কত টাকার মালিক নেহা কাক্কর?

কত টাকার মালিক নেহা কাক্কর? বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়িকা নেহা কাক্কর। গত বছরটি খুব একটা ভালো কাটেনি তার। লাইভ কনসার্ট ও নতুন গান প্রকাশের পর অশ্লীলতার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনার কিছুদিন পর নেহা কাক্কর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লেখেন “দায়িত্ব, সম্পর্ক, কাজ সবকিছু থেকে বিরতি নেওয়ার সময় এসেছে। আর ফিরব কি না নিশ্চিত নই।” এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নেহার সংসার ভাঙার গুঞ্জন চাউর হয়। সর্বশেষ তা উড়িয়ে দেন নেহা। চলুন এক নজরে দেখে নিই, নেহা কত টাকার মালিক নবভারত টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নেহা কাক্করের মোট সম্পদের পরিমাণ ১০৪ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা)। প্রতি মাসে তার আয় ২ কোটি রুপি। প্রতি গানের জন্য ১০-২০ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নেন। প্রতিটি লাইভ শোয়ের জন্য নেন প্রায় ২৫-৩০ লাখ রুপি। তাছাড়া টিভি রিয়েলিটি শোয়ের বিচারক হিসেবে কাজ করেন নেহা কাক্কর। রিয়েলিটি শোয়ের বিচারক হিসেবে প্রতি সিজনে ২০ লাখ রুপির বেশি পারিশ্রমিক পান। মিউজিক ভিডিও, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেও আয় করে থাকেন এই শিল্পী। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আয় নেহা কাক্করের ইনস্টাগ্রামে অনুসারীর সংখ্যা ৭৭ মিলিয়নের বেশি। ফলে ব্র্যান্ড প্রমোশন ও অনলাইন সহযোগিতার মাধ্যমেও মোটা অঙ্কের অর্থ উপার্জন করে থাকেন এই শিল্পী। ভারতীয় সংগীতশিল্পীদেরে মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুসারীর দিক থেকে অন্যতম নেহা। বিলাসবহুল ফ্ল্যাট-বাড়ি মুম্বাইয়ে সমুদ্রমুখী বিলাসবহুল একটি ফ্ল্যাটের মালিক নেহা কাক্কর। এর মূল্য প্রায় ১.২ কোটি রুপি। ঋষিকেশে তার একটি সুন্দর বাংলো রয়েছে। সেখানে প্রকৃতির মাঝে শান্ত সময় কাটান এই শিল্পী। দামি গাড়ির সংগ্রহ নেহা কাক্করের গ্যারেজে বেশ কিছু বিলাসবহুল গাড়ি শোভা পাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে অডি কিউ৭, মার্সিডিজ-বেঞ্জ জিএলএস ৩৫০, বিএমডব্লিউ। বিলাসবহুল প্রতিটি গাড়ির মূল্য কয়েক কোটি রুপি। নেহার ক্যারিয়ার ১৯৮৮ সালের ৬ জুন উত্তর প্রদেশের ঋষিকেশে এক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেন নেহা কাক্কর। তার বাবা ছিলেন শিঙাড়া বিক্রেতা। বড় বোন সনু কাক্কর ও ভাই টনি কাক্কর উভয়ে সংগীতের সঙ্গে যুক্ত। মাত্র চার বছর বয়স থেকে গান শুরু করেন নেহা। ২০০৫ সালে ইন্ডিয়ান আইডলের মাধ্যমে গায়িকা হিসেবে নজর কাড়েন নেহা। ২০০৮ সালে ভাই টনির সঙ্গে মুম্বাই পা রাখেন নেহা। সেই বছরই ‘নেহা দ্য রকস্টার’ নামে তার প্রথম গানের অ্যালবাম মুক্তি পায়। ২০১৩ সালে ‘ফাটা পোস্টার নিকলা হিরো’সিনেমার ‘ধাতিং নাচ’ গানে প্রথম প্লেব্যাক করেন। ২০১৪ সালে তার ‘সানি সানি’গানটি দারুণ হিট হয়। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একের পর এক তুমুল জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন তিনি। নেহার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘জাদু কা ঝাপ্পি’, ‘টুকুর টুকুর’, ‘ন্যায়না’, ‘মে তেরা বয়ফ্রেন্ড’, ‘দিলবার দিলবার’, ‘কালা চশমা’, ‘আঁখ মারে’, ‘কোকাকোলা’, ‘সাকি সাকি’ প্রভৃতি।
একুশ মানে নিজের ভাষাকে ভালোবাসার প্রতিজ্ঞা’

একুশ মানে নিজের ভাষাকে ভালোবাসার প্রতিজ্ঞা’ রক্তস্নাত ঐতিহাসিক ২১ ফেব্রুয়ারি আজ। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এই দিনে বাঙালি জাতি বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে সেইসব বীর সন্তানদের, যারা মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় ১৯৫২ সালের এই দিনে অকাতরে প্রাণ বিলিয়ে দিয়েছিলেন। শোক, অহংকার আর গৌরবের এই দিনে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় ও নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান। শহীদ দিবস উপলক্ষে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তিনি; যেখানে বায়ান্নর ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ এবং বাংলা ভাষার প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা ফুটে উঠেছে। জয়া আহসান লেখেন, ২১শে ফেব্রুয়ারি। এই দিনটা এলে ভোরের আলোটাও যেন একটু নরম হয়, বাতাসে ভেসে আসে অদ্ভুত এক শোক আর গর্বের মিশ্র গন্ধ। মনে হয়, মাটির খুব গভীর থেকে কেউ ফিসফিস করে বলছে, ‘ভাষাকে ভালোবাসো। এই অভিনেত্রী আরও লেখেন, ভাষা তো শুধু উচ্চারণ নয়। ভাষা মানে মায়ের আঁচলের গন্ধ, শৈশবের প্রথম ছড়া, প্রথম ভালোবাসার স্বীকারোক্তি। সেই ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখতে ১৯৫২’র তরুণেরা বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিল। গুলির শব্দের সামনে তারা ভয়কে ছোট করে দেখেছিল। কারণ তাদের কাছে বাংলা ছিল শ্বাসের মতো; থামানো যায় না, থামানো উচিতও নয়। ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে জয়া তার পোস্টে উল্লেখ করেন, সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার; এই নামগুলো উচ্চারণ করলেই বুকের ভেতর কেমন হাহাকার জেগে ওঠে। তারা তো শুধু শহীদ নন; তারা আমাদের প্রতিটি ‘মা’ শব্দের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সাহস। জয়া লেখেন, আজ আমরা সহজে বাংলায় লিখি, কথা বলি, মনের কথা প্রকাশ করি। অথচ এই সহজতার পেছনে কতটা রক্ত, কতটা অশ্রু, কতটা অসমাপ্ত স্বপ্ন লুকিয়ে আছে একুশ মানে মাথা নত করে দাঁড়ানো। একুশ মানে ভেতর থেকে শক্ত হয়ে ওঠা। একুশ মানে নিজের ভাষাকে ভালোবাসার প্রতিজ্ঞা। শেষে জয়া লেখেন, আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, তোমাদের ঋণ আমরা কখনো শোধ করতে পারব না, শুধু হৃদয়ে বহন করে যাব চিরকাল।
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি ব্রেন টিউমারের সফল অস্ত্রোপচারের পর অবশেষে বাসায় ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। গেল রোববার রাজধানীর একটি হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। এরপর ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার পর বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) চিকিৎসকরা তাকে ছাড়পত্র দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা সকাল আহমেদ। তিনি জানান, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর এখন বাসায় বিশ্রামে আছেন অভিনেত্রী।এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নিজের অসুস্থতার খবর সামাজিকমাধ্যমে জানান তানিয়া বৃষ্টি। হাসপাতালে বসে তোলা একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছিলেন, পরদিন তার মাথায় অস্ত্রোপচার হবে এবং সবার কাছে দোয়া চেয়েছিলেন। এদিকে তার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনায় নিয়ে একটি বিবৃতিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে, আপাতত কাজ বা শুটিং সংক্রান্ত বিষয়ে যোগাযোগ না করতে। সম্পূর্ণ বিশ্রাম ও চিকিৎসার প্রয়োজন বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তানিয়া বৃষ্টির পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুস্থ হয়ে উঠলে তিনি নিজেই সবার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।
জাইমা রহমানের প্রশংসা করলেন তানজিন তিশা

জাইমা রহমানের প্রশংসা করলেন তানজিন তিশা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের প্রশংসা করেছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে জাইমা রহমানকে নিয়ে অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। জাইমা রহমানকে মাটির মানুষ আখ্যা দিয়ে তিশা লেখেন, ‘বিদেশে বেড়ে উঠলেও তিনি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে অত্যন্ত সৌন্দর্য, মর্যাদা ও গর্বের সঙ্গে ধারণ করেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘কেউ যেখানে বেড়ে উঠুক না কেন, নিজের শিকড়কে এভাবে দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে দেখা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।
কেন বলিউড ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন, জানালেন প্রিয়াঙ্কা

কেন বলিউড ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন, জানালেন প্রিয়াঙ্কা বলিউড ছেড়ে হলিউডে পাড়ি দেওয়া নিয়ে বহু বছর ধরেই নানা জল্পনা ছিল। অনেকেই ভেবেছেন, এটি ছিল তাঁর স্বেচ্ছায় নেওয়া সিদ্ধান্ত। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের সেই যাত্রাপথ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। অভিনেত্রীর ভাষ্য, “আমার মনে হয় না, আমি কখনো বলিউড ছেড়ে যেতে চেয়েছি। তবে তখনকার সময়ে হিন্দি চলচ্চিত্রে নিজের কাজের পরিসরকে বেশ সীমিত মনে হয়েছিল তাঁর। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এখানে আমার নিজের কাজের জায়গাটা খুবই সীমিত মনে হতো। বেশ কিছু কারণ ছিল। আমি নিজের পরিসর বৃদ্ধি করতে চেয়েছিলাম। শিল্পী হিসাবে আমাকে উত্তেজিত করতে পারে এমন কাজের সুযোগের জন্য মুখিয়ে ছিলাম।”নতুন সম্ভাবনার খোঁজই শেষ পর্যন্ত তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে কাজের দিকে টেনে নেয়। অভিনেত্রী জানান, “এই ভাবেই আমি আমেরিকায় কাজ করতে পৌঁছে যাই।”পেছনে ফিরে তাকালে এই পথচলাকে মোটেই সহজ মনে করেন না তিনি। দীর্ঘ সময় পর নিজের আন্তর্জাতিক যাত্রাকে চ্যালেঞ্জে ভরা বলেই মনে করেন প্রিয়াঙ্কা। এদিকে বহুদিন পর আবার ভারতীয় ছবিতে কাজ করতে যাচ্ছেন তিনি। যদিও তা বলিউডে নয়, বরং দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা ‘বারাণসী’-র মাধ্যমে। এই প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, “আমি ভারতীয় ছবি পছন্দ করি। ‘বারাণসী’তে কাজ করে আমি খুশি। বলিউড না দক্ষিণী সিনেমা— কোনটি বেছে নেবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট। বললেন, “আমি দুটোর মধ্যে একটিকে বেছে নিতে পারবই না। আমার দুই জায়গাতেই কাজ করতে ভালো লাগে।”
শহিদকে ‘সেরা’ বললেন হৃতিক, পছন্দ হলো না নেটিজেনদের

শহিদকে ‘সেরা’ বললেন হৃতিক, পছন্দ হলো না নেটিজেনদের সম্প্রতি শহিদ কাপুরের নতুন কাজ ‘ও রোমিও’ দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় তার প্রশংসা করেছেন হৃতিক রোশন। তবে এই প্রশংসা হৃতিকের জন্য কিছুটা উল্টো ফল বয়ে এনেছে। হৃতিক রোশন এক্স-এ (সাবেক টুইটার) লিখেছেন যে, শহিদ কাপুর এই ধরনের কমেডি বা ঘরানার অভিনয়ে সেরা। বিশেষ করে ছবির একটি অ্যাকশন দৃশ্যের (রানিং ইন সার্কেল) তিনি খুব প্রশংসা করেন এবং সবাইকে সিনেমাটি হলে গিয়ে দেখার অনুরোধ জানান। জবাবে শহিদ কাপুরও বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি জানান, কলেজের দিনগুলোতে হৃতিকের অভিষেক দেখে তিনি মুগ্ধ হয়েছিলেন এবং হৃতিকের কাছ থেকে এমন প্রশংসা পাওয়া তার কাছে অনেক বড় ব্যাপার। হৃতিকের এই ভালো লাগাটা ইন্টারনেটে অনেকেই ইতিবাচকভাবে নেননি। কারণ হলো, এর আগে হৃতিক যখন ‘ধুরন্ধর’ সিনেমাটির সমালোচনা করেছিলেন, তখন তাকে নিয়ে ট্রোল হয়েছিল। এবার অতিরিক্ত প্রশংসা করায় নেটিজেনরা তাকে নিয়ে মজা করছেন। অনেক সাধারণ দর্শক হয়তো সিনেমাটি হৃতিকের মতো অতটা পছন্দ করেননি, তাই তারা মন্তব্য বিভাগে তাকে ট্রোল করা শুরু করেছেন। সূত্র : এনডিটিভি
