পদ্মা নদী ভাঙনের আতঙ্কে ৫০ হাজার মানুষ

পদ্মা নদী ভাঙনের আতঙ্কে ৫০ হাজার মানুষ ভাঙন শুরুর আগেই পদক্ষেপ নেয়ার দাবি এলাকাবাসীর বর্ষাকালের আগেই এবার গ্রীষ্মের শেষ থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। গ্রীষ্মের এই বৃষ্টি জোরেশোরে বর্ষাকাল আগমনেরই প্রতিধ্বনি। আর তাই আষাঢ়ের শুরু থেকেই প্রতিদিনই ঝরছে বৃষ্টি। পানিতে ভরে উঠছে ধু ধু পদ্মা নদী। বৃষ্টির সজীবতায় সবুজ প্রকৃতি উজ্জ্বল হলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মায় পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বসতভিটা ভাঙার আতঙ্ক বাড়ছে নদী-তীরবর্তী হাজারো পরিবারের। এখনো ভাঙন শুরু না হলেও হুমকির মুখে রয়েছে কয়েকটি গ্রাম, প্রায় ৫০টি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ১টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বিজিবি ক্যাম্প, স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র, হাটবাজার, কবরস্থান ও কয়েক হাজার হেক্টর আবাদি জমি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, এবার বর্ষা মৌসুমে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। সম্ভাবনা রয়েছে ভারী বৃষ্টিরও। ফলে এবার বন্যা ও নদীর ভাঙনও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন নদী তীরবর্তী মানুষ। এরই মধ্যে ভারত থেকে বয়ে আসা গঙ্গা নদীর পানি চাঁপাইনবাবগঞ্জের পদ্মা নদীতে পড়তে শুরু করেছে। পানি যত বাড়বে স্রোতের তীব্রতা ততই বৃদ্ধি পাবে। উল্লেখ্য, সাধারণত শ্রাবণের শেষ থেকে শুরু করে ভাদ্র মাস পর্যন্ত এ অঞ্চলে পদ্মার ভাঙন দেখা যায়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের বসবাস। নদী ভাঙনের সাথে যুদ্ধ করেই এদের বেঁচে থাকতে হয়। এ নির্মম দুর্যোগের সঙ্গে চরাঞ্চলের মানুষের মোকাবিলা চলে আসছে শতাধিক বছর ধরে। আর এই মোকাবিলায় তারা হয়েছে দিশেহারা ও সর্বস্বান্ত। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়ণপুর এবং শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা, দুর্লভপুর ও উজিরপুর ইউনিয়ন নদী ভাঙন কবলিত। এসব এলাকার হাজার হাজার হেক্টর আবাদি জমি ও বসতবাড়ি এর আগে পদ্মা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ অঞ্চলের প্রতিটি পরিবারই কমপক্ষে ১০ বার করে নদী ভাঙনের কবলে পড়েছেন। হাজার হাজার পরিবার অন্যত্র ঠাঁই নিতে বাধ্য হয়েছেন, বলছেন এলাকাবাসী। সরকারি হিসাবে গত এক দশকে ভিটেমাটি হারিয়েছেন প্রায় এক হাজার শ্রমজীবী মানুষ। আর এলাকাবাসীর মতে, এই সংখ্যা অন্তত ৫ হাজার। বিলীন হওয়া আবাদি জমির পরিমাণ প্রায় ২ হাজার হেক্টর। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ টাকার অঙ্কে প্রায় ৪০০ কোটির মতন। তথ্যানুযায়ী, ১৯৯৫ সাল থেকে শুরু করে নদী ভাঙন প্রতিরোধে সরকার বেশ কয়েকবার পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই বিপুল পরিমাণ অর্থ ও কর্ম পরিকল্পনা অনেকটায় বিফলে গেছে। চলতি বছরের ৩ এপ্রিল চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদী ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। ওই সময় তিনি জানিয়েছিলেন, ভারত থেকে বয়ে আসা পদ্মা নদীর ভাটিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রায় ২৫ কিলোমিটার নদী ভাঙন কবলিত এলাকা রক্ষায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বসতবাড়ি ও ফসলী জমি স্থায়ীভাবে নদী ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা পাবে। শিবগঞ্জের দুর্লভপুর ইউনিয়নের যে স্থানে ভারতের গঙ্গা নদী পদ্মা নাম ধারণ করেছে, সেই স্থান থেকে ফারাক্কা বাঁধের দূরত্ব মাত্র ১৮ কিলোমিটার। ভারী বর্ষায় পাহাড়ি ঢল নেমে এলেই ফারাক্কা বাঁধের সব গেট খুলে দেয়া হয়। চরাঞ্চলবাসী বলছেন, এর ফলে পদ্মা আরো বেশি রাক্ষসী ও খরস্রোতা হয়ে উঠে। তখনই শুরু হয় তীব্র নদী ভাঙন। সেসময় বালিভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে লাভ হয় না। ফেলার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো স্রোতের তোড়ে তলিয়ে যায়। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী বলছেন, কয়েকবার ভরা বর্ষায় নদী ভাঙনকালীন অস্থায়ী জিও ব্যাগ, জিও টিউব ফেলা হয়েছে। এতে এলাকাবাসীর কোনো উপকারই হয়নি। গমেরচর গ্রামের ল্যাচন আরা বেগম (৪০) বলেন, কয়েক বছর আগে ভাঙনে সবকিছু হারিয়ে উজিরপুর ছেড়ে পাঁকা চরে আশ্রয় নিয়েছি। এখানে এসেও দুইবার ঘরবাড়ি ভেঙেছে। নদী থেকে আমাদের গ্রাম এখন মাত্র ১০০ গজের মতো দূরত্ব। যে কোনো সময় নদীতে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন তিনি। নদীর ভাঙন ঠেকানোর জন্য বাঁধ দেখার সৌভাগ্য হবে কি— এই প্রশ্ন ল্যাচন আরার। নদী ভাঙনের হুমকির মুখে থাকা দিনমজুর শহিদুল ইসলাম (৩০) মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে কোনোরকম জীবিকা নির্বাহ করেন। অন্যের ভিটেমাটির এক কোণে আশ্রয় নিয়ে ঘর বেঁধে বাস করেন। গতবছর থেকেই নদী ভাঙনের আশঙ্কায় দিন পার করছেন। শহিদুল ইসলাম বলেন, দুই বছর থেকেই আতঙ্কে আছি। ঝড়-বৃষ্টি হলেই ছুটে যাই নদী ধারে। আর আমাদের বাঁচার জন্য আল্লাহকে ডাকি। তিনি আরো বলেন, বাড়ির সামনে বিশাল ঈদগাহ ছিল, সেটি গত দুই বছরে নদীতে ভেঙে গেছে। অনেক দিন ধরেই শুনে আসছি, সরকার বাঁধ করে ভাঙন বন্ধ করবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। তার কথা, সরকার এত কিছু করে, কিন্তু তাদের দুর্দশার কথা কি জানতে পারে না। পাঁকা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান বলেন, জীবদ্দশায় বহুবার নদী ভাঙনের কবলে পড়েছি। বর্তমানেও বসতবাড়ি নিয়ে আমরা গ্রামবাসী হুমকির মুখে আছি। চেয়ারম্যান থাকাকালে এবং এর পরেও ১৯৯৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত বহুবার ভাঙন প্রতিরোধে বাঁধ নির্মাণের জন্য সরকারের কাছে লিখিত আবেদন জানানো হয়েছিল বলে জানান তিনি। আতাউর রহমান বলেন, গতবছরও একাধিকবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডে সশরীরে গিয়ে অনুরোধ করেছি। উনারা সরেজমিন অনেকবার এলাকা পরিদর্শন করেছেন, সরকারও কয়েকবার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনার অভাবে কোনো কর্মসূচি কাজে লাগেনি। তিনি বলেন, ধাপে ধাপে সরকারের যে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ হয়েছে, তাতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা সম্ভব ছিল। তিনি আরো বলেন, গতবছর থেকেই শুনছি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার। তবে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা নদীর ভাঙন প্রতিরোধে বাঁধ নির্মাণের প্রকল্পটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সেটি এখনো একনেকে পাস হয়নি। সকল প্রক্রিয়া শেষ হয়ে সরেজমিনে কাজ শুরু হতে পারে আগামী বছর। প্রসঙ্গত, পদ্মা নদীর বামতীর স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে কিছু অংশ এখনো বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। অন্যদিকে ডান তীরের মানুষ এখন পর্যন্ত রয়েছে ভাঙন আতঙ্কে।
এসএসসির ফল কখন-কীভাবে পাওয়া যাবে, জানাল বোর্ড

এসএসসির ফল কখন-কীভাবে পাওয়া যাবে, জানাল বোর্ড এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৫-এর ফল আগামী ১০ জুলাই দুপুর ২টায় দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষাকেন্দ্র অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া যাবে। এসএমএসের মাধ্যমেও জানা যাবে ফল। বাংলাদেশ আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষাকেন্দ্র বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করতে হবে। আর পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে। এ ছাড়া নির্ধারিত শর্ট কোড ১৬২২২-তে এসএমএসের মাধ্যমে ফল পাওয়া যাবে। শিক্ষাবোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা পত্রিকায় ফল পাওয়া যাবে না। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার জানান, এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে মোবাইলে এসএসসি<>বোর্ডের নাম (প্রথম তিন অক্ষর)<> রোল<> বছর- টাইপ করে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ: SSC Dha 123456 2025 Send to 16222। ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য এসএমএসের মাধ্যমে ১১ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হবে। আবেদন পদ্ধতি শিক্ষাবোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট এবং টেলিটকের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা যাবে।
৪৬তম বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

৪৬তম বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা পুনর্নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ৪৬তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা আগামী ২৪ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট এবং পদ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা ১০ থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এই পরীক্ষা ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) , কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা। পরীক্ষা হলে বই-পুস্তক, সকল প্রকার ঘড়ি, মোবাইল ফোন, সায়েন্টিফিক/প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ডসদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ কোনো প্রার্থী পরীক্ষা হলে প্রবেশ করতে পারবেন না। পরীক্ষা হলের গেটে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র এবং মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধ সামগ্রী তল্লাশির মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের পরীক্ষা হলে প্রবেশ করতে হবে। পরীক্ষার দিন বর্ণিত নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য সকল প্রার্থীর মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানো হবে। এসএমএসের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। পরীক্ষার সময় প্রার্থীরা কানের ওপর কোনো আবরণ রাখবেন না, কান খোলা রাখতে হবে। কানে কোন ধরনের হিয়ারিং এইড ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শপত্রসহ আগেই কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষার হলে কোনো প্রার্থীর কাছে নিষিদ্ধ সামগ্রী পাওয়া গেলে তা বাজেয়াপ্তসহ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৪-এর বিধি ভঙ্গের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের সব নিয়োগ পরীক্ষার জন্য তাকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। এ ছাড়া, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন, ২০২৩ এর ধারা-১০, ১১, ১২, ১৩ ও ১৪ অনুযায়ী কোনো অপরাধ সংঘটন করলে বা সংঘটনে সহায়তা করলে, তিনি যে ধারার অধীন অপরাধ সংঘটন করবেন বা সংঘটনে সহায়তা করবেন, সে ধারায় বর্ণিত দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। প্রার্থীদের পরীক্ষা হলে উপস্থিতি পরীক্ষা হলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়িয়ে চলার লক্ষ্যে হাজিরা তালিকায় প্রার্থীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর জোড় ও বিজোড়ে বিন্যস্ত করে এবং প্রতিটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর কক্ষওয়ারি দৈবচয়ন ভিত্তিতে সাজিয়ে হাজিরা তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। দৈবচয়ন প্রক্রিয়ায় নিজ আসন এবং কক্ষ চিহ্নিত করা কিছুটা সময়সাপেক্ষ। এ পরিপ্রেক্ষিতে নিজ আসন এবং কক্ষ চিহ্নিত করার জন্য প্রার্থীদের পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে নিজ নিজ পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১৫ মিনিট আগে প্রার্থীকে অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশ করতে হবে অর্থাৎ সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের পর কোনো প্রার্থীকে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। বিষয়টি প্রবেশপত্রে এবং পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে। সুষ্ঠুভাবে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠান এবং হলের সুশৃঙ্খল পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে কমিশনের পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা পরীক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাযথভাবে প্রতিপালন করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
কুশলের সেঞ্চুরি, বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল শ্রীলঙ্কা

