ডিম দিয়ে সুস্বাদু পিঠা তৈরির রেসিপি জেনে নিন

ডিম দিয়ে সুস্বাদু পিঠা তৈরির রেসিপি জেনে নিন শীত মানেই নানা স্বাদের পিঠা। সেসব পিঠার বেশিরভাগেরই মূল উপকরণ থাকে খেজুর গুড়। তবে আরও অনেক ধরনের পিঠা এসময় তৈরি করে খাওয়া হয়। তার মধ্যে একটি হলো ডিম দিয়ে সহজে তৈরি করা বিস্কুট পিঠা। এছাড়াও অনেকে অনেক নামে ডেকে থাকেন এই পিঠাকে। এটি খেতে বেশ সুস্বাদু। শুকনো পিঠা বলে কয়েকদিন সংরক্ষণ করেও খাওয়া যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক- তৈরি করতে যা লাগবে চালের গুঁড়া- দেড় কাপ ময়দা- আধা কাপ ডিম- ২টি চিনি- ১ কাপ এলাচ ও দারুচিনি- ২টি তেল- পরিমাণমতো লবণ- অল্প। যেভাবে তৈরি করবেন চিনি, এলাচ, দারুচিনি, লবণ ও পরিমানমতো পানি কিছুক্ষণ ফুটিয়ে ঘন করে নিন। এরপর এলাচ দারুচিনি ফেলে চালের গুঁড়া ও ময়দা দিয়ে শক্ত খামির করে নিন। নামিয়ে ডিম ও তেল দিয়ে ভালো মতো ময়ান করে নিন। মোটা রুটির মতো বেলে নিয়ে পছন্দমতো শেইপে কেটে নিন। এবার কড়াইতে তেল গরম করে ডুবো তেলে ভেজে তুলুন। এই পিঠা কয়েকদিন সংরক্ষণ করেও খেতে পারবেন।
অ্যান্টার্কটিকায় শত শত অস্বাভাবিক ভূমিকম্পের সন্ধান

অ্যান্টার্কটিকায় শত শত অস্বাভাবিক ভূমিকম্পের সন্ধান অ্যান্টার্কটিকার থুইটস গ্লেসিয়ারে, (ডুমসডে গ্লেসিয়ার’ নামে পরিচিত) গত এক দশকের বেশি সময় ধরে শত শত অস্বাভাবিক ভূমিকম্প শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০১০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই গ্লেসিয়ারে ঘটে যাওয়া এসব ভূমিকম্প ভবিষ্যতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার ঝুঁকির ইঙ্গিত দিচ্ছে। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্স-এ। এতে বলা হয়, এই ভূমিকম্পগুলো সাধারণ ভূমিকম্পের মতো নয়। এগুলো সৃষ্টি হয় যখন লম্বা ও সরু বিশাল বরফখণ্ড গ্লেসিয়ার থেকে ভেঙে সাগরে পড়ে উল্টে যায়। এতে কম-ফ্রিকোয়েন্সির (নিম্ন কম্পাঙ্কের) কম্পন তৈরি হয়, যাকে বলা হয় গ্লেশিয়াল ভূমিকম্প। গবেষণার প্রধান লেখক, অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভূ-পদার্থবিদ্যা বিভাগের গবেষক থ্যান-সন ফাম জানান, অ্যান্টার্কটিকায় স্থাপিত ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র ব্যবহার করে তিনি থুইটস ও পাইন আইল্যান্ড গ্লেসিয়ারের কাছে মোট ৩৬০টির বেশি গ্লেশিয়াল ভূমিকম্প শনাক্ত করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ২৪৫টি ঘটনা ঘটেছে থুইটস গ্লেসিয়ারের সাগরমুখী প্রান্তে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এসব ভূমিকম্প মূলত বরফখণ্ড উল্টে যাওয়ার ফল। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, এসব ভূমিকম্পের সঙ্গে গ্লেসিয়ারের দ্রুতগতির প্রবাহের মিল পাওয়া গেছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, সাগরের পরিস্থিতি (যেমন উষ্ণ পানি) গ্লেসিয়ারের আচরণে প্রভাব ফেলছে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, যদি থুইটস গ্লেসিয়ার পুরোপুরি ধসে পড়ে, তাহলে বৈশ্বিক সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় তিন মিটার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। তাই এই গ্লেশিয়াল ভূমিকম্পগুলো বোঝা গেলে ভবিষ্যতে সমুদ্রপৃষ্ঠ বৃদ্ধির ঝুঁকি ও গ্লেসিয়ারের অস্থিতিশীলতা আরও ভালোভাবে পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হবে।
নিউজিল্যান্ডে তিমি ট্র্যাজেডি, সমুদ্র সৈকতে মারা গেল ৬টি

নিউজিল্যান্ডে তিমি ট্র্যাজেডি, সমুদ্র সৈকতে মারা গেল ৬টি নিউজিল্যান্ডের সাউথ আইল্যান্ডের এক প্রত্যন্ত উপকূলে হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। বঙ্গোপসাগর পেরিয়ে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে ফেয়ারওয়েল স্পিট এলাকায় আটকা পড়ে ছয়টি পাইলট তিমির মৃত্যু হয়েছে। গতকাল ওই এলাকায় প্রায় ৫৫টি পাইলট তিমি ভেসে আসে। এর মধ্যে বেশিরভাগ তিমি সমুদ্রে ফিরে যেতে সক্ষম হলেও ১৫টি তিমি সৈকতে আটকে পড়ে। আটকে থাকা তিমিগুলো বর্তমানে সৈকতের প্রায় এক কিলোমিটার (০.৬ মাইল) এলাকায় ছড়িয়ে রয়েছে। আটকে পড়া ওই ১৫টি তিমি জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। স্বেচ্ছাসেবক ও উদ্ধারকর্মীরা নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিমিগুলোকে আবার সমুদ্রে ফিরিয়ে নিতে। সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণীদের নিয়ে কাজ করা একটি অলাভজনক সংস্থা প্রজেক্ট জোনার একটি ভিডিওতে স্বেচ্ছাসেবকরা তিমিগুলোকে ঠান্ডা রাখার জন্য তাদের ওপর পানি ঢালতে দেখা যায়। প্রজেক্ট জোনার লুইসা হকস বলেন, যখন জোয়ার আসবে, তখন আমাদের এই তিমিগুলোকে একত্রিত করার জন্য খুব দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। তারপর তাদের আরো গভীর জলে সরিয়ে নিতে হবে। পাইলট তিমি অত্যন্ত সামাজিক প্রাণী এবং একে অপরের খোঁজখবর নেওয়ার স্বাভাবিক প্রবৃত্তি তাদের রয়েছে। হকস বলেন, স্বেচ্ছাসেবকরা ১৫টি আটকে পড়া তিমিকে আবার একত্রিত করার আশা করছেন, যাতে তারা একে অপরের সঙ্গে পুনরায় মিলিত হতে এবং একসঙ্গে সাঁতার কাটতে পারে। দক্ষিণ দ্বীপের উত্তর-পশ্চিম অংশে ফেয়ারওয়েল স্পিট নামে একটি জায়গায় প্রায়ই অনেক তিমি আটকে পড়ে। সংরক্ষণ বিভাগ বলছে, এটি লম্বা পাখনাযুক্ত তিমিদের চলাচলের পথের মধ্যে পড়ায় জায়গাটি এক ধরনের প্রাকৃতিক ‘তিমি ফাঁদ’। এখানে পানির গভীরতা ধীরে ধীরে কমে যায় এবং হঠাৎ জোয়ার নেমে যায়। তাই তিমিরা সহজেই বিভ্রান্ত হয়ে আটকে পড়ে। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে, এই জায়গায় ৪০০টির বেশি লম্বা পাখনাযুক্ত পাইলট তিমি আটকে পড়েছিল। এটি ছিল গত ১০০ বছরের মধ্যে নিউজিল্যান্ডে সবচেয়ে বড় তিমি আটকে পড়ার ঘটনা। সূত্র : বিবিসি।
খোসাসহ পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা
খোসাসহ পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা পেয়ারা হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় ফলের মধ্যে একটি। টক-মিষ্টি স্বাদের জন্য এটি দিয়ে জুস, জ্যাম, স্মুদি ইত্যাদি তৈরি করা যেতে পারে। সেইসঙ্গে এটি কাঁচাও খাওয়া যায়। পুষ্টিগুণে ভরপুর পেয়ারা একটি সুপারফ্রুট হিসেবে সমাদৃত যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং হজমে সহায়তা করে। কিন্তু পেয়ারা খাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময় একটি প্রশ্ন জাগে, খোসা সহ খাওয়া উচিত নাকি ছাড়া? পেয়ারার খোসা অতিরিক্ত উপকারিতা যোগ করে নাকি স্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি করে? বিশেষজ্ঞদের মতে, খোসাসহ পেয়ারা খেলে পটাসিয়াম, জিঙ্ক এবং ভিটামিন সি এর মতো অতিরিক্ত মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট পাওয়া যায়, যা ত্বকের গঠন এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। তবে যদি আপনার উচ্চ কোলেস্টেরল বা ডায়াবেটিস থাকে, তাহলে খোসা এড়িয়ে চলাই ভালো। গবেষণায় দেখা গেছে যে, পেয়ারা খোসাসহ খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা এবং লিপিড প্রোফাইল খারাপ হতে পারে। তাই যাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি বা কোলেস্টেরল বেশি, তাদের জন্য খোসা ছাড়া পেয়ারা নিরাপদ। জেনে নিন পেয়ারার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে- ১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন সি সমৃদ্ধ পেয়ারা ভিটামিন সি এর অন্যতম সমৃদ্ধ উৎস, এমনকী কমলাকেও ছাড়িয়ে যায়। এই শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে, সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং সাধারণ সর্দি-কাশি প্রতিরোধে সাহায্য করে। একটি মাত্র পেয়ারা আপনার প্রতিদিনের ভিটামিন সি এর চাহিদার চেয়েও বেশি সরবরাহ করতে পারে। ২. উন্নত হজমের জন্য উচ্চ ফাইবার ডায়েটারি ফাইবার সমৃদ্ধ পেয়ারা স্বাস্থ্যকর হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণকারীদের জন্য পেয়ারাকে একটি চমৎকার পছন্দ, বিশেষ করে যখন খোসা ছাড়া খাওয়া হয়। ৩. ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ পেয়ারায় লাইকোপিন এবং ভিটামিন এ এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ফ্রি র্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং বার্ধক্য কমিয়ে দেয়। নিয়মিত পেয়ারা খেলে তা ত্বকের গঠন উন্নত করে এবং প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা দেয়, যা এটিকে একটি সৌন্দর্য-বান্ধব ফল করে তোলে। ৪. হৃদযন্ত্রের জন্য সহায়ক পেয়ারায় থাকা পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ সুস্থ রাখতে এবং হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, নিয়মিত পেয়ারা খেলে তা রক্তচাপ হ্রাস করে এবং লিপিড প্রোফাইল উন্নত করে।
জেনে নিন ফিশ স্ট্রিপস তৈরির রেসিপি

জেনে নিন ফিশ স্ট্রিপস তৈরির রেসিপি বাড়িতে থাকা যেকোনো বড় মাছ দিয়ে খুব সহজেই তৈরি করা যায় সুস্বাদু ফিশ স্ট্রিপস। আপনি নিশ্চয়ই এর আগে রেস্টেুরেন্টে গিয়ে এ ধরনের খাবার কিনে খেয়েছেন। তাতে একগাদা পয়সা তো খরচ হয়ই, সেইসঙ্গে অস্বাস্থ্যকর হওয়ারও ভয় থাকে। তাই রেসিপি জেনে নিয়ে বাড়িতে তৈরি করে খাওয়াই উত্তম। চলুন জেনে নেওয়া যাক ফিশ স্ট্রিপস তৈরির সহজ রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে কাঁটা ছাড়া যেকোনো বড় মাছের টুকরা- আধা কেজি ডিম- ১টি কাঁচা মরিচ কুচি- ১ চা চামচ গোল মরিচের গুঁড়া- ১/২ চা চামচ লেবুর রস- ১ চা চামচ রসুন বাটা- ২ চা চামচ টমেটো কেচাপ- ১ চা চামচ লবণ- স্বাদমতো চিলি সস- ১ চা চামচ কর্নফ্লাওয়ার- ২ টেবিল চামচ ব্রেডক্রাম্ব বা টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়ো- ১ কাপ তেল- ভাজার জন্য। যেভাবে তৈরি করবেন মাছের ফিলে ভালোভাবে ধুয়ে নিয়ে পছন্দমতো মাপে টুকরা করে নিন। এবার এক এক করে লেবুর রস, চিলি সস, টমেটো কেচাপ, রসুন বাটা, গোল মরিচের গুঁড়া, কাঁচা মরিচ কুচি, সামান্য লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে মাছের টুকরাগুলো মেরিনেট করে নিন। ডিম ফেটিয়ে নিয়ে তাতে কর্নফ্লাওয়ার মেশান। এই মিশ্রণে সামান্য লবণও যোগ করুন। কর্নফ্লাওয়ার না থাকলে বেসন ব্যবহার করতে পারেন। একটি প্যানে তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হতে হতে মেরিনেটেড ফিশ স্ট্রিপস প্রথমে এগ ওয়াশ করে এরপর ব্রেডক্রাম্ব দিয়ে কোট করুন। ব্রেডক্রাম্ব না থাকলে টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া ব্যবহার করতে পারেন। ডুবো তেলে স্ট্রিপস ভেজে নিন। সোনালি হয়ে এলে নামিয়ে পছন্দসই সসের সঙ্গে দিয়ে পরিবেশন করুন।
কোন তেল কতটা কীভাবে এবং কার জন্য বিশেষভাবে উপকারী

কোন তেল কতটা কীভাবে এবং কার জন্য বিশেষভাবে উপকারী আমাদের রান্নাঘরের দৈনন্দিন জীবনে তেল অপরিহার্য উপাদান। কিন্তু কোন তেল কতটা, কীভাবে এবং কার জন্য উপকারী, এ বিষয়গুলো সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো যায়। আধুনিক জীবনে হৃদরোগ, আর্থ্রাইটিস, স্থূলতা ও হরমোনজনিত নানা সমস্যার সঙ্গে খাদ্যতেলের ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তাই সুস্থ থাকতে রান্নার তেল ও ঘি সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ও বাস্তবসম্মত ধারণা থাকা জরুরি। তেল খাবারের স্বাদ বাড়ায়, শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তির প্রধান উৎসও। কোষের গঠন ও স্থায়িত্ব বজায় রাখে। হরমোন তৈরিতে ভূমিকাও রাখে। ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলোর শোষণেও তেল অপরিহার্য। তাই আমাদের এমন তেল নির্বাচন করতে হবে, যেখানে মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটের ভারসাম্য বজায় থাকে। রাইস ব্রান, সরিষা ও অলিভ অয়েল এ ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে ভালো বিকল্প। এগুলো হৃদযন্ত্রের জন্য নিরাপদ এবং শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। রান্নার সময় তেলের স্মোক পয়েন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তেল অতিরিক্ত গরম হলে এর ফ্যাটি অ্যাসিড ভেঙে গিয়ে ট্রান্স ফ্যাট ও ফ্রি র্যাডিক্যাল তৈরি হয়, যা কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং কোষের ক্ষতি করে। তাই বেশি তাপে রান্নার ক্ষেত্রে অবশ্যই উচ্চ স্মোক পয়েন্টের তেল ব্যবহার করা উচিত। বিভিন্ন তেলের পুষ্টিগুণ বিবেচনা করলে দেখা যায়, অলিভ অয়েল হালকা ভাজা, গ্রিল বা সালাদের জন্য উপযোগী এবং হৃদ?স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল বেশি তাপে ব্যবহার করা ঠিক নয়। সে ক্ষেত্রে লাইট অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যায়। সরিষার তেল বাঙালি রান্নার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটে সমৃদ্ধ এবং ভাজা, ঝাল বা ভর্তা- সব ধরনের রান্নাতেই মানানসই। সানফ্লাওয়ার অয়েল তুলনামূলক হালকা এবং এর স্মোক পয়েন্ট বেশি হওয়ায় ডিপ ফ্রাই, ফাস্ট ফুড কিংবা দৈনন্দিন রান্নার জন্য বেশ উপযোগী। রাইস ব্রান অয়েলের স্মোক পয়েন্ট খুব বেশি। ফলে ভাজাভাজির জন্য এটি আদর্শ এবং কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক। নারকেল তেল মাঝারি তাপে রান্না ও কারি জাতীয় খাবারের জন্য ভালো এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। সয়াবিন তেল পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটে সমৃদ্ধ এবং মাঝারি থেকে উচ্চ স্মোক পয়েন্ট থাকায় সাধারণ ভাজা রান্নায় ব্যবহার করা যায়। তবে এতে অতিরিক্ত ওমেগা-৬ থাকায় বেশি পরিমাণে গ্রহণ করলে শরীরে ইনফ্লেমেশন বাড়তে পারে। ঘি আলাদা গুরুত্বের দাবিদার। এতে থাকা বিউটারিক অ্যাসিড অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে, হজমশক্তি বাড়ায় এবং ইমিউন সিস্টেমকে সহায়তা করে। পাশাপাশি এর স্মোক পয়েন্টও তুলনামূলকভাবে বেশি। তেল বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দৈনন্দিন রান্নার জন্য সানফ্লাওয়ার বা রাইস ব্রান তেল ভালো, স্বাদের জন্য সরিষার তেল উপযুক্ত আর হালকা রান্না বা স্বাস্থ্যসচেতনদের জন্য অলিভ অয়েল কার্যকর। কিছু সতর্কতা মনে রাখা জরুরি। একই তেল বারবার গরম করা উচিত নয়, ডিপ ফ্রাইয়ের পরিমাণ কমাতে হবে এবং এক ধরনের তেলের ওপর নির্ভর না করে বিভিন্ন তেল পালাক্রমে ব্যবহার করা ভালো। ‘লো ফ্যাট’ খাবারের ধারণার চেয়ে ‘রাইট ফ্যাট’ বা সঠিক চর্বি বেছে নেওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সবশেষে বলা যায়, তেল কম খাওয়ার চেয়ে বেশি জরুরি হলো, সঠিক তেল সঠিক পরিমাণে গ্রহণ করা। লেখক : পুষ্টিবিদ, ফারজানা ওয়াহাব আমাদের রান্নাঘরের দৈনন্দিন জীবনে তেল অপরিহার্য উপাদান। কিন্তু কোন তেল কতটা, কীভাবে এবং কার জন্য উপকারী, এ বিষয়গুলো সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো যায়। আধুনিক জীবনে হৃদরোগ, আর্থ্রাইটিস, স্থূলতা ও হরমোনজনিত নানা সমস্যার সঙ্গে খাদ্যতেলের ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তাই সুস্থ থাকতে রান্নার তেল ও ঘি সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ও বাস্তবসম্মত ধারণা থাকা জরুরি। তেল খাবারের স্বাদ বাড়ায়, শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তির প্রধান উৎসও। কোষের গঠন ও স্থায়িত্ব বজায় রাখে। হরমোন তৈরিতে ভূমিকাও রাখে। ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলোর শোষণেও তেল অপরিহার্য। তাই আমাদের এমন তেল নির্বাচন করতে হবে, যেখানে মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটের ভারসাম্য বজায় থাকে। রাইস ব্রান, সরিষা ও অলিভ অয়েল এ ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে ভালো বিকল্প। এগুলো হৃদযন্ত্রের জন্য নিরাপদ এবং শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। রান্নার সময় তেলের স্মোক পয়েন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তেল অতিরিক্ত গরম হলে এর ফ্যাটি অ্যাসিড ভেঙে গিয়ে ট্রান্স ফ্যাট ও ফ্রি র্যাডিক্যাল তৈরি হয়, যা কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং কোষের ক্ষতি করে। তাই বেশি তাপে রান্নার ক্ষেত্রে অবশ্যই উচ্চ স্মোক পয়েন্টের তেল ব্যবহার করা উচিত। বিভিন্ন তেলের পুষ্টিগুণ বিবেচনা করলে দেখা যায়, অলিভ অয়েল হালকা ভাজা, গ্রিল বা সালাদের জন্য উপযোগী এবং হৃদ?স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল বেশি তাপে ব্যবহার করা ঠিক নয়। সে ক্ষেত্রে লাইট অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যায়। সরিষার তেল বাঙালি রান্নার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটে সমৃদ্ধ এবং ভাজা, ঝাল বা ভর্তা- সব ধরনের রান্নাতেই মানানসই। সানফ্লাওয়ার অয়েল তুলনামূলক হালকা এবং এর স্মোক পয়েন্ট বেশি হওয়ায় ডিপ ফ্রাই, ফাস্ট ফুড কিংবা দৈনন্দিন রান্নার জন্য বেশ উপযোগী। রাইস ব্রান অয়েলের স্মোক পয়েন্ট খুব বেশি। ফলে ভাজাভাজির জন্য এটি আদর্শ এবং কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক। নারকেল তেল মাঝারি তাপে রান্না ও কারি জাতীয় খাবারের জন্য ভালো এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। সয়াবিন তেল পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটে সমৃদ্ধ এবং মাঝারি থেকে উচ্চ স্মোক পয়েন্ট থাকায় সাধারণ ভাজা রান্নায় ব্যবহার করা যায়। তবে এতে অতিরিক্ত ওমেগা-৬ থাকায় বেশি পরিমাণে গ্রহণ করলে শরীরে ইনফ্লেমেশন বাড়তে পারে। ঘি আলাদা গুরুত্বের দাবিদার। এতে থাকা বিউটারিক অ্যাসিড অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে, হজমশক্তি বাড়ায় এবং ইমিউন সিস্টেমকে সহায়তা করে। পাশাপাশি এর স্মোক পয়েন্টও তুলনামূলকভাবে বেশি। তেল বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দৈনন্দিন রান্নার জন্য সানফ্লাওয়ার বা রাইস ব্রান তেল ভালো, স্বাদের জন্য সরিষার তেল উপযুক্ত আর হালকা রান্না বা স্বাস্থ্যসচেতনদের জন্য অলিভ অয়েল কার্যকর। কিছু সতর্কতা মনে রাখা জরুরি। একই তেল বারবার গরম করা উচিত নয়, ডিপ ফ্রাইয়ের পরিমাণ কমাতে হবে এবং এক ধরনের তেলের ওপর নির্ভর না করে বিভিন্ন তেল পালাক্রমে ব্যবহার করা ভালো। ‘লো ফ্যাট’ খাবারের ধারণার চেয়ে ‘রাইট ফ্যাট’ বা সঠিক চর্বি বেছে নেওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সবশেষে বলা যায়, তেল কম খাওয়ার চেয়ে বেশি জরুরি হলো, সঠিক তেল সঠিক পরিমাণে গ্রহণ করা। লেখক : পুষ্টিবিদ, ফারজানা ওয়াহাব
রাতে মোজা পরে ঘুমানো উপকারী না ক্ষতিকর

রাতে মোজা পরে ঘুমানো উপকারী না ক্ষতিকর হাড়কাঁপানো এই শীতে রাতের বেলা হাত-পা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে থাকে। অনেক সময় লেপ-কম্বল গায়ে দিয়ে শুলেও পা গরম হতে চায় না। অনেকেই তাই আরাম পেতে উলের বা সুতির মোজা পরে ঘুমাতে যান। কিন্তু এই অভ্যাসটি শরীরের জন্য কি আদৌ উপকারী? চিকিৎসকদের মতে, মোজা পরে ঘুমানোর যেমন কিছু সুফল রয়েছে, তেমনি অসতর্ক থাকলে শরীরের জন্য ক্ষতিকরও হতে পারে। মোজা পরে ঘুমানোর সুফল দ্রুত ঘুম আসতে সাহায্য করে: গবেষণায় দেখা গেছে, পা গরম থাকলে শরীরের রক্তনালীগুলো প্রসারিত হয়। এটি মস্তিষ্ককে সংকেত দেয় যে এখন ঘুমানোর সময়। ফলে যারা অনিদ্রায় ভোগেন, তাদের দ্রুত ঘুম আসে। পায়ের গোড়ালি ফাটা রোধ: শীতকালে অনেকেরই পা ফাটার সমস্যা বাড়ে। রাতে পায়ে ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে মোজা পরলে পায়ের আর্দ্রতা বজায় থাকে। চামড়াও হয় নরম। রেনল্ডস ডিজিজ প্রতিরোধ: অনেকেরই ঠান্ডায় আঙুল নীল হয়ে যায় বা অবশ লাগে। মোজা পরলে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে । ফলে এ ধরনের সমস্যার ঝুঁকি কমে। মোজা পরে ঘুমানোর ঝুঁকি রক্ত সঞ্চালনে বাধা: অতিরিক্ত টাইট বা ইলাস্টিকযুক্ত মোজা পরে ঘুমালে পায়ে রক্ত চলাচলে সমস্যা হতে পারে। এর ফলে পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরা বা ফোলা ভাব দেখা দিতে পারে। সংক্রমণের ঝুঁকি: নোংরা বা সারাদিন পরে থাকা মোজা পরে ঘুমালে ব্যাক্টেরিয়া বা ছত্রাক ঘটিত সংক্রমণ হতে পারে। এছাড়া সিন্থেটিক মোজায় পা অতিরিক্ত ঘেমে দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি: শিশুদের ক্ষেত্রে মোজা পরে ঘুমালে শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে যেতে পারে। এটি তাদের শরীরে অস্বস্তি তৈরি করে। নিরাপদ থাকবেন যেভাবে শীতে মোজা পরে ঘুমাতে চাইলে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। যেমন- ঢিলেঢালা মোজা বাছুন: খুব বেশি টাইট এমন মোজা এড়িয়ে চলুন। সাধারণ সুতির বা নরম উলের ঢিলেঢালা মোজা সবচেয়ে ভালো। পরিচ্ছন্নতা: সবসময় পরিষ্কার এবং শুকনো মোজা ব্যবহার করুন। দিনের বেলা যে মোজা পরে বাইরে যান সেটি পরে কখনওই বিছানায় যাওয়া ঠিক নয। পা পরিষ্কার রাখুন: ঘুমানোর আগে পা ভালো করে ধুয়ে ও মুছে শুকিয়ে নিন। পা ভেজা থাকলে মোজা পরা ঠিক নয়। বিকল্প পদ্ধতি: যাদের মোজা পরলে অস্বস্তি হয়, তারা ঘুমানোর আগে কুসুম কুসুম গরম পানিতে পা ধুয়ে নিতে পারেন অথবা বিছানায় গরম পানির ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন।
ব্রেড কাটলেট তৈরির সহজ রেসিপি

ব্রেড কাটলেট তৈরির সহজ রেসিপি শীতের বিকেলে মুখরোচক কিছু খেতে আমাদের সবারই ইচ্ছা করে। তবে বাইরে থেকে কিনে আনা পুরি কিংবা পিঁয়াজু আপনার কল্পনার থেকেও বেশি অস্বাস্থ্যকর হতে পারে। এ ধরনের খাবার যত কম খাওয়া যায়, ততই ভালো। তবে মাঝে মাঝে বাড়িতে তৈরি করে খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি কম থাকে। চলুন জেনে নেওয়া যাক ব্রেড কাটলেট তৈরির সহজ রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে পাউরুটি- ৮ স্লাইস ডিম- ১টি ধনিয়া পাতা কুচি- পরিমাণমতো পেঁয়াজ কুচি- পরিমাণমতো কাঁচা মরিচ কুচি- পরিমাণমতো লবণ- পরিমাণমতো গরম মসলা গুঁড়া- ২ চা চামচ বেসন- সামান্য। যেভাবে তৈরি করবেন পাউরুটির টুকরাগুলোকে পানিতে ভিজিয়ে নরম করে নিন। এরপর পানি খুব ভালোভাবে চিপে ঝরিয়ে নিন। এখন একটি বাটিতে নরম করা পাউরুটির সঙ্গে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, ধনিয়া পাতা কুচি দিন। গরম মসলা গুঁড়া ও ডিম ফেটিয়ে দিন। লবণ পরিমাণমতো দিন, সামান্য বেসন দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন। চুলায় প্যান বসিয়ে পরিমাণমতো তেল দিয়ে তাতে মিশ্রণ থেকে কাটলেটের আকৃতি দিয়ে মচমচে করে ভেজে তুলুন সুস্বাদু ব্রেড কাটলেট।
এক টুনা মাছের দাম ৩৯ কোটি টাকা!

এক টুনা মাছের দাম ৩৯ কোটি টাকা! জাপানের রাজধানী টোকিওর তোয়োসু মাছবাজারে একটি বিশাল ব্লুফিন টুনা মাছ ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বছরের প্রথম নিলামেই মাছটি রেকর্ড ৫১০ দশমিক ৩ মিলিয়ন ইয়েন বা ৩ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৯ কোটি টাকায় বিক্রি হয়। ২৪৩ কেজি ওজনের টুনা মাছটি কিনে নিয়েছে কিয়োমুরা করপোরেশন। জনপ্রিয় সুশি চেইন ‘সুশি জানমাই’-এর পরিচালনাকারী এই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা জাপানের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত। কোম্পানির প্রেসিডেন্ট কিয়োশি কিমুরা বলেন, “বছরের প্রথম টুনা সৌভাগ্য বয়ে আনে।” স্থানীয় বার্তা সংস্থা কিয়োডোর বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, নববর্ষের এই বার্ষিক নিলামে কিমুরা নিয়মিত মুখ। ‘টুনা কিং’ নামে পরিচিত কিমুরা নববর্ষের নিলামে সর্বোচ্চ দামে ব্লুফিন টুনা কেনার জন্য সুপরিচিত। নিলাম শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “ভেবেছিলাম একটু কম দামে কিনতে পারব, কিন্তু বুঝে ওঠার আগেই দাম হু হু করে বেড়ে গেল।” এর আগে ২০১২ সালে তিনি একটি ব্লুফিন টুনার জন্য ৫৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ইয়েন এবং ২০১৩ সালে ১৫৫ মিলিয়ন ইয়েন খরচ করে রেকর্ড গড়েছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি ৩৩৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন ইয়েন দিয়ে আরেকটি ব্লুফিন টুনা কেনেন, সেটিও রেকর্ডবই তোলপাড় করে। তখন সাংবাদিকদের কিমুরা বলেছিলেন, তিনি হয়তো ‘অতিরিক্তই করে ফেলেছেন’। কিন্তু বছর ছয়েক পরে এসে তিনি নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন। টোকিওর তোয়োসু মাছবাজারে বছরের প্রথম নিলামে সাধারণত রেকর্ড দামে মাছ বিক্রি হয়। গত বছর নিলামের প্রথম টুনাটি ২০৭ মিলিয়ন ইয়েনে কিনে নেয় আরেকটি সুশি চেইন প্রতিষ্ঠান অনোদেরা গ্রুপ। নিলাম শেষ হওয়ার পরপরই মিলিয়ন ডলারের টুনাটি কিমুরার সুশি রেস্তোরাঁগুলোতে গ্রাহকদের পরিবেশন করা হয়। কিমুরার রেস্তোরাঁয় উপস্থিত এক ক্রেতা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “বছরের শুরুতে এমন কিছু খেতে পেরে আমার মনে হচ্ছে, বছরটা ভালোভাবেই শুরু হলো।” সূত্র: বিবিসি
শীতে খসখসে হাত ঘরোয়া যত্নেই ফিরুক নরম মসৃণ স্পর্শ

শীতে খসখসে হাত ঘরোয়া যত্নেই ফিরুক নরম মসৃণ স্পর্শ শীত এলেই ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দেয়। মুখের সঙ্গে সঙ্গে হাতের ত্বকও হয়ে ওঠে রুক্ষ ও খসখসে। অনেকের ক্ষেত্রে হাত ফাটা, সাদা সাদা খোসা ওঠা কিংবা জ্বালাপোড়ার সমস্যাও দেখা দেয়। তবে একটু যত্ন নিলেই শীতকালেও হাত রাখা যায় নরম ও সুন্দর। সবচেয়ে ভালো খবর হলো এই যত্নের বেশিরভাগ উপকরণই রয়েছে ঘরের হাতের কাছেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে ত্বকের আর্দ্রতা দ্রুত কমে যায়। তাই নিয়মিত ময়েশ্চারাইজিংয়ের পাশাপাশি সপ্তাহে এক-দু’দিন স্ক্রাব ও প্যাক ব্যবহার করলে হাতের ত্বক সুস্থ থাকে। জেনে নিন সহজ কিছু ঘরোয়া উপায় ১. চিনি ও অলিভ অয়েলের স্ক্রাব দুই চা-চামচ চিনি ও আধা চা-চামচ অলিভ অয়েল ভালো করে মিশিয়ে নিন। দু’মিনিট হাতে আলতো করে ম্যাসাজ করুন। এটি ডেড স্কিন তুলে ত্বককে মসৃণ করবে। এয়ারটাইট কৌটোয় রেখে এই স্ক্রাব বেশ কয়েকদিন ব্যবহার করা যায়। ২. আলু ও আমন্ড অয়েলের প্যাক একটি ছোট আলু সেদ্ধ করে ঠাণ্ডা হলে থেঁতো করুন। তার সঙ্গে এক চা-চামচ আমন্ড অয়েল মিশিয়ে হাতে লাগান। ১৫ মিনিট রেখে উষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক নরম হবে ও ফাটাভাব কমবে। ৩. রাতভর তেলের যত্ন ঘুমানোর আগে হাতে নারকেল তেল, ক্যাস্টর অয়েল বা অলিভ অয়েল লাগিয়ে নিন। এরপর কটন গ্লাভস পরে শুতে গেলে তেল ভালোভাবে শোষিত হবে এবং সকালে হাত থাকবে মসৃণ। ৪. ডিটারজেন্ট থেকে সুরক্ষা বাসন মাজা বা কড়া ডিটারজেন্ট ব্যবহারে হাত বেশি রুক্ষ হয়ে পড়ে। যারা নিয়মিত এসব কাজে যুক্ত, তারা অবশ্যই রাতে শোবার আগে হ্যান্ড ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করবেন। ৫. কলা ও দুধের সর পাকা কলা চটকে তার সঙ্গে সামান্য দুধের সর মিশিয়ে দু’হাতে লাগান। এটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে এবং ত্বকে উজ্জ্বলতাও বাড়ায়। ৬. হাতেও সানস্ক্রিন জরুরি বাইরে বেরোনোর সময় মুখে সানস্ক্রিন লাগালেও অনেকেই হাতে লাগাতে ভুলে যান। এর ফলে হাত দ্রুত ট্যান হয়ে যায়। মুখ ও ঘাড়ের পাশাপাশি হাতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করাও জরুরি। ৭. নখ ও কিউটিকলের যত্ন পুরনো নেলপালিশ তুলে ফেলুন। সময় পেলে ম্যানিকিওর করাতে পারেন। চাইলে ঘরেই নখের যত্ন নেওয়া যায়। ৮. কিউটিকল পরিষ্কার করার সহজ উপায় গরম পানিতে মাইল্ড শ্যাম্পু মিশিয়ে তাতে কিছুক্ষণ হাত ডুবিয়ে রাখুন। এরপর নরম ব্রাশ দিয়ে কিউটিকল পরিষ্কার করুন। শেষে ভালো করে হ্যান্ড ক্রিম লাগাতে ভুলবেন না। শীত মানেই রুক্ষ হাত নয়। নিয়মিত যত্ন ও ঘরোয়া টোটকায় সহজেই শীতকাল জুড়েই হাত রাখতে পারেন নরম, মসৃণ ও সুন্দর।