বিশেষ দিনে প্রিয়জনের জন্য বানাতে পারেন চকলেট মাফিন

বিশেষ দিনে প্রিয়জনের জন্য বানাতে পারেন চকলেট মাফিন বিশেষ দিন মানেই প্রিয়জনকে একটু আলাদা করে খুশি করার চেষ্টা। দামি উপহার কিংবা জাঁকজমক আয়োজন না হলেও, নিজের হাতে বানানো ছোট্ট কিছু অনেক বেশি অনুভূতির কথা বলে। ঠিক তেমনই একটি মিষ্টি চমক হতে পারে ঘরে তৈরি চকলেট মাফিন। চকলেটের গাঢ় স্বাদ আর নরম টেক্সচার একসঙ্গে মিশে মুহূর্তেই বদলে দিতে পারে দিনের আবহ। জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী কিংবা যে কোনো ছোট্ট বিশেষ দিনে প্রিয়জনের জন্য নিজের হাতে বানানো এই চকলেট মাফিন হয়ে উঠতে পারে ভালোবাসার সবচেয়ে সহজ অথচ হৃদয়ছোঁয়া প্রকাশ। রইলো রেসিপি- উপকরণ : ময়দা এক কাপ বেকিং পাউডার ২ চামচ কোকো পাউডার ২ চামচ ডিম ১ টি চিনি স্বাদমতো মাখন অল্প যেভাবে তৈরি করবেন : প্রথমেই একটি বাটিতে ময়দা, বেকিং পাউডার ও কোকো পাউডার ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার অন্য একটি বাটিতে ডিম, চিনি ও মাখন এক সঙ্গে ফেটিয়ে নিন। ভালোভাবে ফেটিয়ে নিয়ে তাতে ময়দার মিশ্রণ দিয়ে মেশান। ঘন ক্রিমের মতো হয়ে এলে তা মাফিন টিনের ভেতরে কাপকেক লাইনার্স সাজিয়ে দিন। যদি তা না থাকে মাখন ও সামান্য ময়দা দিয়ে মাফিন টিনের ভেতর ভাল করে গ্রিজ করে নিন। এর পর মিশ্রণটি ঢেলে দিন। এবার মাইক্রোওয়েভ অভেন ১৮০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে প্রি-হিট করুন। ১২-১৫ মিনিট ধরে মাফিন বেক করুন। ব্যস তৈরি হয়ে গেলো মজাদার চকলেট মাফিন। এবার বিশেষ এই দিনে প্রিয়জনকে সারপ্রাইজ দিতে পারেন নিজের হাতে বানানো মজাদার চকলেট মাফিন দিয়ে।

আজ চকলেট ডে: মিষ্টি উপহারে ভালোবাসার প্রকাশ

আজ চকলেট ডে: মিষ্টি উপহারে ভালোবাসার প্রকাশ ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের আজ তৃতীয় দিন। আজ উদযাপিত হচ্ছে চকলেট ডে—যেখানে মিষ্টি স্বাদের মাধ্যমে অনুভূতির প্রকাশই হয়ে ওঠে প্রধান আকর্ষণ।চকলেট উপহার দেওয়ার রীতি নতুন নয়। ভিক্টোরিয়ান যুগ থেকেই নারী-পুরুষ একে অপরকে চকলেট উপহার দিয়ে ভালোবাসা প্রকাশ করতেন। জানা যায়, ব্যবসায়ী রিচার্ড ক্যাডবেরি ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষে প্রথমবার বিশেষভাবে হার্ট-শেপড বক্সে চকলেট বিক্রি শুরু করেন। তার এই উদ্যোগই ধীরে ধীরে চকলেট উপহার দেওয়ার ঐতিহ্যে পরিণত হয়, যা আজ বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। গবেষণায় দেখা গেছে, চকলেট খেলে মস্তিষ্কে ‘ফিল-গুড’ হরমোন নিঃসৃত হয়, যা মানুষকে আনন্দিত করে। তাই প্রিয় মানুষকে চকলেট উপহার দেওয়া মানে শুধু উপহার দেওয়া নয়, বরং তার মুখে হাসি ফোটানোর একটি সহজ উপায়। চাইলেই প্রিয়জনকে কেনা চকলেট উপহার দিতে পারেন। আরও স্পেশাল ব্যাপার হবে যদি, নিজেই চকলেট বানাতে পারেন। অনলাইনে সহজেই পাওয়া যায় নানা ধরনের চকলেট তৈরির রেসিপি। সেখান থেকে একটি সহজ রেসিপি বেছে নিয়ে নিজের হাতে তৈরি করে ফেলতে পারেন চকলেট। নিজের হাতে বানানো উপহার সবসময়ই বেশি আন্তরিকতার প্রতীক, যা আপনার প্রিয়জনের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আয়োজন হতে পারে চকলেট-থিম পার্টিও : চকলেট ডে উদযাপনকে আরও আনন্দময় করতে আয়োজন করতে পারেন ছোট একটি চকলেট-থিম পার্টি। পার্টির মেন্যুতে রাখতে পারেন চকলেট কেক, ব্রাউনি, চকলেট ড্রিংক, কিংবা বিভিন্ন ফ্লেভারের চকলেট। বন্ধু-স্বজন কিংবা প্রিয় মানুষকে নিয়ে এমন আয়োজন দিনটিকে করে তুলবে আরও বিশেষ। চকলেট ডে শুধু একটি দিন নয়, এটি ভালোবাসা প্রকাশের মিষ্টি উপলক্ষ। একটি ছোট্ট চকলেটও কখনো কখনো বড় অনুভূতির ভাষা হয়ে উঠতে পারে।

ইউরিন ইনফেকশনের কারণ কি ফ্রিজের খাবার?

ইউরিন ইনফেকশনের কারণ কি ফ্রিজের খাবার? ব্যস্ত জীবনযাপনে ফ্রিজ এখন প্রায় অপরিহার্য। একদিনের বাজার রেখে পরের দিন রান্না গরম করে খাওয়া, এই ধরনের অভ্যাস এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। তবে জানেন কি, এই অভ্যাসই ইউরিন ইনফেকশন (ইউটিআই) এর ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে? সাম্প্রতিক গবেষণা ও চিকিৎসকদের মতে, ফ্রিজে রাখা খাবারও হতে পারে ইউটিআই-এর কারণ। ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশন এখন আর শুধু ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, বরং একটি বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৩৫ বছরে ইউরিন ইনফেকশনে আক্রান্তের সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে এ সংক্রান্ত মৃত্যুও। ২০২৩ সালের ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের এক সমীক্ষায় জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে বছরে প্রায় পাঁচ লাখ ইউরিন ইনফেকশনের পেছনে দায়ী হচ্ছে দূষিত মাংস, এবং এই দূষণের বড় অংশই আসে অস্বাস্থ্যকরভাবে সংরক্ষিত বা রান্না করা খাবার থেকে।   ফ্রিজে রাখা খাবার কীভাবে ইউটিআই সৃষ্টি করতে পারে? বেঙ্গালুরুর সিনিয়র ইউরোলজিস্ট ডা. সুরি রাজু ভি জানান, ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া ইউরিন ইনফেকশনের প্রধান কারণ। এই ব্যাকটেরিয়া অনেক সময় ফ্রিজে রাখা মাংস বা পোল্ট্রি খাবার থেকে শরীরে প্রবেশ করে। বিশেষ করে মুরগি বা টার্কির মতো পোল্ট্রি পণ্যে এমন কিছু এনজাইম থাকে, যা যদি ঠিকভাবে রান্না না করা হয়, তবে ব্যাকটেরিয়া তৈরি হতে পারে। দীর্ঘদিন ফ্রিজে রাখা খাবারে এই ব্যাকটেরিয়া অনুপ্রবেশ করে, এবং সেগুলো সঠিকভাবে রান্না না হলে তা অন্ত্রের সংক্রমণ সৃষ্টি করে। পরে তা মূত্রনালিতে পৌঁছে ইউরিন ইনফেকশন সৃষ্টি করতে পারে। ইউরিন ইনফেকশন নিয়ে এতদিন শুধু অপরিচ্ছন্নতা দায়ী ছিল, তবে এখন চিকিৎসকেরা বলছেন, খাবার সংরক্ষণ এবং রান্নার ভুল অভ্যাসও একইভাবে দায়ী। ফ্রিজে রাখা খাবারে ব্যাকটেরিয়া পুরোপুরি মারা যায় না, তাদের বৃদ্ধি ধীর হয়ে যায়, তাই খাবার আবার গরম করলেও ঝুঁকি থেকে যায়। ইউরিন ইনফেকশন থেকে বাঁচতে ডা. সুরি রাজু কিছু পরামর্শ দিয়েছেন: • কাঁচা মাংস ও সবজির জন্য আলাদা কাটিং বোর্ড, ছুরি এবং পাত্র ব্যবহার করুন। • কাঁচা মাংস কাটার পর অবশ্যই হাত সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে ধুতে হবে। • পচনশীল খাবার দীর্ঘদিন ফ্রিজে রেখে না খাওয়া ভালো। • পোল্ট্রি ও মাংস ভালোভাবে সিদ্ধ করে রান্না করুন। • মাংস যতটা সম্ভব তাজা অবস্থায় রান্না করে খাওয়া উচিত। ফ্রিজ আমাদের জীবনযাত্রা সহজ করে দিয়েছে, কিন্তু যদি ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে এটি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বারবার ইউরিন ইনফেকশনে আক্রান্ত হলে, আপনার ফ্রিজের খাবারই দায়ী কিনা, তা জানার জন্য চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

কোন রঙের গোলাপ দেবেন প্রিয়জনকে?

কোন রঙের গোলাপ দেবেন প্রিয়জনকে? ১৪ ফ্রেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস। সাত দিন আগে থেকেই বিশ্ব জুড়ে শুরু হয় ভ্যালেন্টাইন উইক বা ভালোবাসা সপ্তাহ। প্রতি বছর ৭ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ রোজ ডে’র মধ্য দিয়ে ভালোবাসার সপ্তাহ শুরু হয়। সে হিসাবে আজ ‘রোজ ডে’ বা গোলাপ দিবস। গোলাপ হচ্ছে ভালোবাসা আর বন্ধুত্বের প্রতীক। অনেকের হয়তো জানা নেই, প্রিয়জনেকে শুধু একটা গোলাপ দিলেই হয় না, গোলাপের রঙের আড়ালে লুকিয়ে থাকে ভিন্ন ভিন্ন না বলা কথা। কথায় আছে, যা হাজারটা শব্দ দিয়ে বোঝানো যায় না, তা একটা গোলাপ দিয়ে অনায়াসেই প্রকাশ করা যায়। গোলাপ নানা রঙের হয়। প্রতিটা রঙের গোলাপের আলাদা তাৎপর্য রয়েছে। নতুন সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে একেক রঙের গোলাপ একেক অর্থ বহন করে। লাল গোলাপ : প্রেম, ভালোবাসা আর আবেগের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ হলো লাল গোলাপ। আপনি যদি কাউকে ভালোবাসেন এবং তাকে জীবনের সঙ্গী হিসেবে পেতে চান, তবে তাকে দিতে পারেন লাল গোলাপ। গোলাপি গোলাপ : সব ভালোবাসা মানেই কেবল প্রেম নয়। আপনার জীবনে এমন মানুষ থাকতে পারেন যাদের প্রতি আপনি কৃতজ্ঞ। কাউকে ধন্যবাদ বা কৃতজ্ঞতা জানাতে দিতে পারেন এই গোলাপ। এটি একই সাথে কোমলতা ও আভিজাত্যের প্রতীক। সাদা গোলাপ : কারও সঙ্গে সম্পর্কের তিক্ততা মিটিয়ে নতুন করে পথ চলা শুরু করতে চাইলে বেছে নিন সাদা গোলাপ। এটি শান্তির প্রতীক। এছাড়া কাউকে খুব মিস করলে তাকে সাদা গোলাপ পাঠাতে পারেন। হলুদ গোলাপ: বন্ধুত্বের উষ্ণতা প্রকাশ করতে হলুদ গোলাপের জুড়ি মেলা ভার। বন্ধুর নতুন চাকরি, সাফল্য বা আরোগ্য কামনায় হলুদ গোলাপ উপহার দিন। এটি আনন্দ এবং প্রাণশক্তির বার্তা বহন করে। কমলা গোলাপ : লাল এবং হলুদের মিশ্রণে তৈরি এই রঙটি তীব্র আবেগ ও উৎসাহের প্রতীক। সম্পর্কে যদি নতুন উন্মাদনা আনতে চাইলে কমলা গোলাপ বেছে নিতে পারেন। কাউকে অনুপ্রাণিত করতেও এই ফুল ম্যাজিকের মতো কাজ করে। বেগুনি গোলাপ : গুনি রঙ রাজকীয় সম্মানের প্রতীক। সঙ্গীকে রানির মতো মর্যাদা দিতে চাইলে বা তার ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ হলে, তাকে বেগুনি গোলাপ দিতে পারেন।

সুস্থ থাকতে যেসব স্বাস্থ্যকর নাস্তা খেতে পারেন

সুস্থ থাকতে যেসব স্বাস্থ্যকর নাস্তা খেতে পারেন নাস্তা বলতে আমরা সাধারণত মুখরোচক কোনো খাবারকেই বুঝি। বিশেষ করে মসলাদার, ডুবো তেলে ভাজা অথবা অতিরিক্ত লবণ কিংবা চিনি মিশ্রিত নানা খাবার। কিন্তু এসব খাবারই সুস্থ থাকার পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। তাই বলে কি আপনি নাস্তা খাবেন না? নিশ্চয়ই খাবেন। সেজন্য অস্বাস্থ্যকর বা শরীরের জন্য ক্ষতিকর খাবারের পরিবর্তে আপনাকে বেছে নিতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার। চলুন জেনে নেওয়া যাক নাস্তা হিসেবে কোন খাবারের বদলে কোন স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারেন- ১. বিস্কুটের পরিবর্তে বাদাম এবং বীজ : চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খাওয়ার পরিবর্তে কয়েকটি বাদাম, আখরোট অথবা কুমড়া এবং সূর্যমুখী বীজ খান। এগুলো স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ যা স্থিতিশীল শক্তি প্রদান করে। সেইসঙ্গে ময়দার তৈরি খাবারের চেয়ে অনেক ভালোভাবে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে। ২. চিপসের বদলে ছোলা : ভাজা চিপস অতিরিক্ত লবণ এবং অস্বাস্থ্যকর চর্বি দিয়ে ভরা থাকে। আরও ভালো পছন্দ হতে পারে ভাজা ছোলা। এগুলো হালকা, মুচমুচে, ফাইবার এবং উদ্ভিজ্জ প্রোটিনে ভরপুর, যা আপনি কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই দীর্ঘক্ষণ ধরে খেতে পারবেন। ৩. চিনিযুক্ত দইয়ের বদলে টক দই : স্বাদযুক্ত দইয়ে অনেকটা চিনি থাকে। পেঁপে বা বেরির মতো তাজা ফলের সঙ্গে টক দই খান। এই মিশ্রণটি প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি এবং এতে প্রোবায়োটিক রয়েছে যা অন্ত্রকে পুষ্ট করে, চিনির ক্ষয় ছাড়াই স্থিতিশীল শক্তি প্রদান করে। ৪. চকোলেটের বদলে পিনাট বাটার : মিষ্টি কিছু খেতে ইচ্ছা হলে প্রক্রিয়াজাত চকোলেট বার বা ক্যান্ডির পরিবর্তে একটি আপেল বা কলার সঙ্গে এক চামচ পিনাট বাটার মিশিয়ে খান। এই সমন্বয় প্রাকৃতিক কার্বোহাইড্রেটকে স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং প্রোটিনের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ করে, যা আপনাকে হঠাৎ এনার্জি ক্রাশের ক্ষতি এড়াতে সাহায্য করে। ৫. ইনস্ট্যান্ট নুডলসের বদলে সেদ্ধ ডিম বা পনির : ইনস্ট্যান্ট নুডলস অনেকের কাছে সবচেয়ে সহজ এবং সবচেয়ে প্রিয় দ্রুত খাবারের মধ্যে একটি, তবে এতে পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট বেশি থাকে এবং প্রায় শূন্য পুষ্টি থাকে। এর বদলে সেদ্ধ ডিম বা পনির খাওয়ার চেষ্টা করুন। এগুলো হলো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার সময় আপনাকে সজাগ এবং উদ্যমী থাকতে সাহায্য করবে।

