চমক ওয়েস্টার্ন লুকে অপুর

চমক ওয়েস্টার্ন লুকে অপুর ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম সফল এবং জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য ব্যবসা সফল সিনেমা উপহার দিয়ে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন দর্শকদের মনে। তবে কেবল রূপালি পর্দায় নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সক্রিয় এই অভিনেত্রী। নিয়মিত বিরতিতে নতুন নতুন লুকে হাজির হয়ে তাক লাগিয়ে দেন ভক্ত-অনুরাগীদের। সম্প্রতি ওয়েস্টার্ন-ফিউশন ফরমাল আউটফিটে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তিনি। তার শেয়ার করা একগুচ্ছ ছবিতে দেখা যায়, পরনে শুভ্র সাদা রঙের একটি স্টাইলিশ কোট। কানের দুল আর গলার নেকলেসে ফুটে উঠেছে আধুনিক ও আভিজাত্যের ছাপ। ক্যাপশনে অপু লিখেছেন, ‘তুমি যেমনটা পেতে চাও, নিজেকে ঠিক তেমনভাবেই গড়ে তোলো।’ এদিকে অপুকে গ্ল্যামারাস লুকে দেখে আপ্লুত নেটিজেনরা। মুহূর্তেই ছবির কমেন্ট বক্স ভরে ওঠে প্রশংসায়। অপুর রূপের লাবণ্য আর চোখের মোহময় চাহনি নজর কেড়েছেন। একজন নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘অসাধারণ ছবিগুলো, কারো নজর যেন না লাগে মাশাআল্লাহ আপু।’ আরেক ভক্ত নিজের আবেগ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমার হৃদয়ের আয়নাতে শুধু তোমাকেই দেখি। প্রসঙ্গত, অপু বিশ্বাস ‘কোটি টাকার কাবিন’ দিয়ে ২০০৬ সালের পরিচিত পান। এর আগে ‘কাল সকালে’ সিনেমায় পার্শ্ব চরিত্র দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু হয় তার। সিনেমাটি পরিচালনা করেন আমজাদ হোসেন। এরপর শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে নিয়মিত হোন অপু বিশ্বাস।
সবাইকে মুগ্ধ করবো গানে গানে

সবাইকে মুগ্ধ করবো গানে গানে নন্দিত সংগীতশিল্পী সামিনা চৌধুরী, যিনি চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সমান জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন। নিয়মিত গান গেয়ে যাচ্ছেন, স্টেজ শোতেও গানে গানে দর্শককে মুগ্ধ করে যাচ্ছেন। কয়েক মাস বিরতির পর তিনি এরই মধ্যে আবারও কানাডায় গেছেন একটি স্টেজ শোতে সংগীত পরিবেশন করার জন্য। কানাডার ‘জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব টরন্টো’র আহ্বানে তাদের আয়োজিত অনুষ্ঠানে কানাডার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় সংগীত পরিবেশন করবেন সামিনা চৌধুরী। সুদূর কানাডা থেকে বিয়ষটি নিশ্চিত করেছেন সামিনা চৌধুরী। সেখানে সংগীত পরিবেশন শেষে আগামীকাল ২৩ ডিসেম্বর তিনি ঢাকায় ফিরবেন। ঢাকায় ফিরেও বেশ কয়েকটি স্টেজ শোতে সংগীত পরিবেশন করবেন গুণী এই সংগীতশিল্পী। এদিকে কানাডা যাওয়ার আগে বিটিভিতে বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রচারিত ‘অক্ষয় ইতিহাস’ শিরোনামের অনুষ্ঠানে আরেক গুণী সংগীতশিল্পী আলম আরা মিনুর সুরে গান গেয়েছেন। গানটি লিখেছেন অধরা জাহান। কানাডা সফর ও বিটিভিতে গান গাওয়া প্রসঙ্গে সামিনা চৌধুরী বলেন, ‘সেই ১৯৯৩ সালে প্রথম কানাডায় স্টেজ শোতে গাইতে আসি। এরপর আরও অনেকবার কানাডায় স্টেজ শোতে সংগীত পরিবেশন করতে এসেছিলাম। এবার জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব চৌধুরী রনি ভাইসহ অ্যাসোসিয়েশনের সবার নিমন্ত্রণে তাদের অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করতে এসেছি। আশা করছি আজকের আয়োজন সব মিলিয়ে ভীষণ সুন্দর হবে এবং আমিও গানে গানে সবাইকে মুগ্ধ করব। আরেকটি কথা না বললেই নয়, মিনু তো সত্যিই অনেক সুন্দর সুর করে। তার সুরের জ্ঞানকে আমাদের কাজে লাগানো উচিত। মূলত তাকে সাহস দিতেই তারই সুরে গানটি গেয়েছি আমি। আমার ভীষণ ভালো লাগে যখন দেখি আমাদের নারী শিল্পীরাও গানের সুর সৃষ্টি করছেন। এটি সত্যিই অনেক অনেক ভালো লাগার বিষয়। আধরা জাহানও একজন গীতিকবি হিসেবে খুব ভালো কাজ করছে। তার জন্যও দোয়া রইল। এদিকে চলতি বছরের শুরুর দিকে কানাডাতেই সামিনা চৌধুরীর সংগীতজীবনের চার দশক উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যাতে সামিনা চৌধুরীকে যথাযথভাবে সম্মান প্রদর্শন করা হয়।
ছোট ছিলাম, বাচ্চা ছিলাম

