বাংলাদেশ-পাকিস্তান পরিত্যক্ত ম্যাচের টিকিটের মূল্য ফেরত দেবে পিসিবি

বাংলাদেশ-পাকিস্তান পরিত্যক্ত ম্যাচের টিকিটের মূল্য ফেরত দেবে পিসিবি চলমান আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তিনটি ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছে। এরমধ্যে দু’টি ম্যাচের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টুর্নামেন্টের আয়োজক পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এবারের আসরে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘বি’ গ্রুপে অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশ-পাকিস্তান এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘বি’ গ্রুপে অস্ট্রেলিয়া-আফগানিস্তান ম্যাচ বৃষ্টির জন্য পরিত্যক্ত হয়। এরমধ্যে অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা এবং বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের মূল্য ফেরত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পিসিবি। কারন এই দু’ম্যাচ টস ছাড়াই পরিত্যক্ত হয়েছে। এই দু’টি ম্যাচ রাওয়ালপিন্ডিতে নির্ধারিত ছিল। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, বৈশ্বিক আসরে কোন ম্যাচ বৃষ্টির কারণে টস ছাড়া পরিত্যক্ত হয়, তাহলে সেই ম্যাচের টিকিটের মূল্য ফেরত দেবে আয়োজকরা। এক বিবৃতিতে পিসিবি বলেছে, ‘রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে একটি বলও মাঠে গড়ানো ছাড়াই পরিত্যক্ত হওয়া দু’টি ম্যাচের টিকিটের মূল্য ফেরত দেওয়া হবে। ২৫ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ টস ছাড়াই পরিত্যক্ত হয়।’ ১০ থেকে ১৪ মার্চের মধ্যে টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। তবে হসপিটালিটি বক্স এবং পিসিবি গ্যালারির টিকিটের মূল্য ফেরত দেবে না পিসিবি।

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ডিপিএল

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ডিপিএল আগামীকাল তিন ভেন্যুতে তিনটি ম্যাচ দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে লোভনীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল)। তিন ভেন্যু- মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম (এসবিএনসিএস) এবং বিকেএসপি-৩ এবং ৪ নম্বর মাঠে লিগের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। এবারের লিগে ঢাকার মোট ১২টি ক্লাব অংশ নেবে। লিগের প্রথম দিন মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেড-অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব, বিকেএসপি-৩ নম্বর মাঠে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব-গুলশান ক্রিকেট ক্লাব এবং বিকেএসপি-৪ নম্বর মাঠে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব-রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাবের মুখোমুখি হবে। লিগ শুরুর আগে গতকাল ১২ দলের অধিনায়কের মিরপুর স্টেডিয়ামে ট্রফি উন্মোচন করা হয়। ডিপিএলকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের মেরুদন্ড হিসেবে অভিহিত করে মোহামেডান অধিনায়ক তামিম ইকবাল বলেন, দেশের ঐতিহ্যবাহী এবং প্রাচীনতম এই লিগ দেশের প্রায় সকল ক্রিকেটারের রুটি-রুজি হিসেবে বিবেচিত। তামিম বলেন, ‘আমি সবসময় ডিপিএলকে আমাদের ক্রিকেটের মেরুদন্ড হিসেবে মনে করি। তাই  এটি আম্পায়ারিং হোক বা ক্রিকেট সকল দৃষ্টিকোণ থেকে আরেকটি সফল আসর হবে বলে আমি আশা করি।’ টি-স্পোর্টসে মোট ২৭টি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। এর বাইরেও টি-স্পোর্টস ডিজিটালে ৮৩টি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরাতে রিভিউ শুনানি ৮ মে

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরাতে রিভিউ শুনানি ৮ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ৮ মে দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চ আজ শুনানির এই দিন নির্ধারণ করেন। আদালতে এসময় রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনিক আর হক। রিভিউ আবেদনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস এবং আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। এর আগে ত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিক ও এক ব্যক্তিসহ মোট চারটি আবেদন করা হয়। একপর্যায়ে এসব আবেদন একসাথে শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন সর্বোচ্চ আদালত। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০১১ সালের ১০ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনে করা সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে তা বাতিল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। এরপর ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। এদিকে গত ১৭ ডিসেম্বর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্তি-সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন।

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত রাজধানী ঢাকাসহ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়। আজ রোববার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো হচ্ছে ১. চিহ্নিত অপরাধী, সন্ত্রাসী এবং মাদক ও চোরা কারবারিদের ধরতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশে বিশেষ অপারেশন শুরু হয়েছে। ২. পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল বাড়ানো ও দক্ষতার সঙ্গে নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ, প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও পাবলিক প্রসিকিউটরদের অংশগ্রহণে সারা দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানবাধিকার ও পরিবেশের উপর গুরুত্বসহ আইন প্রয়োগ’ বিষয়ে ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩. পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট প্রধান, উপ-পুলিশ কমিশনার, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাঠে নিয়োজিত ব্রিগেড প্রধান ও অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তাবৃন্দ প্রতিটি ঘটনার বিষয়ে গৃহীত সিদ্ধান্তের বিষয়ে গণমাধ্যমে ব্রিফ করা। ৪. রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তল্লাশিচৌকি/চেকপোস্ট ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় টহল সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। সেনাবাহিনী, পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও বিজিবি’র সমন্বয়ে যৌথবাহিনী টার্গেট এলাকাসমূহে জোরদার অপারেশন পরিচালনা করছে। ৫. রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে নিয়মিত প্যাট্রলের পাশাপাশি নৌবাহিনী এবং কোস্টগার্ডের অতিরিক্ত প্যাট্রল নিয়োজিত করা হয়েছে। ৬. ছিনতাইকারী, ডাকাত, কিশোর গ্যাং ও অন্যান্য অপরাধপ্রবণ স্থানগুলোতে কম্বাইন্ড অভিযান পরিচালনা করে অপরাধীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। ৭. থানাভিত্তিক সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ করে ত্বরিত পদক্ষেপ নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ৮. ঢাকা শহরের আশপাশে বিশেষ করে টঙ্গী, বসিলা, কেরানীগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল বাড়ানো হয়েছে। ৯. ডিএমপি’র পুলিশ সদস্য, বিজিবি, আনসার ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যদের জন্য মোটরসাইকেল ক্রয়ের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে যাতে করে তাৎক্ষণিকভাবে অলিগলিতে টহল দিয়ে অপরাধীদের ধরা সম্ভব হয়। ১০. মিথ্যা, গুজব ও প্রোপাগাণ্ডার বিপরীতে সত্য তথ্য প্রচারে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা। ১১. স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজিপি, ডিএমপি কমিশনারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ভোর ও গভীর রাতে ঝটিকা সফরে থানা, চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম পরিদর্শন ও মনিটরিং করছেন। ১২. স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ইতিমধ্যে দেশের সকল প্রশাসনিক বিভাগে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন। ১৩. ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কার্যকর উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত বিভিন্ন চেকপোস্ট এবং টহল দলের রাত্রিকালীন কার্যক্রম মনিটরিং করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদেরকে নিয়মিত দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। ১৪. মামলা যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্তকরণে জেলা ও মেট্রোপলিটন পর্যায়ে মামলা মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে করে নিরপরাধ ব্যক্তিরা মামলার হয়রানি থেকে রেহাই পাচ্ছেন। ১৫. জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের মামলাসমূহ নিয়মিতভাবে গুরুত্বের সঙ্গে মনিটরিং করা হচ্ছে যাতে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্তপূর্বক আইনের আওতায় নিয়ে আসা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়। ১৬. আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত প্রতিটি ঘটনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

নৃশংসতা নথিভুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ প্রধান উপদেষ্টার

স্বৈরাচারী শাসনামলের নৃশংসতা নথিভুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ প্রধান উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী শাসক শেখ হাসিনার শাসনামলে সংঘটিত সকল নৃশংসতার সঠিক নথিভুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এর মধ্যে শাপলা চত্বরে আন্দোলনকারীদের ওপর দমনপীড়ন, দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পর আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের নিষ্ঠুরতা এবং বছরের পর বছর ধরে ঘটে যাওয়া বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এই দেশে জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত সকল নৃশংসতার যথাযথ নথিভুক্তির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। যদি এসব ঘটনার যথাযথ নথিভুক্তি না করা হয়, তাহলে সঠিক তথ্য জানা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা কঠিন হবে।’ আজ রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গুইন লুইস এবং জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারীর দপ্তরের জ্যেষ্ঠ মানবাধিকার উপদেষ্টা হুমা খান প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ বলেন। আবাসিক সমন্বয়কারী লুইস বলেন, ‘জনগণের ওপর ঘটে যাওয়া নৃশংসতার ঘটনাসমূহ যথাযথ অধিভুক্ত করতে জাতিসংঘ প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। এটি এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ এবং সত্য প্রতিষ্ঠার একটি প্রক্রিয়া।’ ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে আন্দোলনের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতনের বিষয়ে অনুসন্ধানীমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করায় প্রধান উপদেষ্টা জাতিসংঘকে ধন্যবাদ জানায়। তিনি বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত খুশি যে জাতিসংঘ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ওপর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এটি প্রকাশ করা সহজ কাজ ছিল না, তবে যথা সময়ে এটি তারা প্রকাশ করেছে। আবাসিক সমন্বয়কারী লুইস প্রধান উপদেষ্টাকে জানান যে, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ফোলকার তুর্ক আগামী ৫ মার্চ জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ৫৫তম অধিবেশনে এই প্রতিবেদনের বিষয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ব্রিফ করবেন। আবাসিক সমন্বয়কারী আশা প্রকাশ করেন যে, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আসন্ন বাংলাদেশ সফরকালে রোহিঙ্গা সঙ্কটকে পুনরায় বৈশ্বিক মনোযোগে আনবেন, বিশেষ করে যখন এক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা হ্রাস পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা আর্থিক সহায়তা হ্রাস পাওয়ার বিষয়ে খুবই উদ্বিগ্ন।’ তিনি বলেন, প্রতি মাসে শুধুমাত্র রোহিঙ্গাদের খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হয়, যা অন্যান্য মৌলিক চাহিদার সঙ্গে যুক্ত। জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস আগামী ১৩ থেকে ১৬ মার্চ বাংলাদেশ সফর করবেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক বিশেষ কর্মশালা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক বিশেষ কর্মশালা চাঁপাইনবাবগঞ্জে গার্ল ইন স্কাউটদের নিয়ে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক বিশেষ কর্মশালা বুধবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের হরিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ কর্মশালায় নারী শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে ধারণা দেন গাইনি বিশেষজ্ঞ ড. জান্নাতুল ফেরদৌস সোনিয়া। সুস্থ থাকতে, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতনতাকে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে গার্ল ইন স্কাউটের উপদল নেতা কোর্সের দ্বিতীয় দিনে এ বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন এসএমসির কর্মকর্তা মুহম্মদ হাবিবুর রহমান। এর আগে সকালে প্রার্থনা সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় কোর্র্সের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম। এতে দড়ির বিভিন্ন কাজ, প্রতিকূল পরিবেশে বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে চলার কৌশল ও প্রাথমিক চিকিৎসায় করণীয় বিষয়ে হাতেকলমে জ্ঞান অর্জন করেন স্কাউট সদস্যরা। হরিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী উনাইশা মাহজুবা জানান, অনেক কিছুই জানতে পেরেছি। বয়ঃসন্ধিকালের পরিবর্তনসহ ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার বিষয়গুলো খুব সহজভাবে আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া আমরা স্কাউটিংয়ের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে পেরেছি। হাতেকলমে এ শিক্ষা আমাদের আগামী দিনে নিজ নিজ দল পরিচালনার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে। ভোলাহাট উপজেলার বজরাটেক সবজা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ও ভোলাহাট মহানন্দা মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সদস্য সাহিদা খাতুন বলেন, আজকে অনেক মজা হয়েছে, অনেক ভালো লেগেছে। অনেক কিছুই শিখতে পেরেছি। চাঁপাইনবাবগঞ্জের আলীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান জানান, আমরা ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার অনেক বিষয় জানতাম না। আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। এর মাধ্যমে আমরা সবাই উপকৃত হবো। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা স্কাউটস সম্পাদক গোলাম রশিদ জানান, উপদল নেতা কোর্সসম্পন্নকারী স্কাউট সদস্যরা আগামীতে তাদের দল পরিচলনার দক্ষতা অর্জন করবে। যা গার্ল ইন স্কাউটের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে ভূমিকা রাখবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’- এই প্রতিপাদ্যে তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ উপলক্ষে উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও সদর উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে বুধবার দুপুর ১টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ উদ্ভাবনী আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন ও আইসিটি) মো. রেজাউল আলম সরকার। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আফাজ উদ্দিন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) তরিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেনÑ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. তাছমিনা খাতুন। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, শিক্ষা শুধু চাকরি পাওয়ার জন্য নয়। শিক্ষা বহুমুখী জ্ঞান অর্জন করার জন্য। অ্যাকাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বহুমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে, পাশাপাশি কারিগরি ও এরকম নতুন কিছু উদ্ভাবনী আবিষ্কার করতে হবে।

চক্ষু হাসপাতালে রোগীদের জন্য রেকর্ড ক্লিপ ফাইল চালু

চক্ষু হাসপাতালে রোগীদের জন্য রেকর্ড ক্লিপ ফাইল চালু চাঁপাইনবাবগঞ্জ চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র রোগীরা যাতে সহজে সংরক্ষণ করতে পারে সে লক্ষে রেকর্ড ক্লিপ ফাইল চালু হয়েছে। বুধবার থেকে চক্ষু হাসপাতালে এ কার্যক্রম শুরু হয়। বেলা ১১টায় এক রোগীর হাতে রেকর্ড ক্লিপ ফাইল তুলে দেয়ার মধ্য দিয়ে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতির চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী একেএম খাদেমুল ইসলাম। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑ জেলা অন্ধ কল্যাণ সমিতির কোষাধ্যক্ষ মো. ইকবাল হোসেন, হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. ইমরান জাভেদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী, সুপারভাইজার মনিরুল ইসলাম সেলিমসহ আরো অনেকে। চেয়ারম্যান একেএম খাদেমুল ইসলাম জানান, মাত্র ১০০ টাকাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষকে চক্ষু সেবা দেয়া হয় এই হাসপাতাল থেকে। এই টাকার মধ্যে দুটি পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ চিকিৎসক দেখানো হয়। তিনি বলেন, এর আগে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাগজ ও চিকিৎসাপত্র রোগীদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হতো। কিন্তু বেশিরভাগ রোগী সেগুলো ফাইল না করার কারণে হারিয়ে ফেলেন এবং পরবর্তীতে সঙ্গে নিয়ে আসতে পারতেন না। সেই জায়গা থেকে ব্যবস্থাপত্রসহ আনুষঙ্গিক কাগজপত্র রোগীরা যাতে সহজে সংরক্ষণ করতে পারে, সেজন্য রেকর্ড ক্লিপ ফাইল চালু করা হলো। চক্ষু হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা খাদেমুল ইসলাম আরো বলেন, এই হাসপাতালে গড়ে প্রতিদিন আড়াই শতাধিক রোগী চক্ষু সেবা নিয়ে থাকেন। হাসপাতালে সেবার মান বৃদ্ধিসহ আধুনিক চিকিৎসার জন্য নতুন নতুন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। উদ্যোগের অংশ হিসেবে এরই মধ্যে দুই বছরব্যাপী প্রায় আড়াই হাজার দুস্থ ও গরিব রোগীর সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশনের জন্য এরই মধ্যে দৃষ্টি উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে অন্ধ কল্যাণ সমিতির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সাধারণ মানুষকে অবহিত করতে এরই মধ্যে মসজিদে মসজিদে চিঠি দেয়া হয়েছে। শিগগিরই এর কার্যক্রম শুরু হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মডেল প্রেস ক্লাবের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মডেল প্রেস ক্লাবের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে মডেল প্রেস ক্লাবের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আলোচনা সভা, কেক কাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে উদ্যাপন করা হয়েছে। ৭ বছরে পর্দাপণ উপলক্ষে বুধবার বেলা ১১টায় শহরের বিশ্বরোড মোড়ে মডেল প্রেস ক্লাবের হল রুমে এসবের আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ মাওলানা মো. আব্দুল মতিন, দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’র প্রকাশক ও সম্পাদক এবং চ্যানেল আইয়ের জেলা প্রতিনিধি মো. আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু, ডিবিসি টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি মো. জহুরুল হক, দৈনিক ভোরের দর্পণ পত্রিকার গোমস্তপুর উপজেলা প্রতিনিধি ও স্বাধীন প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আলাউদ্দিন পারভেজ। সভাপতিত্ব করেন মডেল প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও আনন্দ টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি ফেরদৌস সিহানুক শান্ত। সঞ্চালনা করেন মডেল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক বাংলাদেশের খবরের জেলা প্রতিনিধি বদিউজ্জামান রাজাবাবু। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- গ্লোবাল টেলিভিশনের ফারুক হোসেন, সময় টিভির জাহাঙ্গীর আলম, অনলাইন টেলিভিশন প্রহর টিভির জেলা প্রতিনিধি রিপন জামান, মডেল প্রেস ক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের স্টাফ রিপোর্টার মনোয়ার হোসেন রুবেলসহ সব সদস্য। সভার শুরুতে আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। শেষে ক্লাবের সাবেক সদস্য প্রয়াত অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহজামালের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণতন্ত্র উৎসব অনুষ্ঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণতন্ত্র উৎসব অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে শান্তি, সম্প্রীতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার লক্ষে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে গণতন্ত্র উৎসব-২০২৫ (যুব ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হাসান তরফদার। এর আগে সকালে বের হওয়া বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশ নেন জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আস্থা নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সভাপতি শাহ আলম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল আওয়াল। স্বাগত বক্তব্য দেন- ডেমোক্রেসিওয়াচের নির্বাহী পরিচালক ওয়াজেদ ফিরোজ। অলোচনা শেষে অতিথিবৃন্দ নাগরিক প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ক্লাস্টার কো-অর্ডিনেটর মহিউদ্দিন মইন, জেলা সমন্বয়কারী রেজাউল করিম, মনিটরিং অ্যান্ড রিপোটিং কো-অর্ডিনেটর জাহাঙ্গীর আলম, রংপুর জেলা সমন্বয়কারী নাছিমা বেগম, আস্থা প্রকল্পের এসএফও নাদিমা বেগম, নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সদস্য জোনাব আলী, মোস্তাক হোসেনসহ আরো অনেকে। ডেমোক্রেসিওয়াচের সহযোগিতায় গণতন্ত্র দিবসের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন এবং আস্থা-নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও যুব ফোরাম। বিকেলে কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে যুব ফোরামের সদস্যদের ও স্থানীয় ব্যান্ডের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। গণতন্ত্র উৎসবের উদ্দেশ্য হচ্ছে শান্তি, সম্প্রীতি, অহিংস সমাজ গঠন ও গণতন্ত্রের চর্চার বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে একটি সচেতনতা ক্যাম্পেইন আয়োজনের মাধ্যমে যুব-তরুণদের এবং আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সংবেদনশীল করার উদ্দেশ্যে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রচারণা ও সচেতনতা গড়ে তোলা।