বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ড ম্যাচ, অস্ট্রেলিয়ার বিদায়

বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ড ম্যাচ, অস্ট্রেলিয়ার বিদায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘বি’ থেকে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার পর দ্বিতীয় দল হিসেবে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে জিম্বাবুয়ে। বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়া ম্যাচ থেকেই প্রয়োজনীয় এক পয়েন্ট পেয়ে শেষ আটে জায়গা করে নেয় তারা। ফলে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয় অস্ট্রেলিয়ার। আজ পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার গ্রুপ পর্বের ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে টানা বৃষ্টির কারণে টসও করা সম্ভব হয়নি। ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করলে দুই দলই পায় ১ পয়েন্ট করে। এই এক পয়েন্টেই জিম্বাবুয়ের মোট পয়েন্ট দাঁড়ায় ৫। সুপার এইটে উঠতে তাদের প্রয়োজন ছিল মাত্র এক পয়েন্ট। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ২ পয়েন্ট। শেষ ম্যাচ জিতলেও সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্টে পৌঁছাতে পারত তারা। ফলে জিম্বাবুয়ের পয়েন্ট প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই অজিদের বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায়। গ্রুপে ইতোমধ্যেই সুপার এইট নিশ্চিত করেছিল স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। জিম্বাবুয়ের সঙ্গে তারাও শেষ আটে খেলবে। আয়ারল্যান্ডের পয়েন্ট দাঁড়ায় ৩, তারাও ছিটকে গেছে প্রতিযোগিতা থেকে। এবারের বিশ্বকাপে চোটে জর্জরিত অস্ট্রেলিয়া শুরু থেকেই সংগ্রাম করেছে। গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে কঠিন সমীকরণে পড়ে যায় তারা। শেষ ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে জিতলেও আর কোনো লাভ হতো না। উল্লেখ্য, গ্রুপের তলানিতে থাকা ওমান এখনো কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি। বৃষ্টির বাধায় মাঠে বল না গড়ালেও গ্রুপ ‘বি’-র সমীকরণ বদলে গেছে নাটকীয়ভাবে শেষ পর্যন্ত সুপার এইটে জায়গা পেল জিম্বাবুয়ে, আর অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ যাত্রা থেমে গেল গ্রুপ পর্বেই।
আগামীকাল স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী

আগামীকাল স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণের পর প্রথম কর্মদিবসেই ব্যস্ততম দিন পার করতে যাচ্ছেন দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করবেন তিনি। এরপর বিকালে সচিবালয়ে তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হবে নবগঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠক। একই দিনে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের (সচিব) সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে তার। আজ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে চ্যানেল টোয়েন্টিফোর অনলাইন। এর আগে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তার শপথের পর প্রথমে নতুন সরকারের মন্ত্রী এবং পরে প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন। মঙ্গলবার বিকাল চারটার পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথ পড়ান। এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হলো। একই সঙ্গে প্রায় দুই যুগ পর বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের যাত্রা শুরু হলো। প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ২০৯ আসনে জয়ী হয়। বিএনপি জোটের শরিকেরা তিনটি আসন পায়।
রমজান মাসে হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

রমজান মাসে হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত পুরো রমজান মাসে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। আজ আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। এর আগে গ্তকাল পুরো রমজান মাসে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল, অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা। তার আগে রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন। গত ৫ জানুয়ারি পবিত্র রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ দেন সুপ্রিম কোর্টের ওই আইনজীবী।
নিজ কার্যালয়ে বিদায়ী ভাষণ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

নিজ কার্যালয়ে বিদায়ী ভাষণ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন। আজ ভাষণ শেষে তিনি কার্যালয়ে কর্মরত সবার সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে। নোবেল বিজয়ী ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথগ্রহণ করেন। সেদিন প্রধান উপদেষ্টার শপথ গ্রহণের পরপরই শপথ নেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা।
প্রথম উদ্ভিদভোজী স্থলপ্রাণীর সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা

প্রথম উদ্ভিদভোজী স্থলপ্রাণীর সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা পৃথিবীতে প্রাণের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যোগ হয়েছে। বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন এমন এক প্রাচীন প্রাণীর সন্ধান, যে ছিল গাছপালা খাওয়া স্থলপ্রাণীদের অন্যতম প্রথম সদস্য। প্রাণীটির আকার ছিল প্রায় একটি ফুটবলের মতো। এটি পৃথিবীতে ঘুরে বেড়াত প্রায় ৩০ কোটি ৭০ লাখ বছর আগে। এই প্রাণীর নাম Tyrannoroter heberti। সম্প্রতি গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল ন্যাচার ইকোলোজি ইভোল্যুশন–এ। গবেষকদের মতে, এটি ছিল চার পা–ওয়ালা (টেট্রাপড অর্থাৎ চার অঙ্গবিশিষ্ট প্রাণী) স্থলপ্রাণীদের মধ্যে খুবই প্রাচীন একটি উদাহরণ। এই প্রাণীর মাথার হাড় পাওয়া গেছে কানাডার নোভা স্কশিয়ার কেপ ব্রেটন দ্বীপের একটি জীবাশ্ম হয়ে যাওয়া গাছের গুঁড়ির ভেতর। স্থানীয় জীবাশ্মপ্রেমী ব্রায়ান হেবার্ট প্রথম এটি খুঁজে পান। তার নাম থেকেই প্রাণীটির নামকরণ করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাণীটির মুখ চওড়া ছিল এবং মুখের ভেতরে শক্ত ও মোটা দাঁত ছিল। এই দাঁতগুলো এমনভাবে সাজানো ছিল, যেন শক্ত গাছপালা ভালোভাবে চিবানো যায়। বিজ্ঞানীরা দাঁতের ক্ষয়চিহ্ন পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছেন, এটি মূলত উদ্ভিদভোজী ছিল। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা খুলি স্ক্যান করেন এবং থ্রি-ডি মডেল তৈরি করেন। এতে প্রাণীটির গঠন খুব কাছ থেকে বোঝা সম্ভব হয়। দেখতে এটি অনেকটা টিকটিকির মতো হলেও শরীর ছিল মোটা ও খাটো। গবেষকদের ধারণা, শুরুতে এই প্রাণী পোকামাকড় খেত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খাবারের ধরন বদলায় এবং ধীরে ধীরে গাছপালার ওপর নির্ভরশীল হয়ে ওঠে। গাছপালা হজম করার জন্য এর পেট বড় ছিল এবং শরীরের ভেতরে উপকারী জীবাণু (যা খাবার হজমে সাহায্য করে) ছিল। এই আবিষ্কার থেকে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারছেন, স্থলে ওঠার অল্প সময়ের মধ্যেই প্রাণীরা গাছ খাওয়া শুরু করেছিল। অর্থাৎ স্থলজ জীবনের বিকাশ খুব দ্রুত ঘটেছিল। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পরিবেশ শুকনো হয়ে গেলে অনেক গাছপালা নষ্ট হয়ে যায়। এতে এই ধরনের প্রাণীর খাবারের সংকট তৈরি হয় এবং এক সময় তারা পৃথিবী থেকে হারিয়ে যায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই আবিষ্কার শুধু শুরু। ভবিষ্যতে আরও জীবাশ্ম পাওয়া গেলে, স্থলপ্রাণীর বিবর্তন নিয়ে আরও নতুন তথ্য জানা যাবে।
বিশ্বের ৩ হাজারের বেশি হিমবাহ বিপজ্জনক গতিতে এগোচ্ছে

বিশ্বের ৩ হাজারের বেশি হিমবাহ বিপজ্জনক গতিতে এগোচ্ছে পাহাড়ের মাথায় জমে থাকা বিশাল বরফের স্তর—যাকে বলা হয় হিমবাহ। এই হিমবাহ হঠাৎ যদি খুব দ্রুত এগোতে শুরু করে, তাহলে কী হতে পারে? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এমন ঘটনা এখন আর কল্পনা নয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ইতিমধ্যে হাজার হাজার হিমবাহ হঠাৎ গতিতে ছুটে চলেছে। এতে মানুষ ও পরিবেশ—দুটোই বড় ঝুঁকিতে পড়ছে। একটি নতুন গবেষণায় বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বিশ্বজুড়ে ৩ হাজার ১০০টির বেশি হিমবাহে এই অস্বাভাবিক গতি দেখা গেছে। এর মধ্যে অন্তত ৮১টি হিমবাহকে সবচেয়ে বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব হিমবাহ হঠাৎ এগোলে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ন্যাচার রিভিউস আর্থ এন্ড এনভাইরনমেন্ট (Nature Reviews Earth and Environment)-এ। গবেষণাটি করেছে যুক্তরাজ্যের University of Portsmouth। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এসব হিমবাহ মূলত আর্কটিক অঞ্চল, এশিয়ার উঁচু পাহাড়ি এলাকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালায় বেশি দেখা যাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি হিমবাহের গতি বেড়েছে কারাকোরাম পর্বতমালায়। বিজ্ঞানীদের ভাষায়, এই ধরনের হিমবাহকে বলা হয় ‘সার্জিং গ্লেসিয়ার’। অর্থাৎ যেসব হিমবাহ সাধারণ সময়ের তুলনায় হঠাৎ অনেক দ্রুত চলতে শুরু করে। একজন বিজ্ঞানী বিষয়টি সহজভাবে বোঝাতে বলেন, এসব হিমবাহ অনেক দিন ধরে বরফ জমিয়ে রাখে, ঠিক সঞ্চয়ের মতো। এরপর হঠাৎ করে খুব দ্রুত সব বরফ এগিয়ে দেয়। এতে বড় বিপদ তৈরি হয়। গবেষণায় বলা হয়েছে, হিমবাহের এই হঠাৎ গতি বাড়ার পেছনে জলবায়ু পরিবর্তনের বড় ভূমিকা আছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কখন, কোথায় এবং কীভাবে এসব ঘটনা ঘটছে সবকিছুই বদলে যাচ্ছে। এই ধরনের হিমবাহ ছয় ধরনের বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এর মধ্যে আছে—হিমবাহ হঠাৎ সামনে এগিয়ে যাওয়া, নদীর পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া, হিমবাহের নিচ থেকে হঠাৎ পানি বেরিয়ে আসা (বন্যার মতো), বরফের বিশাল অংশ ভেঙে পড়া, বরফে বড় বড় ফাটল তৈরি হওয়া এবং বড় বরফখণ্ড ভেসে যাওয়ার ঝুঁকি। গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এসব ঘটনা পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে। ঘরবাড়ি, রাস্তা ও বিদ্যুৎব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রাণহানির আশঙ্কাও রয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এখনই এসব হিমবাহের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। সময়মতো সতর্ক হলে বড় ক্ষতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।
আলুর ডোনাট তৈরির সহজ রেসিপি জেনে নিন

আলুর ডোনাট তৈরির সহজ রেসিপি জেনে নিন ডোনাট বলতে আমরা সাধারণত মিষ্টি স্বাদই বুঝি। তবে আপনি কি জানেন, আলু দিয়ে ঝাল ঝাল স্বাদের ডোনাট তৈরি করা যায়? বাড়ি থাকা আলু ও অল্পকিছু উপাদান দিয়ে খুব সহজেই তৈরি করতে পারবেন আলুর ডোনাট। ইফতার, বিকেলের নাস্তা, শিশুর টিফিন কিংবা বাড়িতে হঠাৎ মেহমান- যেকোনো আপ্যায়নে নাস্তায় রাখতে পারেন এই পদ। চলুন জেনে নেওয়া যাক, আলুর ডোনাট তৈরির সহজ রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগব : সেদ্ধ আলু- ১ কাপ চটকানো সুজি- ১ কাপ সাদা তিল- দেড় টেবিল চামচ কাঁচা মরিচ কুচি- ৪-৫টি ধনিয়া পাতা কুচি- এক মুঠো চিলি ফ্লেক্স- ১ চা চামচ জিরা- ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া- ১ চা চামচ জিরা গুঁড়া- ১/২ চা চামচ লবণ- পরিমাণমতো পানি- পরিমাণমতো তেল- প্রয়োজন অনুযায়ী। যেভাবে তৈরি করবেন : কড়াইতে সামান্য তেল দিয়ে তাতে আলু সেদ্ধ, সুজি ও পানি বাদে সব উপকরণ দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে নিন। কষানো হলে তাতে এক গ্লাস পানি দিন। ফুটে উঠলে এক কাপ সুজি ও সেদ্ধ করে রাখা আলু দিয়ে দিন। এরপর ভালোভাবে নেড়েচেড়ে একটি ডো তৈরি করে নামিয়ে নিন। কিছুটা ঠান্ডা হয়ে এলে ডো থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে বলের মতো তৈরি করুন। এবার একটি করে বল নিয়ে হাতের তালুতে চেপে চ্যাপ্টা করুন। মাখঝানে আঙুল দিয়ে গর্ত করে দিন। এবার কড়াইতে তেল গরম দিন। গরম হয়ে এলে মাঝারি আঁচে ডোনাটগুলো মচমচে করে ভেজে তুলুন। এরপর পছন্দের কোনো সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
ক্যারিয়ারে ভালো করতে চান? জেনে নিন কী করবেন

ক্যারিয়ারে ভালো করতে চান? জেনে নিন কী করবেন কাঙ্ক্ষিত ক্যারিয়ার গড়ে তোলার জন্য সময়, ধৈর্য এবং প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। সেইসঙ্গে ইতিবাচক মানসিকতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ক্যারিয়ারের শুরুতে থাকুন বা বছরের পর বছর ধরে থাকুন না কেন, সমৃদ্ধি এবং উন্নতির সুযোগ সব সময় থাকে। ক্যারিয়ার বিষয়ক কিছু পরামর্শ আপনাকে কার্যকর অভ্যাস গড়ে তুলতে এবং নিজ ক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী ও সফল ক্যারিয়ার অর্জনের লক্ষ্যে আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে- ১. কমফোর্ট জোন থেকে বের হোন নতুন কিছু শেখার সময় আপনার পরবর্তী ভূমিকার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। নতুন এবং কঠিন চ্যালেঞ্জগুলো গ্রহণ করুন, যা প্রাথমিকভাবে অস্বস্তিকর মনে হতে পারে। আপস্কিলিং গ্রহণ করুন, যা আপনার ভূমিকার জন্য উন্নত দক্ষতা তৈরির প্রক্রিয়া, এবং রিস্কিলিং, যা ভিন্ন ভূমিকা অনুসরণ করার জন্য নতুন দক্ষতা শেখার প্রক্রিয়া। নেতৃত্বের দায়িত্বে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করে এবং কর্মক্ষেত্রে বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে ক্রস-ফাংশনালভাবে কাজ করে আপনি চ্যালেঞ্জিং নতুন দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। ২. মানুষের সঙ্গে পরিচিত হোন প্রত্যেক ব্যক্তিকে মূল্যবান এবং যোগ্য হিসেবে দেখাই ভালো। সুযোগ, রেফারেল এবং সমৃদ্ধি অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকে আসতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি আপনার কাজের বাইরে একটি অস্থায়ী চাকরি করেন, তাহলে সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক তৈরি করলে তা আপনাকে আরও অনেক কাজের সুযোগ এনে দিতে পারে। ৩. সঠিক সময়ে উপস্থিত থাকা নিজের কর্মক্ষেত্রে সঠিক সময়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করুন এবং আপনার নির্ধারিত কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য প্রস্তুত থাকুন। এতে কাজের প্রতি আপনার একনিষ্ঠতা প্রকাশ পাবে। যা একজন কর্মীর সফল হওয়ার জন্য সবার আগে জরুরি। তাই এদিকে খেয়াল রাখুন। ৪. আজীবন শিক্ষার্থী হয়ে উঠুন ক্যারিয়ারের যে পর্যায়েই থাকুন না কেন আপনি শিখতে পারবেন। যখন আপনি ক্রমাগত শিখবেন, তখন আরও দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন এবং ক্যারিয়ারের পথে অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারবেন। শেখার ইচ্ছা থাকা এমন একটি বৈশিষ্ট্য যা অনেকেই মূল্যবান বলে মনে করেন। যে কোনো পেশাদার উন্নয়ন ইভেন্ট এবং প্রশিক্ষণ সেশনে যোগদান করুন। মনে রাখবেন, যত শিখবেন, ততই সফলতার দিকে এগিয়ে যাবেন। ৫. অধ্যবসায় গড়ে তুলুন আপনার কাজের একজন শীর্ষস্থানীয় পারফর্মার হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। তাই ক্যারিয়ারের লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য আপনার অধ্যবসায় এবং বিকাশ চালিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি একজন লেখক হন এবং কোনো সম্পাদক ক্রমাগত আপনার লেখাগুলো প্রত্যাখ্যান করেন, তাহলে একই সম্পাদক বা অন্য কোনো সম্পাদকের কাছে উপস্থাপন করার আগে আপনার ধারণাগুলো পরিমার্জন এবং বিকাশ করার চেষ্টা করুন। ৬. প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুন কথার সঙ্গে কাজের মিল থাকা অপরিহার্য। যদি আপনার বসকে একটি নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে একটি প্রকল্প শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেন, তাহলে সেই অনুযায়ী প্রকল্পটি শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য। যেকোনো ব্যবসার জন্য সম্পর্ক অপরিহার্য এবং বিশ্বাস একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। একবার বিশ্বস্ততা অর্জন করলে আপনি আরও বেশি কাজের সুযোগ পাবেন। ৭. গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন অনেক সফল পেশাদার সফল হয়েছেন কারণ তারা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন। একটি কৌতূহলী মনোভাব বজায় রাখুন এবং সমস্ত পেশাদার পরিবেশে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন। এই অভ্যাস আপনার জ্ঞান তৈরি করতে পারে এবং শেখার প্রক্রিয়া ও উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। তবে অহেতুক প্রশ্ন করার অভ্যাস আপনাকে বিতর্কিত করতে পারে। তাই ভেবেচিন্তে কেবল প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করতে শিখুন।
বিবাদে জড়ালেন আলিয়া-ববি!

বিবাদে জড়ালেন আলিয়া-ববি! বিবাদে জড়ালেন দুই প্রজন্মের দুই তারকা অভিনয়শিল্পী ববি দেওল ও আলিয়া ভাট। ‘আলফা’ সিনেমার শুটিং সেটে এ ঘটনার সূত্রপাত্র। এ বিষয়ে একটি সূত্র বলেন, “অ্যানিমেল’ সিনেমায় রণবীর কাপুরের সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক গড়ে উঠলেও ‘আলফা’ সিনেমার শুটিং সেটে রণবীরের স্ত্রী আলিয়ার সঙ্গে তেমন সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি ববি দেওলের। শুটিং চলাকালীন তারই ছায়া পড়েছে। সিনেমাটির শেষ পর্যায়ের শুটিং চলাকালীন আলিয়া ভাট ও ববি দেওলের সম্পর্কে টানাপড়েন তৈরি হয়েছে।” ববির সঙ্গে বিরোধের কারণ ব্যাখ্যা করে সূত্রটি বলেন, “আলফা’ সিনেমার শুটিংয়ের সময়ে আলিয়া ভাট তার অভ্যাসমতো নানা সৃজনশীল মতামত দেওয়াকে কেন্দ্র করে সমস্যা শুরু হয়। এমনকি, ববির দৃশ্য নিয়েও অভিনেত্রী পরামর্শ দিচ্ছিলেন। এক সময় বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানান ববি দেওল। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায় যে, শুটিং নির্বিঘ্নে শেষ করতে হস্তক্ষেপ করতে হয় প্রযোজক আদিত্য চোপড়াকে।” ববি দেওল ও আলিয়া ভাটের বিবাদ নিয়ে বলিপাড়ায় চর্চা চলছে। তবে এ নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি এই দুই তারকার কেউই। ‘আলফা’ সিনেমায় ‘স্পাই ইউনিভার্স’-এর কেন্দ্রীয় দুই সুপার-এজেন্টের ভূমিকায় থাকছেন নারী। সুপার-এজেন্টের দুই চরিত্রে দেখা যাবে আলিয়া ভাট ও শর্বরী ওয়াঘকে।অন্যদিকে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষের ভূমিকায় রয়েছেন ববি দেওল। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন শিব রাওয়াল। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৭ এপ্রিল মুক্তি পাবে সিনেমাটি।
ক্যানসার মুক্তির আগেই হিনা খানের মা হওয়ার গুঞ্জন

ক্যানসার মুক্তির আগেই হিনা খানের মা হওয়ার গুঞ্জন ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে যাওয়া ভারতীয় অভিনেত্রী হিনা খান মা হতে চলেছেন- এমনটাই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। সম্প্রতি তার কিছু ছবি এবং একটি রিয়্যালিটি শো-তে দেওয়া বার্তার সূত্র ধরে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে এই জল্পনা শুরু হয়। তবে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত হিনা বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। মূলত ‘পতি পত্নী অউর পঙ্গা’ নামের একটি অনুষ্ঠানে হিনা খান ও তার স্বামী রকি জায়সওয়াল অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক মুনাব্বার ফারুকী হঠাৎ করেই হিনাকে সন্তান লালন-পালন সংক্রান্ত বিভিন্ন পরামর্শ দিতে শুরু করেন। বিষয়টি নজর এড়ায়নি দর্শকদের। সেখান থেকেই অনেকে ধারণা করছেন, হিনা হয়তো তার প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় আছেন। জল্পনা আরও উসকে দেয় হিনা খানের শেয়ার করা সাম্প্রতিক কিছু ছবি। সালোয়ার-কামিজ পরা ওই ছবিগুলোতে নেটিজেনদের দাবি, অভিনেত্রী ওড়না দিয়ে তার ‘বেবি বাম্প’ আড়াল করার চেষ্টা করছেন। যদিও নিন্দুকেরা একে ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল বা পোশাকের ধরণ হিসেবেও দেখছেন। ২০২৪ সালে হিনা খান তার ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানান। কঠিন এই সময়ে নিজেকে শক্ত রেখে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। অসুস্থতার মধ্যেই দীর্ঘদিনের প্রেমিক রকি জায়সওয়ালকে বিয়ে করেন এই অভিনেত্রী। ক্যানসারের যন্ত্রণাদায়ক দিনগুলোতেও তিনি সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের কাছ থেকে নিয়মিত সাহস পেয়েছেন। প্রথমবার ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার স্মৃতিচারণ করে হিনা এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, খবরটি শুনে ভেঙে না পড়ে নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছিলাম। এমনকি ওই সময় নিজের প্রিয় খাবার ফালুদাও অর্ডার করে খেয়েছিলাম। বর্তমানে সুস্থতার লড়াইয়ে থাকা এই অভিনেত্রীর মা হওয়ার খবরটি সত্য কি না, তা জানতে মুখিয়ে আছেন তার ভক্তরা।