পৌর মেয়র ও ইউপি চেয়ারম্যানগণের অংশগ্রহণে ‘ডিজিটাল সেন্টার’ বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

52

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৌরসভার মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানগণের অংশগ্রহণে ‘ডিজিটাল সেন্টার’ বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসপায়ার টু ইনোভেট-এটুআই এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আজকের এই দিনব্যাপী কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছে। আজ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রদের ডিজিটাল সেন্টার বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন ও সেন্টারসমূহকে আরো যুগোপযোগী, অধিক ব্যবসাবান্ধব, টেকসই ও শক্তিশালীকরণের লক্ষে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এটুআই  প্রোগ্রাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এ কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় জেলার ৪টি পৌরসভা মেয়র বা তাদের প্রতিনিধি ৪জন, ৪৫টি ইউনিয়ন পরিষদের ৪৫জন চেয়ারম্যান অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় ভার্চুায়িল যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন, সরকারের যুগ্ম সচিব ও এটু আই প্রোগ্রামের পরিচালক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর। জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিভ খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও। এছাড়াও নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল সেন্টার সম্পর্কে পরিকলানার কথা তুলে ধরেন শিবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র সৈয়দ মনিরুল ইসলাম ও ঝিলিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফুল হাসান। উল্লেখ্য, উদ্ভাবনী বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনগণের দোরগোড়ায় সহজে, দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সেবা, ফাইন্যান্সিয়াল সেবা, প্রশিক্ষণ, ই-কমার্স সেবাসহ সকল প্রকার সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১০ সালের ১১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ৪ হাজার ৫০১ টি ইউনিয়নে একযোগে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র উদ্বোধন করেন যা বর্তমানে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার নামে সর্বত্র পরিচিত। বর্তমানে দেশব্যাপী ৮ হাজার ৭০৪টি ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত ১৭ হাজার ২০০ জন উদ্যোক্তা ব্যাংকিং এবং ই-কমার্স সেবাসহ ৩৫০টির অধিক সরকারি-বেসরকারি সেবা প্রদান করছেন। ২০২০ সাল পর্যন্ত ডিজিটাল সেন্টার হতে মোট ৫৫.৪ কোটি সেবা প্রদান করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে নাগরিকদের ১.৬৮ বিলিয়ন সমপরিমাণ কর্মঘন্টা ও ৭৬৭.৭৫ বিলিয়ন টাকা ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে। নাগরিকদের জীবনমান পরিবর্তনে ইতিবাচক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ডিজিটাল সেন্টার ২০১৪ সালে ই-গভার্নমেন্ট ক্যাটাগরিতে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন-এর ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছে।