৪৮ ঘণ্টা কারাগারে নুসরাত ফারিয়া: লতি দিয়ে খেয়েছেন ভাত, ভেঙে গেছে প্রেম
৪৮ ঘণ্টা কারাগারে নুসরাত ফারিয়া: লতি দিয়ে খেয়েছেন ভাত, ভেঙে গেছে প্রেম বিদেশ যাবার সময় ২০২৫ সালের মে মাসে ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেফতার হয়েছিলেন অভিনেত্রী নুমরাত ফারিয়া। এরপর কয়েকদিনের কারাভোগ করতে গিয়ে জীবনের বৈচিত্রময় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। অচেনা মানুষদের কাছ থেকে পাওয়া মানবিকতা তাকে অবাক করেছিল। সেইসঙ্গে তিনি এও জানিয়েছেন, গ্রেফতার হওয়ার পর তার প্রেমও ভেঙে গেছে। ভয়ে তার সঙ্গে আর যোগাযোগই করেনি তার প্রেমিক। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের এক পডকাস্টে তিনি সেইসব অভিজ্ঞতার জানান। জেলে থাকার সময়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে ফারিয়া বলেন, ‘জেলার থেকে শুরু করে সেখানকার সবাই এত সহানুভূতি ও ভালোবাসার সঙ্গে ব্যবহার করেছে, যেটা ভাবতে পারিনি। সবাই আমাকে যথেষ্ট সম্মান দিয়েছে। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা না খেয়েই ছিলাম। আমি দেখেছি, মানুষজন আমাকে লতি দিয়ে ভাত খাইয়ে দিচ্ছে, সকালে দেখেছি রুটি ছিঁড়ে মিষ্টিকুমড়া দিয়ে খাইয়ে দিচ্ছে। আমার যতটুকু মনে আছে, আমার চোখ দিয়ে অনবরত পানি ঝরছে, আর ওরা আমাকে খাইয়ে দিচ্ছে। তাদের আমি চিনিও না। জীবনে আর কখনো তাদের সঙ্গে দেখা হবে কি না, তাও জানি না।’ ফারিয়ার ভাষ্য, ‘কারাগারে কাটানো ৪৮ ঘণ্টা তাকে নতুনভাবে মানুষ চিনতে শিখিয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এটা থেকে অনেক কিছু শিখেছি। সবাইকে বদলে যেতে দেখেছি। ওই সময়ে একজনের সঙ্গে আমি সম্পর্কে ছিলাম। জেল থেকে বের হওয়ার পর সে আমার সঙ্গে আর কখনো যোগাযোগ করেনি। মানুষের ওপর থেকে আস্থা-ভালোবাসা উঠে গেছে এরপর থেকে। কাছের বন্ধুরা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আমার সঙ্গে তোলা ছবি মুছে দিয়েছে। আমি বিপদে পড়েছি বুঝতে পেরে অনেকে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। ওই ৪৮ ঘণ্টায় আমি বুঝে গেছি, কে আমার আপন, আর কে নয়।’ ২০২৫ সালের ১৮ মে গানের ভিডিওর শুটিংয়ের জন্য থাইল্যান্ড যাচ্ছিলেন নুসরাত ফারিয়া। সময়মতো বিমানবন্দরে পৌঁছান। কিন্তু ফারিয়া জানতেন না, তার জন্য অপেক্ষা করছিল অন্য কিছু। বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। পরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়ের একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। ১৯ মে ফারিয়ার জামিন নামঞ্জুর হলে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে পাঠানো হয় তাকে। পরদিন ২০ মে জামিন হয় নুসরাত ফারিয়ার। জেল থেকে ফিরে এসে মানসিক অবসাদে ভোগার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। তবে সেই অবস্থা দ্রুত কাটিয়ে ওঠেন। এত দিন গ্রেফতার ও জেলের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খোলেননি ফারিয়া। সম্প্রতি মাছরাঙা টেলিভিশনের এক পডকাস্টে সেই অভিজ্ঞতা জানালেন তিনি। ফারিয়া জানান, মামলার বিষয়টি অত গুরুত্ব দেননি