হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ওপর চটেছেন সালমান খান

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ওপর চটেছেন সালমান খান বলিউডের প্রখ্যাত চিত্রনাট্যকার সেলিম খানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে যখন গোটা সিনেমা পাড়ায় উদ্বেগ কাজ করছে, ঠিক তখনই বাবার ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যগত তথ্য প্রকাশ্যে আসা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুপারস্টার সালমান খান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত সমস্যার কারণে প্রবীণ এই ব্যক্তিত্বকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর থেকেই চিকিৎসকরা নিয়মিত ‘হেলথ বুলেটিন’ বা স্বাস্থ্যবার্তা গণমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করে আসছেন। বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো চটেছে পুরো খান পরিবার। সালমানের অভিযোগ, পরিবারের অনুমতি ছাড়া একজন ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার খুঁটিনাটি জনসমক্ষে প্রচার করা তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন। খান পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সেলিম খানের প্রতি সাধারণ মানুষ ও ভক্তদের গভীর ভালোবাসা এবং উদ্বেগের জন্য তারা কৃতজ্ঞ। তবে সালমান মনে করেন, তার বাবার অসুস্থতার প্রতিটি ছোটখাটো বিষয় বাইরের মানুষের জানার প্রয়োজন নেই। কোনো তথ্যের দরকার হলে পরিবার নিজেই সেটি জানাবে। সালমান খানের পক্ষ থেকে কড়া বার্তা পাওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নতিস্বীকার করেছে এবং সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এখন থেকে অনুমতি ছাড়া সেলিম খানকে নিয়ে আর কোনো মেডিকেল বুলেটিন বা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন অপেশাদার আচরণে সালমান ও তার পরিবার সরাসরি তাদের আপত্তির কথা জানিয়ে দিয়েছেন। এদিকে গত দুই দিনে সেলিম খানের শারীরিক অবস্থায় বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার কোনো বড় ধরনের অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়েনি, তবে ডিএসএ প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে প্রবীণ এই চিত্রনাট্যকারকে ভেন্টিলেশনে রাখা হলেও তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। যদি দ্রুত উন্নতি ঘটে, তবে খুব শীঘ্রই তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বা আইসিইউ-তে স্থানান্তর করা হতে পারে। চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল সার্বক্ষণিক তার দেখাশোনা করছেন এবং তিনি চিকিৎসায় ইতিবাচকভাবে সাড়া দিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার হাসপাতালে সেলিম খানকে দেখতে গিয়েছিলেন সালমানের আগামী সিনেমা ‘ব্যাটল অব গলওয়ান’-এর সহ-অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিংহ। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে জানান যে, সেলিম খান এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন এবং সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। প্রিয় অভিনেতার বাবার এমন অসুস্থতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অগণিত ভক্ত দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বার্তা পাঠাচ্ছেন। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার অনুরোধ করা হয়েছে যাতে এই কঠিন সময়ে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান জানানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে সময় কাটাচ্ছেন সামিরা খান মাহি

যুক্তরাষ্ট্রে সময় কাটাচ্ছেন সামিরা খান মাহি বর্তমান সময়ের ছোটপর্দার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি। সাবলীল অভিনয় আর শরীরী সৌন্দর্যে খুব অল্প সময়েই দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। নাটকের ব্যস্ত শিডিউল আর শুটিংয়ের ব্যস্ততায় যখন তার সময় কাটে, ঠিক তখনই হঠাৎ বিরতির ঘোষণা দিলেন এই অভিনেত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাহির সক্রিয়তা বরাবরের মতোই বেশি। তবে এবার সেখানে কোনো আনন্দঘন মুহূর্ত নয়, বরং মন খারাপের এক বার্তা ভাগ করে নিয়েছেন ভক্তদের সঙ্গে। মাহি জানিয়েছেন, জীবনের এই পর্যায়ে এসে তার একটু থামা প্রয়োজন। এক পোস্টে মাহি লিখেছেন, ‘প্রিয় ভক্তরা, জীবনের প্রতিটি যাত্রায় মাঝেমধ্যে একটু বিরতি দরকার হয়। এইবার সেই বিরতিটাই নিচ্ছি। মনটা একটু ভারী, কারণ কাজ আর তোমাদের ভালোবাসা ছাড়া আমি অসম্পূর্ণ। হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত? তা নিয়ে ভক্তদের মনে কৌতূহল উঁকি দিলেও মাহি স্পষ্ট করেছেন এটি স্থায়ী কোনো বিদায় নয়। তিনি আরও বলেন, ‘তবে এটা বিদায় না, শুধু অল্প সময়ের জন্য থামা। দোয়া রেখো, খুব তাড়াতাড়ি আবার ফিরবো, ইনশাআল্লাহ। গতকাল নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন মাহি। সেখানে বোনের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে তাকে। ভিডিওতে বেশ প্রাণবন্ত ও হাস্যোজ্জ্বলভাবেই ধরা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। মাহির এমন পোস্টের নিচে মন্তব্যের ঘরে ভক্তরা তাকে শুভকামনা জানাচ্ছেন। কেউ বলছেন কাজের চাপে মানসিক প্রশান্তির জন্য বিরতি প্রয়োজন, আবার কেউ তাকে দ্রুত পর্দায় ফেরার অনুরোধ জানাচ্ছেন। তবে বিরতির কারণ নিয়ে বিস্তারিত আর কিছুই জানাননি তিনি।
ঢাবির টিএসসিতে দুই দিনব্যাপী চলচ্চিত্র প্রদর্শনী

ঢাবির টিএসসিতে দুই দিনব্যাপী চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অমর একুশে ফেব্রুয়ারি স্মরণে ‘ঢাকা ফিল্ম ক্লাব’-এর উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি-সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ভাষা আন্দোলনভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে উন্মুক্ত এ আয়োজন চলবে আজ ও আগামীকাল। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় আয়োজিত এ প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত। প্রদর্শনীর প্রথম দিন আজ দেখানো হচ্ছে কিংবদন্তি নির্মাতা জহির রায়হান পরিচালিত কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’। ১৯৭০ সালে নির্মিত এ ছবিটি বাংলা চলচ্চিত্রে রাজনৈতিক রূপকের এক অনন্য উদাহরণ। একটি পরিবারের ভেতরের দমন-পীড়নের গল্পের মাধ্যমে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি স্বৈরশাসনের প্রতীকী চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ড্রাকুলা চরিত্রের রূপক ব্যবহার করে শাসনব্যবস্থার নির্মমতা এবং জনগণের প্রতিবাদী চেতনা ফুটিয়ে তুলেছেন নির্মাতা। চলচ্চিত্রটিতে ভাষা আন্দোলনের আবহ আরও শক্তিশালী হয়েছে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচিত অমর সংগীত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ ব্যবহারের মাধ্যমে। শুটিং চলাকালে ‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক চলচ্চিত্র’ নির্মাণের অভিযোগে জহির রায়হানকে ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হলেও পরে প্রমাণের অভাবে তাঁকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক, সুচন্দা, রোজী সামাদ, খান আতাউর রহমান, রওশন জামিল ও আনোয়ার হোসেনসহ প্রখ্যাত শিল্পীরা। এই আয়োজনের দ্বিতীয় দিন শনিবার প্রদর্শিত হবে শহীদুল হক খান পরিচালিত কলমীলতা। ১৯৮১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ চলচ্চিত্রে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পারিবারিক গল্পের আবহে একুশে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ইতিহাসের ধারাবাহিকতা তুলে ধরা হয়েছে ছবিটিতে। চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন কবরী, বুলবুল আহমেদ, সুচরিতা, ইলিয়াস কাঞ্চন, গোলাম মুস্তাফা, রোজী সামাদ ও টেলি সামাদসহ আরও অনেকে।আয়োজকদের মতে, বাংলা চলচ্চিত্রে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নির্মাণের সংখ্যা এখনও সীমিত। নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাসনির্ভর গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্রগুলো পৌঁছে দেওয়া এবং ভাষা আন্দোলনের চেতনা পুনরুজ্জীবিত করাই এ প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ নানা বয়সী দর্শকের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি এ আয়োজনকে ঘিরে তৈরি করেছে এক ভিন্ন আবহ।
