গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের স্মরণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্মরণসভা

গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের স্মরণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্মরণসভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে জুলাই আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের স্মরণে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে শহরের শহীদ সাটু হল অডিটোরিয়ামে এ সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। স্মরণ সভার শুরুতে জুলাই আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে আহত-নিহতদের স্মরণে নির্মিত ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়। এসময় জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইকবাল মাহমুদ, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. পলাশ সরকার, পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক দেবেন্দ্রনাথ উরাও, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আফাজ উদ্দিন, সিভিল সার্জন ডা এসএম মাহমুদুর রশিদ, পুলিশ সুপার রেজাউল করিম, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন জেলা শাখা আহ্বায়ক আব্দুর রাহিমসহ জুলাই আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের পরিবারবর্গ, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সহায়তায় জুলাই আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত ১১ জনের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে ও ২ শহীদদের পরিবারকে ১ লক্ষ টাকা করে নগদ চেক তুলে দেন অতিথিরা। শেষে জুলাই আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত সুস্বাস্থ্যতা কামনা ও নিহতদের স্মরণে দোয়া করা হয়।

অবশেষে পূণ:নির্মাণ হচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফায়ার সার্ভিস মোড় থেকে পশু হাসপাতাল সড়ক

অবশেষে পূণ:নির্মাণ হচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফায়ার সার্ভিস মোড় থেকে পশু হাসপাতাল সড়ক মালিকানা জটিলতায় আটকে থাকার পর অবশেষে বহুল প্রত্যাশিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের হুজরাপুর এলাকার পশু হাসপাতাল মোড় হতে ফায়ার সার্ভিস মোড় পর্যন্ত সড়ক পূণ:নির্মান শুরু হচ্ছে। দীর্ঘদিনের ব্যাপক জনদাবির মূখে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা সমগ্র জেলাবাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু চলাচলের জন্য একদমই অযোগ্য হয়ে পড়া ১ ও ২ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত সড়কটি এক পাশে আরসিসি ড্রেনসহ পূণ:নির্মাণের ব্যবস্থা করেছে। আজ দুপুরে সড়ক পাশের্^ পৌর চাউল মার্কেট প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর প্রশাসক ও জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক (উপ-সচিব) দেবেন্দ্র নাথ উরাঁওয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী(উপ-সচিব) মো.আফাজ উদ্দিন, স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ আলী লাবলু সহ অন্যরা। বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, এ ধরনের আর কোনো সড়ক থাকলে নির্মাণ বা সংস্কারের ব্যবস্থা করা কবে। পৌর প্রশাসক বলেন, পৌরসভার উন্নয়নে ইতোমধ্যে ১০৩ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। টাউন প্লানার ইমরান হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সড়কটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী তৌফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, লোকাল গভর্নমেন্ট কোভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড রিকভারি প্রজেক্টের (এলজিসিআরআরপি) আওতায় প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক ও ড্রেনটি পূণ:নির্মাণ করা হবে। ডিবিসি সড়ক ও আরসিসি ড্রেনটির দৈর্ঘ্য ৩৩০মিটার। নির্মাণ শেষ হবে আগামী বছরের ৬ জুলাই। অবিলম্বে নির্মাণ কাজ শুরু হবে। এদিকে পৌর ২নং ওয়ার্ডের সদ্য সাবেক কাউন্সিলর জিয়াউর রহমান আরমান বলেন, সড়কটির মাটির মালিকানা জটিলতায় জরুরী হওয়া সত্তেও প্রায় দুই যুগ সংস্কার করা যায় নি। রশি টানাটানি চলছিল জেলা পরিষদ এবং সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের মধ্যে। জেলা পরিষদ তাদের জমি সওজকে হস্তান্তর করলেও সরকারের সংশ্লিষ্ট উর্ধতণ কর্তৃপক্ষ তা অনুমোদন করে নি। তিনি আরও বলেন, প্রতিনিয়ত শহরের বাসিন্দারা ছাড়াও সড়কটি ব্যবহার করে জেলার চার উপজেলার মানুষ। এমনকি রাজশাহী ও নওগাঁর সাথে শহর কেন্দ্রের যোগাযোগের জন্যও সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সড়ক পাশের পৌর মার্কেটের প্রহরী আব্দুল মান্নান জানান, সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় মানুষ এতদিন অবর্ণনীয় দূর্ভোগ সহ্য করেছেন। যানবাহন নষ্ট হওয়া ও ছোটবড় দূর্ঘটনা লেগেই থাকত। এনিয়ে পত্রিকায় বহু লেখালেখি ও আন্দোলন হলেও কাজ হয় নি। এখন সড়কটি ড্রেনসহ পূণ:নির্মাণ শুরু হওয়াতে আনন্দ প্রকাশ করেন মান্নান।

দিবস পালনে চাঁদা বা অনুদান নেয়া যাবে না : জেলা প্রশাসক

দিবস পালনে চাঁদা বা অনুদান নেয়া যাবে না : জেলা প্রশাসক চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ জানিয়েছেন, সরকারি বরাদ্দের মধ্যে থেকেই ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন ও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন করতে হবে। এটি সরকারি নির্দেশনা। কাজেই দিবস পালনের জন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কোনো চাঁদা বা অনুদান নেয়া যাবে না। রবিবার দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসন আয়োজিত শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় তিনি এসব কথা জানান। জেলা প্রশাসক আরো জানান, সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক এবার বিজয় দিবসে কুচকাওয়াজ থাকবে না। কাজেই এবার কুচকাওয়াজের জন্য শিক্ষর্থীদের প্রস্তুত করার দরকার নেই। তবে বিজয় দিবসে ৩ বার তপোধ্বনি, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, পতাক উত্তোলন, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহতসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান, হাসপাতাল ও এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন, বাদ জোহর দোয়া মাহফিল, পুরাতন স্টেডিয়ামে দুই দিনের বিজয় মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য কর্মসূচি পালন করা হবে। এছাড়া সভায় ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের শাহাদাত বার্ষিকীও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় স্থানীয় সরকার চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপপরিচালক ও সরকারের উপসচিব দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আফাজ উদ্দিন, সিভিল সার্জন ডা. এসএম মাহমুদুর রহমানসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দ, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবাইকে সচেতন হতে হবে: সিভিল সার্জন

অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবাইকে সচেতন হতে হবে: সিভিল সার্জন চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সচেতনতা সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের যথেচ্ছ ব্যবহার প্রতিরোধে সব পক্ষেরই সচেতনতা দরকার বলে অভিমত ব্যক্ত করা হয়েছে। সভায় বলা হয়, শুধু চিকিৎসকের একার পক্ষে অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধ করা যাবে না। এর জন্য ফার্মেসি বা ওষুধের দোকানদার থেকে শুরু করে রোগী এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবারই সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকতে হবে। এ নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালাতে হবে। পাশাপাশি ক্ষেত্রবিশেষে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে নিয়ে অভিযান চালাতে হবে। আলোচনা সভাটি রবিবার সকালে সিভিল সার্জন অফিসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। প্রয়াস ও বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের সহযোগিতায় সিভিল সার্জন অফিস এসব কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন ডা. এসএম মাহমুদুর রশিদ। এ সময় তিনি তার বক্তব্যে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবাইকে সচেতন থাকার এবং অন্যদেরও সচেতন করার আহ্বান জানান। সভায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল নিয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিস্তারিত তুলে ধরেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. মোছা. রেশমা খাতুন। উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন- ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. নাজির আহমেদ, জেলা মৎস্য অফিসের সিনিয়র সহকারী পরিচালক বরুন কুমার মন্ডল, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. শামীমা নাসরিন, জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী পরিদর্শক মুস্তাফিজুর রহমান, প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক ও জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরাম চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফোকাল পার্সন ফারুক আহমেদ এবং জেলা স্বাস্থ্য অফিকার ফোরামের তথ্যায়ন ও গবেষণা সম্পাদক সাংবাদিক সাজিদ তৌহিদ। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সিভিল সার্জন অফিসের ভিপিএইচএন মতিয়ারা, জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরমের যুব সম্পাদক খোন্দকার আবদুল ওয়াহেদ ও স্বাস্থ্য সম্পাদক শাহনাজ পারভীন, সমতা নারী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আফসানা, ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়ক মোমেনা খাতুন, প্রয়াসের অফিসার শাহরিয়ার শিমুল, জুনিয়র অফিসার মোমেনা ফেরদৌস, জেলা স্বাস্থ্য অধিকার যুব ফোরামের সমন্বয়কারী রাফিউল ইসলাম, সদস্য আজমারুল, আল-আমিন ও মোফাজ্জল হায়দার। আলোচনার সভার আগে সিভিল সার্জন ডা. এসএম মাহমুদুর রশিদের নেতৃত্বে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি সিভিল সার্জন অফিস থেকে বের হয়ে কোর্ট চত্বর ঘুরে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। র‌্যালিতে জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ও যুব ফোরামের সদস্যরা অংশ নেন। উল্লেখ্য, গত ১৮ নভেম্বর থেকে বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সচেতনতা সপ্তাহ-২০২৪ শুরু হয়। এবছরের প্রতিপাদ্য- ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল অকার্যকারিতা : নিজে জানুন, অন্যকে জানান, প্রতিরোধের এখনই সময় সময়’। পরে একই স্থানে জেলা স্বাস্থ্য অধিকার যুব ফোরামের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

গোবরাতলায় কৃষকদের মাঝে উন্নতজাতের ধানের বীজ বিতরণ

গোবরাতলায় কৃষকদের মাঝে উন্নতজাতের ধানের বীজ বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোবরাতলায় কৃষকদের মধ্যে ব্রি ধান-২৮, ৩৬, ৮৮, ৮৯, ৯২ জাতের বীজ প্রদান করা হয়েছে। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)’র সহযোগিতায় প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি এইসব বীজ বিতরণ করে। প্রয়াসের সমন্বিত কৃষি ইউনিটের (কৃষি খাত) আওতায় বীজগুলো বিতরণ করা হয়। রবিবার সকালে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির ইউনিট-১ গোবরাতলায় অনুষ্ঠিত কৃষি উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে ধান চাষ বিষয়ে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেন প্রয়াসের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোস্তাফিজুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন- আরএমটিপি প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক রিফাত আমিন হিরা, মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক, ইউনিট-১’র হিসাবরক্ষক আসলাম হোসেন, সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানসহ অন্যরা। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল দৈনিক গৌড় বাংলা ও রেডিও মহানন্দা ৯৮.৮ এফএম।

নির্বাচন কমিশনারের শপথ নিলেন নাচোলের কৃতী সন্তান আবুল ফজল 

নির্বাচন কমিশনারের শপথ নিলেন নাচোলের কৃতী সন্তান আবুল ফজল  প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চার নির্বাচন কমিশনার রবিবার শপথ নিয়েছেন। তাদেরকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। চার নির্বাচন কমিশনারের (ইসি) একজন হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার কৃতী সন্তান অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। এদিকে আবুল ফজল নির্বাচন কমিশনার হওয়ায় এলাকাবাসী আনন্দে ভাসছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৮ সালে নাচোল পৌর এলাকার মাস্টারপাড়া মহল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। নাচোলে ১৯৮৩ সালে স্কুল ও ১৯৮৫ সালে কলেজজীবন শেষে ১৮তম বিএমএ লংকোর্সে তিনি ক্যাডেট হিসেবে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৮৮ সালের জুনে কমিশন লাভ করেন এবং সর্ববিষয়ে সর্বশ্রেষ্ঠ ক্যাডেট হিসেবে সোর্ড অব অনার লাভ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পেশাগত জীবনে এবং প্রশিক্ষণে আবুল ফজল অসামান্য উৎকর্ষ লাভ করেন। তিনি আর্মি স্টাফ কোর্সে প্রথম হওয়ার পাশাপাশি মাস্টার্স ইন ডিফেন্স স্টাডিজে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। ফলশ্রুতিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় স্টাফ কোর্স করার যোগ্যতা লাভ করেন। সেখানে দক্ষতার সাথে ইউএস আর্মি কমান্ড অ্যান্ড জেনারেল স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করার পাশাপাশি মাস্টার্স ইন মিলিটারি আর্টস অ্যান্ড সাইন্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ভারতের ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ইন ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিষয়ে ডিসটিংসনসহ প্রথম শ্রেণীতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্সেও সর্বোচ্চ মান প্রদর্শন করেন। তিনের অধিক সামরিক প্রশিক্ষণে প্রথম স্থান অধিকার করায় তিনি এসইউপি বা সেনা উৎকর্ষ পদক লাভ করেন। এছাড়াও তিনি দুইবার তার কমান্ড দক্ষতার জন্য সেনাবাহিনী প্রধানের প্রশংসা লাভ করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে পিএইচডি রিসার্চ ফেলো। দীর্ঘ ৩৪ বছর ৭ মাসের কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে কমান্ড পর্যায়ে পদাতিক ব্যাটালিয়ান এবং ব্রিগেড কমান্ড, কম্যান্ডান্ট আর্মি সিকিউরিটি ইউনিট অন্যতম। স্টাফ অফিসার হিসেবে তিনি জিএসও-৩ (অপারেশন), ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেড, জিএসও-২ সামরিক অপারেশন পরিদপ্তর এবং কর্নেল জেনারেল স্টাফ ডিজিএফআইয়ে দায়িত্ব পালন করেন। প্রশিক্ষক হিসেবে তিনি ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ এবং স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিকস’র রণকৌশল শাখায় কর্মরত ছিলেন। আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডক্ট্রিন কমান্ডের ট্রেনিং ডিভিশনের প্রধান হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিদেশে যেসব ট্রেনিং কোর্সে অংশগ্রহণ করেছেন তার মধ্যে রয়েছে- মিড ক্যারিয়ার কোর্স (পাকিস্তান), ইউনাইটেড স্টেটস আর্মি কমান্ড অ্যান্ড জেনারেল স্টাফ অফিসার কোর্স (যুক্তরাষ্ট্র), হাইয়ার ডিফেন্স ম্যানেজমেন্ট কোর্স (ভারত) এবং ইন্টারন্যাশনাল ইনটেলিজেন্স ডিরেক্টরস কোর্স (ইউকে)। তিনি জাতিসংঘ মিশনে ১৯৯৪-৯৫ সময়ে সোমালিয়ায় এবং ২০০৩-০৪ সময়ে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে দায়িত্ব পালন করেছেন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফজল ডিফেন্স সার্ভিস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, মিরপুর; ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, মিরপুর; ইউনাইটেড স্টেটস আর্মি কমান্ড অ্যান্ড জেনারেল স্টাফ কলেজ, যুক্তরাষ্ট্র এবং কলেজ অব ডিফেন্স ম্যানেজমেন্ট, ভারত’র অ্যালামনাই। সর্বশেষে তিনি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং একইসাথে ইরানের তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসে সামরিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন।

নতুন প্রেম নিয়ে পরীমণির ‘প্রাঙ্ক’

নতুন প্রেম নিয়ে পরীমণির ‘প্রাঙ্ক’ নভেম্বর ১৯, ২০২৪: কোনো না কোনো বিষয়ে হামেশাই সংবাদের শিরোনাম হন দেশের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি। সদ্যই ঘোষণা দিয়ে বসেছিলেন, নতুন করে প্রেমে পড়েছেন তিনি! আর তা অনুরাগীদের বিশ্বাস করতেও কতক্ষণ! স্বাভাবিকভাবেই তারা ধরে নিয়েছেন, সত্যিই বোধহয় নতুন সঙ্গী পেয়েছেন পরী। অবশ্য, অনুরাগীরাও একরকম ভুল বোঝেনি। সম্প্রতি এমন একটি ভিডিও সামনে এনেছিলেন নায়িকা, তা দেখলে যে কারও মনে হবে, প্রেমিকের সঙ্গে ছাড়া এমন কাজ সম্ভব না। তো কী ছিল সেই ভিডিওতে? যেখানে দেখা গেছে, চলন্ত গাড়িতে কারও হাতের ওপর হাত রেখেছেন নায়িকা পরীমণি। অনেকটা আলিঙ্গনরত মুহূর্তে যুগলরা যেভাবে একে অপরের হাত ধরে, ঠিক সেভাবেই। যদিও পাশে থাকা পুরুষটির চেহারা তখনও প্রকাশ্যে আনেননি পরী। সেই ভিডিও শেয়ার করে নায়িকা লিখেছেন, ‘হ্যাঁ! আমি আবারও প্রেমে পড়েছি।’ পোস্টটি শেয়ার করার পর সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় শোরগোল। পরীকে রীতিমতো শুভকামনা জানাতে থাকেন তার অনুরাগীরা। জীবনের আরেকটি নতুন অধ্যায়ে পা দেওয়ায় অভিনন্দন বার্তায় ভরে ওঠে পরীর মন্তব্য ঘর। একদিকে অনুরাগীরা বিষয়টিকে যেমন ‘সিরিয়াস’ হিসেবে নিয়েছেন, অন্যদিকে একে একে সংবাদের শিরোনাম হয়ে উঠছিলেন পরীমণি। পরীর প্রেমে পড়ার বিষয়টি কারও কারও কাছে একটা ধোঁয়াশায়ও পরিণত হয়। কারও কারও আবার আগ্রহ জন্মায় পরীর বিপরীতের সেই পুরুষটিকে এক ঝলক দেখার। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে আলোচনা বাড়তেই হঠাৎ সেই ভিডিওটি আবার সামনে আনলেন পরীমণি। বোঝাতে চাইলেন, আদতে ভিডিওটি করা হয়েছিল ভক্তদের চমকে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এবং মজার ছলে; তথা, পুরো বিষয়টি ছিল শুধুমাত্র একটি ‘প্র্যাঙ্ক’। পরে ভিডিওটির বাকি অংশটুকুতে তার সেই সঙ্গীকে দেখানো হয়। সেখানে তাদের হাসতে হাসতে ফেটে পড়তেও দেখা যায়। তাদের অট্টহাসির ধ্বনির মাত্রাই বুঝিয়ে দেয়, অনুরাগীদের বোকা বানিয়ে কতটা আনন্দিত তারা! ভিডিওর শেষের দিকে তাদের এও বলতে শোনা যায়, ‘গুজবে কান দেবেন না।’ আর সেই ভিডিওর ক্যাপশনে মজার ছলে প্রশ্ন রাখেন, ‘প্রাংক টা কি একটু বেশি হলে গেছিলো ?’ উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই পরীমণি জানিয়েছিলেন, তার পক্ষে নতুন সম্পর্কে জড়ানো সম্ভব না। জীবনে যা সহ্য করেছেন তারপর আর কারও সঙ্গে তিনি সম্পর্কে নিজেকে বাঁধবেন না। বলা যায়, অভিনেতা শরিফুল রাজের সঙ্গে ডিভোর্সের পর যখন নতুন করে জীবনে বাঁচা শুরু করলেন পরী, তখন বারবার তিনি এ কথাই জানিয়েছিলেন যে ছেলে এবং মেয়ে তার দুটি ডানা। পরীর আর নতুন সম্পর্কের দরকার নেই।

নাচোলে উত্তম ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষ বিষয়ে দুদিনের প্রশিক্ষণ শুরু

নাচোলে উত্তম ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষ বিষয়ে দুদিনের প্রশিক্ষণ শুরু  নভেম্বর ১৯, ২০২৪: চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার ফতেপুরে উত্তম ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষ বিষয়ে দুদিনের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির সমন্বিত কৃষি ইউনিটভূক্ত মৎস্য খাতের আওতায় এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়। প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির ফতেপুর ইউনিটের অধীনস্থ ২৫ জন মৎস্যচাষি এই প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী দিনে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাচোল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইমরুল কায়েস, প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক ও প্রয়াসের ফতেপুর ইউনিট ব্যবস্থাপক মো. আনোয়ার হোসেন। প্রশিক্ষণে পুকুর নির্বাচন, পুকুর প্রস্তুতি, পুকুরকে মাছ চাষের উপযোগী করার কৌশল, প্রজাতি নির্বাচন, পোনা মজুত, চুন ও সার প্রয়োগ পদ্ধতি, মাছ চাষে সাধারণ সমস্যা ও সমাধান, মাছের রোগ ও প্রতিকার ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)’র সহযোগিতায় প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি এই প্রশিক্ষণ বাস্তবায়ন করছে। চরঅনুপনগরে সরিষা বীজ ও সার বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে সদর উপজেলার চরঅনুপনগরে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির ইউনিট-১২ চরঅনুপনগর অফিসের সদস্যেদের মধ্যে সরিষার বীজ বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট (আরএমটিপি) প্রকল্পের আওতায় ১০০ জন কৃষকের প্রত্যেককে সরিষা বীজ, জৈব সার ও ছত্রাকনাশক প্রদান করা হয়। বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে সরিষা চাষ বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন আরএমটিপি প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক কৃষিবিদ রিফাত আমিন হিরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রয়াসের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোস্তাফিজুর রহমান, ইউনিট-১২ এর ব্যবস্থাপক মো. জাকারিয়া, স্মার্ট প্রকল্পের পরিবেশ কর্মকর্তা ইকবাল মাহমুদ, অফিসার শাহরিয়ার শিমুল, জুনিয়র অফিসার আলমাস উদ্দিনসহ অন্যরা। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর সরিষার নিরাপদ ভোজ্য তেল উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি শীর্ষক ভ্যালু চেইন উপ-প্রকল্পের আওতায় প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি এই বীজ এবং জৈব সার ও ছত্রাকনাশক বিতরণ করে।  

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৫৬ ডায়রিয়া রোগী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৫৬ ডায়রিয়া রোগী  নভেম্বর ১৯, ২০২৪: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৬ জন রোগী। তাদের মধ্যে শিশুর সংখ্যায় বেশি। এছাড়া একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে ১৮ জন এবং নিউমনিয়া রোগী ভর্তি হয়েছে ৫ জন। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২৫০ শয্যাবিশষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১০ জন রোগী। ২৫০ শয্যাবিশষ্ট জেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. নাজির আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, রোটাভাইরাস নামক একধরনের ভাইরাস শীতকালে দেখা দেয়। এতে যেসব শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম বা এটা সেটা খাবার কারণে সেইসব শিশুরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়। এই রোটাভাইরাস শীতকালে বেশি ছড়ায়। তিনি বলেন বর্তমানে ডায়রিয়াতে শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। তবে হাসপাতালে ভর্তি থেকে টানা কয়েকদিন চিকিৎসা নিয়ে অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। তিনি বলেন, সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৫৬ জন। এবং একই সময়ে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ছিল ১৮ জন ও নিউমনিয়া রোগী ৫জন। এদিকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ২৫০ শয্যাবিশষ্ট জেলা হাসপাতালে যেখানে ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুদের রাখা হয়েছে সেখানে দেখা যায় আসন শয্যা সংকুলান না হওয়ায় অনেক শিশুকে মেঝেতে রেখেই চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। অন্যদিকে কমেছে নিউমনিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা। সকল বয়সের মানুষকে বিশেষ করে শিশুদের এই শীতে বিশেষ যতেœ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন আরএমও ডা. নাজির আহমেদ।

আম রপ্তানি বাড়াতে চালু হলো কন্ট্রাক্ট ফার্মিং অ্যাপ

আম রপ্তানি বাড়াতে চালু হলো কন্ট্রাক্ট ফার্মিং অ্যাপ নভেম্বর ১৯, ২০২৪ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমের রপ্তানি বাড়াতে ‘কন্ট্রাক্ট ফার্মিং’ অ্যাপ সহায়ক হবে জানিয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান। তিনি বলেছেন, গত বছর মাত্র ৩ হাজার ১০০ কেজি আম রপ্তানি হয়েছে যা পরিমাণে অনেক কম। তবে আগামীতে এই অ্যাপের মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা বাড়িয়ে আমের রপ্তানি বাড়ানো যাবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে বায়ারদের বিশ্বাস অর্জন করা সম্ভব হবে। মাঠ পর্যায়ে চাষিরা কিভাবে আম উৎপাদন করছে সেটি অ্যাপে রেকর্ড থাকবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উৎপাদন প্রক্রিয়া মনিটরিয় করবেন। আমগুলো রপ্তানিযোগ্য হচ্ছে কি-না তা সবাই দেখতে পারবে। মঙ্গলবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আম গ্রেডিং, শর্টিং ও শোধন কেন্দ্র (প্রি এক্সপোর্ট কোয়ারেন্টাইন ফ্যাসিলিট) কেন্দ্রে ‘কন্ট্রাক্ট ফার্মিং’ নামের এই অ্যাপের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্ল্যান্ট কোয়ারেন্টাইন উইংয়ের পরিচালক ডা. মো. শফি উদ্দিন বলেন, আম রপ্তানি বাড়াতে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। এ অ্যাপ তার মধ্যে অন্যতম। আমরা বিভিন্নস্থানে আম গ্রেডিং, শটিং ও শোধন কেন্দ্র নির্মাণ করেছি। এক কথায় বিদেশে আম রপ্তানি বাড়াতে সব ধরণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বারমাসী আম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ফার্মি অ্যাগ্রোর রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন করছি সেটা বিশ্বাস করতে চান না বিদেশি বায়াররা। এ অ্যাপে সব রেকর্ড থাকার কারণে বায়ারদের আমরা বোঝাতে সক্ষম হব যে রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন করেছি। এসময় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক পলাশ সরকার, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সুনাইন বিন জামান, শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মিয়া, নওয়াবি ম্যাংগো’র ইসমাইল খান শামীম, হাসনাত ম্যাংগোর হাসনাত মামুনসহ জেলা আমচাষি ও ব্যবসায়িরা উপস্থিত ছিলেন।