গাইলেন মাহতিম সাকিব কল্লোলের কথা, রাফাতের সুরে

গাইলেন মাহতিম সাকিব কল্লোলের কথা, রাফাতের সুরে সংগীতাঙ্গনে ভিন্ন স্বাদের চমক নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছেন সংগীতশিল্পী মাহতিম সাকিব। হাসিবুর রেজা কল্লোলের কথায়, শাহরিয়ার রাফাতের সুর ও সংগীতে ‘তুইও ভীষণ একা’ শিরোনামের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। রক-মেলোডি ঘরানার এই গানের রেকর্ডিং সম্প্রতি সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ দিক হলো, এটি মাহতিম সাকিবের পরিচিত গানের ধারা থেকে কিছুটা ভিন্ন। ফলে গানটি শ্রোতাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সুরকার শাহরিয়ার রাফাতের এটি এক ধরনের এক্সপেরিমেন্ট, যা ইতোমধ্যেই সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে। গানটির কথা, সুর এবং কণ্ঠের সমন্বয়ে একটি আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হবে এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। তাদের বিশ্বাস, মুক্তির পর গানটি শ্রোতাদের মনে আলাদা জায়গা করে নেবে। সুফিয়ানা ঘরানার গানের পরিচিত কণ্ঠশিল্পী শাহরিয়ার রাফাত এর আগে ‘প্রিয়া রে’, ‘বুকের ভিতর চিনচিন ব্যথা’, ‘তুমি আমার’, ‘সাইয়া’, ‘এভাবে কি আর’ ও ‘জানরে মাওলা’সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। তার সুর ও কণ্ঠে নির্মিত গানগুলো ইতোমধ্যেই শ্রোতামহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
সিনেমা মুক্তির আগেই বিদায় তারকা আহমেদ রুবেলরে জন্মদিন

সিনেমা মুক্তির আগেই বিদায় তারকা আহমেদ রুবেলরে জন্মদিন বাংলা অভিনয় জগতের এক অনন্য নাম আহমেদ রুবেল। মঞ্চ, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র- সব মাধ্যমেই নিজের অভিনয় দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে গেছেন তিনি। ৩ মে এই গুণী অভিনেতার জন্মদিন। তবে জন্মদিনে তার বিদায় নেওয়ায় দিনটি ভক্তদের কাছে স্মৃতিমাখা এক বেদনার উপলক্ষ হয়ে ফিরে আসে। ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নুরুল আলম আতিকের নতুন সিনেমা ‘পেয়ারার সুবাস’- এর একটি বিশেষ প্রদর্শনী ছিল। সিনেমাটির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন আহমেদ রুবেল। এই প্রদর্শনীতেই যোগ দিতে আসছিলেন অভিনেতা। আসার পথেই স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। ৫৫ বছর বয়সে তার এমন প্রয়াণ মেনে নিতে পারেননি তার ভক্ত-অনুরাগীরা। ১৯৬৮ সালের এই দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রাজারামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আহমেদ রুবেল। বেড়ে ওঠা ঢাকায়। অভিনয়ের হাতেখড়ি হয় মঞ্চে, কিংবদন্তি নাট্যকার সেলিম আল দীনের প্রতিষ্ঠিত ঢাকা থিয়েটারের মাধ্যমে। মঞ্চেই তিনি গড়ে তোলেন নিজের অভিনয়ের ভিত। ছোট পর্দায় তার যাত্রা শুরু হয় নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্নযাত্রা’ নাটকের মাধ্যমে। এরপর নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ঈদনাটক ‘পোকা’য় ‘গোরা মজিদ’ চরিত্রে অভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা পান তিনি। ‘অতিথি’, ‘নীল তোয়ালে’, ‘বিশেষ ঘোষণা’, ‘বৃক্ষমানব’, ‘যমুনার জল দেখতে কালো’সহ অসংখ্য নাটকে তার অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। টেলিভিশন নাটকের পাশাপাশি ধারাবাহিকেও তিনি ছিলেন সমান সাবলীল। ‘প্রেত’, ‘বারোটা বাজার আগে’, ‘প্রতিদান’, ‘নবাব গুন্ডা’, ‘একান্নবর্তী’, ‘রঙের মানুষ’সহ অসংখ্য নাটকে কাজ করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন বহুমাত্রিক অভিনেতা হিসেবে। ১৯৯৪ সালে ‘আখেরি হামলা’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন আহমেদ রুবেল। এরপর ‘মেঘলা আকাশ’, ‘পৌষ মাসের পিরিত’, ‘সাবাস বাঙালি’সহ নানা ঘরানার ছবিতে অভিনয় করেন। তবে চলচ্চিত্রে তাকে বিশেষ মর্যাদা এনে দেয় হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ‘চন্দ্রকথা’ ও ‘শ্যামল ছায়া’। এরপর একের পর এক ব্যতিক্রমধর্মী চলচ্চিত্রে দেখা যায় তাকে। তারমধ্যে ‘ব্যাচেলর’, ‘গেরিলা’, ‘দ্য লাস্ট ঠাকুর’, ‘অলাতচক্র’, ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’, ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ উল্লেখ্য। প্রতিটি কাজেই তিনি প্রমাণ করেছেন, চরিত্রের গভীরে ঢুকে অভিনয় করাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে কলকাতার সিনেমাতেও কাজ করেছেন এই অভিনেতা। সঞ্জয় নাগ পরিচালিত ‘পারাপার’ ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান তিনি। সময় বদলের সঙ্গে সঙ্গে ওটিটিতেও নিজেকে মানিয়ে নিয়েছিলেন আহমেদ রুবেল। কিংবদন্তি চরিত্র ফেলুদা হিসেবেও তাকে দেখা গেছে ‘নয়ন রহস্য’ অবলম্বনে নির্মিত ওয়েব সিনেমায়, যা তার ক্যারিয়ারে যোগ করে নতুন মাত্রা। এছাড়া ‘কাইজার’ সিরিজেও তার উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। মঞ্চ থেকে শুরু করে ক্যামেরার সামনে- প্রতিটি জায়গাতেই নিজের স্বকীয়তা আর নিষ্ঠা দিয়ে অভিনয়কে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন আহমেদ রুবেল।
মার্শাল আর্ট দিয়ে ঢালিউড কাঁপানো এক লড়াকু নায়কের গল্প

মার্শাল আর্ট দিয়ে ঢালিউড কাঁপানো এক লড়াকু নায়কের গল্প বাংলা চলচ্চিত্রের অ্যাকশন ঘরানার কথা উঠলেই যে নামটি সবচেয়ে আগে মনে পড়ে তিনি হচ্ছেন জনপ্রিয় নায়ক রুবেল। কুংফু, কারাতে আর মার্শাল আর্টের দুর্দান্ত মিশেলে যিনি এক সময় ঢালিউডে তৈরি করেছিলেন আলাদা এক ধারা। অনেকে তাকে ভালোবেসে ঢালিউডের ব্রুসলি বলেও ডাকেন। আজ এই লড়াকু নায়কের জন্মদিন। রুবেলের আসল নাম মাসুম পারভেজ রুবেল। ১৯৬০ সালের ৩ মে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। কিংবদন্তি অভিনেতা সোহেল রানা-এর ছোট ভাই হিসেবে শোবিজ অঙ্গনে তার পরিচিতি থাকলেও নিজের প্রতিভা দিয়েই তিনি গড়ে তুলেছেন স্বতন্ত্র অবস্থান। মাত্র ২২ বছর বয়সেই টানা দুইবার জাতীয় কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জয় করে নিজের দক্ষতার জানান দেন রুবেল। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় বড় ভাইয়ের প্রযোজনায় ও শহিদুল ইসলাম খোকন পরিচালিত ‘লড়াকু’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। প্রথম ছবিতেই অ্যাকশন হিরো হিসেবে দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রায় ২০০টির মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন রুবেল। তবে তার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল মার্শাল আর্ট। নিজের প্রতিটি সিনেমায় নতুন নতুন ফাইট স্টাইল এনে দর্শকদের চমকে দিতেন তিনি। ‘ড্রাঙ্কিং কুংফু’, ‘উইপিং কুংফু’, ‘ড্যান্সিং কুংফু’ কিংবা ‘ব্লাইন্ড কুংফু’- এমন বৈচিত্র্যময় কৌশল ব্যবহার করে অ্যাকশন দৃশ্যকে নিয়ে গেছেন এক অন্য উচ্চতায়। শুধু নায়ক হিসেবেই নয়, ফাইট ডিরেক্টর হিসেবেও তিনি ছিলেন সমান সফল। ‘দ্য অ্যাকশন ওয়ারিয়র্স’ নামে নিজের একটি ফাইটিং টিম গড়ে তুলেছিলেন, যা সেই সময়ের সিনেমায় আলাদা মাত্রা যোগ করে। তার হাত ধরেই বাংলাদেশে মার্শাল আর্টভিত্তিক সিনেমার জনপ্রিয়তা বাড়ে, অনুপ্রাণিত হয় অসংখ্য তরুণ।তার কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিলো। যেমন কোনো জুটি প্রথায় আবদ্ধ না হয়ে একাধিক নায়িকাকে নিয়ে তিনি সফল ছবি উপহার দিয়েছেন। কাঞ্চন-দিতি, কাঞ্চন-চম্পা, মান্না-চম্পা, নাঈম-শাবনাজ জুটি যখন তুমুল জনপ্রিয় তখনও রুবেল নিজের আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন নিজস্ব ধারায় তেমনি সানি-সালমানদের যুগেও তিনি ছিলেন তুমুল জনপ্রিয় নায়ক। দীর্ঘ দিনের ক্যারিয়ারে রুবেল অভিনয় করেছেন দুই বাংলার প্রায় ৫০ জন নায়িকার সঙ্গে। তারমধ্যে কবিতা ও পপি হচ্ছেন সর্বাধিক ছবির নায়িকা। রুবেলের অন্যান্য নায়িকারা হলেন রানী, জিনাত, শতাব্দী রায় (কলকাতা), সন্ধ্যা, চম্পা, সাথী, মিশেলা, সুচরিতা, পরী, দিতি, একা, মৌসুমি, অরুণা বিশ্বাস, লিমা, নন্দিনী, শিল্পী, তামান্না, সিমলা, কেয়া, সোনিয়া, শাহনাজ, সাহারা, শাহনূর প্রমুখ।
পুত্রের হাতে ড্রামস স্টিক তুলে দিলেন জেমস

পুত্রের হাতে ড্রামস স্টিক তুলে দিলেন জেমস এক বছরের প্রেম, তারপর বিয়ে। কেউ জানতে পারে নি কিছুই। বাবা হওয়ার খবর জানিয়ে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের দারুণ খবরটি সামনে এনেছিলেন জেমস। সন্তানের সাথে তার কেমন সম্পর্ক ও সময় কাটছে তারই যেন একটি মিষ্টি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ভিডিওতে দেখা যায়, পুত্র জিবরান আনামের হাতে ড্রামস স্টিক তুলে দিচ্ছেন জেমস। তার হাতে বাজিয়ে শোনাচ্ছেন ড্রামস এর বৈচিত্রময় শব্দ। ভিডিওতে জেমসকে বলতে শোনা যায়, হাতে তুলে দিলে তো নিবি না, থাক বাবা থাক। তখনই আবার পুত্র ড্রামস স্টিক কেড়ে নেয় বাবার হাত থেকে। ক্যামেরার পেছন থেকে মায়ের সাবধানবানী, চোখে যেন না লাগে। চার দশক ধরে শ্রোতাদের মাতিয়ে রাখা নগর বাউল জেমসের এমন পারিবারিক দৃশ্যে ভক্তরা যেন দারুণ আনন্দ পেয়েছেন। মুহূর্তেই ভাইরাল ভিডিওটির নিচে ভক্তদের কমেন্ট করতে দেখা গেছে, আসছে নগরবাউল জুনিয়র। কেউ বলছেন, গুরু যখন শেখাচ্ছেন, বড় হয়ে দারুণ মিউজিশিয়ান হবে। কেউ বা বলছেন, বাপ কা বেটা। একবছর প্রেমের পর ২০২৪ সালের ১২ জুন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক নামিয়া আমানকে বিয়ে করেন জেমস। ২০২৫ সালের ৮ জুন নিউইয়র্কের হান্টিংটন হাসপাতালে জেমস-নামিয়া দম্পতির কোলজুড়ে আসে পুত্রসন্তান জিবরান আনাম।

ঈদে আসছে আদর-পূজার ‘নাকফুলের কাব্য’ আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘নাকফুলের কাব্য’। আলোক হাসান পরিচালিত এই সিনেমায় প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন আদর আজাদ ও পূজা চেরি। বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডের প্রযোজনায় নির্মিত সিনেমাটির গল্প ও সংলাপ লিখেছেন ফেরারী ফরহাদ। নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, সমাজের রক্ষক বা মোড়লদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এক অমর প্রেম ও বিরহের গল্প উঠে এসেছে সিনেমাটিতে। যদিও এটি আদর-পূজা জুটির প্রথম কাজ হিসেবে প্রচারিত হচ্ছে, এর আগে তাদের অভিনীত ‘লিপস্টিক’ সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। ২০২২ সালে শ্রীমঙ্গলে শুরু হয় সিনেমাটির শুটিং, যেখানে টানা ২০ দিন চিত্রধারণ চলে। পরবর্তীতে ঢাকায় বাকি কাজ সম্পন্ন করা হয়। এতে আরও অভিনয় করেন গাজী রাকায়েত, লুৎফর রহমান জর্জ, আলী রাজ, এল আর খান সীমান্ত ও শিখা মৌ। প্রেম, সামাজিক বাধা ও মানবিক টানাপোড়েনের গল্পে নির্মিত ‘নাকফুলের কাব্য’ ঈদে দর্শকদের জন্য একটি আবেগঘন অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে এমনটাই আশা নির্মাতাদের।
দর্শককে বিশেষ বার্তা শাকিবের

দর্শককে বিশেষ বার্তা শাকিবের কোরবানির ঈদে মুক্তি পাচ্ছে শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘রকস্টার’। আর এ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ অনেকটাই। এমন সময়ে চমকে দিলেন নায়ক। শনিবার (২ মে) নিজের ফেসবুক পেজে মাত্র ৫৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন শাকিব খান; সেখানেই দেখা যায় ‘রকস্টার’ সিনেমার মোশন পোস্টার। সঙ্গে দিলেন সিনেমাটি নিয়ে এক বিশেষ বার্তাও। ভিডিওর শুরুতে দেখা যায় ঝড়-বৃষ্টি, সঙ্গে বাজছে ইলেক্ট্রিক গিটারের ঝংকার। এরপর আসে একটি কনসার্টের আবহ, যেখানে হাজির হয় রকস্টার শাকিবের অ্যানিমেটেড অবয়ব। কনসার্টে উপস্থিত হওয়া অসংখ্য দর্শকের মাঝে গান গাইছেন রকস্টার। গানের কথায় শোনা যায়, ‘আমাকে পুড়িয়ে দেও, আমাকে ভাসিয়ে দেও’। এরপরই আসে মোশন পোস্টার। যেখানে উল্লেখ করা হয়, আগামী ৫ মে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে ‘রকস্টার’ সিনেমার টিজার। সঙ্গে লেখা ওঠে, জ্যামিং ড্রপিং অন ফিফথ মে। যে কোন মুল্যে খাল খনন কর্মসুচি বাস্তবায়ন করা হবে’‘যে কোন মুল্যে খাল খনন কর্মসুচি বাস্তবায়ন করা হবে’ সান কমিউনিকেশনের প্রযোজনায় আয়মান আসিব স্বাধীনের চিত্রনাট্যে নতুন সিনেমা ‘রকস্টার’ পরিচালনা করছেন আজমান রুশো। এ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করছেন সাবিলা নূর। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগী তানজিয়া জামান মিথিলাকে।
যুক্তরাষ্ট্রে চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান ও দুই পুরস্কার পেলেন নির্মাতা শামস

যুক্তরাষ্ট্রে চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান ও দুই পুরস্কার পেলেন নির্মাতা শামস যুক্তরাষ্ট্রে চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান ও দুটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছেন গবেষক ও নির্মাতা আহমেদ তাহসিন শামস। সম্প্রতি তাঁর প্রামাণ্যচিত্র ‘দ্য ওয়াটার রিডার্স’ যুক্তরাষ্ট্রের ‘লিফ্ট’ (LIFT) প্রোগ্রামে নির্বাচিত হয়েছে। একই সঙ্গে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘কজিতো, এরগো সুম’-এর জন্য তিনি মন্টাজ ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা পরিচালক ও সেরা ননফিকশন বিভাগে দুটি পুরস্কার পেয়েছেন। জানা গেছে, ‘দ্য ওয়াটার রিডার্স’ নির্মাণের জন্য লিফ্ট প্রোগ্রামের আওতায় নির্বাচিত পাঁচ নির্মাতার একজন আহমেদ তাহসিন শামস। ইন্ডিয়ানার স্থানীয় বাস্তব গল্প তুলে ধরতে নির্বাচিত প্রত্যেক নির্মাতাকে পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান ও মেন্টরশিপ দেওয়া হচ্ছে। আগামী জুলাইয়ে ইন্ডি শর্টস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে চলচ্চিত্রটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হবে। চলচ্চিত্রটিতে ইন্ডিয়ানার ছোট নদী ও খালকে কেন্দ্র করে জলজ প্রাণী এবং কমিউনিটি সায়েন্সের মাধ্যমে নদীর স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও দূষণের ইতিহাস তুলে ধরা হবে। এর আগে, গত ১৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত মন্টাজ ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘কজিতো, এরগো সুম’ চলচ্চিত্রের জন্য আহমেদ তাহসিন শামস সেরা পরিচালক ও সেরা ননফিকশন বিভাগে দুটি পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি জানান, চলচ্চিত্রটি সেন্টার ফর রিসার্চ অন রেস অ্যান্ড এথনিসিটি ইন সোসাইটি (CRRES) অ্যাওয়ার্ড এবং ফ্রান্সেস গোইন্স উইলহয়েট রিসার্চ অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ডসের অনুদান সহায়তায় নির্মিত। আন্তর্জাতিক পথচলায় নিজের এ সকল অর্জন প্রসঙ্গে শামস বলেন, “নির্মাণই যখন মূল লক্ষ্য, তখন এসব অনুদান ও পুরস্কার দারুণ অনুপ্রেরণা দেয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ নামটির উপস্থিতিও আমাকে গর্বিত করে। বর্তমানে শামস যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি ব্লুমিংটনের মিডিয়া আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস বিভাগে পিএইচডি গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন। তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র পরিবেশভিত্তিক মিডিয়া, পরিবেশকেন্দ্রিক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ এবং সমালোচনামূলক শিক্ষাপদ্ধতি। গবেষণার অংশ হিসেবেই, বাংলাদেশকে কেন্দ্র করেও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করছেন শামস। ‘লোটাস ইন দ্য ওয়েস্টল্যান্ড’ শিরোনামের এই চলচ্চিত্রটি ঢাকার হাজারীবাগ এলাকার বৃহত্তর আর্ট ফাউন্ডেশন এবং শিল্পী-শিক্ষক বিশ্বজিৎ গোস্বামীকে ঘিরে নির্মিত হচ্ছে। এতে সহ-পরিচালক হিসেবে রয়েছেন ঢাকাভিত্তিক নির্মাতা সাদ্দাম হোসেন। নির্মাতা জানান, হাজারীবাগের পুরোনো ট্যানারি ভবনের ছাদে গড়ে ওঠা বৃহত্তর আর্ট ফাউন্ডেশনকে কেন্দ্র করে বিশ্বজিৎ গোস্বামীর ‘গঙ্গাবুড়ি’, ‘পদ্ম’ এবং ‘হাজারীবাগ’ প্রকল্পগুলো নতুন মাত্রা পেয়েছে। এসব প্রকল্পে বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণ, নগর জীবনের সংকট এবং প্লাস্টিক বাছাই করে জীবিকা নির্বাহ করা নারীদের জীবনসংগ্রাম উঠে এসেছে। শামস বলেন, “এই প্রকল্পগুলোতে বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণের বাস্তবতা, নগর জীবনের সংকট এবং প্লাস্টিক বাছাই করে জীবিকা নির্বাহ করা নারীদের জীবন অভিজ্ঞতা একসূত্রে যুক্ত হয়েছে। যা আমার গবেষণার সঙ্গেও সম্পর্কযুক্ত। তাই এই বিষয়গুলো নিয়েই আমি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণে উদ্যোগী হয়েছি। তিনি জানান, আগামী ৩ মে বিশ্বজিৎ গোস্বামীর উপস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে একটি আন্তর্জাতিক আয়োজনে ‘লোটাস ইন দ্য ওয়েস্টল্যান্ড’ প্রামাণ্যচিত্রের অবশিষ্ট অংশের শুটিং সম্পন্ন হবে। এর আগে আহমেদ তাহসিন শামস নির্মাণ করেছেন দু’টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দেহস্টেশান’ ও ‘আর্শিনগর’। ২০২২ সালে চলচ্চিত্র দু’টি অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পায়। ‘আর্শিনগর’ চলচ্চিত্রটি স্যামুয়েল বেকেটের ‘ওয়েটিং ফর গডো’ অবলম্বনে নির্মিত। এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন শাহাদাৎ হোসেন এবং প্রয়াত অভিনেতা আহমেদ রুবেল। অন্যদিকে একজন যৌনকর্মী এবং তার মেয়ের জীবন ও সমাজে তাদের টিকে থাকার সংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘দেহস্টেশান’ চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন মৌমিতা মিত্র (কলকাতা), শাহাদাত হোসেন, প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা এস এম মহসিনসহ অনেকে।
কেন প্লেনে উঠলে আতঙ্কে ভোগেন আমির

কেন প্লেনে উঠলে আতঙ্কে ভোগেন আমির বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা আমির খান পর্দায় যতটাই আত্মবিশ্বাসী, বাস্তব জীবনে ততটা নন। একটি বিষয়ে তিনি আজও ভীষণ আতঙ্কে ভোগেন, সেটি হলো বিমানযাত্রা। ব্যক্তিগত কিংবা পেশাগত কারণে প্রায়ই উড়োজাহাজে ভ্রমণ করতে হলেও, প্লেনে উঠলেই অদ্ভুত এক ভয় গ্রাস করে তাকে। এমনকি কখনো কখনো মৃত্যু আতঙ্কও তাড়া করে বেড়ায় এই অভিনেতাকে। এই ভয় কাটাতে কিংবা মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে একটি বিশেষ অভ্যাস গড়ে তুলেছেন আমির। প্রতিবার বিমানযাত্রার আগে তিনি নিজের মনের কথা লিখে রাখেন একটি চিঠিতে। আর সেই চিঠি লেখেন তাঁর বহুদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু মনসুর খানকে উদ্দেশ করে। মনসুর খান শুধু বন্ধু নন, আমিরের অত্যন্ত বিশ্বাসভাজন একজন মানুষ। ২০০০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জোশ’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তারা। এরপর একসঙ্গে কাজ না করলেও তাদের বন্ধুত্ব অটুট রয়েছে। এক সাক্ষাৎকারে আমির জানান, বিশেষ করে যখন কোনো সিনেমার কাজ চলাকালীন বা শেষ পর্যায়ে থাকে, তখন এই ভয় আরো তীব্র হয়ে ওঠে। তাঁর আশঙ্কা, যদি কোনো দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়, তাহলে অসমাপ্ত থেকে যাবে সিনেমার কাজ। এই কারণেই তিনি মনসুরকে চিঠি লিখে রেখে যান, যাতে প্রয়োজনে তার বন্ধু ছবির বাকি কাজ সামলে নিতে পারেন। আমির বলেন, ‘শুটিং শেষ হওয়ার পর যখন পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ হয় তখন আমি সব সময় মনসুরকে চিঠি লিখে রাখি। আমার চিন্তা হয় যে যদি আমি প্লেন এক্সিডেন্টে মারা যাই তাহলে আমার গোটা সিনেমা নষ্ট হয়ে যাবে। আমি চাই না সেটা হোক। তখন যাতে মনসুর গোটা ব্যাপারটা দেখে তার জন্যই আমি ওকে চিঠি লিখে রাখি। এমনকি নিজের পরিবারকেও তিনি আগেই জানিয়ে রেখেছেন, কোনো অঘটন ঘটলে যেন মনসুর খানের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মনসুর সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি আর মনসুর এক সঙ্গে বেশ কিছু সিনেমায় কাজ করেছিলাম। ও এমন একজন মানুষ যার ওপর আমি সম্পূর্ণ ভরসা করতে পারি। আমি আমার পরিবারের মানুষকেও বলেছি যে আমার যদি কিছু হয় তাহলে মনসুরের সঙ্গে আলোচনা করে নিও।’ সব মিলিয়ে, উড়োজাহাজে ওঠার ভয় কাটাতে এবং নিজের কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই ব্যতিক্রমী অভ্যাস গড়ে তুলেছেন আমির।
‘হেরা ফেরি ৩’ নিয়ে ফের জটিলতা, এবার পাল্টা মামলা প্রযোজকের

‘হেরা ফেরি ৩’ নিয়ে ফের জটিলতা, এবার পাল্টা মামলা প্রযোজকের বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘হেরা ফেরি’ আবারও আইনি জটিলতায় জড়িয়েছে। বহু প্রতীক্ষিত ‘হেরা ফেরি ৩’-এর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে। এবার সিনেমাটির স্বত্ব নিয়ে নতুন করে বিরোধে জড়িয়েছেন প্রযোজক ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালা এবং দক্ষিণী প্রযোজনা সংস্থা সেভেন আর্টস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাটি প্রথমে নাদিয়াদওয়ালার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়। তাদের অভিযোগ ছিল, ছবিটির স্বত্ব নিয়ে অনিয়ম হয়েছে। তবে এবার সেই অভিযোগের জবাবে পালটা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন নাদিয়াদওয়ালা। প্রযোজকের দাবি, তার বৈধভাবে কেনা স্বত্ব জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চলছে। নাদিয়াদওয়ালার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০০ সালে ‘মেসার্স কমপ্যাক্ট ডিস্ক ইন্ডিয়া লিমিটেড’-এর সুরেশ কুমার সিংঘলের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে চার লাখ রুপির বিনিময়ে তিনি ‘হেরা ফেরি’ গল্পের হিন্দি ও অন্যান্য ভাষায় পুনর্নির্মাণের স্বত্ব আইনিভাবে কিনে নেন। কিন্তু ছবিটি মুক্তির মাত্র সাত দিন আগে কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর কাছ থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের চেষ্টা করে। সে সময় ছবিটিতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ হয়ে যাওয়ায় এবং আইনি জটিলতা এড়াতে বাধ্য হয়ে তিনি অর্থ পরিশোধ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। উল্লেখ্য, ‘হেরা ফেরি’ নির্মিত হয়েছিল মালয়ালাম ছবি ‘রামজি রাও স্পিকিং’-এর গল্প অবলম্বনে। ফলে মূল গল্পের স্বত্ব ও পুনর্নির্মাণ অধিকার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। এদিকে ‘হেরা ফেরি ৩’-এর কাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়ার পরই পুরোনো এই স্বত্বসংক্রান্ত জটিলতা আবার সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সিনেমাটির সম্ভাব্য বাণিজ্যিক সাফল্য এবং বিপুল আর্থিক লেনদেনের কারণেই একাধিক পক্ষ এখন নিজেদের অধিকার দাবি করছে। সব মিলিয়ে, আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত ‘হেরা ফেরি ৩’-এর নির্মাণ ও মুক্তি—দুটোই অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়ে গেল। এখন দেখার বিষয়, এই আইনি লড়াই শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়।
বিমান থেকে উধাও রুশ পরিচালকের ‘অস্কার’ মূর্তি

বিমান থেকে উধাও রুশ পরিচালকের ‘অস্কার’ মূর্তি অস্কার জয়ের আনন্দ বিষাদে রূপ নিল রুশ পরিচালক পাভেল তালানকিনের জন্য। নিউইয়র্ক থেকে জার্মানি যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়ে গেছে তার জিতে নেওয়া সেরা তথ্যচিত্রের অস্কার মূর্তিটি। ‘মিস্টার নোবডি এগেইনস্ট পুতিন’ সিনেমার জন্য এ বছরই তিনি এই সম্মাননা পেয়েছিলেন। পরিচালক পাভেল তালানকিন লুফথানসা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দর থেকে ফ্রাঙ্কফুর্টে যাচ্ছিলেন। সাধারণত অস্কার বিজয়ীরা মূর্তিটি নিজেদের কাছেই রাখেন। কিন্তু বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সংস্থা টিএসএ জানায়, ৮.৫ পাউন্ড ওজনের এই শক্তপোক্ত মূর্তিটি বিমানে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সহ-পরিচালক ডেভিড বোরেনস্টাইন জানান, নিরাপত্তা কর্মীরা অস্কারটিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। পাভেলের কাছে আলাদা কোনো ব্যাগ না থাকায় বাধ্য হয়ে মূর্তিটিকে একটি বাক্সে ভরে বিমানের নিচের মালামাল রাখার স্থানে (হোল্ড লাগেজ) পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ফ্রাঙ্কফুর্ট পৌঁছানোর পর দেখা যায়, সেই বাক্সটি আর নেই। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে পাভেল তালানকিন বলেন, ‘অস্কারকে কিভাবে অস্ত্র হিসেবে দেখা হতে পারে, তা ভেবে আমি অবাক হচ্ছি। এর আগে অনেকবার তিনি বিমানে করে এটি নিজের কাছে রেখেই ভ্রমণ করেছেন, কিন্তু কখনো এমন সমস্যায় পড়েননি।’ লুফথানসা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে এটি খুঁজে বের করার চেষ্টা শুরু করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা পরিচালককে আশ্বস্ত করে বলেছে যে, দ্রুততম সময়ে অস্কারটি খুঁজে পেতে তারা সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছে।