আন্দোলনে বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীদের বিয়ের জন্য আসিফের টিপস

আন্দোলনে বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীদের বিয়ের জন্য আসিফের টিপস সামাজিকমাধ্যমে বেশ সরব থাকেন বাংলা গানের ‘যুবরাজ’ আসিফ আকবর। এবার এই গায়ক জানালেন, শিক্ষার্থীদের সময়মতো বিয়ে করার মাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আসল সফলতা আসবে। শুধু তাই নয় মজার ছলেই বললেন, এজন্য প্রয়োজনে রাষ্ট্র পদ্ধতিতে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করার কথাও। বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে আসিফ আকবর লেখেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আসল সফলতা আসবে ছাত্র-ছাত্রীদের সময়মতো বিয়ে করার মাধ্যমেই। আমি ২৪/২৫ বছর বয়সে বিয়ের পক্ষে। এতে সংসার শুরু করা যায় দ্রুত। তারাও বাবা মা হতে পারে, আমরাও দাদা/ নানা হতে পারি সুন্দর সময়ে। সন্তানদের বিয়ের জন্য বাবা মাকে এগিয়ে আসতে হবে উল্লেখ করেন আসিফ। তিনি লেখেন, কবে স্টাডি শেষ হবে, তারপর প্রতিষ্ঠা পাবে, তারপর টাকা জমিয়ে বিয়ে করতে হবে। এরমধ্যে চলে যাবে যৌবনের সুন্দর সময়। স্বর্ণের ভরি এখন এক লাখ পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা। অন্যান্য সামাজিকতার খরচ ধরলে কেউ ২৪/২৫ বছর বয়সে বিয়ে করতে পারবে না। সন্তানদের বিয়ের জন্য এগিয়ে আসতে হবে বাবা-মা’কে। তিনি আরও লেখেন, দুঃখজনক হলেও সত্য, ছাত্র আন্দোলনের বাঘা বাঘা নেতা এবং তাদের সহকর্মীরা এখনো ব্যাচেলর, অথচ আমি ঐ বয়সে দুই ছেলের বাবা হয়েছি। তাদের উচিত রাষ্ট্র ব্যবস্থায় তরুণদের বিয়ের জন্য একটা পদ্ধতি তৈরি করা, ব্যাংক ঋণ দিবে এবং সেটা দূরবর্তী সময়ের কিস্তিতে আস্তে আস্তে পরিশোধ করা হবে কোন প্রেশার ছাড়া। আন্দোলনে বিজয়ী ছাত্র ছাত্রীদের জন্য একটা ফ্রি টিপস দিলাম, এখনই সময়। বড় ছেলে শাফকাত আসিফের বিয়ের বিষয়ে উল্লেখ করে এই সংগীতশিল্পী লেখেন, এদিকে দেখতে দেখতে আমার বড় ছেলে শাফকাত আসিফ এবং শেহরীন ঈশিতার দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকী পূরণ হয়েছে আজ। দুজনেই কানাডার টরন্টোয় স্টাডিতে আছে। তবে আপাতত দাদা হওয়ার মতো কোনো সুখবর নেই। সবশেষ আসিফ লেখেন, ছেলেকে জিজ্ঞেস করলাম, সে বললো ‘প্ল্যান নাকি আছে’। বললাম ‘তোমার জন্মের সময় কোন প্ল্যান আমাদের ছিল না, অথচ দুর্ভাগ্য তোমার কাছ থেকে প্ল্যানের গল্প শুনতে হলো’। পরিস্থিতি যাই ঘটুক ২০২৬ সালের শুরুতেই আমার ছোট ছেলে শাফায়াত রুদ্রর বিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ, সেই অপেক্ষায় অস্থির হয়ে আছি। রণ-ঈশিতা তোমাদের বিয়ে বার্ষিকীর শুভেচ্ছা। আনন্দে বাঁচো বাবা। ভালবাসা অবিরাম।

