জেলায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত

জেলায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত “কন্যা শিশুর স্বপ্নে গড়ি আগামীর বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যে, জেলায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ সকালে নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের হল রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসলাম কবিরের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট লেখক ও সিনিয়র সাংবাদিক শামসুল হক টুকু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল কাদের, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর নেসকো এর নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার সেলিম রেজা এবং নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকগণসহ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেনির শিক্ষার্থীবৃন্দ। এসময় সভায় উপস্থিত বক্তারা-সহ অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসলাম কবির সভাপতির সমাপনি বক্তব্যে বলেন, ভালো কোনো জায়গায় পৌঁছাতে গেলে আগে নিজের কাছেই নিজেকে প্রতিজ্ঞা করতে হবে। জন্ম হোক যথা-তথা কর্ম হোক ভালো। অন্যান্য পেশা থাকবে, কিন্তু আমাদের টার্গেট থাকতে হবে, এই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, প্রফেসর, লেখক এবং সাংবাদিক। আমি চাই আমার ছাত্র-ছাত্রীরা একজন ভালো মানুষ হবে। ভালো মা হবে, ভালো বোন হবে, ভালো ভাবী হবে, ভালো শাশুড়ী হবে, ভালো ননদ হবে। তিনি আরও বলেন, আজকের এই জাতীয় কন্যাশিশু দিবসে সবার কাছে প্রত্যাশা, বড়দের সম্মান ও শ্রদ্ধা করতে হবে এবং ছোটদের স্নেহ করতে হবে। আমাদেও নিজেদের অধিকার নিজেদের আদায় করে নিতে হবে। আমি নারী বলে কখনও হীনমৌনতায় ভুগবোনা। আমি মানুষ, একজন পুরুষের যে অধিকার আছে, আমারও সেই অধিকার আছে এইটা ভেবে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। কম্পিটিশন করে পুরুষকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। নিজ বাবা-মায়ের, নিজ গ্রামের, নিজ প্রতিষ্ঠানের মুখ উজ্জ্বল করতে হবে। নিজেতে এবং নিজের প্রতিভাকে বিকশিত করে দেশের ভবিষ্যত উজ্জ্বল করার মনোভাব নিজের মধ্যে জাগ্রত করতে হবে। উল্লেখ্য, সভার শুরুতেই কোরআন তেলাওয়াত পাঠ করা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে তাদের নিজ নিজ ভাবনা তুলে ধরেন।
স্বাস্থ্য অধিকার যুব ফোরামের সদস্যদের তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ

যুব ফোরাম সদস্যদের তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ ‘স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে চাই সমতা, জবাবদিহিতা ও অংশগ্রহণ’- এই প্রতিপাদ্যে কাজ করছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য অধিকার যুব ফোরাম। এ দুটি ফোরামের সদস্যদের নিয়ে তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ বিষয়ক প্রশিক্ষণ আজ সকালে জেলা শহরের বেলেপুকুরে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির প্রধান কার্যালয়ের নকীব হোসেন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সভাপতি প্রফেসর সুলতানা রাজিয়া। সভায় সূচনা বক্তব্য দেন- প্রয়াসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক এবং জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সাধারণ সম্পাদক হাসিব হোসেন। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর শেখ মাসুদুল আলম ও প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোরশেদ আলম। এসময় উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফোকালপার্সন ও প্রয়াসের কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক ফারুক আহমেদ, আরএমটিপি প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক রিফাত আমিন হিরা, প্রয়াসের অফিসার শাহরিয়ার শিমুল, সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইমদাদুল হক। উল্লেখ্য, স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্য অধিকার ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে জনসচেতনতা সৃষ্টি, স্বচ্ছতা তৈরি, জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং সকল পর্যায়ে জনঅংশগ্রহণ নিশ্চিত করে স্বাস্থ্যসেবা খাতে টেকসই উন্নয়ন সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষে কাজ করছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরাম এবং যুব ফোরাম। এতে সহযোগিতা করছে বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ ও প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক আদালতে দুজনের কারাদন্ড

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক আদালতে দুজনের কারাদন্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক দুটি আদালতে দুজনকে কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। তাদের মধ্যে অস্ত্র মামলায় মহসেন আলী নামে একজনকে ১০ বছরের এবং পৃথক আরেকটি আদালতে হত্যা মামলায় দেলোয়ার হোসেন নামে একজনকে ১০ বছর কারাদন্ড দেন আদালত। সেই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদ- অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় দেলোয়ার হোসেন পলাতক ছিলেন। আজ দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দায়রা জজ ও স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মিজানুর রহমান আসামি মহসেনের উপস্থিতিতে এই দন্ডাদেশ প্রদান করেন। অন্যদিকে হত্যা মামলায় অতিরিক্ত দায়রা জজ-১ এর বিচারক রবিউল ইসলাম আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন। দন্ড প্রাপ্ত মহসেন গোমস্তাপুর উপজেলার ভাগলপুর কইমারী গ্রামের মৃত কুড়ান বিশ্বাসের ছেলে। আর দন্ড প্রাপ্ত আসামি দেলোয়ার হোসেন শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্তি দুবলিভান্ডার গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) নাজমুল আজম জানান, ২০২১ সালের ৫ ডিসেম্বর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাচোল-রহনপুরগামী সড়কের আঝইর নামোপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় র্যাব। অভিযানকালে র্যাবের উপস্থিত টের পেয়ে পালানোর সময় ৩টি ওয়ানশুটার গানসহ মহসেনকে আটক করা হয়। ঘটনার পরদিন র্যাবের এসআই মো. ফারুকুল ইসলাম বাদী হয়ে নাচোল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শ্রী লালন কুমার দাস ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর মহাসিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালতের বিচারক এই দ-াদেশ প্রদান করেন। অন্যদিকে মামলার বরাত দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. রবিউল ইসলাম জানান, ২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল শিবগঞ্জের কানসাটে মেয়ে-জামাইয়ের কথাকাটির একপর্যায়ে মেয়েকে লাথি ও কিলঘুসি মারে জামাই দেলোয়ার। এসময় মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে দেলোয়ারের লাথিতে পিয়ারা বেগম আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বাড়িতে এবং পরে কানসাটের একটি হাসপাতালে নেয়ার পথে পিয়ারা বেগম মারা যান। এ ব্যাপারে ওই দিন নিহতের স্বামী হাসেন আলী বাদী হয়ে দেলোয়ারের নামে শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক আনিছুর রহমান সরদার ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর দেলোয়ারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আইনজীবী রবিউল ইসলাম আরো জানান, মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালতের বিচারক দন্ড বিধির ৩০৪ ধারায় দেলোয়ারকে ১০ বছর কারাদন্ড প্রদান করেন।
দাবি আদায়ে পবিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মানববন্ধন

দাবি আদায়ে পবিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে কর্মরত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিভিন্ন দাবিতে সোমবার মানববন্ধন করেছেন। ‘বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কর্তৃক নি¤œমানের বৈদ্যুতিক মালামাল ক্রয় ও সরবরাহ, প্রয়োজনীয় মালামাল ও জনবলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে গ্রাহক পর্যায়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়িয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীগণকে হয়রানি করার প্রতিবাদে এবং গ্রাহকপ্রান্তে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য দ্বৈতনীতি পরিহারপূর্বক বিআরইবি-পবিসকে একীভূতকরণসহ অভিন্ন চাকরি বিধি প্রণয়ন ও সকল চুক্তিভিত্তিক/অনিয়মিত কর্মচারীর চাকরি নিয়মিতকরণের দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষে শতভাগ গ্রাহক সেবা চালু রেখে সারাদেশে একযোগে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই মানববন্ধন করেন তারা। বেলা ১১টা থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেনÑ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. ছানোয়ার হোসেন, শিবগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. রেজাউল করিম, ভোলাহাট জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. ফখর উদ্দিন, নাচোল জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আব্দুর রহিম, সমিতির সদর-কারিগরি বিভাগের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. ফিরোজ জামান, মানবসম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মো. আরিফুর রহমান, মহারাজপুর সাব-জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার আমিনুর রসূল, শোভন কুমার মহন্ত, সোহেলা রানাসহ অন্যরা। মানববন্ধনে জানানো হয়, দেশের ১৪ কোটি মানুষের নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং টেকসই, আধুনিক ও যুগোপযোগী বিতরণ ব্যবস্থা বিনির্মাণের লক্ষে চলতি বছরের শুরু থেকে আরইবি-পবিস একীভূতকরণসহ অভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়ন এবং সকল চুক্তিভিত্তিক/অনিয়মিত কর্মচারীদের নিয়মিতকরণের ২ দফা দাবি আদায়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলমান রয়েছে। আন্দোলনের যৌক্তিকতা উপলব্ধি করে সরকার তথা বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক পল্লী বিদ্যুৎ সিস্টেমের সংস্কারসহ অন্যান্য সমস্যার যৌক্তিক সমাধানের জন্য ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু সর্বশেষ গত ২৬ সেপ্টেম্বর কমিটির ৪র্থ সভা অনুষ্ঠিত হলেও আরইবির পক্ষ থেকে রিফর্ম সংক্রান্ত কোনো প্রস্তাব দাখিল করা হয়নি। এছাড়া আর্থিক জটিলতা না থাকা সত্ত্বেও চুক্তিভিত্তিক/অনিয়মিত কর্মচারীদের নিয়মিতকরণের বিষয়েও বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় তড়িৎ সমাধানে অনীহা পরিলক্ষিত হচ্ছে। মানববন্ধনে আরো বলা হয়, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির যৌক্তিক আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। অর্থাৎ সরকারের পক্ষ থেকে সমাধানের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও নানান বাহানায় কালক্ষেপণ এবং সংস্কারে অস্বীকৃতি জানিয়ে চরম বিপত্তি সৃষ্টি করে বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি)। তাছাড়া বিগত কয়েক মাস যাবত প্রয়োজনীয় মালামাল ক্রয় ও সরবরাহের ব্যবস্থা না করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। যে কারণে মাঠপর্যায়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো মালামালের অভাবে (মিটার, ট্রান্সফরমার, তার ইত্যাদি) নতুন সংযোগসহ সঠিকভাবে গ্রাহক সেবা প্রদান করতে পারছে না। এ অবস্থায়, অবিলম্বে আরইবি-পবিস বিদ্যমান সংকট নিরসনের লক্ষে সোমবার সারাদেশে একযোগে এই শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এছাড়া পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ১ অক্টোবর (আজ) থেকে বাপবি বোর্ডের সাথে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সকল ধরনের যোগাযোগ, তথ্য সরবরাহ (২ দফা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিষয়াদি ব্যতীত) থেকে বিরত থাকার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। মানববন্ধন থেকে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের বৈষম্য, শোষণ, নির্যাতন ও নিপীড়ন থেকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মুক্তি এবং দেশের ১৪ কোটি মানুষের নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সেবা প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিতের লক্ষে বর্ণিত কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ করা হয়।
গ্রাম আদালত সক্রিয় করার আহ্বান জেলা প্রশাসকের

গ্রাম আদালত সক্রিয় করার আহ্বান জেলা প্রশাসকের চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষে প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনায় স্থানীয় অংশীজনদের নিয়ে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন এই সভার আয়োজন করে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুস সামাদ। স্থানীয় সরকার চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপপরিচালক দেবেন্দ্র নাথ উরাঁওয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় গ্রাম আদালতকে আরো সক্রিয় ও সঠিকভাবে পরিচালনা করার লক্ষে গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক সমাজ, ইমাম সমাজের সঙ্গে বড় পরিসরে মতবিনিময় করে তাদেরকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবুল কালাম সাহিদ। মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন- দৈনিক চাঁপাই দৃষ্টির সম্পাদক এমরান ফারুক মাসুম, চাঁপাই চিত্রের সম্পাদক কামাল উদ্দিন, চাঁপাই দর্পণের সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু, ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়ক মোমেনা খাতুন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রাম আদালত সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করেন ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) জেলা ম্যানেজার হাফিজ আল আসাদ। সমন্বয় সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পটির উদ্দেশ্য হলো- স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থাকে অধিকতর স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করা। গ্রামীণ জনগণের, বিশেষ করে, নারী এবং দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা। উচ্চ আদালতে মামলার জট কমানো। আরো বলা হয়, গ্রাম আদালতের সুবিধা হচ্ছে- গ্রাম আদালতে অল্প খরচে, স্বল্প সময়ে এবং অতিসহজে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়। উভয়পক্ষই বিচারক প্যানেলে নিজেদের পছন্দমত প্রতিনিধি নিয়োগ দিতে পারেন। পক্ষগণ নিজের কথা নিজে বলতে পারেন, আইনজীবীর দরকার হয় না। সাক্ষ্যপ্রমাণ হাতের কাছে থাকে, পক্ষগণ চাইলেও কোনো কিছু গোপন করতে পারে না, ফলে সঠিক বিচার পাওয়া যায়। এক বিরোধ থেকে অন্য বিরোধ সৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকে। সভায় বলা হয়, গ্রাম আদালতে সমঝোতার ভিত্তিতে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়, ফলে বিরোধীয় পক্ষগণের মধ্যে সম্পর্কের পুনঃস্থাপন ঘটে। দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় প্রকারের বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়। দ্রুত ও কম সময়ে এবং নামমাত্র খরচে বিরোধ এর সমাধান (দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে ২০ টাকা এবং ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে ১০ টাকা আবেদন ফি দিতে হয়)। গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য গ্রাম আদালতে বিচারযোগ্য দেওয়ানি মামলাসমূহ হচ্ছে- ১. কোনো চুক্তি, রশিদ বা অন্য কোনো দলিল মূল্যে প্রাপ্য টাকা আদায়ের জন্য মামলা। ২. কোনো অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার বা এর মূল্য আদায়ের জন্য মামলা। ৩. স্থাবর সম্পত্তি বেদখল হওয়ার এক বছরের মধ্যে এর দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা। ৪. কোনো অস্থাবর সম্পত্তির জবরদখল বা ক্ষতি করার জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা। ৫. গবাদিপশু অনধিকার প্রবেশের কারণে ক্ষতিপূরণের মামলা। ৬. কৃষি শ্রমিকদেরকে পরিশোধ্য মজুরি ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা। ৭. কোনো স্ত্রী কর্তৃক তার বকেয়া ভরণপোষণ আদায়ের মামলা ইত্যাদি।
বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহের উদ্বোধন

বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহের উদ্বোধন ‘প্রতিটি শিশুর অধিকার-রক্ষা করা আমাদের অঙ্গীকার’- এই প্রতিপাদ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব শিশু দিবস পালিত ও শিশু অধিকার সপ্তাহ শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রবিবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদ। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন- জেলা শিশুবিষয়ক কর্মকর্তা মনজুর কাদের। শিশুদের মধ্যে বক্তবব্য দেন- জান্নাত তাসনিম রাজ ও এস এম শাফিন খান। সঞ্চালনা করেন জেলা শিশু অ্যাকাডেমির প্রশিক্ষক এইচ এম কাব্য ও আবৃত্তি প্রশিক্ষণার্থী রাশিদা আনজুম। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সুবিধাবঞ্চিত শিশু, অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসক বলেন, শিশুরা অনেক অধিকারের কথা বলেছে, অধিকারগুলো নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদের সমাজের, রাষ্ট্রের। তবে এই অধিকার বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে আমাদের সমাজকে একটি সুস্থ সুন্দর সমাজ উপহার দিতে হবে। তা না হলে এই অধিকার বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। শিশুদের জন্য একটা বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যেতে হবে। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাডেমি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে নতুন আক্রান্ত আরো ৪ জন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে নতুন আক্রান্ত আরো ৪ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন করে আরো ৪ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ৩ জন ও শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন শনাক্ত হন। এ নিয়ে জেলায় চলতি বছরে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৯ জনে। এদিকে বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৮ জন রোগী। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ৬ জন এবং শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন করে ভর্তি আছেন। অন্যদিকে সুস্থ হওয়ায় একজনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ড্রোনের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ শুরু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ড্রোনের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ শুরু চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় স্ট্যান্ডার্ড ডাটা কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেমে (জিআইএস) তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। টেকসই আরবান ওয়াটার সাইকেল প্রকল্পের অধীনে ড্রোন সার্ভের মাধ্যমে এই তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। রবিবার সকালে ড্রোন সার্ভের উদ্বোধন করা হয়েছে। পৌরসভা চত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে ড্রোন চালিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপপরিচালক দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও। পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. তাছমিনা খাতুন। সূচনা বক্তব্য দেন- পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন অর রশিদ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- এসএনভির ক্লাস্টার কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ রেজাউল হুদা, জিও-প্ল্যানিং ফর অ্যাডভান্সড ডেভেলপমেন্টের (জিপিএডি) পরিচালক মো. তাজুল ইসলাম তানভীর। এসময় পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তৌফিকুল ইসলাম ও পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আহসান হাবীবসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, টেকসই আরবান ওয়াটার সাইকেল প্রকল্পের অধীনে ড্রোনের মাধ্যমে পৌরসভার তথ্য সংগ্রহ করে সফটওয়্যারে আপলোড করা হবে। এর মাধ্যমে পৌরবাসীর ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। অনুষ্ঠানে পৌরসভার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরা হয়। তুলে ধরা হয় বর্তমান সামগ্রিক অবস্থা। নেদারল্যান্ডসভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা এসএনভি’র সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছে। সংস্থাটি পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিয়েও কাজ করছে। আশা করা হচ্ছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার জনসাধারণ বিশুদ্ধ পানি পাবেন এবং বর্জ্য ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি হবে।
বিশ শিক্ষার্থীকে ১২ হাজার টাকা করে শিক্ষাবৃত্তি দিল প্রয়াস

বিশ শিক্ষার্থীকে ১২ হাজার টাকা করে শিক্ষাবৃত্তি দিল প্রয়াস চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ অতিদরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রবিবার বিকেলে জেলাশহরের বেলেপুকুরে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির নকীব হোসেন মিলনায়তনে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রয়াসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হাসিব হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন- জেলা শিক্ষা অফিসার আবদুর রশিদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির পরিচালক পঙ্কজ কুমার সরকার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুর রশিদ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের ভালো করে লেখাপড়া করতে হবে। তোমরা এখান থেকে বৃত্তির যে টাকা পেলে, সেটা লেখাপড়ার কাজে ব্যয় করবে। তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষ লেখপড়ায় পিছিয়ে যাচ্ছি। গত কয়েকবছর আগে রাজশাহীতে অনেক ছাত্রছাত্রী পড়ালেখা করতে যেত, এখন তা অনেক কমে গেছে। তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বলেন, লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নেই। তোমরা বড় স্বপ্ন দেখবে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কঠোর অনুশীলন করবে। জেলা শিক্ষা অফিসার বলেন, তোমাদের কাছে যে মোবাইল আছে, সেটার ভালো ব্যবহার করবা। তোমাদের একটাই উদ্দেশ্য হওয়া উচিত যে, তোমরা তোমাদের মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করবে। সভাপতির বক্তব্যে প্রয়াসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হাসিব হোসেন বলেন, আমরা আমাদের বাবা-মাকে যেমন সম্মান দেখাব, তেমনিভাবে আমাদের শিক্ষকদেরকেও সম্মান দেখাব। আসুন, আমরা মানুষের মতো মানুষ হয়ে দেখাই। তিনি বলেন, আমরা আমাদের নিজের, পরিবারের, সমাজের ও রাষ্ট্রের জন্য কাজ করব। তিনি আরো বলেন, নিজেকে পিছিয়ে রাখলে পেছনে যেতে হবে, নিজেকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইলে, এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে। হাসিব হোসেন বলেন, আপনি আমি আমরা সবাই মৃত্যুবরণ করব। কিন্তু আমার আপনার কর্ম বেঁচে থাকবে, এই প্রয়াস বেঁচে থাকবে এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করবে। আশা রাখি, আমরা সফল হবো এবং আগামীদিনে আমাদের যে পরবর্তী জেনারেশন আসছে, তার জন্য কাজ করব। তিনি আরো বলেন, আমরা একে অপরকে সম্মান জানাব, একে অপরের কথা শুনব, একে অপরকে সহ্য করব এগুলো যদি আমরা করতে পারি তাহলে আমাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধগুলো সৃষ্টি হবে। তাই আমাদের ব্যক্তির থেকে যে বিষয়গুলো বড় করে দেখা উচিত, সেগুলো দেখব। হাসিব হোসেন বলেন, আপনারা যেমন চাঁপাইনবাবঞ্জে জন্ম নিয়ে সারা বাংলাদেশে সৌরভ ছড়াবেন, তেমনি প্রয়াস চাঁপাইনবাবগঞ্জে জন্ম নিয়ে সারা বাংলাদেশে সৌরভ ছড়াচ্ছে। সভা সঞ্চালনা করেন প্রয়াসের কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক মু. তাকিউর রহমান।শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন- নাচোল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী শুভ আহমেদ ও নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সাদিয়া নওসিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- প্রয়াসের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (নিরীক্ষা) আবুল খায়ের খান, কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক (প্রশিক্ষণ) আব্দুস সালাম, অফিসার শাহরিয়ার শিমুল ও নয়ন আলী, নেজামপুর ইউনিয়নের সমৃদ্ধি কর্মসূচি সমন্বয়কারী তৌহিদুল ইসলাম, রানীহাটি ইউনিয়নের সমৃদ্ধি কর্মসূচি সমন্বয়কারী নারুল হকসহ অন্যরা। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)’র সহযোগিতায় শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি। উল্লেখ্য, ২০ জন শিক্ষার্থীরে প্রত্যেককে ১২ হাজার টাকা করে মোট ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়।
পদ্মা ও মহানন্দায় পানি কমছে ৮ সে.মি. পুনর্ভবায় বেড়েছে

পদ্মা ও মহানন্দায় পানি কমছে ৮ সে.মি. পুনর্ভবায় বেড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত পদ্মা ও মহানন্দা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে পুনর্ভবা নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবীব জানান, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে আজ (গতকাল) শনিবার সকাল পর্যন্ত পদ্মা নদীর পানি কমেছে ১৩ সেন্টিমিটার। শনিবার সকাল ৯টায় পাঁকা পয়েন্টে এ নদীর পানি বিপৎসীমার ১০৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। অন্যদিকে একই সময়ে মহানন্দা নদীর পানি কমেছে ৫ সেন্টিমিটার। খালঘাট পয়েন্টে মহানন্দার পানি বিপৎসীমার ১৪৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এছাড়া পুনর্ভবা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৮ সেন্টিমিটার। রহনপুর পয়েন্টে এ নদীর পানি বিপৎসীমার ২২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. পলাশ সরকার গত কয়েকদিন আগে জানিয়েছিলেন, শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা, উজিরপুর, দুর্লভপুর, ছত্রাজিতপুর, ঘোড়াপাখিয়া এবং সদর উপজেলার নারায়ণপুর, আলাতুলী, শাহাজাহানপুর ও চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ১ হাজার ৯৩২ হেক্টর মাসকালাই, ৫ হেক্টর রোপা আউশ, ৯ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, ৫ হেক্টর সবজি ও ৩ হেক্টর চিনা বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৮১০ জন কৃষক।