বেঙ্গালুরুতে হাসপাতালের দেয়াল ধসে শিশুসহ নিহত ৭

বেঙ্গালুরুতে হাসপাতালের দেয়াল ধসে শিশুসহ নিহত ৭ ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বেঙ্গালুরুতে একটি হাসপাতাল কমপ্লেক্সের ৮ ফুট (২.৫ মিটার) উঁচু দেয়াল ধসে সাতজন নিহত হয়েছেন। গত বুধবার রাজ্যের একজন সরকারি কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।কর্ণাটক রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার এক বিবৃতিতে জানান, দেয়াল ধসে এক শিশু ও চারজন হকার ছাড়াও কেরালা রাজ্যের আরও দুই ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন।তিনি আরও জানান, নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে এই ঘটনাকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে অভিহিত করেছেন। উপ-মুখ্যমন্ত্রী শিবকুমার জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন এবং তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, দেয়াল ধসের পর আহত এক নারীকে একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কয়েক সপ্তাহের তীব্র দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমের পর গত বুধবার বেঙ্গালুরুর আবহাওয়ায় হঠাৎ পরিবর্তন আসে। শহরের বিভিন্ন অংশে ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি দমকা হাওয়া ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়।
লিবিয়ার উপকূলে নৌকা ভেঙে ১৭ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত, নিখোঁজ আরও ৯

লিবিয়ার উপকূলে নৌকা ভেঙে ১৭ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত, নিখোঁজ আরও ৯ লিবিয়ার ভূমধসাগরের উপকূলে নৌকা ভেঙে শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৭ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী এবং এখনও নিখোঁজ আছেন আরও অন্তত ৯ জন। আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা রেড ক্রিসেন্টের লিবিয়া শাখা এবং দেশটির নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে গতকাল বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।এক বিবৃতিতে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি বলেছে, লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর তবরুকের উপকূল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে নৌকাটি ভেঙে পড়েছিল এবং আট দিন ধরে সাগরে ভাসছিল। দেশটির নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও স্বেচ্ছাসেবীরা ঘটনাস্থল এবং তার চার-পাশ থেকে এ পর্যন্ত ১৭ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছে। অনুসন্ধান কার্যক্রম ইতোমধ্যে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি যে ৯ জন নিখোঁজ আছেন, তাদের মরদেহ সাগরে ঢেউয়ে তীরে ভেসে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।আফ্রিকার দারিদ্র্যপীড়িত সাব-সাহারান অঞ্চরের দেশগুলোর অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কাছে সাগরপথে ইউরোপে যাওয়ার জন্য লিবিয়া বেশ জনপ্রিয় একটি রুট।আফ্রিকা মহাদেশে মোট দেশের সংখ্যা ৫৪টি। এসব দেশের ৪৭টিই সাব সাহারান অঞ্চলভুক্ত। যাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তারা সবাই সাব-সাহারান অঞ্চলের। তবে কে কোন দেশের নাগরিক— তা জানা যায়নি।
অবতরণের সময় অস্ট্রেলিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২

অবতরণের সময় অস্ট্রেলিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২ অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড শহরের প্যারাফিল্ড বিমানবন্দরে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুইজন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর পুরো এলাকায় জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১০ মিনিটের দিকে বিমানটি অবতরণের চেষ্টা করার সময় একটি হ্যাঙ্গারে (বিমান রাখার গ্যারেজ বা শেড ) আঘাত করে। আঘাতের পরপরই এলাকায় কালো ধোঁয়ার বড় স্তম্ভ দেখা যায় এবং দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। আশপাশের লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়। দুর্ঘটনায় বিমানের চালক ও এক যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। হ্যাঙ্গারের ভেতরে থাকা ১১ জন কর্মী গুরুতর দগ্ধ হন এবং তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর মধ্যে চারজনকে রয়্যাল অ্যাডিলেড হাসপাতাল এবং সাতজনকে লায়েল ম্যাকইউইন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর প্যারাফিল্ড বিমানবন্দর সব ধরনের বিমান চলাচলের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলোকে সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার পরিবহন নিরাপত্তা সংস্থা জানিয়েছে, দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট ডায়মন্ড ডিএ ৪২ ধরনের এই বিমান দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। রাজধানী ক্যানবেরা ও ব্রিসবেন থেকে বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো হয়েছে, যারা ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা ও প্রমাণ সংগ্রহ করছে। এ বছর এটিই প্যারাফিল্ড বিমানবন্দরের দ্বিতীয় দুর্ঘটনা। এর আগে জানুয়ারিতে একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হলেও চালক প্রাণে বেঁচে যান।
মামলার শুনানির জন্য ৯০ বছরের বৃদ্ধাকে আরও ২০ বছর অপেক্ষার নির্দেশ

