শুভ কলকাতা থেকে শিগগিরই ফিরছেন না

শুভ কলকাতা থেকে শিগগিরই ফিরছেন না সময় খুব একটা ভালো যাচ্ছে না ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা আরিফিন শুভর। হাসিনা সরকার পতনের পর থেকেই আড়ালে চলে যান এই অভিনেতা। তিনি সবশেষ ‘মুজিব একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় মুজিব চরিত্রে অভিনয় করেন। মাত্র এক টাকা পারিশ্রমিকে অভিনয় করে জয় করেন হাসিনার মন। বিনিময়ে পেয়ে যান রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প থেকে সংরক্ষিত কোটায় প্লট বরাদ্দ। তবে তাকে বরাদ্দ দেওয়া সেই ১০ কাঠার প্লটটি বাতিল করে রাজউক। এদিকে গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে হাতে কোনো কাজ না থাকায় নিজেকে একেবারেই গুটিয়ে নিয়েছিলেন মিডিয়া থেকে। তবে এবার ভারতীয় একটি গণমাধ্যমের বরাতে এ অভিনেতার খোঁজ পাওয়া গেল। তিনি বর্তমানে কলকাতা অবস্থান করছেন। সতর্কতার সঙ্গে গোপনে বাংলাদেশ ছেড়েছেন তিনি। ভারতীর গণমাধ্যমটি জানায়, ভারতের নির্মাতা সৌমিক সেনের ওয়েব সিরিজ ‘জ্যাজ সিটি’র শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন তিনি। প্রায় দশদিন ধরে চলা এ শুটিংয়ে কলকাতার অংশের কাজে যোগ দিয়েছেন শুভ। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সিরিজের শুটিং চলবে। তবে বিভিন্ন সূত্র জানায়, কলকাতা থেকে শিগ্গিরই দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই আরিফিন শুভর। সিরিজের কাজ শেষ করে সেখানেই আরও কিছুদিন অবস্থান করবেন তিনি। এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত ‘নূর’ ও ‘নীলচক্র’ নামে দুটি সিনেমা।

সিয়াম আবারও শুভেচ্ছাদূত হলেন

সিয়াম আবারও শুভেচ্ছাদূত হলেন বর্তমানে নতুন কোনো সিনেমার কাজ করছেন না সিয়াম আহমেদ। তবে বসে নেই তিনি। সিনেমার পাশাপাশি কর্পোরেট দুনিয়ায় এ নায়কের বিচরণ রয়েছে। বিজ্ঞাপনের শুটিং ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত হিসাবে রয়েছে তার ব্যস্ততা। কিছুদিন আগেও নতুন কিছু বিজ্ঞাপনের কাজ শেষ করেছেন। এদিকে সম্প্রতি চিত্রনায়ক শাকিব খানের প্রতিষ্ঠানেও শুভেচ্ছাদূত হিসাবে যুক্ত হন তিনি। এর কয়েক সপ্তাহ না পেরোতেই নতুন আরও একটি প্রতিষ্ঠানে শুভেচ্ছাদূত হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছেন এ নায়ক। স্টেইনলেস স্টিল প্রস্তুতকারক একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজের চুক্তিও সারেন। এ প্রসঙ্গে সিয়াম বলেন, ‘নতুন এ পরিবারের অংশ হতে পেরে আমি গর্বিত। প্রতিষ্ঠানটির কাজের ধরন আমার ব্যক্তিগত মূল্যবোধের সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ। তাই এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়া। এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে সিয়াম অভিনীত ‘জংলি’ নামে একটি সিনেমা। এম রাহিম পরিচালিত এ সিনেমায় তার বিপরীতে রয়েছেন শবনম বুবলী। সিনেমাটি গত ঈদুল আজহায় মুক্তির ঘোষণা দিয়েও অবশেষে পিছিয়ে যায়। কবে নাগাদ এটি মুক্তি পাবে সে ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি সংশ্লিষ্টরা। এদিকে মিজানুর রহমান আরিয়ানের পরিচালনায় একটি সিনেমায় কাজ করার কথা শোনা যাচ্ছে সিয়ামের। তবে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

