৪র্থ বারের মতো ক্ষমতায় আসতে পারে মমতা ব্যানার্জির সরকার

৪র্থ বারের মতো ক্ষমতায় আসতে পারে মমতা ব্যানার্জির সরকার পশ্চিমবঙ্গে আরও একটি মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে পারে মমতা ব্যানার্জি-এর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৪ আসনের মধ্যে দলটি ১৮৪–১৯৪টি আসন পেতে পারে বলে একটি জনমত জরিপে আভাস মিলেছে। সর্বভারতীয় গণমাধ্যম CNN-News18-এ প্রকাশিত ‘ভোট-ভাইব’ জরিপ অনুযায়ী, প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) পেতে পারে ৯৮–১০৮টি আসন। ফলে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তারা অনেকটাই পিছিয়ে থাকবে। জরিপে আরও বলা হয়েছে, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস এবং বামফ্রন্ট-সহ অন্যান্য দল মিলিয়ে পেতে পারে মাত্র ১-৩টি আসন। ভোটের হিসাবে তৃণমূল কংগ্রেস পেতে পারে ৪১.৯ শতাংশ এবং বিজেপি ৩৪.৯ শতাংশ ভোট। জরিপে বলা হচ্ছে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রবণতারই প্রতিফলন ঘটতে পারে এবারের বিধানসভা ভোটে। সম্প্রদায়ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মুসলিম ভোটারদের মধ্যে তৃণমূলের শক্ত অবস্থান বজায় রয়েছে—৫৭.৬ শতাংশ তাদের সমর্থন করছে। অন্যদিকে তফসিলি উপজাতিদের মধ্যে বিজেপির সমর্থন ৫১ শতাংশ। তফসিলি জাতি ও দলিত ভোটারদের মধ্যে কিছুটা বিভাজন থাকলেও ৪৩ শতাংশ বিজেপি এবং ৩৯.৫ শতাংশ তৃণমূলকে সমর্থন করছে। মুখ্যমন্ত্রী পদের পছন্দের তালিকাতেও এগিয়ে রয়েছেন মমতা ব্যানার্জি—৪৮.৫ শতাংশ সমর্থন নিয়ে শীর্ষে। তাঁর পরে রয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (৩৩.৪ শতাংশ)। এছাড়া মোহাম্মদ সেলিম পেয়েছেন ৪.৩ শতাংশ এবং অধীর রঞ্জন চৌধুরী পেয়েছেন ৩.৭ শতাংশ সমর্থন। জরিপে উঠে এসেছে, এবারের নির্বাচনের অন্যতম প্রধান ইস্যু বেকারত্ব—৩৭.২ শতাংশ উত্তরদাতা এটিকে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা, নারী নিরাপত্তা, মূল্যবৃদ্ধি ও দুর্নীতিও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে। একই সঙ্গে জরিপে বলা হয়েছে, নতুন রাজনৈতিক সমীকরণও প্রভাব ফেলতে পারে নির্বাচনে। বিশেষ করে ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ (এজেইউপি) এবং অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম)-এর জোট তৃণমূলের ভোটব্যাংকে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জরিপ অনুযায়ী, বর্তমান সরকারের কাজকে ৪৩.৩ শতাংশ মানুষ ‘ভালো’ বা ‘খুব ভালো’ বললেও ৩৮.৯ শতাংশ একে ‘খারাপ’ বা ‘খুব খারাপ’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। এতে বোঝা যায়, সরকারের প্রতি সমর্থনের পাশাপাশি কিছুটা অসন্তোষও রয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উঠে এসেছে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, নেতৃত্বের অভাব, দুর্বল সংগঠন ও জনসংযোগের ঘাটতি। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল ১৫২ আসনে এবং দ্বিতীয় দফায় ২৯ এপ্রিল ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা হবে ৪ মে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস, জনসমর্থন নেমেছে ৩৬ শতাংশে

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস, জনসমর্থন নেমেছে ৩৬ শতাংশে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু করা যুদ্ধের জেরে ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি আমেরিকানদের কাছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। রয়টার্স/ইপসোস এর সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসে ফেরার পর ট্রাম্পের জনসমর্থন এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। সোমবার শেষ হওয়া চার দিনব্যাপী এই জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৬ শতাংশ আমেরিকান ট্রাম্পের কর্মদক্ষতার ওপর আস্থা রেখেছেন। গত সপ্তাহে রয়টার্স/ইপসোস-এর জরিপে এই হার ছিল ৪০ শতাংশ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দেশের অর্থনীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে আমেরিকানদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া মাত্র ২৫ শতাংশ মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন; অথচ ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় এই বিষয়টিই ছিল তার অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি। দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় ট্রাম্পের ওপর আস্থা রেখেছেন মাত্র ২৯ শতাংশ মানুষ। এটি ট্রাম্পের দুই মেয়াদের রাষ্ট্রপতিত্বের মধ্যে সর্বনিম্ন রেটিং। এমনকি তার পূর্বসূরি ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনের সর্বনিম্ন অর্থনৈতিক রেটিংয়ের চেয়েও এটি কম। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনগুলোতে ট্রাম্পের সামগ্রিক জনসমর্থন ছিল ৪৭ শতাংশ এবং গত বছরের গ্রীষ্মকাল থেকে এটি মূলত ৪০ শতাংশের আশপাশে ছিল। বর্তমান রেটিং তার প্রথম মেয়াদের সর্বনিম্ন রেটিং (৩৩ শতাংশ) এবং জো বাইডেনের সর্বনিম্ন রেটিংয়ের (৩৫ শতাংশ) চেয়ে কিছুটা উপরে। ক্ষমতায় আসার আগে ট্রাম্প ‘বোকামিপূর্ণ যুদ্ধ’ এড়িয়ে চলার প্রতিশ্রুতি দিলেও ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি পাল্টে দিচ্ছে। জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৫ শতাংশ আমেরিকান ইরানের ওপর হামলার পক্ষে মত দিয়েছেন, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩৭ শতাংশ। অন্যদিকে, ৬১ শতাংশ মানুষ এই হামলার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, গত সপ্তাহে যা ছিল ৫৯ শতাংশ।
মধ্যপ্রাচ্যে ১০০০ প্যারাট্রুপার মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে ১০০০ প্যারাট্রুপার মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র ইরান যুদ্ধে উত্তেজনার বৃদ্ধির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে এক হাজার প্যারাট্রুপার মোতায়েন করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত দুটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। তাদের মতে, মার্কিন সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্রায় এক হাজার সৈন্য আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হবে। এর ফলে ওই অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি আরও বাড়বে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন বলছে- তারা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করছে। সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই দলে ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের কমান্ডার মেজর জেনারেল ব্র্যান্ডন টেগটমায়ার এবং ডিভিশন স্টাফ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়াও রয়েছে ১ম ব্রিগেড কমব্যাট টিমের একটি ব্যাটালিয়ন, যা বর্তমানে ডিভিশনের ইমিডিয়েট রেসপন্স ফোর্স (আইআরএফ) হিসেবে কাজ করছে। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিভিশন স্টাফ এবং ব্যাটালিয়নের প্রাথমিক অংশ এক সপ্তাহের মধ্যে মোতায়েন শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে; ব্রিগেডের অন্যান্য অংশও পরবর্তীতে মোতায়েন করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও পরিস্থিতির অগ্রগতির সাথে সাথে এই প্রত্যাশাগুলো পরিবর্তিত হতে পারে। সূত্রটি জানিয়েছে, ব্রিগেডটি মধ্যপ্রাচ্যের ‘প্রস্তুত ইউনিট’ হিসেবে কাজ করবে। যেকোনও সময় প্রয়োজনে তাদের তলব করা হবে। ২০২০ সালে ইরানি কমান্ডার কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার পর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল। আইআরএফ হলো এমন একটি ব্রিগেড, যা স্বল্প সময়ের নোটিশে স্থানান্তরের জন্য প্রস্তুত থাকে এবং একটি দ্রুত প্রতিক্রিয়া বাহিনী হিসেবে কাজ করে, যা তলব করা হলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মোতায়েন হতে সক্ষম। সেনাবাহিনীর ব্রিগেডের বিভিন্ন দলের মধ্যে আইআরএফ-এর এই দায়িত্ব পর্যায়ক্রমে বদল হয়। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল। ওই দিন থেকেই পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে ইরানও। এভাবেই টানা ২৬তম দিন গড়িয়েছে যুদ্ধ। ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন সামরিক স্থাপনায় অনবরত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। এতে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য। সেই সঙ্গে বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুটি হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। এতে সারাবিশ্বে জ্বালানির বাজারে চরম অস্থিরতা শুরু হয়েছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় ২০৮ শিশু নিহত

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় ২০৮ শিশু নিহত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে নিহত শিশুর সংখ্যা বেড়ে ২০৮ জনে দাঁড়িয়েছে। ইরানের জরুরি সেবা বিভাগের প্রধান জাফর মিয়াদফার এ তথ্য জানিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভেশন চ্যানেল আইআরআইবি কর্তৃক প্রকাশিত এক ভিডিও বিবৃতিতে জাফর বলেন, নিহত ২০৮ জন শিশুর মধ্যে ১৬৮ জনই যুদ্ধের শুরুতে মিনাব শহরের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছে। মিয়াদফার আরও জানান, নিহত শিশুদের মধ্যে ১৩ জনের বয়স পাঁচ বছরের কম এবং সর্বকনিষ্ঠ শিশুটির বয়স ছিল মাত্র তিন দিন। ইরান সরকারের তথ্যানুযায়ী, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দেশজুড়ে দেড় হাজারের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এদিকে, আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ইসনা-তে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ-রেজা জাফরকান্দি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রায় ৩১৮টি স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ও জরুরি সেবা কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৪৯টি জরুরি সেবা কেন্দ্র, ১৮৬টি স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ৪০টি হাসপাতাল। তিনি আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত হাসপাতালগুলোর মধ্যে অন্তত ১২টি বর্তমানে সম্পূর্ণ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এছাড়া প্রায় ৩০টি অ্যাম্বুলেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকেজো হয়ে পড়েছে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৪,৮২৯ জন আহত হয়েছে : ইসরায়েল

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৪,৮২৯ জন আহত হয়েছে : ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর এ পর্যন্ত ইসরায়েলের ৪৮২৯ জন আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে তেল আবিব। আজ কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে। ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দাবি করেছে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৪৮২৯ জন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১১ জন এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং ১২ জনের অবস্থা গুরুতর। উল্লেখ্য-গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানকে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি থেকে বিরত রাখতে যৌথ হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। জবাবে ইসরায়েলে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান। একই সঙ্গে ইরান কয়েকটি আরব দেশে যেখানে মার্কিন ঘাঁটিসহ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আছে সেখানেও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে এই সংঘাত এখন ওই অঞ্চলের ১৪ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
নিউইয়র্কে বিমানবন্দরের রানওয়েতে প্লেন ও গাড়ির সংঘর্ষ

নিউইয়র্কে বিমানবন্দরের রানওয়েতে প্লেন ও গাড়ির সংঘর্ষ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লা গার্ডিয়া বিমানবন্দরে এয়ার কানাডার একটি প্লেনের সঙ্গে রানওয়েতে থাকা গাড়ির সংঘর্ষ হয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের মিডিয়া অফিস সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা বলেছে, ধারণা করা হচ্ছে নিউইয়র্ক বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি গাড়ির সঙ্গে বিমানের সংঘর্ষ হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছে কি না সেটি জানায়নি পুলিশ। সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, রোববার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩৮ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে এখন পযন্ত চারজন আহত হয়েছেন। একটি সূত্র জানিয়েছে, বিমানটিতে ৭৬ জন যাত্রী এবং চারজন ক্রু ছিলেন। দেশটির জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা বোর্ড জানিয়েছে, ঘটনা সম্পর্কে তারা তথ্য যোগাড় করছে। সংস্থাটি এর বেশি আর কিছু বলেনি। বিমানবন্দরটি নিউইয়র্কের কুইন্স এলাকার পূর্ব এলহার্স্টে অবস্থিত। সূত্র: এনবিসি নিউজ
নিজেদের উপকূলে হামলা হলে পারস্য উপসাগরে মাইন স্থাপনের হুমকি ইরানের

নিজেদের উপকূলে হামলা হলে পারস্য উপসাগরে মাইন স্থাপনের হুমকি ইরানের নিজেদের উপকূল ও দ্বীপে যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কোনো ধরনের হামলা চালায় তাহলে পুরো পারস্য উপসাগরে মাইন স্থাপন করা হবে বলে হুমকি দিয়েছে ইরান। সোমবার (২৩ মার্চ) ইরানি ডিফেন্স কাউন্সিল জানিয়েছে, তারা উপকূলে ও দ্বীপে কোনো হামলাকে সহ্য করবে না। এক বিবৃতিতে ডিফেন্স কাউন্সিল বলেছে, “যুদ্ধের অংশীদার নয় বা শান্তিকামী দেশগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার একমাত্র উপায় হলো ইরানের সাথে সমন্বয় করা।” “ইরানি উপকূল বা দ্বীপপুঞ্জে শত্রুপক্ষ কোনো ধরনের আক্রমণের চেষ্টা করলে পারস্য উপসাগর ও উপকূলের সমস্ত প্রবেশপথ এবং যোগাযোগ পথে বিভিন্ন ধরনের নৌ-মাইন বসিয়ে দেওয়া হবে।” “এর ফলে পুরো পারস্য উপসাগর কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে এবং এর যাবতীয় দায়ভার হুমকি প্রদানকারী দেশগুলোর ওপর পড়বে।” যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত শনিবার হুমকি দেন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরানকে হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে হবে। নয়ত ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র টার্গেট করে হামলা চালানো হবে। তার এ আল্টিমেটামের মেয়াদ যখন ঘনিয়ে আসছে, ঠিক তখনই ইরান পারস্য সাগরে মাইন বসানোর হুমকি দিলো। সূত্র: সিএনএন
ইসরায়েলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান

ইসরায়েলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে ইরান জোরালো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এসময় রাজধানী জেরুজালেমসহ মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক এলাকায় সতর্ক সংকেত জারি করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানছে এমন খবরে বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। হামলার সময় দেশটির বিভিন্ন স্থান থেকে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ হামলায় ‘ক্লাস্টার’ বা গুচ্ছ-বোমা ব্যবহার করেছে ইরান। এই ধরনের অস্ত্র বিস্ফোরণের পর ছোট ছোট বোমায় বিভক্ত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকায় ক্ষতি সাধন করে। ইসরায়েলের অন্তত আটটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বা বিস্ফোরক পড়ে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এসব এলাকার ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে। এর আগে উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্ক সাইরেন বাজানো হলেও পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে তা প্রত্যাহার করা হয়। পরে সেখানকার বাসিন্দাদের শেল্টার থেকে বের হওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়। গত রবিবার থেকে ইসরায়েলে এই হামলার ধারা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল এখন শুধু ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যই নয়, পাশাপাশি লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর নিয়মিত আক্রমণের মুখেও পড়ছে।
কাতারে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, মিলল ছয়জনের মরদেহ

কাতারে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, মিলল ছয়জনের মরদেহ কাতারের জলসীমায় একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার পর ছয়জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। এছাড়া এখনো একজন নিখোঁজ আছেন। তাকে খুঁজে বের করতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে। রোববার (২২ মার্চ) এই হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয় বলে জানায় কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সর্বশেষ আপডেটে তারা বলেছে, হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের পর ছয়জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। ওই হেলিকপ্টারে সাতজন ছিলেন বলেও উল্লেখ করেছে কাতারের মন্ত্রণালয়। কাতার জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে হেলিকপ্টারটি তাদের জলসীমার ভেতর বিধ্বস্ত হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় হেলিকপ্টারটি ‘রুটিন কাজ’ করছিল। সূত্র: আলজাজিরা
ইসরায়েলে ৪ শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের
ইসরায়েলে ৪ শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলে ৪০০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করছে, এসব ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৯২ শতাংশ সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। রবিবার এক ব্রিফিংয়ে আইডিএফের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদভ শোশানি বলেন, ‘ইরান ৪০০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। তবে আমাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর ছিল। ফলে ইরানের থেকে ছোড়া এসব ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৯২ শতাংশ আমরা ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছি।’ প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার দক্ষিণ ইসরায়েলের দুটি শহরে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে অন্তত ১৭৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।