মামলার শুনানির জন্য ৯০ বছরের বৃদ্ধাকে আরও ২০ বছর অপেক্ষার নির্দেশ মানহানির মামলার শুনানির জন্য ৯০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে আরও ২০ বছর অপেক্ষা করার নির্দেশ দিলেন বোম্বে হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি জিতেন্দ্র জৈনের একক বেঞ্চ এই মামলার শুনানি করতে গিয়ে একে ‘অহংকারের লড়াই’ বলে অভিহিত করেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ বলা হয়েছে, এই আইনি বিবাদ বিচারব্যবস্থাকে ব্যাহত করছে। এর প্রেক্ষিতেই বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন যে, ২০৪৬ সালের আগে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে না। ২০১৭ সালে তারিণীবেন এবং ধ্বনি দেশাই, কিলকিলরাজ বনশালি ও অন্যদের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। মামলার মূল ঘটনাটি ছিল ২০১৫ সালে ‘শ্যাম কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি’র বার্ষিক সাধারণ সভায় ঘটা কিছু অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ে। আবেদনকারীদের দাবি, সেই ঘটনার কারণে তারা মানসিকভাবে হেনস্তা ও দুর্দশার শিকার হয়েছেন, যার ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২০ কোটি রুপি দাবি করা হয়েছে। মামলার গতিপ্রকৃতি দেখে বিচারপতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জীবনের শেষ প্রান্তে এসে মক্কেলদের এই জেদ বিচারব্যবস্থাকে অচল করে দিচ্ছে। এর ফলে আদালত এমন সব মামলা হাতে নিতে পারছে না যেগুলোর প্রকৃতপক্ষেই অগ্রাধিকার প্রয়োজন। এর আগে, আদালতের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়ার মাধ্যমে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও ৯০ বছর বয়সী ওই বৃদ্ধা মানহানির মামলা চালিয়ে যেতে অনড় থাকেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, আবেদনকারী একজন ‘সুপার সিনিয়র সিটিজেন’ বা অতি প্রবীণ নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও এই মামলাকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া সম্ভব নয়। দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে থাকা এই মামলায় সাক্ষী ও নথি পেশের সুযোগ দেওয়া হলেও বিষয়টির কোনো সমাধান হয়নি, যা শেষ পর্যন্ত আদালতের এই কড়া নির্দেশের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একতরফাভাবে ইরান যুদ্ধের সমাপ্তি টানার কথা ভাবছে ট্রাম্প প্রশাসন: রিপোর্ট

