গোমস্তাপুর থানার ফটক ও বাজারে ২ টি ককটেল বিস্ফোরণ

গোমস্তাপুর থানার ফটক ও বাজারে ২ টি ককটেল বিস্ফোরণ গোমস্তাপুর থানার ফটক ও বাজারে ২ টি ককটেল বিস্ফারণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল গভীর রাতে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে ঘটনা দু’টিতে হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি। গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ – ওসি আব্দুল বারিক এবিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেন ও গোমস্তাপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান তারেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ওসি আব্দুল বারিক জানান, গতকাল রাত ১২ টার দিকে গোমস্তাপুর থানার ফটকে ককটেল সদৃশ বস্তু বিস্ফোরিত হয়ে শব্দ সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে একই সময় গোমস্তাপুর বাজারে আরেকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। ওসি আরও জানান, কে বা কারা, কোন উদ্যেশ্যে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং আলামত সংগ্রহের কাজ চলছে। উপজেলায় পুলিশের নজরদারি জোরদার ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রীয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওসি।

ভারত ম্যাচ না খেললে মামলা হতে পারে, পিসিবিকে আইসিসির সতর্কবার্তা

ভারত ম্যাচ না খেললে মামলা হতে পারে, পিসিবিকে আইসিসির সতর্কবার্তা ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় আর্থিক ও আইনি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। আজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পাকিস্তানকে সতর্ক করে জানিয়েছে, নির্ধারিত ম্যাচটি অনুষ্ঠিত না হলে টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল সম্প্রচারক জিওস্টার আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে। পাকিস্তান সরকারের নির্দেশে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় অনুষ্ঠিতব্য ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পিসিবি। তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ এখনো লিখিতভাবে আইসিসিকে জানানো হয়নি। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে পিসিবি সূত্র জানিয়েছে, ভারত ম্যাচ বর্জনের কারণে আইসিসি পাকিস্তানের বার্ষিক রাজস্ব অংশীদারিত্ব থেকে প্রায় ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কেটে নিতে পারে। সেই অর্থ সম্প্রচারককে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। পিসিবি সূত্র আরও জানায়, অবস্থান পরিবর্তন না করলে শুধু আর্থিক জরিমানাই নয়, সম্প্রচারকের পক্ষ থেকে সরাসরি মামলার মুখেও পড়তে হতে পারে বোর্ডকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর শুরু হচ্ছে শনিবার ৭ ফেব্রুয়ারি।

জেনে নিন বিটরুটের হালুয়া তৈরির রেসিপি

জেনে নিন বিটরুটের হালুয়া তৈরির রেসিপি  হালুয়ার স্বাদ কে না পছন্দ করেন! বিশেষ করে মিষ্টি খাবার খেতে যারা বেশি ভালোবাসেন, তাদের কাছে পছন্দের একটি পদ হলো হালুয়া। অতিথি আপ্যায়নে বা বিশেষ কোনো আয়োজনে থাকে নানা স্বাদের হালুয়া। সাধারণত আমাদের দেশে ছোলার ডাল কিংবা সুজির হালুয়া বেশি খাওয়া হয়। তবে আরও অনেক কিছু দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু হালুয়া। আজ চলুন জেনে নেওয়া যাক বিটরুটের হালুয়া তৈরির রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে : বিটরুট- ১টি লবণ- ১ চিমটি সুজি- ১/২কাপ ময়দা- ১/২কাপ ঘি- ১/২ কাপ এলাচ- ২টি গুঁড়া দুধ- ৩ টেবিল চামচ পানি- পরিমাণমতো গোলাপ জল- ১/২চা চামচ কিশমিশ, বাদাম ও কোকোনাট পাউডার- সাজানোর জন্য। যেভাবে তৈরি করবেন প্রথমে বিটরুট ধুয়ে গ্রেট করে তারপর ব্লেন্ড করে নিন। এবার বিটের রসটুকু ছেঁকে নিন। একটি ননস্টিক কড়াইয়ে ঘি গরম করে তাতে ময়দা ও সুজি একসঙ্গে মিশিয়ে অনবরত নেড়েচেড়ে ভেজে নিন। একটু লালচে ভাব হয়ে এলে তাতে বিটের রস, চিনি ও গুঁড়া দুধ মিশিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। হালুয়া কড়াইয়ের গা ছেড়ে এলে গোলাপজল ও কাজু পেস্তা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। এরপর পছন্দমতো শেইপে কেটে নিন। উপরে কোকোনাট পাউডার ও কিশমিশ-বাদাম ছিটিয়ে পরিবেশন করুন।

সুস্থ কিডনির রহস্য লুকিয়ে আছে যেসব খাবারে

সুস্থ কিডনির রহস্য লুকিয়ে আছে যেসব খাবারে রক্ত পরিশোধন, শরীরের বিষাক্ত পদার্থ (টক্সিন) অপসারণ এবং ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সামলায় কিডনি। তবে বর্তমানের অনিয়মিত জীবনযাপন আর অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। কেবল পর্যাপ্ত পানি খেলেই কিডনি রক্ষা পায় না, প্রয়োজন সঠিক ও সুষম খাদ্যাভ্যাস। বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনার হাতের কাছে থাকা কিছু সাধারণ খাবারই হতে পারে কিডনির সুরক্ষাকবচ। জেনে নিন কী কী রাখবেন আপনার দৈনন্দিন তালিকায়- ফুলকপি ও পেঁয়াজ : ডিটক্সের হাতিয়ার কিডনি থেকে টক্সিন বের করে দিতে ফুলকপির জুড়ি নেই। এটি ভিটামিন সি, ফোলেট এবং ফাইবার সমৃদ্ধ, যা শরীরের ডিটক্স প্রক্রিয়ায় দারুণ কাজ করে। অন্যদিকে, যারা পটাশিয়ামের ভয়ে সবজি বাছেন, তাদের জন্য পেঁয়াজ আদর্শ। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যেমন- অ্যাসিলিন ও কোয়ারসেটিন কিডনির ওপর চাপ কমিয়ে হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ফল যখন মহৌষধ : আপেল ও তরমুজ কিডনিকে হাইড্রেটেড রাখে। এটি শরীর থেকে বর্জ্য অপসারণে দ্রুত কাজ করে। এছাড়া আপেলের উচ্চ ফাইবার এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শুধু কিডনির প্রদাহই কমায় না, বরং রক্তে শর্করা এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ ভূমিকা রাখে। তেল ও ভেষজ গুণ : রান্নায় স্বাস্থ্যকর চর্বির উৎস হিসেবে জলপাই তেল বা অলিভ অয়েল ব্যবহার কিডনি রোগীদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। পাশাপাশি যারা ওজন কমাতে গ্রিন টি খান, তারা জেনে খুশি হবেন যে এটি কিডনির জন্য একটি ‘প্রতিরক্ষামূলক ঢাল’ হিসেবে কাজ করে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণাগুণ কিডনির কার্যকারিতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। রসুন ও সামুদ্রিক মাছ : প্রদাহবিরোধী বা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানে ঠাসা রসুন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে কিডনিকে সুরক্ষিত রাখে। এছাড়া খাদ্যতালিকায় স্যামন বা টুনার মতো ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ রাখা জরুরি। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রদাহ কমিয়ে কিডনির সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।

এপস্টেইন আইল্যান্ডের নিয়ন্ত্রিত গোপন কম্পাউন্ড

এপস্টেইন আইল্যান্ডের নিয়ন্ত্রিত গোপন কম্পাউন্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত লিটল সেন্ট জেমস ও গ্রেট সেন্ট জেমস। এই দুই দ্বীপকে জেফরি এপস্টেইন পরিণত করেছিলেন একটি গোপন কম্পাউন্ডে। আর এখানেই তিনি মানবপাচারের শিকার নারী ও শিশুদের এনে আটক রাখতেন। সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, দুটি দ্বীপ মিলিয়ে মোট আয়তন ছিল প্রায় ২৩৭ একর। বাহ্যিকভাবে দ্বীপগুলো ছিল অভিজাত অতিথিদের জন্য বিলাসী স্বর্গ। আদতে বাস্তবে পাচার হওয়া ব্যক্তিদের জন্য এটি ছিল নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণে ঘেরা এক ভয়াবহ ফাঁদ। দ্বীপগুলোর বিচ্ছিন্ন ভৌগোলিক অবস্থাই জেফরি এপস্টেইনের কার্যক্রম পরিচালনাকে আরও সহজ করে তোলে। এই দ্বীপে রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ভবন, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে অতিথিদের চলাফেরা ধারণ করার ব্যবস্থাও ছিল বলে জানা যায়। বার্তা সংস্থা এপি জানায়, দ্বীপ দুটিতে ব্যক্তিগত জেট, হেলিপ্যাডসহ নানা বিলাসী সুবিধা থাকলেও সেগুলো পরিচালিত হতো কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই দ্বীপগুলো কার্যত একটি ‘লজিস্টিক হাব’ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। নথি অনুযায়ী, ভুক্তভোগীদের সাধারণ পর্যটকের ছদ্মবেশে সেন্ট থমাস বিমানবন্দর দিয়ে এই দ্বীপে আনা হতো। এরপর তাদের দ্বীপে নিয়ে গিয়ে বন্দী করে রাখা হতো। তারা বাইরের দুনিয়া থেকে ওই দ্বীপের মতো নির্জন আর একা হয়ে পড়তেন।

নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতারক চক্র থেকে সাবধান থাকার আহ্বান ইসির

নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতারক চক্র থেকে সাবধান থাকার আহ্বান ইসির আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতারক চক্র থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, একটি প্রতারক চক্র নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্বাচনকালীন সম্মানী প্রদানের কথা বলে তাদের কাছ থেকে বিকাশ নম্বর সংগ্রহের চেষ্টা করছে। প্রতারকরা ০১৩৪২-০৪৬২৩২ ও ০১৬১২-৬৭৭০৭৪ নম্বর দু’টি ব্যবহার করে প্রতারণামূলক ফোনকল করছে।’ এতে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য হলো- আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসারদের মাধ্যমে স্ব স্ব কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল কর্মকর্তাকে বিধি অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সম্মানি প্রদান করা হবে। এ জন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের প্রয়োজন নেই। বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল কর্মকর্তাকে এই ধরনের প্রতারক চক্রের ফোনকলে সাড়া না দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে এ জাতীয় জালিয়াতি এড়াতে সকলকে সর্বোচ্চ সচেতন থাকতেও বলা হয়েছে।

আকাশে দেখা গেল ফেব্রুয়ারির ‘স্নো মুন’, আসছে সুপারমুন ও চন্দ্রগ্রহণ

আকাশে দেখা গেল ফেব্রুয়ারির ‘স্নো মুন’, আসছে সুপারমুন ও চন্দ্রগ্রহণ বাংলাদেশ সময় গত সোমবার ভোরে আকাশে দেখা গেছে ফেব্রুয়ারির পূর্ণিমা, যাকে ‘স্নো মুন’ নামে ডাকা হয়। উত্তর আমেরিকায় এ সময় তুষারপাত বেশি হয় বলে এই নামটি জনপ্রিয়। পূর্ণিমার চাঁদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকেই দেখা যায়। বাংলাদেশে রবিবার রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত চাঁদ ছিল প্রায় পূর্ণিমার মতো উজ্জ্বল। আর্থস্কাই-এর তথ্য অনুযায়ী, পূর্ণিমা সর্বোচ্চ উজ্জ্বল হয়েছিল রবিবার বিকাল ৫টা ৯ মিনিটে (ইস্টার্ন টাইম)। বাংলাদেশ সময় তা ছিল সোমবার ভোর ৪টা ৯ মিনিটে। ফলে দেশে চাঁদ দেখার সবচেয়ে ভালো সময় ছিল রবিবার রাত এবং সোমবার ভোর। নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের বিজ্ঞানী নোয়া পেট্রো জানান, পূর্ণিমার সময় চাঁদের পৃষ্ঠে আলো-অন্ধকার অংশ খালি চোখেও দেখা যায়। টেলিস্কোপ বা দূরবীন ব্যবহার করলে চাঁদের গর্ত (ক্রেটার) ও বিভিন্ন গঠন আরও স্পষ্ট বোঝা সম্ভব। এদিকে আকাশপ্রেমীদের জন্য সামনে আরও কয়েকটি বড় জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা রয়েছে। ফারমার্স অ্যালমানাকের তালিকা অনুযায়ী, ৩ মার্চ আবার পূর্ণিমা হবে (ওয়ার্ম মুন)। একই দিনে এশিয়া অঞ্চলের আকাশে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখা যেতে পারে। চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ লালচে দেখাতে পারে, যাকে অনেকে ‘ব্লাড মুন’ (রক্তিম চাঁদ) বলেন। এছাড়া ২০২৬ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বরে দেখা যেতে পারে সুপারমুন ; চাঁদ পৃথিবীর তুলনামূলক কাছাকাছি চলে এলে এটি স্বাভাবিকের চেয়ে বড় ও উজ্জ্বল দেখায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব দৃশ্য উপভোগ করতে শহরের অতিরিক্ত আলো এড়িয়ে খোলা জায়গা বেছে নেওয়া ভালো। আকাশ পরিষ্কার থাকলে বাংলাদেশ থেকেও এসব ঘটনা সহজে দেখা যাবে।

আরও ১৭১ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আরও ১৭১ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে আরও ১৭১ মিলিয়ন বা ১৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কাটঅফ মূল্য ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে দুই দফায় মোট ৩৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার কেনা হয়েছে। এর আগেও চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কয়েক দফায় নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন পর্যন্ত মোট কেনা হয়েছে ৪৩২ কোটি ৩০ লাখ বা ৪.৩২ বিলিয়ন ডলার।

ফেসবুক ও জিমেইলের ১৪৯ মিলিয়নের বেশি তথ্য ফাঁস

ফেসবুক ও জিমেইলের ১৪৯ মিলিয়নের বেশি তথ্য ফাঁস বিশ্বজুড়ে অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি ফেসবুক ও জিমেইলসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় অনলাইন সেবার ১৪৯ মিলিয়নের বেশি লগইন তথ্য একটি উন্মুক্ত অনলাইন ডাটাবেজে পাওয়া গেছে। এতে কোটি কোটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তবে এটি গুগল বা মেটার সার্ভারে সরাসরি কোনো বড় হ্যাক নয়। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যবহারকারীদের ডিভাইসে ঢুকে পড়া ‘ইনফোস্টিলার’ ধরনের ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ধরে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। যেভাবে ফাঁস হয় তথ্য সাইবার নিরাপত্তা গবেষক জেরেমায়া ফাওলার একটি প্রায় ৯৬ গিগাবাইট আকারের ডাটাবেজ শনাক্ত করেন, যা কোনো পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন ছাড়াই উন্মুক্ত অবস্থায় ছিল। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই যে কেউ এই ডাটাবেজে প্রবেশ করতে পারত। ডাটাবেজটিতে ইমেইল ঠিকানা, ইউজারনেম, সরাসরি পাসওয়ার্ড এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের লগইন লিংক সংরক্ষিত ছিল—যা সাইবার অপরাধীদের জন্য কার্যত প্রস্তুত তালিকার মতো। কোন কোন সেবার তথ্য বেশি গবেষণায় দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি তথ্য ছিল ইমেইল অ্যাকাউন্টের। আনুমানিক হিসাবে, জিমেইল: ৪৮ মিলিয়ন, ফেসবুক: ১৭ মিলিয়ন, ইনস্টাগ্রাম: ৬.৫ মিলিয়ন, ইয়াহু মেইল: ৪ মিলিয়ন, নেটফ্লিক্স: ৩.৪ মিলিয়ন, আউটলুক: ১.৫ মিলিয়ন, আইক্লাউড মেইল: ৯ লাখ ও টিকটক: ৭.৮ লাখ। কেন ইমেইল অ্যাকাউন্ট সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি ইমেইল অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ পেলে হ্যাকাররা সহজেই অন্যান্য অ্যাকাউন্টও দখল করতে পারে। কারণ ব্যাংকিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা স্বাস্থ্যসেবার মতো অধিকাংশ সেবার পাসওয়ার্ড রিসেট লিংক ইমেইলে পাঠানো হয়। ফলে ব্যক্তিগত নথি, বিল, ভ্রমণের তথ্যসহ সংবেদনশীল ডেটা ঝুঁকিতে পড়ে। কীভাবে ছড়ায় ম্যালওয়্যার এই তথ্য একদিনে চুরি হয়নি। ভুয়া সফটওয়্যার আপডেট, সন্দেহজনক ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট, ক্ষতিকর ব্রাউজার এক্সটেনশন কিংবা বিভ্রান্তিকর অনলাইন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ম্যালওয়্যার ডিভাইসে ঢুকে পড়ে। ব্যবহারকারী যখন পাসওয়ার্ড টাইপ করেন বা ব্রাউজারে সেভ করেন, তখনই তা চুরি হয়ে যায়। গবেষক ডাটাবেজটির বিষয়ে হোস্টিং কোম্পানিকে জানালেও প্রায় এক মাস এটি উন্মুক্ত অবস্থায় ছিল। বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় প্রযুক্তি কোম্পানির সার্ভার তুলনামূলকভাবে সুরক্ষিত হলেও ব্যবহারকারীর নিজস্ব ডিভাইস দুর্বল হলে ঝুঁকি থেকেই যায়। তাই ব্যক্তিগত সাইবার সচেতনতা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

২ লাখ ১০ হাজার টন সার কিনবে সরকার

২ লাখ ১০ হাজার টন সার কিনবে সরকার মরক্কো, সৌদি আরব ও দেশীয় প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ২ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৮০ হাজার টন ডিএপি সার, ৭০ হাজার টন ইউরিয়া এবং ৬০ হাজার টন টিএসপি সার রয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে এক হাজার ৩৭০ কোটি ৯১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৭৫ টাকা। গতকাল সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এসব সার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) এর মধ্যে সই হওয়া চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মরক্কো থেকে এই সার আনতে ব্যয় হবে ৩১৯ কোটি ৫১ লাখ ৮ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৬৫১ মার্কিন ডলার।