শিবগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেকের ইন্তেকাল, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

শিবগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেকের ইন্তেকাল, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের শরৎনগর মিয়াপাড়া গ্রামের বীর ম্ুিক্তযোদ্ধা আব্দুল খালেক (৮০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি অইন্না ইলাহি রাজিউন)। গতকাল সন্ধ্যায় বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাসভবনে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলে ও ২ মেয়ে সহ বহু গূণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ সকাল সাড়ে ১০টায় গ্রামের গোরস্থান পূর্ঙ্গাণে রাষ্টীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদানের পর জানাজার নামাজ শেষে ওই গোরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়। দাফন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌফিক আজিজ, র্শিবগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম শাকিল হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড সভাপতি মাহবুবুর রহমান মিজান সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
নাচোলে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে মশক নিধন ও পরিছন্নতা অভিযান

নাচোলে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে মশক নিধন ও পরিছন্নতা অভিযান নাচোলে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে প্রতি শনিবার মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিছন্নতা কার্যক্রম সংক্রান্ত সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রশাসন। আজ বেলা ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্তর, হাসপাতাল রোড, মধ্যবাজার এনসিডিপি মার্কেট চত্তরসহ বিভিন্ন এলাকায় পরিষ্কার পরিছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নাচোল উপজেলা পরিষদের সাবেক সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের খোকনসহ বিভিন্ন প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে সন্দেহভাজন হাম রোগী ভর্তি অব্যাহত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সন্দেহভাজন হাম রোগী ভর্তি অব্যাহত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে হামের সন্দেহ ভাজন হিসেবে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরো ১২জন শিশু রোগী ভর্তি হয়েছে। অন্যদিকে শুক্রবার সকালে হাসপাতালে নিয়ে আসা মাসুদা নামের আড়াই বছরের এক শিশু মারা গেছে। মারা যাওয়া মাসুদা সদর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের হাকিমপুরের মো. নইমুরের মেয়ে। তবে সে হামজনিত নাকি অন্য রোগে মারা গেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. আব্দুস সামাদ বলেন, ‘সকালে শাজাহানপুরের হাকিমপুর গ্রামের দু’বছর চার মাস বয়সী মাসুদা নামের এক শিশুকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আমরা তাকে কিছু সময় অক্সিজেন দিয়েও রেখেছিলাম। শিশুদের ক্ষেত্রে আমরা তা করে থাকি। পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। সে হামে আক্রান্ত হয়ে নাকি অন্যরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি’। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ মসিউর রহমান জানান, বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে হামের সন্দেহভাজ হিসেবে ৪৬ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় হামের সন্দেহভাজন হিসেবে ১২ শিশু ভর্তি হয়েছে। অন্যদিকে ২৪ শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। চলতি বছরের এখন পর্যন্ত হামের সন্দেহভাজন হিসেবে ভর্তি হয় ৩৪৬ জন রোগী। প্রসঙ্গত, হামের লক্ষণের মধ্যে রয়েছে— প্রথমে জ্বর হয় ও শরীর ম্যাজ ম্যাজ করে বা হালকা ব্যথা লাগে। প্রথম এক-দুই দিন তীব্র জ্বরও হতে পারে। চোখ-মুখ ফুলে উঠতে পারে। চোখ লাল হয়ে যেতে পারে, চোখ দিয়ে পানি পড়তে পারে। নাক দিয়ে পানি পড়তে পারে এবং হাঁচিও হতে পারে। শরীরে ছোট ছোট লালচে গুটি/ফুসকুড়ি দেখা দেয় এবং দ্রুতই তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ সময় বিশেষত শিশুরা কিছুই খেতে চায় না এবং ভীষণ দুর্বল হয়ে পড়ে।
মহারাজপুরে বাসের সাথে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল নিহত ১

মহারাজপুরে বাসের সাথে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল নিহত ১ সদর উপজেলার মহারাজপুর ঘোড়াস্ট্যান্ড এলাকায় শিবগঞ্জগামী একটি যাত্রীবাহী নৈশকোচের সাথে বিপরীতে সদরের দিকে আসা একটি একটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তানভীর নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি সদরের বারঘরিয়া ইউনিয়নের জমাদারপাড়া গ্রামের তরিকুলের ছেলে। ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা সড়কে অবস্থান নিয়ে বাসটি ভাংচুর করে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে নির্মাণাধীন সড়কে নির্মাণ শ্রমিক ওই যুবকের মোটরসাইকেলের সাথে বাসের সংঘর্ষ ঘটলে মোটরসাইকেলটি বাসের চাকার নীচে চলে যায়। চালক তানভীরকে উদ্ধ্রা জেলা হাসপাতালে নেবার পথে তিনি মারা যান। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম বলেন, ঘটনার পর বাস জব্দ করা হলেও চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ প্রকিয়াধীণ বলেও জানান ওসি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকে পাচারকালে ৫০ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকে পাচারকালে ৫০ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩ চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের টোলপ্লাজা এলাকায় সোনামসজিদ মহাসড়কে চেকপোষ্ট বসিয়ে ট্রাকে পাচারকালে ৪৯ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ৩ জনকে আটক করেছে র্যাব। আটকরা হলেন- হবিগঞ্জের মাধবপুর থানার জগদীশপুর ইউনিয়নের উত্তর বরক গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে আলফাজ মিয়া, ট্রাক চালক ও রাজশাহীর দূর্গাপুর থানার ঝালুকা গ্রামের মৃত শাকিল আলীর ছেলে রকি আহমেদ এবং ট্রাকের হেলপার ও একই থানার নওদা সাহিবার গ্রামের বাবার আলীর ছেলে সানোয়ার আহমেদ। আজ সকালে দিকে র্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপিতে বলা হয়, গতকাল দুপুরে হবিগঞ্জ থেকে মালবাহী ট্রাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাট এলাকায় মাদক বহনের গোপন খবরে অভিযান চালানো হয়। টোলপ্লাজা এলাকায় র্যাবের সংকেতে ট্রাকটি থামার পর পেছনের ডালায় ত্রিপলে ঢাকা চালানবিহীন গামেন্টম ঝুট তুলার ভেতরে চটের বস্তায় বিশেষ কাদায় রাখা ৪৯.৫ কেজি গাঁজা, নগদ প্রায় ১৩ হাজার টাকা, ৪টি মোবাইল ফোন ও ২টি স্যালো মেশিন জব্দ হয়। এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা করা হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪ থানায় নতুন ওসি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪ থানায় নতুন ওসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। আজ এ তথ্য জানিয়েছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ। তিনি জানান, জনস্বার্থে ও দাপ্তরিক কাজের প্রয়োজনে পুলিশ সুপারের নির্দেশে এই রদবদল আনা হয়েছে। এর আগে, গত বুধবার পুলিশ সুপারের স্বাক্ষরিত এক আদেশে ওসিদের বদলি ও পদায়ন করা হয়। নতুন আদেশ অনুযায়ী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি নূরে আলমকে বদলি করে গোমস্তাপুর থানার ওসির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গোমস্তাপুর থানার ওসি আব্দুল বারিককে ভোলাহাট থানার ওসি হিসেবে বদলি করা হয়েছে। ভোলাহাট থানার ওসি একরামুল হোসাইন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসির দায়িত্ব পেয়েছেন। সদর মডেল থানায় ওসি (তদন্ত) হিসেবে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) সুকোমল দেবনাথকে নাচোল থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, জেলার ৫টি থানার মধ্যে চারটি থানার ওসি পদে রদবদল করা হয়েছে। শিবগঞ্জ থানার শীর্ষ পর্যায়ের পদটিতে এখনো রদবদল আসেনি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব নির্মূলে টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে আলোচনা সভা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব নির্মূলে টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে আলোচনা সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব নির্মূলে টিকাদান কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসন এই সভার আয়োজন করে। জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আনম বজলুর রশীদ। সভায় জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকা ক্রয় করার জন্য ২ লাখ টাকার চেক প্রদান করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশীদ। এসময় তিনি বলেন, শুক্রবার প্রয়োজনে ডাক্তারদের ছুটি বাতিল করবেন। কোনোভাবেই চিকিৎসা সেবা ব্যবহত না হয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ওপরও জোর দেন তিনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন— রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. মো. হাবিবুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশীদ। এসময় পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হাসান তরফদার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান। জেলার হাম বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর দেন সিভিল সার্জন ডা. একেএম শাহাব উদ্দীন, জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান। জেলার হামের সার্বিক চিত্র মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে তুলে ধরেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. রাকিবুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আনম বজলুর রশীদ বলেন, হাম আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা প্রদানের পাশাপাশি ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী সকল শিশুকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনতে হবে। কোনো শিশু যেন বাদ না পড়ে, সে লক্ষে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে দিকনির্দেশনা এবং প্রতিটি হাসপাতালে হাম চিকিৎসা কর্নার স্থাপনের জন্য জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে পরামর্শ দেন দিনি। বিভাগীয় কমিশনার বলেন— অর্থের অভাব নেই। যেখানে যতটুকু দরকার আপনারা আমাদের জানান, সরকার ব্যবস্থা করবে। অর্থ নেই বলে কোনো অজুহাত শোনা হবে না। ডাক্তার ও নার্সের ঘাটতি আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক ইতোমধ্যে নিজের ব্যবস্থাপনায় কয়েকজন ডাক্তার দিয়েছেন, আমি অনুরোধ করব তিনি নার্সেরও ব্যবস্থা করে দেবেন। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও হামের রোগী যেতে পারে, তাদেরকেও হামের জন্য আলাদা কর্নার করার জন্য সিভিল সার্জনকে নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিদের্শনা প্রদান করেন বিভাগীয় কমিশনার। তিনি বলেন, আমাদের জেলা পরিষদের প্রশাসক মহোদয়ের আকাঙ্ক্ষা হচ্ছে, ২৫০ শয্যার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালকে একটি মডেল হাসপাতাল করার। আমাদের অনেক যন্ত্রপাতিও আছে কিন্তু জনবলের অভাবে কাজে লাগাতে পারছি না। হাম প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিভাগীয় কমিশনার। সভায় জানানো হয়, আগামী রবিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া হামের টিকাদান কর্মসূচির আওতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ৮৭০ জন শিশুকে হামের টিকা দেয়া হবে। আরো জানানো হয়, এখন পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৬ জন শিশু মারা গেছে। তবে তাদের মধ্যে স্যাম্পল সংগ্রহের আগেই মারা গেছে ৫ জন এবং একজনের স্যাম্পল সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছিল কিন্তু পরীক্ষায় রেজাল্ট এসেছে নেগেটিভ। সভায় সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সকল উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা অফিসারসহ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ১০৩ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ১০৩ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডায়রিয়া পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না। মাঝে দুয়েকদিন কিছুটা কমলেও পরে আবার বেড়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিদিন গড়ে ৭০ থেকে শতাধিক মানুষ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ১০৩ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সিভিল সার্জন অফিসের ডায়রিয়া বিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৩ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে জেলা হাসপাতালে ৭০ জন, শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন, গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ জন, নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৪ জন ও ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৭ জন ভর্তি হয়েছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ১৭ শিশু হাসপাতালে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ১৭ শিশু হাসপাতালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কমছে না হামের প্রাদুর্ভাব। প্রতিদিন বেশ কিছু শিশু নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। এ নিয়ে রীতিমত ভাবিয়ে তুলেছে স্বাস্থ্য বিভাগকে। জেলা প্রশাসনও বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে জেলা হাসপাতালের হামবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ১৭ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদেরকে হামবিষয়ক আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এই ১৭ জনের মধ্যে ১১ জন ছেলে ও ৬ জন মেয়ে শিশু রয়েছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, এই হাসপাতালে পূর্বে রোগী ভর্তি ছিল ৬৭ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হওয়ায় ২৩ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে এবং অবস্থার অবনতি হওয়ায় তিনজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এই হাসপাতালে ভর্তি আছে ৫৮ জন শিশু রোগী। হামের এই বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আনম বজলুর রশীদ জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, হামের লক্ষণের মধ্যে রয়েছে— প্রথমে জ্বর হয় ও শরীর ম্যাজ ম্যাজ করে বা হালকা ব্যথা লাগে। প্রথম এক-দুই দিন তীব্র জ্বরও হতে পারে। চোখ-মুখ ফুলে উঠতে পারে। চোখ লাল হয়ে যেতে পারে, চোখ দিয়ে পানি পড়তে পারে। নাক দিয়ে পানি পড়তে পারে এবং হাঁচিও হতে পারে। শরীরে ছোট ছোট লালচে গুটি/ফুসকুড়ি দেখা দেয় এবং দ্রুতই তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ সময় বিশেষত শিশুরা কিছুই খেতে চায় না এবং ভীষণ দুর্বল হয়ে পড়ে।
বাংলাদেশের ৬ জাহাজকে হরমুজ প্রণালি পার হতে অনুমতি দিয়েছে ইরান : রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশের ৬ জাহাজকে হরমুজ প্রণালি পার হতে অনুমতি দিয়েছে ইরান : রাষ্ট্রদূত ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহীমি জাহানাবাদি বলেছেন, বাংলাদেশের তেলবাহী ছয়টি জাহাজকে হরমুজ প্রণালি পার হতে অনুমতি দিয়েছে ইরান সরকার। বুধবার মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকার ইরান দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ রকারের পক্ষ থেকে এসব জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হতে দেওয়ার জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। এ পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের নিরাপত্তা কাউন্সিল বাংলাদেশের ছয় তেলবাহী জাহাজকে চলাচলে অনুমতি দেয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতি লক্ষ্য করছে ইরান। বাংলাদেশ ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে যেন জ্বালানি সংকটে না পড়ে, সেদিকে ইরানের নজর রয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের জাহাজ চলাচল অব্যাহত রাখবে ইরান। ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহীমি বলেন, ইরানে আটকে পড়া ১৮০ জন বাংলাদেশি ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে ফেরত এসেছেন। আরও যারা বাংলাদেশি সেখানে আছেন, তারা যদি আসতে চান, তাহলে ইরান সব ধরনের সহায়তা দেবে।