‘মাফ চাই, আর হবে না’, প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে কেয়া পায়েল

‘মাফ চাই, আর হবে না’, প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে কেয়া পায়েল চেহারাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে অভিনেত্রীরা প্রায়ই প্লাস্টিক সার্জারিসহ আধুনিক সব বিউটি ট্রিটমেন্টের শরণাপন্ন হন। এ প্রবণতা বাইরের দেশের অভিনেত্রীদের মধ্যে বেশি থাকলেও খুব একটা চোখে পড়ে না দেশীয় শিল্পীদের ক্ষেত্রে। তবে গত কিছুদিন ধরে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েলকে নিয়ে এমন আলোচনা চাউর হয়। গুঞ্জন ওঠে, সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছেন তিনি। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন কেয়া, জানালেন সত্যিটা। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে হাজির হয়ে বিষয়টি নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, আমি এ নিয়ে এই প্রথম কথা বলছি। আমি বলব, প্রতিটি মানুষ জন্মগতভাবে সুন্দর। আমি ছোটবেলা থেকেই নিজের সৌন্দর্য সম্পর্কে প্রশংসা শুনে বড় হয়েছি। আমার কাছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, নিজের একটি বিউটি সেলুন থাকার জন্য সৌন্দর্য নিয়ে বেশি কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয় তার। সেই আগ্রহ থেকেই চেহারায় কিছুটা পরিবর্তনের চিন্তা আসে। কেয়া পায়েল বলেন, কখনো আমার মধ্যে এমন উদ্দেশ্য ছিল না যে, বাড়তি কিছু করে সৌন্দর্য বাড়াতে হবে। কেননা, আমি যেমন আছি সেভাবেই খুশি। টুকটাক দু-একটা জিনিস শুধু অ্যাড করছি। তাতেই আমার ভক্তরা এমনভাবে ক্ষেপে গেল—এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেননি তারা। তাদের এই অবস্থা দেখে মনে মনে বললাম- মাফ চাই, আর হবে না। এ সময় এই অভিনেত্রী কিছুটা আক্ষেপও করেন। তার মতে, আমাদের দেশের মানুষ একটু অতি আবেগী। একজন যদি বলা শুরু করে তাহলে অন্যরা সেটি না জেনেই বলা শুরু করবে। তারা জানেই না কী হয়েছে। এমনকি আমার পাঁচ বছর আগের ছবি দেখেও কেউ কেউ এখন মন্তব্য করে। আর এই হুজুগে মানসিকতা আমাদের পুরো জাতির মধ্যেই রয়েছে। এ অভিনয়শিল্পী বলেন, রাস্তায় কোনো কারণ ছাড়াই শুধু ভিড় দেখে মানুষ জড়ো হয়। সেখানে কী হচ্ছে, তা না জেনে মানুষ দাঁড়িয়ে যায়। এই মানসিকতা অনেক দিন ধরে প্র্যাকটিস হয়ে আসছে। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিকে অভিনয় করে বেশ প্রশংসিত হচ্ছেন কেয়া পায়েল। এতে মেহেরীন চরিত্রে তার অভিনয় দারুণ দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। শিগগিরই ধারাবাহিকটির সমাপ্তি টানবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন নির্মাতারা।

