প্রশংসা কিংবা ট্রল আমাকে নাড়া দেয় না: সামান্থা

প্রশংসা কিংবা ট্রল আমাকে নাড়া দেয় না: সামান্থা ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। দেড় দশকের অভিনয় ক্যারিয়ারে অনেক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। তবে ‘পুষ্পা’ সিনেমার আইটেম গানে নেচে মাত করার ব্যাপারটি ছিল লক্ষ্যণীয়। ৩৮ বছরের সামান্থা খ্যাতি যেমন কুড়িয়েছেন, তেমনই অর্থ সম্পদেরও মালিক হয়েছেন। সামান্থার অগণিত ভক্ত-অনুরাগী রয়েছেন। কিন্তু একটি মুদ্রার দুটো পিঠ থাকে। একটি শ্রেণি তাকে যেমন ভালোবাসেন, তেমনই অন্যটি অপছন্দও করেন। ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা সময়ে ট্রলের শিকার হন, নেতিবাচক মন্তব্যও জমা পড়ে কমেন্ট বক্সে। এ পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেন, তা নিয়ে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। সামান্থা রুথ প্রভু তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে নেটিজেনদের সঙ্গে একটি আড্ডায় অংশ নেন। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ‘আস্ক মি এনিথিং’ শিরোনামের সেশনে ভক্তদের সঙ্গে কথা বলেন। একজন ভক্ত তার কাছে জানতে চান, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভালো ও খারাপ—দুই ধরনের মন্তব্য জমা পড়ে। এসব মন্তব্য পড়ে আপনার কেমন প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়? এ প্রশ্নের জবাবে সামান্থা রুথ প্রভু বলেন, “প্রশংসা কিংবা ট্রল কোনওটি আমাকে নাড়া দেয় না। কিন্তু আপনি যদি আমার ঘরে নেতিবাচকতা নিয়ে আসেন, তবে আমি আপনাকে ব্লক করব। যেমন- আমি আমার ব্যক্তিগত পরিসর পরিষ্কার রাখি, তেমনই এই পেজটাও পরিষ্কার রাখি। ব্লক হওয়া মানে এই নয় যে, আপনি আমাকে আক্রান্ত করেছেন। এর মানে আপনাকে এখানে স্বাগত জানাতে পারছি না।” নাগা চৈতন্যর সঙ্গে সংসার ভাঙার পর অনেক কঠিন সময় পার করেছেন সামান্থা। বিবাহবিচ্ছেদের মানসিক যন্ত্রণার মাঝে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তবে সব সংকট কাটিয়ে গত ১ ডিসেম্বর পরিচালক রাজ নিদিমোরুকে বিয়ে করেছেন এই অভিনেত্রী। নতুন সংসারে দারুণ সময় পার করছেন এই তারকা জুটি। সামান্থা রুথ প্রভু অভিনীত নতুন সিনেমা ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’। তেলেগু ভাষার এ সিনেমা পরিচালনা করছেন নন্দিনী রেড্ডি। এ সিনেমায় দুই রূপে দেখা যাবে সামান্থাকে। একটি অ্যাকশনধর্মী, অন্যটি গৃহবধূর ভূমিকায়। প্রকাশিত টিজারে শাড়ি পরে দুষ্কৃতকারীদের সঙ্গে লড়াই করতে দেখা যায় সামান্থাকে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৫ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

বাফটা অ্যাওয়ার্ডস : এবার সেরার শিরোপা জিতলেন কারা?

বাফটা অ্যাওয়ার্ডস : এবার সেরার শিরোপা জিতলেন কারা? লন্ডনের রয়্যাল ফেস্টিভ্যাল হলে এক সন্ধ্যায় এমন এমন কিছু সিনেমা এবং অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নাম শোনা গেল যা এক আসরকে করে তোলে আলো ঝলমলে। আসরটি ৭৯তম ব্রিটিশ একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টস (বাফটা) পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান। ‘দ্য গার্ডিয়ান’ লিখেছে আসরে সবচেয়ে বেশি ছয়টি পুরস্কার জিতে সব আলো নিজের দিকে নিয়েছে ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। সেরা সিনেমা, সেরা পরিচালক, সেরা সহ-অভিনেতা, সেরা চিত্রগ্রহণ, সেরা সম্পাদনা ও সেরা রূপান্তরিত চিত্রনাট্য শাখায় পুরস্কার জিতেছে পল টমাস অ্যান্ডারসনের এই সিনেমা। আর সহ-অভিনেতা শাখায় এই সিনেমার জন্য পুরস্কার পেয়েছেন শন পেন; যা এই অভিনেতার কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। অস্কারে ১৬টি বিভাগে মনোনয়ন পেয়ে রেকর্ড গড়া আলোচিত সিনেমা ‘সিনার্স’ জিতেছে তিনটি পুরস্কার। রায়ান কুগলার পরিচালিত সিনেমাটি পেয়েছে সেরা মৌলিক চিত্রনাট্য, সহ-অভিনেত্রী ও মৌলিক সংগীতের পুরস্কার। এই পুরস্কার জয়ের মধ্য দিয়ে বাফটার ইতিহাসে মৌলিক চিত্রনাট্য বিভাগে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ বিজয়ী হিসেবে নাম লেখালেন কুগলার। সহ-অভিনেত্রী বিভাগে এই সিনেমার জন্য পুরস্কার পেয়েছেন উনমি মোসাকু, আর সংগীতের পুরস্কার ঘরে তুলেছেন লুডভিগ গোরানসন। সেরা অভিনেতা বিভাগে প্রত্যাশা অনুযায়ী টিমোথি শ্যালামে বা লিওনার্ডো ডিক্যাপ্রিও ট্রফি জেতেননি। ‘আই সয়্যার’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতা হয়েছেন রবার্ট অ্যারামায়ো। ‘হ্যামনেট’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন জেসি বাকলি। একই সঙ্গে ‘হ্যামনেট’ সেরা ব্রিটিশ সিনেমার পুরস্কারও জিতে নিয়েছে। অন্য ভাষার সেরা চলচ্চিত্র হয়েছে নরওয়ের ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’। সেরা প্রামাণ্যচিত্রের পুরস্কার পেয়েছে ‘মিস্টার নোবডি এগেইনস্ট পুতিন’। অ্যানিমেশন বিভাগে সেরা হয়েছে ‘জুটোপিয়া টু। ‘সেরা চিলড্রেন অ্যান্ড ফ্যামিলি ফিল্ম’ শাখায় সেরা হয়েছে ভারতের মণিপুরি ভাষার সিনেমা ‘বুং’। গিয়ের্মো দেল তোরোর ‘ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন’ কারিগরি শাখায় পেয়েছে তিনটি পুরস্কার। প্রোডাকশন ডিজাইন, রূপসজ্জা এবং কস্টিউম ডিজাইনে সেরা হয়েছে সিনেমাটি। সেরা ভিজ্যুয়াল এফেক্টস শাখায় পুরস্কার জিতেছে জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। এবারের আসর সঞ্চালনা করেন অ্যালান কামিং। তার রসিকতায় হাসির রোল যেমন উঠেছে তেমনি শিল্পীদের বক্তব্যে উঠে এসেছে সময়ের রাজনৈতিক উত্তাপ। তারা কথা বলেছেন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও বৈচিত্র্য নিয়ে।

অবশেষে বিয়ের বার্তা দিলেন বিজয়-রাশমিকা

অবশেষে বিয়ের বার্তা দিলেন বিজয়-রাশমিকা দক্ষিণী সিনেমার দুই জনপ্রিয় তারকা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন। এমন খবরে এতোদিন নিশ্চুপ ছিলেন এ জুটি। অবশেষে নিরবতা ভেঙে বিয়ের খবরে সিলমোহর দিয়েছেন এ দুই তারকা। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজয়-রাশমিকার বিয়ের খবরে ভক্তরা যে উচ্ছ্বাস আর ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন তাতে আবেগে আপ্লুত এ তারকা জুটি। স্যোশাল মিডিয়ায় তাই ভক্তদের উদ্দেশে এ তারকাযুগল দিয়েছেন আবেগী বার্তা। ভক্তদের উদ্দেশে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এ জুটি লেখেন, আমাদের প্রিয় প্রেমী, আমরা কিছু পরিকল্পনা করার ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে থেকেই তোমরা আমাদের সঙ্গে ছিলে। অনেক ভালোবাসার সঙ্গে আমাদের নাম দিয়েছিলে ‘বিরোশ’। এ জুটি আরও লেখেন, তাই আজ পূর্ণ হৃদয়ে তোমাদের সম্মানে আমাদের নাম একসঙ্গে হচ্ছে। তাই নাম হিসেবে আমরা বেছে নিয়েছি ‘বিরোশের বিয়ে’। শেষে এ তারকাযুগল লেখেন, ভালোবাসা নিয়ে আমাদের পাশে থাকায় তোমাদের ধন্যবাদ। এদিকে এমন পোস্টের পরই ভালোবাসা আর শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসছেন বিজয়-রাশমিকা। বিয়ের খবরে সম্মতি জানালেও অবশ্য বিয়ের তারিখ বা ভেন্যু নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি এ জুটি। এদিকে দুই তারকার কাছের মানুষদের কাছ থেকে জানা যায়, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের রাজস্থানের উদয়পুরের একটি প্রাসাদে বিয়ে করছেন বিজয়-রাশমিকা। তবে বিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি হলেও বিয়ের অনুষ্ঠান শুরু হবে ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে। পুরো আয়োজনের গোপনীয়তা রাখতে দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ পরিজন ও বন্ধুবান্ধব ছাড়া বাইরের কারও প্রবেশের অনুমতি সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়েছে। বিয়ের মুহূর্ত একান্তই ব্যক্তিগত করে তুলতে এবং পুরো সময়টা নিজেদের মতো করে উদ্‌যাপন করতেই জীবনের বিশেষ দিন নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত দুই তারকার। উদয়পুরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে শোবিজের বন্ধুদের জন্য হায়দরাবাদে আগামী ৪ মার্চ বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন পরিকল্পনা করেছেন বিজয়-রাশমিকা।

