জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে লাশ উদ্ধার হলো

জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে লাশ উদ্ধার হলো দক্ষিণ ভারতের কন্নড় সিনেমা ও টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শোবিতা শিবান্নাকে তার ফ্ল্যাট থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ১ ডিসেম্বর (রবিবার) হায়দরাবাদে নিজের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অভিনেত্রীর দেহ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৩০ বছর। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তেলেঙ্গানার রাঙ্গারেড্ডির ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন শোবিতা শিবন্না। সেখানে তার দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়। প্রাথমিক ভাবে এই মৃত্যুর ঘটনা আত্মহত্যা বলেই মনে করা হচ্ছে। শোবিতার দেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য গান্ধী হাসপাতালে পাঠানো হয়। যদিও এই মর্মান্তিক মৃত্যুর পিছনে সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়, ঘটনায় মামলাটা রুজু হয়েছে, সেই ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। অভিনেত্রী শোবিতা বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে ইরাডোন্ডলা মুরু, এটিএম: অ্যাটেম্পট টু মার্ডার, জ্যাকপট এবং বন্দনা। এ ছাড়াও তিনি গালিপাতা, মঙ্গলা গৌরী, কোগিলে, ব্রহ্মগন্তু, কৃষ্ণা রুক্মিণীর মতো টিভি সিরিয়ালে নিয়মিত ছিলেন তিনি।

তাপসী বড় তারকাদের সাথে

তাপসী বড় তারকাদের সাথে তাপসী পান্নু ‘ডাঙ্কি’ সিনেমায় অভিনয় করে আলোচনায় এসেছেন। রাজকুমার হিরানি পরিচালিত সিনেমাটি ২০২৩ সালে মুক্তি পায়, এ সিনেমাতে শাহরুখ খান, ভিকি কৌশল, বোম্মান ইরানি, দিয়া মির্জাসহ আরো অনেকে অভিনয় করেছেন। এই সিনেমা করতে গিয়ে জীবনের বড় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন তাপসী। সম্প্রতি সিনেমাটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে তাপসী বলেন, ‘সবাই বড় তারকার সঙ্গে সহজে স্ক্রিন শেয়ার করতে চান না। এর অন্যতম কারণ হল- শাহরুখ খান বা সালমান খানের মতো অভিনেতারা যখন অভিনয় করেন তখন বাকিদের প্রাধান্য কিছুটা হলেও কমে যায়। তবে আমি মনে করি, মাঝে মাঝে ব্যাক সিটে বসাও ভালো। অর্থাৎ ভালো কিছু করার পর কিছু না করাও ভালো। ‘ডাঙ্কি’ সিনেমাটির মুক্তির সময় আমি ভীষণ স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলাম। যেখানে রাজকুমার হিরানি, শাহরুখ খান, ভিকি কৌশলের মতো তারকরা রয়েছেন, সেখানে তারাই যে সামনের দিকে থাকবেন তা বলাই বাহুল্য। তাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আমি নিশ্চিন্তে ছিলাম। তাপসীকে সর্বশেষ অভিনয় করতে দেখা গেছে ‘ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা’ সিনেমায়। এই সিনেমাটি ২০২১ সালের সিনেমা ‘হাসিন দিলরুবা’-এর সিক্যুয়েল। বিক্রান্ত মেসি এবং সানি কৌশল অভিনীত এই সিনেমায় দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন তাপসী।

বিজয়ের মাসে শাওনের সিদ্ধান্ত

বিজয়ের মাসে শাওনের সিদ্ধান্ত আজ শুরু হয়েছে বিজয়ের মাস। ১৯৭১ সালে ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের বিনিময়ে অর্জিত হয় এই বিজয়। আর এই মাসের শুরুতে নতুন এক সিদ্ধান্তের কথা জানালেন নির্মাতা, অভিনেত্রী-গায়িকা মেহের আফরোজ শাওন। রোববার ১ ডিসেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে’ গানটি শেয়ার করেন মেহের আফরোজ শাওন। আগামী ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন একটি করে দেশের গান শেয়ার করার কথাও জানান এই শিল্পী। ঠিক করেছি ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন একটা করে দেশের গান আমার ফেসবুক পাতায় দিব। যাদের ভালো লাগবে শুনবেন। যাদের ৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসকে মানতে কষ্ট হয়, তারা দয়া করে এড়িয়ে যাবেন, আমাকে অবন্ধু (আনফ্রেন্ড) করবেন। সবাইকে বাংলাদেশের বিজয়ের মাসের শুভেচ্ছা। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ব মানচিত্রে লাল-সবুজের পতাকা স্থান পায়। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী মরণপণ যুদ্ধ শেষে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল বীর বাঙালিরা। মূলত, এ দিনটি সামনে রেখে প্রতিদিন একটি করে দেশত্ববোধক গান নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করবেন শাওন।

