ক্যান্সার প্রতিরোধে যেসব খাবার খাবেন

ক্যান্সার প্রতিরোধে যেসব খাবার খাবেন ক্যান্সারের মতো মারণব্যাধি কি কেবল খাবার নিয়ন্ত্রণ করে ঠেকানো সম্ভব? স্ট্যানফোর্ড, জনস হপকিন্স ও ভারতের আইসিএমআর এর গবেষকরা বলছেন—হ্যাঁ, সম্ভব। গবেষণায় দেখা গেছে, সঠিক পথ্য বা ডায়েট মেনে চললে ক্যান্সারের ঝুঁকি ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো যেতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হচ্ছে ‘মেটাবলিক রিপ্রোগ্রামিং’। গবেষকদের মতে, ক্যান্সার কোষ খুব দ্রুত বাড়ে এবং এর জন্য তাদের প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়। চিনি ও প্রক্রিয়াজাত কার্বোহাইড্রেট (যেমন: পিৎজা, বার্গার, কুকিজ) শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা ক্যান্সার কোষের বিভাজনে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। যদি ডায়েট পরিবর্তনের মাধ্যমে এই পুষ্টির জোগান বন্ধ করে দেওয়া যায়, তবে শক্তির অভাবে ক্যান্সার কোষের মৃত্যু হতে থাকে। সুস্থ থাকতে এবং ক্যান্সার মোকাবিলায় যেসব খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা: রঙিন ফল ও সবজি: প্রতিদিন অন্তত ৫ রঙের (লাল, হলুদ, সবুজ, কমলা, বেগুনি) ফল ও সবজি খাওয়া জরুরি। যেমন—গাজর, টমেটো, ব্রকোলি, বিট ও কিউই। এগুলোতে থাকা ভিটামিন ও খনিজ কোষের সুরক্ষা দেয়। উদ্ভিজ্জ প্রোটিন: ডাল, কাঠবাদাম, চিয়া বীজ, সূর্যমুখী ও তিসির বীজ ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি রুখতে সাহায্য করে। ভেষজ গুণ: হলুদের কারকিউমিন এবং রসুনের অ্যালিসিন ক্যানসার প্রতিরোধে অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকা রাখে। গ্রিন টি ও বেরি: গ্রিন টি-র অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট টিউমার রোধ করে এবং বেরি জাতীয় ফল কোষের অস্বাভাবিক বিভাজন বন্ধ করে। ব্রকলি ও টমেটো: ব্রকলি ডিএনএ-র সুরক্ষা দেয় এবং টমেটোর লাইকোপেন প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। ক্যান্সার প্রতিরোধে অতিরিক্ত চিনি, ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেটজাত খাবার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া জরুরি।

বুঝে নিন শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি লক্ষণ

বুঝে নিন শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি লক্ষণ দিনভর ব্যস্ততা আর কাজের চাপে আমরা অনেক সময় শরীরের ছোট ছোট সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দিই না। পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরেও যদি ক্লান্তি না কাটে কিংবা রাতে ঠিকমতো ঘুম না আসে, তবে বুঝতে হবে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি রয়েছে। রোদ কম লাগানো এবং খাদ্যাভ্যাসের কারণে বর্তমানে অনেকেই এই সমস্যায় ভুগছেন। চলুন, জেনে নিই ভিটামিন ডি-র ঘাটতি বোঝার কয়েকটি লক্ষণ। একনাগাড়ে ক্লান্তি: যথেষ্ট বিশ্রাম আর ঘুমের পরেও যদি শরীর সারাক্ষণ অবসন্ন লাগে। পেশি ও হাড়ের ব্যথা: কোনো কারণ ছাড়াই উরু, কোমর কিংবা হাড়ের গাঁটে ব্যথা হওয়া এবং শরীর নাড়াচাড়া করতে কষ্ট হওয়া। মানসিক অস্থিরতা: অকারণে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া, কাজে উৎসাহ না পাওয়া কিংবা অবসাদ বোধ করা। ঘন ঘন অসুস্থ হওয়া: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং সামান্য কারণে অসুস্থ হয়ে পড়া। এছাড়া অতিরিক্ত চুল পড়াও এই ভিটামিনের অভাবের একটি বড় লক্ষণ। যারা দীর্ঘ সময় বাড়ির ভেতরে থাকেন বা শরীরে রোদ লাগে না, তাদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়া বয়স্ক ব্যক্তি, অন্তঃসত্ত্বাদের শরীরে ভিটামিন ডি তৈরির প্রক্রিয়া ধীর হতে পারে। সন্দেহ হলে চিকিৎসকের পরামর্শে সাধারণ একটি রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই ভিটামিন ডি-র মাত্রা নিশ্চিত হওয়া যায়। প্রতিদিন কিছুক্ষণ গায়ে রোদ লাগানো ছাড়াও খাদ্যতালিকায় মাছ, ডিম ও দুগ্ধজাত খাবার রাখা জরুরি। ছোট এই পরিবর্তনগুলোই আপনাকে দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

নারীর বয়স বাড়া কি অপরাধ

নারীর বয়স বাড়া কি অপরাধ রাহুল সাংকৃত্যায়ন রচিত ‘ভল্গা থেকে গঙ্গা’ বইতে প্রাচীন বৌদ্ধ পণ্ডিত অশ্বঘোষকে নিয়ে একটি গল্প রয়েছে। হ্যাঁ, গল্পই, ইতিহাস আশ্রয়ী, কিন্তু গল্প। ওই গল্পের নায়িকার একসময় মনে হয়, একদিন সে বৃদ্ধা হয়ে যাবে। কিন্তু নায়কের মনে তাকে থাকতে হবে চিরযৌবনা হয়ে। ব্যস, নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা! নায়কের মনে চিরযৌবনা হয়েই বেঁচে রইল সে। কিন্তু এভাবে কি সত্যিই চিরযৌবনা হয়ে কারও মনে স্থান করে নেওয়া যায়? আর নারীর বয়স বাড়লেই সে ভালোবাসার অযোগ্য বা বাতিল হয়ে যায়? বয়স নিয়ে যুগ যুগ ধরে এভাবেই নারী হীনম্মন্যতায় ভুগেছে, ভুগছে। অথচ বয়স বৃদ্ধি একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া। এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে নারীর দেহমনে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ বলতে গেলে কালিমালেপন করে দিয়েছে। তাই চুলে একটু পাক ধরলে, চামড়ায় সামান্য ভাঁজ এলেও নারী দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়, কীভাবে এসব গোপন করা যায়। শখের পুরুষ না হলে অল্পবয়সী কোনো নারীতে মজে যেতে পারে। সুতরাং নারীর বয়স বৃদ্ধি মানে শুধু হীনম্মন্যতাই নয়, বরং একজন নারীর আত্মবিশ্বাসে তা আঘাত হানতে থাকে। চারপাশের অল্পবয়সী নারীদের প্রতি ঈর্ষাকাতর হয়ে পড়ে, নিরাপত্তাহীনতার অস্বস্তিতে ভোগে- নারীর এক বিশাল মনস্তাত্ত্বিক সংকট এটি। পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা তো বটেই সেই সঙ্গে বিভিন্ন প্রসাধনসামগ্রীর বণিকরাও নারীকে এই সংকটের মধ্যে ফেলে দেয়। প্রসাধনসামগ্রীর পাশাপাশি জমে উঠেছে বোটক্স, ফিলার ও বিভিন্ন কসমেটিক সার্জারির সংস্কৃতিও। দীর্ঘমেয়াদি সার্জারির ঝুঁকি জেনেও নারীরা ওই পথেই আজকাল হাঁটছেন। ফলে আজকাল এক নারীর সাজ পোশাক, প্রসাধন ও সৌন্দর্যে কোনো স্বাতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায় না।   টিকটকে সম্প্রতি একটি গান খুব জনপ্রিয়। গানের লিরিক অনেকটা এমন, আমি গুচি বা luis uvitton-এর মতো নামিদামি ব্র্যান্ডের প্রডাক্ট ব্যবহার না করলেও সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারি। আমি হেঁটে গেলে সবাই হাঁ করে তাকিয়ে থাকবে। অর্থাৎ গানের নারী অন্য সবার চেয়ে আলাদা। বলা হয়ে থাকে, সব নারীই নাকি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। অথচ আজকাল নারীদের দিকে তাকালে একজনের সঙ্গে আরেকজনের কোনো পার্থক্য পাবেন না। সবারই চেষ্টা তাকে যেন সবচেয়ে সুন্দর আর সবচেয়ে যৌন আবেদনময়ী দেখায়। এটিই এখন সৌন্দর্যের সূচক। সবাই একই স্টাইলে হাসছে, কথা বলছে, সবার চুল প্রায় একইরকম কালার করা, স্ট্রেইট করা। জীবন্ত বার্বিডল সাজার চেষ্টায় রত একেকজন। একটা বিয়ে বাড়িতে গেলে আসল কনে কোনজন ঠাহর করতে পারবেন না! তাহলে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যটা কোথায় হারাল? মিডিয়ার নারীদের ক্ষেত্রে ক্যারিয়ার ধরে রাখার জন্যই হোক, আর অন্য যে কারণেই হোক, নিজস্বতা হারিয়ে নিজের বয়স ধরে রাখার চ্যালেঞ্জটা যেন আরও বেশি। মহানায়িকা সুচিত্রা সেন তো একটা বয়সের পর আর কারও সামনেই এলেন না! চিরসবুজ আর চিরতরুণ হয়েই তিনি সবার মনে থাকতে চাইলেন। বয়স নিয়ে এতটাই হীনম্মন্যতা! মেয়েদের যে বয়স জিজ্ঞেস করতে হয় না, তাই নিয়ে কত কৌতুক আর ট্রলের ছড়াছড়ি! অথচ বয়স একটা সংখ্যামাত্র। নারীর বয়স বাড়লে সমস্যা কোথায়? মানুষের কথাবার্তা শুনলে মনে হয় যেন, নারীর বয়স কাল্পনিক হুরদের মতো চিরকাল সুইট সিক্সটিনে আটকে রাখতে হবে। বয়সের ডিজিটে প্রথম অঙ্ক ৪-এ পৌঁছলেই যেন সে বাতিল মাল। বুড়ি! আবার চিরযৌবনবতী হলেও সমস্যা। জয়া আহসানের বয়স ৫০ ছুঁইছুঁই, কিন্তু তবু কেন সে এত সবুজ! এও কিন্তু নারীর এক বিরাট অপরাধ! আহা, নারী, তুমি কুড়িতেই কেন বুড়ি হও না? নারীর বয়স ১৬ হলে কী সুবিধা, আর ৪০ পেরিয়ে গেলেই বা সমস্যাটা কোথায়! অথচ প্রত্যেকটা বয়সের একটা আলাদা সৌন্দর্য আছে। কেন আমরা তা ভুলে যাই? নারীর বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ তার ব্যক্তিত্ব। জ্ঞান, প্রজ্ঞা, আত্মবিশ্বাস, দায়িত্বশীলতা, কোমলতা, দৃঢ়তা ইত্যাদি সবকিছু মিলেই নারীর ব্যক্তিত্ব অন্য স্তরের এক সৌন্দর্যের দিকে নিয়ে যায়। এ এমন এক সৌন্দর্য, তখন বয়স নিয়ে অহেতুক মাথা ঘামাতে হয় না। বয়স বৃদ্ধিকে জীবনের এক স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া হিসেবেই নারী মেনে নিতে পারে।

ফুটপাতে চটপটি খাচ্ছেন? পেটে ঢুকছে মলমূত্রের ৭ কোটি জীবাণু!

ফুটপাতে চটপটি খাচ্ছেন? পেটে ঢুকছে মলমূত্রের ৭ কোটি জীবাণু! গ্রীষ্মের দাবদাহে এক গ্লাস শরবত কিংবা রাস্তার ধারের চটপটি-ফুচকা অনেকের কাছেই প্রিয় স্বস্তির নাম। কিন্তু এই খাবারের আড়ালে যে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি লুকিয়ে আছে, তা অনেকেরই অজানা। সাম্প্রতিক গবেষণা ও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, ফুটপাতের এই মুখরোচক খাবারগুলো এখন জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, রাস্তার ধারের এক প্লেট চটপটিতে প্রায় সাত কোটির বেশি মলমূত্রজাত জীবাণুর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এই জীবাণু মানবদেহে প্রবেশ করলে ডায়রিয়াসহ পেটের নানা জটিল ও দীর্ঘমেয়াদী রোগ তৈরি করতে পারে। রাজধানীর অধিকাংশ ফুটপাতের দোকানেই স্বাস্থ্যবিধির চরম অবহেলা পরিলক্ষিত হয়। অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পানি দিয়ে প্লেট ধোয়া, খাবার খোলা রাখা এবং ধুলোবালি ও ধোঁয়ার সংস্পর্শে খাবারগুলো পুরোপুরি জীবাণুর আতুড়ঘরে পরিণত হচ্ছে। খাবারের গুণমান নিয়ে রয়েছে আরও উদ্বেগজনক তথ্য। অনেক বিক্রেতা একই তেল বারবার ব্যবহার করছেন, যা শরীরে ক্ষতিকর চর্বি তৈরি করে দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এছাড়া শরবত বা আখের রসে যে বরফ ব্যবহার করা হয়, তার অধিকাংশের উৎসই অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পরীক্ষায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার খাবারে মলমূত্রজাত জীবাণুর উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে, যেখানে চটপটির অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ।   বিশেষজ্ঞরা জানান, শহরের অনেক জায়গায় পানির লাইনের সঙ্গে পয়ঃনিষ্কাশনের লাইন মিশে যাওয়ার ফলে সরবরাহকৃত পানিও সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। এই দূষিত পানি দিয়েই খাবার তৈরি বা বাসনপত্র ধোয়ার ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও প্রকট হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অস্বাস্থ্যকর এই খাবার এখন একটি ‘নীরব ঘাতকে’ পরিণত হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হলে নিয়মিত তদারকি এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অপরিহার্য। এছাড়া সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। কর্তৃপক্ষের নজরদারি এবং সচেতন নাগরিক উদ্যোগ ছাড়া ভবিষ্যতে বড় ধরনের স্বাস্থ্য সংকট তৈরির আশঙ্কা রয়েই যাচ্ছে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে যে ৩ পানীয়

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে যে ৩ পানীয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং অন্ত্রের মধ্যে সম্পর্ক কোনো গোপন বিষয় নয়। বিজ্ঞানীরা গবেষণার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন যে, আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সিংহভাগই অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে বাস করে। বলা হয়ে থাকে যে, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রায় ৭০ শতাংশই অন্ত্রের প্রাচীরের মধ্যে অবস্থিত। সুতরাং, রোগের প্রতি শরীরের সংবেদনশীলতা কমাতে সর্বদা ভালো হজম স্বাস্থ্য এবং একটি সুস্থ অন্ত্র বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। প্রোবায়োটিক পানীয় হলো অন্ত্রের জন্য সেরা উপকারী খাবার, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে এবং রোগকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। কয়েকটি প্রোবায়োটিক পানীয়ের কথা জেনে নিন, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে- ১. অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার চা : অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার ওজন কমানো এবং ভালো হজমসহ অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য পরিচিত। এই মিষ্টি অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার চা ভালো প্রোবায়োটিক্সে ভরপুর, যা ভেতর থেকে অন্ত্রকে শক্তিশালী করে এবং অবশ্যই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। নিয়মিত এবং পরিমিত এই চা পান করলে তা আপনার হজমস্বাস্থ্য ভালো রাখবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করবে।   ২. লাচ্ছি : দই আরেকটি চমৎকার উপাদান যা একটি স্বাস্থ্যকর এবং প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক হিসেবে বিবেচিত হয়। দইকে মিষ্টি এবং সুস্বাদু লাচ্ছিতে রূপান্তরিত করলে কেমন হয়? আপনি খুব সহজেই বাড়িতে লাচ্ছি তৈরি করে খেতে পারবেন। তবে ভুলেও বাইরে খোলা দোকান থেকে লাচ্ছি কিনে খেতে যাবেন না। তাতে উপকারের বদলে অপকার বেশি হতে পারে। ৩. বাটারমিল্ক : বাটারমিল্ক সার্বিক সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত সুপারিশকৃত একটি পানীয়। এর মধ্যে বেশ কিছু শীতলকারী এবং হজম সহায়ক গুণ রয়েছে, যে কারণে এটি গ্রীষ্মকালে পান করার জন্য সেরা স্বাস্থ্যকর পানীয়। নিয়মিত বাটারমিল্ক খেলে তা আপনার হজমক্ষমতা উন্নত করে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা অনেকটাই জোরদার করতে পারে। ধাপে ধাপে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলুন। এই পানীয়গুলো আপনাকে শুধু একটি সুস্থ পরিপাকতন্ত্রই নয়, বরং একটি শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতেও অনেক সাহায্য করবে।

আপনার সঙ্গী কি নার্সিসিস্ট?

