পিটার জ্যাকসন পাচ্ছেন পাম দ’র

পিটার জ্যাকসন পাচ্ছেন পাম দ’র বিশ্বখ্যাত নিউজিল্যান্ডের নির্মাতা পিটার জ্যাকসনকে সম্মানসূচক পাম দ’র প্রদান করবে কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭৯তম আসর। হলিউড ব্লকবাস্টার ও শিল্পধর্মী সিনেমাকে অনন্য শিল্পদৃষ্টি ও প্রযুক্তিগত সাহসিকতার সঙ্গে মিলিয়ে নতুন মাত্রা দেওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মান পাচ্ছেন তিনি। এর আগে এই সম্মান পেয়েছেন অ্যাগনেস ভারদা, মার্কো বেল্লছিও, জোডি ফস্টার, মেরিল স্ট্রিপ এবং গত বছর রবার্ট ডি নিরো’র মতো বিশ্বনন্দিতরা। সম্মাননা প্রসঙ্গে জ্যাকসন বলেন, ‘‘কান উৎসবে সম্মানসূচক পাম দ’র পাওয়া আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় সম্মান। আমার চলচ্চিত্রজীবনে কান সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ১৯৮৮ সালে আমার প্রথম চলচ্চিত্র ‘ব্যাড টেস্ট’ নিয়ে আমি ফেস্টিভ্যালের মার্কেটপ্লেসে অংশ নিয়েছিলাম। পরে ২০০১ সালে ‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস: দ্য ফেলোশিপ অব দ্য রিং’ ছবির একটি প্রিভিউ সিকোয়েন্স এখানে দেখানো হয়েছিল। এই উৎসব সব সময় সাহসী ও দূরদর্শী সিনেমাকে উদযাপন করে। এমন একটি মঞ্চ থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার খবর পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ। বিশ্বজুড়ে সাফল্যের পর ২০০৫ সালে জ্যাকসন নির্মাণ করেন ‘কিং কং’। পরে আবার টলকিয়েনের জগতে ফিরে এসে পরিচালনা করেন ‘দ্য হবিট’ ট্রিলজি, যা মুক্তি পায় ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি ব্যতিক্রমধর্মী তথ্যচিত্র নির্মাণেও মনোযোগ দিয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘দে শ্যাল নট গ্রো ওল্ড’ (২০১৮), যেখানে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আর্কাইভ ফুটেজ নতুন প্রযুক্তিতে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি সংগীত ইতিহাস নিয়ে নির্মাণ করেছেন আলোচিত মিনি সিরিজ ‘দ্য বিটলস: গেট ব্যাক’, যেখানে ব্রিটিশ ব্যান্ড দ্য বিটলস-এর অপ্রকাশিত ফুটেজ ব্যবহার করা হয়েছে। দীর্ঘ চার দশকের চলচ্চিত্রযাত্রায় প্রযুক্তি, কল্পনা ও গল্প বলার অনন্য সমন্বয়ে বিশ্ব সিনেমায় স্থায়ী প্রভাব ফেলেছেন পিটার জ্যাকসন। সেই অবদানের স্বীকৃতিই এবার মিলছে কান উৎসবের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক পুরস্কারে। ৭৯তম কান উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হচ্ছে ১২ মে ২০২৬ ফ্রান্সের কান সৈকতে, সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে পিটার জ্যাকসনের হাতে তুলে দেওয়া হবে সম্মানসূচক পাম দ’র। এমনটাই নিশ্চিত করেছে কান কর্তৃপক্ষ।
আরও ভয়ঙ্কর হচ্ছেন রণবীর ধুরন্ধর

