ঈদ উপলক্ষে রহনপুর রেলবন্দরে টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু

ঈদ উপলক্ষে রহনপুর রেলবন্দরে টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উদযাপন উপলক্ষে গোমস্তাপুরের রহনপুর রেলবন্দরে (রহনপুর রেলওয়ে শুল্ক স্টেশন বা ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট) গত ১৩জুন থেকে আগামী বুধবার ১৯ জুন পর্যন্ত টানা ৭ দিন  ছুটি বা আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বন্ধ শেষে আগামী ২০ জুন বৃহস্পতিবার যথারীতি এই বন্দরের সাথে ভারতের মালদা জেলার সিঙ্গাবাদ রেলবন্দরের আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে। রেল সূত্র জানায়, গত  ১৫মে মহাপরিচালকের দপ্তর, রেল ভবন ঢাকার উপ-পরিচালক (ইন্টারচেঞ্জ) মিহরাবুর রশিদ খান স্বাক্ষরিত এক পত্রে বিষয়টি ভারতীয় সহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পত্রে বলা হয়, ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশে ১৬ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত ব্যাংক, কাস্টমসসহ  সংশ্লিস্ট সকল  প্রতিষ্ঠান ছুটি থাকবে।  এ কারণে পত্রে ১৩ হতে ১৯ জুন পর্যন্ত ভারত থেকে মালবাহী ট্রেন  না পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে। রহনপুর ষ্টেশন মাস্টার শহিদুল আলম বলেন, ঈদের সময় শ্রমিক সংকট থাকে। এছাড়া এ সময় দেশে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচাল নির্বিঘœ করতে ভারতীয় ট্রেন (মালগাড়ীর র‌্যাক) গ্রহণ কঠিন। এছাড়া দেশে  যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত  ইঞ্জিনও (লোকোটিভ) প্রস্তুত রাখা হয়। দেশে ইঞ্জিন পরিচালনার জনবলের (ক্রু) সংকট রয়েছে বলেও তিনি স্বীকার করেন। ষ্টেশন মাস্টার শহিদুল আরও বলেন,রহনপুর ষ্টেশন থেকে শুধমাত্র ঈদের দিন ব্যতীত প্রতিদিনই আভ্যন্তরীন রুটের প্রতিটি ট্রেন যথারীতি ছেড়ে যাবে ও আসবে। রহনপুর ষ্টেশন মাস্টার বলেন, বর্তমানে ভারত থেকে রহনপুর পথে পাথর,মেইজ বা ভুট্টা ও  খইল (ড্রাই ওয়েল কেক যা পোল্টি ও মাছের খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়) আমদানী হচ্ছে। রহনপুর বন্দর পথে নিয়মিত ভারতের সাথে ও অনিয়মিতভাবে নেপালের সাথে আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম চালু রয়েছে  বলেও তিনি জানান।

কোরবানী ঈদ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-পদ্মাসেতু-ঢাকা রুটে ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন চলাচল শুরু

কোরবানী ঈদ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-পদ্মাসেতু-ঢাকা রুটে ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন চলাচল শুরু আসন্ন কোরবানী ঈদ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-পদ্মাসেতু-ঢাকা রুটে  চতুর্থ বছরের মত ৩দিনের জন্য ক্যাটল ষ্পেশাল ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।  সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ষ্টেশন থেকে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ট্রেনটি গত সোমবার(১০জুন) ম্যাংগো ষ্পেশাল ট্রেনের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলেও বুধবার প্রথম কোরবাণী পশু বহন শুরু করল। এ বছর আম মৌসুমে কোরবাণী ঈদ হওয়ায় ট্রেনটি ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনের সাথে একত্রে চলাচল করবে বলে জানিয়েছেন রেল কর্মকর্তারা। এজন্য একটি নতুন অত্যাধুনিক প্রতিটি ২৮টনের ৬ ওয়াগনের ট্রেন দিয়েছে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে। প্রয়োজনে ওয়াগন সংখ্যা বাড়ানো হবে। প্রথম দিন ট্রেনটি ৪ ওয়াগন ভর্তি গরু-খাসি নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এর মধ্যে অধিকসংখ্যকই গরু (৭১টি) ও অল্প কয়েকটি ছাগল রয়েছে বলে জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ষ্টেশন মাষ্টার ওবাইদুল্লাহ। তিনি বলেন, ৪টি ওযাগন সম্পূর্ণ বুক হয়েছে। প্রতি ওয়াগনের ভাড়া ১৫হাজার ৪৭০টাকা।সেই হিসেবে প্রতিটি গরুর ভাড়া ৭৭৩.৫০ টাকা। একটি ছাগলের ভাড়া এর অর্ধেক। অর্থ্যাৎ দুটি ছাগল বা একটি গরুর ভাড়া একই। কোন ব্যবসায়ী বা খামারীকে একটি ওয়াগনের পুরোট্ইা ভাড়া করতে হবে। রেল কর্তৃপক্ষ ক্ষুদ্র খামারী ও ব্যবসায়ীদের সমন্বয় করে দিচ্ছেন ওয়াগন ভাড়ার সুবিধার্থে।  কারণ পশু পরিবহন কম করলেও ওয়াগণের পুরো ভাড়া দিতে হবে। বুধবার চরটি ওয়াগন ভাড়া করেছেন ঢাকার ফয়সাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের শামীম মুন্সি, পান্না ও মাসুদ রানা নামে চার ব্যবসায়ী। সকলের গন্তব্য ঢাকার শাজাহানপুর,কমলাপুর ও সংলগ্ন পশুর হাট। শামীম মুন্সি বলেন, তিনি এর আগেও  গত তিন মৌসুমে ট্রেনে গরু নিয়ে ঢাকা গেছেন। রেলের নিরাপত্তা, ভাড়া ও ব্যবস্থপনায় তিনি সন্তুষ্ট। অন্য ব্যবসায়ীদেও প্রায় একই অভিমত। তবে ট্রেনে পাওয়ার কার না থাকায় ওয়াগনগুলোতে  ফ্যান থাকলেও চলছে না। এতে গরমে কষ্ট হচ্ছে পশু এবং  সাথের রাখাল ও ব্যবসায়ীদের। বৃহস্পতিবারের(১৩জুন) জন্য ২টি ওয়াগন আগাম বুক হয়েছে। রেলের পাকশী বিভাগের বানিজি্িযক কর্মকর্তা নাসিরুদ্দিন জানান, এটি রেলের সেবামুলক পরিবহন। লাভ বিবেচনায় এসব ট্রেন চালানো হচ্ছে না । তবে এটি একসময় লাভজনক যেন হয় সে চেস্টাও রয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত ২০২১ সালে প্রথম ক্যাটল ট্রেন ১৭ জুলাই থেকে ১৮জুলাই পর্যন্ত দুদিন চলে। পরিবহন করে ১১২টি ছাগল ও ১৩১টি গরু। আয় হয় ৯২হাজার ৩০ টাকা। ২০২২ সালেও দুদিন চলে ট্রেনটি ১৬০টি ছাগল ও ৩৬টি গরু পরিবহন করে। আয় হয় ৪২ হাজার ১২০ টাকা। ২০২৩ সালের ২৪ জুন থেকে ২৫জুন পর্যন্ত দুদিন চলে পরিবহন করে ১৬১টি ছাগল ও ৭৮টি গরু। আয় হয় ৮৬ হাজার ৮৪০ টাকা। গত তিনবার ভাড়া একই ও কিছু কম ছিল। এবার সামাণ্য্য বাড়ানো হয়েছে। গত তিন মৌসুমের মধ্যে প্রথম দুই মৌসুম ট্রেনটি ম্যাংগো ষ্পেশালের সাথে নয় বরং পৃথকভাবে  বঙ্গবন্ধ সেতু (যমুনা সেতু) দিয়ে পরিচালনা করা হয়েছিল। এবার সর্বাধিক পশু পরিবহন হবে বলে আশা করছেন রেল কর্মকর্তারা। তারা ভবিষ্যতে এসব ট্রেনের আরও সুবিধা বাড়ানোর কথাও বলছেন।

নামোশংকরবাটি উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

নামোশংকরবাটি উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ ‘টেকসই উন্নয়নে চাই টেকসই প্রযুক্তি’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে নামোশংকরবাটি উচ্চ বিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে মেলার সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ডায়াবেটিক হাসপাতালের পরিচালক ডা. দুররুল হোদা। নামোশংকরবাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসলাম কবীরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ওবায়দুল হক, জেলা কালচারাল অফিসার ড. ফারুকুর রহমান ফয়সাল। নামোশংকরবাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মার্শাল এর সঞ্চালনায়, এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, নবাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসিনুর রহমান, হরিপুর ১নং উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা, বিজ্ঞান মেলার প্রধান বিচারক ড. মাহবুবুর রহমান, আব্দুল বারীসহ অন্যান্যরা। উল্লেখ্য, নামোশংকরবাটি উচ্চ বিদ্যালয় আয়োজিত মেলায় ৩৬টি স্টলে ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা তাদের উদ্ভাবনী বিভিন্ন কর্মকা- প্রদর্শন করেন। এদের মধ্যে দুটি গ্রুপে ৫জন করে ১০জন পুরস্কার প্রদান করা হয়।