একতরফাভাবে ইরান যুদ্ধের সমাপ্তি টানার কথা ভাবছে ট্রাম্প প্রশাসন: রিপোর্ট ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের সমাপ্তি টানতে মার্কিন প্রশাসন একতরফা বিজয় ঘোষণার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের অনুরোধে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বর্তমানে এই সম্ভাব্য সিদ্ধান্তের ফলাফল বিশ্লেষণ করছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি হঠাৎ করেই এই যুদ্ধে নিজেদের জয়ী ঘোষণা করেন, তবে তেহরান ঠিক কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে, সেটিই এখন ওয়াশিংটনের মূল চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে যুদ্ধের ময়দান থেকে সরে আসার পেছনে সামরিক কৌশলের চেয়ে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপই বেশি কাজ করছে। চলতি বছরের শেষের দিকে অনুষ্ঠিতব্য মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির ভরাডুবির আশঙ্কা করছেন দলটির নীতি-নির্ধারকরা। ইরানে পরিচালিত এই দীর্ঘমেয়াদী এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল সামরিক অভিযানের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে, যা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি করেছে। নির্বাচনে হার এড়াতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন যুদ্ধ থেকে দ্রুত বের হয়ে আসার পথ খুঁজছেন। যদিও যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে আলোচনা চলছে, তবে ওয়াশিংটন এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। রয়টার্স বলছে, ট্রাম্প যেকোনো মুহূর্তে ইরান বিরোধী সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার সিদ্ধান্তও নিতে পারেন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দ্রুত উত্তেজনা প্রশমন প্রেসিডেন্টের ওপর থাকা রাজনৈতিক চাপ কমিয়ে দিতে পারে। যদিও এতে একটি বড় ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে; একতরফা বিজয় ঘোষণা করলে ইরান তার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পুনরায় শক্তিশালী করার সুযোগ পাবে, যা ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্রদের জন্য নতুন করে হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ আলোচনার সাথে সম্পৃক্ত সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই যুদ্ধের কারণে নিজের এবং তার দলের রাজনৈতিক ক্ষতির বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন। প্রশাসনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুদ্ধ শেষ করার জন্য প্রেসিডেন্টের ওপর বর্তমানে ‘বিশাল’ ঘরোয়া চাপ রয়েছে। তবে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে একটি সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে, গত ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া অস্ত্রবিরতির সুযোগ নিয়ে ইরান ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রচুর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উদ্ধার করে নিজেদের শক্তি সঞ্চয় করেছে। ফলে এখন নতুন করে যুদ্ধ শুরু করলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে আগের চেয়েও বড় মূল্য দিতে হতে পারে। এদিকে, বর্তমান পরিস্থিতির সংবেদনশীলতা বিবেচনায় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এবং ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টর তুলসী গ্যাবার্ডের কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে। সিআইএ’র জন সংযোগ দপ্তরের পরিচালক লিজ লায়ন্স জানিয়েছেন, তারা এ ধরনের কোনো গোয়েন্দা মূল্যায়নের বিষয়ে অবগত নন। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ভোটারদের শান্ত করতে ট্রাম্প প্রশাসন বড় কোনো ঘোষণা দেওয়ার পথেই হাঁটছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইরান থেকে মার্কিন মনোযোগ সরিয়ে নেওয়া।
বন্ধ হরমুজ প্রণালি, হাজারো নাবিক জানেন না ফিরবেন কবে

বন্ধ হরমুজ প্রণালি, হাজারো নাবিক জানেন না ফিরবেন কবে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথহরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন হাজারো নাবিক। ট্যাঙ্কার মালিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ইন্টারট্যাঙ্কো জানিয়েছে, বর্তমানে ১০৫টির বেশি ট্যাঙ্কারে প্রায় ২ হাজার ৪০০ জন নাবিক আটকে আছেন। ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ পুনরায় চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশ্ববাজারে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় ২০ শতাংশই এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, ফলে এর অচলাবস্থা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহেও প্রভাব ফেলছে। বিবিসির ‘টুডে’অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে ইন্টারট্যাঙ্কোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিম উইলকিন্স বলেন, ইরানের উপকূলসংলগ্ন এলাকায় বহু জাহাজ ও নাবিক আটকে রয়েছেন। দীর্ঘ সময় ধরে জাহাজে অবস্থান করায় ক্রুদের মধ্যে উদ্বেগ, মানসিক চাপ ও ক্লান্তি বাড়ছে। তিনি জানান, আটকে পড়া নাবিকদের খাবার, পানি সরবরাহ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো মৌলিক বিষয়গুলোও এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই জানেন না, কবে তারা ঘরে ফিরতে পারবেন। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও, নৌপথে উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে। গত সপ্তাহে ইরান হরমুজ প্রণালিতে দুটি কার্গো জাহাজ ‘পরিদর্শনের’ জন্য আটক করে। অন্যদিকে, ১৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরে প্রবেশ ও প্রস্থানকারী জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপ করে এবং একাধিক নৌযান আটক করে। পাশাপাশি কিছু জাহাজকে গতিপথ পরিবর্তন বা ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কারণেই আলোচনা ব্যর্থ বলে অভিযোগ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

