ভোলাহাটে অসহায় মানুষের দরজায় খাদ্য পৌঁছে দিলেন ইউএনও

ভোলাহাটে অসহায় মানুষের দরজায় খাদ্য পৌঁছে দিলেন ইউএনও ভোলাহাট উপজেলার অসহায় দুটি পরিবারের বাড়ির দরজায় গিয়ে খাবার পৌঁছে দিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। আজ দুপুরে উপজেলার হলিদাগাছী স্লূইচ গেট সংলগ্ন অসহায় দু’পরিবারের বাড়ির দরজায় গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মাহমুদ। তিনি তাদের চাল, ডাল, তেল, চিনি, লবণসহ বিভিন্ন প্রকার মসলার গুঁড়া তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেন। এসময় স্থানীয় দরিদ্র পরিবারে লোক জন বিশুদ্ধ পানির জন্য মটারসহ বিভিন্ন প্রকার নাগরিক সুবিধার দাবী জানালে সুবিধা মত সময় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক গোলাম কবির, তেলীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিজিয়া খাতুন, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের কার্যসহকারী সাইদুর রহমান। পরে গত ১২ মার্চ রাত ১২ টার দিকে জমসেদ আলীর ছেলে জসিমউদ্দিনের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া বাড়ি পরিদর্শন করেন। উল্লেখ্য, এ গ্রামের দিনমজুর বেলাল শেখ গত ৯ মাস পূর্বে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে কাজ করতে না পেরে ভিক্ষা করছেন। অপর একজন বৃদ্ধা অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন এ খবর পেয়ে ইউএনও নিজেই তাদের বাড়িতে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিলেন।
ভোলাহাটে খাবারের দোকানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

ভোলাহাটে খাবারের দোকানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ভোলাহাটে বাসি খাদ্য রাখার দায়ে একটি খাবারের দোকানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে মোবাইল কোর্ট। আজ বিকেলে উপজেলার মেডিকেল মোড়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেটের দায়িত্বে থেকে শামীম হোসেন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এসময় সোহেল হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে বাসি খাবার সংরক্ষণ ও বিক্রির করলে ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯’ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোলাহাট উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে নবনির্বাচিত এমপি’র মতবিনিময় সভা

ভোলাহাট উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে নবনির্বাচিত এমপি’র মতবিনিময় সভা ভোলাহাটে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে নবনির্বাচিত এমপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মাহমুদ-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মু. মিজানুর রহমান। সংসদ সদস্য মনোযোগ দিয়ে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের কথা শোনেন এবং তা পর্যায়ক্রমে সকলের সহযোগিতা নিয়ে সমস্যা গুলো সমাধানের আশ্বাস দেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন কোনোভাবেই হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার না হন সে বিষয়ে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আরও মানবিক, দায়িত্বশীল ও সেবামুখী মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি উপজেলার সব দপ্তরের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদার করে ভোলাহাট উপজেলাকে একটি উন্নত ও জনবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ সময় তিনি বলেন, কৃষকদের স্বার্থ সবার আগে বিবেচনায় নিতে হবে। নির্ধারিত মূল্য সময়মতো ও পর্যাপ্ত পরিমাণে রাসায়নিক সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে চাষাবাদে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি না হয় এবং উৎপাদন ব্যাহত না হয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি কোনো ডিলার সার সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে প্রয়োজনে তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনোভাবেই অসাধু চক্রের কারণে কৃষকরা যেন ভোগান্তির শিকার না হন সে বিষয়টি প্রশাসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় ও কঠোর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি একটি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারীকে কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুলতান আলী, উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আহরাম আলী, উপজেলা স্বাস্থ্য পঃ পঃ কর্মকর্তা শোভন পাল, সমাজসেবা কর্মকতা নাসিম উদ্দিন, বিএম ডিএ কর্মকর্তা লোকমান হাকিম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আজমির শেখ, এস আই খাইরুল ইসলাম, ভোলাহাট উপজেলা ৪টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পিয়ার জাহান, ইয়াসিন আলী শাহ, মোজাম্মেল হক চুটু, আফাজউদ্দিন পানু মিয়াসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।
ভোলাহাটে বিষ দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে ৩৫ দিন বয়সী ধানগাছ : পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

ভোলাহাটে বিষ দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে ৩৫ দিন বয়সী ধানগাছ : পাল্টাপাল্টি অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলায় ৩৫ দিন বয়সের বোরো ধানগাছে বিষ প্রয়োগ করে ৩০ শতাংশ জমির ধান পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়েছে। এঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার পাঁচটিকরি গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে মো. তরিকুল ইসলাম ভোলাহাট থানায় দায়ের করা এজাহারে উল্লেখ করেছেন, একই গ্রামের ইসরাইলের ছেলে তোফাজ্জুল হক বাবু (৪৫) গত ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার দিকে সোলগাড়ী জিয়া ক্যানেলের পশ্চিম পাশে তার জমিতে বিষ প্রয়োগ করেন। পরে ধান গাছগুলো ধীরে ধীরে পুড়ে গিয়ে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে তিনি বাদী হয়ে ভোলাহাট থানায় এজহার দায়ের করেছেন বলে জানান। অন্যদিকে তোফাজ্জুল হক বাবুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, জমিটি আমাদের। আমরা জমিতে ধান লাগিয়েছি। ধান পুড়িয়ে মেরেছে তরিকুলেরা। আমরা ওদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছি। এদিকে পুলিশের এসআই বশির আহমেদ গত সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। সেই বিরোধের জের ধরেই ধান নষ্ট করা হয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন।
ভোলাহাটে গাঁজাসহ আটক ১

ভোলাহাটে গাঁজাসহ আটক ১ ভোলাহাটে অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ একজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলাহাট থানা পুলিশের একটি দল অফিসার ইনচার্জ একরামুল হোসাইনের নির্দেশে সাব ইন্সপেক্টর খাইরুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে। এদিন রাত ১০টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়নের আন্দিপুর গ্রামের মৃত মুন্টুর ছেলে সমিরুল ইসলামকে ৩’শ ৫০ গ্রাম গাঁজা ও গাঁজা বিক্রির নগদ ৩ হাজার ১৯০টাকাসহ আটক হয়। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক অভিযানে নারীসহ আটক ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক অভিযানে নারীসহ আটক ২ শিবগঞ্জ ও ভোলাহাটে পৃথক অভিযানে ৩৯ বোতল নেশাকারক সিরাপসহ এক ব্যক্তি এবং ১ কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে আটক করেছে র্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। আটককৃতরা হলেন, শিবগঞ্জের মনাকষা ইউনিয়নের তারাপুর মুন্নাপাড়া গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে রফিকুল ইসলাম এবং ভোলাহাটের ছোট গোপিনাথপুর গ্রামের মাতিন আলীর স্ত্রী হাসনাহেনা। আজ সকালে র্যাব-৫ এর পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বিকেলে মনাকষা শেখপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেলের সিটের নীচে অভিনব কায়দায় বহনকালে ৩৯ বোতল নেশার সিরাপসহ হাতেনাতে আটক হন রফিকুল। এদিকে, প্রায় একই সময় ভোলাহাটের ছোট গোপিনাথপুর গ্রামে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ আটক হন হাসনা হেনা। এসময় তাঁর স্বামী পালিয়ে যান বলে জানান জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান। এ সব ঘটনায় সংশ্লিস্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কর্মকর্তারা।
ভোলাহাটে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে এমপি মিজানুর

ভোলাহাটে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে এমপি মিজানুর চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার উল্লাডাঙ্গা গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি পরিবারকে নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) আসনের সংসদ সদস্য ড. মু. মিজানুর রহমান। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতেও যে কোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন— ভোলাহাট উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. শামসুজ্জামান আলকাস, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. লোকমান আলী, অর্থ সম্পাদক মাওলানা মো. আলাউদ্দিন, মাওলানা আব্দুল খালেক, দলদলী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. আমিনুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, গত রবিবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার উল্লাডাঙ্গা গ্রামের জিয়াউর রহমানের বাড়িতে মোবাইল ফোন চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ চার্জার বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ঘরের ভেতরে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় তা দ্রুত পাশের তরিকুল ইসলাম ও চান্দু বেগমের বাড়িতেও ছড়িয়ে পড়ে। এতে তিনটি পরিবারের বসতঘর ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এদিকে বেলা ১২টার দিকে ভোলাহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে চিকিৎসকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এমপি ড. মিজানুর রহমান। এর আগে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। মতবিনিময়কালে ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতের আশ্বাস দেন সংসদ সদস্য ড. মু. মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, হাসপাতালের বিদ্যমান সংকটগুলো পর্যায়ক্রমে দূর করে স্বল্প সময়ের মধ্যে আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শোভন পাল জাতীয় সংসদ সদস্যকে স্বাগত জানান। পরে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অবহিত হন মিজানুর রহমান। আগামী ছয় মাসের মধ্যে হাসপাতালে ডিজিটাল এক্স-রে সেবা চালু করা হবে বলে জানান তিনি। এছাড়া জেনারেটর পরিচালনার জন্য ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১০০ লিটার জ্বালানির সমমূল্যের অর্থ প্রদান করেন। পরে হাসপাতাল চত্বরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন এবং কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার তাগিদ দেন এমপি মিজানুর। এসময় উপস্থিত ছিলেন— জামায়াতের উপজেলা আমির মাওলানা শামসুজ্জামান আলকাশ, ভোলাহাট থানার ওসি একরামুল হোসাইন, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. লোকমান আলী, জামায়াতের সেক্রেটারি তোহিদুর রহমানসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।
উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতের আশ্বাস- এমপি ড. মিজানুর রহমানের

উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতের আশ্বাস- এমপি ড. মিজানুর রহমানের ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের আশ্বাস দিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, হাসপাতালের বিদ্যমান সংকটগুলো পর্যায়ক্রমে দূর করে স্বল্প সময়ের মধ্যে আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে। আজ বেলা ১২ টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা প্রদান শেষে চিকিৎসকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শোভন পাল জাতীয় সংসদ সদস্যকে স্বাগত জানান। পরে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অবহিত হন মিজানুর রহমান। আগামী ৬ মাসের মধ্যে হাসপাতালে ডিজিটাল এক্স-রে সেবা চালু করা হবে বলে জানান। এছাড়া জেনারেটর পরিচালনার জন্য ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১০০ লিটার জ্বালানির সমমূল্যের অর্থ প্রদান করেন। পরে হাসপাতাল চত্বরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন তিনি এবং কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার তাগিদ দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা শামসুজ্জামান আলকাশ, ভোলাহাট থানার ওসি একরামুল হোসাইন, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান লোকমান আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নাচোলে এমপি ড. মু. মিজানুর রহমান-কে গণসংবর্ধনা

নাচোলে এমপি ড. মু. মিজানুর রহমান-কে গণসংবর্ধনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) আসনের সংসদ সদস্য ড. মু. মিজানুর রহমান নির্বাচনের পর এলাকায় এসে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা জানানো হয়। রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নেজামপুর বাজারে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতি, আলিম মাদ্রাসা, গ্রিনভ্যালি অ্যাকাডেমি এবং বিভিন্ন সংগঠন ও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ফুলের তোড়া দিয়ে এমপিকে বরণ করেন। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তিনি বরেন্দা গ্রামে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। গ্রামবাসীর সঙ্গে আলোচনায় সূতিহার দিঘি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের বিষয়ে কথা বলেন এবং সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে হাটবাকইল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন তিনি। এছাড়া মুরগীডাঙ্গা, বকুলতলা বাজার, গোসাইপুর ও দোগাছী গ্রামেও তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
ভাষা শহিদদের স্মরণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নানা আয়োজন

ভাষা শহিদদের স্মরণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নানা আয়োজন চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ। বক্তারা প্রমিত বাংলার শুদ্ধ চর্চা, বাংলা ভাষাকে প্রযুক্তির সঙ্গে আরও সম্পৃক্ত করা, সর্বক্ষেত্রে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। দিবসটি পালন করতে জেলা প্রশাসনসহ শিবগঞ্জ, গোমস্তাপুর, নাচোল ও ভোলাহাট উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, পৌরসভা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে একুশের প্রথম প্রহরে শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ। এ সময় পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসসহ প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। শনিবার ভোর থেকে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে প্রভাতফেরি বের করা হয়। প্রভাতফেরি শেষে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা, শিশুদের আবৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজাল রাজন, জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল মাতিন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. ইয়াছিন আলী, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক শুকলাল বৈদ্য, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহিনূর রহমান, জেলা তথ্য অফিসার রূপ কুমার বর্মন এবং জেলা আনসার কমান্ড্যান্ট আরিফুর রহমান। আলোচনায় বক্তারা ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিচারণ করেন এবং বাংলা ভাষার শুদ্ধ ব্যবহার ও চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা একুশভিত্তিক কবিতা আবৃত্তি করে উপস্থিতদের মুগ্ধ করে। সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে ভাষা শহিদদের বীরত্বগাঁথা তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। তিনি শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান এবং ভাষা শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। শেষে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।