চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত; মা ও শিশু মৃত্যুর হার কমাতে গুরুত্বারোপ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত; মা ও শিশু মৃত্যুর হার কমাতে গুরুত্বারোপ ‘জন্ম হোক সুরক্ষিত, ভবিষৎ হোক আলোকিত’ এই প্রতিপাদ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়েছে। আজ দিবসটি পালন উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে সিভিল সার্জন অফিস। সকালে সিভিল সার্জন অফিসের সামনে থেকে র্যালিটি বের হয়ে কোর্ট চত্বর ঘুরে সিভিল সার্জন অফিসের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন ডা. এ. কে. এম. শাহাব উদ্দীন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, মাতৃমৃত্যু হার কমানোর জন্য মায়েদেরকে গর্ভকালীন অবস্থায় চারবার চেকআপ করতে হবে। কোনোভাবেই ৬ মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ ছাড়া অন্য কোনো খাবার বাচ্চাকে খাওয়ানো যাবে না। সিভিল সার্জন আরো বলেন সন্তান জন্মদানে মায়েরা যেন প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারিটা করেন। আর বাড়িতে ডেলিভারি করার ক্ষেত্রে সেখানে যেন প্রশিক্ষিত ধাত্রী দ্বারা করানো হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। বাচ্চা জন্মের সময় মা ও নবজাতক যেন সঠিক পরিচর্যা পায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। তাহলে আমাদের মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হারটা অনেক কমে যাবে। এর ফলে আমাদের এসডিজির যে লক্ষ্যমাত্রা, সেটি আমরা পূরণ করতে পারব। এসময় অন্যানোর মধ্যে বক্তব্য দেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশ’র প্রোগ্রাম অফিসার ডা. এএসএম আশরাফুজ্জামান, ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়কারী মোমেনা খাতুন, জেলা স্বাস্থ্য অধিকার যুব ফোরামের সমন্বয়কারী রাফিউল ইসলাম। পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশ’র সার্ভেইলেন্স অ্যান্ড ইমুনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা হক স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। সভায় অন্যানোর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমান, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সুলতানা পাপিয়া, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার চৌধুরী আব্দুল্লাহ আস শামস তিলক, জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মোসা. শামশুন নাহার, সূর্যের হাসি ক্লিনিকের ক্লিনিক ম্যানেজার শামীমা খাতুন, প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির স্মার্ট প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলম, ইসিসিসিপি-ড্রাইট প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক বুকল কুমার ঘোষ, অফিসার শাহরিয়ার শিমুলসহ ব্র্যাক, প্রয়াস, সূর্যের হাসি ক্লিনিক, ডাসকো ও আপস এনজিওর প্রতিনিধিরা।
লম্বা শুস্ক মৌসুমের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে কাঙ্খিত বৃষ্টি,আম ও ধানের জন্য আশীর্বাদ

লম্বা শুস্ক মৌসুমের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে কাঙ্খিত বৃষ্টি,আম ও ধানের জন্য আশীর্বাদ আমের রাজ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জে শুরু হয়েছে আমের নতুন মৌসুম। বেড়ে উঠছে গুটি। গাছ পরিচর্যা চলছে জোরেশোরে। এদিকে ইরি-বোরো ধানও মাঠে বেড়ে উঠছে। গত সেপ্টেম্বর মাসের পর দীর্ঘদিন উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত না হওয়ায় অর্থাৎ প্রায় অনাবৃষ্টির পর গতকাল দিবাগত রাত ১২টার দিক থেকে আজ ভোররাত পর্যন্ত থেমে থেমে কখনও হালকা আবার কখনও মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে জেলায়। জেলার দুই বৃহত্তম উপজেলা সদর ও শিবগঞ্জে গড়ে ৫ মি.মি করে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে কৃষি বিভাগ। জেলার অন্য তিন ্উপজেলা গোমস্তাপুর, নাচোল ও ভোলাহাটে ছিটেফোটা বৃষ্টি হয়েছে। বজ্রসহ বৃষ্টি হলেও ঝড় বা শিলাবৃষ্টি না হওয়ায় কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন দিনে চৈত্র্যর তীব্র ক্ষরাক্রান্ত জেলাবাসী ও কৃষকরা। এদিকে পরিবর্তিত আবহাওয়ায় ফাল্গুণের পর চৈত্র মাসের প্রথম ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত রাতে,ভোরে ও সকালে শীতল আবহাওয়া বিরাজ করেছে। ভোওে কখনও পড়ে কুয়াশা। এমতাবস্থায় বৃষ্টিতে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। তাঁরা আশা করছেন আবহাওয়ার এই অবস্থা এখন কেটে যাবে। বাম্পার ফলন হবে আম ও ধানের । জেলা কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়,জেলায় ৩৭ হাজার ৫০৪ হেক্টর জমির ৮১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৪০টি আমগাছের ৯২ শতাংশে মুকুল আসার পর গুটি বেশ বড় হয়েছে। আমের জন্য চলতি মৌসুমের আবহাওয়া শুরু থেকেই যথেষ্ট অনুকুল বলছেন সংশ্লিষ্ট সকলেই। মৌসুমে শীতের তীব্রতা কম থাকায় বেশিরভাগ মুকুল এসেছে আগাম ও সময়মত। চলতি মৌসুমের ডিসেম্বরে জেলার সর্বনি¤œ গড় তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রী সেলসিয়াস হলেও জানয়ারী থেকে তা ক্রমাগত বেড়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। তারা আরও জানায়, চলতি বছর হেক্টর প্রতি ১০.৩ মে.টন হিসেবে ৩ লক্ষ ৮৬ হাজার ২৯০ টন আম উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট অনেকেই আরও বেশী উৎপাদনের ব্যাপারে আশাবাদী। গত মৌসুমে উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ছিল সাড়ে ৩ লক্ষ টন ও উৎপাদন হয় ৩ লক্ষ ৪৮ হাজার ২৭৮ টন। গত মৌসুমে ৭৩ থেকে ৭৫ শতাংশ গাছে মুকুল এসেছিল। গত বছর ২০২৪ সালে ১৩৩ টন আম রপ্তানী হয়েছে মূলত: ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে। এর আগের বছর ২০২৩ সালে হয়েছিল ৩৭৬ টন। তবে এবার রপ্তানীর পরিমাণ বাড়বে বলে আশাবাদী কৃষি বিভাগ ও ব্যবসায়ীরা। তাজা আম রপ্তানীর সাথে প্রক্রিয়াজাত আম রপ্তানী বাড়াতে হবে। এদিকে জেলায় ৫১ হাজার ৯৩৫ হেক্টর জমিতে ইরি আবাদের লক্ষ্য থাকলেও বরেন্দ্র এলাকায় ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর আশংকাজনক হারে নেমে যাওয়ায় সেচের দায়িত্বে থাকা বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) সদর, নাচোল ও গোমস্তাপুর এলাকায় তাদের সেচের আওতাধীন আংশিক এলাকায় ধান চাষ নিরুৎসাহিত করে। উৎসাহিত করা হয় গম,সরিষা,মসুর,বুট,ধনিয়ার মত ফসল ও সব্জি। ফলে ধান চাষ কমে হয়েছে ৪৭ হাজার ৭৩০ হেক্টর জমিতে। হেক্টর প্রতি ৪.৬৭ টন হিসেবে ২ লক্ষ ২২ হাজার ৮৯৯.১ টন উৎপাদন আশা করা হচ্ছে। ধানের দানা শক্ত হয়ে এসেছে। এ মাসের শেষ থেকেই শুরু হবে আগাম ইরি কাটা। অপরদিকে ৩৯ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে আউশ রোপনের প্রস্তুতি শুরু করেছেন কৃষকরা। মাসখানেকের মধ্যেই আউশ রোপন শুরু হবে। এখন মাঠে রয়েছে ভুট্টা,মুগ,তিল,হলুদের মত ফসল ও সব্জি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক ড. ইয়াছিন আলী বলেন, হালকা বৃষ্টি হলেও এ সময় তা আম-ধানসহ সকল ফসলের জন্য উপকার বয়ে আনবে। আপাতত: আম ও ধান চাষে বড় সমস্যা নেই। আম চাষী সদর উপজেলার রামকৃষ্টপুর গ্রামের মো.মন্টু হাজী (৬৩) ও বিদিরপুর গ্রামের বিষু মিয়া(৬০) বলেন, গুটি ঝরার মুখে বৃষ্টির পর কয়েকদিন আর কোনও ফসলে কোনরুপ বালাইনাশক দিতে হবে না। আমের বোঁটা শক্ত হবে। আম ঝরা কমে যাবে। আম বৃদ্ধির হার বাড়বে। আকার-আকৃতি ভাল হবে। প্রকৃতির ক্ষতিকারক পোকামাকড় আক্রমন কমে আসবে। তবে গাছের গোড়ায় সেচের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে জানান তাঁরা। এদিকে আম সংশ্লিস্টরা আমের নায্য মূল্যের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। সদর উপজেলার গহিলবাড়ি গ্রামের ধানচাষী আব্দুল মান্নান( ৬০) বলেন, ঝড় ও শিল ছাড়া যেটকু বৃষ্টি হয়েছে তাতেই অনেক উপকার হবে। দিন দিন সেচের পানি সংকট বাড়ছে। এমন অবস্থায় বৃষ্টির পানি খবই দরকারি ছিল।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা’র তীর রক্ষা বাঁধ ধ্বংস করে মাটি কাটা বন্ধে পাউবো’র জিডি’র আবেদন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা’র তীর রক্ষা বাঁধ ধ্বংস করে মাটি কাটা বন্ধে পাউবো’র জিডি’র আবেদন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলায় পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকা ভাঙ্গণ থেকে রক্ষাকল্পে নির্মিত বামতীর বাঁধ ধ্বংস করে মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরীর (জিডি) আবেদন করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃপক্ষ। গতকাল পাউবো, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. চাঁন মিয়া স্বাক্ষরিত জিডি আবেদন করেন। ওই আবেদন সূত্রে জানা যায়, ২০০১-২০০৩ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আওতাধীন ‘পদ্মা নদীর ভাঙ্গণ হতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলা রক্ষা প্রকল্প’ এবং পদ্মা নদীর ভাঙ্গণ হতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলাধীন পাঁকা ও দূর্লভপুর এলাকা রক্ষা’ প্রকল্পের মাধ্যমে দূর্লভপুর হতে সদর উপজেলার বাখের আলী এলাকা পর্যন্ত ২০.৪৮ কি.মি মাটির বাঁধ,৮টি স্পার ও ক্লোজার নির্মাণ করা হয়। গত ১৮ মার্চ সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের কালিনগর এলাকা পরিদর্শনকালে পাউবো কর্মকর্তারা স্থানীয়দের নিকট জানতে পারেন যে, বেআইনীভাবে অজ্ঞাত ব্যাক্তিরা রাতের আঁধারে বাঁধের সিসি ব্লকের উপর দিয়ে রাস্তা তৈরী করে পদ্মার চর থেকে এস্কেভেটর,ডাম্প ট্রাক,পাওয়ার টিলার ইত্যাদি ব্যবহার করে মাটি কাটছে ও বালু উত্তোলন করছে। ফলে ব্লক ভেঙ্গে ক্লোজার দূর্বল হয়ে মূল বাঁধ হুমকির মুখে। এর ফলে ক্লোজার ভেঙ্গে গেলে পদ্মার পানি জেলার পাগলা নদীতে প্রবেশ করবে। ফলে বর্ষায় ও বন্যায় সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলা নদী ভাঙ্গণসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হবে। আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ব্যাপারে মৌখিকভাবে কয়েকবার নিষেধ করলেও মাটি কাটা কার্যক্রম চলছে। এমতাবস্থায় প্রতিরক্ষামূলক বাঁধ তথা কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পদ রক্ষার্থে আইনী পদক্ষেপ নেয়া জরুরী। এ ব্যাপরে পাউবো, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব বলেন, বিসয়টি উদ্বেগের। জেলা পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এ ব্যাপাওে আলোচনা করা হবে। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মতিউর রহমান বলেন,গত রোববার রাতে জিডি আবেদন পাওয়া গেছে। উর্ধতণ মহলের সাথে কথা বলে এ ব্যাপারে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। সংশ্লিস্ট ৬ নং বাঁধ এলাকার ইউপি সদস্য গোলাম আরিফ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এমন ঘটনা নতুন নয়। দায়িত্বশীল অনেকেই এ ব্যাপারে অবগত।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফিলি*স্তিনে ইস*রাইলি গণ*হ*ত্যার প্রতিবাদে দিনব্যাপী বি*ক্ষোভ মিছিল

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফিলি*স্তিনে ইস*রাইলি গণ*হ*ত্যার প্রতিবাদে দিনব্যাপী বি*ক্ষোভ মিছিল ফিলি*স্তিনে ইস*রাইলি গণ*হত্যার প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর সহ বিভিন্ন উপজেলায় শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ দিনব্যাপী ব্যাপক বিক্ষোভ করেছে। আজ সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে শান্তিরমোড় এলাকা থেকে ‘মার্চ ফর প্যালেস্টাইন’ শ্লোগানে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিশ্বরোড মোড়ে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বক্তারা গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর গণহত্যা অব্যাহত থাকলেও জাতিসংঘের নীরব ভুমিকার কঠোর সমালোচনা করেন এবং মুসলিম দেশগুলোকে ইসরাইলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার আহবান জানান। সমাবেশে বক্তারা ইসরাইলি পন্য বয়কটেরও ঘোষণা দেন। এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কোষাধ্যক্ষ মাহববুবুর রহমানের নেতৃত্বে দুপুরে ক্যাম্পাসের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি পলিটেকনিক ইনিষ্টিটিউট শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের পর পথসভায় বক্তব্য দেন আব্দুর রাহিম, আজিমুল ইসলাম মাহিন শেখ নাসিম, সাইমুম সাদাব, শোহান সহজ প্রমুখ।
বাবুডাইং আলোর পাঠশালা পরিদর্শন বিদেশী পর্যটকদের

বাবুডাইং আলোর পাঠশালা পরিদর্শন বিদেশী পর্যটকদের রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বাবুডাইং আলোর পাঠশালা পরিদর্শন করেছেন বিদেশী পর্যটক দল। আজ দুপুরে পাঠশালাটি পরিদর্শনে আসে পর্যটক দলটি। পর্যটক দলের ১২ জন বেলজিয়াম ও একজন নেদারল্যান্ডসের নাগরিক। এদের মধ্যে ৭ জন নারী ও ৬ জন পুরুষ। দলের নেতৃত্ব দেন বেলজিয়াম নাগরিক অ্যানাবেল ভারগেলস। বাংলাদেশ ইকো অ্যাডভেঞ্চার নামে একটি পর্যটন সংস্থা তাদের এ বিদ্যালয়ে নিয়ে আসে। বেলা সোয়া ১২টার দিকে পর্যটক দল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পৌঁছালে শিক্ষার্থীরা তাদের ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানায়। এ সময় তাদের সামনে কোলদের ঐতিহ্যবাহী ঝুমুরসহ অন্যান্য নাচ-গান প্রদর্শন করা হয়। এ সময় পর্যটকরা শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান। তাদের পারিবারিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন। শেষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কলম বিতরণ করা হয়। পর্যটক দলের অন্য সদস্যরা হলেনÑ বেলজিয়ামের নাগরিক মার্গারেট ভার্স্ট্রিপেন, মার্কেল ডিয়ালেন্স, কার্ট ভ্যান ডের কুইলেন, রিলে ভ্যান ডেন কিইবুম, হ্যানস হিলিবুয়েক, আন্নে-মিয়েকে মেলফেইট, লুটগার্ড ভ্যান ডেন কীবাস, আন্নে মেয়েনস, রিটা ভ্যান লুই, রুডি মাইকেলস, মারিয়া ডি বুশ্চার ও নেদারল্যান্ডসের নাগরিক জন ক্লোয়েক। এছাড়া পর্যটন সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহাদি হাসান, রাজশাহী বিভাগীয় কো-অর্ডিনেটর ও আইনজীবী নাজিব ফেরদৌস এবং বাবুডাইং আলোর পাঠশালার প্রধান শিক্ষক আলী উজ্জামান নূর, সহকারী প্রধান শিক্ষক শংকর চন্দ্র দাস, সিনিয়র শিক্ষক লুইশ মুর্মু, বিমল হাঁসদাক, নির্মল কোল, খ-কালীন শিক্ষক ট্রেম হাঁসদা, কম্পিউটার অপারেটর মেহেদী হাসান উপস্থিত ছিলেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্রীড়া দিবস উদযাপন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্রীড়া দিবস উদযাপন ‘তারুণ্যের অংশগ্রহণ, খেলাধুলার মানোন্নয়ন’ স্লোগানকে সামনে রেখে রবিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস-২০২৫ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উদ্যাপন উপলক্ষে আজ সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রাটি পুরাতন স্টেডিয়ামে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ। পরে প্রীতি হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও জেলা ক্রীড়া অফিসার আবু জাফর মাহমুদুজ্জামানসহ জেলার ক্রীড়া সংগঠকরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসন, জেলা ক্রীড়া অফিস ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা যৌথভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
ঈদ উপলক্ষে টানা ৯ দিন বন্ধের পর কর্মচঞ্চল সোনামসজিদ স্থলবন্দর

ঈদ উপলক্ষে টানা ৯ দিন বন্ধের পর কর্মচঞ্চল সোনামসজিদ স্থলবন্দর পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর-২০২৫ উপলক্ষে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দরে সকল প্রকার আমদানী-রপ্তানী ও সিএন্ডএফ সংক্রান্ত কার্যক্রম গত ২৮ মার্চ থেকে গত ৫ এপ্রিল শনিবার পর্যন্ত টানা ৯দিন বন্ধের পর গতকাল থেকে যথারীতি পূণরায় চালু হয়েছে। কর্মচঞ্চল হয়েছে বন্দর। বন্দর সূত্র জানায়, ৯ দিন বন্ধের মধ্যে গত ২৮ মার্চ শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত ছিলো। এরপর সোনামসজিদ আমদানী রপ্তানীকারক গ্রুপ ও সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের যৌথ সিদ্ধান্তে ঈদ উপলক্ষে ২৯ মার্চ শনিবার থেকে ৮দিন টানা বন্দরে আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে। তবে ছুটির মধ্যে বন্দরে আভ্যন্তরীন লোড-আনলোড, জরুরী পণ্য পরিবহনসহ কিছু কার্যক্রম চালু ছিল। সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন আহব্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান ও বন্দর পরিচালনাকারী বেসরকারী অপারেটর প্রতিষ্ঠান পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের ম্যানেজার অপারেশন কামাল খান বলেন, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বন্দরে আমদানীকৃত ভারতীয় পন্যবাহী ট্রাক প্রবেশ শুরু করে। এর মধ্যে রয়েছে চাল,পাথর,খইল, ভূষি, নারিকেল সহ বিভিন্ন পন্যবাহী ট্রাক। এদিকে সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন পথে ভারতের সাথে যাত্রী চলাচল ঈদের দিনসহ প্রতিদিনই চালু ছিল বলে জানিয়েছে ইমিগ্রেশন সূত্র।
৩০৯ জন মা ও শিশুকে স্বাস্থ্য সেবা দিয়েছে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ

৩০৯ জন মা ও শিশুকে স্বাস্থ্য সেবা দিয়েছে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ ঈদুল ফিতরের ছুটিতেও কার্যক্রম চালু রেখেছে। গত ২৮ মার্চ হতে শুক্রবার দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা সেবা কেন্দ্র এবং মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র চালু রাখা হয়েছিল। এসময় সেবা কেন্দ্র এবং মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে ৫২ জনকে প্রসবপূর্ব সেবা, ৩৮ জনকে প্রসব সেবা, ৪৪ জনকে প্রসবোত্তর সেবা, ৪৩ জনকে নবজাতক সেবা এবং ৩ জনকে প্রসবোত্তর পিপিএফপি সেবা দেয়া হয়েছে। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবাগ্রহীতাদের মধ্য থেকে ১৯ জনকে প্রসবপূর্ব সেবা, ১৩ জনকে প্রসব সেবা, ১৮ জনকে প্রসবোত্তর সেবা এবং নবজাতক সেবা দেয়া হয়েছে ১৭ জনকে। এই ৮ দিন ছুটিকালীন জেলায় মোট ৩০৯ জনকে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হয়েছে। যোগাযোগ করা হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক শুকলাল বৈদ্য এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন- প্রসূতি মা ও নবজাতকের কথা বিবেচনায় রেখে ঈদুল ফিতরের ছুটির মধ্যেও জেলার সেবা কেন্দ্র এবং মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলো চালু রাখা হয়েছে; যাতে সেবাগ্রহীতারা এই সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।
সপ্তাহের বাজারদর : ডিমের হালি আবার ৪০ পেঁয়াজের দাম বাড়তি

সপ্তাহের বাজারদর : ডিমের হালি আবার ৪০ পেঁয়াজের দাম বাড়তি চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাল, ডাল, আটা-ময়দার দাম গত সপ্তাহের মতো থাকলেও এক হালি ডিমের দাম আবার ৪০ টাকায় ঠেকেছে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে বেগুনের দাম। অন্যদিকে বেড়েছে ভালো মানের গরুর মাংস, মুরগি ও পেঁয়াজের দাম। শুক্রবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাশহরের নিউমার্কেট কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে। নিউমার্কেটের আব্দুর রহমান বাবু জানান, জিরাসাইল ও মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮৫ টাকা। সাদা স্বর্ণা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০-৫২ টাকা, লাল স্বর্ণা ৫৬-৫৮ টাকা, ৬৩ ধানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা, আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে থেকে ৭৫-৭৬ টাকা কেজি দরে। এছাড়া প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, চিনি ১২০ টাকা, মসুর ডাল ১১০-১৩০ টাকা, দেশী ছোলার ডালের দাম ১৪০ টাকা, খেসাড়ির ডাল ১২০ টাকা, মটর ডাল ১৪০ টাকা, মাসকলাইয়ের ডাল ১৭০-১৮০ টাকা প্রতি কেজি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। আর ৪ টাকা বেড়ে ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি হালি ৪০ টাকায়। তিনি জানান, খোলা আটা ৩৮-৪০ টাকা ও প্যাকেট আটা ৪৫-৫০ টাকা কেজি, এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ১৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে সবজি বিক্রেতা তাইফুর রহমান জানান, বেগুনের দাম মানভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, আলু ২০-২৫ টাকা, সজনে ডাটা কিছুটা কমে বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, দেশী করোলা ৭০-৮০ টাকা, ঢেঁড়শ কিছুটা কমে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, পটোল ৬০ টাকা, কাঁচকলা ৩৫-৪০ টাকা, পেঁপে ৩৫-৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, শসা ৫৫-৬০ টাকা, গাজরের দাম বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০ টাকা, টমেটো ৩০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। এদিকে মাছ বিক্রেতারা জানান, ছোট মিরকা মাছ বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা, রুই ওজনভেদে ২৬০-৩৫০ টাকা, বড় কাতলা ৩২০ টাকা, সিলভার কার্প ২০০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা, ট্যাংরা ৮০০-১১০০ টাকা, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, সিং ৬০০-৮০০ টাকা, ছোট বোয়াল ৬০০ টাকা, আইড় মাছ বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা, পাঙ্গাস ১৬০ টাকা, বাঁশট ৩৬০ টাকা, পিয়ালি ৬০০ টাকা, রাইখড় ৬০০ টাকা, পুঁটি ৩৫০ টাকা, ময়া ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে মুরগি বিক্রেতা শরিফুল ও আলম জানান, দেশী মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৪০ টাকা, সোনালি বা পাকিস্তানি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা, লাল লেয়ার ৩৩০ টাকা, সাদা লিয়ার ২৮০ টাকা, প্যারেন্স মুরগি ৪০ টাকা এবং ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৯০-২০০ টাকা কেজি। অন্যদিকে মাংস বিক্রেতা সেলিম জানান, ভালো মানের গরুর মাংস ৭৫০-৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ছাগলের মাংস ৯০০-১১০০ টাকা এবং ভেড়ার মাংস ১০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৭০০ কোটি টাকার বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ পাউবো’র

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৭০০ কোটি টাকার বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ পাউবো’র শিবগঞ্জে প্রায় ২৫ কিলোমিটার পদ্মা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা রক্ষায় ১৭০০ কোটি টাকার স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। আজ দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের দোভাগী, ঝাইলপাড়া গ্রামে পদ্মা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে এসব কথা জানিয়েছেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। তিনি আরো বলেন-আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, পদ্মার নদীর ভাঙনের কারণে এই এলাকাটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। গত কয়েক বছর ধরে নদী ভাঙনের কারণে খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছে। পদ্মা নদীর অন্যান্য এলাকায় পাড় বেঁধে ফেলা হয়েছে। বাকি ২৫ কিলোমিটার এলাকায় ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ীভাবে বাঁধ নির্মাণের জন্য প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এমনকি প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন হয়েছে। আমরা আশাবাদী, সরকার অনুমোদন দিলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু করা যাবে। ২৫ কিলোমিটার এলাকায় নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ হলে পদ্মা নদীতে আর কোনো পাড় বাঁধায়ের কাজ থাকবে না এবং এতে ফসলী জমি ও বসতবাড়ি রক্ষা করা যাবে। বস্থায়ীভাবে বসতবাড়ি ও ফসলী জমি রক্ষার জন্য এই বড় প্রকল্পটি প্রয়োজন আছে এবং সরকারও এই অর্থের সংস্থান করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অতিরিক্ত সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব বলেন, প্রকল্পের আওতায় সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার ২৫ কিলোমিটার পদ্মা নদীর এলাকাজুড়ে বাঁধ নির্মাণ করা হবে। এরমধ্যে ৪ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই প্রকল্পে। আশা করছি, আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে বাকি সকল ধাপ সম্পন্ন করতে পারব। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এই এলাকার লোকজন স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পাবে। নদী ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে অতিরিক্ত সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদ, শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজাহার আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীবসহ অন্যরা।