আরও ভয়ঙ্কর হচ্ছেন রণবীর ধুরন্ধর বলিউডের রণবীর সিং অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘ধুরন্ধর’ এর সিক্যুয়েল ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’-এর ট্রেলার প্রকাশ পেয়েছে। ট্রেলারে প্রথম পর্বের চেয়েও বেশি অ্যাকশন ও রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনার আভাস পাওয়া গেছে। পরিচালক আদিত্য ধর পরিচালিত এই সিনেমাটি আগামী ১৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। প্রকাশিত ট্রেলারে দেখা যায়, প্রথম পর্বের রেশ ধরে এবার আরও ভয়ঙ্কর রূপে পর্দায় হাজির হচ্ছেন রণবীর সিং। সিনেমায় তার অভিনীত চরিত্র ‘জসকিরত সিং রঙ্গি’ কীভাবে দুর্ধর্ষ ‘হামজা’ হয়ে উঠল, সেই বিবর্তনের গল্পই এবারের মূল উপজীব্য। আগের পর্বে অক্ষয় খান্না অভিনীত রহমান বালোচ চরিত্রটি হত্যার পর এবার লিয়ারি অঞ্চলে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে নামবেন রণবীর। ট্রেলার জুড়ে তার মারমুখী উপস্থিতি দর্শকদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে। সিনেমাটিতে রণবীর সিং ছাড়াও অভিনয় করেছেন আর মাধবন, সঞ্জয় দত্ত, সারা অর্জুন ও রাকেশ বেদীর মতো পরিচিত মুখরা। ট্রেলারে আবহসংগীতের ব্যবহারও বেশ প্রশংসিত হচ্ছে। নিজের সামাজিক মাধ্যমে ট্রেলারটি শেয়ার করে রণবীর সিং লিখেছেন, বলেছিলাম না, এবার বিষয়টা ব্যক্তিগত। যা থেকে সিনেমাটির গল্পে ব্যক্তিগত প্রতিশোধের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। গত বছরের ডিসেম্বরে মুক্তি পেয়েছিল এই সিরিজের প্রথম সিনেমা ‘ধুরন্ধর’। সিনেমাটি বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য পেলেও গল্পের প্রেক্ষাপট নিয়ে বেশ কিছু বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। তবে সব বিতর্ক ছাপিয়ে সিনেমাটি ১ হাজার কোটি রুপির বেশি ব্যবসা করে নতুন রেকর্ড গড়ে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার সিক্যুয়েল ‘ধুরন্ধর টু’ বক্স অফিসের লড়াইয়ে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
অর্থহীনের নতুন লাইনআপ ঘোষণা

অর্থহীনের নতুন লাইনআপ ঘোষণা নতুন লাইনআপ-এর ঘোষণা দিয়েছে দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডদল ‘অর্থহীন’। নতুন করে তিনজন মিউজিশিয়ানকে দলে যুক্ত করার খবর দিয়েছে দলটি। এর মধ্যে দলের আগের গিটারিস্ট শিশির আহমেদের ফেরার খবরও দিয়েছে ‘অর্থহীন’। এক ফেসবুক পোস্টে দলটির পক্ষ থেকে লেখা হয়েছে, আমরা অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমাদের দুইজন অসাধারণ মিউজিশিয়ানকে বিদায় জানাচ্ছি, যারা আমাদের গান এবং আত্মার সাথে মিশে ছিলেন। এদিকে, অর্থহীনের সঙ্গে মার্ক ডনের পথচলা ছিল এক দশকেরও বেশি সময়ের। দীর্ঘ এই যাত্রার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘এই এক দশকে আমি ব্যান্ডটিকে নানা উত্থান-পতনের মধ্যদিয়ে যেতে দেখেছি। দীর্ঘ বিরতি, আবার নতুন করে দল গড়ে তোলা, প্রতিটা মুহূর্তে ব্যান্ডটির জন্য নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছি। আশা করি অর্থহীন ভবিষ্যতেও সেরা সব গান উপহার দেবে। কৃতজ্ঞতা ও গর্ব নিয়েই এই অধ্যায় শেষ করছি। অন্যদিকে গিটারিস্ট এহতেশাম আলী মঈনের পথচলা ছিল তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত। গত বছরের জানুয়ারিতে তিনি অর্থহীনে যোগ দেন। দেড় বছরের সেই যাত্রা শেষ করে তিনি বলেন, ‘আমার সংগীতযাত্রার পরবর্তী ধাপে পা দেওয়ার আগে অর্থহীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। অর্থহীনের