এত টাকা দিয়ে কী করবেন, মাস্ক-জাকারবার্গকে বিলি আইলিশের প্রশ্ন

এত টাকা দিয়ে কী করবেন, মাস্ক-জাকারবার্গকে বিলি আইলিশের প্রশ্ন মার্কিন পপতারকা বিলি আইলিশ সম্প্রতি ‘এল’ (Elle) ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে নিজের ক্যারিয়ার, রাজনীতি এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। তার নতুন কনসার্ট মুভি ‘হিট মি হার্ড অ্যান্ড সফট: দ্য টুর (লাইভ ইন থ্রিডি)’ মুক্তির প্রাক্কালে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, তার চতুর্থ অ্যালবামের কাজ অর্ধেকের বেশি সম্পন্ন হয়েছে। তবে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ধনকুবেরদের অঢেল সম্পদ এবং মার্কিন অভিবাসন সংস্থা ‘আইসিই’ (ICE)-এর বিরুদ্ধে তার সাহসী অবস্থান। বিলি আইলিশ তার রাজনৈতিক সক্রিয়তার পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা তার বেড়ে ওঠারই অংশ। মানুষের জন্য কথা বলার মতো বিশাল একটি প্ল্যাটফর্ম থাকার পরও কেবল বিতর্কের ভয়ে চুপ থাকাকে তিনি অর্থহীন মনে করেন। তার মতে, কেউ যখন বুলিং বা নিগ্রহের শিকার হয়, তখন তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসা মোটেও বিতর্কিত কোনো বিষয় হতে পারে না। উল্লেখ্য, এবারের গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে ‘সং অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার জেতার পর মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি আইসিই-এর কঠোর সমালোচনা করেছিলেন এবং সাফ জানিয়েছিলেন যে, অন্যের থেকে দখল করা জমিতে কেউ ‘অবৈধ’ হতে পারে না। ধনকুবেরদের নিয়েও বিলি আইলিশের অবস্থান বেশ কড়া। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ইনোভেটর অ্যাওয়ার্ডসে মার্ক জাকারবার্গের উপস্থিতিতেই তিনি ধনকুবেরদের প্রশ্ন করেছিলেন, তারা কেন এত অর্থ নিজেদের কাছে জমিয়ে রাখছেন। এ ছাড়া ইলন মাস্কের সম্পদের পাহাড় গড়া নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ঝেড়েছেন তিনি। তবে বিলি কেবল কথা বলেই ক্ষান্ত হননি; নিজের কনসার্ট ট্যুর থেকে প্রাপ্ত ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় দান করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন যে তিনি যা বলেন, তা বিশ্বাসও করেন। এদিকে বড় ভাই ফিনিয়াসের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি নিয়ে ওঠা গুঞ্জনও নাকচ করে দিয়েছেন এই গায়িকা। প্রথমবারের মতো ফিনিয়াসকে ছাড়াই ট্যুরে বের হওয়ায় ভক্তদের মধ্যে এই ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। বিলি জানান, ভাইবোনের মধ্যে ঝগড়া হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু তাদের মধ্যে কখনো বড় কোনো বিচ্ছেদ সম্ভব নয়। ফিনিয়াসকে ছাড়া তিনি গান তৈরির কথা চিন্তাই করতে পারেন না। মূলত আলাদাভাবে নিজেদের জীবন গুছিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টাকে মানুষ ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেছে বলে তিনি দাবি করেন।

এআই আতঙ্কে নিজের কণ্ঠস্বর ও অবয়বের ট্রেডমার্ক চাইলেন টেইলর সুইফট

এআই আতঙ্কে নিজের কণ্ঠস্বর ও অবয়বের ট্রেডমার্ক চাইলেন টেইলর সুইফট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ক্রমবর্ধমান অগ্রযাত্রার মুখে নিজের পরিচয় ও স্বত্বরক্ষায় এক নজিরবিহীন আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন মার্কিন পপসম্রাজ্ঞী টেইলর সুইফট। সম্প্রতি তিনি নিজের কণ্ঠস্বর এবং নির্দিষ্ট একটি অবয়বের ওপর স্বত্বাধিকার বা ট্রেডমার্ক চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিসে তিনটি আবেদন জমা দিয়েছেন। মূলত শিল্পীদের অনুমতি ছাড়াই তাদের কণ্ঠ ও ছবি ব্যবহার করে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভুয়া আধেয় তৈরির প্রবণতা রুখতেই সুইফটের এই প্রচেষ্টা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সুইফটের প্রতিষ্ঠান ‘টিএএস রাইটস ম্যানেজমেন্ট’-এর পক্ষ থেকে করা এই আবেদনগুলোর মধ্যে দুটি রয়েছে কণ্ঠস্বর সম্পর্কিত। যার একটি হলো তার চিরচেনা সম্ভাষণ ‘হেই, ইট’স টেইলর সুইফট’ এবং অন্যটি ‘হেই, ইট’স টেইলর’। এ ছাড়া তৃতীয় আবেদনটি করা হয়েছে তার একটি নির্দিষ্ট শৈল্পিক উপস্থিতির ওপর, যেখানে তিনি ইরিডিসেন্ট বডিস্যুট ও সিলভার বুট পরে গোলাপি স্টেজে বিশেষ ভঙ্গিমায় গিটার হাতে দাঁড়িয়ে আছেন। মেধাস্বত্ববিষয়ক আইন বিশেষজ্ঞ জশ গারবেনের মতে, বিনোদনজগতের তারকাদের মধ্যে এআই নিয়ে যে আতঙ্ক কাজ করছে, সুইফটের এই পদক্ষেপ তারই প্রতিফলন। এর আগে অভিনেতা ম্যাথিউ ম্যাককনাহে একই ধরনের কৌশল অবলম্বন করে নিজের জনপ্রিয় সংলাপ ‘অলরাইট, অলরাইট, অলরাইট’-এর ওপর ট্রেডমার্ক সুবিধা লাভ করেছিলেন। সাধারণত ট্রেডমার্ক আইন কোনো ব্যক্তির সাধারণ পরিচয় রক্ষায় ব্যবহৃত হয় না, তবে বর্তমানে এআইয়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এটি একটি বাড়তি আইনি অস্ত্র হিসেবে কাজ করছে। ব্যক্তিগত প্রচারের স্বত্ব বা ‘রাইট-অব-পাবলিসিটি’ আইন কেবল নির্দিষ্ট রাজ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের মামলা ফেডারেল আদালত পর্যন্ত নেওয়া সম্ভব, যা জাতীয় পর্যায়ে অনেক বেশি কার্যকর। সুইফট ইতোমধ্যেই এআইয়ের অপব্যবহারের বড় শিকার হয়েছেন। মেটা-র চ্যাটবট থেকে শুরু করে পর্নোগ্রাফিক ছবি, এমনকি ২০২৪ সালের মার্কিন নির্বাচনের আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচারণায় শিল্পীর ভুয়া ছবি ব্যবহারের ঘটনাও ঘটেছে। যদি এই ট্রেডমার্ক আবেদনগুলো গৃহীত হয়, তবে ভবিষ্যতে কোনো এআই প্ল্যাটফর্ম সুইফটের কণ্ঠ বা অবয়ব অনুকরণ করলে তিনি কপিরাইট লঙ্ঘনের মতো সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবেন। এআই যুগে তারকাদের অস্তিত্ব রক্ষার এই নতুন লড়াই বৈশ্বিক বিনোদন অঙ্গনে এক বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

অবশেষে তাদের মুক্তি

অবশেষে তাদের মুক্তি অবশেষে স্বস্তি পেলেন বলিউড অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর ও নোরা ফাতেহি। মাদকসংক্রান্ত মামলায় দীর্ঘ তদন্ত শেষে মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে মামলাটি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে দুই তারকাকে। জানা গেছে, ২০২২ সালে দায়ের হওয়া এই মামলায় তদন্ত চলাকালে তাদের নাম সামনে আসে। তবে সম্প্রতি পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, মাদক চক্রের সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মেলেনি। ২০২২ সালের আগস্টে মুম্বাই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ শাখা মোহাম্মদ সেলিম ওরফে সোহেল শেখ নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে প্রায় ১ লাখ ১৯ হাজার রুপি মূল্যের মেফিড্রোন উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই অভিযুক্ত দাবি করেন, তিনি বিভিন্ন বড় বড় পার্টিতে মাদক সরবরাহ করতেন, যেখানে বিনোদন জগতের অনেক তারকার উপস্থিতি থাকত। সেলিমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৫ সালে তদন্ত আরো জোরদার করা হয়। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শ্রদ্ধা কাপুর ও নোরা ফাতেহিকে তলব করা হয়।

প্রথমবারের মত লিসবন মাতাবেন রক তারকা জেমস

প্রথমবারের মত লিসবন মাতাবেন রক তারকা জেমস পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আসছে এক বিশেষ সংগীত আয়োজন। আগামী ২৬ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ‘লিসবন বাংলা লাইভ কনসার্ট-২০২৬’, যেখানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে মঞ্চ মাতাবেন বাংলাদেশের কিংবদন্তি রক তারকা নগর বাউল জেমস। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, লিসবনের জনপ্রিয় ভেন্যু লিসবোয়া উয়ু ভিভো-তে বিকেল ৫টা থেকে শুরু হবে জমকালো এই আয়োজন। জেমস তাঁর কালজয়ী সব গান পরিবেশন করে দর্শকদের স্মরণীয় এক সংগীত সন্ধ্যা উপহার দেবেন বলে আশা করছেন আয়োজকরা। আয়োজক প্রতিষ্ঠান কাসা দো বাংলাদেশ এবং নোটিসিয়া বাংলা জানিয়েছে, এটি হতে যাচ্ছে পর্তুগালে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বাংলা সংগীত আয়োজন। কনসার্ট উপলক্ষে রবিবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় লিসবনের লিটনস তুর্কিশ গ্রিল-এ এক সংবাদ সম্মেলন ও ডিনার নাইটের আয়োজন করা হয়। এতে কমিউনিটির বিশিষ্টজন, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকদের মতে, জেমসের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পীর অংশগ্রহণ প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাংস্কৃতিক বন্ধন আরো দৃঢ় করবে। একই সঙ্গে প্রবাসের মাটিতে তৈরি হবে এক টুকরো বাংলাদেশের আবহ। দেশের সংস্কৃতি ও সংগীতকে কাছে পেতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ইতিমধ্যেই কনসার্টটি ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ।

‘গ্লোবাল ভ্যানগার্ড অনার’ স্বীকৃতি পাচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

‘গ্লোবাল ভ্যানগার্ড অনার’ স্বীকৃতি পাচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছেন ভারতীয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। আগামী ৯ মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গোল্ড গালা ২০২৬-এ তাঁকে প্রদান করা হবে ‘গ্লোবাল ভ্যানগার্ড অনার’ সম্মাননা। আয়োজকদের ভাষ্য, গত আড়াই দশক ধরে এশীয় ও পাশ্চাত্য বিনোদন জগতের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তুলেছেন প্রিয়াঙ্কা। বলিউড ও হলিউড—দুই অঙ্গনেই সমান দক্ষতায় কাজ করে তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার নাম হয়ে উঠেছেন। ২০০২ সালে তামিল চলচ্চিত্র ‘থামিজান’ দিয়ে অভিনয়জগতে যাত্রা শুরু করেন প্রিয়াঙ্কা। পরের বছর ‘দ্য হিরো: লাভ স্টোরি অব আ স্পাই’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর ‘ফ্যাশন’, ‘বার্ফি’, ‘মেরি কম’, ‘দ্য স্কাই ইজ পিংক’-এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন বলিউডের অন্যতম সেরা অভিনেত্রী হিসেবে। পরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজের অবস্থান শক্ত তৈরি করেন তিনি। জনপ্রিয় সিরিজ ‘কোয়ান্টিকো’ দিয়ে হলিউডে যাত্রা শুরু করে ‘সিটাডেল’ ও ‘দ্য ম্যাট্রিক্স রিসারেকশনস’-এর মতো বড় প্রজেক্টে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি নতুন সিরিজ ‘হুইটলি’ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রিয়াঙ্কা একজন সফল প্রযোজক, গায়িকা ও লেখকও। তাঁর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান পার্পল প্যাবল পিকচার্স আঞ্চলিক ভাষার গল্পকে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে তুলে ধরেছে। তাদের প্রযোজনায় নির্মিত ‘দ্য হোয়াইট টাইগার’ আন্তর্জাতিক অস্কার মনোনয়নও পেয়েছিল। সমাজসেবামূলক কাজেও রয়েছে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা। ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে শিশু অধিকার ও মেয়েদের শিক্ষার পক্ষে দীর্ঘদিন কাজ করছেন তিনি। এর আগে তিনি পদ্মশ্রীসহ একাধিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘শিল্পের কোনো সীমানা নেই।ভাষা, ভূগোল বা সংস্কৃতি যাই হোক, একজন শিল্পীর স্বপ্ন সর্বজনীন। এই সম্মান আমাকে আরও দায়বদ্ধ করছে।’ প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ছাড়া একই অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি অ্যাকশন তারকা জেট লি পাবেন ‘গোল্ড লিজেন্ড অনার্স’, আর সিমু লিউ পাচ্ছেন ‘গোল্ড মোগল অনার্স’।

মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিকে থাকতে রাজি হননি জ্যানেট 

মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিকে থাকতে রাজি হননি জ্যানেট  মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক সিনেমায় থাকছে না তার বোন ও পপ তারকা জ্যানেট জ্যাকসনের চরিত্র। প্রস্তাব পেয়েও এই সিনেমায় নিজের চরিত্র রাখতে রাজি হননি তিনি। মাইকেল জ্যাকসনের আরেক বোন লা টয়া জ্যাকসন ভ্যারাইটি ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন, সুযোগ থাকা সত্ত্বেও জ্যানেট সিনেমায় হাজির হননি। লা টয়া বলেন, ‘আমি চাইছিলাম সবাই যেন সিনেমায় থাকে। তাকেও (জ্যানেট) অনুরোধ করা হয়েছিল এবং সে বিনয়ের সঙ্গে তা প্রত্যাখ্যান করেছে। তার ইচ্ছাকে আমাদের সম্মান জানানো উচিত।’ জ্যাকসন পরিবারের অনেক সদস্যকেই সিনেমায় দেখানো হয়েছে। মাইকেল জ্যাকসনের ভূমিকায় অভিনয় করছেন তার ভাইয়ের ছেলে জাফার জ্যাকসন। গায়কের বাবা-মা জো ও ক্যাথেরিন জ্যাকসনের ভূমিকায় রয়েছেন কোলম্যান ডমিঙ্গো এবং নায়া লং। লা টয়ার ভূমিকায় অভিনয় করছেন জেসিকা সুলা। এছাড়া মাইকেলের চার ভাই ও জ্যাকসন ফাইভের সদস্য জ্যাকি, জারমেইন, টিটো ও মারলনের চরিত্রও সিনেমায় তুলে ধরা হবে। সিনেমাটির পরিচালক অ্যান্টোয়ান ফুকোয়া ভ্যারাইটিকে জানিয়েছেন, মাইকেলের পরিবারের সদস্যদের পর্দায় তুলে ধরা তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ফুকোয়া বলেন, ‘আপনি যখন কারও জীবনের গল্প বলছেন, তখন আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে তারা সন্তুষ্ট আছেন। জ্যানেটকে আমি অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি ও ভালোবাসি। যে কারণে আমি তার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি। উনি জাফারকে সমর্থন করছেন আর সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।’ জ্যাকসন পরিবারের কনিষ্ঠতম সদস্য জ্যানেট ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে ‘ডিফরেন্ট স্ট্রোকস’ ও ‘ফেইম’ সিরিজের মাধ্যমে টিন তারকা হিসেবে পরিচিতি পান। ১৯৮২ সালে তার স্বনামধন্য অ্যালবাম দিয়ে পপ দুনিয়ায় অভিষেক হয়। এর দুই বছর পর প্রকাশিত হয় ‘ড্রিম স্ট্রিট’। ১৯৮৬ সালের সুপারহিট অ্যালবাম ‘কন্ট্রোল’ তাকে শীর্ষ সারির নারী পপ তারকায় পরিণত করে। ১৯৯৪ সালে মাইকেল জ্যাকসনের সঙ্গে যৌথভাবে ‘স্ক্রিম’ গানটি রেকর্ড করেন জ্যানেট।

শাকিবের রকস্টারে ১০ গান করেছেন ১ গায়ক

শাকিবের রকস্টারে ১০ গান করেছেন ১ গায়ক ঢালিউড তারকা শাকিব খানের নির্মিয়মান ছবি ‘রকস্টার’ ঘিরে অনুরাগীদের আগ্রহ বাড়ছে। নির্মাতা আজমান রুশোর পরিচালনায় এই ছবিতে ভিন্ন রূপে হাজির হচ্ছেন শাকিব খান। জানা গেছে, মিউজিক্যাল ফিল্ম হিসেবে বানানো হচ্ছে ছবিটি আর তাতে থাকবে অন্তত ১০টি গান।‘রকস্টার’ সিনেমার সবগুলো গান করেছেন একজন শিল্পী! মিউজিক্যাল ফিল্ম, যেখানে সংগীত তারকা হিসেবে অভিনয় করবেন শাকিব। কিন্তু শাকিব খান ঠোঁট মেলাবেন কার কণ্ঠে? একাধিক সূত্র জানিয়েছে, শাকিবের নতুন এই সিনেমার গানগুলো করেছেন তরুণ শিল্পী আহমেদ হাসান সানি। ছবির সবগুলো গানের গীতিকবি ও সুরকার তিনি। এমনকি বেশ কয়েকটি গানে কণ্ঠও দিয়েছেন তিনি। ছবির সংগীত পরিচালনা করেছেন জাহিদ নিরব। সিনেমা সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, এরই মধ্যে ছবির তিনটি গানের কাজ শেষ। এ নিয়ে জানতে আহমেদ হাসান সানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমি গান করি, চলচ্চিত্রে কাজ করতেই পারি। তবে “রকস্টার” নিয়ে এখনই কিছু বলতে পারছি না, সময় হলে সব জানাবো। বিস্তারিত জানানোর দায়িত্ব টিমের। নির্মাতা আজমান রুশো বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘গান নিয়ে অনেক কাজ হচ্ছে। এখন আমরা শুটিংয়ে ব্যস্ত আছি। কয়েক দিনের মধ্যেই সিনেমার প্রচারণা শুরু হবে। ছবির গল্পে দেখা যাবে একজন রকস্টারের সংগ্রাম, উত্থান-পতন, ভালোবাসা, খ্যাতি এবং ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের নানা ঘটনা। গল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি হচ্ছে গানগুলো। রোমান্টিক, স্টেজ পারফরম্যান্স, আবেগঘন ও উদ্দীপনামূলক বিভিন্ন ঘরানার গান থাকছে সিনেমাটিতে। ‘রকস্টার’ সিনেমায় আবারও শাকিব খানের বিপরীতে দেখা যাবে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে। নতুন এই জুটিকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে রয়েছে বাড়তি আগ্রহ।

দাদাগিরিতে এবার দেব

দাদাগিরিতে এবার দেব ভারতীয় বাংলা টিভি চ্যানেলের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘দাদাগিরি’কে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বিনোদন দুনিয়ায়। দীর্ঘদিন ধরে এই শোয়ের মুখ হয়ে থাকা সৌরভ গাঙ্গুলির সম্ভাব্য অনুপস্থিতির খবরেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। তার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থাপনা ও ব্যক্তিত্ব এই শোকে যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল, তা নতুন করে অনুভব করছেন দর্শকরা। শোনা যাচ্ছে, সৌরভ বর্তমানে অন্য একটি বড় প্রজেক্টে ব্যস্ত থাকায় এই জনপ্রিয় শো থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই কে নেবেন ‘দাদাগিরি’র দায়িত্ব, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। প্রথম দিকে সঞ্চালকের সম্ভাব্য তালিকায় উঠে আসে আন্তর্জাতিক টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ-এর নাম। পাশাপাশি টলিউডের দুই বড় তারকা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং জিৎ-এর নাম নিয়েও জল্পনা ছড়ায়। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও প্রকাশ্যে আসেনি, তবে নতুন সঞ্চালক ঘিরে কৌতূহল তুঙ্গে। দর্শক মহলে প্রশ্ন এখন একটাই সৌরভের পর ‘দাদাগিরি’র হাল ধরবেন কে?

নিকোল কিডম্যানের বিরল দৃষ্টান্ত

নিকোল কিডম্যানের বিরল দৃষ্টান্ত ‘মার্গোস গট মানি ট্রাবলস’-এর শুটিংয়ের সময় হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়েন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী নিকোল কিডম্যান। তবে শুটিং শেষ করেই হাসপাতালে যেতে হলো তাকে। এমন ঘটনা সামনে এসেছে নতুন সিরিজের সেট থেকে। কিডম্যানের সহকর্মী নিক অফারম্যান পিপল ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন, শুটিংয়ের প্রথম দিনেই ফ্লুতে আক্রান্ত হন তিনি। অফারম্যান বলেন, সকালে জানা যায় কিডম্যানের শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। তবুও তিনি সেটে হাজির হন এবং নির্ধারিত শুটিং চালিয়ে যান। কয়েকশো এক্সট্রা শিল্পী নিয়ে বড়সড় সেটে কাজ চলছিল, সেই পরিস্থিতিতেও তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াননি। তার ভাষায়, ‘শরীর খুব খারাপ থাকলেও তিনি পুরো দিনের শুটিং শেষ করেন। এরপরই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। ঢাবি ছাত্রীর আত্মহত্যা, পুলিশ হেফাজতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীঢাবি ছাত্রীর আত্মহত্যা, পুলিশ হেফাজতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এই ঘটনাকে তিনি কিডম্যানের পেশাদারিত্বের এক বড় উদাহরণ বলেই মনে করেন। সিরিজে কিডম্যান অভিনয় করছেন সাবেক কুস্তিগীর ‘লেইস’ চরিত্রে, আর অফারম্যান রয়েছেন ‘জিংক্স’ চরিত্রে। এছাড়াও কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন এলি ফ্যানিং এবং সিরিজে আরও দেখা যাবে মিশেল ফাইফারকে।