মায়ামি ছাড়ার ইঙ্গিত মেসির

মায়ামি ছাড়ার ইঙ্গিত মেসির ক্লাব বিশ্বকাপ ফুটবলে ইন্টার মায়ামিকে বাড়তি সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ফিফার বিরুদ্ধে। আর এই বিতর্কের মাঝে লিওনেল মেসির মায়ামি ছাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। আর কতদিন ইন্টার মায়ামিতে খেলবেন লিওনেল মেসি, সে নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন? ২০২৫ সাল পর্যন্ত তার সঙ্গে চুক্তি রয়েছে ক্লাবের। কিন্তু ততদিনও কি মেসিকে দেখা যাবে না আমেরিকার দলের হয়ে খেলতে? এ জন্য ২০২৫ সালের ক্লাব বিশ্বকাপে খেলার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে মায়ামিকে। তবে এর জন্য তাদের যোগ্যতা অর্জন করতে হয়নি। যেহেতু আমেরিকায় এ প্রতিযোগিতা হবে, তাই আয়োজক দেশের ক্লাব হিসাবে সরাসরি খেলার যোগ্যতা পেয়েছে মায়ামি। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা ফিফার এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ— মেসিকে প্রতিযোগিতায় রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মেসির মুখ ব্যবহার করে ব্যবসার জন্য ফিফা নিয়ম ভেঙে এই কাজ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিতর্কের মাঝেই মেসির ক্লাবে থাকা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। মেসি জানিয়েছেন, বিতর্কের মধ্যে তিনি থাকতে চান না। সে কারণে তিনি ক্লাব ছাড়তে চান। দলের কোচ তাতা মার্টিনো জোর গলায় বলতে পারছেন না যে, মেসি ক্লাবেই থাকবেন। তিনি বলেন, আমি জানি না মেসি কত দিন থাকবে। মেসি মায়ামিতে আসার পর এই দলের চেহারা বদলে গেছে। গতবার আমরা ট্রফি জিতেছি। যে দল মেজর লিগ সকারে সবার শেষে থাকত, সেই দল প্লে-অফ খেলেছে। আগামী মৌসুমেও এই ফর্ম ধরে রাখতে চাইব। তার জন্য মেসিকে প্রয়োজন। তবে ও নিজের ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নিজেই নেবে। মেসি মায়ামিতে যাওয়ার পর থেকে কয়েকবার তার ক্লাব ছাড়ার জল্পনা শোনা গিয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত তা সত্যি হয়নি। মেসির খেলা দেখেও মনে হয়নি তিনি মায়ামিতে কোনো সমস্যায় রয়েছেন। বিশেষ করে সুয়ারেজ, আলবা ও বুস্কেৎসের সঙ্গে তার জুটি সাফল্য এনেছে। ২০২৬ সালে আমেরিকায় ফুটবল বিশ্বকাপ। তার আগে মেসির সে দেশে খেলার গুরুত্ব অনেক বেশি। তিনি যাওয়ার পর থেকে আমেরিকায় ফুটবলের জনপ্রিয়তা অনেক বেড়েছে। মেসি পরের বিশ্বকাপ খেলবেন কিনা তা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি। যদি তিনি খেলেন তা হলে হয়তো এখনই আমেরিকা ছাড়া সম্ভব হবে না তার পক্ষে।

ইসরাইলকে কড়া হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

ইসরাইলকে কড়া হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের জেরুজালেমে ফ্রান্স নিয়ন্ত্রিত একটি সম্পত্তিতে সশস্ত্র ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর প্রবেশ ও কূটনীতিক কর্মকর্তাদের আটক নিয়ে চটেছে ইউরোপের দেশটি। এ ঘটনার যেন আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে, তা নিয়ে সতর্কের পাশাপাশি ইসরাইলি রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ফ্রান্স। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর ইসরাইলি রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়। এর আগে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল ব্যারোট বলেছেন, জেরুজালেমে সশস্ত্র ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর প্রবেশের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে। জেরুজালেমে ফ্রান্স পরিচালিত চারটি স্থান রয়েছে। গত ৭ নভেম্বর শহরের মাউন্ট অব দ্য অলিভস নদীর প্যাটার নস্টার চার্চের কম্পাউন্ড পরিদর্শনে যান ফ্রান্সের কূটনৈতিক মর্যাদাসম্পন্ন দুই কর্মকর্তা। পরে ইসরাইলি পুলিশ তাদের আটক করে। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তারা ইসরাইলি সশস্ত্র বাহিনীকে এই অঞ্চলে প্রবেশ সহ্য করবে না। এই ঘটনা যেন আর কখনো না ঘটে। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গাজায় ব্যবহৃত আক্রমণাত্মক অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের আহ্বান জানানোর পর থেকে ফ্রান্স ও ইসরাইলের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে। ফরাসি সরকার প্যারিসে একটি বাণিজ্য মেলায় ইসরাইলি অস্ত্র সংস্থাগুলোকে প্রদর্শন নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করেছিল। গাজা ও লেবাননের যুদ্ধে ইসরাইলের আচরণে ক্রমবর্ধমান অস্বস্তি হয়ে উঠেছে ইউরোপের দেশটি।

আদানির সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট

আদানির সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট বিদ্যুৎ নিয়ে আদানির সঙ্গে হওয়া চুক্তি দেশের স্বার্থবিরোধী উল্লেখ করে এই অসম চুক্তি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।বুধবার ১৩ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. আবদুল কাইয়ুম এই রিট পিটিশন দায়ের করেন। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হবে। এর আগে গত ৬ নভেম্বর বিদ্যুৎ নিয়ে ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল চেয়ে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। নোটিশে অবিলম্বে অন্যায্য একতরফা চুক্তি পুনর্বিবেচনা অথবা পুরোটাই বাতিল চাওয়া হয়েছে। তিনদিনের মধ্যে আদানিকে এই ঘটনায় চুক্তি পুনর্বিবেচনার কার্যক্রম শুরু না করলে হাইকোর্টে রিট করবেন বলেও জানান সংশ্লিষ্ট আইনজীবী। জ্বালানি ও আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে পর্যালোচনা কমিটি গঠন করে বিস্তারিত রিপোর্ট দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানানো হয়েছে। লিগ্যাল নোটিশের জবাব দিতে পিডিবির চেয়ারম্যান ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে ৩ তিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়। নোটিশের সময় পেরিয়ে যাওয়ায় এ রিট আবেদনটি করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনায় আদানির সঙ্গে তাড়াহুড়া করে ২০১৭ সালে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি হয়। ওই সময় দেশে আমদানি করা কয়লানির্ভর কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়নি। এসব চুক্তির একটি ২০১৭ সালে আদানির সঙ্গে করা ২৫ বছর মেয়াদি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি। ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডে আদানির ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মূলত বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

ট্রাম্পের ঘোষণা হোয়াইট হাউজে পরামর্শক হিসাবে ইলন মাস্ক ও রামাস্বামীকে

ট্রাম্পের ঘোষণা হোয়াইট হাউজে পরামর্শক হিসাবে ইলন মাস্ক ও রামাস্বামীকে সদ্য নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নতুন প্রশাসনের ‘সরকারি দক্ষতা বিভাগের ডিওজিই’ নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ইলন মাস্ককে বেছে নিয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর এক বিবৃতিতে তিনি এ ঘোষণা দেন। বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেছেন, একজন বায়োটেক বিনিয়োগকারী বিবেক রামাস্বামী ও স্পেসএক্স এবং টেসলার প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক মিলে আমলাতন্ত্রকে ‘উচ্ছেদ’ করার প্রকল্পে কাজ করবেন। এছাড়াও এই জুটি হোয়াইট হাউসে কীভাবে ‘বড় আকারের কাঠামোগত সংস্কার চালাতে হয়’ সে সম্পর্কে পরামর্শ দেবেন ট্রাম্পকে। এর আগে, ট্রাম্প ফক্স নিউজের উপস্থাপক পিট হেগসেথকে তার প্রতিরক্ষা সচিব এবং টেক্সাসের সাবেক কংগ্রেসম্যান এবং ফেডারেল প্রসিকিউটর জন র‍্যাটক্লিফকে সিআইএ-এর নেতৃত্ব দেওয়ার ঘোষণা দেন। ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রচারণায় ব্যাপক আর্থয়ন করেছিলেন। অন্যদিকে রামস্বামী এই বছরের শুরুতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট পদে রিপাবলিকান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

আজ শব্দের জাদুকরের জন্মদিন

আজ শব্দের জাদুকরের জন্মদিন ডাক নাম ছিল কাজল। বাবার রাখা প্রথম নাম শামসুর রহমান হলেও পরে তার বাবা ছেলের নাম বদলে রাখেন হুমায়ূন আহমেদ। একাধারে লেখক,ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার, চলচ্চিত্র পরিচালক, কবি ও গীতিকার হুমায়ূন শিল্পসৃষ্টি ও মনোরঞ্জনের মেলবন্ধন ঘটিয়েছিলেন অবলীলায়। শব্দের জাদুকর হুমায়ূন আহমেদের ৭৪তম জন্মদিন আজ। হুমায়ূনকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখক গণ্য করা হয়। বলা হয় আধুনিক বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের তিনি পথিকৃৎ। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। তাঁর বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত। ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন বিংশ শতাব্দীর বাঙালি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা ফয়েজ। তাঁর পিতা একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন এবং তিনি ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন পিরোজপুর মহকুমার এসডিপিও হিসেবে কর্তব্যরত অবস্থায় শহীদ হন। তাঁর বাবা পত্রপত্রিকায় লেখালেখি করতেন। বগুড়া থাকার সময় তিনি একটি গ্রন্থও প্রকাশ করেছিলেন। গ্রন্থের নাম দ্বীপ নেভা যার ঘরে। তাঁর মায়ের লেখালেখির অভ্যাস না থাকলেও একটি আত্মজীবনী গ্রন্থ রচনা করেছেন যার নাম জীবন যে রকম। তাঁর অনুজ মুহম্মদ জাফর ইকবাল দেশের একজন বিজ্ঞান শিক্ষক এবং কথাসাহিত্যিক ; সর্বকনিষ্ঠ ভ্রাতা আহসান হাবীব রম্য সাহিত্যিক এবং কার্টুনিস্ট। সত্তরের দশকের শেষভাগ থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তাঁর গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনাহীন। তাঁর সৃষ্ট হিমু ও মিসির আলি চরিত্রগুলো বাংলাদেশের যুবকশ্রেণিকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। তাঁর অন্যতম উপন্যাস হলো নন্দিত নরকে, মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, শঙ্খনীল কারাগার, মাতাল হাওয়া ইত্যাদি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘকাল কর্মরত ছিলেন হুমায়ূন। লেখালেখি এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বার্থে তিনি অধ্যাপনা ছেড়ে দেন। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাঁকে আটক করে এবং নির্যাতনের পর হত্যার জন্য গুলি চালায়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রজীবনে একটি নাতিদীর্ঘ উপন্যাস রচনার মধ্য দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্যজীবনের শুরু। এই উপন্যাসটির নাম নন্দিত নরকে। ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে উপন্যাসটি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। ১৯৭২-এ কবি-সাহিত্যিক আহমদ ছফার উদ্যোগে উপন্যাসটি খান ব্রাদার্স কর্তৃক গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রখ্যাত বাংলা ভাষাশাস্ত্র পণ্ডিত আহমদ শরীফ স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে এ গ্রন্থটির ভূমিকা লিখে দিলে বাংলাদেশের সাহিত্যামোদী মহলে কৌতূহল সৃষ্টি হয়। শঙ্খনীল কারাগার তাঁর দ্বিতীয় গ্রন্থ। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দুই শতাধিক গল্পগ্রন্থ ও উপন্যাস রচনা করেছেন। হুমায়ূন আহমেদের প্রথমা স্ত্রীর নাম গুলতেকিন আহমেদ। তাঁদের বিয়ে হয় ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে। এই দম্পতির তিন মেয়ে এবং দুই ছেলে। তিন মেয়ের নাম বিপাশা আহমেদ, নোভা আহমেদ, শীলা আহমেদ এবং ছেলের নাম নুহাশ আহমেদ। অন্য আরেকটি ছেলে অকালে মারা যায়। ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যভাগ থেকে শীলার বান্ধবী বেশ কিছু নাটক-চলচ্চিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী শাওনের সঙ্গে হুমায়ূন আহমেদের ঘনিষ্ঠতা জন্মে। এর ফলে সৃষ্ট পারিবারিক অশান্তির অবসানকল্পে ২০০৫-এ গুলতেকিনের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ হয় এবং ওই বছরই শাওনকে বিয়ে করেন। এ ঘরে তাদের তিন ছেলে-মেয়ে জন্মগ্রহণ করে। প্রথম ভূমিষ্ঠ কন্যাটি মারা যায়। ছেলেদের নাম নিষাদ হুমায়ূন ও নিনিত হুমায়ূন। বিষয়বস্তুর দিক থেকে হুমায়ূন আহমেদের গ্রন্থসম্ভার কয়েকটি শ্রেণিতে বিন্যাস করা যায়। যেমন : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ : শ্যামল ছায়া (১৯৭৪), আগুনের পরশমণি (১৯৮৬), অনিল বাগচীর একদিন (১৯৯২), ১৯৭১ (১৯৯৩), জোছনা ও জননীর গল্প (২০০৪) প্রভৃতি। স্থান-কাল ও বিষয়ভিত্তিক প্রধান গ্রন্থ : শঙ্খনীল কারাগার (১৯৭৩), আনন্দ বেদনার কাব্য (১৯৮৪), যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ (১৯৮৪), আমার আছে জল (১৯৮৫), ফেরা (১৯৮৬), নক্ষত্রের রাত (১৯৮৭), প্রিয়তমেষু (১৯৮৮), বাসর (১৯৮৮), এলেবেলে (১ম পর্ব-১৯৯০), এলেবেলে (২য় পর্ব-১৯৯০), সাজঘর (১৯৮৯), ছায়াসঙ্গী (১৯৯০), এই সব দিনরাত্রি (১৯৯০), বহুব্রীহি (১৯৯০), অয়োময় (১৯৯০), গৌরীপুর জংশন (১৯৯০), শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯০), আশাবরী (১৯৯১), অমানুষ (১৯৯১), চাঁদের আলোয় কয়েকজন যুবক (১৯৯১), দুই দুয়ারী (১৯৯১), নৃপতি (১৯৯১), নী (১৯৯২), কোথাও কেউ নেই (১৯৯২), মন্দ্রসপ্তক (১৯৯৩), কবি (১৯৯৬), মহাপুরুষ (১৯৯৬), আমাদের সাদা বাড়ি (১৯৯৬), মেঘ বলেছে যাব (১৯৯৭), দূরে কোথায় (১৯৯৭), বৃষ্টিবিলাস (২০০০), মৃন্ময়ী (২০০১), হুমায়ূন আহমেদের হাতে ৫টি নীল পদ্ম (২০০১), বৃষ্টি ও মেঘমালা (২০০১), আজ চিত্রার বিয়ে (২০০৩), এপিটাফ (২০০৪), লীলাবতী (২০০৫), তিন পুরুষ (২০০৫), মধ্যাহ্ন-১ (২০০৭), মধ্যাহ্ন-২ (২০০৮), বৃক্ষকথা (২০০৯), বাদশাহ নামদার (২০১১), মেঘের ওপর বাড়ি (২০১২) প্রভৃতি। সায়েন্স ফিকশন : তোমাদের জন্য ভালোবাসা (১৯৭৩), তারা তিনজন (১৯৮৪), ইরিনা (১৯৮৮), কুহক (১৯৯১), ফিহা সমীকরণ (১৯৯২), শূন্য (১৯৯৪), ইমা (১৯৯৮), অনন্ত নক্ষত্র বীথি (১৯৯৮), ওমেগা পয়েন্ট (২০০০), দ্বিতীয় মানব (২০০২) প্রভৃতি। তাঁর বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ কোয়ান্টাম রসায়ন। রহস্যধর্মী ও ভূত বিষয়ক : বোতল ভূত (১৯৮৯), ভূত ভূতং ভূতৌ (১৯৯১), ভয় (১৯৯১), একি কান্ড (১৯৯৩), চেরাগের দৈত্য এবং বাবলু (১৯৯৭), বোকাভু (১৯৯৭), কানী ডাইনী (২০০০), ভূতসমগ্র (২০০২), মজার ভূত (২০০৫), ভয়ংকর ভূতুড়ে (২০০৮), অতিপ্রাকৃত (২০০৮), নির্বাচিত ভূতের গল্প (২০০৯), ভূতমন্ত্র (২০১০) প্রভৃতি। শিশু-কিশোর গ্রন্থ : নুহাশ এবং আলাদিনের আশ্চর্য চেরাগ (১৯৯২), ছোটদের সেরা গল্প (১৯৯৫), পরীর মেয়ে মেঘবতী (১৯৯৭), তোমাদের জন্য রূপকথা (১৯৯৮), কালো জাদুকর (১৯৯৮), কাক ও কাঠগোলাম (২০০২), ছোটদের জন্য এক ব্যাগ হুমায়ূন (২০০৩), বোকা রাজার সোনার সিংহাসন (২০০৩), নীল মানুষ (২০০২), কুহুরানী (২০০৬), হলুদ পরী (২০০৯), বনের রাজা (২০১০) প্রভৃতি। আত্মজৈবনিক গ্রন্থ : হোটেল গ্রেভারইন (১৯৮৯), আমার ছেলেবেলা (১৯৯১), কিছু শৈশব (২০০৭), বলপয়েন্ট (২০০৯), কাঠপেন্সিল (২০০৯), ফাউন্টেন পেন (২০১১), রঙ পেন্সিল (২০১১), নিউইয়র্কের নিলাকাশে ঝকঝকে রোদ (২০১২)। হিমু সিরিজ : ময়ূরাক্ষী (১৯৯০), দরজার ওপাশে (১৯৯৩), হিমু (১৯৯৩), পারাপার (১৯৯৩), এবং হিমু (১৯৯৫), হিমুর হাতে কয়েকটি নীল পদ্ম (১৯৯৬), হিমুর দ্বিতীয় প্রহর (১৯৯৭), হিমুর রূপালী রাত্রি (১৯৯৮), একজন হিমু কয়েকটি ঝিঁঝিঁ পোকা (১৯৯৯), তোমাদের এই নগরে (২০০০), সে আসে ধীরে (২০০২), চলে যায় বসন্তের দিন (২০০২), হিমু মামা (২০০৪), আঙুল কাটা জগলু (২০০৫), হলুদ হিমু কালো র‌্যাব (২০০৬), আজ হিমুর বিয়ে (২০০৭), হিমু রিমান্ডে (২০০৮), হিমুর একান্ত সাক্ষাৎকার ও অন্যান্য (২০০৮), হিমুর মধ্যদুপুর (২০০৯), হিমুর বাবার কথামালা (২০০৯), হিমুর নীল জোছনা (২০১০), হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী (২০১১), হিমুর আছে জল (২০১১), হিমু এবং হার্ভার্ড পিএইচ.ডি বল্টু ভাই (২০১২) প্রভৃতি। মিসির আলি সিরিজ : দেবী (১৯৮৫), অন্যভুবন (১৯৮৭), বিপদ (১৯৯১), মিসির আলির অমীমাংসিত রহস্য (১৯৯৪) প্রভৃতি। শুভ্র সিরিজ: দারুচিনি দ্বীপ (১৯৯১), রূপালী দ্বীপ (১৯৯৪), শুভ্র (১৯৯৮), এই শুভ্র ! এই (২০০৩), শুভ্র গেছে বনে (২০১০) প্রভৃতি। হুমায়ূনের প্রতিটি বই-উপন্যাস ছিল পাঠকদের জন্য অমৃতসুধার মতো। তাঁর লেখনী এক গভীর মায়ায় আচ্ছন্ন করে রাখে পাঠকদের। টেলিভিশনের জন্য একের পর এক দর্শক-নন্দিত নাটক রচনার পর হুমায়ূন আহমেদ ১৯৯০-এর গোড়ার দিকে চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেন। তাঁর পরিচালনায় প্রথম চলচ্চিত্র আগুনের পরশমণি মুক্তি পায় ১৯৯৪ সালে। ২০০০ সালে শ্রাবণ মেঘের দিন ও ২০০১ সালে দুই দুয়ারী চলচ্চিত্র দুটি প্রথম শ্রেণির দর্শকদের কাছে দারুন গ্রহণযোগ্যতা পায়। ২০০৩-এ নির্মান করেন চন্দ্রকথা নামে একটি চলচ্চিত্র। ১৯৭১-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে নির্মান করেন শ্যামল ছায়া

ওয়েস্ট ইন্ডিজ যাচ্ছেন দিপু শান্তর পরিবর্তে

ওয়েস্ট ইন্ডিজ যাচ্ছেন দিপু শান্তর পরিবর্তে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের দল ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে কুঁচকির চোটের কারণে টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন এই টাইগার অধিনায়ক। তার পরিবর্তে স্কোয়াডে ডাক পেয়েছেন ব্যাটার শাহদাত হোসেন দিপু। মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানিয়েছে বিসিবি। ২০২৩ সালে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড সিরিজে টেস্টে অভিষেক হয় দিপুর। এখন পর্যন্ত এই ফরম্যাটটিতে চারটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। চলতি বছরের মার্চের পর আর জাতীয় দলে খেলা হয়নি দীপুর। ওই মাসেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ব্যাট হাতে ছিলেন ব্যর্থ তিনি। এরপর পাকিস্তান, ভারত ও সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঘরের মাঠের টেস্ট সিরিজেও দীপু ডাক পাননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে বাংলাদেশের টেস্ট স্কোয়াড: সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জয়, জাকির হাসান, মুমিনুল হক, শাহদাত হোসেন দিপু, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, লিটন কুমার দাশ, জাকের আলী অনিক, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা ও হাসান মুরাদ।

মুগ্ধ ইয়ান বিশপ নাহিদ রানায়

মুগ্ধ ইয়ান বিশপ নাহিদ রানায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে হঠাৎ করেই সুযোগ পান নাহিদ রানা। হাসান মাহমুদের বিশ্রাম আর পেসার তানজিম হাসান সাকিবের ইনজুরির কারণে দলে জায়গা পেলেও ভিসা জটিলতায় শুরুতে সংযুক্ত আরব আমিরাত পাড়ি দিতে পারেননি তিনি। মিস করেছেন প্রথম ওয়ানডে। তবে শেষ ম্যাচে তাসকিনকে বিশ্রাম দিয়ে ঠিকই রানাকে প্রমাণ করার একটা সুযোগ দিয়েছে টিম ম্যানেজেমেন্ট। আর সেই সুযোগটাকে দারুণ কাজে লাগিয়েছে রানা। এক ম্যাচেই টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে শুরু করে টাইগার ভক্ত এমনকি বিদেশি এক্সপার্টদেরও মন জয় করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের এই স্টিড স্টার। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই রানার হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। শুরু থেকেই দারুণ গতিতে বল করেন রানা। তার তৃতীয় ডেলিভারির স্পিড ছিল ১৪৮ দশমিক ৭ কিলোমিটার। শারজাহর স্লো উইকেটেও গড়ে ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটারের ওপরে বোলিং করেছেন ২২ বছর বয়সী এই তরুণ। ম্যাচের অষ্টম ওভারে করা দ্বিতীয় বলটি ছিল সবচেয়ে গতিময়। ১৫০ দশমিক ৯ কিলোমিটার গতিতে ছিল সেই ডেলিভারিটি। যা বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটারের করা দ্রুততম বল। ওই ওভারের চতুর্থ বলেই সাদিকউল্লাহকে বোল্ড করে প্রথম ওয়ানডে উইকেটের স্বাদ পান রানা। বলটা ছিল ১৪৮ দশমিক ৯ কিলোমিটার গতির। শুধু গতিই নয়, তার বোলিংয়ে ছিল নিখুত ইনসুইংও। ৫ ওভার ১৩ রান ১ উইকেট। এটাই ছিল নাহিদ রানার প্রথম স্পেল। কম রান দেয়ার পাশাপাশি উইকেট নিয়েছেন। তবে সবচেয়ে বড় বিষয় গতিতে সবসময় কাবু করে রেখেছেন আফগান ব্যাটারদের। নাহিদের ৫ ওভার দেখেই মুগ্ধ হয়েছেন ক্যারিবিয়ান সাবেক পেসার ও জনপ্রিয় ধারাভাস্যকার ইয়ান বিশপ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রানাকে ফিট রাখতে বিসিবিকে উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। বিশপ লেখেন, বাংলাদেশকে এখন থেকেই সাবধানী হতে হবে, উদ্যোগ নিতে হবে। তাদের যে সামর্থ্য আছে, তার মধ্য থেকে সেরা স্ট্রেন্থ ও কন্ডিশনিং কোচ নিয়োগ দিতে হবে নাহিদ রানা ও তাদের পেস বোলিং গ্রুপের জন্য। রানার গতি খুবই প্রশংসনীয়। পরের ৫ ওভারেও সফল ছিলেন রানা। গুলবাদিন নাইবের উইকেটও পেয়েছেন তিনি। ১০ ওভার শেষে ৪০ রান ও এক মেডেনে শিকার করেন দুই উইকেট। সিরিজ হারের দুঃখের দিন নাহিদ রানাই হয়ত দলের জন্য বড় প্রাপ্তি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে একদিনে আরো ১৭ জন আক্রান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে একদিনে আরো ১৭ জন আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে গতকাণ সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন করে আরো ১৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর জেলায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২৭৩ জনে। সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ১৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ১৫ জন, শিবগঞ্জে ১ জন ও নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন শনাক্ত হন। বর্তমানে ভর্তি আছেন ২৭ জন রোগী। তাদের মধ্যে ১৮ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৫ জন শিশু রয়েছেন। ভর্তি রোগীদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ১৮ জন, শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন, গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন, নাচোল ও ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন করে রোগী ভর্তি রয়েছেন। অন্যদিকে সুস্থ হওয়ায় ২ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে এবং অবস্থার অবনতি হওয়ায় ৪ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাহমুদুর রশিদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।