গোমস্তাপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় শিশু নিহত

গোমস্তাপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় শিশু নিহত গোমস্তাপুর উপজেলায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় কাওসার আলী নামে ৩ বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে। সে চৌডালা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের নন্দলালপুর গ্রামের ইসমাইল আলীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আজ সকালে বাড়ির সামনের আঞ্চলিক সড়কে খেলা করার সময় অজ্ঞাত পরিচয় একটি মোটরসাইকেলের সাথে ধাক্কায় আহত হয় কাওসার। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই মোটরসাইকেলটি পালিয়ে যায়। গোমস্তাপুর থানার উপ-পরিদর্শক- এসআই মঈন চৌধুরী জানান, পুলিশ মোটরসাইকেলটি শনাক্ত ও আটকে অভিযান শুরু করেছে। এ ঘটনায় থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীণ। পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর আবেদনের প্রেক্ষিতে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছে।

শেষ হলো ওয়ার্ল্ড ভিশনের ৩দিন ব্যাপী পরিকল্পনা বিয়ষক কর্মশালা

শেষ হলো ওয়ার্ল্ড ভিশনের ৩দিন ব্যাপী পরিকল্পনা বিয়ষক কর্মশালার ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ এরিয়া প্রোগ্রামের ৩ দিনব্যাপী কর্মশালা শেষ হয়েছে। নবাবগঞ্জ টাউন ক্লাব মিলনায়তনে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিব খাাঁন, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী আফিসার মোসা. তাছমিনা খাতুন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মীর আল মনসুর সোয়াইব। আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন রাজশাহীর সিনিয়র ম্যানেজার স্বপন মন্ডল, উপপরিচালক (প্রোগ্রাম কোয়ালিটি) করিম হাওলাদার, ম্যানেজার (কমিউনিটি এনগেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং পার্টনারিং) চৌধুরী তাশফিক ই হাবিব, প্রোগ্রাম কোয়ালিটি জাহাদুল ইসলাম, রেডিও মহানন্দার টেকনিক্যাল অফিসার মো. রেজাউল করিম, সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক, ধর্মীয় নেতা, শিক্ষক, অভিভাবক, শিশু ও যুব ফোরামের সদস্য, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, শিশুদের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে আগামী ৫ বছরের জন্য কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। এ লক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় ৪টি ইউনিয়ন এবং পৌরসভার ৩ ও ৫ নং ওয়ার্ড থেকে সর্বোস্তরের জনগণ বিশেষভাবে সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, স্থানীয় সরকার, ধর্মীয় প্রতিনিধ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ৩দিন ব্যাপি পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মপরিকল্পনা অংশগ্রহণ করে যেখানে শিশুকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তার অগ্রাধিকার নির্ণয় করা হয়। উক্ত কর্মশালায় সার্বিক সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন করীম হাওলাদার, চৌধুরী এম. তাশফিক-ই-হাবীব, এবং মো. জাহাদুল ইসলাম, এছাড়াও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সেক্টর স্পেশালিষ্টগণ কর্মশালায় সহযোগীতা প্রদান করেন। উক্ত অনুষ্ঠানের সার্বিক বিষয়ে সহযোগীতা করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন চাঁপাই এরিয়া প্রোগ্রামের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মি. শ্যামল এইচ কস্তা ও মি. সুজন গ্রেগরী।

শিবগঞ্জে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে উপজেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে শিবগঞ্জ স্টেডিয়াম মাঠে ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে এ ফাইনাল খেলার উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল। ফাইনালে ২-০ গোলে শ্যামপুর বাজিতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় চাঁদপুর-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক দল। অন্যদিকে ১-০ গোলে বাবুপুর লক্ষীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালিকা দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় কৃষ্ণচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালিকা দল। সমাপনী অনুষ্ঠানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুবায়ের হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা পরিমল কুমার ঘোষ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহিন আকতার ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মিটুল খান প্রমূখ। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম।

শিবগঞ্জে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের গতিশীলতা আনয়ন শীর্ষক প্রশিক্ষণ

শিবগঞ্জে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের গতিশীলতা আনয়ন শীর্ষক প্রশিক্ষণ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে উপজেলা পর্যায়ে বাস্তবায়িত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের গতিশীলতা আনয়ন শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে প্রশিক্ষণে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক উম্মে কুলসুম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ওয়াহেদা খাতুন। প্রশিক্ষণে ফিল্ড সুপারভাইজার রেজাউল করিমসহ উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের গ্রাম কমিটির সভাপতি বা দলনেতা, সাংবাদিক, ইমাম, শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের গতিশীলতা আনয়নে বিভিন্ন নির্দেশনা দেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক উম্মে কুলসুম।