কলকাতার রাস্তায় অ্যাকশন মুডে শাকিব খান

কলকাতার রাস্তায় অ্যাকশন মুডে শাকিব খান মুখে ঘন দাড়ি-গোঁফ। মাথায় লালচে রঙের এলোমেলো চুল। দুপুরের রোদ পড়েছে চোখে-মুখে। বুক খোলা জিনসের জ্যাকেটের ভিতর থেকে শার্টের উঁকিঝুঁকি। বাইকে চেপে কলকাতার বৌবাজারের মাধো ভবনের বাইরে গিয়ে দাঁড়ান ঢাকাই সিনেমার মেগাস্টার শাকিব খান। শ্রীলঙ্কায় ‘প্রিন্স’ সিনেমার শুটিং শেষ করে কলকাতায় অবস্থান করছেন শাকিব খান। কলকাতার রাস্তায় সিনেমাটির অ্যাকশন দৃশ্যের শট দেওয়ার সময়ে এই চিত্র পাওয়া যায়। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শ্রীলঙ্কায় শুটিংয়ের পর ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে কলকাতায় নিঃশব্দে ‘প্রিন্স’ সিনেমার শুটিং করছেন পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ। হাওড়া, বৌবাজার, আলিপুর জেল হয়ে ভারতলক্ষ্মী স্টুডিও—সর্বত্র শাকিব খানের গতিবিধি। কলকাতার পর ‘প্রিন্স’ টিম হায়দরাবাদে উড়ে যাবে। হাওড়ার একটি বন্ধ কারখানায় ‘প্রিন্স’ সিনেমার শুটিং হয়েছে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি সারা রাত সেখানে দৃশ্যধারণের কাজ হয়েছে। গত ১১ ফেব্রুয়ারি, বৌবাজারের মাধো ভবন ও মধ্য কলকাতার ক্রসিংয়ের বিশাল এলাকায় শুটিং হয়েছে। শাকিবের সঙ্গে শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন তাসনিয়া ফারিণ, জ্যোতির্ময়ী কুন্ডু, লোকনাথ দে, পিয়ান সরকার, মৃত্যুঞ্জয় ভট্টাচার্যের মতো একঝাঁক তারকা। এ সিনেমায় ক্যামেরার কাজ সামলাচ্ছেন বলিউডের অমিত রায়, শৈলেশ অবস্থী। রণবীর কাপুর অভিনীত ‘অ্যানিমেল’ সিনেমার চিত্রগ্রাহক ছিলেন অমিত। ‘প্রিন্স’ দিয়ে চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে অভিষেক হতে যাচ্ছে আবু হায়াত মাহমুদের। এর আগে অসংখ্য টিভি নাটক নির্মাণ করেছেন তিনি। তাছাড়া ‘প্রিন্স’ সিনেমা দিয়ে প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

ভারতরত্নপ্রাপ্ত কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পীর বায়োপিকে সাই পল্লবী

ভারতরত্নপ্রাপ্ত কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পীর বায়োপিকে সাই পল্লবী ভারতরত্নপ্রাপ্ত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর বায়োপিকে অভিনয় করত যাচ্ছেন সাই পল্লবী। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের ইতিহাসে এম এস সুব্বুলক্ষ্মী এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। এমন এক ব্যক্তিত্বকে পর্দায় জীবন্ত করে তোলা নিঃসন্দেহে বড় চ্যালেঞ্জ— আর সেই চ্যালেঞ্জই গ্রহণ করেছেন সাই পল্লবী। নাম চূড়ান্ত না হওয়া এই বায়োপিক পরিচালনা করবেন গৌতম তিন্নানুরি। দীর্ঘদিন ধরেই প্রকল্পটি নিয়ে দক্ষিণী চলচ্চিত্র অঙ্গনে আলোচনা চলছিল। নির্মাতাদের পক্ষ থেকে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা গেছে। ঘোষণার আগেই সুব্বুলক্ষ্মীর চরিত্রের প্রস্তুতি শুরু করেছেন সাই পল্লবী। কিংবদন্তি এই শিল্পীর জীবন, পরিবেশনা ভঙ্গি এবং শাস্ত্রীয় সংগীতের ধারা নিয়ে গভীর গবেষণা করছেন তিনি। অভিনয়জীবনে চরিত্রের গভীরে প্রবেশের জন্য পরিচিত সাই পল্লবী বরাবরই বাণিজ্যিক সাফল্যের চেয়ে গল্প ও চরিত্রকে বেশি গুরুত্ব দেন। অন্যদিকে, বড় বাজেটের সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্র কল্কি ২৮৯৮ এডি-এর সিকুয়েল নিয়েও নতুন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। যদিও বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়, তবে সত্যি হলে একদিকে যেমন থাকবে শাস্ত্রীয় সংগীতের কিংবদন্তি চরিত্রে অভিনয়ের চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে প্যান-ইন্ডিয়া প্রজেক্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় হাজির হওয়ার সুযোগ।

ভেঙে গেল অভিনেত্রীর সংসার

ভেঙে গেল অভিনেত্রীর সংসার ভেঙে গেছে হলিউড অভিনেত্রী আলেকজান্দ্রা ড্যাডারিওর সংসার। প্রযোজক অ্যান্ড্রু ফর্মের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম টিএমজেড এ খবর প্রকাশ করেছে। টিএমজেড-কে একটি বিবৃতি দিয়েছেন আলেকজান্দ্রার একজন মুখপাত্র। তাতে বলা হয়েছে, “ভালোবাসা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিভাবক হিসেবে তারা তাদের সন্তানকে লালন-পালন করবেন। এই পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কামনা করছেন তারা। তবে তারা ঠিক কবে আলাদা হয়েছেন বা বিচ্ছেদের কারণ কী এসব বিষয় এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। ২০২২ সালের জুনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আলেকজান্দ্রা ও অ্যান্ড্রু। এ দম্পতির ১৫ মাস বয়সি একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। আলেকজান্দ্রার এটি প্রথম হলেও অ্যান্ড্রুর এটি দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে মার্কিন অভিনেত্রী জর্ডানা ব্রিউস্টারের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন অ্যান্ড্রু। এ সংসারে ১২ ও ৯ বছর বয়সি দুটো পুত্রসন্তান রয়েছে। আলেকজান্দ্রা তাদের সৎমা ছিলেন। আলেকজান্দ্রা ও অ্যান্ড্রু মাত্র ১৫ বছর বয়সে অভিনেত্রী হিসেবে টেলিভিশনে অভিষেক ঘটে আলেকজান্দ্রার। ২০০৫ সালে হলিউড চলচ্চিত্রে পা রাখেন তিনি। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য কাজগুলো হলো ‘বেওয়াচ’, পার্সি জ্যাকসন অ্যান্ড দ্য অলিম্পিয়ানস’, ‘দ্য হোয়াইট লোটাস’, ‘ইটস সিক্যুয়েল’, ‘হল পাস’ প্রভৃতি।

বঙ্গবিভূষণ পেলেন নচিকেতা

বঙ্গবিভূষণ পেলেন নচিকেতা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একঝাঁক বিশিষ্ট নাগরিকদের হাতে রাজ্য সরকারের সর্বোচ্চ সম্মান ‘বঙ্গবিভূষণ’ ও ‘বঙ্গভূষণ’ তুলে দেওয়া হলো। গতকাল শনিবার আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজ। সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য ২০২৬ সালে বঙ্গবিভূষণ সম্মাননা পেয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। এই সম্মানে ভূষিত হয়েছেন শিবাজী চট্টোপাধ্যায় এবং শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া সংগীত ও সংস্কৃতির জগতে অবদানের জন্য লোপামুদ্রা মিত্র, বাবুল সুপ্রিয়, ইমন চক্রবর্তী ও শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া হয়েছে বঙ্গবিভূষণ সম্মান। চিত্রকলায় বিশেষ কৃতির জন্য গণেশচন্দ্র হালুইকে বঙ্গবিভূষণ প্রদান করা হয়। একই মঞ্চ থেকে এদিন ‘বঙ্গভূষণ’ সম্মানও প্রদান করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন কলেন্দ্রনাথ মান্ডি, শ্যামচাঁদ বাগদি, নন্দলাল বাউড়ি, মৃণাল কান্তি বিশ্বাস এবং চন্দন লোমজেল। সংগীতে অবদানের জন্য মনোময় ভট্টাচার্য, রাঘব চট্টোপাধ্যায়, রূপঙ্কর বাগচি, অদিতি মুন্সি, কার্তিক দাস বাউল ও নাজমুল হক। বিশেষ সম্মান পেয়েছে স্টার জলসা ও জি বাংলা চ্যানেল। এছাড়া বঙ্গভূষণ পেয়েছেন সমরেশ মজুমদার, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও বিবেক কুমার।

আমি সবসময় চেষ্টা করি : কেয়া পায়েল

আমি সবসময় চেষ্টা করি : কেয়া পায়েল ছোট পর্দার অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। একের পর এক দর্শকপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে নিজের অবস্থান পোক্ত করেছেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের নতুন কাজ, শুটিং সেটের অভিজ্ঞতা এবং দর্শক প্রতিক্রিয়া নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। সুব্রত সঞ্জীবের পরিচালনায় নতুন একটি নাটকে অভিনয় করেছেন কেয়া পায়েল, যেখানে তার বিপরীতে রয়েছেন মুশফিক আর ফারহান। নাটকের বিষয়ে পায়েল বলেন, ‘এই গল্পটি খুবই চমৎকার একটা প্লটে করা। আমাদের এখানে কিছু পারিবারিক কোলাহল আছে যা দর্শক খুব মজা পাবে। আমার চরিত্রটি বেশ ইন্টারেস্টিং, আমি আমার জায়গা থেকে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। নিজের চরিত্রের নেতিবাচক দিকগুলো নিয়ে দর্শকদের প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা করে তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু দৃশ্যে দেখে হয়তো মানুষ বলবে- আল্লাহ, মেয়েটা তার শাশুড়ির সাথে এরকম কেন করছে! তবে গল্পটি সম্পূর্ণ দেখলে দর্শকদের অবশ্যই ভালো লাগবে। আমি সবসময় চেষ্টা করি পরিবার নিয়ে দেখার মতো গল্প ও চরিত্রে কাজ করতে। বর্তমানে ‘আমাদেরই গল্প’ নাটকের মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। নাটকে তার চরিত্রের নাম ‘মেহরিন’। দর্শক এখন তাকে আসল নামের চেয়ে চরিত্রের নামেই বেশি ডাকছে। এ প্রসঙ্গে পায়েলে ভাষ্য, ‘আমি রাজ (পরিচালক) ভাইয়াকে বলছিলাম, এত নাটক করেছি কিন্তু কখনো চরিত্রের নামে কেউ ডাকেনি। এখন ছবির নিচেও মানুষ মেহরিন বা সামির-ফাহাদ নামে কমেন্ট করে। একজন শিল্পী হিসেবে এটা আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। শুটিং সেটের পরিবেশ নিয়ে পায়েল জানান, পরিবারের চেয়েও বেশি সময় তাদের সেটে কাটাতে হয়। তাই শুটিং ইউনিটও এখন তার কাছে একটি পরিবার। সহকর্মীদের সাথে সুসম্পর্ক কাজের গতি বাড়িয়ে দেয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অফ-স্ক্রিনে আমাদের রসায়ন খুব চমৎকার। সুনেরাহর সাথে জামাকাপড় নিয়ে গল্প করি, সাজ্জাদ ভাইকেও বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞেস করি। কাজের জায়গাটা আপন না হলে আসলে প্রাণখুলে অভিনয় করা সম্ভব হয় না।

মঞ্চ মাতাতে ভারত আসছেন শাকিরা

মঞ্চ মাতাতে ভারত আসছেন শাকিরা আবারও ভারত সফরে আসছেন বিশ্বখ্যাত পপ তারকা শাকিরা। আগামী ১০ এপ্রিল মুম্বাই এবং ১৫ এপ্রিল দিল্লিতে তার লাইভ পারফরম্যান্স হওয়ার কথা রয়েছে। ‘ফিডিং ইন্ডিয়া কনসার্ট ২০২৬’-এর তৃতীয় সংস্করণ আয়োজন করছে ফিডিং ইন্ডিয়া ও ডিসট্রিক্ট বাই জোমাটো। জানা গেছে, মুম্বাইয়ে শাকিরা পারফর্ম করবেন মহালক্ষ্মী রেসকোর্সে এবং দিল্লিতে জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে। আয়োজকদের মতে, এই কনসার্ট শুধু সংগীতের আসর নয়, ক্ষুধা ও অপুষ্টি নিয়ে সচেতনতা তৈরির একটি বড় উদ্যোগ। এক বিবৃতিতে শাকিরা জানান, ‘ভারতে পারফর্ম করা সব সময়ই আমার জন্য বিশেষ। মুম্বাই ও দিল্লির ভক্তদের সঙ্গে আবারও যুক্ত হতে পেরে আমি রোমাঞ্চিত। ফিডিং ইন্ডিয়া কনসার্ট শুধু সংগীত নয়; এটি একসঙ্গে দাঁড়িয়ে নিশ্চিত করা যে প্রতিটি শিশু তার বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়। শিল্পী হিসেবে খ্যাতির পাশাপাশি সামাজিক কাজেও সক্রিয় শাকিরা। নিজের ‘বেয়ারফুট ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও শিশু কল্যাণে কাজ করছেন। এই লক্ষ্যই ‘ফিডিং ইন্ডিয়া কনসার্ট’-এর উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিল রয়েছে। উল্লেখ্য, প্রায় দুই দশক আগে শেষবার ভারতে কনসার্ট করেছিলেন শাকিরা। ২০০৭ সালে তার ‘ওরাল ফিক্সেশন’ ট্যুরের অংশ হিসেবে মুম্বাইয়ে পারফর্ম করেছিলেন তিনি। সূত্র: এনডিটিভি

অভিনয় থেকে সাময়িক ‘বিরতি’, পাড়ি দিলেন যুক্তরাষ্ট্রে

অভিনয় থেকে সাময়িক ‘বিরতি’, পাড়ি দিলেন যুক্তরাষ্ট্রে শোবিজ অঙ্গনে বিরতির ঘোষণার হিড়িকের মধ্যেই এবার অভিনয় থেকে সাময়িক বিরতির কথা জানালেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মাহি জানান, জীবনের এই পর্যায়ে এসে তার কিছুটা থামা প্রয়োজন। ভক্তদের উদ্দেশে তিনি লিখেছেন, ‘জীবনের প্রতিটি যাত্রায় মাঝেমধ্যে বিরতি দরকার হয়—এবার সেই সময়টাই নিচ্ছেন তিনি।’তবে এটি স্থায়ী বিদায় নয় বলেও স্পষ্ট করেছেন অভিনেত্রী। তার ভাষায়, ‘প্রিয় ভক্তরা, জীবনের প্রতিটি যাত্রায় মাঝেমধ্যে একটু বিরতি দরকার হয়। এইবার সেই বিরতিটাই নিচ্ছি। মনটা একটু ভারী, কারণ কাজ আর তোমাদের ভালোবাসা ছাড়া আমি অসম্পূর্ণ।’এই বিরতিকে যেন কেউ বিদায় না ভাবেন— এমনটাও জানিয়েছেন। শিগগিরই তিনি আবার ফিরবেন বলেও আশ্বাস দিয়েছেন। হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তের কারণ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হলেও মাহি বিষয়টি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেননি। পোস্টের মন্তব্যঘরে ভক্তরা তাকে শুভ কামনা জানিয়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, কাজের চাপ থেকে মানসিক প্রশান্তির জন্যই হয়তো এই বিরতি। এদিকে বিরতির ঘোষণা দেওয়ার পরই যুক্তরাষ্ট্রগামী একটি ফ্লাইটে উঠে দেশ ছেড়েছেন মাহি। সেখানে নিজের বোনের সঙ্গে কিছুদিন সময় কাটানোর পরিকল্পনা রয়েছে তার।