লড়াই শেষে শ্রাবন্তীর বিচ্ছেদে সিলমোহর দিলেন আদালত

লড়াই শেষে শ্রাবন্তীর বিচ্ছেদে সিলমোহর দিলেন আদালত গেল কয়েক বছর ধরেই আলাদা থাকছেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ‌্যাটার্জি ও তার স্বামী রোশান সিং। স্ত্রীর সঙ্গে পুনরায় সংসার করার জন‌্য মামলাও দায়ের করেন রোশান। কিন্তু তাতে সায় না দিয়ে বিয়েবিচ্ছেদ চেয়ে আদালতে মামলা করেন শ্রাবন্তী। শুধু তাই নয়, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে খোরপোশ বাবদ অর্থও দাবি করেন এই অভিনেত্রী। এরপর এই মামলায় স্থগিতাদেশ দেন আদালত। সব জটিলতার অবসান ঘটিয়ে আইনি বিয়েবিচ্ছেদে সিলমোহর দিলেন আদালত। বিবাহবিচ্ছেদের তথ্য নিশ্চিত করে রোশান সিং বলেন, সবকিছুই খুব শান্তিপূর্ণভাবে মিটেছে। ৮ এপ্রিল থেকে আমরা প্রেম-বিয়ের আগে যেমন অপরিচিত ছিলাম, সে রকমই আরও একবার পরস্পরের অপরিচিত হয়ে গেছি। সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে শ্রাবন্তী-রোশান দম্পতির আইনি বিচ্ছেদ নিয়ে টানাপড়েন চলছিল। গত বছরের সেপ্টেম্বরে তারা পাকাপাকিভাবে বিচ্ছেদের পথে আরও একধাপ এগিয়ে যান। কেবল বাকি ছিল উভয়ের স্বাক্ষর। গেল ৮ এপ্রিল এ মামলার শুনানির তারিখ ধার্য করেন আদালত। ততদিন উভয় পক্ষ বিষয়টি গোপন রাখেন। আইনিভাবে বিচ্ছেদের পরই রোশান তার সামাজিকমাধ্যমের ছবি বদলে তার বাগদত্তা অনামিকা মিত্রের সঙ্গে তোলা ছবি দেন। ফের বিয়ের বিষয়ে রোশান বলেন, সবে একটি বন্ধন থেকে মুক্তি পেলাম। আপাতত নিজেকে গুছিয়ে নেব। অনামিকার সঙ্গে চলতি বছরেই হয়তো নতুন জীবন শুরু করব। ২০০৩ সালে পরিচালক রাজীবের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শ্রাবন্তী। এই দম্পতির সন্তান অভিমন্যু। রাজীবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর প্রেমিক কৃষাণ ভিরাজকে বিয়ে করেন এই অভিনেত্রী। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে শ্রাবন্তী ও কৃষাণের বিয়ে হয়। কিন্তু বছর পেরুতেই বিবাহবিচ্ছেদের কথা জানান শ্রাবন্তী। এরপর ২০১৯ সালে রোশানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।