সংগীতশিল্পী তপন চৌধুরী হৃদরোগে আক্রান্ত

সংগীতশিল্পী তপন চৌধুরী হৃদরোগে আক্রান্ত বাংলা গানের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী তপন চৌধুরী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। কানাডার মন্ট্রিয়লে শারীরিকভাবে অসুস্থতা অনুভব করলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা জানান, তার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। শিল্পীর হার্ট অ্যাটাকের খবরটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সংগীতশিল্পী দিনাত জাহান মুন্নী। সপরিবারে এখন কানাডায় থাকেন সংগীতশিল্পী তপন চৌধুরী। দেশের বাইরে থাকলেও নিয়মিত অংশ নেন স্টেজ শোগুলোতে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মঞ্চেও গান গেয়েছেন তিনি। কানাডার মন্ট্রিয়লে ফিরে যাওয়ার পর শারীরিকভাবে অসুস্থতা অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। দিনাত জাহান মুন্নী বলেন, ‘২৬ নভেম্বর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক জানতে পারেন, হার্টে দুটি ব্লক ধরা পড়েছে। পরদিন দুটি রিং পরানো হয়। এরপর দুদিন হাসপাতালে রাখা হয়। এখন বাসায় আছেন। বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক। সত্তরের দশকের শেষ দিকে গানের জগতে পা রাখেন তপন চৌধুরীর। ব্যান্ডের পাশাপাশি একটা সময় একক ক্যারিয়ারে মনোযোগী হন তিনি। আর অল্প ক’দিনেই গান দিয়ে শ্রোতাদের মন জয় করে নেন এই সংগীতশিল্পী। তার গাওয়া উল্লেখযোগ্য গানের তালিকায় আছে- ‘মন শুধু মন ছুঁয়েছে’, ‘তুমি আমার প্রথম সকাল’, ‘পলাশ ফুটেছে শিমুল ফুটেছে’, ‘এই রুপালি চাঁদে’, ‘মনে করো তুমি আমি’, ‘পাথরের পৃথিবীতে কাচের হৃদয়’, ‘আজ ফিরে না গেলেই কি নয়’, ‘আকাশের সব তারা ঝরে যাবে’, ‘আমি কি বেঁচে আছি’ ইত্যাদি।

বিয়ে করতে চাই সাফা কবির

বিয়ে করতে চাই সাফা কবির এ মুহূর্তে বিনোদন জগতের ছোটপর্দার তারকাদের নাটকের শুটিংয়ের ব্যস্ততা বেড়েছে। সামনে ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে তাদের এ ব্যস্ততা। যদিও ভালোবাসা দিবসের এখনো বাকি আড়াই মাস। দিবসটি সামনে রেখে তারকাদের ব্যস্ততা চলছে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি। সময়ের ব্যস্ত তারকা অভিনেত্রী সাফা কবির এই প্রেম-ভালোবাসা নিয়েই ব্যস্ত। এর মধ্যেই দুটি নাটকের শুটিং শেষ করেছেন তিনি। আগামী ৩ ডিসেম্বর থেকে টানা আরও কয়েকটি নাটকের শুটিং করবেন সাফা। ভিন্ন ভিন্ন গল্পের নাটকের শুটিং করছেন বলে জানান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘দর্শকদের ভালো কিছু উপহার দেওয়ার ইচ্ছা থেকে ব্যতিক্রমী গল্পের কাজ করছি। সামনের ভালোবাসা দিবসের দিকে তাই তাকিয়ে আছি। ভালোবাসা দিবসে শুটিংয়ের কথা বলার পাশাপাশি ভালোবাসা নিয়ে নিজের ভাবনার কথাও বললেন। জানালেন তিনি প্রেমে আছেন, ভালোবাসাতেও আছেন, তবে। সাফা কবির বলেন, আমার জীবনের ভালোবাসার অবস্থা কিন্তু খুব ভালো। পরিবার, বন্ধুদের নিয়ে খুব ভালো আছি। দিনকালও ভালোই কাটছে। ভালোবাসা কিন্তু নানারূপে আসতে পারে। কখনো বন্ধুর রূপে আসতে পারে. কখনো পারিবারের ভালোবাসার মানুষ আসতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভালোবাসার কথা বললে, জীবনসঙ্গীর কথা সামনে আসে। সে ক্ষেত্রে বলব আমার পার্টনার হওয়ার মতো কেউ এখনো আসেনি। জীবনসঙ্গী যখন আসবে, তখন সবাই জানতে পারবেন। এ অভিনেত্রী বলেন, আমি প্রেমে আছি, ভালোবাসায় আছি। তবে সেটি শুধুই কাজের মধ্যে, কাজের ভালোবাসায় আছি। যদিও সব শিল্পী এ ধরনের কথাই বলেন। তাই শুনতেও একরকম ক্লিশে শোনাতে পারে। তিনি বলেন, অনেকে হয়তো ভাবতেও পারেন, এটা বলার জন্য বলছি। মোটেও তা নয়, আমি মন থেকে বলতে চাই আমি সত্যিই আমার পেশাকে খুব ভালোবাসি। এই পেশার প্রেমে আমি ডুবে আছি। কাজের মধ্যে আমি এত বেশি ব্যস্ত থাকি, তাই আলাদাভাবে জীবনসঙ্গী নিয়ে ভাবব যে অবশ্যই জীবনসঙ্গী থাকা মানুষের জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমিও একদিন বিয়ে করব। করতে চাই। তবে বিয়ে করতে চাইলেও আপাতত এ বিষয়ে কোনো ভাবনা নেই। সাফা কবির বলেন, ‘সত্যিই আমি কিন্তু বিয়েতে এখন ফোকাসড নই। এ জন্য হয়তো আমার তাড়াহুড়োও নেই, এখনই বিয়ে করতে হবে। আমার পরিবারের পক্ষ থেকেও এ নিয়ে কোনো চাপাচাপি নেই। তিনি বলেন, সত্যিই বলতে যখন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা হয়, তখন মনে হয়, আমার তো বিয়ে করা উচিত। কারণ বিয়ে নিয়ে প্রশ্নটা প্রায়ই শুনতে হয়। এটা ছাড়া বিশ্বাস করেন, আমার বিয়ে নিয়ে কিছু মনে হয় না। মন থেকে কাজ ভালোবাসি। আমি এখানে কাজ করতে পেরে নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবান মনে করছি। এ অভিনেত্রী বলেন, আমার কাছে মনে হয়, এখানে কাজ করার মাধ্যমে জীবনে অনেক কিছু শিখেছি। আমি আস্তে আস্তে বেড়েও উঠছি। ইনশাআল্লাহ আমার ইন্ডাস্ট্রি যদি আরও কাজ করার সুযোগ দেয়, আমি আরও কাজ করব। করতেও চাই। এ অভিনেত্রী বলেন, বন্ধুবান্ধব সবাই বিয়ে করে ফেলেছে, তাই বলে আমারও বিয়ে করে ফেলতে হবে সে রকম পরিকল্পনা নেই। বিয়ে করতে হবে বলে করতে চাই না। বিয়ে তখনই করতে চাই, যখন আসলে মনে হবে, আমি বিয়েটা সত্যি সত্যিই করতে চাই।

