভুল ধারণা থাকে। সেই বিষয়টি নিয়ে অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘আমাকে বাইরে থেকে দেখলে অনেকে মনে করে যে আমি খুব মুডি বা খুব হাই-ফাই লাইফস্টাইল আমার, ওরকম কিছু না।’ শেষে বলেন, ‘আমি খুবই সাধারণ মানুষ, আমার জীবনযাপন খুবই সাধারণ। আমার খুব চাওয়া-পাওয়া নাই জীবনে, তো যে কারণে আমার কম কাজ করলেও চলে।’