ছোট ছিলাম, বাচ্চা ছিলাম একসময় ছোট ও বড় পর্দার পরিচিত মুখ ছিলেন আফসান আরা বিন্দু। নিয়মিত অভিনয়, আলোচনায় থাকা জুটি আর দর্শকের ভালোবাসা সব ছেড়ে দীর্ঘদিন ছিলেন আড়ালে। প্রায় এক দশক পর হঠাৎ একটি পডকাস্টে এসে নিজের ক্যারিয়ার, বিরতি এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা অজানা অধ্যায় নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন এই অভিনেত্রী। ২০০৬ সালে ‘লাক্স–চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়ে শোবিজে যাত্রা শুরু করেন আফসান আরা বিন্দু। সৌন্দর্য ও সাবলীল অভিনয়ের কারণে অল্প সময়েই দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। শুরুর দিকেই তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘দারুচিনি দ্বীপ’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান। এরপর ‘পিরিতের আগুন জ্বলে দ্বিগুণ’, ‘জাগো’ ও ‘এই তো প্রেম’–এর মতো ছবিতে কাজ করে বড় পর্দায় নিজের অবস্থান শক্ত করেন। ‘এই তো প্রেম’ সিনেমায় সুপারস্টার শাকিব খানের বিপরীতে তার অভিনয় তখন বেশ আলোচনায় ছিল। একই সময়ে টিভি নাটকেও নিয়মিত কাজ করে ছোট পর্দায়ও জনপ্রিয়তা পান তিনি। একাধিক নাটকে আরেফিন শুভর সঙ্গে বিন্দুর জুটি দর্শকের কাছে আলাদা গ্রহণযোগ্যতা পায়। পর্দার রসায়নের পাশাপাশি একসময় তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও গুঞ্জন ছড়ায়। কাজের সময় পারস্পরিক বোঝাপড়া ও অভিনয়ের স্বাভাবিকতা দর্শকের মনে জায়গা করে নেয়। তবে ২০১৪ সালের পর হঠাৎ করেই আড়ালে চলে যান বিন্দু। অভিনয় তো বটেই, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছিলেন প্রায় অনুপস্থিত। প্রায় এক দশক পর ২০২৩ সালে ‘উনিশ২০’ নামের একটি ওয়েব ফিল্মে আবারও আরেফিন শুভর সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়ে পর্দায় ফেরেন তিনি। ওয়েব ফিল্মটি দর্শকের প্রশংসা পেলেও এরপর আবারও নীরবতায় ফিরে যান বিন্দু। এই দীর্ঘ বিরতির পর প্রথমবারের মতো পডকাস্টে অতিথি হয়ে কথা বলেন তিনি। মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএমের যৌথ আয়োজনে ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ অনুষ্ঠানে নিজের অভিনয়জীবন, বিরতি এবং ব্যক্তিগত নানা প্রসঙ্গ তুলে ধরেন বিন্দু। আরেফিন শুভর সঙ্গে পর্দার রসায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পর্দায় তার সঙ্গে আমার রসায়ন সত্যিই খুব ভালো। এটা এসেছে আমাদের দুজনের ভালো বোঝাপড়া থেকে।’ শুভসহ যাঁদের সঙ্গে কাজ করেছেন, সবাই সহযোগিতাপূর্ণ ছিলেন বলেও জানান তিনি। দর্শকের এই পছন্দ ‘উনিশ২০’–তেও স্পষ্ট হয়েছে বলে তার ধারণা। প্রেমের গুঞ্জন ভাঙার প্রসঙ্গে সঞ্চালকের প্রশ্নে কিছুটা ইতস্তত হয়ে বিন্দু বলেন, ‘ছোট ছিলাম, বাচ্চা ছিলাম বিপজ্জনক প্রশ্ন!’ পরে যোগ করেন, ‘কেন সম্পর্ক ভেঙে গেল এর উত্তর আমার কাছেও নেই। দুটো মানুষের পথচলা যে একই জায়গায় শেষ হতেই হবে, এমন কোনো কথা নেই। আমরা তখন কাজ নিয়েই এতটা ডুবে ছিলাম যে এর বাইরে কিছু ভাবার সুযোগই হয়নি। ভবিষ্যতে আবার আরেফিন শুভর সঙ্গে কাজ করবেন কি না এ প্রশ্নে বিন্দু স্পষ্ট করে জানান, সুযোগ এলে তার আগ্রহ আছে। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে আবারও একসঙ্গে কাজ করতে চান তিনি। দীর্ঘ নীরবতার পর এই খোলামেলা উপস্থিতি নতুন করে আলোচনায় এনেছে আফসান আরা বিন্দুকে। নিয়মিত অভিনয়ে তিনি ফিরবেন কি না সে অপেক্ষায় এখন দর্শক।
বিশ্ব মেডিটেশন দিবস পালিত

বিশ্ব মেডিটেশন দিবস পালিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব মেডিটেশন দিবস পালিত হয়েছে। আজ সকাল ৭টায় নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে মেডিটেশনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে সঞ্চালক ছিলেন গোলাম রাব্বানী সুমন। মেডিটেশনকালে অডিওর মাধ্যমে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন মেডিটেশনকারীদের মাজী এবং অডিও মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মেডিটেশন করান তাদের গুরুজী। মেডিটেশনের বিষয় ছিল ‘ভালো মানুষ ভালো দেশ-স্বর্গভূমি বাংলাদেশ, ‘ ভালো ভাবব, ভালো বলব, ভালো করব, ভালো থাকব।’ এসময় উপস্থিত ছিলেন— অ্যাডভোকেট সাদরুল আমিনসহ অন্যরা।
রাজশাহীতে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

রাজশাহীতে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার রাজশাহীর দুর্গাপুর থেকে ৮ মাসের সশ্রম সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৫। গ্রেফতার ব্যক্তি রাজশাহীর দুর্গাপুর থানার দেলুয়াবাড়ি কিশোরপুর এলাকার মওলা মন্ডলের ছেলে মোসলেম মন্ডল। র্যাব-৫ এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মোসলেম মন্ডল দীর্ঘদিন ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রেফতারের পর তাকে দূর্গাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মহারাজপুরে মাদক কারবারি গ্রেফতার

সদর উপজেলার মহারাজপুরে মাদক কারবারি গ্রেফতার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদেশি মদ পরিবহনকালে শরীফ নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। গ্রেফতার ব্যক্তি সদর উপজেলার মহারাজপুর পুকুরটলি এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. শরীফ। র্যাব-৫ এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের ফিল্ডেরহাট ঈদগাহের উত্তর পাশে পাকা রাস্তায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৩ বোতল বিদেশি মদ ও নগদ ২ হাজার ৭’শ ৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এঘনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সদর মডেল থানায় আসামীকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মিনহাসের ঝড়, পাকিস্তানের উড়ন্ত জয়; ভারত হেরে শিরোপা হাতছাড়া

মিনহাসের ঝড়, পাকিস্তানের উড়ন্ত জয়; ভারত হেরে শিরোপা হাতছাড়া দুবাইয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে এক দাপুটে জয়ে শিরোপা জিতেছে। আইসিসি একাডেমি মাঠে অনুষ্ঠিত ৫০ ওভারের ম্যাচে পাকিস্তান ১৯১ রানে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ওঠে। টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিল ভারত, কিন্তু শুরু থেকেই ব্যাটারদের আক্রমণের মুখে পড়তে হয় তাদের। পাকিস্তান নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩৪৭ রান করে। পাকিস্তানের বড় সংগ্রহে প্রধান নায়ক ছিলেন সামির মিনহাস। ১১৩ বল খেলে তিনি খেলেন ১৭২ রানের দারুণ ইনিংস, যেখানে ছিল ১৭ চার ও ৯ ছক্কা। গ্রুপ পর্বে মালয়েশিয়াকে ১৭৭ রানে হারানো এই তরুণ ব্যাটারের এটি দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে ফাইনালে প্রতিশোধ নেওয়ার মানসিকতায় যেন ঝড় তুললেন মিনহাস। নতুন বলের বোলার কিশান সিং ও দীপেশ দেবেন্দ্রনের ওপর আক্রমণ চালিয়ে মাত্র ৭১ বলেই শতক পূর্ণ করেন তিনি। যদিও ধীরগতির এক বল ধরতে না পেরে মিড অনে ক্যাচ হয়ে মাঠ ছাড়েন, তবুও তাঁর ইনিংস পাকিস্তানকে বড় সংগ্রহ এনে দিয়েছে। পাকিস্তানের ইনিংসে উসমান খান ৩৫ রান করেন, আর আহমেদ হুসেইন ৫৬ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। মিনহাস ও আহমেদের ১৩৭ রানের জুটি পাকিস্তানকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। ৩৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত শুরু থেকেই সমস্যায় পড়ে। নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে তারা, এবং পুরো দল মাত্র ১৫৬ রানে অলআউট হয়। দলের সর্বোচ্চ স্কোর আসে ৩৬ রানে, যা করেন দেবেন্দ্রন। পাকিস্তানের বোলিংয়ে আলি রাজা ৪ উইকেট নেন। আবদুল সোবহান, মোহাম্মদ সায়াম ও হুজাইফা আহসান দুটি করে উইকেট নেন। এই জয়ের মাধ্যমে পাকিস্তান দ্বিতীয়বারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ জয়লাভ করল। এর আগে ২০১২ সালে ভারতকে সঙ্গে নিয়ে যৌথ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা।
দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১০

দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১০ দক্ষিণ আফ্রিকায় এক বন্দুক হামলায় ১০ জন নিহত ও অপর ১০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ রোববার এ তথ্য জানিয়েছে। জোহানেসবার্গ থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়। পুলিশ এএফপিকে জানায়, নগরী থেকে ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বেকারসডালে এ গুলি হামলার ঘটনা ঘটে। তবে, গুলি চালানোর উদ্দেশ্য জানা যায়নি। পুলিশ জানায়, হামলাকারীদের পরিচয় এখনো সনাক্ত করা যায়নি। এক বিবৃতিতে পুলিশ জানায়, অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা রাস্তায় চলাচলরত ক’জনের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর আরও চাপ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি জেলেনস্কির আহ্বান

যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর আরও চাপ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি জেলেনস্কির আহ্বান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর আরও চাপ প্রয়োগের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, রাশিয়াকে শান্তি আলোচনায় রাজি করানোর সক্ষমতা কেবল যুক্তরাষ্ট্রেরই রয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, জেলেনস্কির এই মন্তব্য এমন এক সময় এলো, যখন নতুন দফার আলোচনার লক্ষ্যে কূটনীতিকরা যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে একত্রিত হয়েছেন। জেলেনস্কি বলেন, ওয়াশিংটন ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে ছয় মাসের মধ্যে প্রথম সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে যুদ্ধ শেষ করতে হলে মস্কোর ওপর আরও কঠোর চাপ প্রয়োগ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, “যুদ্ধ বন্ধ করতে রাশিয়াকে রাজি করানোর ক্ষমতা একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রেরই আছে। যদি কূটনীতি কাজ না করে, তাহলে পূর্ণ চাপ প্রয়োগ করতে হবে।” ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এখনো সেই মাত্রার চাপ অনুভব করেননি, যা তার ওপর থাকা উচিত। তিনি ইউক্রেনে আরও অস্ত্র সরবরাহ এবং রাশিয়ার সমগ্র অর্থনীতির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। এদিকে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত কিরিল দিমিত্রিভ মিয়ামিতে পৌঁছেছেন। সেখানে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের মধ্যস্থতায় ইউক্রেনীয় ও ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। দিমিত্রিভ সাংবাদিকদের জানান, আলোচনা গঠনমূলকভাবে শুরু হয়েছে এবং তা আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। অন্যদিকে, ট্রাম্পের দূতরা একটি শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছেন, যার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেবে। তবে এর বিনিময়ে কিয়েভকে কিছু ভূখণ্ড ছাড় দিতে হতে পারে—যা অনেক ইউক্রেনীয়র মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শুক্রবার জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সম্মতি ছাড়া কোনো শান্তি চুক্তি চাপিয়ে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, “ইউক্রেন রাজি না হলে কোনো শান্তি চুক্তি হবে না।” রুবিও শনিবার নিজ শহর মিয়ামিতে আলোচনায় যোগ দিতে পারেন বলেও জানান। উল্লেখ্য, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সর্বশেষ সরাসরি আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছিল গত জুলাই মাসে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে। ওই আলোচনার ফলে বন্দী বিনিময় হলেও যুদ্ধ বন্ধে কোনো অগ্রগতি হয়নি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯০ বছর পূর্তি উৎসব উদযাপন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯০ বছর পূর্তি উৎসব উদযাপন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ চাঁপাইনবাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের (টাউন হাই স্কুল নামে পরিচিত) ৯০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। “এসো মিলি প্রাণের টানে, ৯০ বছর উদযাপনে”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে রোববার (২১ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে উৎসবটি পালিত হয়। সকালে বিদ্যালয় মাঠে বেলুন ওড়ানোর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। পরে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহর প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রা শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কেক কাটা হয় এবং ৯০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। আলোচনা সভায় ৯০ বছর পূর্তি উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। বর্তমান প্রধান শিক্ষক হাসিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার মিঞা মো. আকবর আজিজী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহিদুল আলম, স্বাস্থ্য বিভাগ রাজশাহী অঞ্চলের সাবেক পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক সুলতানা রাজিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রাজশাহী অঞ্চলের উপ-পরিচালক আব্দুর রশিদ, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সমিতির সাবেক সভাপতি ডা. এ. টি. এম. মোজাম্মেল হক বকুল, চাঁপাইনবাবগঞ্জের পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল ওদুদ, সমাজসেবক শফিকুল আলম এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্লাবের সম্পাদক গোলাম জাকারিয়া। বক্তারা বলেন, এই আয়োজন সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন পর সহপাঠীদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। আলোচনা সভা শেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী লোকজ গম্ভীরা গান পরিবেশন করা হয়। এরপর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দেশ-বিদেশে কর্মরত ১৬ জন সাবেক শিক্ষার্থীকে তাঁদের কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান করা হয়। বিকেলে স্মৃতিচারণ করেন সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যায় আতশবাজির পর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনব্যাপী আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।