অভিষেকের যে জ্ঞান নিমরতকে মুগ্ধ করেছে

অভিষেকের যে জ্ঞান নিমরতকে মুগ্ধ করেছে বেশ কিছুদিন ধরেই বলিউডে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অভিষেক, ঐশ্বরিয়া ও নিমরতের নাম। ‘গুরু’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় থেকে অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার প্রেমের শুরু। ২০০৭ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন এই তরকা জুটি। ২০১১ সালে ঐশ্বরিয়া ও অভিষেকের ঘর আলো করে আসে আসে কন্যাসন্তান আরাধ্যা। কিন্তু শোনা যাচ্ছে এই সংসার ভাঙতে চলেছে। আর তখনই এসেছে নিমরত কৌরের নাম। ২০২২-এ ‘দসভি’ সিনেমার শুটিং থেকেই নাকি অভিষেক ও নিমরতের বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে। অনেকের ধারণা এ শুধু বন্ধুত্ব, একজনকে নিয়ে আরেকজনের মুগ্ধতার প্রকাশ শুধুমাত্র বন্ধুত্বের পরিচয় বহন করে না, এই সম্পর্ক তারও বেশি কিছু। অর্থাৎ প্রেমে জড়িয়েছেন এই জুটি! তাদের সম্পর্কের গভীরতা ধরা পড়েছে বেশ কিছু সাক্ষাৎকারে।  নিমরত কর ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, অভিষেকের একটি জ্ঞান তাকে মুগ্ধ করেছে। তাহলো খাওয়াদাওয়া নিয়ে নাকি অভিষেকের বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। কোন শহরের কোন গলিতে কী খাবার পাওয়া যায়,  তা জানেন অভিষেক।  দসভি সিনেমার প্রচারের সময় তারা যেখানে যেখানে গিয়েছেন, সেখানে সেখানে অভিষেকের পছন্দের খাবার খেয়েছেন। নিমরত নিজেও নাকি খেতে খুব ভালোবাসেন। উল্লেখ্য, অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার দাম্পত্যের মেয়াদ প্রায় ১৫ বছর জেনে একটি টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারে বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন নিমরত। যা ঐশ্বরিয়া ভক্তরা ভালোভাবে গ্রহণ করেননি।

অভিনেত্রী প্রিয়া ডায়েস বাবা হারালেন

অভিনেত্রী প্রিয়া ডায়েস বাবা হারালেন অভিনেত্রী প্রিয়া ডায়েসের বাবা আর নেই। অভিনেত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে বাবা হারানোর খবরটি জানিয়েছেন। ছোটপর্দার এক সময়ের জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আমার আদরের বাবা আর নেই। এই পৃথিবী ছেড়ে চিরদিনের জন্য ওপারে চলে গেছেন, ২৮ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টা ১৫ মিনিটে (নিউইয়র্ক টাইম), সবাই উনার আত্মার শান্তির জন্য দোয়া করবেন’। প্রিয়া অভিনেতা টনি ডায়েসের স্ত্রী। তারা এক সময়ে দেশের টিভি নাটকের তুমুল জনপ্রিয় জুটি ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে অভিনয় থেকে দূরে রয়েছেন দুজন।বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন তারা। ২০০১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবেসে বিয়ে করেন প্রিয়া ডায়েস ও টনি ডায়েস। তাদের সংসারে এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

বিয়ে করেছেন কেয়া

বিয়ে করেছেন কেয়া গতকালই খবরটা জানা গেছে, বিয়ে করেছেন চলচ্চিত্রশিল্পী সাবরিনা সুলতানা কেয়া। মান্না ও শাকিবের সঙ্গে অভিনয় শুরু করেছিলেন তিনি। তাও প্রায় দুই যুগ আগে। ৩৯ বছর বয়সে বিয়ের খবর জানালেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার ২৮ নভেম্বর মধ্যরাতে ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে খবরটি জানান এই নায়িকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বিয়ের খবর জানিয়ে লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ। বিয়ে করলাম, সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কেয়ার স্বামীর নাম মোস্তাক কিবরিয়া। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তবে মোস্তাকের এটি প্রথম বিয়ে নয়। এর আগে মোস্তাক কিবরিয়া চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা কে বিয়ে করেছিলেন। তাই পূর্ণিমার প্রাক্তন স্বামী তিনি। জানা গেছে, ২০০৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়ী মোস্তাক কিবরিয়ার সঙ্গে প্রথম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পূর্ণিমা। তার সাথে ডিভোর্স হয় ২০০৭ সালের ১৫ মে। বিয়ে প্রসঙ্গে কেয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ‘হঠাৎ করেই বিয়েটা করা, তেমন কোনো পরিকল্পনা ছিল না। বিয়েটা পারিবারিকভাবেই হয়েছে। আমার ও মোস্তাকের মা চাইছিলেন বিয়েটা হোক। দুই পরিবারের ইচ্ছাতেই বিয়ে হয়েছে। সবাই আমাদের নতুন সংসার জীবনের জন্য দোয়া করবেন। যেন বাকিটা পথ একসঙ্গে পাড়ি দিতে পারি। প্রেম নাকি পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়েছে জানতে চাইলে কেয়া বলেন, ‘সম্পূর্ণ পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছে। বিয়ের প্রস্তুতির জন্য সময়ও পাইনি। বিয়ের সময় শুধু দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, মনতাজুর রহমান আকবর নির্মিত ‘কঠিন বাস্তব’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন সাবরিনা সুলতানা কেয়া। এরপর টানা সিনেমায় অভিনয় করেন। নায়ক হিসেবে পান মান্না, রুবেল, আমিন খান, রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিব খানদের মতো তারকাদের। মাঝে পারিবারিক কারণে লম্বা বিরতিতে যান কেয়া। এরপর ২০১৫ সালে ‘ব্ল্যাক মানি’ দিয়ে আবারও পর্দায় ফেরেন নায়িকা। বর্তমানে তার অভিনীত বেশ কিছু সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এদিকে কেয়া অভিনীত ‘কাঠগোলাপ’ দেশে সেন্সরজনিত কারণে আটকে রয়েছে। তবে সিনেমাটি বুলগেরিয়া, ভারত, আমেরিকাসহ বিশ্বের নানা চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়ে আটটি পুরস্কার জিতেছে।

আইয়ুব বাচ্চুর অপ্রকাশিত গান আসছে ডিসেম্বরে

আইয়ুব বাচ্চুর অপ্রকাশিত গান আসছে ডিসেম্বরে প্রকাশ পেতে যাচ্ছে প্রয়াত ব্যান্ডশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর গাওয়া নতুন একটি গান। ব্যান্ড মিউজিক ডে উপলক্ষে ‘ইনবক্স’ শিরোনামের গানটি প্রকাশ পাবে আগামী ১ ডিসেম্বর। মৃত্যুর আগে বেশ কিছু গান তৈরি করেছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। কিন্তু প্রকাশ করে যেতে পারেননি। সেই গানগুলো একে একে প্রকাশ করার পরিকল্পনা নিয়েছে আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশন। এর প্রথম গান ‘ইনবক্স’। গানটির কথা লিখেছেন নিয়াজ আহমেদ অংশু। গানের সুর, সংগীত ও কণ্ঠ দিয়েছেন আইয়ুব বাচ্চু নিজেই। এলআরবি ব্যান্ডের গিটারিস্ট আবদুল্লাহ আল মাসুদ গ্লিটজকে বলেন, “বসের (আইয়ুব বাচ্চু) অনেকগুলো গানই তৈরি করা ছিল। তার মধ্যে ‘ইনবক্স’ প্রথম রিলিজ পাচ্ছে। আমাদের পরিকল্পনা ছিল ২০২৪ এর মধ্যে গানগুলো রিলিজ দেওয়ার। কিন্তু নানা কারণবশত আমরা সেটা করতে পারিনি। তবে আগামী বছরে আশা করছি সিরিজ আকারে গানগুলো প্রকাশ করব। চ্যালেঞ্জ নিয়েই গানগুলো প্রকাশ করতে হচ্ছে জানিয়ে মাসুদ বলেন, “আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুর পর পাঁচ বছর গানগুলো পড়ে ছিল, কম্পিউটার ওপেনই করা হয়নি, সেখান থেকে এগুলোকে নতুন করে তৈরি করা, গানগুলোকে উদ্ধার করে ডেটা রিকভারি করা, আবার প্রক্রিয়ায় নিয়ে এসে সারা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছানো এটা আমাদের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা সেই চ্যালেঞ্জ নিয়েছি, তবে আমাদের পৃষ্ঠপোষক দরকার, যদি কেউ আমাদের সাথে কোলাবরেশন করে বা এগিয়ে আসে আমাদের জন্য সুবিধা হয়। তাহলে আমরা অপ্রকাশিত গানগুলো আরও সুন্দর করে প্রকাশ করতে পারব। ইনবক্স গানটি মুক্তি পাবে আইয়ুব বাচ্চুর ইউটিউব চ্যানেল, আইটিউনস, স্পটিফাইসহ বেশ কয়েকটি প্ল্যাটফর্মে। ১৯৯১ সালের ৫ এপ্রিল আইয়ুব বাচ্চুর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘এলআরবি’, যে দলটি কয়েক দশক করে দেশের ব্যান্ড সংগীতকে করেছে সমৃদ্ধ। একাধারে গায়ক, গিটারিস্ট, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক বাচ্চু ভক্তদের কাছে পরিচিত ছিলেন ‘এবি’ নামে। আড়াই দশকের বেশি সময়ে ‘আমি কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘একদিন ঘুমভাঙা শহরে’, ‘চল বদলে যাই’, ‘এখন অনেক রাত’, ‘বারো মাস’, ‘হাসতে দেখ গাইতে দেখ’র মত বহু গান শ্রোতাদের উপহার দিয়েছেন বাচ্চু। ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর বাচ্চুর মৃত্যুর পর থেকে খেই হারিয়েছে দেশে-বিদেশে সাড়া ফেলা দলটি।

নিনজা-ডোরেমনের ডাবিং আর্টিস্ট জুনকো হরিয়ার মারা গেছেন

নিনজা-ডোরেমনের ডাবিং আর্টিস্ট জুনকো হরিয়ার মারা গেছেন কিংবদন্তি ডাবিং আর্টিস্ট জুনকো হরি মারা গেছেন। জনপ্রিয় কার্টুন নিনজা হাতোরি এবং ডোরেমন-এ কণ্ঠ দিয়ে তিনি বিশ্বজুড়ে খ্যাতি পেয়েছিলেন। অবশেষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন জাপানি এই ভয়েস আর্টিস্ট। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। জুনকো হরির প্রোডাকশন সংস্থা বাওবাব মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত বার্ধক্যজনিত কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে এই কঠিন সময়ে গোপনীয়তার অনুরোধ জানিয়ে তার শোকার্ত পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন। এই কারণেই শিল্পীর মৃত্যুর খবর দেরি করে জানানো হয়েছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় আরও জানা গেছে যে, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুধু নিকটাত্মীয়দের জন্য অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ভক্তদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া বাড়িতে যাওয়া বা উপহার দেওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রবীণ জাপানি এ অ্যানিমেশন ডাবিং তারকা অসংখ্য জনপ্রিয় অ্যানিমেশনে নিজের কণ্ঠ দিয়েছেন। অ্যানিমে ভূমিকার জন্য পিচ করার পাশাপাশি গেগে নো কিতারো এবং গানবারে গোয়েমন গেম সিরিজে ভিডিও গেম চরিত্র সুনাকাকে এবং সাসুকেতে কণ্ঠ দিয়েছেন হরি। অ্যানিমে নিউজ নেটওয়ার্ক অনুসারে, তিনি পশ্চিমা চলচ্চিত্র টোক কিল এ মকিংবার্ড, ম্যাড ম্যাক্স বিয়ন্ড থান্ডারডোম এবং গেট ইওর গানের ভূমিকায় ডাব করেছেন। তার অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি ব্যস্ততার জন্য তাকে অ্যানিমেটেড সিটকম দ্য সিম্পসনসের প্রথম ১৫ সিজনে বার্ট সিম্পসনকে কণ্ঠ দিতে হয়েছিল। তাছাড়া, তিনি টম অ্যান্ড জেরি কার্টুন সিরিজে জেরির কণ্ঠস্বর দিয়েছিলেন। হরির অ্যানিমে ক্রেডিটগুলোর তালিকার মধ্যে রয়েছে অ্যাস্ট্রো বয়, সিন্ডারেলা বয়, অ্যান অফ গ্রিন গেবলস, দ্য গুটি ফ্রগ, লিজেন্ড অফ দ্য মিস্টিক্যাল নিনজা, সিন্দবাদ দ্য সেলর, রেইন বয়, ক্যাট আইড বয়, স্পিড রেসার, লিটল লুলু, টোকিও মেউ-এর ভয়েসিং চরিত্রগুলো যা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।