আপনার সঙ্গী কি নার্সিসিস্ট? প্রেমের সম্পর্ক কিংবা সংসার সামলানো-সব ক্ষেত্রেই একক প্রচেষ্টার চেয়ে দুজনের সম্মিলিত উদ্বেগ দরকার হয়। অর্থাৎ সঙ্গীর সহযোগিতা-সহমর্মিতা-সমর্থন প্রয়োজন হয়। একসঙ্গে পথ চলতে চলতে যদি দেখেন কেবল আপনি দিয়ে যাচ্ছেন, আর অপরপক্ষ কেবল গ্রহণ করছে তাহলে সচেতন হোন। সঙ্গী আত্মতুষ্টিতে ভোগেন কিনা, আপনাকে কথায় কথায় ছোট করে কিনা তাও সচেতনভাবে লক্ষ্য করুন। এমনটা হতে থাকলে বুঝতে হবে আপনার সঙ্গী নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডারের শিকার। অতিরঞ্জিত আত্মতুষ্টি : নার্সিসিস্ট মানুষ নিজের সম্পর্কে অবাস্তব ও উঁচু ধারণা পোষণ করেন। নিজের কাজ, রূপ-গুণে অতিমুগ্ধ থাকেন। নিজেদের যোগ্যতা বা সাফল্যকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে জাহির করেন এবং নিজেকে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করেন। অন্যকে ছোট করা : এ ডিজঅর্ডারে আক্রান্তরা অন্যকে ছোট করে, অপমান করে আনন্দ পান। তারা তাদের সঙ্গী, আশপাশের মানুষের আত্মবিশ্বাস গুঁড়িয়ে দিতে চেষ্টা চালিয়ে যান। অন্যের ব্যর্থতায়, কষ্টে আনন্দ পান। নার্সিসিস্টরা হিংসুক প্রকৃতির হয়ে থাকেন। সহমর্মিতার অভাব : নার্সিসিস্টদের আচরণের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সহমর্মিতার অভাব। আপনার দুঃখ, কষ্ট বা কঠিন সময়ে সহানুভূতি তো দেখাবেই না, বরং আপনাকে আগের চেয়ে বেশি দুঃখী করে তুলতে পারে। তারা ভালো শ্রোতা হন না, বরং নিজের কথা বলতেই বেশি পছন্দ করেন। প্রশংসার তীব্র আকাঙ্ক্ষা : তারা যে কাজই করুক না কেন, তার জন্য প্রশংসা প্রত্যাশা করেন। পাশাপাশি বিশেষ মনোযোগ পাওয়ার আশা করেন। প্রশংসা না পেলে তারা রাগান্বিত হন। সমালোচনা সহ্য করতে না পারা : আপনার সঙ্গী যদি সমালচনা সহ্য করতে না পারে তাহলে অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলো মিলিয়ে নিন। কেননা নার্সিসিস্টরা নেতিবাচক মতামত গ্রহণ করতে পারে না। বরং চরমভাবে প্রতিক্রিয়া দেখান, রেগে যান বা আক্রমণাত্মক হন। মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা : নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডারে আক্রান্তরা নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ প্রত্যাশা করেন। সকলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকতে চান। তারা যদি প্রশংসা, নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ না পান তাহলে ক্ষেপে যান। ক্রোধ প্রকাশ করেন। আবার কখনো ক্রোধ সরাসরি প্রকাশ না করে মনে মনে ফুঁসতে থাকেন।