পর্যটকের চাপে জাপানের ‘মাউন্ট ফুজি চেরি ব্লসম’ উৎসব বাতিল

পর্যটকের চাপে জাপানের ‘মাউন্ট ফুজি চেরি ব্লসম’ উৎসব বাতিল জাপানের নান্দনিক মাউন্ট ফুজিকে পটভূমিতে রেখে চেরি ব্লসম বা সাকুরা উৎসবের যে চোখজুড়ানো দৃশ্য পর্যটকদের মূল আকর্ষণ ছিল, তা এবার বাতিল করা হয়েছে। অতিরিক্ত পর্যটকের চাপে স্থানীয় বাসিন্দাদের জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠায় কর্তৃপক্ষ এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৩ ফেব্রুয়ারি জাপানের মধ্যাঞ্চলীয় ইয়ামানাশি অঞ্চলের ফুজিইয়োশিদা শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহব্যাপী স্থায়ী হওয়া এই জনপ্রিয় উৎসবটি এ বছর হচ্ছে না। সাধারণত প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ মানুষের সমাগম ঘটে এই উৎসবে। শহর কর্তৃপক্ষের মতে, পর্যটকদের ভিড়ে স্থানীয়দের ‘শান্তিপূর্ণ জীবনযাত্রা হুমকির মুখে’ পড়েছে। জাপানি মুদ্রা ইয়েনের মান কমে যাওয়ায় বিদেশি পর্যটকদের কাছে দেশটি ভ্রমণের আকর্ষণ বেড়েছে। ফলে ২০২৫ সালে রেকর্ড ৪ কোটি ২৭ লাখ পর্যটক জাপান সফর করেছেন। এর আগে ২০২৪ সালেও দেশটিতে রেকর্ড প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ পর্যটক এসেছিলেন। তবে এই পর্যটক জোয়ারের কারণে কিয়োটোর মতো জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সেখানে ছবি তোলার জন্য পর্যটকদের বিরুদ্ধে ঐতিহ্যবাহী কিমোনো পরিহিত গেইশাদের বিরক্ত করার অভিযোগও উঠেছে। ফুজিইয়োশিদা শহর কর্তৃপক্ষ জানায়, বিদেশি পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত ভিড়ে শহরে সবসময় যানজট লেগে থাকছে। যত্রতত্র সিগারেটের অবশিষ্টাংশ ফেলা হচ্ছে। এমনকি নাগরিকদের ব্যক্তিগত বাগানে অবৈধভাবে প্রবেশ এবং সেখানে মলমূত্র ত্যাগের মতো বিব্রতকর ঘটনার খবরও পাওয়া গেছে। এক বিবৃতিতে ফুজিইয়োশিদার মেয়র শিগেরু হোরিউচি বলেন, ‘মাউন্ট ফুজির এই সুন্দর দৃশ্যের পেছনে লুকিয়ে আছে নাগরিকদের বিপন্ন জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা। আমরা গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘নাগরিকদের মর্যাদা এবং বসবাসের পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে আমরা ১০ বছরের পুরোনো এই উৎসবটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ তবে শহর কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে যে, উৎসব বাতিল হলেও বসন্তের আগমনে পর্যটকদের ভিড় পুরোপুরি থামানো যাবে না। কারণ উৎসবের মূল কেন্দ্র পার্কটি থেকে মাউন্ট ফুজি, চেরি গাছ এবং একটি পাঁচতলা প্যাগোডার যে চমৎকার দৃশ্য দেখা যায়, তা পর্যটকদের টানেই। মাউন্ট ফুজি বরাবরই পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। ভিড় সামলাতে নিকটবর্তী শহরগুলো এর আগে ছবি তোলার জায়গায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। এছাড়া পাহাড়ে ওঠার জন্য ফি নির্ধারণ এবং প্রতিদিন আরোহীদের সংখ্যাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সূত্র : এএফপি।

এক দিনে কতটা আলু খাওয়া নিরাপদ

এক দিনে কতটা আলু খাওয়া নিরাপদ বাঙালির রান্নাঘরে আর কোনো তরকারি থাকুক বা না থাকুক আলুর সরব উপস্থিতি অবশ্যই দেখা যায়। ভাজি, ভুনা, তরকারি, ভর্তা সবকিছুতেই এই সবজি ব্যবহার করা হয়। তাই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, প্রতিদিন আলু খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য আদৌ উপকারি? আর দিনে কতটুকু আলু খাওয়া নিরাপদ? চলুন জেনে নিই পুষ্টিবিদরা এ সম্পর্কে কী বলেন? পুষ্টিবিদদের মতে, আলু খাওয়া বন্ধ করার কোনো প্রয়োজন নেই। বরং সঠিক পরিমাণে ও সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করে খেলে আলু শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। সাধারণত একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে মাঝারি আকারের এক থেকে দুইটি আলু খেতে পারেন। ওজনের হিসাবে যা ১০০ থেকে ১৫০ গ্রামের সমান। তবে যেভাবে ইচ্ছে আলু খেলে চলবে না। ভাজা বা অতিরিক্ত তেল মসলা দিয়ে রান্না করা আলু খাওয়া যাবে না। আলুতে আছে শর্করা, যা শরীরে শক্তি জোগায়। তাই পরিশ্রমী মানুষ বা যারা শারীরিক কাজ করেন, তাদের জন্য আলু ভালো শক্তির উৎস হতে পারে। পাশাপাশি এতে থাকা খাদ্য আঁশ হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে আলু খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণে থাকে। আলুতে থাকা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পটাশিয়াম। এই খনিজ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এছাড়াও আলুতে ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি৬ থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। উপকারি হলেও আলু খাওয়ার ব্যাপারে কিছু সতর্কতা মানা জরুরি। এই সবজিটির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স তুলনামূলকভাবে বেশি। ফলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে আলু পরিমিত খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস থাকলে প্রতিদিন আলু না খাওয়াই ভালো। খেলেও অল্প পরিমাণে এবং অন্যান্য শাকসবজির সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া উচিত। এছাড়া যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদেরও বুঝেশুনে আলু খেতে হবে। সেদ্ধ বা অল্প তেলে রান্না করা আলু পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিপস বা বেশি তেলে ভাজা আলু খেলে কমবে না ওজন। সব মিলিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতে, আলু খারাপ নয়, খারাপ হলো এটি অতিরিক্ত খাওয়া এবং ভুল রান্নার পদ্ধতি। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পরিমাণ মেনে, ভারসাম্য রেখে আলু রাখতেই পারেন। এতে কোনো ক্ষতি হবে না। বরং মিলবে উপকার।

হাই প্রোটিন ডায়েটে যে ৩ ভুল করা যাবে না

হাই প্রোটিন ডায়েটে যে ৩ ভুল করা যাবে না মানুষ যখন প্রোটিন গ্রহণ বাড়ায় তখন অনেকেই অলসতা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা সাধারণত অস্বস্তি বোধ করতে শুরু করে। দ্রুত ধারণা করা যায় যে প্রোটিনই এর জন্য দায়ী। পুষ্টিবিদদের মতে, সমস্যাটি প্রোটিন নিজে নয় বরং এটি বৃদ্ধি করার কারণে ঘটতে পারে। প্রোটিন কেন গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি গ্রহণের সময় মানুষ কী ভুল করে তা জেনে নিন। প্রোটিন শরীরের বেশ কয়েকটি প্রয়োজনীয় কাজকে সাহায্য করে। টিস্যু মেরামত থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখা এবং পেশী তৈরিতে সহায়তা করা এর কাজ। এটি এমন কিছু যা আমাদের সত্যিই প্রয়োজন। কিন্তু অস্বস্তি তখনই শুরু হয় যখন মানুষ অন্য কোথাও সঠিক সমন্বয় না করে তাদের প্রোটিন গ্রহণ বাড়ায়। বেশি প্রোটিন মানে শরীরের আরও পানি, স্থির ফাইবার গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের প্রয়োজন যাতে হজম এবং সামগ্রিক ভারসাম্য ঠিক থাকে। এগুলো অন্তর্ভুক্ত করা না হলে শরীর চাপ অনুভব করে এবং প্রোটিনকে এই ঘাটতি থেকে আসা প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী করা হয়, পুষ্টির কারণে নয়। উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়ার সময় যে ৩টি ভুল এড়িয়ে চলবেন- ১. পর্যাপ্ত পানি পান না করা : প্রোটিন বেশি গ্রহণের ফলে বেশি ইউরিয়া তৈরি হয়। এটি একটি বর্জ্য পদার্থ যা কিডনি বের করে দেয়। প্রোটিনের পাশাপাশি পানির পরিমাণ বৃদ্ধি না পেলে শরীর এই বোঝা পরিষ্কার করতে কষ্ট পায়। তখন মাথাব্যথা, ক্লান্তি, প্রস্রাবের গাঢ় রঙ, কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। প্রোটিন ডিহাইড্রেট করে না, অপর্যাপ্ত হাইড্রেশন তৈরি করে। যদি প্রোটিন গ্রহণ বেড়ে যায়, তাহলে পানির পরিমাণও বাড়াতে হবে। ২. ফাইবার কমানো : অনেকে প্রোটিন বাড়ানোর সঙ্গেসঙ্গে অজান্তেই প্লেট থেকে ফাইবার সরিয়ে ফেলেন। যেহেতু প্রোটিন শেক এবং পাউডারের ফাইবার খুব কম বা কোনো ফাইবার থাকে না, তাই পূর্ণ খাবারের পরিবর্তে খেলে পাচনতন্ত্রের সমস্যা হয়। পর্যাপ্ত ফাইবার এবং পর্যাপ্ত পানি ছাড়া হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। যে কারণে উচ্চ-প্রোটিন খাবারে কোষ্ঠকাঠিন্য সাধারণ হয়ে ওঠে। সমস্যাটি প্রোটিন নয় বরং ফল, শাক-সবজি, গোটা শস্য এবং ডালের অভাব যা অন্ত্রকে সচল রাখে। ৩. ফল এবং শাক-সবজি না খাওয়া : এটি সবচেয়ে উপেক্ষিত ভুলের মধ্যে একটি। কিছু প্রাণিজ প্রোটিন শরীরের খাদ্যতালিকায় অ্যাসিডের ভার বাড়ায়। ফল এবং শাক-সবজি এটি মোকাবিলা করতে সাহায্য করে কারণ সেগুলো পটাসিয়াম সরবরাহ করে। পটাসিয়াম হলো একটি খনিজ যা অ্যাসিডকে নিউট্রাল করে এবং শরীরের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে রাখে। পটাসিয়ামের মাত্রা কম হলে পেট ফাঁপা, পেশীতে ক্র্যাম্প, রক্তচাপের ওঠানামা, কিডনির উপর অতিরিক্ত চাপ ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। উচ্চ প্রোটিন কম পটাসিয়ামের সঙ্গে মিলিত হলে এই সমস্যাগুলো দেখা দেয়।

