সৌদিপ্রবাসী বাংলাদেশিরা যাতায়াত করতে পারবেন ২০ হাজার টাকায়

সৌদিপ্রবাসী বাংলাদেশিরা যাতায়াত করতে পারবেন ২০ হাজার টাকায় প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সাশ্রয়ী ভাড়ায় দেশে যাতায়াতের সুযোগ নিশ্চিত করতে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে সৌদি আরব ও বাংলাদেশ রুটে একমুখী টিকিটের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ২০ হাজার টাকা, যা প্রবাসী কর্মীদের পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সাক্ষাতকে আরো সহজ ও সাশ্রয়ী করবে। এ প্রসঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানান, এই বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় সৌদি আরব ও বাংলাদেশ মিলিয়ে মোট ৮০ হাজার টিকিট বিক্রির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে বিমানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ১০০ কোটিরও বেশি টাকা অতিরিক্ত আয় অর্জনের বাস্তব সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। এই ব্যবস্থায় মদিনা-ঢাকা ও জেদ্দা-ঢাকা রুটে একমুখী সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ২০,৫০০ টাকা। মদিনা-ঢাকা-মদিনা এবং জেদ্দা-ঢাকা-জেদ্দা রুটে রিটার্ন টিকিটের সর্বনিম্ন ভাড়া ৪২,০০০ টাকা।

সরকারি কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর প্রচার চালাতে পারবেন না

সরকারি কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর প্রচার চালাতে পারবেন না ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ এর পক্ষে প্রচারণা করতে পারবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ সংক্রান্ত নির্দেশনা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছেন। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৮৬ এর বিধানাবলীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণপূর্বক জানানো যাচ্ছে যে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন। তবে তিনি গণভোটে ‌‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে বা ‘না’ এর পক্ষে ভোট প্রদানের জন্য জনগণকে কোনো ধরনের আহ্বান জানাতে পারবেন না। কেননা, এ ধরনের কার্যক্রম গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে, যা গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের বলা হয়েছে নির্দেশনায়। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আচরণবিধি লঙ্ঘনে ১১৯ মামলা, জরিমানা সোয়া ১২ লাখ টাকা

আচরণবিধি লঙ্ঘনে ১১৯ মামলা, জরিমানা সোয়া ১২ লাখ টাকা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ১১৯ মামলা ও ১২ লাখ ২৪ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা করেছে নির্বাচন কমিশনের মাঠ কর্মকর্তারা।  আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব ও এনআইডি অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন) মো. সাইফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।  সাইফুল জানান, প্রতিদিন নির্বাচনে মাঠ পর্যায়ের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে নানা কার্যক্রম এর মধ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘনে মামলা ও জরিমানা করা হচ্ছে।  গত ৮ জানুয়ারি থেকে ২৮ জানুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালন/অভিযোগ বিষয়ে গৃহীত ব্যবস্থা (জেল/জরিমানা) সম্পর্কে প্রতিবেদন জানা যায়, ১৭৬টি নির্বাচনি এলাকায় ১৯২টি আচরণবিধি ভঙ্গের ঘটনা ঘটেছে। এতে মোট জরিমানা করা হয়েছে ১২ লাখ ২৪ হাজার ৩০০ টাকা। আর মামলা করা হয়েছে ১১৯টি। নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, ইসির কাছে কোনো অভিযোগ এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে রিটার্নিং অফিসার, মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছে। প্রতিদিনই তারা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে। আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট পাচ্ছি কেস রুজু হচ্ছে; কোথাও জরিমানা হচ্ছে; কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম আপনার জোরেশোরে চলছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২ হাজারের কাছাকাছি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচারণা চালতে পারবেন এসব প্রার্থীরা। আর ভোটগ্রহণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

সোনা-রুপার দামে টানা রেকর্ড, ভরিতে বাড়ল ১৬ হাজার

সোনা-রুপার দামে টানা রেকর্ড, ভরিতে বাড়ল ১৬ হাজার দেশের বাজারে সোনা-রুপার দামে টানা রেকর্ড। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাড়ানো হয়েছে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার ০১ টাকা হয়েছে। একইসঙ্গে রুপার দামও ৮১৭ টাকা বাড়িয়ে ৮ হাজার ৫৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। বৃহস্পতিবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতোদিন ভালো মানের এক ভরি সোনার সর্বোচ্চ দাম ছিল ২ লাখ ৬৯ হাজার ৭৮৮ টাকা। গতকাল পর্যন্ত এটাই ছিল সোনার সর্বোচ্চ দাম। আজকে আবার সোনার দাম বাড়ানো হলো। এতে করে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। নতুন দাম অনুযায়ী: সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৮৬ হাজার ০১ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১৬ হাজার ৫১৪ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১৩ হাজার ২৩৯ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১১ হাজার ৩১৪ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা।  

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার নিষিদ্ধ, ‘আচরণবিধি’ মানতে ইসির নির্দেশ

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার নিষিদ্ধ, ‘আচরণবিধি’ মানতে ইসির নির্দেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার না করাসহ আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বিষয়ে সব রিটার্নিং অফিসারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। বুধবার ইসি সচিবালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচারণায় লিফলেট, হ্যান্ডবিল, পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিধি নিষেধ রয়েছে। বিশেষ করে কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এ ছাড়া আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে এবং নির্বাচনী পোস্টার মুদ্রণ বন্ধে প্রিন্টিং প্রেসগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার জন্যও রিটার্নিং অফিসারদের বলা হয়েছে।

দেশে ফিরলেন ভারতে আটকে থাকা ১২৮ মৎস্যজীবী

দেশে ফিরলেন ভারতে আটকে থাকা ১২৮ মৎস্যজীবী প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে আটকে থাকা ১২৮ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে বাংলাদেশ সরকার। এরই মধ্যে গণমাধ্যমের কাছে মৎস্যজীবীদের দেশে ফেরানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক প্রত্যাবাসন ব্যবস্থার আওতায় এই মৎস্যজীবীদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে। একই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে আটকে থাকা ২৩ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীকেও ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ ও ভারতের আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমা বরাবর বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, ভারতীয় কোস্ট গার্ডের কাছ থেকে বাংলাদেশের মালিকানাধীন পাঁচটি ফিশিং বোটসহ ১২৮ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে গ্রহণ করে। একই সময়ে ভারতের মালিকানাধীন দুইটি ফিশিং বোটসহ ২৩ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীকে ভারতীয় কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়। উল্লেখ্য, এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করেছে।

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে তার কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন দুপুরে তথ্য অধিদপ্তরের এক বিবরণীতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বৈঠকে উপদেষ্টা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে তার সঙ্গেই কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র

জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে তার সঙ্গেই কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কারও পক্ষ নেবে না৷ জনগণ যাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে তারা সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করবে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে আমি খুবই আগ্রহী। আমি এই নির্বাচনের অপেক্ষায় আছি এবং এর ফলাফল দেখার জন্য মুখিয়ে আছি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করার অধিকার একমাত্র বাংলাদেশের জনগণের, এবং শুধু বাংলাদেশের জনগণেরই। বাংলাদেশের জনগণ যাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবে, আমরা সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত। রাষ্ট্রদূত বলেন, গত সপ্তাহে যখন আমি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করি, তিনি আমাকে বলেন যে—তিনি আশা করছেন, নির্বাচন দিবসটি একটি উৎসবমুখর দিন হবে। আমি আশা করি এটি একটি আনন্দময় ও উৎসবপূর্ণ নির্বাচন হবে, যেখানে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনভাবে গিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবেন এবং আপনারা একটি অত্যন্ত সফল নির্বাচন সম্পন্ন করবেন। ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার যে তথ্যগুলো আমার সঙ্গে শেয়ার করেছেন, সেগুলো নিয়ে আমি খুবই সন্তুষ্ট। আপনাদের সবার মতো আমিও ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের ফলাফলের অপেক্ষায় আছি। এর আগে বেলা ১২টার দিকে সিইসির দপ্তরে বৈঠক শুরু হয়। এতে ইসি সচিব আখতার আহমেদও অংশ নিয়েছেন। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ডেভিড মু ও ফিরোজ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

৪ লাখ ৩২ হাজার প্রবাসীর ভোটদান সম্পন্ন

৪ লাখ ৩২ হাজার প্রবাসীর ভোটদান সম্পন্ন আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে পোস্টাল ভোট বিডি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৯ জন প্রবাসী ভোটার ভোটদান সম্পন্ন করেছেন। বুধবার প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত পোস্টাল ভোট বিডি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট সংশ্লিষ্ট প্রবাসী গন্তব্যের দেশে পৌঁছেছে। ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৩২৮ জন প্রবাসী ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ভোটার কর্তৃক ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৯ প্রবাসী ভোটার। ভোটার কর্তৃক সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস/ডাক বাক্সে জমা দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৫৭৯টি ব্যালট। বাংলাদেশে পৌঁছেছে ২৯ হাজার ৭২৮টি পোস্টাল ব্যালট। তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে (দেশে এবং প্রবাসী মিলে) মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।

সরকারি কর্মকর্তাদের ৫ বছরের বেশি চাকরি করা উচিত না : প্রধান উপদেষ্টা

সরকারি কর্মকর্তাদের ৫ বছরের বেশি চাকরি করা উচিত না : প্রধান উপদেষ্টা সরকারি কর্মকর্তাদের ৫ বছরের বেশি সরকারি চাকরি করা উচিত নয় বলে মনে করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের পাঁচ বছরের বেশি চাকরি করা উচিৎ না। তাহলে তার মাইন্ড সেট হয়ে যায়। সৃজনশীলতা নষ্ট হয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ বছর পর পর নতুন করে শুরু করা উচিত। কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লক্ষ্য পরিবর্তন হলেও মানুষরা সেই প্রতিষ্ঠানে পুরোনো ধ্যান ধারণা নিয়ে বসে রয়েছে।’ আজ বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো-২০২৬’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’-এর ওয়েবসাইট ও লোগো উন্মোচন করেন। সবাইকে চাকরির দিকে না ঝুঁকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ দেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘সবার জন্য চাকরি নিশ্চিতের ধারণা একটি ভুল জিনিস। এটি একটি দাস প্রথার শামিল। উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য সরকারকে সহায়তা করতে হবে। জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘দেশের রাজনীতিতে জুলাই আন্দোলন যেমন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছিল, তেমনই ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন সম্ভাবনার উন্মোচন করবে। জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।  আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। পরে প্রধান উপদেষ্টা প্রদর্শনীর বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।