লো ব্লাড প্রেসার কখন ভয়ের কারণ হতে পারে

লো ব্লাড প্রেসার কখন ভয়ের কারণ হতে পারে লো ব্লাড প্রেসার এমন একটি অবস্থা যেখানে রক্তচাপ (বিপি) স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম থাকে। এটি নিজে থেকেই একটি সমস্যা হতে পারে অথবা অন্য কোনো স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ হিসেবেও দেখা দিতে পারে। সাধারণত এর কোনো লক্ষণ থাকে না, কিন্তু যদি থাকে, তবে আপনার ডাক্তারের সাহায্য নেওয়া উচিত। লো ব্লাড প্রেসার কি দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে? লো ব্লাড প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপ সাধারণত ক্ষতিকর নয়, যদি না এমন কোনো উপসর্গ থাকে যা উদ্বেগের কারণ হতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে হাইপোটেনশন নামক একটি অবস্থা থাকতে পারে, এবং এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করতে পারে। এটি রক্তচাপ ৯০/৬০ mmHg-এর কম হলে ঘটে থাকে। নিম্ন রক্তচাপ বা হাইপোটেনশন দৈনন্দিন কাজকর্ম এবং সার্বিক সুস্থতাকে প্রভাবিত করতে পারে, বিশেষ করে যখন এটি লক্ষণীয় উপসর্গ তৈরি করে। অনেকের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে নিম্ন রক্তচাপ থাকে, অন্যরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন যা তাদের জীবনযাপনকে ব্যাহত করে। অ্যাবসোলিউট হাইপোটেনশন: যখন আপনার বিশ্রামকালীন রক্তচাপ ৯০/৬০ mmHg-এর নিচে থাকে। অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন: বসা অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়ানোর পর যখন আপনার রক্তচাপ তিন মিনিটের বেশি সময় ধরে কম থাকে। অবস্থান পরিবর্তনের সময় অল্প সময়ের জন্য রক্তচাপ কমে যাওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু এত দীর্ঘ সময়ের জন্য নয়। সিস্টোলিক (উপরের) রক্তচাপের ক্ষেত্রে এই পতন অবশ্যই ২০ mmHg বা তার বেশি এবং ডায়াস্টোলিক (নীচের) রক্তচাপের ক্ষেত্রে ১০ mmHg বা তার বেশি হতে হবে। এটি পোস্টুরাল হাইপোটেনশন নামেও পরিচিত, কারণ এটি শারীরিক ভঙ্গির পরিবর্তনের সঙ্গে ঘটে। সতর্কীকরণ লক্ষণ লো ব্লাড প্রেসারের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হলো মাথা ঘোরা বা হালকা বোধ করা, বিশেষ করে দ্রুত উঠে দাঁড়ালে। মস্তিষ্কে রক্ত ​​​​প্রবাহ সাময়িকভাবে কমে যাওয়ার কারণে এটি ঘটে। গুরুতর ক্ষেত্রে, এটি অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার (সিনকোপ) কারণ হতে পারে, যা পড়ে যাওয়া এবং আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। ক্রমাগত ক্লান্তি আরেকটি সাধারণ অভিযোগ, কারণ শরীর পর্যাপ্ত অক্সিজেন এবং পুষ্টি নাও পেতে পারে। অন্যান্য উপসর্গের মধ্যে রয়েছে ঝাপসা দৃষ্টি, বমি বমি ভাব, মনোযোগ দিতে অসুবিধা এবং সার্বিকভাবে দুর্বল বোধ করা। এগুলো কর্মক্ষমতা, মেজাজ এবং দৈনন্দিন কার্যকলাপের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে লো ব্লাড প্রেসারের কারণে ত্বক ঠান্ডা ও ফ্যাকাশে হয়ে যেতে পারে এবং হাঁটার সময় ভারসাম্যহীনতা বোধ হতে পারে। লো ব্লাড প্রেসারের কারণ কী? * ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশন অনুসারে, নিম্ন রক্তচাপের কারণগুলো হলো: * অবস্থানের পরিবর্তন, যেমন বসা বা শোয়া থেকে উঠে দাঁড়ানো (পারকিনসন্স রোগ এবং ইরেকটাইল ডিসফাংশনের ওষুধ পসচারাল হাইপোটেনশনের ঝুঁকি বাড়াতে পারে)। * খাওয়ার পর রক্ত পরিপাকতন্ত্রে প্রবাহিত হয়, এবং এর ফলে নিম্ন রক্তচাপ হতে পারে। * কিছু নির্দিষ্ট ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, যেমন উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ বা বিষণ্ণতার ওষুধ, সেইসাথে অন্যান্য ওভার-দ্য-কাউন্টার এবং ভেষজ পণ্য। * হার্ট ফেইলিওর, অ্যারিথমিয়া (হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিক ছন্দ), ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের সমস্যা এবং পারকিনসন্স রোগের মতো শারীরিক অসুস্থতা। * পানিশূন্যতা, রক্তদান বা গুরুতর আঘাতের কারণে রক্তচাপ কমে যেতে পারে। * সেপটিক শক (যখন কোনো সংক্রমণ থেকে ব্যাকটেরিয়া রক্তে প্রবেশ করে) এবং অ্যানাফাইল্যাকটিক শক (তীব্র অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া)-এর মতো জরুরি চিকিৎসাজনিত অবস্থার কারণে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যেতে পারে। * গর্ভাবস্থায় রক্তচাপ কমে যেতে পারে, যা বেশ সাধারণ এবং সাধারণত উদ্বেগের কারণ নয়। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, কিছু নির্দিষ্ট হৃদরোগ এবং অন্তঃস্রাবী গ্রন্থির সমস্যা রক্তচাপ কমিয়ে দিতে পারে, যেমন: * অস্বাভাবিকভাবে কম হৃৎস্পন্দন (ব্রাডিকার্ডিয়া) * হার্টের ভালভের সমস্যা * হার্ট অ্যাটাক * হার্ট ফেইলিওর * থাইরয়েড গ্রন্থির নিষ্ক্রিয়তা * অ্যাডিসন রোগ * রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যাওয়া * ডায়াবেটিস। কখন রক্তচাপ কমে যাওয়া উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়? হালকা রক্তচাপ কমে যাওয়া সবসময় বিপজ্জনক নাও হতে পারে, কিন্তু যখন লক্ষণগুলো ঘন ঘন, তীব্র বা হঠাৎ দেখা দেয়, তখন এটি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর কারণ হলো এটি পড়ে যাওয়া এবং আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে; গুরুতর ক্ষেত্রে এটি হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক এবং কিডনিকে প্রভাবিত করতে পারে। মস্তিষ্ক এবং অন্যান্য অঙ্গে রক্ত ​​​​প্রবাহ পর্যাপ্ত না হলে নিম্ন রক্তচাপ সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, যার ফলে মাথা ঘোরা, মাথা হালকা লাগা, ঝাপসা দৃষ্টি, দুর্বলতা, ক্লান্তি, বমি বমি ভাব এবং অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়, বিশেষ করে যখন কোনো ব্যক্তি দ্রুত উঠে দাঁড়ান। কারও কারও ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি, ঠান্ডা বা স্যাঁতসেঁতে ত্বক এবং দ্রুত বা অগভীর শ্বাস-প্রশ্বাসও অনুভব হতে পারে। ‘জার্নাল অফ হাইপারটেনশন’-এ প্রকাশিত ২০২০ সালের একটি গবেষণায় ১১,০০০ রোগীর উপর পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে স্ট্রোকের ঠিক পরেই নিম্ন রক্তচাপ থাকলে তা আরোগ্য লাভে বাধা সৃষ্টি করে।

মালাই লাচ্ছি তৈরির রেসিপি জেনে নিন

মালাই লাচ্ছি তৈরির রেসিপি জেনে নিন গরমে একগ্লাস ঠান্ডা লাচ্ছি হলে আর কী চাই! তার সঙ্গে যদি যোগ হয় মালাই, তাহলে তো কথাই নেই। অল্প কয়েকটি উপকরণ দিয়ে ঘরে বসে খুব সহজেই তৈরি করে নিতে পারবেন মালাই লাচ্ছি। এই গরমে প্রাণ জুড়াতে চলুন জেনে নেওয়া যাক মালাই লাচ্ছি তৈরির সহজ রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে : টক দই- ২ কাপ ঠান্ডা তরল দুধ- ১/২ কাপ চিনি- ৪-৫ টেবিল চামচ মালাই/ক্রীম- ১/২ কাপ এলাচ গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ বরফ কুচি- ১ কাপ বাদাম কুচি- পরিমাণমতো। যেভাবে তৈরি করবেন : ব্লেন্ডারে টক দই, ঠান্ডা দুধ, চিনি, মালাই, এবং বরফ কুচি দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। মসৃণ মিশ্রণ তৈরি হলে তাতে এলাচ গুঁড়া মেশান। লাচ্ছি গ্লাসে ঢেলে উপর থেকে কিছুটা মালাই দিয়ে দিন। এবার তার উপরে বাদাম কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন ঠান্ডা ঠান্ডা মালাই লাচ্ছি।

