‘বিলেত রাজা’তে ঝড় তুললেন সিয়াম

‘বিলেত রাজা’তে ঝড় তুললেন সিয়াম ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান বরাবরই পর্দায় নতুনত্বের ছাপ রেখে চলেছেন। তবে এবার যেন তাকেও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন এই সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা সিয়াম আহমেদ। আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর ২০২৬-এর প্রেক্ষাপটে নির্মিত ‘রাক্ষস’ সিনেমার আইটেম গান ‘বিলেত রাজা’ প্রকাশ হতেই সিয়ামের নতুন রূপ দেখে তাজ্জব বনে গেছেন দর্শকরা। ‘বিলেত রাজা’ গানে সিয়াম আহমেদ এবং আন্তর্জাতিক মডেল নাতালিয়া জানোশেক এক প্রাণবন্ত এবং সাহসী পারফরম্যান্সে ড্যান্স ফ্লোর মাতিয়েছেন। সিয়ামের গ্ল্যামারাস লুক এবং নাতালিয়ার আবেদনময়ী উপস্থিতি গানটিতে যোগ করেছে বাড়তি উন্মাদনা। পুরো ট্র্যাকটির মিক্স ও মাস্টারিংয়ের দায়িত্বে ছিল বুকশেলফ স্টুডিওস। রিয়েল এনার্জি প্রোডাকশনের পরিবেশনায় গানটি মুক্তির পর থেকেই সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অ্যাকশন-ড্রামা ঘরানার ‘রাক্ষস’ সিনেমায় সিয়ামের এমন ‘রাফ অ্যান্ড টাফ’ ড্যান্স অবতার ভক্তদের জন্য এবারের ঈদে সেরা উপহার হতে যাচ্ছে।
বলিউড অভিষেকেই ট্রেন্ডিংয়ে ঢাকার আরিফিন শুভ!

বলিউড অভিষেকেই ট্রেন্ডিংয়ে ঢাকার আরিফিন শুভ! বলিউডে বাংলাদেশের কোনো অভিনেতার কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাওয়ার নজির নেই—সেই শূন্যস্থানে এবার নিজের নাম লেখালেন আরিফিন শুভ। সনি লিভের ওয়েব সিরিজ ‘জ্যাজ সিটি’তে লিড চরিত্রে বলিউডে অভিষেক হলো ঢাকার এই চিত্রনায়কের। আজ (১৯ মার্চ) সিরিজটি প্রকাশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো এই যাত্রা। সর্বমোট ১০ পর্বের, প্রায় ১১ ঘণ্টার এই সিরিজের পুরো গল্প আবর্তিত হয়েছে জিমি রয়কে কেন্দ্র করে। আর সেই চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। এই সিরিজে শুভ ৪টি ভাষায় অভিনয় করেছেন—বাংলা, হিন্দি, উর্দু ও ইংরেজি। আজ (১৯ মার্চ) মুক্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সনি লিভে ট্রেন্ডিংয়ে ২ নম্বরে অবস্থান করেছে আরিফিন শুভর এই সিরিজ। হিন্দি ও ইংরেজি ভাষার পাশাপাশি এবারই প্রথম বাংলা ভাষায় মুক্তি পেয়েছে প্ল্যাটফর্মটির কোনো সিরিজ। ‘জ্যাজ সিটি’ পরিচালনা ছাড়াও গল্প ও চিত্রনাট্য করেছেন সৌমিক সেন। যিনি এর আগে আলোচিত ‘জুবিলি’ সিরিজের সহ-স্রষ্টা হিসেবে বলিউডে খ্যাতি পেয়েছেন। সিরিজে আরিফিন শুভর বিপরীতে দেখা যাবে সৌরসেনী মিত্রকে। এ ছাড়াও শান্তনু ঘটক, অনিরুদ্ধ গুপ্ত, সায়নদীপ সেন, শ্রেয়া ভট্টাচার্য, শতফ ফিগার, অ্যালেক্সান্দ্রা টেলর ও অমিত সাহাসহ বলিউড ও টলিউডের আরো কয়েকজন পরিচিত মুখকে দেখা যাবে এই সিরিজে। ‘জ্যাজ সিটি’ নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও সত্তরের দশকের পটভূমিতে। সেই সময়ের সামাজিক-রাজনৈতিক বাস্তবতা, মানুষের টানাপোড়েন এবং পরিবর্তনের গল্পই উঠে এসেছে সিরিজটিতে।
‘রণবীর সিং এক অনবদ্য মাস্টারক্লাস উপহার দিয়েছেন’

‘রণবীর সিং এক অনবদ্য মাস্টারক্লাস উপহার দিয়েছেন’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে আদিত্য ধরের নতুন সিনেমা ধুরান্ধর: দ্য রিভেঞ্জ। দর্শকদের পাশাপাশি চলচ্চিত্র জগতের বড় বড় তারকারাও এই ছবির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন দক্ষিণী সুপারস্টার জুনিয়র এনটিআর। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টের মাধ্যমে ছবিটির পুরো টিমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। ছবিতে রণবীর সিংয়ের অভিনয় দেখে অভিভূত জুনিয়র এনটিআর। তিনি লিখেছেন, ভারতীয় দর্শকদের জন্য এমন একটি সিনেমা উপহার দেওয়ার জন্য পুরো টিমকে স্যালুট। রণবীর পর্দায় স্রেফ মুগ্ধ করার মতো নন, তিনি অভিনয় নিয়ে যেন এক অনবদ্য মাস্টারক্লাস উপহার দিয়েছেন। পরিচালক আদিত্য ধর-এর দূরদৃষ্টির প্রশংসা করে এনটিআর বলেন, ‘এরকম সাহসী সিনেমা নির্মাণ করতে অনেক দৃঢ় বিশ্বাসের প্রয়োজন হয়। আদিত্য স্যার প্রতিটি ফ্রেমকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।’ সিনেমার আবহ সংগীত নিয়ে শাশ্বত সাচদেবের বিশেষ প্রশংসা করেছেন অভিনেতা। তার মতে, সংগীত প্রতিটি দৃশ্যকে আরো উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে। সূত্র : এনডিটিভি
রণবীর সিংয়ে মুগ্ধ আল্লু অর্জুন

রণবীর সিংয়ে মুগ্ধ আল্লু অর্জুন গতকাল প্রিভিউ শো-তে কিছুটা ঝামেলার সম্মুখীন হলেও আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে আদিত্য ধরের নতুন স্পাই অ্যাকশন থ্রিলার ‘ধুরন্ধর : দ্য রিভেঞ্জ’। গত বছরের ব্লকবাস্টার ছবি ‘ধুরন্ধর’-এর সিক্যুয়াল এটি। মুক্তির প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সিনেমাটি দর্শকদের প্রশংসা কুড়ানোর পাশাপাশি ইন্টারনেটে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে অনুষ্ঠিত বিশেষ প্রদর্শনীতে সিনেমাটি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন বিনোদন জগতের তারকারা। তেলেগু সুপারস্টার আল্লু অর্জুন টুইটারে সিনেমার পুরো টিমকে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, সোয়্যাগের সাথে দেশপ্রেমের এক অনন্য মিশেল এই ছবি। প্রতিটি ভারতীয় এই সিনেমা দেখে গর্ববোধ করবেন। পর্দায় রণবীর সিং মানেই আগুন! মাধবন স্যারসহ সব অভিনেতার কাজ অসাধারণ। আন্তর্জাতিক মানের এই সিনেমাটি তৈরি করার জন্য পরিচালক আদিত্য ধরকে ধন্যবাদ। আল্লু অর্জুনের এমন প্রশংসা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন অভিনেতা আর মাধবন। তিনি উত্তরে জানান, ক্যারিয়ারের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সহকর্মীদের কাছ থেকে এমন রিভিউ পাওয়া তার জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। ২০২৬-এর এই সিক্যুয়ালে রণবীর সিংয়ের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন সঞ্জয় দত্ত, আর মাধবন, অর্জুন রামপাল ও সারা অর্জুনের মতো তারকারা। দেশপ্রেম আর অ্যাকশনের মিশেলে তৈরি এই স্পাই থ্রিলারটি কারিগরি দিক থেকেও দর্শকদের চমকে দিয়েছে। রণবীর সিংয়ের বহুমুখী অভিনয় আর আদিত্য ধরের পরিচালনা—সব মিলিয়ে ‘ধুরন্ধর ২’ এ বছরের অন্যতম সেরা হিট হওয়ার পথে।
মেহেদি উৎসবে মেতেছেন দেব-রুক্মিণী

মেহেদি উৎসবে মেতেছেন দেব-রুক্মিণী টলিউড সুপারস্টার দেব ও অভিনেত্রী রুক্মিণী এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তাদের ঘনিষ্ঠতা টলিপাড়ার এক ‘ওপেন সিক্রেট’। বারবার তারা বুঝিয়ে দিয়েছেন, তাদের প্রেম কাহিনি অন্যরকম। তবে এবার পর্দার সেই ‘কাছের মানুষ’ রুক্মিণী মৈত্রকে নিয়ে বাস্তবের ছাদনাতলায় যাওয়ার জোরালো ইঙ্গিত দিলেন দেব। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেবের শেয়ার করা কিছু ছবি নেটপাড়ায় রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একে অপরের সান্নিধ্যে মেহেদি উৎসবে মেতেছেন এই তারকা জুটি। শুধু মেহেদিতে হাত রাঙানোই নয়, দেবের হাতে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে রুক্মিণীর নাম। ক্যামেরাবন্দি সেই মিষ্টি মুহূর্তগুলোতে একে অপরের চোখের ভাষা আর খুনসুঁটি বলে দিচ্ছিল তাদের গভীর রসায়নের গল্প।অনুরাগীদের মনে একটাই প্রশ্ন তবে কি এবার সত্যিই বিয়ের সানাই বাজতে চলেছে? অনেকে তো আগাম শুভেচ্ছাবার্তাও দিতে শুরু করেছেন। রুক্মিণী একবার মজা করে জানিয়েছিলেন, দেব যখন প্রথম তার বাবার সঙ্গে দেখা করেন, তখন নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন ‘ইঞ্জিনিয়ার’ হিসেবে আর অভিনয় ও রাজনীতিকে বলেছিলেন ‘একটু-আধটু’ কাজ।
টম হল্যান্ডের সঙ্গে ‘বিয়ের ছবি’ ভাইরাল, যা বললেন জেন্ডায়া

টম হল্যান্ডের সঙ্গে ‘বিয়ের ছবি’ ভাইরাল, যা বললেন জেন্ডায়া ‘স্পাইডারম্যান’ খ্যাত হলিউড অভিনেতা টম হল্যান্ডের সঙ্গে অভিনেত্রী জেন্ডায়ার ‘বিয়ের ছবি’ অন্তর্জালে ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অভিনেত্রীর কাছে জানতে চেয়েছেন অনেকে। সম্প্রতি এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন জেন্ডায়া। জানালেন, ছবিগুলো আসলে সত্যি নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি। সম্প্রতি ‘জিমি কিমেল লাইভ’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি জানান, ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া তাদের বিয়ের ভুয়া ছবিগুলো দেখে সাধারণ মানুষ তো বটেই, এমনকি তার পরিচিত অনেকেই বিভ্রান্ত হয়েছেন। জেন্ডায়া হাসতে হাসতে বলেন, অনেকেই এই ছবিগুলো দেখে প্রতারিত হয়েছেন। বাস্তব জীবনে বাইরে বের হলে মানুষ আমাকে বলছিল, তোমাদের বিয়ের ছবিগুলো দারুণ হয়েছে! অথচ আমি মনে মনে বলছিলাম, ওগুলো তো এআই, ওগুলো আসল নয়! এমনকি অভিনেত্রীর অনেক ঘনিষ্ঠজন বিয়েতে দাওয়াত না পেয়ে অভিমানও করেছিলেন বলে তিনি মজার ছলে জানান। অনুষ্ঠানে জেন্ডায়ার বাম হাতে এনগেজমেন্ট রিং এবং ওয়েডিং ব্যান্ডের মতো উজ্জ্বল আংটি দেখা গেলেও তিনি সরাসরি বিয়ের খবরটি নিশ্চিত করেননি। বরং রসিকতা করে তার নতুন সিনেমা ‘দ্য ড্রামা’র একটি ক্লিপ দেখান, যেখানে সহ-অভিনেতা রবার্ট প্যাটিনসনের মুখে টম হল্যান্ডের মুখ বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। জেন্ডায়া জানান, ইন্টারনেটের জল্পনা নিরসনে এটি তার একটি ছোট কৌতুক। এ ছাড়া আলাপকালে তিনি তাদের আসন্ন সিনেমা ‘স্পাইডারম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ সম্পর্কেও কথা বলেন। আগামী ৩১ জুলাই মুক্তি পেতে যাওয়া এই সিনেমাটি নিয়ে তিনি বেশ আশাবাদী এবং টম হল্যান্ডকে ‘সেরা স্পাইডারম্যান’ হিসেবে মেনে নিয়ে লাজুক হাসিতে নিজের পক্ষপাতের কথাও স্বীকার করেন। টম হল্যান্ড এবং জেন্ডায়ার প্রেমকাহিনি শুরু হয় ২০১৬ সালে ‘স্পাইডারম্যান: হোমকামিং’ ছবির সেট থেকে। দীর্ঘ সময় ধরে তারা নিজেদের সম্পর্ককে কেবল ‘বন্ধুত্ব’ হিসেবে দাবি করে আসলেও, ২০২১ সালে গাড়ির ভেতর তাদের চুম্বনের একটি ছবি ভাইরাল হলে প্রেমের বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন রেড কার্পেট ইভেন্ট, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট এবং সাক্ষাৎকারে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করে তারা বিশ্বজুড়ে ভক্তদের প্রিয় ‘পাওয়ার কাপল’-এ পরিণত হয়েছেন। পর্দার পিটার পার্কার ও এমজের এই রসায়ন বাস্তব জীবনেও সমানভাবে উজ্জ্বল। সম্প্রতি জেন্ডায়ার স্টাইলিস্ট ল রচ তাদের বিয়ের ইঙ্গিত দিয়ে একটি মন্তব্য করায় এবং ইন্টারনেটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি কিছু বিয়ের ছবি ছড়িয়ে পড়ায় তাদের বিয়ে নিয়ে ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়। যদিও জেন্ডায়া জিমি কিমেল শো-তে উপস্থিত হয়ে সেই ভাইরাল ছবিগুলোকে ভুয়া এবং এআইয়ের কারসাজি বলে উড়িয়ে দিয়েছেন, তবু তার হাতের আংটি এবং টমের সঙ্গে তার গভীর রসায়ন ভক্তদের মনে বিয়ের জল্পনা জিইয়ে রেখেছে। আপাতত তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের ঘোষণা না দিলেও, তাদের সম্পর্কের প্রতিটি আপডেট পেতে মুখিয়ে আছে বিনোদন দুনিয়া।
অশ্লীলতার দায়ে সরিয়ে নেওয়া হলো নোরা ফাতেহির নতুন গান, বিতর্ক তুঙ্গে

অশ্লীলতার দায়ে সরিয়ে নেওয়া হলো নোরা ফাতেহির নতুন গান, বিতর্ক তুঙ্গে বলিউডের আইটেম ড্যান্স কুইন নোরা ফাতেহির নতুন গান ‘সরকে চুনার তেরি সরকে’ মুক্তি পাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় ধরনের বিতর্কের মুখে পড়েছে। আসন্ন কন্নড় ছবি ‘কেডি: দ্য ডেভিল’-এর এই গানটির হিন্দি সংস্করণে মাত্রাতিরিক্ত অশ্লীল লিরিক্স এবং কুরুচিপূর্ণ দৃশ্যায়নের অভিযোগ ওঠায় শেষ পর্যন্ত তা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। গত ১৪ মার্চ কেভিএন প্রোডাকশনস থেকে গানটি মুক্তি পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) অ্যাডভোকেট বিনীত জিন্দাল ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সেন্সর বোর্ডে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, গানটির কথা এবং উপস্থাপনা অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ও যৌন উদ্দীপক, যা অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ক্ষতিকর। ভারতীয় দণ্ডবিধি (বিএনএস), পকসো এবং আইটি আইনের আওতায় এই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নেটিজেনরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, ভারতের সেন্সর বোর্ড কীভাবে এমন কুরুচিপূর্ণ লিরিক্সের অনুমতি দিল। অভিযোগের মুখে হিন্দি সংস্করণটি সরিয়ে ফেলা হলেও অবাক করা বিষয় হলো, গানটির আসল কন্নড় সংস্করণসহ তামিল, তেলেগু এবং মালয়ালম সংস্করণগুলো এখনো ইউটিউবে বহাল তবিয়তে রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আঞ্চলিক ভাষার লিরিক্সগুলোর অর্থও হিন্দি সংস্করণের মতোই আপত্তিকর। হিন্দি ভার্সনটি সরিয়ে ফেলা হলেও অন্য ভাষায় গানটির প্রচার থামেনি; বরং এর একটি আঞ্চলিক সংস্করণ ইতোমধ্যেই এক কোটি ভিউ ছাড়িয়ে গেছে। এই বিতর্কের মাঝে মুখ খুলেছেন হিন্দি সংস্করণের গীতিকার রকিব আলম। তিনি দাবি করেছেন, এই বিতর্কিত লিরিক্স তার নিজস্ব সৃষ্টি নয়। তিনি জানান, ছবির পরিচালক প্রেম তাকে কন্নড় থেকে হুবহু শব্দ ধরে হিন্দি অনুবাদ করতে বাধ্য করেছিলেন। রকিব আলম বলেন, আমি এই গানটি লিখতে রাজি ছিলাম না এবং পরিচালককে সতর্ক করেছিলাম যে এটি সেন্সরে আটকে যাবে। কিন্তু পরিচালক বিতর্ক তৈরির উদ্দেশ্যেই এটি হুবহু অনুবাদ করাতে চেয়েছিলেন। সিনেমা এবং সংগীতের মাধ্যমে সুস্থ সংস্কৃতির ভারসাম্য নষ্ট হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সমাজকর্মীরাও। বিশেষ করে শিশুদের ওপর এই ধরনের গানের নেতিবাচক প্রভাব এবং সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে এখন নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
বড় বাজেটে রোমান্টিক সিনেমায় শাহরুখ

বড় বাজেটে রোমান্টিক সিনেমায় শাহরুখ বলিউডের বাদশা শাহরুখ খান আবার রোম্যান্টিক চরিত্রে পর্দায় ফিরতে চলেছেন। দীর্ঘ এক দশকের পর ভক্তরা তার সেই চেনা প্রেমিক অবতারের জন্য অপেক্ষা করেছিলেন, যা এবার মেগাবাজেট প্রজেক্টের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘কিং’ সিনেমার কাজ শেষ করে শাহরুখ এবার সম্পূর্ণ রোম্যান্টিক চিত্রনাট্যের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। নতুন সিনেমাটি তার ক্যারিয়ারের ব্লকবাস্টার ‘ম্যায় হুঁ না’-র ধাঁচে তৈরি হতে পারে এবং সিক্যুয়েল হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। শাহরুখ ইতোমধ্যেই লেখক ও পরিচালক দলের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন। তাঁর প্রিয় বন্ধু ও সফল নির্মাতা ফারহা খান এই প্রজেক্ট পরিচালনা করতে পারেন। টানা অ্যাকশন সিনেমার শুটিংয়ে চোটপাটের কারণে চিকিৎসকরা বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন। তাই এবার রোম্যান্টিক ঘরানায় ফিরে শরীরের ওপর চাপ কমানোই মূল লক্ষ্য। নতুন সিনেমা কেবল সাধারণ প্রেমের গল্প নয়, বরং পরিণত বয়সের বাস্তবধর্মী রোম্যান্স প্রদর্শন করবে। মেগাবাজেট প্রজেক্টে শাহরুখকে দ্বৈত চরিত্রে দেখা যেতে পারে। চিত্রনাট্য বর্তমানে শেষ পর্যায়ে, সব ঠিক থাকলে জুন ২০২৬-এ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। শুটিং শুরু হতে পারে ২০২৭ সালের জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারি।
দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী আনুশকা শেঠির বিয়ে?

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী আনুশকা শেঠির বিয়ে? ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী আনুশকা শেঠি। বহু বছর ধরে তার বিয়ে নিয়ে নানা জল্পনা চাউর হয়েছে। যদিও তার কোনোটিই বাস্তবে রূপ নেয়নি। ফের বিয়ে নিয়ে নতুন করে খবরের শিরোনাম হলেন ৪৪ বছরের আনুশকা। ভক্ত-অনুরাগীদের পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনেও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সিয়াসাত ডটকম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ‘বাহুবলি’ তারকা আনুশকা শেঠি। এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার কথা ভাবছেন এই অভিনেত্রী। এই ব্যবসায়ী অভিনেত্রীর পরিবারের পরিচিত। এখন দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ে নিয়ে আলোচনা চলছে। দুজনের সম্মতিতেই বিয়ে ঠিক হতে পারে। একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, “পাত্র প্রতিষ্ঠিত একজন ব্যবসায়ী। আনুশকা শেঠির পরিবারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। বিয়ের দিন-তারিখ চূড়ান্ত হলে, ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। দুই পরিবারের সদস্য ও চলচ্চিত্র জগতের কয়েকজন বন্ধু উপস্থিত থাকবেন।” আনুশকা শেঠি বরবরই তার ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রেখেছেন। প্রেম-বিয়ে নিয়ে নানা সময়ে নানা কথা সামনে এলেও খুব কমই এসব বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। ফলে তার বিয়ে নিয়ে নতুন কোনো খবর এলেই মানুষের কৌতূহল বেড়ে যায়। এবারো তার ব্যতিক্রম নয়। তবে এখনো বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে আছেন আনুশকা। বলে রাখা ভালো, বহুল আলোচিত ‘বাহুবলি’ সিনেমায় অমরেন্দ্র বাহুবলি ও দেবসেনা চরিত্র রূপায়ন করেন অভিনেতা প্রভাস ও আনুশকা শেঠি। পর্দায় এ জুটির রসায়ন ভক্তদের মনে এতটাই দাগ কাটে যে, বাস্তব জীবনেও তাদের জুটি হিসেবে ভেবে নেন তারা। ‘বাহুবলি-টু’ মুক্তির পর প্রভাস ও আনুশকার প্রেম ও বিয়ে নিয়ে নানা গুঞ্জন চাউর হতে থাকে। তাছাড়া দুজনই এখনো অবিবাহিত। দুয়ে দুয়ে চার মিলিয়ে চলতে থাকে নানা জল্পনা-কল্পনা। যদিও পরবর্তীতে দুজনই এই গুঞ্জন অস্বীকার করেন। আনুশকা শেঠি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন—“আমি প্রভাসকে ১৫ বছর ধরে চিনি। সে আমার এমন বন্ধু যাকে রাত ৩টা সময়ও ফোন কল করতে পারি।” আনুশকা শেঠি অভিনীত সবশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ঘাটি’। গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর মুক্তি পায় এটি। বর্তমানে তার হাতে মালায়ালাম ভাষার ‘কাঠানার’ সিনেমার কাজ রয়েছে। এখন সিনেমাটির পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরে মুক্তি পাবে এটি।
গানের কথায় অশ্লীলতা, বিতর্কে নোরা-সঞ্জয়ের মিউজিক ভিডিও

গানের কথায় অশ্লীলতা, বিতর্কে নোরা-সঞ্জয়ের মিউজিক ভিডিও আসন্ন বলিউড সিনেমার একটি গানে চরম অশ্লীল কথা থাকায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন নির্মাতা ও সংশ্লিষ্টরা। সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফাতেহি অভিনীত এই সিনেমার ‘সারকে চুনার তেরি সারকে’ শিরোনামের গানটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন নেটিজেনরা। সাধারণ শ্রোতাদের পাশাপাশি ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও পরিচালক আরমান মালিকও গানটির কুরুচিপূর্ণ কথা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া এই গানটিতে ‘পহেলে উঠালে, আন্দার ভো ডালে’- এর মতো চরম আপত্তিকর কথা ব্যবহার করা হয়েছে। গানটি প্রকাশের পরপরই তা ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের বড় অংশ লিরিকের ধরনে বিরক্ত। বর্তমান সময়ে এমন নিম্নমানের ও অশ্লীল ভাষার গান কেন তৈরি করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সামাজিক মাধ্যমে গানটি নিষিদ্ধ করারও দাবি তুলেছেন কেউ কেউ। এই বিতর্কে যোগ দিয়ে সংগীতশিল্পী আরমান মালিক রীতিমতো হতবাক। লিখেছেন, আমি সত্যিই ভাষা হারিয়ে ফেলছি। আমি কি ঠিক শুনছি! নিশ্চিত হওয়ার জন্য গানটি আরও একবার শুনতে বাধ্য হয়েছিলাম। আরমানের এই প্রতিক্রিয়া গানটির বিরুদ্ধে চলা জনমতকে আরও জোরালো করেছে। যদিও ভিডিওতে নোরার নাচের দক্ষতার প্রশংসা করেছেন তার ভক্তরা, তবে মূলধারার সংগীতে এমন ‘অশ্লীলতা’ মেনে নিতে পারছেন না অধিকাংশ নেটিজেন। তাদের মতে, বিনোদনের নামে এমন কুরুচিপূর্ণ বিষয়বস্তু সুস্থ সংস্কৃতির পরিপন্থী।