বাগদান সারলেন গায়িকা টেইলর সুইফট

বাগদান সারলেন গায়িকা টেইলর সুইফট বাগদান সারলেন মার্কিন গায়িকা টেইলর সুইফট ও কানসাস সিটি চিফসের খেলোয়াড় ট্র্যাভিস কেলসে। গতকাল ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করে যৌথভাবে এই ঘোষণা দেন তারা। ছবির কোনোটিতে টেইলরকে প্রস্তাব দিতে দেখা যায় ট্র্যাভিসকে। কোনোটিকে এ জুটির আনন্দঘন মুহূর্ত, কোনো ছবিতে তাদের হাতের আঙুলে শোভা পাচ্ছে বাগদানের আংটি। ক্যাপশনে লিখেছেন, আপনাদের ইংরেজি শিক্ষক আর জিম শিক্ষক বিয়ে করতে যাচ্ছেন। দুই বছর ধরে সম্পর্কে ছিলেন সুইফট ও কেলসে। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে পারফর্ম করেন টেইলর সুইফট। তারপর এ জুটির প্রেম শুরু হয়। তবে তিনবারের সুপার বোলজয়ী কেলসে ২০১৬ সালেই সুইফটের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ট্র্যাভিস কেলসির সঙ্গে টেইলর সুইফটের প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়। পরে সেই বছরের ডিসেম্বর মাসেই প্রেমের কথা স্বীকার করেন সুইফট নিজেই। তবে কবে নাগাদ বিয়ে করছেন সে বিষয়ে কিছু জানাননি এই যুগল। এর আগে ব্রিটিশ অভিনেতা জো অ্যালউইনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন টেইলর সুইফট। হলিউড তারকা টম হিডেল স্টোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের বিচ্ছেদের পর জোয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান টেইলর। তবে এ প্রেম টিকেনি। ২০২৩ সালের এপ্রিলে এ জুটির বিচ্ছেদের খবর জানা যায়। ৩৫ বছর বয়সি গায়িকা টেইলর সুইফটের জীবনে প্রেম নতুন কোনো বিষয় না। এর আগে তিনি টম হিডেলস্টোন, কেলভিন হ্যারিস, হ্যারি স্টাইলস, কনর কেনেডি, জো জোনাস ও জ্যাক জিলেনহলের সঙ্গে প্রেম করেছেন।
মুক্তির আগেই পবনের সিনেমার আয় ২২০ কোটি টাকা

মুক্তির আগেই পবনের সিনেমার আয় ২২০ কোটি টাকা ভারতের দক্ষিণী সিনেমার ‘পাওয়ার স্টার’খ্যাত অভিনেতা পবন কল্যাণ। ২০২৩ সালের ২৮ জুলাই মুক্তি পায় তার অভিনীত ‘ব্রো’ সিনেমা। এর ঠিক এক বছর পর অর্থাৎ গত ২৪ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘হরি হারা বীরা মালু’ সিনেমা। কিন্তু দর্শকদের হতাশ করে এটি। বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে সিনেমাটি। পবন কল্যাণের পরবর্তী সিনেমা ‘ওজি’। সুজিত নির্মিত এ সিনেমা আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনা করেছেন নির্মাতারা। আগের সিনেমা ব্যর্থ হলেও এ সিনেমা নিয়ে দর্শকদের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। কেবল তাই নয়, মুক্তির আগেই মোটা অঙ্কের টাকা আয় করেছে সিনেমাটি। ট্র্যাক টলিউডের তথ্য অনুসারে, ২০০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে ‘ওজি’ সিনেমা। মুক্তির আগেই সিনেমাটি নিজাম এরিয়ার থিয়েট্রিক্যাল স্বত্ব ৬০ কোটিরও বেশি মূল্যে বিক্রি হয়েছে, অন্ধ্রর স্বত্ব প্রায় ৭০ কোটি রুপি এবং সিডেড রাইটস ২৫ কোটি রুপিতে বিক্রি হয়েছে। সব মিলিয়ে সিনেমাটির আয় দাঁড়িয়েছে ১৬০ কোটি রুপিতে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২২০ কোটি ৪৯ লাখ টাকা)। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় পবন কল্যাণ। জনসেনা পার্টির প্রধান তিনি। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে অন্ধ্রপ্রদেশে তার দল দুটো আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুটোতেই জয় লাভ করে। বর্তমানে অন্ধ্রপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন এই তারকা। রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও ‘ওজি’ সিনেমার প্রচারে অংশ নেবেন পবন কল্যাণ। সিনেমাটির প্রচারের জন্য নির্দিষ্ট পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন তিনি। ২–৩ দিন শুধু ‘ওজি’ সিনেমার প্রচারের কাজে ব্যস্ত থাকবেন। প্রি-রিলিজ ইভেন্টে অংশ নেবেন। এজন্য রাজনৈতিক কাজ থেকে বিরতি থাকবেন পবন। ওজাস গাম্ভীরা নামে নিষ্ঠুর এক ডনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে ‘ওজি’ সিনেমার কাহিনি। ওজাস গাম্ভীরাকে সবাই ‘ওজি’ নামেই চেনেন। দশ বছর নিখোঁজ থাকার পর মুম্বাইয়ে ফিরে আসে সে। অমি ভাউকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ফিরে আসা। সিনেমাটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন পবন কল্যাণ। আর ‘অমি ভাউ’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইমরান হাশমি। তেলেগু ভাষার গ্যাংস্টার অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার এ সিনেমায় আরো অভিনয় করেছেন—প্রিয়াঙ্কা মোহন, অর্জুন দাস, প্রকাশ রাজ, রাও রমেশ প্রমুখ।
শাকিব মোটু বলে পঁচাতো এখন আর বলার সুযোগ নেই

শাকিব মোটু বলে পঁচাতো এখন আর বলার সুযোগ নেই বেশ কিছুদিন আগে আমেরিকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় জুটি শাকিব খান এবং অপু বিশ্বাস। সঙ্গে ছিলেন এই জুটির সন্তান আব্রাম খান জয়। সে সময়ের ভালো ভালো অনেক স্মৃতি জমে আছে অপু বিশ্বাসের মনে। সেই স্মৃতি থেকে তিনি একটি পডকাস্টে বেশ কিছু কথা বলেছেন। অপু বিশ্বাস বলেন, ‘‘মজার স্মৃতি অনেক আছে। একটা মজার স্মৃতি হচ্ছে, সেন্ট্রাল পার্কে ঘোড়ায় চড়ার কথা ছিলো, আমি আসতে একটু দেরি করেছিলাম। জয় আইসক্রিম খেতে চেয়েছিলো। আমি আইসক্রিম আনতে গিয়েছিলাম। এসে দেখি জয় আর তার বাবা ঘোড়ায় উঠে গেছে। আমি জোরে জোরে বলছিলাম, এই আমাকে নেবে না। একটা ভিডিও দেখবেন, আমি দৌড়ে আসছি আর চুল ঠিক করছি। ওই ভিডিওটা জয়ের বাবা করে দিয়েছিলো। ঘোড়ার যারা রাইড করে, তারা আমাকে পরে ঘোড়ায় উঠিয়ে দেয়। আমি শাকিবকে বললাম, তুমি এইটা কেন করলে, ও বললো যে, ইচ্ছে করে। তুমি দৌড় দিবা আমার ভালো লাগবে, তাই। তখন একটু মোটাও ছিলাম। শাকিব বললো, দৌড়াও, মোটাটা একটু কমবে। ’’ অপু আরও বলেন, ‘‘শাকিব মাঝে মাঝে মোটু, মোটু বলে পঁচাতো, এখন আর বলার সুযোগ নেই। কারণ আমি এখন শুকিয়ে গেছি। ’’ ওই পডকাস্টে নেটিজেনদের করা বুলিংয়ের বিষয়েও মুখ খোলেন অপু বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘‘সোশ্যাল মিডিয়াকে আমি যতটা সাপোর্ট করি, আবার মাঝে মাঝে ততটা কষ্ট লাগে। তারা আমাদেরকে চেনেন না কিন্তু বুলিংটা কেন এতো অনর্থক করেন? ’’ উল্লেখ্য, সম্প্রতি আমেরিকায় একসঙ্গে সময় পার করেছেন শাকিব খান, বুবলী আর এই জুটির সন্তান শেহজাদ খান বীর। নেটিজেদের একাংশ বলছে, আমেরিকার নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য ওইসব ছবি তুলেছেন তারা। এ বিষয়ে অপু বিশ্বাসের মত হচ্ছে, ‘‘হতে পারে। আমি যেহেতু আমেরিকার নাগরিক হতে যাইনি। সো, এই বিষয়ে কোনো রুলস আমি পড়িওনি, জানিও না। ’’
অভিনেত্রী মিথিলা এখন ‘ডক্টর মিথিলা’

অভিনেত্রী মিথিলা এখন ‘ডক্টর মিথিলা’ অভিনেত্রী, গায়ক, মডেল, শিক্ষক, উন্নয়নকর্মী এবং একজন মা রাফিয়াত রশীদ মিথিলা। তার পরিচয় শুধু শোবিজ তারকা নন বরং নারীর প্রেরণার প্রতীকও। তিনি জানেন কীভাবে ব্যক্তিগত ঝড়ের মুখে দাঁড়িয়েও নিজের স্বপ্নগুলো আঁকড়ে ধরে এগিয়ে যেতে হয়। শোবিজ ক্যারিয়ার বাইরে মিথিলা জানালেন তার নতুন অর্জনের কথা। সুইজারল্যান্ডের জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সফলভাবে পিএইচডি থিসিস সম্পন্ন করেছেন তিনি। সোমবার মধ্যরাতে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছেন এ তথ্য। মিথিলা লেখেন, অত্যন্ত আবেগপ্রবণ ও গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমি জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ে সফলভাবে আমার পিএইচডি থিসিস ডিফেন্স করেছি! এই মুহূর্তটি আমার জীবনের পাঁচ বছরের এক যাত্রার সমাপ্তি, যা ছিল আনন্দ-দুঃখ মিশ্রিত অভিজ্ঞতায় ভরপুর। অভিনেত্রী আরও জানান, তার জন্য ‘কম ভ্রমণ করা পথ’ বেছে নেওয়ার অর্থ ছিল একইসঙ্গে পূর্ণকালীন পেশাগত জীবন, অভিনয়ের কাজ এবং পারিবারিক দায়িত্ব সামলে এই ডিগ্রির পথচলা অব্যাহত রাখা। এই অভিজ্ঞতা তাকে দৃঢ়তার শ্রেষ্ঠ পাঠ দিয়েছে। পরিবার ও কাছের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মিথিলা। তার কথায়, আমি আমার পরিবার, বন্ধু এবং সহকর্মীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞ, যাদের অকুণ্ঠ সমর্থন আমাকে এই যাত্রায় টিকিয়ে রেখেছে। আজ থেকে আমি গর্বের সঙ্গে আমার নামের আগে ‘ড.’ অর্থৎ ডক্টর উপাধি যোগ করতে পারব। একটি উপাধি, যা আমি নিরলস পরিশ্রম করে অর্জন করেছি।
চলে গেলেন ‘কেজিএফ’ সিনেমার ডন দিনেশ

চলে গেলেন ‘কেজিএফ’ সিনেমার ডন দিনেশ ‘কেজিএফ চ্যাপ্টার ১’-এ বোম্বের ডনের চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় আসা কন্নড় অভিনেতা দিনেশ মাঙ্গালোর আর নেই। আজ ভোররাতে কর্ণাটকের উডুপিতে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, তার মৃত্যু হয়েছে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে। সম্প্রতি ‘কান্তারা: অধ্যায় ১’ সিনেমার শুটিং চলাকালীন হঠাৎ স্ট্রোক করলে তাকে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা দিয়ে বেঙ্গালুরুতে পাঠানো হয়। সেখান থেকে কিছুটা সুস্থ হয়ে ফিরলেও গত সপ্তাহে আবার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দিনেশ প্রায় এক বছর ধরে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ উডুপির নিজ বাড়িতে নেওয়া হবে। ২৬ আগস্ট সকাল ৮টা থেকে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। পরে সুমনাহল্লি শ্মশানে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। দিনেশ মাঙ্গালোর রেখে গেছেন তার স্ত্রী ভারতী এবং দুই সন্তান পবন ও সজ্জনকে। উডুপি জেলার কুন্দাপুরে জন্ম নেওয়া দিনেশ শুরুতে ছিলেন একজন আর্ট ডিরেক্টর। পরে অভিনয়ে এসে নিজেকে কন্নড় সিনেমার শক্তিশালী পার্শ্বচরিত্র অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘রানা বিক্রম’, ‘আম্বারি’, ‘সাভারি’, ‘ইন্তি নিন্না বেটি’, ‘আ ডিঙ্গি’, ‘তুঘলক’, ‘বেট্টাদা জীবন’, ‘সূর্য কান্তি’, ‘কিরিক পার্টি’ প্রভৃতি।
চোরাচালানের অভিযোগে অঙ্কুশকে আটক করলো পুলিশ

চোরাচালানের অভিযোগে অঙ্কুশকে আটক করলো পুলিশ ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে আটক করেছে পুলিশ! জনপ্রিয় এ অভিনেতার বিরুদ্ধে পুলিশের গুরুতর অভিযোগ! অভিনয়ের আড়ালে চোরাচালান কাজেও জড়িত তিনি! অভিনয়ের পাশাপাশি অনুষ্ঠান সঞ্চালনায়ও ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন অঙ্কুশ। সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে তাকে চ্যাংদোলা করে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। এ ঘটনায় অনুষ্ঠান দেখতে আসা সকলকে চমকে যান! ঘাবড়ানোর কিছুই নেই। আসল ঘটনাটি তাহলে খুলে বলা যাক। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি ‘জি বাংলার’ এক অনুষ্ঠানে প্রেমিকা ঐন্দ্রিলা সেন এবং বিক্রম চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে খুনসুটিতে মজেছিলেন অঙ্কুশ। অনুষ্ঠানের একপর্যায় অভিনেতার চোখ বেঁধে দেন ঐন্দ্রিলা। রসিকতা করে অঙ্কুশ বলেন, ‘আমার বেশি মাথা ঘুরলে কিন্তু সব মেয়েকেই ঐন্দ্রিলা দেখি। তখন বলবে না আমার দোষ।’ অঙ্কুশের চোখ বেঁধে দিয়ে মঞ্চ থেকে নেমে যান বিক্রম-ঐন্দ্রিলা। তখন মঞ্চে আসেন পুলিশরূপী ইনস্পেক্টর রতন থুড়ি সায়ন ঘোষ। অভিযোগ তোলেন, অঙ্কুশ নাকি মানকচু পাচারের চোরাকারবার করছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রেক্ষিতে চ্যাংদোলা করে তুলে নিয়ে যায় সায়নের সঙ্গী সাথীরা। এ পর্যন্ত সবটাই ঠিকঠাক ছিল। মজার ছলে বেশ ভালোভাবেই চলছিল চোর-পুলিশ খেলা। এরপরেই আচমকা মেজাজ হারান অঙ্কুশ। অভিনয় হলেও এভাবে চ্যাংদোলা করে ধরে নিয়ে যাওয়াটা মোটেও মানতে পারেননি। নিজেকে সামলাতে না পেরে সেখানেই ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। মঞ্চ এবং দর্শকাসনে থাকা সকলেই খানিক অবাক হয়ে যান। কিছুক্ষণ পরই বোঝা গেল দর্শকদের আনন্দ দিতেই রাগের অভিনয় করেছেন। ততক্ষণে অনুষ্ঠানে সবাই ঘাবড়ে যান। প্রসঙ্গত, পূজায় আসছে অঙ্কুশের সিনেমা ‘রক্তবীজ ২’। অ্যাকশন থ্রিলার ছবিতে খলনায়ক চরিত্রে একবারে অচেনা রূপে দেখা যাবে অভিনেতাকে। চরিত্রের নাম মুনির আলম। ছবির প্রথম ঝলকে উচ্ছ্বসিত অনুরাগীরা।
বাবা-মা হতে চলেছেন পরিণীতি চোপড়া-রাঘব চাড্ডা

বাবা-মা হতে চলেছেন পরিণীতি চোপড়া-রাঘব চাড্ডা মাস কয়েক ধরেই গুঞ্জন চলছে, মা হচ্ছেন পরিণীতি চোপড়া। কিন্তু প্রতিবারই সেই খবর নাকচ করে এসেছেন অভিনেত্রী। যদিও সম্প্রতি কপিল শর্মার শোয়ে এসে অভিনেত্রীর স্বামী রাঘব চাড্ডা জানান, খুব শিগগিরিই সুখবর দিতে চলেছেন। স্বামীর কথা শুনে চোখ বড় হয়ে যায় পরিণীতির। এই ঘটনার মাস খানেকের মধ্যেই সুখবর দিলেন পরিণীতি। কোলে আসছে সন্তান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৫ আগস্ট) ইনস্টাগ্রামে একটি মিষ্টি ছবি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া। ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি ছোট্ট কেক, যার উপর আঁকা রয়েছে ছোট্ট দুটি পা। পায়ের ওপর লেখা 1+1=3 ব্যাস এইটুকুই। এইটুকুই যথেষ্ট বোঝার জন্য যে খুব তাড়াতাড়ি তাদের ঘরে আসতে চলেছে ছোট্ট সদস্য। পোষ্টের ক্যাপশনে পরিণীতি লেখেন, ‘আমাদের ছোট্ট ইউনিভার্স আসতে চলেছে। আমরা আশীর্বাদ ধন্য।’ ক্যাপশন দেখে একেবারে স্পষ্ট বাবা-মা হতে চলেছেন বলি অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া এবং আম আদমি পার্টির নেতা ও রাজ্যসভার সাংসদ রাঘব চাড্ডা। কিন্তু রাঘব যে আগেভাগেই সুখবর দিয়ে দিয়েছিলেন তার প্রমাণ পাওয়া গেল সোমবার পরিণীতি এবং রাঘবের করা পোস্ট থেকে। তবে শুধু একটি কেকের ছবি নয় আরও একটি ছোট্ট ভিডিও পোস্ট করেছেন তারা, যেখানে দেখা যাচ্ছে গর্ভবতী স্ত্রীকে নিয়ে সকালে হাঁটতে বেরিয়েছেন রাঘব। বোঝাই যাচ্ছে, হাজার কাজের মধ্যেও স্ত্রীকে সম্পূর্ণ সময় দিচ্ছেন তিনি। রাঘব এবং পরিণীতির এই পোস্ট দেখে ভীষণ ভীষণ খুশি সকলে। ইতিমধ্যেই ক্যাপশনে বহু শুভাকাঙ্ক্ষী রাঘব এবং পরিনীতিকে তাদের আগামী দিনের জন্য শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে রাঘবকে বিয়ে করেছিলেন পরিণীতি। ২ বছরের মধ্যেই সকলকে সুখবর শোনালেন এই দম্পতি। যদিও এখন প্রায় সকলেই বিয়ের কয়েক বছরের মধ্যেই সুখবর শোনাচ্ছেন, যার মধ্যে এবার যোগ দিলেন পরিণীতিও।
সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার মালিক ডুয়া লিপা

সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার মালিক ডুয়া লিপা তিন দশক আগে, ১৯৮৮ সালে কসোভোতে যুদ্ধ শুরু হলে সেখানে আটকা পড়েন তার বাবা-মা। এরপর ১৯৯২ সালে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেন যুক্তরাজ্যে, সেখানেই থিতু হন। এর পর ১৯৯৫ সালে জন্ম নেন ডুয়া লিপা। গান দিয়ে অল্প বয়সেই পেয়েছেন তারকা খ্যাতি, শুধু তাই নয়, গড়েছেন সম্পদের পাহাড়ও। শুক্রবার ছিল এই পপ তারকার ৩০তম জন্মদিন। এই মুহূর্তে গান নিয়ে ইউরোপ, এশিয়া ও আমেরিকা ঘুরছেন তিনি, তার এই ট্যুরটির নাম ‘র্যাডিক্যাল অপটিমিজম ট্যুর’। এক অচেনা কিশোরী থেকে আন্তর্জাতিক তারকা হয়ে ওঠা—ডুয়া লিপা তার আন্তরিকতা ও নিঃসংকোচভাবে জীবন ও শিল্প ভাগ করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্বের কোটি ভক্তের হৃদয় জয় করেছেন। ১৫ বছর বয়সে সিলভিয়া ইয়ং থিয়েটার স্কুলে সংগীত এবং অভিনয়ের প্রশিক্ষণ শুরু করেন ডুয়া লিপা। সেসময় তিনি একজন ওয়েট্রেস এবং মডেল হিসেবে কাজ করার সাথে সাথে ইউটিউব এবং সাউন্ডক্লাউডে মৌলিক গান এবং কভার পোস্ট করেন, যতক্ষণ না ২০১৩ সালে তিনি একজন এজেন্টের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন এবং তার পরেই ওয়ার্নার ব্রাদার্সের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে তার সংগীত ক্যারিয়ার শুরু করেন। ২০১৫ সালে, তিনি তার প্রথম একক গান প্রকাশ করেন, যার মধ্যে রয়েছে নিউ লাভ এবং বি দ্য ওয়ান, এবং ২০১৭ সালে, তিনি তার প্রথম অ্যালবাম প্রকাশ করেন, যেখানে পপ, নৃত্য এবং আরএন্ডবি মিশ্রিত হয়। নিউ রুলস এবং আইডিজিএএফের মতো হিট গানগুলো তাকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং পুরষ্কার এনে দেয়, যার মধ্যে সেরা নতুন শিল্পীর জন্য গ্র্যামিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২০২০ সালে, ডুয়া ফিউচার নস্টালজিয়া প্রকাশ করেন, যার মধ্যে ডোন্ট স্টার্ট নাউ এবং লেভিটেটিং এর মতো হিট গান অন্তর্ভুক্ত ছিল, সেরা পপ ভোকাল অ্যালবামের জন্য গ্র্যামি এবং বছরের সেরা ব্রিটিশ অ্যালবামের জন্য একটি BRIT পুরস্কার জিতেছিলেন। গান দিয়ে শুধু খ্যাতিই পাননি ডুয়া লিপা, কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থও উপার্জন করেছেন। এ বছর ‘ফোরটি আন্ডার ফোরটি রিচ লিস্ট’ প্রকাশ করছে দ্য সানডে টাইমস। তালিকায় ৩৪তম অবস্থানে রয়েছেন ব্রিটিশ–আলবেনিয়ান এ গায়িকা। তার মোট সম্পদের পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ হাজার ৪২০ কোটি টাকা! ডুয়া লিপা দেখিয়ে দিয়েছেন যে, ধারাবাহিকতা এবং প্যাশন একটি সফল ক্যারিয়ার গড়ার চাবিকাঠি। গত এক দশকে এই গায়িকা নানা বাধা এবং সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন, তবে তিনি এমন গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকও অর্জন করেছেন যা তাকে সমসাময়িক পপ জগতের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তার জীবনের গল্প একটি উদাহরণ যে, কিভাবে নিষ্ঠা সুযোগগুলোকে স্থায়ী সাফল্যে রূপান্তরিত করতে পারে। তার সর্বশেষ অ্যালবাম ছিল ‘র্যাডিক্যাল অপটিমিজম’, সেই একই শিরোনামে ওয়ার্ল্ড ট্যুরে বেড়িয়েছেন তিনি। গানের মানুষ ডুয়া লিপাকে অভিনয়েও দেখা যায়। ‘বার্বি’ দিয়ে ২০২৩ সালে অভিনয়ে অভিষেক ঘটেছে তার। এ ছাড়া ‘আরগাইল’ সিনেমায়ও তাকে দেখা গেছে।
হঠাৎ অসুস্থ দেবের রুক্মিণী

হঠাৎ অসুস্থ দেবের রুক্মিণী কিছুদিন আগেই দাদুর মৃত্যুর খবর শুনে মুম্বাই থেকে কলকাতায় ফিরে এসেছিলেন রুক্মিণী মৈত্র। এই সময়টাতে পরিবারের সঙ্গে থাকার জন্যই তার আসা। এরমধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন অভিনেত্রী। কী হয়েছে তার? সোশ্যালে অভিনেত্রী একটি ছবি পোস্ট করেছেন যেখানে দেখা যাচ্ছে তিনি বাড়ির পোশাকে ছবি তুলেছেন, চোখ মুখ একেবারে বিধ্বস্ত। ছবি দেখেই বোঝা যাচ্ছে তিনি ভীষণভাবে অসুস্থ। ছবির ক্যাপশনেও তিনি সেটাই উল্লেখ করেছেন। রুক্মিণী লিখেছেন, ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত তিনি। ক্রমাগত ১০২ ডিগ্রি জ্বরে বেহাল অবস্থা তার। যদিও এখন প্রকৃতির খামখেয়ালি আবহাওয়ার জেরে প্রায় সবারই একই অবস্থা। মনে করা হচ্ছে, হঠাৎ করে মুম্বাই থেকে কলকাতায় আসার ফলে ও আবহাওয়া বদলের কারণে এই শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে তাকে। যদিও কয়েকমাস আগেই অসুস্থতার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল রুক্মিণীকে। ফের আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লেন তিনি। যদিও এই ভাইরাল জ্বর খুব বেশিদিন স্থায়ী থাকে না, তাই মনে করা হচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবেন অভিনেত্রী। এদিকে বিগত বেশ কয়েক মাস ধরে যতবার দেব-শুভশ্রীর নাম উচ্চারিত হয়েছে ততবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে রুক্মিণী মৈত্রেরও নাম। ‘ধূমকেতু’ ছবি নিয়ে তিনি কতটা আনন্দিত, দেব-শুভশ্রীকে এক মঞ্চে দেখে দেখে তিনি খুশি কিনা, এইসব প্রশ্ন বারবার ধেয়ে এসেছে অভিনেত্রীর দিকে। এমনকি রুক্মিণীকে নিয়ে বহু মিম তৈরি হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যদিও কিছুদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এইসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি। ‘ধূমকেতু’ ছবির প্রথম দিন থেকে তিনি ছবিটির সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন, তাই এই সিনেমা নিয়ে দেবের পাশাপাশি তিনিও একই ভাবে উৎসাহিত ছিলেন। অন্যদিকে দেব এবং শুভশ্রীকে নিয়ে বিন্দুমাত্র সমস্যা নেই তার। তিনি যে তার ভালোবাসার মানুষকে ভীষণভাবে বিশ্বাস করেন একথাও জানাতে ভোলেননি অভিনেত্রী। প্রসঙ্গত, রুক্মিণী মৈত্রকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘বিনোদিনী একটি নটীর উপাখ্যান’ ছবিতে। আপাতত তিনি নতুন ছবির চিত্রনাট্য শুনছেন বলে খবর।
বিজেপি ও মোদির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা থালাপতি বিজয়ের

বিজেপি ও মোদির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা থালাপতি বিজয়ের তামিল সিনেমার জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী অভিনেতা থালাপতি বিজয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপিকে ‘ফ্যাসিবাদী বিজেপি’ আখ্যা দিয়ে এই আদর্শগত শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দেওয়া এক বার্তায় এমন মন্তব্য করেন তিনি। বৃহস্পতিবার মাদুরাইয়ের পারাপাথিতে নিজ দলের দ্বিতীয় রাজ্য সম্মেলনে বক্তব্য দেন এই অভিনেতা ও রাজনীতিক। এ সময় তিনি বিজেপির ওপর রাগও ঝাড়েন। তামিল রাজনীতিতে রুপালি পর্দার সুপারস্টারদের আধিপত্য নতুন কোন ঘটনা নয়। এনটি রামা রাও থেকে শুরু করে জয়ললিতা, কমল হাসান থেকে হালের থালাপতি বিজয়, প্রায় সকলেই নিজস্ব স্টাইলে জয় করেছেন ভোটারদের মন। এবার সেই লক্ষ্যে আরেকটু এগোলেন সুপারস্টার থালাপতি বিজয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) মাদুরাইয়ের পারাপাথিতে তার দল তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম – টিভিকে’র দ্বিতীয় রাজ্য সম্মেলনে হাজার হাজার সমর্থক জড়ো হয়। সেখানেই বিজয় ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে ‘একলা চলো’ নীতি গ্রহণের কথা ঘোষণা করেন। শুধু নিজে লড়ার ঘোষণাই নয় পাশাপাশি রাজ্য নির্বাচনে কোন জোটের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। সমাবেশে বিজয় বিজেপিকে ‘আদর্শগত শত্রু’ এবং ক্ষমতাসীন ডিএমকে-কে ‘একমাত্র রাজনৈতিক শত্রু’ হিসেবে উল্লেখ করেন। অভিনেতা বিজয়ের ভাষ্যে, ‘আমাদের একমাত্র আদর্শগত শত্রু বিজেপি। আর আমাদের রাজনৈতিক শত্রু হলো ডিএমকে – দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম। তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম – টিভিকে এমন কোনো দল নয়, যারা কাউকে ভয় পায় বা কোনো আন্ডারগ্রাউন্ড মাফিয়া ব্যবসা চালায়। পুরো তামিলনাড়ুর শক্তি আমাদের সঙ্গে আছে। চলুন, আমরা ফ্যাসিবাদী বিজেপি ও বিষাক্ত ডিএমকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করি।’ তিনি আরও বলেন, ‘সিংহ সব সময়ই সিংহ। একবার গর্জন করলে সেই শব্দ আট কিলোমিটার পর্যন্ত কম্পন সৃষ্টি করে। এমন সিংহ শিকার করতে বের হয়। জঙ্গলে অনেক শিয়াল থাকে, কিন্তু সিংহ থাকে মাত্র একটি। সিংহই জঙ্গলের রাজা। সিংহ জানে কী করে টিকে থাকতে হয়।’ মোদির সমালোচনা করে বিজয় বলেন, ‘আপনারা হয়তো ভাবছেন ২০২৯ সাল পর্যন্ত আপনাদের যাত্রা মসৃণ হবে। কিন্তু আমি স্পষ্ট করে বলছি, পদ্মপাতায় যেমন জল আটকে থাকে না, তেমনি তামিলরাও বিজেপির সঙ্গে থাকবে না।’ দেশটির রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিজের দলকে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে তৃতীয় ফ্রন্ট হিসেবে তুলে আনার চেষ্টা করছেন থালাপতি বিজয়। রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম – ডিএমকে এবং বিরোধী এআইএডিএমকে দুই দলেরই বিকল্প হিসেবে নিজের দলকে ভোটারদের সামনে আনার চেষ্টায় রয়েছেন বিজয়। দক্ষিণী সিনেমার এই সুপারস্টার গত বছর তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম – টিভিকে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। এবারই তিনি প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নেবেন। ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা তামিলনাড়ুতে বিধানসভা নির্বাচন।