সাদাকাত-সালমানের ফিফটিতে পাকিস্তানের লড়াকু সংগ্রহ

সাদাকাত-সালমানের ফিফটিতে পাকিস্তানের লড়াকু সংগ্রহ মাআজ সাদাকাত ও সালমান আলী আগার অর্ধশতকে ভর করে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে লড়াকু সংগ্রহ গড়েছে পাকিস্তান। শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচের সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৪৭.৩ ওভারে ২৭৪ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। তবে শুরুটা দারুণভাবে কাজে লাগায় পাকিস্তানের ওপেনাররা। সাহিবজাদা ফারহান ও মাআজ সাদাকাত মিলে মাত্র ৭৭ বলে গড়ে তোলেন ১০৩ রানের ঝড়ো উদ্বোধনী জুটি। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মাত্র ৪৬ বলে ৭৫ রান করেন সাদাকাত, যেখানে ছিল ৬টি চার ও ৫টি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত মিরাজের বলেই থামে তার ইনিংস। সাদাকাত আউট হওয়ার পর দ্রুতই দুই উইকেট হারায় পাকিস্তান।  ৪৬ বলে ৩১ রান করা ফারহান তাসকিন আহমেদের শিকার হন, আর শামিল হোসেন আউট হন নাহিদ রানার বলে। এতে ১৯.৩ ওভারে পাকিস্তানের স্কোর দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ১২২। এরপর মোহাম্মদ রিজওয়ানকে সঙ্গে নিয়ে দলকে আবারও শক্ত অবস্থানে নেন সালমান আলি আগা। চতুর্থ উইকেটে তাদের ১০৯ রানের জুটিতে বড় সংগ্রহের ভিত পায় পাকিস্তান। তবে এই জুটির সমাপ্তি হয় কিছুটা অদ্ভুতভাবে। নন-স্ট্রাইক প্রান্তে ক্রিজের বাইরে দাঁড়িয়ে বল তুলতে গিয়ে বাংলাদেশের অধিনায়ক মিরাজের থ্রোতে রান আউট হন আঘা। সাজঘরে ফেরার আগে ৬২ বলে ৬৪ রান করেন তিনি, ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ২টি ছক্কা। একই ওভারে বিদায় নেন রিজওয়ানও। ৫৯ বলে ৪৪ রান করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। এরপর হঠাৎই ধস নামে পাকিস্তানের ইনিংসে। শেষ পাঁচ উইকেট মাত্র ৪৩ রানের মধ্যে হারিয়ে ফেলে তারা। ফলে ৩০০ রানের সম্ভাবনা জাগলেও শেষ পর্যন্ত ২৭৪ রানেই থামে পাকিস্তানের ইনিংস। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন রিশাদ হোসেন, নেন ৩ উইকেট। এছাড়া মেহেদি হাসান মিরাজ ২টি এবং নাহিদ রানা, মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ একটি করে উইকেট শিকার করেন।

বাংলাদেশের সামনে বাঁচা-মরার লড়াই, ইতিহাস কার পক্ষে?

বাংলাদেশের সামনে বাঁচা-মরার লড়াই, ইতিহাস কার পক্ষে?\ প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ছন্দ হারিয়েছে বাংলাদেশ। পেসার নাহিদ রানার গতির ঝলক আর ব্যাটসম্যান তানজিদ হাসান তামিমের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে সিরিজের শুরুটা দারুণ করেছিল টাইগাররা। তবে পরের ম্যাচে প্রতিপক্ষের দাপটে বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছে স্বাগতিকদের।  প্রতিপক্ষের হয়ে ঝোড়ো ব্যাটিং করেন মাজ সাদাকাত। পাশাপাশি তার বাঁহাতি ঘূর্ণি বোলিংয়ের ফাঁদে পড়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। ফলে সহজ জয় তুলে নেয় সফরকারীরা। এই হারের পর তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজ এখন ১-১ সমতায়। ফলে শেষ ম্যাচটি পরিণত হয়েছে কার্যত বাঁচা–মরার লড়াইয়ে। যে দল জিতবে, তার হাতেই উঠবে লাল-সবুজে মোড়ানো সিরিজের ট্রফি। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। রবিবার দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে শুরু হবে ম্যাচটি। পরিসংখ্যান বলছে, এমন পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের কম নয়। এখন পর্যন্ত তিন ম্যাচের এক দিনের আন্তর্জাতিক সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ মোট ৭৯টি। এর মধ্যে ২৫টি সিরিজের ফল নির্ধারিত হয়েছে ২-১ ব্যবধানে। এর মধ্যে বাংলাদেশ জিতেছে ১২টি সিরিজ, আর ১৩টিতে হেরেছে। এই ২৫ সিরিজের মধ্যে প্রথম দুই ম্যাচ শেষে ১-১ সমতা হয়েছিল ১৬ বার। এর মধ্যে আটবার শেষ ম্যাচ জিতে সিরিজ নিজেদের করেছে বাংলাদেশ। বাকি আটবার জয় গেছে প্রতিপক্ষের ঘরে। ১-১ সমতা থেকে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের যে আটটি ঘটনা আছে, তার ছয়বারই প্রথম ম্যাচ জয়ের পর দ্বিতীয়টিতে হেরেছিল বাংলাদেশ। এরপর শেষ ম্যাচ জিতে ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। এবারও ঠিক তেমন এক চ্যালেঞ্জের সামনে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১৪ রানে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে বৃষ্টিবিঘ্নিত লড়াইয়ে বাংলাদেশও গুটিয়ে যায় ঠিক ১১৪ রানে। তাই শেষ ম্যাচে প্রথম ম্যাচের পারফরম্যান্সই আবার দেখতে চাইবে স্বাগতিকরা। সাম্প্রতিক সময়েও এমন পরিস্থিতি সামলানোর নজির আছে বাংলাদেশের। গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে সিরিজ হারার শঙ্কা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত ঘুরে দাঁড়িয়েছিল দলটি। একইভাবে ২০২৪ সালে শ্রীলঙ্কা এবং ২০২২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ হারলেও শেষ পর্যন্ত সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার ২০২৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষেও সেই কীর্তি গড়তে পারলে র‍্যাঙ্কিংয়েও মিলবে সুখবর। সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিততে পারলে ৭৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে এক ধাপ এগিয়ে নবম স্থানে উঠবে বাংলাদেশ। আর শেষ ম্যাচ হারলে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে দশম স্থানেই থাকতে হবে টাইগারদের। তবে অতীতে প্রথম ম্যাচ জয়ের পরও সিরিজ হারার তিক্ত অভিজ্ঞতাও আছে বাংলাদেশের। ২০০৮ সালে নিউজিল্যান্ড এবং ২০১৩ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ জয়ের পর বাকি দুটি ম্যাচ হেরে সিরিজ হাতছাড়া করেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

ব্যাটিং ধসে পাকিস্তানের কাছে ১২৮ রানের হার বাংলাদেশের

ব্যাটিং ধসে পাকিস্তানের কাছে ১২৮ রানের হার বাংলাদেশের বৃষ্টি-বিঘ্নিত দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগেই ছন্দ হারিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ২৩.৩ ওভারে ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন পদ্ধতিতে ১২৮ রানে জিতে সিরিজে ১-১ সমতা ফেরায় পাকিস্তান। মিরপুরে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করে পাকিস্তান ৪৭.৩ ওভারে তোলে ২৭৪ রান। পরে বৃষ্টির কারণে দীর্ঘ সময় খেলা বন্ধ থাকায় ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে বাংলাদেশের সামনে নতুন লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। পাকিস্তানের বড় সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর ঝড়ো বাতাস ও বজ্রপাতের কারণে সাময়িকভাবে খেলা বন্ধ করে দেন আম্পায়াররা। পাকিস্তানের ২৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই প্রথম ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বড় শট খেলতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দেন তানজিদ হাসান। ৭ বলে মাত্র ১ রান করে ফেরেন তিনি।  এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি অপর ওপেনার সাইফ হাসানও। মোহাম্মদ ওয়াসিমের অফ স্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে ঠিকমতো টাইমিং করতে পারেননি। আব্দুল সামাদের হাতে ধরা পড়েন তিনি। ১২ বলে দুই চারে ১২ রান করেন সাইফ। টপ অর্ডারের আরেক ধাক্কা আসে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেটে। শাহিনের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন শান্ত। ২ বল খেলে কোনো রান করতে পারেননি তিনি। এই অবস্থায় ৬.৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৭ রান। লিটন দাসের সঙ্গে ক্রিজে ছিলেন তাওহীদ হৃদয়। এর মধ্যেই মাঠে ঝড়ো বাতাস ও আশপাশে বজ্রপাত শুরু হলে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ২১ মিনিটে খেলা বন্ধ ঘোষণা করেন দুই আম্পায়ার।  রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে আবার খেলা শুরু হয়। লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। দুজন মিলে ৪৮ বলে ৫৮ রানের জুটি গড়ে দলকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। লিটন আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ৩৩ বলে ৪১ রান করেন। তবে বাঁহাতি স্পিনার মাজ সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে আউট হলে ভেঙে যায় জুটি। লিটনের বিদায়ের পর দ্রুতই ছন্দ হারায় বাংলাদেশের ব্যাটিং। আফিফ হোসেন ১৪ বলে ১৫ রান করে আউট হন, মেহেদী হাসান মিরাজ মাত্র ১ রান করে ফিরেন। সাদাকাতের স্পিনে রিশাদ হোসেনও টিকতে পারেননি। এক প্রান্তে কিছুটা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন হৃদয়। কিন্তু হারিস রউফের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ৩৮ বলে ২৮ রান করে তার ইনিংস শেষ হলে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনাও কার্যত