চুরির অভ্যাস আছে নবাব কন্যা সারার!

চুরির অভ্যাস আছে নবাব কন্যা সারার! নবাব সাইফ আলী খানের কন্যা সারা আলী খান। অল্প কয়েকদিনে বলিউডে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করেছেন। সৌন্দর্য, অভিনয় দক্ষতা আর আত্মত্যাগের মাধ্যমেই বলিউডে জায়গা করে নিতে পেরেছেন তিনি। শো-বিজে পা রাখার আগে অনেক মোটা ছিলেন সারা। প্রায় ৯২ কেজি ওজন ছিল সালা আলী খানের। সেখান থেকে বর্তমানে ৫২ কেজিতে এসে দাঁড়িয়েছেন এই হালের ক্রেজ। ওজন কমানোর জন্য ভালোলাগার খাবার খাওয়া বন্ধ করতে হয়েছে তাকে। নিয়মিত চালিয়ে যেতে হয়েছে শরীরচর্চাও। এত শৃঙ্খলিত যিনি তিনিই নাকি বাথরুম থেকে ‘বাথ রোল’ বা সাবান চুরি করতেও ছাড়েন না! একজন মানুষের সবচেয়ে গোপন কথা জানে তার প্রিয় বন্ধু। সারা সম্পর্কে এই গোপন তথ্য গণমাধ্যমে এনেছেন তারই বন্ধু ওরহান অবত্রমানি ওরি। ওরহান জানিয়েছেন, ‘এক বার বিদেশে সারার সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে ওরির শেষ গার্লিক নান চুরি করে খেয়ে নেন সারা। বিদেশ থেকে দেশে ফেরার সময় বাথরুম থেকে বাথ রোলসহ আরও অনেক কিছু চুরি করে নিয়ে এসেছিল সারা।’ উল্লেখ্য, প্রসাধনীর প্রতি বিশেষ দুর্বলতা আছে সারার। তার প্রমাণ তার কথাতেও মেলে। কপিল শর্মার শোতে এসে সারা জানিয়েছিলেন, কোনো টাকা পয়সা খরচ না করেই প্রসাধনী পেতে ভালো লাগে তার।
প্রাণনাশের হুমকিতে সালমান খানের ‘ওয়াই প্লাস’ ক্যাটাগরির সিকিউরিটি

প্রাণনাশের হুমকিতে সালমান খানের ‘ওয়াই প্লাস’ ক্যাটাগরির সিকিউরিটি বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। সিনেমার পাশাপাশি বিতর্কিত টিভি রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’ সঞ্চালনা করে থাকেন। গত ৬ অক্টোবর আলোচিত এ শোয়ের ১৮তম সিজন শুরু হয়েছে। অতীতের মতো এবারো শোটি সঞ্চালনা করছেন সালমান খান।রাজনীতিবিদ বাবা সিদ্দিককে হত্যার পর সালমান খানের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। এ পরিস্থিতির মধ্যেও বিগ বসের শুটিং বন্ধ না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সালমান খান। কঠোর নিরাপত্তার মাঝে আজ শুটিং করবেন তিনি। একটি সূত্র ইন্ডিয়া টুডেকে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার গভীর রাতেও বিগ বসের সেটে গিয়েছিলেন সালমান খান। কড়া নিরাপত্তার মাঝে আজও (১৮ অক্টোবর) শুটিং করবেন তিনি। শুটিং সেটে সালমান খানের নিরাপত্তায় ষাটের অধিক নিরাপত্তাকর্মী থাকবেন। পুরো এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে।’ বৈধ আধার কার্ড যাছাইবাছাইয়ের পর কেউ শুটিং সেটে প্রবেশ করার অনুমতি পাবেন বলেও সূত্রটি জানিয়েছেন। সালমানের বন্ধু বাবা সিদ্দিককে হত্যার দায় নিয়েছে গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের দল। এই লরেন্স বিষ্ণোই সালমান খানকে একাধিকবার প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের এক সদস্য সালমানকে হত্যার হুমকি দিয়ে আজ ট্রাফিক পুলিশের কাছে মেসেজ পাঠিয়েছে।ইন্ডিয়া টুডের তথ্য অনুসারে, বাবা সিদ্দিককে হত্যার পর সালমান খানের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মহারাষ্ট্র সরকার সালমান খানকে ‘ওয়াই প্লাস’ ক্যাটাগরির সিকিউরিটি দিচ্ছে।
আইয়ুব বাচ্চুর রুপালি গিটার ফেলে যাওয়ার ৬ বছর আজ

আইয়ুব বাচ্চুর রুপালি গিটার ফেলে যাওয়ার ৬ বছর আজ ‘আর বেশি কাঁদালে উড়াল দেব আকাশে’— রুপালি গিটার ফেলে সত্যি সত্যি আকাশে উড়াল দিয়েছেন সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু। ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর হঠাৎ তার উড়ে যাওয়া কেউ-ই মেনে নিতে পারেননি। আজ তার ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার খরনা ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন আইয়ুব বাচ্চু। তার বাবা ইশহাক চোধুরী। মা নুরজাহান বেগম। তার বেড়ে উঠা একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। আইয়ুব বাচ্চুর পরিবারের কেউ সংগীতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এমনকি তার ভাই-বোনদের মধ্যেও কেউ না। কিন্তু বাচ্চু ছোটবেলা থেকেই গিটার বাজানোর নেশায় মাতেন। যতটা জানা যায়, জিমি হেনড্রিক্সকে দেখার পর গিটারের বিষয়টা প্রথম সংক্রমিত করে আইয়ুব বাচ্চুকে। তার সংগীত জীবন শুরু হয় মূলত ১৯৭৭ সালে। ১৯৭৮ সালে তিনি ব্যান্ড ফিলিংসে যোগ দেন। তার প্রথম গান ‘হারানো বিকেলের গল্প’। এরপর যোগ দেন সোলসে। ১৯৮০ থেকে পরবর্তী পুরো এক দশকে ব্যান্ডের সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন। সোলস ছাড়ার পর ১৯৯১ সালে নিজে গঠন করেন নতুন ব্যান্ড এলআরবি। প্রথমে এলআরবির পূর্ণ অর্থ ছিল লিটল রিভার ব্যান্ড। এ নামে অস্ট্রেলিয়াতে আরেকটি ব্যান্ড থাকায় পরে বদল করে করা হয় লাভ রানস ব্লাইন্ড।বাংলা গানের নতুন ধারার এই অনন্য শিল্পী অনেকগুলো চলচ্চিত্রে কণ্ঠ দিয়েছেন। যেমন: ১৯৯৯ সালে ‘লাল বাদশা’ ও ‘আম্মাজান’, ২০০০ সালে ‘গুন্ডা নাম্বার ওয়ান’, ২০০৪ সালে ‘ব্যাচেলর’ ও ‘রং নাম্বার’, ২০০৯ সালে ‘চাঁদের মতো বউ’, ২০১২ সালে ‘চোরাবালি’, ২০১৩ সালে ‘টেলিভিশন’ এবং ২০১৪ সালে ‘এক কাপ চা’ প্রভৃতি। তার গাওয়া ‘আম্মাজান’ গানটি বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম শ্রোতাপ্রিয় গান।তার প্রথম একক অ্যালবাম প্রকাশিত হয় ১৯৮৬ সালে ‘রক্তগোলাপ নামে’। আর এলআরবির প্রথম অ্যালবাম হলো ‘এলআরবি’ (১৯৯২)। এরপর ‘ব্যান্ডের সুখ’ (১৯৯৩), ‘তবুও’ (১৯৯৪), ‘ঘুমন্ত শহরে’ (১৯৯৫), ‘ফেরারী মন’, ‘স্বপ্ন’ (১৯৯৬), ‘আমাদের বিস্ময়’ (১৯৯৮), ‘মন চাইলে মন পাবে’ (২০০০), ‘অচেনা জীবন’ (২০০৩), ‘মনে আছে নাকি নেই’ (২০০৫), ‘স্পর্শ’ (২০০৮), ‘যুদ্ধ’ (২০১২) প্রকাশিত হয়। একক অ্যালবামের মধ্যে রক্তগোলাপের পর রয়েছে ‘ময়না’ (১৯৮৮), ‘কষ্ট’ (১৯৯৫), ‘সময়’ (১৯৯৮), ‘একা’ (১৯৯৯), ‘প্রেম তুমি কি!’ (২০০২), ‘দুটি মন’ (২০০২), ‘কাফেলা’ (২০০২), ‘প্রেম প্রেমের মতো’ (২০০৩), ‘পথের গান’ (২০০৪), ‘ভাটির টানে মাটির গানে’ (২০০৬), ‘জীবন’ (২০০৬), ‘সাউন্ড অব সাইলেন্স’ (ইন্সট্রুমেন্টাল, ২০০৭), ‘রিমঝিম বৃষ্টি’ (২০০৮), ‘বলিনি কখনো’ (২০০৯), ‘জীবনের গল্প’ (২০১৫)। তা ছাড়াও অনেক মিশ্র অ্যালবামে কাজ করেছেন আইয়ুব বাচ্চু। ব্যান্ড এলআরবি ও ফিলিংস নব্বইয়ের দশকে যৌথভাবে ‘ক্যাপসুল’ ও ‘স্ক্রু ড্রাইভার’ নামে অসম্ভব শ্রোতাপ্রিয় দুটি অ্যালবাম উপহার দেন।
