যেভাবে সময় কাটছে তাহসানের

যেভাবে সময় কাটছে তাহসানের ব্যক্তিগত জীবনের এক কঠিন সময় পার করছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান। মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে আলাদা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করার পর নিজের বর্তমান মানসিক ও শারীরিক অবস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তাহসান জানান, এই সময়টা তিনি অনেকটাই একা একা কাটাচ্ছেন। দেশ ও দেশের বাইরে ভ্রমণ করছেন, আর অবসর সময় কাটছে বই পড়েই। তাহসানের ভাষায়, “ঘুরছি আর বই পড়েই সময় চলে যাচ্ছে। এই সময়ে বই-ই আমার সবচেয়ে বড় সঙ্গী।” নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও গোপন রাখেননি এই শিল্পী। তিনি জানান, মানসিক চাপের পাশাপাশি শারীরিকভাবেও বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ বোধ করছেন। তবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনই প্রকাশ্যে বলতে চান না তিনি। এ কারণে ফোনে কথা বলার বদলে হোয়াটসঅ্যাপে লিখে প্রশ্নের উত্তর দিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন বলেও জানান তাহসান। সবশেষে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন এই শিল্পী। তাহসানের কথায়, “দোয়া করবেন, যেন আমি এই কঠিন সময়টা দ্রুত পার করতে পারি।”তাহসানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তার ভক্তদের মধ্যেও উদ্বেগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে সবাই আশা করছেন, দ্রুতই তিনি এই সময় কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক জীবনে ও সৃষ্টিশীল কাজে ফিরবেন।

সংসার ভেঙে যাচ্ছে তাহসান ও রোজার

সংসার ভেঙে যাচ্ছে তাহসান ও রোজার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান এবং মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সংসার ভাঙতে চলেছে। বিয়ের এক বছরের মধ্যেই এই দম্পতির বিচ্ছেদের খবর সামনে এসেছে। বিষয়টি দৈনিক আমাদের সময় অনলাইন কে নিশ্চিত করেছেন তাহসান খান নিজেই। এ প্রসঙ্গে তাহসান খান বলেন,“খবরটি সত্য। দীর্ঘদিন ধরেই, অর্থাৎ জুলাইয়ের শেষ দিক থেকে আমরা আলাদা আছি। সঠিক সময় এলে বিস্তারিত জানানো হবে। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাইনি। তবে আমাদের বিবাহবার্ষিকী ঘিরে ভুয়া খবর ছড়ানোয় জানাতে হচ্ছে যে আমরা এখন একসঙ্গে নেই। তাহসানের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তাদের দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েনের বিষয়টি প্রকাশ্যে এলো। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া বা ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ের পর রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। হঠাৎ এই বিয়ের খবর সে সময় ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও আগ্রহ তৈরি করেছিল। রোজা আহমেদ একজন অভিজ্ঞ মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে ব্রাইডাল মেকআপের সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিজের একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন তিনি। বিয়ে পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুজনকে নিয়ে নানা আলোচনা হলেও সম্প্রতি তাদের একসঙ্গে খুব একটা দেখা যাচ্ছিল না। এবার তাহসানের বক্তব্যে স্পষ্ট হলো, তারা কয়েক মাস ধরেই আলাদা থাকছেন। সংগীত ও অভিনয় দুই মাধ্যমেই তাহসান খান দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনের এই ভাঙন তার ভক্তদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ বিষয়ে রোজা আহমেদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

নতুন সিনেমা ও ওয়েব ফিল্ম নিয়ে ব্যস্ত ভাবনা

নতুন সিনেমা ও ওয়েব ফিল্ম নিয়ে ব্যস্ত ভাবনা ছোটপর্দা ও বড়পর্দা দুই মাধ্যমেই নিজের অভিনয় দক্ষতা ও সাহসী চরিত্র নির্বাচনের মাধ্যমে আলাদা পরিচিতি গড়ে তুলেছেন অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। বৈচিত্র্যময় চরিত্রে নিয়মিত উপস্থিতির পাশাপাশি বাস্তব জীবনেও স্পষ্টভাষী ও সচেতন এই অভিনেত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভাবনা ও মতামত প্রকাশে বরাবরই সরব। বর্তমানে থ্রিলার ঘরানার একটি নতুন ওয়েব ফিল্মের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভাবনা। সুমন ধরের পরিচালনায় নির্মিত এই ওয়েব ফিল্মটির শুটিং চলছে ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে। এখনো শিরোনাম ঠিক না হওয়া এই প্রকল্পে ভাবনার সঙ্গে অভিনয় করছেন ইরফান সাজ্জাদ, প্রার্থনা ফারদিন দীঘিসহ একঝাঁক পরিচিত অভিনয়শিল্পী। নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, এটি একটি গল্পনির্ভর থ্রিলার, যেখানে চরিত্র নির্মাণ ও আবহের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ওয়েব ফিল্মটি নির্মাণ করা হলেও কোন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে এটি মুক্তি পাবে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। শুটিং শেষ হওয়ার পর নাম ও মুক্তির প্ল্যাটফর্ম জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ওয়েব ফিল্মের পাশাপাশি বড়পর্দার কাজেও ব্যস্ত রয়েছেন ভাবনা। বর্তমানে তিনি অভিনয় করছেন আসিফ ইসলাম পরিচালিত সিনেমা ‘ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’-এ। এই সিনেমায় তাকে দেখা যাবে এক যাত্রাপালার নায়িকার ভূমিকায়, যা তার জন্য ভিন্নধর্মী একটি চরিত্র। চরিত্রের প্রয়োজনে আলাদা শরীরি ভাষা ও মঞ্চসুলভ উপস্থিতি রপ্ত করতে হয়েছে তাকে।এ চরিত্রের জন্য নিজের শারীরিক গড়নেও পরিবর্তন এনেছেন ভাবনা। সিনেমাটির প্রয়োজনে প্রায় ৯ কেজি ওজন বাড়িয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে অভিনেত্রী নিজেও আত্মবিশ্বাসী। তার মতে, চরিত্রের প্রয়োজনে নিজেকে ভাঙা ও গড়া এই চ্যালেঞ্জই একজন অভিনেত্রীর কাজকে অর্থবহ করে তোলে। সব মিলিয়ে ওয়েব ফিল্ম ও সিনেমা দুই মাধ্যমেই নতুন ভাবনায় দর্শকের সামনে হাজির হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন আশনা হাবিব ভাবনা।

নেপালে সঞ্জয় দত্ত – পুরোনো ফর্মে ফেরা আর জীবনের নতুন বিরতি

নেপালে সঞ্জয় দত্ত – পুরোনো ফর্মে ফেরা আর জীবনের নতুন বিরতি   বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আবারও আলোচনায় বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। কখনো অভিনয়, কখনো ব্যক্তিগত জীবন, আবার কখনো অসুস্থতা কিংবা কারাবাস সব মিলিয়ে তার জীবন বরাবরই ঘটনাবহুল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে তার নেপাল সফর। সাতপাঁচ তোয়াক্কা না করেই বন্ধুর সঙ্গে নেপালে পাড়ি জমিয়েছেন এই অভিনেতা। ২০২৫ সালে নেপাল ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলেও সে সময় দেশটির উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে সফর বাতিল করতে হয়েছিল সঞ্জয় দত্তকে। তবে এবার আর কোনো দ্বিধা না রেখে বন্ধুর সঙ্গে নেপালের পথে পা বাড়ান তিনি। সফরে তার সঙ্গী ছিলেন অভিনেতা ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাহুল মিত্র। নেপাল সফরের পেছনে যে আধ্যাত্মিক টান রয়েছে, সে কথা অস্বীকার করছেন না ঘনিষ্ঠজনরাও। কারাবাসে থাকার সময় নিয়মিত শিবপুরাণ পাঠ করতেন সঞ্জয় দত্ত এই তথ্য অনেকেরই জানা। বন্ধু রাহুল মিত্রের ভাষায়, “শিবের সঙ্গে সঞ্জয়ের এক গভীর যোগ রয়েছে। মনে হয়েছে যেন বাবার ডাক এসেছে। তাই আর দেরি করেননি। ব্যক্তিগত জীবনের নানা বিতর্ক ও শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও অভিনয় থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেননি সঞ্জয় দত্ত। সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তি পাওয়া ‘ধুরন্ধর’ সিনেমায় একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে তার অভিনয় দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়েছে। অনেক দিন পর এই ছবিতে তাকে পুরোনো ছন্দে ফিরতে দেখেছেন ভক্তরা। ফলে সিনেমার সাফল্যের পর এই নেপাল সফরকে কেউ কেউ দেখছেন আত্মবিশ্লেষণ ও মানসিক প্রশান্তির খোঁজ হিসেবে। নেপালে গিয়ে সঞ্জয় দত্ত শুধু ধর্মীয় স্থানে দর্শনেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। ভক্তদের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি উপভোগ করেছেন স্থানীয় খাবারও। রাহুল মিত্র জানান, ভ্রমণের সময় স্থানীয় খাবার চেখে দেখা তাদের অভ্যাস। এর আগেও অরুণাচল প্রদেশ ও রাজস্থানে গিয়ে ডাল-ভাত, মসুর ডালের বড়া, নুডলস স্যুপ কিংবা মটন কাটিয়ার মতো খাবার উপভোগ করেছেন তারা। নেপাল সফরেও সেই অভ্যাসের ব্যতিক্রম হয়নি। সব মিলিয়ে বলা যায়, অভিনয়ের সাফল্য, আধ্যাত্মিক টান ও জীবনের ব্যস্ততা থেকে খানিক বিরতি এই তিনের সমন্বয়েই সঞ্জয় দত্তের এবারের নেপাল সফর।

ডাবল অ্যালবাম ‘মহাশ্মশান’ প্রকাশ করল সোনার বাংলা সার্কাস

ডাবল অ্যালবাম ‘মহাশ্মশান’ প্রকাশ করল সোনার বাংলা সার্কাস   দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডদল সোনার বাংলা সার্কাস প্রকাশ করেছে তাদের নতুন ডাবল অ্যালবাম। ‘মহাশ্মশান’ শিরোনামের এই কনসেপ্টচ্যুয়াল অ্যালবামে রয়েছে মোট ১৭টি গান। দুটি সিডিতে বিভক্ত অ্যালবামটির প্রথম অংশ ‘মহাশ্মশান ১’-এ রয়েছে ৯টি গান এবং দ্বিতীয় অংশ ‘মহাশ্মশান ২’-এ রয়েছে ৮টি গান। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ব্যান্ডটির অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে অ্যালবামটি প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে স্পটিফাইসহ বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মেও অ্যালবামটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। অ্যালবামটির গল্প ও ভাবনা প্রসঙ্গে ব্যান্ডের ভোকালিস্ট ও লিরিসিস্ট প্রবর রিপন বলেন,“আমাদের প্রথম অ্যালবাম ‘হায়েনা এক্সপ্রেস’-এ ‘এপিটাফ’ গানের মধ্য দিয়ে একটি চরিত্রের মৃত্যু দেখানো হয়েছিল। ‘মহাশ্মশান’ সেই চরিত্রের পুনরুত্থানের গল্প। এবার তার নাম দ্রোহ। এই অ্যালবামেও সে মারা যায়, তবে তার পুনর্জন্মের সম্ভাবনা রয়েছে ভবিষ্যৎ অ্যালবামে। দ্রোহ এখানে মানুষের বিরুদ্ধেই বিদ্রোহ ঘোষণা করে। মানুষের প্রতি প্রতিশোধের এই গল্প পুরোপুরি বুঝতে হলে একটানা ১ ঘণ্টা ৫২ মিনিটের অ্যালবামটি শুনতে হবে। ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করা সোনার বাংলা সার্কাস ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করে তাদের প্রথম অ্যালবাম ‘হায়েনা এক্সপ্রেস’। ‘এপিটাফ’, ‘অন্ধ দেয়াল’, ‘মৃত্যু উৎপাদন কারখানা’র মতো গানগুলোর মাধ্যমে অল্প সময়েই তরুণ শ্রোতাদের মধ্যে আলাদা পরিচিতি গড়ে তোলে ব্যান্ডটি। ইতিমধ্যে দেশে ও বিদেশে ২০০টির বেশি কনসার্টে পারফর্ম করেছে তারা। এ ছাড়া ঢাকাসহ দেশের সাতটি বিভাগীয় শহরে ‘হায়েনা এক্সপ্রেস এক্সপেরিয়েন্স’ শিরোনামে একক কনসার্টও আয়োজন করে ব্যান্ডটি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী দুই মাস পর নতুন অ্যালবামকে কেন্দ্র করে ‘মহাশ্মশান যাত্রা’ শিরোনামে একক কনসার্ট শুরু করবে সোনার বাংলা সার্কাস। সেখানে নতুন অ্যালবামের সব গানের লাইভ পরিবেশনা উপভোগ করবেন দর্শকরা।বর্তমানে ব্যান্ডটির সদস্যরা হলেন—প্রবর রিপন (ভোকাল ও গিটার), শ্বেত পাণ্ডুরাঙ্গা ব্লুমবার্গ (গিটার), শাকিল হক (বেজ গিটার) ও সাদ চৌধুরী (ড্রামস)।

গল্প আর চরিত্রের ভেতরেই নিজেকে খুঁজছেন মাহি

গল্প আর চরিত্রের ভেতরেই নিজেকে খুঁজছেন মাহি পরিণত শিল্পী হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা থেকে একের পর এক নতুন গল্প ও চরিত্র পর্দায় তুলে ধরছেন সামিরা খান মাহি। সেই ভাবনা থেকে আরও দুটি ভিন্ন ধরনের গল্পের নাটকে দেখা মিলছে এই তারকা অভিনেত্রীর। নাম ‘মেঘ না চাইতে বৃষ্টি’ ও ‘তোমার প্রেমে’। এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ‘মেঘ না চাইতে বৃষ্টি’ নাটকটি। প্রকাশ করেছে অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি-সিরিজ। এ নাটকে আরও একবার মাহির বিপরীতে অভিনয় করেছেন আরশ খান। এই জুটি দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে ‘নীল ছাতা’, ‘দ্বিতীয় পত্র’, ‘ফিরে আসা’, ‘বকুল ফুল’, ‘ভেতরে আসতে দাও’, ‘প্রশ্ন করো না’, ‘আদরে রেখো’, ‘বালক বালিকা’, ‘প্রেমিকার বয়ফ্রেন্ড’, ‘মন খারাপের দিনে’সহ আরও বেশ কিছু নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে। আসাদ জামানের রচনা ও সকাল আহমেদের পরিচালনায় নির্মিত ‘মেঘ না চাইতে বৃষ্টি’ নাটকে আরশ-মাহি জুটির পাশাপাশি বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন মাসুম বাসার, সুমি আক্তার, মিলি বাসার, আনোয়ার শাহী, সম্পা নিজাম প্রমুখ। মাহির দ্বিতীয় নাটক ‘তোমার প্রেমে’ প্রকাশ পাচ্ছে ক্লাব ইলেভেনের ইউটিউব চ্যানেলে। রুবেল আনুশের চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় এ নাটকে মাহির বিপরীতে আছেন অভিনেতা সোহেল মণ্ডল। আরও অভিনয় করেছেন মিলি বাসার, লিয়া মনি, সাদি প্রমুখ। নতুন এই দুই নাটক নিয়ে সামিরা খান মাহি বলেন, ‘গল্প ও চরিত্র নতুন হলেও এতে আছে চেনা জীবন ও আশপাশের মানুষের ছায়া। তাই গল্পের সঙ্গে দর্শক সহজেই মিশে যেতে পারবেন। যাপিত জীবনের নানা ঘটনাকে নতুনভাবে দেখার সুযোগও মিলবে। সব মিলিয়ে নাটক দুটি আমাকে যেমনি নতুনরূপে দর্শকের সামনে তুলে ধরছে, তেমনি দর্শক প্রত্যাশা পূরণের সুযোগ এনে দিচ্ছে। কাজের বিষয়ে বাছবিচার নিয়ে মাহি আরও বলেন, “শুধু এই দুটি নাটক নয়, এ সময়ে যেসব গল্প ও চরিত্র পর্দায় তুলে ধরছি, তার সবই অনেক বাছবিচারের পর হাতে নেওয়া। এর মূল কারণ দিন দিন অভিনয়ের তৃষ্ণা বেড়ে যাওয়া ও পরিণত শিল্পী হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা পূরণ। যখন অভিনয়ের সূত্রে দর্শকের ভালোবাসা পাওয়া শুরু, তখনই একরকম নিশ্চিত হয়েছি যে, এটাই আমার নিয়তি নির্ধারিত কাজ। মনপ্রাণ ঢেলে এই কাজই করতে হবে। এটাও সত্যি যে, স্বল্প সময়ের অভিনয় ক্যারিয়ারে রেকর্ড সংখ্যক নাটকে অভিনয়ের সুযোগ হয়েছে। কিন্তু একটা সময় এসে বুঝেছি, এই সংখ্যা আসলে ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কী ধরনের কাজ করছি, সেটাই আসল। তাই যতদিন অভিনয় করে যাব, ভালো কিছু দর্শকের মাঝে তুলে ধবর এই ভাবনা নিয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। যার কিছুটা আভাস পাওয়া যাবে ‘মেঘ না চাইতে বৃষ্টি’ ও ‘তোমার প্রেমে’ নাটক দুটির মাধ্যমে।

 প্রভাসের সিনেমা দেখতে কুমির নিয়ে গেল ভক্তরা  

 প্রভাসের সিনেমা দেখতে কুমির নিয়ে গেল ভক্তরা   দীর্ঘ দেড় বছর পর পর্দায় ফিরলেন দক্ষিণ ভারতীয় সুপারস্টার প্রভাস। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে মুক্তি পেয়েছে তার নতুন সিনেমা ‘রাজা সাহেব’। তবে মুক্তির প্রথম দিনেই প্রেক্ষাগৃহে ভক্তদের অস্বাভাবিক উন্মাদনা ও বিশৃঙ্খলার কারণে বেশ কয়েকটি শো বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায়, হায়দেরাবাদের একটি প্রেক্ষাগৃহে প্রভাসের একদল অনুরাগী দুটি বিশালাকার কুমির নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। কুমির দেখে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং হুড়োহুড়ি শুরু হয়। পরে জানা যায়, কুমিরগুলো আসল ছিল না, বরং সেগুলো ছিল রাবার বা প্লাস্টিকের তৈরি ‘ডামি’। মূলত সিনেমার একটি দৃশ্যে প্রভাসকে কুমিরের সঙ্গে লড়াই করতে দেখা যায়; প্রিয় নায়কের সেই দৃশ্যকে উদযাপন করতেই ভক্তরা এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। এদিকে হায়দেরাবাদের বেশ কিছু প্রেক্ষাগৃহে নির্ধারিত সময়ে প্রদর্শনী শুরু না হওয়ায় উত্তেজিত হয়ে পড়েন দর্শকরা। শুক্রবার ভোররাত থেকেই হলের বাইরে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। শো শুরু হতে দেরি হওয়ায় তারা নিরাপত্তা বলয় ভেঙে হলের দরজা ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে সিনেমার প্রদর্শনী বন্ধ করে দেয়। এতে বিশৃঙ্খলা আরও চরম আকার ধারণ করে। উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে প্রভাসের ক্যারিয়ারে কিছুটা মন্দাভাব দেখা যাচ্ছিল। ২০২৩ সালে ‘আদিপুরুষ’ এবং ২০২৪ সালে ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ নিয়ে নানা বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। বক্স অফিস বিশ্লেষকরা ‘রাজা সাহেব’ নিয়েও ব্যবসায়িক শঙ্কার কথা বলেছিলেন। তবে মুক্তির প্রথম দিনে ভক্তদের এমন উন্মাদনা ও কর্মকাণ্ডের কারণে নতুন করে আলোচনায় এলেন এই তারকা।

 সিনেমার জন্য নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছি ফারিন খান

 সিনেমার জন্য নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছি ফারিন খান রাসেল আজাদ বিদ্যুৎ: ফারিন খান। অভিনেত্রী ও মডেল। আরটিভির ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাচ্ছে তাঁর অভিনীত একক নাটক ‘রং নাম্বার’। এ নাটক, বর্তমান ব্যস্ততা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তাঁর সঙ্গে আপনার নতুন একক নাটক ‘রং নাম্বার’ সম্পর্কে জানতে চাই। আপনার অন্যান্য নাটক থেকে এর গল্প ও চরিত্র কতটা আলাদা বলা যায়? আগে যে নাটকগুলোয় অভিনয় করেছি, তার সঙ্গে ‘রং নাম্বার’র কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না। কারণ, নব্বই দশকের পটভূমিতে এর গল্প লেখা হয়েছে। যখন ল্যান্ডফোন ছিল যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। প্রায় সময় ভুল কল চলে আসত। রং নাম্বার বলে রেখে দেওয়া হতো ফোন। কেউ আবার ইচ্ছা করে ফোন করে চুপ করে থাকত। অপেক্ষা করত ফোনের ওপাশ থেকে কোনো নারীকণ্ঠ ভেসে আসে কিনা। এ ধরনের রং নাম্বারের সূত্র ধরে কারও কারও বন্ধুত্ব তৈরি হতো। বন্ধুত্ব থেকে প্রেম এবং এরপর সেই প্রেম নিয়ে জন্ম নিত নানা ঘটনা। এমনই এক গল্প নিয়ে ‘রং নাম্বার’ নাটক। নব্বই দশকে যাদের বেড়ে ওঠা, তাদের অনেকের এ ধরনের অভিজ্ঞতা হয়েছে। অবশ্য এখনকার যুগে গল্পটা নতুন বলেই মনে হবে। তবে আমার কাজটা ছিল স্মৃতি হাতড়ে ফেরার মতো। স্মৃতি হাতড়ে ফেরা বলতে কী এ কথা বোঝাতে চাইছেন যে, ‘রং নাম্বার’ নাটকের গল্পের সঙ্গে বাস্তব অভিজ্ঞতার মিল আছে? আসলেই তাই, ‘রং নাম্বার’ গল্পটা পড়ে আমি পুরোনো দিনগুলোয় ফিরে গিয়েছিলাম। যখন আমাদের বাসায় ল্যান্ডফোন ছিল। যখন-তখন উটকো ফোন চলে আসত। যে কারও ফোন রিসিভ করা নিয়ে বাসায় কড়াকড়ি ছিল। পরিচিতদের অভিজ্ঞতাও ছিল প্রায় একই রকম। একেকটি ল্যান্ড ফোন কতরকম ঘটনার যে জন্ম দিয়েছে, তা বলে শেষ করা যাবে না। তাই ‘রং নাম্বার’ নাটকের শুটিংয়ে বারবার পুরোনো দিনের স্মৃতি মনে ভেসে উঠেছে। ওই সময়কে ধারণ করে একটি গল্প লেখা হয়েছে, সেখানে আমি অভিনয় করছি, এই ভাবনাও খানিকটা আনন্দ দিয়েছে। এক নাগাড়ে শুটিং করে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ বিরতি। পর্দায়ও খুব একটা দেখা মিলছে না, কারণ কী? দেশের পরিস্থিতির কারণে এ সময়ে কাজ খুব বেশি হয়নি। তা ছাড়া নিজেও চাইনি, নাটকের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য মনের বিরুদ্ধে গিয়ে