জন্য আমার আন্তরিক শুভকামনা রইল। এখন থেকে স্বাধীনভাবে সংগীতচর্চা চালিয়ে যেতে চাই। বিদায়বেলায় এই দুই সংগীতশিল্পীর প্রতি শুভকামনা জানিয়েছে অর্থহীন। এক বিবৃতিতে ব্যান্ডটি লিখেছে, ‘পরিবর্তনই ধ্রুব সত্য-বিশেষ করে এমন একটি ব্যান্ডের জন্য যারা কয়েক দশক ধরে গান, সংগ্রাম আর বিজয়ের পথে হেঁটেছে। আজ আমরা আমাদের লাইনআপের একটি বড় পরিবর্তনের কথা আপনাদের জানাচ্ছি। আমরা অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমাদের দুজন অসাধারণ মিউজিশিয়ানকে বিদায় জানাচ্ছি, যারা আমাদের গান এবং আত্মার সঙ্গে মিশে ছিলেন- মার্ক ডন ও এহতেশাম আলী মঈন। তারা সব সময় অর্থহীনের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে থাকবেন। একই সঙ্গে নতুন সদস্য যুক্ত হওয়ার খবরও জানানো হয়েছে। ব্যান্ডটির সাবেক সদস্য শিশির আহমেদ আবার ফিরেছেন অর্থহীনে। প্রায় ২০ বছর ব্যান্ডটির সঙ্গে কাজ করার পর ২০২৩ সালে তিনি দলটি ছেড়েছিলেন। এবার তিনি আবার গিটার ও কি-বোর্ডসে যোগ দিচ্ছেন। নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন আদনান আতিক ও শেখ এম রিয়াজ। আতিক থাকবেন কি-বোর্ডস ও গিটারে। আর মেকানিক্স ব্যান্ডের সদস্য রিয়াজ অর্থহীনে গেস্ট ড্রামার হিসেবে বাজাবেন। ব্যান্ডটির প্রধান সাইদুস সালেহীন খালেদ সুমন বলেন, ‘মুখগুলো বদলে গেলেও অর্থহীনের আত্মা সেই আগের মতোই আছে। আমরা স্টুডিওতে ফিরব এবং মঞ্চে ফেরার জন্য প্রস্তুতি নেব শিগগিরই; সেই চেনা বিশৃঙ্খলা আর মেলোডি নিয়ে, যা আপনারা সব সময় ভালোবেসে এসেছেন। আমাদের প্রতিটি চড়াই-উতরাইয়ে পাশে থাকার জন্য দর্শক-শ্রোতাদের ধন্যবাদ। সেরা সময়টা এখনো আসা বাকি। অর্থহীন মরেনি। অদ্ভুতদের জয় হোক।
নায়িকা অধরা যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত বাংলাদেশি গল্পের টেলিছবিতে

নায়িকা অধরা যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত বাংলাদেশি গল্পের টেলিছবিতে প্রবাস জীবনের নিঃসঙ্গতা, অজানা সংগ্রাম আর হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা বেদনার গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে নতুন টেলিছবি ‘ফ্রেমে বাঁধা বন্ধুত্ব’। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী নির্মাতা নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত এই টেলিছবিতে অভিনয় করেছেন কানাডা প্রবাসী ঢাকাই সিনেমার নায়িকা অধরা খান। টেলিছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন মামনুন হাসান ইমন ও এমদাদ এইচ ভূঁইয়া। ছবিটির ট্যাগলাইন ‘সময় বদলায়, বন্ধুত্ব নয়’। নির্মাতা জানান, টেলিছবিটির গল্পে উঠে এসেছে প্রবাসে থাকা কয়েকজন বাংলাদেশির জীবন, তাদের বন্ধুত্ব, স্বপ্ন এবং না বলা কষ্টের কথা। বাইরের হাসি-আনন্দের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বাস্তব সংগ্রামের অনুভূতিই এখানে মূল সুর। পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল বলেন, “প্রবাসে থাকা অনেক মানুষের জীবনে এমন কিছু গল্প থাকে, যা আমরা বাইরে থেকে বুঝতে পারি না। এই টেলিছবির মাধ্যমে সেই অনুভূতি, নিঃসঙ্গতা আর বন্ধুত্বের বন্ধন তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। তিনি আরও জানান, ‘ফ্রেমে বাঁধা বন্ধুত্ব’ টেলিছবিটির সম্পূর্ণ শুটিং হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের বিভিন্ন লোকেশনে। নির্মাতার পরিকল্পনা অনুযায়ী, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে একটি ইউটিউব চ্যানেলে টেলিছবিটি মুক্তি দেওয়া হবে। নির্মাতা ও সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রবাস জীবনের আবেগঘন গল্পটি দর্শকদের মনে আলাদা করে জায়গা করে নেবে।
বিতর্কে র্যাপার বাদশা

বিতর্কে র্যাপার বাদশা স্কুলছাত্রীদের নিয়ে আপত্তিকর ও অশ্লীল মিউজিক ভিডিও নির্মাণের অভিযোগে ভারতীয় জনপ্রিয় র্যাপার বাদশাকে তলব করেছে হরিয়ানা রাজ্য নারী কমিশন। বাদশার সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘টাটিরি’ নামক গানটিতে নারীদের অসম্মানজনকভাবে উপস্থাপন এবং স্কুলছাত্রীদের পোশাক পরে কুরুচিপূর্ণ অঙ্গভঙ্গির দৃশ্য থাকায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিতর্কের মুখে ইতোমধ্যেই ইউটিউব থেকে গানটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। গত ১ মার্চ গানটি মুক্তি পেতেই সমালোচনার ঝড় ওঠে। গানের দৃশ্যায়নে দেখা যায়, কাঁধের ব্যাগ নামিয়ে স্কুল ড্রেস পরা ছাত্রীরা চটুল কথার তালে আপত্তিকর নাচ দিচ্ছে। গানটির কথা ও দৃশ্যে নারীদের ‘ভোগ্যপণ্য’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আর এ নিয়েই সাধারণ শ্রোতা ও অধিকারকর্মীরা অভিযোগ তুলেছেন। হরিয়ানা নারী কমিশনের সভাপতি রেনু ভাটিয়া এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। বলেন, এ ধরণের গান মানুষের মাঝে বিশেষ করে বর্তমান প্রজন্মের ওপর চরম নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। গানের এই কুরুচিপূর্ণ উপস্থাপনার দায়ে হরিয়ানার পঞ্চকুলার সাইবার ক্রাইম শাখায় বাদশার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ (এফআইআর) দায়ের করেছেন অভয় চৌধুরী নামের এক ব্যক্তি। তার দাবি, স্কুল ড্রেস পরে শিক্ষার্থীদের এমন নাচ ও অঙ্গভঙ্গি সমাজে ভুল বার্তা দিচ্ছে। হরিয়ানা নারী কমিশন এই অভিযোগের ভিত্তিতে বাদশাকে তলব করার পাশাপাশি পুলিশেরও দ্বারস্থ হয়েছে। আগামী ১৬ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। উল্লেখ্য, র্যাপার বাদশা এর আগেও একাধিকবার তার গানের কথা ও দৃশ্যায়ন নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন। ২০২০ সালে বাংলার লোকশিল্পী রতন কাহারের ‘বড়লোকের বেটি লো’ গানটি নিয়ে আইনি জটিলতা ও সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।
গ্রেফতারের পর প্রোফাইল ডিলিট করলেন পপতারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স

