টিকা সংক্রান্ত সুপারিশ পুনর্বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের টিকা কমিটি

টিকা সংক্রান্ত সুপারিশ পুনর্বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের টিকা কমিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টিকা কমিটি টিকা সংক্রান্ত সব সুপারিশ পুনর্বিবেচনা করছে। কমিটির শীর্ষ উপদেষ্টার মতে,  টিকা প্রতিটি ব্যক্তির ডাক্তারের পরামর্শে গ্রহণ করা উচিত। টিকাদান অনুশীলন সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির (এসিআইপি) সভাপতি কার্ক মিলহোয়ানের অবস্থান, কয়েক দশক ধরে মার্কিন টিকা সুপারিশ তৈরির দায়িত্বপ্রাপ্ত দলের জন্য নাটকীয় প্রস্থানের প্রতিনিধিত্ব করে, যা ট্রাম্প প্রশাসনের রুটিন টিকাগুলোর প্রতি ক্রমবর্ধমান প্রতিকূল মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়। মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের (এইচএইচএস) সচিব এবং দীর্ঘদিনের টিকা সমালোচক রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রের অধীনে শৈশব টিকা সময়সূচিতে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এই পরিবর্তনগুলোর মধ্যে কিছু তার নির্বাচিত টিকা উপদেষ্টাদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যাদের মধ্যে অনেকেই কয়েক দশকের প্রমাণ সমর্থিত অসুস্থতা, হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুর বিরুদ্ধে সুরক্ষার সুবিধার তুলনায় টিকাগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খুব বিরল ঝুঁকি সম্পর্কে অসামান্য আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজিস্ট মিলহোয়ান জানান, চলতি বছর শৈশবকালীন টিকাদানের সময়সূচিতে উল্লেখযোগ্য অতিরিক্ত পরিবর্তন আনা হতে পারে। কমিটি ‘ঝুঁকি এবং সুবিধাসহ সমস্ত টিকা পণ্য পুনর্মূল্যায়ন করছে।’ গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ‘হোয়াই শুড আই ট্রাস্ট ইউ?’ পডকাস্টে  মিলহোয়ান জানিয়েছিলেন, তিনি সম্মিলিত জনসাধারণের উপর ব্যক্তিদের সমর্থন করেছেন এবং টিকা বিতর্ককে ‘স্বায়ত্তশাসন বনাম জনস্বাস্থ্য’ হিসাবে উপস্থাপন করেছেন। তিনি বলেছেন, “সবার জন্য কী ভালো এবং ব্যক্তির জন্য কী ভালো তার মধ্যে সর্বদা একটি উত্তেজনা থাকবে।” ইয়েল স্কুল অফ পাবলিক হেলথের স্বাস্থ্য নীতি ও ব্যবস্থাপনার সহযোগী অধ্যাপক জেসন শোয়ার্টজ জানিয়েছেন, টিকাগুলো ব্যক্তি এবং তাদের সংস্পর্শে আসা উভয়ের জন্যই সুরক্ষা প্রদান করে। তিনি বলেন, “এটিকে প্রায়শই বৃহত্তর কল্যাণের ধারণা হিসেবে চিত্রিত করা হয়, কিন্তু এটি একটি ব্যক্তিগত সুবিধা যা আমাদের সম্প্রদায়ের জন্যও অনেক কল্যাণ বয়ে আনে।”

রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং খুলল ইসরায়েল

রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং খুলল ইসরায়েল প্রায় দুই বছর পর গাজা ও মিশরের মধ্যকার রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় খুলে দিয়েছে ইসরায়েল। এ সীমান্ত ক্রসিং দিয়ে অসুস্থ ও আহত ফিলিস্তিনিদের বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিতে আবেদন জানিয়ে আসছিল। পরীক্ষামূলক নিরাপত্তা যাচাইয়ের লক্ষ্যে রোববার ইসরায়েল ওই ক্রসিংটি খুলে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অক্টোবরে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চলাকালে শনিবার গাজার উত্তর ও দক্ষিণ অংশে তেল আবিবের একাধিক বিমান হামলায় ৬ শিশুসহ অন্তত ৩১ ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পর এ ক্রসিংটি খোলা হল। খবর আল-জাজিরার ইসরায়েলের গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, ‘পাইলট অভিযান’ হিসেবে রোববার সকাল থেকে গুরুত্বপূর্ণ এ ক্রসিংটি চালু আছে। সোমবার থেকে ক্রসিংটির দুই দিকেই লোক যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হবে বলেও আশা করা হচ্ছে। আপাতত প্রতিদিন এ ক্রসিং দিয়ে দেড়শ জন গাজা ছাড়তে পারবেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডটিতে ফিরতে পারবেন ৫০ জনের মতো, বলেছে তারা।তবে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজকে এক নিরাপত্তা সূত্র বলেছে, রোববার গাজার কোনো বাসিন্দার রাফা ক্রসিং পার হওয়ার সম্ভাবনা নেই।ইসরায়েলি সামরিক সংস্থা কোগাট বলেছে, এ ক্রসিং দিয়ে গাজায় প্রবেশের অনুমতি কেবল সেই ফিলিস্তিনিরাই পাবেন যারা দুই বছরের যুদ্ধের সময় ভূখণ্ডটি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। গাজায় ঢোকার আগে তাদের ইসরায়েলের কাছ থেকে নিরাপত্তা অনুমোদনও নিতে হবে। আর মিশরের অনুরোধে কেবল অসুস্থ আর আহতরাই তাদের সঙ্গীসহ গাজা ছাড়ার অনুমতি পাবেন।

দিল্লিতে কয়েক দিন ধরে পানির সংকটে লাখো মানুষ

দিল্লিতে কয়েক দিন ধরে পানির সংকটে লাখো মানুষ ভারতের রাজধানী দিল্লির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের শর্মা এনক্লেভ এলাকার বাসিন্দা রবীন্দর কুমার প্রতিদিনই কাদার ভেতর দিয়ে হেঁটে বাড়ি থেকে বের হন। কিন্তু ঘরে ফিরে তিনি পান করার মতো এক ফোঁটা পরিষ্কার পানিও পান না। তিনি বলেন, তিন দিনে একবার পানি আসে। তাও মাত্র এক ঘণ্টার মতো পরিষ্কার থাকে। গোসল করাও কষ্টকর। অনেক সময় পানি কালো হয়ে যায়। চার-পাঁচ দিনে একবার করে গোসল করি। রবীন্দর কুমারের মতো দিল্লির লাখো মানুষ এই সংকটে ভুগছেন। যমুনা নদীতে অ্যামোনিয়ার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় গত সপ্তাহে শহরের নয়টি বড় পানি পরিশোধন কেন্দ্রের ছয়টি বন্ধ করে দিতে হয়। শিল্পকারখানার বর্জ্য থেকে আসা অ্যামোনিয়ায় যমুনার পানি এতটাই দূষিত হয়ে পড়েছে যে শোধনাগারগুলো তা পরিশোধন করতে পারছে না। এই নদীকে পবিত্র বলে মানেন কোটি কোটি মানুষ। প্রায় দুই কোটি মানুষের শহর দিল্লিতে গত বৃহস্পতিবার দিল্লি জল বোর্ড জানায়, ৪৩টি এলাকায় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় প্রায় ২০ লাখ মানুষ বাস করেন। সিএনএন মঙ্গলবার ওই ৪৩ এলাকার বাসিন্দা সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানান, তারা কয়েক দিন ধরে একেবারেই পানি পাননি। কিছু এলাকায় একদিনের জন্য পানি বন্ধ ছিল, আবার কোথাও কম পরিমাণে পানি এসেছে। পানি বোর্ড জানায়, ২৪ জানুয়ারি থেকে পানি সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে। তবে অনেক বাসিন্দা জানান, এখনও নিয়মিত পানি পাচ্ছেন না।শুক্রবার সিএনএন শর্মা এনক্লেভে গিয়ে দেখে, বাসিন্দারা আগের দিন অল্প সময়ের জন্য আসা পানি জমিয়ে ব্যবহার করছেন। সেই পানি ছিল হলুদ রঙের এবং পচা ডিমের মতো গন্ধ ছিল। তারা জানান, তিন দিন পরপর ট্যাংকারে পানি আসে, তাই রোববারের আগে নতুন পানি পাওয়ার আশা নেই। এলাকার বাসিন্দা শশী বালা বলেন, সবার স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যাচ্ছে। চারপাশ শুধু নোংরা। যমুনার দূষণ ও পানিসংকট নিয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর ও হরিয়ানা সরকারকে সিএনএন যোগাযোগ করলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। যমুনা নদী হিমালয়ের হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ১ হাজার ৩৭৬ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। ১৭শ শতকে এই নদীর তীর ঘেঁষেই দিল্লি গড়ে ওঠে। বর্তমানে দিল্লির পানির প্রায় ৪০ শতাংশ আসে যমুনা থেকে। কিন্তু বহু বছর ধরে এই নদীতে বিষাক্ত রাসায়নিক ও অপরিশোধিত পয়ঃবর্জ্য ফেলা হচ্ছে। নদীর মাত্র ২ শতাংশ অংশ দিল্লির ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হলেও মোট দূষণের প্রায় ৭৬ শতাংশ আসে এই শহর থেকেই সরকারি একটি কমিটির তথ্য অনুযায়ী। অনেক সময় পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা শূন্যে নেমে যায়। এতে নদীটি কার্যত একটি নোংরা নর্দমায় পরিণত হয়, যেখানে জলজ প্রাণী টিকে থাকতে পারে না। এই দূষণের সবচেয়ে স্পষ্ট চিহ্ন হলো নদীর ওপর ভেসে থাকা সাদা বিষাক্ত ফেনা। এটি মূলত পয়ঃবর্জ্য ও শিল্পবর্জ্যের স্তর। গত রোববার পরিবেশকর্মীরা নদীর তীরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভিযান চালান। কয়েক ঘণ্টা ধরে তারা নদী থেকে ফেলা কাপড়, প্লাস্টিক বর্জ্য এবং ডুবে থাকা ধর্মীয় মূর্তি তুলে আনেন।

প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বাড়ালো ভারত

প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বাড়ালো ভারত প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বাড়ালো ভারত। রবিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ তার বাজেট বক্তৃতায় এ তথ্য জানিয়েছেন। এনডিটিভি অনলাইন জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতে প্রতিরক্ষা বাজেটের অঙ্ক হবে ৭ লক্ষ ৮৫ হাজার কোটি রুপি। গত অর্থবছরের তুলনায় এবার বাড়তি ১ লাখ ৪ হাজার কোটি রুপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষা খাতে ৬ লাখ ৮১ হাজার কোটি রুপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের তুলনায় বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ বৃদ্ধির হার ছিল ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ। এবার বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ। এ বারের বাজেটে প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে আধুনিকীকরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার কোটি রুপি। গত অর্থবছরের তুলনায় এই হার ২১ শতাংশেরও বেশি। প্রধানমন্ত্রী মোদীর ‘আত্মনির্ভর ভারত’ এবং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ স্লোগান অনুসরণ করে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে দেশীয় প্রযুক্তিতে সমরাস্ত্র উৎপাদনে। অর্থমন্ত্রীর পেশ করা বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) ১১ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় ছিল জিডিপির ৮ শতাংশ। বর্তমানে ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখায় (স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনী) ব্যবহৃত অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ৬৫ শতাংশ দেশে তৈরি হয়। আমদানিতে নির্ভরতা কমিয়ে আগামী দিনে তা আরো বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে বাজেটে। এই উদ্দেশ্যে বিমান এবং বিমান ইঞ্জিন নির্মাণের জন্য ৬৩ হাজার ৭৩৩ কোটি রুপি পৃথক বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে বাজেটে। অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতার পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, “অপারেশন সিঁদুরের ঐতিহাসিক সাফল্যের পর এই বাজেট দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করার মাধ্যমে আমাদের সংকল্পকে আরো শক্তিশালী করেছে এই বাজেট নিরাপত্তা, উন্নয়ন এবং স্বনির্ভরতার মধ্যে ভারসাম্যকে শক্তিশালী করে।

পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে কবে?

পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে কবে? বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা যেতে পারে। তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চাঁদ দেখার মানদণ্ড এবং জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ১৪৪৭ হিজরির রমজান মাস শুরুর চাঁদ ১৭ ফেব্রুয়ারি আরব কিংবা ইসলামি বিশ্বের কোনও স্থান থেকে দেখা যাবে না। আবুধাবিভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টারের (আইএসি) পরিচালক প্রকৌশলী মুহাম্মদ শওকত ওদেহ বলেন, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) আরব ও ইসলামি বিশ্বের সব অঞ্চল থেকেই খালি চোখে, টেলিস্কোপে কিংবা উচ্চক্ষমতার জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ইমেজিং প্রযুক্তি ব্যবহার করেও চাঁদ দেখা প্রায় অসম্ভব কিংবা সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যেসব দেশ নিশ্চিতভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে, সেসব দেশে ১৮ ফেব্রুয়ারিকে (বুধবার) শাবান মাসের ৩০তম ও শেষ দিন হিসেবে ধরা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থাৎ শাবান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হবে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ এসব দেশে ১৯ ফেব্রুয়ারি পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চাঁদ দেখার বিষয়টি ব্যাখ্যা করে প্রকৌশলী ওদেহ বলেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ইসলামি বিশ্বের পূর্বাঞ্চলে সূর্যের আগে অস্ত যাবে চাঁদ। এছাড়া মধ্যাঞ্চলে সূর্যের সঙ্গে একই সময়ে অস্ত যাবে এবং পশ্চিমাঞ্চলে সূর্যাস্তের কয়েক মিনিট পর অস্ত যাবে চাঁদ। এই স্বল্প সময় চাঁদের সংযোগ থেকে দৃশ্যমান অর্ধচন্দ্রে রূপান্তরের জন্য যথেষ্ট নয়। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতে চাঁদের নিচের প্রান্ত সূর্যাস্তের এক মিনিট আগে অস্ত যাবে। আর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে চাঁদ সূর্যাস্তের ৪২ সেকেন্ড আগে অস্ত যাবে। আর সৌদি আরবের তাবুক অঞ্চলে—যেখানে মাসটিতে চাঁদের অবস্থান তুলনামূলক দীর্ঘ হবে; সেখানে সূর্যাস্তের ঠিক সময়ে অস্ত যাবে চাঁদ; তখন চাঁদের পৃষ্ঠের বয়স হবে মাত্র ১ ঘণ্টা ৪৯ মিনিট এবং সূর্যের সঙ্গে কৌণিক দূরত্ব হবে মাত্র এক ডিগ্রি। কায়রোতে চাঁদ সূর্যাস্তের দুই মিনিট পর এবং আলজেরিয়ায় ছয় মিনিট পর অস্ত যাবে। এই সামান্য বিলম্ব সত্ত্বেও জ্যোতির্বিদরা নিশ্চিত করেছেন, ওই অঞ্চলের কোনও স্থান থেকেই অর্ধচন্দ্র দেখা যাবে না। • সূর্যগ্রহণের কারণে চাঁদ দেখা প্রায় অসম্ভব জ্যোতিবিজ্ঞানিরা বলেছেন, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি চাঁদ দেখার সম্ভাবনা নেই। ওই দিন বিকেলে একটি বলয়াকার সূর্যগ্রহণ হবে; যা দক্ষিণ আফ্রিকা ও অ্যান্টার্কটিকার কিছু অংশ থেকে দেখা যাবে। এই সূর্যগ্রহণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তীর্ণ অংশে সূর্যাস্তের সময়ের সঙ্গে সমানুপাতিক হবে, যা একটি দৃশ্যমান সংযোগের ইঙ্গিত দেয়। এতে ওই সময়ে বা পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় চাঁদ অর্ধচন্দ্র হিসেবে দেখা সম্ভব নয়। • ভুল চাঁদ দেখার দাবির বিষয়ে সতর্কতা প্রকৌশলী ওদেহ সতর্ক করে দিয় বলেছেন, সেদিন চাঁদ দেখা সংক্রান্ত যে কোনও ভুল তথ্যের বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। তিনি বলেন, এ ধরনের কোনও প্রতিবেদন এলে তা নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করবে যে, কিছু ব্যক্তি আকাশে অনুপস্থিত চাঁদকে ভুল করে দেখেছেন বলে মনে করতে পারেন।অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, বহু ইসলামি আইনবিদ ও জ্যোতির্বিদ মনে করেন, যেসব অঞ্চলে চাঁদ সূর্যের আগে বা একই সময়ে অস্ত যায়, সেখানে ১৭ ফেব্রুয়ারি সূর্যাস্তের পর চাঁদ খোঁজার কোনও প্রয়োজন নেই। কারণ ওই সময়ে আকাশে চাঁদ দৃশ্যমান থাকে না। ফলে এসব অঞ্চল থেকে চাঁদ দেখা প্রায় অসম্ভব। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইরান, মরক্কো, মৌরিতানিয়া এবং আফ্রিকার কিছু দেশে শাবান মাসের ২৯তম দিন হিসেবে ১৮ ফেব্রুয়ারি রমজানের চাঁদ দেখা যেতে পারে। এসব দেশে চাঁদ দেখা এবং সেদিনের আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে রমজানের প্রথম দিন ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) অথবা ২০ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) হতে পারে। • রমজান শুরু হবে কবে? সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং অধিকাংশ আরব দেশে ১৮ ফেব্রুয়ারি শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে অনুযায়ী ১৯ ফেব্রুয়ারি রমজানের প্রথম দিন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইরান, মরক্কো, মৌরিতানিয়া এবং আফ্রিকার কিছু অংশসহ কয়েকটি দেশে ১৮ ফেব্রুয়ারি চাঁদ দেখা যেতে পারে। আবহাওয়া ও স্থানীয় মানদণ্ডের ওপর নির্ভর করে এসব দেশে রমজান শুরু হতে পারে ১৯ অথবা ২০ ফেব্রুয়ারি।

যুক্তরাষ্ট্রে আবারও সাময়িক সরকারি কার্যক্রম শাটডাউন শুরু

যুক্তরাষ্ট্রে আবারও সাময়িক সরকারি কার্যক্রম শাটডাউন শুরু তহবিল আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত জটিলতার জেরে মাত্র ৩ মাসের ব্যবধানে আজ থেকে সাময়িকভাবে সরকারি কার্যক্রম বন্ধ বা শাটডাউন শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। এর আগে, গত অক্টোবরে একবার শাটডাউনে পড়েছিল দেশটি। গতকাল মধ্যরাতের সময়সীমার আগে সিনেটে একটি অর্থায়ন প্যাকেজ পাস হয়। তবে সেটি কার্যকর হতে প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) অনুমোদন প্রয়োজন যা আগামী সোমবারের আগে পাওয়া যাচ্ছে না। আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি খাতগুলোতে প্রস্তাবিত বরাদ্দ প্যাকেজ সময়মতো পাস না হওয়ায় শুরু হয়েছে এই জটিলতা। যুক্তরাষ্ট্রের রীতি অনুযায়ী, যে কোনো বিল দেশটির পার্লামেন্ট কংগ্রেসের নিম্ন ও উচ্চ- উভয়পক্ষে পাস হওয়ার পর তা প্রেসিডেন্টের দপ্তরে যায়। সেখানে প্রেসিডেন্ট স্বাক্ষর করার পর তা আইন হিসেবে কার্যকর হয়।

