২ লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস-কেডস বিতরণের ঘোষণা

২ লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস-কেডস বিতরণের ঘোষণা দেশের শিক্ষা খাতের আধুনিকায়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৮০ দিনের বিশেষ অগ্রাধিকার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এই কর্মসূচির আওতায় ‘জুলাই বিপ্লবে’ শহীদ ও আহতদের সন্তানদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতকরণসহ সংশ্লিষ্টদের একগুচ্ছ নির্দেশনা দেন মন্ত্রী। পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর মঙ্গলবার প্রথম কর্মদিবসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় তিনি এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। সভায় তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য বাস্তবায়নে এই ১৮০ দিনের কর্মসূচি, ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের পরিকল্পনা এবং আগামী পাঁচ বছরের শিক্ষা খাতের উন্নয়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সভায় শিক্ষামন্ত্রী সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শিক্ষা খাতে আধুনিকায়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা এবং ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়াও বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও জুতা (কেডস) প্রদান, বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থী ঋণ সুবিধা এবং হাফেজে কুরআনদের সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়েও জোর দেন তিনি। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণের জট দূর করতে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। প্রয়োজনে একাধিক শিফটে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দ্রুত সব শিক্ষকের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। জাতীয়করণকৃত ৫০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সি শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার নির্দেশনা দেন। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় মোট দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও কেডস বিতরণ করা হবে। একই সাথে খুব দ্রুততম সময়ে সারা দেশে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও কেডস প্রাথমিকের সকল শিক্ষার্থীকে দেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি, এক বছরের মধ্যে প্রাথমিক, কারিগরি, মাদ্রাসা এবং স্কুল-কলেজের সকল শিক্ষকদের হাতে ট্যাব সরবরাহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সভায় গণঅভ্যুত্থান ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের সন্তান এবং আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী ‘জুলাই শিক্ষার্থী যোদ্ধা’দের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। এছাড়া, ২ লাখ শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে উপজেলা পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াড চালু এবং প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও বিতর্ক ক্লাব গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শিক্ষামন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। এ কর্মসূচি দেশের মানুষের কল্যাণে এবং তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের যে স্বপ্ন তা বাস্তবায়ন করাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য।’ সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে বিশ্বব্যাংকের লাল তালিকায় বাংলাদেশ

খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে বিশ্বব্যাংকের লাল তালিকায় বাংলাদেশ বাংলাদেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির কারণে বিশ্বব্যাংকের ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ‘লাল তালিকায়’ রয়েছে বাংলাদেশ। দীর্ঘ সময় ধরে খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় এর প্রভাব ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। বিশ্বব্যাংক গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত বৈশ্বিক খাদ্য মূল্যস্ফীতির চিত্র তুলে ধরলেও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯.৩০ শতাংশ, যা গত ১৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১০.৭২ শতাংশ। এরপর কিছুটা কমে এলেও সাম্প্রতিক পাঁচ মাস ধরে আবারও ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। একই সময়ে খাদ্যবহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতি কম নয়; ফেব্রুয়ারি মাসে এ খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯.১ শতাংশ। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই প্রবণতা দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর সবচেয়ে বেশি চাপ সৃষ্টি করছে। কারণ এসব শ্রেণির মানুষের আয়ের বড় অংশই ব্যয় হয় খাদ্যের পেছনে। অনেক ক্ষেত্রে তাদের মোট আয়ের দুই-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত খাবার কিনতেই চলে যায়। ফলে খাদ্যের দাম সামান্য বাড়লেও তাদের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। সহজভাবে বললে, এক বছর আগে যে পরিমাণ খাবার কিনতে ১০০ টাকা খরচ হতো, এখন একই পরিমাণ খাবার কিনতে খরচ হচ্ছে ১০৯ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ প্রতি ১০০ টাকায় খরচ বেড়েছে ৯ টাকা ৩০ পয়সা। এই বাড়তি খরচ সামাল দিতে গিয়ে অনেক পরিবারকে হয় ঋণের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, না হয় খাবারের তালিকা ছোট করতে হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি অনেকটা অদৃশ্য করের মতো কাজ করে। আয় স্থির থাকলেও ব্যয় বেড়ে গেলে মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতি বজায় থাকলে তা দারিদ্র্য বাড়াতে এবং পুষ্টিহীনতার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশে গত তিন বছরের বেশি সময় ধরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি তুলনামূলক বেশি পর্যায়ে রয়েছে। এত দীর্ঘ সময় ধরে এমন পরিস্থিতি অতীতে খুব একটা দেখা যায়নি। এর ফলে নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তি দীর্ঘস্থায়ী আকার নিয়েছে। বিশ্বব্যাংকের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির দেশগুলোকে বিভিন্ন রঙে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে ‘বেগুনি’ শ্রেণি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এবং ‘লাল’ শ্রেণি উচ্চঝুঁকির নির্দেশক। বাংলাদেশ বর্তমানে এই লাল তালিকায় অবস্থান করছে, যা পরিস্থিতির গুরুতর দিকটি তুলে ধরে। একই সময়ে বিশ্বের কয়েকটি দেশ আরো খারাপ অবস্থায় রয়েছে। মালাউয়ি টানা ৯ মাস ধরে বেগুনি শ্রেণিতে রয়েছে। ইরান ও জাম্বিয়া আট মাস এবং তুরস্ক ও আর্জেন্টিনা সাত মাস ধরে এই উচ্চঝুঁকির তালিকায় অবস্থান করছে। অন্যদিকে কিছু দেশ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটিয়ে লাল বা বেগুনি থেকে হলুদ কিংবা সবুজ তালিকায় উঠতে সক্ষম হয়েছে। সার্বিকভাবে দেখা যাচ্ছে, খাদ্য মূল্যস্ফীতির এই ঊর্ধ্বগতি শুধু অর্থনীতির একটি সূচক নয়, বরং এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। আয় না বাড়লেও ব্যয় বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষকে ক্রমেই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যকর নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
স্বাধীনতা দিবসের স্মারক ডাকটিকেট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতা দিবসের স্মারক ডাকটিকেট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকেট অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে তিনি ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম, ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটাকার্ড ও একটি বিশেষ সিলমোহর উদ্বোধন করেন। এসময় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। আজ সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এগুলো অবমুক্ত করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্মারক ডাকটিকেট ও উদ্বোধনী খামে বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অবমুক্ত করা এই স্মারক ডাকটিকেট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটাকার্ড আজ (বুধবার) ঢাকা জিপিওর ফিলাটেলিক ব্যুরো থেকে বিক্রি করা হবে। পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য জিপিও এবং প্রধান ডাকঘরগুলো থেকেও ডাকটিকেট সংগ্রাহক ও সাধারণ গ্রাহকরা এগুলো সংগ্রহ করতে পারবেন।
বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার আশ্বাস

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি সাক্ষাৎ করেছেন। আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, সন্ত্রাসবাদ দমন, সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা, পুলিশসহ বিভিন্ন খাতে সংস্কার, আর্থিক খাতের সংস্কার, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ, স্ক্যাম ও ডিজিটাল প্রতারণা দমন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা, পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি, ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। এসময় রাষ্ট্রদূত নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন। সরকার প্রকৃত সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা নিশ্চিত করতে চায়। দেশের সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশ আয়োজনসহ গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে, তবে তা যেন জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি অতীতের শাসনামলের সমালোচনা করে বলেন, সে সময় রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগে পুলিশকে ব্যবহার করা হয়েছে, যা দুঃখজনক। রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সংস্কারে সুইজারল্যান্ডের পক্ষ থেকে কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বর্তমান সরকারের সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানতে চান এবং কার্যকর সংসদ পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনে শান্তিপূর্ণ বিতর্ক ও আলোচনা গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। সম্প্রতি অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত ১৬-১৭ মার্চের ‘গ্লোবাল ফ্রড সামিট ২০২৬’-এ অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রতারণার প্রায় ৪০ শতাংশই ডিজিটাল স্ক্যামের মাধ্যমে সংঘটিত হচ্ছে। এটি একটি বৈশ্বিক সংকট এবং আন্তঃদেশীয় সহযোগিতা ছাড়া এ সমস্যা মোকাবিলা সম্ভব নয়। রাষ্ট্রদূতও ডিজিটাল প্রতারণাকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন। বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দেশে চরমপন্থা বা উগ্রবাদ সীমিত পরিসরে থাকলেও তা কখনোই সন্ত্রাসবাদে রূপ নেয়নি। সন্ত্রাসবাদ দমনে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে। আর্থিক খাতের সংস্কার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনে সংস্কার অপরিহার্য। রাষ্ট্রদূত একমত পোষণ করে বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা যেকোনো দেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান শর্ত। তিনি মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা এবং সামগ্রিক সংস্কার কার্যক্রমে সহযোগিতা বাড়ানোর আশ্বাস দেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ শাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান এবং সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের কাউন্সেলর আলবার্তো জিওভানেত্তিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক দপ্তর (ইউএনওডিসি)-এর দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক পরিচালক ক্রিস্টিয়ান হোলজ পৃথক বৈঠকে মিলিত হন।
সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরী নির্দেশনা সারা দেশে শহর ও গ্রাম অঞ্চলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে দিক-নির্দেশনা প্রদানের লক্ষ্যে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়কে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়। আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগে দেওয়া সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ হেলাল চোঁধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গঠিত কমিটির কার্যপরিধি অনুযায়ী ঈদ উল ফিতর ২০২৬ এর ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং বছরব্যাপী এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, বিষয়টি অতীব জরুরী। এমতাবস্থায়, আপনার অধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিম্নোক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো : ক) ঈদ উল ফিতর ২০২৬ এর ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। খ) প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য নিয়মিত তদারকি জোরদার করতে হবে। গ) প্রতি সপ্তাহে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে। ঘ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ ও বাগান পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। ঙ) শিক্ষার্থীদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরী নির্দেশনা সারা দেশে শহর ও গ্রাম অঞ্চলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে দিক-নির্দেশনা প্রদানের লক্ষ্যে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়কে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়। আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগে দেওয়া সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ হেলাল চোঁধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গঠিত কমিটির কার্যপরিধি অনুযায়ী ঈদ উল ফিতর ২০২৬ এর ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং বছরব্যাপী এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, বিষয়টি অতীব জরুরী। এমতাবস্থায়, আপনার অধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিম্নোক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো : ক) ঈদ উল ফিতর ২০২৬ এর ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। খ) প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য নিয়মিত তদারকি জোরদার করতে হবে। গ) প্রতি সপ্তাহে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে। ঘ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ ও বাগান পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। ঙ) শিক্ষার্থীদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। সারা দেশে শহর ও গ্রাম অঞ্চলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে দিক-নির্দেশনা প্রদানের লক্ষ্যে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়কে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়। আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগে দেওয়া সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ হেলাল চোঁধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গঠিত কমিটির কার্যপরিধি অনুযায়ী ঈদ উল ফিতর ২০২৬ এর ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং বছরব্যাপী এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, বিষয়টি অতীব জরুরী। এমতাবস্থায়, আপনার অধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিম্নোক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো : ক) ঈদ উল ফিতর ২০২৬ এর ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। খ) প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য নিয়মিত তদারকি জোরদার করতে হবে। গ) প্রতি সপ্তাহে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে। ঘ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ ও বাগান পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। ঙ) শিক্ষার্থীদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ দপ্তরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল ৯টা ২ মিনিটে সচিবালয়ে আসেন এবং তার কিছু দাপ্তরিক কাজ সারেন। এরপর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে স্মারক ডাক টিকিট উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ দপ্তরে তিনি ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয়’ নিয়ে সভায় সভাপতিত্ব করেন।
দেশে তেলের পর্যাপ্ত মজুত, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী

দেশে তেলের পর্যাপ্ত মজুত, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে সাম্প্রতিক উদ্বেগের মধ্যে সরকার জানিয়েছে, দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল মজুত রয়েছে এবং কোনো ধরনের সংকট নেই। এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দেশে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনসহ সব ধরনের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। প্রয়োজন হলে স্পট মার্কেট থেকে বেশি দামে তেল কিনে হলেও সরকার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখছে। ইতোমধ্যে নতুন তেলবাহী জাহাজ নিয়মিত বন্দরে পৌঁছাচ্ছে বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে আরও প্রায় ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের হিসাব অনুযায়ী, নতুন সরবরাহ ছাড়াই এ মজুত দিয়ে ২০ থেকে ২২ দিনের চাহিদা পূরণ সম্ভব। এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। কিছু অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এ অবস্থায় প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল মজুত না করে দায়িত্বশীল আচরণ করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। সরকার বলছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। সঠিক তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ওপর আস্থা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
২০০ বছরের পুরনো মসলিন পুনরুদ্ধারে কাজ করছে সরকার: বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী

২০০ বছরের পুরনো মসলিন পুনরুদ্ধারে কাজ করছে সরকার: বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী বাংলার ঐতিহ্যের অন্যতম নিদর্শন প্রায় ২০০ বছর পুরোনো মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধারে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। তিনি বলেন, হারিয়ে যাওয়া মসলিনের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে গবেষণা কার্যক্রম জোরদারসহ প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার নোয়াপাড়ায় ‘জামদানি ভিলেজ’ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, মসলিন পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বাস্তবায়নাধীন জামদানি ভিলেজ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতেই এই পরিদর্শন। তিনি বলেন,‘জামদানি শিল্পের শেকড় অনুসন্ধানে আমরা ইংল্যান্ড পর্যন্ত গিয়েছি এবং সেখান থেকে এই শিল্পের ঐতিহাসিক তথ্য ও ঐতিহ্য সংগ্রহ করেছি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দক্ষ কারিগরদের সম্পৃক্ত করে পুনরুদ্ধার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’ বন্ধ পাটকল পুনরায় চালুর বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বন্ধ পাটকলগুলো চালু করার প্রক্রিয়া চলছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি পাটকল পুনরায় চালু হয়েছে এবং বাকিগুলোও চালুর অপেক্ষায় রয়েছে। এর মাধ্যমে বেকার যুবকদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরও জানান, দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পাট শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী জামদানি শিল্পের উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে চলমান কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যালোচনা করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং স্থানীয় তাঁতীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি ‘আব-ই-রওয়ান’ প্রদর্শনী কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং মসলিন তৈরির বিভিন্ন ধাপ—কার্পাস তুলা থেকে সুতা তৈরি ও সেই সুতা দিয়ে কাপড় বোনার প্রক্রিয়া ঘুরে দেখেন। প্রদর্শনীতে রাখা মসলিন সুতার তৈরি বিভিন্ন কাপড়ও তিনি পরিদর্শন করেন।
জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ কর্তৃক গঠিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিন এমপি। আজ জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।এসময় কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এমপি, চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম এমপি, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এমপি, ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক এমপি, এ. এম. মাহবুব উদ্দিন এমপি, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এমপি, মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এমপি, মো. মুজিবুর রহমান এমপি, মো. রফিকুল ইসলাম খান এমপি এবং জি. এম. নজরুল ইসলাম এমপি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের শুরুতে ২০২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ছাত্র-জনতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন ও মোনাজাত করা হয়। কমিটি পরবর্তী বৈঠকে অন্যান্য অধ্যাদেশগুলো নিয়ে আলোচনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কমিটি অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয়তা ও যথার্থতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট আকারে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পেশ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত, বজ্রবৃষ্টির আভাস

নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত, বজ্রবৃষ্টির আভাস দেশের চারটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। আজ বিকাল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। সতর্কবার্তায় বলা হয়- রংপুর, ময়মনসিংহ, পাবনা ও টাঙ্গাইল অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এদিকে সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া, দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।