গ্রেফতারের পর প্রোফাইল ডিলিট করলেন পপতারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স ইকরার আত্মহত্যা নিয়ে শবনম ফারিয়ার ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট বিয়ে করলে বলেন কত নম্বর বিয়ে, এত ঢং কইরেন না জামাই নিয়ে মার্কিন পপতারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স মদ্যপ অবস্থায় বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। বুধবার (৪ মার্চ) রাতে ক্যালিফোর্নিয়ার ভেনচুরা কাউন্টি থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার ভোরে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে পুলিশসূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৪ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বেপরোয়া গতিতে একটি কালো বিএমডব্লিউ গাড়ি চালাচ্ছিলেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স। খবর পেয়ে ওয়েস্টলেক ভিলেজ এলাকায় গাড়িটি থামানো হয়। সে সময় চালকের আসনে ছিলেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স। এ সময় তার আচরণে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তারা। এরপর তাকে নিকটস্থ একটি হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। হাসপাতালের পরীক্ষায় তার শরীরে মাদক ও অ্যালকোহলের উপস্থিতি পাওয়ায় যায়। এরপর তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এ সময় তল্লাশিকালে তার গাড়ি থেকে অজ্ঞাত একটি দ্রব্য উদ্ধার করেছে পুলিশ, যা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার পর ব্রিটনি স্পিয়ার্সের আইনজীবী ও প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ব্রিটনি তার ভুল বুঝতে পেরেছেন এবং তিনি আইনি প্রক্রিয়া মেনে চলতে প্রস্তুত। জেলের পরিবর্তে তাকে পুনর্বাসনকেন্দ্রে পাঠানোর জন্য আদালতের কাছে আবেদন করবে তার টিম। এদিকে গ্রেফতার হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন সংগীতশিল্পী ব্রিটনি স্পিয়ার্স। সেই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন ‘ইস, কাজটি আবার করলাম’ (Oops!… I Did It Again)। ভক্তরা ভেবেছিলেন হয়তো শখ করেই নিজের গাওয়া বিখ্যাত গানের একটি লাইন তুলে পোস্ট করেছেন ব্রিটনি। তবে এর সঙ্গে যে দুর্ঘটনার যোগ রয়েছে, প্রথমে কেউ-ই তা আঁচ করতে পারেননি। এ পোস্ট করার কিছুক্ষণ পর পপতারকা আরও অদ্ভুত এক কাণ্ড করে বসেন। সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলটি ডিলিট করে ফেলেন তিনি। সাধারণত ব্রিটনি তার জীবনের নানা মুহূর্ত বা নাচ, গান এ প্ল্যাটফরমে শেয়ার করতেন। এখন হঠাৎ অ্যাকাউন্ট ডিলিট হয়ে যাওয়ায় ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে।
দেশ-বিদেশের অসংখ্য মানুষের দোয়ায় ভালো আছি -তানিয়া বৃষ্টি

দেশ-বিদেশের অসংখ্য মানুষের দোয়ায় ভালো আছি -তানিয়া বৃষ্টি এই প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। গতকাল ছিল তার জন্মদিন। তবে এবারের জন্মদিনটি তার জন্য অন্য সব বছরের চেয়ে আলাদা। ব্রেন টিউমার অপারেশনের পর বর্তমানে তিনি উত্তরার বাসায় পূর্ণ বিশ্রামে আছেন। অসুস্থতা কাটিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন এই শিল্পী। সম্প্রতি হাসপাতালে সেলাই কাটার পর চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে তার হাস্যোজ্জ্বল ছবি ভক্তদের মনে স্বস্তি ফিরিয়েছে। জীবন ও ক্যারিয়ারের এই কঠিন সময় এবং আগামীর পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন- তারেক আনন্দ কেমন আছেন এখন? আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ রহমতে, দেশ-বিদেশের অসংখ্য মানুষের দোয়ায় এবং অগণিত শুভেচ্ছায় এই মুহূর্তে ভালো আছি। ডাক্তারের পরামর্শে বাসায় পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হচ্ছে। অপারেশনের ধকল কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। সবার ভালোবাসা আমাকে দ্রুত সুস্থ হতে শক্তি দিচ্ছে। অসুস্থতার খবর শোনার পর সহকর্মীদের প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল? আমার অনেক সহকর্মী ও শুভাকাক্সক্ষী বিভিন্ন মাধ্যমে নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছেন। শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে সবাইকে হয়তো উত্তর দিতে পারছি না, কিন্তু তাদের ভালোবাসা ও মমতা আমি প্রতি মুহূর্তে অনুভব করছি। সবাই আমাকে এতটা ভালোবাসেন, তা এই বিপদে না পড়লে হয়তো এভাবে জানা হতো না। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন যেন দ্রুত কর্মক্ষেত্রে ফিরতে পারি। শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝে হঠাৎ এই বিরতিকে কীভাবে দেখছেন? অভিনয় আমার প্রাণ। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই আমি মনে-প্রাণে অভিনয়কে ভালোবেসেছি। ঈদুল ফিতরের বেশ কিছু নাটকের কাজ হাতে ছিল, কিছু গুছিয়েও এনেছিলাম। কিন্তু হঠাৎ অসুস্থতা সবকিছু থামিয়ে দিল। তবে আমি বিশ্বাস করি, সুস্থ হয়ে ফিরলে আবারও দর্শকদের ভালো কিছু উপহার দিতে পারব। বিরতিটা অনিচ্ছাকৃত হলেও এটি আমাকে জীবনের নতুন মানে শিখিয়েছে। সাম্প্রতিক কাজ নিয়ে দর্শকদের ভালো সাড়া পাচ্ছিলেন… হ্যাঁ, সাগর জাহানের ‘চোখটা আমাকে দাও’ ও ‘ছোবল’ নাটকে অভিনয়ের জন্য প্রচুর প্রশংসা পেয়েছি। এ ছাড়া রায়হান খানের ‘ট্রাইবুনাল’ সিনেমাটিতে কাজ করাটাও ছিল দারুণ অভিজ্ঞতা। দর্শক যখন কাজ পছন্দ করেন, তখন শিল্পী হিসেবে দায়বদ্ধতা বেড়ে যায়। এই ভালোবাসাটাই আমাকে দ্রুত সেটে ফেরার জন্য তাড়না দিচ্ছে। এক যুগের ক্যারিয়ার নিয়ে আপনার উপলব্ধি কী? একটি রিয়েলিটি শোর মাধ্যমে যাত্রা শুরু হয়েছিল। এরপর বিজ্ঞাপন ও নাটকের দীর্ঘ পথচলা। আমি সব সময় চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে নিজেকে প্রমাণ করতে চেয়েছি। আজ পেছনে ফিরে তাকালে মনে হয়, দর্শকদের এই অকৃত্রিম ভালোবাসাই আমার সার্থকতা। জন্মদিনে (গতকাল) আমার একটাই চাওয়া, পুরোপুরি সুস্থ হয়ে আবারও ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো।
৬৬ বছর বয়সে নীনার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন

৬৬ বছর বয়সে নীনার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নীনা গুপ্তার স্পষ্টভাষী হিসেবে আলাদা পরিচিতি রয়েছে। বহু সামাজিক ধরাবাঁধা ধারণা ভেঙেছেন। কেবল তাই নয়, জীবনে বেশ কিছু সাহসী সিদ্ধান্তও নিয়েছেন। সমাজের মানসিকতা ও পিতৃতন্ত্র নিয়ে প্রায়ই খোলামেলা মত প্রকাশ করেন তিনি। এবার ৬৬ বছর বয়সে মা হতে যাওয়া গুঞ্জনে খবরের শিরোনাম হলেন এই অভিনেত্রী। গতকাল ভারতের হায়দরাবাদের বিলাসবহুল হোটেল তাজ কৃষ্ণতে অনুষ্ঠিত হয় রাশমিকা-বিজয়ের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। তারকাখচিত জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বামীকে নিয়ে হাজির হন নীনা গুপ্তা। এ সময়ের একটি স্থিরচিত্র এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল; যাকে কেন্দ্র করে নীনা গুপ্তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন চাউর হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েপড়া ছবিতে দেখা যায়, অফ-হোয়াইট রঙের শাড়ি পরেছেন নীনা গুপ্তা। এর ওপরে সোনালি ফয়েল মোটিফ এবং সূক্ষ্ম জরির বর্ডার। শাড়ির সঙ্গে আইভরি রঙের আধুনিক হাল্টার-নেক ব্লাউজ বেছে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী; যা তার কাঁধ ও কলারবোনকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছিল। মূলত, এ ছবিতে নীনা গুপ্তার পেট খানিকটা উঁচু দেখাচ্ছে। আর তা দেখে প্রশ্ন ছুড়েছেন নেটিজেনরা। একজন লেখেন, “নীনা গুপ্তার কি মা হওয়ার বয়স আছে?” অন্যজন লেখেন, “নীনা গুপ্তা কি অন্তঃসত্ত্বা?” আবার অনেকেই নীনা গুপ্তার পক্ষ নিয়ে লেখেন, “তার জীবন, তার পছন্দ; নিজের উপর মনোযোগ দিতে শিখুন। গর্ভবতী হওয়া বা না হওয়া তার পছন্দ। যাইহোক, সে দেখতে সুন্দর। ব্যক্তিগত জীবনে বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেছেন নীনা গুপ্তা। কারণ আশির দশকে ক্যরিবিয়ান ক্রিকেট তারকা ভিভ রিচার্ডসের সঙ্গে গভীর প্রেমের সম্পর্কে জড়ান তিনি। ওই সময়ে এ জুটির চর্চিত প্রেম কাহিনি বহুবার সংবাদ শিরোনাম হয়েছে। ১৯৮৯ সালে ভিভের সঙ্গে বিয়ে না করেই তার সন্তানের জন্ম দেন। তারপর শুরু হয় এ অভিনেত্রীর নতুন লড়াই। তবে জীবনের হাল ছাড়েননি তিনি। একা হাতে কন্যা মাসাবাকে বড় করেন। কন্যার বয়স এখন ৩৬ বছর। ২০০৭ সালে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট বিবেক মেহরাকে বিয়ে করেন নীনা গুপ্তা। তখন নীনার কন্যা মাসাবার বয়স ছিল ১৮ বছর। তবে দ্বিতীয় সংসারে নীনার কোনো সন্তান নেই। এখন মেহরার সঙ্গে দাম্পত্য জীবন পার করছেন নীনা।
সৌন্দর্য দেখতে গিয়ে নিজের জীবন বিপদমুখী করবেন না

সৌন্দর্য দেখতে গিয়ে নিজের জীবন বিপদমুখী করবেন না ছোট পর্দার অভিনেতা খায়রুল বাসার। নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে অল্প সময়েই দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও সামাজিক বিভিন্ন ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের মতামত তুলে ধরেন এই তারকা। এবার তিনি কথা বলেছেন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভাজকে ফুটে থাকা নয়নাভিরাম ফুলের সৌন্দর্য এবং তা দেখতে যাওয়া দর্শনার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে। গাজীপুরের ভাওয়াল গড় হিসেবে পরিচিত শাল-গজারি বনের বুক চিরে চলে গেছে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক। বর্তমানে এই সড়কের বিভাজকে ফুটে থাকা হরেক রকম ফুল পথচারী ও চালকদের নজর কাড়ছে। তবে এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়ে মহাসড়কের ব্যস্ততম অংশে ভিড় জমাচ্ছেন উৎসুক দর্শনার্থীরা, যা তৈরি করছে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন খায়রুল বাসার। ভক্ত ও সাধারণ মানুষের সচেতনতা কামনায় তিনি লিখেন, এই