নাচোলে চার্জে দেয়া অটোরিক্সায় বিদ্যুতায়িত হয়ে মা ও মেয়ের মৃত্যু

নাচোলে চার্জে দেয়া অটোরিক্সায় বিদ্যুতায়িত হয়ে মা ও মেয়ের মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া মা মরাফেলা গ্রামের মো. আলমগীরের স্ত্রী হাওয়া বেগম (৪২) ও মেয়ে আয়েশা বেগম (২২)। বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের মরাফেলা গ্রামে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আলমগীরের বাড়িতে ব্যাটারিচালিত একটি অটোচার্জার ভ্যানে মঙ্গলবার রাতে চার্জে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে অটোভ্যান থেকে লাইন সরাতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন হাওয়া বেগম। তাকে বাঁচাতে গিয়ে মেয়ে আয়েশা বেগমও স্পৃষ্ট হন। তাদের শব্দ পেয়ে ছেলের স্ত্রী ধরতে গেলে তাকেও বিদ্যুৎ শক করলে তিনি সেখানে ছিটকে পড়ে যান। তখন তিনি তার শ্বশুর আলমগীরকে ডাক দেন। ঘর থেকে এসে দেখেন স্ত্রী ও মেয়ে ঘটনাস্থলেই মরে পড়ে আছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান ওসি।

নাচোলে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু

নাচোলে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ট্রেনে কাটা পড়ে এক অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার কসবা ইউনিয়নের পুরাতন কাজলা নামক স্থানে বুধবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন যাবৎ ভারসম্যহীন বয়স্ক এই নারীকে কাজলা বাজার ও তার আশপাশে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। এলাকাবাসী জানান, পুরাতন কাজলার রেলক্রসিং থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে লাইনের পাশে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই পা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় এই অজ্ঞাত বয়স্ক নারীর মরদেহটি দেখতে পেয়ে রেল পুলিশকে খবর দেন তারা। আমনুরা রেলওয়ে ইনচার্জ এসআই আইনুল হক জানান, রাজশাহী থেকে রহনপুরগামী মহানন্দা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে। মহিলাটির আনুমানিক বয়স প্রায় ৬৫ বছর। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করি। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে একটি ইউডি মামলা হবে বলে জানান আইনুল হক।

নাচোলে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ে সচেতনতামূলক সেশন 

নাচোলে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ে সচেতনতামূলক সেশন  চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল খ ম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও মুন্সি হযরত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিয়ে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ে পৃথক সচেতনতামূলক সেশন পরিচালিত হয়েছে। সেশন পরিচালনা করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচএফপি) ডা. নোশীন ইয়াসমিন। এ সময় তিনি বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্যের সংজ্ঞা ও গুরুত্ব, শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাবার, যৌন সংক্রমণ রোগ ও প্রতিরোধ, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতা, স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভূমিকা ও সুবিধা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— উপজেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সভাপতি হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ও প্রয়াসের কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক ফারুক আহমেদ, যুব সংগঠন বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সাত্তার, স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রতিষ্ঠান সম্পাদক আব্দুর রহমান মানিক। বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ ও প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির সহযোগিতায় সেশনের আয়োজন করে নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরাম। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন— উপজেলা স্বাস্থ্য অধিকার যুব ফোরামের সমন্বয়কারী শ্যামল বর্মন, সদস্য নাবিউল ইসলাম, আসাদুজ্জামান, প্রিয়াঙ্কা প্রামাণিক, ঈশিতা খাতুন, প্রয়াসের মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক, অফিসার শাহরিয়ার শিমুল, সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইমদাদুল হক।

নাচোলে জনবল সংকটে ব্যাহত চিকিৎসা সেবা

নাচোলে জনবল সংকটে ব্যাহত চিকিৎসা সেবা চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংকট থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। আবার চিকিৎসক থাকলেও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে রোগীদের। জানা যায়, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৪ জনের বিপরীতে ৯ জন চিকিৎসক থকলেও ৩ জন দিয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম। সার্জারি ও জুনিয়র কনসালটেন্ট চিকিৎসক না থাকায় বছরের পর বছর ধরে অপারেশন থিয়েটারে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে অর্ধ কোটি টাকার আধুনিক যন্ত্রপাতি। এছাড়া হাসপাতালের ওয়ার্ডে নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ না থাকায় বাইরে থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হয় রোগীদের। এ অবস্থায় কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে নাচোলবাসী। বাধ্য হয়ে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে গিয়ে অতিরিক্ত খরচ করে নিঃস্ব হচ্ছেন মধ্য ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো। নাচোল উপজেলার জনসংখ্যা প্রায় ২ লাখ। এছাড়াও সুবিধাজনক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও নিকটবর্তী হওয়ার কারণে পার্শ্ববর্তী গোমস্তাপুর ও নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসেন নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. আব্দুস সামাদ জানান, বহির্বিভাগ ও অন্তঃবিভাগ মিলে প্রতিদিন প্রায় ৬০০ রোগী চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। তিনি আরো বলেন, বেশ কিছু রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় চিকিৎসা না পেয়ে অনেকেই ফিরে যাচ্ছেন। জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ২০২৪ সালের মাঝামাঝি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনের উন্নয়ন ও শয্যাসংখা বৃদ্ধির পাশাপাশি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে ঠিকই; কিন্তু প্রয়োজনীয় সংখ্যক জুনিয়র কনসালটেন্ট পদায়ন না করায় চিকিৎসা সেবার কোনো উন্নয়ন ঘটেনি। ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জনবল কাঠামোতে ২৪ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চলতি বছরের কর্ম তালিকায় দেখা যায় চিকিৎসক রয়েছেন মাত্র ৯ জন। তার মধ্যে ডা. এ.এফ.এম আজিম আনোয়র সহকারী সার্জন (কোড নং- ১৪১৭৪৯) চলতি বছর ২৭ জানুয়ারি যোগদান করলেও তিনি অনুপস্থিত থাকেন। এছাড়াও ৩টি ইউনিয়ন সাবসেন্টারে ৩ জন সহকারী সার্জনের পদ থাকলেও ২টি পদ শূন্য রয়েছে এবং একটিতে ডা. সাদিয়া রহমান (কোড নং-১৪৫৮৬৯) যোগদান করলেও তিনি প্রেষণে কর্মরত রয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এছাড়া সার্জারি, গাইনি, অর্থোপেডিকস, কার্ডিওলজি, চক্ষু, নাক-কান-গলা, চর্ম ও যৌন বিভাগ থাকলেও এসব পদে কোনো চিকিৎসক নেই। এছাড়া পরিসংখ্যানবিদ, সহকারী নার্স, মেডিকেল টেকনলোজিস্ট (ফিজিওথেরাপি), হেলথ এডুকেটর এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্র্রেণীর ২৫ জন কর্মচারীও নেই। অপর দিকে জরুরি উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে হাসপাতালের রোগী স্থানান্তরের জন্য অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে মাত্র একটি। আবার জ্বালানি তেল সরবরাহ না থাকায় অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা ঠিকমতো পাচ্ছেন না রোগীরা। এ ব্যাপারে মেসার্স হোসেন পেট্রোলিয়ামের ব্যবস্থাপক আব্দুল কাদের বলেন, গতবছর মে মাস থেকে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছে জ্বালানি তেল সরবরাহ বাবদ ১৭ লাখ ৮৫ হাজার ৮৩ টাকা বকেয়া রয়েছে। তিনি আরো বলেন, কর্তৃপক্ষকে বারবার তাগাদাপত্র দেয়া হলেও বকেয়া পরিশোধ না করায় জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। এসব বিষয়ে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মিজানুর রহমান বলেন, যত দ্রুত সম্ভব কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে হাসপাতালের বিদ্যমান সংকট উত্তরণে চেষ্টা করব। এ অবস্থায় নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়ন, অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য লজিস্টিক সাপোর্ট বাড়ানো এবং ডায়াগনস্টিক বিভাগের আধুনিকীকরণসহ অপারেশন থিয়েটার চালুর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন নাচোলবাসী।

নাচোল পৌরসভার ২১ বছর পূর্তিতে আলোচনা

নাচোল পৌরসভার ২১ বছর পূর্তিতে আলোচনা নাচোল পৌরসভার ২১ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌর হলরুমে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক কামাল হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকৌশলী সাদিকুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান, নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মৃনাল কান্তি, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ নূর কামাল, তৎকালীন প্যানেল মেয়র তৌফিকুর রহমান, নুরুল ইসলাম, দুরুল হুদা। পৌর পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারী আয়োজিত পৌরসভার ২১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে বক্তারা ২০০৪ সালে স্থাপিত নাচোল পৌরসভার স্মৃতি এবং আগামীতে উন্নয়নের দিক নির্দেশনা তুলে ধরে আলোচনা করেন। পৌর লাইসেন্স পরিদর্শক আহসান হাবীবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন নাচোল বাজার কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম এনামুল হক।

নাচোলে আদিবাসী শিশুদের শিক্ষা ও অংশীজনের প্রত্যাশা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নাচোলে আদিবাসী শিশুদের শিক্ষা ও অংশীজনের প্রত্যাশা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নাচোলে আদিবাসী শিশুদের শিক্ষা অংশীজনের প্রত্যাশা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে উপজেলা পরিষদ মিনি কন্সফারেন্স রুমে এসেডো’র নির্বাহী পরিচালক রবিউল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দুলাল উদ্দিন খান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মৃনাল কান্তি সরকার, স্বাক্ষরতা অভিযান এর ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার সামছুন নাহার বেগম, প্রোগাম অফিসার সিরাজুল ইসলাম, এসেডো’র ফাইন্যান্স ম্যানেজার আজাহার আলী, ভেরেন্ডী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমির উদ্দিন,পীরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুসলেম উদ্দিন, নাসিরাবাদ দুলাহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু হেনা মোস্তফা কামাল, আদিবাসী নেতা বিধান সিং ও যতীন হেমরম। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, ছাত্র/ছাত্রীবৃন্দ ও গনমাধ্যম কর্মী। আলোচনাসভায় আদিবাসীদের শিক্ষার মান বৃদ্ধি কিভাবে করা যায় সে বিষয়ে সমস্যা ও তাকে উত্তোরনের উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

নাচোলে জিপিএ -৫ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান

নাচোলে জিপিএ -৫ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান নাচোল উপজেলায় আস্থা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এসএসসি ও দাখিল ২০২৫ পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। আজ বিকেল ৪ টার দিকে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এক অনুষ্ঠানে তাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও নাচোল পৌর জামায়াতের আমির মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন, নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুলতানা রাজিয়াসহ অন্যান্য অতিথি। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট নূরে আলম সিদ্দিকী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, আস্থা ফাউন্ডেশনের পরিচালক আলী আকবর। আলোচনা শেষে ১০৮ জন জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে রজনী গন্ধা, ক্রেস্ট, প্যাড কলম ও ক্যারিয়ার গাইড লাইন প্রদান করা হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিভিন্ন আয়োজনে জন্মাষ্টমী পালিত হয়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিভিন্ন আয়োজনে জন্মাষ্টমী পালিত হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় লীলাপুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলাশহরের শিবতলা চরজোতপ্রতাপ দুর্গামাতা ঠাকুরানী মন্দির চত্বরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদ্যাপন কমিটির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি শ্রীল শ্যামকিশোর দাস গোস্বামী মহারাজজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন— জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন— চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার, জেলা তথ্য অফিসার রূপ কুমার বর্মন, জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি ডাবলু কুমার ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক ধনঞ্জয় চ্যাটার্জি, জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দীলিপ কুমার রায়, চরজোতপ্রতাপ দুর্গামাতা ঠাকুরানী মন্দিরের সভাপতি বাসুদেব নন্দী, ইসকন প্রচার কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক নরোত্তম দাস। অনুষ্ঠানে শ্রীকৃষ্ণের ওপর বক্তব্য দেন রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজের পদার্থবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জয়কুমার দাস। অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদ্যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক নারু গোপাল পাল। পরে দুপুর ১২টায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলন করে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিসহ অন্য অতিথিবৃন্দ। এসময় মন্দির থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন মন্দিরের ভক্তবৃন্দ নানান বাদ্যযন্ত্র সহকারে অংশ নেন। অনেকের হাতেই শোভা পাচ্ছিল শ্রীকৃষ্ণের প্রতিকৃতি। কেউ কেউ আবার এসেছিলেন রাধা-কৃষ্ণের বেশে। তবে শিশু-কিশোররা শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার সাজে শোভাযাত্রায় অংশ নিলে দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কাড়ে। শেষে বিভিন্ন সাজে সজ্জিত শ্রেষ্ঠদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। শিবগঞ্জ : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদ্যাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল ৪টায় শোভাযাত্রাটি শিবগঞ্জ শ্রী শ্রী রক্ষা কালী মন্দির থেকে শুরু হয়ে রাধাগোবিন্দ মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন— শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আজাহার আলী, শিবগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম, জন্মাষ্টমী উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক শ্রী গৌর কৃষ্ণ পাল, যুগ্ম আহ্বায়ক সুশান্ত সাহা রাজু ও সদস্য সচিব আশীষ কুমার বাড়ালা। এ সময় যুগ্ম সদস্য সচিব সঞ্জয় কুমার দাস, ডা. তড়িৎ কুমার সাহা, বিদ্যুৎ পালসহ শিবগঞ্জ উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন। নাচোল: নাচোল উপজেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদ্যাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।। আজ সকালে নাচোল বাজার কেন্দ্রীয় মন্দিরে শুভজন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে পথ শোভাযাত্রা করা হয়। শোভাযাত্রা শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নাচোলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে মানববন্ধন

নাচোলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে নর্দার্ন ইলেকট্রসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো)’র অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।  বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নাচোল বাসস্ট্যান্ডে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। নাচোল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি আয়োজিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন পৌর জামায়াতের আমির মনিরুল ইসলাম। বক্তব্য দেন— নাচোল উন্নয়ন ফোরামের সদস্য সচিব আমানুল্লাহ আল মাসুদ, নাচোল শিল্প ও বণিক সমিতির আহ্বায়ক আসগার আলী, নাচোল উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুস সাত্তার, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি হাসানুল হক বেনজির, এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক নাজমুল হক ও ছাত্রনেতা আসগার আলী রোমিও। বক্তারা অভিযোগ করেন, গোমস্তাপুর বিদ্যুৎ স্টেশনের বেশিরভাগ সময় লোডশেডিংয়ের কারণে নাচোলে নেসকোর গ্রাহকদের দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। নাচোল সাব-স্টেশনের কার্যক্রম দ্রুত চালুর জন্য মানববন্ধনে নেসকোর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করার অনুরোধ করেন বক্তারা। বক্তারা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নাচোল ৩৩/১১ কেভি গ্রিডের বিদ্যুৎ সাব-স্টেশনের কার্যক্রম দ্রুত চালু ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না করলে পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন। মানববন্ধন শেষে ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির একটি টিম নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও গোমস্তাপুর প্রকৌশলী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ বিষয়ে নেসকোর গোমস্তাপুর বিদ্যুৎ স্টেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রশান্ত কুমার বলেন, নাচোল বিদ্যুৎ সাব-স্টেশনটি পূর্ণাঙ্গরুপে চালু করতে হলে ২.৫ থেকে ৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। লোকবল ৩ জনের স্থলে ১ জন আছে, আরো ২ জন হলে স্টেশনটি চালু করা সম্ভব হবে। লোকবল পূরনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট চাহিদা পাঠানো হয়েছে। শিগগিরই সাব-স্টেশনের কার্যক্রম চালুর আশ্বাস দেন তিনি।

নাচোলে ওএমএস’র ডিলার বাছাই হলো লটারির মাধ্যমে

নাচোলে ওএমএস’র ডিলার বাছাই হলো লটারির মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল পৌর এলাকায় সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ওএমএস’রর ডিলার নিয়োগের লক্ষে উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে বাছাই করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে এই বাছাই সম্পন্ন হয়। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাহানাজ পারভীন জানান, নাচোল পৌর এলাকায় সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৬টি স্থানে ৬ জন ওএমএস ডিলার নিয়োগের ঘোষণা দেয়া হলে মোট ১৯টি আবেদন পড়ে। তাদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে ৬ জনকে বাছাই করা হলো। লটারিতে বিজয়ী ৬ ওএমএস ডিলার হলেন— পৌর এলাকার চেয়ারম্যানপাড়ায় মো. দেলোয়ার হোসেন, মধ্যবাজারে উজ্জ্বল হোসেন, ইসলামপুর মোড়ে আতাউর রহমান, মোমিনপাড়ায় আবুল কাইসার শিরাজ, রেলস্টেশন বজারে মো. নুহু আলম ও দক্ষিণ সাঁকোপাড়ায় শরিফুল ইসলাম। বাছাই পর্ব শেষে উপজেলা খাদ্য কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেন দেশের পিছিয়ে পড়া হতদরিদ্রদের জন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিকে সফল করতে নতুন বাছাইকৃত ডিলারগণকে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, আবেদনকারী ডিলার ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।