স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার ইরানের যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে বিরাজমান অস্থিতিশীলতার মধ্যে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে স্পট মার্কেট থেকে আরো দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনতে যাচ্ছে সরকার। যুক্তরাজ্যের কোম্পানি টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার এলএনজি সরবরাহের এ কাজ পেয়েছে। সচিবালয়ে গতকাল অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এলএনজি আমদানির এ প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে গণ খাতে ক্রয় বিধিমালা-২০০৮ অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক দরপত্রপ্রক্রিয়ায় স্পট মার্কেট থেকে এই এলএনজি আমদানি করা হবে। এক কার্গোতে থাকে ৩৩ লাখ ৬০ হাজার মিলিয়ন মেট্রিক ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার থেকে এক কার্গো এলএনজি আনতে প্রতি এমএমবিটিইউর দাম পড়ছে ১৯ দশমিক ৭৭ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় দুই কার্গোর দাম পড়ছে ১ হাজার ৬৬৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। চলতি বছরের ২৪ থেকে ২৫ এপ্রিল সময়ের জন্য এক কার্গো, ২৭ থেকে ২৮ এপ্রিল সময়ের জন্য আরেক কার্গো এলএনজি আসবে দেশে। টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার থেকে এক কার্গো এলএনজি আনার প্রস্তাব এর আগে ১১ মার্চ ক্রয় কমিটিতে অনুমোদিত হয়েছিল। তখন প্রতি এমএমবিটিইউর দাম ছিল ২১ দশমিক ৫৮ মার্কিন ডলার। সে হিসাবে এবার দাম একটু কমেছে। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর এই টোটাল এনার্জিস গ্যাস থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজি আনতে ব্যয় হয়েছিল ১০ দশমিক ৩৭ ডলার। এ ছাড়া নিম্ন আয়ের পরিবারের কাছে ভর্তুকি দামে বিক্রি করতে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ১ কোটি লিটার পরিশোধিত পাম অলিন কেনার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে ক্রয় কমিটিতে। এতে ব্যয় হবে ১৬৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। কাজ পেয়েছে শবনম ভেজিটেবল অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইপিআই কার্যক্রমে ব্যবহৃত ভ্যাকসিন সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে ইউনিসেফ থেকে কেনার একটি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৬০৪ কোটি টাকা। কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি (কাফকো) থেকে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া সার কেনার একটি প্রস্তাবও অনুমোদিত হয় বৈঠকে। ব্যয় হবে ১৭৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। ‘সার সংরক্ষণ ও বিতরণের সুবিধার্থে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণ (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় চুয়াডাঙ্গায় ১০ হাজার টন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি গুদাম নির্মাণের প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে বৈঠকে। এতে ব্যয় হবে ৪৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা। কাজ পেয়েছে এস এস রহমান ইন্টারন্যাশনাল। ‘বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের বৈদ্যুতিক বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এসপিসি পোল বা বিদ্যুতের খুঁটি কেনার একটি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে ক্রয় কমিটির বৈঠকে। এতে ব্যয় হবে ২৩০ কোটি টাকা। যৌথভাবে কাজ পেয়েছে দাদা ইঞ্জিনিয়ারিং, কনটেক কনস্ট্রাকশন, টিএসসিও পাওয়ার ও পাশা পোলস লিমিটেড।

সামিটে অংশ নিতে তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন তথ্যমন্ত্রী

সামিটে অংশ নিতে তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন তথ্যমন্ত্রী তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন সামিট (স্ট্র্যাটকম) ২০২৬’-এ অংশ নিতে গতকাল রাত পৌনে ২টার দিকে তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের কনরাড বসফরাস হোটেলে ২৭ ও ২৮ মার্চ দুইদিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সফরসূচি অনুযায়ী, আজ সৌদি আরবের জেদ্দা হয়ে মন্ত্রীর ইস্তাম্বুলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখানে পৌঁছানোর পর সন্ধ্যায় তথ্যমন্ত্রী তুরস্কের বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। সম্মেলনের কার্যসূচি অনুযায়ী, তথ্যমন্ত্রী ২৭ মার্চ বেলা ১১টা ২০ মিনিটে সম্মেলনের প্রথম প্যানেল আলোচনায় অন্যতম আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেবেন। অধিবেশনে তার সঙ্গে উত্তর সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাহসিন এরতুগ্রুলোগ্লু, সিরিয়ার তথ্যমন্ত্রী হামজা আলমুস্তাফা এবং কাজাখস্তানের সংস্কৃতি ও তথ্য উপমন্ত্রী কানাত ঝুমাবায়েভিচ ইসকাকভ আলোচনায় অংশ নেবেন। প্যানেলটি সঞ্চালনা করবেন টিআরটি ওয়ার্ল্ডের সিনিয়র উপস্থাপক অ্যালিচান আয়ানলার। সফরকালে তথ্যমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন। সম্মেলন শেষে আগামী ৩০ মার্চ সকালে তথ্যমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বার্তা দিল সৌদি আরব

বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বার্তা দিল সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও যেসব বাংলাদেশি সৌদি আরব ত্যাগ করতে পারেননি, তাদেরকে আগামী ১৮ এপ্রিলের আগেই দেশটি ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। গ্তকাল রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সৌদি আরবে ভিজিট, ওমরাহ এবং ফাইনাল এক্সিট ভিসায় অবস্থানরত বাংলাদেশি ভাই ও বোনদের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও সৌদি আরব ত্যাগ করতে পারেননি, তাদেরকে ১৮ এপ্রিলের পূর্বে সৌদি আরব ত্যাগ করার জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষ সুযোগ দিয়েছে।’ এতে আরও জানানো হয়, ১৮ এপ্রিলের পূর্বে যেকোনো দিন টিকিট নিয়ে সরাসরি এয়ারপোর্টে গেলেই সৌদি আরব ত্যাগ করা সম্ভব হবে। এই সময়ের মধ্যে কোনোরূপ ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করা কিংবা জরিমানা ছাড়াই প্রবাসীরা সৌদি আরব ত্যাগ করতে পারবেন। এমতাবস্থায় মেয়াদোত্তীর্ণ ভিজিট ভিসা, ওমরাহ ভিসা এবং ফাইনাল এক্সিট ভিসাধারীদের ১৮ এপ্রিলের পূর্বেই সৌদি আরব ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ করা হল। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সৌদি আরব ত্যাগ না করলে পরবর্তীতে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে দূতাবাস।

জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ-ফ্লাইপাস্ট

জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ-ফ্লাইপাস্ট মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও মনোজ্ঞ ফ্লাইপাস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাঁকজমক এ উদযাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সকাল ১০টার পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে এলে তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে তিনি প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং সালাম গ্রহণ করেন। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারের অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানসহ দেশি-বিদেশি কূটনৈতিক, রাজনৈতিক নেতা, আমন্ত্রিত অতিথি ছাড়াও কুচকাওয়াজ ও মনোজ্ঞ ফ্লাইপাস্ট দেখতে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে এসেছিলেন হাজারো দর্শনার্থী।

স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ ভোর ৬টার দিকে তারা ফুল দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়।রাষ্ট্রপতির সাথে আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদনের পরই মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে ব্রিটেনের রাজার শুভেচ্ছা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে ব্রিটেনের রাজার শুভেচ্ছা বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস। আজ এ তথ্য জানিয়েছে ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন। রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো চিঠিতে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস বলেন, আপনাদের জাতীয় দিবসের এই আনন্দময় মুহূর্তে আমি ও আমার স্ত্রী রাষ্ট্রপতি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে আমাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতার সঙ্গে আমাদের দুদেশের মধ্যকার সেই চিরস্থায়ী অংশীদারিত্বের কথা স্মরণ করছি, যা আমাদের কমনওয়েলথকে সংজ্ঞায়িত করে এমন অভিন্ন মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ব্রিটেনের রাজা বলেন, যুক্তরাজ্যজুড়ে ৬ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষ বসবাস করেন, যারা আমাদের জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন, আমাদের সমাজকে সমৃদ্ধ করছেন এবং আমাদের দুদেশের মধ্যকার চিরস্থায়ী সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছেন। বিশ্বজুড়ে বোঝাপড়া, সহযোগিতা এবং সুযোগ তৈরিতে আমাদের কমনওয়েলথ পরিবার যে ভূমিকা পালন করে, তার জন্য আমি গভীরভাবে গর্বিত। কমনওয়েলথের সমৃদ্ধ বৈচিত্র্য এবং এর তরুণ প্রজন্মের উদ্যম আশা ও অগ্রগতির অনুপ্রেরণা জুগিয়ে চলেছে। এই বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার সময়ে, আমাদের সম্মিলিত শক্তি ও ঐক্য আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, আমি নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকে আমাদের দেশগুলোর একত্রিত হওয়ার সুযোগের জন্য উন্মুখ হয়ে আছি, যেখানে আমরা আমাদের যৌথ অঙ্গীকারগুলো পুনর্ব্যক্ত এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে পারব। জলবায়ু কার্যক্রমে আমাদের সহযোগিতা আমাদের সম্পর্কের একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হিসেবেই রয়েছে। আমি স্থিতিস্থাপকতা তৈরিতে ও টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দৃঢ় নেতৃত্বের অত্যন্ত প্রশংসা করি। কারণ আমরা একসঙ্গে আমাদের পরিবেশ রক্ষা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য আরও টেকসই ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কাজ করে চলেছি। রাজা তৃতীয় চার্লস বলেন, আমার স্ত্রী ও আমি আপনার এবং বাংলাদেশের সব মানুষের জন্য আগামী বছরটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ হোক এই কামনায় আমাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

স্বাধীনতা দিবসে ভারতের রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা

স্বাধীনতা দিবসে ভারতের রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন। আজ পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তায় ভারতের রাষ্ট্রপতি বলেন, ভারতের সরকার, জনগণ ও আমার নিজের পক্ষ থেকে, আপনাদের জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আপনাকে এবং বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণকে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ একটি অভিন্ন ইতিহাস, সুগভীর সাংস্কৃতিক সংযোগ ও দীর্ঘস্থায়ী ভাষাগত ঐতিহ্যের মাধ্যমে আবদ্ধ, যা আমাদের ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্বের ভিত্তিটিকে রূপদান করে। বছরের পর বছর ধরে, আমরা সংযুক্তি, বাণিজ্য, উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ ও শিক্ষাসহ প্রধান খাতগুলোতে জনগণ-কেন্দ্রিক উন্নয়নকে অগ্রসর করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে সীমান্তের উভয় পাশের নাগরিকদের কাছে বাস্তবিক সুফল পৌঁছে দিয়েছি। ভারত আমাদের দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করার জন্য এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য আগ্রহী। অনুগ্রহ করে পুনরায় আমার সর্বোচ্চ বিবেচনার আশ্বাস এবং বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক শুভকামনা গ্রহণ করুন।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রী মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আগামীকাল ভোর ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখান থেকে ঢাকা ফেরার সময় সকাল ৭টার মধ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এরপর সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে’ মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

দেশে ফুরিয়ে আসছে অকটেন-পেট্রোলের মজুত

দেশে ফুরিয়ে আসছে অকটেন-পেট্রোলের মজুত ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে সৃষ্ট যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়েছে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাও। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সময়মতো তেল দিতে না পারায় দেশের জ্বালানির মজুতে টান পড়তে শুরু করেছে। একদিকে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির চাপ, অন্যদিকে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়ায় কনডেনসেট সংকট এবং বাজারে সিন্ডিকেটের কারসাজি- সব মিলিয়ে চরম জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতি বছর গড়ে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে, যা ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধন করা হয়। তেলের লাইনে দীর্ঘ অপেক্ষা, সংকটের নেপথ্যে কী? দেশে বর্তমানে সব মিলিয়ে প্রায় ৪৫ দিনের জ্বালানি তেল মজুতের সক্ষমতা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকা ডিজেলের মজুত ক্ষমতা ৬ লাখ ২৪ হাজার ১৮৯ টন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে ডিজেলের বার্ষিক চাহিদা ছিল ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টন। সেই হিসেবে মাসিক চাহিদা ৩ লাখ ৬০ হাজার টন এবং দৈনিক গড় চাহিদা ১২ হাজার টন। অপরিশোধিত তেলের পাশাপাশি ভারত ও চীন থেকে বছরে প্রায় ৪৫ লাখ টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে বাংলাদেশ। তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে সরবরাহকারী এই রিফাইনারিগুলোও সংকটে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ, ভারত ও চীনের এসব রিফাইনারির একটি বড় অংশ ইরান থেকে স্বল্পমূল্যে তেল আমদানি করে। এরপর পরিশোধন করে তারা বাংলাদেশে সরবরাহ করে। বর্তমান মজুত পরিস্থিতি কী? বিপিসি সূত্র জানায়, দেশে বর্তমানে সব মিলিয়ে প্রায় ৪৫ দিনের জ্বালানি তেল মজুতের সক্ষমতা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকা ডিজেলের মজুত ক্ষমতা ৬ লাখ ২৪ হাজার ১৮৯ টন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে ডিজেলের বার্ষিক চাহিদা ছিল ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টন। সেই হিসেবে মাসিক চাহিদা ৩ লাখ ৬০ হাজার টন এবং দৈনিক গড় চাহিদা ১২ হাজার টন। চলতি মার্চ মাসে ডিজেলের চাহিদা বেড়ে ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৫০ টনে দাঁড়িয়েছে। গত ২১ মার্চ পর্যন্ত দেশে ১ লাখ ৫২ হাজার ৫৩৯ টন ডিজেল মজুত ছিল। দৈনিক ১২ হাজার ৭৭৭ টন সরবরাহ অনুযায়ী বর্তমানে এই মজুতে আর মাত্র ১২ দিন চলা সম্ভব। অন্যদিকে, দেশে অকটেনের মজুত সক্ষমতা ৫৩ হাজার ৩৬১ টন। মার্চ মাসে এর গড় চাহিদা ছিল ৩৬ হাজার ৭০০ টন। বর্তমানে অকটেনের মজুত ৯ হাজার ৮২৯ টনে নেমে এসেছে। দৈনিক ১ হাজার ১৯৩ টন সরবরাহ বিবেচনায় দেশে এখন মাত্র ৮ দিনের অকটেন মজুত রয়েছে। গত এক বছরে দেশে গ্যাসের সামগ্রিক উৎপাদন প্রতিদিন গড়ে ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট কমেছে। বর্তমানে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি মালিকানাধীন ২২টি গ্যাসফিল্ড থেকে দৈনিক ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ১ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এমনকি দেশের বৃহত্তম গ্যাসফিল্ড তিতাসের ২৬টি কূপ থেকে এ বছর দৈনিক ৩১৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে, গত বছর যা ছিল ৩৭৮ মিলিয়ন ঘনফুট।  দেশে পেট্রোলের মজুত সক্ষমতা ৩৭ হাজার ১৩ টন। চলতি মার্চ মাসে পণ্যটির গড় চাহিদা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ১০০ টনে। বর্তমানে পেট্রোলের মজুত রয়েছে ১৬ হাজার ২২৫ টন। দৈনিক গড়ে ১ হাজার ৪৯৬ টন সরবরাহ বিবেচনায় এই মজুতে আর মাত্র ১১ দিন চলা যাবে। অন্যান্য জ্বালানির মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের মজুত সক্ষমতা ১ লাখ ৪৪ হাজার ৮৬৯ টন। বর্তমানে দেশে ৪৪ হাজার ৪১৪ টন ফার্নেস অয়েল মজুত রয়েছে। দৈনিক ২ হাজার ৪১৯ টন সরবরাহ অনুযায়ী এই মজুতে আগামী ১৮ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। বিমানে ব্যবহৃত জ্বালানি বা জেট ফুয়েলের মজুত সক্ষমতা রয়েছে ৬৪ হাজার ১১৮ টন। বর্তমানে দেশে জেট ফুয়েলের মজুত রয়েছে ৩৬ হাজার ৬৬১ টন। দৈনিক গড়ে ১ হাজার ৫৪৭ টন চাহিদা অনুযায়ী, এই মজুতে আগামী ২৪ দিন পর্যন্ত সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা যাবে। দেশেই উৎপাদন, তবুও পেট্রোল-অকটেনের সংকট কেন? অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের পাশাপাশি দেশে পেট্রোল ও অকটেন উৎপাদনের একটি অন্যতম প্রধান উৎস হলো কনডেনসেট। প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলনের সময় উপজাত হিসেবে এই তরল হাইড্রোকার্বন পাওয়া যায়। বিগত অর্থবছরে পেট্রোবাংলা বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্র থেকে মোট ৫ লাখ ৯৭ হাজার ৩৭২ টন কনডেনসেট সংগ্রহ ও পরিশোধন করেছে। অকটেন ও পেট্রোল উৎপাদনের উৎস মূলত দুটি, রিফাইনারি ও কনডেনসেট। এখন খতিয়ে দেখা দরকার কোন উৎস থেকে ঠিক কতটুকু তেল পাওয়া যাচ্ছে। অতীতে এই খাতে কখনো এমন ঘাটতি দেখা যায়নি। তাহলে এখন কেন হচ্ছে? কনডেনসেটের একটি অংশ বেসরকারি কোম্পানিগুলো আমদানি করে থাকে। তারা কোনো সিন্ডিকেট বা বাজার ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করছে কি না, সরকারের তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা উচিত। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেইন ব্ল্ছেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে পেট্রোলের মোট চাহিদা ছিল ৪ লাখ ৬২ হাজার ৪৭৫ টন, যার পুরোটিই অভ্যন্তরীণভাবে উৎপাদন করা হয়েছে। অপরিশোধিত তেল থেকে ১৬ শতাংশ উৎপাদন করে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরআল)। বাকি ৮৪ শতাংশ বেসরকারি রিফাইনারি থেকে উৎপাদিত হয়। একইভাবে, দেশের চারটি বেসরকারি সিআরইউ প্ল্যান্ট (কনডেনসেট রিফাইনারি ইউনিট) এবং সিলেটের হবিগঞ্জে পেট্রোবাংলার নিজস্ব সিআরইউ প্ল্যান্টে কনডেনসেট পরিশোধনের মাধ্যমে অকটেন উৎপাদন করা হয়। এই শোধনাগারগুলো তাদের উৎপাদিত তেল সরাসরি বিপিসির বিভিন্ন ডিপোতে সরবরাহ করে। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে অকটেনের ৪ লাখ ১৫ হাজার টন চাহিদার বিপরীতে দেশীয় উৎপাদন পর্যাপ্ত ছিল না। ফলে অভ্যন্তরীণ ঘাটতি মেটাতে বিপিসিকে বিদেশ থেকে ‘৯৫ রন’ (95 RON) মানের পরিশোধিত অকটেন আমদানি করতে হয়। গত অর্থবছরে মোট ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৩ টন এমন অকটেন আমদানি করেছে বিপিসি। দেশে উৎপাদিত পেট্রোল ও অকটেনের এই ঘাটতির প্রধান কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন কমে যাওয়াকে দায়ী করছে বিপিসি। সাধারণত গ্যাস উত্তোলন কমলে উপজাত হিসেবে পাওয়া কনডেনসেট উত্তোলনও হ্রাস পায়। ডিপো থেকে পাম্পগুলো চাহিদামাফিক তেল সরবরাহ পাচ্ছে না। পেট্রোল ও অকটেন দেশেই উৎপাদিত পণ্য। তাই এর কৃত্রিম সংকট হওয়ার কোনো কারণ নেই। মূলত আগামী মাসের ১ তারিখে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে পারে, এমন সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বেসরকারি সিআরইউগুলো (কনডেনসেট রিফাইনারি ইউনিট) বিপিসিকে তেল দিচ্ছে না। ফলে এই সংকট বাড়ছে পেট্রোবাংলার তথ্যমতে, গত এক বছরে দেশে গ্যাসের সামগ্রিক উৎপাদন প্রতিদিন গড়ে ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট কমেছে। বর্তমানে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি মালিকানাধীন ২২টি গ্যাসফিল্ড থেকে দৈনিক ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ১ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এমনকি দেশের বৃহত্তম গ্যাসফিল্ড তিতাসের ২৬টি কূপ থেকে এ বছর দৈনিক ৩১৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে, গত বছর যা ছিল ৩৭৮ মিলিয়ন ঘনফুট। এ ছাড়া পেট্রোল-অকটেনের এই মুহূর্তের সংকটের নেপথ্যে সিন্ডিকেটের কারসাজিকেও দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেইন বলেন, অকটেন ও পেট্রোল উৎপাদনের উৎস মূলত দুটি, রিফাইনারি ও কনডেনসেট। এখন খতিয়ে দেখা দরকার কোন উৎস থেকে ঠিক কতটুকু তেল পাওয়া যাচ্ছে। অতীতে এই খাতে কখনো এমন ঘাটতি দেখা যায়নি। তাহলে এখন কেন হচ্ছে? কনডেনসেটের একটি অংশ বেসরকারি কোম্পানিগুলো আমদানি করে

জ্বালানি তেল আছে; ১ মাসের রিজার্ভ বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের

জ্বালানি তেল আছে; ১ মাসের রিজার্ভ বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের দেশে ১ মাসের জ্বালানি তেল আছে। সরকার এই রিজার্ভ আরও বড় করার পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. নাসিমুল গনি। আজ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। সন্ধ্যায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, জ্বালানি তেলের সাফিসিয়েন্ট (যথেষ্ট) রিজার্ভ আছে। এক মাসের রিজার্ভ আছে। রিজার্ভ আরও বড় করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।