সৌন্দর্য দেখতে গিয়ে ভিড় জমিয়ে, মহাব্যস্ত রাস্তাটাকে বিপদজনক এবং নিজের জীবনটা বিপদমুখী করবেন না প্লিজ। শুধুমাত্র সতর্ক করেই ক্ষান্ত হননি এই অভিনেতা, দিয়েছেন একটি চমৎকার বিকল্প পরামর্শও। তিনি মনে করেন, যান্ত্রিক মহাসড়কে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফুল দেখার চেয়ে নিজের আঙিনাকে সাজানোই শ্রেয়। খায়রুল বাসার তার পোস্টে আরও বলেন, ‘বাইকের তেল খরচ বাঁচিয়ে বা যাতায়াত খরচ বাঁচিয়ে, সেই খরচে নিজ নিজ উদ্যোগে অন্তত দুইটা ফুল গাছ নিজের বাড়ির উঠানে বা পথ ঘাটে রোপন করুন। তাতে করে শুধু একটা পথ না, পুরো দেশই ফুলেল হয়ে উঠতে পারে।
তিশা কাণ্ডে ‘সুষ্ঠু বিচার’ চাইলেন অথৈ

তিশা কাণ্ডে ‘সুষ্ঠু বিচার’ চাইলেন অথৈ ছোট পর্দার বর্তমান সময়ের আলোচিত দুই মুখ তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈ। তবে এবার অভিনয়ের রসায়ন নয় বরং শুটিং সেটে ঘটে যাওয়া এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বে জড়ালেন এই দুই অভিনেত্রী। সামিয়া অথৈকে মারধর ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগ উঠেছে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সামাজিক মর্যাদা রক্ষা ও ‘সুষ্ঠু বিচার’ দাবি করেছেন অথৈ। এক সাক্ষাৎকারে সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে অথৈ দাবি করেন, শুটিং সেটে তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আঘাত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমার ড্রাইভার দেখেছে, উনি আসলে সেটে ঢোকার আগে গাঁজা খেয়ে ঢুকেছেন। ড্রাইভারে ভাষ্য অনুযায়ী, উনি যখন আমাকে মারার সিনটি করতে আসছিলেন, তার ঠিক আগ মুহূর্তে ফোনের মধ্যে চিৎকার চেঁচামেচি করছিলেন।’ বিনা কারণে এমন আচরণের বিচার চেয়ে সামিয়া অথৈ ইতোমধ্যে অভিনয় শিল্পী সংঘের দারস্থ হয়েছেন। অভিনেত্রীর ভাষ্যে, ‘গাঁজা বা অন্য কিছু খেয়ে উনি এসেছিলেন কি না সেটা ওনার ব্যক্তিগত ব্যাপার; কিন্তু কর্মক্ষেত্রে অন্য একজন আর্টিস্টকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা তো অন্যায়। আমি শিল্পী সংঘের নেতা নাসিম আহমেদ অপু ভাইকে ফোন দিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছি।’ তার কথায়, ‘ আমি ওনাকে বলেছি যে, আমরা সবাই শিল্পী। আমাদের প্রত্যেকের সম্মান আছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। অপু ভাই আমাকে লিখিত বিবৃতি দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, আমি দ্রুতই তা জমা দেবো। বড় কোনো আর্টিস্টের ভুলে যদি কেউ ব্যথা পায়, তবে সাধারণত তারা এসে খোঁজ নেন।’ শুটিং সেটের শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন তুলে অথৈ আরও বলেন, ‘ আমি নিজেও জুনিয়রদের সাথে কাজ করার সময় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করি। কিন্তু সেদিন চরিত্রের প্রয়োজনে আঘাত করার পর তিশা আপু একবার দুঃখ প্রকাশ তো করেনই নি, উল্টো আমাকেই সরি বলতে বলেছেন। আমার মনে হয় ওনার বোঝা উচিত ছিল কাকে সরি বলা উচিত। আমি বিষয়টি ওনার ওপরই ছেড়ে দিলাম। উনি যদি নিজের ভুল বুঝতে পারেন, তবে কোনো একদিন নিজেই এসে আমাকে সরি বলবেন।’