সে সময়। কারণ, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় তিনি ছিলেন কানাডায়। ফারিয়া বলেন, ‘আমি শুনেছিলাম আমার নামে একটা মামলা হয়েছে। কিন্তু আমি যেহেতু সে সময় দেশে ছিলাম না, তাই এটা নিয়ে সিরিয়াস ছিলাম না। সেদিন থাইল্যান্ডে যাচ্ছিলাম আমার গানের শুটিংয়ে। এয়ারপোর্টে যাওয়ার আগেও ভাবিনি, এ রকম কিছু হতে পারে। ইমিগ্রেশন শেষ করে লাউঞ্জে বসে আলু ভাজি আর রুটি খাচ্ছিলাম। এরপর কী হয়ে গেল বুঝতে পারছিলাম না। তাৎক্ষণিক আমার মা ও শিক্ষককে ফোন করি। আটকের পর আমাকে অনেক প্রশ্ন করা হয়। একসময় তারা বুঝতে পারেন, আমি এর সঙ্গে জড়িত নই। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। পরদিন সকালে প্রথমবারের মতো আমি এজলাসে দাঁড়াই; যেটা এত দিন শুধু সিনেমায় দেখে এসেছি।’ ফারিয়াকে গ্রেফতারের পর শোবিজের সহকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ অনেক মানুষ, যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ফারিয়া। অভিনেত্রী আরও জানান, এখনো সেই মামলা শেষ হয়নি। প্রতি মাসে আদালতে হাজিরা দিতে হয় তাকে। এ ঘটনার পর অনেকে তাকে নিয়ে কাজ করতে ভয় পান বলেও জানান ফারিয়া।
গোপন ছবি তুলে নারীকে ব্ল্যাকমেইল, আবার গ্রেফতার হতে পারেন নোবেল
গোপন ছবি তুলে নারীকে ব্ল্যাকমেইল, আবার গ্রেফতার হতে পারেন নোবেল নানা বিতর্কে জড়ানো, বেফাঁস মন্তব্য করা যেন ‘সারেগামাপা’খ্যাত কণ্ঠশিল্পী নোবেলের স্বাভাবিক চরিত্র। গ্রেফতার হয়ে কারাবাসও করেছেন তিনি। আবারও গ্রেফতার হতে পারেন গায়ক নোবেল। অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারণাসহ একাধিক অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এই তরুণ শিল্পীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। মামলার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদের আদালত এই আদেশ দেন। ভুক্তভোগী নারীর আইনজীবী সাজিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আদালতে উপস্থাপিত অভিযোগ ও প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। এতে পর্ণোগ্রাফি অভিযোগ আনা হয়েছিলো। মামলাটি আদালতে গত বছরের ১৩ আগস্ট করা হয়। ঘটনা তদন্তে দায়িত্ব পেয়েছিলো পুলিশের তদন্ত সংস্থা পিবিআই। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেন নোবেল বিভিন্ন সময়ে তার গোপন ছবি তুলে সেগুলো ব্যবহার করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করতেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে পারিবারিকভাবে নোবেলের সঙ্গে তার বিয়ের উদ্দেশ্যে এনগেজমেন্ট সম্পন্ন হয়। তবে শারীরিক সম্পর্কের জন্য নোবেল চাপ সৃষ্টি করলে তিনি তাতে সম্মতি দেননি। ভুক্তভোগীর অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পরবর্তীতে ওই গোপন ছবি দেখিয়ে নোবেল তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ২০ লাখ টাকারও বেশি অর্থ হাতিয়ে নেন। আইনজীবী সাজিদুল ইসলাম বলেন, আদালত এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে নোবেলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
১৬ সেকেন্ডে শাকিবের বাজিমাত!