যুক্তরাষ্ট্রের কারণেই আলোচনা ব্যর্থ বলে অভিযোগ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের কারণেই পাকিস্তানের ইসলামাবাদে তেহরান-ওয়াশিংটন আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। আজ রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছানোর পর ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক এই মন্তব্য করেন। এখানেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আব্বাস আরাগচির বৈঠক করার কথা রয়েছে। আব্বাস আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ও অতিরিক্ত দাবির কারণে অগ্রগতি সত্ত্বেও আগের দফার আলোচনা লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তাৎক্ষণিকভাবে ইরানও পাল্টা হামলা শুরু করে। জবাবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় ভয়াবহ হামলা চালায় ইরানি বাহিনী। এতে অগ্নিগর্ভে পরিণত হয় গোটা মধ্যপ্রাচ্য। সেই সঙ্গে বন্ধ করে দেয় বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালী। এতে গোটা বিশ্বে জ্বালানি অস্থিরতা দেখা দেয়। টানা ৩৯ দিন যুদ্ধ শেষে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। গত ৮ এপ্রিল থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এই সময়ে পাকিস্তানে শান্তি আলোচনায় বসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু সেই আলোচনা ব্যর্থ হয়। সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হলে এক রকম একক সিদ্ধান্তেই অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে আবারও আলোচনায় বসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে ইসলামাবাদ

স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে ইসলামাবাদ পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে রবিবার সকাল থেকেই জনজীবন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরিকল্পিত যুদ্ধবিরতি আলোচনাকে কেন্দ্র করে গত এক সপ্তাহ ধরে জারি থাকা কঠোর নিরাপত্তা ও লকডাউন ব্যবস্থা শিথিল করেছে কর্তৃপক্ষ। এই কড়াকড়ির ফলে ইসলামাবাদ এবং পাশের শহর রাওয়ালপিন্ডিতে লাখ লাখ মানুষের দৈনন্দিন জীবন চরমভাবে ব্যাহত হয়েছিল। যাত্রীদের দীর্ঘ পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়েছে, প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল কমে গিয়েছিল এবং শিক্ষার্থীদের স্কুলে পৌঁছানো নিয়ে অভিভাবকদের বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছিল। রবিবার নাগাদ শহরের প্রধান সড়কগুলো থেকে ব্যারিকেড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং যান চলাচল ধীরে ধীরে বাড়ছে। কয়েক দিনের অচলাবস্থা ও অনিশ্চয়তার পর জনজীবনে স্বস্তি ফিরছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার রাতে সরকারের এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে জানানো হয়েছে যে, পর্যটন কেন্দ্র, পার্ক এবং বাস টার্মিনালগুলো পুনরায় খুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে শহরের রেড জোনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনও কঠোর রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলোর অবস্থান এই এলাকায় এবং চলতি মাসের শুরুতে এখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সূত্র: এপি
বাবার একটাই চাওয়া বৃষ্টির লাশ খুঁজে বের করা

বাবার একটাই চাওয়া বৃষ্টির লাশ খুঁজে বের করা যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে হত্যার শিকার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ এখনো খুঁজে পায়নি বলে জানিয়েছেন তাঁর বাবা জহির উদ্দিন আকন ওরফে দিল মোহাম্মদ। তাঁর একটাই চাওয়া, যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন মেয়ের লাশ খুঁজে বের করে এবং বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের চর গোবিন্দপুর এলাকায়। তাঁর বাবা জহির উদ্দিন দুই যুগের বেশি সময় ধরে রাজধানীর মিরপুরে পরিবার নিয়ে থাকেন। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে কর্মরত রয়েছেন। তাঁর মেয়ে নাহিদা সুলতানা যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পায় ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) পিএইচডির শিক্ষার্থী ছিলেন। আজ রোববার সকালে নিহত বৃষ্টির বাবা জহির উদ্দিন আকন প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেয়েটাকে আমি শেষবারের মতো দেখতে চাই। বৃষ্টির মা, ভাই সবাই খুব মন খারাপ করে আছে। কান্নাকাটি করছে। সবার মন মরা। এ অবস্থায় আমাদের একটাই আকুতি। ওর মরদেহটা যেন যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খুঁজে বের করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। আমরা এর বাইরে আর কিছু চাই না। জহির উদ্দিন আকন বলেন, ‘মেয়ের লাশ পাওয়ার খবরের আশায় গতকাল শনিবার রাত জেগে অপেক্ষা করেছি। যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ আর ফোন করেনি। তাদের ফোন করার কথা ছিল। পরে আমরা যোগাযোগ করে জেনেছি, তারা (পুলিশ) এখনো বৃষ্টির মরদেহ খুঁজতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। পুলিশ লিমনের বাসা থেকে একটি দেহের খণ্ডিত অংশ পেয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি বৃষ্টির দেহের অংশ। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি। আমাদের সঙ্গে নিয়মিত বৃষ্টির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি দূতাবাস, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে পুলিশসহ যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি কমিউনিটি যোগাযোগ রাখছে। আশ্বস্ত করেছে, বৃষ্টির হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতসহ তার লাশটি খুঁজে পেতে তারা সহযোগিতা করবে। এখন অপেক্ষা করা ছাড়া কিছুই করতে পারছি না। বৃষ্টির পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার মিরপুরের নাহার একাডেমি হাইস্কুল থেকে ২০১৪ সালে জিপিএ-৫ (গোল্ডেন এ প্লাস) নিয়ে এসএসসি পাস করেন নাহিদা সুলতানা। পরে শহীদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ থেকেও জিপিএ-৫ (গোল্ডেন এ প্লাস) নিয়ে এইচএসসি পাস করেন। এরপর নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক শেষ করে ঢাকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে ভর্তি হন। তবে স্নাতকোত্তর শেষ করার আগেই ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ফুল স্কলারশিপে পিএইচডি করার সুযোগ পেলে ২০২৫ সালের ২৫ আগস্ট ঢাকা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান বৃষ্টি। নিহত বৃষ্টির চাচা দানিয়াল আকন পরিবার নিয়ে মাদারীপুরে গ্রামের বাড়িতে থাকেন। পেশায় তিনি একজন কৃষক। ভাতিজি বৃষ্টিকে নিয়ে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘বৃষ্টি যে আমাদের ছেড়ে এভাবে চলে যাবে, তা আমার এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না। ওরা (বৃষ্টির পরিবার) বছরে একবার বড়জোড় দুবার দেশের বাড়িতে আসত। মেয়েটা ছোট থেকেই ঢাকায়। আমার ভাইয়ের মেয়ে ও ছেলে দুজনই পড়ালেখায় খুবই ভালো। এলাকায় ওদের নিয়ে সবাই গর্ব করত। বৃষ্টির মারা যাওয়ার কথা কেউ মানতে পারছে না। ওর জন্য সবাই কান্না করে যাচ্ছে। যারা বৃষ্টিকে হত্যা করেছে, তাদের বিচার চাই। আল্লাহ যেন তার বিচার করে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা অবগত রয়েছি। নিহত বৃষ্টির পরিবারের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করেছি। একটি আবেদন লাগবে। পরে আমরা প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে বৃষ্টির লাশ আনাসহ যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পাঠিয়ে দেব। আশা করছি, তাঁর লাশটি পুলিশ খুঁজে পেলেই এই কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্রে ১৭ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ হন লিমন ও বৃষ্টি নামের দুই শিক্ষার্থী। দুজনই ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পিএইচডি শিক্ষার্থী। ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন লিমন। অন্যদিকে নাহিদা পিএইচডি করছিলেন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে। নিখোঁজ হওয়ার আগের দিন বৃহস্পতিবার দুজনকে সর্বশেষ ক্যাম্পাসে দেখা গিয়েছিল। শিগগিরই বিয়ের পরিকল্পনা ছিল পিএইচডি শিক্ষার্থী লিমন বৃষ্টির, তার আগেই সব শেষ গত শুক্রবার নিখোঁজ শিক্ষার্থী জামিলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ। ফ্লোরিডার হিলসবরোর স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এক সংবাদ সম্মেলনে ফ্লোরিডার ট্যাম্পার হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধারের কথা জানায়। তাঁদের নিখোঁজের ঘটনায় হিশাম সালেহ আবুঘরবেহ নামের ২৬ বছরের আমেরিকার এক নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। তিনি জামিলের সঙ্গে একই কক্ষে থাকতেন। তবে হিশামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁর পারিবারিক বাড়ি থেকে।
সৌদি আরব থেকে আসছে ১ লাখ টন ক্রুড অয়েল

সৌদি আরব থেকে আসছে ১ লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) চট্টগ্রামস্থ ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ ১ লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি ইতোমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে। জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে। জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এর পর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে।