‘ডিম-মাছ খেতে পারছি না, মনে হচ্ছে প্রাণী হত্যা করছি’

‘ডিম-মাছ খেতে পারছি না, মনে হচ্ছে প্রাণী হত্যা করছি’ অভিনেত্রী জয়া আহসান বরাবরই ফিটনেস ও রূপ ধরে রাখা নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে থাকেন। মেকআপ রুম থেকে শুরু করে সামাজিক অনুষ্ঠান সবখানেই তার খাবারের বহর দেখে অবাক হন সহকর্মীরা। সবাই যখন ওজন কমাতে ডায়েট চার্ট নিয়ে ব্যস্ত, জয়া তখন থালা ভর্তি খাবার খাচ্ছেন।  সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জয়া আহসান তার খাদ্যাভ্যাস নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি নিজেকে একজন প্যাস্কিটেরিয়ান হিসেবে দাবি করার চেষ্টা করছেন গত তিন বছর ধরে। জয়া বলেন, ‘আমি খেতে ভালোবাসি এবং আমি খাই। আমার মনে হয় মাঝে মাঝে নিজের আত্মাকে তৃপ্ত করার জন্য খাওয়া প্রয়োজন। অনেকেই ডায়েট মেনে বিদেশি খাবার খায়, কিন্তু আমি তেমনটা করি না।’ তবে এই খাদ্যাভ্যাসের পেছনে রয়েছে এক গভীর মানসিক পরিবর্তন। জয়া জানান, বর্তমানে তিনি মাছ বা ডিম খেতেও দ্বিধাবোধ করছেন। তার কথায়, ‘ইদানিং তো ডিমও খেতে পারছি না, মাছও খেতে পারছি না। আমার মনে হয় আমি প্রাণী হত্যা করছি। এটি আমার একটি মানসিক সমস্যা।’

শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম ঢাকায় সিনেমার চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। ২০০৭ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে বিনোদন জগতে পা রাখেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক সিনেমা, ওয়েব সিরিজ, টেলিফিল্ম, বিজ্ঞাপনে কাজ করে গেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব। এবার বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে একগুচ্ছ ছবি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। শাড়িতে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী সাজে করা ফটোশুট ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজর কেড়েছে।  শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, হালকা গোলাপি আভাযুক্ত শাড়ির সঙ্গে গাঢ় রঙের ব্লাউজে ধরা দিয়েছেন মিম। ছবি শেয়ার করে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ নতুন বছর, নতুন স্বপ্ন, নতুন শুরু।’ সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন ভালোবাসার ইমোজি।

নতুন রঙের ছোঁয়ায় রাঙুক প্রতিটি দিন : অপু বিশ্বাস

নতুন রঙের ছোঁয়ায় রাঙুক প্রতিটি দিন : অপু বিশ্বাস নতুন বছরকে বরণ করে নিতে মেতে উঠেছে দেশ। আর এই আনন্দের দিনে ভক্তদের নতুন সাজে ধরা দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস। জাঁকজমকপূর্ণ সাজ আর বাঙালিয়ানায় নিজেকে মেলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একগুচ্ছ নতুন ছবি শেয়ার করেছেন অপু বিশ্বাস।  যেখানে তাকে দেখা গেছে ঐতিহ্যবাহী শাড়ি এবং দেশি আমেজে। সাদা রঙের শাড়িতে নীল এবং লাল রঙের জ্যামিতিক নকশার ছোঁয়া যেন বসন্ত ও বৈশাখের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ।  শাড়ির পাড়ে গাঢ় নীল রঙের আভিজাত্য এবং হাতে পরা রঙিন কাঁচের চুড়ি তাকে এনে দিয়েছে বাংলাদেশি লুক। গলায় পরেছেন জমকালো গহনা, যা তার ব্যক্তিত্বে যোগ করেছে রাজকীয় আভা। ছবির ক্যাপশনে অভিনেত্রী তার মনের অনুভূতি প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘নতুন রঙের ছোঁয়ায় রাঙুক প্রতিটি দিন। সবাইকে জানাই বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ।’ শেয়ার করা ছবিগুলোতে অপু বিশ্বাসকে সোফায় বসে মৃদু হাসিতে পোজ দিতে দেখা গেছে। ভক্ত-অনুরাগীরা তাকে নতুন বছরের ফিরতি শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তার সৌন্দর্যের প্রশংসায় মেতেছেন।

বৈশাখে মায়ের সঙ্গে গিয়ে দোকান দিতাম: ফারিণ

বৈশাখে মায়ের সঙ্গে গিয়ে দোকান দিতাম: ফারিণ ছোট ও বড় পর্দার আলোচিত অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। বর্ষবরণ অনুষ্ঠান উদযাপনে মেতেছেন এই অভিনেত্রী। এ উপলক্ষে কেনাকাটাও করেছেন। বাসায়ও পিঠাপুলি তৈরি করেছেন তার মা।  শৈশব-কৈশোরের বৈশাখ নিয়ে কথা বলেছেন তাসনিয়া ফারিণ। স্মৃতিচারণ করে এ অভিনেত্রী বলেন, “ছোটবেলার কথা খুব মনে পড়ে। তখন শহরেও মেলা বসত। আমি মায়ের সঙ্গে গিয়ে দোকান দিতাম। কখনো মুড়ি-বাতাসা, কখনো স্কুলের বৈশাখী অনুষ্ঠানে আচার বা পিঠা বিক্রি করতাম।” প্রতি বছর রমনা বটমূলে ‘ছায়ানট’ নাচ-গান পরিবেশন করে থাকে। ছোট সময়ে এসব তাসনিয়া ফারিণের মনে ছাপ ফেলত। এসব তথ্য স্মরণ করে তিনি বলেন, “আমাদের বাসা থেকে রমনা বটবৃক্ষ পায়ে হাঁটা পথ। নতুন পোশাকে সেজে বাড়ির বড়দের হাত ধরে সেখানে পৌঁছে যেতাম। সকলের সঙ্গে বুঁদ হয়ে গান শুনতাম।” সময় বদলেছে। চাইলেই এখন জনস্রোতে পা মেলাতে পারেন না তাসনিয়া ফারিণ। তিনি বলেন, “বদলে যেখানে থাকি, সেখানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিই। আমি কিন্তু লাল পাড় সাদা শাড়ি কিনেছি। মা রকমারি পিঠা বানিয়েছেন।” এবারের নববর্ষ উদযাপন নিয়ে তাসনিয়া ফারিণ বলেন, “গত কয়েক বছর ধরে এই সময়ে ঈদের আগের রোজা পড়েছে। আমরা তেমনভাবে উদযাপন করতে পারিনি। এ বছর সেটা হবে।”

জেল থেকে বেরিয়ে স্বেচ্ছায় রিহ্যাবে গেলেন সংগীতশিল্পী

জেল থেকে বেরিয়ে স্বেচ্ছায় রিহ্যাবে গেলেন সংগীতশিল্পী মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তারের হয়েছিলেন মার্কিন সংগীত শিল্পী ও পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স। যেতে হয়েছিল কারাগারেও। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় অপরাধটি ঘটান এই শিল্পী। নতুন খবর, এবার নিজের মধ্যে পরিবর্তন আনতে স্বেচ্ছায় পুনর্বাসন কেন্দ্রে (রিহ্যাব) ভর্তি হয়েছেন তিনি। ব্রিটনির এক প্রতিনিধি ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’কে জানিয়েছেন, এই ঘটনা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। তবে ব্রিটনি এখন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নিজের জীবনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে সঠিক পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এই কঠিন সময়ে তার সন্তানরা তার পাশেই থাকবে; তার পরিবারের সদস্যরা ব্রিটনির সার্বিক কল্যাণে একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, গত ৪ মার্চ মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর দায়ে ৪৪ বছর বয়সী এই গায়িকাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। গ্রেপ্তারের একদিন পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। তবে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আগামী ৪ মে তাকে ভেনচুরা কাউন্টি সুপিরিয়র কোর্টে হাজিরা দিতে হবে। ব্রিটনি স্পিয়ার্সের মাদকাসক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে জটিলতা নতুন কিছু নয়। এর আগে ২০০৭ সালে নিজের মাথা ন্যাড়া করাসহ বেশ কিছু আলোচিত ও বিতর্কিত ঘটনার পর তিনি অ্যান্টিগুয়ায় একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে সাবেক স্বামী কেভিন ফেডারলাইনের সঙ্গে সন্তানদের অধিকার নিয়ে আইনি লড়াই চলাকালীন তিনি তীব্র মানসিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েন। সেই সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয় এবং ব্রিটনিকে দুইবার মানসিক পর্যবেক্ষণের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২০০৮ সালের সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই ব্রিটনির ওপর আদালতের নির্দেশে আইনি অভিভাবকত্ব বা ‘কনজারভেটরশিপ’ জারি করা হয়েছিল। এর ফলে দীর্ঘ ১৩ বছর তার ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং অর্থিক বিষয়গুলো তার বাবা জেমি স্পিয়ার্সের নিয়ন্ত্রণে ছিল। অবশেষে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে ভক্তদের ‘ফ্রি ব্রিটনি’ প্রচারণার মুখে এবং দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে তিনি সেই অভিভাবকত্ব থেকে মুক্তি পান। এবারের রিহ্যাবে ভর্তি হওয়ার ঘটনাটিকে ভক্তরা তার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন।

ছোট্ট শহর থেকে বিশ্বমঞ্চে, গিনেস রেকর্ড —আশা ভোঁসলের জীবনের অজানা অধ্যায়

ছোট্ট শহর থেকে বিশ্বমঞ্চে, গিনেস রেকর্ড —আশা ভোঁসলের জীবনের অজানা অধ্যায় ভারতীয় সঙ্গীত জগতের এক অত্যন্ত উজ্জ্বল নক্ষত্র আশা ভোঁসলে, যাঁর কণ্ঠের জাদুতে বুঁদ হয়ে রয়েছে প্রজন্মের পর প্রজন্ম। আজ রবিবার ৯২ বছর বয়সে মুম্বইয়ের ব্রেচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ সংগীত„ প্রেমীরা। মাত্র ১০ বছরে গানের ক্যারিয়ার শুরু আট দশকেরও বেশি দীর্ঘ বর্ণাঢ্য সংগীত জীবনে প্রায় এক ডজন ভাষায় ১২ হাজারেরও বেশি গান গেয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন এক অনন্য উচ্চতায়। তাঁর গাওয়া বহু গান আজও সমান জনপ্রিয়। ১৯৩৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের সাংলি জেলায় এক সঙ্গীত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আশা ভোঁসলে। তাঁর জন্মনাম আশা মঙ্গেশকর। তাঁর পিতা দীনানাথ মঙ্গেশকর ছিলেন মারাঠি নাট্যজগতের পরিচিত মুখ ও শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী। ছোটবেলা থেকেই সুরের আবহে বেড়ে ওঠা আশার সঙ্গীতযাত্রা শুরু হয় ১৯৪৩ সাল থেকে। হিন্দি চলচ্চিত্রে নেপথ্য সঙ্গীত গাওয়ার জন্য তিনি বিশেষভাবে খ্যাতি অর্জন করলেও, তাঁর কণ্ঠ ছড়িয়ে পড়েছিল ভারতের নানা ভাষার গান ও অ্যালবামে। বহুমুখী প্রতিভা, অনন্য কণ্ঠ ও পরীক্ষামূলক গায়নশৈলীর জন্য তিনি গণমাধ্যমে হিন্দি চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রভাবশালী শিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি পান। ১০ বছর বয়সেই জীবনযুদ্ধ শুরু আশা ভোঁসলের সঙ্গীত জীবনের শুরুটা হয়েছিল নেহাতই বাধ্যবাধকতায়। ১৯৪৩ সালে মাত্র ১০ বছর বয়সে মারাঠি ছবি ‘মাজহা বাল’-এর জন্য তিনি প্রথম গান রেকর্ড করেন। বাবার অকালপ্রয়াণের পর পরিবারের আর্থিক হাল ধরতে বড় দিদি লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খুব অল্প বয়সেই পেশাদার গায়িকা হিসেবে যাত্রা শুরু করতে হয়েছিল তাঁকে। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ২০১১ সালে আশা ভোঁসলেকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গান রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি দেয় গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস। ১৯৪৭ সাল থেকে হিসাব করলে ২০টিরও বেশি ভারতীয় ভাষায় প্রায় ১১ হাজারেরও বেশি একক, দ্বৈত এবং কোরাস গান গেয়েছেন তিনি। সঙ্গীত জগতের ইতিহাসে এই সংখ্যা কার্যত অতুলনীয়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে গ্র্যামি মনোনয়ন ভারতীয় গায়িকাদের মধ্যে আন্তর্জাতিক স্তরে সফল হওয়ার নজির আশার ঝুলিতেই প্রথম জমা হয়। ১৯৯৭ সালে আলি আকবর খানের সঙ্গে তাঁর ‘লিগ্যাসি’ অ্যালবামটি এবং ২০০৬ সালে ক্রোনোস কোয়ার্টেটের সঙ্গে ‘ইউ হ্যাভ স্টোলেন মাই হার্ট’ অ্যালবামটি বিশ্ববিখ্যাত গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছিল। ক্রিকেট তারকার সঙ্গে গান গানের জগতে সীমানা মানতে চাননি তিনি কোনওদিনই। এমনকি অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ফাস্ট বোলার ব্রেট লি-র সঙ্গেও গলা মিলিয়েছেন আশা। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সময় ব্রেট লি-র লেখা ‘ইউ আর দ্য ওয়ান ফর মি’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। এই জুটি ভারতীয় এবং আন্তর্জাতিক মহলে সাড় ফেলে দেয়। দাদাসাহেব ফালকে ও পদ্মবিভূষণ দীর্ঘ কর্মজীবনের স্বীকৃতি স্বরূপ অজস্র সম্মান পেয়েছেন তিনি। ২০০০ সালে ভারত সরকার তাঁকে চলচ্চিত্র জগতের সর্বোচ্চ সম্মান ‘দাদাসাহেব ফালকে’ পুরস্কারে ভূষিত করে। এর ঠিক আট বছর পর ২০০৮ সালে তত্কালীন রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিলের হাত থেকে তিনি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘পদ্মবিভূষণ’ গ্রহণ করেন। বিদেশে নিজের রেস্তোরাঁ চেইন সঙ্গীতের পাশাপাশি রান্নার প্রতিও অগাধ টান ছিল আশার। সেই ভালবাসাকেই পেশাদার রূপ দিয়েছেন তিনি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কুয়েত, বাহারিনের পাশাপাশি বিলেতের বার্মিংহাম বা ম্যাঞ্চেস্টারের মতো শহরেও রমরমিয়ে চলছে তাঁর রেস্তোরাঁ ‘আশা’স’। মূলত উত্তর ভারতীয় খাবারের সঙ্গে ঘরোয়া স্বাদ মিশিয়েই ভোজনরসিকদের মন জয় করছেন তিনি। মাদাম তুসোর মিউজিয়ামে স্থান দিল্লির মাদাম তুসো মিউজিয়ামে আশা ভোঁসলের একটি পূর্ণাবয়ব মোমের মূর্তি রয়েছে। মিউজিক জোনে মাইকেল জ্যাকসনের মতো বিশ্ববিখ্যাত তারকাদের মূর্তির পাশেই রাখা হয়েছে তাঁকে। ১৫০টিরও বেশি নিখুঁত পরিমাপ এবং কয়েক হাজার ছবির রেফারেন্স নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই প্রাণবন্ত মূর্তিটি। এদিকে, একজন গায়িকা হিসেবে আশা ভোঁসলের জীবনটা আলোঝলমলে থাকলেও আড়ালের জীবনটা ছিল গাঢ় অন্ধকারে ভরা; জীবনজুড়ে দুঃসহ যন্ত্রণার সঙ্গে লড়াই করেছেন তিনি। ‘আশা ভোঁসলে : আ লাইফ ইন মিউজিক’ বইয়ে জীবনের অজানা অধ্যায় নিয়ে অকপটে সব বলে গেছেন এই সংগীতশিল্পী। জীবনীতে আশার কোনো রাখঢাক ছিল না। যন্ত্রণাদায়ক দাম্পত্য থেকে আত্মহত্যার চেষ্টা—সবই বলে গেছেন আশা। স্বামীর নির্যাতনের শিকার অল্প বয়সে গণপতরাও ভোঁসলেকে বিয়ে করেন আশা। স্বামীর সঙ্গে বয়সের ব্যবধান ছিল প্রায় ২০ বছর। কিন্তু এই সম্পর্ক কোনো রূপকথার মতো ছিল না। বইটিতে উঠে এসেছে ভয়াবহ কিছু তথ্য। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘শোনা যায়, গণপতরাও মদ্যপ ছিলেন এবং প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন—এমনকি গর্ভাবস্থায়ও, যার ফলে তাঁকে প্রায়ই হাসপাতালে ভর্তি হতে হতো।’ নিজের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে আশা বলেন, পরিবারটি ছিল রক্ষণশীল, তারা গায়িকা পুত্রবধূকে মেনে নিতে পারেনি। স্বামী সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমার স্বামীর মেজাজ খারাপ ছিল। হয়তো তিনি কষ্ট দিতে পছন্দ করতেন, হয়তো তিনি স্যাডিস্ট ছিলেন। কিন্তু বাইরে কেউ তা জানতে পারত না। আমি তাঁকে সম্মান দিতাম, কখনো তাঁর কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলিনি।’ আত্মহত্যার চেষ্টা জীবনীতে আশা ভোঁসলে জানান, তৃতীয় সন্তান গর্ভে থাকাকালে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। আশা বলেন, ‘একবার মনে হয়েছিল, আমার নিজের জীবন শেষ করে দেওয়া উচিত। আমি অসুস্থ ছিলাম। চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হাসপাতালে ছিলাম, যেখানে পরিস্থিতি খুবই খারাপ ছিল।’ নিজের মানসিক অবস্থার বর্ণনা দিতে গিয়ে আশা বলেন, ‘মনে হয়েছিল যেন নরকে এসে পড়েছি। মানসিক যন্ত্রণায় ছিলাম। তাই ঘুমের ওষুধ খেয়ে ফেলেছিলাম। কিন্তু গর্ভের সন্তানের প্রতি ভালোবাসা এতটাই প্রবল ছিল যে আমি মারা যাইনি। আমাকে আবার জীবনে ফিরিয়ে আনা হয়।’ আশার ব্যক্তিগত জীবনে ছিল নানা বাঁক। মাত্র ১৬ বছর বয়সে গণপতরাও ভোঁসলেকে বিয়ে করলেও সেই সম্পর্ক সুখের হয়নি। পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে তিনি বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক রাহুল দেব বর্মণকে বিয়ে করেন। তবে তিনি ব্যক্তিজীবনকে ছাপিয়ে বহু চড়াই-উৎরায় নিজের কণ্ঠের বৈচিত্র্য এবং অদম্য প্রাণশক্তি দিয়ে বিশ্ব সঙ্গীতের ইতিহাসে এক অপরিহার্য নাম হয়ে ওঠেন। কেবল ভারত নয়, আন্তর্জাতিক সংগীতের ইতিহাসেও চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন আশা ভোঁসলে। সূত্র : দ্য ওয়াল ও দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

অল্প বয়সে বিয়ে জীবনের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল : অপু বিশ্বাস

অল্প বয়সে বিয়ে জীবনের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল : অপু বিশ্বাস ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস আবারও ব্যক্তিজীবন নিয়ে আলোচনায় এলেন। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই তারকা। বিয়ের প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানান, এটি তার জীবনের একটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। বিয়ে কী তার জীবনে টার্নিং পয়েন্ট- এমন প্রশ্নে অপু বিশ্বাস বলেন, বিয়ে কেন টার্নিং পয়েন্ট হবে? ওটা আসলে ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। খুব অল্প বয়সে আবেগতাড়িত হয়ে বিয়ে করাটা আমার জীবনের ভুল ছিল। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে চাই, ম্যাচিউরিটি না আসা পর্যন্ত কোনো মেয়েরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত নয়। ভবিষ্যতে নতুন করে সংসার পাতার পরিকল্পনা আছে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে রহস্য রেখে অপু বলেন, এই মুহূর্তে এমন কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়ার মতো অবস্থায় নেই। এদিকে, বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রল ও সমালোচনা নিয়ে তিনি মোটেও বিচলিত নন বলেও জানান। তিনি বলেন, এসব নেতিবাচক বিষয় নিয়ে বিচলিত হই না। বরং অধিকাংশ সময় এগুলো এড়িয়ে চলি এবং মাঝে মাঝে বেশ উপভোগও করি। উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল ঢালিউডের মেগাস্টার শাকিব খানকে বিয়ে করেন অপু বিশ্বাস। দীর্ঘ নয় বছর বিয়ের কথা গোপন রাখার পর ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল একটি টেলিভিশন লাইভ অনুষ্ঠানে এসে সে কথা প্রকাশ করেন। এরপর ২০১৮ সালের ১২ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এই দম্পতির একজন ছেলে সন্তান রয়েছে।

আজ মুম্বাইয়ে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায় নেবেন আশা ভোঁসলে

আজ মুম্বাইয়ে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায় নেবেন আশা ভোঁসলে ভারতীয় সংগীতের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলে ৯২ বছর বয়সে মুম্বাইয়ে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে সংগীত ও চলচ্চিত্র অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাতে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বয়সজনিত জটিলতা ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে শেষপর্যায়ে তাঁর একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যায় বলে চিকিৎসকেরা জানান। পরিবার জানিয়েছে, আজ বিকেল ৪টায় মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। একই স্থানে তাঁর বড় বোন লতা মঙ্গেশকরের শেষকৃত্যও অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবিস অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় তাঁর মরদেহ লোয়ার পারেলের বাসভবনে নেওয়া হয়। আজ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভক্ত-অনুরাগীরা সেখানে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শেষদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সাত দশকের বেশি সময় ধরে সংগীতজগতে সক্রিয় ছিলেন আশা ভোঁসলে। ১২ হাজারেরও বেশি গান গেয়ে তিনি উপমহাদেশের সংগীতে অনন্য উচ্চতা তৈরি করেন। হিন্দিসহ ২০টিরও বেশি ভাষায় গান গেয়ে তিনি বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেন। গজল, শাস্ত্রীয় ও আধুনিক—সব ধরনের সংগীতেই ছিল তাঁর অসাধারণ দক্ষতা। ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র পুরস্কার দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারসহ পদ্মবিভূষণ এবং একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তিনি ভূষিত হয়েছেন। তাঁর মৃত্যুতে বলিউড ও দক্ষিণি চলচ্চিত্র অঙ্গনের বহু তারকা শোক প্রকাশ করেছেন। শাহরুখ খান, কাজল, কারিনা কাপুর খান, ভিকি কৌশল, রাম গোপাল ভার্মা, এ আর রাহমান, কমল হাসান, জুনিয়র এনটিআরসহ অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ী বলেছেন, তাঁর কণ্ঠ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে এবং চিরকাল স্মরণীয় থাকবে। দক্ষিণি তারকা রামচরণ বলেছেন, এটি ভারতীয় সংগীতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গত রাত থেকেই তাঁর বাসভবনে ভিড় করছেন জাভেদ আখতার, শাবানা আজমি, এ আর রাহমান, বিদ্যা বালনসহ বহু বিশিষ্টজন।

আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য নিয়ে জানালো পরিবার

আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য নিয়ে জানালো পরিবার ভারতের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য হবে আগামীকাল সোমবার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রয়াত শিল্পীর ছেলে। আজ রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ৯২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে। এর আগে শনিবার (১১ এপ্রিল) তার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয় বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন। তার ছেলে আনন্দ ভোসলে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বলেন, ‘তিনি আর নেই। আগামীকাল সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। আশা ভোঁসলে ভারতীয় সংগীতজগতের এক অনন্য নাম। আট দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি অসংখ্য ভাষায় গান গেয়ে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন। শাস্ত্রীয়, লোকসংগীত, গজল থেকে আধুনিক বিভিন্ন ধারায় তার সমান দক্ষতা তাকে বিশেষ মর্যাদার আসনে বসিয়েছে। সংগীতে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান ‘দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার’ এবং ‘পদ্মবিভূষণ’-সহ বহু সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। এ ছাড়া একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করে তিনি ভারতীয় প্লেব্যাক সংগীতের ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী হিসেবে নাম করেছেন। সূত্র: এনডিটিভি

অন্তর্জালে ফাঁস বিজয় অভিনীত শেষ সিনেমা আইনি নোটিশ জারি

অন্তর্জালে ফাঁস বিজয় অভিনীত শেষ সিনেমা আইনি নোটিশ জারি অন্তর্জালে ফাঁস হয়েছে থালাপাতি বিজয় অভিনীত শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’। বিভিন্ন মাধ্যমে সিনেমাটির এইচডি প্রিন্ট পাওয়া যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে আইনি নোটিশ জারি করেছেন নির্মাতারা। আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, “হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, এক্স, ইউটিউব, ওয়েবসাইট, টরেন্ট বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যমে ‘জন নায়াগান’ সিনেমার ফাঁস হওয়া দৃশ্য ডাউনলোড, ফরওয়ার্ড, শেয়ার, আপলোড, রিপোস্ট, সংরক্ষণ বা প্রচার করা গুরুতর অপরাধ এবং কপিরাইট লঙ্ঘন। এ ধরনের কাজে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তি আলাদাভাবে ফৌজদারি ব্যবস্থার মুখোমুখি হবেন। যারা অবৈধভাবে সিনেমাটির ফাঁস হওয়া দৃশ্য ডাউনলোড করছেন এবং ছড়িয়েছে দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেবল তাই নয়, সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে আরো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও এ নোটিশে জানানো হয়েছে। সর্ব সাধারণকে সতর্ক করে নোটিশে বলা হয়েছে, “সাধারণ জনগণকে অনুরোধ করা হচ্ছে, ‘জন নায়াগান’ সিনেমা সংক্রান্ত ফাঁস হওয়া কনটেন্ট ডাউনলোড, গ্রহণ, সংরক্ষণ, শেয়ার বা প্রচার করবেন না। এরপরও কেউ এ ধরনের কাজে জড়িত থাকলে, তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক দেওয়ানি ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর এর দায়ভার তাকেই বহন করতে হবে।” থালাপাতি বিজয় অভিনীত ‘জন নায়াগান’ সিনেমা গত ৯ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা ছিল। কিন্তু বিজয় ভক্তদের উচ্ছ্বাসে জল ঢেলে দিয়ে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জানায়, পূর্ব নির্ধারিত তারিখে মুক্তি পাচ্ছে না সিনেমাটি। কারণ চার মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পায়নি এটি। সিনেমাটির মুক্তি আটকে যাওয়ার কোনো কারণ পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করেনি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি। তবে সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) না পাওয়ার কারণে জটিলতা তৈরি হয়েছে। অতিরিক্ত সহিংসতা নিয়ে প্রথমে আপত্তি জানায় বোর্ডের সদস্যরা। কয়েকটি দৃশ্য কাটছাঁট করার নির্দেশ দেন। পরে তা সংশোধন করে জমা দেওয়া হয়। তবে শেষ মুহূর্তে বোর্ডের একজন সদস্য নতুন করে আরো কিছু আপত্তি তোলেন। এরমধ্যে প্রধান আপত্তি সিনেমাটির কয়েকটি দৃশ্যে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রতীক ব্যবহার নিয়ে। এ বিষয়ে বোর্ডের মত, ব্যাখ্যা ও সরকারি অনুমোদন প্রয়োজন। বিষয়টি বিদ্যমান নির্দেশিকা লঙ্ঘন করছে কি না, তা নির্ধারণের জন্য বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়। বিষয়টি আদালতেও গড়িয়েছে। প্রযোজকরা আদালতে দাখিল করা আবেদনে জানিয়েছেন, সহিংসতা সংক্রান্ত প্রাথমিক কাটছাঁটের পর ২০২৫ সালের ২২ ডিসেম্বর তাদের জানানো হয়েছিল যে, সিনেমাটি ইউ/এ সার্টিফিকেট পাবে। তবে নতুন আপত্তি আসায় বিশেষজ্ঞদের মতামত পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (যদি থাকে) না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত সার্টিফিকেশন স্থগিত রাখা হয়েছে। ‘তামিলাগা ভেটরি কাজাগম’ নামে রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন বিজয়। ২০২৬ সালের তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রাজনৈতিক কাজ পরিচালনার পাশাপাশি ‘জন নায়াগান’ সিনেমার শুটিং করেন তিনি। এইচ. বিনোত পরিচালিত এই সিনেমায় বিজয়ের বিপরীতে দেখা যাবে পূজা হেগড়েকে। বিজয়-পূজা ছাড়াও সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন—ববি দেওল, শ্রুতি হাসান, প্রকাশ রাজ, প্রিয়ামণি, মমিতা বাইজু প্রমুখ। জানা যায়, সিনেমাটির বাজেট ধরা হয়েছে ৩০০ কোটি রুপি। *দ্য ফ্রি প্রেস জার্নাল অবলম্বনে