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ওপর চটেছেন সালমান খান

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ওপর চটেছেন সালমান খান বলিউডের প্রখ্যাত চিত্রনাট্যকার সেলিম খানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে যখন গোটা সিনেমা পাড়ায় উদ্বেগ কাজ করছে, ঠিক তখনই বাবার ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যগত তথ্য প্রকাশ্যে আসা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুপারস্টার সালমান খান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত সমস্যার কারণে প্রবীণ এই ব্যক্তিত্বকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর থেকেই চিকিৎসকরা নিয়মিত ‘হেলথ বুলেটিন’ বা স্বাস্থ্যবার্তা গণমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করে আসছেন। বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো চটেছে পুরো খান পরিবার। সালমানের অভিযোগ, পরিবারের অনুমতি ছাড়া একজন ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার খুঁটিনাটি জনসমক্ষে প্রচার করা তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন। খান পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সেলিম খানের প্রতি সাধারণ মানুষ ও ভক্তদের গভীর ভালোবাসা এবং উদ্বেগের জন্য তারা কৃতজ্ঞ। তবে সালমান মনে করেন, তার বাবার অসুস্থতার প্রতিটি ছোটখাটো বিষয় বাইরের মানুষের জানার প্রয়োজন নেই। কোনো তথ্যের দরকার হলে পরিবার নিজেই সেটি জানাবে। সালমান খানের পক্ষ থেকে কড়া বার্তা পাওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নতিস্বীকার করেছে এবং সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এখন থেকে অনুমতি ছাড়া সেলিম খানকে নিয়ে আর কোনো মেডিকেল বুলেটিন বা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন অপেশাদার আচরণে সালমান ও তার পরিবার সরাসরি তাদের আপত্তির কথা জানিয়ে দিয়েছেন। এদিকে গত দুই দিনে সেলিম খানের শারীরিক অবস্থায় বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার কোনো বড় ধরনের অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়েনি, তবে ডিএসএ প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে প্রবীণ এই চিত্রনাট্যকারকে ভেন্টিলেশনে রাখা হলেও তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। যদি দ্রুত উন্নতি ঘটে, তবে খুব শীঘ্রই তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বা আইসিইউ-তে স্থানান্তর করা হতে পারে। চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল সার্বক্ষণিক তার দেখাশোনা করছেন এবং তিনি চিকিৎসায় ইতিবাচকভাবে সাড়া দিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার হাসপাতালে সেলিম খানকে দেখতে গিয়েছিলেন সালমানের আগামী সিনেমা ‘ব্যাটল অব গলওয়ান’-এর সহ-অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিংহ। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে জানান যে, সেলিম খান এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন এবং সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। প্রিয় অভিনেতার বাবার এমন অসুস্থতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অগণিত ভক্ত দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বার্তা পাঠাচ্ছেন। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার অনুরোধ করা হয়েছে যাতে এই কঠিন সময়ে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান জানানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে সময় কাটাচ্ছেন সামিরা খান মাহি

যুক্তরাষ্ট্রে সময় কাটাচ্ছেন সামিরা খান মাহি বর্তমান সময়ের ছোটপর্দার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি। সাবলীল অভিনয় আর শরীরী সৌন্দর্যে খুব অল্প সময়েই দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। নাটকের ব্যস্ত শিডিউল আর শুটিংয়ের ব্যস্ততায় যখন তার সময় কাটে, ঠিক তখনই হঠাৎ বিরতির ঘোষণা দিলেন এই অভিনেত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাহির সক্রিয়তা বরাবরের মতোই বেশি। তবে এবার সেখানে কোনো আনন্দঘন মুহূর্ত নয়, বরং মন খারাপের এক বার্তা ভাগ করে নিয়েছেন ভক্তদের সঙ্গে। মাহি জানিয়েছেন, জীবনের এই পর্যায়ে এসে তার একটু থামা প্রয়োজন। এক পোস্টে মাহি লিখেছেন, ‘প্রিয় ভক্তরা, জীবনের প্রতিটি যাত্রায় মাঝেমধ্যে একটু বিরতি দরকার হয়। এইবার সেই বিরতিটাই নিচ্ছি। মনটা একটু ভারী, কারণ কাজ আর তোমাদের ভালোবাসা ছাড়া আমি অসম্পূর্ণ। হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত? তা নিয়ে ভক্তদের মনে কৌতূহল উঁকি দিলেও মাহি স্পষ্ট করেছেন এটি স্থায়ী কোনো বিদায় নয়। তিনি আরও বলেন, ‘তবে এটা বিদায় না, শুধু অল্প সময়ের জন্য থামা। দোয়া রেখো, খুব তাড়াতাড়ি আবার ফিরবো, ইনশাআল্লাহ। গতকাল নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন মাহি। সেখানে বোনের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে তাকে। ভিডিওতে বেশ প্রাণবন্ত ও হাস্যোজ্জ্বলভাবেই ধরা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। মাহির এমন পোস্টের নিচে মন্তব্যের ঘরে ভক্তরা তাকে শুভকামনা জানাচ্ছেন। কেউ বলছেন কাজের চাপে মানসিক প্রশান্তির জন্য বিরতি প্রয়োজন, আবার কেউ তাকে দ্রুত পর্দায় ফেরার অনুরোধ জানাচ্ছেন। তবে বিরতির কারণ নিয়ে বিস্তারিত আর কিছুই জানাননি তিনি।
ঢাবির টিএসসিতে দুই দিনব্যাপী চলচ্চিত্র প্রদর্শনী

ঢাবির টিএসসিতে দুই দিনব্যাপী চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অমর একুশে ফেব্রুয়ারি স্মরণে ‘ঢাকা ফিল্ম ক্লাব’-এর উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি-সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ভাষা আন্দোলনভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে উন্মুক্ত এ আয়োজন চলবে আজ ও আগামীকাল। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় আয়োজিত এ প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত। প্রদর্শনীর প্রথম দিন আজ দেখানো হচ্ছে কিংবদন্তি নির্মাতা জহির রায়হান পরিচালিত কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’। ১৯৭০ সালে নির্মিত এ ছবিটি বাংলা চলচ্চিত্রে রাজনৈতিক রূপকের এক অনন্য উদাহরণ। একটি পরিবারের ভেতরের দমন-পীড়নের গল্পের মাধ্যমে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি স্বৈরশাসনের প্রতীকী চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ড্রাকুলা চরিত্রের রূপক ব্যবহার করে শাসনব্যবস্থার নির্মমতা এবং জনগণের প্রতিবাদী চেতনা ফুটিয়ে তুলেছেন নির্মাতা। চলচ্চিত্রটিতে ভাষা আন্দোলনের আবহ আরও শক্তিশালী হয়েছে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচিত অমর সংগীত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ ব্যবহারের মাধ্যমে। শুটিং চলাকালে ‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক চলচ্চিত্র’ নির্মাণের অভিযোগে জহির রায়হানকে ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হলেও পরে প্রমাণের অভাবে তাঁকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক, সুচন্দা, রোজী সামাদ, খান আতাউর রহমান, রওশন জামিল ও আনোয়ার হোসেনসহ প্রখ্যাত শিল্পীরা। এই আয়োজনের দ্বিতীয় দিন শনিবার প্রদর্শিত হবে শহীদুল হক খান পরিচালিত কলমীলতা। ১৯৮১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ চলচ্চিত্রে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পারিবারিক গল্পের আবহে একুশে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ইতিহাসের ধারাবাহিকতা তুলে ধরা হয়েছে ছবিটিতে। চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন কবরী, বুলবুল আহমেদ, সুচরিতা, ইলিয়াস কাঞ্চন, গোলাম মুস্তাফা, রোজী সামাদ ও টেলি সামাদসহ আরও অনেকে।আয়োজকদের মতে, বাংলা চলচ্চিত্রে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নির্মাণের সংখ্যা এখনও সীমিত। নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাসনির্ভর গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্রগুলো পৌঁছে দেওয়া এবং ভাষা আন্দোলনের চেতনা পুনরুজ্জীবিত করাই এ প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ নানা বয়সী দর্শকের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি এ আয়োজনকে ঘিরে তৈরি করেছে এক ভিন্ন আবহ।
বিপদ কেটে গেলে মানুষ অহংকারী হয়ে ওঠে : আসিফ আকবর

বিপদ কেটে গেলে মানুষ অহংকারী হয়ে ওঠে : আসিফ আকবর বাংলাদেশে শিল্পীদের সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া একটি পোস্টে করোনাকালীন সংকট ও সংগীতাঙ্গনের নাকাল পরিস্থিতির কথাও বর্ণনা করেন এই শিল্পী। আসিফ আকবর বলেন, পবিত্র রমজান মাস এলেই করোনাকালীন যন্ত্রণা তাড়িয়ে বেড়ায়। এমনিতেই বাংলাদেশের সমস্ত সমস্যা প্রতিফলিত হয় সংস্কৃতি অঙ্গনে, প্রথম চালানেই বন্ধ হয় সংগীতের কার্যক্রম। এই দেশে শিল্পীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সামাজিক নিরাপত্তা প্রাপ্তির কোনো অপশন নেই, ব্যাংক লোন দেয় না, বাড়িওয়ালা দেয় না বাসা ভাড়া। তবু থেমে নেই চর্চা, চলছে পেশা নিয়ে টিকে থাকার যুদ্ধ। সংগীতশিল্পী ও প্রযোজক ধ্রুব গুহকে স্মরণ করে আসিফ আকবর বলেন, “করোনার সময় আমরা রেকর্ডিং করতাম মোবাইল ফোনে। স্টুডিও বন্ধ, টেকনিশিয়ান নাই, সব কাজ হতো বাসায় অবস্থান করেই। নিরাপত্তা আতঙ্কে মিউজিশিয়ানরা কেউ চলে গেছেন শহর ছেড়ে, কেউ প্রবাসে, কেউ বদলে ফেলেছেন পেশা। তবু শুকরিয়া, ধ্রুব গুহ দাদার মতো দু-একজন বোকা প্রোডিউসার ছিলেন আমাদের পাশে। রাজনীতি, মিউজিক-ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা বর্ণনা করে আসিফ আকবর বলেন, “যেভাবে সরকার যায় সরকার আসে, ঠিক সেভাবেই চাটুকারের দল যায়, চাটুকারের দল আসে। একঘেয়ে গালভরা বুলি আর স্বপ্ন পোড়া ছাই—এই টম অ্যান্ড জেরির গল্প যেন শেষ হবার নয়! এখন দেশে মিউজিক বা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বলে কিছু নেই, যা আছে সেগুলো কঙ্কালসার অবয়ব। এই অবয়ব দিয়ে ল্যাবেও (গবেষণা) কাজ হবে না। বিপদ কেটে গেলে মানুষ অহংকারী হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে উদাহরণ দিয়ে আসিফ আকবর বলেন, “করোনা শিক্ষা আর আতঙ্ক নিয়ে এসেছিল, চলেও গেছে। আমরা সব ভুলে যাই বরাবরের মতো, বিপদ কেটে যাওয়ায় আবারও হয়ে গেছি অহংকারী। সংস্কৃতিকর্মীদের নিজেদের স্বার্থপরতায় প্রতি পদে পদে নিহত হয় সম্ভাবনা, আর সাংস্কৃতিক বলয়ে ছড়ি ঘোরায় অভিশপ্ত পদাতিক। তবু। ভালোবাসা অবিরাম।