কাজ করতে হতো। যে গল্প ও চরিত্রগুলো আমার কাছে নতুন ও ভিন্ন ধরনের মনে হয়েছে, অভিনয়ের জন্য সেই নাটকগুলো বেছে নিয়েছি। গত ছয় মাস সেভাবে কাজ করিনি বড় একটি প্রজেক্টের জন্য। আর কাজগুলোর জন্য এক নাগাড়ে শুটিং করতে দেখেছেন, সেগুলো বেশির ভাগই আটকে আছে। দেশের পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রযোজকরা নাটকগুলো প্রকাশ করছেন না। এজন্য পর্দায় একটু কম দেখা যাচ্ছে। বড় প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত বললেন। সেটি কাজ বলা যায়? বেশি কিছু বলা যাবে না; শুধু এটুকু বলি, সিনেমার জন্য নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছি। সিনেমার নাম কী, পরিচালক কে? সহশিল্পী কারা? এসব প্রশ্নের উত্তর আপাতত বলা নিষেধ আছে। তবু এটুকু আশ্বাস দিতে পারি, শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনার প্রথম সিনেমা ‘ধ্যাততেরিকি’ মুক্তি পেয়েছিল প্রায় ৯ বছর আগে। দ্বিতীয় সিনেমার জন্য এতটা সময় নেওয়ার কারণ? সিনেমা জগতে যখন পা রাখি তখন ছিলাম এসএসসি পরিক্ষার্থী। বয়স কম ছিল, ছিল পড়াশোনার চাপ। তা ছাড়া পরিবারের সদস্যরাও চায়নি সিনেমায় নিয়মিত কাজ করি। সেজন্য অভিনয়ে বিরতি নিতে বাধ্য হয়েছিলাম। নইলে ‘অগ্নি’র সিকুয়েল’ থেকে শুরু করে ‘পোড়ামন-২’, ‘ককপিট’, ‘লিপস্টিক’, ‘দাগি’, ‘জংলি’সহ আরও বেশ কিছু সিনেমায় আমাকে দেখা যেত। প্রস্তাব পেয়েও এই সিনেমাগুলো ছাড়তে হয়েছিল আমাকে। তবে সিনেমায় কাজের ইচ্ছা একেবারে ফুরিয়ে যায়নি। তাই বিরতি ভেঙে যখন অভিনয়ে ফিরেছি, তখন ছোট পর্দায় কাজের মধ্য দিয়ে নিজেকে পরিণত করে তোলার চেষ্টা করেছি। যাতে করে সিনেমায় ফেরাটা ফেরার মতো হয়। একসময় মঞ্চেও কাজ করেছেন। এখন কেন সময় দিতে পারেন না? মঞ্চে কাজে সবসময় নিবেদিত থাকতে হয়। প্রতিটি কাজে চূড়ান্ত প্রস্তুতি থাকতে হয়। ক্যামেরার মতো এখানে কোনো দৃশ্যের কাট বলে থামিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। আর চাইলেও যখন-তখন মঞ্চে দাঁড়িয়ে অভিনয় তুলে ধরা যায় না। তাই যখন থেকে ছোট পর্দায় ব্যস্ততা বেড়েছে, মঞ্চের জন্য আর সময় বের করা হয়ে উঠেনি। তারপরও মঞ্চের আকর্ষণ আগের মতোই রয়ে গেছে। মডেল হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন। অভিনয় আর মডেলিং একসঙ্গে চালিয়ে যেতে চান? অনেকে হয়তো জানেন না, মডেলিং থেকেই আমার অভিনয়ে আসা। তাই অভিনয়ের ব্যস্ততা বাড়লেও মডেলিং থেকে সরে যাইনি। কারণ, এই কাজের প্রতি আলাদা এক ধরনের ভালো লাগা আছে

আবারও পর্দায় ফিরছে  জুটি রাজ-মীম 

আবারও পর্দায় ফিরছে  জুটি রাজ-মীম  বড়পর্দায় ফিরছে ‘পরাণ’ খ্যাত রাজ-মীম জুটি। আলভী আহমেদ পরিচালিত ‌‌‘জীবন অপেরা’ সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তারা। রোমান্টিক ঘরানার এ সিনেমার শুটিং খুব শিগগির শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। বিষয়টি জানতে জাগো নিউজের পক্ষ থেকে শরিফুল রাজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি জানান, এখনো সিনেমাটি নিয়ে চুক্তি হয়নি। তবে কথা-বর্তা চলছে। রাজ বলেন, বর্তমানে বনলতা এক্সপ্রেস শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছি। এরপর নতুন সিনেমার ঘোষণা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জানাবে। আমি এই মুহূর্তে এরচেয়ে বেশি কিছু বলতে পারছি। আমার একটু ঠান্ডা লাগছে তাই কথাও কম বলছি। বিদ্যা সিনহা মীমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্ঠা করলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। তবে ‌‘জীবন অপেরা’ সিনেমা সংশিষ্ট একাধিক সূত্র নিশ্চিত করছে তার অভিনয় করার বিষয়টি। কয়েকদিনের মধ্যে অফিসিয়াল ঘোষণা আসবে। এদিকে মীম ফেসবুকে তার সঙ্গে একজনের ছবি পোস্ট করে লিখেছে পরবর্তী প্রজেক্ট আসছে, অনুমান করুন, তিনি কে? মন্তব্যর ঘরে ভক্তরা লিখেছেন রাজের নাম। কেউ আবার লিখছেন এমন স্টাইল আর গেটাপ রাজ ছাড়া কেউ হতেই পারে না! বর্তমানে মীম আরিফিন শুভ সঙ্গে মালিক নামে সিনেমা কাজ করছেন। আগামী ঈদুল ফিতরে সিনেমাটি মুক্তির লক্ষ্যে এরই মধ্যে শুটিং সম্পন্ন করা হয়েছে। এই সিনেমার মাধ্য তৃতীয়বারের মতো একসঙ্গে বড়পর্দায় অভিনয় করছেন আরিফিন শুভ ও বিদ্যা সিনহা মীম। এর আগে তারা দুজনে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত ‘তারকাঁটা’ এবং গোলাম সোহরাব দোদুল পরিচালিত ‘সাপলুডু’ সিনেমায় জুটি বেঁধেছিলেন।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া গোল্ডেন গ্লোব সঞ্চালনা করবেন 

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া গোল্ডেন গ্লোব সঞ্চালনা করবেন  বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক পুরস্কার আসর গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডসের ৮৩তম আয়োজন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১১ জানুয়ারি। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বেভারলি হিলসে বসবে এবারের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এই আসরের সঞ্চালনায় থাকছেন বলিউডের জনপ্রিয় তারকা ও ‘দেশি গার্ল’ খ্যাত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) গোল্ডেন গ্লোব কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও উপস্থাপকদের তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকায় প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার পাশাপাশি জায়গা পেয়েছেন বিশ্বের বেশ কয়েকজন হাইপ্রোফাইল তারকা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন জর্জ ক্লুনি, জুলিয়া রবার্টস, পামেলা অ্যান্ডারসন, অরল্যান্ডো ব্লুম, মাইলি সাইরাস ও স্নুপ ডগ। মূল সঞ্চালক নিকি গ্লেজারের সঙ্গে তারা উপস্থাপক হিসেবে মঞ্চে যোগ দেবেন। উল্লেখ্য, এবারও গোল্ডেন গ্লোবের সঞ্চালনায় থাকছেন নিকি গ্লেজার। ডিক ক্লার্ক প্রোডাকশন্স প্রযোজিত এই অনুষ্ঠানটি ১১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সিবিএস চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। সম্প্রচারের সময় নির্ধারিত হয়েছে বিকাল ৫টা (পিটি) ও রাত ৮টা (ইটি)। বাংলাদেশ সময় অনুষ্ঠানটি দেখা যাবে সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৭টায়। এবারের গোল্ডেন গ্লোব আসরে সর্বোচ্চ মনোনয়ন পেয়েছে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। ৯টি মনোনয়ন নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ছবিটি। আটটি মনোনয়ন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’। এছাড়া ‘সিনার্স’ ও ‘হ্যামনেট’ পেয়েছে ছয়টি করে মনোনয়ন। কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। বর্তমানে তার হাতে রয়েছে প্রখ্যাত নির্মাতা এস এস রাজামৌলি পরিচালিত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘বারাণসী’। ছবিটিতে প্রিয়াঙ্কার সহশিল্পী হিসেবে অভিনয় করছেন দক্ষিণী সুপারস্টার মহেশ বাবু। এতে প্রিয়াঙ্কাকে দেখা যাবে ‘মান্দাকিনী’ চরিত্রে এবং মহেশ বাবু অভিনয় করবেন ‘রুদ্র’ চরিত্রে। নির্মাতাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের সংক্রান্তিতে সিনেমাটি মুক্তি পাবে।