কাঁচা আমের শরবত তৈরির রেসিপি জেনে নিন

কাঁচা আমের শরবত তৈরির রেসিপি জেনে নিন গরমে প্রাণ জুড়াতে শরবতের বিকল্প কী? শরবত তো খাবেনই, আর তা যদি হয় কাঁচা আমের তৈরি, তাহলে তো আরও বেশি সুস্বাদু হয়ে উঠবে। আপনি কি জানেন, কাঁচা আম দিয়ে খুব সহজেই সুস্বাদু শরবত তৈরি করা যায়। এটি তৈরি করা খুবই সহজ। সেজন্য আপনার প্রয়োজন হবে অল্প কিছু উপকরণ ও খানিকটা সময়। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কাঁচা আমের শরবত তৈরির রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে : কাঁচা আম- ১টি পুদিনা পাতা- ১ মুঠো চিনি- ২-৩ টেবিল চামচ বিট লবণ- আধা চা-চামচ জিরা গুঁড়া- সামান্য ঠান্ডা পানি- পরিমাণমতো। যেভাবে তৈরি করবেন : প্রথমে কাঁচা আম খোসসহ সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ হয়ে গেলে খোসা ছাড়িয়ে আমের পাল্পটুকু বের করে নিন। এবার সেই বের করে নেওয়া আমের পাল্পের সঙ্গে বাকি সব উপকরণ দিয়ে ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। ব্লেন্ড হয়ে গেলে পরিবেশন গ্লাসে ঢেলে তার সঙ্গে বরফ কুচি মিশিয়ে পরিবেশন করুন।

প্রায়ই বাইকে তেল নেওয়ার পরই আগুন লাগছে, সতর্ক হবেন যেভাবে

প্রায়ই বাইকে তেল নেওয়ার পরই আগুন লাগছে, সতর্ক হবেন যেভাবে তেল নেওয়ার পরই অনেক ক্ষেত্রে বাইক স্টার্ট দিতে গিয়ে আগুন ধরে যাচ্ছে। জ্বালানি সংকট বা মূল্যবৃদ্ধির সময় পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নেওয়া এখন অনেকের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা। তবে উদ্বেগজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, তেল নেওয়ার পরই অনেক ক্ষেত্রে বাইক স্টার্ট দিতে গিয়ে আগুন ধরে যাচ্ছে। এই ধরনের দুর্ঘটনা শুধু বাইকের ক্ষতি নয়, চালকের জীবনও ঝুঁকিতে ফেলে। তাই এর কারণ ও প্রতিরোধের উপায় জানা জরুরি। কেন তেল নেওয়ার পর আগুন লাগে? জ্বালানি বাষ্পের ঝুঁকি : পেট্রোল অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ। তেল নেওয়ার সময় বা তার পরপরই বাইকের চারপাশে পেট্রোলের বাষ্প ছড়িয়ে থাকে। এই বাষ্প খুব সহজেই আগুন ধরে ফেলতে পারে। স্টার্ট দেওয়ার সময় স্পার্ক : বাইক স্টার্ট দেওয়ার সময় ইঞ্জিনে ইলেকট্রিক স্পার্ক তৈরি হয় এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু আশপাশে যদি পেট্রোলের বাষ্প থাকে, তাহলে এই ছোট স্পার্ক থেকেই আগুন লেগে যেতে পারে। তাই বিষয়টি একেবারেই অমূলক নয়, বাস্তব ঝুঁকি। তেল ছিটকে পড়া বা লিকেজ: অনেক সময় তেল নেওয়ার সময় ট্যাংক থেকে তেল ছিটকে পড়ে বা ঢাকনা ঠিকমতো লাগানো হয় না। এই তেল গরম ইঞ্জিন বা এক্সস্ট পাইপের সংস্পর্শে এলে আগুন ধরতে পারে। অতিরিক্ত তেল ভরা :ট্যাংক পুরোপুরি ভরে ফেললে তেল উপচে পড়ে বাইকের গায়ে বা মাটিতে পড়ে যেতে পারে, যা পরে আগুনের কারণ হয়। ইঞ্জিন গরম থাকা : দীর্ঘ সময় চালানোর পর কিংবা রোদে দীর্ঘসময় থাকার ফলে ইঞ্জিন গরম থাকে। সেই অবস্থায় তেল নিলে তেলের বাষ্প দ্রুত তৈরি হয় এবং আগুন লাগার ঝুঁকি বাড়ে।