আগে পেটের খাবার তারপর বিনোদন বলেছেন পবন কল্যান

আগে পেটের খাবার তারপর বিনোদন বলেছেন পবন কল্যান ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা পবন কল্যাণ। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয়। জনসেনা পার্টির প্রধান তিনি। চলতি বছরে অনুষ্ঠিত লোকসভা নির্বাচনে অন্ধ্রপ্রদেশে তার দল দুটো আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুটোতেই জয় লাভ করে। বর্তমানে অন্ধ্রপ্রদেশের ডেপুটি চিফ মিনিস্টারের দায়িত্ব পালন করছেন পবন কল্যাণ। রাজ্যের এক অনুষ্ঠানে গিয়ে এ নায়ক বলেন— ‘বিনোদন নেওয়ার আগে আপনার পেটে খাবার থাকতে হবে।’ বিষয়টি ব্যাখ্যা করে পবন কল্যাণ বলেন, ‘প্রত্যেকে বিনোদন চায়। আপনার উচিত প্রিয় নায়কের সিনেমা দেখা। টিকিটের জন্য আপনাকে অর্থ ব্যয় করতে হবে। এজন্য আপনার কাছে অর্থ থাকা প্রয়োজন। বিনোদন নেওয়ার আগে আপনার পেটে খাবার থাকতে হবে। সেজন্য আগে পেট ভরার কাজটি করা যাক। আসুন, আমরা আগে রাস্তা-ঘাট ও স্কুলের উন্নতি করি, তারপর বিনোদন নিয়ে ভাবা যাবে।’ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কারো সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন না পবন কল্যাণ। তা উল্লেখ করে এ নায়ক বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রির কোনো নায়কের সঙ্গে আমার কোনো সমস্যা নেই। আমি কারো সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি না। প্রত্যেকে তার নিজের জায়গায় দক্ষ। আমি সবার জন্য মঙ্গল কামনা করি। আমি চাই বালাকৃষ্ণা, চিরঞ্জীবী, মহেশ বাবু, তারকা, আল্লু অর্জুন, রাম চরণ সবাই ভালো থাকুক।’ ফিল্ম নয়, রাজ্যের অর্থনীতির উন্নতির দিকে নজর দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে পবন কল্যাণ বলেন, ‘আপনি যদি আপনার প্রিয় নায়ককে উৎসাহ দিতে চান, তবে রাজ্যের অর্থনীতির ভালো অবস্থা প্রয়োজন। সুতরাং আমাদের এ দিকে নজর দেওয়া উচিত।’ পবন কল্যাণ অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ব্রো’। গত বছরের ২৮ জুলাই মুক্তি পায় এটি। বর্তমানে পবন কল্যাণের হাতে রয়েছে ‘হরি হারা বীরা মালু’ সিনেমার কাজ। কৃষ পরিচালিত এ সিনেমায় তার সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করছেন ২৮ বছর বয়সি অভিনেত্রী নিধি আগরওয়াল। তা ছাড়াও ‘ওস্তাদ ভগত সিং’, ‘ওজি’ সিনেমার কাজ তার হাতে রয়েছে।
‘বেবি বাম্প’ নিয়ে হাজির সিনেমার প্রিমিয়ারে রাধিকা আপ্তে

‘বেবি বাম্প’ নিয়ে হাজির সিনেমার প্রিমিয়ারে রাধিকা আপ্তে ব্রিটেনের জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক বেনেডিক্ট টেইলরকে বিয়ের পর একদম উধাও হয়ে গেছেন বলিউড অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে। বিদেশি স্বামী ও সংসার নিয়েই ব্যস্ত আছেন। কখনোই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনায় না থাকা রাধিকা এবার আর লুকোছাপা রাখলেন না। বিয়ের ১২ বছর পর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার সুখবরটি জানালেন ভক্তদের। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। তাও আবার লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে হাজির হয়ে! হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার ১৬ অক্টোবর, বিএফআই লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাধিকার সিনেমা ‘সিস্টার মিডনাইটে’র স্ক্রীনিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে, তিনি তার বেবি বাম্প নিয়ে রেড কার্পেটে হেঁটেছেন। ইনস্টাগ্রামে রাধিকার পোস্ট করা ছবিতে দেখা গিয়েছে, কালো রঙে ইভেনিং গাউন পরেছেন তিনি। আর এতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে তার বেবি বাম্প। তবে সেই পোস্টেও মা হওয়া নিয়ে একটা টুঁ শব্দও করেননি! যদিও অনুরাগীরা সেই পোস্টের নিচেই অভিনেত্রীকে শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসিয়েছেন। শিগগিরই মুক্তি পেতে চলেছে রাধিকার দুটি ইংরেজি সিনেমা। একটি ‘সিস্টার মিডনাইট’, অন্যটি ‘লাস্ট ডে’। জানা যায়, এই দুই সিনেমার প্রচারের কাজেই বর্তমানে লন্ডনে রয়েছেন তিনি। লন্ডনে নাচ শিখতে গিয়ে ২০১১ সালে ব্রিটিশ ভায়োলিন বাদক ও সংগীতজ্ঞ বেনেডিক্ট টেলরের সঙ্গে রাধিকার পরিচয় হয়। ২০১২ সালে বিয়ে করেন এ জুটি। এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ ১২ বছর। অবশেষে এ দম্পতির সংসার আলো করে আসছে নতুন অতিথি।
প্রেমের সম্পর্কে থাকার কথা স্বীকার করলেন শ্রদ্ধা

প্রেমের সম্পর্কে থাকার কথা স্বীকার করলেন শ্রদ্ধা বলিউড অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর। প্রেমের সম্পর্কের গুঞ্জনে একাধিকবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন। তবে কখনো তা স্বীকার করেননি। অবশেষে সম্পর্কে থাকার কথা স্বীকার করলেন এই অভিনেত্রী। কসমোপলিটন ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন শ্রদ্ধা কাপুর। এ আলাপচারিতায় শ্রদ্ধা কাপুর বলেন, ‘আমি আমার পার্টনারের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করি। যেমন— একসঙ্গে সিনেমা দেখা, ডিনারে যাওয়া বা কোথাও ঘুরতে যাওয়া। আমি এমন প্রকৃতির মানুষ যে, একসঙ্গে সময় কাটাতে অথবা কোনো কাজ নেই তারপরও একসঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসি। এমনকি আমার স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে যদি দেখা না হয়, তবু মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। আমার সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তাই।’ বিয়েতে বিশ্বাস করেন কিনা? এ প্রশ্নের জবাবে শ্রদ্ধা কাপুর বলেন, ‘বিয়েতে বিশ্বাসের প্রশ্ন নয়, বরং সঠিক ব্যক্তির সঙ্গে থাকার প্রশ্ন আগে। যদি কেউ মনে করেন বিয়ে করতে চান, তবে এটি ভালো। কিন্তু যদি তারা বিয়ে করতে না চান, তবু এটি ভালো।’ ‘পার্টনার’ শব্দটি ব্যবহার করে শ্রদ্ধা প্রেমের সম্পর্কে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কার সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন তা পরিষ্কার করেননি এই নায়িকা। চলতি বছরের শুরুতে জানা যায়, চিত্রনাট্যকার রাহুল মোদির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন শ্রদ্ধা। যদিও কয়েক মাসের ব্যবধানে এ সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার গুঞ্জনও বলিপাড়ায় উড়েছে। শ্রদ্ধা কাপুর অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘স্ত্রী টু’। অমর কৌশিক পরিচালিত এ সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করেন রাজকুমার রাও। কমেডি-হরর ঘরানার এ সিনেমা গত ১৫ আগস্ট বিশ্বের ৩ হাজার পর্দায় মুক্তি পায়। মুক্তির পর বক্স অফিসে ঝড় তুলেছিল সিনেমাটি।
আমার রিজিক কেড়ে নিলেন: জয়

আমার রিজিক কেড়ে নিলেন: জয় অভিনেতা, নির্মাতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়। অভিনয় দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও পরবর্তীতে পরিচালনা ও উপস্থাপনায় সরব হন। বিতর্কিত উপস্থাপন ও নানা ধরনের মন্তব্য করে প্রায়ই আলোচনায় থাকেন তিনি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর থেকে নানাভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন শাহরিয়ার নাজিম জয়। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়তে হচ্ছে তাকে। ইতিমধ্যে তাকে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি করা হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে, সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না এই অভিনেতার। এ পরিস্থিতিতে ক্ষমা চেয়ে জয় বলেন, ‘আমার পরিবারের মানুষ চিন্তিত।’ তা ছাড়া নানা বিতর্কের কারণে শোবিজাঙ্গনেও কাজ হারাচ্ছেন তিনি। এমন এক অভিযোগ সামনে এনে জয় জানান, ‘ত্রিভুজ’ নামের একটি ওয়েব ফিল্মে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। গত ১০ অক্টোবর ফিল্মটি মুক্তিও পেয়েছে। অন্যতম প্রধান চরিত্রে কাজ করলেও প্রচারণায় রাখা হয়নি তাকে। কেন এমনটা ঘটছে সেই প্রশ্নও তুলেছেন এই অভিনেতা।
বাংলাদেশে আসছেন পাকিস্তানি গায়ক আতিফ আসলাম!

বাংলাদেশে আসছেন পাকিস্তানি গায়ক আতিফ আসলাম! পাকিস্তানের জনপ্রিয় গায়ক আতিফ আসলাম। বাংলাদেশেও রয়েছে তার অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী। ঢাকা মাতাতে বাংলাদেশে আসছেন এই সংগীতশিল্পী। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শিল্পীদের নিয়ে ‘ম্যাজিক্যাল নাইট ২.০’ শিরোনামে কনসার্টের আয়োজন করছে ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশন। এতে গান শোনাবেন আতিফ আসলাম। একই কনসার্টে পারফর্ম করবেন পাকিস্তানের আবদুল হান্নান, বাংলাদেশের তাহসান খান ও ব্যান্ড কাকতাল। ‘ম্যাজিক্যাল নাইট ২.০’ শিরোনামের এই কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে ২৯ নভেম্বর ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে। দর্শকের জন্য গেট খুলে দেওয়া হবে বেলা ১টায়।
‘ডোরেমনের’ বাচিকশিল্পী নোবুয়া ওইয়ামা মারা গেছেন

‘ডোরেমনের’ বাচিকশিল্পী নোবুয়া ওইয়ামা মারা গেছেন বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় কার্টুন চরিত্র রোবট বিড়াল ডোরেমন-এর বাচিকশিল্পী নোবুয়া ওইয়ামা মারা গেছেন। আজ নোবুয়া ওইয়ামার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে এএফপি। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। ২০০৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ২৫ বছর ওইয়ামা নীল রঙের বিড়াল ডোরেমনের কণ্ঠ দিয়েছেন। ২২ শতকের কাল্পনিক ভবিষ্যত থেকে আসা এই বিড়ালের একটি ‘জাদুর পকেট’ আছে, যেখান থেকে সে সব ধরনের অত্যাধুনিক গ্যাজেট বের করে আনতে পারে। তার সুপরিচিত গ্যাজেটের মধ্যে একটি ছিল পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় ভ্রমণ করার জন্য একটি বিশেষ দরজা। ওইয়ামার ট্যালেন্ট এজেন্সি এএফপিকে জানিয়েছে, ২৯ সেপ্টেম্বর বার্ধক্যজনিতক কারণে তিনি প্রাণ হারান। তার শেষকৃত্যে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রা যোগ দেয়। দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয় অ্যানিমে সিরিজ হিসেবে এখনো জাপানসহ বিশ্বের অনেক দেশের টিভিতে ও স্ট্রিমিং সেবায় ডোরেমনকে খুঁজে পাওয়া যায়। ওইয়ামা অবসর নেওয়ার পর অন্যান্য শিল্পীরা তার জায়গা নিলেও ‘ডোরেমনের কন্ঠ’ হিসেবে তিনিই পরিচিত এবং অন্যান্য শিল্পীরাও তার মতো করেই কণ্ঠ দিয়েছেন। ডোরেমন কার্টুনে একটি আদুরে রোবট বিড়াল অতীতে এসে একটি অলস স্কুলবালককে সাহায্য করে। নোবিতা নামের এই মিথ্যাবাদী ছেলেটিকে দৈনন্দিন জীবনের নানা বিপদ থেকে রক্ষা করে তার বিশ্বস্ত বিড়াল ডোরেমন এবং এই কাজগুলো সে হাসিমুখেই করে থাকে। ১৯৬৯ সালে প্রথমবারের মতো ম্যাঙ্গা স্ক্রিপ্ট হিসেবে ডোরেমনের জন্ম হয়। পরবর্তী কয়েক দশকে এটি ছোট ও বড় পর্দার চরিত্রে রূপান্তরিত হয়।
এবার দুর্গার আগমন দোলায়, হাতিতে গমন যে কারণে

এবার দুর্গার আগমন দোলায়, হাতিতে গমন যে কারণে হিন্দুদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। দেবী দুর্গার আগমনকে কেন্দ্র করে ভারত, বাংলাদেশ ও নেপালে দুর্গাপূজা বেশ জমকালোভাবে আয়োজিত হয়ে। আশ্বিন মাসে প্রায় দশদিন ধরে দুর্গাপূজার উৎসব পালিত হয়। যদিও প্রকৃত অর্থে, উৎসব শুরু হয় মহাষষ্ঠী (আজ ৯ অক্টোবর) থেকে। চলতি বছরে দুর্গাপূজার মহালয়া ছিল গত ২ অক্টোবর, বুধবার। এরপর মহাপঞ্চমী ছিল গতকাল ৮ অক্টোবর! আজ বুধবার, ৯ অক্টোবর মহাষষ্ঠী। সপ্তমী পড়ছে ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার। অষ্টমী তিথি ১১ অক্টোবর, শুক্রবার। ১২ অক্টোবর পড়েছে নবমী তিথি, দিনটি শনিবার। এরপর দশমী তিথি ১৩ অক্টোবর ২০২৪, রোববার। দেবী দুর্গার আগমন ও প্রস্থানের বাহন ও তার ফলাফল নিয়ে বাঙালি সমাজে বহু কথা প্রচলিত আছে। দেবী দুর্গা ও তার পুত্র-কন্যার নিজস্ব বাহন থাকলেও আগমন ও প্রস্থানের বাহনের কথা আলাদা করে পঞ্জিকায় উল্লেখ থাকে। হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী, দুর্গার আগমন ও প্রস্থানের বাহন নির্ধারণ করে মর্তলোকে সারা বছর কেমন কাটবে। প্রতি বছর দুর্গার আগমন ও প্রস্থান সাধারণত একই বাহনে হয় না। যদি কোনো বছর হয়‚ তবে তা খুবই অশুভ ইঙ্গিত বহন করে। এই বছর দুর্গার আসা ও যাওয়া দুটি ভিন্ন বাহনে হবে। পঞ্জিকা অনুসারে পূজার সপ্তমীতে দেবীর আগমন হয়, আর গমন হয় দশমীতে। এই দুই দিন সপ্তাহের কোন বারে পড়ছে, তার উপরেই নির্ভর করে দেবীর আসা যাওয়ার বাহন। শাস্ত্র অনুযায়ী, সপ্তমী রোববার বা সোমবারে হলে দেবীর বাহন হবে গজ বা হাতি। সপ্তমী শনি বা মঙ্গলবারে হলে দেবীর বাহন হবে ঘোটক বা ঘোড়া। সপ্তমী বৃহস্পতি বা শুক্রবারে হলে দেবীর বাহন দোলা বা পালকি। সপ্তমী বুধবারে হলে দেবীর বাহন নৌকা। একইভাবে, দশমী রবি বা সোমবার হলে দেবীর বাহন গজ। দশমী শনি বা মঙ্গলবার হলে দেবী বিদায় নেবেন ঘোড়ায় চড়ে। দশমী বৃহস্পতি বা শুক্রবারে হলে দেবীর গমন হবে দোলা বা পালকিতে। আর দশমী বুধবারে হলে নৌকায় করে কৈলাসে ফিরবেন দেবী। এবার দুর্গার বাহন : এই বছর ১০ অক্টোবর সপ্তমী পড়েছে বৃহস্পতিবার। তাই দুর্গার আগমন দোলা বা পালকিতে। আগামী ১৩ অক্টোবর রোববার পড়েছে বিজয়া দশমী। মা দুর্গা পুত্র-কন্যা নিয়ে কৈলাশে ফিরে যাবেন গজ বা হাতির পিঠে আসীন হয়ে। শাস্ত্রমতে, দুর্গা যদি পালকিতে করে আসেন, তাহলে ফল ‘দোলায়াং মকরং ভবেৎ’ অর্থাৎ মহামারি, ভূমিকম্প, খরা, যুদ্ধ ও অতিমৃত্যু। যাতে বিপুল প্রাণহানি অনিবার্য। দেবী ফিরবেন গজ বা হাতিতে, শাস্ত্র মতে যা দেবীর উৎকৃষ্টতম বাহন। দেবীর আগমন বা গমন হাতিতে হলে মর্ত্যলোক ভরে ওঠে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধিতে। পূর্ণ হয় ভক্তদের মনোবাঞ্ছা। পরিশ্রমের সুফল পায় মর্তলোকের অধিবাসীগণ। অতিবৃষ্টি বা অনাবৃষ্টি নয়, ঠিক যতটা প্রয়োজন ততটা বর্ষণ। দুর্গার অন্য বাহনের মাহাত্ম্য: দেবী যদি ঘোড়ায় চড়ে আসেন বা বিদায় নেন তবে তার ফল ‘ছত্র ভঙ্গ স্তুরঙ্গমে’ অর্থাৎ সামাজিক, রাজনৈতিক ও সামরিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়, রাজায়-রাজায় বা রাষ্ট্রে-রাষ্ট্রে যুদ্ধ হয়। সামাজিক ও রাজনৈতিকস্তরে ধ্বংস ও অস্থিরতা বিরাজ করে। এক কথায় ‘ছত্রভঙ্গম’। দেবীর আসা বা যাওয়া নৌকায় হলে ফল ‘শস্য বুদ্ধিস্তথাজলম’ অর্থাৎ প্রবল বন্যা ও খরা দেখা যায়। নৌকায় মনোকামনা পূর্ণ হওয়া সূচিত হয়। ধরিত্রী হয়ে ওঠে শস্য শ্যামলা। কিন্তু সেই সঙ্গে অতি বর্ষণ বা প্লাবনের আশঙ্কাও দেখা যায়।