মেয়ের বয়স ১৮ হলে সম্পর্কে জড়াব: পবন কল্যাণের প্রাক্তন স্ত্রী

মেয়ের বয়স ১৮ হলে সম্পর্কে জড়াব: পবন কল্যাণের প্রাক্তন স্ত্রী ভারতের দক্ষিণী সিনেমার অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ পবন কল্যাণের সঙ্গে সংসার পেতেছিলেন অভিনেত্রী রেনু দেশাই। এটি ছিল পবনের দ্বিতীয় বিয়ে। এ সংসারে তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। তবে ২০১২ সালে চার বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানেন তারা। ২০১৩ সালে তৃতীয়বারের মতো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পবন। পবন কল্যাণ আবারো বিয়ে করলেও এখনো একা রেনু দেশাই। ৪৩ বছর বয়সি রেনু গত ১৩ বছর ধরে একা জীবনযাপন করছেন। আর কত দিন একা জীবন কাটাবেন রেনু? এ নিয়ে অতীতেও কথা বলেছেন। ফের একটি পডকাস্টে বিষয়টি নিয়ে কথা বললেন এই অভিনেত্রী। নিখিল বিজয়েন্দ্র সিংহের সঙ্গে বিয়ে নিয়ে আলাপকালে রেনু দেশাই বলেন, “অবশ্যই আমি অনুভব করি, আমারও একজন পার্টনার থাকা উচিত। কিন্তু সন্তানদের প্রতি আমার দায়িত্ববোধই আমাকে বিয়ে করতে বাধা দেয়। আমি যদি ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি দেখি, তবে আমার একজন প্রেমিক থাকা উচিত, আমার বিয়ে করা উচিত, আমার একটি জীবন থাকা উচিত। যখন বাচ্চাদের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখি, তখন এটি একেবারে আলাদা।” ২০১৯ সালে রেনু দেশাই জানিয়েছিলেন, নতুন করে সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, ২০১৮ সালে তাদের বাগদানও হয়েছে। খুব শিগগির বিয়ে করবেন। কার সঙ্গে বাগদান সম্পন্ন করেন তা অবশ্য জানাননি। কিন্তু পরবর্তীতে তা আর বাস্তবে রূপ নেয়নি। মূলত, বাগদান ভেঙে দিয়েছিলেন রেনু। বাগদান ভাঙার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “আমি বাগদান সেরেছিলাম, এটি একটি সাজানো জিনিসের মতো ছিল। কিন্তু আমি উপলদ্ধি করতে পারি, আমি একটি সম্পর্ক বা বাচ্চাদের প্রতি ন্যায়বিচার করতে পারব না। আমি একজন সিঙ্গেল প্যারেন্ট। আপনি যখন কাউকে বিয়ে করেন এবং এ সম্পর্কে সন্তান ধারণ করেন তখন এটি আলাদা বিষয়। কিন্তু আপনার যখন অন্য সংসারের সন্তান থাকে, তারপর নতুন সংসারের সমীকরণে এটি সংবেদনশীল বিষয়।” রেনুর কন্যা আধ্যর বয়স এখন ১৫ বছর। কন্যা অষ্টাদশী হলে তবেই নতুন সম্পর্কে জড়াতে চান রেনু। এ অভিনেত্রী বলেন, “মেয়ের বয়স যখন ১৮ হবে, মেয়ে কলেজে যাওয়া শুরু করলে দ্বিতীয়বার সম্পর্কে জড়াব।” মডেলিংয়ের মাধ্যমে শোবিজ অঙ্গনে পা রাখেন রেনু দেশাই। ২০০০ সালে তেলেগু ভাষার ‘বদ্রি’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে তার। এতে পবন কল্যাণও অভিনয় করেন। একই বছর তামিল ভাষার ‘জেমস পানড়ু’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ইশক ওয়ালা লাভ’ সিনেমাটি পরিচালনা ও প্রযোজনা করেন রেনু দেশাই। তার অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘টাইগার নাগেশ্বর রাও’। তেলেগু ভাষার এ সিনেমা ২০২৩ সালের অক্টোবরে মুক্তি পায়।

