গোমস্তাপুরে র‌্যাবের হাতে মাদকসহ তালিকাভূক্ত মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

গোমস্তাপুরে র‌্যাবের হাতে মাদকসহ তালিকাভূক্ত মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গোমস্তাপুর উপজেলায় র‌্যাবের অভিযানে ৫০ গ্রাম হেরোইন ও ১২৩ পিস ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি গোমস্তাপুরের রহনপুর পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের নুনগোলা কেডিসিপাড়া মহল্লার মোস্তফার ছেলে হেলাল উদ্দীন। তবে অভিযানকালে হেলালের সহযোগি এবং স্ত্রী আয়না বেগম ও ছেলে হিমেল কৌশলে পালিয়ে যায়। র‌্যাব জানায়, গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে মাদক কেনাবেচার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জেলার কুখ্যাত ও অন্যতম শীর্ষ মাদকস্পট নুনগোলা কেডিসিপাড়া মহল্লায় হিমেলের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে হাতেনাতে গ্রেপ্তার হন তালিকাভূক্ত মাদক কারবারি হেলাল। পরে আজ সকালে র‌্যাব-৫ ব্যাটালিয়নের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ঘটনায় গোমস্তাপুর থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে আসামীকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে এবং হেলালের স্ত্রী ও ছেলেকে আটকের অভিযান শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছে র‌্যাব।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে বিদূৎস্পৃষ্ট হয়ে একজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছেন। তিনি শহরের শেয়ালা গাবতলা মহল্লার মোজাম্মেল হকের ছেলে মমিন হক। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুর সোয়া ২টার দিকে শহরের লাখেরাজপাড়া মহল্লায় একটি চারতলা নির্মাণাধীন ভবনের ৪ তলার টপের উপরে নির্মিত বাঁশের মাচা থেকে কাজ করে নীচে নামার সময় অসাবধাণতাবশত: পাশ দিয়ে যাওয়া সঞ্চালন লাইনের স্পর্শে বিদ্যূৎস্পৃষ্ট হয়ে নীচে মাটিতে পড়ে যান। আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিকাল ৩ টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রান্না করা মুরগির মাংস কতক্ষণ ফ্রিজে রাখা যাবে?

রান্না করা মুরগির মাংস কতক্ষণ ফ্রিজে রাখা যাবে? রান্না করা যেসব খাবার ফ্রিজে বেশি সংরক্ষণ করা হয়, তার মধ্যে মুরগির মাংস অন্যতম। অনেকে একসঙ্গে অনেকখানি মাংস রান্না করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করে প্রয়োজনের সময় বের খেয়ে থাকেন। কেউ আবার বার্গারের পেটি, চিকেন ফ্রাই, চিকেন নাগেটস ইত্যাদিও সংরক্ষণ করেন। তবে, খাদ্য সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকেই যায়। রান্না করা মুরগি কতক্ষণ নিরাপদে ফ্রিজে রাখা যেতে পারে এবং খাওয়া অনিরাপদ হয়ে ওঠে? খাদ্য সুরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, সঠিকভাবে রান্না করা খাবারও যদি খুব বেশি সময় ধরে সংরক্ষণ করা হয় তবে তা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। ব্যাকটেরিয়া ফ্রিজে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেতে পারে, যার অর্থ অবশিষ্ট খাবারের শেলফ লাইফ সীমিত থাকে। সঠিক সংরক্ষণের সময়কাল, হিমায়ন তাপমাত্রা এবং নষ্ট হওয়ার সতর্কতা লক্ষণ জানা থাকলে খাবারের সঠিক ব্যবহার করা ও সুস্থ থাকা সহজ হয়। রান্না করা মুরগি কতক্ষণ আপনার ফ্রিজে নিরাপদে থাকতে পারে : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (USDA) এর খাদ্য নিরাপত্তা নির্দেশিকা বলছে যে, রান্না করা মুরগি সাধারণত তিন থেকে চার দিনের জন্য ফ্রিজে নিরাপদে সংরক্ষণ করা যেতে পারে যদি তাপমাত্রা ৪০°F (৪°C) বা তার নিচে থাকে। USDA খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিদর্শন পরিষেবা বলছে যে এই সময়সীমা বেশিরভাগ রান্না করা মুরগির খাবারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেমন গ্রিল করা, ভাজা, বা স্যুপ বা ক্যাসেরোল তৈরিতে ব্যবহৃত মুরগি। তিন থেকে চার দিনের পরে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, এর বেশি সময় ধরে ফ্রিজে থাকা অবশিষ্টাংশ ফেলে দেওয়া উচিত। রান্না করা মুরগি কেন খুব বেশি সময় ধরে সংরক্ষণ করা যায় না রেফ্রিজারেশন ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ধীর করে দেয়, তবে এটি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে না। কিছু অণুজীব ঠান্ডা থাকলেও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) বলেছে যে, খাবার থেকে মানুষকে অসুস্থ করে তোলে এমন ব্যাকটেরিয়া এমন খাবারেও বৃদ্ধি পেতে পারে যা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি বা খুব বেশি সময় ধরে ফ্রিজে রাখা হয়েছে। হাঁস-মুরগিতে পাওয়া কিছু সাধারণ ব্যাকটেরিয়া হল: সালমোনেলা ক্যাম্পাইলোব্যাক্টর ক্লোস্ট্রিডিয়াম পারফ্রিনজেন এই ব্যাকটেরিয়াগুলো বিশ্বজুড়ে খাদ্যজনিত অসুস্থতার সবচেয়ে সাধারণ কারণের মধ্যে একটি। সিডিসির মতে, দূষিত খাবার কখনও কখনও স্বাভাবিক দেখাতে পারে, যার অর্থ কেবল গন্ধ বা স্বাদ নির্ভরযোগ্যভাবে নির্দেশ করতে পারে না যে খাবারটি নিরাপদ কিনা। ফ্রিজে রান্না করা মুরগি সংরক্ষণের সঠিক উপায় খাদ্য সুরক্ষা সংস্থাগুলো জোর দেয় যে, কীভাবে অবশিষ্টাংশ সংরক্ষণ করা হয়, তা কতক্ষণ নিরাপদ থাকে তার ওপর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দুই ঘণ্টার মধ্যে ফ্রিজে রাখুন ইউএসডিএ খাদ্য সুরক্ষা সুপারিশ অনুসারে, রান্না করা খাবার রান্না করার দুই ঘণ্টার মধ্যে ফ্রিজে রাখা উচিত। যদি আশেপাশের তাপমাত্রা 90°F (32°C) এর বেশি হয়, তাহলে খাবারটি এক ঘণ্টার মধ্যে ফ্রিজে রাখা উচিত। বায়ুরোধী পাত্র ব্যবহার করুন রান্না করা মুরগি বায়ুরোধী পাত্রে অথবা শক্তভাবে সিল করা প্যাকেজিংয়ে রাখা উচিত। এটি আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং ব্যাকটেরিয়া থেকে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি কমায়। রেফ্রিজারেটরের নিরাপদ তাপমাত্রা বজায় রাখুন মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) বলে যে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ধীর করার জন্য, রেফ্রিজারেটরগুলিকে ৪০°F (৪°C) বা তার কম তাপমাত্রায় রাখা উচিত। অবশিষ্টাংশ ছোট ছোট অংশে ভাগ করুন ছোট পাত্রে অবশিষ্টাংশ রাখলে তা দ্রুত ঠান্ডা হতে সাহায্য করে, যা ঠান্ডা হওয়ার সময় ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়। রান্না করা মুরগি নষ্ট হয়ে যাওয়ার লক্ষণ যদিও আপনি সঠিক সময়ের জন্য মুরগি রাখেন, তবুও পরিস্থিতি ঠিক না থাকলে তা নষ্ট হতে পারে। খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে কয়েকটি লক্ষণ খেয়াল করা উচিত। গন্ধের পরিবর্তন: নষ্ট হয়ে যাওয়া মুরগির গন্ধ টক বা খারাপ হতে পারে। গঠনের পরিবর্তন: যদি রান্না করা মুরগি পাতলা বা আঠালো মনে হয়, তাহলে এর অর্থ হতে পারে যে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পাচ্ছে। রঙের পরিবর্তন: যদি রান্না করা মুরগির রঙ ধূসর বা একটু সবুজ হয়ে যায়, তাহলে এটি আর খাওয়া নিরাপদ না-ও থাকতে পারে। রান্না করা মুরগি কি বেশিক্ষণ ধরে হিমায়িত করা যায়? রান্না করা মুরগি হিমায়িত করলে তা সংরক্ষণে অনেক বেশি সময় ধরে টিকে থাকতে পারে। USDA বলে যে, রান্না করা মুরগি সাধারণত দুই থেকে ছয় মাস ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। হিমায়িত তাপমাত্রায় ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বন্ধ হয়। তবে হিমায়িত করলে সমস্ত ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয় না। অবশিষ্ট মুরগি কেন সঠিকভাবে পুনরায় গরম করা উচিত? খাদ্য নিরাপদ রাখার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো অবশিষ্ট খাবার সঠিকভাবে পুনরায় গরম করা। USDA খাদ্য সুরক্ষা ও পরিদর্শন পরিষেবা বলে যে, অবশিষ্ট খাবার ১৬৫°F (৭৪°C) এর অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রায় না পৌঁছানো পর্যন্ত গরম করা উচিত। এই তাপমাত্রা সেই ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মেরে ফেলে যা খাবার সংরক্ষণের সময় বেড়ে উঠতে পারে।

আপনাদের সম্পর্ক কি সুন্দর? 

আপনাদের সম্পর্ক কি সুন্দর?  অনেকেই বলে থাকেন যে, যখন আপনি একটি ভালো সম্পর্কের মধ্যে থাকেন, তখন সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই প্রবাহিত হয়। অন্যরা যুক্তি দেবেন যে ভালোবাসায় অনায়াসে কিছু হয় না। সম্ভবত উভয়ই ঠিক। যাই হোক না কেন, আপনি যখন একটি সুস্থ সম্পর্কের মধ্যে থাকবেন তখন আপনি অবশ্যই বুঝতে পারবেন। ভাবছেন আপনার সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তা আছে কি না? চলুন মিলিয়ে নেওয়া যাক- সব পরিস্থিতিতে সম্মানজনক আচরণ দ্বন্দ্ব যেকোনো অংশীদারিত্বের একটি অংশ। কিন্তু আপনি বা আপনার সঙ্গী কীভাবে এটি মোকাবেলা করবেন? লৌহমুষ্টি দিয়ে নাকি ধৈর্য এবং বোধগম্যতার সাথে? মনে রাখবেন যে যেকোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রে সম্মান সবার আগে জরুরি। যদি আপনার সঙ্গী আপনার প্রতি রাগের সময়ও শ্রদ্ধাশীল থাকে, তবে বুঝে নেবেন আপনার সম্পর্ক সঠিক পথে চলছে। কারণ সম্পর্কের ক্ষেত্রে, শ্রদ্ধা ভালোবাসার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আপনি দ্বিমত পোষণ করতে পারেন যখন ভিন্ন মূল্যবোধ, পটভূমি এবং লালন-পালনের দুটি মানুষ একটি জীবন ভাগ করে নেয়, তখন মতবিরোধ অবশ্যই ঘটবে। এই সত্যটি বোঝাই একটি সম্পর্ককে কার্যকর করে তোলে। সঙ্গীর প্রতিটি মতামতের সাথে আপনাকে একমত হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু আপনার মতামত তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়াও উচিত নয়। সহাবস্থানের এটাই সূক্ষ্ম শিল্প। রাজনীতি হোক, অভিভাবকত্বের নীতি হোক, অথবা ফ্যাশনের জ্ঞান, ক্ষমতার লড়াইয়ে না গিয়েও আপনি আপনার অবস্থান ধরে রাখতে পারেন। কাজ ভাগ করে নেওয়া নিজেদের কাজগুলো আপনারা মিলেমিলে করেন, যে যেটাতে দক্ষ, সেভাবে ভাগ করে নেন? এমনটা যদি থাকে, বুঝে নেবেন আপনি একটি সুস্থ ও সুন্দর সম্পর্ক বয়ে যাচ্ছেন। সুস্থ সম্পর্কের ক্ষেত্রে উভয় অংশীদারই অবদান রাখে। হতে পারে শুক্রবার রাতে একজন রান্না করা এবং অন্যজন পরিষ্কার করার মতো সহজ একটি উদাহরণ। ধারণাটি হলো রুমমেটের মতো কাজ ভাগ করে নেওয়া নয়, বরং একে অন্যের বোঝা ভাগ করে নেওয়া। দুজনেই সম্পর্কের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি সম্পর্কে থাকার অর্থ হলো সব সময় একে-অন্যের পাশে থাকা। শুধুমাত্র ভালো দিনগুলোতে নয়, বরং সেই দিনগুলিতেও যখন সবকিছু ভেঙে পড়ছে। একটি সুস্থ অংশীদারিত্বে উভয়ই উপস্থিত হয়। এখানে প্রতিশ্রুতি পারস্পরিক। তারা উভয়েই সম্পর্কের মধ্যে উপস্থিত। তারা একে অপরের পাশে সব সময় থাকে। নিজেকে প্রকাশ করার স্বাধীনতা সঙ্গী পাশে থাকাকালীনও যদি আপনাকে অন্য কারো মতো ভান করতে না হয়, তাহলে এটি একটি ভালো সম্পর্কের একটি অবিশ্বাস্য লক্ষণ। নিজের স্বভাবের মতো হতে পারা এবং অন্য কারো মতো জাহির না করা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। সম্পর্কের মধ্যে নিজেকে প্রকাশ করার স্বাধীনতা হলো একটি গ্রিন সিগনাল।

১৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি ঘোষণা

১৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি ঘোষণা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগে আগামী ১৮ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের স্মারক অনুযায়ী, আসন্ন শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের পূর্ব নির্ধারিত ছুটির মধ্যবর্তী ১৮ মার্চ একদিন সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এমন অবস্থায় প্রধান বিচারপতির অনুমোদনক্রমে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগে ১৮ মার্চ একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।

হাইকোর্টের রায় বহাল, কন্টেইনার টার্মিনাল নিয়ে লিভ টু আপিল খারিজ

হাইকোর্টের রায় বহাল, কন্টেইনার টার্মিনাল নিয়ে লিভ টু আপিল খারিজ চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বা এনসিটির ব্যবস্থাপনা বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়া সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা প্রশ্নে রুল খারিজে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি) খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ফলে চুক্তির প্রক্রিয়া বৈধই থাকল। আজ প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। গত ২৯ জানুয়ারি বিচারপতি জাফর আহমেদের একক বেঞ্চ (তৃতীয় বেঞ্চ) রায় ঘোষণা করেছিলেন। এর আগে, গত বছরের ২৫ নভেম্বর শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৪ ডিসেম্বর দিন রেখেছিলেন হাইকোর্ট। ওইদিন চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বা এনসিটির ব্যবস্থাপনা বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়া সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে রুলের ওপর দ্বিধাবিভক্ত রায় দেওয়া হয়। বিচারপতি ফাতেমা নজীব প্রক্রিয়া অবৈধ ঘোষণা করলেও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার রুল খারিজ করে দেন। ফলে বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়। তিনি নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি জাফর আহমেদের একক বেঞ্চে পাঠান। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বা এনসিটির ব্যবস্থাপনা বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়া সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে যুব অর্থনীতি ফোরামের সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ হাসান রিট করেন। ওই রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ৩০ জুলাই রুল দেন হাইকোর্ট। রুলে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ আইন লঙ্ঘন করে দেশীয় অপারেটরদের অনুমতি না দিয়ে চট্টগ্রাম নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় বিদেশিদের সঙ্গে চুক্তির চলমান প্রক্রিয়া কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে যে কোনো অপারেটরকে কন্টেইনার টার্মিনাল হ্যান্ডলিং পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার আগে আইন অনুসারে ন্যায্য ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র আহ্বানের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে মর্মেও রুল জারি করা হয়। নৌসচিব, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, বিগত আওয়ামী লীগ আমলে এই টার্মিনাল ব্যবস্থাপনার দুবাইভিত্তিক একটি বিদেশি কোম্পানিকে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দেওয়ার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, সেটিই তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আবার গতি পেয়েছে-এমন খবরে অনেকেই এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছেন।

জাতীয় দিবসের তালিকা থেকে বাদ ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট, আছে ৫ আগস্ট

জাতীয় দিবসের তালিকা থেকে বাদ ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট, আছে ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের যে তালিকা প্রণয়ন করেছিল, তা বহাল রেখেছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্টসহ যে আটটি জাতীয় দিবস বাতিল করেছিল, তার কোনোটি ফেরানো হয়নি বর্তমান তালিকায়। গতকাল জারি করা এক পরিপত্রে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে উদযাপন ও পালনের জন্য মোট ৮৯টি দিবস রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ‘ক’ শ্রেণিতে ১৭টি, ‘খ’ শ্রেণিতে ৩৭টি এবং ‘গ’ শ্রেণিতে ৩৫টি দিবস রয়েছে। নতুন পরিপত্রেও ক-শ্রেণিতে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিনটিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনের কথা জানানো হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৪ সালের গণ-আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে ছাত্র আবু সাঈদের নিহত হওয়ার দিন ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালন করা হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। নতুন সরকারের সময়েও তা বহাল থাকল। নতুন পরিপত্রেও আগের মতোই দিবসগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ক-শ্রেণিতে থাকা জাতীয় পর্যায়ের ১৭টি দিবস/উৎসবকে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন বা পালন করা হবে। খ-শ্রেণির ৩৭টি দিবসের মধ্যে যেসব দিবস ঐতিহ্যগতভাবে পালন করা হয়ে থাকে বা বর্তমান সময়ে দেশের পরিবেশ সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও সামাজিক উদ্ধুদ্ধকরণের জন্য বিশেষ সহায়ক, যেসব দিবস উল্লেখযোগ্য কলেবরে পালন করা যেতে পারে। মন্ত্রীরা এসব অনুষ্ঠানের সম্পৃক্ত থাকবেন এবং এ ধরনের অনুষ্ঠানের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। এ পর্যায়ে অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সরকারি উৎস থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। গ-শ্রেণিতে থাকা ৩৫টি দিবস নিয়ে পরিপত্রে বলা হয়েছে, বিশেষ খাতের প্রতীকী দিবসগুলো সীমিত কলেবরে পালন করা হবে। মন্ত্রীরা এসব দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিতির বিষয় বিবেচনা করবেন। উন্নয়ন খাত থেকে এসব দিবস পালনের জন্য কোনো বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হবে না। পরিপত্রে বলা হয়, তিন ধরনের দিবস ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো আরও কিছু দিবস পালন করে থাকে যেগুলো গতানুগতিক ধরনের। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এগুলো পুনরাবৃত্তিমূলক এবং বর্তমান সময়ে তেমন কোনো গুরুত্ব বহন করে না। সরকারের সময় এবং সম্পদ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি সংস্থাগুলো এ ধরনের দিবস পালনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পরিহার করতে পারে। শিক্ষা সপ্তাহ, প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ, বিজ্ঞান সপ্তাহ, বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ (১-৭ আগস্ট), বিশ্ব শিশু সপ্তাহ (২৯ সেপ্টেম্বর-৫ অক্টোবর), জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ (নভেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহ) সশস্ত্র বাহিনী দিবস (২১ নভেম্বর), পুলিশ সপ্তাহ, বিজিবি সপ্তাহ, আনসার সপ্তাহ, মৎস পক্ষ, বৃক্ষরোপন অভিযান এবং জাতীয় ক্রীড়া সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা নিয়ে কর্মসূচি গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদিত কর্মসূচি অনুযায়ী এসব অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে বলে পরিপত্রে জানানো হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের উৎসব ছাড়াও সাধারণভাবে দিবস পালনের বিষয়ে পরিপত্রে বলা হয়েছে, সাজসজ্জা ও বড় ধরনের বিচিত্রানুষ্ঠান যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে। তবে বেতার ও টেলিভিশনে আলোচনা এবং সীমিত আকারে সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে। কর্মদিবসে সমাবেশ বা শোভাযাত্রা পরিহার করা হবে। কোনো সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানসূচি সাধারণভাবে তিন দিনের মধ্যে সীমিত রাখার নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকারিভাবে গৃহীত কোনো কর্মসূচি যাতে অফিসের কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত না ঘটায় তা নিশ্চিত করতে হবে এবং আলোচনা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছুটির দিনে অথবা অফিস সময়ের পরে আয়োজনের চেষ্টা করতে হবে। পরিপত্রে আরও বলা হয়, নগদ কিংবা উপকরণ আকারে অর্থ বা সম্পদ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে এমন সাধারণ ইভেন্টগুলো ছুটির দিনে কিংবা কার্যদিবসে আয়োজন করা যাবে। যেমন- রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী প্রচার, পতাকা উত্তোলন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), ঘরোয়া আলোচনা সভা, রেডিও ও টেলিভিশনে আলোচনা, পত্রিকায় প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রদান ইত্যাদি। কোনো দিবস বা সপ্তাহ পালন উপলক্ষ্যে রাজধানীর বাইরে থেকে/জেলা পর্যায় থেকে কর্মকর্তা/কর্মচারীদেরকে ঢাকায় আনা যথাসম্ভব পরিহার করা হবে। সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলোর নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে সমধর্মী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনকে প্রাধান্য দিয়ে এরূপ দিবস একই তারিখে একত্রে পালন করা আবশ্যক। মন্ত্রণালয়/বিভাগুলো প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এ বিষয়ক সারসংক্ষেপ মন্ত্রিসভা-বৈঠকে উপস্থাপনের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাবে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

ছুটির দিনে জ্বালানি তেল নিয়ে সরকারের জরুরি নির্দেশনা

ছুটির দিনে জ্বালানি তেল নিয়ে সরকারের জরুরি নির্দেশনা চলমান জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় একের পর এক নির্দেশনা দিচ্ছে সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় এবার সরকারি ছুটির দিন প্রধান ডিপো খোলা রেখে জ্বালানি তেল সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) আজ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি ছুটির দিন (শুক্রবার ও শনিবার) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) অধীনস্থ বিপণন কম্পানিসমূহের প্রধান স্থাপনা/ডিপো খোলা রেখে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে। এতে আরও বলা হয়, ‘জনগণের চাহিদা মোতাবেক দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বিদেশ হতে আমদানি কার্যক্রম/সূচি নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে পার্সেল দেশে আনা হচ্ছে।

ঈদ ফিরতি ট্রেনযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু আগামীকাল

ঈদ ফিরতি ট্রেনযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু আগামীকাল পবিত্র ঈদুল ফিতরের উৎসব শেষে ঘরমুখো মানুষের ফিরতি যাত্রার জন্য ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হচ্ছে আগামীকাল । এদিন থেকে পাওয়া যাবে আগামী ২৩ মার্চের টিকিট। বরাবরের মতো এবারও আন্তঃনগর ট্রেনের সাত দিনের অগ্রিম টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় বিক্রি করা হচ্ছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে বিক্রি শুরু হবে এসব টিকিট। এ সময় পাওয়া যাবে রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের টিকিট। অন্যদিকে দুপুর ২টা থেকে বিক্রি শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের অগ্রিম টিকিট। সম্প্রতি রাজধানীর রেল ভবনে ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বিশেষ ট্রেনযাত্রার প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৩ মার্চের টিকিট বিক্রি হবে ১৩ মার্চ, ২৪ মার্চের টিকিট ১৪ মার্চ, ২৫ মার্চের টিকিট ১৫ মার্চ, ২৬ মার্চের টিকিট ১৬ মার্চ, ২৭ মার্চের টিকিট ১৭ মার্চ, ২৮ মার্চের টিকিট ১৮ মার্চ এবং ২৯ মার্চের টিকিট ১৯ মার্চ বিক্রি করা হবে। তবে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হবে। যাত্রীদের অনুরোধে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে। প্রসঙ্গত, ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবার কিনতে পারবেন। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করা যাবে। কোনো টিকিট রিফান্ড করা হবে না।

এইচএসসি পরীক্ষার আসন বিন্যাস প্রকাশ

এইচএসসি পরীক্ষার আসন বিন্যাস প্রকাশ ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার আসন বিন্যাস প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডের আওতায় মোট ৩১৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৩০৮টি কেন্দ্র দেশে এবং ৮টি কেন্দ্র বিদেশে। আজ বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, কেন্দ্র সংক্রান্ত কোনো আপত্তি থাকলে আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে তা বোর্ডে জানাতে হবে।