বিপদ কেটে গেলে মানুষ অহংকারী হয়ে ওঠে : আসিফ আকবর

বিপদ কেটে গেলে মানুষ অহংকারী হয়ে ওঠে : আসিফ আকবর বাংলাদেশে শিল্পীদের সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া একটি পোস্টে করোনাকালীন সংকট ও সংগীতাঙ্গনের নাকাল পরিস্থিতির কথাও বর্ণনা করেন এই শিল্পী। আসিফ আকবর বলেন, পবিত্র রমজান মাস এলেই করোনাকালীন যন্ত্রণা তাড়িয়ে বেড়ায়। এমনিতেই বাংলাদেশের সমস্ত সমস্যা প্রতিফলিত হয় সংস্কৃতি অঙ্গনে, প্রথম চালানেই বন্ধ হয় সংগীতের কার্যক্রম। এই দেশে শিল্পীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সামাজিক নিরাপত্তা প্রাপ্তির কোনো অপশন নেই, ব্যাংক লোন দেয় না, বাড়িওয়ালা দেয় না বাসা ভাড়া। তবু থেমে নেই চর্চা, চলছে পেশা নিয়ে টিকে থাকার যুদ্ধ। সংগীতশিল্পী ও প্রযোজক ধ্রুব গুহকে স্মরণ করে আসিফ আকবর বলেন, “করোনার সময় আমরা রেকর্ডিং করতাম মোবাইল ফোনে। স্টুডিও বন্ধ, টেকনিশিয়ান নাই, সব কাজ হতো বাসায় অবস্থান করেই। নিরাপত্তা আতঙ্কে মিউজিশিয়ানরা কেউ চলে গেছেন শহর ছেড়ে, কেউ প্রবাসে, কেউ বদলে ফেলেছেন পেশা। তবু শুকরিয়া, ধ্রুব গুহ দাদার মতো দু-একজন বোকা প্রোডিউসার ছিলেন আমাদের পাশে। রাজনীতি, মিউজিক-ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা বর্ণনা করে আসিফ আকবর বলেন, “যেভাবে সরকার যায় সরকার আসে, ঠিক সেভাবেই চাটুকারের দল যায়, চাটুকারের দল আসে। একঘেয়ে গালভরা বুলি আর স্বপ্ন পোড়া ছাই—এই টম অ্যান্ড জেরির গল্প যেন শেষ হবার নয়! এখন দেশে মিউজিক বা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বলে কিছু নেই, যা আছে সেগুলো কঙ্কালসার অবয়ব। এই অবয়ব দিয়ে ল্যাবেও (গবেষণা) কাজ হবে না। বিপদ কেটে গেলে মানুষ অহংকারী হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে উদাহরণ দিয়ে আসিফ আকবর বলেন, “করোনা শিক্ষা আর আতঙ্ক নিয়ে এসেছিল, চলেও গেছে। আমরা সব ভুলে যাই বরাবরের মতো, বিপদ কেটে যাওয়ায় আবারও হয়ে গেছি অহংকারী। সংস্কৃতিকর্মীদের নিজেদের স্বার্থপরতায় প্রতি পদে পদে নিহত হয় সম্ভাবনা, আর সাংস্কৃতিক বলয়ে ছড়ি ঘোরায় অভিশপ্ত পদাতিক। তবু। ভালোবাসা অবিরাম।
কবে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন বিজয়-রাশমিকা?

কবে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন বিজয়-রাশমিকা? দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় জুটি বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানার বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনা অবশেষে পরিণতির দিকে এগোচ্ছে। লুকোছাপার অবসান ঘটিয়ে এবার যেন সত্যি সত্যিই বাজতে চলেছে বিয়ের সানাই। পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় বিজয়ের বাড়ির সেই ঝলমলে সাজসজ্জার ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল। গত কয়েকদিন ধরেই বিজয় ও রাশমিকার বিয়ের একটি আমন্ত্রণপত্র ইন্টারনেটে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এরপর থেকেই শুরু হয় বিয়ের দিনক্ষণ গোনার পালা। এর মাঝেই হায়দরাবাদ বিমানবন্দরে একসাথে দেখা মিলেছে এই চর্চিত জুটির। গুঞ্জন রয়েছে, রাজস্থানের উদয়পুরে বিয়ের ভেন্যু চূড়ান্ত করতেই একসঙ্গে শহর ছেড়েছিলেন তারা। সেখান থেকে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরে ফিরেই বিজয় তার দীর্ঘদিনের বড় চুল কেটে ফিরেছেন পুরনো লুকে, যা দেখে ভক্তদের ধারণা জীবনের বিশেষ দিনের জন্যই নিজেকে নতুন করে সাজিয়েছেন অভিনেতা। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজকীয় আয়োজনে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন এই জুটি। এরপর ৪ মার্চ হায়দরাবাদে বসবে তারকাবহুল রিসেপশন। সেই অনুষ্ঠানে আল্লু অর্জুন, রামচরণ, রাজামৌলি ও প্রভাসের পাশাপাশি বলিউডের খান, কাপুর ও বচ্চন পরিবারের সদস্যদেরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। বিগত আট বছর ধরে বিজয় ও রাশমিকা প্রেম করছেন বলে খবর চাউর থাকলেও তারা বিষয়টি কখনোই সরাসরি স্বীকার করেননি। তবে গত অক্টোবরে রাশমিকার আঙুলে দামী আংটি দেখে বাগদানের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। সে সময় বিয়ের প্রশ্ন করা হলে রাশমিকা রহস্যময় হাসি দিয়ে বলেছিলেন, ‘সবাই তো দেখছি সব জানেন!’
বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থর পরিবারে শোকের ছায়া

বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থর পরিবারে শোকের ছায়া বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন অভিনেতার বাবা ও সাবেক মার্চেন্ট নেভি ক্যাপ্টেন সুনীল মালহোত্রা। প্রিয় বাবার মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন সিদ্ধার্থ, যা তার সাম্প্রতিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টে দেখা গেছে। পারিবারিক সূত্র অনুযায়ী, গত শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতের দিল্লিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সুনীল মালহোত্রা। ভারতের মার্চেন্ট নেভিতে দীর্ঘকাল দাপটের সঙ্গে কাজ করা এই মানুষটি পরিচিত ছিলেন তার অটল শৃঙ্খলা, সততা ও প্রখর দায়িত্ববোধের জন্য। ইনস্টাগ্রামে বাবার সঙ্গে কাটানো শৈশব থেকে বর্তমানের একাধিক অন্তরঙ্গ ছবি শেয়ার করে এক আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন সিদ্ধার্থ। পোস্টে অভিনেতা স্মৃতিচারণ করে লেখেন, ‘স্ট্রোকের শিকার হয়ে পরবর্তী সময়ে হুইলচেয়ারে বন্দী হলেও তার বাবার মনোবল ছিল অটুট। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ সামলানো থেকে শুরু করে অসুস্থতার কঠিন দিনগুলো প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন এক অদম্য যোদ্ধা।’ বাবার আদর্শকে নিজের জীবনের ভিত্তি উল্লেখ করে সিদ্ধার্থ লেখেন, ‘আজ আমি যা কিছু হতে পেরেছি, সবই তার জন্য। বাবার সততাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ও উত্তরাধিকার।’ পুরো পরিবার এখন শোকস্তব্ধ। প্রিয় অভিনেতার শোকের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিনোদন জগতের সহকর্মী এবং ভক্তরা সামাজিক মাধ্যমে সমবেদনা জানাচ্ছেন। মুহূর্তের মধ্যেই খবরটি অনলাইনে ট্রেন্ডিং হয়ে দাঁড়ায়। সুনীল মালহোত্রার শেষকৃত্যের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি। তবে প্রিয়জন হারানোর এই কঠিন সময়ে ভক্তরা সিদ্ধার্থ ও তার পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছেন।
নতুন সরকারের কাছে শাকিব খানের প্রত্যাশা

নতুন সরকারের কাছে শাকিব খানের প্রত্যাশা নতুন সরকার গঠনের পর দেশের সব অঙ্গনের মানুষের মতো সংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষদেরও সরকারের কাছে রয়েছে নানা প্রত্যাশা। দেশের জনপ্রিয় ও শীর্ষ চিত্রনায়ক শাকিব খানও চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে নতুন সরকারের কাছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। গণমাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় শাকিব খান বলেন, “চলচ্চিত্র শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং পেশাদার পরিবেশ নিশ্চিত করা।” জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক প্রসঙ্গে শাকিব খান বলেন, “জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। বিচারপ্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা, রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি—বারবার সামনে আসে এসব প্রশ্ন। পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হোক।” তিনি আরও বলেন, “মূল্যায়নের নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ এবং বাইরের হস্তক্ষেপ রোধে কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি।” সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাই প্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেন এই চিত্রনায়ক। তিনি বলেন, “সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতের অভিযোগ দূর করতে স্বচ্ছ কমিটি, অনলাইন স্কোরিং পদ্ধতি এবং পাবলিক রিপোর্ট প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে প্রকৃত মেধাবীরা উৎসাহ পাবেন।” দেশের প্রেক্ষাগৃহ কমে যাওয়া এবং হলগুলোর পরিবেশ ও মান নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ প্রসঙ্গে শাকিব খান বলেন, “দেশে প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ ও আধুনিকায়নে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। দেশে প্রেক্ষাগৃহের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। মাঝখানে কয়েকবার প্রেক্ষাগৃহ বাড়ানোর উদ্যোগের কথা শোনা গেলেও পরে আর কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। তাই বলব, সারা দেশে প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। মানুষ পরিবার নিয়ে আবার ছবি দেখছে, তাদের শুধু সুন্দর পরিবেশ দিতে হবে।” শাকিব খানের মতে, দেশের বন্ধ ও জরাজীর্ণ প্রেক্ষাগৃহগুলো সংস্কারে স্বল্প সুদে ঋণ, করছাড় এবং পুনর্গঠন তহবিল গঠন করা যেতে পারে। পাশাপাশি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেলে আধুনিক মাল্টিপ্লেক্স স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। তিনি আরও বলেন, “যেসব জেলায় প্রেক্ষাগৃহ নেই সেখানে কম আসনসংখ্যার ডিজিটাল মিনি প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ করা হলে ব্যয় কমবে এবং স্থানীয় উদ্যোক্তারাও যুক্ত হতে পারবেন।” শাকিব খান প্রেক্ষাগৃহ উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সরকারকে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ার কথাও বলেন। তার মতে, নতুন প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণে ভ্যাট ও ট্যাক্সছাড়, জমি লিজে বিশেষ সুবিধা এবং আমদানি করা প্রজেকশন ও সাউন্ড যন্ত্রপাতিতে শুল্ক কমালে বিনিয়োগ বাড়বে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রজেকশন, ডলবি সাউন্ড এবং অনলাইন টিকেটিং ব্যবস্থাকে বাধ্যতামূলক বা প্রণোদিত করলে দর্শকের অভিজ্ঞতা উন্নত হবে এবং হলমুখী দর্শক বাড়বে। শাকিব খান মনে করেন, দর্শক ফিরিয়ে আনতে দেশীয় চলচ্চিত্রের নির্দিষ্ট প্রদর্শন কোটা চালু, উৎসবভিত্তিক বিশেষ প্রদর্শনী এবং পরিবারবান্ধব কনটেন্টে সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, “প্রেক্ষাগৃহকে শুধু সিনেমা প্রদর্শনের স্থান নয়, বরং সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে, যেখানে নিয়মিত চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজনও সম্ভব।” সবশেষে শাকিব খান বলেন, “চলচ্চিত্র শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকারকে ঝামেলামুক্ত, পেশাদার এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।”
ছয় বছর পর ফের পর্দায় ‘চার্লিস এঞ্জেলস’

ছয় বছর পর ফের পর্দায় ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ সত্তরের দশকের জনপ্রিয় অ্যাকশনধর্মী টিভি সিরিজ ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ ফের দেখা যাবে পর্দায়। ছয় বছর পর সিরিজটি নতুন করে দর্শকের সামনে আসা কথা জানিয়েছে দ্য হলিউড রিপোর্টার। শুরুতে চার্লিস এঞ্জেলসকে নিয়ে দুটি সিনেমা বানিয়েছিল সনি পিকচার্স। ২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া চার্লিস এঞ্জেলস ও এর তিন বছর পর মুক্তি পাওয়া ‘চার্লিস এঞ্জেলস: ফুল থ্রটল’ বক্স অফিসেও ব্যবসা সফল হয়েছিল। ২০১৯ সালে আবারও চার্লিস এঞ্জেলসকে পর্দায় হাজির করে সনি। ওই বছর মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। এর মাঝে, ২০১১ সালে চার্লিস এঞ্জেলসের নতুন একটি টিভি সিরিজ মুক্তি দেয় সনি। জনপ্রিয়তা না পাওয়ায় মাত্র সাত পর্ব প্রচারের পর বন্ধ হয়ে যায় সেটি। নারী গোয়েন্দা নির্ভর সিনেমাটিকে নতুন করে সাজানোর জন্য সনি এরই মধ্যে দায়িত্ব দিয়েছে দ্য প্রোপোজাল ও ক্রেজি রিচ এশিয়ানসের লেখক পিট কিয়ারেলিকে। নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে কে থাকছেন সেটা নিশ্চিত করতে পারেনি হলিউড রিপোর্টার। তবে তারা জানিয়েছে প্রথম সিনেমার তারকা ড্রু ব্যারিমোর ও তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফ্লাওয়ার ফিল্মস ব্যানার নতুন এই সিনেমার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। সনি পিকচার্সও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। মূল চার্লিস এঞ্জেলস ১৯৭৬ সালে শুরু হয়ে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত চলে টিভিতে। সিরিজটির সঙ্গে এর কেন্দ্রীয় তিন চরিত্রের তিন অভিনেত্রী জ্যাক্লিন স্মিথ, কেইট জনসন ও ফারাহ ফসেট এই তুমুল জনপ্রিয়তা পান বিশ্বজুড়ে।
নতুন বিতর্কে জড়ালেন অভিনেতা সোহম

নতুন বিতর্কে জড়ালেন অভিনেতা সোহম কয়েকদিন পরই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। এর আগেই নতুন বিতর্কে জড়ালেন টালিউড নায়ক ও বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী। তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে মামলা করেছেন আরেক অভিনেতা-রাজনীতিবিদ শাহিদ ইমাম। শাহিদের অভিযোগ, সোহম তার থেকে ৬৮ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন। ঋণের সামান্য অংশ ফেরত দিলে বাকিটা ফেরত দেননি। এমনিক শাহিদকে নাকি হুমকি দিচ্ছেন সোহম। তবে সোহম হুমকি দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেছেন, হুমকি দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। টাকা ফেরত দেব একাধিক বার জানিয়েছি। নির্বাচনের আগে আমায় কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অভিনয় দুনিয়ায় শাহিদ ‘শুভম’ নামে পরিচিত। তিনি জানিয়েছেন, সোহমের সঙ্গে তার পরিচয় দীর্ঘদিনের। সেই সুবাদে তিনি ২০২১ সালে অভিনেতা-প্রযোজক সোহমকে ৬৮ লক্ষ টাকা ধার দেন। শাহিদের কথায়, অভিনয়ের পাশাপাশি সেই সময় আমি তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতা। ২০২৩ সালে এসএসসিকাণ্ডে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২০২৩ সালে মুক্তি পান শাহিদ। তিনি বলেন, সংশোধনাগারে থাকার ফলে আমি টাকা ফেরত চাইতে পারিনি। ২০২৩ সালে জামিন পাই। সংশোধনাগার থেকে বেরিয়ে যোগাযোগ করি সোহমের সঙ্গে। তার থেকে টাকা ফেরত চাই। শাহিদের কথা অনুযায়ী, সেই সময় দুই দফায় মোট ২৫ লক্ষ টাকা তাকে ফেরত দিয়েছিলেন অভিযুক্ত। তার পরেই তিনি নীরব। শাহিদের দাবি, দু’বছর অপেক্ষার পর বাধ্য হয়ে সোমবার সোহমের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির মামলা দায়ের করেছি। মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করি চারু মার্কেট থানায়। তবে যার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ঋণখেলাপির অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে, সেই অভিযুক্ত সোহম কিন্তু ঋণ নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেননি। বিস্তারিত জানিয়েছেন সে সম্পর্কে। তিনি বলেন, ২০২১ সালে ‘পাকা দেখা’ ছবির কারণে ৬৮ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছিলাম শাহিদের থেকে। তার আরও বেশি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পরে সেটা দেননি। তখন অন্যদের থেকে বাকি টাকা জোগাড় করি। এরপর ২৫ লক্ষ টাকা ফেরত দেন। বাকি ৪৩ লক্ষ টাকাও মিটিয়ে দেব, বার বার বলেছি শাহিদকে। আমার কয়েকটি ছবি আটকে। বাংলা ছবির ব্যবসার অবস্থাও সকলের জানা। ফলে, ছবিমুক্তি না ঘটলে বা হাতে টাকা না এলে কী করে ঋণশোধ করব? শাহিদ আমার অবস্থাটাই বুঝলেন না! সোহম বলেন, আইনি নোটিশ পেয়েছি। আমার আইনজীবী বিষয়টি দেখছেন। শাহিদ আইনি পথে হাঁটলে আমিও আইনি পদক্ষেপ করব। তবে উনি কোন কালে যুবনেতা ছিলেন, সেটা জানি না। সোহমের আক্ষেপ, সামনে নির্বাচন আসছে বলেই হয়তো পূর্বপরিকল্পিত ভাবে তাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
নায়ক সোহমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা

নায়ক সোহমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেতা ও তৃণমূলের বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন অভিনেতা শাহিদ। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টে মামলাটি করেন তিনি। শোবিজ অঙ্গনে সবাই তাকে শুভম নামেই চেনেন। সোহমের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের পরিচয় শাহিদের। সেই সুবাদে ২০২১ সালে অভিনেতা-প্রযোজক সোহমকে ৬৮ লাখ রুপি ধার দেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতাও শাহিদ। ২০২৩ সালে এসএসসিকাণ্ডে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই বছর মুক্তি পান তিনি। শাহিদ বলেন, “সংশোধনাগারে থাকার ফলে টাকা ফেরত চাইতে পারিনি। ২০২৩ সালে জামিন পাই। সংশোধনাগার থেকে বেরিয়ে সোহমের সঙ্গে যোগাযোগ করি। ওর কাছে টাকা ফেরত চাই। সেই সময় দুই দফায় মোট ২৫ লাখ রুপি ফেরত দিয়েছিল, তারপর থেকে ও নীরব।”দু’বছর অপেক্ষার পর বাধ্য হয়ে গত সোমবার সোহমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা দায়ের করেন শাহিদ। মঙ্গলবার চারু মার্কেট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বলেও জানান শাহিদ। শাহিদ একাধিকবার পুরো টাকা ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানালেও তাতে কর্ণপাত করেননি সোহম। উল্টো অভিনেতা তাকে হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ শাহিদের। তবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন সোহম চক্রবর্তী। এ অভিনেতা বলেন, “হুমকি দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। টাকা ফেরত দেব একাধিকবার জানিয়েছি। নির্বাচনের আগে আমাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।” ঋণ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন সোহম। ঋণ নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে এই বিধায়ক বলেন, “২০২১ সালে ‘পাকা দেখা’ সিনেমার জন্য ৬৮ লাখ রুপি ঋণ নিয়েছিলাম শাহিদের কাছ থেকে। ওর আরো বেশি অর্থ দেওয়ার কথা ছিল। পরে সেটা দেননি। তখন অন্যদের থেকে বাকি অর্থ জোগাড় করি।” ঋণের একটি অংশ পরিশোধ করেছেন সোহম। তা জানিয়ে এই নায়ক বলেন, “এরপর ২৫ লাখ রুপি ফেরত দিয়েছি। বাকি ৪৩ লাখ রুপি মিটিয়ে দেব, বার বার বলেছি শাহিদকে। আমার কয়েকটি সিনেমা আটকে আছে। বাংলা সিনেমার ব্যবসার অবস্থাও সকলের জানা। ফলে সিনেমাগুলো মুক্তি না পেলে বা হাতে অর্থ না এলে কী করে ঋণ পরিশোধ করব? শাহিদ আমার অবস্থাটাই বুঝলেন না!” বিষয়টি আদালতে গড়িয়েছে। ফলে আইনিভাবে মোকাবিলা করবেন সোহম। তার মতে, “আইনি নোটিস পেয়েছি। আমার আইনজীবী বিষয়টি দেখছেন। শাহিদ আইনি পথে হাঁটলে আমিও আইনি পদক্ষেপ নেব। তবে উনি কোন কালে যুবনেতা ছিলেন, তা জানি না।” কিছুদিন পরই রাজ্যসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এই মামলা সোহমকে বিতর্কের মুখে ফেলার রাজনৈতিক অপচেষ্টা হতে পারে বলেও মন্তব্য সোহমের। আক্ষেপের স্বরে এ নায়ক জানান, সামনে নির্বাচন আসছে বলেই হয়তো পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।