১৬ সেকেন্ডে শাকিবের বাজিমাত! ষোলো সেকেন্ডের একটি মোশন ফার্স্ট লুক! গায়ে কাটা দিয়ে ওঠার মতো বিজিএম! সেখানে মুখভর্তি দাঁড়ি, মাথায় লম্বা চুল, চোখে সানগ্লাস, হাতে ধরে আছেন একেবারে ইউনিক ডিজাইনের বড় মিউজিক্যাল বন্দুক! পরনে কালো গাউন, মারকাটারি অ্যাকশন লুক! বলছিলাম, আসন্ন ঈদে মুক্তি টার্গেট করে প্রকাশিত ‘প্রিন্স’ সিনেমার ফার্স্টলুক মোশন লুকে শাকিব খানের ঝলকের কথা। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রকাশিত এই ফার্স্টলুকে নজর কেড়েছেন এই মেগাস্টার। এর মাধ্যমে সিনেমাটিতে শাকিবের চরিত্রের ইঙ্গিত পাওয়া গেল। বোঝা গেল, তিনি একজন গ্যাংস্টার চরিত্রে হাজির হচ্ছেন। একইসঙ্গে মোশন লুক ইঙ্গিত দিচ্ছে, এ যাবতকালের অন্যতম বড় আয়োজনের অ্যাকশন সিনেমা হতে যাচ্ছে ‘প্রিন্স’। প্রকাশিত লুক সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করে সংশ্লিষ্টরা ক্যাপশনে বলেছেন, “সে ক্ষমতার পিছনে ছোটে না, ক্ষমতাই তাকে অনুসরণ করে।” শিরিন সুলতানার প্রযোজনায়, ক্রিয়েটিভ ল্যান্ডের ব্যানারে শ্রীলঙ্কায় ‘প্রিন্স’ সিনেমার কিছু অংশের শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে বাকি কাজ শেষ করার জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ। ‘প্রিন্স’ সিনেমার ট্যাগ লাইন ‘ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ঢাকা’। এতে শাকিব ছাড়াও অভিনয় করছেন— তাসনিয়া ফারিণ, জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, সাবিলা নূর। আরো আছেন নাসির উদ্দিন খান, রাশেদ মামুন অপু, ইন্তেখাব দিনার, ডা. এজাজ, শরীফ সিরাজ প্রমুখ। শুরুতে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল ‘প্রিন্স’ নব্বই দশকের ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড গ্যাংস্টার কালা জাহাঙ্গীরের জীবনী নির্ভর! তবে নির্মাতা হায়াত আগেই পরিষ্কার করেন, তারা যে গল্প নিয়ে ‘প্রিন্স’ নির্মাণ করছেন-সেটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জীবনী নির্ভর নয়। এটা স্রেফ গুজব ছাড়া কিছু নয়। তিনি বলেন, “এটি বড় আয়োজনের কমার্শিয়াল সিনেমা।”
আমি চাই রাজ নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুক: পরীমণি

আমি চাই রাজ নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুক: পরীমণি প্রায় ৩ বছর আগে ঢাকাই সিনেমার আলোচিত তারকা দম্পতি পরীমণি ও শরিফুল রাজের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। এই সংসার ভাঙার পেছনে তৃতীয় কোনো পক্ষের ভূমিকা ছিল কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নেটিজেনদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও জল্পনা চলছিল। অবশেষে সেই আলোচনার ইতি টানলেন পরীমণি। সম্প্রতি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের পডকাস্টে অংশ নিয়ে শরিফুল রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদ, ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং তৃতীয় পক্ষের গুঞ্জন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই অভিনেত্রী। এ আলাপচারিতায় পরীমণি পরিষ্কারভাবে বলেন, “তৃতীয় পক্ষের কোনো বিষয় নয়; কেবল বোঝাপড়ার পার্থক্যের কারণেই বিচ্ছেদ হয়েছে। সংসার টিকিয়ে রাখতে যে চেষ্টা করতে হয়, এটা তো সে (রাজ) জানেই না। কিংবা কারো চেষ্টাকে সমর্থন জানাতে হয়, সেটাও তো জানে না।” বিনোদন অঙ্গনে তাদের সম্পর্ক নিয়ে ছড়িয়ে পড়া একটি ভুল ধারণার কথাও তুলে ধরেন পরীমণি। তিনি বলেন, “আমাদের ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে একটা কথা ছড়িয়েছে—আমার জন্য সে নাকি বাচ্চার খোঁজ নিতে পারছে না। এটা খুবই ভুল একটা কথা।” এ প্রসঙ্গে শরিফুল রাজের প্রতি নিজের প্রত্যাশার কথাও জানান অভিনেত্রী। পরীমণির ভাষায়, “আমি চাই রাজ নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুক। কাউকে না বলেই বুঝুক যে তার একটি সন্তান আছে এবং সেই দায়িত্ব নিজে থেকেই উপলব্ধি করুক।” বলে রাখা ভালো, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে পরীমণি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনেন শরিফুল রাজ। একই সময় তারা তাদের বিয়ের বিষয়টিও নিশ্চিত করেন। দুজনের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর পারিবারিক আয়োজনে তাদের বিয়ে হয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ১০ আগস্ট জন্ম নেয় তাদের পুত্র সন্তান। তবে সন্তান জন্মের কিছুদিন পর থেকেই সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয়। আলাদা হওয়ার পর দুজনই বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে এসে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। সবশেষে ২০২৩ সালের শেষের দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিচ্ছেদ কার্যকর হয়। বর্তমানে অভিনয় নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন এই দুই তারকা। পরীমণিকে চলতি বছর কলকাতার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ‘ফেলুবক্সী’ সিনেমায় দেখা গেছে। সম্প্রতি তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ অবলম্বনে নির্মিত একই নামের একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এ ছাড়া মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার ‘গোলাপ’ ও ‘ডোডোর গল্প’ শিরোনামে দুটো সিনেমা। অন্যদিকে, শরিফুল রাজকে সর্বশেষ বড় পর্দায় দেখা গেছে গত ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘ইনসাফ’ সিনেমায়। বর্তমানে তিনি ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ও ‘জীবন অপেরা’ নামে দুটি নতুন চলচ্চিত্রের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
আরশের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন উসকে দিলেন সুনেরাহ

আরশের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন উসকে দিলেন সুনেরাহ এ সময়ের আলোচিত তারকা জুটি সুনেরাহ বিনতে কামাল ও আরশ খান। বেশ কিছু কাজ জুটি বেঁধে করেছেন তারা। অনেক দিন ধরে গুঞ্জন উড়ছে, ব্যক্তিগত জীবনে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন এই যুগল। যদিও এই গুঞ্জন উড়িয়ে দাবি করেছেন “তারা সহকর্মী হিসেবে বন্ধু, এর বেশি কিছু নয়।” ফের যুগল ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে আলোচনার জন্ম দিলেন সুনেরাহ। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) আরশ খানের জন্মদিন। এ উপলক্ষে গতকাল রাতে সুনেরাহ তার ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যায়, গাড়ির পেছনের সিটে বসে সেলফিবন্দি হয়েছেন সুনেরাহ-আরশ। এ ছবির ক্যাপশনে সুনেরাহ লেখেন, “শুভ জন্মদিন, স্বপ্নবাজ। তোমার দিনটি যেন তোমার মতোই বিশেষ হয়। এমন একজন মানুষকে খুঁজে পেয়ে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি, তিনি ভালোবাসতে জানেন, যত্ন নিতে জানেন এবং সবাইকে গুরুত্বপূর্ণ বলে অনুভব করাতে পারেন।” আরশের জন্য শুভকামনা জানিয়ে সুনেরাহ লেখেন, “তোমার সব পরিশ্রম ও নিষ্ঠা যেন তোমার প্রতিই বিশ্বস্ত থাকে। ভালোবাসা ও আশীর্বাদ রইল। সামনে আসা বছরটি তোমার জন্য সুন্দর ও সফল হোক।” সবকিছু ঠিক থাকলেও সুনেরাহর এই ক্যাপশন নিয়ে চর্চায় মেতেছেন নেটিজেনরা। কেউ কেউ বলছেন, “দুজনকে বেশ মানিয়েছে।” কেউ কেউ বলছেন, “অটুট থাকুক এই ভালোবাসা।” মঞ্চ ও টেলিভিশন মিলিয়ে আরশের এক যুগের বেশি সময়ের ক্যারিয়ার। এই জার্নিতে একাধিক অভিনেত্রীর সঙ্গে জুটি হয়ে কাজ করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তবে গত এক বছর ধরে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছেন সুনেরাহর সঙ্গে জুটি বেঁধে। কাজ করতে গিয়েই তাদের মাঝে তৈরি হয়েছে বন্ধুত্ব।
রাম চরণ-উপাসনার ঘরে এলো যমজ সন্তান

রাম চরণ-উপাসনার ঘরে এলো যমজ সন্তান দক্ষিণ ভারতীয় তারকা রাম চরণ ও তার স্ত্রী উপাসনা যমজ সন্তানের বাবা-মা হয়েছেন। তাদের ঘরে জন্ম নিয়েছে এক ছেলে ও এক মেয়ে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনযায়ী, খবরটি নিশ্চিত করেছেন রাম চরণের বাবা, কিংবদন্তি অভিনেতা চিরঞ্জীবী। গভীর আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি জানান, মা ও দুই নবজাতক তিনজনই সুস্থ আছেন। স্যোশাল মিডিয়ায়, চিরঞ্জীবী নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, যমজ সন্তানের আগমনে তাদের পরিবারে দ্বিগুণ আনন্দ এসেছে। তিনি লেখেন, এটি তাদের পরিবারের জন্য এক অনাবিল সুখের মুহূর্ত এবং সবার দোয়া, ভালোবাসা ও শুভকামনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পোস্টটিতে চিরঞ্জীবী ও তার স্ত্রী সুরেখা দুজনের নামেই স্বাক্ষর ছিল, যা দাদা-দাদির পক্ষ থেকে একটি অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও আবেগঘন ঘোষণা হিসেবে ধরা হচ্ছে। চিরঞ্জীবীর এই পোস্টের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছার বন্যা বয়ে যায়। নবজাতকদের জন্য সবাই ভালোবাসা ও আশীর্বাদ জানাচ্ছেন। রাম চরণ ও উপাসনা কোনিদেলার সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে তাদের বাগ্দান হয় এবং ২০১২ সালের জুনে হায়দরাবাদে জমকালো আয়োজনে তাদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব থেকেই তাদের সম্পর্ক ধীরে ধীরে প্রেমে রূপ নেয়। উপাসনা অ্যাপোলো চ্যারিটির ভাইস-চেয়ারপারসন এবং অ্যাপোলো হাসপাতাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রতাপ সি রেড্ডির নাতনি। অন্যদিকে, রাম চরণ হলেন কিংবদন্তি অভিনেতা চিরঞ্জীবীর ছেলে। ২০২৩ সালের জুনে এই দম্পতি তাদের প্রথম সন্তান কন্যাসন্তান ক্লিন কারাকে স্বাগত জানান। সে সময়ও চলচ্চিত্র অঙ্গন ও ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ উদ্যাপন দেখা যায়। ২০২৫ সালের দীপাবলিতে উপাসনা সামাজিক মাধ্যমে তার সীমান্থম (গর্ভাবস্থার বিশেষ অনুষ্ঠান) উপলক্ষে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে তিনি ‘ডাবল সেলিব্রেশন’, ‘ডাবল লাভ’ ও ‘ডাবল ব্লেসিং’-এর কথা উল্লেখ করে যমজ সন্তানের আগমনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। ক্যারিয়ারের দিক থেকে রাম চরণ সম্প্রতি শংকরের পরিচালনায় কিয়ারা আদভানির বিপরীতে ‘গেম চেঞ্জার’ ছবিতে অভিনয় করেছেন। বর্তমানে তিনি তার পরবর্তী ছবি ‘পেড্ডি’র প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
সিনেমায় লুক নিয়ে ট্রলের শিকার, জবাব দিলেন সালমান খান

সিনেমায় লুক নিয়ে ট্রলের শিকার, জবাব দিলেন সালমান খান শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সুরাটে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়ান স্ট্রিট প্রিমিয়ার লিগ (আইএসপিএল) ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। বেঙ্গালুরু স্ট্রাইকার্স ও দিল্লি সুপারহিরোসের মধ্যকার ম্যাচে উপস্থিত হয়ে তিনি তার আসন্ন ছবি ‘ব্যাটল অব গালওয়ান’ নিয়ে কথা বলেন এবং ছবির টিজারে নিজের লুককে ‘রোমান্টিক’ বলে যে ট্রলের শিকার হয়েছেন তার জবাব দেন। গত মাসে মুক্তি পাওয়া ছবিটির এক মিনিটের টিজারে সালমান খানকে একটি লাঠি হাতে নিয়ে সৈন্যদের যুদ্ধের জন্য একত্রিত করতে দেখা যায়। শত্রু পক্ষের সৈন্যরা বন্দুক নিয়ে এগিয়ে আসার সময়ও তাকে দৃঢ়ভাবে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে দেখা যায়। তবে টিজারে অভিনেতার লুক ও দৃষ্টিভঙ্গিকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ট্রলের মুখে পড়তে হয় বলিউড ভাইজানকে, যেখানে মজা করে সেটিকে ‘রোমান্টিক’ বলে উল্লেখ করেছে নেটিজেনদের একাংশ। আইএসপিএল ম্যাচ চলাকালীন আবার সেই মুহূর্তটি সামনে এলো। ম্যাচে সালমান উপস্থিত হলে সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ কাইফ তাকে একটি ব্যাট দিয়ে টিজারের সেই দৃশ্যটি পুনরায় তুলে ধরতে বলেন। তখন এই অভিনেতা হাসিমুখে ট্রলিংয়ের প্রসঙ্গ স্বীকার করে বলেন, ‘এখন, কিছু লোক মনে করে এটা একটা রোমান্টিক লুক। কিন্তু আমি একজন কর্নেল, ভাই। এটা একজন কর্নেলের লুক যিনি জানেন কীভাবে তার দল ও সৈন্যদের অনুপ্রাণিত করতে হয় এবং আশা জাগাতে হয়। আমি চাইলে অন্য ধরনের লুকও দিতে পারি (গর্জন), কিন্তু তার কোনো মানে নেই। গালওয়ানের যুদ্ধের ক্ষেত্রে সেটার কোনো মানে নেই।‘ব্যাটল অব গালওয়ান’ পরিচালনা করেছেন অপূর্ব লাখিয়া এবং ছবিটি সালমান খান ফিল্মসের ব্যানারে প্রযোজনা করেছেন অভিনেতা নিজেই। সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে সালমানের সহশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছেন চিত্রাঙ্গদা সিং।
আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে মৌ বললেন এসব বন্ধ করুন

আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে মৌ বললেন এসব বন্ধ করুন নব্বইয়ের দশক থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত দেশের বিনোদনজগতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ। কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুব একটা সক্রিয় নন তিনি। তবে তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে অনলাইনে ভুয়া পেজ ও আইডি খোলার ঘটনায় চরম বিরক্তি, বিব্রতবোধ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। অভিনেত্রীর দাবি, তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে অসংখ্য ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত স্ট্যাটাস দেওয়া, ছবি আপলোড করা এবং তাঁর পরিচিতজনদের পোস্টে মন্তব্য করা হচ্ছে। সাদিয়া ইসলাম মৌ জানান, ফেসবুকে তার একটি মাত্র ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যার নাম ‘সাদিয়া ইসলাম’। ‘সাদিয়া ইসলাম মৌ’ নামে তার কোনো ফেসবুক আইডি বা পেজ নেই। পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামসহ অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর কোনো অ্যাকাউন্ট নেই বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে মৌ বলেন, ‘যারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, তাদের খুব সুন্দর করে অনুরোধ করছি এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধ করুন। আমার অনুমতি ছাড়া ছবি পোস্ট করা, লেখা দেওয়া এসব আইনত অপরাধ। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সামনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভক্তদের সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, ‘ভুয়া অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আপনারা প্রতারিত হবেন না। আবারও জানিয়ে দিচ্ছি আমার কোনো ফ্যান পেজ নেই, ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও নেই। যারা এসব করছে, সাবধান হোন। নইলে আইনি ব্যবস্থায় যা হওয়ার, তাই হবে।
আমার প্রিয় কনটেন্ট রাজনৈতিক মিথ্যাচার শবনম ফারিয়া

আমার প্রিয় কনটেন্ট রাজনৈতিক মিথ্যাচার শবনম ফারিয়া ছোট ও বড় পর্দার আলোচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া খানিকটা ‘ঠোঁটকাটা’ স্বভাবের। ব্যক্তিগত ও সমকালীন বিষয় নিয়ে তাকে খোলামেলা কথা বলতে দেখা যায়। গতকাল স্বামীর প্রশংসা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে আলোচনায় রয়েছেন। এরই মধ্যে চলমান রাজনীতি নিয়ে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন, যা নিয়ে চলছে নানা চর্চা। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্টটি দেন শবনম ফারিয়া। শুরুতে এই অভিনেত্রী বলেন, “আমার ধৈর্য একটু কমই ছিল আগে। যেহেতু আমি বাসায় সবার ছোট ছিলাম আর একা বড় হয়েছি, যখনই যা চাইতাম পেতাম, বেশিরভাগ সময় তো চাওয়ার আগেই পেতাম। তবে ২০২০ সালে কোভিডের পর থেকে আমার অ্যাবনরমাল লেভেলের ধৈর্য চলে এসেছে। সবকিছুতেই! আমি এখন আর কোনো কিছুতেই অল্পতে ধৈর্য হারাই না। উদাহরণ টেনে শবনম ফারিয়া বলেন, “একটা উদাহরণ দিই, সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার সবচেয়ে প্রিয় কনটেন্ট হলো কার্পেট পরিষ্কার করার ভিডিও। আমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা কার্পেট পরিষ্কার করা দেখতে পারি। আমার আরেকটা পছন্দের ভিডিও হলো হারমেস ব্যাগ কেনা-বেচার ভিডিও। একটা বারকিন বা কেলি ব্যাগের দাম আমার বাৎসরিক ইনকামের চেয়েও বেশি। এইরকম ইনকাম থাকলে জীবনে এই জিনিস কেনার কথা না (যদিও আমার জামাই বলেছে, সে একদিন না একদিন বড়লোক হবে আর আমাকে একটা বারকিন কিনে দেবে)। কিন্তু এই ব্যাগের সেকেন্ডারি মার্কেটে কেনা-বেচা দেখা আমার ডেইলি রুটিনের একটা অংশ। এরপর আরো কয়েকটি উদাহরণ টানেন শবনম ফারিয়া। তার ভাষায়, “আমি এখন জানি, কি কি চামড়া দিয়ে এই ব্যাগ বানানো হয়, কি কি সাইজে পাওয়া যায়, কি কি হার্ডওয়্যার ব্যবহার হয়, আর ‘হিমালায়ান’ নামে একটা বারকিন আছে, যার দাম প্রায় বাংলাদেশের জিডিপির সমান! তারপর আমার আরেকটা সবচেয়ে প্রিয় কনটেন্ট হলো, একজন মানুষ একটা পুরোনো বাড়ি কিনে, নিজে নিজে আর প্রতিবেশীদের সাহায্য নিয়ে সেটার রিনোভেশন করে। ভাই, তোর রিনোভেট করার এত টাকা থাকলে তুই এই জঙ্গলে বাড়ি না কিনে একটা ঠিকঠাক স্বাভাবিক বাড়ি কিনতে পারতি! কিন্তু না, ভাঙাচোরা বাড়ি কিনবে, তারপর বছরের পর বছর ধরে সেটাই ঠিক করবে, আর আমি সেই ভিডিও দেখি। একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভিডিও দেখে বাস্তব জীবনে একা থাকার চেষ্টা করেন শবনম ফারিয়া। এরপর তার জীবনে আসে স্বামী তানজিম। এসব তথ্য স্মরণ করে এই অভিনেত্রী বলেন, “আমার সবচেয়ে পছন্দের কনটেন্ট ক্রিয়েটরের নাম লিজিকি। ওকে দেখে ইনস্পায়ার্ড হয়ে আমি একা থাকা শুরু করেছিলাম। নিজে নিজে সব কিনতাম, বাসা গুছাতাম, বাজার করতাম, রান্না করতাম। আবার আমার কাউন্সেলরের পরামর্শে সেগুলো ভ্লগ বানানোর ট্রাইও করেছিলাম। ৩/৪টা বানিয়েছিলাম, এরপর আর সম্ভব হয়নি। এভাবে দুই বছরের একটু বেশি সময় একা থেকে বাসার সবাইকে টেনশনে ফেলে দিয়েছিলাম। তারপর আর বেশিদিন লিজিকি হওয়ার চেষ্টা করতে হয়নি, এরই মধ্যে তানজিম মিয়ার আগমন। শবনম ফারিয়াকে বেশ জ্বালাতন করেন তার স্বামী তানজিম। তা জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, “তবে এখনো কেনাকাটা আর গুছানোর কাজটা আমাকেই করতে হয়। ট্রলি ঠেলার জন্য উনি থাকেন, ঘরের কাজের সময় আজেবাজে কাজ করে কাজ বাড়ানো কিংবা গুছানো বাসা অগোছালো করার দায়িত্বও উনার। তবে আমি অসুস্থ হলে অবশ্য জ্বালায় না। বরং অনেক হেল্পই করে। কালকেই তো অনেক প্রশংসা করলাম, আর না করি। শবনম ফারিয়ার দীর্ঘ এই বক্তব্যের মূল বিষয়বস্তু চলমান নির্বাচন নিয়ে পর্যবেক্ষণ। তার কথায় “যাইহোক করোনাকালে আমার আরেকটা প্রিয় কনটেন্ট ছিল মানুষের খাওয়া দেখা। শুকনা-শুকনা মেয়েরা বিশাল থালায় খাবার খায়, আমি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিয়মিত সেই খাওয়ার ভিডিও দেখতাম। তবে এই মুহূর্তে আমার প্রিয় কনটেন্ট রাজনৈতিক মিথ্যাচার। জানি, যা বলছে সবই মিথ্যা আশ্বাস, তাও মনোযোগ দিয়ে দেখি। দুই ঘণ্টার মধ্যে শবনম ফারিয়ার এ পোস্টে রিঅ্যাক্ট পড়েছে প্রায় ৩ হাজার। মন্তব্য জমা পড়েছে দুই শতাধিক। ফারিয়া নামে একজন লেখেন, আপু আমি সবটা পড়ে একদম ক্লান্ত হয়ে গেছি, তারপর মোরাল অব দ্য স্টোরি পাইছি।” রেজমেন আক্তার লেখেন, “আমিও বাসায় সবার ছোট। বরাবরই ধৈর্য কম ছিল। কিন্তু বর্তমানে এফবিতে রাজনৈতিক মিথ্যাচারগুলা দেখি, দেখার পর বুঝতে পারতেছি, ধৈর্যের চরম লেবেলে আছি।” এমন অসংখ্য মন্তব্য কমেন্ট বক্সে ভেসে বেড়াচ্ছে।
পায়েলকে স্যালুট দেওয়া উচিত

পায়েলকে স্যালুট দেওয়া উচিত ছোট পর্দার জনপ্রিয় জুটি ফারহান আহমেদ জোভান ও কেয়া পায়েল। পর্দায় তাদের রসায়ন বরাবরই দর্শকদের পছন্দের। তবে সম্প্রতি এই জুটিকে দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন রূপে। বিশেষ করে কেয়া পায়েলের উষ্কখুষ্ক চুল আর মলিন পোশাকের ‘পাগলী’ লুকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নেটদুনিয়ায় ব্যাপক চর্চা শুরু হলেও এর আসল রহস্য ফাঁস করলেন তার সহশিল্পী ফারহান আহমেদ জোভান। েজোভান জানান, ভিডিওটি কোনো বাস্তব ঘটনা নয়, বরং একটি নাটকের বিশেষ দৃশ্য ছিল এটি। বাতাসের ভুল’ শিরোনামের একটি নাটকের শুটিংয়ের সময়কার এই দৃশ্য নিয়ে জোভান প্রশংসায় ভাসিয়েছেন পায়েলকে। তার মতে, পায়েল যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তার জন্য তাকে স্যালুট জানানো উচিত। এক সাক্ষাৎকারে জোভান বলেন, ‘ভিডিওটি পুরো ফেসবুক জুড়ে ভাইরাল হয়েছে। কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার সেটি একটি নাটকের সিকোয়েন্সের জন্য আসলে ও পাগল সেজেছিল। নাটকের নাম ‘বাতাসের ভুল’, পরিচালনা করেছেন ইশান। খুব শিগগিরই এটি মুক্তি পাবে ইনশাআল্লাহ। অভিনেত্রীর নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করে জোভান আরও বলেন, ‘ওই নাটকটাতে পায়েল খুবই চ্যালেঞ্জিং একটা ক্যারেক্টার প্লে করেছে। আমি এতটুকু বলতে পারব যে, পায়েলকে আসলে স্যালুট দেওয়া উচিত। কারণ ও একজন অন্তঃসত্ত্বা পাগলের চরিত্রে অভিনয় করেছে, যা যেকোনো শিল্পীর জন্যই অত্যন্ত কঠিন কাজ। চরিত্রটির গভীরতা নিয়ে জোভান জানান, এটি কেবল এক-দুটি দৃশ্য নয়, বরং পুরো একটি জার্নি। রাস্তায় রাস্তায় একজন অন্তঃসত্ত্বা পাগলের যে দীর্ঘ লড়াই ও পথচলা, তা পায়েল নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। জোভানের প্রত্যাশা, কাজটির নেপথ্য গল্প ও অভিনয়ের মুনশিয়ানা দর্শকের হৃদয় জয় করবে।