বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানির তালিকায় সফিউর রহমান

বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানির তালিকায় সফিউর রহমান বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় টানা চতুর্থবারের মতো স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের রসায়ন বিভাগের প্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা প্রফেসর ড. সফিউর রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান এলসেভিয়ের শনিবার যৌথভাবে এ তালিকা প্রকাশ করেছে। স্কোপাস ইনডেক্সড আর্টিকেলকে ভিত্তি হিসেবে ধরে ২২টি বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্র এবং ১৭৬টি উপ-ক্ষেত্রে শ্রেণীবদ্ধ করে দুটি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন দেশের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেরা গবেষকদের তালিকায় নাম আসায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ড. মো. সফিউর রহমান বলেন-আমার দেশ আমাকে সুশিক্ষিত হবার ও ভালো গবেষণা করবার সুযোগ করে দেয়ায় এ দেশের প্রতি আমার দায়িত্ব রয়েছে। আর সে কারণেই দীর্ঘ ১১ বছর (২০০৪-২০১৪) কানাডাতে লেখাপড়া, গবেষণা ও শিক্ষকতা করবার পরও কানাডাতে চাকরি/অবস্থান না করে আমি মাতৃভূমির টানে ২০১৪ সালে দেশে ফিরে এসে পূর্বের কর্মস্থল বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করি। আজ কিছুটা হলেও তার প্রতিদান দিতে পেরেছি বলে আমার বিশ্বাস এবং এটা আমার অনেক বড় প্রাপ্তি বলে আমি মনে করি। পরমাণু শক্তি কমিশনের ফুল টাইম চাকরির পাশাপাশি তিনি “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়” ও “স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ”-এ খণ্ডকালীন অধ্যাপক হিসাবে শিক্ষকতা করেন। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়-এর অ্যাকাডেমিক কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এ ছাড়া তিনি ২০১৫ সাল থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বেশ কিছু গবেষণা কার্যক্রমের প্রকল্প পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এ পর্যন্ত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ জন ডক্টরাল এবং ৬৫ পোস্টগ্রাজুয়েট ছাত্র ও ছাত্রী তাঁর তত্ত্বাবধানে গবেষণা সম্পন্ন করে ডিগ্রী অর্জন করেছেন এবং দেশ ও বিদেশে কর্মরত আছেন। ড. সফিউর রহমান ৮টি বিজ্ঞান বিষয়ক বইয়ের লেখক। জাতীয়-আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নালে তাঁর ১৫০-এর অধিক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। কানাডা, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, জার্মানি, ইতালি, ব্রাজিল, স্লোভাকিয়া, চীন, জাপান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্ডিয়াসহ বিভিন্ন দেশের বৈজ্ঞানিক সভা, কর্মশালা ও প্রশিক্ষণে তিনি অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার বিজ্ঞানীদের সাথে তাঁর কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। পানির গুণগত মান উন্নয়ন, পরিবেশ দূষণ পুনরুদ্ধার, জলবায়ু পরিবর্তন ইত্যাদি ক্ষেত্রে তাঁর বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। তিনি বিভিন্ন সময় বেশ কিছু অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছেন। প্রফেসর ড. সফিউর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ বাজারে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আলহাজ সাইফুদ্দিন আহমেদ একজন আদর্শ শিক্ষকতার পাশাপাশি একজন সমাজসেবক এবং মাতা আলহাজ চেনার বেগম একজন গৃহিনী ছিলেন। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সর্ব কনিষ্ঠ। জন কল্যাণে ভবিষতে আরো ভালো গবেষণা করবার জন্য তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সকল মানুষের দোয়া চান।

জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট : টাইব্রেকারে শিবগঞ্জের জয়

জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট : টাইব্রেকারে শিবগঞ্জের জয় চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার যৌথ আয়োজনে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অুনষ্ঠিত হচ্ছে। তারুণ্যের উৎসব উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত টুর্নামেন্টের শুক্রবারের খেলায় জয় পেয়েছে শিবগঞ্জ উপজেলা দল। শুক্রবার নতুন স্টেডিয়ামে শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট উপজেলা দলের মধ্যে খেলা অুনষ্ঠিত হয়। খেলার নির্ধারিত সময়ে কোনো দল গোল করতে না পারায় টাইব্রেকারে গড়া খেলা। টাইব্রেকারে ৪—২ গোলে ভোলাহাট উপজেলা দলকে হারিয়ে জায় পায় শিবগঞ্জ উপজেলা দল। এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ নতুন স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের কমিশনার (তদন্ত) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হেরোইন মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হেরোইন মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৪০ গ্রাম হেরোইন বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রাখার অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়েরকৃত একটি মামলায় পলাশ কর্মকার নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে তাঁকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ছয়মাস কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। আজ দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দায়রা জজ মিজানুর রহমান একমাত্র আসামীর উপস্থিতিতে আদেশ প্রদান করেন। দন্ডিত পলাশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের নয়নশুকা কামারপাড়া মহল্লার প্রভাত কর্মকারের ছেলে। মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী(পিপি) আব্দুল ওদুদ বলেন, ২০২০ সালের ২৪ মার্চ সদর উপজেলার সুন্দরপুর বাগডাঙ্গা খাচ্চাপাড়া গ্রামের নিকট র‌্যাবের অভিযানে ৫৪০ গ্রাম হেরাইনসহ আটক হন পলাশ। এঘটনায় ওইদিন সদর থানায় মামলা করেন র‌্যাব-৫ ব্যাটালিয়নের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক(এসআই) আব্দুল মমিন। ২০২০ সালের ১৩ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা(আইও) ও সদর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক(এসআই) জালাল উদ্দিন একমাত্র পলাশকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলার চার্জশীট দাখিল করেন। ১২ জনের সাক্ষ্য, প্রমাণ ও শুনানী শেষে আদালত আজ পলশকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করেন।

ঝিলিম ইউনিয়নে খরা মোকাবেলায় টেকসই কৃষির প্রশিক্ষণ

ঝিলিম ইউনিয়নে খরা মোকাবেলায় টেকসই কৃষির প্রশিক্ষণ বরেন্দ্র অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় খরা সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি বিস্তারের লক্ষ্যে সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সকালে ঝিলিম ইউনিয়ন পরিষদের হল রুমে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন প্রকল্পের ২০ জন সিসিএজি সদস্য এবং স্থানীয় কৃষক। এসময় কৃষকদের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, এর প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা, টেকসই কৃষি অনুশীলন ও খরা সহনশীল কৃষি কৌশল সম্পর্কে সচেতন করা হয়। একইসাথে খরা সহিষ্ণু ফল ও ফসল নির্বাচন, বসতবাড়িতে উঠানবাগান তৈরি, ভার্মিকম্পোস্ট প্রস্তুত এবং পানি সংরক্ষণ কৌশল নিয়ে হাতে-কলমে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক উদ্যানতত্ববিদ কৃষিবিদ মোঃ শামসুদ্দোহা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের শস্য বিশেষজ্ঞ কৃষিবিদ জহুরুল ইসলাম এবং প্রকল্পের কৃষিবিদ ফয়জুল হক। বরেন্দ্র অঞ্চলের বাস্তব জলবায়ুগত চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে করণীয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন প্রকল্প সমন্বয়কারী বকুল কুমার ঘোষ। প্রশিক্ষণের অন্যতম বিষয় ছিল পরিবেশবান্ধব কৃষি বিস্তারে জৈব সার ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহ দেওয়া। এই লক্ষ্যে ভার্মিকম্পোস্ট তৈরির উপায় ও উপকারিতা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি প্রয়াসের ইসিসিসিপি-ড্রাউট প্রকল্পের আওতায় চালু থাকা ঋণ কার্যক্রম সম্পর্কেও অবহিত করেন ইউনিট-২২ এর শাখা ব্যবস্থাপক শিবলি আক্তার। কর্মশালায় সহযোগিতা করেন সিএমও জেনারেল প্রসেনজিৎ কুমার সাহা এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সমন্বয় করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী নিজেই। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কৃষকরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ তাদের খরা পরিস্থিতিতে কৃষি অভিযোজন এবং নতুন প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি পদ্ধতি গ্রহণে অনুপ্রাণিত করবে। কার্যক্রমটি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও গ্রীণ ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)-এর সহযোগিতায় বাস্তবায়ন করছে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির এক্সটেনডেড কমিউনিটি ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রজেক্ট-ড্রাউট (ইসিসিসিপি-ড্রাউট) প্রকল্প।    

ভোলাহাট ও শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে আটক ৪

ভোলাহাট ও শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে আটক ৪ ভোলাহাট উপজেলার জেকে পোলাডাংগা সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের পর পূণরায় বাংলাদেশে ফেরত আসার পথে ৩ বাংলাদেশীকে আটক করেছে বিজিবি। আটক ৩ জনের বিরুদ্ধে চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগ করেছে বিজিবি। আটকরা হলেন, গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালা গ্রামের এমতাজুলের ছেলে শামিম হোসেন, একই গ্রামের সঞ্জয় কর্মকারের ছেলে পলাশ কর্মকার ও শিবগঞ্জ উপজেলার শিবনারায়নপুর গ্রামের ছাত্তারের ছেলে মিজানুর রহমান। বিজিবি জানায়, তাঁরা অনুমতি ছাড়া নদীপথে নৌকাযোগে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে অবৈধভবে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। বিজিবির একটি টহলদল তাঁদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে বাংলাদেশে ফেরত আসার সময় আজ ভোরে আটক করে। এসময় তাঁদের নিকট বাংলাদেশী সিমসহ ৩টি মোবাইল ফোন ও ৭০ ভারতীয় রুপী পাওয়া যায়। আজ দুপুরে ৫৯বিজিবি মহানন্দা ব্যাটালিয়নের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ৩ জনকে আটকের ঘটনাটি নিশ্চিত করা হয়। ৫৯ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া বলেন, এ ঘটনায় ভোলাহাট থানায় মামলা করে গ্রেপ্তারদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যদিকে, একই দিন সকালে সোনামসজিদ সীমান্তের কানসাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিবগঞ্জ উপজেলার উমরপুর গ্রামের সেতাবুর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান আটক করে বিজিবি। এসময় তার কাছ থেকে ৩.৭ কেজি ভারতীয় গাঁজা ও একটি ব্যাটারি চালিত ভ্যান জব্দ করা হয়।

পেঁয়াজে আইপি উন্মুক্তকরণের দাবি সোনামসজিদ আমদানিকারকদের

পেঁয়াজে আইপি উন্মুক্তকরণের দাবি সোনামসজিদ আমদানিকারকদের ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে ইমপোর্ট পারমিট (আইপি) উন্মুক্তকরণের দাবি জানিয়েছেন আমদানিকারকেরা। আমদানি বাড়লে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম ৪০ টাকায় নেমে আসবে বলেও দাবি করেন। আজ বিকালে শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানান আমদানিকারকেরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন সোনামসজিদ আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি আলহাজ¦ একরামুল হক। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগস্টে কয়েকজন আমদানিকারককে ৫০ মেট্রিক টন করে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়। মাত্র দুদিন পরে আবারও বন্ধ করে দেওয়া হয় অনুমতি। তবে পরবর্তীতে একটি সিন্ডিকেট আদালতের আদেশের মাধ্যমে আইপি নেওয়ার চেষ্টা করছে। এটি হলে পেঁয়াজের বাজার একটি সিন্ডিকেটের হাতে চলে যাবে। এ জন্য পেঁয়াজের আইপি উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবি জানান তারা। আমদানিকারকেরা দাবি করেন, আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পেঁয়াজের দাম ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি বাড়লে দাম ৪০ টাকার মধ্যেই চলে আসবে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সোনামসজিদ আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আরিফ উদ্দিন ইতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা, কোষাধ্যক্ষ নাজমুল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ ও আমদানিকারক আবদুল আওয়ালসহ অন্যরা।

শিবগঞ্জে অপহৃত মুদি দোকানী উদ্ধার, ৫ অপহরণকারী আটক

শিবগঞ্জে অপহৃত মুদি দোকানী উদ্ধার, ৫ অপহরণকারী আটক শিবগঞ্জে এক মুদি ব্যবসায়ীকে অপহরণের অভিযোগে পাঁচ অপহরণকারীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল রাতে উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের গোলাপ বাজারে অভিযান চালিয়ে অপহৃতকে উদ্ধার করা হয়। আটক করা হয় ৫ অপহরণকারীকে। আজ দুপুরে শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অপহৃত মুদি ব্যবসায়ী উপজেলার দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামের শাওবান হোসেন সাবানের ছেলে সানি আহম্মেদ। আটক অপহরণকারীরা হল- উপজেলার জমিনপুর মধ্যপাড়া গ্রামের হাবিবুরের ছেলে আরিফ হোসেন, নাসিরের ছেলে মোয়াজ্জেম হোসেন, কালিগঞ্জ লজিবটোলার মালেকের ছেলে আল আমিন, এরাদত বিশ্বাসটোলার মৃত নাজেলের ছেলে রাজু ও শিবগঞ্জ পৌরসভার দৌলতপুর-মোড়লটোলার রবিউলের ছেলে রাজু হোসেন। পুলিশ জানায়, বাগবাড়ি বাজারে দীর্ঘদিন ধরে মুদিখানার ব্যবসা করে আসছেন সানি আহম্মেদ। প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল রাতে সানি আহম্মেদ মুদি দোকান বন্ধ করে তার দুই বন্ধু দুলাল ও সোহেলকে সঙ্গে নিয়ে একটি মোটরসাইকেলযোগে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। এ সময় বাগবাড়ি ফিল্ড বাজারের সুদামের বাড়ির সামনে পৌঁছালে ৮-৯ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে অজ্ঞাতস্থানে চলে যায়। পরে তার দুই বন্ধু পরিবারকে অপহরণের বিষয়টি জানায়। পুলিশ আরও জানায়, খবর পেয়ে রাতেই উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের গোলাপ বাজারে অভিযান চালিয়ে অপহৃত সানি আহম্মেদকে উদ্ধার করে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ অপহরণকারীকে আটক করে থানায় আনা হয়। জব্দ করা হয় অপহরণে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস। শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপহৃতের মা শ্যামলী বেগম বাদি হয়ে মামলা করেছেন। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ভোলাহাটে ভিক্ষুক পুনর্বাসনে গরু ও ছাগল বিতরণ

ভোলাহাটে ভিক্ষুক পুনর্বাসনে গরু ও ছাগল বিতরণ ভোলাহাট উপজেলায় ভিক্ষুক পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় ২০ জন উপকারভোগীর মাঝে গরু ও ছাগল বিতরণ করা হয়েছে। আজ সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে ৯ জনকে ৪টি করে ছাগল ও ১১ জনকে ১টি করে গরু বিতরণ করেণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মনিরুজ্জামন। উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে এ বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাসিম উদ্দিন, বিএমডিএ’র সহকারী প্রকৌশলী লোকমান হাকিম, যুব কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম কবিরাজ, দলদলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক চুটুসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও উপকারভোগীরা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামন উপকারভোগীদের বলেন, সরকার অসহায় জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে এ ধরনের পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই গরু ছাগলগুলো বিক্রি করে দেওয়া যাবে না। এগুলো যতœ সহকারে লালন-পালন করবেন। নিয়মিত পরিচর্যা করলে পশুগুলো বৃদ্ধি পাবে এবং এর মাধ্যমে বাড়তি আয় নিশ্চিত হবে। ভবিষ্যতে সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে উপকারভোগীরা স্বাবলম্বী হয়ে নিজেদের জীবিকা নির্বাহে সক্ষম হবেন বলে প্রত্যাশা করেন।

৬ বছর পর নিজ দেশে ফিরলেন ভারতীয় নাগরিক

৬ বছর পর নিজ দেশে ফিরলেন ভারতীয় নাগরিক অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ৬ মাস সাজাপ্রাপ্ত ভারতীয় নাগরিক রামদেব মাহাতোকে নিজ দেশে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। আজ দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দর আইসিপি গেট দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের ইমিগ্রেশন পুলিশ এবং বিজিবি ও বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিততে তাকে ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়া ব্যক্তি রামদেব মাহাতো (৬০) ভারতের বিহার প্রদেশের বাতিয়া জেলার মাজালিয়া থানার গুদারা পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা তিনি। তার পিতার নাম তাপা মাহাতো। তিনি ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে আটক হন। পরবর্তীতে আদালত তাকে ৬ মাস সাজা দেন। ২০১৯ সালের ২৯ মে সাজা শেষে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও সঠিক ঠিকানা না থাকায় দীর্ঘদিন কারাগারেই থাকতে হয় তাকে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর স্বেচ্ছাসেবী ও গণমাধ্যম কর্মী শামসুল হুদার চেষ্টায় ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর রামদেব মাহাতোর পরিবারকে খুঁজে পাওয়া যায়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর উভয় দেশের সম্মতিতে আইনী প্রক্রিয়া শেষে সোমবার ভারতের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়। রামদেব মাহাতো নিজ দেশে ফিরে যাবার আগ মুহুর্তে আনন্দে কেঁদে ফেলেন। এ সময় তিনি স্বেচ্ছাসেবক ও গণমাধ্যম কর্মী শামসুল হুদার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ ব্যাপারে স্বেচ্ছাসেবক ও গণমাধ্যম কর্মী শামসুল হুদা জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. জাকির হোসেন তাকে জানান, তার জেলে ১০ জন প্রত্যাবাসন বন্দী সাজা শেষে নিজ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে। সঠিক ঠিকানা না থাকায় তাদের ফেরানো যাচ্ছেনা। সে তালিকা মোতাবেক তিনি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে বিহারের পশ্চিম চাঁমপাড়ান জেলার গুদ্রা গ্রামের খোঁজ পেয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত লাল বাচ্চা যাদবের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে রামদেবের ছবি পাঠিয়ে গতবছরের ২০ নভেম্বর পরিবারের খোঁজ পাবার তিন দিন পর ২৩ নভেম্বর তিনি বিষয়টি প্রমাণসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সব তথ্য-উপাত্তসহ বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা ভারতীয় দূতাবাসকে জানায়। পরবর্তীতে নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই শেষে ভারতীয় দূতাবাস ২০২৪ সালের ১৮ মার্চ রামদেব মাহাতোর ছাড়পত্র বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। এরপর বিভিন্ন দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবার ফেরত পাঠানো হলো।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ১

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ১ চাঁপাইনবাবগঞ্জে কমেছে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের হার। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের বহির্বিভাগে নতুন করে মাত্র ১জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৮ জন রোগী এবং ২ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৪ জন পুরুষ ও ২ জন নারীসহ ৬ জন, শিবগঞ্জে ১ জন পুরুষ, গোমস্তাপুরে ১ জন নারী রোগী। অন্যদিকে জেলা হাসপাতাল থেকে ১ জনকে ও গোমস্তাপুর থেকে ১ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৩৫৮ জন এবং জেলা হাসপাতালের বহির্বিভাগে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৬৩ জন। সিভিল সার্জন অফিস ও জেলা হাসপাতালের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে।