ইসরায়েলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান

ইসরায়েলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে ইরান জোরালো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এসময় রাজধানী জেরুজালেমসহ মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক এলাকায় সতর্ক সংকেত জারি করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানছে এমন খবরে বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। হামলার সময় দেশটির বিভিন্ন স্থান থেকে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ হামলায় ‘ক্লাস্টার’ বা গুচ্ছ-বোমা ব্যবহার করেছে ইরান। এই ধরনের অস্ত্র বিস্ফোরণের পর ছোট ছোট বোমায় বিভক্ত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকায় ক্ষতি সাধন করে। ইসরায়েলের অন্তত আটটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বা বিস্ফোরক পড়ে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এসব এলাকার ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে। এর আগে উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্ক সাইরেন বাজানো হলেও পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে তা প্রত্যাহার করা হয়। পরে সেখানকার বাসিন্দাদের শেল্টার থেকে বের হওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়। গত রবিবার থেকে ইসরায়েলে এই হামলার ধারা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল এখন শুধু ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যই নয়, পাশাপাশি লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর নিয়মিত আক্রমণের মুখেও পড়ছে।

কাতারে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, মিলল ছয়জনের মরদেহ

কাতারে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, মিলল ছয়জনের মরদেহ কাতারের জলসীমায় একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার পর ছয়জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। এছাড়া এখনো একজন নিখোঁজ আছেন। তাকে খুঁজে বের করতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে। রোববার (২২ মার্চ) এই হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয় বলে জানায় কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সর্বশেষ আপডেটে তারা বলেছে, হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের পর ছয়জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। ওই হেলিকপ্টারে সাতজন ছিলেন বলেও উল্লেখ করেছে কাতারের মন্ত্রণালয়। কাতার জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে হেলিকপ্টারটি তাদের জলসীমার ভেতর বিধ্বস্ত হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় হেলিকপ্টারটি ‘রুটিন কাজ’ করছিল।   সূত্র: আলজাজিরা

ইসরায়েলে ৪ শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

ইসরায়েলে ৪ শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলে ৪০০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করছে, এসব ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৯২ শতাংশ সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। রবিবার এক ব্রিফিংয়ে আইডিএফের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদভ শোশানি বলেন, ‘ইরান ৪০০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। তবে আমাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর ছিল। ফলে ইরানের থেকে ছোড়া এসব ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৯২ শতাংশ আমরা ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছি।’ প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার দক্ষিণ ইসরায়েলের দুটি শহরে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে অন্তত ১৭৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চরম অস্থিরতার মধ্যে ‘প্যানিক মোডে’ রয়েছেন ট্রাম্প : সিনেটর মারফি

চরম অস্থিরতার মধ্যে ‘প্যানিক মোডে’ রয়েছেন ট্রাম্প : সিনেটর মারফি ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে চলমান চরম অস্থিরতার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছেন বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির ডেমোক্রেটিক সিনেটর ক্রিস মারফি। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বর্তমানে প্যানিক মোডে রয়েছেন।’ চার সপ্তাহ ধরে চলা ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের তীব্র সমালোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন মারফি। এক প্রতিক্রিয়ায় সিনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘যুদ্ধ পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণেই ট্রাম্প চরম অস্থিরতার মধ্যে রয়েছেন। চলমান এ সংঘাতের গতিপ্রকৃতি ও সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে বলেও জানান তিনি। এই যুদ্ধকে ‘ট্রাম্পের উন্মাদ যুদ্ধ’ বলে আখ্যায়িত করে সতর্ক করে মারফি বলেন, ‘এই যুদ্ধের প্রভাব ইতিমধ্যে জ্বালানি বাজারে পড়েছে। তার মতে, তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন অর্থনীতিতে সরাসরি চাপ তৈরি হয়েছে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’ প্রসঙ্গত, ইরান গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা আরো বেড়ে যায়। এর জবাবে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘প্রণালি খুলে না দিলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হবে।’ তবে মারফির দাবি, এ সংঘাত শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং এর প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

যুদ্ধের মধ্যে উন্মুক্ত ময়দানে ঈদের নামাজ পড়ল ইরানিরা

যুদ্ধের মধ্যে উন্মুক্ত ময়দানে ঈদের নামাজ পড়ল ইরানিরা যুদ্ধের মধ্যেও উন্মুক্ত ময়দানে ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়েছেন হাজার হাজার ইরানি। ৩০ রমজান শেষে আজ শনিবার দেশটিতে পালিত হচ্ছে ঈদ। দেশটির সরকারি টিভিতে প্রচারিত ফুটেজে দেখা গেছে, ভোরবেলা রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্রান্ড মসজিদে ঈদের নামাজের জন্য জড়ো হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। মসজিদে জায়গা না হওয়ায় অনেক মানুষ বাইরে নামাজ আদায় করেন। এছাড়া আরাক, জাহেদান এবং আবাদানেও উন্মুক্ত জায়গায় মানুষ ঈদের নামাজ পড়েছেন। আজকে ঈদের দিনই আবার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত গোয়েন্দা মন্ত্রী ও বিপ্লবী গার্ডের মুখপাত্রের জানাজার নামাজও পড়েছেন ইরানের সাধারণ মানুষ। সূত্র: গালফ নিউজ

ইরানের তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ৩০ দিনের জন্য শিথিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এটি শুধুমাত্র সাগরে থাকা তেলের ওপর কার্যকর হবে। অর্থাৎ ইরানের যেসব তেল এখন বিভিন্ন জাহাজ বা ট্যাংকারে রয়েছে সেসব তেল বিশ্বের আমদানিকারক দেশগুলো কিনতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলার পর ইরান গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়তে থাকে। এই পরিস্থিতি দূর করতে এখন ইরানি তেলে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে স্থানীয় সময় শুক্রবার (২০ মার্চ) বলেছেন, তাদের এ উদ্যোগের কারণে বিশ্ববাজারে প্রবেশ করবে ইরানের ১৪০ মিলিয়ন ব্যারল তেল। যেগুলো বর্তমানে জাহাজে লোড করা অবস্থায় আছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্ত ইঙ্গিত করছে, ট্রাম্প প্রশাসন এখন উদ্বিগ্ন যে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তেলের সংকট যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসার ক্ষতি করতে পারে এবং তাদের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে। অর্থাৎ কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির।

এমবাপ্পেকে দলে নিয়ে বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিলেন দেশম

এমবাপ্পেকে দলে নিয়ে বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিলেন দেশম চোটের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে সীমিত ম্যাচ খেলার পরও বিলিয়ান এমবাপ্পেকে জাতীয় দলে ডাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম। ব্রাজিল ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে আসন্ন প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে ঘোষিত দলে এমবাপ্পেকে রাখা হয়। হাঁটুর চোটের কারণে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা এই ফরোয়ার্ড সম্প্রতি খুব বেশি সময় মাঠে থাকতে পারেননি, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এমবাপ্পেকে দলে নেওয়ার বিষয়ে দেশম বলেন, ‘এটা একেবারেই সত্য নয় যে তাকে মার্কেটিংয়ের জন্য আনা হয়েছে। সে নিজেই এই ম্যাচগুলো খেলতে চায়।’ তিনি জানান, অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচের পর এমবাপ্পের শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করা হবে। এরপরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তিনি কতটা সময় খেলবেন। আগামী ২৬ মার্চ ব্রাজিল এবং ২৯ মার্চ কলম্বিয়ার বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে প্রীতি ম্যাচ খেলবে ফ্রান্স। দলে তৃতীয় গোলরক্ষক হিসেবে লুকাস শেভালিয়েকে অন্তর্ভুক্ত করাও আলোচনা তৈরি করেছে। এ বিষয়ে দেশম বলেন, ‘এটা তার প্রতি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নেওয়া সিদ্ধান্ত। সামনে কী হবে জানি না, তবে তাকে দলে রাখা গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে।

অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি নয়, চূড়ান্ত সমাধান চায় ইরান

অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি নয়, চূড়ান্ত সমাধান চায় ইরান মধ্যপ্রাচ্য চলমান সংঘাত বন্ধে যেকোনো কার্যকর উদ্যোগকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ইরান। তবে এই যুদ্ধ ইরানের ওপর ‘চাপিয়ে দেওয়া’ হয়েছে দাবি করে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধ বন্ধে প্রস্তুত নয়।’ জাপানিজ সংবাদমাধ্যম কিয়োডোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকারটি শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সিতেও প্রকাশ করা হয়েছে। আরাঘচি বলেন, ‘যদিও কিছু দেশ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সমাধানের চেষ্টা করছে। তবে ইরান যুদ্ধ বন্ধের কার্যকর প্রস্তাব শুনতে ও বিবেচনা করতে প্রস্তুত। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র আগ্রাসন বন্ধ করতে প্রস্তুত বলে মনে হচ্ছে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইরান সরাসরি কোনো অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির পক্ষে নয়। বরং ইরান এমন একটি চূড়ান্ত সমাধান চায়, যা দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।’

৬০ বছরে প্রথমবার ঈদের সময় বন্ধ মসজিদুল আকসা, মুসল্লিদের ওপর হামলা

৬০ বছরে প্রথমবার ঈদের সময় বন্ধ মসজিদুল আকসা, মুসল্লিদের ওপর হামলা ফিলিস্তিনের অধিকৃত জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদুল আকসায় মুসল্লিদের প্রবেশ বন্ধ রেখেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। ইরানে হামলার অজুহাতে টানা ২০ দিন বন্ধের পর আজ শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনেও এ মসজিদে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পরে মুসল্লিরা আশপাশে বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে নামাজ আদায় করেন। ১৯৬৭ সালে জেরুজালেমের পশ্চিম নগরী দখলের পর ৫৯ বছরে এবারই প্রথম ঈদের নামাজে মুসল্লিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, মুসল্লিদের মসজিদে প্রবেশ ও সেখানে নামাজ পড়তে বাধা দিতে জেরুজালেমের অলিগলিতে ব্যাপক সংখ্যক ইসরায়েলি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া মসজিদের প্রবেশপথগুলোতে ধাতব প্রতিবন্ধক স্থাপন করা হয়েছে। এদিকে জেরুজালেমের অন্যতম প্রবেশপথ বাব আল-সাহিরায় ঈদের নামাজ আদায়ের চেষ্টাকারী মুসল্লিদের ওপর পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় পুলিশ অন্তত একজন ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করে। তা ছাড়া পুরনো শহরের বাব আল-আমুদসহ পূর্ব জেরুজালেমের বিভিন্ন স্থানে নামাজ পড়তে বাধা দিতে দেখা গেছে। অন্যদিকে এবার আল-আকসা মসজিদের ভেতরে অল্প কয়েকজন নামাজ পড়ার সুযোগ পেয়েছেন। মসজিদে শুধুমাত্র মসজিদের রক্ষী, তত্ত্বাবধায়ক ও জেরুজালেমের ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগের কর্মচারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। অবশ্য কিছু প্রত্যক্ষদর্শী আল-আকসা মসজিদ চত্বরের ভেতর থেকে ঈদের তাকরির ধ্বনি শোনার কথা জানিয়েছেন। তবে মুসল্লিদের কাউকে এতে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার শুরুর পর থেকে পবিত্র আল-আকসা মসজিদ পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে করে সেখানে রমজানের তিনটি জুমার নামাজে অংশ নিতে পারেন ফিলিস্তিনি মুসল্লিরা। ১৯৬৭ সালে জেরুজালেম নগর দখলের পর ৫৯ বছরে এবারই প্রথম রমজান ও ঈদের নামাজে মুসল্লিদের প্রবেশে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তথ্যসূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

উপসাগরীয় দেশগুলোতে খোলা মাঠে ঈদের জামাত নিষিদ্ধ

উপসাগরীয় দেশগুলোতে খোলা মাঠে ঈদের জামাত নিষিদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোতে এবার খোলামাঠে ঈদের জামাত আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের প্রভাবে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশগুলোর কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কর্তৃপক্ষ শুধু মসজিদের ভেতর পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের নির্দেশ দিয়েছে। কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এরই মধ্যে মুসল্লিদের জানিয়েছে, পবিত্র রমজান মাস শেষে ঈদের নামাজের জন্য ঐতিহ্যবাহী খোলা ময়দানগুলোতে যেন তারা ভিড় না করেন। সাধারণত এসব ময়দানে প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ সমবেত হয়। চলমান সংঘাত ও সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় জনসমাগমের নিরাপত্তা পুনর্মূল্যায়ন করে এ সিদ্ধান্তকে ‘সতর্কতামূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন সরকারি কর্মকর্তারা।