ভারতরত্নপ্রাপ্ত কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পীর বায়োপিকে সাই পল্লবী

ভারতরত্নপ্রাপ্ত কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পীর বায়োপিকে সাই পল্লবী ভারতরত্নপ্রাপ্ত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর বায়োপিকে অভিনয় করত যাচ্ছেন সাই পল্লবী। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের ইতিহাসে এম এস সুব্বুলক্ষ্মী এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। এমন এক ব্যক্তিত্বকে পর্দায় জীবন্ত করে তোলা নিঃসন্দেহে বড় চ্যালেঞ্জ— আর সেই চ্যালেঞ্জই গ্রহণ করেছেন সাই পল্লবী। নাম চূড়ান্ত না হওয়া এই বায়োপিক পরিচালনা করবেন গৌতম তিন্নানুরি। দীর্ঘদিন ধরেই প্রকল্পটি নিয়ে দক্ষিণী চলচ্চিত্র অঙ্গনে আলোচনা চলছিল। নির্মাতাদের পক্ষ থেকে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা গেছে। ঘোষণার আগেই সুব্বুলক্ষ্মীর চরিত্রের প্রস্তুতি শুরু করেছেন সাই পল্লবী। কিংবদন্তি এই শিল্পীর জীবন, পরিবেশনা ভঙ্গি এবং শাস্ত্রীয় সংগীতের ধারা নিয়ে গভীর গবেষণা করছেন তিনি। অভিনয়জীবনে চরিত্রের গভীরে প্রবেশের জন্য পরিচিত সাই পল্লবী বরাবরই বাণিজ্যিক সাফল্যের চেয়ে গল্প ও চরিত্রকে বেশি গুরুত্ব দেন। অন্যদিকে, বড় বাজেটের সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্র কল্কি ২৮৯৮ এডি-এর সিকুয়েল নিয়েও নতুন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। যদিও বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়, তবে সত্যি হলে একদিকে যেমন থাকবে শাস্ত্রীয় সংগীতের কিংবদন্তি চরিত্রে অভিনয়ের চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে প্যান-ইন্ডিয়া প্রজেক্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় হাজির হওয়ার সুযোগ।

ভেঙে গেল অভিনেত্রীর সংসার

ভেঙে গেল অভিনেত্রীর সংসার ভেঙে গেছে হলিউড অভিনেত্রী আলেকজান্দ্রা ড্যাডারিওর সংসার। প্রযোজক অ্যান্ড্রু ফর্মের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম টিএমজেড এ খবর প্রকাশ করেছে। টিএমজেড-কে একটি বিবৃতি দিয়েছেন আলেকজান্দ্রার একজন মুখপাত্র। তাতে বলা হয়েছে, “ভালোবাসা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিভাবক হিসেবে তারা তাদের সন্তানকে লালন-পালন করবেন। এই পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কামনা করছেন তারা। তবে তারা ঠিক কবে আলাদা হয়েছেন বা বিচ্ছেদের কারণ কী এসব বিষয় এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। ২০২২ সালের জুনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আলেকজান্দ্রা ও অ্যান্ড্রু। এ দম্পতির ১৫ মাস বয়সি একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। আলেকজান্দ্রার এটি প্রথম হলেও অ্যান্ড্রুর এটি দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে মার্কিন অভিনেত্রী জর্ডানা ব্রিউস্টারের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন অ্যান্ড্রু। এ সংসারে ১২ ও ৯ বছর বয়সি দুটো পুত্রসন্তান রয়েছে। আলেকজান্দ্রা তাদের সৎমা ছিলেন। আলেকজান্দ্রা ও অ্যান্ড্রু মাত্র ১৫ বছর বয়সে অভিনেত্রী হিসেবে টেলিভিশনে অভিষেক ঘটে আলেকজান্দ্রার। ২০০৫ সালে হলিউড চলচ্চিত্রে পা রাখেন তিনি। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য কাজগুলো হলো ‘বেওয়াচ’, পার্সি জ্যাকসন অ্যান্ড দ্য অলিম্পিয়ানস’, ‘দ্য হোয়াইট লোটাস’, ‘ইটস সিক্যুয়েল’, ‘হল পাস’ প্রভৃতি।

বঙ্গবিভূষণ পেলেন নচিকেতা

বঙ্গবিভূষণ পেলেন নচিকেতা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একঝাঁক বিশিষ্ট নাগরিকদের হাতে রাজ্য সরকারের সর্বোচ্চ সম্মান ‘বঙ্গবিভূষণ’ ও ‘বঙ্গভূষণ’ তুলে দেওয়া হলো। গতকাল শনিবার আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজ। সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য ২০২৬ সালে বঙ্গবিভূষণ সম্মাননা পেয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। এই সম্মানে ভূষিত হয়েছেন শিবাজী চট্টোপাধ্যায় এবং শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া সংগীত ও সংস্কৃতির জগতে অবদানের জন্য লোপামুদ্রা মিত্র, বাবুল সুপ্রিয়, ইমন চক্রবর্তী ও শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া হয়েছে বঙ্গবিভূষণ সম্মান। চিত্রকলায় বিশেষ কৃতির জন্য গণেশচন্দ্র হালুইকে বঙ্গবিভূষণ প্রদান করা হয়। একই মঞ্চ থেকে এদিন ‘বঙ্গভূষণ’ সম্মানও প্রদান করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন কলেন্দ্রনাথ মান্ডি, শ্যামচাঁদ বাগদি, নন্দলাল বাউড়ি, মৃণাল কান্তি বিশ্বাস এবং চন্দন লোমজেল। সংগীতে অবদানের জন্য মনোময় ভট্টাচার্য, রাঘব চট্টোপাধ্যায়, রূপঙ্কর বাগচি, অদিতি মুন্সি, কার্তিক দাস বাউল ও নাজমুল হক। বিশেষ সম্মান পেয়েছে স্টার জলসা ও জি বাংলা চ্যানেল। এছাড়া বঙ্গভূষণ পেয়েছেন সমরেশ মজুমদার, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও বিবেক কুমার।

আমি সবসময় চেষ্টা করি : কেয়া পায়েল

আমি সবসময় চেষ্টা করি : কেয়া পায়েল ছোট পর্দার অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। একের পর এক দর্শকপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে নিজের অবস্থান পোক্ত করেছেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের নতুন কাজ, শুটিং সেটের অভিজ্ঞতা এবং দর্শক প্রতিক্রিয়া নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। সুব্রত সঞ্জীবের পরিচালনায় নতুন একটি নাটকে অভিনয় করেছেন কেয়া পায়েল, যেখানে তার বিপরীতে রয়েছেন মুশফিক আর ফারহান। নাটকের বিষয়ে পায়েল বলেন, ‘এই গল্পটি খুবই চমৎকার একটা প্লটে করা। আমাদের এখানে কিছু পারিবারিক কোলাহল আছে যা দর্শক খুব মজা পাবে। আমার চরিত্রটি বেশ ইন্টারেস্টিং, আমি আমার জায়গা থেকে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। নিজের চরিত্রের নেতিবাচক দিকগুলো নিয়ে দর্শকদের প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা করে তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু দৃশ্যে দেখে হয়তো মানুষ বলবে- আল্লাহ, মেয়েটা তার শাশুড়ির সাথে এরকম কেন করছে! তবে গল্পটি সম্পূর্ণ দেখলে দর্শকদের অবশ্যই ভালো লাগবে। আমি সবসময় চেষ্টা করি পরিবার নিয়ে দেখার মতো গল্প ও চরিত্রে কাজ করতে। বর্তমানে ‘আমাদেরই গল্প’ নাটকের মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। নাটকে তার চরিত্রের নাম ‘মেহরিন’। দর্শক এখন তাকে আসল নামের চেয়ে চরিত্রের নামেই বেশি ডাকছে। এ প্রসঙ্গে পায়েলে ভাষ্য, ‘আমি রাজ (পরিচালক) ভাইয়াকে বলছিলাম, এত নাটক করেছি কিন্তু কখনো চরিত্রের নামে কেউ ডাকেনি। এখন ছবির নিচেও মানুষ মেহরিন বা সামির-ফাহাদ নামে কমেন্ট করে। একজন শিল্পী হিসেবে এটা আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। শুটিং সেটের পরিবেশ নিয়ে পায়েল জানান, পরিবারের চেয়েও বেশি সময় তাদের সেটে কাটাতে হয়। তাই শুটিং ইউনিটও এখন তার কাছে একটি পরিবার। সহকর্মীদের সাথে সুসম্পর্ক কাজের গতি বাড়িয়ে দেয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অফ-স্ক্রিনে আমাদের রসায়ন খুব চমৎকার। সুনেরাহর সাথে জামাকাপড় নিয়ে গল্প করি, সাজ্জাদ ভাইকেও বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞেস করি। কাজের জায়গাটা আপন না হলে আসলে প্রাণখুলে অভিনয় করা সম্ভব হয় না।

মঞ্চ মাতাতে ভারত আসছেন শাকিরা

মঞ্চ মাতাতে ভারত আসছেন শাকিরা আবারও ভারত সফরে আসছেন বিশ্বখ্যাত পপ তারকা শাকিরা। আগামী ১০ এপ্রিল মুম্বাই এবং ১৫ এপ্রিল দিল্লিতে তার লাইভ পারফরম্যান্স হওয়ার কথা রয়েছে। ‘ফিডিং ইন্ডিয়া কনসার্ট ২০২৬’-এর তৃতীয় সংস্করণ আয়োজন করছে ফিডিং ইন্ডিয়া ও ডিসট্রিক্ট বাই জোমাটো। জানা গেছে, মুম্বাইয়ে শাকিরা পারফর্ম করবেন মহালক্ষ্মী রেসকোর্সে এবং দিল্লিতে জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে। আয়োজকদের মতে, এই কনসার্ট শুধু সংগীতের আসর নয়, ক্ষুধা ও অপুষ্টি নিয়ে সচেতনতা তৈরির একটি বড় উদ্যোগ। এক বিবৃতিতে শাকিরা জানান, ‘ভারতে পারফর্ম করা সব সময়ই আমার জন্য বিশেষ। মুম্বাই ও দিল্লির ভক্তদের সঙ্গে আবারও যুক্ত হতে পেরে আমি রোমাঞ্চিত। ফিডিং ইন্ডিয়া কনসার্ট শুধু সংগীত নয়; এটি একসঙ্গে দাঁড়িয়ে নিশ্চিত করা যে প্রতিটি শিশু তার বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়। শিল্পী হিসেবে খ্যাতির পাশাপাশি সামাজিক কাজেও সক্রিয় শাকিরা। নিজের ‘বেয়ারফুট ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও শিশু কল্যাণে কাজ করছেন। এই লক্ষ্যই ‘ফিডিং ইন্ডিয়া কনসার্ট’-এর উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিল রয়েছে। উল্লেখ্য, প্রায় দুই দশক আগে শেষবার ভারতে কনসার্ট করেছিলেন শাকিরা। ২০০৭ সালে তার ‘ওরাল ফিক্সেশন’ ট্যুরের অংশ হিসেবে মুম্বাইয়ে পারফর্ম করেছিলেন তিনি। সূত্র: এনডিটিভি

অভিনয় থেকে সাময়িক ‘বিরতি’, পাড়ি দিলেন যুক্তরাষ্ট্রে

অভিনয় থেকে সাময়িক ‘বিরতি’, পাড়ি দিলেন যুক্তরাষ্ট্রে শোবিজ অঙ্গনে বিরতির ঘোষণার হিড়িকের মধ্যেই এবার অভিনয় থেকে সাময়িক বিরতির কথা জানালেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মাহি জানান, জীবনের এই পর্যায়ে এসে তার কিছুটা থামা প্রয়োজন। ভক্তদের উদ্দেশে তিনি লিখেছেন, ‘জীবনের প্রতিটি যাত্রায় মাঝেমধ্যে বিরতি দরকার হয়—এবার সেই সময়টাই নিচ্ছেন তিনি।’তবে এটি স্থায়ী বিদায় নয় বলেও স্পষ্ট করেছেন অভিনেত্রী। তার ভাষায়, ‘প্রিয় ভক্তরা, জীবনের প্রতিটি যাত্রায় মাঝেমধ্যে একটু বিরতি দরকার হয়। এইবার সেই বিরতিটাই নিচ্ছি। মনটা একটু ভারী, কারণ কাজ আর তোমাদের ভালোবাসা ছাড়া আমি অসম্পূর্ণ।’এই বিরতিকে যেন কেউ বিদায় না ভাবেন— এমনটাও জানিয়েছেন। শিগগিরই তিনি আবার ফিরবেন বলেও আশ্বাস দিয়েছেন। হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তের কারণ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হলেও মাহি বিষয়টি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেননি। পোস্টের মন্তব্যঘরে ভক্তরা তাকে শুভ কামনা জানিয়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, কাজের চাপ থেকে মানসিক প্রশান্তির জন্যই হয়তো এই বিরতি। এদিকে বিরতির ঘোষণা দেওয়ার পরই যুক্তরাষ্ট্রগামী একটি ফ্লাইটে উঠে দেশ ছেড়েছেন মাহি। সেখানে নিজের বোনের সঙ্গে কিছুদিন সময় কাটানোর পরিকল্পনা রয়েছে তার।

কত টাকার মালিক নেহা কাক্কর?

কত টাকার মালিক নেহা কাক্কর? বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়িকা নেহা কাক্কর। গত বছরটি খুব একটা ভালো কাটেনি তার। লাইভ কনসার্ট ও নতুন গান প্রকাশের পর অশ্লীলতার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনার কিছুদিন পর নেহা কাক্কর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লেখেন “দায়িত্ব, সম্পর্ক, কাজ সবকিছু থেকে বিরতি নেওয়ার সময় এসেছে। আর ফিরব কি না নিশ্চিত নই।” এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নেহার সংসার ভাঙার গুঞ্জন চাউর হয়। সর্বশেষ তা উড়িয়ে দেন নেহা। চলুন এক নজরে দেখে নিই, নেহা কত টাকার মালিক নবভারত টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নেহা কাক্করের মোট সম্পদের পরিমাণ ১০৪ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা)। প্রতি মাসে তার আয় ২ কোটি রুপি। প্রতি গানের জন্য ১০-২০ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নেন। প্রতিটি লাইভ শোয়ের জন্য নেন প্রায় ২৫-৩০ লাখ রুপি। তাছাড়া টিভি রিয়েলিটি শোয়ের বিচারক হিসেবে কাজ করেন নেহা কাক্কর। রিয়েলিটি শোয়ের বিচারক হিসেবে প্রতি সিজনে ২০ লাখ রুপির বেশি পারিশ্রমিক পান। মিউজিক ভিডিও, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেও আয় করে থাকেন এই শিল্পী। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আয় নেহা কাক্করের ইনস্টাগ্রামে অনুসারীর সংখ্যা ৭৭ মিলিয়নের বেশি। ফলে ব্র্যান্ড প্রমোশন ও অনলাইন সহযোগিতার মাধ্যমেও মোটা অঙ্কের অর্থ উপার্জন করে থাকেন এই শিল্পী। ভারতীয় সংগীতশিল্পীদেরে মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুসারীর দিক থেকে অন্যতম নেহা। বিলাসবহুল ফ্ল্যাট-বাড়ি মুম্বাইয়ে সমুদ্রমুখী বিলাসবহুল একটি ফ্ল্যাটের মালিক নেহা কাক্কর। এর মূল্য প্রায় ১.২ কোটি রুপি। ঋষিকেশে তার একটি সুন্দর বাংলো রয়েছে। সেখানে প্রকৃতির মাঝে শান্ত সময় কাটান এই শিল্পী। দামি গাড়ির সংগ্রহ নেহা কাক্করের গ্যারেজে বেশ কিছু বিলাসবহুল গাড়ি শোভা পাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে অডি কিউ৭, মার্সিডিজ-বেঞ্জ জিএলএস ৩৫০, বিএমডব্লিউ। বিলাসবহুল প্রতিটি গাড়ির মূল্য কয়েক কোটি রুপি। নেহার ক্যারিয়ার ১৯৮৮ সালের ৬ জুন উত্তর প্রদেশের ঋষিকেশে এক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেন নেহা কাক্কর। তার বাবা ছিলেন শিঙাড়া বিক্রেতা। বড় বোন সনু কাক্কর ও ভাই টনি কাক্কর উভয়ে সংগীতের সঙ্গে যুক্ত। মাত্র চার বছর বয়স থেকে গান শুরু করেন নেহা। ২০০৫ সালে ইন্ডিয়ান আইডলের মাধ্যমে গায়িকা হিসেবে নজর কাড়েন নেহা।‍ ২০০৮ সালে ভাই টনির সঙ্গে মুম্বাই পা রাখেন নেহা। সেই বছরই ‘নেহা দ্য রকস্টার’ নামে তার প্রথম গানের অ্যালবাম মুক্তি পায়। ২০১৩ সালে ‘ফাটা পোস্টার নিকলা হিরো’সিনেমার ‘ধাতিং নাচ’ গানে প্রথম প্লেব্যাক করেন। ২০১৪ সালে তার ‘সানি সানি’গানটি দারুণ হিট হয়। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একের পর এক তুমুল জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন তিনি। নেহার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘জাদু কা ঝাপ্পি’, ‘টুকুর টুকুর’, ‘ন্যায়না’, ‘মে তেরা বয়ফ্রেন্ড’, ‘দিলবার দিলবার’, ‘কালা চশমা’, ‘আঁখ মারে’, ‘কোকাকোলা’, ‘সাকি সাকি’ প্রভৃতি।

একুশ মানে নিজের ভাষাকে ভালোবাসার প্রতিজ্ঞা’

একুশ মানে নিজের ভাষাকে ভালোবাসার প্রতিজ্ঞা’ রক্তস্নাত ঐতিহাসিক ২১ ফেব্রুয়ারি আজ। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এই দিনে বাঙালি জাতি বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে সেইসব বীর সন্তানদের, যারা মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় ১৯৫২ সালের এই দিনে অকাতরে প্রাণ বিলিয়ে দিয়েছিলেন। শোক, অহংকার আর গৌরবের এই দিনে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় ও নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান। শহীদ দিবস উপলক্ষে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তিনি; যেখানে বায়ান্নর ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ এবং বাংলা ভাষার প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা ফুটে উঠেছে। জয়া আহসান লেখেন, ২১শে ফেব্রুয়ারি। এই দিনটা এলে ভোরের আলোটাও যেন একটু নরম হয়, বাতাসে ভেসে আসে অদ্ভুত এক শোক আর গর্বের মিশ্র গন্ধ। মনে হয়, মাটির খুব গভীর থেকে কেউ ফিসফিস করে বলছে, ‘ভাষাকে ভালোবাসো। এই অভিনেত্রী আরও লেখেন, ভাষা তো শুধু উচ্চারণ নয়। ভাষা মানে মায়ের আঁচলের গন্ধ, শৈশবের প্রথম ছড়া, প্রথম ভালোবাসার স্বীকারোক্তি। সেই ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখতে ১৯৫২’র তরুণেরা বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিল। গুলির শব্দের সামনে তারা ভয়কে ছোট করে দেখেছিল। কারণ তাদের কাছে বাংলা ছিল শ্বাসের মতো; থামানো যায় না, থামানো উচিতও নয়। ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে জয়া তার পোস্টে উল্লেখ করেন, সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার; এই নামগুলো উচ্চারণ করলেই বুকের ভেতর কেমন হাহাকার জেগে ওঠে। তারা তো শুধু শহীদ নন; তারা আমাদের প্রতিটি ‘মা’ শব্দের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সাহস। জয়া লেখেন, আজ আমরা সহজে বাংলায় লিখি, কথা বলি, মনের কথা প্রকাশ করি। অথচ এই সহজতার পেছনে কতটা রক্ত, কতটা অশ্রু, কতটা অসমাপ্ত স্বপ্ন লুকিয়ে আছে একুশ মানে মাথা নত করে দাঁড়ানো। একুশ মানে ভেতর থেকে শক্ত হয়ে ওঠা। একুশ মানে নিজের ভাষাকে ভালোবাসার প্রতিজ্ঞা। শেষে জয়া লেখেন, আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, তোমাদের ঋণ আমরা কখনো শোধ করতে পারব না, শুধু হৃদয়ে বহন করে যাব চিরকাল।

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি ব্রেন টিউমারের সফল অস্ত্রোপচারের পর অবশেষে বাসায় ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। গেল রোববার রাজধানীর একটি হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। এরপর ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার পর বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) চিকিৎসকরা তাকে ছাড়পত্র দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা সকাল আহমেদ। তিনি জানান, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর এখন বাসায় বিশ্রামে আছেন অভিনেত্রী।এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নিজের অসুস্থতার খবর সামাজিকমাধ্যমে জানান তানিয়া বৃষ্টি। হাসপাতালে বসে তোলা একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছিলেন, পরদিন তার মাথায় অস্ত্রোপচার হবে এবং সবার কাছে দোয়া চেয়েছিলেন। এদিকে তার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনায় নিয়ে একটি বিবৃতিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে, আপাতত কাজ বা শুটিং সংক্রান্ত বিষয়ে যোগাযোগ না করতে। সম্পূর্ণ বিশ্রাম ও চিকিৎসার প্রয়োজন বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তানিয়া বৃষ্টির পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুস্থ হয়ে উঠলে তিনি নিজেই সবার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

জাইমা রহমানের প্রশংসা করলেন তানজিন তিশা

জাইমা রহমানের প্রশংসা করলেন তানজিন তিশা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের প্রশংসা করেছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে জাইমা রহমানকে নিয়ে অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। জাইমা রহমানকে মাটির মানুষ আখ্যা দিয়ে তিশা লেখেন, ‘বিদেশে বেড়ে উঠলেও তিনি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে অত্যন্ত সৌন্দর্য, মর্যাদা ও গর্বের সঙ্গে ধারণ করেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘কেউ যেখানে বেড়ে উঠুক না কেন, নিজের শিকড়কে এভাবে দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে দেখা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।