গাজায় ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি হত্যার কথা স্বীকার করলো ইসরায়েল

গাজায় ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি হত্যার কথা স্বীকার করলো ইসরায়েল গাজায় গত ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে ইসরায়েল। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দেশটির জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াাইনেট নিউজসহ শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকটি ইসরায়েলি গণমাধ্যম এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে। দীর্ঘ সময় ধরে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দেওয়া নিহতের পরিসংখ্যান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আসলেও, এখন ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নিজেই প্রায় একই ধরনের একটি হিসাব মেনে নিয়েছে। এর আগে তেল আবিব দাবি করেছিল যে, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হামাসের নিয়ন্ত্রণে থাকায় তাদের দেওয়া তথ্য বিশ্বাসযোগ্য নয়, যদিও জাতিসংঘ শুরু থেকেই ওই পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আসছিল। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোকে জানিয়েছেন যে, তাদের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার গাজাবাসী প্রাণ হারিয়েছেন। তবে এই সংখ্যার মধ্যে নিখোঁজ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তিনি আরও জানান যে, এই বিপুল সংখ্যক নিহতের মধ্যে কতজন সশস্ত্র যোদ্ধা ছিলেন এবং কতজন সাধারণ বেসামরিক নাগরিক ছিলেন, তা নিরূপণ করতে বর্তমানে সেনাবাহিনী কাজ করছে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে যে, চূড়ান্ত প্রতিবেদন নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরে প্রকাশ করা হবে। ইসরায়েলের এই স্বীকারোক্তি আন্তর্জাতিক মহলে গাজায় মানবিক বিপর্যয়ের ভয়াবহতাকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৭১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে গত অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া একটি সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় নতুন করে আরও ৪৮০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।  গাজা কর্তৃপক্ষের দাবি, নিহতদের একটি বড় অংশই নারী ও শিশু। এছাড়া উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ধসে পড়া অসংখ্য ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু মানুষ চাপা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাদের এই নিহতের তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নিয়মিতভাবে নিহতদের নাম ও বয়সের বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ করে আসছে। বর্তমানে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠছে। বিশেষ করে ইসরায়েলি সেনাদের দ্বারা গাজায় শত শত কবর ধ্বংস করার মতো ঘটনার ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এমন এক উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে খোদ ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিশাল সংখ্যক প্রাণহানির এই তথ্যটি বেরিয়ে এল। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই স্বীকারোক্তি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করতে পারে। গাজার ধ্বংসস্তূপের মাঝে আটকা পড়া সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও জরুরি মানবিক সহায়তার অভাব এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। সূত্র: রয়টার্স

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখা বোকামি: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখা বোকামি: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গ্রিনল্যান্ড এবং শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন চাপের মুখে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখা বোকামি হবে। স্থানীয় সময় শুক্রবার চীনের সাংহাইয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। চীন সম্পর্কিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের বিষয়ে স্টারমার বলেন, আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহ সরাসরি দেশের অভ্যন্তরে প্রভাব ফেলছে। তাই অস্থির বিশ্বে যুক্ত থাকতে হবে। এর আগে চীনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের ব্যবসা করাকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রতিক্রিয়ায় স্টারমার বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্য আমি দেখেছি। এই সফরের আগে আমরা তার টিমের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ট্রাম্প নিজেও এপ্রিলে চীন সফরে আসতে পারেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যা ঘটছে, তার প্রভাব সরাসরি আমাদের ঘরোয়া পরিস্থিতিতে পড়ছে। তাই আমাদের যুক্ত থাকতে হবে। বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্য ও চীনের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা- সমন্বয় জরুরি বলে মনে করেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ক্রিস্টোফার পিসারিদিস। সূত্র: বিবিসি

৬৫ হাজার এইচ-২বি ভিসা দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্প প্রশাসনের

৬৫ হাজার এইচ-২বি ভিসা দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্প প্রশাসনের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অতিরিক্ত প্রায় ৬৫ হাজার এইচ-২বি মৌসুমি গেস্ট ওয়ার্কার ভিসা যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফেডারেল রেজিস্টারের এক নোটিশে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমিক সংকটে মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিতে থাকা নিয়োগকর্তাদের জন্য এই ভিসাগুলো উন্মুক্ত করা হবে। প্রক্রিয়াজাতকরণসহ বিভিন্ন খাতে প্রতিবছর যে ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসা দেওয়া হয়, তার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। এতে স্বীকার করা হয়েছে যে এসব খাতে মার্কিন নিয়োগকর্তারা পর্যাপ্ত শ্রমিক খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছেন। ২০২৫ সালে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান শুরু করেন এবং অনিয়মিত অভিবাসীদের অপরাধী ও সমাজের ওপর বোঝা হিসেবে তুলে ধরেন। একইসঙ্গে তার প্রশাসন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদন পর্যালোচনার মাধ্যমে বৈধ অভিবাসনের কিছু পথও কঠোর করেছে। তবে অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা অতীতেও বাড়ানো হয়েছিল, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময়ে এবং ট্রাম্পের ২০১৭ থেকে ২০২১ মেয়াদেও। মৌসুমি ব্যবসার নিয়োগকর্তারা, বিশেষ করে হোটেল খাত, দীর্ঘদিন ধরেই বেশি ভিসার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। ট্রাম্পের কড়াকড়ি অভিবাসন নীতির কারণে কিছু নির্মাণ প্রতিষ্ঠান শ্রমিক সংকটের অভিযোগও করেছে। তবে অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা গোষ্ঠীগুলো এই ভিসার বিরোধিতা করে বলছে, এতে মার্কিন শ্রমিকদের মজুরি কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এরই মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১বি কর্মী ভিসায় এক লাখ ডলার ফি আরোপ করে প্রযুক্তি খাতের জন্য বিদেশি কর্মী নিয়োগ আরও কঠিন করেছে, যা নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জ চলছে। ফেডারেল রেজিস্টারের নোটিশে জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকর করতে অস্থায়ী একটি বিধি আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। সূত্র: রয়টার্স

যে কৌশলে ইরানের সরকার পতন ঘটাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

যে কৌশলে ইরানের সরকার পতন ঘটাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সরকারের পতন ঘটানোর পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর অংশ হিসেবে দেশটির সরকারি অবকাঠামো ও ভবনে হামলা চালাতে পারে মার্কিন সেনারা। এছাড়া দেশটির সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা হতে পারে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ তথ্য জানান যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা। তিনি আরও জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে গতকাল নতুন আরেকটি মিসাইল ধ্বংসকারী যুদ্ধজাহাজ পাঠানো হয়েছে। এতে সবমিলিয়ে ওই অঞ্চলে এখন মার্কিনিদের ছয়টি মিসাইল ধ্বংসকারী জাহাজ অবস্থান করছে। এগুলোর পাশাপাশি আছে রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। রয়টার্সকে কয়েকটি সূত্র বলেছেন, ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন পরিকল্পনা করছেন। ট্রাম্পের লক্ষ্য হলো ইরানির সেনাবাহিনী ও সরকারি ভবনে হামলা চালিয়ে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করা যেখানে ইসলামিক সরকারের পতন ঘটে যাবে। গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। যা মাত্র কয়েকদিনে সহিংস রূপ ধারণ করে। ওই সময় হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে হত্যা করা হয়। তাদের সাহায্য করার অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের সরকার পতনের পরিকল্পনা করছে।সূত্র জানিয়েছেন, যেসব অবকাঠামো ব্যবহার করে বিক্ষোভ দমন করা হয়েছে এবং যেসব কমান্ডার নির্দেশনা দিয়েছেন তাদের ওপর হামলা চালানোর ব্যাপারেও যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা করছে। এর পাশাপাশি মিসাইল ও পারমাণবিক স্থাপনায় হামলাও বিবেচনা করা হচ্ছে। যদিও এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।