তামান্নার নতুন আইটেম গানের শুটিংয়ের ভিডিও ফাঁস

তামান্নার নতুন আইটেম গানের শুটিংয়ের ভিডিও ফাঁস শুটিং সেটে একদল নৃত্যশিল্পীর সঙ্গে নাচের জন্য প্রস্তুত তামান্না ভাটিয়া। দলটির সবার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। তামান্নার পরনে ঝলমলে ব্রালেট ও হাই স্লিট লেহেঙ্গা। এ পোশাকে আবেদনময়ী তামান্না উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এমন দৃশ্য দেখা যায়। ‘ভাইরাল ভায়ানি’ নামের এই ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দাবি করা হয়েছে— “রেইড টু’ সিনেমার আইটেম গানের দৃশ্য ভাইরাল। গানটির শুটিং সেট থেকে ভিডিও ক্লিপটি ফাঁস হয়েছে।” দক্ষিণী সিনেমার নায়িকাদের মধ্যে তামান্না খুব ভালো একজন নৃত্যশিল্পী। অনেক সিনেমার আইটেম গানে কোমর দুলিয়ে প্রশংসাও কুড়িয়েছেন। গত বছর ‘আজ কি রাত’ গানে নেচে হইচই ফেলে দেন। কয়েক দিন আগে জানা যায়, ‘রেইড টু’ সিনেমার আইটেম গানে দেখা যাবে তাকে। তারপর থেকে আলোচনায় রয়েছেন তামান্না। এরই মধ্যে ভিডিও ক্লিপটি ভাইরাল হওয়ায় পুরোনো আলোচনার পালে নতুন করে হাওয়া লেগেছে। তামান্নাকে এমন লুকে দেখে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। অনেকে তার ভূয়সী প্রশংসা করছেন। অনেকে আবার নতুন আইটেম গানটিকে ‘আজ কি রাত ২.০’ বলছেন। আবার কেউ কেউ লুকটিতে ‘আজ কি রাত’ গানের লুকের সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়েছেন। এর আগে ইন্ডিয়া টুডে জানায়, অজয় দেবগনকে নিয়ে পরিচালক রাজ কুমার গুপ্তা নির্মাণ করছেন ‘রেইড টু’। এ সিনেমার আইটেম গানে দেখা যাবে তামান্নাকে। এরই মধ্যে মুম্বাইয়ে গানটির শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। হাই ভোল্টেজের আইটেম গানটি সিনেমার গল্পের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রাখা হবে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, “তামান্না ভাটিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ‘রেইড টু’ সিনেমার হাই এনার্জি আইটেম গানের শুটিং শুরু করেছেন। শুটিং সেটে গানটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। ‘কাভালা’, এবং ‘আজ কি রাত’-এর মতো আকাশচুম্বী সফল আইটেম গানের পর নতুন গানে পারফর্ম করায় তার প্রতি দর্শকদের প্রত্যাশাও ব্যাপক। ঝলমলে আলো, বোল্ড কালার প্যালেট, স্ট্রোব ইফেক্টসহ অসাধারণ সেট ডিজাইন করেছে শুটিং টিম; যা তামান্না ভাটিয়ার দৃশ্যমান আবেদন আরো বৃদ্ধি করবে।” আইটেম গানে তামান্নার পোশাক নিয়ে সূত্রটি বলেন, “ট্র্যাকটি গ্ল্যামারাস, যেখানে সিকুইন পোশাক পরে তামান্না তার সিগনেচার নাচ পরিবেশন করবেন। এটা নিশ্চিত করা হয়েছে যে, এ গানে ইয়ো ইয়ো হানি সিংয়ের সঙ্গে পারফর্ম করবেন না তামান্না। তবে এ গানের গায়িকাকে গোপন রেখেছেন নির্মাতারা।” ‘রেইড টু’ সিনেমায় অজয়ের বিপরীতে অভিনয় করছেন বাণী কাপুর। প্রথম পার্টে তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন ইলিয়ানা ডিক্রুজ। ‘রেইড’ সিনেমায় আরো অভিনয় করছেন— রীতেশ দেশমুখ, রজত কাপুর, সুপ্রিয়া পাঠক প্রমুখ। তা ছাড়াও সিনেমাটির বিশেষ চরিত্রে জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ ও হানি সিংয়ের অভিনয়ের কথা রয়েছে। আগামী ১ মে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনা করেছেন নির্মাতারা।

মেট গালায় হাঁটবেন অন্তঃসত্ত্বা কিয়ারা!

মেট গালায় হাঁটবেন অন্তঃসত্ত্বা কিয়ারা! জনপ্রিয় ফ্যাশন শো মেট গালা’তে অভিষেক হতে যাচ্ছে বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানির। গত বছর কান রেড সি ফিল্ম ফাউন্ডেশনে অংশ নিয়েছিলেন কিয়ারা। তখন অভিনেত্রীর পরনে ছিল কালো ও গোলাপি গাউন। বরাবরই স্টাইল স্টেটমেন্ট সেট করেছেন কিয়ারা আদভানি। তার লুকস ও সৌন্দর্য চর্চায় থাকে সব সময়। তার অনুরাগী সংখ্যাও কম নয়। এবার কিয়ারার মেট গালায় অংশগ্রহণের খবর শুনে তাকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন অনুরাগীরা। ২০২০ সাল থেকে সহ-অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে প্রেম শুরু করেন কিয়ারা। ২০২৩ সালে রাজকীয় আয়োজনে বিয়ে করেন তারা। এর আগে প্রেম নিয়ে কারো কাছেই মুখ খোলেননি কিয়ারা। রাজস্থানে তাদের রাজকীয় বিয়ের ভিডিও এখনও স্মরণ করেন অনেকে। প্রায়ই তা সামাজিকমাধ্যমে ভেসে বেড়ায়। গেল ফেব্রুয়ারিতে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনেন কিয়ারা। এবার প্রেগন্যান্ট অবস্থাতেই মেট গালায় অংশ নেবেন অভিনেত্রী। তার পোশাকের দিকে থাকবে সকলের নজর। মেট গালার লাল গালিচায় হেঁটেছেন বলিউডের বহু নায়িকাই, এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে চলেছে কিয়ারার নামও।

‘বড় ছেলে’র রেকর্ড ভাঙল যে নাটক

‘বড় ছেলে’র রেকর্ড ভাঙল যে নাটক বাংলা ইউটিউব নাটকের ভিউয়ের নতুন ইতিহাস গড়েছে নিলয় আলমগীর অভিনীত ‘শ্বশুর বাড়িতে ঈদ’। মাত্র ১১ মাসে ভেঙে দিয়েছে জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও মেহজাবীন চৌধুরী অভিনীত আলোচিত নাটক ‘বড় ছেলে’র দীর্ঘদিনের রেকর্ড। মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত ‘বড় ছেলে’ মুক্তি পেয়েছিল ২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। আট বছর ধরে ইউটিউবে এটি ছিল সর্বাধিক ভিউয়ের নাটক, যার মোট ভিউ ছিল ৫ কোটি ৪১ লাখ ৮৮ হাজার। অন্যদিকে, মহিন খান পরিচালিত ‘শ্বশুর বাড়িতে ঈদ’ মুক্তি পায় ২০২৪ সালের ৯ এপ্রিল। ১১ মাসে নাটকটি পেয়েছে ৫ কোটি ৪৪ লাখ ৬৭ হাজার ভিউ, যা ভেঙে দিয়েছে বড় ছেলে’র রেকর্ড। ‘বড় ছেলে’ নাটকে মধ্যবিত্ত পরিবারের বড় ছেলে রাশেদের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অপূর্ব। তার বাবা একজন স্কুল শিক্ষক। এক সময় বাবার অবসর নেবার সময়ও আসে চলে। এরপর পরিবারের আয়ের উৎস হিসেবে হাল ধরতে হয় বড় ছেলেকেই। বড়লোকের মেয়ে রিয়ার চরিত্রে অভিনয় করেছেন মেহজাবীন। একপর্যায়ে সে তার বাবা-মার কাছে বিয়ে না করা নিয়ে কোন অজুহাতই দেখাতে পারে না। এদিকে রাশেদ অনেক চেষ্টা করেও চাকরি পায় না। বাস্তবতার কাছে পরাজিত হয়ে বাধ্য হয়ে ওরা একটি সিদ্ধান্তে আসে। অন্যদিকে, শ্বশুরবাড়িতে ঈদকেন্দ্রিক নানা ঘটনাকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে ‘শ্বশুরবাড়িতে ঈদ’ নাটকের গল্প। বিয়ের পর দূরে থাকলেও শ্বশুরবাড়িতে ঈদ করতে এসে ভিন্ন এক পরিস্থিতির মুখে পড়ে জামাই। দেখা যায়, শ্বশুর কিপটে। যে ঈদে ফিতরা-জাকাত ইত্যাদি দিতে চায় না। সেগুলো নিয়ে সোচ্চার হয় জামাই। নাটকে বার্তা দেওয়া হলেও সেটা কমেডির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। এজন্যই নাটকটি দর্শক পছন্দ করেছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নাটকটিতে অভিনেতা নিলয় আলমগীরের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান, জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি ও সাবেরি আলম।

সিয়াম আহমেদ অভিনীত ‘জংলি’র শো দ্বিগুণ!

সিয়াম আহমেদ অভিনীত ‘জংলি’র শো দ্বিগুণ! সিয়াম আহমেদ অভিনীত ‘জংলি’ সিনেমা ঈদুল ফিতরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির পর থেকে দর্শক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শো কম থাকায় অনেকে টিকিট না পেয়ে ফিরে গিয়েছেন বলে দাবি করছেন সিনেমাটির প্রযোজক অভি। এবার দর্শক চাহিদার কারণে সিনেপ্লেক্সের বিভিন্ন শাখায় ‘জংলি’র শো বেড়েছে। প্রথম দিন থেকেই সিনেমাটির সবগুলো শো হাউজফুল যাচ্ছিল। তবু ‘বরবাদ’ ও ‘দাগি’র কারণে ‘জংলি’র শো-এর পরিমাণ কম ছিল। যে কারণে দর্শকরাও টিকিট না পেয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন। এমন অবস্থায় বিষয়টি বেশ আলোচনার সৃষ্টি করলে স্টার সিনেপ্লেক্সে ‘জংলি’র শো বাড়ানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনেমাটির প্রযোজনা সংস্থা টাইগার মিডিয়ার কর্ণধার জাহিদ হাসান অভি। অভি বলেন, “আমাদের ‘জংলি’ গল্পের সিনেমা। এই এক সপ্তাহে সেটা দর্শকদের মুখ থেকেই প্রমাণিত হয়েছে। দর্শক পরিবার নিয়ে হলে এসে ‘জংলি’ দেখছেন। একজন দর্শকও ‘জংলি’র কোনো খারাপ রিভিউ দেয়নি। এটাই আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি। এমন একটি গল্পের সিনেমার শো কমিয়ে রাখা হয়েছিল এতদিন; সিনেপ্লেক্সের সবগুলো শাখায় আমাদের মাত্র সাতটি শো দিয়েছিল। অথচ সবগুলো শোয়ের টিকিট অগ্রিম আগেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছিল। তারপরও শো বাড়ানো হচ্ছিল না। অথচ ঈদের সিনেমার সর্বাধিক ভাইভ ছিল ‘জংলি’র। দর্শকদের ভালোলাগা আর চাহিদার কারণে এক সপ্তাহের মাথায় কেবল স্টার সিনেপ্লেক্সেই জংলির শো দ্বিগুণ করা হয়েছে।” স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষে থেকে জানা যায়, ঈদের দিন জংলির কেবল সাতটি শো ছিল। দ্বিতীয় দিনে তা বেড়ে হয় ৯টি। চতুর্থ দিনে সেটা কমিয়ে শো দেওয়া হয় মাত্র ৬টি। অষ্টম দিনে শো হয় ৮টি। নবম দিনে এসে সিনেমাটির শো দেওয়া হয়েছে ১৪টি; যা মুক্তির দিনের সংখ্যার দ্বিগুণ। ‘জংলি’ সিনেমার মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছন সিয়াম আহমেদ, বুবলী ও দীঘি। শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছেন নৈঋতা। মুক্তির পরের দিন থেকেই সিনেমাটির গল্প ও আর্টিস্টদের অভিনয় দারুণভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। ‘জংলি’ সিনেমার চারটি গানের সংগীত পরিচালনা করেছেন প্রিন্স মাহমুদ। সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, শহীদুজ্জামান সেলিম, রাশেদ মামুন অপু, সোহেল খান, এরফান মৃধা শিবলু প্রমুখ। টাইগার মিডিয়া প্রযোজিত ‘জংলি’ সিনেমার গল্প লিখেছেন আজাদ খান, চিত্রনাট্য করেছেন যৌথভাবে মেহেদী হাসান মুন ও কলকাতার সুকৃতি সাহা।

বিয়ে করলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জামিল-অভিনেত্রী মুনমুন

বিয়ে করলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জামিল-অভিনেত্রী মুনমুন বিয়ে করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জামিল হোসেন। নববধূও অভিনয় জগতের। অভিনেত্রী মুনমুন আহমেদ মুনের সঙ্গে মালা বদল করলেন জামিল। রোববার (৬ এপ্রিল) রাতে দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে হয় তাদের। বিয়ের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা জামিল হোসেন নিজেই। ফেসবুকে স্ত্রী মুনের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করেছেন জামিল। তাতে দেখা গেছে, মাথায় পাগড়ি, পায়ে নাগরা জুতো ও গায়ে শেরওয়ানিতে বরবেশে অভিনেতা জামিল। অন্যদিকে বিয়ের গর্জিয়াস লাল শাড়ি পরে হাতে চুড়ি, গলায় হার ও মাথায় টিকলিতে বধূ সাজে মুনমুন। দুজনেই একে অপরের হাত ধরে দাঁড়িয়ে হাস্যোজ্জ্বল। ছবির ক্যাপশনে জামিল লিখেছেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’। মন্তব্যের ঘরে ভক্তদের পাশাপাশি তাদের নতুন জীবনের শুভকামনা জানিয়েছেন অভিনেতা রওনক হাসান, অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি, সালহা খানম নাদিয়াসহ আরও অনেকে। ছোট পর্দার অভিনেত্রী মুনমুন নাটকের বেশ চেনা মুখ। জামিলের সঙ্গে জুটি বেঁধে বেশকিছু নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। শুটিং সেট থেকেই দুজনের পরিচয় ও পরে প্রণয়। অবশেষে সেই প্রণয়কে পরিণতি দিলেন এ যুগল।

মাকে হারালেন জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ

মাকে হারালেন জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের মা কিম ফার্নান্দেজ মারা গেছেন। আজ সকালে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। টাইমস নাউ এ খবর প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ মার্চ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন জ্যাকলিনের মা কিম। লীলাবতী হাসপাতালের আইসিইউ-তে (ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট) রাখা হয় তাকে। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত সমস্যায় মারা যান তিনি। সকাল থেকে হাসপাতালে রয়েছেন জ্যাকলিন, তার বাবা এলরয় ফার্নান্দেজ ও পরিবারের সদস্যরা। কয়েক দিন আগে কিম ফার্নান্দেজের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন জ্যাকলিন। আজ মায়ের মৃত্যুর খবর জানিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেননি ‘কিক’খ্যাত এই তারকা। ২০২২ সালের শুরুতে জ্যাকলিনের মা কিম ফার্নান্দেজ অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্ট্রোক হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল তাকে। কিছু দিন আগে ইন্ডিয়া টিভি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জ্যাকলিন বলেন, “আমি সবসময়ই মায়ের কাছ থেকে সাপোর্ট পেয়েছি। প্রতিটি কঠিন সময়ে মা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি।” সুকেশ চন্দ্রশেখরের ২০০ কোটি রুপি মানি লন্ডারিং মামলার চার্জশিটে জ্যাকলিনের নাম ওঠার পর তার সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়। ফলে, অনেক কাজও হারিয়েছেন। গত বছর হলিউডের একটি সিনেমায় দেখা গেলেও বলিউডের কোনো সিনেমায় অভিনয় করেননি। জ্যাকলিন অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত নতুন সিনেমা ‘ফাতেহ’। ৫০ কোটি রুপি বাজেটের এ সিনেমা পরিচালনা করছেন অভিনেতা সোনু সুদ। নির্মাণের পাশাপাশি জ্যাকলিনের বিপরীতে অভিনয়ও করেছেন তিনি। গত ১০ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় এটি। বর্তমানে জ্যাকলিনের হাতে একাধিক সিনেমার কাজ রয়েছে। এগুলো হলো— ‘ওয়েলকাল টু দ্য জঙ্গল’, ‘হাউজফুল ফাইভ’।

‘বরবাদ’ সিনেমা নিয়ে ভারতীয় সিনেমাটোগ্রাফারের চাঞ্চল্যকর তথ্য

‘বরবাদ’ সিনেমা নিয়ে ভারতীয় সিনেমাটোগ্রাফারের চাঞ্চল্যকর তথ্য শাকিব খান অভিনীত ‘বরবাদ’ সিনেমা সগৌরবে প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে। সিনেমাটির নির্মাণশৈলীর প্রশংসা কুড়াচ্ছেন পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয়। এরই মাঝে নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভারতীয় সিনেমাটোগ্রাফার শৈলেশ আওয়াস্থি। শনিবার (৫ এপ্রিল) মেহেদী হাসান হৃদয়ের দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য কেরেন শৈলেশ আওয়াস্থি। তার দাবি, ‘বরবাদ’ সিনেমার প্রকৃত সিনেমাটোগ্রাফার তিনি। সিনেমাটির সৃজনশীল ও ভিজ্যুয়াল নির্মাণে তারই প্রধান ভূমিকা। অথচ চূড়ান্ত ক্রেডিট থেকে তাকে বাদ দিয়ে সিনেমাটোগ্রাফির স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে রাজু রাজকে। পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয়কে উদ্দেশ্য করে শৈলেশ আওয়াস্থি লেখেন, “যখন তোমার কঠোর পরিশ্রমকে উপেক্ষা করা হয় এবং অন্যরা তোমার কাজের কৃতিত্ব নেয়, তখন সেটা হতাশাজনক। ‘বরবাদ’-এর সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে আমার শতভাগ দিয়েছি। তা ছাড়া আমি সৃজনশীল বিভিন্ন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সিনেমাটিকে বানাতে সাহায্য করেছি। অথচ সেগুলো আমার দায়িত্ব ছিল না। কিন্তু আমাকে সেই কৃতিত্ব দেওয়া হয়নি, যা দেওয়া হয়েছে অন্যকে।” বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে শৈলেশ লেখেন, “রাজু রাজ, যাকে ডিওপি হিসেবে কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে, তিনি সিনেমার সঙ্গে খুব কমই যুক্ত ছিলেন। সত্যি বলতে, এই শিরোনাম (ডিওপি) দাবি করার আগে প্রথমে সিনেমাটোগ্রাফির মৌলিক বিষয়গুলো বুঝতে হবে। আমি মাঠে ছিলাম, শটগুলো আমি সাজিয়েছিলাম, ভিজ্যুয়াল ডিজাইন আমি করেছিলাম। আমার দায়িত্বের বাইরে গিয়েও কাজ করেছিলাম। এটা অহংকার নয়, এটা ন্যায্যতার প্রশ্ন। আমি কেবল আমার দক্ষতা দিয়ে নয়, সততার সাথে এই সিনেমাটিতে কাজ করেছি। পোস্টার, উইকিপিডিয়া এবং আইএমডিবিতে নাম পরিবর্তন করা যেতে পারে, কিন্তু সত্য সর্বদা তার পথ খুঁজে নেয়।” রবিবার (৬ এপ্রিল) শৈলেশ আওয়াস্তি নিজের ওয়ালে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, “আজিম ভাই এবং শারমিন অভিনন্দন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে ১৬ কোটি বাজেটের একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ নিঃসন্দেহে একটি সাহসী পদক্ষেপ। যখন বেশিরভাগ প্রযোজনা সংস্থা বড় বাজেটের প্রকল্প নিয়ে ঝুঁকি নিতে দ্বিধা করে, তখন রিয়েল এনার্জি প্রোডাকশন তাদের প্রথম প্রযোজনা, ‘বারবাদ’র মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের একটি চলচ্চিত্র উপহার দেওয়ার জন্য এগিয়ে এসেছে। সাহস এবং দূরদৃষ্টির জন্য তারা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। কোনো সন্দেহ নেই যে, ‘বরবাদ’ দেশের সেরা বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে শীর্ষে রয়েছে। যদি এই প্রযোজনা সংস্থা তার গতি বজায় রাখতে পারে এবং এই ধরণের মানের চলচ্চিত্র উপহার দিতে পারে, তাহলে আমরা হয়তো ঢালিউড শিল্পে একটি নতুন যুগের সূচনা দেখতে পাচ্ছি, যা আমাদের চলচ্চিত্রকে আরো উচ্চতায় নিয়ে যাবে।” ‘বরবাদ’ সিনেমার প্রযোজক শারমিন আখতার সুমির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শৈলেশ লেখেন, “বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একজন নির্ভীক নারী এবং পথিকৃৎ প্রযোজক শারমিন আখতার সুমির প্রতি শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা। অসংখ্য চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও তিনি সাহস করে দর্শকদের সামনে ‘বরবাদ’র মতো একটি বড় বাজেটের প্রকল্প উপস্থাপন করেছেন। আমি নিশ্চিত যাত্রাটি সহজ ছিল না। তবে আমি আপনাদের আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি, দয়া করে সিনেমার পথ থেকে সরে আসবেন না। আপনাদের মতো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রযোজকদেরই আমাদের শিল্পকে নতুন করে রূপ দেওয়ার এবং এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। বাংলা সিনেমা দীর্ঘজীবী হোক। সকল সিন্ডিকেটের পতন হোক!” জানা গেছে, আজ দুপুর নাগাদ প্রযোজকের হস্তক্ষেপে বিষয়টির সমাধান হয়েছে। এরপরই সিনেমাটোগ্রাফার এই পোস্ট দেন তার ওয়ালে। যদিও সেখানে শুধুই প্রযোজকের প্রশংসা করা হয়েছে। কিছুই উল্লেখ ছিল না নির্মাতা বা নায়কের। যা থেকে স্পষ্ট, সিনেমাটোগ্রাফার প্রযোজকের মন রক্ষার জন্যই বিষয়টি নিয়ে আর সামনে আগাননি। তবে এসব বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করেও মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি নির্মাতা হৃদয়কে। বাংলাদেশের রিয়েল এনার্জি প্রোডাকশন এবং ভারতের রিধি সিধি এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে আজিম হারুন ও শারমিন আক্তার সুমি ‘বরবাদ’ সিনেমা প্রযোজনা করেছেন। সিনেমাটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাকিব খান, কলকাতার ইধিকা পাল, যীশু সেনগুপ্ত।

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে হিন্দি সিনেমার অভিনেতা কার্তিক আরিয়ানকে সবাই চেনে হাসিখুশি মানুষ হিসেবে। কিন্তু এই অভিনেতা হঠাৎ করে রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে। এনডিটিভি লিখেছে, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, মঞ্চে রকস্টার রূপে আরিয়ান। তাকে দেখা যাচ্ছে গিটার বাজাতে, তখন ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিহ হিসেবে ‘তু মেরি জিন্দেগি হ্যায়’ গানটি বাজছিল। আরিয়ান গানের সাথে ঠোঁট মেলান। সেখানে গিটার হাতে দেখা গেছে অভিনেত্রী শ্রীলীলাকেও। এরপর দেখা গেল গলা থেকে গিটার নামিয়ে মঞ্চে থাকা এক ব্যক্তিকে সেটি দিয়ে আঘাত করলেন আরিয়ান এবং তাকে ধাক্কা দিয়ে নামিয়েও দিলেন। তারপর নিজেও মঞ্চ থেকে একলাফে নিচে নেমে পড়লেন তিনি। এই ভিডিও দেখে মানুষের প্রশ্ন এটা কি কোনো সিনেমার শুটিং দৃশ্য? নাকি সত্যিই কোনো অনুষ্ঠানে গিয়ে এতটা রেগে গিয়েছিলেন আরিয়ান? প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে এনডিটিভি। এই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্যাংটকে চলছে পরিচালক অনুরাগ বসুর সিনেমার শুটিং। ওই সিনেমায় কাজ করছেন আরিয়ান এবং শ্রীলীলা। সিনেমার শুটিংয়ের ভিডিও ছড়িয়েছে ইন্টারনেটে। অনুরাগ বসুর এই সিনেমার ‘রকস্টারের’ চরিত্রে দেখা যাবে আরিয়ানকে। তবে সিনেমার নাম এখনো ঠিক করেনি নির্মাতা টিম। আরিয়ানের সর্বশেষ সিনেমা ‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’, যা মুক্তি পেয়েছিল গেল বছর। ‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’ সিনেমার ভারতের প্রথম প্যারালিম্পিকে স্বর্ণ জয়ী মুরলীকান্ত পেটকর হয়েছিলেন আরিয়ান। চরিত্রটি করতে অভিনেতাকে কেবল ১৮ কেজি ওজনই ঝরাতে হয়নি, শুটিংয়ে এমন একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছিল যে, আরেকটু হলে চোখ হারাতেন এই অভিনেতা।