জেনে নিন বিটরুটের হালুয়া তৈরির রেসিপি

জেনে নিন বিটরুটের হালুয়া তৈরির রেসিপি  হালুয়ার স্বাদ কে না পছন্দ করেন! বিশেষ করে মিষ্টি খাবার খেতে যারা বেশি ভালোবাসেন, তাদের কাছে পছন্দের একটি পদ হলো হালুয়া। অতিথি আপ্যায়নে বা বিশেষ কোনো আয়োজনে থাকে নানা স্বাদের হালুয়া। সাধারণত আমাদের দেশে ছোলার ডাল কিংবা সুজির হালুয়া বেশি খাওয়া হয়। তবে আরও অনেক কিছু দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু হালুয়া। আজ চলুন জেনে নেওয়া যাক বিটরুটের হালুয়া তৈরির রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে : বিটরুট- ১টি লবণ- ১ চিমটি সুজি- ১/২কাপ ময়দা- ১/২কাপ ঘি- ১/২ কাপ এলাচ- ২টি গুঁড়া দুধ- ৩ টেবিল চামচ পানি- পরিমাণমতো গোলাপ জল- ১/২চা চামচ কিশমিশ, বাদাম ও কোকোনাট পাউডার- সাজানোর জন্য। যেভাবে তৈরি করবেন প্রথমে বিটরুট ধুয়ে গ্রেট করে তারপর ব্লেন্ড করে নিন। এবার বিটের রসটুকু ছেঁকে নিন। একটি ননস্টিক কড়াইয়ে ঘি গরম করে তাতে ময়দা ও সুজি একসঙ্গে মিশিয়ে অনবরত নেড়েচেড়ে ভেজে নিন। একটু লালচে ভাব হয়ে এলে তাতে বিটের রস, চিনি ও গুঁড়া দুধ মিশিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। হালুয়া কড়াইয়ের গা ছেড়ে এলে গোলাপজল ও কাজু পেস্তা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। এরপর পছন্দমতো শেইপে কেটে নিন। উপরে কোকোনাট পাউডার ও কিশমিশ-বাদাম ছিটিয়ে পরিবেশন করুন।

সুস্থ কিডনির রহস্য লুকিয়ে আছে যেসব খাবারে

সুস্থ কিডনির রহস্য লুকিয়ে আছে যেসব খাবারে রক্ত পরিশোধন, শরীরের বিষাক্ত পদার্থ (টক্সিন) অপসারণ এবং ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সামলায় কিডনি। তবে বর্তমানের অনিয়মিত জীবনযাপন আর অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। কেবল পর্যাপ্ত পানি খেলেই কিডনি রক্ষা পায় না, প্রয়োজন সঠিক ও সুষম খাদ্যাভ্যাস। বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনার হাতের কাছে থাকা কিছু সাধারণ খাবারই হতে পারে কিডনির সুরক্ষাকবচ। জেনে নিন কী কী রাখবেন আপনার দৈনন্দিন তালিকায়- ফুলকপি ও পেঁয়াজ : ডিটক্সের হাতিয়ার কিডনি থেকে টক্সিন বের করে দিতে ফুলকপির জুড়ি নেই। এটি ভিটামিন সি, ফোলেট এবং ফাইবার সমৃদ্ধ, যা শরীরের ডিটক্স প্রক্রিয়ায় দারুণ কাজ করে। অন্যদিকে, যারা পটাশিয়ামের ভয়ে সবজি বাছেন, তাদের জন্য পেঁয়াজ আদর্শ। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যেমন- অ্যাসিলিন ও কোয়ারসেটিন কিডনির ওপর চাপ কমিয়ে হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ফল যখন মহৌষধ : আপেল ও তরমুজ কিডনিকে হাইড্রেটেড রাখে। এটি শরীর থেকে বর্জ্য অপসারণে দ্রুত কাজ করে। এছাড়া আপেলের উচ্চ ফাইবার এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শুধু কিডনির প্রদাহই কমায় না, বরং রক্তে শর্করা এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ ভূমিকা রাখে। তেল ও ভেষজ গুণ : রান্নায় স্বাস্থ্যকর চর্বির উৎস হিসেবে জলপাই তেল বা অলিভ অয়েল ব্যবহার কিডনি রোগীদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। পাশাপাশি যারা ওজন কমাতে গ্রিন টি খান, তারা জেনে খুশি হবেন যে এটি কিডনির জন্য একটি ‘প্রতিরক্ষামূলক ঢাল’ হিসেবে কাজ করে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণাগুণ কিডনির কার্যকারিতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। রসুন ও সামুদ্রিক মাছ : প্রদাহবিরোধী বা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানে ঠাসা রসুন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে কিডনিকে সুরক্ষিত রাখে। এছাড়া খাদ্যতালিকায় স্যামন বা টুনার মতো ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ রাখা জরুরি। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রদাহ কমিয়ে কিডনির সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।