পুদিনা পাতার ভর্তা তৈরির রেসিপি

পুদিনা পাতার ভর্তা তৈরির রেসিপি পুদিনা পাতার স্বাদ ও গন্ধ অনেকের কাছেই প্রিয়। বিভিন্ন খাবারের স্বাদ ও সুঘ্রাণ বাড়াতে এই পাতা ব্যবহার করা হয়। এর সতেজ গন্ধ খাবারের রুচি বৃদ্ধি করে। আচ্ছা, আপনি কি কখনো পুদিনা পাতার ভর্তা খেয়েছেন? গরম ভাতে এই পাতার ভর্তা হলে জমে যায় বেশ। চলুন জেনে নেওয়া যাক পুদিনা পাতার ভর্তা তৈরির সহজ রেসিপি-তৈরি করতে যা লাগবে পুদিনা পাতা- ২ মুঠি পেঁয়াজ- ২টি কাঁচা মরিচ- স্বাদমতো লেবুর রস- ১ চা চামচ সরিষার তেল- ১ টেবিল চামচ লবণ- স্বাদমতো। যেভাবে তৈরি করবেন : পুদিনা পাতার ডাটা ফেলে শুধু পাতাগুলো নিন। এরপর ভালো করে ধুয়ে নিয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে মাখিয়ে নিতে পারেন। অথবা চাইলে হালকা ভেজে নিয়ে পাটায় বেটে বা ব্লেন্ডও করে নিতে পারেন। এভাবে ঝটপট তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু পুদিনা পাতার ভর্তা।
ত্বক তৈলাক্ত, শুষ্ক না স্পর্শকাতর

ত্বক তৈলাক্ত, শুষ্ক না স্পর্শকাতর রূপচর্চা করতে হয় ত্বকের ধরন অনুযায়ী। আবার ত্বক বুঝেই প্রসাধনী মাখতে হয়। নয়তো যত নামী ব্র্যান্ডের দামি প্রসাধনী মাখেন না কেন, আশানুরূপ কোনো পরিবর্তন চোখে পড়বে না। কালচে দাগ দূর হবে না, ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়বে না। তাই প্রসাধনী কেনার আগে নিজের ত্বকের ধরন জেনে নিন। কিন্তু খালি চোখে দেখে কি ত্বকের ধরন বোঝা সম্ভব? ত্বকের চিকিৎসকরা বলছেন, ত্বকের মোটামুটি পাঁচটি আলাদা আলাদা ধরন হতে পারে। যেমন- তেলতেলে ত্বক, শুষ্ক ত্বক, স্বাভাবিক ত্বক, কম্বিনেশন ত্বক ও সেনসিটিভ ত্বক। বাইরে থেকে বিশেষ কিছু লক্ষণ দেখে ত্বকের ধরন বোঝা সম্ভব। ব্লটিং পেপার টেস্ট ত্বকের ধরন কেমন, তা বোঝার জন্য ব্লটিং পেপার ব্যবহার করতে পারেন। সকালে ঘুম থেকে উঠার পর ত্বকের বিভিন্ন জায়গায় ব্লটিং পেপার রাখুন। ত্বকের নিজস্ব তেল বা সেবামের পরিমাণ কেমন তা লক্ষ্য করুন। মুখে কাগজ স্পর্শ করানোর সঙ্গে সঙ্গেই যদি তা তেলতেলে হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত। যদি নাক ও তার আশপাশের অংশ থেকে ব্লটিং পেপারে তেল লাগে, তাহলে আপনি কম্বিনেশন ত্বকের অধিকারী। আর মুখের কোনো অংশ থেকে পেপারে বিশেষ তেল না লাগলে, ধরে নিতে পারেন আপনার ত্বক নরমাল। যাদের ত্বক শুষ্ক, তারা মুখে হাত দিয়ে দিয়েই বুঝতে পারবেন। আলাদা করে আর ব্লটিং পেপার ছোঁয়ানোর প্রয়োজন পড়বে না। ত্বকের প্রসাধনী কেনার আগে যদি এই পরীক্ষাটুকু করে নিজের ত্বকের ধরন জেনে নিতে পারেন, তাহলে আর কোনো ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। দাম দিয়ে প্রসাধনী কিনে তা ব্যবহার করতে না পারার আফসোসও থাকবে না।
‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’ উদযাপন শুরু করেছিলেন যে সম্রাট

‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’ উদযাপন শুরু করেছিলেন যে সম্রাট থার্টি ফার্স্ট নাইট হলো গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের ৩১শে ডিসেম্বরের শেষ রাত। এই রাতে নতুন বছরের প্রথম প্রহরকে স্বাগত জানানো হয়। শুরুটা হয়েছিলো পাশ্চাত্য খ্রিস্টীয় সংস্কৃতিতে, পরবর্তীতে দেশে দেশে শুরু হয় থার্টি ফার্স্ট উদযাপন। এই দিবস পালন প্রথম প্রবর্তন করেন জুলিয়াস সিজার। তিনি ১৫৮২ সালে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার প্রবর্তনের পরে নববর্ষ পালনের ক্ষণটি নির্দিষ্ট করেন। যদিও বর্তমানে এটি বিশ্বজুড়ে একটি বৈশ্বিক উৎসবের রূপ নিয়েছে, অনেকেই পুরোনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেন নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে। এক নজরে জুলিয়াস সিজারের জীবনী জুলিয়াস সিজার ছিলেন রোমান ইতিহাসের এমন এক চরিত্র- যার ব্যক্তিত্বে প্রতিফলিত হতো ভক্তি ও বিদ্বেষ, শ্রদ্ধা, আতঙ্ক—ও ভালোবাসা। তিনি ছিলেন এমন একজন মানুষ যাকে উপেক্ষা করা সম্ভব ছিলো না। পরাজিত শত্রুদের তিনি ক্ষমা করতেন, সুযোগ দিতেন, এমনকি বহু শত্রুকেই পরে নিজের প্রশাসনে জায়গা করে দিতেন। কিন্তু এই উদারতা তাকে নিরাপদ করেনি। বরং অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন, ‘‘সিজারের ক্ষমাশীলতাই শেষ পর্যন্ত তার হত্যার পথ প্রশস্ত করেছিল—কারণ যাদের তিনি ক্ষমা করেছিলেন, তাদের মধ্য থেকেই অনেকেই ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল।’’ সিজারের সৈন্যরা তাকে গভীরভাবে ভালোবাসত ও শ্রদ্ধা করত। তিনি শুধু একজন সেনানায়কই ছিলেন না; তিনি ছিলেন সংগঠক, মনস্তত্ত্ববিদ এবং অনুপ্রেরণার উৎস। রাজনীতি ও সামরিক কৌশলে সিজারের প্রতিভা ছিল অসাধারণ। প্রশাসন পরিচালনা, যুদ্ধ পরিকল্পনা, জনসমর্থন আদায় এবং নিজের ভাবমূর্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অনন্য। আধুনিক অর্থে যাকে ‘প্রোপাগান্ডা’ বলা হয়, সিজার তা দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করতেন—নিজের লেখা ও ভাষণের মাধ্যমে তিনি নিজেকেই ইতিহাসের নায়ক হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন। ইতিহাসবিদরা বলেন, ‘‘সিজারের মানবিকতাই তার রাজনৈতিক বাস্তবতাবোধকে কখনো কখনো দুর্বল করে তুলেছিল।’’ সাহিত্যিক হিসেবেও সিজার ব্যতিক্রমী। তার লেখা Commentaries on the Gallic War এবং Civil War শুধু ঐতিহাসিক দলিলই নয়, বরং ল্যাটিন সাহিত্যের উৎকৃষ্ট নিদর্শন। ভাষা ছিল সংযত, স্পষ্ট ও শক্তিশালী—অতিরঞ্জনহীন, অথচ গভীরভাবে প্রভাবশালী। যদিও এসব রচনার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল, তবুও সাহিত্যগুণে সেগুলো অনন্য। সবচেয়ে বিস্ময়কর ছিল সিজারের অশেষ কর্মশক্তি। শারীরিক ও মানসিক—উভয় দিক থেকেই তিনি ছিলেন অদম্য। যুদ্ধের ময়দান, প্রশাসনিক সভা, দীর্ঘ সফর ও লেখালেখি—সবকিছু তিনি একসঙ্গে সামলাতে পারতেন। যুদ্ধ চলাকালীনও তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতেন। ব্যক্তিগত জীবনেও তার প্রাণশক্তির প্রকাশ ছিল স্পষ্ট। প্রেমের কারণে তিনি সমালোচিত হয়েছেন, বিশেষ করে মিসরের রানি ক্লিওপেট্রার সঙ্গে তার সম্পর্ক রোমের অভিজাতদের মধ্যে সন্দেহ ও ক্ষোভ তৈরি করেছিল। এই সম্পর্ক রাজনৈতিকভাবেও তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছিল। সূত্র: ব্রিটানিকা
দুই সন্তান থাকলে নারীদের মানসিক রোগের ঝুঁকি কমে: গবেষণা

দুই সন্তান থাকলে নারীদের মানসিক রোগের ঝুঁকি কমে: গবেষণা নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে দুটি সন্তান থাকা ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে—এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। চীনের সুচাউ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল যুক্তরাজ্যের ৫৫ হাজারেরও বেশি নারীর দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যতথ্য বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, যেসব নারীর সন্তান রয়েছে—বিশেষ করে দুটি সন্তান, তাদের মধ্যে বাইপোলার ডিসঅর্ডার ও বিষণ্নতার মতো গুরুতর মানসিক রোগের ঝুঁকি সন্তানহীন নারীদের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ কম। বিখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী ‘জার্নাল অব অ্যাফেকটিভ ডিসঅর্ডার্স’-এ প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, সন্তানের সংখ্যা শূন্য থেকে দুই পর্যন্ত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানসিক রোগের ঝুঁকি ধাপে ধাপে হ্রাস পায়। গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, সন্তানের সংখ্যা দুইয়ের বেশি হলে এই সুরক্ষামূলক প্রভাব আর উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে না; বরং তা স্থিতিশীল হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘‘এই মানসিক সুরক্ষার পেছনে রয়েছে জৈবিক ও মনস্তাত্ত্বিক—উভয় ধরনের কারণ।গর্ভাবস্থায় নারীর শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এসব হরমোন মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে এবং আবেগ ও মেজাজ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দীর্ঘমেয়াদে এই হরমোনগত পরিবর্তনগুলো মুড ডিসঅর্ডারের বিরুদ্ধে একটি প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করতে পারে।’’ মা–শিশুর বন্ধন ও মানসিক তৃপ্তি সন্তান জন্মের পর মা ও নবজাতকের মধ্যকার নিবিড় আবেগী বন্ধন এবং শিশুর যত্ন নেওয়ার প্রক্রিয়া মস্তিষ্কের ‘ডোপামিন রিওয়ার্ড সিস্টেম’কে সক্রিয় করে। এর ফলে মায়ের মধ্যে গভীর মানসিক তৃপ্তি তৈরি হয়, যা বিষণ্নতা ও নেতিবাচক অনুভূতি দূরে রাখতে সহায়ক। দ্বিতীয় সন্তান হলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ‘‘দ্বিতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে মায়েরা সাধারণত বেশি আত্মবিশ্বাসী থাকেন। প্রথম সন্তানের সময় যে মানসিক চাপ ও অনিশ্চয়তা থাকে, তা অনেকটাই কমে যায়। দৈনন্দিন রুটিনের পরিবর্তনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ায় উদ্বেগ ও মানসিক চাপও তুলনামূলকভাবে কম অনুভূত হয়।’’ বিশ্বজুড়ে যেখানে প্রজনন হার কমছে এবং একই সঙ্গে মানসিক রোগের প্রকোপ বাড়ছে—সেই বাস্তবতায় এই গবেষণার ফলাফল তাৎপর্যপূর্ণ। এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, ‘‘১৬ থেকে ২৯ বছর বয়সী নারীদের একটি বড় অংশ মাঝারি থেকে মারাত্মক বিষণ্নতায় ভোগেন। এই প্রেক্ষাপটে দুটি সন্তানের মা হওয়া অনেক নারীর মানসিক সুস্থতার জন্য একটি শক্তিশালী রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করতে পারে।’’
নতুন বছরে আর্থিক সফলতার জন্য যা করবেন

নতুন বছরে আর্থিক সফলতার জন্য যা করবেন আজ বছরের শেষ দিন। ঘড়ির কাঁটা ১২টা বাজলে আশা এবং সম্ভাবনায় ভরা একটি নতুন বছর শুরু হবে। ২০২৬ সাল আপনার জন্য হোক সৌভাগ্য এবং সমৃদ্ধি প্রকাশের বছর। সফলতা কোনো জাদু নয়, এটি আপনার মানসিকতা, শক্তি এবং কর্মকে একত্রিত করে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়। নতুন বছরে আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ হতে চাইলে আপনাকে কিছু কাজ নিয়মিত করতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কী করবেন- লক্ষ্য লিখে রাখুন : একটি ছোট জার নিন। কাগজের টুকরোতে ১০টি নির্দিষ্ট অর্থ লক্ষ্য লিখুন। সেগুলো ভাঁজ করে একটি জারে রাখুন, মুদ্রা বা স্ফটিক যোগ করুন। এই জারটি এমন জায়গায় রাখুন যেখানে আপনি প্রতিদিন এটি দেখতে পাবেন, যেমন আপনার কাজের ডেস্ক। এই সহজ প্রকাশ কৌশলটি আপনার মস্তিষ্ককে পুনর্জীবিত করতে সাহায্য করবে। ধীরে ধীরে আপনার অবচেতন মন অভাব থেকে প্রাচুর্যে পরিবর্তিত হবে, যা প্রত্যাশিত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে কাজ করে। আয়নায় আত্মবিশ্বাস : প্রতিদিন সকালে, আপনি প্রস্তুত হওয়ার পর এবং কাজে বের হওয়ার আগে, আয়নায় নিজেকে দেখুন এবং তিনবার বলুন: আমি সাফল্যের যোগ্য। ২০২৬ সালে অর্থ উপার্জন করা আমার পক্ষে সহজ। শুধু এই কথা বলবেন না, বরং এতে বিশ্বাস করুন। এটি আপনার আত্মবিশ্বাসকে বাড়িয়ে তুলবে এবং কর্মক্ষেত্রে আপনার সর্বোত্তম প্রচেষ্টায় আপনাকে সাহায্য করবে। ভবিষ্যতের নিজের প্রতি কৃতজ্ঞতা পত্র লিখুন : ১ জানুয়ারি, ২০২৬ সকালে, নতুন বছরে ধনী এবং সফল হওয়ার জন্য সঠিক উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে আপনার দিন শুরু করুন। এর একটি অংশের মধ্যে রয়েছে আপনার ভবিষ্যতের নিজের প্রতি কৃতজ্ঞতা পত্র লেখা, কঠিন সময়ে অটল থাকার জন্য নিজেকে ধন্যবাদ জানানো। এটি আপনাকে ২০২৬ সালে স্থির থাকতে এবং সফল হতে সাহায্য করবে। সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ুন : সঞ্চয়ের অভ্যাস আপনাকে মুহূর্তেই ধনী করে দেবে না ঠিকই, তবে এটি আপনাকে একজন সুসংগঠিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে। মনে রাখবেন, সবকিছুই অভ্যাসের বিষয়। আপনি যখন প্রতিদিন অল্প করে হলেও সঞ্চয়ের অভ্যাস করবেন, তখন এটি আপনাকে আরও অনেক বিষয়ে গোছালো করে তুলবে। এছাড়া অল্প হলেও আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।
নতুন বছরে সুস্থ থাকতে যা করবেন

নতুন বছরে সুস্থ থাকতে যা করবেন সুস্থতাই সবচেয়ে বড় সম্পদ। এটি আপনি ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন যখন অসুস্থতা এসে আপনাকে গ্রাস করবে। অসুখে ভুগে ভুগে উপলব্ধি হওয়ার থেকে আগে থেকেই যদি নিজের প্রতি যত্নশীল হন, তাহলে সুস্থ থাকার পথ অনেকটাই সহজ হবে। নতুন বছরে সফল হতে চান, ধনী হতে চান, সবকিছুই ঠিক আছে। তবে সবার আগে সুস্থ থাকা জরুরি। কারণ শরীর সুস্থ থাকলে বাকিসব অর্জন সহজ হয়ে যায়। নতুন বছরে সুস্থ থাকার জন্য আপনাকে এই কাজগুলো করতে হবে- স্বাস্থ্যকর খাবার খান : সুস্থতার জন্য সবার আগে জরুরি স্বাস্থ্যকর খাবার। খাবার যদি স্বাস্থ্যকর না হয় তাহলে অসুখ-বিসুখ আসার দরজা খুলে যাবে। কারণ আমরা প্রতিদিন যা খাই, সেসব খাবার থেকেই আমাদের শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করে। তাই খাবারে প্রয়োজনীয় পুষ্টি না থাকলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও জোরদার হয় না। টাটকা ও স্বাস্থ্যকর নিয়মিত খেতে হবে। এতে শরীর সুস্থ থাকবে। প্রয়োজনীয় ঘুম : ঘুম এমন একটি বিষয়, যা আমাদের বেশিরভাগই অবহেলা করি। সুস্থ থাকার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবারের মতোই স্বাস্থ্যকর ঘুম জরুরি। রাতে আগে ঘুমিয়ে পড়া এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠা সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির জন্য প্রতি রাতে অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুম জরুরি। রাতে বিছানায় যাওয়ার অন্তত ঘণ্টাখানেক আগে সব ধরনের ডিভাইস দূরে সরিয়ে রাখুন। এতে ঘুম ভালো হবে। অযথা রাত জাগবেন না। এতে স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। শরীরচর্চা : আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষই শরীরচর্চার প্রতি মনোযোগী নন। অনেকে আবার শরীরচর্চা বলতে বোঝেন কেবল জিমে গিয়ে ভারী ভারী যন্ত্রপাতির সাহায্যে ব্যায়াম করা। আসলে এটি সঠিক নয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে বাইরে আধা ঘণ্টার মতো হাঁটলেও আপনার শরীরচর্চার কাজ অনেকটাই হয়ে যাবে। এছাড়া সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটাও ভালো ব্যায়াম হিসেবে কাজ করে। এছাড়া সময় ও সুযোগে মিললে জিমে গিয়েও শরীরচর্চা করতে পারেন। এতে শরীর সুস্থ থাকবে। ইতিবাচক থাকা : এটি মূলত দৃশ্যমান কোনো কাজ নয়। ইতিবাচকতা থাকতে হবে আপনার স্বভাবে। জীবনে চলার পথে নানা ধরনের মানুষের সঙ্গে দেখা হবে, নানাকিছু জমা হবে অভিজ্ঞতার ঝুলিতে। আপনি যদি স্বভাব থেকে ইতিবাচকতা হারিয়ে ফেলেন তবে আপনারই ক্ষতি। কারণ নেতিবাচক স্বভাব আমাদের শরীর ও মনের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। আপনি যদি সবকিছুর মধ্য থেকে ইতিবাচকতা খুঁজে পান তাহলে এগিয়ে যাওয়া সহজ হবে। মন ভালো থাকলে শরীরও ভালো থাকবে।
১ জানুয়ারি এতো মানুষের জন্মদিন কেন?

১ জানুয়ারি এতো মানুষের জন্মদিন কেন? পহেলা জানুয়ারি অনেককেই জন্মদিন পালন করতে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমেও অনেকেই তাদের বন্ধুদের জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান জানুয়ারির ১ তারিখে। বলা যায়, বাংলাদেশের নাগরিকদের বিশাল একটা অংশ জন্মদিন পালন করেন বছরের প্রথম দিনে। তবে সত্যি সত্যিই কি এই নাগরিকদের সবার জন্ম বছরের প্রথম দিনেই। কিন্তু একই দিকে এই বিশাল সংখ্যক নাগরিকের জন্মগ্রহণের বিষয়টি কি সত্যি নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো রহস্য! আসুন জেনে নেওয়া যাক। জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি, পাসপোর্ট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন জরিপে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের জন্ম তারিখের ক্ষেত্রে জানুয়ারির এক তারিখের প্রাধান্য দেখা গেছে। শিশুদের নিয়ে কাজ করেন, এমন বিশেষজ্ঞরাও এই প্রবণতা লক্ষ্য করেছেন। শিশু বিশেষজ্ঞ ড. ইশতিয়াক মান্নান বলেছেন, ‘বিষয়টি এমন না যে, জানুয়ারির এক তারিখে বেশির ভাগ শিশুর জন্ম হচ্ছে। আসলে এখনও আমাদের দেশের বেশির ভাগ শিশুর জন্ম হয় বাড়িতে, বিশেষ করে যারা গ্রামীণ এলাকায় থাকে। সেখানে এখনও শিক্ষার হার ততটা ভালো না। ফলে অভিভাবকরাও জন্ম নিবন্ধনের ব্যাপারে ততটা সতর্ক নন। তিনি আরও বলেন, আমাদের জন্ম নিবন্ধনও সঠিকভাবে সঠিক তারিখে হয় না। বাড়িতে বা হাসপাতালে জন্ম নেয়া শিশুদেরও ঠিকভাবে নিবন্ধন হচ্ছে না। পরবর্তীতে যখন তারা স্কুলে ভর্তি হয় বা কোনো সার্টিফিকেট পরীক্ষার সময় তার জন্ম তারিখটা দরকার হয়। তখন অনেক সময় স্কুলের শিক্ষকরা ইচ্ছামতো একটি তারিখ বসিয়ে দেন। নতুন করে জন্মদিন বসাতে গিয়ে তারা একটি কমন তারিখে জন্মদিন বসিয়ে দেন, যা সহজে মনে রাখা যায়। দেখা যায়, বেশির ভাগ সময়েই সেটা জানুয়ারির এক তারিখ হয়ে থাকে। এ কারণে দেখা যায় এখানে এটা খুবই কমন যে, মানুষের দুইটা করে জন্মদিন থাকে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শুধুমাত্র বাংলাদেশ নয়, ভারত-পাকিস্তান, নেপাল, ভিয়েতনাম ও আফগানিস্তানেও এই প্রবণতা রয়েছে। তবে শিশু বিশেষজ্ঞ ড. ইশতিয়াক মান্নান বলছেন, অনেকের জন্ম তারিখ বানিয়ে দেয়া হলেও এই তারিখেও কিন্তু সত্যিকারে বাংলাদেশে অনেক শিশুর জন্ম হচ্ছে, যাদের জন্মদিন আসলেই ১ জানুয়ারি।
গুগলের নতুন ফিচার, বদলানো যাবে জিমেইল ঠিকানা

গুগলের নতুন ফিচার, বদলানো যাবে জিমেইল ঠিকানা ব্যবহারকারীদের বহুল প্রত্যাশিত একটি ফিচার নিয়ে কাজ করছে গুগল—এমনটাই দাবি করেছে একাধিক প্রতিবেদন। দীর্ঘদিন ধরেই জিমেইল ব্যবহারকারীরা একই ইমেইল আইডি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। কারণ, গুগল এখন পর্যন্ত জিমেইল ঠিকানা বা ইউজারনেম পরিবর্তনের কোনও সুযোগ দেয়নি। তবে সেই চিত্র বদলাতে পারে শিগগিরই। যদিও গুগল আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও বিষয়টি নিশ্চিত করেনি, তবে গুগলের সাপোর্ট পেজে সাম্প্রতিক কিছু পরিবর্তনের কথা উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। সেখানে ‘Change Gmail address’ বা জিমেইল ঠিকানা পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি অপশন দেখা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এটি চালু হলে গুগলের পক্ষ থেকে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত হিসেবেই ধরা হচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জিমেইল আইডি বা ইউজারনেম পরিবর্তনের অর্থ হলো— ১০ বছর আগে খোলা কোনও অ্যাকাউন্টের ইউজারনেম নতুন করে সম্পাদনা বা আপডেট করা যাবে। গুগলের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, জিমেইল ঠিকানা পরিবর্তন করলেও পুরোনো ইউজারনেম বাতিল হবে না এবং ব্যবহারকারীদের কোনও তথ্য বা ডেটা হারানোর ঝুঁকিও থাকবে না। বরং ব্যবহারকারীরা একই অ্যাকাউন্টে পুরোনো ও নতুন—দুটি জিমেইল ঠিকানাই ব্যবহার করতে পারবেন। উভয় ঠিকানায় পাঠানো ইমেইলই পৌঁছাবে একই ইনবক্সে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পুরোনো জিমেইল আইডি দিয়েও অ্যাকাউন্টে লগইন করা যাবে। অর্থাৎ, ঠিকানা বদলালেও ব্যবহারকারীদের পুরোনো পরিচয় পুরোপুরি হারিয়ে যাবে না।
শীতে হার্ট ভালো রাখতে কী খাবেন

শীতে হার্ট ভালো রাখতে কী খাবেন শীত তার নিজস্ব জাদু নিয়ে আসে – ঝলমলে সকাল, উজ্জ্বল রোদ, উষ্ণ পানীয় এবং আরামদায়ক খাবার। কিন্তু যারা তীব্র শীতের মধ্যে বাস করেন, তাদের জন্য এই ঋতু চ্যালেঞ্জও নিয়ে আসে, বিশেষ করে হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য। শীতকালে সর্দি, ফ্লু এবং জ্বর বৃদ্ধি পেলেও, সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের বৃদ্ধি। সুখবর হলো সহজ, সচেতন অভ্যাসের মাধ্যমে, আপনি আপনার হৃদযন্ত্রকে শীতকালেও ভালো রাখতে পারেন। তাপমাত্রা কমে গেলে শরীরের প্রথম অগ্রাধিকার হলো উষ্ণতা বজায় রাখা। তাপ হ্রাস রোধ করতে, সহানুভূতিশীল স্নায়ুতন্ত্র রক্তনালীকে সংকুচিত করে, যা রক্তচাপ বাড়ায় এবং হৃদয়ে অক্সিজেন ও পুষ্টির প্রবাহ কমায়। সংকুচিত নালীর মধ্য দিয়ে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখার জন্য হৃদপিণ্ডকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়, যা হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। একই সময়ে, ঠান্ডা আবহাওয়া রক্তকে ঘন করে, কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এবং জমাট বাঁধার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় – যা সবই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। জেনে নিন, এই শীতে হৃদযন্ত্রকে কীভাবে রক্ষা করবেন। ১. স্মার্ট খাবার খান : শীতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। শাকসবজি, ফলমূল, গোটা শস্য, প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি সমৃদ্ধ সুষম খাদ্য হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ২. ভালো চর্বি বেছে নিন : শীতকাল হলো ভালো চর্বির প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগ দেওয়ার ঋতু। সঠিক তেল নির্বাচন করা- যেমন চিনাবাদাম বা সূর্যমুখী তেলের সাথে সরিষার তেলের মিশ্রণ হৃদরোগ-প্রতিরক্ষামূলক মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট সরবরাহ করতে সাহায্য করে LDL কোলেস্টেরল কমায়। স্যামন এবং সার্ডিনের মতো ফ্যাটি মাছে পাওয়া ওমেগা-৩ ফ্যাট তাদের প্রদাহ-বিরোধী উপকারিতা এবং হৃদস্পন্দনকে সহায়তা করে, ট্রাইগ্লিসারাইড কমায় এবং জমাট বাঁধার প্রবণতা কমায়। নিরামিষাশীদের জন্য, আখরোট, চিয়া বীজ এবং তিসির বীজ চমৎকার উদ্ভিদ-ভিত্তিক ওমেগা-৩ উৎস প্রদান করে। ৩. পুরো শস্য যোগ করুন : আস্ত শস্য হৃদযন্ত্রের জন্য একটি উপকারী খাবার। সাদা ভাত, নান এবং ময়দা-ভিত্তিক খাবারের পরিবর্তে বাদামি চাল, বার্লি, আস্ত গম, ওটস বা কুইনোয়ার মতো পরিশোধিত শস্যদানা ফাইবার এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি যেমন বি ভিটামিন, আয়রন এবং ম্যাগনেসিয়াম যোগ করে। ফাইবার কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে, রক্তে শর্করার স্থিতিশীলতা বজায় রাখে এবং স্বাস্থ্যকর রক্তচাপ বজায় রাখে। ৪. বাদাম খান : বাদাম একটি শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। বাদাম, আখরোট এবং চিনাবাদাম স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন এবং ভিটামিন ই সরবরাহ করে, যখন তাদের আর্জিনিন উপাদান নাইট্রিক অক্সাইড উৎপাদন বাড়ায়, রক্তনালীকে শিথিল করতে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন মাত্র এক মুঠো বাদামই উপকারিতা অর্জনের জন্য যথেষ্ট। ৫. ফল এবং শাকসবজিতে পেট ভরে নিন : ফল এবং শাকসবজি রঙ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রয়োজনীয় খনিজ যোগ করে যা হৃদযন্ত্রকে শীতের চাপ সহ্য করতে সহায়তা করে। লাইকোপিন সমৃদ্ধ টমেটো এবং লাল মরিচ থেকে শুরু করে অ্যান্থোসায়ানিন-প্যাকড বেরি, মূলা এবং আঙুর পর্যন্ত, উদ্ভিদ-ভিত্তিক পুষ্টি রক্তনালীকে শক্তিশালী করে এবং প্রদাহ কমায়। আপনার প্লেটের অর্ধেক শাকসবজি দিয়ে পূরণ করুন এবং দিনে দুই থেকে তিনবার ফল খাওয়ার অভ্যাস করুন।
২০৩৬ সালের মধ্যে চাঁদে বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়তে চায় রাশিয়া

২০৩৬ সালের মধ্যে চাঁদে বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়তে চায় রাশিয়া চাঁদে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা ও অবস্থান নিশ্চিত করতে নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে রাশিয়া। দেশটি জানিয়েছে, ২০৩৬ সালের মধ্যে চাঁদে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে চায়। এই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে রাশিয়ার চন্দ্র কর্মসূচি এবং যৌথ রাশিয়া-চীন গবেষণা স্টেশনে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মহাকাশ সংস্থা রসকসমস জানিয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে তারা ল্যাভোচকিন অ্যাসোসিয়েশন নামের একটি মহাকাশ নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে। যদিও সরাসরি ‘পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি, তবে প্রকল্পে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম এবং কুরচাতভ ইনস্টিটিউট (দেশটির শীর্ষ পারমাণবিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান) যুক্ত রয়েছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পারমাণবিক শক্তিভিত্তিক হবে (পারমাণবিক শক্তি মানে পরমাণু থেকে উৎপন্ন শক্তি)। রসকসমস বলেছে, এই বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে চাঁদে চলমান যান (রোভার), মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এবং গবেষণা স্টেশনের অন্যান্য স্থাপনায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হবে। তাদের মতে, এটি এককালীন অভিযানের যুগ শেষ করে চাঁদে স্থায়ী বৈজ্ঞানিক গবেষণার পথে বড় পদক্ষেপ। তবে রাশিয়া একা নয়। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসা জানিয়েছে, তারা ২০৩০ অর্থবছরের প্রথম ভাগের মধ্যেই চাঁদে একটি পারমাণবিক রিয়্যাক্টর (বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা) বসাতে চায়। যুক্তরাষ্ট্রের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, চাঁদে ঘাঁটি গড়তে হলে শক্তির বিকল্প নেই। এই শক্তি ভবিষ্যতে মানুষকে মঙ্গলে পাঠানোর পথও সহজ করবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চাঁদে বিপুল পরিমাণ হিলিয়াম-৩ (একটি বিরল জ্বালানি উপাদান) ও দুষ্প্রাপ্য ধাতু রয়েছে, যা আধুনিক প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়। এসব কারণেই চাঁদকে ঘিরে বিশ্বশক্তিগুলোর আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।