শিবগঞ্জের পাঁকায় ভিজিএফের চাল পেল ২৯৭৩ পরিবার

শিবগঞ্জের পাঁকায় ভিজিএফের চাল পেল ২৯৭৩ পরিবার পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নে ২ হাজার ৯’শ ৭৩ অসহায় দুস্থ পরিবারের মাঝে শেখ হাসিনা সরকারের ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে। আজ সকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে পাঁকা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এই ভিজিএফের চাল বিতরণ করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস। প্রত্যেক পরিবারকে দেয়া হয় ১০ কেজি চাল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাঁকা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মালেক, প্যানেল চেয়ারম্যান দাহারুল ইসলাম কামাল, ইউনিয়ন সমাজকর্মী মামুন অর রশিদ, ইউপি সদস্য বাসেদ আলী ও রফিকুল ইসলামসহ অন্যরা।

পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে মাদকবিরোধী আলোচনা

পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে মাদকবিরোধী আলোচনা ‘মাদক সেবন রোধ করি-সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি’- এই স্লোগানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাদকদ্রব্যের কুফল সম্পর্কে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ প্রতৌশলী আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে মাদকদ্রব্যের কুফল সম্পর্কে আলোচনা করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আনিছুর রহমান খাঁন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- উপাধ্যক্ষ সেলিম আহমেদ। উপাধ্যক্ষ ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য দেন- ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের চিফ ইন্সট্রাক্টর আফিদা রহমান ও রসায়ন বিভাগের (নন-টেক) চিফ ইন্সট্রাক্টর দূর্গা চরন রায়। বক্তারা মাদকের কুফল তুলে ধরে বলেন- মাদক এমনই একটি বস্তু, যা শুধু একজন মানুষকেই ধ্বংস করে না, গোটা পরিবারকে ধ্বংস করে, রাষ্ট্রের ক্ষতি করে। কাজেই মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে, মাদক সেবনকারীদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে ধরিয়ে দিতে হবে।

শিবগঞ্জে ৭৩ হাজার ৮৩৫ অসহায় পরিবার পেল ভিজিএফের চাল

শিবগঞ্জে ৭৩ হাজার ৮৩৫ অসহায় পরিবার পেল ভিজিএফের চাল আসন্ন ঈদ উল আযহা উপলক্ষে শিবগঞ্জের ১৫টি ইউনিয়নে ৭৩ হাজার ৮শ’ ৩৫টি অসহায় পরিবার পেয়েছে  ১০ কেজি করে ভিজিএফের  চাল। আজ বিকেলে এ তথ্য জানিয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম। তিনি জানান, গত ৯ জুন থেকে ভিজিএফের চাল বিতরণ শুরু হয়ে চলে আজ পর্যন্ত। জনসংখ্যার ভিত্তিতে শাহাবাজপুর ইউনিয়নে ৭ হাজার ২৫৫টি পরিবার, দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নে ৫ হাজার ৪৫৩টি, মোবারকপুর ইউনিয়নে ৪ হাজার ১২৯টি, চককীর্তি ইউনিয়নে ৫ হাজার ৫০টি, কানসাট ইউনিয়নে ৫ হাজার ৪৫৫টি, শ্যামপুর ইউনিয়নে ৫ হাজার ৫৬৯টি, বিনোদপুর ইউনিয়নে ৫ হাজার ৬৬১টি, মনাকষা ইউনিয়নে ৭ হাজার ২৫০টি, দুর্লভপুর ইউনিয়নে ৭ হাজার ৫৩৯টি, উজিরপুর ইউনিয়নে ১ হাজার ৩১৬টি, পাঁকা ইউনিয়নে ২ হাজার ৯৭৩টি, ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নে ২ হাজার ৩০৬টি, ধাইনগর ইউনিয়নে ৫ হাজার ৩৪৪টি, নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নে ৫ হাজার ৭৪৯টি, ও ছত্রাজিতপুর ইউনিয়নে ২ হাজার ৭৮৬টি পরিবার পেয়েছেন এই ভিজিএফের চাল। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, ভিজিএফ বরাদ্দের ক্ষেত্রে দুস্থ, অতিদরিদ্র ব্যক্তি বা পরিবারকে এ সহায়তা প্রদান করতে হবে। ভিজিএফ কার্ডপ্রতি দেয়া হয় ১০ কেজি চাল। সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ দুস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারকে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া চাল বিতরণ কাজ শেষ করে সমাপ্তি প্রতিবেদন ও মাষ্টাররোল দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ কার্যালয়ে প্রেরণের জন্য সকল চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হয়েছে।