জেনে নিন সবজি পরোটা তৈরির রেসিপি

জেনে নিন সবজি পরোটা তৈরির রেসিপি পরোটা তৈরি করা যায় নানাকিছু দিয়ে। আপনি নিশ্চয়ই আলু পরোটা কিংবা কিমা পরোটা খেয়েছেন? তবে চাইলে সবজি দিয়ে তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু পরোটা। এটি তৈরি করতে খুব বেশি সময় লাগে না, আবার উপকরণও লাগে কম। সকাল কিংবা বিকেলের নাস্তায় তৈরি করতে পারেন সবজি পরোটা। চলুন জেনে নেওয়া যাক রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে গাজর কুচি- ১ কাপ বরবটি কুচি- আধা কাপ পেঁয়াজ কুচি- ২-৩টি আলু সেদ্ধ- ২টি গরম মশলা- ১/২ চা চামচ হলুদের গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ কাঁচা মরিচ- ২ টি ধনিয়া পাতা কুচি- ২ চা চামচ। ডো তৈরি করতে যা লাগবে ময়দা- ১ কাপ লবণ- স্বাদমতো তেল- ১ চা চামচ পানি- পরিমাণমতো। যেভাবে তৈরি করবেন প্যানে ১/২ চা চামচ তেল নিয়ে গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি, গাজর কুচি, বরবটি কুচি, গরম মসলা, হলুদের গুঁড়া, ধনিয়া পাতা ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে ভেজে নিন। তারপর নামিয়ে ফেলুন। ম্যাশড আলু মিশিয়ে নিন। একটি পাত্রে ডো তৈরির সব উপকরণ মিশিয়ে ভালো করে ডো তৈরি করে ২০ মিনিট রেখে দিন। এবার ডো থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে মোটা রুটির মতো বেলে নিন। এরপর একেকটির মধ্যে পুর ভরে গোল বড় বল তৈরি করুন। এবার পরোটা বেলে নিন। এবার ভেজে গরম গরম পরিশেবন করুন।
বাসায় গ্যাস সংকটে রান্নার বিকল্প উপায়

বাসায় গ্যাস সংকটে রান্নার বিকল্প উপায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় আমরা সরকারি লাইনের বা এলপি গ্যাস ব্যবহার করে থাকি। বছরের অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে শীত মৌসুমে এর ব্যবহার বেড়ে যায়। এই অবস্থায় অনেক সময় লাইনের গ্যাসের চাপ কমে যায়। মাঝেমধ্যেও একেবারেই থাকে না। কখনো কখনো বাসায় রাখা এলপি গ্যাস শেষ হয়ে যায়। তখন রান্না নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। তবে, এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। আজ আপনাদের জানাব, বাসায় গ্যাস না থাকলে বিকল্প উপায়ে কীভাবে রান্না করা যায়। ইন্ডাকশন চুলা : গ্যাস না থাকলে সবচেয়ে আধুনিক ও দ্রুত সমাধান হলো ইলেকট্রিক বা ইন্ডাকশন চুলা। বিশেষ করে ইন্ডাকশন কুকার ২৫-৫০ শতাংশ দ্রুত সময়ে রান্না সম্পন্ন পারে। এটি সরাসরি পাতিলের তলায় তাপ দেয় বলে খাবার দ্রুত সেদ্ধ হয়। এতে আগুনের ঝুঁকিও কম। বাড়িতে ছোট শিশু থাকলে এটি তাদের জন্য নিরাপদ। তবে, মনে রাখতে হবে, ইন্ডাকশন চুলার জন্য ম্যাগনেটিক বা ধাতব তলাযুক্ত পাত্র ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। রাইস কুকার : নাম রাইস কুকার হলেও এটি কার্যত একটি মাল্টি কুকার। গ্যাস না থাকলে ডিম সেদ্ধ, স্যুপ বানানো, নুডলস রান্না কিংবা সবজি ও মাছ ভাপানোর কাজে এটি দারুণ উপযোগী। একটু সৃজনশীল হলে রাইস কুকারেই বিরিয়ানি বা খিচুড়ি রান্না করা সম্ভব। তবে পরিমাপ ঠিক রাখা জরুরি। এয়ার ফ্রায়ার ও ওভেন : এয়ার ফ্রায়ার ও ওভেনকেও বলা যায় ঝামেলাহীন ও স্বাস্থ্যকর সমাধান। এয়ার ফ্রায়ারে তেল ছাড়াই মাছ-মাংস ভাজা বা সবজি রোস্ট করা যায়। ওভেনে চিকেন রোস্ট, বিস্কুট কিংবা পাউরুটি সবই তৈরি করা সম্ভব। হবেও রেস্তোরাঁ মানের স্বাদ। যারা ডায়েট করেন, তাদের জন্য এগুলো গ্যাসের চুলার ভালো বিকল্প। অভ্যাস না থাকলে এই সংকটের সময়ই ওভেনে রান্না শেখার সুযোগ। গ্যাসের বদলে মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার করেও সবজি সেদ্ধ, ডিম পোচ কিংবা খাবার গরম করা যায় খুব দ্রুত। এ ছাড়া স্লো কুকারে দীর্ঘ সময় ধরে রান্না করা পদ, যেমন ডাল বা নেহারি, সহজেই তৈরি করা যায়। আর একদম জরুরি অবস্থায় বিদ্যুৎ না থাকলে বাইরে চারকোল গ্রিল বা কাঠ-কয়লার চুলায় বারবিকিউ স্টাইলে রান্না সেরে নেয়া যায়। যখন কোনো উপায়ই কাজ করে না, তখন ফলমূল, পাউরুটি-জ্যাম কিংবা সালাদের মতো খাবার বেছে নেয়াই ভালো। এগুলো পুষ্টিকর এবং রান্নার ঝামেলা নেই বললেই চলে। তবে ইলেকট্রিক যন্ত্র ব্যবহারে কিছু সতর্কতা জরুরি। বিদ্যুৎ-সংযোগ ত্রুটিপূর্ণ হলে আগুন বা শকের ঝুঁকি থাকে, তাই সঠিক ইনস্টলেশন ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ দরকার। রান্নার সময় অমনোযোগী হলে ইলেকট্রিক যন্ত্র থেকেও আগুন লাগতে পারে, তাই ব্যবহার শেষে অবশ্যই সুইচ বন্ধ করতে হবে। গরম কয়েল বা পাত্র স্পর্শ করলে হাত পুড়ে যেতে পারে। সুইচ বন্ধ করার পরও কিছুক্ষণ এগুলো গরম থাকে এটি মনে রাখতে হবে। গ্যাস না থাকলেও রান্নাঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা জরুরি, যাতে ধোঁয়া ও বাষ্প বের হতে পারে। বাড়ির বিদ্যুৎ-সংযোগ ও তারের ক্ষমতার সঙ্গে মানানসই চুলা বা ওভেন কিনতে হবে। আর পোশাক বা কাপড় থেকে আগুন লাগার ঝুঁকি থাকায় সব সময় সতর্ক থাকা জরুরি।
৩ সহজ উপায় পরিশ্রম ছাড়া নারকেল কোরানোর

৩ সহজ উপায় পরিশ্রম ছাড়া নারকেল কোরানোর এই শীতে পিঠা বানানোর কথা ভাবছেন? তাহলে মাথায় রাখুন নারকেল ছাড়া পিঠাপুলির পূর্ণ স্বাদ পাওয়া যায় না। কিন্তু নারকেল কোরাতে অনেকের বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয়। আবার কারো কারো বাসায় কোরানোর দা বা মেশিনও থাকে না। তাহলে কী করবেন? বলছি। সহজ কিছু কৌশল জানলে অল্প সময়ে নারকেল কোরানো যাবে। সেদ্ধ করে নিন নারকেল ফুটন্ত পানিতে মিনিট দশেক ভিজিয়ে রাখুন। গরম পানিতে মিনিটে পাঁচেকের জন্য সেদ্ধও করতে পারেন। এতে নারকেলের খোলা নরম হয়ে আসবে। ভারী কিছু দিয়ে অল্প টোকা মারলেই ভেঙে যাবে। পাশাপাশি নারকেলের শাঁসও নরম হয়ে যাবে। চামচ দিয়ে টানলেই শাঁস উঠে আসবে। এর পর ওই শাঁস ব্লেন্ড করে নিতে পারেন। ফ্রিজে রেখে দিন নারকেল দুই টুকরো করে ফ্রিজে দুই দিন রেখে দিন। দুই দিন পর দেখবেন নারকেলের মালা থেকে শাঁস বেরিয়ে আসছে। নারকেলের শাঁস ছুরির সাহায্যে বের করে নিন। কিংবা ভারী কিছু দিয়ে টোকা মারুন। খোলা ভেঙে শাঁস বেরিয়ে আসবে। তারপরে ফুড প্রসেসরে দিয়ে নারকেল প্রস্তুত করে নিন। পরিশ্রম ছাড়াই নারকেল কোরাতে পারবেন। মাইক্রোওভেনের সাহায্য নিন নারকেলের মালাগুলো ৩০ সেকেন্ডের জন্য মাইক্রোওভেনে ঘুরিয়ে নিন। যদি দেখেন খোসা থেকে শাঁস বেরিয়ে আসছে, তাহলে মাইক্রোওভেন বন্ধ করে দিন। যদি তা না হয়, তাহলে আরও ২-৩ বার ৩০ সেকেন্ড করে মাইক্রোওভেনে ঘুরিয়ে নিন। তবে, বেশি গরম করবেন না। শাঁস খোলা থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করলে মাইক্রোওভেন বন্ধ করে দিন। ছুরি বা চামচের সাহায্যে শাঁস বের করে ব্লেন্ডারের সাহায্যে পিঠার জন্য নারকেল প্রস্তুত করে নিন।
৫ বছরের কম বয়সী শিশুরা দিনে কতগুলো ডিম খেতে পারবে?

৫ বছরের কম বয়সী শিশুরা দিনে কতগুলো ডিম খেতে পারবে? ডিমকে একটি সম্পূর্ণ খাদ্য হিসাবে উল্লেখ করা হয় এবং এর কারণটি পুরোপুরি যুক্তিসঙ্গত। এটি সাশ্রয়ী, রান্না করা সহজ এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণে ভরপুর, বিশেষ করে শিশুর বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য। তবে ছোট শিশুদের বাবা-মায়েদের জন্য, একটি সাধারণ প্রশ্ন বারবার আসে, ৫ বছরের কম বয়সী বাচ্চারা প্রতিদিন কতগুলো ডিম খেতে পারে? ডিম কেন শিশুদের জন্য ভালো ডিম ক্রমবর্ধমান শিশুদের জন্য একটি পুষ্টির শক্তি। ডিম উচ্চমানের প্রোটিন, উপকারী চর্বি, প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থে ভরপুর যা মস্তিষ্কের বিকাশ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং শারীরিক বৃদ্ধিকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। ডিমে পাওয়া সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পুষ্টি উপাদানের মধ্যে একটি হলো কোলিন, যা স্মৃতিশক্তি এবং মস্তিষ্কের দক্ষতা উন্নত করার জন্য পরিচিত, বিশেষ করে শৈশবের প্রথম দিকে যখন মস্তিষ্কের বিকাশ তার সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। ডিম ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ তাই শিশুদের খাবার হিসেবে এটি বেশ কার্যকরী। ভিটামিন ডি হাড়ের বৃদ্ধি, ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং বি ভিটামিনের সঙ্গে শক্তি বিপাক সহায়তার ভূমিকা পালন করে। যেহেতু ডিম নরম এবং ভালোভাবে রান্না করলে চিবানো সহজ, তাই শিশুদের জন্য এটি উপযুক্ত। ৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য প্রতিদিন কতগুলো ডিম নিরাপদ? প্রতিদিন কতগুলো ডিম খাওয়া উচিত তা শিশুর বয়স এবং খাদ্যতালিকা দ্বারা নির্ধারিত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে ১ থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুরা প্রতিদিন অর্ধেক থেকে একটি ডিম খেতে পারে, যেখানে ৪ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রতিদিন একটি সম্পূর্ণ ডিম নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর। শিশুদের পেট ছোট এবং তাদের খাবার থেকে বঞ্চিত বোধ না করার জন্য তাদের সবকিছুই খাওয়ানো উচিত। কোনো একটি খাবার যত পুষ্টিকরই হোক না কেন তা দিয়ে পেট ভরিয়ে রাখলে শিশুরা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদানের প্রতি আকাঙ্ক্ষা পোষণ করতে পারে না। শিশুরা কি প্রতিদিন ডিম খেতে পারে? হ্যাঁ, প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে ডিম খাওয়া যেতে পারে। তবে, ফল, শাক-সবজি, গোটা শস্য, ডাল এবং দুগ্ধজাত খাবারের সমন্বয়ে একটি সুষম খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। ছোট শিশুদের পুষ্টির জন্য কেবল ডিমই যথেষ্ট নয়। খাদ্যতালিকাগত বৈচিত্র্য নিশ্চিত করে যে শিশুরা ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিভিন্ন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট পাচ্ছে যা ডিম তাদের সরবরাহ করে না।
শীতকালে বিভিন্ন রঙের আলোর দেশ গ্রিনল্যান্ড

শীতকালে বিভিন্ন রঙের আলোর দেশ গ্রিনল্যান্ড যে দেশে শীতকালে আকাশে বিভিন্ন রঙের আলো দেখা যায়— সেই দেশটির নাম গ্রিনল্যান্ড। দেশটি ন্যাটো জোটভুক্ত এবং ডেনমার্কের একটি আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। ডেনমার্ক- রাজ্যের একটি অঙ্গ হয়েও দেশটি ১৯৭৯ সাল থেকে স্বদেশের শাসন উপভোগ করছে। এ দেশের বেশির ভাগ ভূখণ্ড আর্কটিক অঞ্চলে পড়েছে। অনুত্তোলিত প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এই অঞ্চল। আর্কটিকের বরফ গলতে শুরু করায় এ অঞ্চলটি বাণিজ্যের অন্যতম ক্ষেত্র হিসেবে রূপান্তর হয়েছে। এখন এই অঞ্চল দিয়ে আরও বেশি জাহাজ চলাচল করছে। বিস্তৃতির দিক দিয়ে গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের দ্বাদশতম বৃহত্তম দেশ হলেও এর জনসংখ্যা একটি ছোটো শহরের তুলনায় অনেক কম। গ্রিনল্যান্ডের জনসংখ্যা মাত্র ৫৮ হাজার। আর দেশটির নাম গ্রিনল্যান্ড হলেও এখানকার ৮৫ শতাংশ এলাকা তুষারে ঢাকা। বিভিন্ন স্থানে হিমবাহের উপস্থিতির কারণে এই দেশটিকে খুব শুভ্র সুন্দর দেখায়। গ্রিনল্যান্ডে শীতকালে রাতের আকাশে নানা রঙ দেখা যায় গ্রিনল্যান্ডে কোনো রেল ব্যবস্থা নেই। এখানে সাধারণ গাড়ির চেয়ে নৌকা বা হেলিকপ্টার বেশি চলে।বেশিরভাগ মানুষই এখানে হেলিকপ্টার বা কুকুরে টানা স্লেজ গাড়িতে ভ্রমণ করেন। শুনে অনেকেই অবাক হতে পারেন যে, এই দেশে গ্রীষ্মকালে সূর্য অস্ত যায় না। মানে স্থানীয় সময় অনুযায়ী মধ্যরাতেও গ্রিনল্যান্ডে সূর্যের দেখা পাওয়া যায়। এর পরেও এখানে তাপমাত্রা শূন্য থেকে চার ডিগ্রির মধ্যে থাকে। দেশটির নিজস্ব কোনো মুদ্রা নেই। এটি ডেনমার্কের মুদ্রা ব্যবহার করে। উল্লেখ্য, ভাবা হয় মানুষ প্রথম গ্রিনল্যান্ড-এ পৌঁছেছিল খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ সালের দিকে। প্রথম বসতি গড়া বংশধররা সম্ভবত বিলুপ্ত গেছে। পরে বেশ কয়েকটি গোষ্ঠী উত্তর আমেরিকা মহাদেশ থেকে এখানে এসে বসবাস করতে শুরু করে।
জেন-জিদের জীবনের ৬ বৈশিষ্ট্য

জেন-জিদের জীবনের ৬ বৈশিষ্ট্য জেন-জি হলো প্রথম প্রজন্ম যারা জন্ম থেকেই ডিজিটাল প্রযুক্তি দেখে বড় হয়েছেন। তাদের কাছে ইন্টারনেট, স্মার্টফোন, এবং অনলাইন যোগাযোগ হল স্বাভাবিক জীবন যাত্রার অংশ। অন্যান্য প্রজন্মের মতো ডায়াল-আপ বা পুরনো মোবাইল ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা তাদের নেই; প্রযুক্তি সবসময়ই তাদের জীবনের স্বাভাবিক অংশ। জীবন সম্পর্কে তাদের রয়েছে দারুণ দারুণ ভাবনা। বিশ্বকে ‘নিরাপদ’ মনে করে না বেশিরভাগ জেন জি এমন একটি বিশ্বে বেড়ে উঠেছে যেটিতে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস, যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা দীর্ঘ সময় ধরে রয়েছে। তাই তারা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হলেও, এটাই তাদের জন্য স্বাভাবিক। ২০০৭ সালে তারা বৈশ্বিক আর্থিক মন্দা দেখেছে এবং অর্থনৈতিকভাবে সংযত হয়েছে। তারা সহানুভূতিশীল এই প্রজন্ম অনেক বেশি বহুমাত্রিক। এরা ও ভিন্নতাকে স্বীকৃতি দেয়। জেন জিদের কাছে সামাজিক ভিন্নতা, যেমন—লিঙ্গ পরিচয়, জাতিগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য) স্বাভাবিক জিনিস, আর তারা বহু ক্ষেত্রে সামাজিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকারকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। তারা স্বাস্থ্য-সচেতন জেন জিদের আগের প্রজন্মগুলোর মতো খারাপ খাদ্যাভ্যাস পছন্দ করে না। তারা সাধারণত স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নির্বাচন করে, ধূমপান ও অ্যালকোহল গ্রহণ কম করে এবং ফিটনেস ও সুস্থতা-সম্পর্কিত অভ্যাসের দিকে বেশি মনোযোগী। তারা জানে ডিজিটাল কমিউনিকেশন কীভাবে কাজ করে জেন জিরা জানে যে ডিজিটাল কমিউনিকেশন কীভাবে কাজ করে, ওয়েব-এ কিছু কখনোই সম্পূর্ণ মুছে যায় না। তাই তারা সাধারণত ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে প্রকাশ না করে সাবধানে রাখতে পছন্দ করেন, এবং জনপ্রিয়তা বা সামাজিক সিদ্ধান্তে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করতে চান। উদ্যোক্তা মনোভাবাপন্ন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত আর্থিক সংকট দেখার ফলে জেন জিরা ভবিষ্যতের জন্য বেশি বাস্তববাদী ও আত্মনির্ভরশীল। অনেকেই চাকরির বদলে নিজেদের উদ্যোগ শুরু করতে চান বা নিজেদের ব্যবসা বানাতে আগ্রহী। তারা আর্থিক স্থিতিশীলতা ও স্বাধীনতা চান। নিজের ব্র্যান্ড তৈরিতে উৎসাহী পরিবার গঠনের সময় পরিবর্তিত হয়েছে এবং অনলাইন পরিচিতি, নিজের ব্র্যান্ড তৈরির দিকে উৎসাহী। অর্থাৎ শৈশব ও প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের রেখা নতুন রূপ নিয়েছে।
শীতে ভিটামিন ডি পেতে কখন রোদে বসবেন?

শীতে ভিটামিন ডি পেতে কখন রোদে বসবেন? শীতকাল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা সবাই সূর্যের আলোর জন্য মুখিয়ে থাকি। শীতের তীব্রতা থেকে মুক্তি পেতে রোদে আরও বেশি সময় ব্যয় করার চেষ্টা করি। এই সূর্যের আলো আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চাহিদাগুলোর মধ্যে একটি পূরণ করতে অবদান রাখে, তা হলো ভিটামিন ডি উৎপাদন। বিশ্বজুড়ে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, ঠান্ডা মাসগুলো এই পরিস্থিতিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। নিম্ন-তাপমাত্রার দিনগুলোতে সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন ডি পাওয়ার সর্বোত্তম সময়টি জানা গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ের পাশাপাশি, আপনার শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি উৎপাদনের জন্য কতটা সূর্যের আলো যথেষ্ট তা সম্পর্কেও জানা প্রয়োজন। আপনার কতটা সূর্যের আলো প্রয়োজন? বেশিরভাগ সময় শীতকালে মুখ, বাহু বা পায়ের মতো শরীরের বিভিন্ন অংশ সরাসরি ২০ থেকে ৪০ মিনিট সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসার ফলে প্রয়োজনীয় পরিমাণে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। শীতকালে সূর্য থেকে নির্গত UVB রশ্মির প্রভাব গ্রীষ্মের তুলনায় কম থাকে, তাই যদি কেউ শীতকালে একই পরিমাণ ভিটামিন ডি পেতে চান, তাহলে তাদের রোদে দীর্ঘ সময় কাটাতে হবে। শীতকালে সূর্য থেকে ভিটামিন ডি পাওয়ার সেরা সময় সাধারণত, শীতকালে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সূর্য থেকে সর্বাধিক ভিটামিন ডি পাওয়ার সময়। শীতের ভোরে এবং শেষ বিকেলে সূর্যের রশ্মি খুব সংকীর্ণ কোণে আসে, যার অর্থ হলো এর বেশিরভাগ অংশ বায়ুমণ্ডল দ্বারা শোষিত হয় এবং পৃথিবীতে পৌঁছানো UVB রশ্মির তীব্রতা খুব কম। শীতকালে কম ভিটামিন ডি উৎপাদন শীতের মাসগুলোতে পৃথিবীর ঝোঁক উত্তর গোলার্ধকে সূর্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, যা UVB রশ্মির তীব্রতা হ্রাস করে। অপর্যাপ্ত UV রশ্মির কারণে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি উৎপাদনের জন্য আমাদের শরীরের সূর্যের সংস্পর্শে কিছুটা বেশি সময় প্রয়োজন। মেঘ, দূষিত বায়ু এবং মোটা পোশাকও ভিটামিন ডি উৎপাদনকে প্রভাবিত করে। যারা ঘরের ভেতরে থাকতে পছন্দ করেন এবং ঠান্ডার সময় বাইরে যেতে ইচ্ছুক নন তাদের ঘাটতির ঝুঁকি বেশি থাকে। ত্বকের রঙের ওপর নির্ভর করে গবেষণা অনুসারে, ত্বকের রঙ সরাসরি রোদে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সময়ের পরিমাণকে প্রভাবিত করে। ফর্সা ত্বকের ব্যক্তির জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি স্তর তৈরি করতে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মতো রোদে থাকা যথেষ্ট, তবে মাঝারি বা কালো ত্বকের ব্যক্তিদের ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সময় লাগে কারণ মেলানিন প্রাকৃতিক UV ফিল্টার হিসাবে কাজ করে। ভিটামিন ডি-এর জন্য পরিপূরক এবং খাবার শীতের দিনে শরীরে ভিটামিন ডি-এর মাত্রা অনেকটাই হ্রাস পায়, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করে। সেজন্য দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার যোগ করতে হবে। যেমন- ডিমের কুসুম, ফর্টিফাইড দুধ, মাশরুম, সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি। যাদের ভিটামিনের তীব্র ঘাটতি ধরা পড়ে এবং স্বাভাবিকভাবে অবস্থার উন্নতি করতে পারে না তাদের সম্পূরক গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে।
আর্চার মাছ রক্ষণাবেক্ষণে অ্যাকুরিয়ামের পরিবেশ কেমন হবে?

আর্চার মাছ রক্ষণাবেক্ষণে অ্যাকুরিয়ামের পরিবেশ কেমন হবে? অ্যাকুরিয়াম শুধু মাছ রাখার জায়গা নয়, কারও কাছে তার চেয়েও বেশি কিছু। পানির নিচের জগৎ, নিজের হাতে সেই অ্যাকুরিয়াম সাজানো, নির্দিষ্ট বাস্তুতন্ত্র বুঝে মাছ রাখা— এসবে আনন্দ খুঁজে পান অনেকেই। তাদের কাছে এ-ও যেন এক সৃষ্টি, নেশা, ভাললাগা। অ্যাকুরিয়ামের জন্য সবাই একটু অন্য রকম মাছ খোঁজেন। এমন শখ থাকলে বেছে নিন আর্চার মাছ, এটি দেখতে ভীষণ সুন্দর। তবে এর বৈশিষ্ট্য হলো মুখ দিয়ে পানি ছোড়া। প্রচণ্ড গতিতে মুখ দিয়ে পানি ছুড়তে পারে আর্চার মাছ। সে কারণেই তার এমন নামকরণ। অনেকেই বলেন, বিভিন্ন গবেষণাতেও উঠে এসেছে এই মাছ নাকি লোকজনের মুখ মনে রাখতে পারে। মূলত শিকার ধরার জন্যই মাছটি পানি ছুড়ে। পানির গতিতে ঘায়েল হয় ছোট পোকামাকড়। এই মাছের জন্য অ্যাকুরিয়ামের পরিবেশ কেমন হবে? – আর্চার মাছ সমুদ্রের মতো লবণাক্ত পানি বা পুকুরের মিষ্টি পানি, কোনোটিতেই থাকতে পারে না। এই মাছের জন্য প্রয়োজন তার মাঝামাঝি পানি। যা হালকা লবণাক্ত হবে। – এই মাছের জন্য বড় অ্যাকুরিয়ামের দরকার। দৈর্ঘ্যে ৫ ফুট, প্রস্থ ও উচ্চতায় দুই ফুটের অ্যাকুরিয়াম প্রয়োজন। কিংবা ৭৫ গ্যালন পানি ধরে, এমন অ্যাকুরিয়াম দরকার। – খাওয়ার বিষয়টা বেশ আলাদা। এই মাছ মুখ দিয়ে পানি ছুড়ে শিকারকে ঘায়েল করে খায়। ফলে আর্চার মাছের জন্য ছোট ছোট পোকামাকড়, লার্ভা, শুকনো প্ল্যাঙ্কটন দিতে হবে। – ছোট ছোট মাছেদেরও খেয়ে নেয় এই মাছ। এমনিতে শান্ত হলেও, বড় মাছের সঙ্গে রাখলে ঝামেলা হতে পারে। – ঠিকঠাকভাবে রাখতে পারলে আর্চার মাছ ৫-৮ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে। – ২২থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এই ধরনের মাছের জন্য আদর্শ।
অর্ডার করার ১৬ বছর পরে ফোন হাতে পেলেন ক্রেতা!

অর্ডার করার ১৬ বছর পরে ফোন হাতে পেলেন ক্রেতা! লিবিয়ার ত্রিপোলি শহরের এক মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী ২০১০ সালে নোকিয়া ফোন অর্ডার করেছিলেন, ফোনগুলো পেয়েছেন — প্রায় ১৬ বছর পর! কেন এতো দেরি হলো? ফোনগুলো ছিল পুরনো বার-টাইপের। যেমন ‘মিউজিক এডিশন’ এবং ‘ ফোন ও কমিউনিকেটর ’ মডেল, আর এগুলো একসময় খুব দামি ও আধুনিক ছিল। ২০১১ সালে লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ায় এই ফোনগুলোর চালান লিবিয়ার কোথাও আটকে যায় এবং দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর পর্যন্ত গুদামে পড়ে ছিল। ফোনগুলোর প্রেরক ও প্রাপক দুইজনই ত্রিপোলিতে থাকলেও গৃহযুদ্ধের কারণে এই চালান পৌঁছতে এত সময় লেগেছিল! এই ফোনগুলো খুলে দেখার মুহূর্তের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেছেন ওই দোকানদার। ভিডিওটি প্রচুর শেয়ার হচ্ছে, যেখানে দোকানদার হাসতে হাসতে বলছিলেন—‘‘এগুলো কি ফোন, নাকি ঐতিহাসিক নিদর্শন?” সূত্র: এনডিটিভি
৫ উপকারিতা জেনে নিন মটরশুঁটি খাওয়ার

৫ উপকারিতা জেনে নিন মটরশুঁটি খাওয়ার মটরশুঁটি প্রোটিন, ফাইবার এবং পুষ্টির একটি চমৎকার উৎস। এটি খেতেও সুস্বাদু। শীতের মৌসুমে মটরশুঁটি পাওয়া যায়। আপনি জেনে অবাক হতে পারেন যে মটরশুঁটি সবজি নয়। এটি শিম জাতীয়। মটরশুঁটি ছোলা, মসুর ডাল, মটরশুঁটি এবং চিনাবাদামের মতো একই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। তবুও, বেশিরভাগ মানুষ মটরশুঁটিকে সবজি হিসেবে গণ্য করে। মটরশুঁটির পুষ্টি মটরশুঁটির পুষ্টিগুণ নির্ভর করে আপনি কীভাবে তা প্রস্তুত করেন তার উপর। উদাহরণস্বরূপ, মাখন বা তেল দিয়ে মটরশুঁটি রান্না করলে চর্বি বৃদ্ধি পায়। সেদ্ধ করার চেয়ে ভাপিয়ে বেশি পুষ্টি সংরক্ষণ করা যায়। এমনকি আপনি কাঁচা মটরশুঁটিও খেতে পারেন। লবণ ছাড়া এক কাপ সেদ্ধ মটরশুঁটিতে ১৩৪ ক্যালোরি থাকে। এতে স্বাস্থ্যকর পুষ্টি উপাদান হলো: ৪১ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন কে ১০১ মাইক্রোগ্রাম ফোলেট ২৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি ২ মিলিগ্রাম জিঙ্ক ৬২ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম ২.৫ মিলিগ্রাম আয়রন। মটরশুঁটির স্বাস্থ্য উপকারিতা ১. শরীরকে শক্তিশালী করে : প্রতি কাপ মটরশুঁটিতে ৮ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এটি উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের একটি দুর্দান্ত উৎস। যারা নিরামিষ খাবার খান, তাদের জন্য মটরশুঁটি প্রোটিনের একটি ভালো উৎস হতে পারে। মটরশুঁটির প্রোটিন মাংস-ভিত্তিক প্রোটিন উৎসের তুলনায় হজম করা সহজ। প্রোটিন হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট যা পেশী, টিস্যু এবং অঙ্গ তৈরি এবং মেরামত করে। চুল, ত্বক, হাড় এবং পেশী গঠন করে। হরমোন এবং এনজাইম নিয়ন্ত্রণ করে। শক্তি সরবরাহ করে। ২. অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে : এক কাপ রান্না করা মটরশুঁটিতে প্রায় ৯ গ্রাম ফাইবার থাকে। এই ফাইবারের বেশিরভাগই অদ্রবণীয়, যা মল বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ করলে যন্ত্রণাদায়ক কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করা যায়। উদ্ভিদ উৎস থেকে প্রাপ্ত আঁশ প্রাকৃতিকভাবে অন্ত্রের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি করতে পারে। ৩. স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন বৃদ্ধি করে : প্রোটিন এবং ফাইবার ভাঙতে শরীর বেশি সময় নেয়, তাই নিয়মিত মটরশুঁটি খাওয়ার অভ্যাস স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন অর্জন করতে বা বজায় রাখতে সাহায্য করে। উচ্চ প্রোটিন, উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। যে কারণে বাড়তি খাবার খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা কমে আসে। ৪. প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে : মটরশুঁটি উদ্ভিদ-ভিত্তিক ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং পলিফেনল দিয়ে ভরা থাকে। এই পুষ্টিগুলো প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সুবিধা প্রদান করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো হলো শরীরের ফ্রি র্যাডিকেলের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা যা কোষ এবং টিস্যুকে ক্ষতি করতে পারে। ফ্রি র্যাডিকেলের কারণে প্রদাহ হৃদরোগ (হৃদরোগ), ক্যান্সার এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যগত অবস্থার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ৫. চোখ এবং ত্বককে রক্ষা করে : মটরশুঁটিতে লুটেইন এবং জিএক্সানথিনও বেশি থাকে। এই ক্যারোটিনয়েডগুলো মটরশুঁটিকে উজ্জ্বল সবুজ রঙ দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে যে লুটেইন এবং জিএক্সানথিন ক্ষতিকারক নীল আলো থেকে রক্ষা করে যা দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করতে পারে।