কুশলের সেঞ্চুরি, বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল শ্রীলঙ্কা আগের ম্যাচটা জিতে সমতায় ফিরেছিল বাংলাদেশ। সেই ধারা বজায় রাখতে পারলেই ঐতিহাসিক সিরিজ বিজয়, এমন সমীকরণ সামনে রেখে আজ শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয়েছে টাইগাররা। পাল্লেকেল্লেতে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটিতে টস জিতে আগে ব্যাটিং বেছে নেয় শ্রীলঙ্কা। এরপর কুশল মেন্ডিসের অসাধারণ সেঞ্চুরিতে ভর করে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৫ রান করে স্বাগতিকরা। বাংলাদেশ এই ম্যাচে একাদশের বোলিং বিভাগে একটি পরিবর্তন আনে। হাসান মাহমুদের জায়গায় আসেন তাসকিন আহমেদ। বল হাতে মোটামুটি ভালোই করেছেন তিনি। ১০ ওভারে ৫১ রান খরচে তুলে নিয়েছেন ২ উইকেট। বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজও। টাইগার দলপতি ১০ ওভারে ৪৮ রানে নিয়েছেন তাসকিনের সমান ২ উইকেট। তবে বাংলাদেশের বাকি বোলাররা তেমন কিছু করতে পারেননি। বরং পুরো ম্যাচের সব আলো কেড়ে নিয়েছেন শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডার ব্যাটার কুশল মেন্ডিস। দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরিটি শেষ পর্যন্ত ঠেকেছে ১২৪ রানে। মাত্র ১১৪ বলে ১৮টি চার দিয়ে ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি। মেন্ডিস যেখানে লঙ্কান ইনিংসের ভিত্তি, চারিথ আসালাঙ্কা তার পিলার। তার ৬৮ বলে ৫৮ রানের ইনিংসটির কল্যাণে রানের পাহাড়ে চড়তে সক্ষম হয় স্বাগতিক দল। যদিও বোলিংয়ের শুরুটা ভালোই হয়েছিল বাংলাদেশের। নিশান মাদুশকা (১)-কে বিদায় করে লঙ্কান ওপেনিং জুটিকে দাঁড়াতে দেননি বাংলাদেশি পেসার তানজিম হাসান সাকিব। এরপর আরেক ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কাকে নিয়ে ধাক্কা সামাল দেন কুশল মেন্ডিস। তাদের জুটিতে ৫৬ রান যোগ হওয়ার পর আঘাত হানেন বাংলাদেশের তরুণ বাঁহাতি পেসার তানভীর ইসলাম। নিসাঙ্কা ফেরেন ৩৫ রান করে। এরপর কামিন্দু মেন্ডিস (১৬) কিছুক্ষণ সঙ্গ দিলেও মেহেদী হাসান মিরাজের বলে লেগ বিফোর হয়ে ফেরেন। দলীয় ১০০ রানে ৩ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। তবে এরপর থেকে উইকেটে জেঁকে বসেন কুশল ও আসালাঙ্কা। দুজনে মিলে বড় জুটি গড়ে দলকে শক্ত ভিত এনে দেন। দুজনেই পান ফিফটির দেখা। আসালাঙ্কা দলকে ২২৪ রানে রেখে চতুর্থ উইকেট হিসেবে বিদায় নেন। শেষদিকে অবশ্য কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। বোলারদের হাত ধরে আসে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সাফল্য। ২৪৯/৫ থেকে একসময় লঙ্কানদের স্কোর দাঁড়ায় ২৫৯/৭। কিন্তু ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (১৪ বলে ১৮*) ও চামিরা (৮ বলে ১০*) মিলে বাকিটা ভালোভাবেই পাড়ি দেন। ফলে বড় লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামবে বাংলাদেশ।
সারাদেশে আরও ১১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত

সারাদেশে আরও ১১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি, তবে একই সময়ে ১১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক এক সংবাদ বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। চলতি বছর মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪৩ জন। এ যাবত দেশে মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৫২ হাজার ১৮৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩৩৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ যাবত ১ কোটি ৫৭ লাখ ৩৩ হাজার ৮৩৬ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি। চলতি বছরে মোট করোনায় ২৪ জন মৃত্যুবরণ করেছে। দেশে এ যাবত করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৫২৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার তিন দশমিক ২৯ শতাংশ। এ যাবত শনাক্তের হার মোট ১৩ দশমিক শূন্য চার শতাংশ। সুস্থতার হার ৯৮ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৪ শতাংশ। ২০২০ সালের ৮ মার্চ মাসে দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।
সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪২৫

সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪২৫ গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ জন মারা গেছেন এবং একই সময়ে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৪২৫ জন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১২০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৯৮ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৮ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৫ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৮ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৮ জন, সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) এক জন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৭ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবত মোট ১১ হাজার ৭৮৬ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ৭ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১৩ হাজার ১৮৮ জন। এর মধ্যে ৫৯ দশমিক তিন শতাংশ পুরুষ এবং ৪০ দশমিক সাত শতাংশ নারী রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও তিন জন মারা গেছেন। চলতি বছরে এ যাবত ডেঙ্গুতে ৫১ জন মারা গেছেন। মৃত তিনজনের মধ্যে দুই জন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এবং একজন খুলনা বিভাগের। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে একলাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ৫৭৫ জন। এর আগে ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
দীর্ঘ ৮ মাস শূণ্য থাকার পর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশবিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্যের যোগদান

দীর্ঘ ৮ মাস শূণ্য থাকার পর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশবিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্যের যোগদান দীর্ঘ প্রায় ৮ মাস পদ শূণ্য থাকার পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ এ নবনিযুক্ত উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেছেন ড. মো: সফিকুল বারী। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিষ্টার এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা মুসা বাপ্পি জানান, গত ২২ জুন মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-২ শাখা) সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুরের ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রোফরেষ্ট্রি এন্ড এনভায়ারনমেন্টের অধ্যাপক ড. মো: সফিকুল বারীকে এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এরপর গত ১ জুলাই ড. মো: সফিকুল বারী ঢাকায় এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাষ্টি বোর্ডে যোগদানপত্র জমা দেন। আজ সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের প্রধান ক্যাম্পাসে তাঁকে বরণ করে নেয়া হয়। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের ট্রাষ্টি বোর্ড এবং এক্সিম ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান মো: নজরুল ইসলাম (স্বপন)। বিশ^বিদ্যালয়ের ট্রাষ্টি বোর্ড সদস্য হাবিবুল্লাহ ডেনর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ এবং আমিনুল ইসলাম,এক্সিম ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নুরুল আমিন ফারুক, খন্দকার মামুন, এস এম রেজাউল করিম, এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) আব্দুল আজিজ, এক্সিম, ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ক্যাপ্টেন (অব:) জিয়াউল আহসান,ভারপ্রাপ্ত রেজিষ্টার ড.মাহাবুবুর রহমান সহ বিভিন্ন অনুষদের ডীন,বিভাগীয় প্রধানগণ সহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ। উল্লেখ্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মূখে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. এবিএম রাশেদুল হাসানকে অব্যহতি প্রদান করে। এরপর থেকেই এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ^বিদ্যালয় উপাচার্য শূণ্য ছিল।
জমির বিরোধে ভাইদের হাতে বোন খু*নের মামলার পলাতক আসামী মা-ছেলে গ্রেপ্তার

জমির বিরোধে ভাইদের হাতে বোন খু*নের মামলার পলাতক আসামী মা-ছেলে গ্রেপ্তার শিবগঞ্জ উপজেলার ধাইনগর ইউনিয়নের চৈতন্যপুর শান্তিমোড় এলাকায় গত শনিবার সকালে বাড়ির সীমানার জমি নিয়ে বিরোধে আপন চাচাতো ভাইদের ধারাল অস্ত্রের আঘাতে খালেদা বেগম ওরফে শুকমন নামে ৬ মাসের এক কন্যাশিশুর জননী এক গৃহবধু খুনের ঘটনায় দায়ের মামলায় এজাহারনামীয় পলাতক ২ আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গ্রেপ্তাররা হলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের অরুনবাড়ি বেহুলা গ্রামের মতিউর রহমানের স্ত্রী রফিনা বেগম ও তাঁর ছেলে আব্দুল জলিল। র্যাব জানায়, গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে অরুনবাড়ি বেহুলা বাজার হতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ সকালে র্যাব-৫ ব্যাটালিয়নের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জাননো হয়। র্যাব জানায়, নিহত খালেদার স্বামী প্রবাসী। ঘটনার সময় খালেদা পিতা সবুর আলীর বাড়িতে ছিলেন এবং বাড়ির ছাদ ঢালাইকাজ চলছিল। এ সময় পাশে চাচার বাড়ির সীমানা নিয়ে বাক-বিতন্ডা শুরু হলে চাচাতো ভাইরা ধারাল অস্ত্র নিয়ে সবুর আলীকে মারতে উদ্যত হয়। এ সময় খালদা পিতাকে রক্ষা করতে তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। তখন তাঁকেই ধারাল অস্ত্রের কোপে হত্যা করে ভাইয়েরা। আহত হয় খালেদার পিতা, মা ও বোন। এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেন সবুর আলী। র্যাব আরও জানায়, মামলার পর র্যাব এ ঘটনার ব্যাপারে তৎপরতা শুরু করে ওই ২ আসামীকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকসহ র্যাবের হাতে ২ কারবারি গ্রেপ্তার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকসহ র্যাবের হাতে ২ কারবারি গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর এবং গোমস্তাপুর উপজেলায় র্যাবের পৃথক দুটি অভিযানে ৩ কেজি ৪৫০ গ্রাম গাঁজা এবং ১৮০ বোতল ফেনসিডিলসহ দ্ু’জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। গাঁজাসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন সদরের দেবীনগর এলাকার আফসার আলীর ছেলে আনারুল হক। ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন জেলার ভোলাহাট উপজেলার চামুসা গ্রামের এরফান আলীর ছেলে এমদাদুল বধু। আজ সকালে র্যাব-৫ ব্যাটালিয়নের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল দুপুরে চালানো অভিযানগুলো সম্পর্কে জানানো হয়। র্যাব জানায়, গতকাল দুপুর ২টার দিকে সদরের চরঅনুপনগর ইউনিয়নের মুসলিমপাড়া গ্রামে মহানন্দা নদীর খসমুলের ঘাট থেকে গাঁজাসহ গ্রেপ্তার হন আনারুল। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলার গোমস্তাাপুর উপজেলার নিমতলা কাঁঠাল গ্রামে গোমস্তাপুর থেকে রহনপুরগামী সড়কের উপর একটি ব্যাটালিচালিত ভ্যানের যাত্রী সিটের নীচে বিশেষ কায়দায় নির্মিত পাটতনের মধ্যে লুকিয়ে রাখা ফেনসডিলিসহ গ্রেপ্তার হন এমদাদুল। র্যাব আরও জানায়, এসব ঘটনায় সংশ্লিস্ট থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।
টেক্সাসে বন্যায় মৃ*ত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২৪

টেক্সাসে বন্যায় মৃ*ত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২৪ টেক্সাস রাজ্যে শুক্রবার আকস্মিক বন্যায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২৪ জনে দাঁড়িয়েছে। মেয়েদের একটি গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্প থেকেও ২৫ জন নিখোঁজ রয়েছে। টেক্সাস গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট বলেছেন, রাতভর অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলছে, যদিও টেক্সাস কর্মকর্তারা নিখোঁজ ব্যক্তিদের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারেননি। নদীতে পানি বাড়ার আগে জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছিল। টেক্সাসের লেফটেন্যান্ট গভর্নর ড্যান প্যাট্রিক বলেন, মাত্র ৪৫ মিনিটের মধ্যে গুয়াডালুপ নদীর পানি ২৬ ফুট বেড়ে যায় এবং এটি একটি ধ্বংসাত্মক বন্যা হয়ে ওঠে, যা দুর্ভাগ্যবশত সম্পদ ও প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোর কাছে ১৪টি হেলিকপ্টার, ১২টি ড্রোন, ৯টি উদ্ধার দল এবং জলে সাঁতারে পারদর্শী কর্মী রয়েছে মোট ৪০০-৫০০ জন মাঠে কাজ করছেন। এলাকায় টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় অনেকের সাথে যোগাযোগ করা কঠিন হয়ে পড়েছে যার মধ্যে সেই গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পের মেয়েরাও রয়েছে। শুক্রবার সকালে, রাজ্যে আকস্মিক বন্যার কারণে হিল কান্ট্রি এবং কনচো ভ্যালি নিজেদের দুর্গত অঞ্চল ঘোষণা করে। কার কাউন্টিতে শেরিফ অফিসও সেখানে গুরুতর বন্যার কথা জানিয়েছে, যেখানে বেশ কয়েকজন নিখোঁজ এবং প্রাণহানির ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে।