গাঁটের পয়সা খরচ করে অপমানিত হলেন গায়িকা নেহা

গাঁটের পয়সা খরচ করে অপমানিত হলেন গায়িকা নেহা ঝলমলে মঞ্চে দাঁড়িয়ে কাঁদছেন ভারতীয় সংগীতশিল্পী নেহা কাক্কর। কাঁদতে কাঁদতে কথা বলে চলেছেন এই গায়িকা। তারপরও দর্শক সাড়ি থেকে ভেসে আসছে— ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। মূলত, দর্শকদের এমন আচরণের কারণে কাঁদতে শুরু করেন নেহা। এতে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন দর্শকরা। নেহার কান্না দেখে আরো কড়া ভাষায় মন্তব্য করতে থাকেন দর্শকরা। ভেসে আসতে থাকে ‘নাটক করবেন না, এটা রিয়েলিটি শো না।’ প্রিয় ভক্তদের এমন অপমানজনক ব্যবহার নেহাকে আরো বেশি কষ্ট দেয়। তবু মঞ্চ ছাড়েননি এই গায়িকা। এনডিটিভি জানিয়েছে, কয়েক দিন আগে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে নেহার একটি কনসার্ট ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের ৩ ঘণ্টা পর মঞ্চে উঠেন তিনি। ফলে ক্ষিপ্ত হয়ে দর্শকরা নেহাকে অপমান করেন। এ ঘটনার একদিন পর নেহা পেছনের গল্প সবার সামনে তুলে ধরেন। অস্ট্রেলিয়া ট্যুর নিয়ে নেহা তার ইনস্টাগ্রামে দীর্ঘ একটি পোস্ট দিয়েছেন। তার মূল সারমর্ম হলো— গাঁটের পয়সা খরচ করে অস্ট্রেলিয়া গিয়ে অপমানিত হয়েছেন এই তারকা গায়িকা। নেহা কাক্কর বলেন, “সবাই শুধু দেখলেন আমি তিন ঘণ্টা দেরি করেছি। কিন্তু এর পেছনে আসল কারণ কী তা কেউ জিজ্ঞাসা করলেন না! আমি এতকিছু বলতাম না। যেহেতু আমার নামে অনেক কথা উঠছে, তাই আসল ঘটনা সবার সামনে নিয়ে আসা উচিত।” নেহা কাক্করকে তার পারিশ্রমিক দেননি আয়োজকরা। পরে নেহার স্বামী এই অর্থ প্রদান করেন। এ বিষয়ে নেহা বলেন, “আপনারা কি জানেন, আমি মেলবোর্নে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অনুষ্ঠান করে এসেছি? অনুষ্ঠানের কর্মকর্তারা আমার এবং আমার সহকারীদের পারিশ্রমিক না দিয়েই চলে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, আমাদের খাবারদাবার, হোটেলে থাকার ব্যবস্থাও তারা করেননি। আমার হাজব্যান্ড এবং আমার সহকারীরা ব্যান্ডের বাকি সদস্যদের পারিশ্রমিক প্রদান করেছেন।” ঘটনার ব্যাখ্যা করে নেহা বলেন, “আপনারা কি জানেন, সাউন্ড ভেন্ডারকে পারিশ্রমিক না দেওয়ায় তারা কাজ করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এজন্য সাউন্ড চেক করতে ঘণ্টাখানেক সময় লেগে যায়। আমরা এটাও জানতাম না, কনসার্ট আদৌ হবে কিনা, আমাদের ফোন রিসিভ করা বন্ধ করে দিয়েছিলেন আয়োজকরা। ওই সময়ে আমরা কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।” কেবল ভক্তদের কথা চিন্তা করে অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেন নেহা। তা জানিয়ে এই গায়িকা বলেন, “এত জটিলতার পরও আমি কোনোরকম বিশ্রাম না নিয়েই স্টেজে যাই এবং পারফর্ম করেছি। আমার মাথায় শুধু একটা কথাই ঘুরছিল, আমার দর্শকরা আমার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে রয়েছেন। এত অপমানের মধ্যে যারা নেহার সমস্যা উপলদ্ধি করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি তাদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই, যারা আমার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছেন, আমার জন্য অপেক্ষা করেছেন, আমার গানের সঙ্গে নেচেছেন। আমার সমস্যা যারা বুঝেছেলেন তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।”
ঐশ্বরিয়ার গাড়িতে বাসের ধাক্কা, কেমন আছেন অভিনেত্রী

ঐশ্বরিয়ার গাড়িতে বাসের ধাক্কা, কেমন আছেন অভিনেত্রী বলিউড তারকা ঐশ্বরিয়া রাই সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। জানা গেছে, বুধবার (২৬ মার্চ) অভিনেত্রীর গাড়িতে পিছন থেকে একটি বাস এসে জোরে ধাক্কা দেয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আপাতত জানা না গেলেও যে ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে দেখা গেল দুর্ঘটনার কারণে মুম্বাইয়ের রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঐশ্বরিয়ার নিরাপত্তারক্ষীরা ঘটনাস্থলে নেমেছেন। বলিউড সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আকস্মিকতায় কিছু হতভম্ব হলেও ঐশ্বরিয়া সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। অভিনেত্রী কোনোরকম আঘাত পেয়েছেন বলেও জানা যায়নি। মুম্বাইয়ের খ্যাতিমান ফটো সাংবাদিক বারিন্দর চাওলার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের পোস্ট থেকেই দুর্ঘটনাস্থলের ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। সেখানেই দেখা গেল, মুম্বাইয়ের ব্যস্ত রাস্তায় আচমকাই একটি লাল বাস এসে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের গাড়ির পিছনে ধাক্কা দেয়া। সঙ্গে সঙ্গে তার দেহরক্ষীরা গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। গাড়ির পিছনের অংশে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিনা সেটা দেখার পাশাপাশি বাসের চালকের সঙ্গেও কড়াভাবে কথা বলতে দেখা যায় তাদের। এরপরই ঐশ্বরিয়ার গাড়ি সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। এদিকে বলিউডের সুপারস্টার নায়িকার গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে, খবর ছড়াতেই কিছুক্ষণের জন্য থমকে যায় বলিউড এলাকার সেই সড়ক। একের পর এক গাড়ি দাঁড়িয়ে যায়। যার ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়। যদিও ওই বাস চালকের বিরুদ্ধে কোনোরকম পদক্ষেপ করা হয়েছে কিনা, সেই খবর এখনো জানা যায়নি। এ প্রসঙ্গে কোনোরকম প্রতিক্রিয়া দেননি অভিনেত্রী কিংবা বচ্চন পরিবারের কোনো সদস্য।
কয়েদির বেশে নিশো, জানা গেল কারণ

কয়েদির বেশে নিশো, জানা গেল কারণ ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ আফরান নিশোকে নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ এখন যেন একটু বেশিই। বিশেষ করে, যখন থেকে বড়পর্দায় আগমন ঘটে অভিনেতার। প্রথম ছবি ‘সুড়ঙ্গ’তে কাজ করার পর সিনে দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রে চলে আসেন নিশো। এর দুই বছর অপেক্ষার পর নতুন ‘দাগি’ ছবিতে আগমন তার। ছবির প্রচারণায় আজ (২৭ মার্চ) বিকেলে গুলশানে ‘দাগি’ প্রেস মিট আফরান নিশো কয়েদি পোশাক পরে আসেন। তাকে দেখে সবাই চমকে যান। এ সময় তিনি বলেন, ‘ঈদে আসছে, দেখতে হবে প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে।’ সম্প্রতি ইউটিউব ও ফেসবুকে ‘দাগি’র টিজার মুক্তি পেয়েছে। নিশোর ভিন্ন রূপ। উঠে আসে জেল জীবনে থাকা এক ‘দাগি’ আসামির প্রতিচ্ছবি। টিজারটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই অভিনেতাকে এই লুকে দেখে দর্শক ও ভক্তরা নড়েচড়ে বসেছেন, তা বলার বাকি রাখে না। এর আগের সিনেমাটির টিজার আসার ঘোষণা দেওয়া হয়, তখন থেকেই অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন দর্শক–ভক্তরা। বিভিন্ন মন্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছিলেন তারা। জানা গেছে, এসভিএফ-আলফা আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড এবং চরকির প্রযোজনায় সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন শিহাব শাহীন। দাগি এই নির্মাতার দ্বিতীয় সিনেমা। সদ্য মুক্তি পাওয়া এই ছবির টিজারে অভিনেত্রী তমা মির্জা, সুনেরাহ বিনতে কামাল, শহীদুজ্জামান সেলিমকেও দেখা গেছে।
আলিয়ার সঙ্গে কেন রোমান্স করতে চান না ইমরান হাশমি?

আলিয়ার সঙ্গে কেন রোমান্স করতে চান না ইমরান হাশমি? অনুরাগ বসু নির্মিত বহুল আলোচিত বলিউড সিনেমা ‘মার্ডার’। মহেশ ভাট প্রযোজিত এ সিনেমা ২০০৪ সালে মুক্তি পায়। এতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেন মল্লিকা শেরাওয়াত ও ইমরান হাশমি। সিনেমাটিতে তাদের রোমান্স, ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছিল। মূলত, এরপরই বলিউডে ‘সিরিয়াল কিসার’ হিসেবে পরিচিতি পান ইমরান হাশমি। দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে অনেক দর্শকপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। জুটি বেঁধেছেন অনেক নায়িকার সঙ্গে। আলিয়া ভাটের সঙ্গেও রোমান্সের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল ইমরান হাশমিকে। তবে তা প্রত্যাখান করেন এই তারকা অভিনেতা। ২০১৬ সালে আলিয়া ভাটের বিপরীতে অভিনয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয় ইমরান হাশমিকে। এক সাক্ষাৎকারে এই প্রস্তাব ফেরানোর কারণ ব্যাখ্যা করেন তিনি। ইমরান হাশমি বলেছিলেন, “আমি ভাই হিসেবে তার সঙ্গে কাজ করতে পারি, অন্য কোনো কিছু আমাকে পীড়া দেবে। আমি আমার কাজিনের সঙ্গে রোমান্স করতে পারি না। আমার মনে হয় না এমনটা কেউ করেছে, এটা অস্বস্তিকর।” ব্যক্তিগত জীবনে ইমরান হাশমি ইসলাম ধর্মের অনুসারী। আলিয়া ভাট হিন্দু ধর্ম অনুসরণ করেন। এসব সমীকরণ মিলিয়ে কেউ কখনো ভাবতেই পারেননি আলিয়া ভাট-ইমরান হাশমি সম্পর্কে চাচাত ভাই-বোন। আলিয়া ভাট-ইমরান হাশমির সম্পর্কের যোগসূত্র কোথায়? টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে জানায়, ইমরান হাশমির দাদি মেহেরবানু মোহাম্মদ আলী (পূর্ণিমা দাস ভার্মা নামে জনপ্রিয় ছিলেন)। বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা মহেশ ভাট ও মুকেশ ভাটের মা শিরিন মোহাম্মদ আলীর বোন মেহেরবানু। শিরিন-মেহেরবানুর মা ছিলেন লখনৌর বাসিন্দা এবং তিনি একজন মুসলিম ছিলেন। আর তাদের বাবা ছিলেন তামিল ব্রাহ্মণ রাম শেষাদ্রি আয়াঙ্গার। আলিয়া ভাট মহেশ ভাটের কন্যা। মহেশ ভাট ইমরান হাশমির কাকা আর আলিয়া তার চাচাত বোন। মেহেরবানু প্রথমে ইমরান হাশমির দাদা সৈয়দ শওকত হাশমিকে বিয়ে করেন। কিন্তু এ বিয়ে ভেঙে যায়। পরে প্রযোজক-পরিচালক ভগবান দাস ভার্মার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। মেহেরবানু বা পূর্ণিমা দাস বলিউডের বিখ্যাত অভিনেত্রী ছিলেন। দাদির পথ অনুসরণ করে অভিনয়ে পা রাখেন ইমরান হাশমি। ইমরান হাশমি অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘টাইগার থ্রি’। ‘টাইগার’ ফ্র্যাঞ্চাইজির এ সিনেমা ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর বিশ্বব্যাপী মুক্তি পায়। এতে আইএসআই-এর প্রাক্তন ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেলের চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান তিনি। বর্তমানে ইমরান হাশমির হাতে তেলেগু ভাষার ‘ওজি’ সিনেমার কাজ রয়েছে। সুজিত পরিচালিত এ সিনেমায় আরো অভিনয় করছেন— পবন কল্যাণ, প্রকাশ রাজ, অর্জুন দাস প্রমুখ। ২৫০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে অ্যাকশনার ঘরানার এই সিনেমা। তা ছাড়াও তেলেগু ভাষার ‘জি-টু’, ‘গ্রাউন্ড জিরো’, ‘আওয়ারাপান টু’ সিনেমার কাজও ইমরান হাশমির হাতে রয়েছে।
ঈদের দুই নাটকে মোশাররফ করিমের সঙ্গী ঊর্মী

ঈদের দুই নাটকে মোশাররফ করিমের সঙ্গী ঊর্মী দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিমের সঙ্গে ঈদের দুটি একক নাটকে কাজ করেছেন তরুণ অভিনেত্রী ঊর্মী আহমেদ। ‘বউ ভাড়া হবে’ ও ‘সানগ্লাস ফ্যামিলি’ শিরোনামের নাটক দুটির একটি প্রচার হবে চ্যানেল আইতে, অন্যটি আরটিভিতে। মোশাররফ করিম তার ক্যারিয়ারে অসংখ্য অভিনেত্রীর বিপরীতে কাজ করেছেন। তার মধ্যে অনেক নতুন অভিনেত্রী তার সঙ্গে জুটি বেঁধে কুড়িয়েছেন প্রশংসা। সেই তালিকায় যুক্ত হলেন ঊর্মী। এই তরুণ অভিনেত্রী বলেন, “এই নাটক দুটিতে সুযোগ দেওয়ার জন্য পরিচালক মো. জাকিউল ইসলাম রিপন ভাইয়ের কাছে কৃতজ্ঞ। মোশাররফ করিম ভাইয়ের মতো অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে পারা আমার জন্য ভাগ্যের ব্যাপার।” মোশাররফ করিমের প্রশংসা করে ঊর্মী বলেন, “অনেক কিছু শিখেছি, জেনেছি। তিনি খুবই মিশুক। নতুনদের জন্য খুবই হেল্পফুল মোশাররফ করিম ভাই। তার সঙ্গে কাজ করে আমার দারুণ লেগেছে। মন দিয়ে দুটি নাটকের কাজ করেছি। আশা করছি, দর্শকের ভালো লাগবে।” বিটিভিতে মাহফুজা আক্তারের প্রযোজনায় কাজী নজরুল ইসলামের ‘মেঘবালিকা’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে ছোটপর্দায় অভিষেক ঘটে ঊর্মী আহমেদের। এরপর থেকে নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছেন। ঊর্মী অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হলো— ‘লাভ অ্যান্ড রিভেঞ্জ’, ‘মুক্তি’, ‘শুভযাত্রা’, ‘বাবার সম্বল’, ‘বাবা আর নেই’, ‘প্রবাসী ছেলের কোরবানি’, ‘বয়রা বউ শাশুড়ি’, ‘নিঃশ্বাস’, ‘অসহায় বউ’, ‘প্রবাসী তিন বউ’, ‘বৃষ্টি এলো প্রেম এলো’ প্রভৃতি। নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন ঊর্মী। রায়হান রাফি নির্মিত ‘ফ্রাইডে’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করাকে ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট মনে করেন তিনি। তার অভিনীত ‘পিনিক’ সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
মুক্তিতে বাধাহীন ‘দাগি’

মুক্তিতে বাধাহীন ‘দাগি’ অনেক দিন ধরেই আলোচনায় ঈদুল ফিতরে মুক্তি প্রতীক্ষিত ‘দাগি’ সিনেমা। শিহাব শাহীন পরিচালিত সিনেমাটিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন আফরান নিশো ও তমা মির্জা। সোমবার (২৪ মার্চ) সিনেমাটি সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়েছে। এতে করে ঈদের সিনেমার দৌড়ে একধাপ এগিয়ে গেল ‘দাগি’। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে এসভিএফ ও আলফা আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড। এটি ইউ গ্রেডের (ইউনিভার্সাল গ্রেড) সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়েছে। অর্থাৎ সব বয়সিরাই দেখতে পারবেন সিনেমাটি। আলফা আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) শাহরিয়ার শাকিল বলেন, “ঈদে সবাই মিলে যেন সিনেমা উপভোগ করতে পারেন, তেমন সিনেমাই আমরা করতে চেয়েছিলাম এবং সেটি করতে পেরেছি বলে মনে হয়। কারণ সেন্সর সার্টিফিকেশন বোর্ড সিনেমাকে ইউ গ্রেড দিয়েছে।” ‘দাগি’ মুক্তি বা প্রায়শ্চিত্তের গল্প বলে জানিয়েছেন নির্মাতা শিহাব শাহীন। সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত তিনি। এ নির্মাতা জানান, ‘দাগি’ গল্প নির্ভর সিনেমা, দেখার মতো অভিনয়ের সিনেমা। এমন গল্প দেশে হয়নি বললেই চলে। শিহাব শাহীন বলেন, “নিশান–জেরিনের ভালোবাসা–বিরহের গল্প ‘দাগি’। একই সঙ্গে চরিত্র দুটির অনুশোচনার গল্পও। প্রকাশিত টিজার এবং রোমান্টিক গানে দর্শকরা এটা বুঝতে পেরেছেন বলে আশা করছি। আবার এখানে কারাগারের ব্যাপারও আছে। আর জেলের দাগ একবার যার লাগে, বাকি জীবন সে দাগি হয়ে থাকে। এখান থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে ক্ষমার বিষয়টি। যা আমাদের জীবনে তো বটেই, ধর্ম ও মানবতারও অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ। তাই আমরা বলছি, ‘দাগি’ মুক্তি বা প্রায়শ্চিত্তের গল্প। সৈয়দপুর, রাজশাহী, ঢাকায় ‘দাগি’ সিনেমার শুটিং হয়েছে। নিশো-তমা ছাড়াও আরো অভিনয় করেছেন তমা মির্জা, সুনেরাহ বিনতে কামাল, শহীদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত, মিলি বাশার, রাশেদ মামুন অপু প্রমুখ। সিনেমার গল্প, চিত্রনাট্য, সংলাপ লিখেছেন নির্মাতা শিহাব শাহীন।
বর্ষার বক্তব্য নিয়ে তারকাদের সমালোচনা

বর্ষার বক্তব্য নিয়ে তারকাদের সমালোচনা কয়েক দিন আগে অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা দেন চিত্রনায়িকা বর্ষা। কারণ হিসেবে এ অভিনেত্রী বলেন— “ছেলেরা বড় হচ্ছে, বড় হয়ে তারা যদি দেখে, তার মা সিনেমার নায়িকা, তখন কী ভাববে? এসব চিন্তা করেই সিনেমা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” বর্ষা অভিনয় ছাড়ার বক্তব্যের একটি ফটো কার্ড নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপা খন্দকার। পাশাপাশি বর্ষার বক্তব্যর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে লেখেন— “আপনার সন্তান যদি আপনাকে চলচ্চিত্রের তারকা হিসেবে দেখে, এটা হবে গর্বের মুহূর্ত।”অভিনয় ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বর্ষা যে বক্তব্য দিয়েছেন তা নিয়ে আপত্তি করেছেন দীপা খন্দকার। তার এ পোস্টে শোবিজ অঙ্গনের অনেকে মত প্রকাশ করেছেন। বর্ষার উদ্দেশ্যে ছুড়ে দিয়েছেন কিছু প্রশ্ন। অভিনেতা জিতু আহসান লেখেন, “সম্মানের সঙ্গে বলছি, তার মানে সিনেমার নায়িকারা খারাপ? ছেলে ১৪-১৫ বছর বয়সে মাকে সিনেমার নায়িকা দেখলে খারাপ, তাহলে উনি এখন যে নায়িকা (জোর করে) সেটা খারাপ না? আর এটা এত যে খারাপ পেশা, সেখানে স্বামীর প্রযোজনা সিনেমায় জোর করে নায়িকা হয়ে থাকার দরকার কি?” জিতু আহসানের কমেন্টের জবাবে দীপা খন্দকার লেখেন, “ভাই, আমি বুঝিয়েছি, সন্তান যদি ওই বয়সে মাকে নায়িকা দেখে তাহলে এটা একটা গর্বের মুহূর্ত হবে। আর আমি আমার শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত অভিনয় করতে চাই। সুতরাং উনার কথার সঙ্গে সহমত পোষণের প্রশ্নই আসে না।” এরপর আরেকটি মন্তব্য করেন দীপা। তাতে তিনি লেখেন, “ওই মহিলার কথা শুনে আমার খারাপ লাগছে। একটা মশাও তো তার স্বামীকে চিনত না। মিডিয়াতে এসে মানুষ চেনার পর সেই মিডিয়া খারাপ! যে পাতে খায়, সেই পাতে…।” এ মন্তব্যের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন জিতু আহসান। দীপা খন্দকার, জিতু আহসানের ভাবনার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন তাদের ভক্ত ও সহকর্মীরাও। অনেকে বর্ষার বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করছেন। অভিনেতা স্বাধীন খসরু লেখেন, “ভয়ংকর অপদার্থ।” গায়ক লুৎফর হাসান লেখেন, “আহারে মুনাফিক। যে পাতে খায়, সেই পাতেই ডট ডট।” নাট্যনির্মাতা আশিকুর রহমান লেখেন, “এরা এমন ভণ্ড কেন? এরা নিজেরা ইয়াং বয়সে সিনেমার নায়িকা হবে, নেম-ফেম উপভোগ করবে। কিন্তু সন্তানকে শেখাবে সিনেমার নায়িকা একটা খারাপ জিনিস!” তা ছাড়াও নির্মাতা মোস্তাফিজুর রহমান মানিকসহ অনেকে আপত্তি জানিয়েছেন।
ক্রিকেটার তামিম ইকবালের সুস্থতা প্রার্থনায় তারকারা

ক্রিকেটার তামিম ইকবালের সুস্থতা প্রার্থনায় তারকারা ক্রিকেটার তামিম ইকবালের অসুস্থতার খবর সারাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে বিষাদ নামিয়েছে। সবাই প্রিয় ক্রিকেটারের জন্য দোয়া চাইছেন, দোয়া করছেন। তামিমের সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়ে বিনোদন অঙ্গনের তারকারাও ফেসবুকে লিখেছেন তাদের অনুভূতি। চিত্রনায়ক ওমর সানী লিখেছেন, ‘আমরা সবাই তামিম ইকবালের জন্য দোয়া করি, আল্লাহ তাকে সুস্থ করে আমাদের মাঝে নিয়ে আসুন। তামিম মানেই বাংলাদেশ।’তমা মির্জা লিখেছেন, ‘তামিম ইকবালের দ্রুত আরোগ্যের জন্য প্রার্থনা করছি।’আরিফিন শুভ তামিমের সুস্থতা কামনা করে লিখেছেন, ‘হিরোদের ফিরে আসতে হয় আরও শক্তিশালী হয়ে। আপনি সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন ইনশাহ আল্লাহ। সেই অপেক্ষায়।’ তামিম ইকবালের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব লিখেছেন, ‘তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠো তামিম।’ শবনম ফারিয়া লিখেছেন, ‘তামিম ইকবালের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। তোমাকে আমার প্রার্থনায় রাখছি!’ছোটপর্দার অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ লিখেছেন, ‘সুস্থ হয়ে উঠুক তামিম। আল্লাহ সহায় হোন।’বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) চিকিৎসা বিভাগের প্রধান দেবাশীষ চৌধুরী জানিয়েছেন, তামিমের দুবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। এখন পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলতে আজ সকালে সাভারের বিকেএসপিতে যান তামিম। সকালে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব-শাইনপুকুর ম্যাচের টসেও অংশ নেন। তবে ফিল্ডিংয়ে নামার আগে বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে তাকে সাভারের ফজিলাতুন্নেছা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। মোহামেডান-শাইনপুকুর ম্যাচের রেফারি দেবব্রত পাল হাসপাতাল থেকে জানান, তামিমের অ্যানজিওগ্রাম করিয়ে হার্টে ব্লক পাওয়া গেছে। পরানো হয়েছে রিং। বর্তমানে ভালো আছেন তামিম। জ্ঞান ফিরেছে তার। কথাও বলেছেন তিনি। হাসপাতালে তামিমের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা, বড় ভাই নাফীস ইকবালসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত আছেন।
রাশমিকা বা ওর বাবারও সমস্যা নেই, আপনাদের সমস্যা কোথায়

রাশমিকা বা ওর বাবারও সমস্যা নেই, আপনাদের সমস্যা কোথায় ভারতের দক্ষিণী সিনেমার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। বলিউড সিনেমায় অভিনয় করেও প্রশংসা কুড়িয়েছেন ২৮ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী। এবার ৩১ বছরের বড় সালমান খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে পর্দায় হাজির হতে যাচ্ছেন ‘অ্যানিমেল’খ্যাত এই তারকা। পরিচালক এ আর মুরুগাদোস নির্মাণ করেছেন ‘সিকান্দার’ সিনেমা। সিনেমাটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সালমান খান। আর তার বিপরীতে রয়েছেন রাশমিকা মান্দানা। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নেট দুনিয়ায় চর্চা চলছে। অবশেষে এ নিয়ে কড়া জবাব দিলেন সালমান খান। সালমান খান বলেন, “আমার আর রাশমিকার ৩১ বছর বয়সের ব্যবধান, লোকজন তা নিয়ে কথা বলতে ব্যস্ত। এটা নিয়ে রাশমিকার কোনো সমস্যা নেই, ওর বাবারও কোনো সমস্যা নেই, তাহলে আপনাদের সমস্যা কোথায় ভাই? রাশমিকার যখন বিয়ে হবে, ওর মেয়ে হবে, আমি তখন ওর মেয়ের সঙ্গেও অভিনয় করব। মায়ের অনুমতি তো পেয়েই যাব।” গতকাল মুক্তি পেয়েছে ‘সিকান্দার’ সিনেমার ট্রেইলার। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সালমান-রাশমিকা। সেই মঞ্চে কথাগুলো বলেন বলিউডের মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর সালমান। কথা বলার সময়ে তাকে বেশ রাগান্বিত দেখায়, যার ভিডিও ক্লিপ এখন অন্তর্জালে ভাইরাল। রাশমিকা-সালমান ছাড়াও ‘সিকান্দার’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন কাজল আগরওয়াল, সত্যরাজ, শর্মন জোশী, প্রতীক বব্বর প্রমুখ। এটি প্রযোজনা করছেন সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা। ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।
মা ছাড়া জীবন কতটা বেদনার তা মা-হারা মেয়েরাই জানে

মা ছাড়া জীবন কতটা বেদনার তা মা-হারা মেয়েরাই জানে ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা পূজা চেরি। গত বছরের মার্চ মাসে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তার মা। আজ এই অভিনেত্রীর মায়ের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। মায়ের মৃত্যুর এক বছর পরও সেই শোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি পূজা। রবিবার (২৩ মার্চ) দিবাগত রাতে মা ঝরনা রায়ের সঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি পোস্ট করে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। পূজা তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, “মা ও মা! কেমন আছো তুমি? তোমাকে দেখি না ৩৬৫টা দিন হয়ে গেল। কীভাবে চলে গেল সময়টা। গত বছর এই সময়টা আমার কাছে ছিল নরকের আগুনের মতো ভয়ংকর।” মা ঝরনাকে উদ্দেশ্য করে পূজা লেখেন, “বুকে কি যেন আটকে থাকে সবসময় মামুনি। মনে করি, কাঁদলে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু না কেমন জানি আরো বুকটা ভারী হয়ে ওঠে। মনে হয়, পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী পাথর আমার বুকে। মাঝে মাঝে খুব অবাক হই জানো মামুনি, যে মানুষটা তার মেয়েকে ১ মিনিটের জন্য চোখে হারাতো না সেই মানুষটা কতদিন তার মেয়েকে ছেড়ে দূরে আছে।” মা-হারা মেয়েরাই জানে জীবন কতটা বেদনার। এ তথ্য উল্লেখ করে পূজা চেরি বলেন, “জানো মামুনি সবাই আমাকে বলে পূজা তুমি খুব স্ট্রং। হা হা হা, তারা কি জানে, যে মেয়েটা তার মায়ের মতোই! তুমিই তো সব শিখিয়েছো মামুনি। একটা মেয়ের মা ছাড়া তার জীবনটা যে কি বেদনার তা কেবলই ওই মা হারা মেয়েরাই বোঝে।” প্রয়াত মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে পূজা চেরি লেখেন, “তবে একটা কথা কি মামুনি, তোমার মেয়েটা তোমাকে অনেক ভালোবাসে। পরের জন্ম বলে যদি কিছু থাকে আমি যেন তোমার মেয়ে হয়েই জন্ম নেই। ওপারে ভালো থাকো আমার সোনা মামুনি।” চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের শুরু থেকে সবসময়ই মাকে পাশে পেয়েছেন পূজা। মেয়ের সাফল্যে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন মা ঝরনা রায়। ক্যারিয়ারে মায়ের অবদানের কথা সবসময় বলেন এই অভিনেত্রী।