৮ দিনে জুনিয়র এনটিআর-জাহ্নবীর সিনেমার আয় ৪৬৩ কোটি টাকা

৮ দিনে জুনিয়র এনটিআর-জাহ্নবীর সিনেমার আয় ৪৬৩ কোটি টাকা ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক জুনিয়র এনটিআর। দীর্ঘ ৮ বছর পর তাকে নিয়ে ‘দেবারা’ সিনেমা নির্মাণ করেছেন কোরাতলা শিবা। এতে জুনিয়র এনটিআরের বিপরীতে অভিনয় করেছেন শ্রীদেবী কন্যা জাহ্নবী কাপুর। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বের ৭ হাজার ২৫০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ‘দেবারা’। মুক্তির আগে থেকেই ঢের আলোচনায় ছিল এটি। মুক্তির পরও বক্স অফিসেও দারুণ সাড়া ফেলেছে। যদিও বক্স অফিসে আয়ের গ্রাফ ওঠানামা করছে। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুসারে, ‘দেবারা’ সিনেমা মুক্তির ৮ দিনে শুধু ভারতে আয় করেছে ২৫৫.১৫ কোটি রুপি (গ্রস), ‍বিদেশে আয় করেছে ৬৯.১ কোটি রুপি। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৩২৪.২৫ কোটি রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৬৩ কোটি টাকার বেশি। ‘দেবারা’ সিনেমা নির্মাণে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় করেছেন নির্মাতারা। সিনেমাটির ভিএফএক্সের জন্য অনেক ব্যয় হয়েছে। এর আগে নিউজ১৮ জানিয়েছিল, ‘দেবারা’ সিনেমার ভিএফএক্স-এর জন্য ১৪০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৮৫ কোটি টাকার বেশি) ব্যয় করা হবে। বিশাল বাজেটের ৩৩ শতাংশ এ বাবদ ব্যয় করছেন নির্মাতারা। বলি মুভি রিভিউজের তথ্য অনুসারে, ‘দেবারা’ নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩০০ কোটি রুপি। মুক্তির আগেই সিনেমাটি আয় করেছে ১৮৪ কোটি রুপি। ‘দেবারা’ সিনেমায় জুনিয়র এনটিআরের বিপরীতে অভিনয় করেছেন শ্রীদেবী কন্যা জাহ্নবী কাপুর। এ সিনেমার মাধ্যমে তেলেগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অভিষেক হলো তার। তা ছাড়াও সিনেমাটির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান।

পূজা দিয়ে শুরু বিজয়-পূজার যাত্রা

পূজা দিয়ে শুরু বিজয়-পূজার যাত্রা ভারতের দক্ষিণী সিনেমার তারকা অভিনেতা থালাপাতি বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘থালাপাতি ৬৯’। সিনেমাটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করবেন পূজা হেগড়ে। এটি পরিচালনা করছেন এইচ. বিনোত। অনেক দিন ধরেই সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা চলছে। অবশেষে পূজা দিয়ে যাত্রা শুরু হলো এ সিনেমার। ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, শুক্রবার (৪ অক্টোবর) পূজা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সিনেমাটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করলেন নির্মাতারা। পূজা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন থালাপাতি বিজয়, পূজা হেগড়ে, ববি দেওল, পরিচালক এইচ. বিনোতসহ অনেকে। আগামীকাল থেকে সিনেমাটির দৃশ্যধারনের কাজ শুরুর কথা রয়েছে। বিজয়-পূজা ছাড়াও সিনেমাটির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করবেন— মমিতা বাইজু, প্রিয়ামনি, প্রকাশ রাজ প্রমুখ। এটি প্রযোজনা করছে কেভিএন প্রোডাকশনস। এর আগেও জুটি বেঁধে পর্দায় হাজির হয়েছেন বিজয়-পূজা। সর্বশেষ ‘বিস্ট’ সিনেমায় দেখা যায় এ জুটিকে। সিনেমাটিতে ‘হালামাথি হাবিবি’ শিরোনামের একটি গানে নেচে আলাদা মাত্রা যোগ করেছিলেন তারা। ২০২২ সালে মুক্তি পায় এটি। বক্স অফিসেও দারুণ ঝড় তুলেছিল এটি।

ভক্তরা ভেবেছিল শাকিব খান, আসলে জিৎ

ভক্তরা ভেবেছিল শাকিব খান, আসলে জিৎ নির্মাণের নেশা চেপে বসেছে রায়হান রাফীর। তাই বলে শাকিব ভক্তদের মন ভেঙে দেবেন তা কে ভেবেছিল! শোনা যাচ্ছিল, ‘তুফান-২’ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে উঠছেন তিনি। হঠাৎ জানা গেল, ‘তুফান’ নয়, ‘লায়ন’ নামে নতুন এক ছবির কাজে হাত দিচ্ছেন তিনি। আর তাতে শাকিব নয়, থাকছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তারকা জিৎ। চলতি বছরের শেষদিকে শুরু হবে এই ছবির শুটিং। নতুন এই সিনেমা প্রসঙ্গে রায়হান রাফী বলেন, ‘নতুন গল্পে বৈচিত্র্যময় থ্রিলার সিনেমা হবে এটি, যা দেশের দর্শক আগে দেখেননি। এই জার্নিতে কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎকে নতুনভাবে পর্দায় হাজির করা হবে।’ রাফী জানান, শুধু জিৎ নয়, ‘লায়ন’ ছবিতে থাকবেন বাংলাদেশের অভিনেতা শরিফুল রাজ। রাফী বলেন, ‘শরীফুল রাজের চরিত্রে চমক আছে। আমার “পরাণ”, “সুড়ঙ্গ”, “তুফান”-এর চেয়েও “লায়ন-১” বেশি আলোচিত হবে। সেভাবেই আমরা প্রজেক্টটি দাঁড় করাচ্ছি।’ তিনি জানান, ডিসেম্বর মাস থেকে ‘লায়ন’-এর শুটিং শুরু করবেন। তিন কিস্তিতে শেষ হবে সিনেমা। ‘লায়ন-১’ থেকে শুরু করে শেষ হবে লায়ন-৩-এ। প্রথম কিস্তি মুক্তি পাবে ঈদুল ফিতরে। গতকাল মুক্তি পেয়েছে রাফী নির্মিত নতুন ওয়েব ফিল্ম ‘মায়া’। এতে অভিনয় করেছেন মামনুন ইমন ও সারিকা সাবরিন। নতুন ছবি প্রসঙ্গে রাফী বলেন, ‘এটা আমার একদম অন্যরকম একটা ছবি। আপনারা জানেন, আমি সিনেমার পাশাপাশি ওয়েব ফিল্ম বানাই। “মায়া” বানিয়েছিলাম তুফানেরও আগে। এটা বানানোর আগে চিন্তা করছিলাম, এই সিনেমায় আমি এমন দুজনকে কাস্ট করব, যারা একসময় বড় স্টার ছিল, অনেক জনপ্রিয় ছিল এবং এখনও কাজ করছেন। চিন্তামতো ওই সময়ের একটা জনপ্রিয় জুটিকে নিয়েই কাজ করার চেষ্টা করেছি। তারা হলেন ইমন-সারিকা। আমার চ্যালেঞ্জ ছিল, দুজনকে নতুন করে আবিষ্কার করা। সেটা আমি করেছি। বাকিটা দর্শক বলবেন।’

সুখবর দিলেন কোয়েল মল্লিক

সুখবর দিলেন কোয়েল মল্লিক ভক্তদের জন্য সুখবর দিলেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। আজ (৩ অক্টোবর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুখবরটি কোয়েল নিজেই শেয়ার করেছেন। আনন্দের খবরটি হচ্ছে কোয়েল আবারও মা হচ্ছেন। কোয়েল তার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করেছেন। এতে দেখা গেল স্বামী প্রযোজক নিশপাল সিং ও ছেলে কবীরকে সঙ্গে নিয়ে বসে রয়েছেন তিনি। সেই ছবি পোস্ট করেই কোয়েল লিখেছেন, ‘সবার সঙ্গে একটি সুখবর ভাগ করে নিচ্ছি। আমাদের পরিবার আরও বড় হচ্ছে। কবীর শিগগির বড় দাদার দায়িত্ব পেতে যাচ্ছে। সবার আশীর্বাদ ও ভালোবাসা চাই।’ কোয়েল মল্লিক ২০২০ সালের ৫ মে প্রথমবার পুত্রসন্তানের মা হন। তার ছেলেন নাম কবীর। এবার দ্বিতীয়বার মা হওয়ার সুখবর দিলেন কোয়েল। প্রেমের সম্পর্কের প্রায় সাত বছর পর ২০১৩ সালে বিয়ে করেন কোয়েল ও নিসপাল। পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দ্বিতীবার কোয়েলের মা হওয়ার এ সুখবর জেনে কোয়েল মল্লিককে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন টালিউড তারকা শুভশ্রী, পরমব্রতসহ আরও অনেকে। এদিকে কোয়েল মল্লিক কয়েকদিন আগে ‘একটি খুনির সন্ধানে’ সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন। তিনি গত মার্চ মাসে সেই শুটিংয়ে আহতও হয়েছিলেন। তবে কোয়েল এখন সুস্থ আছেন। অরিন্দম শীলের পরিচালনায় সিনেমাটি শিগগিরই মুক্তি পাবে। সিনেমাটিতে মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন কোয়েল মল্লিক। এতে আরও অন্যান্য চরিত্রে থাকবেন মধুরিমা বসাক, কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। কোয়েল মল্লিক ২০০৩ সালে টালিউডে অভিনয় শুরু করেন। দেখতে দেখতে টালিউড ইন্ডাস্ট্রিতে ২১ বছর পার করেছেন এ অভিনেত্রী।

কলকাতার সিনেমায় অপূর্বর অভিষেকের অপেক্ষা, সঙ্গী রাইমা

কলকাতার সিনেমায় অপূর্বর অভিষেকের অপেক্ষা, সঙ্গী রাইমা ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব দেশের পাশাপাশি ওপার বাংলায়ও জনপ্রিয়। কলকাতার ‘চালচিত্র’ সিনেমায় অভিনয়ও করেছেন তিনি। এত তার সঙ্গী হয়েছেন— রাইমা সেন ও স্বস্তিকা দত্ত। আগামী ২০ ডিসেম্বর কলকাতার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে এটি। ‘চালচিত্র’ নামের এই সিনেমা নির্মাণ করেছেন কলকাতার প্রতিম ডি গুপ্ত। সিনেমাটির মাধ্যমে কলকাতার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অভিষেক হতে যাচ্ছে অপূর্বর। রহস্যময় একটি চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। তা ছাড়াও চারজন পুলিশের চরিত্রে দেখা যাবে টোটা রায় চৌধুরী, অনির্বাণ চক্রবর্তী, শান্তনু মাহেশ্বরী এবং ইন্দ্রজিৎ বসুকে। সিনেমাটি নিয়ে পরিচালক প্রতিম ডি গুপ্ত বলেন, শহরে পর পর খুন হতে থাকে। আর খুনের পর মরদেহগুলোকে যেভাবে সাজিয়ে রাখা হয় সেটার সঙ্গে ১২ বছরের পুরোনো একটি কেসের মিল পায় টোটার চরিত্র। সত্যিই কি সেই কেসের সঙ্গে এই কেসের মিল আছে, নাকি তদন্তে নতুন কিছু উঠে আসবে সেটা নিয়েই এই সিনেমা।

ব্যক্তিগত জীবনে এতটা সাহসী নই: মেহজাবীন

ব্যক্তিগত জীবনে এতটা সাহসী নই: মেহজাবীন প্রথমবারের মতো টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশের সিনেমা ‘সাবা’। সিনেমার প্রিমিয়ারের পর বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন মেহজাবীন চৌধুরী। এক সাক্ষাৎকারে তার সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনেমার পরিচালক মাকসুদ হোসাইন, অভিনেতা মোস্তফা মন্ওয়ার। ওই সাক্ষাৎকারে মেহজাবীন বলেন, সিনেমাটির জন্য অনেক রিহার্সাল করেছি। কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। এটা একই সঙ্গে আমার পরিচালকের শাশুড়ির কথা, চিত্রনাট্যকারের মায়ের গল্প। যে কারণে অনেক গভীরভাবে চরিত্র সম্পর্ককে আলোচনা করতে পেরেছি। ‘চিত্রনাট্য পড়ে কি আপনার মনে হয়েছিল এই চরিত্রটিই আপনার জন্য?’ এমন প্রশ্নে মেহজাবীন বলেন, অনেকটাই সে রকম। ১২ বছর ধরে আমি বিভিন্ন রকম নাটকের চরিত্রে অভিনয় করেছি। কিন্তু আমি এই সময়ে কখনোই সিনেমার গল্প পছন্দ করিনি। আমি সব সময়ই অপেক্ষা করেছি এ রকম একটি চরিত্রের জন্য, যে চরিত্রটি ভার বহন করে। যেটা হবে একেবারেই আলাদা। যে চরিত্রে দর্শক আগে আমাকে দেখেননি, সেটাই বলবেন দর্শক। পরে পরিচালক মাকসুদের প্রস্তাব ও সিনেমাটি নিয়ে আত্মবিশ্বাস আমাকে আকৃষ্ট করেছে। একসময় সিনেমার জন্য বড় সময় নাটক থেকে বিরতি নেন, যা দর্শকদের বুঝতে দেননি মেহজাবীন। ‘সাবা’ হয়ে ওঠার পেছনের এই গল্পটি নিয়ে মেহজাবীন বলেন, সাবার চিত্রনাট্য পড়ে অন্য রকম অনুভূতি হয়। সাবা এমন একটা মেয়ে, যে অনেক সাহসী। সিনেমাটি দেখলেই বুঝবেন। আমি কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে এতটা সাহসী নই। এটা আগেই বলে রাখলাম। পরে আমাকে চরিত্রের জন্য সাহসী ভূমিকা নিতে হয়েছে। এই সাহসকে প্রত্যক্ষ করার জন্যই চরিত্র আমাকে আরও বেশি টানে। আসলে বাস্তবে আমি এতটা সাহসী নই। এবার টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ ডিসকভারি প্রোগ্রামে নির্বাচিত হয়েছিল ‘সাবা’ সিনেমাটি। এই বিভাগে আরও ২৩টি সিনেমা জায়গা করে নেয়। পরিচালক মাকসুদ জানান, সিনেমাটি এবার বুসান চলচ্চিত্র উৎসবে এশিয়ান প্রিমিয়ার হবে। আগামীকাল থেকে ২৯তম বুসান উৎসব চলবে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত। উৎসবে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাদের।

হাসপাতালে ভর্তি রজনীকান্ত

হাসপাতালে ভর্তি রজনীকান্ত হাসপাতালে ভর্তি ভারতের দক্ষিণী সিনেমার তুমুল জনপ্রিয় অভিনেতা রজনীকান্ত। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতেই অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন অভিনেতা। আনুষঙ্গিক নানা পরীক্ষা চলছে সোমবার রাত থেকেই। সোমবার মূলত পেটের যন্ত্রণায় অসুস্থ হয়ে পড়েন ৭৩ বছরের অভিনেতা। সেই সময় তিনি পরিচালক লোকেশ কনগরাজের ‘কুলি’ সিনেমার শুটিং করছিলেন। যন্ত্রণা বাড়ায় ওই রাতেই তাকে ভর্তি করানো হয় চেন্নাইয়ের প্রথম সারির একটি হাসপাতালে। মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সকাল থেকেই তার হৃদরোগ সংক্রান্ত চিকিৎসা শুরু হবে বলে জানা গেছে। চার দশকেরও বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে অসংখ্য ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন রজনীকান্ত। সবশেষ অভিনেতার মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জেলার’ ব্লকবাস্টার সিনেমা হয় বক্স অফিসে। আসন্ন সিনেমাগুলোর মধ্যে ‘ভেট্টিয়ান’ রজনীকান্তের ১৭০তম সিনেমা হতে চলেছে।

গুলিবিদ্ধ গোবিন্দ হাসপাতালে

গুলিবিদ্ধ গোবিন্দ হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলিউডের বরেণ্য অভিনেতা গোবিন্দ। বর্তমানে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এই অভিনেতা। ইন্ডিয়া টুডে এ খবর প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে নিজ বাড়িতে পায়ে গুলিবিদ্ধ হন অভিনেতা-শিবসেনা নেতা গোবিন্দ। মূলত,  ভোরবেলায় বাইরে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন গোবিন্দ। তার আগে নিজের লাইসেন্সকৃত রিভলবার চেক করার সময়ে মিস ফায়ার হয়। আর গুলি গিয়ে গোবিন্দর হাঁটুতে লাগে। পরে দ্রুত গোবিন্দকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে মুম্বাইয়ের ক্রিটিকেয়ার হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে তাকে। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সংবাদমাধ্যমটি। কিন্তু মন্তব্য করতে অপারাগতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, খুব দ্রুত বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন গোবিন্দর পরিবার।

মারা গেছেন ‘হ্যারি পটার’-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ‘প্রফেসর মিনার্ভা ম্যাকগোনাগল’

মারা গেছেন ‘হ্যারি পটার’-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ‘প্রফেসর মিনার্ভা ম্যাকগোনাগল’ হলিউডের জনপ্রিয় শিশুতোষ সিনেমা ‘হ্যারি পটার’-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ‘প্রফেসর মিনার্ভা ম্যাকগোনাগল’ চরিত্রে অভিনয় করা খ্যাতনামা ব্রিটিশ অভিনেত্রী ম্যাগি স্মিথ মারা গেছেন। শুক্রবার লন্ডনের একটি হাসপাতালে ৮৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এ অভিনেত্রী। হ্যারি পটার হচ্ছে ব্রিটিশ লেখিকা জে. কে. রাউলিং রচিত সাত খন্ডের কাল্পনিক উপন্যাসের একটি সিরিজ। এই সিরিজের উপন্যাসগুলোর মূল বিষয় জাদুকরদের দুনিয়া নিয়ে। এর কাহিনী আবর্তিত হয়েছে হ্যারি পটার নামে এক কিশোর জাদুকরকে ঘিরে যে তার দুই প্রিয় বন্ধু রন উইজলি ও হারমায়নি গ্রেঞ্জারকে সাথে নিয়ে নানা অ্যাডভেঞ্চারে অংশ নেয়। গল্পের বেশিরভাগ ঘটনা ঘটেছে হগওয়ার্টস স্কুল অব উইচক্র্যাফট অ্যান্ড উইজার্ডরিতে। মূল চরিত্র হ্যারি পটারের বড় হওয়ার পথে যেসব ঘটনা ঘটে, তার শিক্ষাজীবন, সম্পর্ক ও অ্যাডভেঞ্চার নিয়েই কাহিনী রচিত হয়েছে। ৭টি বইয়ের কাহিনী নিয়ে তৈরি হয় আটটি সফল চলচ্চিত্র। এই হ্যারি পটার সিরিজে ‘প্রফেসর মিনার্ভা ম্যাকগোনাগল’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ম্যাগি স্মিথ। এ চরিত্রের কারণে জন্য বর্তমান প্রজন্মের কাছে তিনি প্রফেসর ম্যাকগোনাগেল নামেই অধিক পরিচিত। স্মিথের ক্যারিয়ারের শুরু ১৯৫০-এর দশকে। তিনি ট্রেবল অ্যাওয়ার্ড জয়ী (অস্কার, এমি ও টনি অ্যাওয়ার্ড) অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম। দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে তার ঝুলিতে উঠেছে দুটি অস্কার, চারটি এমি অ্যাওয়ার্ড ও টনি অ্যাওয়ার্ড। ১৯৬৫ সালে লরেন্স অলিভিয়ারের ‌‘ওথেলো’ সিনেমায় ডেসডিমোনা চরিত্রে অভিনয় করে প্রথমবারের মতো তিনি একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হন। ১৯৬৯ সালে ‘দ্য প্রাইম অব মিস জিন ব্রডি’-তে এডিনবার্গ স্কুলশিক্ষিকার চরিত্রে অভিনয় তাকে অস্কার এনে দেয়। দ্বিতীয় অস্কার জেতেন ১৯৭৮ সালে ‘ক্যালিফোর্নিয়া সুইট’-এ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য। ১৯৯০ সালে রানি এলিজাবেথ তাকে সম্মানসূচক ‘ডেম’ উপাধিতে ভূষিত করেন। ডেম উপাধি মূলত নারীদের দেওয়া হয়। এটি যুক্তরাজ্যের রাজার দেওয়া অন্যতম সর্বোচ্চ সম্মানজনক ‘নাইট’ উপাধির সমতুল্য।