নতুন আইজিপিকে র‌্যাংক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী

নতুন আইজিপিকে র‌্যাংক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী পুলিশের নবনিযুক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরকে র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নিজ কার্যালয়ে র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি আলী হোসেন ফকিরকে আইজিপি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে গতকাল প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (পুলিশ-১ শাখা)।

বইমেলা শুরু হচ্ছে আগামীকাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বইমেলা শুরু হচ্ছে আগামীকাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ আগামীকাল শুরু হতে যাচ্ছে। এবারের বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’। এদিন দুপুর ২টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৫ প্রদান করবেন তিনি। অমর একুশে বইমেলা ১৫ মার্চ পর্যন্ত ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে কেউ মেলা চত্বরে প্রবেশ করতে পারবে না।

৯ এপ্রিল থেকে শুরু ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা

৯ এপ্রিল থেকে শুরু ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা আগামী ৯ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিএসসি সচিবালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান। পিএসসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ এপ্রিল লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়ে সম্ভাব্য ফল প্রকাশ করা হবে ৩০ জুলাই। এরপর ১০ আগস্ট থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে এবং ২৫ নভেম্বর চূড়ান্ত ফল প্রকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কমিশন এক বছরের মধ্যে পুরো বিসিএস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ফলে ১২ হাজার ৩৮৫ জন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হন।

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফল প্রকাশ করা হয়।  শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফল প্রকাশ করেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও উপস্থিত ছিলেন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জেএস (ভোকেশনাল) ও জেডিসি (ভোকেশনাল) থেকে ২০৮ জন বৃত্তি পেয়েছে। ট্যালেন্টপুলে ৮৯ জন ও সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১১৯ জনসহ মোট ২০৮ জন বৃত্তি পেয়েছে। গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাড়ে তিন লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ ক্যাটাগরিতে এ বছর ৪৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। যেভাবে দেখা যাবে জুনিয়র বৃত্তির ফল প্রথমত এসএমএস পদ্ধতিতে জানা যাবে জুনিয়র ফলাফল। এ ক্ষেত্রে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে বোর্ডের নাম, রোল নাম্বার এবং সাল টাইপ করে ১৬২২২ নম্বরে পাঠিয়ে দিলেই ফিরতি মেসেজে রেজাল্ট জানা যাবে। দ্বিতীয়ত অনলাইন পদ্ধতিতে দেখা যাবে এই ফল। এক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Scholarship Result’ অপশনে রোল নাম্বার ও সাল (২০২৬) দিলেই ফল দেখা যাবে।

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চিঠি, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের নতুন নির্দেশনা

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চিঠি, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের নতুন নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় বাস্তবায়নাধীন সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও ব্যাংক হিসাব সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ করার জন্য নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী ৮ মার্চের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত চিঠিতে বিষয়টি ‘অতীব জরুরি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। চিঠিতে জানানো হয়, বর্তমানে HSP-MIS সফটওয়্যারে সক্রিয় সুবিধাভোগী শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে শিক্ষার্থীর বাবা-মা জীবিত থাকা সত্ত্বেও ‘অন্যান্য ব্যক্তিকে অভিভাবক’ হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে এবং সেই ব্যক্তির নামে ব্যাংক হিসাব নম্বর এন্ট্রি দেওয়া হয়েছে, তাদের তথ্য সংশোধন করা প্রয়োজন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এই শিক্ষার্থীদের জন্য বাবা-মাকে অভিভাবক হিসেবে নির্বাচন এবং বাবা-মা অথবা শিক্ষার্থীর নিজের নামে স্কুল ব্যাংকিং হিসাব নম্বর এন্ট্রি করতে হবে। যেসব শিক্ষার্থীর বাবা-মা জীবিত থাকা সত্ত্বেও তাদের NID নম্বর HSP-MIS-এ এন্ট্রি করা হয়নি, সেক্ষেত্রেও শিক্ষক ও প্রশাসনকে শিক্ষার্থীর নিজের নামে ব্যাংকিং হিসাব নম্বর এন্ট্রি করতে হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ আছে। ট্রাস্ট জানিয়েছে, অন্য কারো নামে হিসাব নম্বর এন্ট্রি করে অর্থ প্রাপ্তির কারণে যদি সরকারের কোনো আর্থিক ক্ষতি হয়, তবে তার দায়ভার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে। চিঠিতে উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বিষয়টি অবহিত করার পাশাপাশি কার্যক্রম নিবিড়ভাবে মনিটরিং করবেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুরোধ করা হয়েছে, আগামী ৮ মার্চের মধ্যে HSP-MIS সফটওয়্যারে তথ্য সংশোধন বা হালনাগাদ করার জন্য।  

২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুদের জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে মিলবে না প্রবেশপত্র

২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুদের জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে মিলবে না প্রবেশপত্র ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) পদ্ধতিতে ২০টি সাধারণ ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ডাউনলোড করা যাবে প্রবেশপত্র। এ সময়ের মধ্যে ছবি ও সেলফি গৃহীত না হলে ডাউনলোড করা যাবে না প্রবেশপত্র। ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ছবি ও সেলফি ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সঠিকভাবে গৃহীত না হলে প্রবেশপত্র ডাউনলোড তথা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে না। চলতি মাসের ১৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর আগে, গত বছরের ৭ ডিসেম্বর গুচ্ছের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ৩ দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে গত ১৬ জানুয়ারি ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া সমাপ্ত হয়। ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৭ মার্চ মার্চ ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ৩ এপ্রিল ‘বি’ ইউনিট এবং ১০ এপ্রিল ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৩০। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য সেকেন্ড টাইম আবেদনের সুযোগ রয়েছে। গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, ১৪ নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।

চলতি বছরের ফিতরার হার নির্ধারণ

চলতি বছরের ফিতরার হার নির্ধারণ চলতি বছরের সাদাকাতুল ফিতরের (ফিতরা) হার নির্ধারণ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এবার জনপ্রতি সর্বোচ্চ দুই হাজার ৮০৫ টাকা এবং সর্বনিম্ন ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের খতীব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ মতে আটা, যব, কিসমিস, খেজুর ও পনির ইত্যাদি গণ্যগুলোর যেকোনো একটি দ্বারা ফিতরা  আদায় করা যায়। গম বা আটা দ্বারা ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা’ বা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ১১০ (একশ দশ) টাকা প্রদান করতে হবে। যব দ্বারা আদায় করলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৫৯৫ (পাঁচশত পঁচানব্বই) টাকা, খেজুর দ্বারা আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২৪৭৫ (দুই হাজার চারশত পঁচাত্তর) টাকা, কিসমিস দ্বারা আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২৬৪০ (দুই হাজার ছয়শত চল্লিশ) টাকা ও পনির দ্বারা আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২৮০৫ (দুই হাজার আটশত পাঁচ) টাকা ফিতরা প্রদান করতে হবে।   দেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের বাজার মূল্যের ভিত্তিতে এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।  মুসলমানগণ নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এসব পণ্যের যেকোনো একটি পণ্য বা এর বাজার মূল্য দ্বারা সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন বলে সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ইসলামী ফাউন্ডেশন। উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ পণ্যগুলোর স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। তদানুযায়ী স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে।

১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী 

১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী  আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ দুপুরে নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির একটি সভা হয়েছে এবং এখানে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উপকমিটি ছিল। মন্ত্রিপরিষদের সেই উপকমিটির সুপারিশের আলোকে আজ ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে পাইলটিংয়ের একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রকল্পের পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এই কার্যক্রমের জন্য আমরা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগের ১৪টি উপজেলাকে নির্ধারণ করেছি। এই ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে একটি করে ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে সর্বজনীনভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। ইনশাআল্লাহ, ১০ মার্চ একযোগে এই ১৪টি উপজেলায় কার্যক্রমটি শুরু হবে। এই প্রক্রিয়াটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং পর্যায়ক্রমে তা সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একটা সময়ে বাংলাদেশের যারা হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত এই তিন শ্রেণির সুবিধাভোগী আমাদের যে মা-বোন আছেন, তারাই এটার সুবিধা পাবেন। তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। একজন নারী স্বাবলম্বী হলে একটি পরিবার স্বাবলম্বী হয় এবং এর মাধ্যমে আগামী প্রজন্মও স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রকল্পের ওপর কাজ করেছেন। আজ তার সভাপতিত্বে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা প্রতি মাসে ইনশাআল্লাহ দুই হাজার পাঁচশত (২,৫০০) টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য করা হবে না। এটি একটি সর্বজনীন (ইউনিভার্সাল) কার্ড হবে এবং বর্তমানে এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমি আপনাদের সবার সহযোগিতা কামনা করছি। আপনাদের সহযোগিতায় আমরা আশা করছি যে, আগামী চার মাসের মধ্যে এই পাইলটিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হবে। পরবর্তীতে সারা বাংলাদেশে এটি ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করা হবে এবং প্রতিটি উপজেলা এর আওতায় আসবে। শুরুতে হয়ত পুরো উপজেলা একসঙ্গে কাভার করা সম্ভব হবে না; আমরা প্রথমে একটি ওয়ার্ড, তারপর একটি ইউনিয়ন—এভাবে পর্যায়ক্রমে পুরো উপজেলা এবং সবশেষে সারা বাংলাদেশে এই সেবা পৌঁছে দেব। তিনি আরও বলেন, সুবিধাভোগীদের সরাসরি বাছাই করা হচ্ছে না, বরং তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘরে ঘরে গিয়ে ‘ডোর টু ডোর’ পদ্ধতিতে এই তথ্য সংগ্রহ করা হবে। কোনো অবস্থাতেই ঘরে বসে তালিকা করা হবে না; সরাসরি মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে এটি সম্পন্ন করা হবে এবং এতে কারো প্রতি বৈষম্য করা হবে না। এই সরকারি কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে শক্তিশালী কমিটি থাকবে। একইভাবে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও সরকারি কর্মচারীদের সমন্বয়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হবে। প্রতিটি উপজেলার তদারকির দায়িত্বে থাকবেন একজন করে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা। তথ্যগত ভুলভ্রান্তি কমিয়ে আনতে এই প্রক্রিয়ায় দুই স্তরের ‘চেকিং ও রি-চেকিং’ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

আগামীকাল প্রকাশ হচ্ছে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল

আগামীকাল প্রকাশ হচ্ছে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল আগামীকাল দুপুর ১টায় প্রকাশ করা হবে। আজ দুপুরে ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ঢাকার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার। তিনি জানান, ফল প্রকাশের জন্য সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। আগামীকাল দুপুর ১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ফল প্রকাশ করবে। জানা গেছে, এ বছর মোট ৪৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—এই দুই ধরনের বৃত্তির জন্য কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। বোর্ডভিত্তিক আনুপাতিক হারে বৃত্তি বণ্টন করা হবে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়েও ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তির জন্য নির্দিষ্ট কোটা রাখা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ বৃত্তি প্রদান করা হবে। গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর সারাদেশে একযোগে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। দেশের ৬১১টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার প্রথম দিন বাংলা, ২৯ ডিসেম্বর ইংরেজি এবং ৩০ ডিসেম্বর গণিত বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে ৩১ ডিসেম্বরের বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে স্থগিত এই পরীক্ষা এবছরের ৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।

১২ মার্চ চালু হচ্ছে ঢাকা-মালে-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট

১২ মার্চ চালু হচ্ছে ঢাকা-মালে-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট ২৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর একটি হোটেলে মালদিভিয়ানের বাংলাদেশের জেনারেল সেলস এজেন্ট -জিএসএ গ্যালাক্সি এভিয়েশন সার্ভিসেস সঙ্গে এক চুক্তি স্বাক্ষর হয়। আগামী ১২ মার্চ থেকে পুনরায় চালু হচ্ছে মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্সের ঢাকা-মালে-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট। মালদ্বীপের জাতীয় উড়োজাহাজ সংস্থা মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্স সরাসরি এই ফ্লাইট দক্ষিণ এশিয়ার বন্ধুপ্রতীম দুই দেশের মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ আরও জোরদার হবে। এ উপলক্ষে ২৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর একটি হোটেলে মালদিভিয়ানের বাংলাদেশের জেনারেল সেলস এজেন্ট -জিএসএ গ্যালাক্সি এভিয়েশন সার্ভিসেস সঙ্গে এক চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তিতে মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্সের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম ইয়াস এবং গ্যালাক্সি বাংলাদেশ গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ ইউসুফ ওয়ালিদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত শিউনিন রাশীদ, মালদিভিয়ানের গ্রাউন্ড অপারেশন পরিচালক আহমেদ ইব্রাহিম, জেনারেল ম্যানেজার (ইন্টারন্যাশনাল কমার্শিয়াল) মোহামেদ সাফাহ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত শিউনিন রাশীদ বলেন, এই রুট পুনরায় চালুর ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও দ্বিপাক্ষিক সংযোগ আরও শক্তিশালী হবে। প্রাথমিক অবস্থায় সপ্তাহে দুইদিন (রবিবার ও বৃহস্পতিবার) এই ফ্লাইট পরিচালিত হবে। রিটার্ন ভাড়া শুরু হচ্ছে ৩৯৯ মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশি তাকায় প্রায় ৪৭ হাজার ৮৮০ টাকা। ফ্লাইটগুলো ভোরের দিকে ঢাকায় অবতরণ করবে, যাতে যাত্রীরা সহজেই আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সংযোগ ফ্লাইট ধরতে পারেন। মালদিভিয়ান কর্তৃপক্ষ জানায়, মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের চাহিদার প্রেক্ষিতে এই রুট পুনরায় চালু করা হয়েছে। রমজান মাসের সমাপ্তি ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী চলাচল বৃদ্ধির সময়কে সামনে রেখেই এই সেবা চালু হচ্ছে, যা বিদেশগামী মালদ্বীপের নাগরিক ও দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের জন্য সুবিধাজনক হবে। যাত্রীরা ৩০ কেজি ব্যাগেজ সুবিধা এবং বিনামূল্যে অনবোর্ড খাবার পাবেন। টিকিট বুকিং এখন মালদিভিয়ানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ এবং কল সেন্টার ১৬৭১-এর মাধ্যমে চালু রয়েছে। বর্তমানে মালদিভিয়ানের বহরে রয়েছে ২৬টি উড়োজাহাজের মধ্যে একটি ওয়াইড-বডি এয়ারবাস এ৩৩০, একটি ন্যারো-বডি এয়ারবাস এ৩২০, পাঁচটি এটিআর, আটটি ড্যাশ ৮ এবং এগারোটি ড্যাশ ৬ টুইন অটার বিমান—যেগুলো দিয়ে তারা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।