শেষ হয়ে যায়। পরে মোস্তাফিজুর রহমানও রউফের বলে কট বিহাইন্ড হলে বাংলাদেশের নবম উইকেটের পতন ঘটে। শেষ পর্যন্ত আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দল। তাসকিন আহমেদও বিদায় নেন ১৪ বলে ৫ রান করে। এর আগে পাকিস্তানের দুই ওপেনার মাজ সাদাকাত ও সাহিবজাদা ফারহানের ব্যাটে দারুণ শুরু পেয়েছে সফরকারীরা। শুরু থেকেই বাংলাদেশের পেসারদের ওপর চড়াও হয়ে দ্রুত রান তুলেছেন সাদাকাত। মাত্র ৩১ বলে ফিফটির ঘরে পৌঁছান তিনি। তাদের শতরানের জুটি ভাঙেন অধিনায়ক মিরাজ। পাকিস্তানের শতরানের আগে বাংলাদেশ কোনো উইকেটের সুযোগ ই পায়নি। নাহিদ রানার ডেলিভারিতে সাহিবজাদা ফারহানের এলবিডব্লিউর আবেদন মেনে আউট দেন আম্পায়ার তানভির আহমেদ। তবে সঙ্গে সঙ্গে রিভিউ নেন ব্যাটসম্যান। তাতেই বদলে যায় সিদ্ধান্ত। সাদাকাতের বিপক্ষেও কট বিহাইন্ডের আবেদন করে রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। তাসকিনের বল ব্যাটে লাগেনি, তাই রিভিউ হারাতে হয় স্বাগতিকদের। তবে ১৩তম ওভারের শেষ বলে আর শেষ রক্ষা হয়নি। মিরাজের বলে সহজেই বল তালুবন্দী করেন লিটন দাস। শুরুতে অনেকক্ষণ ক্রিজে থাকলেও সাবলীল ছিলেন না ফারহান। রান তোলার গতি বাড়াতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত উইকেট দেন তিনি। তাসকিন আহমেদের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ব্যাটের কানায় লেগে বল যায় ডিপ থার্ড ম্যান অঞ্চলে। সেখানে সহজ ক্যাচ নেন তাওহীদ হৃদয়। ফারহান ৪৬ বলে ৩১ করেন। এরপর কিছুক্ষণ পর আরেকটি সাফল্য পায় বাংলাদেশ। পেসার নাহিদ রানার অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ঠিকঠাক লাগাতে পারেননি শামিল হুসাইন। ক্যাচ নেন মোস্তাফিজুর রহমান। ২২ বলে ৬ রান করে ফেরেন তিনি। সেখান থেকে ইনিংস সামলান মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা। দুজন মিলে গড়ে তোলেন গুরুত্বপূর্ণ জুটি।  পরিস্থিতি সামাল দিয়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। ৩৪তম ওভারে পাকিস্তান স্পর্শ করে দুইশ রানের মাইলফলক।  ৫০ বলে ৫০ রান করা সালমান পান ওয়ানডে ক্যারিয়ারের নবম ফিফটি। রিজওয়ানের সঙ্গে তার জুটি একশ ছাড়ায় মাত্র ১০৮ বলে। তবে নাটকীয়ভাবে ভাঙে এই জুটি। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে ফ্লিক করে রিজওয়ান বল ফেরত দিলে ক্রিজের বাইরে ছিলেন সালমান। দ্রুত বল তুলে স্ট্যাম্প ভেঙে দেন মিরাজ। ৬২ বলে ৬৪ রান করেন তিনি। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই বিদায় নেন রিজওয়ানও। ৫৯ বলে ৪৪ রান করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। পরের ধাক্কা আসে হুসাইন তালাতের উইকেটে। ১৩ বলে ৯ রান করে বিদায় নেন তালাত। এরপর রান আউটে ফেরেন আব্দুল সামাদ। মিডউইকেটে বল পাঠিয়ে দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে বিপদে পড়েন তিনি।  অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ ওয়াসিম ছিলেন ব্যর্থ। তবে ফাহিম আশরাফ ১৫ বলে ১৪ রানের ক্যামিও উপহার দেন। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের ইনিংস থামে ২৭৪ রানে।

লিটনের সঙ্গে কী কথা হয়েছিল মনে নেই সালমানের

লিটনের সঙ্গে কী কথা হয়েছিল মনে নেই সালমানের বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মেহেদী হাসান মিরাজের সেই বিতর্কিত রান আউট ঘিরে মিরপুরের মাঠে তৈরি হয়েছিল চরম উত্তেজনা। আউটের সিদ্ধান্ত আসার পর পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলি আগার সঙ্গে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের বেশ কয়েক দফা বাক্যবিনিময় হতে দেখা যায়। বিশেষ করে উইকেটকিপার লিটন কুমার দাসকে বেশ ক্ষুব্ধ ভঙ্গিতে সালমানের দিকে এগিয়ে যেতে দেখা গিয়েছিল। তবে ম্যাচ শেষে সেই তিক্ততা ভুলে শান্ত মেজাজেই ধরা দিলেন পাক অধিনায়ক। ঘটনাটি ঘটে যখন রান আউটের সিদ্ধান্ত নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল। শুরুতে সালমান বিষয়টি কিছুটা হালকাভাবে নিলেও আম্পায়ার আউটের সংকেত দেওয়ার পর তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। মিরাজের আন্ডারআর্ম থ্রোতে আউট হওয়া মেনে নিতে না পেরে সালমান মাঠেই মেজাজ হারান। সে সময় লিটন কুমার দাস, সাইফ হাসান ও আফিফ হোসেনের সঙ্গে তাকে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা যায়। লিটন দাসের আগ্রাসী ভঙ্গি সে সময় পরিস্থিতির পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে লিটনের সঙ্গে ঠিক কী কথা হয়েছিল, তা জানতে চাওয়া হলে হাসিমুখেই উত্তর দেন সালমান। তিনি বলেন, “সত্যি বলতে, লিটনকে ঠিক কী বলেছিলাম তা এখন আর মনে করতে পারছি না। এটাও মনে নেই যে সে আমাকে কী বলছিল। তবে এটুকু নিশ্চিত, আমি যেমন ভালো কিছু বলিনি, সে-ও খুব একটা ভালো কিছু বলেনি। তবে ওটা স্রেফ ‘হিট অব দ্য মোমেন্ট’ ছিল। এখন আমরা দুজনেই ঠিক আছি।” মাঠে হেলমেট ও গ্লাভস ছুঁড়ে মেরে মেজাজ হারানোর বিষয়টি নিয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছেন সালমান। তিনি মনে করেন, মাঠের প্রচণ্ড উত্তেজনার কারণেই এমনটা ঘটেছে। তার ভাষায়, ‘ঘটনার পরে কী হয়েছে তা সবাই দেখেছে। মুহূর্তের উত্তেজনায় অনেক কিছুই ঘটে যায়। তবে এরপর যা হয়েছে, সবটুকুই ওই সময়ের পরিস্থিতির কারণে। এটাকে বড় করে দেখার কিছু নেই।’ মাঠের লড়াই শেষে পাকিস্তান বড় জয় পেলেও মিরাজের রান আউট এবং লিটন-সালমানের সেই বাদানুবাদ ক্রিকেটপ্রেমীদের মাঝে এখনো আলোচনার খোরাক জোগাচ্ছে।

১ কোটি ৬৪ লাখ টাকায় দ্য হানড্রেডে মোস্তাফিজ

১ কোটি ৬৪ লাখ টাকায় দ্য হানড্রেডে মোস্তাফিজ ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট দ্য হানড্রেড-এ দল পেয়েছেন বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। ২০২৬ মৌসুমের নিলামে তাকে ১ লাখ পাউন্ডে দলে নিয়েছে বার্মিংহাম ফিনিক্স। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৬৪ লাখ টাকার বেশি। লন্ডনে অনুষ্ঠিত নিলামে ভিত্তিমূল্যেই মোস্তাফিজকে দলে ভেড়ায় বার্মিংহাম ফিনিক্স। টি-টোয়েন্টি স্বীকৃত ১০০ বলের এই ফরম্যাটের টুর্নামেন্টে এবারই প্রথম খেলতে যাচ্ছেন ৩০ বছর বয়সী এই বাঁহাতি পেসার। দ্য হানড্রেডের এবারের নিলামের চূড়ান্ত তালিকায় বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার ছিলেন—মোস্তাফিজুর রহমান ও রিশাদ হোসেন। সেন্ট্রাল লন্ডনের পিকাডিলি লাইটসে অনুষ্ঠিত নিলামে মোট ৮টি ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশ নেয়।

১০ বছরে অন্তত পাঁচটি আইসিসি ট্রফি আমাদের জিততেই হবে

১০ বছরে অন্তত পাঁচটি আইসিসি ট্রফি আমাদের জিততেই হবে আইসিসির বৈশ্বিক ইভেন্টে দাপট চলছে ভারতের। গেল দু’বছরে তিনটি আইসিসি ট্রফি জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। তবু সন্তুষ্ট নন দেশটির ক্রিকেটাররা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার আগেই পরবর্তী লক্ষ্য ঠিক করে ফেলেছিলেন তারা! ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) ওয়েবসাইটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নতুন লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন পেসার আর্শদীপ সিং। এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে বেশ কয়েকটি রেকর্ড গড়েছে ভারতীয় দল। প্রথম দেশ হিসেবে তিনবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়। প্রথম দেশ হিসেবে টানা দু’বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়। প্রথম দেশ হিসেবে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়। একের পর এক ট্রফি ভারতীয় দলের সাফল্যের তাড়না যেন আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। দলের পরবর্তী লক্ষ্য নিয়ে আর্শদীপ বলেছেন, ‘২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পর আমি, হার্দিক ভাই (পাণ্ডিয়া) এবং দলের কয়েকজন মিলে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমরা ঠিক করেছিলাম, পরের ১০ বছরে অন্তত পাঁচটা আইসিসি ট্রফি আমাদের জিততেই হবে। এটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা বিশ্বাস করি, প্রত্যাশিত ক্রিকেট খেলতে পারলে এই লক্ষ্য অর্জন করা কঠিন নয়। ঠিকমতো পারফর্ম করতে পারলে সাফল্য আসবেই। তাই আমরা একটি পদ্ধতি মেনে চলার চেষ্টা করছি। নিজেদের পারম্যান্স আরও ভালো করার চেষ্টা করছি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পেস বোলিংয়ের ক্ষেত্রে মূলত তার এবং জসপ্রীত বুমরাহের ওপর ভরসা রেখেছিল ভারত। বুমরাহর সঙ্গে জুটিতে বল করার অভিজ্ঞতা কেমন? আর্শদীপ বলেছেন, ‘‘বুমরাহ ভাইয়ের সঙ্গে বল করতে খুব ভালো লাগে। মজা হয়। ওর কাছে ক্রিকেট ব্যাপারটা খুব সহজ। দেখলে মনে হয় কম্পিউটারে ক্রিকেট খেলছে! অসাধারণ পদ্ধতি অনুসরণ করে বুমরাহ ভাই। অসম্ভব পরিশ্রম করতে পারে। আমাদের সকলকেও কঠোর পরিশ্রম করার জন্য অনুপ্রাণিত করে।

বড় সংগ্রহের পথে পাকিস্তান

বড় সংগ্রহের পথে পাকিস্তান সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের কাছে পাত্তায় পায়নি পাকিস্তান। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত শুরু পায় তারা। ব্যাটিংয়ে নেমে ঝড়ো ফিফটি তুলে নিয়েছেন ওপেনার মাজ সাদাকাত। তবে এরপর হঠাৎ ছন্দ পতন হয় পাকিস্তানের। তবে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগার ব্যাটে বড় সংগ্রহের পথেই আছে সফরকারীরা। শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন পাকিস্তানের ওপেনার মাজ সাদাকাত। অন্যদিকে তাকে ভালো সঙ্গ দেন আরেক ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। মাত্র ৩১ বলে ব্যক্তিগত অর্ধশতক তুলে নেন সাদাকাত। সেঞ্চুরির পথেই এগোচ্ছিলেন তিনি। তবে দলীয় ১০৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তানকে। ৪৬ বলে ৭৫ রান করে মিরাজের বলে উইকেটের পেছনে লিটন দাসকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাদাকাত। এরপর দ্রুতই আরও দুই উইকেট হারায় পাকিস্তান। শাহিবজাদা ফারহান ৪৬ বলে ৩১ রান করে তাসকিন আহমেদের বলে আউট হন। তার বিদায়ের পর পরই শামিল হুসাইন ২২ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। এরপর সালমান সালমান আগাকে সঙ্গে নিয়ে হাল ধরেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৫০ বলে ফিফটি তুলে নেন সালমান। আর তাকে ভালো সঙ্গ দিচ্ছেন রিজওয়ান। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২১১ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান।

ইরান বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পরিস্থিতিতে নেই : ক্রীড়ামন্ত্রী

ইরান বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পরিস্থিতিতে নেই : ক্রীড়ামন্ত্রী ইরানের ক্রীড়া ও যুবমন্ত্রী আহমাদ দোনিয়ামালি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের দেশের পক্ষে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়। সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে আগামী ১১ জুন শুরু হবে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ। সূচি অনুযায়ী গ্রুপ পর্বে ইরানের তিনটি ম্যাচ খেলার কথা ছিল। ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার কথা ছিল তাদের। এরপর ২১ জুন একই ভেন্যুতে বেলজিয়ামের বিপক্ষে এবং ২৬ জুন সিয়াটলে মিশরের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল ইরানের। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকেই বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা কয়েকটি দেশের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলেও জানা গেছে। এদিকে এর আগে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে বলেছেন যে ইরানকে এই গ্রীষ্মের বিশ্বকাপে অংশ নিতে ‘স্বাগত জানানো হবে’। তবে মঙ্গলবার আইআরআইবি স্পোর্টস নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দোনিয়ামালি বলেন, ‘এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার আমাদের নেতাকে হত্যা করেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার মতো উপযুক্ত পরিবেশ কোনোভাবেই নেই। তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের খেলোয়াড়রা নিরাপদ নয় এবং অংশগ্রহণের মতো পরিস্থিতিও নেই। গত আট-নয় মাসে আমাদের ওপর দুটি যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে হাজার হাজার মানুষ নিহত ও শহীদ হয়েছেন। তাই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই।’

সুযোগ পেলে বিসিবি সভাপতি হতে চান তামিম

সুযোগ পেলে বিসিবি সভাপতি হতে চান তামিম বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। সম্প্রতি এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে তিনি জানান, সুযোগ পেলে দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক দায়িত্ব নিতে চান। বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়াই করার কথা ছিল তামিমের। তবে সে সময় সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। তার সঙ্গে ঢাকার ক্লাব সংগঠকদের একটি বড় অংশও নির্বাচন বর্জন করে।  ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন তামিম। পরে সেই সিদ্ধান্ত বদলে আবার জাতীয় দলে ফিরে একটি ওয়ানডে ম্যাচও খেলেন। কিন্তু নানা জটিলতার কারণে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ দলে জায়গা হয়নি তার। এর পর থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেখা না গেলেও ক্লাব ক্রিকেটে সংগঠক হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন এই তারকা ব্যাটার। সম্প্রতি ‘সামিরস্কেন’ নামের একটি পডকাস্টে তাকে প্রশ্ন করা হয়, ভবিষ্যতে বিসিবি সভাপতি হতে চান কি না। জবাবে তামিম বলেন, ‘যদি সুযোগ আসে, অবশ্যই।’ নিজেকে এই দায়িত্বের জন্য যোগ্য মনে করেন বলেও জানান তিনি। তামিম বলেন, ‘আমি মনে করি, আমার সামর্থ্য আছে। ক্রিকেটিং সার্কেলে আমার কাজ সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা আছে।’ অভিজ্ঞতার চেয়ে সৎ উদ্দেশ্যকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তামিম। তার ভাষায়, ‘অভিজ্ঞতা, বয়স—এসবের ওপরে সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো ইচ্ছা ও উদ্দেশ্য। অনেক অভিজ্ঞ মানুষ তো দীর্ঘদিন বিসিবি চালিয়েছে। ২০ বছর ধরে যারা ছিল, বিসিবি কি খুব ভালো করছে? এতদিন অভিজ্ঞদের ওপর বিশ্বাস করেছেন, একবার আমাদের মতো অনভিজ্ঞদের ওপরও বিশ্বাস করে দেখতে পারেন।’  

পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ   তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ১১৪ রানের জবাবে খেলতে নেমে ৮ উইকেট ও ২০৯ বল হাতে রেখেই জয় পেছেছে টাইগাররা। আজ মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে পাকিস্তান। মাত্র ৩০ ওভার ৪ বলে ১১৪ রানেই গুটিয়ে যায় দলটি। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ। বাংলাদেশের হয়ে পেসার নাহিদ রানা সাত ওভারে ২৪ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন। এ ছাড়া মিরাজ পেয়েছেন তিন উইকেট। তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন একটি করে উইকেট।